তাদের কথোপোকথনের তথ্য ঘেঁটে আইনজীবী স্বামী জানতে পারেন, ফারাবি তার স্ত্রী মুক্তাকে বলেন তিনি (ফারাবি) কিছু দিনের মধ্যেই ডিসি হয়ে যাবেন, আর তাকে বিয়ে করলে সুফিয়া ভূইয়া মুক্তা হবেন ডিসির স্ত্রী। এ ধরণের নানা লোভনীয় অফার দেওয়া ও আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখানোর পাশাপাশি ওই কর্মকর্তা মুক্তার সঙ্গে অনৈতিক মেলামেলাও শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।সরকারের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হওয়ার কারণে তার আশকারায় আইনজীবী স্বামীকে নানা ধরণের হুমকিও দিতে থাকেন মুক্তা। একপর্যায়ে আইনজীবী স্বামীর সংসার ছেড়ে দেওয়ার হুমকিও দিতে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সংসার রক্ষায় স্ত্রীকে নানাভাবে বুঝানোর চেষ্টা করা হলেও তাতে কাজ হয়নি।
ওই কর্মকর্তা এমন ভাবেই মন ভুলিয়েছেন যে, মুক্তা তার ১৮ বছরের সংসারের প্রতি আর কোনো আগ্রহই দেখাচ্ছিলেন না। এমন কি নিজের গর্ভের সন্তানের প্রতিও আগ্রহ হারায় সুফিয়া ভূইয়া মুক্তার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্ত্রীকে কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি'র কবল থেকে ঘরে ফেরাতে লিখিতভাবে আবেদন জানান ভুক্তভোগী ওই স্বামী। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি চান সুফিয়া ভূইয়া মুক্তা ঘরে ফিরে আসুক।মুক্তার স্বামী মো. সালাহ উদ্দিন মাহমুদ কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য। তাদের বাসা কুমিল্লা সদর হাসপাতাল রোড মনোহরপুরে। "শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বরত উপসচিব জনাব কাইজার এম ফারাবির পরকীয়া কার্যক্রমের মাধ্যমে সংসারে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির কারণে যথাবিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন" শিরোনামে অভিযোগটি অ্যাডভোকেট সালাহ উদ্দিন মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ববরাবর প্রেরণ করেন।
একই অভিযোগ তিনি শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী, জনপ্রশাসন সচিব এবং শিক্ষাসচিব বরাবরও প্রেরণ করেন বলে জানা যায়। উল্লেখ্য, কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি এবং তাদের ব্যাচ সবেমাত্র উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। এই ব্যাচ ডিসি হতে এখনো অনেক সময় বাকি। কয়েক বছর লেগে যাবে নিঃসন্দেহেই। অথচ কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জারে মুক্তাকে এই মর্মে প্রলোভন দেখান যে, তিনি শিগগিরই ডিসি হচ্ছেন। এমনকি কুমিল্লার ডিসি হয়ে আসবেন, এটাও নিশ্চিত। সৌজন্যে- সাপ্তাহিক শীর্ষ কাগজ।
