পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী:- ভুমিহীনদের মধ্যে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর নিয়ে চট্টগ্রামের পটিয়া এসিল্যান্ড অফিসের সহকারী হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামিদুর রহমান আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরের তল্লাশীর নাম দিয়ে কোন ঘরের মালিককে না পেলে তার থেকে টাকা দাবী অন্যথায় টাকার বিনিময়ে আরেক জনের ঘর অন্যজনকে দখলে দিয়ে থাকে। এভাবে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে অনিয়ম দূর্নীতি করার কারণে মূল মালিক গৃহ হারা হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ২০২০ সালে উপজেলার বেলখাইন গ্রামের মৃত ইসলাম মিয়ার পুত্র ভুমিহীন মমতাজ আলীকে বন্দোবস্তী মামলা নং- ২৬/২০ মূলে প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘর উপহার দেওয়া হয়। সম্প্রতি মমতাজ আলী অসুস্থতা জনিত কারণে স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ভুমি সহকারী হামিদুর রহমান তল্লাশীতে গিয়ে তাকে না পেয়ে অন্য আরেক পরিবারকে টাকার বিনিময়ে মমতাজ আলীর ঘরে দখলে দেয়। বিষয়টি মমতাজ আলী এসিল্যান্ডকে জানালে হামিদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। হামিদুর রহমান মমতাজ আলী থেকে ঘর রক্ষায় ২০ হাজার টাকা দাবী করেন। কিন্তু এ টাকা না দেয়ায় ঘর ফিরে পাইনি মমতাজ আলী। এঘটনায় মমতাজ আলী বিভাগীয় কমিশনার সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছে। এর আগেও শহীদুল ইসলাম নামের একজনের ঘর টাকার বিনিময়ে হামিদুর রহমান আরেক জনকে দখলে দেয়। এঘটনায় অভিযোগ সহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। হামিদুর রহমানের বড় ভাই নুরুজ্জামান এডিসি (রাজস্ব) পদে থাকায় তার প্রভাবে কোন কিছু সে পাত্তা দেয় না বলে অনেকের অভিযোগ। হামিদুর রহমানের ভাই নুরুজ্জামান বর্তমানে কিশোরগঞ্জের এডিসি (রাজস্ব) পদে রয়েছে বলে জানা গেছে। অনিয়ম দূর্নীতি করে নামজারী খতিয়ান সহ আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নিয়ে বাণিজ্য চালিয়ে হামিদুর রহমান লোকজন থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এব্যাপারে হামিদুর রহমান থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি টাকার বিনিময়ে কাউকে ঘর দখলে দেয়নি, মমতাজ আলী সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।
