লাকসাম করোনার মাঝেও থেমে নেই গরু চুরি

লাকসাম করোনার মাঝেও থেমে নেই গরু চুরি




মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজ,লাকসাম কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

 কুমিল্লা লাকসামে করোনার সময়ও থেমে নেই গরু চুরি। লাকসাম আজগরা  ইউনিয়নের কৃষ্টপুর ,পশ্চিমপাড়া নতুন বাড়ীর ১জন গৃহকর্তার ২টি গরু লুট করে সশস্ত্র ডাকাতদল নিয়ে যাওয়া সময় যে কাবার ভ্যান করে গাভী নেওয়া হইছে তার (চট্রমোট্র নং ১১৫৩৮২) 

 

গত ১০ / ১০ / ২০১০ ইং তারিখ (শনিবার) বিকাল অনুমান ০৩.৩০ ঘটিকার সময় শহিদুল ইসলাম মজুমদারের বসত বাড়ীর সামনে রাস্তা সংলগ্ন মাঠে দেড়টায় সময় এ চুরি হয় বলে জানা যায়।গাভীটি মালিকীয় একটি পিজিয়াম গাভী গরু , যাহার রং কালাে , লম্বা অনুমান ৬ ফুট , উচ্চতা ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি , শিং লম্বা অনুমান ৩ ইঞ্চি এবং ১ টি শিং ভাঙ্গা , পেও অনুমান আড়াই ফুট , যাহার পেটে ৮/৯ মাসের বাচ্চা আছে । উক্ত গরুটির একটি বাচুর যাহার রং হালকা কালাে , লম্বা অনুমান ৪ ফুট , উচ্চতা ৩ ফুট , লেজ অনুমান দেড় ফুট 

 

এদিকে করোনা পরিস্থিতির এই করোনার মাঝেও একের পর এক গরু চোরি-ডাকাতির ঘটনায় পুরো লাকসাম বিরাজ করছে আতংক।

এ বিষয় লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি বলেন, গরু চুরির বিষয়টি আমি শুনছি একটি সাধারণ ডাইরি হয়েছে এবং চুরি করার সময় যে কাবার ভ্যান করে গাভী নেওয়া হইছে তা ধরার জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।

আশাশুনির খাজরায় তরুনীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

 আশাশুনির খাজরায় তরুনীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

আহসান  উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি :আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নে এক তরুনীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ এনে থানায় লিখিত এজহার দাখিল করা হয়েছে। এব্যাপারে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। থানায় দেওয়া এজাহার ও সাংবাদিকদের কাছে তরুনী অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার বিকালে তিনি চাচার মোটর সাইকেলের পেছনে বসে সাতক্ষীরা যাচ্ছিলেন। এসময় কাপসন্ডা স্কুলের কাছে কয়েকজন যুবক তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে জাপটে ধরে। তাকে বিয়ে করতে হবে বলে সাকিব বিল্লাহ নামের এক যুবক জানায়। তারা তার কাপড় চোপড় টেনে হেঁচড়ে ছিড়ে ফেলে। এমনকি স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। লজ্জাস্কর অবস্থায় পড়ে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। এর পরপরই তিনি আশাশুনি থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার দেন। তরুনী আরো জানান, সাকিব বিল্লাহ, খোকা ও আলামিনসহ ৬জন এই ঘটনা ঘটায়। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানান, তরুনী থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। অভিযোগ সঠিক হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এব্যাপারে সাকিব বিল্লাহর ভাই খাজরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি লাকি বিল্লাহ বলেন, এমন কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি। আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আসমাউল হুসাইন জানান, ‘অভিযোগ সঠিক হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো’। রাজনৈতিক ও পারিবারিক দ্বন্দের জের ধরে এমন ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে দাবী খাজরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি লাকি বিল্লাহর।

শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে কেএমপির মতবিনিময় সভা

শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে কেএমপির মতবিনিময় সভা


পূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা   


তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃ


অদ্য ১১.১০.২০২০ খ্রিঃ তারিখ ১১.০০ ঘটিকায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মাননীয় পুলিশ কমিশনার জনাব মাসুদুর রহামান ভূঞা, এঁর সভাপতিত্বে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে খুলনা মহানগরীতে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিশ্চিতকরণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায়  উপস্থিত ছিলেন অতিঃ পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) জনাব এসএম ফজলুর রহমান, অতিঃ পুলিশ কমিশনার (এএন্ডও) জনাব সরদার রকিবুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিএসবি) জনাব রাশিদা বেগম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি), বি.এম নুরুজ্জামান (বিপিএম), ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ (পিপিএম), ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সদর) জনাব মোহাম্মদ এহ্সান শাহ, ডেপুটি উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব এমএম শাকিলুজ্জামান-সহ কেএমপি’র সকল সহকরী পুলিশ কমিশনারবৃন্দ এবং অফিসার ইনচার্জবৃন্দ।

খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও খুলনাস্থ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তা কর্তৃক মতবিনিময় সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়ঃ


১) কোভিড-১৯ সংক্রামন প্রতিরোধে ভক্ত ও অতিথিদের পূজামন্ডপে সরকারী নির্দেশনা অনুসারে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা।

২) স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা।

৩) অঞ্জলি ও আরতি অনুষ্ঠান (সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী) টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা।

৪) মন্দিরের প্রবেশ পথে হাত ধোয়া ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার এর ব্যবস্থা রাখা। 

৫) পূজামন্ডপে আগত সকলের মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা এবং মন্দির ও আশপাশ এলাকায় জীবানুনাশক স্প্রে করা। 

৬) শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা বিসর্জন পরিহার করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা।

৭) সকল পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরা, হ্যান্ডহেন্ড মেটাল ডিটেকটর ও আর্চওয়ে গেইট স্থাপন করা।

৮) পূজামন্ডপে আগতদের দেহ তল্লাশী এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা। 

৯) স্বেচ্ছাসেবকদের এসবি দ্বারা ভেটিং করানো এবং তালিকা সংশ্লিষ্ট থানার প্রেরণ করা। 

১০) নারীদের তল্লাশীর ক্ষেত্রে নারী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে। 

১১) স্বেচ্ছাসেবকদের আলাদা পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র ও স্বেচ্ছাসেবক লিখিত আর্মড ব্যান্ড প্রদান করা। 

১২) একসাথে ১০ জনের বেশি মন্দিরে প্রবেশ করবে না এবং একজন হতে অন্যজনের দুরত্ব ৩ ফিট হতে হবে

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ফেন্সিডিল সহ আটক-২

 খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ফেন্সিডিল সহ আটক-২




তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃফুলতলা থানা এলাকা হতে সর্বমোট ৬০ (ষাট) বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল, ১১ (এগার) বোতল বিদেশী মদ, ০১ টি হলুদ ও নীল রংয়ের ট্রাক, ০১ টি কালো রংয়ের ট্রাভেল ব্যাগ, ০২ টি সিমেন্টের তৈরী বাজার করা ব্যাগ, ট্রাকের চাবি ও আনুসঙ্গিক কাগজপত্র সহ ০২ জন গ্রেফতার। 


 জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার অফিসার ইনচার্জ জনাব, সেখ কনি মিয়া সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও অভিযান পরিচালনাকালে ১১/১০/২০২০ তারিখ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার ঘটনাস্থল ফুলতলা থানাধীন ফুলতলা যুগ্নিপাশা (খুলনা টু যশোর মহাসড়কের) অভিমুখে যুগ্নিপাশা দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানার মেইন গেটের সামনে থেকে ১১/১০/২০২০ খ্রিঃ তারিখ ১৪.৫০ ঘটিকার সময় আসামি ১। মোঃ রিপন বিশ্বাস (৩৪), পিতা-মৃত সিদ্দিক বিশ্বাস, মাতা-মৃত হাজেরা বেগম, ২। মোঃ সাগর মোল্যা (২০), পিতা- মৃত সাহেব আলী মোল্যা, মাতা-মৃত নুরজাহান, উভয়সাং- প্রেমবাগ স্কুল, থানা-অভয়নগর, জেলা-যশোরদ্বয়কে ধৃত পূর্বক তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ৬০(ষাট) বোতল বৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল, ১১ (এগার) বোতল বিদেশী মদ, ০১ টি হলুদ ও নীল রংয়ের ট্রাক, ০১ টি বড় কালো রংয়ের ট্রাভেল ব্যাগ, ০২ টি সিমেন্টের বস্তার তৈরী বাজার করা ব্যাগ, ট্রাকের চাবি ও আনুসঙ্গিক কাগজপত্র উদ্ধার পূর্বক সাক্ষীদের সম্মুখে ১১/১০/২০২০ তারিখ দুপুর ১৫.৩০ ঘটিকার সময় জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন। এ সংক্রান্তে জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) সেখ কনি মিয়া, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনা বাদী হয়ে আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে ফুলতলা থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন।

কবি পদ্মনাভ অধিকারীর ৬৪তম জন্মদিন

কবি পদ্মনাভ অধিকারীর ৬৪তম জন্মদিন




কাজী রকিবুল ইসলাম : ১২ অক্টোবর বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও 

গবেষক পদ্মনাভ অধিকারীর চোউ্শোটট্তিম জন্মদিন। ১৯৫৮ সালের এই 

দিনে তিনি যশোর পৌরসভার বকচরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-পদকর্তা ও 

ব্রিটিশ খেদাও আন্দোলনী শিক্ষক নলিনীকান্ত অধিকারী, মাতা-গৌরী 

অধিকারী। চারভায়ের মধ্যে কবি পদ্মনাভ অধিকারী সর্বকণিষ্ঠ। তার 

সাহিত্যের হাতেখড়ি সেজভাই ডাক্তার ও সাহিত্যিক মধুসূদন অধিকারীর 

কাছে ১৯৭৬ সালে এপ্রিল মাসে।

পদ্মনাভ অধিকারীর উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্থ: (১) যাব না, (২) অন্তরে অন্তরে, (৩) 

বিধ্বস্ত জনপদ (কাব্য), (৪) চিৎকার (৫)মর্তলোকে দিব্যরথ (কাব্য)(৬)ফেরারী, 

(৭) প্রহরী ও শিশু কিশোর (উপন্যাস)তিন পা-া-১ম খ-, (৮) একবৃন্তে, (৯) 

মহর্ষিশী লালন সাঁই (১০) আধুনিকতা ও আধুনিক কবিতা প্রসঙ্গে 

(প্রবন্ধ)।

তিনি ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বাংলা সংবাদপত্রে সাহিত্য পাতায় 

লিখে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এ ছাড়া ভারত, বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক 

ও সাপ্তাহিক এবং মাসিক পত্রিকাতে ১৯৯২ সাল থেকে তার লেখা প্রকাশ 

হয়ে আসছে। এ পর্যন্ত তার কবিতা সহ, গল্প, প্রবন্ধ, গবেষণা ৬ শত এর 

অধিক প্রকাশ হয়েছে।

খুলনার মোহনা সাহিত্য ও সমাজ কল্যাণ সংগঠন কর্তৃক গবেষণা 

সাহিত্যের জন্য সম্মাননা (২০০৩), সিরাজগঞ্জের ক্যাপটেন মনসুর আলী 

সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক আজীবন সম্মাননা (২০১২) লাভ করেন। তিনি 

রূপায়ণ সম্প্রদায় গবেষণা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এবং বিদ্রোহী 

সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত গবেষণা ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য। সেই সাথে 

যশোর ইনস্টিটিউট,যশোর শিল্পকলা একাডেমি ও গ্লোবাল জার্নালিস্ট 

এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য। তার সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকার 

নাম ‘বিদ্রোহী’। এছাড়া তার দশটি অন্তমিল কবিতার সুরারোপ ও 

স্বরলিপি করেছেন বেতারের কণ্ঠশিল্পি সাধন কুমার অধিকারী ও গোপীনাথ 

দাশ। আজকের এই দিনে তিনি সবার আর্শিবাদ কামনা করেছেন।

২০২১সালের বইমেলায় প্রকাশের জন্য -১। এই হেমন্তে (কাব্য) ২। সিঙ্গেল 

মাদার (ছোট গল্প।)এর পান্ডুলিপি প্রস্তুত রয়েছে। 

কবি পদ্মনাভ অধিকারীর জন্মদিনে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের পক্ষ থেকে 

শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।


সিরাজগঞ্জ বাগবাটীতে উপনির্বাচন জমে উঠেছে তিন প্রার্থীর

 সিরাজগঞ্জ বাগবাটীতে উপনির্বাচন জমে উঠেছে তিন প্রার্থীর




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ২ নং বাগবাটী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ২০ অক্টোবর ইউপি উপনির্বাচন জমে উঠেছে। পোষ্টার প্যানা ও ফেষ্টুনে ছেয়ে গেছে সমগ্র ২ নং ওয়ার্ডের হাট-বাজার, চা-স্টল ও অলিগলিতে।   সমালোচনার ঝড় বইছে ভোটারদের মাঝে। প্রার্থীরা ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রæতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। ভোটারদের মাঝে চলছে প্রার্থীদের গুনকৃর্ত্তন।২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য’র একটি আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতায় মাঠে নেমেছেন।২ নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের সহসভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ (তালা) প্রতীক নিয়ে ভোট প্রার্থনায় মাঠ চুষে বেড়াচ্ছেন। তিনি স্থানীয় সরকারের গত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পরাজিত একজন প্রার্থী হিসাবে ভোটারের মাঝে তার বিজয়ীর সম্ভবনার আভাসটা পরিস্ফুটিত। আবুল কালাম আজাদ একজন সৎ যোগ্য প্রার্থী হিসাবে মাঠ দখল করে অসহায় মানুষের পাশে থেকে জনসেবার প্রতিশ্রæতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার  চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার আরেক প্রার্থী অনার্স মাষ্টার্স ডিগ্রিধারী যুবক মো. আবু মুসা তালুকদার (ফুটবল)প্রতীক নিয়ে ইউপি সদস্য পদে উপনির্বাচনে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করছেন। 


। হিন্দু সম্প্রদায়ের আস্থাভাজন ও নির্ভিক যুব সমাজের বলিষ্ট কন্ঠস্বর। তিনি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রেখে বাগবাটী ২ নং ওয়ার্ডকে মাদক,চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও বাল্য বিয়ে মুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গিকার দিচ্ছেন।অপরদিকে বাগবাটী ঐতিহ্যবাহী হাটের সফল ব্যবসায়ী মো. রুহুল আমিন  (মোড়ক) প্রতীক নিয়ে ইউপি উপনির্বাচনে মাঠ সরগরম করছেন। তিনি একজন স্বচ্ছল প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসাবে জনগণের সেবা করতে নিজেকে আত্ব নিয়োগ করতে চান। তিনি বলেন- স্থানীয় সরকারের ইউপি উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দুঃস্থ অসহায় মানুষকে সেবা করতে এই নির্বাচনে তার মুল লক্ষ্য।উল্লেখ্য চলতি ২০২০ সালের ২৫ জানুয়ারী বাগবাটী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাইজুল ইসলাম বাদশা মৃত্যুবরণ করলে এ আসনটি শুন্য হয়। আগামী ২০ অক্টোবর এই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়।



বাগবাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমার ইউনিয়নে ২নং ওয়ার্ডের উপনির্বাচন এর তফসিল ঘোষনা হয়েছে। ভোট সুন্দর শান্তিশৃংখলার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন অফিস ও আইনশৃংখলার বাহিনীর সহযোগীতা কামনা করছি।

বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ এর নাগরপুর উপজেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

 বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ এর নাগরপুর উপজেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন




হাসান সাদী,নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ নাগরপুর উপজেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হইছে। হিন্দু ছাত্র পরিষদের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী এক বছরের জন্য নাগরপুর উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।গত ১০-১০-২০২০ তারিখে হিন্দু ছাত্র পরিষদের জেলা কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে হিন্দু ছাত্র পরিষদের জেলা কমিটির আহবায়ক ঝন্টু গোস্বামী ও সদস্য সচিব বিশ্বজিৎ মন্ডল তাপস এর সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিপ্লব চক্রবর্তী (দূর্জয়) কে সভাপতি এবং সুমন আচার্য্য কে সাধারণ সম্পাদক করে নাগরপুর উপজেলা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয় । পূর্নাঙ্গ কমিটির সদস্য সংখ্যা ৩৬জন।নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ কে জানান তারা সব সময় হিন্দু ছাত্রদের পাশে থেকে তাদের সব রকম সাহায্য সহযোগীতা করা হবে।

উন্মুক্ত ধনু নদীতে মাছ ধরতে বাধা, জেলেদের বিক্ষোভ

 উন্মুক্ত ধনু নদীতে মাছ ধরতে বাধা, জেলেদের বিক্ষোভ




আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি  নেত্রকোনা: নেত্রকোনার জেলার মোহনগঞ্জ,ও সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত প্রভাবশালীদের দখলে থাকা  উন্মুক্ত ধনু নদীতে মাছ ধরতে না পারার প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে স্থানীয় জেলেরা। 


রবিবার বিকেল ৩টার দিকে মোহনগঞ্জ উপজেলাধীন  ধনু নদীর তীরবর্তী গাগলাজুর বাজারে স্থানীয় কয়েক’শ জেলে এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

মিছিলটি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার সংলগ্ন মান্দারবাড়ি-চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের মাঠে এসে এক প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।


সভায় বক্তব্য রাখেন, মান্দারবাড়ি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি সভাপতি মো. শাহালম,সহ-সভাপতি মস্তান মিয়া, সাধারন সম্পাদক নূরে আলম, জেলে পাবেল মিয়া, শাফায়েত, আলেক মিয়া, শাহীন মিয়া, হাদিস মিয়া, রুকন মিয়া প্রমূখ।


বক্তারা বলেন, বাপ-দাদার আমল থেকেই আমরা এই ধনু নদীতে জাল দিয়ে মাছ শিকার করে  জীবীকা নির্বাহ করে  আসছিলাম। কিন্তু এলাকার একটি প্রভাবশালী  মহল উন্মুক্ত এ নদীটির দুই ধারে কাটা-বাঁশ ফেলে নদীটি দখল করে মাছ শিকার করে আসছে। আর তাদের অত্যাচারে আমাদের মতো সাধারন জেলেরা এখন ওই নদীতে জাল ফেলে মাছ শিকার করবো দূরের কথা, তারা আমাদেরকে নদীতে নামতেই দেয়না। তাই  আজ ওই প্রভাবশালী মহলটির অত্যাচারের ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার হাজার-হাজার জেলে বেকার অবস্থায় পরিবার- পরিজনদের নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে। বক্তারা আরো বলেন, উন্মুক্ত এ নদী টিকে দখলদারদের হাত থেকে দখল মুক্ত করে আমাদেরমতো সাধারন জেলেদেরকে মাছ ধরে  জীবীকা নির্বাহ করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি। অন্যথায আমরা আরো বৃহত্তরও আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো বলেও সভায় হুমকি দেন বক্তারা।

আশাশুনির নাকতাড়া স্কুলের সভাপতি হলেন সঞ্চয় মিশ্র

আশাশুনির নাকতাড়া স্কুলের সভাপতি হলেন সঞ্চয় মিশ্র


আহসান উল্লাহ  বাবলুআশাশুনি  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সঞ্চয় মিশ্র। রবিবার সকালে বিদ্যালয় হলরুমে এসএমসির সভাপতি নির্বাচন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল। এসময় আওয়ামীলীগ নেতা মিজানুর রহমান, আবুল খায়ের, নাকতাড়া দূর্গামন্দিরে সভাপতি মন্টু মন্ডলসহ শিক্ষকবৃন্দ, ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভায় এসএমসি সভাপতি পদে সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সঞ্চয় মিশ্রকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

মোংলায় ধর্ষণের প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদাণ

 মোংলায় ধর্ষণের প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদাণ




মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 

মোংলাসহ দেশব্যাপী নারী নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে ৭ দফা দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে দখিন হাওয়া সাহিত্য পরিষদ। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি দেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান আফরোজা হীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী। স্মারকলিপি দেয়ার সময় আফরোজা হীরার সাথে ছিলন তার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এম,এ রাজ্জাক, মোংলা সরকারী কলেজের প্রভাষক নিগার সুলতানা সুমী, শিক্ষার্থী শেখ সাথী রহমান, মুক্তা মোস্তফা, কানিজ ফাতেমা ঋতু, মারুফা রহমান রুপা ও কাজী কেয়া। 

স্মারকলিপিতে ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড করাসহ ৭ দফা দাবী উত্থাপন করা হয়েছে। #

আমার মহান পেশার কথা ॥ মিজানুর রহমান তোতা ॥

 আমার মহান পেশার কথা  ॥ মিজানুর রহমান তোতা ॥




আমি আজ আমার পেশার কথাা বলতে চাই। অনুরোধ ব্যক্তিগতভাবে কেউ আহত হবেন না। এটি সামগ্রিক এবং সাম্প্রতিক ‌চিত্র বর্ণনা।লেখাটি আমার একটি কবিতার অংশবিশেষ দিয়ে শুরু। এই কবিতাটি আমার 'ক্ষতবিক্ষত বিবেক' গ্রন্থের শেষাংশে প্রকাশিত।

স্মৃতির ভান্ডার শূন্য হচ্ছে

নিস্তব্ধতায় একাকি পথচলা

গর্বের জায়গাটায় রক্তক্ষরণ

দুর্দান্ত অস্থিরতায় ছটফট

নীতি আর নীতিহীন দ্বন্দ আজ প্রকট। 

আষ্টেপৃষ্টে কুরে খাচ্ছে 

সরলতার ভাবনাহীন দুর্বলতা

হৃদয়ে পাথর মারছে অবিরত 

থমকে যাচ্ছে জীবন

তবুও---

অন্ধকার মাড়িয়ে আলোর সন্ধানে ছুটছি তো ছুটছিই।

সমাজদেহ ক্ষতবিক্ষতকারী দাপটধারীরা 

দুর্বলকে করছে আঘাত,

বিনাপূঁজির ব্যবসা চলছেই।

মুখোশের চতুরালিতে অভ্যস্ত নিরবিচ্ছিন্ন পথচলা

ক্ষুদ্রপ্রকোষ্টে জীবনস্রোত গন্ডিবদ্ধ।---

আসলেই একটু বেশি বিরক্ত উৎপাদন করছি। আমার মূল পেশা সাংবাদিকতা। সাহিত্য চর্চা বিশেষ করে নিয়মিত কবিতা লিখি। বর্তমান অবস্থায় সাংবাদিকতা কেমন চলছে।এখনো লেখালেখি করার সুবাদে সাংবাদিকদের সাথে ঘনিষ্টভাবে জড়িত। সাংবাদিকদের আড্ডায় বিষয়টির নানাদিক উঠে আসে। সেকাল আর একালের উদাহরণ টানা হয়। তবে পেশাটির হতাশার চিত্রই বেশি ফুটে ওঠে। তাই মহান পেশা সাংবাদিকতার বিষয়ে একরকম মনোকষ্টেই মুলত লেখার ইচ্ছা পোষণ। 

  

আমি ১৯৭৮ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হই অনেকটা নেশায়। তবে ১৯৮০ সালে পিআইবির লং কোর্সের প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে পেশা হিসেবে বেছে নিই। তখন টগবগে যুবক। নেশা আর পেশা যাই বলুন না কেন অতিমাত্রায় সাংবাদিকতায় আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। পুরোদমে শুরু করি লেখালেখি। সেই থেকে লিখছি তো লিখছিই। বলা চলে আমি সমূদ্রের ব্যাঙ নই, কুঙোর। বড়ো মাপের সাংবাদিকও নই। সমাজ রাষ্ট্রের জনগণের আমার লেখালেখিতে কোন উপকারে আসে কী আসে না, সেটি জানি না। রাজধানীতে থাকলে হয়তো বড়মাপের সাঙবাদিক হতে পারতাম। ঢাকার পত্রিকার ডেস্কে কয়েকদফা সুযোগ হয়েছিল। গ্রহণ করিনি। মেধা যোগ্যতায় কুলায়নি এটি ও বলতে পারেন। তবে মফস্বলে থেকে একটু আধটু সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। কলমজীবি হিসেবে পেশার প্রতি অন্ধত্বে অনবরত লিখেই যাচ্ছি-আজো লিখছি।

 নিজস্ব সংবাদদাতা হিসেবে দৈনিক গণকন্ঠ ও দৈনিক সমাচারে নিত্যদিনের ঘটনা লিখেছি, দৈনিক স্ফুলিঙ্গের বার্তা সম্পাদক থাকাকালীন নিয়মিত কলাম ‘দেশ ও দশের কথা’ ও দৈনিক ঠিকানায় নির্বাহী সম্পাদক থাকাকালীন ‘চেতনার সংলাপ’ লিখেছি। 

লিখেছি সাপ্তাহিক ছুটি, সাপ্তাহিক পূর্ণিমায় অসংখ্য সচিত্র প্রতিবেদন। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে দৈনিক ইনকিলাবে লাগাতার সমসাময়িক ঘটনাবলীর রিপোর্ট ও আদিগন্ত পাতায় ফিচার যে কত লিখেছি তার ইয়ত্তা নেই। এরই মাঝে ‘‍মাঠ সাংবাদিকতা' ও ‍'ক্ষতবিক্ষত বিবেক"’ দু’টি গ্রন্থ প্রকাশ করার সৌভাগ্য হয়েছে। প্রকাশের পথে কাব্যগ্রন্থ ‘‍স্বপ্নের 

খেলা"। এতকিছুর বিবরণ তুলে ধরার একটাই উদ্দেশ্য আমি সাংবাদিকতার বাইরে কোন ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা অন্য কোন উপায়ে অর্থ রোজগারের চিন্তা করিনি কখনোই। পিতা-মাতার সামান্য জমিজমা, ঘরভাড়া আমার মূল সম্বল। এখন বয়স ৬৫। পেশাটির প্রতি আমার দরদ মোটেও কম নয়। সেজন্য আমার গ্রন্থে এবং পত্রপত্রিকায় লেখালেখিতে সাংবাদিকতার আদ্যপান্ত ঘুরেফিরেই বেশি বেশি উলে-খিত হয়েছে বরাবরই। 

টানা ৪৩ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতায় বলা যায়, বিপুল প্রতিকুলতা, ঘাত-প্রতিঘাত ও গাঢ়ো কালো অন্ধকার উপভোগ করেছি। আবার কখনো ব্যাথা ও বেদনা জয় করে আলো আকাঙ্খার মাঝে নিত্যনতুন স্বপ্ন দেখে এগিয়ে চলেছি। সুর্যোদয় আর সূর্যাস্ত অসংবাদিত সত্য এর মতোই মনে করেছি চলমান জীবনে ভালো-মন্দ, সুখ-দুঃখ থাকবে এটিই স্বাভাবিক। সব জানালা দরজা বন্ধ হয়ে আবার মুহূর্তে বাতাসের ঝাপটায় খুলে গেছে। 

কুসুমাস্তীর্ণ না হলেও বিরাট কংকটাপূর্ণ যে তা নয়। তবে অনেকটাই মধুর বলা যায়। মাঠ সাংবাদিকতায় কোথায়, কীভাবে এবংকেন বাধা আসে, কতটা আনন্দ ও আশার স্বপ্নে ভাসে, বিভাজনের রেখায় মহান পেশায় বিঘ্নতা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, জীবন বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি কতটা, কীভাবেই বা হয়েছে বিবেক ক্ষতবিক্ষত, তা জীবনের উপলব্ধি ও বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করার সুবর্ণ সুযোগ হয়েছে। হয়েছি অপরূপ বর্ণচ্ছটায় মুগ্ধ। ভুলে গেছি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়ানো যন্ত্রণাদায়ক সব অত্যাচার নির্যাতন। শুধু পেশার কারণেই ব্যক্তিগতগভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। হয়েছি মামলা হামলার শিকার। 

এর মাঝেও পরিষ্কার একটা বিশ্বাস জন্মেছে সামাজিক দায়বোধ থেকে করা সৎ সাংবাদিকতায় অবশ্য সাময়িক আঘাত আসলেও পরাস্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে মোটেও বিশ্বাসহারা হইনি কখনো।তাই তো কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় ‘সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম’। সাংবাদিকতা অর্থ জীবনভর কঠিনেরে ভালোবেসে যাওয়া। আমার মনে হয় এই সত্য উপলব্ধি করেই হয়তো বা পেশায় জীবন কাটালাম। ক্ষুদ্র জ্ঞানে যতটুকু জানি সংবাদপত্র হলো প্রতিদিনের সত্যিকারের ইতিহাস। একজন সাংবাদিকের লেখালেখিও ইতিহাস হয়ে থাকে। সমাজের দর্পন হলো সংবাদপত্র। একজন সাংবাদিকের কোন বন্ধু নেই। এসবই এখন যেন কথার কথা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, ইতিহাসে বন্দি হয়ে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট কোন জাতীয় স্থানীয় দৈনিক কিংবা কোন মিডিয়া এবং কোন জেলা বা উপজেলার সাংবাদিকের উদ্দেশ্য করে নয়, সামগ্রিকভাবে গোটা পেশার মর্যাদা ক্রমাগত অবনমিত হবার মনোকষ্টে লিখছি। 

ব্যক্তিগতভাবে কারো আঘাতের উদ্দেশ্যও নয়। চারপাশে যা দেখছি কিংবা আলোচনা হচ্ছে তা মোটেও সুখকর নয়। সাংবাদিকতার মর্যাদা সন্মান ঐতিহ্য আগের পর্যায়ে কী আছে? -- আমি মনে করি অনেক কমেছে। কেন্দ্র কিংবা মাঠের সাংবাদিকতা সবখানেই এখন কমবেশি নানা কারণে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে-- 

একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। মাঠ ভরে গেছে অপেশাদারে। অথচ যুগে যুগে এই মহান পেশায়‌ আত্মনিয়োগ করে সমাজ বিনির্মাণে ভুমিকা রেখে সন্মানিত সমাদৃত হয়েছেন। তাদের কদর ছিল আলাদা।বর্তমানে অনেকক্ষেত্রেই সাংবাদিকতা পেশায় আছি এটি পরিচয় দেওয়াও লজ্জার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নামে সাংবাদিক অথচ ভিন্ন ভিন্ন পেশায় জড়িত। ‘কী নামে ডাকবো তোমায়?’--এমন পরিস্থিতি হয়েছে। অনেক সাংবাদিক ব্যবসা-বাণিজ্যসহ এমন কিছু নেই যা করেন না। অবশ্য স্বীকার করতেই হয়, তাদের দাপট এখন অনেকটাই বেশি।

মহান পেশা সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি হয়েছে অনেক সাংবাদিকেরই। কিছু মিডিয়া তো পরিচিতি পেয়েছে সাংবাদিক জন্ম দেওয়ার হ্যাচারি হিসেবে। ব্যক্তিগত প্রচারে নয়, প্রাসঙ্গিকভাবেই উল্লেখ করতে হচ্ছে, ’৮০এর দশকে অবিভক্ত যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি, প্রেসক্লাবের একবার সেক্রেটারী, তিনবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি।এরও আগে একজন সাধারণ সাংবাদিক হিসেবে দেখেছি সিনিয়রদের নীতি নৈতিকতা। বিএফইউজের তুখোড় নেতা আহমেদ হুমায়ুন, নির্মল সেন, গিয়াস কামাল চৌধুরী, রিয◌়াজ উদ্দিন আহমেদ, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মঞ্জুর আহমেদ, আমানুল-াহ কবীর, আলতাফ মাহমুদ, জহুরুল হক ও শাহাজান ভাইসহ সাংবাদিক নেতাদের দেখেছি একেবারেই কাছ থেকে। তাদের মধুর সান্নিধ্য পেয়েছি। দেখেছি তাদের ব্যক্তিত্ব, নীতি আদর্শ। আমরা মফস্বলের আর উনারা রাজধানীর-এমন আচরণ কখনো পাইনি। জাতীয় প্রেসক্লাবে গেলে কিংবা কোন মিটিংএ বসলে তেমন দুরত্ব মনে হয়নি। আমরা সবাই এক অভিন্ন-এটিইপ্রতীয়মান হয়েছে। 

সে সময় সাংবাদিকদের রুটি-রুজির আন্দোলনের পাশাপাশি অন্যতম একটা দাবিতে জোর আন্দোলন ছিল পেশাদার সাংবাদিক হবেন সংবাদপত্রের সম্পাদক। আজ টাকা থাকলেই যে কেউ মিডিয়ার কর্ণধার বনে যান রাতারাতি। কোন কোন জেলায় বা অঞ্চলে দেখা গেছে ব্যবসায়ী কিংবা ভিন্ন পেশায় তারা সম্পাদক হবার অবাধ সুযোগ পাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকগণ কোন নীতিমালয় নয় জেলা বা উপজেলায় অনায়াসে শতফুল ফুটিয়ে চলেছেন। "‌কেউ ফেরে না খালি হাতে খাজা বাবার দরবারে" এর মতোই এমন অনেক জেলা রয়েছে। এতে অনেক পত্রিকা আন্ডারগ্রাউন্ডের কিংবা 'ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দারের মতো সাপ্তাহিক দৈনিক বের হচ্ছে। সাংবাদিক নেই অথচ সংবাদপত্র। ভুয়া মাস্টার রোলের মতো সাংবাদিক দেখিয়ে ডিপার্টমেন্ট ফিল্ম এন্ড পাবলিকেসন্স (ডিএফপি) থেকে বিজ্ঞাপনসহ সরকারের সব সুবিধা নিয়ে যাচ্ছে। 

আবার সেসব পত্রিকা থেকে ভুরি ভুরি অসাংবাদিকও তৈরী হচ্ছে।এসব নানা কারণে মিডিয়ার অপব্যবহারও বহুমাত্রায় বাডছেই। বাডছে অপেশাদার সাংবাদিকের সংখ্যা । সেজন্যই পেশাটি অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এর থেকে উত্তরণের পথ কী তা বড় বড় সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতাদের চিন্তাভাবনার সময় এসেছে বলে মনে করি।

সাংবাদিকতা করতে রাজনৈতিক দলদাস, ক্যাডার, সন্ত্রাসীদের দাম্ভিক চেহারার মুখোমুখি হতে হয়েছে বহুবার। সমস্যা, বাধা, বিপদ আপদ, বঞ্চনা, জীবন নাশের হুমকি ধামকি, প্রশাসনিক হয়রানী ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তাতে মোটেও পিছপা হইনি। কিন্তু এখন বড়ই বিচলিত হচ্ছি পেশাটির মর্যাদা ও ঐতিহ্য রক্ষা নিয়ে। অপশোদারদের হাতে পেশাদারদের নেতৃত্ব চলে যাচ্ছে। ভয়টা সেখানেই। 

সাংবাদিকতার নীতিমালা নিয়ে সেই ‘৮০এর দশকেও লিখেছিলাম। অবশ্য তখনকার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। আজকের মতো নয়। সাংবাদিকতার পেশায় যারা জড়িত তারা একটু গভীরভাবে ভাবুন পেশাটির মর্যাদা রক্ষা করুন। রুখে দাঁড়ান অপেশাদারদের বিরুদ্ধে যারা পেশার মর্যাদা নষ্ট করছে। প্রকৃত সাংবাদিকরা সাহস নিয়ে সোচ্চার হলে অপসাংবাদিকতার সাথে যুক্তরা পালিয়ে যাবেই যাবে, সাফ হবে জন্জাল। আর যারা জেলায় জেলায় পত্রিকার ডিক্লারেশন দেন তাদের কঠোর হওয়া দরকার।

যাইহোক, মহান এই পেশা যেদিকে যাচ্ছে তাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না, দায◌়ী করবে। তাই দায়বোধ থেকে এগিয়ে আসুন। অবশ্য ইতোমধ্যে অনেকস্থানে বাদ-প্রতিবাদ শুরু হয়েছে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে। পুরানোদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের এক্ষেত্রে এগিয়ে আসা দরকার। বিশেষ করে যারা এই পেশায় সততা, যোগ্যতা নিয়ে একনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন তাদের সোচ্চার হতে হবে। 

সবশেষে বলবো, এতকিছুর পরেও আমি হতাশ নই, প্রচন্ড আশাবাদী। বিভিন্নস্থানে অনেকেরই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা ও সোচ্চার হতে আশ্বস্ত হচ্ছি। নতুনরা জেগে উঠছে। সেজন্যই আশাবাদ মহান পেশার মর্যাদা পুনরুদ্ধার হবেই হবে। তারুণ্যেরা হাল ধরবেই।

সাংবাদিকতার নীতিমালা নিয়ে '৮০ দশকে আমার লেখার পুরানো কাটিং তুলে  ধরলাম।

পেপার কাটিং



নওগাঁর আত্রাইয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৮দিন পর লাশ উদ্ধার

নওগাঁর আত্রাইয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৮দিন পর লাশ উদ্ধার

৮ দিন পর লাশ উদ্ধার 
রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর আত্রাইয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৮দিন পর বিল থেকে পাওয়া গিয়াছে আব্দুর রহমান ৫৫ নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ রোববার সকালে উপজেলার বাঁকা কচুয়া বিল থেকে তার লাশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। আব্দুর রহমান উপজেলার বাঁকা গ্রামের মৃত গুল মোহাম্মদের ছেলে।

জানা গেছে, আব্দুর রহমান গত ৪ অক্টোবর রোববার বিকেলে বাড়ী থেকে আত্রাই যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে যায়। এর পর বাড়ীতে ফিরে আসেনি। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজা খুজি করে কোথাও তার সন্ধান পায়নি। আজ রোববার সকালে ওই বিলে একটি লাশ ভাসমান দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে সকালে আত্রাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
 

আত্রাই থানার ওসি মোসলেম উদ্দিন বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট পেলে জানা যাবে তার মৃত্যুর কারণ। এব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

আশাশুনিতে শিশু-কিশোরদের হাতে খেলার সামগ্রী তুলে দেন ইউপি চেয়ারম্যান - মিলন

আশাশুনিতে শিশু-কিশোরদের হাতে খেলার সামগ্রী তুলে দেন ইউপি চেয়ারম্যান - মিলন
শিশু কিশোরদের হাতে খেলা সামগ্রী তুলে দেন ইউপি চেয়ারম্যান মিলন, ছবি-আহসান উল্লাহ   
আহসান উল্লাহ্‌  বাবলু  আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃআশাশুনি সদর ইউনিয়নে শিশু-কিশোরদের হাতে খেলার সামগ্রী তুলে দেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স ম সেলিম রেজা মিলন। রবিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় থেকে তিনি শিশু-কিশোরদের মাঝে এ খেলার সামগ্রী বিতরণ করেন। বিতরণ কালে তিনি শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ এজন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি শরীর ও মন ঠিক রাখার জন্য খেলাধুলার বিশেষ প্রয়োজন। তোমাদেরকে মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং মাদক মুক্ত সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আও বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি শিশু কিশোর বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মাদকের ছোবল থেকে মুক্ত হয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা করে সুস্থ সুন্দর জীবন গড়তে পারে সে ব্যাপারে আমি সার্বিক সহযোগিতা করব। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য বৃন্দ।

যশোরের শার্শায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

যশোরের শার্শায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


 তুহিন হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় পানিতে ডুবে রেদওয়ান (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার উপজেলার বলিদাদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রেদওয়ান ওই গ্রামের মোঃ টিপুর ছেলে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির উঠানে খেলা করছিলো শিশু রেদওয়ান। কিছুক্ষণ পরে হঠাৎ রেদওয়ানের মা খেয়াল করে ছেলে উঠানে নেই। 

অনেক খোঁজা খুজির পর পাশের একটি পুকুরের পানিতে তাকে পাওয়া যায়। এসময় রেদওয়ানকে পরিবারের লোকজন দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় শিশুটির পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছাঁয়া বিরাজ করছে। 

উল্লেখ্য : গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে যশোরের শার্শায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর অকাল মৃত্যু হয়েছে। উক্ত ঘটনায় সচেতন মহলে নিজেদের শিশু সন্তানদেরকে নিয়ে এক প্রকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শৈলকুপায় বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা,থানায় মামলা

শৈলকুপায় বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা,থানায় মামলা

সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে নয়ন ইসলাম (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি শনিবার (১০/১০/২০২০) সন্ধ্যায় উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের হরিহড়া গ্রামে। এঘটনায় শৈলকুপায় থানায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।

শিশুটির মা বেলি খাতুন জানান, শনিবার (১০/১০/২০২০) সন্ধ্যায় বিস্কিটের লোভ দেখিয়ে লম্পট নয়ন শিশুটিকে তার রুমে ডেকে নেয়। শিশুটির চিৎকারে তার মা ছুটে গিয়ে বাজে অবস্থায় লম্পটকে দেখতে পাই। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।এ ঘটনায় লম্পট ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘরে তালা দিয়ে পালিয়েছে।

শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশু ধর্ষণ চেষ্টায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

শৈলকুপায় মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে সবকিছু পুড়ে ছাই

শৈলকুপায় মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে সবকিছু পুড়ে ছাই

সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় ১০ নং বগুড়া ইউনিয়নের প্রতাপ নগর গ্রামের উত্তম কুমার নামে এক কৃষকের গোয়াল ঘরে মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে তিনটি গরু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে গরুসহ তার দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী জানিয়েছেন।  শনিবার (১০অক্টবর) দিবাগত মধ্যরাতের দিকে তার এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী উত্তম কুমার জানান, অন্যদিনের ন্যায় এদিন রাতেও মশার উপদ্রব থেকে বাঁচাতে গোয়ালে কয়েল জ্বালিয়ে রেখেছিলেন তিনি। রাত ১টার দিকে প্রতিবেশীর চিৎকারে ঘুম থেকে উঠে ঘর থেকে তাড়াহুড়া করে বের হন। ততক্ষনে গোয়ালঘর সহ ২টি গরু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একটি গরু দগ্ধ হয়ে কোনমতে বেঁচে ছিল পরে সেটিও মারা গেছে। তিনি বলেন, অভাবের সংসারে পরিবারের খরচ চালিয়ে এবং একমাত্র ছেলের লেখাপড়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গরু ৩টি পালন করছিলেন তিনি। গতরাতে এই দুর্ঘটনায় তার জীবনের পুরা স্বপ্ন শেষ হওয়াসহ সারা জীবনের গচ্ছিত অর্জন শেষ হয়ে গেলো। 

এ ঘটনার বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে ১নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম মিন্টু জানান, রবিবার সকালে খবর শুনে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। ঘটনাস্থলে যেয়ে তিনি ভুক্তভোগী দরিদ্র পরিবারের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতির উপর বিস্মিত হন ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,এক নম্বর ওয়ার্ডের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সুখে দুঃখে সার্বক্ষণিক পাশে থাকবেন। ভুক্তভোগী উত্তম কুমারের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি পূরণের জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন মহলের সাথে কথা বলবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

হবিগঞ্জে উন্নয়ন কাজে ব্যাঘাত ও নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

 হবিগঞ্জে উন্নয়ন কাজে ব্যাঘাত ও নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার


সাংবাদিক সম্মেলনে মেয়ন মিজান বক্তব্য রাখছেন    

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১১-অক্টোবর) দুপুর ১টায় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ সংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেয়র মিজান বলেন, ২০১৯ সালের ২৪ জুন উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ১৪ জুলাই দায়িত্ব গ্রহণ করি। 

দায়িত্বগ্রহণের পরই পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত জলাবদ্বতা দূরকরণ নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।


পানি সরবরাহ বিদ্যুত স্বাস্থ্যসেবা ও মশক নিধনসহ বিভিন্ন কাজ দ্রুত সম্পাদন করি আমি দায়িত্ব নেয়ার এক বছরে পৌর বাসীকে সেবা দিতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। ব্যক্তিস্বার্থ চিন্তা না করে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে হবিগঞ্জের সংসদ সদস্য আলহাজ এডভোকেট মোঃ আবু জাহির জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সাথে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে শহরবাসীর জলাবদ্বতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করি এ ছাড়াও আমি শহরের বিভিন্ন অলিগলির রাস্তা অল্প সময়ে পাকাকরণ ও সংস্কার করি।


আমার দেড় বছরের মেয়াদের শেষ মূহুর্তে শহরের প্রধান সড়কের সৌন্দর্য্যরে জন্য মুক্তিযোদ্ধা চত্বর ফোয়ারা ও ডিভাইডাটারগুলোকে মনোরম করে গড়ে তুলেছি। আগামি নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌরবাসীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি পৌরসভার উন্নয়ন কাজ বাধাঁগ্রস্থ ও আমাকে সমালোচিত করতে গত ৭ অক্টোবর সিএনজি অটোরিকশা মালিক শ্রমিকদের একটি সংগঠন শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করে আমার বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয় অথচ আমি সিএনজি অটোরিকশা মালিক কিংবা শ্রমিক সংগঠনের সাথে জড়িত বা কেউই নই একটি স্বার্থান্বেষী মহল। 


উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে এ অপপ্রচার চালায় এবং স্থানীয় ও জাতীয় মিডিয়ায় আমার বক্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রচার করে মেয়র আরও বলেন, হাবিব নামে যে ব্যক্তিকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে শ্লোগান ও অভিযোগ আনা হয় তিনি মূলত হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও হবিগঞ্জ সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মোতাচ্ছিরুল ইসলামের নিয়োগপ্রাপ্ত লোক। হবিগঞ্জ পৌরসভার উমেদনগর এলাকায় প্রধান সড়কের উপর যে স্ট্যান্ডটিসহ বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠা স্ট্যান্ডগুলো অন্যত্র সরাতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সুপারিশ করেছি।


কারণ এসব স্ট্যান্ডের কারনে পৌরবাসীর চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি ও শহরে যানজট সৃষ্টি হয় লিখিত বক্তব্যে মেয়র আরও বলেন, পৌরসভার অন্যান্য মেয়ররা ৫ বছরের জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন কিন্তু আমি মাত্র দেড় বছরের জন্য মেয়র নির্বাচিত হয়ে এই চ্যালেঞ্জ নেই। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরবাসীর সেবায় নিয়োজিত থেকে পৌরবাসীর দাবির ৮০% কাজ সম্পাদন করেছি। শহরকে পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতি সপ্তাহে সামাজিক সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে আমি নিজেই কাজ করে যাচ্ছি আর এসব উন্নয়নমূলক কাজে ইর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মাধবপুরে সড়কের বেহাল দশা

 মাধবপুরে সড়কের বেহাল দশা




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুরে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে ভরা সড়কে পানি জমে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়ে। কাঁদা মাটি মারিয়ে শত শত পথচারীকে উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে হালুয়াপাড়া পর্যন্ত সড়কটি পাকাকরণের দাবি করে আসলেও বছরের পর বছর ধরে এ দাবি উপেক্ষিত।


স্থানে স্থানে গর্ত আর কাঁদা জলে একাকার সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে পথচারীদের মারাত্নক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গাড়ীতো দূরের কথা পা হাঁটাও দায় হয়ে পড়েছে। এতে করে ময়লা আর কাঁদা পানি মারিয়ে মাধবপুর উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে মাধবপুরের দক্ষিণ অঞ্চলের বেশ কিছু গ্রামের মানুষকে।


গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক রাজীব দেব রায় রাজীব জানান, হালুয়াপাড়া থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক পর্যন্ত প্রায় সোয়া কিলোমিটার সড়কে স্থানে স্থানে বড় বড় গর্ত ও বৃষ্টির পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। কাঁদা মারিয়ে আসতে গিয়ে অনেক সময় কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য ব্যাগে করে আলাদা কাপড় নিয়ে আসতে হয়। বর্ষা মৌসুম এলেই এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারীদের এ রকম দুর্ভোগে শিকার হন।


এলাকার মানুষের বাজার সদায় ছেলে মেয়ের লেখাপড়া অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসার জন্য মাধবপুর উপজেলা সদরই তাদের একমাত্র ভরসা। তাই প্রতিদিনই এই সড়ক দিয়ে এলাকাবাসীকে মাধবপুর সদরে আসতে হয়। বেশ কয়েকবছর আগে এই সড়কটিতে ইট সলিং করা হলে এলাকাবাসী কিছুটা দুর্ভোগ লাঘব হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুম এলেই এই সড়কে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।


এ ব্যাপারে আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান বলেন, এ সড়কটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সম্প্রতি সড়কটি পাকা করণের ব্যাপারে এলজিইডিতে একটি প্রস্তাব দেওয়া হলে এলজিইডি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে হালুয়াপাড়া পর্যন্ত এলজিইডি একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি পাকা করণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।


মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার হক চৌধুরী জানান সিলেট বিভাগের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (এসডিপি) প্রকল্পের মাধ্যমে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি ১ কিলো মিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য একনেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। যা এখন অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদন পেলেই টেন্ডার আহ্বান করে কাজ শুরু করা হবে।

আত্রাইয়ে রহস্যজনক ভাবে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ

আত্রাইয়ে রহস্যজনক ভাবে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ

মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর আত্রাইয়ের খোলাপাড়াগ্রামের হাজী  মোঃ রফিকুল ইসলাম (৬৮) নামের এক বৃদ্ধ  ব্যক্তি রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়েছে। পরিবাবের ধারণা তাকে অপহরন করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার খোলাপাড়া এলাকায়।

জানা যায়, আত্রাইয়ের এক সময়ের বিশিস্ট ব্যবসায়ী ও আত্রাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অফিসের বাড়ির মালিক হাজী রফিকুল ইসলাম গত শুক্রবার এশার নামাজ পরার পরে  খোলাপাড়া মসজিদে তাবলীগি জামাতের কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করেন। এ সময় তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসলে তিনি ১০ মিনিট পরে আসছি বলে মসজিদের বাহিরে যান। এর পর মসজিদ থেকে বের হয়ে তিনি আর বাসায় পৌঁছেনি। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত বাসায় না পৌঁছায় তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় সকলের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পরে। রাত থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোঁজি করে তাকে আর পাওয়া যায়নি।


এ ব্যাপারে হাজী রফিকুলের স্ত্রী দৌলতুন্নেছা শনিবার সকালে আত্রাই থানায় একটি জিডি করেছেন।


এ ব্যাপারে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলেম উদ্দিন বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর থেকে আমরা মোবাইল ট্রাকিংসহ বিভিন্ন ভাবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছি। ইতোমধ্যেই পুলিশের সকল শাখায় মেসেজ প্রেরণ করা হয়েছে।

সিআরডিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ে মোংলা পৌর কতৃপক্ষের মতবিনিময় সভা

সিআরডিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ে মোংলা পৌর কতৃপক্ষের মতবিনিময় সভা




মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ  মোংলা পোট পৌরসভার সিআরডিপি প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে রাস্তা,ড্রেন,কালভাট,ওয়াকওয়ে রাস্তা,বড় পুকুর পাড়,শেলাখাল,কাইনমারী খাল,নদীর পাড়ের সৌন্দয্য বর্ধন কাজের মাস্টার প্লান বাস্তবায়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার(১১ অক্টোবর) সকালে চালনা বন্দর মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ওইসব উন্নোয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন  এবং পৌরসভার আগামীর নানা পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য রাখেন মোংলা পোর্ট পৌরসভার  মেয়র আলহাজ্ব জুলফিকার আলী। সভায় উপস্থিত ছিলেন,মোংলা উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভুমি) নয়ন কুমার রাজবংশী,সিআরডিপি প্রকল্পের মাস্টার প্লানের স্ট্রাকচারাল ও ড্রেনেজ ইঞ্জিনিয়ারসহ পিডিএস কনসালটেন্ট বৃন্দ ও পৌরসভার কাউন্সিলর, সাংবাদিক।

মতবিনিময় সভায় পৌরসভায়  সকল ওয়ার্ড থেকে আগত কয়েকশ নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। 

আত্রাইয়ে গরিব অসহায় দের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান

আত্রাইয়ে গরিব অসহায় দের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা  প্রদান


মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর আত্রাইয়ে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২০ উপলক্ষে  দৃষ্টি জুড়ে আশা” পতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ও ছানী বাছাই করণ কার্যক্রম অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


 গতকাল শনিবার বৈকালে চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র আত্রাই নওগাঁর আয়োজন,সিংসাড়া হাইস্কুলে অবস্থান রত গরিব অসহায় হতদরিদ্র   বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ও ছানী বাছাই করণ কার্যক্রম এবং শুকনো খাবার প্রদান করা হয়।

সাংবাদিক এমরান মাহমুদ প্রত্যয়ের তত্বাবধানে,ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতালের সহযোগিতায়,রোগী দেখেন,ডাঃ মো.মনিরুজ্জামান ভি,টি আত্রাই ভিশন সেন্টার।

বড়লেখায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চালের ছাড়পত্র (ডি ও) বিতরণ

বড়লেখায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চালের ছাড়পত্র (ডি ও) বিতরণ




আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন, বড়লেখার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বড়লেখা উপজেলার ১২৯টি সার্বজনীন পূজামণ্ডপে ৫০০ কেজি করে মোট ৬৪.৫০ মে. টন জি আর চালের ছাড়পত্র (ডি ও) বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।


এসময় মন্ত্রী মহোদয় অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের জন্য দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ থেকে ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার চেয়ারম্যান জনাব সোয়েব আহমেদ, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র জনাব আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম সুন্দর প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজ উদ্দিন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান।

মহেশপুরে ৩ দিন ধরে অবরুদ্ধ গৃহবধূ,উদ্ধার করলো পুলিশ

 মহেশপুরে ৩ দিন ধরে অবরুদ্ধ গৃহবধূ,উদ্ধার করলো পুলিশ


খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামে ৩ দিন ধরে অবরুদ্ধ গৃহবধুকে ২ সন্তানসহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সংবাদকর্মীদের খবরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর থানা পুলিশ। নির্যাতিতা গৃহবধু ওই গ্রামের লিটন মুন্সির তৃতীয় স্ত্রী।

শনিবার দুপুরে ফতেপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায় একটি বাড়ির মধ্যে গেট ও ভেতর থেকে ১২ টি তালা ঝোলানো রয়েছে। ভিতরে ২ সন্তান নিয়ে ফাতেমা জান্নাত বসে আছে।

সেসময় তিনি অভিযোগ করেন, স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করায় স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন তাকে বাড়ির ভেতর তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছে। খাবার নেই, পানি নেই। সন্তান নিয়ে খুবই কষ্টে রয়েছেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১০ বছর আগে ঢাকায় থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদের লিটন ওরফে লিটন মুন্সির সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর বাবার বাড়ি থেকে ৬ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিয়েছেন। বিয়ের পর তার কোল জুড়ে ২ টি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। সন্তান জন্মের পরই লিটন মুন্সী সৌদি আরবে চলে যায়। সম্প্রতি বাড়িতে ফিরে এসে আবারো যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। এক পর্যায়ে তাকে তালাকের জন্য নোটিশ পাঠায়। ২ সন্তান নিয়ে ফাতেমা জান্নাত বিপাকে পড়েন। এ নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশের সহযোগিতা চাইলে এর কোন সুরাহা করতে পারেননি তারা। উপায় না পেয়ে ঝিনাইদহের আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনের আওতায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর স্বামী লিটন মুন্সী বাড়িতে আটকে রেখে বাইরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায়।

এই ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, মেয়েটি আসলে অসহায়। আমি তাদের মধ্যে মিমাংসার চেস্টা করে ব্যার্থ হয়েছি। ভিকটিম ফাতেমা জান্নাতকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।

এ ব্যাপারে মহেশপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সংবাদ শুনে গৃহবধুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে সকল প্রকার আইনগত সহযোগিতা প্রদাণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ঐতিহ্যবাহী বান্দাইখাড়া বাজারে টয়লেট ব্যবস্থা না থাকায় সর্ব সাধারণের ভোগান্তী চরমে

 ঐতিহ্যবাহী বান্দাইখাড়া বাজারে টয়লেট ব্যবস্থা না থাকায় সর্ব সাধারণের ভোগান্তী চরমে

 

স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে  জনগণ   


মোঃ রবিউল ইসলাম,মান্দা,নওগাঁঃ মান্দা, থেকে ২২ কিঃ দক্ষিনে,আত্রাই থেকে ১৪ কিঃ পশ্চিমে, ভাবনীগঞ্জ থেকে ১৩ কিঃ উত্তরে , নওগাঁ থেকে ২৬ কিঃ মিটার দক্ষিন পশ্চিমে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বান্দাইখাড়া বাজার। অত্র নওগাঁ জেলার মধ্যে এই একটি মাত্র বাজার যাকে সরকারী ভাবে প্রতিদিনের বাজারকে হাট বলে ঘোষনা করা হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের কেনা কাটায় মুখরিত হয়ে উঠে বাজার। যেখানে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার কেনা কাটা হয় এই বাজারে,কিন্তু দুঃখের বিষয় এই বাজারে কোন প্রকার পাবলিক টয়লেট নেই,আর পাবলিক টয়লেট না থাকার কারনে হাট বাজারে আসা পাবলিক বিভিন্ন ভানে হাটকাজারের পরিবেশ নষ্ট করতেছে এতে করে মানুষের রোগ ব্যাধি হওয়ার সম্ভবনা বেশি। স্থানীয় চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময় প্রতিশ্র“তি দিলেও তা এখনো গড়ে উঠেনি এই বাজারে প্রায় ৪৫০টির বেশি দোকান ঘর আছে এবং বহু লোকজন ফুটপাতে বসে বেচা কেনা করে। তাই এলাকার তথা বাজারের সকলের দাবি অতি দ্রত এই বাজারে অন্তত কয়েকটি পাবলিক টয়লেট তৈরি করে দেওয়া হোক। এই মর্মে সর্ব সাধারণ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে।

নিষ্প্রভ মানবতা, জাগবে তবে মাকছুদ আলম মহিম

নিষ্প্রভ মানবতা, জাগবে তবে  মাকছুদ আলম মহিম



নিষ্প্রভ মানবতা 

জাগবে তবে

অস্থায়ী কত সম্পর্কে 

জড়িয়ে পড়ি, 

বেলাশেষে জোরেশোরে

 হাতড়ে মরি।।

ওরে সুখ, ওরে ছায়া

সবই কি ভ্রমের মায়া? 

আমি যে চিনেছি তোরে,

 স্বপ্নময় ওরে।।

 ভুল করেছি কি 

আপু বলে তোরে? 

ডেকেছি যে ভাই, 

দুখের সহায় 

সুখের সময় ছিলি। 

সারা গায়ে ব্যাথায় 

মনকে যে ভুলি 

তখনই যে আমার হৃদপিণ্ডেও 

গুলি চালিয়ে দিলি।।।


পশুর মাঝে আছে মানবতা

মানবের মাঝে পশু

যেন বিবর্তনে,  

পশু শিখছে মানবতা আর 

মানব মগজ পশু।।


ছোট কালে দেখতাম,

কুকুর মিলতো রাস্তাঘাটে 

তাও আশ্বিনে 

মানুষ কেন মুক্ত হলো

সময় সীমা হীনে? 

তবে কী কুকুরই ভদ্রসমাজ গড়লো?

মানুষ যদি থাকতো 

কুকুরের দশ গুণে 

মানব সমাজ যেত 

বহু উঁচু স্থানে।।

দিনাজপুরে এতিমখানা দখল এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

 দিনাজপুরে এতিমখানা দখল এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন





মামুনুর রশিদ, দিনাজপুর প্রতিনিধি ঃ এতিমখানা উচ্ছেদ করে আবাসনের জন্য প্লট তৈরি এবং খাস জমিতেতে বসবাসকারিদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসিরা। দখলবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় স্থানীয়দের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দুই ঘন্টাব্যাপি কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে অংশ নেন স্থানীয় কয়েকশত নারী পুরুষসহ শিশুরা।


আন্দোলনকারিদের দাবি জেলা সদরের শেখপুরা মহল্লায় ১১ মরহুম দানশীল গোলাম মোস্তফা (গাউসিয়া) এর দান করা ১১ একর জমিসহ গাউসুল আযম এতিমখানা উচ্ছেদ করে ওই স্থানে আবাসন প্লট তৈরি করে বিক্রি করছে তার ছেলে গাউসে শাহরিয়ারসহ সহযোগিরা। পাশাপাশি ওই এলাকায় খাস জমিতে বসবাসকারি কয়েকটি পরিবারকে উচ্ছেদ করে জমি দখল করেছে। এসবের প্রতিবাদ করায় স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দ্বায়ের করে হয়রানি করে আসছে।


এতিমখানার জন্য গোলাম মোস্তফার জমি উদ্ধার এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানি বন্ধের দাবিতে দুই ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসিরা।

মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় মোংলায় মহিলা লীগ নেত্রীকে কুপিয়ে জখম

 মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় মোংলায় মহিলা লীগ নেত্রীকে কুপিয়ে জখম


মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:মোংলা বন্দরের পাওয়ার হাউজ (বন্দর বিপনী মার্কেট) এলাকায় মাদক সেবীদের হামলা ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত মহিলা লীগ নেত্রী শিউলি বেগমের অবস্থা আশংকাজনক হয়ে পড়েছে। তার শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মোংলা সরকারী হাসপাতাল থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালো প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে এ হামলার ঘটনায় চারজনকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে আহত শিউলি বেগম। পৌর ৪ নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শিউলি বেগম বলেন, বেশ কিছুদিন যাবৎ বন্দর বিপনী মার্কেটে সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে মদ গাজার আসর বসাতো ওই এলাকার সোহেল মাহমুদ শ্রাবন। অপরিচিত অনেক ব্যক্তি সেখানে আসা যাওয়া করতেন। এতে ওই এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হয়ে আসছে। বিভিন্ন এলাকার মাদক সেবীদের ওইখানে ঝড়ো হতে বাঁধা দেয় শিউলি বেগম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার দুপুরে সোহেল মাহমুদ শ্রাবন, জাকির, হুমায়ন ও জাকির হোসেন নামের চার মাদকসেবী শিউলি বেগমের উপর হামলা চালায়। তাদের হাতে থাকা দা ও রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে শিউলি সাথে থাকা পারুল ও পারভিন তাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। শিউলির মাথা কেটে যাওয়ায় চারটি শেলাইসহ প্রয়োজনী চিকিৎসা সেবা দেন হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক।  পরে আহত শিউলির শারিরীক অবস্থা অবনতি হলে শনিবার রাতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপতালে প্রেরণ করা হয়েছে। খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন শিউলির অবস্থাও অবনতির দিকে বলে জানিয়েছেন তার স্বজ্বনরা। এদিকে হামলার ঘটনায় শিউলি বেগম শুক্রবার থানায় ডিউটি অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগ দেয়ার পর পুলিশের তেমন কোন তৎপরতা নেই বলে অভিযোগকারী শিউলি বেগমের।


এ বিষয়ে মোংলা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মো: রাসেল মিয়া বলেন, আমি ডিউটি অফিসারের দায়িত্বে ছিলাম কিন্তু অভিযোগ কার কাছে দেয়া হয়েছে তা আমি জানি না। এ ঘটনায় স্থায়ী বন্দরের পাওয়ার হাউস, দিগরাজ ও বুড়িরডাঙ্গা এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই মো: রুহুল বলেন, অভিযোগটি থানায় রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউকে ওই অভিযোগটি মার্ক করে দেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি। 

দুর্নীতিবাজ ও অর্থ আত্মসাতকারীদের সাংবাদিক ইউনিয়নে প্রশয় দেয়া হবে না

দুর্নীতিবাজ ও অর্থ আত্মসাতকারীদের   সাংবাদিক ইউনিয়নে প্রশয় দেয়া হবে না





মামুনুর রশিদ, প্রতিনিধি দিনাজপুর : প্রকৃত ও কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন সকল ধরনের সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা সুরক্ষায় কাজ করবে। কোন ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতকারীদের প্রশয় দেয়া হবে না। ইউনিয়ন হবে দেশের একটি মডেল ইউনিয়ন। 


দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমিটি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির ভাষনে প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরূপ বক্সী বাচ্চু এ কথা বলেন। ইউনিয়নের আহ্বায়ক গোলাম নবী দুলালের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কামরুল হুদা হেলালের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোঃ ইদ্রিস আলী, বিএফইউজের সাবেক নির্বাহী সদস্য আরিফুল আলম পল্লব, সাংবাদিক শাহরিয়ার শহীদ মাহবুব হিরু, শাহ আলম শাহী, সালাউদ্দিন আহম্মেদ, আজহারুল আজাদ জুয়েল, কংকন কর্মকার, কাশী কুমার দাস ঝন্টু, মোঃ খাদেমুল ইসলাম, আবুল কাশেম, মোফাসিরুল রাশেদ মিলন, আসলামুল হক মাহবুব, আব্দুস সালাম, আল ফারুকি, মাহবুব আলম শুভ, নাজমুল ইসলাম নয়ন এবং গোলাম মোস্তফা। 


মতবিনিময় সভায় আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও সদস্য রতন সিং, রফিকুল ইসলাম ফুলাল ও রিয়াজুল ইসলামসহ অন্যান্য সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। 


প্রধান অতিথি স্বরূপ বক্সী বাচ্চু বলেন, কুচক্রী মহলের অশুভ তৎপরতার জন্য দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন তার মর্যাদা ও ঐতিহ্য হারিয়েছে। তাই আগামী দিনে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে প্রকৃত সাংবাদিকদের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে সাংবাদিক ইউনিয়নকে গতিশীল ও শক্ত সাংগঠনিক কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি বলেন, পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় সাংবাদিক ইউনিয়ন অতিতের ন্যায় সাহসী ও ন্যায্য ভূমিকা রেখে সাংবাদিকদের সাহস যোগাবেন। আহ্বায়ক গোলাম নবী দুলাল বলেন, বিএফইউজের নির্দেশনা ও সরকারের শ্রম বিভাগের বিধি বিধান অনুসরন করে সাংবাদিক ইউনিয়নের কর্মকান্ড পরিচালিত হবে। ইউনিয়নকে শক্তিশালী করার জন্য তিনি সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেন।

ইয়াবা সহ নাহিদা সুলতানা আটক

 ইয়াবা সহ নাহিদা সুলতানা আটক


রিয়াজুল করিম রিজভী,চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানঃসন্দ্বীপ মগধরা ইউনিয়ন থেকে এক মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে ২৭০ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছে সন্দ্বীপ থানা পুলিশের এসআই জুলফিকার ও তার সঙ্গীয় ফোর্স। আসামীর নাম নাহিদা সুলতানা ওরফে নিপা স্বামী কামরুজ্জামান ঠিকানা গোলাম রহমান মুন্সির বাড়ি ওয়ার্ড নংঃ ৪, সাং মগধরা, বয়সঃ ২৮।


গতকাল রাত ১০ টার সময় গোপন খবরের ভিত্তিতে প্রচুর ইয়াবা,  মাদক, জিপার ও ধারালো অস্ত্র সহ এসআই জুলফিকারের হাতে গ্রেফতার হয়েছে এই মাদক ব্যবসায়ী দুধর্ষ মহিলা। 


থানা সুত্রে জানা যায় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সে এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এছাড়াও তার স্বামী কামরুজ্জামানও এই ব্যবসার সাথে জড়িত বলে তারা জানিয়েছেন।


এলাকাবাসী জানান গ্রেফতারের আগে কয়েকজন লোক নিয়ে ঐ মহিলা মদের আসর বসিয়েছিলো। প্রতিনিয়ত এমন আসর বসতো। কিন্তু পুলিশ আসার খবর পেয়ে তার স্বামী সহ অন্যরা পালিয়ে যায়।


এসআই জুলফিকার বলেন এ মহিলা প্রকৃতই মাদক ব্যবসায়ী তাই তাকে এরেষ্ট করা হয়েছে এবং মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।

পটিয়া মরহুম মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম চৌধুরী নাগরিক শোকসভা ১৬ অক্টোবর সফল করার আহবান

পটিয়া মরহুম মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম চৌধুরী নাগরিক শোকসভা ১৬ অক্টোবর সফল করার আহবান


সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ- আগামী ১৬ই অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রামের              পটিয়া উপজেলার  বড়লিয়া ইউনিয়নে   মৌলভী হাটে  মরহুম  মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ  ইব্রাহিম চৌধুরীর এলাবাসীর উদ্যোগে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হইবে। এ উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা  ৯ অক্টোবর  শুক্রবার বিকালে বাড়ৈকেরা গ্রামের  এলাকাবাসীর উদ্যােগে  


মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম  দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টি সদস্য বদিউল আলম প্রবাসী, শিক্ষক নুরুল আমিন,মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা জাতীয় যুবসংহতির সাধারণ সম্পাদক দুলা মিয়া চৌধুরী মেম্বার,  


৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদনক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী,নুরুল আবছার, মোঃ এমরান সহ    সহ এলাবাসী উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার  মরহুম মোহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী এলাবাসীর উদ্যোগে মৌলভী হাটে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হইবে। উক্ত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের হুইপ পটিয়ার এমপি আলহাজ্ব শামসুল হক চৌধুরী, বিশেষ অতিথি থাকবেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী,  মহিলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সাবেক এমপি বেগম চেমন আরা তৈয়ব, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ.ক. ম শামসুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক পটিয়া পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, এতে সভাপতিত্ব করবেন মরহুম মোহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী নাগরিক শোকসভা প্রস্তুতি  কমিটির আহবায়ক মুক্তি যোদ্ধা রাশেদ মনোয়ার,সভা পরিচালনা করবেন নাগরিক শোকসভা কমিটির সদস্য সচিব সৈয়দ মোরশেদ উল্লাহ। সভায় বক্তারা মরহুম মোহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী নাগরিক শোকসভা সফল করার জন্য সর্ব মহলের প্রতি আহবান জানান।

দূর্গাপুজা উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা

দূর্গাপুজা উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ::শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা।

মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজের মুন হলে অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার, জনাব মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন,জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব শাহাব উদ্দিন, এমবি।উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার ৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব নেছার আহমেদ, 

মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র জনাব মো: ফজলুর রহমান, পুলিশ সুপার জনাব ফারুক আহমেদ, সিভিল সার্জন ডা.তউহীদ আহমেদ, 

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব তানিয়া সুলতানা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ,পূজা উদযাপন কমিটির সম্মানিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।


সভায় সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক, সীমিত আকারে পূজা উদযাপন ও অন্যান্য আচার-অনুষ্ঠান পালনের বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা

ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা




আব্দুল জব্বার, স্টাফ রিপোর্টার।।যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া গ্রামে আলোচিত শিশু আল আমিন (৬) রহস্যজনকভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে জন্ম হওয়া এই শিশুর অগ্নিদগ্ধ হওয়া নিয়ে তার বাবা ও মার পক্ষের লোকজন একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করছেন। উভয় পক্ষই বলছেন, তাদেরকে বিপদগ্রস্থ করতে শিশুটিকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হতে পারে। আগুনে ঝলসে যাওয়া শিশুটি বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজনক। আল আমিন, বাঁকড়ার দাউদ সরদারের ছেলে। তার মা   তামান্না খাতুন। দাউদ সরদার তাকে ধর্ষণ করেছিলো।


শিশু আল আমিনের নানী সাকিরন নেছা জানান, তিনি অভাবী মানুষ। এজন্য তিনি দাউদ সরদারের বাড়িতে কাজ করতেন। কাজ করার সুবাদে তার কিশোরী  মেয়ে তামান্নাও তাদের বাড়িতে যাওয়া আসা করতো। এ সুযোগে দাউদ সরদার তার মেয়েকে একদিন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তারপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আরও অনেকবার ধর্ষণ করে। এতে সে গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে। তবে দাউদ সরদার তা অস্বীকার করেন।এ জন্য তিনি বাদি হয়ে যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্রুনালে মামলা দায়ের করেন। যার নং-২২৩১৭, তাং- ২০-১০-২০১৫ ইং বর্তমানে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্রুনাল-২ তে বিচারাধীন রয়েছে। খুব দ্রুত ঐ মামলার রায় হবে।


সাকিরন নেছা বলেন, দাউদ আমার মেয়ের গর্বের সন্তান তার নয় দাবি করলে  তিনি মেয়ের  সন্তানের  ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আবেদন করলে আদালত ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী গর্ভের সন্তান দাউদ সরদারের বলে প্রমাণ হয়। তখন আদালত দাউদ সরদারকে আটকের নির্দেশ দিলে তিনি তামান্নাকে বিয়ে করতে রাজি হন। তবে বিয়ে করলেও দাউদ ঐ বাচ্চা ও তার স্ত্রীকে স্বীকৃতি দেয়নি। এজন্য তামান্না বাপের বাড়িতেই থাকে এবং আমরা মামলাও চালাচ্ছি।

সাকিরন অভিযোগ করে বলেন, দাউদ সরদারের বয়স ৬৫ বছর। তার ছেলে-মেয়েরা অনেক বড়, উচ্চ শিক্ষিত ও বিভিন্ন জায়গায় চাকুরী করেন। তাই ৫ বছরের আল আমিনকে নিয়ে দাউদ বিব্রতবোধ করেন। তাই সে প্রায় আল আমিনকে মেরে ফেলার ফন্দি করতো।


তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তারা যশোর সদরের এড়েন্দা গ্রামে থাকেন। তার সাথে মেয়ে তামান্না ও আল আমিন থাকএ। রোববার তিনি আল আমীনকে সাথে নিয়ে বাঁকড়া গ্রামে তার পিতার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ খবর জানতে পারেন একই গ্রামের বাসিন্দা শিশুটির পিতা দাউদ সরদার। বুধবার রাতে আল আমীন ও তিনি একটি রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতে ঘরের ইটের জানালা দিয়ে পাটখড়ির মাধ্যমে মশারিতে আগুন দেয়া হয়। এ সময় আল আমীন চিৎকার দিলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।



এ ব্যাপারে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাফিকুর রহমান স্বপন জানান, শিশু আল আমীনের শরীরের ৭০ ভাগ পুড়ে গিয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা বার্ণ ইউনিটে রেফার করা হয়েছে। তবে সেখানে নিয়ে চিকিৎসা করার অর্থ না থাকায় হাসপাতাল ও রোগী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে চিকিৎসা বহন করা হচ্ছে।


আল আমিনের মা তামান্না বলেন, তার স্বামীই আল-আমিনকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। তার ইচ্ছা ছিল তার লালসার প্রমাণ শেষ করে ফেলা।এদিকে  দাউদ হাজি উল্টো অভিযোগ করছেন তার শাশুড়ি  বিরুদ্ধে। তিনি  সন্তানের শরীরে আগুন দেননি দাবি করে বলেন, তার শাশুড়ি সাকিরন বিবি তার সম্পত্তি আত্মসাতের জন্যে এই নাটক সাজিয়েছে। আল আমিনের গায়ে কীভাবে আগুন লেগেছে তিনিই ভাল বলতে পারবেন।


তিনি গণমাধ্যমকে জানান, এ পর্যন্ত মামলাটি নিষ্পত্তির জন্যে বাদীকে তিনি মোট ১২ লাখ টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এরপর বাদী আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করছেন ।যদি তার দাবিকৃত টাকা না দেয়া হয়, তাহলে শিশু আল আমিনকে হত্যা করে দায় তার উপর চাপাবেন বলে তিনি  হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তিনি আর টাকা দিতে অস্বীকার করায় সাকিরনই, আল-আমিনকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। দাউদ সরদার বলেন, একই ঘরে সাকিরন ও আল-আমিন ঘুমিয়ে ছিলো । আল-আমিন অগ্নিদগ্ধ হলেও সাকিরনের কিছু হয়নি।  এ থেকেই বোঝা যায় ঘটনা রহস্যজনক। মূলত তার কাছ থেকে নতুন করে টাকা আদায় করতেই তিনি এই মর্মান্তিক নাটক সাজিয়েছেন । তিনি এ ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি করেন।



অন্যদিকে, সাকিরন ও তামান্না জানান, দাউদ সরদার মুলত তার অপকর্মের প্রমাণ মুছে ফেলতে চায়। সে জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা ফন্দিও আঁটেন। তারই অংশ হিসাবে তার শিশুপুত্র আল-আমিন (৬) কে তিনি লোকজন দিয়ে পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন। সাকিরন  বলেন, তার মেয়ে ও বাচ্চার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘদিন আইনী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং সুবিচার পাচ্ছে। যা সহ্য করতে পারছেন না দাউদ ও তার সজনরা। তারা জানে মামলায় তারা হেরে যাবে।  এ জন্য প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে তারাই আল আমিনকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। তিনিও এ ব্যাপারে সঠিক তদন্তের দাবী  করেন।

সাতক্ষীরায় লম্পট শিক্ষক নারীসহ জনতার কাছে হাতেনাতে আটক

 সাতক্ষীরায় লম্পট শিক্ষক নারীসহ জনতার কাছে হাতেনাতে আটক





আব্দুল জব্বার, স্টাফ রিপোর্টার।।সাতক্ষীরায় ইতিপূর্বে বিভিন্ন নারীর সাথে অনৈতিক কাজের সময়, বহুবার হাতে-নাতে ধরা পড়া, ছাত্রীদের ব্লাকমেইলিং করা এবং বিভিন্ন নারীকে ফুসলিয়ে যৌন লালসা মিটানো সাতক্ষীরা সরকারী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান এবং সহোযোগী অধ্যাপক চরিত্রহীন-লম্পট শিক্ষক আসাদুজ্জামান। আবারও ছাত্রী ও এনজিও কর্মীসহ ধরা খেয়েছেন। 


তার বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর বাগআঁচড়া সংলগ্ন।


ইতিপূর্বে এই শিক্ষক অসংখ্য ছাত্রীর সাথে অশালীন আচরণ করেছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ছাত্রী। লম্পট আসাদুজ্জামন ২ সন্তানের জনক। তার মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ছেলে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। ছেলে-মেয়ে নিয়ে তার স্ত্রী বাগআঁচড়াতেই থাকেন। আর সেই সুযোগে আসাদুজ্জামান একের পর এক বিভিন্ন মেয়ের সর্বনাশ করে যাচ্ছে। এই আসাদুজ্জামান তার ঘনিষ্ঠদের নিজের মোবাইলে থাকা বিভিন্ন মেয়ের ছবি দেখিয়ে বলেন, আমিতো প্লে-বয়, আমার ৬০-৬২টা ডার্লিং সবসময় থাকে।


শনিবার ১০ই অক্টোবর সকাল ১১,৩০ মিনিটের  সময় আসাদুজ্জামান এক ছাত্রী আর এনজিও কর্মীকে নিয়ে, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল খুলনা রোড মোড়ে অবস্থিত কেয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৫ম তলার সিঁড়িঘরে, চিলেকোঠা ভাড়া করা রুমে নিয়ে ফূর্তি করছিলেন। ইতিপূর্বেও ঐ শিক্ষক সেখানে অনেক মেয়েকে নিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের নজরে পড়ে এবং সন্দেহ হয়। একে একে বিষয়টি জানাজানি হলে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে হাজির হন। খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে পুলিশও ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। 


এদিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে, কলেজের শিক্ষক পর্ষদের সম্পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম আজাদসহ কয়েকজন শিক্ষক মোটরসাইকেল যোগে বেলা ২টার দিকে, কেয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ক্ষিপ্রতার সাথে আটক শিক্ষক ও মেয়েটিকে নিয়ে পুলিশ পৌঁছানোর পূর্বেই সরকারি কলেজে নিয়ে চলে আসেন। ঐ মুহুর্তে লম্পট শিক্ষক ও তার লাম্পট্যের শিকার ওই তরুণীকে নিয়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজের রুমে বৈঠক চলছিল।


কয়েকজন শিক্ষার্থী ফোনে অভিযোগ করেন, কলেজ প্রশাসনের কিছু পদস্থ শিক্ষকের প্রশ্রয়ে লম্পট আসাদুজ্জামান, ছাত্রীদের উপর তার যৌন লালসা চালিয়ে যাচ্ছে। তখনও ঐ লম্পট শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ না করে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা চলে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ছাত্রী জানান, কিছুদিন আগে লম্পট আসাদুজ্জামান ঐ ছাত্রীকে তার বাসায় গিয়ে ঘর-বাড়ি একটু গুছিয়ে দিতে বলেন। ঐ ছাত্রী প্রথমে অস্বীকার করলে আসাদুজ্জামান তাকে ইনকোর্সের নম্বর কম দেওয়ার ভয় দেখায়। এরপর ঐ ছাত্রী আসাদুজ্জামানের বাসায় গেলে আসাদুজ্জামান জোরপূর্বক তার শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। লজ্জ্বায় এ ঘটনা ঐ ছাত্রী কাউকে জানাতে না পেরে এক পর্যায়ে কলেজে আসা বন্ধ করে দেন। সচেতন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা লম্পট আসাদুজ্জামানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।


সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকাত পারভেজ জানান, আমরা আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখবো।এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, মেয়েটি সম্পর্কে আমার নাতনি হয়। সে সাতক্ষীরায় এসেছিল বেড়াতে। আমি একটু রেস্ট নেওয়ার জন্য তাকে আমার রুমে নিয়ে এসেছিলাম। বিষয়টি এর বেশি কিছুু নয়। বিশিষ্ট নারী নেত্রী নাসরিন খান লিপি বলেন, সন্তানতুল্য মেয়েদেরকে যে শিক্ষক ব্লাকমেইল করে, যৌন হয়রানি করে সে শিক্ষক সমাজের কলঙ্ক। তিনি ঐ শিক্ষকের কঠোর শাস্তির দাবী জানান। নারী নেত্রী ও অতিরিক্তি পিপি শাহনাজ পারভীন মিলি বলেন, ঘটনা শুনে আমি লজ্জিত। প্রিন্সিপাল স্যারকে আমি বলেছি ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে। যে শিক্ষকের কাছে সন্তানতুল্য ছাত্রীরা নিরাপদ নয় তাকে শিক্ষকরুপে আমরা দেখতে চাইনা। 


প্রিন্সিপাল স্যার আমাকে কথা দিয়েছেন ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তিনি উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে লিখবেন।এদিকে লম্পট আসাদুজ্জামানকে উদ্ধার করতে যাওয়া সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষক পর্ষদের সম্পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম আজাদ বলেন, অধ্যক্ষ স্যার আমাকে ফোনে একাধিকবার অনুরোধ করেন, শিক্ষক আসাদুজ্জামানকে কলেজে নিয়ে আসার জন্য। যেহেতু অধ্যক্ষ স্যার বারবার আমাকে আদেশ করেছেন, তাই আমি সেখানে গিয়েছিলাম। এই ঘটনা সম্পর্কে আমি আগে থেকে কিছুই জানতাম না, জানতাম না সে কি ধরণের পরিস্থিতির মধ্যে আছে।