মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা বহুস্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করে আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাকারদের হাত থেকে সুরক্ষিত করুন।
মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) যেখানে ব্যবহার করবেন-
- আপনার অর্থনৈতিক তথ্য জড়িত যেখানে, যেমন: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা অনলাইন স্টোর অ্যাকাউন্ট, ইত্যাদিতে
- আপনার ব্যক্তিগত যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, যেমন: ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ইত্যাদি।
- আপনি ব্যক্তিগত কাজে যেসব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন সেগুলোতে। অর্থাৎ আপনার অনলাইন কেন্দ্রিক যেকোনো অ্যাকাউন্টেই এমএফএ বা মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সেটিংস চালু রাখা উচিত।
বহুস্তরের নিরাপত্তা বা মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার
যেভাবে-
- আপনার কোনো অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকতে গেলে ইমেইল আইডিতে অথবা ফোন নাম্বারে একটি কোড পাঠানো হবে, যাতে ওই কোড দেওয়া ছাড়া আপনার অ্যাকাউন্টে ঢোকা না যায়।
- ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো বায়োমেট্রিক কোনো পদ্ধতি হতে পারে।
- একাধিক ধাপে আপনার অনুমতি নিশ্চিত করে, এমন কোনো অ্যাপস হতে পারে।
পাসওয়ার্ড
হলো আপনার বাসার দারোয়ানের মতো যে আপনার অনলাইন রাজ্যের নিরাপত্তা দেয়। কিন্তু আপনার
দুজন পাহারাদার রাখার সুযোগ থাকলে আপনি সেখানে একজন কেন রাখবেন? মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন
হলো আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা দুই স্তরের রাখার মতো। এটি চালু করে আইডির নিরাপত্তার
দেয়াল শক্ত করুন, শত্রুদের একশ’ হাত দূরে রাখুন।
আপনার পাসওয়ার্ড
আপনি ছাড়া দুনিয়ার কেউ জানে না, তবে হ্যাকার জানতে পারে! তাই হ্যাকারদের হাত থেকে নিজেকে
সুরক্ষিত রাখতে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করুন।
একটি লক,
দুইটি লক, তিনটি লক…এভাবে একগুচ্ছ লক ব্যবহার করতে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার
করে অনলাইন দুনিয়ায় হয়ে উঠুন সবচেয়ে সুরক্ষিত। হ্যাকারদের সহজেই আপনার আইডি হ্যাক করার
সুযোগ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রেখে শান্তিতে ঘুমাতে যান।
