টাঙ্গাইলে মাটি চাপা পড়ে কবির নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে মাটি চাপা পড়ে কবির নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু
মাটি চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু 
ডা.এম.এ.মান্নান 
টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলে পৌর এলাকায় কুপ খুড়তে গিয়ে মাটি চাপা পড়ে মো. কবির মিয়া (৩৫) এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পৌর এলাকার কাগমারা মেছের মার্কেট এলাকার করিম মিয়ার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।নিহত কবির দেলদুয়ার উপজেলার গোমজানি এলাকার মো. আফাজ উদ্দিনের ছেলে।

কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম জানান, করিমের বাড়িতে কুপ খুড়তে ওই তিনজন শ্রমিক আসেন। কুপ খোড়ার শেষ পর্যায়ে উপর থেকে মাটির চাপ কবির মিয়ার উপরে পড়ে। এসময় এলাকাবাসী বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে তাকে মাটির নিচ থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় অমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত রাশেদুলের!

মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত রাশেদুলের!

আবদুল্লাহ বাশার, খুলনা ব্যুরো প্রধান :রুহানীর পর এবার অর্থের অভাবে মেডিকেলে ভর্তির শংকা তৈরী হয়েছে রাশেদুল ইসলামের (২০)। কি ভাবে ভর্তির টাকা জোগাড় হবে এই চিন্তায় পড়েছে রাশেদুলের পরিবার। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অদম্য মেধার পরিচয় দিয়েছেন রাশেদুল। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ হয়েছে তাঁর। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণে এখন বড় বাধা অর্থ। ভর্তি থেকে শুরু করে পরবর্তী পড়ালেখার খরচ কীভাবে জুটবে, এই চিন্তা এখন গোটা পরিবারের। বাবা মজনুর রহমান পাওয়ার টিলার চালক। অন্যের গাড়িতে কাজ করেন। মাঠে মাঠে জমি চাষ করেন। এভাবে যা আয় করেন, তা দিয়ে ঠিকমতো সংসারই চলে না, সেখানে ছেলের পড়ার খরচ কোথা থেকে আসবে এই চিন্তা তাঁর। পরিবারের সদস্যদের আশঙ্কা, অর্থের অভাবে ছেলের স্বপ্ন শেষ না হয়ে যায়। রাশেদুলদের বাড়ি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামে। সামিয়া মরিয়ম (৭) নামের তাঁর আরেকটি ছোট বোন রয়েছে। রাশেদুলের বাবা মজনু জানান, অভাবের সংসার তাঁর। নিজের মাঠে কোনো চাষযোগ্য জমি নেই। মাত্র ৯ শতক জমির ওপর ভিটেবাড়ি। মাটির এক কক্ষের ঘরের মধ্যে রাশেদুল পড়ালেখা করেন। আর বারান্দা ঘিরে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী ছোট মেয়েকে নিয়ে ঘুমান। বাড়িতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি আর কবুতর পালন করেন তাঁরা। মা ফিরোজা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই রাশেদুলের পড়ালেখার প্রতি খুবই আগ্রহ। সারাক্ষণ পড়ালেখা নিয়েই থাকেন। কখনো ছেলেকে পড়ার কথা বলতে হয়নি। বাড়িতে পড়ালেখা করেই সব সময় ভালো ফল করেছেন। কোনো পরীক্ষায় রাশেদুল দ্বিতীয় হননি। মা বলেন, 'ছেলের অনেক দিনের স্বপ্ন ডাক্তারি পড়ার। এখন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, কিন্তু পড়ানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। স্বামী কলের লাঙল চালিয়ে দিনে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। বছরে ৪ মাস এই কাজ হয়। বাকি ৮ মাস বাড়িতে গরু লালনপালনের পাশাপাশি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। রাশেদুল জানান, বাবা পড়ালেখার খরচ দিতে পারেন না, তাই কখনো প্রাইভেট পড়তে যাননি। বাড়িতে পড়ালেখা করেই ভালো ফল নিয়ে এসেছেন। রাশেদুর পার্শ্ববর্তী রামনগর কে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি পাস করেন। একই গ্রামে অবস্থিত এ অ্যান্ড জে কলেজ থেকে ২০২০ সালে এইচএসসি পাস করছেন। করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিতে না পারলেও আগের ফলাফলের ভিত্তিতে ফলাফল জিপিএ-৫ এসেছে। রাশেদুল আরও বলেন, এসএসসি পাসের পর অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারছিলেন না। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান লেন্টু টাকা দিয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করেন।

ধরলা নদীতে ডুবে একজনের মৃত্যু

ধরলা  নদীতে ডুবে একজনের মৃত্যু
ধরলা  নদীতে ডুবে একজনের মৃত্যু

রশিদুল ইসলাম রিপন।। লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ আজ( ৮ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার, লালমনিরহাট-ফুলবাড়ি সড়কের  ধরলা নদীতে ডুবে রাকিব হোসেন(২৪) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান,বেলা প্রায় ১১ টার দিকে রাকিব তার ৮ জন বন্ধুসহ ধরলা পাড়ে বেড়াতে যান। এসময় তারা নদীর পানিতে হাতমুখ ধোয়ার চেষ্টা করে। এতে পা পিছলে রাকিব নদীতে পড়ে গেলে তার বন্ধুরা উদ্ধারের চেষ্টা চালায়।

পরে কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল  তিন ঘন্টার চেষ্টার পর সন্ধা ৬টার সময়  সেতুর নিচ থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। নাগেশ্বরী ফায়ার স্টেসনের ডিউটি অফিসার নূর আলম   নিশ্চিত করে বলেন,আমরা বেলা ২টার সময় সংবাদ পাই। তিনটার দিকে আমাদের অভিজান শুরু হয়।সন্ধ্যা ৬টার সময় রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রামীণ জনপদে শৈশবের দুরন্তপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকাল বন্ধ, খালে গোসল

গ্রামীণ জনপদে শৈশবের দুরন্তপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকাল বন্ধ, খালে গোসল

মো. নাঈম, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ- কোভিড-১৯ থাবায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় খেলার মাঠগুলোও ফাঁকা রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলা নেই। ফাঁকা মাঠে এবার জন্ম নিচ্ছে সবুজ ঘাস। মুক্ত মাঠে শিশুরা কবে যাবে, তাও অনিশ্চিত! চৈত্রের কাটফাটা রোদে হাসফাস করছে প্রাণিকূল। পুর্ণিমার জোঁ'তে চাপ বেড়ে ওঠেছে পানির। নদীমাতৃক অঞ্চলের উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিষখালী, হলতা, গাবখান নদীর পানিতে ভরে গেছে প্রত্যন্ত এলাকার খাল, পুকুর, ডোবা ও নালা। ঠিক সেই সময়ে দেখা মিলল ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান-ধানসিড়ি ইউনিয়নের ছত্রকান্দা এলাকায় ধানক্ষেতে ফুটবল খেলা। উঠতি বয়সী কিশোররা পাকা ধান কাটার পর পরিত্যক্ত ধানক্ষেতে চলছে 'শৈশবের দুরন্তপনা'। খেলা শেষ হলেই পাশ্ববর্তি খালে নেমে মেতে ওঠে গোসল উৎসবে। সেখানেও তারা "নইল খেলা" নামের একধরনের খেলায় প্রতিযোগিতা করে। কর্দমাক্ত পানিতে ফুটবল নিয়ে শিশুদের এ দৃশ্য দেখতেও চারদিকে দর্শকও হাজির হন। এমন দৃশ্য দেখা গেল বৃহস্পতিবার পড়ন্ত বিকালে। শিশুদের এ দুরন্তপনা দেখে সবাই হারিয়ে যায় শৈশবে। তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সায়েম'র প্রশ্ন, স্যার আমরা কবে স্কুলে যাব, বন্ধুদের নিয়ে কবে খেলতে পারব? যদিও এ প্রশ্নের উত্তর কারো জানা নেই। তবে নতুন সূর্যোদয়ে আসুক মুক্তির-এটাই সবার প্রত্যাশা। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য, কৃতী ফুটবলার ও ঝালকাঠি কালেক্টরেট স্কুলের ক্রিড়া শিক্ষক নুরুন্নবী বলেন, বন্দিদশা থেকে মুক্তি ডাক মনে হল শিশুদের এই ছুটাছুটি দেখে। এদের দুরন্তপনা দেখে আবার ফিরে যেতে ইচ্ছে হয় শৈশবে ফিরে যেতে। খেলতে থাকা কিশোর রফিক জানায়, বাড়িঘরে থাকতে থাকতে খুব খারাপ লাগছে। তাই একটু বের হয়েছি। ওদের দুরন্তপনা দেখে এ প্রতিবেদক ক্যামেরা বের করতেই শিশুরা ভয়ে ছুটতে থাকে বাড়ির দিকে।করোনাভাইরাসের কারণে বাহিরে বের হওয়া নিষেধ, করোনাভাইরাসের এ ভয় আর আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না। এলাকার লোকজন তাদের আশ্বস্ত করে আবারও খেলার মাঠে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। শিশুদের এ দুরন্তপনা অবশ্য দর্শক সারিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যেকেই নিয়ে যায় তাদের শৈশবে।

পটিয়া সাংবাদিক সন্মেলনে পরিবারের দাবি সাংবাদিক কাদের হত্যা চেষ্টার বিচার দাবি

পটিয়া সাংবাদিক সন্মেলনে পরিবারের দাবি সাংবাদিক কাদের হত্যা চেষ্টার বিচার দাবি

পটিয়া (চট্টগ্রাম)থেকে সেলিম চৌধুরীঃ চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর সদরের গোয়াদন্ডী এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব    পালন শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে রাতের আধাঁরে সাংবাদিক গোলাম কাদেরকে পথরুদ্ধ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা চেষ্ঠার সুষ্ঠু তদন্ত ও উপযুক্ত বিচার দাবি করেছে তাঁর পরিবার। গতকাল  বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পটিয়া সদরের একটি রেস্তোরায় পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আহত গোলাম কাদেরের বাবা মুহাম্মদ ইসমাইল, বড় ভাই নুর কাদের, আবদুল কাদের, বড় বোন নুর নাহার বেগম, ছোট বোন ফেরদৌস আকতার, স্ত্রী সাজেদা খানম, ভাবী জোৎনা  আকতার প্রমুখ। সাংবাদিক গোলাম কাদের হত্যা চেষ্ঠায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী  সহযোগিতা কামনা করেন  সাংবাদিকের বড় ভাই নুর কাদের। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ ও তাদের নিয়োজিত সন্ত্রাসীদের কাছে পরিবার পরিজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তারা আমাদের বাড়ী ভিটি থেকে উচ্ছেদের জন্য যে কোন মূহুর্তে আমাদের মারাত্মক জানমালের ক্ষতি করার আশংকা রয়েছে। এছাড়াও  আমাকে হুমকি দাতা আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার আসামীদের বোন রওশন আকতার মুন্নিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী ও হুইপের নিকট দাবী জানাচ্ছি। লিখিত বক্তব্যে নুর কাদের বলেন, গত বছরের জানুয়ারী মাসে আমার পিতার পৈত্রিক জায়গায় একটি পাকা গৃহ নির্মাণ কাজ শুরু করি। উক্ত নির্মাণ কাজ শুরু করার পর প্রতিবেশী মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন হিরু, শাহাজাহান মিন্টু, মফিজুর রহমান মানিক ও খলিলুর রহমানের কন্যা রওশন আকতার মুন্নির সাথে বিরোধ সৃষ্ঠি হয়। এ বিরোধের জের ধরে তারা বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে বেশ কয়েকবার আমার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে সালিশি বৈঠক হয় এবং উভয় পক্ষ আদালতের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন ধরনের জায়গা নিয়ে ঝামেলা করবে না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার সম্পাদন হয়। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষরা কোন সালিশ বিচার মানতে রাজি নয়। এমতাবস্থায় সালিশ বিচারের বিষয়ে আমার ভাই সাংবাদিক গোলাম কাদের ভূমিকা রাখায় আমাদের প্রতিপক্ষদের নিকট আমার ভাই গোলাম কাদের রোষানলের শিকার হয়। তাকে কয়েকদফা হত্যার পরিকল্পনা নেয়। এমনকি সন্ত্রাসীদের সাথে ১ লক্ষ টাকার চুক্তিতে আমার ভাইকে হত্যার পরিকল্পনা করে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারী মাসে আমাদের প্রতিপক্ষগণ সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে আমার ভাই গোলাম কাদেরকে হত্যার চেষ্টা করে। এ দুটি ঘটনায় আমার ভাই গোলাম কাদের গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ও ১৮ মার্চ পটিয়া থানায় পৃথক দুটি জিডি করেন। গত ৪ এপ্রিল রাতে আমার ভাই গোলাম কাদের বাড়ী যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষরা সন্ত্রাসী নিয়ে আমার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালিয়ে এলোপাথারি পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। বর্তমানে সে গুরুতর পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে প্রতিপক্ষরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য নানানধরনের হুমকি দিয়ে আসছে।

মেহেরপুরে মাদক সহ এক মাদকসেবী আটক

মেহেরপুরে মাদক সহ এক মাদকসেবী আটক

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে কাউসা নামক এক  মাদকসেবী  আটক।  

আজ মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রাম থেকে কাউসার আহমেদ দীপকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তার কায়সার আহমেদ দীপ আমঝুপি গ্রামের ফাত্তার  আলীর ছেলে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে ১শ গ্রাম গাঁজা সহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

নলছিটিতে পর্নোগ্রাফি মামলায় যুবক গ্রেফতার

নলছিটিতে পর্নোগ্রাফি মামলায় যুবক গ্রেফতার

মো. নাঈম ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ  ঝালকাঠির নলছিটিতে পর্নোগ্রাফি মামলায় কবির হোসেন মিনা (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে উপজেলার পশ্চিম সেওতা গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের এক গৃহবধূর আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয় কবির হোসেন মিনা। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বুধবার সন্ধ্যায় নলছিটি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ পর্নোগ্রাফি আইনে মামলাটি লিপিবদ্ধ করে রাতেই আসামির বাড়ি পশ্চিম সেওতা গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। কবির মিনা পশ্চিম সেওতা গ্রামের আবদুর রশিদ মিনার ছেলে।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম মাহমুদ বলেন, মামলার একমাত্র আসামি কবির মিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মেহেরপুরে করোনার ছোবলে পড়ল আরও ৩ জন

মেহেরপুরে করোনার ছোবলে পড়ল আরও ৩ জন

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি: মেহেরপুরে প্রাণঘাতী করোনো ভাইরাসে  আরো ৩ জন আক্রান্ত  হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা  দাঁড়ালো ৪৫ জনে। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭২০ জন।

আজ সন্ধ্যায় মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডাঃ নাসির উদ্দিন জানান, আজ নতুন করে ৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে  মেহেরপুর  সদর উপজেলার ১ জন ও ২ গাংনী উপজেলার জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা রোগী দাঁড়াল ৪৫ জনে।

ঝিকরগাছায় মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বয়স্ক ভাতার বই দিলেন ইউএনও আরাফাত রহমান

ঝিকরগাছায় মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বয়স্ক ভাতার বই দিলেন ইউএনও আরাফাত রহমান

আফজাল হোসেন চাঁদ : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার দুইজন বয়স্ক বৃদ্ধাকে মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত রহমান দিলেন বয়স্ক ভাতার বই। এই কার্ডের মাধ্যমে তার মৃত্যুর পূর্বমূহুত্ব পর্যন্ত সরকারের পক্ষ হতে মাসিক হারে সরকারি ভাতা পাবেন। বয়স্ক বৃদ্ধারা হলেন শংকরপুর ইউনিয়নের বকুলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মনছোপ গাজী ও মৃত করিম গাজীর স্ত্রী নবীসন বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এএফএম ওহিদুজ্জামান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত রহমান বলেন, সরকারি সম্পদ সাধারণ মানুষের প্রাপ্য। যদি ঝিকরগাছা উপজেলার মধ্যে এমন কোন অসহায় ব্যক্তি থাকে এবং বয়স্ক অথবা বিধাব ভাতার কার্ড পাওয়ার যোগ্য তবুও সরকারি সহযোগিতা পাচ্ছে না। তারা আমার সাথে যোগাযোগ করলেই তার বিষয়টি আমলে নিয়ে তাকে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হবে।

সুন্দরবনে বাঘ দেখে পালানোর সময় মধু বাওয়ালি আহত

সুন্দরবনে বাঘ দেখে পালানোর সময় মধু বাওয়ালি আহত

হুদা মালী, শ্যামনগর প্রতিনিধি: পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বাঘ দেখে পালানোর সময় এক মৌয়াল আহত হয়েছে । আহত মৌয়ালের নাম মো. রেজাউল ইসলাম (২৫) সে শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মৃত গোলাম রব্বানীর ছেলে ।বৃধবার (৭এপ্রিল) পশ্চীম সুন্দরবনের কাচিকাটা তালপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত রেজাউলের সঙ্গী খোকন জানায় , গত ১এপ্রিল রেজাউলসহ ১১জন কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন থেকে মধুর পাশ নিয়ে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে যায় । গতকাল বুধবার বেলা ১১ দিকে সুন্দরবনের তালপট্ট্রি এলাকায় মধু সংগ্রহ করা কালে হঠাৎ বাঘ দেখে রেজাউল আতঙ্কে দৌড়ে পালাতে যেয়ে আহত হয়। এ সময় তার অপর সঙ্গীরা রেজাউলকে বাঘের আক্রমন থেকে রক্ষা করতে চিৎকার করলে বাঘের আক্রমন থেকে রেজাউল রক্ষা পায়। তবে এসময় গুরুত্বর আহত হয় রেজাউল। তাকে চিকিৎসার জন্য লোকালয়ে আনা হয়েছে। বনবিভাগের

কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন বলেন , ঐ এলাকায় কয়েকদিন আগেও একজন বাঘের আক্রমণে নিহত হয়। আমরা এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি। পাশ দেয়ার সময় বনজীবীদের বাঘের বিষয়ে আগেই সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

মেহেরপুরে মাস্ক ব্যবহার না করায় ৫ জনের জরিমানা

মেহেরপুরে মাস্ক ব্যবহার না করায় ৫ জনের জরিমানা

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃসংক্রামক ব্যাধি করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহার না করায় মেহেরপুরে ৩ ব্যবসায়ীসহ মোট ৫ জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।করোনা ভাইরাস দিন দিন বেড়েই চলেছে এ পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ও মাস্ক ব্যবহারে মানুষকে সচেতন করতে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামের নেতৃত্বে মেহেরপুর শহরের ভূমি অফিস মোড় এলাকা থেকে শুরু করে বড় বাজার পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত মাস্ক ব্যবহার না করায় ৩ ব্যবসায়ী এবং ২ পথচারীরকে দোষী সাব্যস্ত করে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুবক

মেহেরপুরে  সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুবক

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
মেহেরপুর জেলার বারাদী বাজারের অদূরবর্তী মোমিনপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সম্মুখে মোটরসাইকেল ও ইঞ্জিনচালিত অটোরিস্কা মুখোমুখি সংঘর্ষে স্বপন নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছে। আহত স্বপনের বাড়ী আমঝুপিতে।

আজ দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আমঝুপি থেকে ছেড়ে আসা একটি মোটরসাইকেল মোমিনপুর গার্লস স্কুলের সামনে পৌঁছালে বিপরীতমুখী একটি অটোরিস্কার সাথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম স্বপনকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

জনবল সংকটে পাঁচবিবি উপজেলা ভুমি অফিস

জনবল সংকটে পাঁচবিবি উপজেলা ভুমি অফিস

জামিরুল ইসলাম জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে চলছে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা সহকারি ভুমি কার্যালয়ের কার্যক্রম। কয়েক বছর যাবৎ নেই এ অফিসের সার্ভেয়ার, কানুনগো, সার্টিফিকেট পেশকার ও ক্রেডিট চেকিং সহকারি পদের জনবল। অফিসের অন্যরা সবাই মিলে শুন্য পদের লোকের কাজগুলো করতে পারলেও পারেনা সার্ভেয়ার ও কানুনগোর কাজ। জেলা অফিস থেকে বুধবার ও বৃহস্পতিবার সার্ভেয়ার ও কানুনগো আসলেও অফিসের পূরো সপ্তাহের জমানো কাজ করতে তাদের হিমসিম খেতে হয়। এছাড়া ধরঞ্জী ও মোহাম্মদপুর দু'টি ইউনিয়নের ভুমি সহকারি কর্মকর্তার পদও রয়েছে শুন্য। জনবল সংকটের কারনে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরবাসীদের ভুমি সংক্রান্ত সেবা পেতে কিছুটা হলেও বিড়ম্বনায় পরতে হচ্ছে। নামজারি, জমা খারিজ ও বিভিন্ন কাজের জন্য অফিসে সেবা নিতে আসা অনেকেই মনে করেন বাঁকী পদের লোকগুলো থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের কাজগুলো হয়ে যেত।
 
জরুরী চিকিৎসা, ছেলেমেয়ের বিয়ে বা অন্য কাজে টাকার প্রয়োজনে অনেকেই তাদের জমি বিক্রয় করার সময় এ কারনে একটু হলেও সময় লাগছে। উপজেলার পানিয়াল গ্রামের আঃ মজিদ বলেন, মাঠের একটা জমি জরিপের সময় পিতার নাম ও দাগ নম্বর ভুল হয়েছে। সেটুকু সংশোধনের জন্য ভুমি অফিসে আবেদন করেছি সব কাজ হলেও শুধু সার্ভিয়ারের কাজ সম্পাদন না হওয়ায় কাগজ পেতে একটু দেরী হলো। উপজেলার সোনাপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক আওলাদ হোসেনও একই মন্তব্য করেন।
 
উপজেলা সহকারী  কমিশনার (ভুমি) এম এম আশিক রেজা বলেন, অফিসে কিছুটা জনবল সংকট আছে একারনে কাজের একটু বিলম্ব হতে পারে। এ অফিসে সেবা নিতে আসা কেউ যেন বিড়ম্বনার ও হয়রানীর স্বীকার না হয় আমি সহ অফিসের সবাই মিলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বলেও জানান তিনি।

পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন গাংনী পৌর মেয়র

পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন গাংনী পৌর মেয়র
পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন গাংনী পৌর মেয়র
তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি: লকডাউনের চতুর্থ দিনে মেহেরপুরের গাংনী পৌর এলাকায় পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করে পৌর মেয়র।

আজ গাংনী পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামীলীগ নেতা আহম্মেদ আলী  উপস্থিত থেকে পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত  ছিলেন  পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ। এ সময়  তিনি বলেন বাড়ির বাইরে আসলে অবশ্যয় মাস্ক পরে আসবেন ও সামাজিক দুরত্ত বজাই রাখবেন

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দিনাজপুরে মাঠে নেমেছে নারী বাইকার

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দিনাজপুরে মাঠে নেমেছে নারী বাইকার

মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ॥ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দিনাজপুরে মাঠে নেমেছে দিনাজপুর ওমেন্স বাইকার'র ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন। শহরের বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতামুলক র‌্যালী, মাস্ক বিতরন ও মাস্ক পরিহিতদের শুভেচ্ছা জানিয়ে জনগনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে এ সব নারী বাইকাররা সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনা বৃদ্ধি করছে। ওমেন্স বাইকার'র ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন-এর এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দিনাজপুরবাসী। 
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর ওমেন্স বাইকার'র ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের লায়লা আরজু মান্দ বানু, সহ-সভাপতি সেতেরা বেগম, সাধারণ সম্পাদক রাবেয়া খাতুন রানু, কোষাধ্যক্ষ বিলকিস, প্রচার সম্পাদক সুমনা শারমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসরিন আক্তার, বোর্ড সদস্য বনানী, রেবেকা মাসুদ প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, করোনা ভাইরাস সচেতনতাই পারে রক্ষা করতে। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চললে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়। বাহিরে বের হলেই মাস্ক পড়ে বেড় হতে হবে সকলকে।

মেহেরপুরে অভিনব কায়দায় জরিমানা

মেহেরপুরে অভিনব কায়দায় জরিমানা
জরিমানা আদায়
তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ মেহেরপুরে  মাস্ক ব্যবহার না করায় দুই পথচারীর কাছ থেকে  জরিমানা করে পথচারীদের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে  সাজা দেয়া হয়েছে।

আজ মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক অভিযান চলাকালীন সময় মাস্ক ব্যবহার না করাই সোহেল রানা ও খায়রুল নামের দুই পথচারীকে দাঁড় করানো হয়। এ সময় ওই দুই ব্যক্তি মাস্ক ব্যবহার না করাই তাদের দিয়ে মোট ২শ মাস্ক ক্রয় করে পথচারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম শতভাগ মাস্ক ব্যবহার ও  করোনা সচেতনা প্রচার অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পটিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর ঘর ভাংচুর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

পটিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে  মারধর  ঘর ভাংচুর ও শ্লীলতাহানির  অভিযোগ

পটিয়া ( চট্টগ্রাম)  প্রতিনিধিঃ- চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড কাগজী পাড়ার সালমান ফকির বাড়িতে ভাসুরের কু- প্রস্তাবে  রাজি না হওয়ায় প্রবাসী মোহাম্মদ জুয়েল এর স্ত্রী খায়রুন্নেছা ( ২৫) কে  ভাসুর  কতৃক মারধর ও  বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট তান্ডব চালিয়েছে মর্মে  অভিযোগ  পাওয়া গেছে। আহতকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে। ঘটনাটি ঘটেছে  গত ৭ এপ্রিল ২০২১ ইং  বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায়। এঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী   খায়রুন্নেছা  বাদী হয়ে ভাসুর মোঃ রুবেল এবং তার স্ত্রী এ্যানি আকতার বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় একটি  অভিযোগ দায়ের  করেছে।  থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে জানাযায়, দীর্ঘদিন যাবত মোহাম্মদ রুবেল তার  প্রবাসী ভাই বিদেশ থাকার সুবাদে    জুয়েল এর স্ত্রী খায়রুনন্নেছাকে পুর্বের কু-প্রস্তাবে রাজি  না হওয়ায় উদ্যেশ্যমুলকভাবে  গত ৭ এপ্রিল  গালিগালাজ করে  খায়রুন্নেছাকে। সে এর কারণ জানতে চাইলে রুবেল উক্তেজিত হয়ে খায়রুন্নেছা কে এলোপাতাড়ি  কিল, ঘুষি, লাথি মেরে রক্তাক্ত জখম করে এবং টানাহেঁচড়া করে পরনের কাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানি করে। এর একপর্যায়ে   রুবেল ও তার স্ত্রী  ঘরে অনাধিকার প্রবেশ করে ঘরের  আসবাবপত্র ভাংচুর তান্ডব লুটপাট চালিয়ে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাদন করে বলে থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে জানাযায়। খায়রুন্নেছা জানান, পারিবারিক বিরোধ আমার ভাসুরের কু- প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়  হামলা ভাংচুর লুটপাট তান্ডব চালিয়েছে।সে এব্যাপারে  পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার  ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব শামসুল হক চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে নৈশ প্রহরীর মেয়ে সাবিহা

দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে নৈশ প্রহরীর মেয়ে সাবিহা
বাবা মায়ের সাথে 
মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে নৈশ প্রহরীর মেয়ে সাবিহা। সাবিহা আক্তার বাউবির দিনাজপুর উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী সুজা মিয়ার একমাত্র মেয়ে। তিনি বগুড়া জেলার শীবগঞ্জ উপজেলার মানকৌর গ্রামের বাসিন্দা।
১৫ বছর ধরে দিনাজপুর সুইহারি এলাকায় ছোট্ট একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন সুজা মিয়া। 
ভাইবোন মিলে চারজনের সংসারে বাবা যেখানে সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন, সেখান থেকে সাবিহা আজ তার স্বপ্নের উচ্চ শিখরে। অন্য ছেলে মেয়েরা যখন কোচিং- প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, সাবিহা তখন ব্যস্ত ছিলেন পড়ার টেবিলে। অনেক কিছু না পাওয়া থেকে বাবার অল্প আয়ের টাকা দিয়েই মানিয়ে নিয়ে পড়ালেখা করেছেন। নিয়েছেন বড় ভাইয়ের সহযোগিতা।
সাবিহা পিইসি ও জেএসসিতে জিপিএ-৫, এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং ২০২০ সালে এইচএসসিতে দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। 
২০২০-২১ সেশনের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছেন স্কুলজীবনে সবসময় প্রথম স্থানে থাকা সাবিহা আক্তার। 
বড়ভাই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার সাজু মোল্লা সবসময় বোনের পেছনে ছিলেন ছায়া হয়ে। দশম শ্রেণি পর্যন্ত বড় ভাই ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গাইড ও বন্ধু। কেননা অল্প বেতনে চাকরি করা বাবার সামর্থ্য ছিল না প্রাইভেট টিউটর কিংবা কোচিং করানোর। 
ছোটবোন মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় বেশ খুশি বড়ভাই সাজু মোল্লা। অভাবের সংসারে এতো দূর কীভাবে, জানতে চাইলে সাবিহা বলেন, মা-বাবার অনুপ্রেরণায় আজ আমি এতো দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছি। মা সবসময় অনুপ্রেরণা দিতেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য। তিনি বলেন, 'অভাবের সংসার বলতে যেভাবে আছি সেখান থেকে আমাকে ভালো কিছু করতে হবে।'
সাবিহার বাবা সুজা মিয়া বলেন, আমার মেয়ে এবার দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে। চান্স পাওয়ার পর আমি আমার মেয়েকে বলেছি, সে যেন জনগণের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করে। সে যেন জনগণের ডাক্তার হতে পারে।
সাবিহার ব্যাপারে স্কুল শিক্ষক বলেন, সাবিহা খুব মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। সে তার শিক্ষকদের খুব সম্মান করতো। সে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে তার পরিশ্রমের উত্তম ফল পেয়েছে। সাবিহাকে তার ভালো ফলাফলের জন্য অভিনন্দন জানান তিনি।

সাতক্ষীরা সদরের খানপুরে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে কপোত-কপোতী আটক

সাতক্ষীরা সদরের খানপুরে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে কপোত-কপোতী আটক
কপোত- কপোতী আটক
আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃ সাতক্ষীরা সদরের খানপুর গ্রামে অনৈতিক  কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে কপোত কপোতিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী। বুধবার সকালে সকালে আটকৃতরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের লাঙ্গলদাড়ীয়া গ্রামের হযরত আল (২৮)
ও সাতক্ষীরা সদরের খানপুর গ্রামের গৃহবধূ কাকলী বেগম (৩০) 

গ্রামবাসীরা জানান, ওই যুবক সকলের অগোচরে প্রায়ই ওই বিধবা গৃহবধূর বাড়িতে আসতেন। মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে ওই যুবক বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গৃহবধূর গৃহে প্রবেশ করে, ভোরে এলাকাবাসী বিষয় টি আচ করতে পেরে আটক করে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বর, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানায়। তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আটককৃত ওই যুবক ও গৃহবধূ অবৈধ কার্যকলাপ করেনি জানিয়ে বলেন, আমাদেরকে এলাকার কিছু লোক ফাঁসিয়ে দিয়েছে। আমরা কোন খারাপ কাজ করিনি।সাতক্ষীরা থানার এসআই লালচাঁদ বলেন, আটককৃত  দু'জনকে বুধবার বিকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শৈলকূপায় করোনায় একজনের মৃত্যু

শৈলকূপায়  করোনায় একজনের মৃত্যু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মো: দরবার আলী (৭০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।  দরবার আলী উপজেলার ফুলহরি গ্রামের মৃত আক্কেল আলীর ছেলে।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মো: মজিবর রহমানের নির্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল হামিদ খান এর সার্বিক তত্ববানে বৃহস্পতিবার মহিষাকুন্ডু পঞ্চগ্রাম গোরস্থানে তার দাফন করা হয়েছে। দাফন কাফনের কাজ করেন উপজেলা ভিত্তিক দাফন কমিটির সদস্য ও মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক  মাওঃ শাহিনুর আলম। মৃত মো: দরবার আলী একজন মুদি দোকানদার ছিলেন।
ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম জানান, গত ০৩ এপ্রিল শনিবার অসুস্থ হয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর হাসপালে ভর্তি হন। ওই দিনই তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
আজ পর্যন্ত ৬৮ জন করোনা আক্রান্ত ও করোনা উপসর্গ মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন সম্পন্ন করলো ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

দ্রব্যমূল্য কমালে গদি থাকবে : মোমিন মেহেদী

দ্রব্যমূল্য কমালে গদি থাকবে : মোমিন মেহেদী
প্রতিকী অনশন চলছে! 
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, দ্রব্যমূল্য কমালে গদি থাকবে, না কমালে থাকবে না; এই কথা মাথায় রেখে ক্ষমতায় থাকা মন্ত্রীদেরকে দেশ চালাতে হবে।  দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি, দুর্নীতির রামরাজত্বের কারণে রাজপথে নামতে বাধ্য হচ্ছে নতুন প্রজন্ম, কেউ শখ করে রাজপথে নামে না। তাছাড়া সাধারণ মানুষ সহায় সম্বল হারিয়ে যখন পথে বসছে অপরিকল্পিত রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থার কারণে, তখন আন্দোলনই একমাত্র মুক্তির পথ।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত প্রতিকী অনশনে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা, মো. শরীফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সংহতি প্রকাশ করেন এ্যাড. মুনাজ সুলতানা মুন্নী, ইভানা শাহীন প্রমুখ। এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য সবার আগে দ্রব্যমূল্যর বাজার স্থিতিশীল করতে হবে, পরিবহন ভাড়া ভর্তুকি দিয়ে কমাতে হবে, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, গতানুগতিক উন্নয়নের নামে মানুষের জীবন বিষিয়ে না তুলে মৌলিক অধিকার রক্ষায় সরকারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা স্বাধীনতা বিরোধী-দুর্নীতিবাজ-ষড়যন্ত্রকারীদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।  

সেচ প্রকল্প বাঁচিয়ে সড়ক নির্মাণের দাবিতে শৈলকুপায় মানববন্ধন

সেচ প্রকল্প বাঁচিয়ে সড়ক নির্মাণের দাবিতে শৈলকুপায় মানববন্ধন
সেচ প্রকল্প বাঁচিয়ে সড়ক নির্মাণের দাবিতে শৈলকুপায় মানববন্ধন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপার পুরাতন বাখরবা গ্রামের বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ২০০ মিটার সড়কের উন্নয়ন প্রকল্পের উন্নয়ের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু এই সড়কের কাজের ফলে বাখরবা, নব গ্রাম খন্দকবাড়িয়া, চর বাখরবা গ্রামের মাঠের পানি বের হাওয়ার এক মাত্র জিকে সেচ প্রকল্পের খালটি বন্ধ করে এই সড়ক নির্মাণের প্রতিবাদে আজ সকাল ১১.৩০ মিনিটের দিকে শত শত কৃষক ও গ্রাম বাসি সেচ প্রকল্প বাচিয়ে সড়ক নির্মাণের দাবিতে পুরাতন বাখরবার জিকে সেচ প্রকল্পোর পাশে মানবন্ধনের আয়োজন করেন এতে "অবিরাম উন্নয়নের বাংলাদেশ" এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ উজ্জ্বল আলী, কৃষিক সোহেল, কৃষক দুলাল সহ গ্রাম বাসি বক্তব্য প্রদান করেন। তারা আমাদের কাছে একটাই দাবি করেন আমরা আব্যশই রাস্তার উন্নয়ন চাই, তবে জিকে সেচ প্রকল্প বাচিয়ে রাস্তা চাই। আমাদের রাস্তা ও সেচ প্রকল্প দুইটাই খুব প্রয়োজন।

মসজিদে আযান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

মসজিদে আযান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

মিঠুন কুমার রাজ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ইন্দুরকানীতে মসজিদে আযান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু হয়। বুধবার উপজেলা গাবগাছিয়া গ্রামের মৃত কাশেম আলী শিকদারের ছেলে আঃ আজিজ শিকদার (৫৮) নিজ বাড়ী জামে মসজিদে মাগরিবের আযান দিতে গিয়ে মাইকের মাউথ ধরলে মাউথে বিদ্যুৎ থাকায় সে বিদ্যুতায়ীত হয়ে মসজিদের ফ্লোরে পড়ে যান। পরে মুসল্লিরা এসে তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন ।

নিহত আজিজ শিকদার তিন ছেলে ও স্ত্রী রেখে যান । নিহত আজিজ শিকদারের ভাই আবুল শিকদার বলেন, ভাই আযান দিতে গেলে আযানের শব্দ না পেয়ে মসজিদের ভিতরে গিয়ে মাউথ বুকের উপরে ধরা অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে মেইন সুইচ বন্ধ করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। 

সত্যতা স্বীকার করে ইন্দুরকানী থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন 'শিকদার বাড়ি মসজিদে আযান দিতে গিয়ে আজিজ শিকদার নামে একজন মুয়াজ্জিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে।

নওগাঁর পোরশায় শিশা বাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সব কিছুই হচ্ছে!

নওগাঁর পোরশায় শিশা বাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সব কিছুই হচ্ছে!
লকডাউনের ভিতর চিত্!  
মোঃ রাকিব উপজেলা, পোরশা( নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর পোরশার শিশা বাজারের স্বাস্থ্যবিধি না মেনে, মুখে মাাস্ক না দিয়ে জনতার ভীড়। সরকারী এক সপ্তাহের লকডাউন বিধি মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ করতে বলা হয় । সেইখানে লকডাউন  টা নাম মাত্র ।  মানা হচ্ছে না কোনো নিয়ম ,সব কিছু যেন আগের মতোই এক মেলা । আজকের  এই চিত্রটা তা বলে দেয় এইখানে প্রশাসনের ভূমিকা কতটা জোরালো!

ফুলগাজীতে মাদক বিরুধী অভিযানে ও পুলিশি সেবাই এগিয়ে এস আই রাশেদ

ফুলগাজীতে মাদক বিরুধী অভিযানে ও পুলিশি সেবাই এগিয়ে এস আই রাশেদ

কে এম রুবেল বিশেষ প্রতিবেদকঃ 
বাংলাদেশ একটি গনতান্ত্রিক দেশ। এদেশের জনগন গনতন্ত্রে বিশ্বাসী। আর এ গনতান্ত্রিক দেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটিরও বেশী। ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে ও অনেক মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে আমাদের এ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জনগন স্বাধীনতাকে ভালোবাসে। আর এমন স্বাধীন ভাবে চলতে হলে জনগনের নিরাপত্তার প্রয়োজন। তাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী সহ আরো অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়োজিত করেছে জনগণের সেবায়। জনগনের সেবায় বিশেষ ভুমিকা রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর। জনগন যেন তাদের জীবন জিবিকা সুন্দর ভাবে নিরাপত্তার সাথে পরিচালিত করতে পারে তাই দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। বাংলাদেশে ১৮ কোটি জনগনের জন্য এ দেশের পুলিশ বাহিনীর সদস্য তুলনামূলক ভাবে খুবই কম। তারপরও দেশপ্রেম ও নিজেদের দায়িত্বের কথা চিন্তা করে বিশ্রাম বিহীন সেবা দান করছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সাহসী সদস্যরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নানা রকম অপরাধ সংঘটিত করছে অপরাধী চক্ররা। অপরাধী চক্রের সদস্যরা তাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য খুন, চুরি, ডাকাতী, মাদক ক্রয় বিক্রয়, মাদক সেবন নারীবাজি সহ নানা রকম অপরাধ করে এ দেশের মান সম্মান নষ্ট করার পায়তারা করছে। এসকল অপরাধীদের দমন করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ হয় সফল আবার কাউকে মেনে নিতে হয় ব্যর্থতার গ্লানি। পুলিশ জনগনের বন্ধু এ কথার বস্তবে রপান্তিত করে জনগনের বন্ধু হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ফেনী জেলার ফুলগাজী থানার এস আই রাশেদ। তিনি তার কর্মদক্ষতা, ন্যায় পরায়নতার মধ্য দিয়ে ইতোমধ্যে ফুলগাজীর মানুষের কাছে আলোচনার মধ্যমনি হয়ে উটেছেন। এ পুলিশ কর্মকর্তা, এস আই রাশেদ ২০২০ এর সেপ্টেম্বর ফুলগাজী থানায় মাসে যোগদান করেন। ফুলগাজী থানায় যোগদানের পর থেকে তিনি তার বিচক্ষনতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করেছেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলা, আইনের আওতায় এনেছেন অনেক নামধারি প্রভাবশালি অপরাধীদের। এস আই রাশেদ মাদকবিরোধী অভিযানে একাধিকবার মাদকদ্রব্য ক্রেতা, বিক্রেতা ও সেবনকারীদের আইনের আওতায় এনে নিজেকে একজন সফল উপ-পুলিশ পরিদর্শক হিসাবে প্রমান করেছেন। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের আলোচনায় তারা দৈনিক আলোকিত দেশকে জানান যে, এস আই রাশেদ একজন সহজ-সরল ব্যক্তি যিনি সবসময় নিজেকে ন্যায় পরায়নের সাথে সম্পৃক্ত করে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তারা আরও জানান যে, এস আই রাশেদ নিজের সাথে অপরাধিদের যুদ্ধের ঘোষনা দিয়েছেন। দৈনিক আলোকিত দেশ এর নিজস্ব প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে জানা যায় যে, এস আই রাশেদ কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার গঙ্গানগর পূর্ব পাড়ার মরহুম সামছুল হক সাহেবের ছেলে। তার বাবা একজন বিএডিসি'র উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন। ৩১/১২/১৯৮৫ সালে মা মৃত রেনুয়ারা খানমের গর্ভে জন্মলাভ করেন। জামালপুর জিলা স্কুলে পরালেখার একপর্যায়ে তার বাবার চাকুরীর অবসরজনিত কারনে পুরো পরিবারসহ গ্রামের বাড়ীতে চলে আসেন এবং ২০০১ সালে নিজ এলাকায় শশীদল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ২০০৩ সালে এইসএসসি পরীক্ষায় উত্তির্ণ হন। তিনি ২০০৩-০৪ সেশানে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে বিএসএস (সম্মান) এবং এমএসএস (অর্থনীতি) ডিগ্রি অর্জন করেন। এসআই রাশেদ ২০১২ সালে ৩৩ তম আউটসাইড ক্যাডেট ব্যাচে প্রশিক্ষণ শেষে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এসআই রাশেদ তার বৈবাহিক জীবনে ২ কন্যা সন্তানের জনক। তিনি ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে ফেনী মডেল থানায় যোগদান করেন। পরে ২০২০ সালে সেপ্টেম্বর মাসে ফেনী মডেল থানা থেকে জনস্বার্থে ফুলগাজী থানায় যোগদান করেন। এস আই রাশেদ ফুলগাজী থানায় যোগদানের পর থেকে সুনামের সাথে কাজ করে ফুলগাজীর মানুষের মন জয় করেন। তিনি দৈনিক আলোকিত দেশকে মাদক প্রতিরোধ প্রসঙ্গে বলেন, মাদকের সাথে কোনো রকম আপোষ করা যাবেনা। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি সহ সকল ধরনের অপরাধের  বিরোদ্ধে ফুলগাজী থানা পুলিশ প্রশাষন অনেক শক্ত অবস্থানে আছেন। অপরাধ করে কেউ পার পাবেনা বলে তিনি সর্ব সাধারনকে আশ্বস্ত করতে চান। তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

পাঁচবিবিতে মাস্ক না পরায় জরিমানা করেন

পাঁচবিবিতে মাস্ক না পরায় জরিমানা করেন

এম এস অনিক জয়পুরহাট (পাঁচবিবি) উপজেলা প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ৩১ শে মার্চ বুধবার বিকেল বেলা পাঁচবিবি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বরমান হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচবিবি শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় ।

করোনা সংক্রমণ হার ও আক্রান্তের সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও । কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে সচেতন নয় কেউ। মাস্ক ছাড়াই অফিস, বাজারে অবাধে  চলাফেরা করছে সাধারণ জনগণ । হোটেল গুলোতে চলছে চা,চক্রের আড্ডা এমন পরিস্থিতিতে সচেতনতা বৃদ্ধি, মাস্ক বিতরণ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে পাঁচবিবি উপজেলা প্রশাসন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের  পাশাপাশি   মাস্ক না পড়ায় ১৩ জনের কাছ থেকে ১৭শত টাকা  জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি এ সময় জনগণকে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ প্রদান করা হয়। 
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুনিরুল শহীদ মুন্না, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বরমান হোসেন, সহ আরো অনেকে।

প্রতিবন্ধীদের স্বাবলম্বী করছে শিপ্ত

প্রতিবন্ধীদের স্বাবলম্বী করছে শিপ্ত

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ: প্রতিবন্ধী কথাটা শুনলেই চোখের সামনে কোন এক অসহায় মানুষের ছবি ভেসে ওঠে। ধরেই নেওয়া হয় তাদের দ্বারা কিছুই হবে না, ঘরের কোণে পড়ে থাকা বা রাস্তায় ভিক্ষা করার জন্যই তাদের জন্ম। কিন্তু না তারা আজ আর বসে নেই। লেখাপড়া এবং চাকরিতে একজন স্বাভাবিক মানুষের মতো তাদেরও সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু স্কুল কলেজ এবং চাকরি ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ সুবিধা না থাকায় পিছিয়ে পড়েছে তারা।

এই সকল ধারণাকে ভেস্তে দিয়ে, আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রত্যয়, ছুটে চলেছে চাকরিতে তৈরি করছে সুনিপুণ বিশ্বমানের সকল হস্তশিল্প। পাট, হোগলা, পাতা, ছন, কাশিয়া এইসব ব্যবহার করে তৈরি করছে বিভিন্ন ধরনের বাস্কেট, ব্যাগ, কার্পেট ও বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম। পরিবারের আরেকজন উপার্জনক্ষম সদস্যর মত সংসারের চাকা ঘোরাতে নিজেকে আত্মনিয়োগ করছে। আর তাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজ করছে নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার এস এন্ড এস হ্যান্ডিক্রাফট বিডি ১০০ জন প্রতিবন্ধী মানুষ নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে মোস্তাফিজুর রহমান শিপ্ত নামে একজন তরুণ উদ্দোক্তা।

প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে অনেক আগে থেকেই ছিলো শিপ্তর। পড়াশুনা শেষ করে একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি নিয়েছিলেন তিনি। করোনায় সবকিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি তার পুরনো সেই ইচ্ছাকে জাগিয়ে তুলতে চাচ্ছিলেন। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি এ উদ্যোগটি হাতে নেন। প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন সংস্থা থেকে তাদের খুঁজে খুঁজে বের করেন শিপ্ত। এরপর তাদেরকে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে কাজে দক্ষ করে তুলেন। প্রথমদিকে তাদেরকে সাইটসেইভারস এবং ইউনিকেইডের অর্থায়নে হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অতঃপর তাদের দক্ষ হাত দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের সব হ্যান্ডিক্রাফট এবং তা গুঞ্জন ও ড্রিমস থ্রেড নামক ফেসবুক ভিত্তিক অনলাইন শপের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। যার লভ্যাংশের অনেকটাই পাচ্ছেন তারা। আর এভাবেই তাদের জন্য কর্মক্ষেত্রের নতুন এক জায়গাও তৈরি হয়েছে।

এস এন্ড এস হ্যান্ডিক্রাফট বিডি বাংলাদেশে এই প্রথম প্রতিবন্ধী অসহায় মানুষদের কর্মক্ষম ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বিনামূল্যে তাদেরকে হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্পের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে। যাতে করে আমাদের প্রতিবন্ধী ভাই বোনদের কেউ অবহেলা না করতে পারে। তারা যাতে সমাজে জন্য বোঝা না হয়ে, সমাজের উন্নয়ন ও পারিবারিক সক্ষমতায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে পারে। নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার ইটাখোলায় তরুণ উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান শিপ্ত প্রতিবন্ধীদের স্বাবলম্বী করতে পাটজাত পণ্য ও হস্তশিল্প তৈরির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন।

তরুণ এই উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান শিপ্ত বলেন, "তরুণের একটাই স্বপ্ন বাংলাদেশের সকল অসহায় প্রতিবন্ধীরা যাতে সমাজের জন্য বোঝা না হয়ে সমাজের জন্য সম্পদ হিসেবে তৈরি হয়। তাদের যাতে কেও অবহেলা করতে না পারে। প্রতিবন্ধীরা মনে করে যে তারা মরে গেছেন। কিন্তু না এ ধরনের মানুষরা বাইরের দেশে কাজ করে খাচ্ছেন। এ কারণে আমার ২০২১ সালের উদ্দেশ্য হলো এ ধরনের মানুষদের স্বাবলম্বী করে তোলা। এই ট্রেনিং এর মাধ্যমে তারা পাটের ও হাতে তৈরি নানা পণ্যের কাজ শিখতে পেরেছে। যা প্রতিবন্ধীদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। এছাড়া তাদের তৈরি পণ্যগুলোর কাঁচামাল আমরা সরবরাহ করবো ও পণ্যগুলো বিক্রির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। হাতে তৈরি পণ্য একটি বিশেষ শিল্প। আমাদের দেশসহ বিদেশে এসব পণ্যের অনেক চাহিদা রয়েছে। আশা করা যায় এই হ্যান্ডিক্রাফটের পণ্য তৈরি করে তারা দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।"

তিনি আরো বলেন, "বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি হ্যান্ডি ক্রাফট তৈরিকারক কোম্পানিগুলো কাছে একটি আবেদন, যাতে করে তারা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায় এবং তার কর্মীদের নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে সহযোগিতা করে।"

কুলাউড়ায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৬ জন

কুলাউড়ায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৬ জন

মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ কুলাউড়া উপজেলায় নতুন করে ১ মহিলাসহ আরও ৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। বুধবার রাতে তাদের পজিটিভ রিপোর্ট হাসপাতালে পৌঁঁছায় বলে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। করোনাক্রান্ত ৬ জনের মধ্যে কুলাউড়া পৌর এলাকার উত্তর কুলাউড়ার ১ জন, মাগুরা এলাকার ১ জন এবং উছলাপাড়া এলাকার ১ জন, টিলাগাঁও ইউনিয়নের নৈইমপুর এলাকার ১ জন, পৃথিমপাশার ১ জন ও জয়চন্ডী ইউনিয়নের পুশাইনগর এলাকার ১ জনসহ মোট ৬ জন।

কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জন গত ৩ এপ্রিল ও অপর ৩ জন গত ৫ এপ্রিল কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্যাম্পল দেন। স্যাম্পল দেয়ার পর বুধবার রাতে ৬ জনেরই রিপোর্ট কুলাউড়া হাসপাতালে পজিটিভ আসে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।