।।ভেড়িবাধ তলিয়ে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত।। মোংলার নদী কুলের কয়েক'শ বসতঘর ও মৎস্য ঘের

জোয়ারের পানিতে প্লাবিত অঞ্চল

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা  ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মোংলা ও তৎসংলগ্ন উপকুলীয় এলাকার নদ নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।এর ফলে মোংলার পশুর নদী সংলগ্ন  বেড়িবাধের দুই কিলোমিটার এলাকা তলিয়ে উপজেলার কানাইনগর,চিলা ও জয়মনি এলাকার তিন থেকে চারশত বসত ঘর তলিয়ে গেছে। পানি ডুকে পড়েছে কানাই নগর এলাকার একটি ক্যাথলিক গির্জাঘর ও স্কুল ঘরে।  পানিতে তলিয়ে ভেসে গেছে অনেক চিংড়ি ঘের। ভেসে গেছে ওইসব ঘেরের মাছ।  তবে বুধবার বিকাল পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে কেউ আশ্রয় নেয়নি।

 বুধবার(২৬ মে) দুপুর ২ টার দিকে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার জানান, দুপুর ১২টা থেকে নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে মোংলা উপকুলীয় এলাকার নদ নদীতে। এর ফলে পশুরনদী সংলগ্ন অনেক বাড়ীঘর ভেসেগেছে। চিংড়ি ঘের ভেসে গিয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছে চাষীরা বলে জানান তিনি।

মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জানান,বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ঝুকিপূর্ণ এলাকায় তিনি ও তাদের মাঠ কর্মিরা পরিদর্শন করেছেন। চিলার কেয়া বুনিয়া ও জয়মনি এলাকায় পাচ থেকে ছয়'শ বিঘা মৎস্য ঘের তলিয়ে যাবার খবর ও তিনি পেয়েছেন।

মোংলা চাদপাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম জানান,পানি উন্নোয়ন বোডের্র খামখেয়ালীপনার কারনে আজ জোয়ারের পানিতে বন্ধি হয়ে পড়েছে চিলা ও চাদপাই ইউনিয়নের তিন গ্রামের তিন থেকে চারশ বাসিন্ধা। ভেসে গেছে কয়েক হাজার বিঘা মৎস্য ঘেরের মাছ। পানি ডুকে তলিয়ে গেছে কানাইনগর এলাকার গুচ্ছগ্রাম গ্রামের পাচশতাধিক ঘর।

শেয়ার করুন

প্রকাশকঃ

অফিসঃ হাজী সিরাজুল ইসলাম সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর মোড়, ছুটিপুর রোড, ঝিকরগাছা, যশোর।

পূর্ববর্তী প্রকাশনা
পরবর্তী প্রকাশনা