সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত

 সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত

 



আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি বাতিল ও বর্তমান আহবায়ক সৈয়দ ইফতেখার আলীকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবীতে বিক্ষোভ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১২ টার দিকে শহরের সঙ্গীতামোড়স্থ রাধা নগর এলাকায় উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ন আহবায়ক শেখ তারিকুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক কামরুল ইসলাম ফারুক। অনান্যদের মধ্যে, বক্তব্য রাখেন, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল আলম বাবু, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক আইনুল ইসলাম নান্টা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান ভুট্টো, মৎস্যজীবি দল সভাপতি আসিফুর রহমান, তাঁতীদল সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজ,যুবনেতা শেখ রাজিবুল ইসলাম রাজিব প্রমুখ।

বক্তারা জেলা, উপজেলা ও শহর বিএনপির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৯৩ জন নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা হত্যা মামলা দায়েরকারী সংস্কার পন্থী নেতা সৈয়দ ইফতেখার আলীর দল থেকে বহিষ্কারের দাবীতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তাকে দল থেকে বহিষ্কার না করা হলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে বক্তারা ঘোষনা দেন।

কয়রায় লায়ন্স ক্লাব অফ খুলানার উদ্যোগে বাঘে ধরা পরিবারের মাঝে নৌকা বিতরন

 কয়রায়  লায়ন্স ক্লাব অফ খুলানার উদ্যোগে বাঘে ধরা পরিবারের মাঝে নৌকা বিতরন


কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ লায়ন্স ক্লাব অব খুলনাঃসুন্দরবনের উদ্যোগে সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের আক্রমনে শিকার হওয়া আবুল হাসানের পরিবারকে স্বাবলম্বী করার লক্ষে বিনা মুল্যে একটি  নৌকা প্রদান করা হয়েছে। আর এ ধরনের মানবিক কর্মকান্ডকে এলাকাবাসি সাধুবাদ জানিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কাশিয়াবাদ স্টেশনের পন্টুনে এ নৌকা তার পরিবারের হাতে তুলে দেন কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাঃ হুমায়ুন কবির ও লাইন্স ক্লাব অব খুলনা সুন্দরবনের সেক্রেটারী দিলারা নাছরিন দিলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাহারাম, সাংবাদিক রিয়াছাদ আলী, ইউপি সদস্য অহিদ মোড়ল, আব্দুল্লাহ আল দানিল, স্থানীয় সমাজ সেবক ইয়াছিন আলী প্রমুখ। নৌকা হাতে পাওয়ার পর এক পতিক্রিয়ায় হাসানের বয়বৃদ্ধ মা ও তার স্ত্রী  বলেন, বাঘের আক্রমনে অসুস্থ হাসানের উন্নত  চিকিৎসা করা প্রয়োজন। চিকিৎসা করার সর্মথন তার পরিবারের নেই। এক খানা নৌকা পেয়ে সুন্দরবনে মাছ ধরে কোন মতে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে পারবো। উপস্থিত অতিথি বৃন্দ সহ স্থানীয় এলাকাবাসি এ ধরনের সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার জন্য সংগঠনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছে।

বড়লেখায় দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন

 বড়লেখায় দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন




আকরাম হোসাইন প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ১৩ অক্টোবর) মঙ্গলবার আর্ন্তজাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরান আজ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা পরিদর্শন করেন।

পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান উপস্থিত ছিলেন।

হবিগঞ্জে এন্ডিং জুয়া খেলার দায়ে ৩ জুয়ারির কারাদন্ড

 হবিগঞ্জে এন্ডিং জুয়া খেলার দায়ে ৩ জুয়ারির কারাদন্ড

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনী যৌথ অভিযান চলিয়ে শিলং নামক এন্ডিং জুয়া খেলার দায়ে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ৩ জুয়ারিকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মতিউর রহমান খান

দন্ডিতরা হলেন পৌর এলাকার শরীফ নগর নতুন বাড়ি গ্রামের মৃত ইলিয়াস মিয়ার পুত্র লুৎফুর রহমান সানি (২৭) নবীনগর গ্রামের মৃত আব্দুল বারিক মিয়ার পুত্র সফিউল ইসলাম (৩৩) ও কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার মির্ঘা কালিপুর গ্রামের মৃত সিকান্দর আলির পুত্র হানিফ মিয়া (৩৫)


স্থানীয় সুত্রে জানা যায় আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সদরে দীর্ঘদিন যাবৎ ভারত নিয়ন্ত্রিত অনলাইনভিত্তিক শিলং এন্ডিং জুয়া খেলা পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এন্ডিং জুয়া খেলার ৩ টি এজেন্ট রয়েছে। তাদের অধিনস্ত ৩০ থেকে ৪০ জন কমিশন ভিত্তিক অর্থ সংগ্রহকারী (মহুরী) রয়েছেন এই জুয়া খেলায় অংশ নিয়ে ৫ শতাধিক জুয়ারি ঋণগ্রস্থ হয়ে এলাকা ছেড়ে সিলেটের ভোলাগঞ্জ চট্রগ্রাম ঢাকার নারায়নগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিবার নিয়ে মানবিক জীবনযাপন করছেন প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপে এই খেলার দায়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জনকে।


ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড দেওয়া হলেও সম্প্রতি  আবারও মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে ওই জুয়া খেলা। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মতিউর রহমান খান ও অফিসার ইনচার্জ মোশারফ হোসেন তরফদারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মুন সিনেমা হল রোডে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিতদের আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ১ মাসের কারাদন্ড করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মতিউর রহমান খান জানান এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নওগাঁ সাপাহার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন

 নওগাঁ সাপাহার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন


আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস


মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর সাপাহারে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রসে সুশাসন, নিশ্চিত করবে টেকসই উন্নয়ন” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে নওগাঁর সাপাহারে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে বের হয়ে সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও কল্যাণ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান হোসেন মন্ডল।এসময় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার আবুল মনসুর আহমেদ, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাওছারুল আলম, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সাহারা রানুসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ

 আশাশুনিতে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ



আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি:আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে খাজরা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন মোড়ল বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও  আশাশুনি থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খাজরা ইউনিয়ন এর দুর্গাপুর গ্রামের মৃত সহর আলী গাজীর ছেলে আফসার গাজীসহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী বাহিনী একত্রিত হয়ে সোমবার সকালে খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের সীমানার পিলার তারকাটা কেটে পরিষদের সীমানায় প্রবেশ করে। এ সময় গ্রাম পুলিশের সদস্য বৃন্দ তাদের কাজে বাধা দিতে গেলে ধারালো দা-কুড়াল শাবল উচিয়ে খুন-জখমের হুমকি প্রদর্শন করে। পরিষদের সম্পত্তি জবর দখল কালে ভূমি দস্যু বাহিনী স্থানীয় সরকারের  আনুমানিক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন। ইউনিয়ন পরিষদ পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি আমলে নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী ও ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

হবিগঞ্জে প্রবাসী ভাইয়ের ঘর দখল করে রেখেছেন ছোট ভাই

হবিগঞ্জে প্রবাসী ভাইয়ের ঘর দখল করে রেখেছেন ছোট ভাই


লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে প্রবাসী বড় ভাইয়ের বসত ঘর দখল করে রেখেছেন ছোট ভাই ফলে খোলা আকাশের নীচে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভূক্তভোগী আলী হোসেন চৌধুরী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অভিযোগ রয়েছে মীরমহল্লার কতিপয় মাতবর চাদা না পেয়ে ছোটভাই আওলাদ হোসেন চৌধুরীকে লেলিয়ে দিয়ে উল্টো বড়ভাইয়ের উপর মিথ্যা মামলা ও লাঠিয়ালবাহিনী দিয়ে বড় ভাইকে এলাকা ছাড়া করার পায়তারা করছেন, এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় বানিয়াচং উপজেলার ১নং উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের মীরমহল্লা প্রকাশ পচারবাগ গ্রামের মৃত একরাম হোসেন চৌধুরীর ওয়ারিশান ৫ ছেলে ও ৫ মেয়ে রয়েছেন।প্রথম স্ত্রী মৃত্যুবরন করায় তিনি আরও দুটি বিয়ে করেছেন এবং ওই দুই স্ত্রীকে তিনি জীবিত অবস্থায় তালাক প্রদান করেছেন। একরাম হোসেনের বসত বাড়ীতে মোট জমি আছে ১৫ শতক পারিবারিক ভাগ-বাটোয়ারা করার ফলে প্রত্যেক ছেলে জনপ্রতি দুই শতক ও মেয়েরা পেয়েছেন জনপ্রতি ১ শতাংশ করে, ইতিমধ্যে তাদের প্রাপ্য অংশ মোতাবেক নিজেরা নিজেরা ভোগ দখল করছেন কোন সমস্যা ছাড়াই ভূক্তভোগী আলী হোসেন চৌধুরী দীর্ঘদিন যাবৎ সৌদিআরবে কর্মরত আছেন। ইতিমধ্যে তিনি তার ৩ বোনের নিকট থেকে ৩ শতক জমি রেজিষ্ট্রারি দলিলমূলে ক্রয় করেছেন বাকী ২ বোনের নিকট থেকে তাদের জমি ক্রয় করার ও চূড়ান্ত কথাবার্তা হয়ে গেছে আলী হোসেনের প্রাপ্ত অংশসহ ইতিমধ্যে তিনি ৫ শতাংশ জমির মালিক ও দখলকার হয়েছেন। আলী হোসেন চৌধুরী তার অংশের পুরাতন ঘরের এক অংশে তার ছোট ভাই আওলাদ হোসেন চৌধুরীকে বসবাস করার জন্য থাকতে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি আলী হোসেন তার দখলীয় ও মালিকানা প্রাপ্ত জমিতে থাকা পুরোনো বসত ঘর সংস্কার করার জন্য ছোটভাই আওলাদ চৌধুরীকে তার নিজের বসত ঘরে চলে যাওয়ার জন্য তাগাদা দেন আওলাদ চৌধুরী আরও কিছুদিন থাকতে চেয়ে একটি রুম না ভেঙ্গে কাজ শুরু করার জন্য অনুরুধ জানায় এতে আলী হোসেন চৌধুরী ছোট ভাইয়ের কথা অনুযায়ী একটি রুম না ভেঙ্গে বাকী।রুমগুলোর সংস্কার কাজ শুরু করেন দুই দিন পর হঠাৎ করে মহল্লার মাতবর ওয়েছ গংরা চাদা দাবী করেন চাদা না পেয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে তারপর শুরু হয় মিত্যা মামলা ও হামলা বর্তমানে আলী হোসেন চৌধুরী পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী আলী হোসেন চৌধুরী দুঃখ করে জানান, আমার জমি আমার ঘর থাকতে দিয়েছিলাম ছোট ভাই ও তার পরিবারকে আমার ঘর সংস্কার করার প্রয়োজনে আমি ছোট ভাই আওলাদ ও তার স্ত্রী আয়েশাকে বলেই আমি ঘরের কাজ শুরু করেছি।

তারা আমাকে বলেছেও এখন কুচক্রী মহলের ইন্ধনে আমার উপর মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে যা খুবই বেদনাদায়ক এমনকি আমি তাকে আমার টাকায় সৌদিআরব নিয়েছি এখন সে উল্টো আমার উপর মানাবাধিকার লংঘন ও টাকা আর্থি সাতের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে এ ব্যাপারে ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জানান, ভাইয়ে ভাইয়ে চরম বিরোধ বিষয়টি দেশের মুরুব্বীগণ অবগত আছেন আমরা বলেছি বিচারে আসেন যার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আমরা সমাধান করে দিব একজন মেনে নিলেও অন্য আরেকজন মেনে নেন নাই।

দৌলতপুরে চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারনা, কৃষক পরিবার সর্বস্বান্ত

 দৌলতপুরে চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারনা, কৃষক পরিবার সর্বস্বান্ত


কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়া দৌলতপুরে পুলিশের চাকুরী দেওয়ার নাম করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র, অর্থ দিতে গিয়ে মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে বলে জানাগেছে।এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গেলে উপজেলার বোয়ালীয়া ইউনিয়নের মধুগাড়ী গ্রামের মজির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে আমার প্রতিবেশী মৃত জামির মন্ডরের ছেলে আব্দুল লতিফ ও প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি গ্রামের ভাদুর ছেলে দুলাল, আমার ছেলে রাকিব কে পুলিশের চাকরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১০  লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। তিনি আর জানান ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে কুষ্টিয়ায় পুলিশের মাঠ হয় সেই সুবাদে লতিব ও দুলাল আমার সাথে পুলিশের কনস্টেবল পদে লোক ধরে চাকুরী  নিয়ে দিবে তার জন্য ১২ লক্ষ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি নাজিম উদ্দিন, সিরাজ শেখ ও ইউ পি সদস্য ফারুক হোসেনের উপস্থিতে ৩ লক্ষ টাকা দেই। পরে আমার ছেলে রাকিবকে ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে কুষ্টিয়ায়  কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য নিয়ে যায়।


 সেখানে পরীক্ষায় টিকে ওয়েটিং লিস্টে আছে এমন ব্যবস্থাপত্র দেখায় লতিব। ওয়েটিং লিস্টে থাকা কাগজপত্র দেখিয়ে ওয়েটিং কাটাতে হবে দাবি করে একদিনের ভিতর আরো সাত লক্ষ টাকার দাবি করেন আমি একরকম বাধ্য হয়ে আবাদি জমি কম দামে  বিক্রয় করে ও সুদের টাকা নিয়ে সাত  লক্ষ টাকা পরিশোধ করি। তারপর ও  আমার ছেলের চাকরি হয় নাই।আজ তিন বছর হতে চলেছে লতিব ও দুলাল তিন লক্ষ টাকা ফিরত দিলেও বাকী সাত লক্ষ টাকা ফিরত দিচ্ছেনা। 

এ বিষয়ে রাকিবুল জানান, প্রতারক চক্র প্রতারনা করে আমার বাবা আবাদি জমি বিক্রয় করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে বিচার দাবি করছি।এ বিষয়ে নাজিম উদ্দিন, সিরাজ শেখ ও ইউ পি সদস্য ফারুক হোসেন জানান,আমাদের উপস্থিতিতে তারা টাকা লেনদেন করেছে। কিন্তু চাকুরী দিতে না পারায় তিন লক্ষ টাকা ঘুরিয়ে দিলেও এখন বাকী ৭ লক্ষ   টাকা ঘুরোত দিচ্ছেনা। এ বিষয়ে লতিব এর বাড়ীতে গেলে বাড়ীতে না পেয়ে পরিবারের লোক জনের কাছে তার মুঠোফোনের নাম্বার চাইলে পরিবারের লোকজন দাবি করেন তিনি ফোন ব্যবহার করেন না। 


তার পরিবারের লোকজনের কাছে সহযোগীতা না পেয়ে এলাকাবাসীর কাছে থেকে লতিবের মুঠোফোনের নাম্বার নিয়ে যোগাযোগ করেলে প্রথম কলে লতিব ফোন উঠান এবং সাংবাদিক পরিচয় দিলে ক্যামেরায় কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান,তিনি বলেন   আমি যে তিন লক্ষ টাকা নিয়েছি সেটা ফিরত দিয়েছি বাকী কোন টাকা আমি নেই নাই। পুলিশের চাকুরী কি টাকা দেয়া হয় এমন প্রশ্ন উত্তরের কোন সদুত্তর দিতে পারেনি আব্দুল লতিফ।এদিকে আরেক অভিযুক্ত দুলালের সাথে যোগাযোগ করতে লতিবের দেওয়া তথ্য গরমিল হয়ে যায়। দুলাল   জানান, আব্দুল লতিব আমার মামা যেই দিন  টাকার লেনদেন করেছে আমি সেখানে বেড়াতে গিয়ে দেখেছিলাম মামার বাড়িতে । কিন্তু যে টাকা আমার উপস্থিতিতে লেনদেন হয়েছে তা চার লক্ষ  টাকা আমার উপস্থিতিতে আবার ফিরোত দেওয়া হয়েছে।

 এখানে প্রশ্ন থেকে যায় লতিব বলছে তিন লক্ষ টাকার লেনদেনের কথা কিন্তু আরেক অভিযুক্ত দুলাল বলছে টাকা ফেরোত হয়েছে চার লক্ষ  টাকা।তাই বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করছে প্রতারণার ফাঁদে পড়া পরিবার ও এলাকাবাসী।এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ জানায়, এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হলে এলাকার আইন শৃঙ্খলা সুষ্ঠ রাখার স্বার্থে তাদের ডাকা হলে লতিব থানায় উপস্থিত হয়  নাই।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আয়োজিত জুম এ্যাপের মাধ্যমে করোনা সচেতনতামূলক সাংষ্কৃতিক প্রতিযোগিতা

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আয়োজিত জুম এ্যাপের মাধ্যমে করোনা সচেতনতামূলক সাংষ্কৃতিক প্রতিযোগিতা


নিউজ ডেস্কঃ ময়মনসিংহে এড. তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে মাননীয় মেয়র জনাব মোঃ ইকরামুল হক টিটু মহোদয়ের সভাপতিত্বে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে আজ করোনা সচেতনতামূলক সাংষ্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আয়োজিত জুম এ্যাপের মাধ্যমে করোনা সচেতনতামূলক সাংষ্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২০ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে |

ময়মনসিংহ সিটি করর্পোরেশন (মসিক) মেয়র জনাব মো: ইকরামুল হক টিটু মহোদয়ের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া, জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহা: আহমার উজ্জামান, আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র ভৌমিক প্রমুখ ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন মসিক সচিব ও প্রতিযোগিতার আহবায়ক জনাব রাজীব কুমার সরকার | আরো বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিল সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু, প্রতিযোগী জিলা স্কুলের ছাত্র অর্ণব সরকার ও কেবি স্কুলের ছাত্র মুবাশশিরা রাইয়ান ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির অনুপস্থিতিতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে আমরা ঝুকিপূর্ন সময় পার করেছি | তার পরেও আমাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি সাহসী পদক্ষেপের কারণে | জীবন জীবিকা এক সাথে চলে | জীবন থেমে থাকেনা। সামনে শীত আসছে | করোনার দ্বিতীয় স্টেজে আমাদের মোকাবেলা করতে হবে ! এর জন্য কর্ম পরিকল্পনা করতে হবে |

তিনি আরো বলেন, ইতিহাস ঐতিয্যের ও সাংস্কৃতির শহর ময়মনসিংহ | সংস্কৃতিতে আমরা পিছিয়ে যাব না। আগামী প্রজন্মকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে | ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহর হবে নান্দনিক শহর | উনি আরো বলেন, করোনা কালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগী রাখতে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারবে।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ইকরামুল হক টিটু মহোদয় বলেন,” করোনা বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিতে সকল স্কুল -কলেজ বন্ধ হয়ে যায়, এমন পরিস্থিতিতে শিার্থীদেরকে ব্যস্ত রাখার পাশাপাশি তাদের প্রতিভা বিকাশিত করার লক্ষে আমাদের এই আয়োজন , আর এমন সুন্দর আয়োজন যারা সফল করেছেন ও বিজয়ী হয়েছেন এবং অংশগ্রহণ করেছে সকলকে ধন্যবাদ জানান।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলগণসহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ৩টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন বিভাগে মোট ৩০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান করা হয় | ২৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া অনলাইন এ প্রতিযোগিতায় রচনা, কুইজ ও বিতর্কে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়াও উক্ত করোনা সচেতনতামূলক সাংষ্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২০ এ রচনা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে পুরস্কৃত হন বিডিনিউজ৭১.লাইভ এর সম্পাদক এবং দৈনিক ‍শিফানিউজ২৪.কম এর সহ-সম্পাদক শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের শিক্ষার্থী শিফাতুজ জান্নাত হাফসা ।

কাজিপুরে মাধ্যমিক শিক্ষকদের সাথে এম পি প্রার্থীজয়ের মতবিনিময়

 কাজিপুরে মাধ্যমিক শিক্ষকদের সাথে  এম পি প্রার্থীজয়ের মতবিনিময়

 



মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার কাজিপুরে উপনির্বিাচনে  আ,লীগ মননিত এম পি প্রার্থী প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়ের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি কাজিপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে আ,লীগ কার্যালয়ে গান্ধাইল হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক লূৎফর রহমান এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন এম পি প্রার্থী প্রকৌশলী জয়। তিনি তাঁর বক্তব্যে ১২ নভেম্বর অনুষ্টিতব্য উপনির্বাচনে  জয়লাভ করতে পারলে জননেত্রি শেখ হাসিনার আদশ্যকে ধারন করে কাজিপুরে  মরহুম বাবা নাসিমের অস্পন্ন কাজ গুলি সুচারুভাবে সম্পন œকরার জন্যঅঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।মেঘাই উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ও কাজিপুর সদর ইউনিয়ন সম্পাদক আব্দুল মতিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ,লীগ সম্পাদক,খলিলুর রহমান সিরাজী, অন্যদের মধ্যে শিক্ষক সমিতির কাজিপুর সম্পাদক আঃবাকি বি এস সি,গান্ধাইল উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা,প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সিরাজগঞ্জ ১ কাজিপুরে উপনির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলেরর নমিনেশন জমা দেন সেলিম রেজা

সিরাজগঞ্জ ১ কাজিপুরে উপনির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলেরর নমিনেশন জমা দেন সেলিম রেজা

 


মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জ ১ কাজিপুর উপনির্বাচনে নমিনেশন পেপার জমা দিচ্ছেন  সেলিম রেজা এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সাইদুর রহমান বাচ্চু জেলা বিএনপির সম্মানিত সহসভাপতি মজিবর রহমান লেবু জেলা বিএনপির উপদেষ্টা শফিউল আলম  ডলার যুগ্ম সম্পাদক হারুন অর রশিদ খান হাসান সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ সুইট,মির্জা মোস্তফা জামান জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রাজেশ কাজিপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ আয়ূব সদস্য সচিব ওহিদুজ্জামান মিনু সহ কাজিপুর উপজেলা বিএনপি তার সকল অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়তে তিন সন্তানের জননী গ্যাস বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা

 আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়তে তিন সন্তানের জননী গ্যাস বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা




মোঃ রবিউল,মান্দা, নওগাঁঃআত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া(লগিপুর) আজ ১৩ই অক্টোবর বেলা ১২: ৩০মি: এর সময়,মোঃ হানিফ মন্ডলের ভাই, মোঃ আমিনুল মন্ডলের স্ত্রী মোছাঃ রোজিনা খাতুন, দীর্ঘদিন যাবত মাথার সমস্যা নিয়ে ভুগতেছিলেন, এবং প্রায় একটানা দুই বছর যাবৎ নওগাঁ রাজশাহীতে বড় বড় ডাক্তার দেখিয়ে বর্তমানে সুস্থ। তিনি স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে সুস্থ জীবন যাপন করতেছেন । এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় হঠাৎ করে তিনদিন যাবৎ নাকি তার ঘোম হচ্ছেনা তাই মানসিক বিরক্তির কারনে তিনটি গ্যাস বরি খেয়ে ফেলেছেন। তার স্বামী মোঃ আমিনুল মন্ডল ও পারাপরশি তরিঘরি করে নওগাঁ হাঁসপাতালে নিতে গেলে রাণীনগর পোঁছার পর রাস্তার মধ্যে গাড়িতে তার মৃত্যু হয়। বাবার বাড়ি রাণীনগর হওয়াতে তার লাস স্বামীর বাড়িতে নেওয়া হয়নি, জানা যায় তার কবর রানিনগর কাশিমপর হবে,এতে করে তার আত্বীয় স্বজন স্বামী সন্তান ও এলাকর নারী পুরুষের মাঝে কান্নার রোল ও থমথমে ভাব বিরাজ করছে।

মাধবপুরে দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত

 মাধবপুরে দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে দক্ষিণ পাড়ায় দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। জানা যায় ১২ অক্টোবর রাতে পূর্ব মাধবপুর গ্রামের ছোট্টু মিয়ার দোকানে দুর্ধষ ডাকাতি হয়েছে। এ সময় তাদের দোকান থেকে ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এছাড়া তাদের দোকানের আসবাবপত্র তছনছ করে ফেলে।

ছোট্ট মিয়া তাদের আঁচ করতে পেরে দোকানের বাতি জ্বালিয়ে তাদের চিনে ফেলে। এ সময় তাদেরকে চিনতে পারায় তাকে মারধর শুরু করলে আশপাশ হইতে লোকজন জড়ো হতে শুরু করলে তারা প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ডাকাতরা ওই এলাকার গুনু মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২৮) এমরান মিয়া (৩০) ও উজ্জল মিয়া (৩৩) এ ঘটনায় ছোট্টু মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ রানু বেগম বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন

এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় চুরি ডাকাতি নির্যাতন সহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। গ্রামের মুরুব্বীয়ানগণ জানান তাদের যন্ত্রণায় ওই এলাকার মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়ছে দিন দিন তাদের প্রকোপ বেড়েই চলছে।

তাদের জেল জরিমানা হলেও আইনের ফাঁকফোকরে জামিনে বেরিয়ে আসে এবং পুনরায় তাদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রামের সচেতন মহল তাদের কঠোরতম শাস্তির জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান, ডাকাতির পরপরই মাধবপুর থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।

শিকলবাহায় নুরুল আমিনকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে আক্রমণ

শিকলবাহায় নুরুল আমিনকে  বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে আক্রমণ


সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ-  বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে কর্তফুলীর শিকলবাহা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে     নুরুল আমিনসহ তার পরিবারকে ৪ দফায় আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নুরুল আমিনকে স্বপরিবারে হত্যার হুমকি দিচ্ছে আপন দুই ভাই। গত শনিবার পটিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নুরুল আমিনের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম, মেয়ে নিগার সুলতানা, পুত্রবধূ নুসরাত বেগম, ভাগিনা ফয়সাল প্রমুখ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নুরুল আমিনের পিতা হাজী সাহেব মিয়া বিগত ২০০০ সালে তাদের বাড়ির চারপাশে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে ২টি চলাচলের পথ ও গেট নির্মাণ করে দেন। সাহেব মিয়ার মৃত্যুর পর তার পুত্র নুরুল হক পুরাতন গেট ভেঙে দুইটি পথ সৃষ্টি করে। এতে নুরুল আমিনসহ পরিবারের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তার হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৮ ইং সালের ৩১ জানুয়ারি ২০ ফুট উঁচু করে একটি পাকা ওয়াল নির্মাণ করার সময় স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম বাধা দিলে নুরুল হক তাকে কুপিয়ে জখম করে। এতে একটি মামলা দায়ের হয়। এর জের ধরে গত ২০১৯ সালের ১১ আগস্ট নুরুল কাদের ভাই নুরুল আমিনের বসত ঘরে ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় নুরুল আমিন কর্তফুলী থানায় এজাহার দেয়। গত ৬ আগস্ট নুরুল কাদের পুনরায় নুরুল আমিনের ঘরে হামলা চালায়। ওসি ইসমাইল বিরোধ নিষ্পত্তি করতে ৯টি শর্তে একটি অঙ্গীকারনামা সম্পাদন করেন। কিন্তু শর্ত ভঙ্গ করে নুরুল কাদের কিশোর গ্যাং নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ফের নুরুল আমিনের উপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। তাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করলে সে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকে। গত ৫ অক্টোবর নুরুল হক তার মাহাফুজা খাতুনের মাধ্যমে নুরুল আমিনের স্বপরিবারে হত্যার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন। নুরুল আমিন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নাগরপুরে নৌকায় উঠতে গিয়ে পানিতে পড়ে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু

 নাগরপুরে নৌকায় উঠতে গিয়ে পানিতে পড়ে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু
একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু  


ডা.এম.এ.মান্নান,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার,১৩ অক্টোবর ২০২০ খ্রি. সকালে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের পোষ্টকামারী গ্রামে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু ওই গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. হাবিব মিয়া (৪) ও মো. ওহাব মিয়ার মেয়ে সামিয়া (৩)। নিহত দুুুুই শিশু সম্পর্কে চাচা ভাতিজি। এ ঘটনায় পরিবারের মাঝে চলছে কান্না জড়িত শোকের মাতম।স্বজনরা শিশু দুটিকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক সূত্র জানায়  মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়ীর পাশের ডোবায়  ঘাটে নৌকা বাধা ছিলো। শিশু দুইটি খেলার উদ্দেশ্যে নৌকায় উঠার চেষ্টা করে। সে সময় পা পিছলে দুজনেই পানিতে পড়ে যায়। প্রায় এক ঘন্টা পর শিশু হাবিবের ফুফু রোজিনা আক্তার প্রথমে হাবিবের মৃত দেহ পানিতে ভাসতে দেখে। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় স্বজনরা নিহত হাবিবের লাশের সাথে হাত ধরে থাকা অপর শিশু কেউও উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান জানান, শিশু দুটিকে মৃত অবস্থায় স্বস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে আসা হয়েছিল।

কথাসাহিত্যিক রশীদ হায়দার এর মৃত্যুতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর শোক

কথাসাহিত্যিক  রশীদ হায়দার এর মৃত্যুতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর শোক




আকরাম হোসাইন প্রতিনিধিঃ একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক এবং বাংলা একাডেমির সাবেক পরিচালক রশীদ হায়দার এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন,এমপি।মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।শোকবার্তায় পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণায় রশীদ হায়দার অসামান্য অবদান রেখেছেন। নিজ কর্মের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যজগতে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন ।  তাঁর মৃত্যুতে বাংলা কথাসাহিত্যের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।উল্লেখ্য, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক রশীদ হায়দার (৭৯) আজ সকাল আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

শার্শায় বাগআঁচড়া বাজারে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের শুভ উদ্বোধন

শার্শায় বাগআঁচড়া বাজারে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের শুভ উদ্বোধন

মোঃ ইব্রাহিম হোসন, স্টাফ রিপোর্টারঃ  যশোরের শার্শা থানার বাগআঁচড়া বাজারে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড -এর এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ‍স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং মোঃ নাজমুল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন হেড অব অল্টারনেট ব্যাংকিং চ্যানেলস নাজমুর রহিম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ব্যাংক যশোর এর এরিয়া ম্যানেজার জনাব মোঃ আবু সাইদ ‍ও টিএম সাইফুল ইসলাম নান্নু। উক্ত অনুষ্ঠানে আয়োজক হিসাবে উপস্থিতে ছিলেন ইকবাল হোসেন, অফিসার, এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্ট, অল্টারনেট ব্যাংকিং চ্যানেলস ডিভিশন।

আশাশুনিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস এর আলোচনা সভা

আশাশুনিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস এর আলোচনা সভা


আহসান  উল্লাহ আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃআশাশুনিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মোস্তাকিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সুপার সাইক্লোন আম্পানে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নের মানুষ আজ পানি বন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই অঞ্চল কে বাঁচাতে হলে টেকসই বেড়িবাঁধ এর বিকল্প নেই। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের অর্থ যাহাতে দ্রুত পাওয়া যায় সেজন্য প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের পক্ষ থেকে রেজুলেশন করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে। পরিবেশের ভারসাম্য ও দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সকলকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বরণ চক্রবর্তী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খানের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাকি বিল্লাহ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজিজুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আল ফারুক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।

নবীনগরে পুত্রবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর ও তার সহযোগী গ্রেফতার

 নবীনগরে পুত্রবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর ও তার সহযোগী গ্রেফতার




এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামে খুদ নিজের পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শ্বশুর ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।আজ মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর সকালে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও এসআই মামুন  সহ একদল চৌকস পুলিশের দল অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেন ।গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামের মোঃ কালা মিয়া মোঃ আবু সাঈদ ।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুল হোসেন জানান, গত রবিবার (১১/১০) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী ওই পুত্রবধূকে বাড়িতে একা  পেয়ে ধর্ষণ করে শ্বশুর। পরে তার সহযোগী ও তার বন্ধু আবু সাঈদকে দিয়েও দ্বিতীয় দফায় ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে । এই ঘটনায় অভিযান চালিয়ে দুজন ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।  তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

নওগাঁর আত্রাইয়ে ব্যস্ততা শেষ মূহুর্তে প্রতিমা শিল্পীরা

 নওগাঁর আত্রাইয়ে ব্যস্ততা শেষ মূহুর্তে প্রতিমা শিল্পীরা


মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃ করোনা মহামারির মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা। আর মাত্র কয়েক দিন মাত্র বাঁকি শারদীয় দূর্গা পুজার। দূর্গা পুজাকে সামনে রেখে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পূজা মণ্ডপ গুলোতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা শিল্পীরা। এবছর উপজেলায় ৪৭টি মন্ডপে পুজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সত্যেন চক্রবর্তী । পুজা উৎসবকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে মন্দির গুলোতে চলছে সাজসজ্জার প্রস্তুতি। ইতি মধ্যে বেশির ভাগ মন্ডপে প্রতিমায় মাটি লাগানোর কাজ প্রায় শেষ।কিছু কিছু মন্দিরে শুরু হয়েছে রং তুলির কাজ। আগামী ২২-২৬ অক্টোবর ৫ দিন ব্যাপী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় শিল্পী ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শিল্পীরা এখানে এসে প্রতিমা তৈরি ও রং তুলির কাজ করছেন। অন্যদিকে প্রতিমার পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্র ঠিক ও তৈরী করতে ব্যস্ত সময় পার করছে ঢাক-ঢোল, কাঁশি ও বাঁশির কারিগররা। বৈশিক করোনা মহামারি এবং আত্রাইয়ে দফায় দফায় বন্যায় হোচট খেলেও মাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন সকল শ্রেণী পেশার মানুস। প্রতিমা শিল্পী যুগোল কুমার জানান, প্রতিমার মাটি শুকালেই শুরু হবে রং তুলির অাঁচড়। প্রতিমাগুলো মনোমুগ্ধকর ও নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে কাজ করছি । আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হবে সকল প্রতিমা তৈরীর কাজ। উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বরুন কুমার সরকার জানান,করোনা পরিস্থিতির কারনে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ ২৬ টি নির্দেশনা আমাদেরকে দিয়েছেন। আমরা ৪৭টি মন্ডপে সেগুলো পৌছে দিয়েছি। নির্দেশনা অনুযায়ী পুজা অনুষ্ঠানে সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আত্রাই থানার ওসি মোসলেম উদ্দিন বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্দির গুলোতে নিরাপত্তাসহ শান্তিপূর্ন ভাবে উৎসব সমাপ্ত করার লক্ষে সকল প্রস্ততি নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক দুরুত্ব এবং আইনশৃংখলা ঠিক রাখতে প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন এস আই এর নেতৃত্বে প্রতিটি মন্দিরে পুলিশের পাশাপাশি আনছার ও গ্রামপুলিশ মোতায়েন থাকবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছানাউল ইসলাম বলেন,বৈশিক করোনা পরিস্থিতির কারনে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের পুজা একটু ভিন্ন ভাবে পালিত হবে। আশা করছি সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে পুজা অনুষ্ঠিত হবে।

ভিবিডি চট্টগ্রাম জেলার প্লাস্টিক দূষনরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ভিবিডি  চট্টগ্রাম জেলার প্লাস্টিক দূষনরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এই দেশের তরুণ এবং যুব জনগোষ্ঠী পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিকের দূষণের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে ও প্লাস্টিক দূষণ নিজ নিজ অবস্থান থেকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ভিবিডি- চট্ট্রগ্রাম “প্লাস্টিক পলিউশানঃ দ্যা রোল অফ ইউথ” শিরোনামে একট কর্মশালার আয়োজন করে।

পরিবেশের জন্য মারাত্বক হুমকিস্বরূপ একটি জিনিস হলো প্লাস্টিক। প্লাস্টিক এমন একটি পণ্য যা অপচনশীল, মাটিতে মিশে যেতে বা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে প্রায় সাড়ে চারশো বছর বা তারও অধিক সময় লেগে যেতে পারে। আর যেহেতু এটা পচনশীল নয়, তাই এটির ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ বায়ুমন্ডলের গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকার প্রভাব সৃষ্টি করে, যা উদ্ভিদকূল, প্রাণীকূলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

ভিবিডি চট্টগ্রাম কর্তৃক আয়োজিত কর্মশালায় প্লাস্টিকের এসব নেতিবাচক দিক সম্পর্কে জানানো হয়। এই ওয়ার্কশপটি পরিচালনা করেন ভিবিডি চট্টগ্রাম জেলার প্রেসিডেন্ট মোঃ কাউসার  হোসেন।

ওয়ার্কশপটিতে প্রায় ৯০ জন তরুণ ভলান্টিয়ার উপস্থিত ছিলো। তাদেরকে নেতিবাচক দিক সম্পর্কে অবগত করা ছাড়াও তাদেরকে ৪টি টিমে ভাগ করে তাদের থেকে তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে কিভাবে প্লাস্টিক দূষণ কমিয়ে আনা যায়, সে সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয় এবং সবশেষে তাদের উপস্থাপনা এবং বাস্তবায়নযোগ্য ধারণাগুলোর উপর ভিত্তি করে শ্রেষ্ঠ টিম ঘোষণা করে ডিভিবি চট্টগ্রাম ডিভিশনের সম্মানিত প্রেসিডেন্ট শওকত আরাফাত।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভিবিডি চট্টগ্রাম ডিস্ট্রিক্টের ফরমার ট্রেজারার আাসিফুর রহমান খান, ভিবিডি চট্টগ্রামের অ্যালুমনাই নাবিদ নেওয়াজ ও সাফিন আরশাদ।

এই ওয়ার্কশপটির মাধ্যমে তরুণরা প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নেতিবাচক দিক সম্পর্কে জেনেন সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনবে এবং এভাবেই বাংলাদেশে আস্তে আস্তে প্লাস্টিক দূষণের হার কমে আসবে।

 

নিবেদক,

গোলাম ইসহাক খান,

সাধারণ সম্পাদক, ভিবিডি চট্টগ্রাম জেলা।

বদলগাছী মথুরাপুর ইউনিয়নে চলছে উপ- নির্বাচনি প্রচারণা, ২০অক্টোবর ভোটগ্রহণ

 বদলগাছী মথুরাপুর ইউনিয়নে চলছে উপ- নির্বাচনি প্রচারণা, ২০অক্টোবর ভোটগ্রহণ



  রহমতউল্লাহ বদলগাছী নওগাঁঃনওগাঁ জেলা বদলগাছী উপজেলা ২ নং মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ -নির্বাচন      ২০ ই অক্টোবর। চলছে প্রচারণা।বদলগাছী উপজেলার অন্তর্গত ০২ নং মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদ, এর তত্ত্বাবধানে চেয়ারম্যান পদ খালি থাকা সাপেক্ষে   উপ -নির্বাচন। চলছে  নির্বাচনী প্রচারণা।২৯ ই জুন ২০২০ তারিখে ০২ নং মথুরাপুর ইউনিয়ন এর তত্ত্বাবধানে চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান এক মরণব্যাধিতে মৃত্যুবরণ করলে ০২ নং মথুরাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদটি ফাঁকা হয়ে পড়ে চেয়ারম্যান পদটি পূরণের জন্য  বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার এর নিয়ম মাফিক উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত  নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ০২ নং মথুরাপুর ইউনিয়ন ০৩ জন চেয়ারম্যান  প্রার্থী  প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে,! আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান  প্রার্থী  মাসুদ রানা তার প্রতীক নৌকা মার্কা,নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  একই সাথে বিএনপি মনোনীত  মোঃ আব্দুল হাদী চৌধুরী (টিপু)  তার  প্রতীক ঘোড়া মার্কা এবং আওয়ামী লীগ হতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হেলাল তার প্রতীক মোটর-সাইকেল  নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন!উক্ত নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় চলছে ব্যাপক প্রচারণা।

সাধারণ জনগণের দাবি নিষ্ঠা ও সত্য ন্যায়ের পক্ষে বলিষ্ঠ বলিয়ান কাউকে তারা তাদের মনোনীত প্রার্থী করবেন।এবং তারা আরো জানান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এ নির্বাচন কে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হিসাবে জন মানুষের  হৃদয়ে স্থান দেওয়ার আহ্বান জানান।

আনোয়ারায় ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

 আনোয়ারায় ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ




হাসান রিফাত, চট্টগ্রামঃআনোয়ারায়  এক ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার পারকি এলাকার ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন শাহ স্থানীয়  তার প্রতিপক্ষের  বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন। প্রতিপক্ষের  লোকেরা  তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে  ঐ নারীকে ভয়ভীতি ও টাকা দিয়ে   মিথ্যা মামলাটি করিয়েছে  তিনি অভিযোগ  করেনা। গত রবিবার চট্টগ্রাম আদালত থেকে তিনি এই মিথ্যা  মামলায় জামিন পান।

জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর  পারকীরর ব্যবসায়ী  জালাল উদ্দিন শাহ'র কলোনিতে দুই ভাড়াটিয়ার মধ্যে টাকা পয়সার লেনদেন নিয়ে ঝগড়া বাধে। খবর পেয়ে জালাল শাহ স্থানীয়  আরো কয়েকজন মান্যগণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে কলোনীতে উপস্থিত হয়ে উভয়কে ঝগড়া থেকে নিবৃত্ত করি। এসময় শাহাদাতের স্ত্রী খুরশিদাকে বকাঝকা করে অপর ভাড়াটিয়ারর পাওনা ২৫ হাজার টাকা দিয়ে দিতে বলি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাদাতের স্ত্রী খুরশিদা জালালের প্রতিপক্ষের লোকদের যোগসাজসে জালালের বিরুদ্ধে থানায়  শ্লীলতাহানির অভিযোগো মামলা দায়ের  করেন।

গককাল ঐ মামলায় জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন শাহ বলেন,আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ঐ মহিলাকে ভয়ভীতি ও।টাকার প্রলোভন দিয়ে মিথ্যা  সাজানো মামলাটি করিয়েছেন। আমার রাজৈনতিক  ও সামাজিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চক্রটি  বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আমি প্রশাসনের নিকট। সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানাই।

পটিয়ায় মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার!

 পটিয়ায় মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার!


সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ-পটিয়ায় ১২ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসার  শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পটিয়া থানার পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম কামরুল ইসলাম (২৯)। গতকাল   সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে তাকে উপজেলার গোবিন্দরখীলের তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত কামরুল ইসলাম পটিয়া পৌর সদরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আল্লাই মোহম্মদীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।


নির্যাতনের শিকার ছাত্রটির বাবা বলেন, গত রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে পটিয়া স্টেশন থেকে আমির ভান্ডার এলাকায় বাসায় আসার পথে মাদ্রাসা শিক্ষক কামরুল আমার ছেলে ফুসলিয়ে তার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে বলাৎকার করে। পরে তাকে পিঁয়াজু কিনে দিয়ে কাউকে না জানানোর জন্য বলে। কিন্তু রাতে বাসায় এসে ছেলে তার মাকে বিষয়টি জানায়। সোমবার ওই মাদ্রাসা শিক্ষককের বাসায় তালা ঝুলিয়ে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।পটিয়া থানার এসআই বোরহান উদ্দিন মজুমদার জানান, মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের ঘটনায় উপজেলার গোবিন্দরখীল থেকে কামরুল ইসলাম নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে  ভুক্তভোগীর বাবা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক কামরুল ইসলাম    ঘটনাটির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেন।

কালীগঞ্জে ক্ষেতের ফসল কেটে দিচ্ছে দূর্বৃত্তরা!

কালীগঞ্জে ক্ষেতের ফসল কেটে দিচ্ছে দূর্বৃত্তরা!

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় একর পর এক কৃষকের ক্ষেতের ফসল কেটে দিচ্ছে দূর্বৃত্তরা। কোন কিছুতেই তাদের হাত থেকে রেহায় পাচ্ছেনা কৃষকেরা। কৃষকের বেঁচে থাকার স্বপ্ন যেন নিমিশেই শেষ করে দিচ্ছে এসব দুষ্কৃতকারীরা। কেউ দিতে পারছে না কৃষকের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা। উপজেলায় একের পর এক কেটে শেষ করে দিচ্ছে কৃষকের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ক্ষেতের ফসল। এতে এই উপজেলার কৃষকরা দিশেহারা হয়ে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষিতে।


সোমবার দিবাগত রাতের আধাঁরে কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট ইউনিয়নের গয়েসপুর গ্রামের মাঠে আবারও সেই বর্গাচাষী, দরিদ্র কৃষক বাপ্পির ১৪ কাঠা বর্গা নেওয়া জমির পুঁইশাখ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে কে বা কাহারা। এই ১৪ কাঠা জমিতে তার প্রায় খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এবং এই জমিতে তার প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার পুঁইশাখ বিক্রয় করতে পারতেন বলে জানিয়েছন কৃষক বাপ্পি মোল্ল্যা। তিনি ওই গ্রামের আনছার আলী মোল্যার ছেলে।


বাপ্পি জানান, গত- ৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ঋণের টাকাই চাষ করা ১০ শতক জমির বেগুন ক্ষেত কেটে দিয়েছিল। তাতে তার ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছিল। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে পুঁইশাখের ক্ষেতে পুঁইশাখের মেছড়ি তুলে বাজারে বিক্রয় করার উদ্যেশে জমিতে এসে দেখি আমার ১৪ কাঠা জমির পুঁইশাখ কেটে সাবাড় করেছে। এখন আমি আমার পরিবার নিয়ে কি করে বেঁচে থাকবো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বর ও পুলিশ ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন।


সম্প্রতি কালীগঞ্জ উপজেলায় বৃদ্ধি পেয়েছে ফসলী জমির ফসল কেটে নষ্ট করার ঘটনা। দূবৃর্ত্তরা রাতের আধারে একের পর এক নৃশংস ভাবে ধরন্ত –ফলন্ত ক্ষেত নষ্ট করছে। কৃষকেরা ধারদেনার মাধ্যমে ফসল চাষ করার পর ভরা ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় তারা একেবারে পথে বসে যাচ্ছেন। রাতের আধারে কে বা কারা লোক চক্ষুর আড়ালে এমন জঘন্যতম কাজটি করছে। যে কারনে ক্ষতিগ্রস্থরা নির্দিষ্টভাবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করতে পারছেন না। ফলে এমন ক্ষতিকর কাজ করেও মনুষ্যত্বহীন দুর্বৃত্তরা থাকছে ধরা ছোয়ার বাইরে। এদিকে প্রায়ই ক্ষেত নষ্টের ঘটনা ঘটায় সবজি ক্ষেতের মালিকেরা রয়েছেন অচেনা এক আতঙ্কে। প্রশাসন বলছে, ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক, জমিজমা সংক্রান্ত গোষ্টিগত বিরোধের জেরে এমনটি হয়ে থাকে। তবে এটাকে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির পায়তারা হতে পারে জানান।


ভুক্তভোগী কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, বিগত কয়েক মাস ধরে শত্রুতার করে মানুষের অগোচরে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকের সবজি ক্ষেত কেটে সাবাড় করছে। পুকুরে কখনও কীটনাশক দিয়ে আবার গ্যাস বড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে মাছ নিধন করছে। কৃষকেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল উৎপাদন করলেও সমাজের গুটি কয়েক দুষ্ট প্রকৃতির মানুষ দ্বারা স্বপ্ন ভাঙছে তাদের। তারা বলছেন, শত্রুতার মাধ্যমে কৃষকের ভরা ক্ষেত নষ্ট হচ্ছে। এটা মনুষ্যত্বহীনতা ছাড়া আর কিছুই নয়।


উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, গত ২০ জুন বাবরা গ্রামের আলী বকসের ২ ছেলে কৃষক টিপু সুলতান ও শহিদুল ইসলামের দুই ভায়ের ১৫ কাঠা জমির কাঁদিওয়ালা কলাগাছ কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা।


একইভাবে ৩ জুলাই মল্লিকপুর গ্রামের মল্লিক মন্ডলের ছেলে সবজি চাষী মাজেদুল মন্ডলের বেথুলী মাঠের আড়াই বিঘা জমির ৩ শতাধিক ধরন্ত পেপে গাছ কেটে দেয়। এর ঠিক ৪ দিন পরে ৭ জুলাই পৌর এলাকার ফয়লা গ্রামের তাকের হোসেনের ছেলে আবু সাঈদের ১৫ শতক জমির ধরন্ত করলা ক্ষেত কেটে দেয়। ১৩ জুলাই বারোবাজারের ঘোপ গ্রামের মাহতাব মুন্সির ছেলে আব্দুর রশিদের দেড় বিঘা জমির সিমগাছে কীটনাশক স্প্রে করে পুড়িয়ে দেয়।


৯ আগষ্ট তিল্লা গ্রামের সতীশ বিশ্বাসের ছেলে কৃষক বিকাশ বিশ্বাসের ১৫ শতক ধরন্ত করলা ক্ষেত কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। ২৮ আগষ্ট সাইটবাড়িয়া গ্রামের মাছচাষী ইউপি সদস্য কবিরুল ইসলাম নান্নুর পুকুরে গ্যাস বড়ি দিয়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন করে।


এর ৩ দিন পর ৩১ আগষ্ট একই ইউনিয়নের রাড়িপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যের ৪৮ শতক মুল্যবান দার্জিলিং লেবু ও থাই পেয়ারার কলম কেটে দেয় দূর্বৃত্তরা। এরআগে ২৫ আগষ্ট বলরামপুর গ্রামের মাছচাষী মমরেজ আলীর পুকুরে একইভাবে বিষ দিয়ে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মাছ মেরে দেয়।


গত-সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার চাপলি গ্রামের বর্গাচাষী আতিয়ার রহমানের ৫০ শতক জমির লাউ ক্ষেতের সবুজ গাছগুলো কেটে দেয় দুবৃত্তরা। তার জমিতে তার ২৫০ টি লাউ গাছ ছিল। যেগুলোতে লাউ আসতে শুরু করেছিল। তার দাবি এতে তার কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গত-শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার ৫নং শিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের বড় শিমলা গ্রামের নূর ইসলামের এক বিঘা জমিতে ৪০০ ধরন্ত লাউগাছ কেটে দেয় দূর্বৃত্তরা। এতে ওই কৃষকের কমপক্ষে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।


কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিকদার মোহাইমেন আকতার জানান, আমার কাছে উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ফোন দিয়েছিল আমরা সবাই ট্রেনিং এ আছি বিকালে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ক্ষেতে সরজমিনে যেয়ে দেখবো।


কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহাফুজুর রহমান মিয়া জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষককে থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। মামলার পর তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহনগঞ্জে নববধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামীসহ গ্রেপ্তার ২

 মোহনগঞ্জে নববধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামীসহ গ্রেপ্তার ২




আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে সুলেমা আক্তার (২৩) নামে এক নববধূকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী হৃদয় ও শ্বাশুড়ি ফরিদা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার  দিকে সুলেমাকে ফাঁস লাগানো অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায় তার স্বামী হৃদয়। পরীক্ষা নিরিক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত ডাক্তার সঞ্জিব দত্ত। পুলিশে খবর না জানিয়ে হৃদয় নিজেই ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুলেমাকে হাসপাতালে নিয়ে এসে আত্নহত্যা বলে চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, এতে এলাকাবাসীর মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। 

সুলেমা উপজেলার কলেজ রোডের আবদুস ছাত্তারের মেয়ে। সে মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী।  আর তার স্বামী হৃদয় পৌরশহরের গরুহাট্টা এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে। পারিবারিকভাবে দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হলেও গত ১১ সেপ্টম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে স্ত্রীকে ঘরে তুলে নেয় হৃদয়। সুলেমা তিন মাসের অন্তস্বত্তা বলে জানা গেছ।


এ ঘটনায় রাতেই মেয়ের বাবা আবদুস ছাত্তার বাদী হয়ে যৌতুকের কারণে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ এনে স্বামী হৃদয়, শ্বাশুড়ি ফরিদা বেগম, দেবর জয় ও তার ভগ্নিপতি জামাল এই চারজনকে

আসামি করে ও কয়েকজনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই বামী হৃদয় ও শ্বাশুড়ি ফরিদা বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

নিহতের বাবা আবদুস ছাত্তার জানান, মেয়েকে ঘরে তুলে নেয়ার পরই যৌতুকের জন্য চাপ দিচ্ছিল হৃদয় ও তার পরিবারের লোকজন। এক পর্যায়ে আমার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করার পর সেটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি আবদুল আহাদ খান  জানান, এ ঘটনায় নিহতের স্বামী হৃদয় ও শ্বাশুড়ি ফরিদা বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নগরকান্দায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২০ পালিত ও চিত্রাঙ্কন

 নগরকান্দায় আন্তর্জাতিক  দুর্যোগ  প্রশমন  দিবস ২০২০ পালিত ও চিত্রাঙ্কন




ফরিদপুর প্রতিনিধিঃফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে   ১৩-১০-২০২০ মঙ্গলবার  সকাল  ১০ ঘকিকায় সময় উপজেলা  সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। 

এবারের  প্রতিপাদ্য  বিষয় 

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে  সুশাসন  নিশ্চিত করবে টেকসই উন্নয়ন এই শ্লোগানকে সামনে রেখে  অনুষ্ঠান টি সভাপতিত্ব করেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেতী প্রু, অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা  কমিশনার ভূমি আহসান মাহমুদ রাসেল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইকবাল কবির, নগরকান্দা  থানার  অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা,উপজেলা  ভাইস চেয়ারম্যান চুন্নু শেখ,  উপজেলা  বি আর ডি বি কর্মকর্তা তাপস শাঁখারী, প্রমুখ 

অনুষ্ঠানের শেষে চিত্র অঙ্কন প্রতিযোগিতায় যেসব শিশুরা বিজয় হয়েছেন তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন

জমি জায়গা লিখে নিয়ে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে পিতাকে

  জমি জায়গা লিখে নিয়ে  রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে  পিতাকে

মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁর রাণীনগর ৭নং একডালা ইউনিয়নের শরিয়া গ্রামের মোঃ মজিবর ফকিরের ছেলেরা তাহার সব সম্পত্তি লিখে নিয়ে এখন পাগল বানিয়ে পায়ে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে। গ্রামের সবায় তাহাকে মজি ফকির হিসেবেই চিনে।প্রয়োজন মতো খাবার, চিকিৎসাসহ অন্যান্য সেবা-যত্ন না পাওয়ায় এখন মজিবর ফকির এখন  অনেকটাই মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। লোক দেখলেই বলে খাবার দে হামাক খাবার দে। খোলা কুঁড়ে ঘরের পাশে টয়লেট সংলগ্ন একটি চকিতে এক পায়ে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে মজিবরকে।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শরিয়া গ্রামের মৃত-বয়তুল্লাহ ফকিরের ছেলে মজিবর ফকির। বয়স এখন ৭৮ বছর। ২ বছর আগেও সে স্বাভাবিক ছিলেন। তখন ছেলেদের মাঝে কিছু সম্পত্তি লিখে দেন। এরপর কৌশল করে বড় ছেলে আব্দুল খালেক বসতবাড়িসহ অবশিষ্ট সম্পত্তির অধিকাংশয় সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পর থেকে কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।রাস্তায় বের হয়ে অস্বাভাবিক আচরন করা, দোকানে গিয়ে বিভিন্ন খাবার জিনিসপত্র খাওয়াসহ নানা রকমের পাগলামী আচরন শুরু করেন মজিবর। তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে কোন রকমের চিকিৎসা না করেই প্রায় ১ বছর যাবত মজিবরের পায়ে রশি লাগিয়ে একটি নোংরা খোলা কুঁড়ে ঘরে বেধে রেখেছে তার সন্তানরা।মজিবরের ছোট স্ত্রী ও আশেপাশের লোকের দাবী সম্পত্তি লিখে নেওয়া ও দীর্ঘদিন যাবত প্রয়োজন মাফিক খাবার, সুচিকিৎসা, সেবা-যত্ন না পাওয়ায় ও রশি দিয়ে বেঁধে রাখার কারণে দিন দিন মজিবর মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছেন। বড় ছেলে ৩ বেলা যে পরিমাণ খাবার দেয় তাতে মজিবরের ক্ষুধা পূরণ হয় না। এর কারণে যে মানুষই তার কাছে যায় মজিবর তার কাছে খাবার চায়।অভাবের সংসার হওয়ার কারণে মজিবরের ছোট স্ত্রীকে অধিকাংশ সময় মেয়েদের বাড়িতে থাকতে হয়। তখন মজিবরকে দেখারও কেউ থাকে না। ওই কুড়ে ঘরেই তাকে মশার কামড়ে অবহেলা আর অযত্নে পড়ে থাকতে হয়। অসহায় ভাবে পেট ভরে খেতে না পেয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবন-যাপন করছেন বৃদ্ধ মজিবর ফকির।স্থানীয়রা জানান হয়তো বা সুচিকিৎসা, ভালো সেবা যত্ম, পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার ও মুক্ত পরিবেশ পেলে বৃদ্ধ মজিবর সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারেন। মজিবরকে একবার খাবার দিলে আবার খাবার চায়। কিন্তু সন্তানরা মজিবরের সম্পত্তি লিখে নিয়ে এখন আর ভালো ভাবে দেখে না।অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়েই নাকি সন্তানেরা পিতাকে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে। বিষয়টি খুবই অমানবিক।মজিবরের বড় ছেলে আব্দুল খালেক বলেন স্বজ্ঞান থাকতেই বাবা আমাদেরকে সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন। আমি বাবাকে ৩ বেলা খাবার দিই। তবে তার কোন চিকিৎসা এখন পর্যন্ত করা হয়নি। অস্বাভাবিক আচরন করার কারণে তার পায়ে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছি।মজিবরের দ্বিতীয় স্ত্রী ফরিদা বেগম বলেন বড় ছেলে বসতবাড়িসহ বেশি সম্পত্তি লিখে নেয়ার পর থেকে আমার স্বামীর মাথার সমস্যা দেখা দেয়। অভাবের সংসার তাই আমাকে মেয়ে-জামাইয়ের উপর নির্ভর হয়ে থাকতে হয়। আমি যতটুকু পারি করার চেষ্টা করি। আর টাকা পয়সার অভাবে চিকিৎসা করা হয়নি। চিকিৎসা, ভালো সেবা-যত্ন, পর্যাপ্ত খাবার পেলে হয়তো আমার স্বামী ভালোও হতে পারেন।একডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল লতিফ বলেন বিষয়টি আমাকে কেউ জানায়নি। আমি খোজখবর নিয়ে তার জন্য স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে যদি কোন কিছু করার সুযোগ থাকে অবশ্যই তা করবো।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন ইতিপূর্বেও আমরা এরকম একাধিক ব্যক্তিকে সরকারি সহায়তা দিয়েছি। মজিবর ফকিরের খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত তার জন্য কিছু করার প্রদক্ষেপ গ্রহণ করবো। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থাও করার চেষ্টা করবো।

বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের আত্মপ্রকাশ

 বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের আত্মপ্রকাশ

 



আকরাম হোসাইন প্রতিনিধি:-দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে বড়লেখা উপজেলার সংবাদকর্মীদের শতস্ফূর্ত উপস্থিতিতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭ ঘঠিকায় পৌর শহরস্থ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কাউন্সিলার জেহীন সিদ্দিকীর বাসভবনে এক বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ইলেকট্রনিক্স, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার প্রায় ৩৫জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। কাউন্সিলার জেহীন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সাংবাদিক হানিফ পারভেজ এর উপস্থাপনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কলামিস্ট ফুলতলা শাহনিমাত্রা কলেজ এর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন। 


বিশিষ্টজনের মধ্যে ছিলেন সাপ্তাহিক বড়লেখার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক এম,এম,আতিকুর রহমান, সুজানগর পাথরিয়া কলেজ এর প্রভাষক বদরুল ইসলাম মনু, জুড়ী প্রেসক্লাবের সম্পাদক জাকির মনির, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব তপন চৌধুরী, সাংবাদিক এম সামছুল হক, দৈনিক ইনকিলাব এর   প্রতিনিধি সুলতান মাহমুদ খান, বাংলা নিউজ প্রতিনিধি এম. জি এইচ রিয়াজ, ডেইলি সিগনেচার প্রতিনিধি খসরুল আলম, কাওনাইন টিভি প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, দৈনিক প্রভাত সমাচার সম্পাদক কামরান হোসেন তানভীর, সহ সম্পাদক রেদওয়ান রুম্মান, জয়বাংলা ২৪ প্রতিনিধি আজিম উদ্দিন, এবি ৭১ প্রতিনিধি ইকবাল হোসাইন মাতাব, দৈনিক গণকণ্ঠ প্রতিনিধি খালেদ আহমদ, দৈনিক ভোরের ডাক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রিপন, দৈনিক মাতৃজগত   প্রতিনিধি মেহরাজ জওহার, জিবিটিভি প্রতিনিধি আব্দুল মুকিত, নতুন আলো প্রতিনিধি মনসুর আহমদ, নিরাপদ নিউজ প্রতিনিধি মারজানুল ইসলাম, দৈনিক মানবাধিকার প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম শুভ, দৈনিক সিলেট নিউজ প্রতিনিধি আছাদ আল মাহদী, বাংলা টিভির আতিকুর রহমান মানিক, সিলেট লাইন এর জাবির হোসেন, পল্লী টিভির নজরুল ইসলাম, শাকিল আহমদ, আজিম উদ্দিন, আব্দুল আজিজ, আইনুল ইসলাম ও নয়া যুগান্তর প্রতিনিধি ফয়ছল মাহমুদ প্রমূখ।


সভায় উপস্থিত লেখক ও সাংবাদিকবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভয় এই প্রতিপাদ্ধ্যকে সামনে রেখে কাউন্সিলার জেহীন সিদ্দিকীকে আহবায়ক ও সাংবাদিক এম, এম আতিকুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের  আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।


কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন যুগ্ম আহবায়ক এম,সামছুল হক, বাবরুল হোসেন রিয়াজ, সুলতান মাহমুদ খান, হানিফ পারভেজ, তাহমিদ ইশাদ রিপন ও আয়নুল ইসলাম। সভায় নীতি দীর্ঘ আলোচনা করে সংবাদ কর্মীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চলতি মাসের মধ্যে আহবায়ক কমিটির কাছে জমা দিতে আহবান জানানো হয়। সেই সাথে তিন মাসের মধ্যেই বিধি মোতাবেক নির্বাচনের মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

কামাল কোম্পানির বাড়ীর দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান দিলেন কাউন্সিলর এম এ মন্নান

কামাল কোম্পানির বাড়ীর দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান দিলেন কাউন্সিলর এম এ মন্নান

সেলিম  চৌধুরী, পটিয়াঃ- চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর   ওর্য়াডের মরহুম কামাল কোম্পানির বাড়ীর দীর্ঘদিনের জায়গা জমির  বিরোধ সমস্যা  সমাধান করলেন পটিয়া পৌরসভার   ৮ নং ওর্য়াড হতে তিন তিনবার নির্বাচিত সফল পৌর কাউন্সিলর ও ওর্য়াড আওয়ামীলীগের সাবেক সফল সভাপতি এম এ মন্নান। গত 


১২ অক্টোবর সোমবার কাউন্সিলর  কার্যালয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর অনেক দিনের বিরোধ সমাধান হওয়ায় এলাকাবাসী কাউন্সিলর এম এ মন্নানকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগামীতে এলাকার মানুষের উন্নয়নে কাউন্সিলর এম এ মন্নানকে আবারও কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত করার আহবান জানান।এসময় উপস্থিত ছিলেন  মরহুম কামাল উদ্দিন কোম্পানির ছোট ছেলে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জালাল উদ্দিন, হাজী আবু তাহের,আমির হোসেন,বুলবুল আহমেদ,আবদুর সত্তারসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ

মোংলায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী শহীদ আটক

 মোংলায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী শহীদ আটক
ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি শহীদ   

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃমোংলায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী শহীদ ওরফে মগা শহীদ (৪০) কে আটক করেছে পুলিশ। মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌর শহরতলীর সিগনাল টাওয়ার এলাকায় অভিযান চালায় এসআই অমিত কুমার বিশ্বাসসহ পুলিশ সদস্যরা। এ সময় ওই এলাকায় থাকা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী শহীদ পুলিশকে দেখামাত্র দৌঁড়ে গিয়ে পাশ্ববতর্ী পশুর নদীতে ঝাঁপ দেয়। পুলিশও নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে আটক করে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী শহিদ ও পুলিশের এসআই অমিতও আহত হন। শহীদকে আটকের পর রাতেই স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। চিকিৎসা নিয়েছেন পুলিশ কর্মকতা অমিত কুমার বিশ্বাসও। 


ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, শহীদ এলাকার একজন চিহ্নিত মাদককারবারী। তার বিরুদ্ধে থানায় তিনটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টও রয়েছে। আটককৃতকে মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে। শহীদ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের সিগনাল টাওয়ার এলাকার মান্নান হাওলাদারের ছেলে। তিনি আরো বলেন, মোংলাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বেশ কিছু পরিমাণ বিভিন্ন ধরণের মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদক ব্যবসা ও সেবনকারীদের দৌরাত্ম বন্ধে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য তিনি সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের প্রতি আহবাণ জানিয়েছেন।