দৌলতপুরে এক এনজিওর মহিলা মাঠকর্মী আফরোজা খাতুন টাকা নিয়ে উধাও



কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি //কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের বড়গাংদিয়া বাজারে অবস্থিত কাবেজ আলীর খাট, সোকেচ, আলমারি, টিভি ফ্রিজ জাতীয় শোরুমের ব্যবসা।সেখানে নগদ ও সহজ কিস্তির মাধ্যমে বিক্রি করা হয় পন্য, আর সেই কিস্তিতে  বিক্রিয় হওয়া  পন্যগুলোর টাকা আদায় করার লক্ষে নিয়োগ পায় আফরোজা খাতুন  নামের দৌলতপুর উপজেলার সেন্টার মোড়ের বসবাসরত এই মহিলা।বিগত কয়েক বছর ধরে সেখানে আফরোজা খাতুন কাজ করার কারনে ঐ শোরুমের মালিক কাবেজ আলীর কাছে হয়ে উঠে বিশ্বাসী।

এমন সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাবেজ আলীর ব্যাবসায়ী লেনদেনের মধ্য থেকে সু কৌশলে হতিয়ে নেয় লক্ষ লক্ষ টাকা বলে অভিযোগ করে শোরুমের মালিক কাবেজ আলী।সব কিছু ঠিকঠাক মতো চলছিলো, হঠাৎ একদিন শোরুম মালিক কাবেজ আলী নিজে আফিসিয়াল মুল খাতা ও সিট নিয়ে মাঠ পরিদর্শন করতে গেলে দেখে বেসির ভাগ  গ্রহকদের কাছ থেকে পাওনা টাকা উঠানো হয়ে গেছে। এবং কিছু গ্রাহকদের কাছ থেকে পন্য দেবে বলে নিয়েছে আতিরিক্ত টাকা এসকল কথা শুনে রিতি রকম হতবম্ভ হয়ে যায় কাবেজ আলাী।

কোন দিশে না পেয়ে কাবেজ আলী খবর দেয় মাঠকর্মী   আফরোজা ও তার পরিবারের লোকজনকে, এক পর্যায়ে আফরোজা সহ তার পরিবারের লোকজন কাবেজের বাড়িতে দেখা করতে আসে এবং সেখানে স্থানিয় চেয়ারম্যান  সহ এলাকার লোকজনের সমন্নয়ে মাঠকর্মী আফরোজা খাতুনের কাছ থেকে  টাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, হিসাব করে আফরোজার পরিবারের লোকজন নয় ছয় করে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফিরোৎ দিতে রাজি হয়।


পরে সেখান থেকে টাকা নিতে আসার নাম করে মাঠকর্মী আফরোজার পরিবারের লোকজন থানায় উপস্থিত হয়ে কাবেজ আলীর নামে একটি এজাহার দায়ের করে এবং এজাহারে উল্লেখ করা হয় কাবেজ আলী মাঠকর্মী আফরোজা খাতুনকে কিডন্যাপ করে নিয়ে গেছে।
এমন মিথ্যা এজাহারের ভিত্তিতে  পুলিশ কাবেজ আলীকে গ্রেফতার করে নিয়েও যায় বলে অভিযোগ করে ব্যাবসায়ী কাবেজ আলী। বর্তমান কাবেজ আলী ঐ মিথ্যা মামলা থেকে জামিনে আছে।

এবিষয় গণমাধ্যম কর্মীরা অনুসন্ধানে গেলে মেলে আভিযোগের সত্যতা।জানা যায় একাধিক গ্রহকের কাছ থেকে  মাঠকর্মী আফরোজা খাতুন  প্রতি সপ্তাহে টাকা নিয়ে গেলেও তা মুল খাতায় জমা হিসাব না দিয়ে নিজেই রেখে দিয়েছে।

এবিষয় ১৪ নং আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ আনছারী বিপ্লব বলেন  কবেজ আলীর নামে মিথ্যা মামলার কথা শুনে আমি তো হতবাক তিনি আরো বলেন কাবেজ আলী মাঠকর্মী আফরোজাকে কিডন্যাপ টা করলো কখন আামার বুঝে আসে না। একটি আভিযোগের ভিত্তিত মাঠকর্মী আফরোজ খাতুনকে তার পরিবারের লোকজন সহ বসে সমস্য সমাধান করার চেষ্টা করা যদি কিডন্যাপ হয়, তাহলে আমাদের আর কিছু বলার থাকে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশকঃ

অফিসঃ হাজী সিরাজুল ইসলাম সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর মোড়, ছুটিপুর রোড, ঝিকরগাছা, যশোর।

পূর্ববর্তী প্রকাশনা
পরবর্তী প্রকাশনা