সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্যঃ
১.সাধুভাষার উচ্চারণ গুরুগম্ভীর।
২.সাধু ভাষায় সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি।
৩.সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ।
৪.সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
৫. সাধুভাষা বক্তৃতা ও নাট্য সংলাপের অনুপযোগী।
৬.সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণ এর অনুসারী।
৭ সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।
**উপরিক্ত পার্ট থেকে বিভিন্ন পদের দৃষ্টান্ত চিহ্নিতকরণ:
সর্বনাম পদ: তাহা
ক্রিয়াপদ: পাইলাম, আসিয়া, দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।
অব্যয় পদ: সহিত, ইতোমধ্যে।
তৎসম শব্দ: সাক্ষাৎ, ক্ষুদ্র, হৃদয়।
***সাধু ভাষার যৌক্তিকতাঃ
আমরা জানি সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।অনুচ্ছেদ টিতেও সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের ব্যবহৃত হয়েছে যেমন-আসিয়া, করিয়া ইত্যাদি। সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে উপরিক্ত অনুচ্ছেদ টিতেও অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে
এছাড়াও উদ্দীপকটির অনুচ্ছেদে কিছু তৎসম শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায় যেমন-সাক্ষাৎ, ক্ষুদ্র, হৃদয়। যে গুলো দেখে আমরা খুব সহজে জানতে পারি যে, উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় রচিত হয়েছে।
উপসংহারে বলতে পারি উপযুক্ত প্রমাণের মাধ্যমে প্রতিয়মান হয় যে উপরিউক্ত অনুচ্ছেদটি সাধু রীতিতেই লিখিত।
