রাজাপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত -৩

মো. নাঈম ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ 
ঝালকাঠির রাজাপুরের নৈকাকাঠি গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি হিন্দু পরিবারে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে মুক্তি রানী মিত্র (৩০), তার স্বামী উত্তম মিত্র (৪২) ও ছেলে বৃষ্টি মিত্র (১২) কে আহত করায় রাতে মুক্তি রানী মিত্র বাদি হয়ে রাজাপুর থানায় মামলা করেন।

অহত মুক্তি রানী মিত্র ও ছেলে বৃষ্টি মিত্র প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে এবং উত্তম মিত্রকে রাজাপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। মামলার বিবরনী থেকে জানা গেছে, গত বুধবার উত্তম মিত্র পূর্বের মতো দুধ বিক্রি করতে রাজাপুর বাজারে গেলে সেই সুযোগে বেলা সারে ১১টার দিকে প্রতি পক্ষের একই গ্রামের রুনু দাসের ছেলে সমীরদাস (৫০) এবং রতন দাস (৪০), কিরন মিত্রের ছেলে সোহাগ মিত্র (৩২) এবং কমল মিত্র ওরফে কচি (৩৫), নিখিল মিত্রের ছেলে রিপন মিত্র (৩৫) ও মনোরঞ্জণ দেউরীর ছেলে তাপস দেউরী (৫০) টাকা-পয়সা লেনদেনের পূর্ব শত্রুতার জেরে মুক্তি রানীর বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে তার সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায় ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। এসময় মুক্তি রানী ও তার ছেলে বৃষ্টিকে মারধর করে ফুলা জখম করে এবং মুক্তি রানীর গলায় থাকা ১ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন প্রতি পক্ষের রতন দাস ছিনিয়ে নেয়। প্রতি পক্ষের সোহাগ মিত্র ও রতন দাস মুক্তি রানীর পড়নের কাপড় ছিড়ে শ্লিলতা হানি করে। ঘটনা শেষ না হতেই মুক্তি রানীর স্বামী উত্তম মিত্র বাজার থেকে বাড়িতে ফিরে এলে প্রতি পক্ষরা তাকেও হামলা চালিয়ে আহত করে। এসময় প্রতি পক্ষের কমল মিত্র ওরফে কচি উত্তম মিত্রের পকেটে থাকা ৩৫ হাজার ৫শ' টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। প্রতি পক্ষের রুনু দাসের ছেলে সমীর দাস মামলায় অভিযোগের কথা সম্পুর্ন অশ্বিকার করে বলেন, মুক্তি রানীর অনৈতিক কার্যকলাপ আমরা জেনে ফেলায় সেই অপবাদ ঢাকতেই আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমদের যত জনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে তারা সবাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাই মুক্তি রানীদের সাথে পূর্বে কখনই লেনদেন ছিলোনা। এবিষয়ে রাজাপুর থানার ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলা হয়েছে এবং আসামি গ্রেফতারের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।


শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট