শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডে ‘অফিসার-ইনভেস্টমেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডে ‘অফিসার-ইনভেস্টমেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডে 'অফিসার-ইনভেস্টমেন্ট' পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডবিভাগের নাম: কর্পোরেট, এসএমই অ্যান্ড রিটেইল

পদের নাম: অফিসার-ইনভেস্টমেন্ট
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ৪০ বছর
কর্মস্থল: যেকোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.jagojobs.com/bank এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
সূত্র: জাগোজবস ডটকম


৫টি ব্যাংকে ‘অফিসার (ক্যাশ)’ পদে ১৪৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে

৫টি ব্যাংকে ‘অফিসার (ক্যাশ)’ পদে ১৪৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ৫টি ব্যাংকে 'অফিসার (ক্যাশ)' পদে ১৪৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠান ও পদসমূহ: সোনালী ব্যাংক লিমিটেড-৮৪৬, জনতা ব্যাংক লিমিটেড-১০৫, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড-৪০০, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড-৮৫, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড-০৩ জন

পদের নাম: অফিসার (ক্যাশ)পদসংখ্যা: ১৪৩৯ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর। ন্যূনতম একটিতে প্রথম শ্রেণি। কোনো তৃতীয় শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষকর্মস্থল: যে কোনো স্থান

বয়স: ০১ মার্চ ২০২০ তারিখে সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট erecruitment.bb.org.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ফি: রকেটের মাধ্যমে ২০০ টাকা পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
সুত্রঃ জাগোজবস  ডটকম

উলিপুরে প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি

উলিপুরে প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলায় উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর বাজারের পাশে, দুর্গাপুর কেজি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আব্দুর রহিম স্যারের বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দল অলংকার সহ নগত লক্ষাধিক টাকা লুট করে নিয়ে যান।এলাকাবাসী সুএে জানা যায়,ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার সন্ধ্য ৭থেকে ৯ টার মধ্যে।তা নিয়ে এলাকায় এক প্রকার ভয়ে সৃষ্টি হয়।

আশাশুনিতে করোনার টিকা এসে পৌছেছে

আশাশুনিতে করোনার টিকা এসে পৌছেছে

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে তৈরীকৃত টিকার প্রথম চালান আশাশুনি এসে পৌছেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হুসাইন শাফায়াত এর নির্দেশে জেলা ইপিআই স্টোর থেকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ টিকা পাঠানো হয়। প্রথম চালানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৮১২০ জন ব্যক্তির শরীরে প্রয়োগ করার জন্য বরাদ্ধকৃত টিকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুদেষ্ণা সরকার গ্রহন করেন। এসময় তিনি বলেন, টিকা সংরক্ষণের নিমিত্তে যথাযথ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। টিকা প্রদানের জন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও সেবীকাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারী থেকে আমাদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এসময় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা গ্রহনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের টিকা নেওয়ার জন্য অনলাইনে নিবন্ধন করার অনুরোধ জানান ডাঃ সুদেষ্ণা সরকার। টিকা গ্রহনকালে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মীর আবু বকরসহ হাসপাতালে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার আসামিদের সাজা হওয়ায় বাদী মোসলেমউদ্দিনের সন্তোষ প্রকাশ

সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার আসামিদের সাজা হওয়ায়  বাদী মোসলেমউদ্দিনের সন্তোষ প্রকাশ

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামিরা শাস্তি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন।

একই সাথে তিনি বিচারাধীন এ সংক্রান্ত অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলায়ও আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করেন।বার্ধক্যজনিত কারণে কলারোয়ার বাসভবনে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন  প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, 
সাতক্ষীরা'র কলারোয়ায় ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা মামলার আসামিদের শাস্তি হওয়ায়  আমি সন্তোষ প্রকাশ করছি।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে মামলা ৫০ জন আসামির সকলকে ৫ থেকে ১০ বছর অবধি বিভিন্ন মেয়াদের সাজা প্রদান করেন আদালত।এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিকালে কলারোয়া  উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপনের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে  একটি আনন্দ মিছিল বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে, পুনরায় একই স্থানে সমবেত হয়ে সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। 

এসময় কলারোয়া পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র মনিরুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আসাদুজ্জামান শাহজাদা, উপজেলার আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন হেলাল, ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, আসলাম আলী, মনিরুল ইসলাম, কাউন্সিলর আকিমুদ্দিন আকি, মেসবাহউদ্দিন লিলু, রফিকুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর মফিজুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা শহীদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আশিকুজ্জামান মুন্না, হেলাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সরদার আনসার আলী, নিশান, কেড়াগাছি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

ঝিনাইদহ শৈলকুপায় জমি- জমা বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে আহত - ৫,

ঝিনাইদহ শৈলকুপায় জমি- জমা বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে আহত - ৫,

সম্রাট হোসেন ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমিজমা বিরোধের জের  ধরে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কাচেঁরকোল ইউনিয়নের বালিয়াঘাট গ্রামে। 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিয়াঘাট গ্রামের তফসের মোল্যার ছেলে বাদশার সাথে ওই গ্রামের পিকুল শেখ এর জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার ওই জমি সংক্রান্ত তদন্ত করতে যায় এসিল্যান্ড পার্থ প্রতিম শীল। তদন্ত শেষে তিনি ফিরে আসলে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। সংর্ঘষে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মিলন হোসেন,বালিয়াঘাট গ্রামের মৃত আমজাদ মন্ডলের ছেলে আমিরুল ইসলাম,মৃত রায়হান শেখ এর ছেলে বকুল হোসেন,তফসের মোল্লার ছেলে বাদশাসহ ৫ জন আহত হয়। আহতদের শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
শৈলকূপা থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, জমি-জমা বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছে।  পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

আশাশুনিতে বড়দল চেয়ারম্যান প্রার্থী জগদীশ'র নির্বাচনী সভা

আশাশুনিতে বড়দল চেয়ারম্যান প্রার্থী জগদীশ'র নির্বাচনী সভা

আহসান উল্লাহ বাবলু , আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র সানার নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে ইউনিয়নের বাইনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লােন শেল্টার প্রাঙ্গন এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

ভােদার চদ্র মিস্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক প্রচার সম্পাদক বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের নৌকা প্রতীক প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী জগদীশ চন্দ্র সানা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জগদীশ চন্দ্র সানা বলেন, আমি বহু বছর ধরে বড়দল ইউনিয়নের সাধারন মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সমস্ত উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত থেকে এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন কে ঐক্যবদ্ধ্য করে কাজ করে চলেছি। আগামী নির্বাচনে আমি নৌকা প্রতীক পেয়ে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমার গ্রাম আমার শহর রূপরেখা বাস্তবায়ন করব।বড়দল ইউনিয়নকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করব এবং এই ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলবো। সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী। যুবলীগ নেতা এম এম সাহেব আলির সঞ্চালনায় সভায় শিক্ষক অমলেন্দু নাথ মন্ডল, খুলনা মহানগর স্বেছাসেবকলীগের দপ্তর সম্পাদক ফরিদুজ্জামান ফরিদ, ইউনিয়ন কৃষকলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হাফিজা খাতুন তমা, ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান ডালিম, চিত্তরঞ্জন সরকার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু রায়হান সুমন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আশাশুনিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আনন্দ মিছিল

আশাশুনিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আনন্দ মিছিল

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:বহুল আলোচিত আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার রায় ঘোষণা হওয়ায় আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আনন্দ মিছিলটি জনতা ব্যাংক চত্বর থেকে শুরু হয়ে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই জায়গায় মিলিত হয়।আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান স,ম সেলিম রেজা মিলনের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য রাখেন আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু,যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মহিতুর রহমান,শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিপুল,ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হোসাইন। পথসভায় বক্তারা বলেন, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের মদদে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব এর নেতৃত্বে সাতক্ষীরার জেলার কলারোয়ায় উপজেলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার রায় কার্যকর হওয়ায় সরকার ও বিচার বিভাগকে সাধুবাদ জানান।এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা এম এম সাহেব আলি, আক্তারুল, স্বপন,উজ্জ্বল, বাবুল ছাত্রলীগ নেতা মিঠুন, রাজ,আলামিন,তারিক,শাহারুল প্রমুখ।

বগুড়ায় গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

বগুড়ায় গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃবগুড়ায় মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১২)।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে শেরপুর উপজেলা ভবানীপুর ইউনিয়নের জামনগর গ্রামে মাহবুবুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাহবুবুরসহ আরও একজনকে গ্রেপ্তার ও ১কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুজনের ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন ও তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা জব্দ করা হয়। 

গ্রেপ্তার হওয়া আরেকজন হলেন উপজেলার সালকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ইয়াছিন শেখ (২৩)। এ দুজনই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার (সহকারী পুলিশ সুপার) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হয়েছে।

সরকারের টাকায় পতনের নামে প্রতারণা করছে : মোমিন মেহেদী

সরকারের টাকায় পতনের নামে প্রতারণা করছে : মোমিন মেহেদী

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, জনগনের অধিকার আদায়ের কথা বাদ দিয়ে একটি পক্ষ সরকারের টাকায় পতনের ডাক দিয়ে প্রতারণা করছে। এরা কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপি, কখনো জামায়াত ইসলাম বা বাম রাজনীতির নামে নিজেদের আখের গুছিয়েছে। এদের থেকে সাবধান থাকবেন, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা রাজপথে তাদের সাথে ভুলেও নামবেন না; তাদের সাথে যাওয়ার আগে ইমরান এইচ সরকারের সাথে যারা গিয়েছিলো, তাদের পরিণতির কথা ভেবে নেবেন।

৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪ টায় যাত্রাবাড়িস্থ নতুনধারা ঢাকা মহানগর উত্তর-এর অস্থায়ি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত 'ভাষার মাসে সাহসের রাজনৈতিক দীক্ষা' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। যাত্রা বাড়ি থানা নতুনধারার আহবায়ক কামরুন্নেসা সামিনার সভাপতিত্বে এতে প্রেসিডিয়াম মেম্বার অধ্যাপক শুভঙ্কর দেবনাথ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, যুগ্ম মহাসচিব বাদল চৌধুরী রিপন, ঢাকা মহানগর নতুনধারার সদস্য সাহারা হাসান, নিরব ভৌমিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মোমিন মেহেদী এসময় আরো বলেন, সরকারের রাজনৈতিক কৌশল খুব ভয়ংকর। তারা রাজনীতিতে বিএনপিকে নিষ্ক্রিয় করে এখন লোক দেখানোর জন্য, বিশ^কে দেখানোর জন্য রাজপথে কিছু গৃহপালিত রাজনৈতিক মুখ ব্যবহার করছে। টাকার বিনিময়ে এরা দুএকটা কথা সরকারের বিরুদ্ধে বললে মাঠ পর্যায়ে কোন কাজ করে না, জনগনের অধিকার নিয়েও এদের কোন পদক্ষেপ নেই। রাস্তা-ঘাট-ব্রীজ-কালভার্ট-এর উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা পাচার হলেও পেইড কিছু রাজনৈতিক মুখ খোলা বাজারে রেশন দেয়ার মত কথা বলে সরকার পতনের ডাক দেয়ার অভিনয় করছে, এদের থেকে দূরে থেকে ভাষা শহীদ সালাম-বরকত-এর মত অবিরত লড়তে তৈরি হোন সকল অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে। বক্তারা এসময় আল জাজিরায় প্রচারিত সংবাদ প্রসঙ্গে বলেন- নতুন প্রজন্ম জানে- 'যা কিছু রটে, কিছু না কিছু বটে।'  

নওগাঁয় পানিতে ডুবে আপন খালাত দুই ভাই এর মিত্যু

নওগাঁয় পানিতে ডুবে  আপন  খালাত দুই ভাই এর মিত্যু

রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর,
 নওগাঁ  জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় পানিতে ডুবে আপন  খালাত দুই ভাই এর মিত্যু,বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের ডারকা দিঘীতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হল- ওই ইউনিয়নের ডারকা দিঘী গ্রামের আরিফ হোসেনের ছেলে মাহফুজার রহমান শয়ন (৯) পাশের পত্মীতলা উপজেলার গগণপুর গ্রামের সাইফুল্লাহ শেখের ছেলে আলিফ শেখ (১০)। তারা সম্পর্কে খালাতো ভাই।

স্থানীয়রা জানান, ওই দুই শিশুর মা-বাবাসহ ডারকাদিঘী গ্রামে নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে।বৃহস্পতিবার  দুপুরে পরিবারের সদস্যদের কয়েকজন শিশু বাড়ির পাশে ডারকা দিঘীতে গোসল করতে যায়। এক পর্যায়ে মাছের খাবার দেওয়া একটি ড্রামে চড়ে দিঘীর মাঝখানে চলে যায় তারা। পরে ওই ড্রাম পানিতে ভর্তি হয়ে ডুবে গেলে শিশুরা পানিতে লাফ দেয়। অন্যরা দির্ঘীর পাড়ে আসতে পারলেও ওই দুই শিশু তলিয়ে যায়।

ধামইরহাট থানার ওসি মো.আব্দুল মমিন বলেন, শিশু দুটিকে উদ্ধার করে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল পরিদর্শন  ঘটনাস্থল করে।

এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আব্দুল মোমিন।

সিরাজগঞ্জ রতন কান্দিতে মাটি ভরাট কাজের ও কম্বল বিতারণের শুভ উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জ রতন কান্দিতে মাটি ভরাট কাজের  ও কম্বল বিতারণের শুভ উদ্বোধন

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ। ৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় রতনকান্দি চিলগাছাতে এক কিঃ মিটার নতুন রাস্তার মাঠি ভরাটের কাজের উদ্বোধন করেন ও  দুই শত  শীতার্তদের মাঝে  কম্বল বিতরণ করেন কাজিপুর- ১ আসনের সংসদসদস্য তানভির শাকিল জয় এমপি এসময় আর উপোস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা আঃমীযুব লীগের সাধারণ সম্পদকক আব্দুল হাকিম, জেলা পরিষদের সদস্য গোলাম রব্বনী তালুকদার, রতন কান্দি ইউনিয়ন আঃমী লীগের ভার প্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল ইসলাম জুরান সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আঃমী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পদকক ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মি। উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন   রতনকান্দি ইউনিয়নের সাবেক ছাএ লীগের প্রতিষ্ঠাতা নুরে আলম রতন। এ সময় রাস্থার কাজের উদ্বোদন ও কম্বল বিতারণ শেষে মরহুম নাসিমের আত্তার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

শেখ হাসিনার গাড়িতে হামলার ঘটনায় সাতক্ষীরায় ৫০ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

শেখ হাসিনার গাড়িতে হামলার ঘটনায় সাতক্ষীরায় ৫০ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায়, বিএনপির সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ আসামির সবাইকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে উক্ত রায় প্রদান করেন আদালত।
আসামিদের মধ্যে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং বিএনপিকর্মী আরিফুর রহমান ও রিপনকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও কলারোয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের বাচ্চুকে ৯ বছরের কারাদণ্ড এবং বাকি ৪৬ জনকে দুই থেকে সাত বছরের সাজা দিয়েছে আদালত।

সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবীর জনাকীর্ণ এজলাসে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত আসামিদের কেউ এই রায়ে খালাস পাননি।আসামিদের মধ্যে কারাগারে থাকা ৩৪ জন রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি ১৬ জনকে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলে। দণ্ডিতরা সবাই বিএনপি নেতাকর্মী।

আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী এবং আসামি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের স্ত্রী শাহনাজ পারভিন বকুল রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "এটা সাজানো। আমরা হাই কোর্টে যাব। আমরা সেখানে নিশ্চয় ন্যায্য বিচার পাব।"

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর বলেন, "আমরা সন্তুষ্টও না, অসন্তুষ্টও না। রায় পর্যবেক্ষণ করে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।"

২০০২ সালে এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী 'ধর্ষণের শিকার' হলে ওই বছর ৩০ অগাস্ট শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে তাকে দেখে মাগুরায় যাওয়ার পথে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে।

সে সময় হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক দ্রব্য ও অস্ত্র আইনে তিনটি মামলা করা হয়। কিন্তু এক আসামি হাই কোর্টে গিয়ে মামলা বাতিলের আবেদন করলে আদালতে স্থগিতাদেশ দেয়। তাতে মামলার কার্যক্রম ঝুলে থাকে দীর্ঘদিন।হাই কোর্ট গতবছর অক্টোবরে তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিলে নভেম্বরে ফের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি রায়ের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধায্য করে, সেদিনই জামিনে থাকা ৩৪ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠান বিচারক। 

এ রায়কে ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আদালত এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সংবাদকর্মীরাও রায়ের সংবাদ সংগ্রহের জন্য আদলতে উপস্থিত হন।

রায়ের পর আদালতের বাইরে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিগণ।

উক্ত আনন্দ মিছিলে অংশ গ্রহণ করেনসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক এমপি, ও স ম জগলুল হায়দার এমপি, অতিঃ এটর্নী জেনারেল এড. মুনির হোসেন ও সহঃ এটর্নী জেনারেল সন্ধিপ রায়, সুপ্রীম কোটের আইনজীবী মোহাস্মাদ হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আ হ ম তারেক উদ্দীন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু,  সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল আযম লেলিন, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, পিপি এড. আব্দুল লতিফ, স্পেশাল পিপি এড. জহুরুল হক বাবু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এড. অনিত মুখার্জি ও কলারোয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সাতক্ষীরা পৌর সভাপতি মেয়র প্রার্থী শেখ নাসেরুল হক, সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রশিদ, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এড. আল মাহমুদ পলাশ।

যুবলীগনেতা মিজানুর রহমান, কৃষকলীগনেতা এড. শম্ভু নাথ সিংহ, শ্রমিকলীগনেতা এড. তামিম হোসেন সোহাগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগনেতা এড. সাইদুজ্জামান। 
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ এবং আওয়ামালীগ ও বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

ঝিকরগাছায় জায়গাজমি নিয়ে সংঘাতে থানায় অভিযোগ

ঝিকরগাছায় জায়গাজমি নিয়ে সংঘাতে থানায় অভিযোগ

আফজাল হোসেন চাঁদ : যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসদরের পুরন্দুরপুর রিফুজীপাড়া গ্রামের জায়গাজমি ও পারিবারিক সংঘাত নিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫) নামের একব্যক্তি ৬জনকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। অভিযোগে আসামীরা হল, পৌরসদরের পুরন্দুরপুর রিফুজীপাড়া গ্রামের মৃত আইজেল গাইনের ছেলে জালাল গাইন (৫০), সালাম গাইন(৪৬) ও বাবলু গাইন(৫৫), জালাল গাইনের ছেলে জনি(১৮),  জালাল গাইনের স্ত্রী মোছাঃ সেলিনা(৪২) এবং সালাম গাইনের স্ত্রী মোছাঃ শম্পা(৪০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিবাদীদের সহিত বাদীর জায়গাজমি ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। এমতাবস্থায় গত ১ফেব্রুয়ারি সকাল অনুমান ১০টার সময় উক্ত বিবাদীগন হাতে গাছিদা, লোহার রড, বাঁশের লাঠিসোঠায় সজ্জিত হয়ে পূর্বের বিরোধের জের ধরে বে-আইনি জনতাবদ্ধে বাদীর বসত বাড়ির আঙিনায় অনধিকার প্রবেশ করে বাদীকে অহেতুক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। বাদী, বিবাদীদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় ৩নং বিবাদী হুকুমে ১নং বিবাদী গাছিদা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে কোপ মেরে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। বাদীর কোলে থাকা বাদীর ৪বছরের মেয়ে সামিয়া খাতুনকে জোরপূর্বক কোল থেকে নিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। ২নং বিবাদী লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে বাদীর মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। তখন বাদী মাটিতে পড়ে গেলে ২,৩,৪,৫ও ৬নং বিবাদীগন লোহার রড, বাশের লাঠিসোঠা দিয়ে বাদীকে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নীলাফোলা রক্তাক্ত জখম করে। মারপিটের এক পর্যায়ে ৪নং বিবাদী, বাদীর পরিহিত প্যান্টের পকেটে নগদ ৫০ হাজার টাকার জোরপূর্বক নিয়ে নেয়। তখন বাদীর ডাক-চিৎকারে বাদীর স্ত্রী ও সাক্ষীগণসহ আশেপাশের লোকজন আগিয়ে আসলে বিবাদীগণ বাদীকে প্রকাশ্য জীবননাশের বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে বাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসারত অবস্থায় আছে। এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঘটনার বিষয়ে আমার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদায় নিলো যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন

বিদায় নিলো যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন

সুমন হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:
যশোর পুলিশ লাইন্স  থেকে বিদায়ী পুলিশ সুপার মহোদয়কে বাংলাদেশ পুলিশের চিরায়ত নিয়ম অনুযায়ী বিদায় জানানো হয়।অদ্য ০৪/০২/২০২১ খ্রিঃ সকাল ০৯.০০ ঘটিকায় যশোর পুলিশ লাইন্স থেকে বাংলাদেশ পুলিশের চিরায়ত নিয়ম অনুযায়ী বিদায়ী পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, পিপিএম মহোদয়কে সুসজ্জিত গাড়িতে করে রশি টেনে পুলিশ লাইন্স হতে বিদায় জানানো হয়।

এসময় বিদায়ী পুলিশ সুপার মহোদয়কে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
পুলিশ সুপার মহোদয় সকল সহকর্মীর সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় পুলিশ লাইন্সে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সকল সহকর্মীর চোখে-মুখে তাদের প্রিয় অভিভাবক কে হারানোর চিহ্ন লক্ষ করা যায়। পুলিশ সুপার মহোদয় সকলকে হাত নাড়িয়ে শেষ বারের মত বিদায় নেন।

উল্লেখ্য সদ্য বিদায়ী সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের সরকারি চাকরির স্বাভাবিক নিয়মের পরিক্রমায় বদলী সূত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগদান করতে যাচ্ছেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ যশোরের সকল ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ ও ফোর্সদ্বয়।

কিশোরগঞ্জে টেন্ডারের বালু ক্রয় করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কপালে চিন্তার ভাঁজ

কিশোরগঞ্জে টেন্ডারের বালু ক্রয় করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কপালে চিন্তার ভাঁজ

লাতিফুল আজম,নীলফামারী প্রতিনিধিঃনীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চাড়ালকাটা নদী খননের স্তুপকৃত বালু,পত্রিকায় প্রকাশিত টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে সিয়াম ট্রেডার্স-ঢাকা, ১৬ লাখ টাকা মূল্যে ক্রয় করে নির্ধারিত মাপের বালু চুরি হয়ে যাওয়ায় ১০ শতাংশ বালু  মজুদ পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের উঁচু সন্ন্যাসী পাড়া গ্রামের ৩৫ ও ৩৬ নং বালুর লটে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
 অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সোহাগ হোসেন, সরেজমিন অনুসন্ধান না করে পত্রিকায় প্রকাশিত টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে ১৬লাখ টাকায় ৩৫ ও ৩৬ নং লটের বালু সরবরাহ করতে এসে দৃশ্যমান হয়, স্তুপকৃত ৯০শতাংশ বালু রাতের আধারে চুরি হয়ে যাওয়ায় ২ লটে ১০ শতাংশ বালু জমা আছে। উক্ত  লটের বালু লুট হয়ে যাওয়ায় সঠিক মাপ বুঝিয়ে না দেয়ায় সিয়াম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। সেখানে উক্ত পরিমান বালু না থাকায় অন্য দিক থেকে মাপের পরিমান বালু বুঝে দেয়ায় জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানান।  
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা বেগম জানান অভিযোগ পেয়েছি, ওনি বালুর লট দেখে কিংবা না দেখে ক্রয় করেছেন তা আমি জানিনা। আর বালু ইজারা দেয়ার ইখতিয়ার সম্পূর্ণরুপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের।
সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল সরকার বলেন, সিয়াম ট্রেডার্স বালুর লট, কোড দেখে বালু ক্রয় করেছেন। ওই লটের বালু ইতিমধ্যে সরবরাহ করে এখন ভিন্ন কথা বলছেন। 
বাহাগিলী ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহ্ দুলু বলেন, সিয়াম ট্রেডার্সের মালিক বালু সরবরাহ করার  আগে অধিকাংশ বালু রাতের আধারে চুরি হয়ে যায়।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কুমার নদের নাগিরাট ঘাটে একটি ব্রীজের অভাবে ৫০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কুমার নদের নাগিরাট ঘাটে একটি ব্রীজের অভাবে ৫০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ


সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কুমার নদের নাগিরাট ঘাটে একটি ব্রীজের অভাবে ৫০ গ্রামের মানুষের দূর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এক সময় নদী কেন্দ্রিক ব্যবসা বন্দর ছিল নাগিরাট বাজার।

নদের নাব্যতা সংকট ও একটি ব্রীজের অভাবে নাগিরাট বাজার তার যৌবন হারিয়েছে। এখানে একটি ব্রীজ এলাকার জনগনের দীর্ঘদিনের দাবী। নাগিরাট বাজারে একটি ব্রীজ নির্মাণ হলে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ জনগনের দূর্ভোগ কমবে বলে এলাকাবাসীরা দীর্ঘ দিন দাবী জানিয়ে আসছে।

সরেজমিনে দেখা যায় নাগিরাট বাজারে বর্তমানে একটি খেয়া ঘাট রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে জনসাধারন নদী পারাপারের জন্য নৌকা থাকলেও বর্তমানে পানি কম থাকার কারনে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সহ জনসাধারন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বর্তমানে বাঁশের সাকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পানিতে নদী পরিপূর্ন হলে খেয়া নৌকা ছাড়া পার হবার কোন উপায় থাকেনা। প্রতি দিন এই ঘাট দিয়ে স্কুল,কলেজ,বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরাসহ হাজার হাজার জনসাধারন নদী পার হয়। ইতি পূর্বে এই ঘাট দিয়ে খেয়া নৌকা পার হতে গিয়ে মৃত্যেুর ঘটনা ঘটেছে একাধিকবার। জনসাধারণের মালামাল নিয়ে পার হতে হিসশিম খেতে হয়, রীতিমত গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে ঘাটটিতে ব্রীজ না থাকায় ।এইঘাট দিয়ে নদীর উত্তরে দামুকদিয়া,মাধবপুর,দোহা-নাগিরাট,শিতালী,দলিলপুর,আওদা,কমলনগর,বগুড়া, লাঙ্গলবাঁধ,নন্দিরগাতি,ধাওড়া,ধলহরাচন্দ্র চরধলহরা,বরিয়া,ছাঁইভাঙ্গা, কুশবাড়িয়া, পাইকেনপাড়া,সহ আরো বেশকিছু গ্রাম এবং দক্ষিণে রয়েড়া,আড়–য়াকান্দি,ভান্ডারীপাড়া,বকশীপুর,শেখড়া, গোপালপুর,বাগুটিয়া,নাকোইল,ফলিয়া,রঘুনন্দনপুর,আশুরহাট,মনোহরপুর,নিত্যানন্দপুর,সাবাসপুর, হাটফাজিলপুর সহপ্রায় ৫০ গ্রামের লোকজন পার হয়।

ব্রীজ না থাকায় পন্য পরিবহন ব্যয় বেড়েছে, ১ মণ মালামাল বাজারজাত করতে পরিবহন খরচ হয় ৫০-৬০ টাকা । অথচ ব্রীজ হলে তা ২০ টাকায় বাজারজাত করা সম্ভব বলে মনে করে ভুক্তভোগীরা।

নাগিরাট গ্রামের মো: নজরুল ইসলাম বলেন, কৃষি অধ্যুষিত প্রায় ৪০-৫০গ্রামের লোকজন চলাফেরা করে এই ঘাট দিয়ে, তাই জরুরী হয়ে পড়েছে নাগিরাট ঘাটে একটি ব্রীজ। মাধবপুর গ্রামের ডা: মাসুদ ও তাপস বলেন, নাগিরাট বাজারে একটি ব্রীজ এখন সময়ের দাবী। এখানে একটি ব্রীজ হলে অবহেলিত ৪০-৫০ গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে। এব্যাপারে খেয়া ঘাটের দায়িত্বে থাকা মাঝি লাড্ডু কুমার জানান তার বাপ দাদুরা নৌকায় জনসাধারন কে পারাপার করত আমরা সেটা ধরে রেখেছি । তবে সরকারী ভাবে এ খেয়া ঘাট বন্ধোবস্ত নেওয়া হয়না । প্রতিদিন ২/৩শ টাকা আয় হয় তাতে কোন রকম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জীবন যাপন করি । এলাকাবাসীরা নাগিরাট বাজারের খেয়া ঘাটে একটি ব্রীজ নির্মানের জন্য সরকারের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।

নড়াইলে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে কটুক্তি তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ

নড়াইলে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে কটুক্তি তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ

মো: আজিজুরবিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার নড়াইলঃ২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জেষ্ঠ্য সহ সভাপতি তারেক রহমান (জিয়া) ইষ্ট লন্ডনের এন্ট্রিয়াম ব্যাংক ওয়েট হলে যুক্তরাজ্য বিএনপি অনুষ্ঠিত সমাবেশে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার ও পাক বন্ধুসহ নানা আপত্তিকর বক্তব্য দেন।
সেই সংবাদ দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে (যায়যায় দিন) তা প্রকাশিত হয়।

নড়াইলের বীরমুক্তিযোদ্ধা মো.শাহাজান বিশ্বাস ওই সংবাদ পড়ে ক্ষুদ্ধ হন, এবং জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মান হানী হয়েছে এই মর্ম্মে নড়াইল জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-২ এ মানহানী মামলা করেন। 

এই মামলায় তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়।
আসামি পলাতক থাকা অবস্থায় আদালতের বিচারক জামাতুল মোর্শেদা আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় তারেক জিয়াকে ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্দ,১০ হাজার টাকা জরিমানা,অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন।

সরকার পক্ষে কৌশুলী সঞ্জিব কুমার বসু বলেন, রায়ে বাদী ও জেলা আওয়ামীলীগ সন্তুষ্ট হয়েছেন আসামি তারেক জিয়া পলাতক থাকা অবস্থায় বিচারক জামাতুল মোর্শেদা এই রায় প্রদান করেন।

সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী হত্যা আর পাচার রোধে রেড অ্যালার্ট জারি

সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী হত্যা আর পাচার রোধে রেড অ্যালার্ট জারি

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ 
সুন্দরবনের অভ্যন্তরে বাঘ, হরিণসহ বন্যপ্রাণী হত্যা আর পাচার রোধ  সুন্দরবন পূর্ব বিভাগে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন মৌখিক ভাবে বুধবার(৩ ফেব্রয়ারী) রেড অ্যালাট বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট সকল ফাড়ি ও ক্যাম্প গুলোকে  নির্দেশনাদেন।

  সম্প্রতি বনের ভেতর ও সংলগ্ন এলাকায় বন্যপ্রাণী নিধন বেড়ে যাওয়ায় এ রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। পাশাপাশি বনরক্ষীদের টহল জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বনে ছোট ডিঙি নৌকা চলাচলের ওপরও সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়াসহ কোনো কোনো স্টেশন এলাকায় সব ধরনের পাস-পারমিট ইস্যু বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সুন্দরবনে বৈধ পাস-পারমিট নিয়ে যেসব জেলে-বনজীবী গিয়েছিলেন, তাদের বন থেকে বেরিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছে বন বিভাগ।

সাম্প্রতিককালে বনের অভ্যন্তরে বাঘ, হরিণসহ বিভিন্ন চোরা শিকারি ও পাচারকারী চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বন বিভাগ, র‍্যাব, পুলিশ, কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বন্যপ্রাণী নিধন রোধে ব্যাপক অভিযান চালালেও কোনোভাবেই থামছে না সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী হত্যা। এর মধ্যে গত তিন দিনে চারটি মাথাসহ ১০৯ কেজি হরিণের মাংস জব্দ এবং পাঁচ শিকারিকে আটক করা হয়েছে।

নলছিটিতে ৫শতাধিক শীতার্তদের মাঝে উদয়নের শীতবস্ত্র বিতরণ

নলছিটিতে ৫শতাধিক শীতার্তদের মাঝে উদয়নের শীতবস্ত্র বিতরণ

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারঃ 
বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা 'উদয়ন সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার' উদ্যোগে ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫শতাধিক অসহায়, দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। নলছিটি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শীতার্ত এসব মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি  ছিলেন নলছিটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেন। উদয়নের নির্বাহী পরিচালক মো. মিরাজ খানের সভাপতিত্বে এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোর্শেদা লস্কর, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আল-আমিন তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, 'উদয়ন সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা' সব সময় সমাজের পিছিয়েপড়া মানুষের উন্নয়নে জন্য কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁরা ঝালকাঠি জেলায় পাঁচ শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র তুলে দেবেন।

হযরত ইউসুফ শাহ (রহঃ) বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

হযরত ইউসুফ শাহ (রহঃ) বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃকুলাউড়া উপজেলার ৮নং রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর হযরত ইউসুফ শাহ রহঃ এর ঈসালে সাওয়াব উপলক্ষে খতমে কোরআন,খতমে বুখারী, খতমে খাজেগান ,মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।  ০৩/০২/২০২১ ইং ২০ মাঘ রোজ বুধবার  দুপুর ২ ঘটিকা হইতে মধ্য রাত পর্যন্ত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন, এ.কে.এম মোজ্জামেল আহমদ। প্রধান অতিথির বয়ান পেশ করেন হযরত মাওঃ সোহরাব হোসেন সাহেব, একরাম নগরী।
প্রধান বক্তার বয়ান পেশ করেন  হযরত মাওঃ মখলিছুর রহমান সাহেব, হবিগঞ্জী।

বিশেষ অতিথির বয়ান পেশ করেন , হযরত মাওঃ আব্দুস সালাম সাহেব, সুপার ভবানীপুর ছি,পি দাখিল মাদ্রাসা।  হযরত মাওঃ আহসান হাবীব রাজুল, ইমাম বি,আর,টিসি,এল পাঞ্জেগানা জামে মসজিদ কুলাউড়া। হাফিজ মাওঃ আব্দুর রাজ্জাক সাহেব, ইমাম ও খতিব পশ্চিম ভবানীপুর জামে মসজিদ।  হযরত মাওঃজসিম উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক ভবানীপুর ছি,পি দাখিল মাদ্রাসা।

আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন, ৮নং রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জামাল।  বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সম্ভব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সৈয়দ ইকবাল সালাম।

হযরত ইউসুফ শাহ রহঃ মাজার শরিফ এর সাধারণ সম্পাদক  সিরাজুল ইসলাম শায়েখ বলেন, উক্ত মোবারক মাহফিলে সকলের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় আলহামদুলিল্লাহ সুন্দরভাবে ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।

দিনাজপুরে ২ টাকার ব্যাংকের উদ্যোগে শীত বস্ত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

দিনাজপুরে ২ টাকার ব্যাংকের উদ্যোগে শীত বস্ত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

মামুনুর রাশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ ৪ ফেব্রুয়ারি'২০২১ ইং সকাল সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা উদ্ভাবন ২ টাকার ব্যাংকের উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শীত বস্ত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর  সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস. এইচ. এম. মাগ্ফুরুল হাসান আব্বাসী।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সভাপতি দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব মোঃ ফরিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল প্রমূখ। 

সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোসাদ্দেক হোসেন এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন কুমার রায়, সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারি ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। 

বিদ্যালয়ের শিক্ষা উদ্ভাবন ২ টাকার ব্যাংকের উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শীত বস্ত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৃক্ষ রোপণ, বিজ্ঞান ক্লাব ও পরিবেশ ক্লাব উদ্বোধন এবং বিদ্যালয়ের ফটো অ্যালবাম এর মোড়ক উম্মোচন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস. এইচ. এম. মাগ্ফুরুল হাসান আব্বাসী।

দেশে কোন মানুষ অসহায় ও দরিদ্র থাকবে না হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি

দেশে কোন মানুষ অসহায় ও দরিদ্র থাকবে না হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি

মামুনুর রাশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভুমিহীন ও গৃহহীনদের মাজে যে বাড়ী দেয়া হয়েছে তা বিশ্বের আর কোন দেশে হয়নি। বিশ্বের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করলো বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে আর পিছনে থাকতে হয়নি বাংলাদেশকে। যতই দিন যাচেছ ততই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে এগিয়ে যাচ্ছে। মুজিববর্ষের কোন গৃহহীন ও ভুমিহীন থাকবে না। খুজে খুজে বের করতে হবে গৃহহীন ও ভুমিহীনদের। তিনি বলেন, এ দেশের মানুষের কল্যানের জন্যই বার বার জনগন শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন।এ দেশের কোন মানুষ অসহায় থাকবে না। দরিদ্র থাকবে না। আওয়ামীলীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে এ দেশের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যানে কাজ করে যাবে। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার।
৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারদের মাঝে প্রদানকৃত নতুন বাড়ী দিনাজপুর সদর উপজেলার ১নং চেহেলগাজী ইউনিয়নের "বড়াইল জয় বাংলা পল্লী"২নং সুন্দরবন ইউনিয়নের "বেলবাড়ী জয় বাংলা পল্লী ও কালিকাপুর জয়বাংলা পল্লী" ও ৩নং সুন্দরবন ইউনিয়নের "গুদিপাড়া জয় বাংলা পল্লী" পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী অফিসার মোঃ মাগফুরুল হাসান আব্বাসী, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সোহাগ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আরা  সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ শাহ, শহর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রায়হান কবীর সোহাগ, সাধারন সম্পাদক এস এম খালেকুজ্জামান রাজু, জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ২নং সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অসোক কুমার রায়, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা ইউসুফ তালুকদা, মানবেন্দ্র রায়, আনোয়ার হোসেন, উত্তম কুমার, অভিজিৎ, মোঃ জর্জিস সোহেল,মোতাহার হোসেন প্রমুখ।






অন্ধ প্রতিবন্ধী ও অসহায় বিধবা‘র ভুমি জোরপূর্বক ভোগ দখল অপচেষ্টার প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

অন্ধ প্রতিবন্ধী ও অসহায় বিধবা‘র ভুমি জোরপূর্বক ভোগ দখল অপচেষ্টার প্রতিবাদে দিনাজপুরে  মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

মামুনুর রাশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি : অন্ধ প্রতিবন্ধী ও অসহায় বিধবা'র বসতবাড়িসহ জায়গা-জমি জোরপূর্বক ভোগ দখলের প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে স্থানীয়রা।
রুখে দাড়াও দিনাজপুর ব্যানারে দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সন্মুখ সড়কে দিনাজপুরবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে স্থানীয় পাটুয়াপাড়া মহল্লার কয়েক শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,একজন অন্ধ-প্রতিবন্ধী ও অসহায় বৃদ্ধার জমি রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমরা সাহায্য চাই। তারা বলেন, ভুমিদস্যুরা মরিয়া হয়ে অন্ধের জমি আত্বসাত্বের জন্যে চেষ্টা চালাচ্ছে,ন্যায় প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ওই সমস্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির আহবান জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শেখ তামজিদ অন্তর,সাউফ খাঁন,নাঈম সরকার ও মীর্জা আলী প্রমুখ।
উল্লেখ,দিনাজপুর শহরের কাঞ্চন মৌজার জেএল নং ৬১ এবং সিএস-১৫২.এসএ-২১২,সিএস-১৫১ এসএ ২১১ এর ৬৮,৬৯ ও ৭০ নাং দাগের ১১৫ শতক জমির মধ্যে ৩৬ দশমিক ৭৫ শতক জমি দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে ভুমিদস্যুরা।


চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে করা প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষকদের নিন্দার ঝড়

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে করা প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষকদের নিন্দার ঝড়
মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ
মোংলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ পরিবেশনের কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মিঠাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে করা সংবাদের জেরে বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনও করেন মুক্তিযোদ্ধাদের একপক্ষ। 

এদিন মুত্তিযোদ্ধা যুগল কিশোর হালদার লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যন ইস্রাফিল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এ সংবাদ মিথ্যা ও বানোয়াট বলেও উল্লেখ করেন। 

তিনি এসময় দাবি করেন, সাজানো ও দুরভিসন্ধিমূলক এ সংবাদ একটি স্বার্থান্বেষী মহল পূর্ব থেকেই নিজেদের মধ্যে যোগসুত্র স্থাপন করে প্রকাশিত করে। কল্পনাপ্রসূত ও অসৎ উদ্দেশে এই প্রতিবেদনটি করানো হয় বলেও দাবি করেন একাত্তরের রনাঙ্গনের এই মুক্তিযোদ্ধা। 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মিঠাখালী ইউনিয়ন মক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, মক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ ও রফিকুল ইসলাম। 

এছাড়া চেয়ারম্যান ইস্রাফিল হাওলাদারের বিরুদ্ধে শিক্ষক লাঞ্চনার অভিযোগে করা প্রকাশিত অপর একটি সংবাদেরও প্রতিবাদ জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। স্থানীয় শান্তিময় নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিতোষ মিস্ত্রি লিখিত বক্তেব্যে ওই সংবাদের নিন্দা জানান। সংবাদটি উদ্দ্যেশেমূলক বলে দাবি করা হয় এসময়। 

এ সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক পরিতোষ মিস্ত্রি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক ভবেষ চন্দ্র হাওলাদার, দুলাল হালদার, ধিমান মিস্ত্রি, বিথিকা শিকদার, কৃত্যনিয়া,  ও বিশ্বনাথ মজুমদার। 

প্রসঙ্গত, গত দুদিন ধরে মিঠাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যন ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইস্রাফিল হাওলাদারকে শিবির ক্যাডার উল্লেখ করে তার সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার ও শিক্ষকদের লাঞ্চনা করার সংবাদ প্রকাশ পায়। 
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান ইস্রাফিল বলেন, 'আমার কিছু বলার নাই যা সত্য মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষরাই তাই সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন।

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে ০৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে ০৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে ০৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড

পদের বিবরণঃ

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.jagojobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১

সূত্র: জাগোজবস ডটকম


সাংবাদিককে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে ও আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

সাংবাদিককে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে ও আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

সম্রাট হোসেন,  ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির কে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ ব্যাপারীপাড়া সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে জেলা রিপোর্টাস ইউনিটি। মানববন্ধন শেষে সাংবাদিকরা একটি প্রতিবাদ র‌্যালী নিয়ে শহরের পায়রা চত্বর প্রদক্ষিন করে নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে ফিরে আসে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা রিপোর্টাস ইউনিটির নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত সাংবাদিকরা। 

বক্তারা বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনিরকে শৈলকুপার কাঁচেরকোল থেকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা। নির্যাতন শেষে মারা গেছে ভেবে বুধবার ভোরে তাকে ধাওড়া গ্রামে রাস্তার ধারে হাত-পা ও চোঁখ-মুখ বেধে ফেলে রেখে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা হাসপাতালে ভর্তি করে। 
মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে যদি একজন সাংবাদিকের সাথে এমন বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে তাহলে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়? 

বক্তারা আরো বলেন, কাঁচেরকোল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন ওরফে বাবু মিয়া ডিশ বাবু হিসেবে পরিচিত। এলাকায় গড়ে তুলেছে মাদক সিন্ডিকেট। বর্তমানে তার ছত্রছায়ায় উঠতি বয়সী একদল যুবক মাদকাসক্ত হয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছে।
২০১৫ সালে শৈলকুপা থানা পুলিশের এএসআই মনির হাজরা ও একাধিক পুলিশ সদস্যকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে তার বাহিনী। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়। এছাড়াও ডিশ বাবুর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন ও চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। সম্প্রতি সে জেল থেকে বের হয়ে এসে আবারো এলাকায় সকল প্রকার অপকর্মের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
অবিলম্বে ডিশ বাবুসহ আসামীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

চৌগাছায় মর্জাদ বাওড়ের মৎস আহরণের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

চৌগাছায় মর্জাদ বাওড়ের মৎস আহরণের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের চৌগাছা উপজেলার মর্জাদ বাওড়ের মৎস আহরণের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারটায় বাওড় ব্যবস্থাপকের কার্যলয় প্রাঙ্গনে বিল,বাওড়(রাজস্ব) মৎস উন্নয়ন প্রকল্প, যশোর এর পরিচালক মোঃ মোশাররফ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন (যশোর -২) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল অব. ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দীন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চৌগাছা উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান ড. মোস্তানিছুর রহমান, এমপি পত্নী প্রফেসর ডাঃ রওশনারা, চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ এনামুল হক, চৌগাছা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র, চৌগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউপি চেয়ারম্যান  জনাব মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, জেলা পরিষদ এর সদস্য হাবিবুর রহমান,  ঝিকরগাছা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সেলিম রেজা।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শরিফুল ইসলাম, হাকিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাহী সদস্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সাদেকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক হাসেম আলী, চৌগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ আকরামুল ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগ নেতা সৌরভ রহমান বিপুল,মিনহাজুর রহমান জিসাদ সহ মর্জাদ বাওড় মৎস সমবায় সমিতির সদস্যবৃন্দ, মৎস বিভাগের বিভিন্ন স্থরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। 

একজন দক্ষ টিউটর ও আমার অভিভাবক

একজন দক্ষ টিউটর ও আমার অভিভাবক

ফুজিয়ান এগ্রিকালচার এবং ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটিতে চাইনিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ (CSC Scholarship) হয়ে যাওয়ায় উচ্চতর ডিগ্রী (পিএইচডি) অর্জনের উদ্দেশ্যে চীনে আসা। তবে ওটা ছিল আমার চীনের দ্বিতীয় সফর। এর আগে ২ মাসের একটা অফিসিয়াল প্রশিক্ষনে চীনের সিচুয়ান প্রদেশের ছেংদু শহরে কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছিলাম। বলতে গেলে সেখান থেকেই চীনের প্রতি একটু দুর্বল ছিলাম। কারন ওই দুই মাসে চীনের প্রযুক্তি, রাস্তাঘাট, চীনাদের সম্পর্কে ভালো ধারণা হওয়ার পাশাপাশি তাদের আতিথেয়তা আমাকে অনেক মুগ্ধ করেছিল। তাই প্রশিক্ষন শেষে দেশে ফিরে পিএইচডি এর সুযোগ আসায় সেটা আর মিস করিনি। চীনাদের সম্পর্কে অনেকের খারাপ ধারনা আছে। কিন্তু আমি বলব কারো সম্পর্কে মন্তব্য করার আগে তাদের সাথে মিশে এবং বুঝে মন্তব্য করতে হবে। সেটা শুধু চীনা জাতিগোষ্ঠী না বরং সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া উচিৎ বলে আমার মনে হয়। আজ আমার পিএইচডি টিউটর/সুপারভাইজার, আমার চীনের অভিভাবকের সম্পর্কে কিছুটা লেখার চেষ্টা করেছি।  

আমার সুপারভাইজার একজন চাইনিজ কানাডিয়ান, তাই ওনার সাথে আমার খুব কমই সাক্ষাত হয়। কানাডার একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার পাশাপাশি একটা রিসার্চ ডিভিশনের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন উনি। বেশিরভাগ সময়ই ইমেইল, ওভার ফোনে আমাদের যোগাযোগ হয়। চীনে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরও কিছু স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে গবেষণা সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত থাকায় ২/৩ মাস পরপর উনি কানাডা থেকে চীনে আসেন। ওনার সাথে আমার প্রথম সাক্ষাত হয়েছিল আমার এখানে আসার প্রায় ২ মাস পরে। সবার মুখে শুনে এসেছি পিএইচডি সুপারভাইজার ‘সেকেণ্ড গড’ অর্থাৎ অনেক ভয়ানক হয়। সেজন্য যেদিন প্রথম দেখা করতে গিয়েছিলাম সেদিন আমিও অনেক ভয়ে ছিলাম। না জানি আজ কপালে কি আছে। সেজন্য নিজের হৃদস্পন্দন নিঃসন্দেহে অনেক বেড়ে গিয়েছিল।

সুপারভাইজার গাড়ীতে করে আমাদের ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রদের ডরমেটরির গেটে আসার মিনিট পাঁচেক আগে আমাকে কল দিয়ে জানালেন। সেদিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সাথে ঠান্ডাটাও পড়েছিল বেশ। তারপরেও সুপারভাইজার দেখা করতে আসছে এই ভয়ে আমি যথাসম্ভব দ্রুত তৈরি হয়ে গেটে আসতেই দেখি ওনার গাড়ী এসে হাজির। গাড়ীর চালকের আসনে বসা ছিল আমার পূর্বপরিচিত আমাদের কলেজের একজন শিক্ষক এবং পেছনের আসনে সুপারভাইজার। আমি এসে চালকের পাশের আসনে বসতে বসতে সুপার ভাইজারের সাথে হাই হ্যালো হতে উনি আমার দিকে হ্যান্ডশেক করার জন্য ওনার বাম হাতটা এগিয়ে দিলেন। আমিও নিজের বাম হাতটা দিয়েই হ্যান্ডশেকের কাজটা সারলাম। পরে নিজের বাম হাত এগিয়ে দেওয়া নিয়ে চিন্তা করলাম হয়ত আমার প্রথম বুদ্ধির পরীক্ষা ছিল ওটা যে আমি ওনার দিকে কোন হাত দিই (আমার ধারণা ভুল ও হতে পারে)।

এরপর কাছাকাছি একটা হোটেলের লবিতে গিয়ে আমরা বসলাম এবং নিজেদের মধ্যে প্রয়োজনীয় কিছু কথাবার্তা সেরে নিলাম। সুপারভাইজার প্রথমে আমার স্কলারশিপের পরিমান কত এটাতে আমি চলতে পারব কিনা, ফ্যামিলি নিয়ে আসলে চলতে কোন সমস্যা হবে কিনা এসব বিষয়ে জানতে চাইলেন। আমি সব কিছুতেই হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলাম। প্রাসঙ্গিক আরও কিছু কথা শেষে আমার কাছে জানতে চাইলেন ওনার কাছে আমার কোনকিছু বলার বা চাওয়ার আছে কিনা। সেসময় অনেক ভয় কাজ করছিল আমার মাঝে। সেজন্য কোনকিছুই না ভেবে আমি উত্তর দিলাম ‘না’। পরে আমাকে ওনারা গাড়িতে করে আমার ডরমেটরিরর গেটে পৌঁছে দিয়ে চলে গেলেন। যাওয়ার আগে বলে গেলেন পরদিন সকালে আমাকে ক্যাম্পাসে নিয়ে যাবেন। 

সকাল ৭.১৫ মিনিটে আমাকে সময় দিলেন তৈরি থাকার জন্য। আমি আগেভাগেই তৈরি হয়ে ওনার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ঠিক ৭.১৩ মিনিটে উনি গাড়ীর গ্লাস নামিয়ে আমাকে ডাকছেন। আমি গিয়ে দেখলাম ওনার সাথে অন্য একজন শিক্ষক আছেন। খুব অল্প সময়ের ভিতরেই আমরা ক্যাম্পাসে পৌঁছে গেলাম। ক্যাম্পাসে এসে আমার সুপার ভাইজার ওনার রিসার্চ গ্রুপের চারজন শিক্ষকের সাথে একের পর এক পরিচয় করিয়ে দিলেন। উনি যেহেতু কানাডায় থাকেন, তাই এখানে আমার গবেষণার কাজ তত্ত্বাবধায়নের জন্য একজন কো-সুপারভাইজার বাছাই করতে হবে সেটায় স্বাভাবিক। সেই উদ্দেশ্যে, শিক্ষক মহাশয়রা অল্প সময়ের ভিতর খুবই ভালোভাবে তাদের কাজ সম্পর্কে আমাকে ব্রিফিং করলেন। নিজের গবেষণা কাজের সাথে মিল না থাকায় সবার কাজই একটু অন্যরকম লাগছিল। তারপরেও মনযোগের সাথে সবার কাজ নিয়ে চিন্তা করছিলাম। সবশেষে আসছিলেন বর্তমানে যিনি আমার কো-সুপারভাইজার তিনি। 

প্রথমে ওনার হাস্যজ্জ্বল মুখ, অসাধারন বাচন ভঙ্গী, সুন্দর ব্যবহার আমাকে অনেক আকর্ষণ করেছিল। এরপর সৌভাগ্যক্রমে ওনার গবেষণা কাজও আমার সাথে মিলে গেল। আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম ওনার সাথেই আমি কাজ করব। তবে আমি কাকে পছন্দ করব সে সিদ্ধান্তটা নেওয়ার ব্যাপারে ও আমার সুপারভাইজার আমাকে ভাববার জন্য সময় নিতে বলেছিলেন। কিন্তু আমি কালক্ষেপণ না করেই ওই দিনই সন্ধ্যায় আমার সুপারভাইজারকে জানিয়ে দিলাম আমার পছন্দের কো-সুপারভাইজারের নাম। সাথে অন্য যে তিনজন শিক্ষক ছিলেন ওনাদেরকেও জানালাম কেন বর্তমান কো-সুপারভাইজারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। 

স্বাভাবিক ভাবেই পিএইচডি অধ্যায়নের প্রথম বছরে ল্যাবে তেমন সময় দেওয়া হয়ে ওঠে না। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই ক্লাস পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকা লাগে। আমার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয় সেজন্য প্রথম বছরে কো-সুপারভাইজারের সাথে আমার খুব কমই সাক্ষাত হত। কো-সুপারভাইজারের সাথে যখনই দেখা করতাম তখনই মনে হত ভালো মানুষ পৃথিবীতে এখনো অনেক আছে। বর্তমানে প্রায় প্রিতিদিনই আমাদের সরাসরি সাক্ষাতে বা মোবাইলের মেসেজ আদান প্রদানের মাধ্যমে কথা হয়। এককথায় বলতে গেলে আমার চীনে সবচেয়ে সেরা উপহার আমার কো-সুপারভাইজার। সুপারভাইজার এবং কো-সুপারভাইজার দ্বয়ের মত স্বনামধন্য সায়েন্টিস্টের সুপারভিশনে কাজ করতে পেরে সত্যি নিজেকে ভাগ্যবান মনে হয়। আমার ডিগ্রীর এই অর্ধ পর্যায়ে এসে ওনাদের থেকে যেসব সুযোগ সুবিধা আমি পেয়েছি সেটা লিখে শেষ করতে পারবনা, তার মধ্য থেকে আজ সামান্য কিছু স্মৃতিচারন।

চীনে করোনার ভয়াবহতার মাঝামাঝি পর্যায়ে একদিন কো-সুপারভাইজার আমাকে আমাদের কমিউনিটির (আমরা যে বাসায় থাকি) গেটে আসতে বললেন। আমি আসতেই আমাকে নিয়ে সুপারশপে (আমাদের ফ্লাটের গ্রাউন্ড ফ্লোরে) ঢুকে বাজার করে দেওয়ার জন্য পিড়াপিড়ি করতে লাগলেন। বলে রাখা ভালো চাইনিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপের পাশাপাশি সুপারভাইজার আমাকে মাসিক আরো কিছু আর্থিক সুবিধা দিয়ে থাকেন। করোনার কারনে ক্যাম্পাসের হিসাব শাখা বন্ধ থাকায় সেটা কিছুদিন বিলম্বিত হওয়ায় উনি ভাবছেন আমি হয়ত অনেক আর্থিক সংকটের ভিতর আছি। সেজন্য ওনার এই জোরাজুরি। অনেক অনুরোধ করেও সুপারভাইজারকে বোঝাতে পারিনি যে আমার কিছু লাগবেনা। পরে বাচ্চার জন্য বেশ কিছু খাবার-দাবার কিনে দিয়ে চলে গেলেন।

রিসার্চের আলোচনার পাশাপাশি প্রতি মাসেই আমার কাছে উনি কয়েকবার জিজ্ঞাস করেন আমি বেতন পেয়েছি কিনা, কোন সমস্যা আছে কিনা, আমার বাচ্চা কেমন আছে, ফ্যামিলি কেমন আছে, আমার দেশে এখন কি অবস্থা এবং আরও নানান বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। আমি সবকিছুর সঠিক উত্তর দিই এবং বরাবরই বলি আমার টাকার সমস্যা নেই, লাগলে আপনাকে জানাব। করোনা পরবর্তী সময়ে এত কয়বার জিজ্ঞাসা করেছিলেন আমার দরকার না থাকার সত্ত্বেও বলেছিলাম হ্যাঁ আমার কিছু টাকা লাগবে। তখনই উনি আমার উই-চ্যাটে (চীনাদের সর্বাধিক ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম) ২০০০ ইউয়ান (২৫০০০ টাকার মত) ট্রান্সফার করেছিলেন। পরে টাকা পেয়ে সেটা শোধ দিই। এছাড়া উনি আমার কাছে সবসময়ই বলেন যেকোন কোন সমস্যা হলে যেন আমি নিঃসঙ্কোচে উনাকে জানাই তাই সেটা রিসার্চ সংশ্লিষ্ট বা ব্যক্তিগত হোক না কেন।  

একবার আমার ল্যাপটপে ত্রুটি ধরা পড়েছিল, সারাইয়ের জন্য সুপারভাইজার কে বলেছিলাম কারন ত্রুটি মিস্ত্রিকে বোঝানো আমার পক্ষে কষ্টকর ছিল। তখন উনি আমাকে ড্রাইভ করে শো-রুমে নিয়ে ল্যাপটপ সারিয়ে দিলেন। ৩৫০ ইউয়ান বিল হয়েছিল উনি পরিশোধ করলেন এবং বললেন এটা নাকি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রিফান্ড করবেন। 

কিছুদিন পরে ল্যাবে একটা ডেস্কটপ দেওয়ার জন্য রিকুয়েস্ট করেছিলাম কারন সবসময় ল্যাপটপ বহন করা একটা ঝামেলা মনে হত। স্টুডেন্ট দের ডেস্কটপ দেয়ার নিয়ম নেই থাকলে নিশ্চই দিতেন এমনটায় বললেন এবং  আমাকে ল্যাবের একটা কমন ডেস্কটপ ব্যবহার করতে বললেন। তখন আমি বলেছিলাম ওটাতেই হবে। পরে কো-সুপারভাইজার একটা নতুন ডেস্কটপ নিজের টাকায় কিনে আমার ডেস্কে সেট করে দিয়ে গেছেন। সেদিন আমার ল্যাবে যেতে একটু দেরি হচ্ছিল। উনি আমাকে আগে থেকে কিছু না জানিয়ে, হয়ত আমাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য আমার ডেস্কে এসে ডেস্কটপ সেট করে সেটার ছবি তুলে আমাকে পাঠিয়েছিলেন। প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি উনি কিসের ছবি পাঠিয়েছেন। পরে বুঝলাম এটা আমার ডেস্কের ছবি সাথে ডেস্কটপ। 

আমি যে রুমে বসি সেখানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক এবং পোস্ট-ডক্টারল ফেলোরা বসেন। রুমের সবার ব্যবহারের জন্য একটা ওয়াইফাই মোডেম আছে, সেটাতে মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। আমি একদিন কো-সুপারভাইজার কে এ ব্যাপারে বলেছিলাম, কিন্তু এটা বলিনি যে আমাকে একটা নতুন মডেম দিলে ভালো হয়। কেন জানিনা দুইদিন পরেই একটা নতুন মডেম কিনে সেটা আমার ডেস্কে সেট করে দিয়ে গেছেন।  

একদিন সারাক্ষন খুব বৃষ্টি। আমরা সবাই দুপুরের খাবার খেয়ে মোবাইল সাইলেন্স করে ভাত ঘুমে বিভোর। কো-সুপারভাইজার আমাকে না পেয়ে আমার স্ত্রীর উই-চ্যাটে অনেকবার মেসেজ দিয়েছেন নিচে নামার জন্য। আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। পরে আমার মোবাইলে কল দিয়ে নিচে নামতে বললেন। উনি গেটে এসে অনেকক্ষন অপেক্ষা করছিলেন। আমি গিয়ে সরি বলে বললাম ‘আমরা সবাই ঘুমাচ্ছিলাম’ উনি মুচকি হাসি দিয়ে আমাকে একটা ব্যাগ দিয়ে বললেন ‘এখানে তোমার বাচ্চার জন্য কিছু নতুন কাপড় আছে’। আমি বললাম ‘স্যার এগুলো কি জন্য? ওরতো এগুলো অনেক আছে’। উনি জোর করে দিয়ে গেলেন। বাসায় নিয়ে দেখলাম অনেকগুলো ব্র্যান্ডের কাপড় দিয়ে গেছেন। এখানে আসার পরে বাচ্চার বাসায় খেলার জন্য অনেক রকমের খেলনা কেনা হয়েছে। বাসায় ওর মা খেলনা গোছাতে একরকম  হিমশিম খায়। এতগুলোর পরেও সুপারভাইজার বাচ্চার জন্য অত্যাধুনিক কিছু দামি খেলনা কিনে দিয়েছেন। প্রায় প্রতি মাসেই বাচ্চার জন্য খেলনা নিয়ে এসে আমাকে জানান এবং ওনার থেকে নিয়ে আসতে বলেন। 

এখানে আসার পরে সুপারভাইজারের পরিবার সহ আমার রিসার্চ গ্রুপের অন্যান্য বন্ধুরা মিলে আমাদের বাসায় আমরা কয়েকবার একসাথে হয়েছি। এছাড়া ওনার নিজের বাসায় খাওয়া এবং রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পাশাপাশি অনেক সুন্দর পারিবারিক সময় কাটিয়েছি। ওনার স্ত্রী আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। পাশাপাশি খুব ভালো মানের একজন শেফ হওয়ায় বাসায় বানানো বিভিন্ন রকমের ব্রেড, কেক, কুকিজ এগুলো আমাদের বাসার জন্য প্রতিনিয়ত পাঠিয়ে দেন। 

চীনে করোনা ভাইরাসের যখন পিক টাইম চলছিল তখন আমরা (আমি, আমার স্ত্রী ও বাচ্চা) মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েছিলাম। সারাক্ষণই ভাবতাম হয়ত আর বেঁচে দেশে ফেরা সম্ভব না। সেই মুহূর্তগুলো আমার কো-সুপারভাইজার আমাদেরকে একজন দক্ষ অভিভাবকের মত সার্বক্ষণিক মানসিক সাপোর্ট দিয়ে, সঠিক তথ্য দিয়ে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ করনীয় বিষয় নিয়ে প্রতিদিন দিকনির্দেশনা দিতেন। যেটার মূল্য আমরা কোনদিন শোধ দিতে পারবনা।  

এরকম অনেক দৃষ্টান্ত আছে, খুব সংক্ষেপে সামান্য কিছু এখানে তুলে ধরলাম। সবসময় শুনে এসেছি পিএইচডি সুপারভাইজার অনেক ভয়ানক হয়। আমি আমার সুপারভাইজার দ্বয় থেকে এখনো ভয়াবহতার কিছুই পাইনি বরং আমার গবেষণার পাশাপাশি ব্যক্তিগত কাজেও উনাদের থেকে প্রতিটা পদে পদে যে সাহায্য পেয়ে আসছি সেটা একজন কাছের বন্ধুর থেকে ও ঢের বেশি। 

পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনে পাহাড় সমান সুউচ্চ কঠিন পথ পেরিয়ে তারপরেই চূড়ার নাগাল পেতে হয় এই চরম সত্যটুকু আমি অনেক আগে থেকেই জানি। হয়ত সামনে অনেক ভয়াবহতার কিছু আছে এবং সেটাকে মনে ধরেই প্রতিটা পদক্ষেপ ফেলছি। সুপারভাইজার এবং কো-সুপাভাইজার দ্বয়ের অপরিমেয় জ্ঞ্যান, ধৈর্য, উদ্যম ও প্রেরণায় আমার ডিগ্রীর প্রথম অর্ধেক শেষে আমি ফার্স্ট অথর হিসাবে ৪ টি এবং কো-অথর হিসেবে ২ টি মোট ৬ টি মানসম্মত গবেষণা পত্র প্রকাশে সমর্থ হয়েছি। এখানে আমার সবকিছুই অনেক সহজ করে দিয়েছেন আমার সুপারভাইজার দ্বয়। এখন সৃষ্টিকর্তার কাছে এটুকুই প্রত্যাশা যেন ওনাদের প্রিয় হয়ে এভাবেই আমার কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছাতে পারি। 


লেখকঃ অজয় কান্তি মন্ডল

গবেষক

ফুজিয়ান এগ্রিকালচার এবং ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি

ফুজিয়ান, চীন।

সাকিবের ফিফটি, বাংলাদেশের ৩০০'শ পার

সাকিবের ফিফটি, বাংলাদেশের ৩০০'শ পার

তানজিম, স্পোর্টস রিপোর্টার : বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যেকার ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি গতকাল থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে। ম্যাচে  টসে জিতে ব্যাটিং সিদ্ধান্ত নেন টাইগার কেপ্টেন মুমিনুল হক সৌরভ। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ২৪২ রান। 

১ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই ম্যাচে দিয়ে ক্রিকেটের রাজকীয় ফরম্যাট টেষ্টে প্রত্যাবর্তন করেন সাকিব আল হাসান। প্রথম দিন শেষে সাকিব ৩৯ ও লিটন ৩৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন। 

দ্বিতীয় দিনের শুরুতে অ্যারিকেনের বলে ৩৮ রান করে আউট হয়ে ফিরলেও দীর্ঘদিন পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের ফিফটির সাথে যোগ্য সঙ্গ মেহেদী হাসান মিরাজ। এ দু'জনের ব্যাটে বড় সংগ্রহের দিকে এগুচ্ছে বাংলাদেশ৷ 

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই ফিফটি সাকিবের টেস্ট ক্যারিয়ারে ২৫ তম, দেশের মাটিতে ১৭ তম, দলটির বিপক্ষে ৮ম, ছয় নম্বর ব্যাটিং পজিশনে ৮ম, ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৭ম, জহুর আহমেদে ৬ষ্ঠ এবং এবছরের প্রথম অর্ধশতক।

এই প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩০১ রান, সাকিব আল হাসান ১৩৬ বল খেলে ৫ চারে ৬১ রানে অপরাজিত আছেন।

মোংলায় ৪৮৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক

মোংলায় ৪৮৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা: 
মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের টহল দলের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারী) রাতে মোংলার দিগরাজ বাজার সংলগ্ন দিগরাজ ডিগ্রি কলেজ রোড এলাকা থেকে ৪৮৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের গোয়েন্দা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট এম মাজহারুল হক জানান,  ইদানিং মোংলা শহর ও তার আশপাশ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের পক্ষ থেকে টহল জোরদার ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের একটি টহল দল বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারী) রাত ৯ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিগরাজ বাজার সংলগ্ন দিগরাজ ডিগ্রি কলেজ রোড এলাকা থেকে ৪৮৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটকরা হলেন-  খুলনার রুপসা উপজেলার নৈহাটি গ্রামের আমিন হাওলাদারের পুত্র শাফিন হাওলাদার(২৮) ও একই এলাকার শহিদুল শেখের পুত্র শামিম শেখ (২৫)।




লেফটেন্যান্ট এম মাজহারুল হক আরো জানান, কোস্টগার্ডের অভিযানে আটক দুই মাদক ব্যবসায়ী খুলনা থেকে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য নিয়মিত নিয়ে আসতেন এবং মোংলা শহরতলী ও তার আশপাশ এলাকার মাদক সেবীদের কাছে মাদকদ্রব্য সরবরাহ করতেন। আটকদের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে মোংলা থানায় মামলা হলে বৃহস্পতিবার সকালে তাদের জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে গত ২০ জানুয়ারী দিগরাজ বাজারের দিগরাজ বাসস্ট্যান্ট এলাকা থেকে মাহাদী আমিন (৩৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে কোস্টগার্ড। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য সম্পদ রক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চোরাচালানেও কোস্ট গার্ড জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা।

লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে খরনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন করবে ফয়জুল কবির চৌধুরী

লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে খরনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন করবে ফয়জুল কবির চৌধুরী

সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ- লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে  খরনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন ফয়জুল কবির চৌধুরী (টিটু) পেশায় একজন ব্যবসায়ি। ফয়জুল কবির চৌধুরী ঐতিহ্যবাহী খরনা চৌধুরী বাড়ির আবদুর রউফ চৌধুরী। ফয়জুল কবির চৌধুরী দাদা বৃহত্তর খরনার ইউনিয়ন পরিষদের ৩৫ বছর ছিলেন।পারিবারিক ঐতিহ্য রয়েছে চৌধুরী পরিবারের খরনা ইউনিয়ন সর্ব এলাকায়। আধুনিক মডেল খরনা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে উন্নয়ন এগিয়ে নিতে মানবসেবার নিজেকে নিয়োজিত রাখতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে খরনা ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে লাঙ্গল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে এলাকায় সামজিক যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন জননেতা ফয়জুল কবির চৌধুরী। তিনি বলেন এ নির্বাচন অংশ গ্রহণ করে বিজয়ী হলে শিক্ষা, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় সন্রাস মাদক মুক্ত করবে বলে জানান। এছাড়াও হয়রানী মুক্ত আধুনিক মডেল খরনা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে তিনি সকলের সহযোগিতা ও দোয়া এবং  আশীর্বাদ কামনা করেন।

বগুড়ায় ইয়াবাসহ আটক-১

বগুড়ায় ইয়াবাসহ আটক-১

মোঃ সবজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃগুড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ রাকিবুল হাসান রাকিব(২৭) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে শহরের স্টেশন রোড এলাকা থেকে থেকে তাকে আটক করা হয়। সে মালগ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। 

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই ওই যুবক মাদক কেনাবেচা করে আসছিলো। মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ফাঁড়ির এস আই খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে শহরের স্টেশন রোড এলাকা থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ আরো জানায়, আসামীর বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।


রাণীশংকৈলে আগুনে ২০টি বাড়ি পুড়ে ছাই ও ব্যাপক হারে ক্ষয়ক্ষতি

রাণীশংকৈলে আগুনে  ২০টি বাড়ি পুড়ে ছাই ও ব্যাপক হারে  ক্ষয়ক্ষতি

কলিন চন্দ্র (ইতু)রায়,ঠাকুরগাঁওপ্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার পূর্ব রাতোর (হিন্দু পাড়া) গ্রামে বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে আগুন লেগে ২০ টি বাড়ির প্রায় ৪০ টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে মালামালসহ পাঁচ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
.
জানা গেছে ওই গ্রামের পাথানুর বাড়ির ঠাকুর ঘরে সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালাতে গিয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিভাতে রাণীশংকৈল ও পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
.
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো, বুদ্ধি নাথ, ভেনসা, ঘগেন, পাথানু ,মাঝিল ,কামিনী বালা, ধনদেব,বকুল ফুলশরি,হরিপদ,সফিন,গোবিন্দ,আলতা,তুরেন,গদা সহ আরো অনেকে।খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
.
এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদেরকে নগদ ২ হাজার করে টাকা, একটি করে কম্বল,ও কিছু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
.
এই সাথে রাতোর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুস সবুরও নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চিড়ামুড়ি ও গুড় বিতরণ করেন।এ ব্যাপারে ইউএনও বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে পরবর্তী সাহায্যের জন্য লিখিত আবেদন চাওয়া হয়েছে।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ  যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদের বিরুদ্ধে এমপিও কাজে ঘুষ গ্রহণ, শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতি ও অযথা হয়রানি করার অভিযোগের তদন্ত হয়েছে।

একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের অভিযোগ এবং বিভিন্ন পত্রিকায় দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জের ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালক নিভা রাণী পাঠক এ অভিযোগ তদন্ত করেছেন।

২৬ জানুয়ারি তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন, ১ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা হবে। যার স্মারক নম্বর- ৩৭.০২.৪৭০০.০০০.০১.০০১.০১.১৭-১৩৩।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা মাধ্যমিক কার্যালয়ে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকার যেখানে দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে, সেখানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদের মতো ব্যক্তির কারণে সবকিছু ম্লান হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার সকল শিক্ষকসমাজ এ ভয়ে তটস্থ। তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দেন তার রাজনৈতিক এবং মন্ত্রণালয়ের দাপট অনেক বেশী। কারণে অকারণে তিনি শিক্ষকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। তিনি এ পর্যন্ত যতগুলো উপজেলায় চাকরি করেছেন, প্রত্যেকটি উপজেলা থেকে শেষ পর্যন্ত বিতাড়িত, অপমানিত ও মারধরও খেয়েছেন। তার নিকট না আসলে কোনো ফাইল সেন্ড হয়না। তার সময়ে আনুমানিক ২৫০ জন শিক্ষক কর্মচারীর এমপিওভুক্ত, সহকারী অধ্যাপক ও টাইমস্কেল প্রদান করা হয়েছে। এ ফাইলগুলো সেন্ড হওয়ার জন্য সর্বনি¤œ ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে। ব্যানবেইজে কর্মরত কম্পিউটার অপরেটর তরিকুল ইসলামের মাধ্যমে টাকার লেনদেনগুলো হয়েছে। এমপিও চালু হওয়ার পর তার পূর্বেও কর্মস্থল বাঘারপাড়া উপজেলা ও যশোর জেলাতে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত হয়েছিল। বর্তমানে টাইমস্কেল ১০-১৫ হাজার টাকা নেন একং রিজেক্ট ফাইলগুলো ১৫-৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এছাড়া জেলা শিক্ষা অফিস ও ডিডি অফিস পার করবে বলে মোটা অংকের চুক্তিতে ফাইল সেন্ড করেন। যা তার আইডি চেক করলে বোঝা যাবে।

এছাড়া লিখিত অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাবদ যে বরাদ্দ এসেছিল, তা প্রতিষ্ঠানে না দিয়ে এবং কারও সাথে আলোচনা না করে নিজের ইচ্ছামত ৬টি বই কিনে দিয়েছে। কিন্তু দুদকের নির্দেশনা এমনটি ছিল না। গ্রীষ্ম ও শীতকালীন বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের চাঁদার টাকায় হয়ে থাকে। এর আগে প্রত্যেক কর্মকর্তা শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করে দিতেন। তারাই সবকিছু পরিচালনা করতেন কিন্তু এএসএম জিল্লুর রশিদ তরিকুলের সহযোগিতায় সবকিছু করে মোটা অংকের টাকা বাঁচিয়ে পকেটস্থ করেন। শিক্ষা অফিস আয়োজিত বিজ্ঞান মেলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে তিনি পার্সিয়ালিটি করেন। নতুন  এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হতে মোটা অংকের টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে বালিয়া গৌরশুট্টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৫লক্ষ, বোধখানা মাধ্যমিক বিদ্যালয় দেড় লক্ষ, এমসিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩লক্ষ, বাউশা আরএন মাধ্যমিক বিদ্যালয় আড়াই লক্ষ, মিশ্রীদেয়াড়া দাখিল মাদ্রাসা ৫লক্ষ, নবীননগর দাখিণ মাদ্রাসা ৩২ হাজার(এমপির হস্তক্ষেপের জন্য বেশী নিতে পারেনি) মোট ১৭ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা নিয়েছেন। বোধখানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাসিরউদ্দীন ৬০ হাজার টাকা না দেয়ায় তার পরিবর্তে হাফিজুর রহমান নামে একজনকে এমপিওভুক্তি করেছেন। বর্তমানে নাসিরউদ্দীনকে এমপিওভুক্তি করে দেবে বলে ২ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রোজিনা ও সহকারী গ্রন্থাগারিকের নিকট থেকে লেট সেন্ডিং দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়েছেন। আঙ্গারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেনকে নিয়োগ দেয়ার জন্য এক লক্ষ টাকা নিয়েছেন। ধানপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শাখা অনুমোদন ও শিক্ষক এমপিওভুক্তির জন্য মোটা অংকের টাকা নিয়েছেন। নবারুন নি¤œমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ননএমপিওভুক্ত আব্দুর রহমানকে এমপিওভুক্ত কওে দেবেন বলে ৪লক্ষ টাকা নিয়েছেন। তার ফাইল এখন ডিডি অফিসে। বায়মা-চাঁদপুর মাদ্রাসায় নিয়োগ দেয়ার জন্য মাথাপ্রতি এক লক্ষ টাকা দাবী করেছেন। ডহরমাগুরা মাদ্রাসায় এবতেদায়ী ক্বারী পদে আবু ইউনুচের নিকট থেকে দুই লক্ষ টাকা নিয়েছেন। বাউশা আরএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাসিরউদ্দীনের নিকট থেকে এমপিও বাবদ ১লক্ষ ও আজিজুল হকের নিকট থেকে ২লক্ষ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া ব্যানবেইজের প্রশিক্ষণ, বিল্ডিং মেরামত এবং আইসিটির অন্যান্যখাতে যে বরাদ্দ আসে, তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদ ও ব্যানবেইজের কম্পিউটার অপরেটর তরিকুল ইসলাম লুটেপুটে নিচ্ছে। তাদের কারণে ব্যানবেইজের এসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার আসতে পারছে না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এএসএম জিল্লুর রশিদ তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বেনামে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তদন্তকালে তারা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ২০১৭ সালের যশোর সদর উপজেলার অভিযোগ এর সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে। যা ওই সময় তদন্তে সত্যতা পাননি তদন্ত দল। আমাকে হয়রানির জন্য মূলত এ অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সকল অভিযোগের উপর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালক নিভা রাণী পাঠক তদন্ত করেছেন। মোবাইল ফোনে তিনি জানান, সারাদিন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা হয়েছে। লিখিত ও মৌখিকভাবে জানা শোনা করেছি। এখন কোনো কিছুই বলতে পারবনা। পরে রিপোর্ট পেশ করবো।

তথ্যের উৎসঃ দৈনিক  স্পন্দন