.
লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের সদর আধুনিক হাসপাতালে ভোগান্তির অপর নাম দালাল চক্র দালালদের খপ্পরে পড়ছেন না এমন কোন রোগী ও তার স্বজন হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। দিন রাত ২৪ ঘন্টাই দালালদের উৎপাতে মুখরিত সদর হাসপাতাল এলাকা। যে কোন রোগী হাসপাতাল গেইটের সামনে গেলেই স্লিপ ধরতে দালালদের মধ্যে শুরু হয় টানা হেঁচড়ার প্রতিযোগীতা। আর এ প্রতিযোগীতার ফাঁদে পড়ে নিশ্বঃ হচ্ছেন গ্রামগঞ্চ থেকে আসা সাধারণ রোগীরা।
মাঝে মধ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দু’একজনকে আটক করলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। পুলিশের এমন ভূমিকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় লোকজন। যদিও হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে অর্ধশতাধিক দালালের। এর মধ্যে এ পর্যন্ত আটক হয়েছে মাত্র হাতেগোণা কয়েকজন, বিষয়টি নজরে আসলে শুক্রবার (২-অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে।
দালাল ধরতে সাধারণ মানুষের বেশে সেখানে অবস্থান নেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান এসময় তিনি চারপাশ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি হাতে-নাতে আটক করেন দুই দালালকে। তারা হল তালিকাভূক্ত দালাল সেলিম মিয়া ও বিলাল মিয়া। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে টাউট আইন ১৮৭৯ আওতায় ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন জানান বেশ কিছুদিন যাবত সদর হাসপাতালে।
দালালদের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সেখানে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সদর হাসপাতালে তালিকাভূক্ত দালাল সেলিম ও বিলালকে আটক ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয় তিনি আরো জানান দালালদের ধরতে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
