আশাশুনির দয়ারঘাট-জেলেখালি ভাঙ্গনকৃত পাউবো’র বেড়ীবাঁধ নির্মানে হতাশায় ভূক্তভোগী এলাকাবাসি

আশাশুনির দয়ারঘাট-জেলেখালি ভাঙ্গনকৃত পাউবো’র বেড়ীবাঁধ নির্মানে হতাশায় ভূক্তভোগী এলাকাবাসি

আহসান   উল্লাহ বাবলু,  আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ আশাশুনির দয়ারঘাট-জেলেখালি ঘুর্ণিঝড় আম্পানে পাউবো'র বেড়ীবঁাধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হওয়া নির্মান কাজ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশার অন্ত নেই। আর কত মাস গেলে বাঁধের নির্মান কাজ করা হবে ? এমন ধুয়াশায় মধ্যে থেকে এ প্রশ্নের জবাব কারো জানা নেই। আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট-জেলেখালি বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়েছে ৬ মাস পূর্বে। দীর্ঘ ৬ মাসে নদীর জোয়ার ভাটার তোড়ে এলাকার মানুষের নাভিঃশ্বাস উঠেছে। তাদের চরম দুরাবস্থা দেখলে শান্তনা দেয়ার কোন ভাষা খুঁজে পাওয়া যায় না। বিগত ৬ মাসের মধ্যে অনেক উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সবাই দ্রুত বাঁধ রক্ষার কাজ করা হবে বলে আশ্বাসের বাণী শুনিয়ে চলেছেন। আশ্বাসের বাণী শুনতে শুনতে মানুষের মনে কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি মানুষের ভিন্নরূপ ধারনার সৃষ্টি হয়েছে। আসলে আর কত মাস পরে নির্মান কাজ করা হবে এনিয়ে হতাশার অন্ত নেই। বাঁধ নির্মানের লক্ষণ না দেখে এবং কর্তৃপক্ষের বড় বড় বুলির ঝলকানি নামক আশ্বাসকে এলাকার ভুক্তভোগিরা তামাশা বলে আখ্যায়িত করছেন। তাদের বিতশ্রদ্ধ প্রশ্ন, এহেন তামাশা বন্ধ হবে কবে ? তারা আর আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি বা শান্তনার গল্প শুনতে চায়না, তারা বাস্তবে কাজ দেখতে প্রত্যাশী। বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত বঁাধ নির্মান কাজ করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বালিয়া- গৌরসূটি গ্রামের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগদান করেন -আমিনুর

বালিয়া- গৌরসূটি গ্রামের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগদান করেন -আমিনুর

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১ নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের বালিয়া-গৌরসুটির নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন আমিনুর রহমান। আজ ৬ জানুয়ারি ২০২১ বুধবার বালিয়াটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে সন্ধ্যার সময় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান , বর্তমান এমপি প্রতিনিধি ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যা পদপ্রার্থী আমিনুর রহমান।

উক্ত মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগ নেতা নিরাপদ মন্ডলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বালিয়া-গৌরসূটি  ওয়ার্ডের মেম্বার শরিফুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান হোসেন, সাবেক মেম্বার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, প্রভাষক মহসীন আলী প্রমুখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ,  আ'লীগ নেতা মহর আলী, এমপি প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম ময়না,আব্দুল জলিল, আওয়ামীলীগ নেতা  সেরমত আলী,হযরত আলী,সাবেক মেম্বর  ইউসুফ আলী, মোশাররফ হোসেন,  ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী,আ'লীগ নেতা ইমাম উল হক, ছাত্রলীগ নেতা আবুল ফজল বাবু, শামীম হোসেন সহ তিন শতাধিক নেতাকর্মী।

ঝিনাইদহে অংকুর নাট্য একাডেমীর আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

ঝিনাইদহে অংকুর নাট্য একাডেমীর আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের অংকুর নাট্য একাডেমীর আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কম্বল বিতরণ করা হয়। এসময় ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা শুভ, এনডিসি এরফানুল হক চৌধুরী, জেলা ত্রান ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা বজলুর রশিদ, অংকুর নাট্য একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন জুলিয়াস, নাট্যকর প্রভাষক সাইফুল ইসলাম, ইসাহাক আলীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আগত শহরের বিভিন্ন এলাকার শতাধিক মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। কম্বল পেয়ে খুশি হতদরিদ্র পরিবারগুলো।

খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের মহেশপুর হাসপাতাল পরিদর্শন

খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের মহেশপুর হাসপাতাল পরিদর্শন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা। বুধবার সকালে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম,মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জমির হোসেন, মোঃ হাসিবুস সাত্তার, আরএমও ডাঃ আকবর নিয়াজ, প্রধান হিসাব সহকারী লুৎফর রহমান প্রমুখ। ডাঃ রাশেদা সুলতানা হাসপাতালের সেবা বিভাগসহ বিভিন্ন সেক্টর ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরিদর্শন শেষে তিনি মহেশপুর হাসপাতালের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সেবার মান আরও বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় টাকা ফেরত পেলেন জাহিদ

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় টাকা ফেরত পেলেন জাহিদ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় টাকা ফেরত পেলেন সদর উপজেলার হাট গোপালপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। ওসি জানান, সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বংকিরা গ্রামের আবুল কালাম আজাদ ও মহেশপুর উপজেলার তালসার গ্রামের শাহজালাল কাজলের কাছে জাহিদুল ইসলাম বিদেশ পাঠানোর জন্য তাদের কাছে আট লক্ষ টাকা দেয়। দীর্ঘদিন বিভিন্ন জায়গায় ধর্না ধরে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে অবশেষে টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সদর থানার ওসি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। এরই প্রেক্ষিতে দুই পক্ষকে ডেকে সমঝোতা করে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে গতকাল প্রথম কিস্তিতে এক লক্ষ টাকা প্রদান করা হয় জাহিদুল ইসলামের নিকট। পর্যায়ক্রমে বাকি পাওনা টাকা গুলো প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান । ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের এই মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এধরণের  মহতি উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদী ঝিনাইদহের মানুষ।

মোংলা বন্দরের উন্নয়নে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৪ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে

মোংলা বন্দরের উন্নয়নে অধিক গুরুত্বপূর্ণ  ৪ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা:দেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলার উন্নয়নে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান ১০ প্রকল্পের মধ্যে ১টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে ৩ টির কাজ চলতি বছরের জুনে শেষ হবে, অধিক গুরুত্বপূর্ণ আরো ৪ টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের জুনে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আপগ্রেডেশন অব মোংলা পোর্ট নামে যে প্রকল্পটি রয়েছে সেটি বাস্তবায়ন করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। 

বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৯ সালের জুন থেকে ২০২০ পর্যন্ত ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পসহ ৫০টির অধিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ও তিনটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে। মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীদের দ্রুত ও দক্ষ সেবা প্রদানে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে আছে:  ৭০টি কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ৮০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন, ৩টি কার ইয়ার্ড নির্মাণ, ১০টি বিভিন্ন ধরনের সহায়ক জলযান ক্রয়, ৬২টি বিভিন্ন ধরনের লাইটেড বয়া, ২টি রোটেটিং বিকন, ৬টি জিআরপি লাইট টাওয়ার সংগ্রহ ও স্থাপন, একটি মোবাইল হারবার ক্রেন, একটি স্টাফিং-আনস্টাফিং শেড, একটি ওয়েব্রিজ মোবাইল স্ক্যানার সংগ্রহ। এ ছাড়া রুজভেল্ট জেটির বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে। বন্দরের আধুনিকায়ন, চ্যানেলের নাব্যতা সংরক্ষণ ও দক্ষতার সঙ্গে কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জাহাজের গড় অবস্থানকাল হ্রাস এবং কার্গো ও কন্টেইনার সংরক্ষণের সুবিধাদির সম্প্রসারণসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মোংলা বন্দরে যেসব সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে তাহলো জাহাজ হ্যান্ডলিং সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২২৫ মিটার, ড্রাফট ৭-৮.৫ মিটার, কার্গো হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি ১০ মিলিয়ন মে. টন, ও কন্টেইনার ৭০ হাজার টিইউজ। এছাড়া কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সুবিধার মধ্যে রয়েছে, স্ট্র্যাডেল ক্যারিয়ার ৫টি, ফর্কলিফট ৩১টি, রিচ স্ট্র্যাকার ২টি, মোবাইল ক্রেন ৫টি, ডকসাইট ক্রেন ৫টি, টার্মিনাল ট্রাক্টরে শেষ হবে। আরও আছে মোংলা পোর্টের স্ট্র্যাটেজিক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন। এর কাজ শুরু হয়েছে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে, শেষ হবে ২০২১ সালের জুনে।  সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজও সমাপ্তির পথে। এ বছরেই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করবে মোংলাবাসী। এসবের বাইরে গত বছরের ডিসেম্বরে মোংলা বন্দরের আউটার বারে ড্রেজিং কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে।  ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১৯.৪৫ ঘনমিটার ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এই চ্যানেল দিয়ে ১০.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হারবারিয়া পর্যন্ত হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধায় আনা হয়েছে।পোর্টের অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি-সরঞ্জাম সংগ্রহ, পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং যা চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে ২০২২ সালের জুনে শেষ হবে। সহায়ক জলযান সংগ্রহ, বর্জ্য নি:সৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ থেকে পিপিপি'র আওতায় মোংলা বন্দরের ২টি অসম্পূর্ণ জেটির নির্মাণও কাজ শেষ করা হবে ২০২২ সালের মধ্যে।  চলমান এ সব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৮ হাজার কোটি টাকা। এদিকে ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোংলা বন্দরে মোট ৫১৯টি বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করেছে বলে নিশ্চিত করেছে বন্দরের হারবার বিভাগ। এ সব জাহাজে সার, সিমেন্ট, ক্লিংকার, সিরামিক ক্লে, কয়লা, রামপাল ও রূপরূপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেনারেল কার্গো ও ভারি ভারি যন্ত্রপাতি, এলপিজি গ্যাস, ফ্লাই অ্যাশ ও এডিবেল ওয়েলসহ বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী আমদানি করা হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

নওগাঁয় জমি সংকান্ত বিরধে নিহত - ১

নওগাঁয় জমি সংকান্ত বিরধে নিহত - ১

রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘর্ষে নওগাঁর সাপাহারে একই পরিবরের একজন নিহত ও ৩জন গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার সকালের দিকে উপজেলার তিলনী গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে পাতাড়ী ইউনিয়নের তিলনী মৌজায় কিছু সম্মপত্তি নিয়ে উপজেলার দক্ষিন পাতাড়ী গ্রামের জৈনক এসলাম আলী (৫৫) এর সাথে তিলনী গ্রামের আব্দুল হক এর বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন সকালে পাতাড়ী গ্রাম হতে এসলাম আলী ও আমজাদ আলীর নেতৃত্তে একদল লাঠিয়ালবাহিনী আব্দুল হকরে ভোগদখলীয় সম্পত্তি দখল করতে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে।

এসময় সৃষ্ট সংঘর্ষে এসলাম আলী ও আমজাদ আলীর লোকজনের লাঠির আঘাতে আব্দুল হক ও তার তিন ছেলে রবিউল আলম (৫০) হাবিবুর রহমান (২৫) ও রায়হান কবির (২৩) গুরুতর আহত হয়। এর পর গ্রামের লোকজন আহতদের সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  নিয়ে এলে কর্তরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে রবিউল আলম ও রায়হান কবিরকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন এবং আব্দুল হক (৭৫) ও তার মেঝ ছেলে হাবিবুর রহমান কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

রেফার্ডকৃত রবিউল ও রায়হান রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা দেড়টার দিকে রবিউল আলম এর মৃত্যু ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এবিষয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারেকুর রহমান সরকারের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন যে এবিষয়ে থানায় একটি হত্যামামলা দয়েরের প্রস্ততি চলছে।

কিশোরগঞ্জে ছেলের বেধড়ক মারপিটে পিতা-মাতা হাসপাতালে

কিশোরগঞ্জে ছেলের বেধড়ক মারপিটে পিতা-মাতা হাসপাতালে

মোঃ লাতিফুল আজম,নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে রিয়াজ উদ্দিন (৭০) স্ত্রী আমেনা খাতুন (৫৮) নামে এক বৃদ্ধ পিতা - মাতা ও ছোট ছেলের স্ত্রী কামরুন নাহারকে বেধড়ক মারপিটের  অভিযোগ পাওয়া গেছে, প্রথম ছেলে আইনুল ইসলাম তার  স্ত্রী  আশিদা খাতুন  ও ছেলে আতিকুল ইসলামের  বিরুদ্ধে।
 বুধবার সকালে উপজেলার পুটিমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ ভেড়ভেড়ী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।এ ঘটনায় বড় ছেলে ও তার স্ত্রী,নাতির অমানবিক নিষ্ঠুরতার নির্যাতনের শিকার হয়ে হতভাগা পিতা- মাতা ও ছোট ছেলের স্ত্রী গুরুতর আহত হয়ে কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পিতা রিয়াজ উদ্দিন বড় ছেলে আইনুল ইসলামকে  প্রধান করে ৩ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।  থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে রিয়াজ উদ্দিন তার নামীয় সম্পত্তি (জমি) বন্ধক রাখিয়া বড় মেয়ে  আঞ্জুয়ারা বেগমকে সাংসারিক গরজ বসত টাকা হাওলাদ দিতে চাইলে বড় ছেলে আইনুল, তার স্ত্রী আশিদা ও  ছেলে আতিকুল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রতিবাদ করলে,এ সময় রিয়াজ উদ্দিন গালিগালাজ করতে নিষেধ করেন,এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ছেলে আইনুল তার স্ত্রী আশিদা ও ছেলে আতিকুলের বেধড়ক মারপিটে গুরুতর আহত হলে,স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। 
এ ব্যাপারে আইনুলের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার  ব্যবহৃত  মুঠোফোনটি বন্ধ  পাওয়া যায়। 
কিশোরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল  অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ডা. কাশেম স্মরণে নতুনধারার আলোচনা ও দোয়া

ডা. কাশেম স্মরণে নতুনধারার আলোচনা ও দোয়া

প্রেস বিজ্ঞপ্তিডা. কাশেম স্মরণে নতুনধারার আলোচনা ও দোয়া নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির প্রেসিডিয়াম মেম্বার, বহুগ্রন্থ প্রণেতা লায়ন ডা. আবুল কাশেম ভূঁইয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে আলোচনা ও দোয়া সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ জানুয়ারী বেলা ১১ টায় দিবসটিকে কেন্দ্র করে তোপখানা রোডস্থ গীতিকার আহমেদ কায়সার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি আবদুল মান্নান আজাদ। নতুনধারার রাজনীতির প্রবর্তক মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান আলোচক ছিলেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা। আলোচনায় অংশ নেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উপদেষ্টা বেবী চৌধুরী, অনলাইন প্রেস ইউনিটির কার্যকরী সভাপতি এ্যাড. নূরনবী পাটওয়ারী, সেভ দ্য রোড-এর সদস্য মো. আফসার প্রমুখ।


 সভাপতির বক্তব্যে মোমিন মেহেদী বলেন, নতুনধারার রাজনীতিকগণ নিরন্তর রাজপথে কাজপথে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে আছে। এই পরীক্ষায় তারা তখনই উত্তীর্ণ হবে, যখন মরহুম ডা. কাশেম সাহেবের মত ভালো মানুষেরা রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নতুনধারার সাথে সম্পৃক্ত হবেন। আমরা সেই অপেক্ষাতেই রাজপথে থাকবো-আছি-ছিলাম মাটি ও মানুষের কল্যাণের জন্য নিবেদিত।

ক্যান্সারে মারা যাওয়া দুলাল মিয়ার দুই সন্তান পেল শুভসংঘের শিক্ষা সহায়তা

ক্যান্সারে মারা যাওয়া দুলাল মিয়ার দুই সন্তান পেল শুভসংঘের শিক্ষা সহায়তা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. দুলাল মিয়ার দুই সন্তানকে এককালীন নগদ অর্থ শিক্ষা সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ, নোবিপ্রবি শাখা।  আজ বুধবার(৬ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী পৌর শহরের মাইজদীতে বিশ্ববিদ্যালয় শুভসংঘের সভাপতি শাহরিয়ার নাসের এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান সাহেদ এ শিক্ষা সহায়তা দুলাল মিয়ার স্ত্রী কোহিনূর বেগম ও তার দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ে  সালমা আক্তারের হাতে তুলে দেন৷ শুভসংঘের এই শিক্ষা সহায়তার সম্পূর্ণ অর্থ প্রদান করেন নোবিপ্রবির সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয় শুভসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান উপদেষ্টা মো. গোলাম মোস্তফা।

প্রসঙ্গত, ক্যান্সার আক্রান্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. দুলাল মিয়া গত বছরের ২২ ডিসেম্বর  নোয়াখালী সদর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান৷ ওই মাসের শেষের দিকে রাজধানী ঢাকায় তার অপারেশন হওয়ার কথা ছিল।

মাঠ বাঁচাতে জুড়ীর সাবেক ও বর্তমান খেলেয়ারদের পালিত মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত

মাঠ বাঁচাতে জুড়ীর সাবেক ও বর্তমান খেলেয়ারদের পালিত মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার হরিরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ জবরদখল নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে সংবাদ প্রচার এবং মাঠ বাঁচাতে জুড়ীর সাবেক ও বর্তমান খেলেয়ারদের পালিত মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। এসকল সংবাদ ও মানবন্ধন কর্মসূচীতে ভূমিখেকোদের হাত থেকে মাঠটি রক্ষা করতে স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও সর্বস্তরের ক্রীড়াপ্রেমীদের নানা বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে উঠে এসেছে। গত ৩রা ডিসেম্বর থেকে এ বিষয়টি স্থানীয় মহলে গুরুত্বের সাথে আলোচনা হচ্ছে। মাঠের জায়গা ও মালিকানা নিয়ে অনেক বিষয় ইতিমধ্যে পরিষ্কার হওয়া গেলেও কিছু বিষয় এখনও আমাদের কাছে জটিল মনে হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে জুড়ী হরিরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, পশ্চিম জুড়ী ইউপি অাওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক জুবের হাসান জেবলু-কে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্কুলের ইতিহাস ঐতিহ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অনেক কথা তুলে ধরেন। তারই চুম্বক অংশ নীচে তুলে ধরা হলো-

বক্তব্যের শুরুতে জুবের হাসান জেবলু বলেন, 'মাঠ কেটে স্কুলের জায়গায় মাটি ভরাটের সাথে অামি জড়িত নই। কতিপয় বক্তা মানববন্ধনে বলেছেন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে মাঠের মাটি কেটে স্কুলের জায়গা ভরাট হচ্ছে তাদের এই বক্তব্যকে অামি অস্বীকার করছি ও অামার বিরুদ্ধে মিথ্যা দোষারোপের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আপনারা জানেন জুড়ীর অন্যতম প্রাচীন একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেটি ১৯৩৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে শ্রদ্ধেয় নেতৃবৃন্দের হাত ধরে মাটির ঘর থেকে অাজকের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। মানববন্ধনে স্কুলের মাঠ বাঁচাতে পশ্চিম জুড়ীর সাবেক চেয়ারম্যান শ্রদ্ধেয় মইন উদ্দিন মইজন সাহেব ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক সাহেবের প্রতিবাদকে অামি সম্মান করি এবং তাদের প্রতিবাদ ও দাবীর সাথে অামার কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু মাঠটি যদি এতদিনে সরকারী স্কুলের নামে নামজারি হয়ে যেত তাহলে অার কথা ছিলনা। এখনো কেন এতদিনে মাঠটি স্কুলের নামে রেজিস্ট্রি হলো না সেটা অামার জানা নেই। অামার এখতিয়ার শুধু স্কুলের ওপর, অার স্কুলের নামে জায়গা মাত্র ৩৫ শতক। যার কিছু অংশ মাঠের দিকে পড়েছে। নীচু জমির কারণে প্রতিবছর বর্ষায় কয়েক মাস মাঠসহ স্কুলের অাঙ্গিনা প্রায় পুরোটা বন্যায় প্লাবিত হয়, যার কারণে স্কুলের বাচ্চারা পিটি করতে পারে না। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারা বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্দিকে সরকারী দেয়াল থাকলেও মাঠের কারণে অামাদের স্কুলে শুধু একদিকে দেয়াল করা হয়েছে। মাঠের একপাশ দিয়ে রয়েছে রেলব্রীজ ও পানি নিষ্কাশন খাল। অামিও চাই মাঠের ভূমি নিয়ে জটিলতা শেষ হোক। স্কুলটি অারো সুন্দর হয়ে উঠুক। শহরের নিকটস্থ একাধিক কেজি স্কুল থাকার কারণে সামর্থ্যবান পরিবারের বাচ্চারা প্রাইমারিতে ভর্তি হয় না, অামার স্কুলের বাচ্চারা বেশীরভাগ দরিদ্র পরিবার থেকে অাসে।'

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, যখনই স্কুলের কোনো উন্নয়ন কাজে হাত দেয়া হয় তখনই একটি মহল এসব কাজে বাঁধা দিয়ে উন্নয়ন ব্যাহত করে। তাই তিনি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতায় বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এ স্কুলটিকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার অাহবান করেন।

উল্লেখ্য, জুবের হাসান জেবলু জুড়ী বড়লেখা অাসনের সাবেক এমপি, ৭২ এর জাতীয় সংবিধানে সাক্ষরকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম তৈমুছ অালীর জেষ্ঠ পুত্র।

(খেলার মাঠ দখল নিয়ে চলমান বিবাদে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির প্রতিক্রিয়া)

নবীনগরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নবীনগরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ প্রথমবারের মতো জেলা সদরের বাহিরে নবীনগর থানায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে এই পর্যালোচনা সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান এর সভাপতিত্বে নবীনগরের নানা বিষয়ে তুলে ধরে বক্তব্য দেন তিনি।
এসময় তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয় নবীনগরের বিভিন্ন সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে।
বক্তব্যে উপস্থিত পুলিশ সুপার বর্তমান সময়কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সবচেয়ে সুবিধাজনক সময় বলে দাবী করে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন।
এছাড়াও তিনি নবীনগরের আইনশৃঙ্খলা,মাদক নির্মূল,দাঙ্গা ও জানজট নিরসনে নবীনগরের সাংবাদিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন।
তাছাড়াও তিনি বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরো বেশি গতিশীল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।এ সময় জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য পুলিশ সুপার মোঃ আনিছুর রহমান সকাল থেকেই নবীনগর থানায় পরিদর্শনে এসে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নবীনগর থানা পুলিশের সাথে গুরুত্বপূর্ণ সভা করে পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এই পর্যালোচনা সভা করেন তিনি।