অবৈধ ভাবে বালি উত্তলনের জন্য ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

অবৈধ ভাবে বালি উত্তলনের জন্য ৫০ হাজার টাকা জরিমানা



মোরশেদ আলম
যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি 


যশোর কেশবপুরে হরিহর নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড় পাথরা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা হরিহর নদ থেকে ঘাঘা গ্রামের মৃত কোরবান গাজীর ছেলে হাফিজুর রহমান ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিলেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সত্যতা যাচাই করে হাফিজুর রহমানকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৫(১) ধারার অপরাধ ও ১৫(১)ধারা অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, হরিহর নদ, বুড়িভদ্রা ও আপারভদ্রা নদীসহ ৭টি সংযোগ খাল দীর্ঘমেয়াদি খনন কাজ চলছে। এ জন্য ৪৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। যে কাজ এখনো চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে হরিহর নদের বড় পাথরা এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। যে কারণে নদের দু’পাড় ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সব যন্ত্রণা ফুরিয়ে গেলেও ক্ষুধার জ্বালা ফুরায় না সিদ্দিক মিয়ার

সব যন্ত্রণা ফুরিয়ে গেলেও ক্ষুধার জ্বালা ফুরায় না সিদ্দিক মিয়ার




মিঠুন কুমার রাজ, 
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি। 

 সব যন্ত্রনা ফুরালেও ক্ষুধার জ্বালা ফুরায় না সি‌দ্দি‌ক চাচার প‌রিবা‌রের। ইন্দুরকানী উপ‌জেলার পত্তাশী ইউ‌নিয়‌নের রামচন্দ্রপুর গ্রা‌মের বা‌সিন্দা তি‌নি।
বয়‌সের ভা‌রে নু‌য়ে পড়া আবু বক্কর সি‌দ্দিক চাচা এখন আর কাজ কর‌তে পা‌রেন না। ভাল ম‌ন্দের বিচার তিনি কম বো‌ঝেন। এক সময় দিনমজুর ছি‌লেন তি‌নি।

স্ত্রী ফাহিমা বেগম হাবা‌গোবা। তবুও পে‌টের দা‌য়ে অ‌ন্যের বা‌ড়ি‌তে কাজ ক‌র‌তে হয়। দিন যে ভা‌বেই  কাটুক তা‌দের রাত কা‌টে চরম অ‌নিশ্চয়তায়। 
তাঁরা স্বামী স্ত্রী দুজনই  বু‌দ্ধিপ্র‌তিবন্ধী।

তা‌দের ভাঙ্গা ঘ‌রে এক‌টি মাত্র খাট। তার ম‌ধ্যে দুই সন্তান‌কে নি‌য়ে থাক‌তে হয়। ‌দিন হ‌লে কি ক‌রে খাবার সংগ্রহ কর‌বে তাঁরা এ নি‌য়ে নির্ঘুম রাত কে‌টে যায় তা‌দের। 

ভাঙ্গা ঘ‌রে শীত আর বর্ষা মৌসু‌মে ক‌ষ্টের শেষ থা‌কে না সি‌দ্দি‌ক চাচার প‌রিবা‌রের। 
আর বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারনে যখন সারাপৃথিবী কোণঠাসা হয়ে পরছে তখন এই পরিবারটির অবস্থা আরও শোচনীয়।

‌আসুন আমরা সবাই মি‌লে সি‌দ্দি‌ক চাচর নির্ঘুম রাতটা‌কে পা‌ল্টে দেয়ার চেষ্টা ক‌রি। নি‌ভি‌য়ে দেই  তা‌দের ক্ষুধার জ্বালা। নিয়াজ মাহমুদ এ তথ্য সাংবাদিক মিঠুন কুমার রাজকে প্রেরণ করেন।

পদ্মা সেতু সম্পর্কে কুইজ

পদ্মা সেতু সম্পর্কে কুইজ





১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম কী?
উত্তর : পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।
২. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ৬.১৫ কিলোমিটার।
৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত?
উত্তর : ৭২ ফুটের চার লেনের সড়ক।
৪. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন হবে কোথায়?
উত্তর : নিচ তলায়।
৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট কত কিলোমিটার?
উত্তর : ৩.১৮ কিলোমিটর।
৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই প্রান্তে ১৪ কিলোমিটার।
৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন হয়েছে কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই পাড়ে ১২ কিলোমিটর।
৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় কত?
উত্তর : মূল সেতুতে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন ব্যয় কত?
উত্তর : ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
১০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে জনবল কতজন?
উত্তর : প্রায় ৪ হাজার।
১১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি?
উত্তর : ৮১টি।
১২. প্রশ্ন : পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত?
উত্তর : ৬০ ফুট।
১৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত?
উত্তর : ৩৮৩ ফুট।
১৪. প্রশ্ন : প্রতি পিলারের জন্য পাইলিং কয়টি?
উত্তর : ৬টি।
১৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা কত?
উত্তর : ২৬৪টি।
১৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে কবে?

১৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে কী কী থাকবে?
উত্তর : গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পরিবহন সুবিধা।
১৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ধরন কেমন?
উত্তর : দ্বিতলবিশিষ্ট এই সেতু কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে নির্মিত হবে।
১৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পিলার সংখ্যা কত?
উত্তর : ৪২টি।
২০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানির নাম কী?
উত্তর : চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড।              

{ ১৬ নং প্রশ্নের উত্তর পরে }

মানবতার তরে মানবপ্রেমী'র সাফল্যের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লাকসাম কলেজ শাখা কেক কেটে উদযাপন

মানবতার তরে মানবপ্রেমী'র সাফল্যের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লাকসাম কলেজ শাখা কেক কেটে উদযাপন




মো: রবিউল হো: সবুজ (কুৃমিল্লা প্রতিনিধি) 

(আজ বুধবার ০১/০৭/২০ইং) কুমিল্লা জেলায় গণমানুষের  সাড়া জাগানাে প্রিয় মানবিক সংগঠন ‘ মানবতার তরে মানবপ্রেমী'র সাফল্যের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী । একঝাঁক মেধাবী তারুণ্যের স্বপ্নের সংগঠন মুমুর্ষ রােগীদের স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে সাড়ে চার হাজার ব্যাগ । রক্তদানসহ মানবিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে । জানা যায় , ২০১৭ সালের ১ জুলাই কয়েকজন তরুণ স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে সামাজিক - স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবতার তরে মানবপ্রেমী সংগঠনের শুভ যাত্রা শুরু করেন । গত তিনবছরে মানবিকতায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ী হাজারাে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তরুণের এ সংগঠনের বিস্তৃতি ছড়িয়েছে কুমিল্লা মহানগর , কুমিল্লা কোটবাড়ি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট , লাকসাম উপজেলা , নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ , গাজীমুড়া কামিল মাদরাসা , নাঙ্গলকোট উপজেলা , নাঙ্গলকোট হাসান মেমােরিয়াল সরকারি কলেজ ও মহিলা মডেল কলেজ সহ বিভিন্ন এলাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ।শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলাে ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠা করেছে ‘ আলাের পাঠশালা ' নামক স্কুল । এছাড়া প্রাকৃতিক দূর্যোগে গরিব অসহায় মানুষকে সহযােগিতা , তীব্র শীতে শীতবস্ত্র বিতরণ , অন্নহীন মানুষকে খাদ্য সহায়তা , অসহায় মানুষের বসবাসের সুবিধার্থে ঘর নির্মাণ করে দেয়া , বৃক্ষরােপন কর্মসূচি , করােনাকালীন ব্যাপক জনসচেতনা এবং সমস্যাগ্রস্ত মানুষকে খাদ্য সহায়তা , থেকে জনসাধারণকে রক্ষা করতে ব্যাপক জনসচেতনতা , বিভিন্ন অসুস্থতায় ও বিরল রােগে । আক্রান্ত রােগীদের আর্থিক সহায়তা , প্রতিটি ঈদে পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাথে ঈদ আনন্দ , আপ্যায়ন , মেহেদি উৎসব , খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণ এবং ঈদসেলামি প্রদানের পাশাপাশি জাতীয় দিবস সমূহে বিভিন্ন কর্মসুচির মাধ্যমে পালনসহ তাদের প্রতিটি কাজ ছিল জনকল্যাণমুলক ও সাড়া জাগানাে । 

উক্ত সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রহমান জানান , মাত্র তিনবছরে আমরা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কাজ করতে পেরেছি । বিগতদিনে যাদের আন্তরিকতায় বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে । তাদের সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি । সংগঠনের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ দিন ব্যাপী ৮ টি কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান । 
মানবতার তরে মানবপ্রেমী সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা , সামাজিক , রাজনৈতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব অ্যাডভােকেট রফিকুল ইসলাম হিরা বলেন , একঝাঁক তরুণের মেধা , সততা ও আদর্শে গড়া সংগঠনটির বিগত তিনটি বছর ছিল মানবতার কল্যাণে ভূমিকা রাখার অনন্য প্রয়াস । আমি এমন একটি মানবিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে গর্ববােধ করছি । তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি । বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে দেশ - প্রবাসের বিত্তশালীরা অতীতের মতাে ভবিষ্যতেও সংগঠনটির পাশে থাকবে বলে আমি প্রত্যাশা করি ।

মায়ার এই শহর আর কারও সাথে বেঈমানি না করুক

মায়ার এই শহর আর কারও সাথে বেঈমানি না করুক




সম্রাট হোসেন:


ঢাকা, রহিম দুই সন্তান নিয়ে রাজধানীর বাড্ডায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। যদিও ব্যাচেলর হিসেবে ঢাকা শহরে তার বসবাস ১৩ বছর আগ থেকে। করোনায় চাকরি হারিয়ে রীতিমতো নিঃস্ব তিনি। চাকরি হারানোর পরে আয়-উপার্জনের ভিন্ন পথ খুঁজেও তিনি ব্যর্থ হন।


 
সব পথ হারিয়ে ভাগ্যকে মেনে নিয়েই এই জীবিকার শহর ছেড়ে তিনি আজ (শনিবার) নিজ এলাকা নাটোরে চলে যাচ্ছেন। যাওয়ার আগে স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা নিয়ে হুমায়ন কবির বললেন, 'চলে যাচ্ছি, এই শহর আর আমার হলো না'।

তিনি বলেন, 'চাকরি হারানোর পর আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেলে, নতুন আয়ের পথ সৃষ্টি করতে চেষ্টাও করেছিলাম। একটি ভ্যান ভাড়া নিয়ে কারওয়ান বাজার থেকে সবজি কিনে পাড়ায় পাড়ায় বিক্রি করেছি কয়েকদিন। কিন্তু ভ্যান ভাড়া, সব খরচ বাদ দিয়ে ইনকাম বেশি থাকত না, ক্রেতাও কম। যে কারণে ওটা করেও আর পোষাতে পারিনি। তাই সব ধরনের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। বাধ্য হয়েই ঢাকা ছেড়ে নিজ গ্রামের বাড়িতে চলে যাচ্ছি আমরা।'

টিউশনি করে স্ত্রী ও এক কন্যা নিয়ে সংসার চলতো জাকারিয়া লাবণের। বনশ্রী থেকে গত বুধবার তিনি রাজধানী ছেড়ে জামালপুরের মাদারগঞ্জে চলে গেছেন। যাওয়ার সময় তিনটি ছবি তার ফেসবুক ওয়ালে দিয়ে তিনি লিখেন, 'এই শহরে চার বছর ধরে তিলে তিলে গড়া সংসারটা মাত্র একটা ট্রাকে করে নিয়ে নিরুদ্দেশ হলাম। বাকিটা আল্লাহ দেখবেন। শুভ কামনা সকলের তরে। মায়ার এই শহর আর কারও সাথে বেঈমানি না করুক।'



শুধু হুমায়ন কবির আর জাকারিয়া লাবণই নন, করোনার পরিস্থিতির কারণে চাকরি বা ব্যবসা হারিয়ে অনেকেই ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে গেছেন। চলে যেতে হচ্ছে আরও অনেককে। ঢাকায় তাদের এখন আর কোনো কাজ নেই, বেতন নেই, আগের মতো ব্যবসাও নেই। তাই যেন তাদের আশ্রয়ও নেই এখানে। যে কারণে স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা নিয়ে ঢাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তারা।


ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ২ হাজার ৩৭১ জনের সাক্ষাৎকার নিয়ে ব্র্যাক মে মাসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এতে দেখা যায়, ৩৬ শতাংশ লোক চাকরি বা কাজের সুযোগ হারিয়েছেন। ৩ শতাংশ লোকের চাকরি থাকলেও বেতন পাননি। আর দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে যারা কাজ করেন, তাদের ৬২ ভাগই কাজের সুযোগ হারিয়েছেন। করোনার কারণে ১০টি জেলার মানুষের আয় কমে গেছে। ঢাকা জেলার মানুষের আয় কমেছে ৬০ ভাগ।


 
রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা জামাল আক্তার। একটি বেসকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। কিন্তু করোনার কারণে তিনি ঠিকমতো বেতন পাচ্ছেন না কয়েক মাস ধরে। মাঝে দুই-একবার পেলেও তা অর্ধেকে নেমে এসেছে।

জামাল আক্তার বলেন, 'চাকরির বেতনের ওপর পুরাপুরি নির্ভর করে আমার সংসার চলত। যেখানে শুধু বাসা ভাড়াই দিতাম ১২ হাজার টাকা। এ ছাড়া সংসার চালানোর জন্য খরচ হত বাকিটা, কোনো সঞ্চয়ই ছিল না। খেয়ে-পড়ে সব শেষ। কিন্তু আমার এই স্বাভাবিক জীবনের ছন্দপতন ঘটে যায় করোনার কারণে। ঠিকমতো বাসা ভাড়া দিতে পারিনি দুই মাস। ঠিকমতো বেতনও পাই না। আয়ের অন্য কোনও পথও নেই। তাই বাধ্য হয়েই আমাদের চলে যেতে হচ্ছে ঢাকা ছেড়ে।'

'কখনও এমন ভাবিনি, আমাদের স্বাভাবিক জীবনে এমন ছন্দপতন ঘটবে। নিঃস্ব হয়ে ঢাকা শহর ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমার পরিচিত একজন তার ঘরের ফার্নিচার, বাইসাইকেলসহ অনেক কিছু কম দামে বিক্রি করে,বাসা ভাড়া পরিশোধ করে চলতি মাসে ঢাকা ছেড়ে গেছে। দুই তিন দিনের মধ্যে আমরাও চলে যাচ্ছি। ১১ বছর ধরে ঢাকায় থাকি, কিন্তু ভাগ্যের নির্মমতার কারণে এই শহর ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে।'

পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, রাজধানীর বাসিন্দাদের ৮০ শতাংশই ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। যাদের মধ্যে অনেকেই এখন হারিয়েছেন চাকরি বা উপার্জনের পথ।

ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এক হিসাবে দেখা যায়, গত ২৫ বছরে রাজধানীতে বাড়ি ভাড়া বেড়েছে প্রায় ৪০০ শতাংশ। একই সময়ে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ২০০ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ে নিত্যপণ্যের দামের তুলনায় বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ। সংগঠনটির অন্য এক হিসাব বলছে, ঢাকার ২৭ শতাংশ ভাড়াটিয়া আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ, ৫৭ শতাংশ ভাড়াটিয়া প্রায় ৫০ শতাংশ, ১২ শতাংশ ভাড়াটিয়া আয়ের প্রায় ৭৫ শতাংশ টাকা ব্যয় করেন বাসা ভাড়ায়।

বেকার, ভাগ্যান্বেষী, বিদ্যান্বেষীসহ নানা শ্রেণির মানুষের ‘স্বপ্ন গড়ার শহর’ ঢাকা। সেজন্য দিন দিন এই নগরে মানুষ বাড়ছিল জ্যামিতিক হারে। কিন্তু গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাস হানা দেয়ার পর সেই মানুষদের স্বপ্ন যেন ভাঙতে শুরু করেছে। গত ক’মাসে আয়-রোজগার কমে এমনকি কর্ম হারিয়ে বিপাকে নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ। হতদরিদ্ররা হয়ে পড়েছেন আরও অসহায়। জীবিকার এমন সংকট দেখা দেয়ায় ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ।


 
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ সালে রাজধানীতে লোকসংখ্যা ছিল ৬৮ লাখের সামান্য কিছু বেশি। কিন্তু ১৯৯১ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সময়ে রাজধানীর লোকসংখ্যা লাফিয়ে বেড়েছে। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টাসের ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাসিন্দা ১ কোটি ৭০ লাখ।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ডিসপ্লেসমেন্ট মনিটরিং সেন্টারের তথ্য বলছে, ২০০৭ সালের পর খরা, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা কারণে দেশের ভেতর উদ্বাস্তু হয়েছে প্রায় ৫৭ লাখ মানুষ। এসব মানুষের অধিকাংশই কর্মের সন্ধানে ঢাকায় প্রবেশ করে। তবে করোনার ধাক্কায় এসব মানুষের জীবনে এখন বড় বিপর্যয় নেমে এসেছে। বাধ্য হয়েই দুঃখ আর অসহায়ত্বকে সঙ্গী করে তাদের ছাড়তে হচ্ছে স্বপ্ন গড়ার শহর ঢাকাকে।

প্রায় ১৪৬৩.৬০ বর্গকিলোমিটারের এই ঢাকায় বাস করতে হয় প্রায় দুই কোটি মানুষকে। তাই তো মানুষকে উচ্চ ভাড়ায়, বলতে গেলে বেতনের বা আয়ের সিংহভাগ টাকা দিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। বাসা ভাড়ার খড়্গ মানুষকে অর্থনৈতিক নির্যাতনের মুখে ফেলছে প্রতিনিয়ত। করোনায় রাজধানী ঢাকার এখন প্রায় সব এলাকার বাসায় বাসায় ঝুলছে 'টু লেট'। কয়েকমাস ধরে নতুন করে আশানুরূপ ভাড়াটিয়া পাচ্ছে না বাসার মালিকরা।

মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার।আল্লাহ সবাই কে ভাল রাখুন।

ইন্দুরকানীতে নবগঠিত ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার মোসাঃ নাছরিন বেগম এর শুভেচ্ছা বার্তা

ইন্দুরকানীতে নবগঠিত ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার মোসাঃ নাছরিন বেগম এর শুভেচ্ছা বার্তা




মিঠুন কুমার রাজ, 
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি। 

ইন্দুরকানী উপজেলার নবগঠিত ইউনিয়ন পরিষদের পত্তাশী ইউনিয়ন এর ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড এর সিলেকশন মহিলা মেম্বার মোসাঃ নাছরিন বেগম এর পহ্ম থেকে সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন যাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে উন্নয়নমুলক কাজ করে ইন্দুরকানীকে একটা ডিজিটাল উপজেলা হিসেবে গড়তে পারেন।

তিনি আরও বলেন 
মুজিব বর্ষে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলায় নবগঠিত (ইন্দুরকানী সদর ও চন্ডিপুর) নামে ২টি ইউনিয়নসহ মোট ৫টি ইউনিয়নে রূপান্তরিত হওয়ায় #মাননীয়_প্রধানমন্ত্রী_জননেত্রী_শেখ_হাসিনা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় সংসদ সদস্য, পিরোজপুর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক, সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তার পক্ষ থেকে  শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি আশাবাদী এভাবেই আগামীতেও ইন্দুরকানী উপজেলার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

পরিশেষে তিনি বলেন তার দায়িত্ব সৎ ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে সরকারের উন্নয়ন সাফল্য তৃণমূল মানুষের কাছে পৌছে দিতে সর্বসাধারণের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

দিনাজপুরে রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে ইয়ার লাঞ্চিং কর্মসূচীতে ছিন্নমূল ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে আহার বিতরণ

দিনাজপুরে রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে ইয়ার লাঞ্চিং কর্মসূচীতে ছিন্নমূল ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে আহার বিতরণ





দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ রোটারী গভর্ণর রুবায়েত হোসেন, আর, আই প্রেসিডেন্ট মিঃ হলগারের থিম “রোটারী সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়” থিমকে হৃদয়ে ধারণ করে বর্তমান সংকটকে সম্ভাবনায় পরিণত করতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। গত ১১ মে থেকে রাস্তায় রাস্তায় ছিন্নমূল ক্ষুধার্থ মানুষের মাঝে রান্না করা খাওয়ার বিতরণ কর্মসূচী “আহার প্রতিদিন” চালু করেন। যা পরবর্তী সময়ে দেশব্যাপী চালু হয়েছে, ইতিমধ্যে ৫০ হাজার প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে এবং আজ দেশের ২৩০টি রোটারী ক্লাব মিলে প্রায় ৩০ হাজার প্যাকেট বিতরণ করলো। এছাড়াও ডিজিএ’র উদ্যোগে মে মাস থেকে সংকটকালীন চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশে এই প্রথম ৪০ জন ডাক্তারের সমন্বয়ে “রোটারী মেডিকেল সাপোর্ট সেন্টার” নামে মেডিকেল টিম গঠন করেছেন। এরই অংশ হিসেবে ১ জুলাই বুধবার ২০২০ইং দিনাজপুর রোটারী ক্লাব ইয়ার লাঞ্চিং ২০২০-২০২১ এর অংশ হিসেবে দিনাজপুর শহরের ক্ষেত্রিপাড়াস্থ বুদ্ধি প্রতিবদ্ধি ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে ছিন্নমূল-বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের মাঝে আহারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং গৃহহীনকে বাড়ী করার জন্য ঢেউটিনসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন রোটারী লেফটেন্যান্ট গভর্ণর ও দিনাজপুর রোটারী ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান একেএম আব্দুস সালাম তুহিন, এসিসট্যান্ড গভর্ণর রোটারিয়ান পিপি সৈয়দ মোঃ আব্দুস সাত্তার, রোটারিয়ান পিপি রণজিত কুমার সিংহ, রোটারিয়ান পিপি মোঃ শামীম কবির, রোটারিয়ান পিপি মোঃ আরিফুর রহমান আরিফ, ক্লাব সেক্রেটারী রোটারিয়ান মোঃ মনির হোসেন, রোটারিয়ান অধ্যাপক মোঃ ছায়েদ আলী, ক্লাব ট্রেজারার রোটাঃ ছবি সিনহা, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল শাহ নেওয়াজ, সিনিয়র শিক্ষক সেলিনা নবি, মোঃ সৈয়দুর রহমান, মোঃ আতাউর রহমান প্রমুখ। উল্লেখ্য  দিনাজপুর রোটারী ক্লাবের ২০২০-২০২১ইং রোটা বর্ষের প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান এম মাকসুদুল আলম ইতিপূর্বে ২০০০-২০০১ইং রোটা বর্ষে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তিনি দিনাজপুরে সূর্যশিখা এনজিও’র মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গরু ও বাছুর দিয়ে তার রোটারী বর্ষের কাজ শুরু করেন এবং দিনাজপুর জেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে এন্ট্রি ড্রাগ প্রজেক্টের মাধ্যমে কাজ শুরু করেছিলেন। ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান এম মাকসুদুল আলম বর্তমানে কোভিড-১৯  এর কারণে ঢাকায় অবস্থান করায় তার নির্দেশনায় এই কর্মসূচী পালন করা হয়।

মাধবপুরে স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১৭জন করোনা আক্রান্ত,

মাধবপুরে স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১৭জন করোনা আক্রান্ত,




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় নতুন করে আরও ১৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মাধবপুরে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১২ জন। বুধবার (১জুলাই ) এ তথ্য নিশ্চিত করেন মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এ এইচ এম ইশতিয়াক মামুন।

মাধবপুর স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এপর্যন্ত মাধবপুরে করোনা সনাক্ত হয়েছে ১১২ জনের এর মধ্যে চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মী ব্যাংকার ও ১৯ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন, একজন অবসরপ্রাপ্ত নারী স্বাস্থ্যকর্মীর ১ মৃত্যু হয়েছে। বুধবার নতুন সনাক্ত ১৭ জনের রিপোর্ট ঢাকায় সরকারের রোগতত্ত্ব রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) থেকে পজিটিভ আসে।

মাধবপুরে নতুন সনাক্তদের মধ্যে  কৃষিব্যাংক-১জন সোনালী ব্যাংক-১জন আন্দিউড়া গ্রামের-১জন নয়াপাড়া-১জন সাতবর্গ-২জন পৌরসভা এলাকার ফায়ার সার্ভিস-১জন উপজেলা পরিষদ-২জন শান্তিপাড়া-১জন ৩নং ওয়ার্ড-১জন কাটিয়ারা-১জন মাধবপুর থানা-১জন, মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মী ৩জন রয়েছে।

জবি ক্যারিয়ার ক্লাবের নতুন প্রেসিডেন্ট জাহিদ ও সেক্রেটারি রাহাত

জবি ক্যারিয়ার ক্লাবের নতুন প্রেসিডেন্ট জাহিদ ও সেক্রেটারি রাহাত




জবি প্রতিনিধিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) এর ক্যারিয়ার বিষয়ক সংগঠন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের (জেএনইউসিসি) ২০২০-২১ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।




মঙ্গলবার (৩০ জুন) ক্লাবের মডারেটর ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক জনাব মো. মহিউদ্দীন ও  ক্লাবের ২০১৯-২০ সেশনের সভাপতি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়াজি স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।




দুই (২) স্তর বিশিষ্ট এই কমিটিতে দুই (২) সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী উপদেষ্টা পরিষদ এবং দশ (১০) সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ রয়েছে। দুই (২) সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী উপদেষ্টা পরিষদে অর্থ উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আতিকুর রহমান জিসান এবং সংগঠন উন্নয়নমূলক উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আসমা উল হোসনা রোজা।




কার্যনির্বাহী  পরিষদে সভাপতি হিসাবে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফিন্যান্স বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল রাহাতকে মনোনীত করা হয়েছে।




এছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আবির, হেড অফ ব্যান্ডিং এন্ড প্রমোশন-জয় চৌধুরী, হেড অফ আইটি এন্ড ক্রিয়েটিভ-সাদিয়া হাসান,হেড অফ অপারেশন - রাকিবুল হাসান, হেড অফ ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট-সাদিয়া তাবাসসুম শৈলী, হেড অফ মেম্বারশিপ সার্ভিস-মোহাম্মদ এনামুল করিম রাফি, হেড অফ পাবলিক রিলেশন এন্ড পাবলিকেশনস-মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, হেড অফ ডিজিটাল কমিউনিকেশন-সুমাইয়া আক্তার রিমা। 




সংগঠনটির নতুন সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, 'ক্যারিয়ার ক্লাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে প্রফেশনাল জীবনের পরিচয় ঘটানোসহ বিভিন্ন ক্যারিয়ার বিষয়ক সচেতনতামূলক কাজ করে আসছে। এই ধারাবাহিকতায় ক্লাবের প্রতিটি সদস্যের উন্নয়ন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের নতুন কমিটির মূল লক্ষ্য।'

কাজীপুরে ব্রীজ উদ্ভোধনের আগেই ভেঙ্গে পড়ল পানিতে

কাজীপুরে ব্রীজ উদ্ভোধনের আগেই ভেঙ্গে পড়ল পানিতে




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ
 কাজীপুরের শূভগাছায় সদ্য নির্মিত একটি ব্রীজউদ্ভোধনের আগেই ভেঙ্গে পড়ছে। স্থানীয়  লোকজন ব্রীজটি  ডিজাইন  পরিবর্তন করে  মূল রাস্তার চেয়ে নিচু করে ত্রƒটিপূর্ণ নির্মান করায় ব্রীজ ভেঙ্গেপড়ার কারণ বলে মনে করছেন। 
 কাজীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস  সূত্রে জানা গেছে,চলতি বছর ত্রাণ মন্ত্রানালয়ের অধিন প্রায় ৩১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ব্রীজটি নির্মাণের জন্য যমুনার পূর্বপারে  চরগিরিশ ইউনিয়নের সিন্দুর আটা নামক স্থানে স্থাপনের জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়। টেন্ডারে সর্বনিন্মদরদাতা হিসাবে ফরিদ ট্রেডার্স নামের একটি ঠীকাদারি প্রতিষ্ঠান  কাজটি পেলেও স্থান সংকুলানের অজুহাতে  প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ব্রীজটি  ইউনিয়ন পরিবর্তন করে নদীর পঞ্চিম পারে শূভগাছা ইউনিয়নের নয়নমেম্বরের বাড়ির পার্শে^  স্থাপনের জন্য স্থান নির্ধারন করা হয়।  একটি সূত্রে জানা গেছে,পি আই ও অফিসের কতিপয় লোকজনকে কাজ পাইয়ে দেয়ার লক্ষ্যে অপরিকল্পিপ্তভাবে উপোরক্তোস্থানে ব্রীজটি স্থাপনের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়।এদিকে ব্রীজটি নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই উদ্ভোধনের আগেই গত ৩০ জুন ভোরবেলায়  সামান্ন পানির চাপে  ব্রীজটি ভেঙ্গে পানিতে পড়ে যায়। ব্রীজের ভাটিতে বসবাস রত ইউনিয়ন  আ,লীগের সম্পাদক রফিকুল বি এস সি যুবলীগের সাবেক সম্পাদক  লিটন মিয়া,  জানান  ইতিপূর্বে ঐ স্থানে মাত্র দুটি কালভার্টের থাকার পরও পানির তোড়ে কালবার্টগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয় নাই।  তারা  আরও উল্লেখ করেন  ব্রীজটি নির্মানে মূল রাস্তার চেয়ে  নিচু করে রাখা সহ নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে পানি সামান্ন  বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্রীজের ভিমের সাথে পানি বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায়  পানির তোড়ে    ব্রীজটি  ভেঙ্গে পড়েছে। স্থানীয়রা আরও জানান এই স্থানে ব্রীজ নির্মাণ না হলেই বরঞ্চ ভাঙ্গনের ঝুঁকি কম হত। এখন ব্রীজ ভাঙ্গার কারণে আগের ওয়াবদা বাধ  সহ ভাটিতে অবস্থিত হাই স্কুল, প্রাইমারিস্কুল, মসজিদ,মাদ্রাসা  সহ প্রায় ২০ টি ঘরবাড়ি ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে।

সিরাজগঞ্জ সাংবাদিককে মারপিট,থানায় মামলা, আটক-১

সিরাজগঞ্জ সাংবাদিককে মারপিট,থানায় মামলা, আটক-১
 


মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শালুয়াভিটা কোরবানী পশুর হাটে সংবাদ সংগ্রহের ভিডিও ধারণ করায় হাটের ইজারাদারদের মারপিটে ২ গণমাধ্যমকর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় ১৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় মো. ওমর ফারুক (২৫) নামের একজন আটক করেছে পুলিশ।
মামলার বাদী ডিবিসি নিউজের সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি রিফাত রহমান বলেন, এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। যার মামলা নং-০১। তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত মামলার মূল আসামীরা আটক হয়নি।
মামলার আসামীরা হলো, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন (৪৮), মো: খলিলুর রহমান (৭০), মো: সেরাজুল (৩২), মো: মজিদ (৩৮), মো: ওমর ফারুক (২৪), বাবলু মেলেটারি (৪৪), মো: ফরিদ (৪২), খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশিদুল হাসান রশিদ মোল্লা (৫৫), আনোয়ার হোসেন সফের (৬২), মো: ইসমাইল হোসেন (৪০), মজনু (৩৮), হামিদুল (৩৬), মুকুল মেম্বর (৪৫), মো: রাজু (৩৬), আরিফ খান (৪০) সহ ৪/৫জন অজ্ঞাত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রসঙ্গ, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শালুয়াভিটা হাটে কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য বিধি সংক্রান্ত প্রতিবেদন করার জন্য গেলে হাট ইজারাদারের লোকজন দুই সাংবাদিককের ক্যামেরা ও মোবাইল ভাংচুর করেন।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানাচ্ছি। অতিদ্রুত আসামীদের গ্রেফতার না করা হলে আমারা বিভিন্ন কর্মসূচি দিবো।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আশাশুনিতে উপজেলা জাতীয় মৎস্যজীবিসমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আশাশুনিতে উপজেলা জাতীয় মৎস্যজীবিসমিতির আলোচনা  সভা অনুষ্ঠিত



 আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ আশাশুনিতে উপজেলা জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে উপজেলা মৎস্যজীবি সমিতির সহ সভাপতি ভবতোষ মন্ডলের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ও আশাশুনি উপজেলা আ’লীগ সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্যা। উপজেলা মৎস্যজীবি সমিতির সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখছেন জেলা মৎস্যজীবি সমিতির সাধারন সম্পাদক নিতাই ঢালী। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্যজীবি সমিতির সহ সভাপতি সুবোধ চন্দ্র মন্ডল,সাংগঠনিক সম্পাদক সাধন চন্দ্র মল্লিক, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক এমএম সাহেব আলীসহ উপজেলার সকল ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্পাদকগন। সভায় প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য অতিথি বৃন্দ বলেন চলমান জেলে তালিকা যাচাই বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যাহাতে প্রকৃত জেলেরা তালিকাভুক্ত হয় সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে সহযোগিতা করাসহ সম্প্রতি আশাশুনি উপজেলা যে সকল জলমহাল ইজারা কার্যক্রম রয়েছে তা যেন জলমহাল নীতিমালা মোতাবেক জলমহাল গুলি তীরবত্তর্ী ও পার্শ্ববত্তী প্রকৃত মৎস্যজীবি সমিতির অনুকুলে ইজারা দেওয়া হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের আহবান জানান।

আশাশুনিতে সরকারি আদেশ অমান্য করায় দুইজনকে জরিমানা

আশাশুনিতে সরকারি আদেশ অমান্য করায় দুইজনকে জরিমানা




আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি ( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে মরণঘাতী করনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি আদেশ অমান্য করায় দুইজনকে ৩০০ টাকা ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী 
ম্যাজিট্রেট মীর আলিফ রেজার নির্দেশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। পরিচালনাকালে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাংগা গ্রামের মাখন লাল মন্ডলের পুত্র বনমালী মন্ডলকে ২০০ টাকা ও কাঁদাকাটি ইউনিয়নের কাঁদাকাটি গ্রামের আকবর আলীর পুত্র সেলিমকে ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার আহবান জানান এবং সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে ঔষধের দোকান ব্যতিত অন্যান্য সকল দোকান পাট বন্ধ রাখাসহ অহেতুক ঘোরাফেরা না করার নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় অফিস সহকারী মোস্তাফিজুর রহমান ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে ইউএনও'র বৃক্ষরোপণ সহ মোবাইল কোর্টে রেনু পোনা নদীতে অবমুক্ত

আশাশুনিতে ইউএনও'র বৃক্ষরোপণ সহ মোবাইল কোর্টে রেনু পোনা নদীতে অবমুক্ত




আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি ( সাতক্ষীরা)   প্রতিনিধি:আশাশুনিতে বৃক্ষরোপণ সহ মোবাইল কোর্টে রেনু পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল এর নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলীফ রেজা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কাল আনুলিয়া ইউনিয়নে রেনু পোনা মালিককে না পাওয়ায় রেনু পোনা নদীতে অবমুক্ত করাসহ রেনু পোনা বহনকারী ভ্যান চালককে মুখে মাক্স না থাকায় ১০০ টাকা জরিমানা করেন। এবং প্রতাপনগর ইউনিয়নের নাকনা আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করে আশ্রয়ন প্রকল্পের মাঠে বৃক্ষরোপণ করাসহ স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সর্বশেষে হরিষখালীর অগ্রগতি ভেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। এছাড়া সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার আহবান জানান এবং সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে ঔষধের দোকান ব্যতিত অন্যান্য সকল দোকান পাট বন্ধ রাখাসহ অহেতুক ঘোরাফেরা না করার নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় ফরেস্ট অফিসার মোঃ আমজাদ হোসেন, সমবায় অফিসার কারিমুল্লা, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, অফিস সহকারী আব্দুর রশিদ ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কুয়েতে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ৭৪৫ জন মৃত্যু ৪ জন

কুয়েতে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ৭৪৫ জন মৃত্যু ৪ জন




দাইয়ানুর রহমার মিষ্টারনুরঃ

আজকে কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, আজ করোনা ভাইরাসে আরো ৭৪৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ  পর্যন্ত কুয়েতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৯৪০ জনে  চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা জানা গিয়েছে  ৮,৮৬৭ জন, গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থতা লাভ করেছেন ৬৮৫ জন এতে করে মোট সুস্থতা লাভ করেছেন ৩৭,৭১৫ জন আজ জানা খবরে  বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩৯ জন।

আজ আরব টাইমস পত্রিকাতে জানা মতে  নতুন করে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ পাওয়া যায় 

আজ পর্যন্ত কুয়েত মোট মৃত্যুর সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে  ৩৫৮ জন

এদিখে দেখা যায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত কুয়েতে বিভিন্ন দেশের নাগরিক আজকের গণনায় এসেছে

স্থানীয় নাগরিক কুয়েতি ৪৩৪ জন আক্রান্ত
অন্য অন্য দেশের নাগরিক আজ আক্রান্ত হইছে  ৩১১ জন।

কুয়েতে  ৫টি  প্রদেশে আক্রান্তদের সংখ্যা আজকের
ফারওয়ানিয়াতে  ১৮২ জন 
আহমদি  ১৬৯ জন 
হাওয়াল্লী ৯৮ জন
আল জাহরা  ১৭৬ জন
ও কুয়েত সিটিতে  ১২০ জন

কুয়েতের আবাসিক এলাকায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত আজকে
তাইমা এলাকায়  ৪১ জন
ফারওয়ানিয়া ৩৬ জন
সাবাহ আল সালেম  ৩০ জন
সুলাইবিয়া বাণিজ্যিক এলাকাতে ২৭ জন 
জিলিব আল সুয়েখ এলাকায় ২৭ জন
জাবের আল আলি  ২১ জন

এখন বর্তমানে কুয়েতের সর্বত্রে সন্ধ্যা ৮ টা থেকে সকাল ৫ টা পর্যন্ত  ৯ ঘণ্টার কারফিউ চলছে 
মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কুয়েতের জিলিব আল সুয়েখ, ফারওয়ানিয়া ও মাহবুলা এলাকায় চলছে লক ডাউন। 
স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য কুয়েত সরকার যতেষ্ঠ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন আর বিশেষ করে এই মহামারী করোনা ভাইরাসের জন্য সবাইকে সামাজিক  দূরত্বতা বজায় রেখে করোনা সংক্রম থেকে নিজকে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। 

সূত্র, আরব টাইমস

গণ ধর্ষণের ভূয়া কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে দমন ও পুলিশকে হয়রানীর অভিযোগ এক গৃহবধুর বিরুদ্ধে

গণ ধর্ষণের ভূয়া কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে দমন ও পুলিশকে হয়রানীর অভিযোগ এক গৃহবধুর বিরুদ্ধে





মোংলা প্রতিনিধি

মোংলায় গণ ধর্ষণের ভূয়া কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে দমন ও পুলিশকে হয়রানী এবং বোকা বানানোর অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধুর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বিকেলে থানায় এসে ওই গৃহবধু ধর্ষণের যে বিবরণ দেন তা প্রথমেই পুলিশের কাছে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর এ বিষয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো: আসিফ ইকবাল, থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরীসহ কয়েকজন এসআই ও নারী কনস্টেবলও। পুলিশ সাথে নিয়ে যান স্থানীয় সংবাদকর্মীদেরকেও। 

মোংলার দক্ষিণ দিগরাজের বালুর মাঠ এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশের সাথে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের কাছে দেয়া ভাষ্য অনুযায়ী ঘটনাস্থলে গিয়ে সেই সকল আলামতের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। ওই গৃহবধুর অভিযোগ ছিল সোমবার সন্ধ্যায় তিনি ভাড়া বাড়ীর সীমানা গেইট সংলগ্ন বেড়ার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তার স্বামী তাকে ডাকছে এক যুবকের এমন কথায় তিনি বেরিয়ে পড়েন। বেরিয়ে পড়ার পর কয়েকজন মিলে তার মুখ ও হাত, পা বেঁধে তাকে কোলে করে নিয়ে যান পাশ্ববতর্ী একটি বিলের মাঝে। সেখানে ৬ জনে তাকে গণ ধর্ষণ করেন। এর রাত ১২টার পর তাকে ছেড়ে দেয়ার পর তিনি বাড়ীতে চলে আসেন। তার এই ভাষ্যমতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তার কোন আলামতই পাননি। ধর্ষণকালে টানাটানিতে গৃহবধুর গায়ের কাপড় ছিড়ে যাওয়ার কথা বললেও বাড়ীতে গিয়ে বাহিরে টানানো জামা কাপড়ে কোন ছেড়ার চিহ্নই পাওয়া যায়নি। কোন দাগ আচড়ও নেই পোশাক এবং শরীরের কোথাও। এছাড়া তাকে যে পথে এবং যেখানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে সেখানকার কাদা মাটির পথে মিলেনি কোন পায়ের চিহৃ ও আলামতও। 

সুমাইয়া (২৫) নামের ওই ভাড়াটিয়া গৃহবুধর বাড়ীওয়ালী মালেকা বানু বলেন, বিকেল ৪টার পর বাড়ী থেকে বের হওয়া নিষেধ। তারপরও সোমবার সে কোন ফাঁকে বাড়ী থেকে বের হয়ে কোথায় যায় তা আমরা জানিনা। রাত ১২টার পর একলোক ফোন দিয়ে বলে আপনার ভাড়াটিয়া সুমাইয়া অন্য ছেলেরদের সাথে ধরা খেয়েছে। শোনার পর আমি সুমাইয়ার ফোনে ফোন দিলে সে ফোন ধরেনা। পরে ওর স্বামীকে জানাই। স্বামীর ফোনও সুমাইয়া ধরে না। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ীর গেইটে ধাক্কা ও ডাকতে থাকলে তাকে ঘরে ঢুকাই এবং পরদিন ঘর ছেড়ে চলে যেতে বলি। 

অপরদিকে স্থানীয় আলেয়া বেগম (৩৫) বলেন, করোনা শুরু হওয়ায় পর সুমাইয়াকে ইপিজেড থেকে বাদ দিয়ে দেয়। এরপর ও আর কোথাও কোন কাজ করেনা, ঘরেও থাকেনা। সারাদিন বাহিরে বাহিরে থাকে, কোথায় কি করে জানিনা। স্বামীও ঠিকমত আসেনা। সারাক্ষণ ফোনে বিভিন্নজনের সাথে কথা বলে আর অনেক রাতে ঘরে আসে। তার বিষয়টি নিয়ে আমিসহ এলাকাবাসী সন্দিহান কোথায় কি করে। 

নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় নারী-পুরুষেরা বলেন, সুমাইয়া নামের ওই মেয়েটি এলাকাটিকে শেষ করে ফেলছে। মোবাইলে ছেলেদের পটিয়ে এবং টাকার বিনিময়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করছে। সর্বশেষ সোমবার রাতে অসামাজিক কার্যকলাপে ধরা খাওয়ায় যারা তাকে অন্য ছেলেপেলেসহ ধরে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়েছে। কারণ তার অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়টি বাড়ীওয়ালী, এলাকাবাসী ও তার স্বামী জেনে গেছে। এখন নিজেকে ভাল  প্রমাণে এবং স্বামীর কাছে ও ভাল সাজতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে যারা তাকে হাতে নাতে ধরে তাদেরকে ফাঁসাচ্ছে। এদিকে সাজানো ও মিথ্যা মামলায় এলাকার কেউ যাতে অহেতুক হয়রানী না হয় পুলিশ-প্রশাসনের প্রতি সেই দাবীও জানিয়েছেন গ্রামবাসী। 

মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, বিষয়টি সন্দেহজনক ও কল্পকাহিনী যাই হোক না কেন আইনের সহায়তা পাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে। যেহেতু সুমাইয়া তার কথা ও সিদ্ধান্তে অনড় তাই তার মামলাটিও গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত শেষে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, এ মামলায় যাতে অহেতুক কেউ হয়রানী না হয় সেদিকেও আমাদের লক্ষ্য থাকবে।

নওগাঁয় স্বামীর কাঁচির আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু ॥ স্বামী আটক

নওগাঁয়  স্বামীর কাঁচির আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু ॥ স্বামী আটক





 মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
 রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর নিয়ামতপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর উপর্যপুরি কাঁচির আঘাতে তুকাজেবা খাতুন (১৭) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার পারইল ইউনিয়নের ধানশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী সালাউদ্দিন সনিকে (২০) আটক করেছে পুলিশ। নিহত তুকাজেবা খাতুন ওই গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে এবং আটক সালাউদ্দিন সনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার মুরাদপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। নিয়ামতপুর থানার সহকারী-উপপরিদর্শক (এএসআই) সিদ্দিক বলেন, গত কয়েকদিন থেকে সালাউদ্দিন ওরফে সনি স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি উপজেলার পারইল ইউনিয়নের ধানশা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। এদিন সালাউদ্দিন তার গ্রামের বাড়ি মুরাদপুরে যেতে চাইলে স্ত্রী নিষেধ করে। এতে উভয়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সালাউদ্দিন কাঁচি দিয়ে স্ত্রী তুকাজেবা খাতুনের গলায় আঘাত করে। এতে তুকাজেবাকে গুরুত্বর আহত হয়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরে খবর পেয়ে ঘাতক স্বামীকে ধানশা গ্রাম থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের হয়েছে।

করোনার দুঃসময়ে মানুষের দুয়ারে জনলোক

করোনার দুঃসময়ে মানুষের দুয়ারে জনলোক




রাজু আহমেদ, নাটোর: 
সামাজিক সংগঠন জনলোকের  উদ্যোগে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার বিয়াশ হাটে কর্মজীবীদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।  বুধবার হাটে, বাজারে ও জনসাধারনের মাঝে মাস্ক বিতরন করা হয়। 

জানা গেছে, গ্রামাঞ্চলে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে মানুষ এখনো সচেতন না। বেশিরভাগ মানুষ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। মানুষকে সচেতন করতে জনলোক নামের একটি সামাজিক সংগঠন হাটের চা বিক্রেতা, সবজি বিক্রেতা, মাছ বিক্রেতা, নাপিত, চাল বিক্রেতাসহ কর্মজীবী মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণ এবং মানুষকে সচেতন করার লক্ষে প্রচারনা চালান। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনলোকের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য মুক্তার হোসেন নাহিদ, বিয়াশ বহুমুখী যুব উন্নয়ন সংঘের সভাপতি সাংবাদিক জুলহাস কায়েম, রইচ উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।


নাটোর লালপুর গ্রাম পুলিশদের মাঝে সাইকেল বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক

নাটোর লালপুর গ্রাম পুলিশদের মাঝে সাইকেল বিতরণ করলেন জেলা    প্রশাসক



 রাজশাহী ব্যুরো 
নাটোরের লালপুরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে সাইকেল বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক
বুলবুল আহাম্মেদ,নাটোরপ্রতিনিধিঃ নাটোরের লালপুরে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৯৮ জন গ্রাম পুলিশের মধ্যে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার ১লা জুলাই সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ গ্রাম পুলিশদের মাঝে এই সাইকেল বিতরণ করেন। গ্রাম পুলিশদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ও কাজের উৎসাহ বাড়াতে এই বাইকেল বিতরণ করা হয়। ইউএনও উম্মুল বানীন দ্যুতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী ।

নাটোরে ৬০ হাজার মাস্ক বিতরণ করলেন জেলা পুলিশ

নাটোরে ৬০ হাজার মাস্ক বিতরণ করলেন জেলা পুলিশ



 রাজশাহী ব্যুরো
করোনা প্রতিরোধে শতভাগ মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে নাটোরে ৬০হাজার মাস্ক বিতরণ শুরু করেছে  জেলা পুলিশ। দুপুরে শহরের মাদ্রাসা মোড়ে স্বাধীনতা চত্বরে মাস্ক বিতরণ কার্য়ক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। এসময় সাধারণ মানুষদের মাস্ক পড়িয়ে দেন পুলিশ সুপার।
পরে জেলার সাতটি থানার সাধারণ মানুষদের মাঝে বিতরণের জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে মাস্ক বিতরন করেনপুলিশ সুপার।এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন,মীর আসাদুজ্জামান সহ সাতটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত এবং করোনার সংক্রমন রোধ করতে এই কার্য়ক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা।

নওগাঁর আত্রাই থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে স্ক্র্যাচ কার্ড প্রতারক

নওগাঁর আত্রাই থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে স্ক্র্যাচ কার্ড প্রতারক





মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

অভিনব কায়দায় মানুষ ঠকানোর খেলায় নেমেছিল সোনার বাংলা মার্কেটিং কনসেপ্ট নামের একটি ভুঁইফোঁড় প্রতিষ্ঠান। পাড়া মহল্লায় বিক্রয়কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোভনীয় অফারের ফাঁদ পেতে চলছে তাদের লটারীর মাধ্যমে মার্কেটিং কার্যক্রম।


নওগাঁর আত্রাই  উপজেলার আহসানগঞ্জ হাট এলাকায় রহমানের ব্রিডিং ২য় তলায়  ভাড়া নিয়ে,গত সাতদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছিল এই প্রতারণার ব্যবসা।
১০০ টাকায় স্ক্র্যাচ কার্ড কিনলে ঘষলে পাবেন দামি দামি পণ্য। প্রথমে স্ক্র্যাচ কার্ড ঘষে পণ্যের  নাম ভেসে উঠার পর বলছে, এই পণ্য আমাদের আত্রাই   অফিসে গিয়ে ১৫০০ টাকায় উত্তোলন করতে হবে। তাদের এই আকর্ষণীয় অফারে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে মানুষ। ১০০ টাকা দিয়ে কিনছে স্ক্র্যাচ কার্ড। কার্ড ঘষে যে পণ্যের নাম পাওয়া যায় তা খুবই নিম্নমানের এবং ৭০০ টাকার চেয়ে কম দামি পণ্য পাওয়া যায়। এমন অভিযোগ করেন, উপজেলার ঘোষপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম।অনেকেই স্ক্র্যাচকার্ড কেনার পর নিম্নমানের পণ্যের খবর পেয়ে পণ্য তুলতে যাচ্ছেন না। স্ক্র্যাচ কার্ড বিক্রি করেই হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ  টাকা।

বুধবার সকাল ৯টার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,অফিসে কেউ নেই রাতের আঁধারে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে স্ক্র্যাচ কার্ড প্রতারক চক্র। 
 আত্রাইয়ের আহসান গঞ্জ হাটের  পাশে আলহাজ্ব সাইফুল (মহরী)র বাড়ির সামনে, রহমানের ব্লিডিং ভাড়া নিয়ে তারা এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল । বাড়ির সামনে জটলা হট্টগোল সব সময় ই লেগে থাকতো। ১০০ টাকার স্ক্র্যাচ কার্ড হাতে নিয়ে পণ্য তুলতে আসছেন লোকজন। গত কয়েক দিনে ১৫০০ টাকা জমা দিয়ে নিম্নমানের পণ্য হাতে পেয়ে ফ্যাঁকাশে মুখে বাড়ি ফিরছেন  অনেকে। আবার স্ক্যাচ কার্ডে ঘষার পর যে পণ্য লেখা সেই পণ্য সরবরাহ নেই বলে অনেক ক্রেতাকেই খালি হাতে ফিরত হয়েছে ।
প্রতারণার শিকার উপজেলার জাতআমরুল গ্রামের রেহেনা বেগম নামে ৪০ বছর বয়সী এক নারীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি ১০০ টাকার স্ক্র্যাচ কার্ড নিয়ে সিরামিকের পণ্য পেয়েছেন। পণ্য সরবরাহ নেই বলে খালি হাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন গত কয়েক দিন আগে। তাদের প্রতারণা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,
অফিসের ভেতরে নিম্নমানের সারি সারি ক্রোকারিজ পণ্য, ফ্যান, ইলেকট্রিক চুলা, ফ্লাক্স সাঁজানো ছিল। তাও খুবই নিম্নমানের। তবে স্ক্র্যাচ কার্ডের গায়ে সেলাই মেশিন, এলইডি টিভি ও ফ্রিজসহ দামি দামি পণ্যের হদিস পাওয়া যায়নি। মার্কেটিং ম্যানেজার মারুফ তাদের প্রচারপত্রে হেড অফিসের ঠিকানা লেখা রয়েছে মিডফোর্ড রোড, ঢাকা-১১০০।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই নামে মিডফোর্ড এলাকায় কোন প্রতিষ্ঠান নেই। নানা স্থানে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় এই প্রতারণা ব্যবসার আড়ালে কলকাঠি নাড়ছে কোন এক ব্যক্তি।

উপজেলার কাশিয়াবাড়ী গ্রামের  আদুরী জানায়,গত কয়েক দিন আগে ১০০টাকা দিয়ে লটারির স্ক্র্যাচ কার্ড ক্রয় করেন, ঘষলে তার ভাগ্যে উঠে ৬.৫ লিটার প্রেসার কুকার ও ফ্লাক্স আজ বুধবার তিনি পুরস্কার নিতে এসে দেখে প্রতারক চক্র রাতের আঁধারে পালিয়ে গেছে। সে পুরস্কার না পেয়ে হতাশা নিয়ে ফিরে যান।

একাধিক সূত্রে জানা যায় অনেক নারী পুরুষেরা এ প্রতারণার স্বীকার হয়েছে। 

অনেকের ধারণা এই লটারী ব্যবসার বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকায় রাতের আঁধারে তারা পালিয়েছে তারা।

আহসানগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মো. আক্কাস আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানে না বলে জানান।

আত্রাই  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোসলেম উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি।

মাধবপুরে বিজিবির হাতে ভারতীয় ফেনসিডিলসহ আটক ১জন,

মাধবপুরে বিজিবির হাতে ভারতীয় ফেনসিডিলসহ আটক ১জন,




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
   
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা কমলপুর রাস্তার শিবনগর নামক স্থান থেকে ৭৫ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)
বুধবার (১লা-জুলাই) দুপুরে মনতলা বিওপির কোম্পানি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আঃ হালিম এর নেতৃত্বে বিজিবির টহলদল  শিবনগর এলাকা থেকে মোঃ আল-আমিন (২৫) নামের ১ ব্যবসায়ীকে ৭৫ বোতল
ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ আটক করা হয়েছে।

মনতলা বিওপির কোম্পানি কমান্ডার নাযেব সুবেদার আঃ হালিম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উল্লেখিত স্থান থেকে স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে ৭৫ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল সহ ১ জনকে আটক করা হয়েছ। ফেনসিডিলসহ আটককৃত ব্যবসায়ী হলো মাধবপুর উপজেলার রামনগর গ্রামের মোঃ ধনু মিয়ার ছেলে মোঃ আল-আমিন মিয়া (২৫)

বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল সামীউন্নবী চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কোন মাদক ব্যবসায়ীরা ছাড় পাবে না আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মিথ্যা হত্যামামলায় জবি ছাত্রকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ পরিবারের

মিথ্যা হত্যামামলায় জবি ছাত্রকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ পরিবারের




জবি প্রতিনিধিঃ মিথ্যা হত্যামামলা দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার অভিযোগ উঠেছে। গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষার্থী মুনির হোসেন জবির হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

মুনিরের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ভোলাই মুন্সিকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রিয়াজ মাদবর (১৭) নামে এক কিশোর নিহতের ঘটনায় গত শনিবার জাজিরা থানা পুলিশ বিনা অপরাধে মুনিরকে গ্রেপ্তার করে এবং মামলা দিয়ে কোর্টে চালান করে দেয়।

মুনিরের বোন কহিনুর অভিযোগ করে বলেন, মুনির এবং তার পরিবারের কেউ ওই সংঘর্ষে ছিল নাহ, এমনকি তারা কোনো পক্ষেরই সমর্থক ছিলো নাহ। কিন্তু পরের দিন মুনিরের সাথে কথা বলার কথা বলে ঘর থেকে বের করে নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মুনিরের ভাবি বলেন, এ ঘটনা থেকে মুনিরকে ছাড়ানোর কথা বলে গ্রামের চেয়ারম্যান ইসমাইল মোল্লা প্রায় ৩ লক্ষ টাকা নিয়েছে তাদের কাছ থেকে।



এ ব্যাপারে জাজিরা থানার ওসি আজাহারুল ইসলাম সরকারকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ছেলেটি হত্যা মামলার সাসপেক্ট। এরপর আমরা তদন্ত রিপোর্ট দিবো, সে যদি দোষি না হয় ছাড়া পেয়ে যাবে।
তাহলে তাকে কোনো প্রমাণের প্রেক্ষিতে চালান দেওয়া হলে এমন প্রশ্নের জবাবে, স্পষ্ট কিছু বলেননি ওসি

টাকা নেওয়ার বিষয়টা জানতে চাইলে চেয়ারম্যান ইসমাইল মোল্লা বলেন, আমি কেনো টাকা নিবো,কোনো টাকা নিই নাই আমি।


বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল এর সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনা জানার পর থানার ওসিকে ফোন দিয়ে বলি আমার ছাত্র নির্দোষ হলে তাকে ছাড়ানোর ব্যবস্হা করা হোক কিন্তু ততক্ষণে ওর চালান হয়ে গিয়েছে।

ওমর হত্যায় কালীগঞ্জে মা ও ছেলে আটক , থানায় মামলা

ওমর হত্যায় কালীগঞ্জে মা ও ছেলে আটক ,  থানায় মামলা






খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 



কালীগঞ্জে প্রকাশ্যে পিটিয়ে ওমর আলীর হত্যাকারী আল মামুন (২০) ও তার মা জহুরা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকান্ডে ব্যাবহৃত ৩ টি কাঠের বাটাম উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ উপজেলার মোল্ল্যাডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে। উল্লেখ্য গত সোমবার বিকালে চাচাত ভাই বোনের হাতে ওমর হত্যাকান্ডের পরদিন তার বাবা ৪ জনের নাম উল্লেখ করে কালীগঞ্জ থানাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ব্যবহৃত বাটাম উদ্ধার
কালীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মাহাফুজুর রহমান মিয়া জানান, পুইয়ের ক্ষেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার মোল্ল্যাডাঙ্গা গ্রামের ওমর আলী হত্যার ঘটনায় তার পিতা সফিয়ার রহমানের থানাতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাতে তার ভাই আব্দুর রশিদের স্ত্রী জহুরা, দুই ছেলে আল আমিন ও আল মামুন এবং মেয়ে ঝরনাকে আসামী করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পরই থানা পুলিশ ওই রাতেই মোল্ল্যাডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে হত্যাকারী আলমামুন ও তার মা জহুরাকে আটক করেন।
ওসি আরো জানান, ওইদিন মারপিটের সময়ে ভাইকে বাচাতে গিয়ে নিহত ওমরের এক বোন বেশ জখম হয়েছে। সে কালীগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হত্যা মামলার বাকী আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

ঝিনাইদহে নিয়মিত আদালত পরিচালনার দাবীতে আদালত চত্বরে আইনজীবীদের মানব বন্ধন

ঝিনাইদহে নিয়মিত আদালত পরিচালনার দাবীতে আদালত চত্বরে আইনজীবীদের মানব বন্ধন





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 




 ঝিনাইদহে  বুধবার বেলা ১১টার সময় ঝিনাইদহ আদালত চত্বরে ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির অনেক আইনজীবী এই মানব বন্ধন কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করেন।
ভার্চুয়াল আদালত বন্ধ করে নিয়মিত আদালত পরিচালনার দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন আইনজীবীরা।
 এসময় আইনজীবীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক জিপি সুবীর কুমার সমাদ্দার এবং সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল্লাহ মিন্টু। বক্তারা অবিলম্বে ভার্চুয়াল কোর্ট বন্ধ করে নিয়মিত আদালত চালুর জন্য প্রধান বিচার পতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ

 আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ





আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জন প্রতিনিধি, কর্মচারী ও সেবা নিতে আসা সর্ব সাধারণকে জীবন হাতে নিয়ে এ পরিষদ ভবনে কাজ পরিচালনা ও গমন করতে হচ্ছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদ। প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে তাদের বিভিন্ন পরিচয়পত্র, ওয়ারেশ কায়েম সনদ, জন্ম নিবন্ধন, ট্যাক্স আদায়সহ প্রয়োজনীয় কাজ ও কাগজপত্র নিতে এখানে যাতয়াত করতে হয়। পারিবারিক, সামাজিক ও সকল দ্বন্দ্ব ফাসাদ, মারামাটি-কাটাকাটি মিমাংসা ও বিচার পেতে এ পরিষদে গ্রাম আদালতে ছুটতে হয়। এছাড়া সকল প্রকার সরকারি সহায়তা, ভাতা ইত্যাদির জন্য এখানে মানুষের নিত্য আগমন ঘটে থাকে। ইউনিয়নের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড নিয়েও নিয়মিত যাতয়াত ও মতবিনিময় এ পরিষদেই হয়ে থাকে। এক কথায় ইউনিয়নবাসীর সকল কাজে প্রথম প্রয়োজন হয় ইউনিয়ন পরিষদের সাথে। স্বাস্থ্য সেবা, কৃষি, জনস্বাস্থ্য, মৎস্য, প্রাণি সম্পদসহ সকল সেক্টরের কার্যক্রমের সাথেও ইউনিয়ন পরিষদ ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। সরকার ইউনিয়ন পরিষদকে ইউনিয়নের উন্নয়ন, ইউনিয়নবাসীর প্রয়োজনের জন্য বলিষ্ট করে গড়ে তুলতে বহু পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাই ইউনিয়ন পরিষদ ভবনকে আধুনিক ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে সুবিশাল কমপ্লেক্স ভবনে রূপান্তরিত করেছে সরকার। প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদটি প্রথম সময়ের কমপ্লেক্স হিসাবে নির্মীত হয়েছিল। দীর্ঘ দিনের কমপ্লেক্স ভবনের মেঝে, দেওয়াল, পিলার, ছাদ, কার্ণিশ সবকিছু বর্তমানে খুবই জীর্ণশীর্ণ ও ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। ছাদ দিয়ে পানি পড়া, ছাদ, দেওয়াল, পিলার, কার্ণিশ খসে পড়ায় ভবনটি যেমন ব্যবহার অনুপযোগি হচ্ছে, তেমনি চরম ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে অনেকে খসে পড়া অংশের আঘাতে আহতও হয়েছেন। ভবনে রক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মালামাল বৃষ্টির পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কাঠ দিয়ে তৈরি দরজা-জানালা, আসবাবপত্রের অবস্থাও ভাল নয়। সবমিলে ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগি হতে চলেছে। এব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন ও ভবন সংস্কারে জরুরী ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, সদস্যমন্ডলীসহ এলাকাবাসী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।  

আইন সমাচার

আইন সমাচার





আইন দ্বারা একটি প্রতিষ্ঠিত মতবাদ হল  ignorance of Law is no excuse অর্থাৎ আইন জানি না এটা কোন অজুহাত নয়।

উদাহরণ স্বরূপ - আপনি এক ব্যক্তিকে খুন করেছেন আপনার নামে মামলা হয়েছে এখন আপনি বিজ্ঞ আদালত কে বলতে পারবেন না  আমি জানতাম না যে খুনের শাস্তি মৃত্যু দন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থ দন্ড। এ কথা বলেও  আপনি রেহাই পাবেন না।  

সুতরাং প্রচলিত সকল আইন জানা সম্ভব না হলেও   বাস্তব জীবনে চলার জন্য কিছু আইন জানা খুবই জরুরী । যেমন আপনার  জমি যদি কেউ জোর পূর্বক দখল করে, পিতার মৃত্যু পর আপনি কত টুকু সম্পত্তি পাবেন,বিক্রয়,বন্ধক,ইজারা,বিনা পরোয়ানায় পুলিশ কতৃক গ্রেফতার,মিথ্যা মামলা,তালাক,দেনমোহর, ভরণপোষণ, মানহানি, প্রতারণা ইত্যাদি দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা। 
 
আজ একটি বিষয় আলোচনার প্রয়োজন বোধ করছি -
👉 কৃত্রিম মালিক কতৃক হস্তান্তর/transfer by ostensible owner:- মালিকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে কোন ব্যক্তি মালিকের কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকার প্রাপ্ত হলে উক্ত ব্যাক্তির নিকট হতে মূল্যের বিনিময়ে এবং যথাযথ অনুসন্ধান সাপেক্ষে সরল বিশ্বাসে তৃতীয় ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি হস্তান্তরিত হলে সেটি কার্যকর হবে অর্থাৎ মালিক হস্তান্তর টি বাতিল করতে পারবে না।  
এবং প্রকৃত মালিক ভুল ক্রমেও যদি সম্মতি দেন তাহলেও সম্পত্তি হস্তান্তরিত হওয়ার পর অস্বীকার করলে হস্তান্তর টি বাতিল বলে গণ্য হবে না।

এ বিষয় টি বলা আছে "Transfer of Property Act 1882"এর ৪১ ধারায়।   

👉 ক্ষমতাহীন ভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর :- যদি কোন ব্যাক্তি কোন সম্পত্তির মালিক না হয়েও প্রতারণা ক্রমে বা ভুল ক্রমে অন্য কাউকে ঐ সম্পত্তির মালিক বলে পরিচয় দিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে  হস্তান্তর টি বলবৎ থাকা অবস্থায় যদি উক্ত ব্যাক্তি ঐ সম্পত্তির প্রকৃত মালিকে পরিনত হন তাহলে তাকে হস্তান্তরটি কার্যকরে বাধ্য করা যাবে। এটা কে বলা হয় estoppel বা  স্ব-কার্য জনিত বাধা।

এ বিষয় টি বলা আছে 
Evidence Act 1872 এর ১১৫ ধারায়,
Transfer of Property Act 1882 এর ৪৩ ধারায়,
Specific Relief Act 1877 এর ১৮ ধারায়।৷  

উপরুক্ত ধারা গুলোর অধিনে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে  
দেওয়ানী আদালতে মামলা করলেই সে প্রতিকার পাবে।।
মোঃ সবুজ হোসেন ( বি. বি. এ. এম. বি.এ. এল.এল. বি.)
প্রভাষক হিসাববিজ্ঞান বিভাগ গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রি কলেজ, ঝিকরগাছা,  যশোর।

আশাশুনি খাজরার ঝুঁকিপূর্ণ ভেড়ী বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু

আশাশুনি খাজরার ঝুঁকিপূর্ণ ভেড়ী  বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু




আহসান উল্লাহ বাবলু  আশাশুনি ( সাতক্ষীরা)  প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঝুঁকিপূর্ণ ভেড়ী বঁাধের সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। বুধবার কাজটি শেষ হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী পুরণ হবে। খাজরা বাজার সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৭/২ নং পোল্ডারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ী বাঁধ ও রাস্তা বহু পূর্ব থেকে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তান্ডবে বাঁধটি ভাঙ্গতে শুরু করলে স্থানীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে এলাকার মানুষ বঁাধ রক্ষার্থে ঝাপিয়ে পড়ে প্রাথমিক ভাবে বাঁধ রক্ষা করতে সক্ষম হন। বাঁধের সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য এলাকার মানুষ দাবী জানিয়ে আসছিল। অবশেষে মারাত্মক ঝুকিপূর্ন ওয়ারপদার বঁাধ ও রাস্তা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যেমে এবং খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ ডালিমের তত্ত্বাবধানে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। সোমবার সকালে বঁাধের সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন, ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ জালাল মোড়ল ও সচিব বিশ্বজিত ঘোষ।  



নওগাঁর নিয়ামতপুরে সাবেক চেয়ারম্যান ইছাহাকের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী বেপরোয়া !

নওগাঁর নিয়ামতপুরে সাবেক চেয়ারম্যান ইছাহাকের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী বেপরোয়া !




 
   মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
   রাজশাহী ব্যুরো
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইছাহাক আলীর অরাজগতায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসি। ইছাহাক আলী উপজেলার ছাতমা পিরুপাড়া গ্রামের মৃত ফেলু মন্ডলের সন্তান। তার সন্ত্রাসী বাহিনী সার্বক্ষণিক পরিচালনায় করেন তার ছেলে উজ্জল হোসেন। এতে জড়িত রয়েছেন ছাতমা মধ্যপাড়া গ্রামের মানিক (মংলার)ছেলে নাম করা ডাকাত ও একাধিক মামলার আসামী মুন্তাজ আলী, মতিউর রহমানের ছেলে হামলাবাজ মিলন শাহা, শাজাহান আলীর ছেলে মাদক সেবনকারী হামেদুর চোরা , হজো শাহার ছেলে বদের আলী। এরা এলাকায় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতি , চাঁদাবাজি, হামলা, মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারন মানুষদের ফাঁসিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করছেন। তাদের কথায় রাজি না হয়ে প্রতিবাদ করলে তাদের থাকতে হচ্ছে প্রাণ নাশের হুমকিতে।
সাবেক চেয়্যারম্যান ইছাহাক আলী বিগত জীবন কাল সম্পর্কে জানা যায়, ইছাহাক আলী চেয়্যারম্যানের ক্ষমতায় থাকা কালিন ছাতমা মৌজার বিষ্ণপদ বাহার ২২ বিঘা জমি তার শাশুড়ীর নামে জাল করে জেল খাটেন। দুস্থ মাতার ৪০ বস্তা চাউল চুরি করে সেই চাল চুরির মামলায় বিচারের রায়ে তিনি জেল খাটেন। বোর্ডের টাকা আত্মসাৎ করে, হিসাব দিতে না পারায় তিনি বোর্ডের কাগজ পত্র চুরি করে। বিষয়টির তদন্তে তিনি চোর সাব্যস্ত হওয়ায় জেল খাটেন। গরু প্রজনন উন্নয়নে একটি সরকারী ষাঁঢ় ছিলো তা জবাই করে খেয়ে জেল খাটেন। অনিয়ম ও দূর্নিতির কারনে জেলা প্রশাসক তাকে গ্রেপ্তার করতে পাঠালে তিনি একজন এস.আই কে মারধর করে জেল খাটেন। নির্বাচনে কারচুপি করায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত মামলা চলে এবং তিনি মামলায় হেরে পরিষদ থেকে বহিষ্কার হন।

ছাতমা গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে আরব আলী বলেন, আমি তার বিভিন্ন অপকর্মে প্রতিবাদ করায় ইছাহাক আলীর অপকর্ম প্রকাশ পায়। তাই তিনি প্রতিহিংসায় আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্ঠা করে। বিগত দিনে তিনি আমার পরিবারের সদস্যদের ফাঁসানো পায়তারা চালিয়েছেন। সম্মানহানি মূলক ঘটনা সৃষ্টি করে ৭ মাসের গর্ভধারী গাভীকে বলৎকার হয়েছে নামে সে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মামলার আসামী, ডাকাতের সদস্য ও সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে শালিসের ব্যবস্থা করে। ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা হওয়ার কারনে তিনি স্বাক্ষী না পেয়ে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে গাভী টাকে জবাই করে আমাদের বংশীয় সম্পত্তির উপরে পুতে রাখে। সেখানে সন্ত্রাসী বাহিনী হাসুয়া, লাঠি-শোটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিয়ে রাখে ও লাল কাপড় টাঙ্গিয়ে রাখে। বিষয়টি দিনের বেলা পরিদর্শন ও নাম বলতে অনিচ্ছুক ব্যক্তি মাধ্যমে জানা যায়। ইছাহাকসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী গাভী টাকে রাতের অাধারে চুরি করে নিয়ে এসে গাভী মাংসের লোভ সামাল দিতে না পেরে মাংস ভাগ বাটোয়ারা করে খেয়ে চামড়া, হাড়, নাড়ী-ভুঁড়ি পুঁতে রাখে। এমন অমানবিক ঘটনা ঘটানোর পর এলাকাবাসির মনে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করে। এছাড়া বিষয়টি ধর্মীয় অনুভুতিতে একটি বড় আঘাত স্বরুপ।

তিনি আরো বলেন, ইছাহাক আলী সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপটে সর্বস্ত সে চাঁদাবাজি করায় অসংখ্য টাকা বাংকে জমিয়েছে। বর্তমানে সে টাকার গরমে হামলা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকায় অবস্থান করছে। এমন বেপরোয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচার করলে এলাকায় শান্তি আসবে।

এলাকাবাসি সাবেক চেয়্যারম্যান ইছাহাক আলী বিরুদ্ধে বলেন, ইছাহাক অত্র এলাকার দাগী আসামী। টাকার লোভে ও ক্ষমতার দাপটে সে নিরীহ ও সাধারন মানুষের হোক নষ্ট করে থাকে। সন্ত্রাসী বাহিনী এনে জুলুম, দুর্নিতি, নির্যাতন, হামলা ও মিথ্যা মামলায় জীবন অতিষ্ঠ করে দিচ্ছে। তার অপকর্মে কয়েকবার জেল খেটে এখন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এমন ভাবে চলায় এলাকায় মানুষ আতম্কে বিরাজ করছে। দ্রুত তার বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে আমরা অনেকেই ব্যপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।
এসকল অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে সাবেক চেয়ারম্যান ইছাহাক আলী বলেন,অামার রাজনৈতিক মামলা হয়েছিলো,অামার অন্য মামলা ছিলো না বলে এড়িয়ে যান।

করোনা কালীন শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য- ডা. মশিউর রহমান

করোনা কালীন শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য- ডা. মশিউর রহমান




দিনাজপুর প্রতিনিধি ঃ করোনা কালীন সময়ে বাচ্চাদের উদ্বেগ বাড়ছে, বিরক্ত হচ্ছে, ভীতি, মানসিক চাপ, আতংক বাড়ছে।সারা বিশ্বে  মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে কোভিড- ১৯,বাংলাদেশ ও এর থেকে মুক্ত নয়।এই সংকটময় সময় বাচ্চাদের ইতিবাচক,সহনশীল ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে পিতা মাতাকে এগিয়ে আসতে হবে।সন্তানকে ছোট বেলার গল্প শোনান।বাচ্চাদের চিন্তার সাথে নিজের চিন্তা মিলাতে হবে। ভুলত্রুটি ধরবেন না,বাচ্চাদের প্রশংসা করতে হবে।কোন শাস্তি দেয়া যাবে না বা বাচ্চারা মনখারাপ করতে পারে সেই রকম কোন কাজ করা যাবেনা।সন্তানের প্রতি স্নেহময়ী হন এবং কথা ও কাজে সেটা বুঝিয়ে দিন। প্রতেকটা কাজে ইতিবাচক সাড়া দিন, ধমক দেবেন না।দৈনিক কাজের রুটিন তৈরি করুন বাচ্চাদের নিয়ে আলোচনা করে যেন সেটা পছন্দ করে। রুটিনে থাকবে পড়াশুনা, খেলাধুলা,বিশ্রাম ও আনুসাঙ্গিক বিষয়,তাহলে শিশুরা নিরাপদ বোধ করবে। অনলাইনে এ ক্লাস হচ্ছে, পরীক্ষা হচ্ছে বাচ্চাদের উৎসাহিত করুন। একটানা ভাবে কোন কাজ করাবেন না বাচ্চাদের। খুব সহজ ও পরিস্কার ভাষায় বাচ্চাদের সাথে কথা বলুন এবং সেটা যেন পরিবারের অন্য সদস্যরাও পালন করে।সন্তানের সাথে চিৎকার করে কথা বলবেন না,শান্ত ভাবে বুঝিয়ে দিন। সন্তানরা ভালো কাজ করলে প্রশংসা করুন এবং উপহার দিন এতে তার মনোবল বেড়ে যাবে।এসময় স্কুল কলেজ বন্ধ,বাচ্চারা বিরক্ত হচ্ছে, বন্ধুদের সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করুন।শিশুদের সঙ্গে নিয়ে ঘুমাবেন এতে সন্তান ও মা বাবা সবার ভালো লাগবে।
সম্ভব হলে একসঙ্গে খেলুন গান ও শুনুন। বাচ্চাদের সংগে পড়াতে বসার সময় আপনিও পড়তে বসুন বাচ্চারা সাহস পাবে।শিশু মন খারাপ করলে বুঝার চেষ্টা করুন, জড়িয়ে ধরুন এবং কোলে নিন।একসঙ্গে খেতে বসুন বাচ্চাদের উৎসাহিত করুন যা রান্না করেছেন তা সবকিছু যেন কিছু কিছু খায়।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য Balance diet  জরুরি। শিশু খাদ্য নিয়ে আমার লেখা পোস্ট গুলো র সাহায্য নিতে পারেন।
করোনা কালীন বাড়িতে লোকজন আসা বন্ধ করুন। হাত ধোঁয়া, মাস্ক পড়া,শারীরিক দুরত্ব বুঝিয়ে দিন এবং নিজে করে দেখান। নাক,মুখ চোখ স্পর্শ এড়ানোর ব্যাপারে সন্তান কে উৎসাহিত করুন।প্রয়োজনে সহজ ভাষায় করোনা সম্পর্কে আলোচনা করুন,ভয় পেতে পারে এমন কথা বলবেন না। 
প্রতিটি সন্তানকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।বায়াম করুন একসঙ্গে এবং সহায়তা করুন। ধর্মীয় আচরণ শেখার এখন উপযুক্ত সময়। এখন অনেক আত্মীয় স্বজন পাড়াপ্রতিবেশি পরিচিত জন মারা যাচ্ছে, বাচ্চারা যেন ভয় না পায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।বাচ্চারা যেন আনন্দময় সময় কাটাতে পারে সেই রকম একটা পরিবেশ বাসা বাড়িতে তৈরি করতে হবে।একটু বড়দের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা দিতে হবে। মা বাবা ও অভিভাবক রাও যেন উপকৃত হয়। রুটিন তৈরি করুন বাচ্চাদের নিয়ে আলোচনা করে যেন সেটা পছন্দ করে। রুটিনে থাকবে পড়াশুনা, খেলাধুলা,বিশ্রাম ও আনুসাঙ্গিক বিষয়,তাহলে শিশুরা নিরাপদ বোধ করবে। 
লেখক : ডা. মশিউর রহমান, শিশু বিশেষজ্ঞ, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুর।

কোনভাবে দেশের সম্পদ চামড়া শিল্প যাতে ধ্বংস না হয় সংশ্লিষ্ট সকলকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে

কোনভাবে দেশের সম্পদ চামড়া শিল্প যাতে ধ্বংস না হয়  সংশ্লিষ্ট সকলকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে




দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ প্রান্তিক চামড়া ব্যবসায়ীদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করলে ট্যানারী মালিকদের চিহ্নিত করে সনদপত্র বাতিল করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। কোনভাবে দেশের সম্পদ চামড়া শিল্প যাতে ধ্বংস না হয় চামড়া ব্যবসায়ীদের সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। প্রান্তিক চামড়া ব্যবসায়ীরা পাওনা টাকা না পাওয়ায় কাচা চামড়া সংরক্ষণে গত বছরের চেয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে বলে যে আশঙ্কা করছেন তা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে আমরা চাই কোরবানী ঈদের পূর্বেই চামড়া ব্যবসায়ীদের বিগত বছরের পাওনা টাকা পরিশোধ করবে আড়ৎদার ও ট্যানারী মালিকরা। তা না হলে বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন সে সমস্ত ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে সনদ বাতিলের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। 
১ জুন বুধবার বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন-এর আয়োজনে দিনাজপুর চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য জেলার চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের নেতৃবৃন্দের সাথে আসন্ন কোরবানী ঈদে কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে জুম প্লাটফর্মে ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন-এর নেতৃবৃন্দ ও উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। নেতৃবৃন্দ আসন্ন কোরবানী ঈদে কাঁচা চামড়া যাতে কোনভাবে নষ্ট না হয় সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলকেই সজাগ থাকার আহবান জানিয়ে আরও বলেন, যারা কোরবানী দিবেন তারা যেন কোরবানী দেয়ার সাথে সাথে পশুর চামড়াটি লবণ দিয়ে রাখেন। তাতে করে চামড়া নষ্টের হাত থেকে রক্ষা পাবে। এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে কোরবানী দেয়ার সাথে সাথে একটি গরুর চামড়াতে ৭/৮ কেজি লবণ দিয়ে রাখলে চামড়া নষ্ট হবে না। 
বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মো. শাহিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন-এর সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ লেদার এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মাহিন, বাংলাদেশ হাইট এন্ড ইস্কিন এসোসিয়েশনের পক্ষে মো. আফতাব উদ্দীন, দিনাজপুর চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. জুলফিকার আলী স্বপন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের সহ সভাপতি মো. আব্দুল কাদের, রাজশাহী চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের সভাপতি আসাদুজ্জামান মাসুদ, যশোর চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন মুকুল, ফেনী চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের সহ-সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিনসহ অন্যান্য জেলার চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের নেতৃবৃন্দ। ##

দিনাজপুরে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরেরনির্বাহী প্রকৌশলী জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত

দিনাজপুরে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরেরনির্বাহী প্রকৌশলী জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত



 
দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন ২০১৯-২০ অর্থবছরে শুদ্ধাচার পুরস্কারে দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন।
রংপুর সড়ক জোন এর আওতাধীন সড়ক বিভাগের ১০ জন কর্মকর্তাদের মধ্যে শুদ্ধাচার পুরস্কারের নির্বাচিত হন তিনি। জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, কর্মপরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত ও শুদ্ধাচার চর্চার জন্য ২০১৯-২০ অর্থ বছরে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা ২০১৭ এর আওতায় সড়ক বিভাগ রংপুর জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ মনিরুজ্জামানের ১৭৫৩ (১৯) আরজেড নং স্মারকে স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ পরিপত্র জারি করা হয়। দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা এর আগে আন্তরিকতা ও সততার সাথে রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সড়ক ও জনপথঅধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং সালে সুনীতি চাকমা দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। দিনাজপুর জেলার সড়ক ভবনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের দক্ষতা ও সততার মধ্য দিয়ে অদ্যবধি কাজ করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

কুমিল্লায় স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের জীবনের মায়া না করে স্ত্রী কিডনি দান

কুমিল্লায় স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের জীবনের মায়া না করে স্ত্রী কিডনি দান




মো: রবিউল হো: সবুজ (কুৃমিল্লা প্রতিনিধি):

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় কিডনি রোগে আক্রান্ত চাঁন কলমিয়া গ্রামের নাসির উদ্দিন মজুমদারকে কিডনি দান করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তার স্ত্রী খোদেজা আক্তার।
গত ২ মাস ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ডাক্তারের নিবির পরিচর্যায় থেকে গতকাল
৩০শে জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের সফল কিডনী
ট্রানসপ্লান সার্জারি সম্পুর্ন হয়। বর্তমানে তারা দুজনে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন ।

জানা যায়,বাগমারা দক্ষিন ইউনিয়নের চাঁদকলমিয়া মজুমদার বাড়ির সৌদি প্রবাসী নাসির উদ্দিন মজুমদার পেশায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার তিনি দেশে কিছুদিন বেসরকারি চাকুরি করার পর উন্নত জীবনের আশায় চলে যান সৌদিআরব।
সেখানে দীর্ঘদিন কাজ করার পরে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে শারিরীক অসুস্থতা নিয়ে দেশে চলে আসেন এবং স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেন।
শারিরীক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত বৎসরের শেষের দিকে আবার হাসপাতালে ভর্তি হন। সকল পরীক্ষা করার পর ডাক্তার বলেন তার দুটি কিডনী অকার্যকর হয়েগেছে। আগামী তিন চার মাসের মধ্যেই যদি একটি কিডনী স্হাপন করতে পারেন তাহলে আগের মতই সুস্হ হওয়া সম্ভব।

চিকিৎসকের পরামর্শ'র পর গত একবছর প্রতি সপ্তাহে ৩ দিন ডায়ালাইসিস করে জীবনের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার মা,বোন সহ নিকট পরিজনের অনেকের সাথে যোগাযোগ করেও কারো সাথে ওনার টিসুর মিল হচ্ছে না। তার মায়ের ডায়বেটিস থাকায় তিনি কিডনি দিতে পারবেন না এরই মাঝে ওনার স্ত্রী খোদেজা আক্তারের টিসু ও ব্লাড গ্রুপ মিল থাকায় রবিবার তিনি তার স্বামীকে কিডনি দানের মধ্যদিয়ে এমন দৃষ্টান্ত  স্থাপন করেন।

স্ত্রী খোদেজা আক্তার বলেন,
আমি আমার স্বামীকে আমার একটি কিডনী দান করে বাকি যে কয়টা দিন রব আমাদের হায়াৎ রেখেছেন সেই কয়েকদিন যেন একসাথে থাকতে পারি তাতেই আমি খুশি।

নিজের জীবনের মায়া না করে  স্বামীর জীবন বাঁচানোর জন্য একটি কিডনী দান করে ভালবাসার মাইলফলক তৈরি করেছেন খোদেজা আক্তার যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে অসহায়, দুস্ত দের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে অসহায়,  দুস্ত দের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 


১ জুলাই বুধবার সকালে কোটচাঁদপুর সরকারি কেএমএইচ কলেজ মাঠে বাংলাদেশর সফল প্রধানমন্ত্রী  জননেত্রী, শেখ হাসিনার সাহায্য তহবিল থেকে, ঝিনেদাহ ৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহ্বাজ এ্যাডঃ শফিকুল আজম খান চঞ্চল  মহোদয় এর প্রচেষ্টাই কোটটচাঁদপুর পৌরসভার মেয়র, মোঃজাহিদুল ইসলাম জাহিদ। মহোদয় এর সহজগিতায় দশ কেজি বিনামূল্যে জি আর চাউল  ৪০০ শত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণ কারা হয়।   ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঝিনাইদাহ  ৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট শফিকুল আজম খান চঞ্চল এম পি   মহোদয় এবং মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
 পৌর মেয়র, কে  দেশের এই ভয়াবহ ক্রান্তিকালে  অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করার জন্য।

আজ থেকে দুই মাস সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ

আজ থেকে দুই মাস সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ





মোঃএরশাদ হোসেন রনি , মোংলা

আজ১লা জুলাই বুধবার থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাস সুন্দরবনের সকল নদী-খালে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বনবিভাগ। মাছের প্রজনন মৌসুমকে ঘিরে বনবিভাগের এ সিদ্ধান্ত। এর ফলে গত ২৪ জুন থেকে জেলেদের বনে প্রবেশের পাস-পারমিট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সুন্দরবনের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আইআরএমপিথর সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে বনবিভাগ প্রজনন মৌসুমের এই দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আসছে। 

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্লানসথর (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবনে ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সকল নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। এবারও ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে। এই দুই মাসই সুন্দরবনের নদী খালে থাকা বেশির ভাগ মাছের প্রজনন মৌসুম। যার ফলে এ সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকলে সুন্দরবনের নদী খালে মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও উৎপাদন বহুলাংশে বেড়ে যাবে। #

প্রিয় শিক্ষক শাহাবুদ্দিন শাহীনের ইন্তেকাল

প্রিয় শিক্ষক শাহাবুদ্দিন শাহীনের ইন্তেকাল



মোঃকাউসার আলী
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের হাজী কুতুবউদ্দীন মন্ডলের জৈষ্ঠ পুত্র এবং লোকনাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক মোঃ শাহাবউদ্দীন  ওরফে শাহীন স্যার ইন্তেকাল করেছেন।তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ(১লা জুলাই)ভোর ৫:৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।তিনি ছিলেন বিদ্যালয়ের সবার প্রিয়,সদালাপী,সদা হাসোজ্জল।তাঁর মৃত্যুর খবরে  বিদ্যালয় এবং গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কোটচাঁদপুরে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

কোটচাঁদপুরে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 



ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ গোলাম কিবরিয়া বিপ্লবের শশুর ও সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য মোছাঃ সবুরা খাতুনের স্বামী আইনউদ্দীন মিয়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা ধিন অবস্থায় যশোরের একটি হাসপাতালে  মৃত্যুবরণ করেন, 
তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানাযায়। 
গত এক দেড় মাস আগে তার ছেলে ঢাকা থেকে বাসায় আসার কিছুদিন পর ওই বাড়ির তিন সদস্য অসুস্থ হয়ে পরে, তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে টেষ্টে পাঠালে তাদের করোনা পজেটিভ রেজাল্ট আসে,  এমনবস্তায় তাদের একমাস ধরে চিকিৎসা চলে, 
চিকিৎসা চলাকালীন মৃত ব্যক্তির শরীরে আরোও চারটি শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, সেগুলা হলো ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, কিডনি সমস্যা ও হাই পেশারের মত ভয়ংকর রোগ। মৃত্যুকালীন তার বয়স ছিলো ৬০ বছরের উদ্ধে।

বর্তমান ওই পরিবারের করোনা আক্রান্ত হওয়া মা এবং ছেলে দুজনাই সুস্থ আছেন

শৈলকুপায় আরাও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু ১

শৈলকুপায় আরাও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু ১




সম্রাট হোসেন শৈলকুপা উপজেলা প্রতিনিধি 

০১/০৭/২০২০ ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলায় নতুন করে আরাও চার জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। একজন কুষ্টিয়া মেডিকেলের মৃত্যু পর রিপট পজেটিভ এসেছে।নিচেই আক্রান্তদের এলকা সহ দেওয়া হলো। 
শৈলকূপা-উপজেলা 
১.রানীনগর ২.রানীনগর ৩.ফুলহরী ৪.সারুটিয়া(মৃত্যুর পরে ফলাফল এসেছে) 
মোট আক্রান্ত ৩৫+৪=৩৯ 
মোট মৃত্যু ১+১=২ জন (মৃত্যু পর রিপোর্ট পজেটিভ) 

মোট সুস্থ ১৬ জন। 

"ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন"

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ১ যুবকের মৃত্যু

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ১ যুবকের মৃত্যু




স্টাফ রিপোর্টার, মিজানুর রহমান ইমনঃ

ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল পথে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় ৩০জুন মঙ্গলবার বিকালে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মেহেদী হাসান বিল্লাল নামের এক যুবক নিহত হয়েছে । নিহত ব্যাক্তি মেহেদী হাসান বিল্লাল (২৩) নান্দাইল উপজেলার বীর কামাট খালী গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মেহেদী হাসান বিল্লাল (৩০জুন) মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল পথে শিলাসী এলাকায় রেল ক্রসিং মোড়ে অবস্থান করছিল, এ সময় ঢাকাগামী তিস্তা আন্তঃনগর ট্রেন আসে তিনি তখন রেললাইনে বসে ছিলেন, চালক অনেক বার হর্ণ বাজান কিন্তু তাতে তিনি সাড়া দেন নি । যখন ট্রেন টি খুব কাছে আসে তখন তিনি রেল লাইনের উপর শুয়ে পড়ে । এতে তার শরীর কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হন ।

নিহত মেহেদী হাসান বিল্লাল এর পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরা জানিয়েছেন, সে এক সপ্তাহ আগে বিয়ে করেছে । কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন এ ব্যাপারে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না ।

গফরগাঁও রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ শহীদুল্লা হিরু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কথা হয়েছে, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে ।

দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজের পক্ষে প্রথম দিনে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান করবেন,ডা.এম.এ.মান্নান

দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজের পক্ষে প্রথম দিনে  ফ্রি চিকিৎসা প্রদান করবেন,ডা.এম.এ.মান্নান



  নিউজ ডেস্ক:
মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর জন্য লকাডাউনের কারনে যাতায়াতে অসুবিধা থাকার কারনে শহর ও গ্রাম-অঞ্চলের রোগীরা সঠিক সময়ে ডাক্তারগনের সাথে সরাসরি সাক্ষাত করে চিকিৎসা গ্রহন করতে না পারায় সাধারন রোগ নিয়ে বিভিন্ন রকম সমস্যায় ভুগছেন।এজন্য সর্বসাধারণের সুবিধার্থে"দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ" অনলাইন পোর্টাল পত্রিকার পক্ষে- 
আজ ০১ /০৭/২০২০ খ্রি. তারিখ সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত  অনলাইনে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন--সরকারি রেজিস্টার্ড হোমিও চিকিৎসক                                                        ডা.এম.এ.মান্নান                                 হোমিও কনসালটেন্ট ও গবেষক গভ.রেজি.নং-২৯১৭১              প্রধান চিকিৎসক                                মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র.   
বিষয়- করোনা ভাইরাস ও অন্যান্য রোগ নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ। মোবাইল নং-০১৭২১৪০৬৭২০

সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন-  
 হাসান সাদী
 নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধি    
মাও.আব্দুল রাজ্জাক         হরিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি   ইন্জি.তারিকুল ইসলাম।                     টাংগাইল উপজেলা প্রতিনিধি     আশরাফুল ইসলাম।        
স.সা'দত কলেজ প্রতিনিধি,
দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ     
              
ধন্যবাদান্তে :                          প্রভাষক মোহাম্মদ মহসীন আলী         প্রকাশক ও সম্পাদক                          দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ    
                                পরিচালনায়:                                      ডা.এম.এ.মান্নান                                 টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি                    দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ

এক বছর ধরে সংস্কার বন্ধ বিভিন্ন স্থানে ধস

এক বছর ধরে সংস্কার বন্ধ বিভিন্ন স্থানে ধস




মো: লাতিফুলআজম
কিশোরগঞ্জ  নীলফামারী প্রতিনিধি:


এক বছরের বেশি সময় ধরে কিশোরগঞ্জে এলজিইডির বড় পুলের মোকা থেকে বাহাগিলি ইউনিয়নের ময়দানের পাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কে খোয়া বিছিয়ে রেখে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে খোয়া বিছানো সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঐ সড়ক দিয়ে ভারী যানচলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। সরেজমিনে দেখা গেছে, বাহাগিলি ইউনিয়নের ময়দানের পাড় থেকে বড় পুলের মোকা পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কে ইটের খোয়া বিছিয়ে রাখা হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কটির বড় পুলের মোকা, আতিয়ারের বাড়ির সামনে, ছোট পুলের মোকা, ছাদেরের বাড়ির সামনেসহ কয়েকটি স্থান ধসে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ময়দানের পাড় এলাকার বাসিন্দা আবু জাকরিয়া জানান, গত দশ থেকে পনের বছর সড়কটির সংস্কার কাজ করা হয়নি। চার-পাঁচ বছর ধরে সড়কটি নিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি হয়ে আসছে। এটি বাহাগিলি-কিশোরগঞ্জ যাতায়াতের একমাত্র সড়ক। সড়কটি সংস্কারের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। কিন্তু প্রথমে সড়কের দুই পাশে এজিং করে এবং পরে মাহিন্দ্র ট্রাক্টর দিয়ে সড়কটি চাষ করে আবার তা রোলার দিয়ে সমান করে কাজ বন্ধ করে দেয়। অটোচালক সহিদার রহমান বলেন, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে সড়কের বেশ কয়েকটি জায়গা ভেঙে গেছে। ফলে অটো নিয়ে চলাচল মুশকিল হয়ে পড়েছে। এমনিতেই করোনাকাল তার ওপর আবার দুর্ভোগ। বাহাগিলি ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহ দুলু বলেন, এক বছর আগে ঠিকাদার সড়কের কাজ শুরু করেন, কিন্তু এরপর আর কোনো খবর নেই। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করব। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মজিদুল হক বলেন, নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে খুব দ্রুত কাজ শুরুর ব্যবস্থা করব।

দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজের পক্ষ থেকে দুইদিন ব্যাপি ফ্রি অনলাইন চিকিৎসা সেবা আজ প্রথম দিন।

দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজের পক্ষ থেকে দুইদিন ব্যাপি ফ্রি অনলাইন চিকিৎসা সেবা আজ প্রথম দিন।





 নিউজ ডেস্ক:
মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর জন্য লকাডাউনের কারনে যাতায়াতে অসুবিধা থাকার কারনে শহর ও গ্রাম-অঞ্চলের রোগীরা সঠিক সময়ে ডাক্তারগনের সাথে সরাসরি সাক্ষাত করে চিকিৎসা গ্রহন করতে না পারায় সাধারন রোগ নিয়ে বিভিন্ন রকম সমস্যায় ভুগছেন।
এজন্য সর্বসাধারণের সুবিধার্থে
"দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ" অনলাইন পোর্টাল পত্রিকার পক্ষ থেকে ব্যাতিক্রমি ভাবে হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা.এম.এ.মান্নান এর উদ্যোগে আজ ০১ /০৭/২০২০ খ্রি. তারিখ হতে ০২/০৭/২০২০ খ্রি.সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত  অনলাইনে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। 
 ফোন কলের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট ও অন্যান্য ডাক্তারের কাছে থেকে যেকোন পরামর্শ নিতে পারবেন।
প্রথম দিন:-০১.০৭.২০২০                                      ডা.এম.এ.মান্নান                                 হোমিও কনসালটেন্ট ও গবেষক         প্রধান চিকিৎসক                                মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র.   
বিষয়- করোনা ভাইরাস ও অন্যান্য রোগ নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ
তারিখঃ ০১/০৭/২০২০ইং রোজঃ বুধবার-সময়ঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত।                           মোবাইল নং-০১৭২১৪০৬৭২০
দ্বিতীয় দিন।                                   ১।ডা.মো.তোফাজ্জল হোসেন             সহযোগী অধ্যাপক                মেডিসিন বিভাগ                             টাংগাইল হোমিও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,টাংগাইল।                     মোবাইল নং-০১৭১২৫৭০৭৩৩              ২।ডা.মো.কাওছার খান                          মেডিকেল অফিসার(হোমিও)             মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র.     মোবাইল নং-০১৭২৭০৯৮৮৪
বিষয়ঃরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি কিভাবে বাড়ান যাবে ও হোমিওপ্যাথি মতে সকল রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ। 
তারিখঃ ০২/০৭/২০২০ইং, রোজঃ বৃহস্পতিবার, সময়ঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত। 
সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন-সজিব হুসাইন মোহাস্মদ হাসান                      নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধি                    মাও.আব্দুল রাজ্জাক         হরিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি    ইন্জি.তারিকুল ইসলাম।                     টাংগাইল উপজেলা প্রতিনিধি       আশরাফুল ইসলাম।              সরকারি সা'দত কলেজ প্রতিনিধি       দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ                   ধন্যবাদান্তে :                           প্রভাষক মোহাম্মদ মহসীন আলী         প্রকাশক ও সম্পাদক                          দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ                   পরিচালনায়:                                      ডা.এম.এ.মান্নান                                 টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি                    দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ