সিলেট বাগবাড়ী নরশিংটিলায় হঠাৎ করে চোরের উৎপাত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হঠাৎ করে বেড়েছে চোরের উৎপাত। রাতের আঁধারে বিভিন্ন উপায়ে দোকানে ঢুকে নগদ টাকা, মালামাল ও জরুরি কাগজপত্র নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোরচক্র।গতকাল ৬ জুন রাত আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মা ফ্যাশন লেডিস ফ্যাশনে ক্রেতা সেজে জৈনক বাচ্চাসহ মহিলা সাথে ছিল ১০/১৩ বছরের মেয়েকে সাথে নিয়ে দোকানের ক্যাশ থেকে শাওমি এন্ড্রুয়েট মোবাইল ও নগদ ২০০০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এসময় দোকানের প্রোপাইটার পিয়ারা বেগম অন্য ক্রেতাদের কাছে কাপড় বিক্রিতে ব্যস্ত ছিলেন। এরই ফাঁকে তার চোখ ফাঁকি দিয়ে জৈনক বাচ্চাসহ মহিলা ও মেয়ে দুটি সংঘবদ্ধভাবে চুরি করে। এছাড়াও বিগত ১৬ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ১টি বাসা, ১টি মুদি দোকান ও ১টি লেডিস শপে চুরি সংঘতি হয়। দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ১৬ মে নরশিংটিলার বাসিন্দা টগর দত্তের বাসায় রাত আড়াইটার দিকে ঢুকে কয়েকটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় এক বা একাধিক চোর। পরে ১৮ মে হাজি গিয়াস স্টোর নামক মুদি দোকান থেকে দেড় লক্ষ টাকার মালামাল চুরির ঘটনা ঘটে। একই দিন রাতে ওই এলাকার আর এম লেডিস শপ নামক দোকানের শাটারের তালা ভেঙে ৩০ হাজার টাকার শাড়িকাপড় ও কসমেটিক্স মাল নিয়ে যায় চোরেরা।

পরদিন (১৯ মে) রাত ৩টার দিকে স্থানীয় নোমান আহমদের বাসায় ঢুকে চুরি করতে ব্যর্থ হয়ে এলাকার পারভেজ আহমদের বাসা ও এক আইনজীবির বাসায় ঢুকে মূল্যবান মালামাল নিয়ে চোর। সিলেটে একের পর এক দোকান-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় চরম আতঙ্কে আছেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এসএমপি’র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, সিলেটে চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইসহ সকল অপরাধ দমনে সেজন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। সম্প্রতি নগরীর বিভিন্ন দোকানে যে দোকানে চুরি সংঘটিত হচ্ছে- এ বিষয়ে অবগত নই। তবু খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


শেয়ার করুন

প্রকাশকঃ

অফিসঃ হাজী সিরাজুল ইসলাম সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর মোড়, ছুটিপুর রোড, ঝিকরগাছা, যশোর।

পূর্ববর্তী প্রকাশনা
পরবর্তী প্রকাশনা