বাগেরহাট থেকে হাঁরিয়ে যাওয়া মা'কে খুঁজে পেলেন সাতক্ষীরায়

বাগেরহাট থেকে হাঁরিয়ে যাওয়া মা'কে খুঁজে পেলেন  সাতক্ষীরায়


আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃহারিয়ে যাওয়ার দীর্ঘ ১৫ বছর পর গর্ভধারিণী মা বৃদ্ধা নাসিমা বেগমকে খুঁজে পেয়েছে বাগেরহাটের আলামিন ও আলাউদ্দিন। মানসিক ভারসাম্যহীন নাসিমা বেগমের বয়স আনুমানিক ৭০ বছর। তিনি বাগেরহাট জেলার মংলা থানার জিরো ধারাবাজি ঘরখোন্ড গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ২ বছর ধরে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা চাঁদনীমুখা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বাজার আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি।


দীর্ঘ ১৫ বছর পরে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০) 

বিকালে তার দুই সন্তান তাকে নিয়ে চলে যান নিজ বাসায়। 

এতোদিন সে, সঠিক ঠিকানা বলতে না পারায় তাকে, পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতিপূর্বে তিনি নিজের নাম ঠিকানা বলতে না পারায় তাকে, স্থানীয়রা আবেদা নামে ডাকতো। বৃদ্ধার দুই ছেলে জানান, আমাদের মাকে আমরা ১৫ বছর ধরে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। দেশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেছি। অবশেষে গাবুরায় একটা বিয়ের দাওয়াত খেতে এসে, আমরা জানতে পারি আমাদের মা এখানে আছে। আমাদের মাকে পেয়ে আমরা খুব খুশি হয়েছি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, ‘২ বছর আগে এলাকায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন নাসিমা বেগম। এমন অবস্থা দেখে তাকে চাঁদনীমুখা বাজারে এক দোকানে আশ্রয় দেন। ২ বছর ওই বৃদ্ধা এই এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

নওগাঁয় ছাগল চোর সন্দেহে আটক- ৫

নওগাঁয় ছাগল চোর সন্দেহে আটক- ৫


মোঃ ফিরোজ হোসাইন রাজশাহী ব্যুরো:নওগাঁর রাণীনগরে দিবালোকে প্রকাশ্যে মাঠে থেকে ছাগল চুরি করে পালানোর সময় স্থানীয় জনগণ  ৫ জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।গত বৃহস্পতিবার রাতে এঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও শুক্রবার সকালে তাদের কে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ছাগলের মালিক উপজেলার আমিরপুর গ্রামের সেন্টু আলীর ভাই মোহন আলী জানান,তার ভাইয়ের একটি ছাগল রাস্তার পার্শ্বে ঘাশ খাচ্ছিল। এসময় একটি অটোরিক্সা যোগে যাত্রী বেশে ৫ জন ওই ছাগল চুরি করে নিয়ে যাবার সময় স্থানীয় লোকজন তাদেরকে আটক করে।

আটককৃতরা হলো আদমদীঘি উপজেলার জিনুইর গ্রামের সোহেল রানার ছেলে শামিম হোসেন (২৫),একই গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে আল আমিন (২২),জহুরুল ইসলামের ছেলে রানা আহম্মেদ (২৬), মাসুদ রানার ছেলে পারভেজ হোসেন (২৬) এবং একই উপজেলার কেশরতা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রুবেল হোসেন (২৯)। পরে আটককৃতদের সন্ধ্যা নাগাদ থানাপুলিশে সোর্পদ করলে পুলিশ রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

রাণীনগর থানার ওসি মো: জহুরুল হক বলেন, ছাগল চোর সন্দেহে স্থানীয় জনতা ৫জনকে আটক করে সোর্পদ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ১৫১ ধারায় মামলা রুজু করে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ

 হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুজন আহমেদকে (২১) আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। আটককৃত সুজন আহমেদ আজমিরীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বিরাট উজানপাড়ার (আসাম পাড়ার) গ্রামের আবু বক্কর মিয়ার ছেলে। সে বিবাহিত এবং তার স্ত্রী ৮ মাসের অন্তসত্বা বলে জানা গেছে। একদিকে ঘটনার পর বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত সুজন আহমেদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। পরে রাতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী বাদী হয়ে সুজন আহমেদ ও তার বন্ধু মুসলিম মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েক জনের বিরুদ্ধে আজমিরীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন সূত্রে জানা যায় উপজেলার বিরাট উজানপাড়া। 


(আসামপাড়া) গ্রামের আবু বক্কর মিয়ার একমাত্র ছেলে সুজন আহমেদ অনেকটা লম্পট প্রকৃতির লোক। বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। প্রায় এক বছর আগে পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার শাল্লা গ্রামে নিজের পছন্দে বিয়ে করেন। সুজনের স্ত্রী বর্তমানে ৮ মাসের অন্তসত্বা বলে জানা গেছে।

কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের সিকন্দরপুর গ্রামের জনৈক ব্যক্তির কিশোরী মেয়ের সাথে পরিচয় হয় সুজনের। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।


(২৪-সেপ্টেম্বর) বিকালে সুজন তার বন্ধু মুসলিম মিয়াকে সাথে নিয়ে ওই কিশোরীর বাড়িতে যায়। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে বিয়ের প্রলো ভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে সুজন। এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে হাতে নাতে সুজন আহমেদকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। বিকাল ৫টার দিকে শিবপাশা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ আশরাফ আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুজনকে আটক করে আজমিরীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন। পরে ওই কিশোরী বাদি হয়ে সুজন আহমেদ ও তার বন্ধু মুসলিম মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েক জনের বিরুদ্ধে আজমিরীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।


আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন- ‘ধর্ষণের অভিযোগ এনে কিশোরী বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া অভিযুক্ত সুজনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫-সেপ্টেম্বর) আটককৃত যুবকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য কিশেরীকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।

হবিগঞ্জে নিজের মেয়েকে লুকিয়ে রেখে আত্মীয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা

হবিগঞ্জে নিজের মেয়েকে লুকিয়ে রেখে আত্মীয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা


.


লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় এক ব্যক্তি তার মেয়েকে লুকিয়ে রেখে নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। ৮ মাস পর আবিদা আক্তার (১৪) নামের ওই মেয়েটিকে ঢাকার রায়ের বাজার এলাকায় খালার বাসা থেকে উদ্ধার করল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গতকাল বৃহস্পতিবার পিবিআই হবিগঞ্জের পরিদর্শক শরীফ মোঃ রেজাউল করিম আবিদাকে উদ্ধার করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালতে সোপর্দ করেছেন পরে আদালত মেয়েটিকে তার পিতা রমিজ আলীর জিম্মায় দেন পিবিআই জানিয়েছে গেল জানুয়ারী মাসে বাহুবল উপজেলার চরগাঁওয়ের।


বাসিন্দা রমিজ আলী তার মেয়ে আবিদাকে অপহরণের অভিযোগে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। আসামী করেন তারই আপন ফুফাতো ভাই হান্নান মিয়া, তাহির মিয়া আব্দুল্লা মিয়া এবং ভাতিজা নবাই মিয়া ও রায়হান উদ্দিনকে। আদালত থেকে মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই সম্প্রতি তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে আবিদার অবস্থান জানতে পারে পিবিআই। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার রায়ের বাজার এলাকায় আবিদার খালা জুলেখা বেগমের


বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয় ওইদিন বিকেলে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক আবিদাকে তার বাবার জিম্মায় দিয়েছেন পিবিআই হবিগঞ্জের পরিদর্শক শরীফ মোঃ রেজাউল করিম জানিয়েছেন, অপহরণ মামলা হলে আদালতের নির্দেশ পেয়েই তদন্ত শুরু হয় আট মাস পর তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে জানা গেলো মেয়েটির বাবা তাকে ঢাকায় লুকিয়ে রেখে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছেন সেখান থেকে উদ্ধার করে এনে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক আবিদাকে বাবার জিম্মায় দেন।

হাসপাতালগুলোতে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগের আহ্বান

 হাসপাতালগুলোতে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগের আহ্বান


শাহরিয়ার নাসেরঃওষুধ শিল্পসহ দেশের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আজ দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে নেই গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট। এজন্য প্রায়শই বিপাকে পড়ছেন রোগীরা। মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি হাসপাতালে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগের বিকল্প নেই।' আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘পরিবর্তিত বিশ্ব স্বাস্থ্য’  প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি) ফার্মেসি বিভাগের আয়োজনে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২০ উপলক্ষে  অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে  গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। 


ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক ফাহাদ হোসাইনের সঞ্চালনায় এবং বিভাগটির চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম, কি নোট স্পীকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউ এফ হেলথ লিসবার্গ হসপিটালের ক্লিনিক্যাল ফার্সাসিস্ট মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিলুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসকেএফ বাংলাদেশ লিমিটেডের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ইফতেখার হোসাইন এবং বিশিষ্ট ক্যান্সার গবেষক ও নোবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম। সভায় অন্যদের মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে অনলাইনে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কম্পিটিশনের আয়োজন করে বিভাগটি। এতে অংশ নেয় বিভাগটির বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। বিজয়ীদের নাম ঘোষণার মধ্য দিয়েই ইভেন্টটি শেষ হয়। প্রেজেন্টেশন কম্পিটিশনে বিজয়ীরা হলেন,  সৈয়দ মুমতাহিন সিয়াম, মারজানুর রহমান ভূঁইয়া, ইমতিয়াজ আহমেদ মিলটন, জিনাত ফাতেমা এবং সাবরিনা চৌধুরী।  উল্লেখ্য, চলমান করোনাভাইরাস দুর্যোগের কারণে এবারই প্রথম অনলাইনে দিবসটি উদযাপন করে নোবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগ।

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মসজিদ কমিটি নিয়ে দু পক্ষের বাক বিতন্ডা

 নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মসজিদ কমিটি নিয়ে দু পক্ষের বাক বিতন্ডা

শিপন,নারায়ণগঞ্জঃনারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের উপস্থিতিতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাক-বিতন্ডা ও হাতাহাতির হয়।। শুক্রবার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭নং কুঁড়িপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে অপ্রীতিকর ঘটনার আংশকা করছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,কুঁড়িপাড়া বাজার মহল্লা জামে মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দু’টি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার বাদ জুম্মা কমিটি প্রক্রিয়া শুরু হলে এ নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। খবর পেয়ে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ফখরুদ্দিন ভূইয়া ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও তার উপস্থিতিতে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

এ ব্যাপারে জনৈক মুসল্লী জানান আমাদের মসজিদ কমিটির বর্তমান সেক্রেটারী কোরআনে হাফেজ। বিগত দিনে যারা নেতৃত্বে ছিল তারাই মসজিদ কমিটি সুন্দরভাবে পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু যুদ্ধাপরাধী ওমরের ছেলে সম্রাট,সন্ত্রাসী বিল্লাল,রাজাকার সালামতউল্লাহর পুত্র ইসহাক গং মাদকসেবী মনিরুজ্জামানকে সেক্রেটারী করতে চায়।

তারা অন্য এলাকার এবং অনিয়মিত নামাজীকে মসজিদ কমিটিতে জোরপূর্বক রাখতে চায়। তাদের অনাসৃষ্টি আবদার রক্ষা না করায় সম্রাট,বিল্লাল,ইসহাক গং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান বাবুল সম্রাট,বিল্লাল,ইসহাক গংয়ের পক্ষ নিয়ে উস্কানীমূলক বক্তব্য দেয়। বিষয়টি প্রশাসনের উর্দ্ধতন মহলের তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া উচিত। এদিকে এ বিষয়ে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ফখরুদ্দিন ভূইয়া জানান,আমাদের উপস্থিতিতে কোন মারামারি হয়নি সামান্য বাগবিতণ্ডা হয়েছে। তর্কাতর্কির কারণে কমিটি গঠনের জন্য ২মাস সময় বেধে দেয়া হয়েছে। তারা মাসের মধ্যে কমিটি গঠন করে মসজিদ পরিচালনা করবে।

পরিচ্ছন্ন চৌগাছা উপজেলা গড়তে বিডি ক্লিন চৌগাছা উপজেলা টিমের যাত্রা

পরিচ্ছন্ন চৌগাছা উপজেলা গড়তে বিডি ক্লিন চৌগাছা উপজেলা টিমের যাত্রা


চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধিঃ২০১৬ সাল থেকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তথা পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করে আসছে বিডি ক্লিন। তারই ধারাবাহিকতায় বিডি ক্লিন যশোর জেলা টিমের পর চৌগাছা উপজেলা টিম গঠনের লক্ষে শুক্রবার  চৌগাছা বাজারস্ত আশরাফ ফাউন্ডেশন এর হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিডি ক্লিন যশোর জেলার জেলা সমন্বয়ক আল হেলাল মামুন,জেলা সহ-সমন্বয়ক আনিকা তাবাসসুম ইতু, বিডি ক্লিন মণিরামপুর উপজেলা সমন্বয়ক আরিফ ফয়সাল অন্তর সহ পরিচ্ছন্ন চৌগাছা উপজেলা গড়াতে আগ্রহি তারুণ্য। আল হেলাল মামুন বলেন, বিডি ক্লিন  “পরিচ্ছন্নতা শুরু হোক আমার থেকে” এই শ্লোগান নিয়ে “বিডি ক্লিন চৌগাছা” এগিয়ে যেতে চাই পরিচ্ছন্ন ও জীবাণু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদস্যদের মধ্যে আকরামুল ইসলাম বলেন এই সময়ের তারুণ্য হিসাবে আমরা বিডি ক্লিন চৌগাছা উপজেলা টিমের মাধ্যমে চৌগাছা উপজেলাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত উপজেলা হিসাবে জেলা তথা দেশব্যাপী স্বকৃীতি অর্জন করতে চাই । বিডি ক্লিন চৌগাছা  উপজেলা ম্যানেজমেন্ট  টিমের সদস্য আক্তারুল ইসলাম বলেন পরিচ্ছন্ন পরিবেশরের  প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মতামত উপস্থাপন করে বলেন একটি প্রজন্ম যদি দীর্ঘসময় পরিবেশ দূষণের মধ্যে কাটিয়ে দেয়, তার মারাত্মক প্রভাব পড়ে পরবর্তী প্রজন্মের উপর। পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। বিডি ক্লিন মণিরামপুর উপজেলা সমন্বয়ক আরিফ ফয়সাল অন্তত বলেন এখনই আমাদের সকলের সম্মিলিত চর্চার মাধ্যমে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ছুড়ে ফেলার মানসিকতা পরিহার করে বাংলাদেশ কে একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে এগিয়ে আসতে হবে।

১৫০কিমি পথ পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করবেন জবির পাঁচ রোভার

 ১৫০কিমি পথ পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করবেন জবির পাঁচ রোভার

জবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রেসিডেন্ট'স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের পাঁচজন রোভার পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করবেন। শ্রীমঙ্গল থেকে জাফলং পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণের উদ্দেশ্যে আগামী ২৭/০৯/২০২০ ইং তারিখ থেকে তারা যাত্রা শুরু করবে।


রোভার স্কাউটস্ এর সর্বোচ্চ সম্মান “প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট এ্যাওয়ার্ড” প্রাপ্তির লক্ষ্যে পরিভ্রমণ ব্যাজ অর্জন করার জন্য তারা এই পরিভ্রমণ সম্পন্ন করবে। পাঁচ দিনব্যাপি এই প্রোগ্রামে তারা শ্রীমঙ্গল থেকে রাজনগর, ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট, জৈন্তাপুর হয়ে জাফলং পযর্ন্ত পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করবে।পরিভ্রমণ পথে তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিস ইত্যাদি পরিদর্শন করবে এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবে।


পরিভ্রমণকারী রোভারবৃন্দ হলেন, রোভার মোঃ ইমতিয়াজ মাহমুদ (দলনেতা), রোভার মোল্লা মামুন হাসান (সদস্য), রোভার আলমগীর হোসেন (সদস্য), রোভার আনোয়ার হোসেন (সদস্য), রোভার নাজমুল হাসান মুন্না (সহকারী দলনেতা)


এ উপলক্ষে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং তারিখে অত্র বিশ্বদ্যিালয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো.  মনিরুজ্জামান খন্দকার পরিভ্রমণকারী দলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ  ও উদ্ভোধন ঘোষণা করেন।


এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রক্টর জনাব ড. মোস্তফা কামাল, সহকারী প্রক্টর জনাব নিউটন হাওলাদার, সহকারী প্রক্টর জনাব ড.মোহাম্মদ রেজাউল হোসেইন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রপের রোভার স্কাউট লিডার ও সহকারী প্রক্টর জনাব কাজী ফারুক হোসেন, জ.বি রোভার ইন-কাউন্সিলের সভাপতি আহসান হাবীব ও অন্যান্য রোভারবৃৃন্দ।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ই-স্কুল পরিদর্শনে দূর্বার তারুণ্যসহ আবিদ

 চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ই-স্কুল পরিদর্শনে দূর্বার তারুণ্যসহ আবিদ

 

 মোঃ সাজ্জাদ হাসান:চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে গত ৩ বছর ধরে চলছে ই-স্কুল নামক একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বাচ্চাদের অক্ষরজ্ঞান দান করা হয়। তার পাশাপাশি যেসকল ছেলেমেয়েরা অর্থের অভাবে পড়াশোনা করতে পারেন না, তাদের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে স্কুলে ভর্তি করিয়ে লেখাপড়া করানো হয়। রেলস্টেশন ও তার আশে পাশের বস্তির বাচ্চাদের জন্য প্রতি শুক্রবার যেন এক মজার পাঠশালায় রুপান্তর হয়েছে এ ই-স্কুল। 


দূর্বার তারুণ্যের কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর সম্পাদক রিয়াজুল করিম রিজভীর নজরে এ কার্যক্রম ধরা পড়ে।তিনি দূর্বার তারুণ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আবু আবিদকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করেন।বিষয়টি জানার পর মুহাম্মদ আবু আবিদ কালক্ষেপণ না করে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্বে থাকা নরেশ্বর দাশের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। এরপর নরেশ্বর দাশ তাকে বিদ্যালয়টি দেখে যাওয়ার জন্য দাওয়াত দেন।


আজ বৃষ্টিভেজা সকালে মুহাম্মদ আবু আবিদ দূর্বার তারুণ্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক রবিউল হাসান,  সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তানিম ও মোঃ জিহাদুল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক রিয়াজুল করিম রিজভী কে নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে যান।


পরিদর্শন শেষে মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন,  নরেশ্বর দা যা করছেন তা প্রশংসার দাবিদার।তিনি তার নিজ বেতনের অর্ধেক এই বাচ্চাদের জন্য খরচ করে ফেলছেন।দূর্বার তারুণ্য তার ও  তার প্রতিষ্ঠানের পাশে আছে। আমি বাচ্চাদের সাথে কথা বলেছি৷ আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে পড়াশোনার পাশাপাশি এ বিদ্যালয়ে সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলো চলছে। তবে এ বিদ্যালয়ের জন্য কিছু সুবিধা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবিষয়ে আমি প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলব।

পটিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৪'তম জন্মদিন পালন

পটিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৪'তম  জন্মদিন পালন


পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ পটিয়া উপজেলার খরনা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি বাপ্পি চৌধুরীর  কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচীর আলোকে খরনা  ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি বাপ্পী চৌধুরী’র ব্যক্তিগত উদ্যােগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও এতিম দুস্তদের   শিশুদের মাঝে তবরুক বিতরন করা হয়েছে । এসময় উপস্থিত    ছিলেন খরনা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল আবচার, যুগ্ম সম্পাদক ডা: রাজীব চৌধুরী, খরনা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা জমির উদ্দিন,  মোর্শেদ আলম, আরমান,ইমন,রাকিব,


আসিফ,ফাহাদ, মন্জুরুল আলম, আইমন,রিটন,


নেচার প্রমুখ। বিশিষ্ট সমাজ সেবক  খরনা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি বাপ্পি চৌধুরী বলেন,


১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে প্রথম, ২০০৮ সালে দ্বিতীয় এবং ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে  চতুর্থবারের   মতো নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি দেশের নেতৃত্বের আসনে আওয়ামী লীগকে বসাতে সক্ষম হন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।তার ধারাবাহিকতা আওয়ামী যুবলীগ পটিয়া ও খরনা ইউনিয়ন কাজ করে যাচ্ছে। বাপ্পি চৌধুরী দলের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান। 

অনলাইন পত্রিকার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা

 অনলাইন পত্রিকার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার: নির্বাচিত অনলাইন দৈনিক পত্রিকার সংস্করণ ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার স্বাক্ষরিত আদেশটি আজ বুধবার প্রকাশ করে তথ্য মন্ত্রণালয়।

আদেশ অনুযায়ী, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও পত্রিকার অনলাইন নিবন্ধন ফি এককালীন ১০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। বাৎসরিক নবায়ন ফি জমা দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। এছাড়া নিবন্ধনের ওপর সারচার্জ দিতে হবে দুই হাজার টাকা। তবে এক মাসের মধ্যে জমা না দিলে সারচার্জ দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। অনলাইন পত্রিকা নিবন্ধনের ফি জমা দেওয়ার নির্দেশ। নির্দেশনায় বলা হয়, সরকারি বিধি মোতাবেক নিবন্ধন ফি ১৪২২২২১২ কোডে ১০ হাজার টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ১৪২২৩৩৫ কোডে নবায়ন ফি জমা দিতে হবে দুই হাজার টাকা। নিবন্ধনের ওপর সারচার্জ ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ১৪২২৪০৬ কোডে জমা দিতে হবে দুই হাজার টাকা।

গত ৩০ জুলাই ৩৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের অনুমতি দেয়া হয়। পরে গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর ও দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের ৯২টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণকে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করে তথ্য মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে নিবন্ধনের অনুমতি পাওয়া এসব অনলাইনকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধও জানানো হয়।

কোষ্টগার্ডের অভিযানে পুশকৃত চিংড়ী জব্দ ৪ প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দন্ড

কোষ্টগার্ডের অভিযানে পুশকৃত চিংড়ী জব্দ  ৪ প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দন্ড


মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা:জেলি পুশকৃত ৫শ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করেছে কোষ্টগার্ড। মৎস্য মান নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ ও কোষ্টগার্ড যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে জেলি পুশকরা এ সকল বাগদা ও গলদা চিংড়ী জব্দ করে তারা। এ সময় জেলি পুশকৃত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত  করার কারনে ৪টি কোম্পানী (রিতু ফিস, মিলন ফিস, বায়েজিদ ফিস, প্রিয় ফিস) এ ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড জরিমানা করা হয়।


কোষ্টগার্ড জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের সুত্রধরে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের বিসিজি স্টেশান রুপসা ও মৎস্য মান নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে রুপসা ঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। আজ শুক্রবার বিকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কোষ্টগার্ড এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে কয়েকটি কম্পানীতে অভিযান চালিয়ে ৫শ কেজি জেলিপুশ যুক্ত গলদা ও বাগদা চিংড়ী মাছ জব্দ করা হয়। এসময় এর সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জড়িমানা করে কোসটগার্ড ও মৎস্য মান নিয়ন্ত্রক কতৃপক্ষ । পরবতর্ীতে কোষ্টগার্ড ও মৎস্য মান নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ এবং সেখানকার লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দকৃত চিংড়ি মাছ নষ্ট করা হয়।


কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের গোয়েন্দা কর্মকতা লে. কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম জানান, কোস্টগার্ড এর এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমুহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি  মৎস্য সম্পদ  রক্ষায়  কোস্ট গার্ড  জিরো  টলারেন্স  নীতি  অবলম্বন  করে  নিয়মিত  অভিযান  পরিচালনা  করে  আসছে। যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানায় কোষ্টগার্ডের এ কর্মকর্তা। 

জলবায়ু সুবিচার নিশ্চিতের দাবিতে গোপালগঞ্জে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের অবরোধ

জলবায়ু সুবিচার নিশ্চিতের দাবিতে গোপালগঞ্জে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের অবরোধ

 


সুমন, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃজলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন সহ যেসকল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় তার সু্বিচার নিশ্চিত করতে অবরোধ  পালন করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।


 সুইডিস পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের মতাদর্শের ভিত্তিতে  গোপালগঞ্জ, বরিশাল সহ ৯ টি জেলায় সুবিচার কর্মসূচি আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'ইন্সপিরেশন ফর হিউম্যান ওয়েলফেয়ার'। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা 'একশনএইড', 'ফ্রাইডে ফর ফিউচার' ও 'ইয়ুথনেট' এর সহযোগিতায়  ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা, দিনাজপুর ও  গাইবান্ধা জেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের এই কর্মসূচি পালন করা হয়। 


 'ইন্সপিরেশন ফর হিউম্যান ওয়েলফেয়ার'  সপ্তাহব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে প্রায় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহন করে। 



সংগঠনটির সমন্বয়ক আইরিন আক্তার মিম বলেন, সংগঠন টির বেশির ভাগ সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বর্তমানে করোনা মহামারীর কারনে সবাই নিজ বাসস্থান এ অবস্থান করছে। যে যে জেলায় অবস্থান করছে সেখান থেকেই গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক ২০২০ এ অংশগ্রহণ করেছে।"

 

জলবায়ু পরিবর্তন মানবজাতি ও পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরুপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন এর কারনে ঝুকিপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষে অবস্থান করছে এবং এর ভয়াবহতার প্রমাণ আমরা পাচ্ছি প্রতিনিয়ত। করোনা পরবর্তী সময়ে হাসপাতাল সহ নিত্য ব্যাবহার্য পন্যের বর্জ্য নিধন ব্যাবস্থাপনা মোকাবেলা করা সহজ নয়। এক্ষেত্রে আমাদের এখনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমাদের ভবিষ্যৎ কে সুস্থ সুন্দর করে তুলতে সকলে একত্রে কাজ করতে হবে। "


সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মোঃ নজরুল ইসলাম জানান,  বর্তমান পৃথিবীতে নানাবিধ সমস্যার মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন অন্যতম। আমরা সচেতন না হলে তবে ভবিষ্যতে এর প্রভাব খুবই ভয়াবহ হতে পারে তাই আমরা সচেতনতা বৃদ্ধি করতে 'ফ্রাইডে ফর ফিউচার' এর সাথে একমত পোষণ করে আমরা এ কর্মসূচি পালন করছি।"

আশাশুনিতে সরকারীনির্দেশ অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

 আশাশুনিতে সরকারীনির্দেশ অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা


আহসান  উল্লাহ  বাবলু আশাশুনি,  সাতক্ষীরা  জেলা  প্রতিনিধিঃআশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা এলাকার তিতুখালী সরকারী জলমহলে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে নেটপাটা দেওয়ার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২জনকে সর্বমোট ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে নেটপাটা দেওয়ার অপরাধে পৃথক দুটি মামলায় বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের আকছেদ মোড়লের ছেলে মইনুর মোড়লকে ৩০০ টাকা ও তার ছোট ভাই কামরুল মোড়লকে ৩০০ টাকা সর্বমোট ৬০০টাকা জরিমানা করেন। এসময় তিনি সকলকে অবৈধ নেটপাটা সরিয়ে নিতে নির্দেশ প্রদান করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে বড়দল ইউনিয়ন সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তা রনজিত কুমার মন্ডল, পুলিশ সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

মোংলা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শেখ জসিম করোনায় আক্রান্ত

মোংলা পৌর  আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শেখ জসিম করোনায় আক্রান্ত





মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃমোংলা পৌর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম করোনা পজেটিভ। শুক্রবার সকালে তার করোনা পরিক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। বেশ কিছুদিন দিন ধরেই সে জ্বর, গলাব্যাথা, কাশি ইত্যাদি সমস্যায় ভূগছিলো।অসুস্থ হওয়ার পর প্রথমে তিনি তার নিজ বাসায় বসে তার চিকিৎসা করিয়েছেন।পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা ডক্টরস পয়েন্টে ভর্তি করানো হয় ।বর্তমানে সে খুলনা ডক্টরস পয়েন্ট ভর্তি  আছে।  


বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস আশার পর থেকে এক মূহুর্তের জন্যও ঘরে বসে ছিলো না করোনা যোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম। প্রতিনিয়তই ব্যাস্ত  ছিলো সাধারণ জনগনকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করার কাজে।করোনার হাত থেকে কিভাবে সাধারণ  মানুষকে বাচানো যায় এটাই ছিলো তার মূল লক্ষ্য।আর যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তাদের সার্বিক সহোযোগিতা সহ তাদের খাওয়া দাওয়া, চিকিৎসা সহ সকল ধরনের সহোযোগিতা করেছেন আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম।                                                                   


দেশের করোনা পরিস্থিতে মোংলার মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পড়েছিল ঠিক সেই মুহূর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। তাদের খোঁজ খবর নিয়েছেন।সাধারন মানুষের ডাকে সাড়া দিয়ে কাজ করে চলেছেন অবিরত। করোনাকালীন সময়ে টানা বর্ষনে যখন পৌর এলাকার অধিকাংশ রাস্তা, বাড়িঘর ডুবে গিয়েছিল তখন স্থানীয়দের নিয়ে সেই রাস্তা মেরামত করেছেন। প্রকাশ্যে সহযোগিতার পাশাপাশি অনেক পরিবারকে তিনি গোপনে সহযোগিতা করেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে মোংলা এলাকায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও তিনি অনেক অবদান রেখেছেন। বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা ও  এতিমখানার শিশুদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। বিশেষ করে পৌর এলাকার বেশ কয়েকটি মসজিদের অবকাঠামো উন্নয়নেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মাদক বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন তিনি। মোংলা উপজেলার শতাধিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । উদীয়মান এই রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম। 


            

হাজারো মানুষের ভালবাসায় সিক্ত মোোংলা পৌর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান জসিম মোংলা পোর্ট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম শেখ আব্দুল হাই এবং বর্তমান মোংলা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস কামরুন নাহার হাই-এর বড় সন্তান। করোনায় আক্রান্ত শেখ কামরুজ্জামান  জসিমের জন্য মোংলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার।



আবার সেই মামার ঘাট, শাপলা চত্বর ফেরিঘাট, চৌধুরীর মোড় মূখরিত হয়ে উঠবে কখনো বা মাইক হাতে কখনো বা লিফলেট বিতরণ করে আবার কখনো বা মাস্ক হাতে মানুষের পিছনে ছুটে চলা এই মহান মানুষটি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসবেন সকলের মাঝে। এমন প্রত্যাশা সকলের।  "পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ আছে যারা শুধু দিয়ে যায় বিনিময়ে কিছুই পেতে চায়না, কামরুজ্জামান জসিম তাদেরই একজন।

পাহাড়পুরে বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণ প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন

পাহাড়পুরে বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণ প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন


রহমতউল্লাহ বদলগাছী নওগাঁঃপাহাড়পুরে বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণ প্রতিষ্ঠার দাবিতে গোবরচাপা হাট  বাজারে তৃণমূলের বিশাল মানববন্ধন ।

নওগাঁ জেলা প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টি পাহাড়পুরে পূর্ণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মানববন্ধন করেন ২নং মথুরাপুর ইউনিয়ন এর গোবরচাপা তে মানববন্ধন করেন   তৃণমূল পর্যায়ের সকল জনসাধারণের নেতাকর্মী

 ২৫ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার গোবরচাপা বাজার মোড়ে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় উক্ত মানববন্ধনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন তাদের যৌক্তিক দাবি নওগাঁয়  প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টি পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয়টি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হোক কারণ ইতিহাসের সোনালী অক্ষর এর প্রাণ পাহাড়পুর তথা সোমপুর বিহার । যা ধর্মপালের এর আমলে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন বিহার ৭৮১-৮২১খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি ছিল বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ধর্মশালা ও  বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় তার ধারাবাহিকতাকে পুণ্য রাখতে এলাকার অধিকার রক্ষার স্বার্থে বিশাল মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী ।

তাছাড়াও পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার নওগাঁ ঐতিহ্যের বিরাট স্থান যা  ৭ শতকের ঐতিহ্য সাংস্কৃতিক ইতিহাস সভ্যতার সাক্ষী হিসেবে টিকে থাকা একটি বিশ্বের ইউনেস্কো ঘোষিত ১৬০০ টি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে একটি  পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ১৯৮৫সালে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার মোট ইউনস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় লেখা একটি ঐতিহ্য বিরল বিহার তার প্রকাশ নওগাঁর  জনসাধারণের উন্নয়নের লক্ষ্যে 

সাবেক জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে নওগাঁ জেলার জন্য দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দাবি করেন 

তার মধ্যে নওগাঁ  বসবাসরত 30 লক্ষ মানুষের জন্য একটি মেডিকেল কলেজ ও এশিয়ার সর্ববৃহৎ বিহার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার যার জন্য বিশ্বমানচিত্রে নওগাঁর  মান ছড়িয়ে আছে সেই মহাবিহার এলাকা এর জন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করেছিলেন । যাতে দেশ বিদেশের শিক্ষার্থীবৃন্দ শিক্ষা অর্জন করতে পারেন ।


তার পূর্ণতা স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী একটি চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছেন তিনি নওগাঁ একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি প্রদান করেছেন, তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় চলছে নানা দ্বিমত পোষণ ।

তবে নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা মানুষের দাবী বিশ্ববিদ্যালয়টি তাদের অধিকার যাতে পাহাড়পুরের মান পূর্ণতা অর্জন করে এ নিয়ে অধিকবার মানববন্ধন করেন এলাকা বাসি জনসাধারণ ও গণ্যমান্য নেতাকর্মীরা।

তাদের যৌক্তিক  দাবি পাহাড়পুরের প্রাণকেন্দ্রে অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হোক

যশোরে বাস টার্মিনালের বেহাল অবস্থা, ভোগান্তির শেষ নেই

যশোরে  বাস টার্মিনালের বেহাল অবস্থা, ভোগান্তির শেষ নেই

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধান:যশোর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের উন্নয়নের জন্যে পৌরসভা মাসে লাখ লাখ টাকা আদায় করলেও টার্মিনালটি চরম অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। মাঝে মাঝে আমা ইট ও ঘ্যাস ফেলা ছাড়া তেমন কোন কাজ করেনি পৌরসভার। ফলে, যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের এই টার্মিনালে নানামুখি বিড়ম্বনা ও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। যশোর শহরের শংকরপুরে বিরাট এলাকা জুড়ে টার্মিনালটি অবস্থিত। যেটি ছিল পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি। পৌরসভা কর্তৃক পরিচালিত বৃহত্তর এই টার্মিনালটি নির্মাণের দেড় যুগ পরও বড় ধরনের কোন উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজ করা হয়নি বলে জানান। প্রবেশ ও বাইরে রাস্তাসহ পুরো এলাকায় বছর জুড়ে থাকে কাঁদা পানি। যার কারণে বিভিন্ন রুটের গাড়ি সেখানে অবস্থান ও অতিকষ্টে চলাচল করে আসছে। পোহাতে হয় অবর্ণনীয় ভোগান্তি। রাস্তাগুলোর অবস্থা এতটাই বেহাল যে হেঁটে চলার অবস্থাও নেই। পানি অপসারণের জন্যে ড্রেন থাকলেও ময়লা আবর্জনায় তা অবর্ণনীয় হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ ড্রেনে কোন ঢাকনা নেই। সেগুলো আলগা অবস্থায় রয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা জানিয়েছেন, মাঝে মধ্যে পৌরসভার পক্ষ থেকে টার্মিনালের প্রবেশ ও বাহিরের রাস্তায় বিভিন্ন ভাটা থেকে আমা ইট বা ঘ্যাস এনে ফেলেন। যা তেমন কোন কাজে আসছে না। বরং গাড়ী চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি করছে। এর ওপর দিয়ে চলাচলের কারণে গাড়ীর যন্ত্রাংশের ক্ষতি হচ্ছে। সংস্কার ও রং না করার কারণে টার্মিনালের ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। টয়লেটগুলোর অবস্থা আরও নাজুক। সেগুলো এতটাই স্বাস্থ্যকর যে আশপাশ দিয়ে দুর্গন্ধে চলাচলা করা যায় না। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, এখানে রাতে প্রায় ৫০০ বাস থাকে। তার নিরাপত্তার স্বার্থে পৌরসভার পক্ষে থেকে নেই কোন নৈশপ্রহরী। রাতে থাকে না কোন পুলিশ টহলের ব্যবস্থা। রাতে ১০ জন প্রহরী থাকে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায়। তাদের বেতন দিতে হয় গাড়ির মালিক-শ্রমিক এবং টার্মিনালে থাকা দোকানদারদের। রাতে প্রবেশ মুখের বাতি জ্বললেও ভেতরের বাতি জ্বলে না। যে কারণে টার্মিনালের বিরাট একটি অংশ অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে। নিজেদের টাকায় নৈশপ্রহরী রাখা সত্বেও অন্ধকারের কারণে গাড়ি ও দোকানের কোন নিরাপত্তা থাকে না।


এই দিকে, যশোরের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস ও দূরপাল্লার পরিবহনের কাছ থেকে দৈনন্দিন টাকা নেওয়া হয়। স্থানীয় রুটে চলাচলকারী বাস থেকে ৩০ টাকা এবং দূরপাল্লার পরিবহন থেকে নেওয়া হয় ৫০ টাকা করে। পৌরসভার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানান, গত বছরে এই খাতে জমা হয়েছে ৩৮ লাখ টাকা। চলতি বছরে জমা হয়েছে ২৭ লাখ টাকা। তারপরও চোখে পড়ার মত কোন উন্নয়ন ও সংস্কার হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শ্রমিক নেতা জানায়, এই খাত থেকে পৌর কোষাগারে মাসে অর্ধলাখেরও বেশি টাকা জমা হয়েছে। এক সময়ে স্থানীয় এবং দূরপাল্লার বাস থেকে ২০ টাকা করে নেওয়া হতো। কিন্তু বর্তমান মেয়র তা বাড়িয়ে ৩০ ও ৫০ টাকা করেছে। এই বিষয়ে কথা বললে পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন বলেছেন, এটি অনেক জরাজীর্ণ হয়ে আছে। অচিরেই সংস্কার করাও সমস্যা, সমাধানের জন্যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মাদক ব্যবসায়ীর তথ্য দিন আপনার পরিচয় গোপন থাকবে

 মাদক ব্যবসায়ীর তথ্য দিন আপনার পরিচয় গোপন থাকবে

মোঃআবু নাইম কাজী,স্টাফ রিপোর্টার: মাগুৱা জেলার মহম্মদপুর থানা এলাকার মাদক কারবারিদের তথ্য প্রদানের জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন অফিসাৱ ইনচার্জ জনাব তারক বিশ্বাস। তিনি বলেন মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদক কারবারি কারা এবং কোথায় কখন কিভাবে মাদক বিক্রয় করছেন সেই তথ্য গুলো আমাদের জানান, আমরা ঐ সমস্ত মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসব। পাশাপাশি থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।


 সাধারণ মানুষের মাঝে পুলিশ সম্পর্কে তাদের নেতিবাচক ধারণা বদলে দিয়েছেন তিনি। তাতে থানার এলাকার মানুষের মাঝে একটি ধারণার সৃষ্টি হয়েছে যে, আইন সবার জন্য সমান। একটা সময় ছিল যখন সবাই মনে করতো যার টাকা আছে আইন তার পাশে থাকবে। 


যে অন্যায় করবে সে শাস্তি পাবে এবং নিরপরাধী কখনোই হয়রানির শিকার যাতে না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে অধীনস্থদের কড়া নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি ইতোমধ্যেই মাদক এবং জুয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।


মহম্মদপুর  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব তারক বিশ্বাস বলেন, মাগুৱা জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব, খান মুহম্মদ ৱেজোয়ান মহোদয়ের নির্দেশে আমরা মাদকসহ অন্যান্য অপরাধী সম্পর্কে তথ্য জানতে প্রতিনিয়ত উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে আমরা বিট পুলিশিং কার্যক্রম চালু করেছি। পুলিশের কাজে জনগণের সম্পৃক্ততা যত বাড়বে, মানুষ যত সচেতন হবে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়াটা ঠিক ততটা সহজ হবে বলে আমি মনে করি।

মাদকসেবীদের সাথে বিরোধের জেরে গভীর রাতে পুড়লো যুবকের স্বপ্ন

 মাদকসেবীদের সাথে বিরোধের জেরে গভীর রাতে পুড়লো যুবকের স্বপ্ন

আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি প্রতিনিধিঃ মাদকসেবীদের সাথে বিরোধের জেরে গভীর রাতে পুড়লো যুবকের স্বপ্ন। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে সাতক্ষীরা পৌর সভার ৬নং ওয়ার্ডের দৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


স্থানীয়রা জানান,শুক্রবার গভীর রাতে প্রচন্ড আওয়াজে ঘুম ভাঙে তাদের। বাড়ি থেকে বের হয়ে দেখতে পান রাস্তার পাশে রাখা ট্রাক্টরটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। দ্রæত পানি দিয়ে নিভানোর চেষ্টা করেন তারা। আগুন নেভানোর চেষ্টায় তারা সফল হলেও ততক্ষণে ট্রাক্টরটির অধিকাংশই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ট্রাক্টরটির মালিক একই এলাকার ওয়াজেদ মোড়লের পুত্র রেজাউল ইসলাম। তিনি সদ্য কৈশর পেরিয়ে যৌবনে পা দিয়েছেন। মাত্র ৬ মাস পূর্বে কিস্তিতে ক্রয় করেছিলেন সেটি। তা থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্নও দেখেছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে সে স্বপ্নের মৃত্যু হয়েছে।


এলাকাবাসী এ অগ্নি কান্ডের ঘটনা কারা ঘটাতে পারে সেটি নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও তারা বলেন, সম্প্রতি এলাকার একজন মাদকসেবী চুরিসহ বিভিন্ন মামলার আসামী গভীর রাতে সন্দেহজনকভাবে চলাচল করায় প্রতিবাদ করেছিলেন তারা। তাকেও মারপিটও করা হয়েছিল। পরে একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে ওই ব্যক্তি থানায় অভিযোগও করেন। যার প্রধান আসামী করা হয়েছিল রেজাউল কে। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় কাউন্সিলরদের মাধ্যমে বিষয়টির মিমাংসাও হয়েছিল। অথচ ওই রাতেই অজ্ঞাতদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেল রেজাউলের ট্রাক্টরটি। তারা ধারনা করছেন মাদকসেবী চোরদের সাথে বিরোধই কাল হয়েছে রেজাউলের।


ভুক্তভোগী রেজাউল ইসলাম জানান, ১৯লক্ষ ৫০ হাজার গাড়িটি ক্রয়ের পর মাত্র এক মৌসুম কাজ হয়েছে। এখন কাজ না থাকায় গাড়িটি রাস্তার পাশের জমিতে রাখা ছিল। এখনো কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। গাড়ীতে থাকা একশ লিটার তেলসহ প্রায় গাড়ীটির অধিকাংশই পুড়ে গেছে। এঘটনায় তিনি সাতক্ষীরা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্তপূর্ব আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা সদর থানাপুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে ভুক্তভোগী রেজাউল ইসলাম জানিয়েছেন।

শৈলকুপা প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি মুসা সম্পাদক পলাশ

শৈলকুপা প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি মুসা সম্পাদক পলাশ




সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃশুক্রবার সকাল ১০টায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা প্রেসক্লাবে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যদিয়ে ১৭ সদস্য বিশিষ্ঠ কার্য নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে দৈনিক গ্রামের কাগজের শৈলকুপা প্রতিনিধি এম হাসান মুসা সভাপতি ও দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের শৈলকুপা প্রতিনিধি শাহীন আক্তার পলাশ সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। সহ সভাপতি পদে যথাক্রমে মফিজুল ইসলাম,শামীম বিন সাত্তার, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তুহিন জোয়ার্দার ,সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আব্দুল জাব্বার,সহ সংগঠনিক সম্পাদক নোমান পারভেজ,অর্থসম্পাদক মাসুদুর রহমান,দপ্তর সম্পাদক এ কে এম রেজাউল হাবিব (বকুল),ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আবিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ওয়ালীউল্লাহ, ক্রীড়া সম্পাদক চঞ্চল মাহমুদ,নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে তাজনুর রহমান ডাবলু,মোঃ আব্দুল ওহাব,এম রহমান,শেখ আব্দুল মান্নান,এস এম শাহজাহান আলী,সম্রাট হোসেন  নির্বাচিত হয়েছেন।

কারনে অকারনে শুধু মানুষেরই রং বদলায় না, ভালবাসার ও রং বদলায়

 কারনে অকারনে শুধু মানুষেরই রং বদলায় না, ভালবাসার ও রং বদলায়

 

বিনোদন ডেস্কঃসুবর্ণা মুস্তফার সাথে একবার হুমায়ুন ফরিদীর প্রচণ্ড ঝগড়া হলো, রাগ করে সুবর্ণা অন্য রুমে গিয়ে দরজা আটকে শুয়ে পড়লেন।

সুবর্ণা সকালে উঠে দরজা খুলে দেখেন, যেই রুমে ঝগড়া হয়েছিল, সেই রুমের মেঝে থেকে ছাদের দেয়াল পর্যন্ত একটি কথাই লিখে পুরো রুমকে ভরে ফেলা হয়েছে, কথাটি হল- 'সুবর্ণা, আমি তোমাকে ভালোবাসি'|

এতো ভালোবাসাও তাদের বিচ্ছেদ ঠেকাতে পারেনি, ২০০৮ সালে ডিভোর্স হয়। কারণ ভালোবাসা রং বদলায়..!

জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন-

'প্রেম ধীরে মুছে যায়; নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়।'

এই জীবনানন্দকে একবার দেখেই বিয়ের পিঁড়িতে বসে লাবণ্যপ্রভা। সাহিত্যের ছায়া থেকে একশ হাত দূরে থেকেও সাহিত্যের ইতিহাসে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র এই লাবণ্য।

সেও কিছুকাল পরে টের পায় তার স্বাধীনতা হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তির জন্য ছটফট করতে থাকে। দুর্বিষহ হয়ে উঠে দুজনের জীবন। প্রেম সত্যি একসময় মুছে যায়।

গুলতেকিন নামের ক্লাস টেনের সেই কিশোরী হুমায়ুনের প্রেমে অন্ধ হয়ে বিয়ে করে ফেলে।

বিয়ের পরে সে জানতে পারে যে লেখক হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে খুবই সাধারণ। বাস্তব জীবনে সে চাঁদের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে না, কবিতা আওড়ায় না। তার মধ্যে আলাদা কিছু নেই। সে আর দশটা মানুষের মতোই সাধারণ।

স্বপ্ন ভঙ্গের মতো ব্যাপার"

গুলতেকিন বারবার বলতে থাকে- 'তোমার লেখাই ভালো, অন্যকিছু ভালো না।'

আসলেই ভালোবাসা রং বদলায়!

নন্দিতা রায়ের 'বেলাশেষে' সিনেমায় এই কঠিন ব্যাপারটা খুব সহজভাবে বুঝানো হয়েছে-

'হাতের ওপর হাত রাখা খুব সহজ,

সারাজীবন বইতে পারা সহজ নয়!'


সহজ না হওয়ার কারণ ঐ একটাই-

'ভালোবাসা রং বদলায়' 


আসলে প্রেম ভালবাসার সহজলভ্যতার এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বিরল দুটি জিনিস-

"মনের মানুষ" এবং "মানুষের মন"।


এই দু'টোর উপর বিশ্বাস থাকা ভাল এবং উচিতও বটে। তবে সেটা কেবলই নিজের মধ্যে। কখনোই এগুলো নিয়ে অতি আত্মবিশ্বাসী বড়াই দেখানোও উচিত নয়।

কারণ হাওয়ার দিক পরিবর্তন হয়ে কখন কোনদিকে বয়ে যায় সেটা সর্বদাই অনিশ্চিত। হোক সেটা প্রকৃতির হাওয়া অথবা মনের।

আসলেই ভালবাসা রং বদলায়।

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধান:ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি'র অধীন ১০টি ইউনিট কমিটির আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়ক ও সদস্য সচিবদের সঙ্গে জেলা বিএনপির প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে শুক্রবার সকালে। 


উক্ত প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ঝিনাইদহ জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি ও আইনজীবী সমিতির একাধিকবার নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি'র আহবায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যক্ষ, জননেতা এ্যাডঃ এম এম মশিয়ুর রহমান।


প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ ২ আসনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, হরিনাকুণ্ডু উপজেলা পরিষদের সাবেক সুযোগ্য সফল চেয়ারম্যান, সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জননেতা আলহাজ্ব এ্যাডঃ এম এ মজিদ। 


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক, মোঃ আক্তারুজ্জামান, জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক, মোঃ জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক, মোঃ আব্দুল মজিদ বিশ্বাস (ছোট মজিদ) সহ সকল ইউনিটের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পটিয়ায় ৮ মাসের গর্ববতী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,ঘাতক স্বামী পলাতক

 পটিয়ায় ৮ মাসের গর্ববতী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,ঘাতক স্বামী পলাতক

সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ- চট্টগ্রামে  পটিয়ায় টুম্পা  আকতার (২৩)  নামে  এক গৃহবধূর রহস্যজনক খুন  হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর    বৃহস্পতিবার সকালে টুম্পা আকতার  ওই গৃহবধূর লাশ পুলিশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের নুরুজ্জামান এর বাড়িতে।   পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেন। তবে লাশ উদ্ধারের সময় স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক ছিল। পুলিশ জানান, উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিণখাইন এলাকার নুরুজ্জামান এর পুত্র মোহাম্মদ ওয়াসিমের সঙ্গে মহিরা গ্রামের মনির আহমদের কন্যা টুম্পার সাথে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে ৩ বছরের এক সন্তানও রয়েছে। স্বামী ওয়াসিম দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলে বর্তমানে সে পটিয়ার হরিণখাইন   গ্রামের বাড়িতে রয়েছে। প্রায় সময় তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। রান্না ঘরে গৃহবধূ আত্মহত্যার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ছুটে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। গৃহবধূর দুলা ভাই মোঃ আজিজুল হক জানিয়েছেন, পরিকল্পিতভাবে তার শলিকাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুর পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে। টুম্পা আকতার ৮ মাসের গর্ববতি ছিলেন বলে তার পরিবার সুএে জানাগেছে।পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানাগেছে ওয়াসিম জুয়ার খেলার টাকার জন্য স্ত্রী টুম্পাকে বাপের বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে বলে। এতে টুম্পা আকতার টাকা আনতে অস্বীকার করলে রাগের বসে ওয়াসিম টুম্পা আকতারকে গলা টিপে হত্যা করে পালিয়ে যায়।  বিষয়টি পটিয়া থানার ওসি মোঃ বোরহান উদ্দীন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে  পটিয়া থানার এসআই হিরু বিকাশ পাটান এনং তিনি গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেন।  তবে টুম্পার বাপের বাড়ির লোকজনের দাবি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট পেলেই হত্যা না আত্মহত্যা তা স্পষ্ট  জানা যাবে বলে  জানান ওসি মোঃ বোরহান উদ্দীন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রস্তাবিত প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক

ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রস্তাবিত প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক

আশিকুজ্জামান মিজান ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃবৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় প্রস্তাবিত কয়েকটি প্রকল্প পরিদর্শনে ঝটিকা সফর করেন। প্রতিমন্ত্রী নান্দাইল আগমন করলে স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আবেদীন খাঁন তুহিন দলীয় নেতাকর্মীদেরকে সাথে নিয়ে ফুল দিয়ে বরন করেন। এসময় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বেতাগৈর ইউনিয়নের চর কমর ভাঙ্গা, নরসুন্দা নদী বিভিন্ন তীর এবং নান্দাইল পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এলাকার নদ ভাঙ্গন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, স্থায়ী বাঁধ নির্মানের জন্য ৫৪৩ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যে ১৬.৫৮ কিঃ নতুন বাঁধ নির্মানে বরাদ্ধ ধরা হয়েছে ৫১৫ কোটি টাকা এবং ৩২.৮২ কিলোঃ মিটার স্থায়ী বাঁধ মেরামতের জন্য বরাদ্ধ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা। স্থানীয় সাংসদের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জনদূর্ভোগ লাঘব হবে।

সাতক্ষীরা সদরের গাংনীয়া ব্রীজ টু শ্রীরামপুর রাস্তার শুভ উদ্বোধন করলেন সদর সাংসদ রবি

সাতক্ষীরা সদরের গাংনীয়া ব্রীজ টু শ্রীরামপুর রাস্তার শুভ উদ্বোধন করলেন সদর সাংসদ রবি


আজহারুল ইসলাম সাদীঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এর বাস্তবায়নে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের গাংনিয়া ব্রীজ সংলগ্ন, গুচ্ছগ্রামের মোড় হতে শ্রীরামপুর অভিমুখে ১.৫ কিলোমিটার রাস্তার হেরিংবন্ড (এইসবিবি) সরকার কর্তৃক গ্রামীণ মাটির রাস্তার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। 

আজ শুক্রবার (২৫সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টার সময় উক্ত রাস্তার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর (২) আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ চৌধুরী, ভোমরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী আব্দুল গফুর, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর হারুন অর রশিদ, ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী, ভোমরা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মোনাজাত গাজী,  প্রকল্পের ঠিকাদার তৌহিদুজ্জামান তুহিন, ভোমরা ইউনিয়ন এর ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাবলুর রহমান প্রমুখ।

পরবর্তীতে উক্ত রাস্তার দুই ধারে তাল বীজ বপনের শুভ উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।

রাণীনগরে পুলিশ পাহারায় বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

 রাণীনগরে পুলিশ পাহারায় বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

 ফিরোজ হোসাইন রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনে আসন্ন উপ-নির্বাচনে বিএনপি’র বর্ধিত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে পুলিশ পাহারায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উত্তেজনা করা পরিস্থীতি নিয়ন্ত্র করতে পুলিশের লাঠি চার্জে ফখরুল ইসলাম (৩২) নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মী আহত হয়। এছাড়া দলীয় নেতা কর্মীদের হাতে দু’জন সাংবাদিক লাঞ্চিত হয়েছে।


জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় রাণীনগর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল ইসলাম এর পরিচিতি ও বর্ধিত সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সকালে নেতা কর্মীরা উপজেলা দলীয় অফিসে আসার চেষ্টা করলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সর্মথকরা বাধা দেয়। এসময় রাণীনগর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক মোশারফ হোসেনকে লাঞ্চিত করে।


এঘটনার ছবি তুলতে গেলে আবুল বাসার চঞ্চল নামে একজন সাংবাদিককে মোবাইল ফোন কেরে নিয়ে লাঞ্চিত করে। অবশ্য পরে সাংবাদিকের ঐ মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দেয়া হয়। এর পর উত্তেজনা বেরে গেলে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা সমেবেত হয়ে দুপুর নাগাদ বর্ধিত সভা করে। রাণীনগর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান খান রুকুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, নওগাঁ পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক টুকু , প্রার্থী রেজাউল ইসলাম রেজু, তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক এছাহক আলী, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা লেঃ কর্ণেল (অব:) আব্দুল লতিফ খান, রাণীনগর উপজেলার যুগ্ন আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন প্রমূখ। এসময় আওয়ামীলীগ সর্মথীত প্রাথীর কর্মীরা মিছিল নিয়ে একই পথে অগ্রসর হতে থাকলে উত্তেজনা আরো বেরে যায়। এসময় নাসির উদ্দীন নামে এক কর্মী ছবি তুলতে গেলে আওয়ামী লীগ সর্মথীত কর্মীরা তাকে লাঞ্চিত করে। এসময় পুলিশ লাঠি চার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে পুলিশের লাঠি চার্জে ফখরুল ইসলাম নামে একজন আহত হয়।


রাণীনগর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন বলেন, শান্তিপূর্ন সামবেশে যোগ দিতে আসলে আওয়ামীলীগ সর্মথীত প্রার্থীর কর্মীরা সমাবেশ বাঞ্চাল করতে বাধা দেয় এবং আমাকে লাঞ্চিত করেছে।


রাণীনগর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন জয় বলেন, আমরা মিছিল নিয়ে যাবার সময় বিএনপির লোকজন ও পুলিশ আমাদের উপর হামলা করে মারপিট করেছে। এতে ফখরুল ইসলাম নামে একজন আহত হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিককে বিএনপির লোকজনরায় মারপিট করেছে বলে দাবি করেন তিনি।


রাণীনগর থানার ওসি মো: জহুরুল হক বলেন, সাংবাদিককে লাঞ্চিত করার সময় পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে।

নওগাঁয় ইসলামিক আন্দোলন এর দাবি অবিলম্বে মদের বার স্থাপন বন্ধ

নওগাঁয় ইসলামিক আন্দোলন এর দাবি  অবিলম্বে মদের বার স্থাপন বন্ধ




মোঃ ফিরোজ হোসাইন রাজশাহী ব্যুরো: নওগাঁয় অবিলম্বে মদের বার স্থাপন বন্ধের দাবীতে ইসলামিক আন্দোলন  মানববন্ধন কর্মসূচী, প্রতিবাদ সভা ও স্মারকলিপি প্রদান করা করেছেন।


বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের মুক্তির মোড়ে নওজোয়ান মাঠের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করে ইসলামীক আন্দোলন বাংলাদেশ নওগাঁ জেলা শাখা।


মানববন্ধনে ইসলামীক আন্দোলন বাংলাদেশ নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি মসিউর রহমান মকছেদ এর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে সাধারন সম্পাদক মাওলানা আশরাফুল ইসলাম, মাওলানা জামাল উদ্দীন, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, হাফেজ ওমর আলী প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।


এসময় বক্তারা বলেন, নওগাঁয় মদের বার স্থাপন আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে তা বন্ধ করাতে বাধ্য করানো হবে। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তারা।

শওকতর'নামে পল্লী বিদ্যুৎ অতিরিক্ত টাকা আদায় অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট

 শওকতর'নামে পল্লী বিদ্যুৎ  অতিরিক্ত টাকা আদায় অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট

        

 নাঈমুর রহমান কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃপটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা চাকমাইয়া গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এমন একটি নিউজ ১৫ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার)

জাতীয় 'দৈনিক নাগরিক ভাবনা' জাতীয় 'দৈনিক প্রভাতী খবর'' দৈনিক দক্ষিণবঙ্গ নিউজ(অনলাইন) ''জয় বাংলা টিভি(আইপি)''কাজি টিভি (আইপি),''টাইমস২৪,দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ(অনলাইন)''৭১এর চেতনা(অনলাইন)'' দৈনিক সোনার বাংলা পত্রিকা'র কলামে যে নিউজ  প্রকাশ করা হয়েছে তা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।  এবং একটি কুচক্রী মহলের সাজানো নাটক বলে পরবর্তী তদন্তে পাওয়া গেছে। 

জানা গেছে চাকামাইয়া মুন্সী বাড়ি গ্রাম থেকে পূর্ব চাকামাইয়া স্টান পর্যন্ত দুই কিলোমিটার, দিত্যা স্থানে ১৫০ জন গ্রাহককে পল্লী বিদ্যুৎ নতুন সংযোগ দিতে কাজ চলছে। ওয়্যারিং খরচ বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ বাবরদ কোন অতিরিক্ত টাকা তোলা হয়নি।

ওয়্যারিং এর খরচ বাবদ কিছু টাকা এককালীন নিয়েছেন তাই এটাকে ইস্যু করে কিছু কু-চক্রমহল পিছু নিয়ে একটি মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন নাটক করে সাংবাদিকদের কাছে ভুয়া রিপোর্ট দেন। এলাকার ইউনুস,জাহাঙ্গী,ফিরোজ নাম না জানা আরো অনেকে, তাদের কাছ থেকে খুটি বাবদ ৫০০/১০০ টাকা, লাইন দেয়ার ক থা বলে ৩৮০০/৫০০০ হাজার টাকা উত্তোলনের কিছু মিথ্যা তথ্য দেয়। এতে এলাকার কিছু গন্য মান্য ব্যাক্তি নিন্দা জানান 

কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ নতুন সংযোগের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়''শিরোনামের প্রকাশিত সংবাদের ভিন্নমত পোষণ করি। উক্ত পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত নিউজ এর সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমাকেও আমার পিতাকে সমাজে খাটো করার জন্য উক্ত তথ্য নিয়ে কিছু ভুঁইফোড় অনলাইনে নিউজ প্রচার হয় যার সাথে আমি সংযুক্ত নয়, উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

আমার অভিজ্ঞতায় চাইনিজদের জীবনযাপন

আমার অভিজ্ঞতায় চাইনিজদের জীবনযাপন
চাইনিজরা কখনো বুড়ো হয়না অর্থাৎ এরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকে এমন একটা উপাধি এদের দিলে ভুল হবেনা। যখন দেখা যায় একজন সত্তর ঊর্ধ্ব ব্যক্তি সেটা পুরুষ বা মহিলা যেই হোক না কেন শারীরিক কোন অসুস্থতা ছাড়া নির্দ্বিধায় মনের ফুর্তিতে দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করছে তখন তাদের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে সত্যিই কিছুটা হলেও আমরা বিস্মিত হই। আজ চাইনিজদের দৈনন্দিন খাদ্যভ্যাস, চলাফেরা, বিনোদন এগুলো শেয়ার করব। 

চাইনিজদের প্রতিদিনকার খাদ্যভ্যাস এবং চলাফেরাঃ 
চাইনিজদের সাথে আমাদের সবথেকে বড় পার্থক্য লাঞ্চ এবং ডিনার টাইমের। সকালের নাস্তা অনেক ভোরেই সেরে ফেলে, বলতে গেলে ভোর ৬ টা থেকে ৭ টার ভিতর। বেশির ভাগ অফিসের কর্ম ঘন্টা শুরু হয় সকাল আটটা থেকে তাই ভোরে নাস্তা সেরে কর্মক্ষেত্রে রওনা দেওয়া লাগে। এদের লাঞ্চ টাইম সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত। সকাল ১১ টা বাজলেই দুপুরের খাবারের জন্য সবার চোখ মুখে অধীর অপেক্ষার ছাপ দেখা যায় এবং মোটামুটি ১১.৩০ এর ভিতরেই সবাই দুপুরের খাবার খেয়ে কর্মস্থলে ফিরে আসে। লাঞ্চের পরে এক থেকে দেড় ঘন্টা ঘুমায়। নিজেদের কর্মস্থলেই এই ঘুমের ব্যবস্থা আছে। ঘুমের সময় সবাই লাইট অফ করে, রুমের পর্দা টেনে কর্মস্থলকে ঘুমানোর উপযোগী করে তবেই ঘুমাতে যায়। সে সময়ে তারা পুরো অফিসে নিরবতা বজায় রেখে সবাইকে পরিপূর্ণ বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। তখন অফিসের সমস্ত সার্ভিস বন্ধ থাকে। নির্দিষ্ট সময় ঘুমের পরে আবার নতুন উদ্দ্যামে কাজ শুরু করে।
চাইনিজদের দুপুরের খাবারের একটি নমুনা

 ডিনার বিকাল ৫.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭ টার ভিতরেই সেরে ফেলে এবং সবাই ডিনারের পরে অনেক হাটে সেটা একঘন্টা থেকে শুরু করে আরও বেশি হতে পারে। শরীর কে ফিট রাখার জন্য রাতের খাবার সন্ধ্যা ৭ টার ভিতর খেয়ে এবং খাওয়ার পরে একটু হাঁটাহাঁটি করায় যথেষ্ট বলে মনে করে এরা। এদের খাবারের প্লেটগুলো খুবই ছোট, চপস্টিক (খাবারের জন্য ব্যবহৃত দুটো কাঠি) ব্যবহারে ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে সবাই খুবই পারদর্শী। খাবারে হাতের স্পর্শ এবং চামচ ছাড়া সবরকমের খাবার এই দুই কাঠির সাহায্যে দক্ষতার সাথে খেয়ে ফেলে। প্রত্যেক বার খাবারের সাথে বিভিন্ন রকমের স্যুপ খায়। হালকা লবন মিশিয়ে মাছ বা মাংস বা ডিম বা সবজিকে জলে সিদ্ধ করে সেটাকে স্যুপ হিসাবে খায়। মনকে সবসময় দুশ্চিন্তা মুক্ত আর প্রশান্তি ময় রাখার ব্যাপারে এদের অনেক বিনোদনের ব্যবস্থা আছে। তাই সন্ধ্যায় ডিনারের পরপরই মধ্য বয়সী পুরুষ বা মহিলারা একসাথে সাউন্ড বক্সে গান ছেড়ে দিয়ে মনের উৎফুল্লে নাচে। এই নাচের দৃশ্য খুবই মনোমুগ্ধকর, সব টিমে একজন দলনেতা থাকে, তাকে বাকী সবাই অনুসরন করে। প্রতিটা কমিউনিটিতে পর্যাপ্ত জায়গা আছে এই নাচের টিমদের জন্য। কমিউনিটি কর্তৃপক্ষ প্রতিরাতে বড় পর্দায় বিভিন্ন মুভি দেখায় এবং সেখানে সবাই সমবেত হয়ে সেটা উপভোগ করে। রাতের এক্সারসাইজ সেরে বাসায় ফিরে উষ্ণ গরম জলে গোসল সেরে ঘুমাতে যায় এবং সবাই রাত ১১ টার ভিতর ঘুমানোর চেষ্টা করে। প্রতিটা কমিউনিটিতে সুইমিং পুল, এক্সারসাইজের বিভিন্ন ইন্সট্রুমেন্ট, বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন খেলার ব্যবস্থা সহ বাচ্চাদের বিনোদন এবং খেলার জন্য অত্যাধুনিক খেলার রাইড আছে। চাইনিজদের জনপ্রিয় খেলার ভিতর বাস্কেট বল, ভলি ভল, ব্যাডমিন্টন, গলফ, টেবিল টেনিস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। কিছু কিছু জায়গায় ফুটবল খেলতেও দেখা যায় কিন্তু ক্রিকেট এরা একেবারেই বোঝেনা বা খেলেনা।
কমিউনিটির ভিতরে ব্যায়াম করার সরঞ্জামাদি

চাইনিজরা সবকিছুই খায় এবং সবকিছুর ফ্রেশ স্বাদ নিতে পছন্দ করে। এজন্য বিভিন্ন মাংস বা মাছ হালকা সিদ্ধ (কোন কোন এলাকায় একেবারে কাঁচা খাওয়ার ও রেওয়াজ আছে) করেই খেয়ে নেয়। শাক সবজি দুপুরে বাগান থেকে তুলে বিকেলে বাজারে বিক্রি করতে দেখা যায়। মাছ মাংসের দাম সবজির দামের থেকে কম। একবার এক চাইনিজের কাছে শুনেছিলাম সাপ খেয়েছে কিনা? সে বলে সাপের বার-বি-কিউ নাকি অনেক টেস্টি। উনি আরও বলে “চাইনিজরা সবকিছুর অরিজিনাল টেস্ট নিতে পছন্দ করে”। অরিজিনাল মানে বলতে পারেন একেবারে কাঁচা। সেজন্য এরা সবকিছুই হাই হিটে খুব অল্প সময়ের জন্য রান্না করে। যেটার নাকি অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। আমাদের রান্নায় আমরা প্রচুর মসলা ব্যবহার করি কিন্তু এরা মসলা খুব কম খায়। আমাদের যেখানে একটা আইটেম রান্না করতে ৩০-৪০ মিনিট সময় লাগে সেখানে এরা ৫ টা আইটেম রান্না করে। রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবারের মেন্যু অর্ডার করলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আপনার সামনেই রান্না করে টেবিলে সব মেন্যু চলে আসবে। রেস্টুরেন্টে গিয়ে একুরিয়ামে জীবিত মাছ, চিংড়ী, কাঁকড়া এগুলো অর্ডার করলে আপনাকে সাথে সাথেই প্রসেস করে রান্না করে দেবে। সব খাবারে বিভিন্ন ধরনের কুকিং ওয়াইন, ভিনেগার এবং কুকিং সস (সয়া সস, ফিস সস, ভেজিটেবল সস, চিলি সস) ব্যবহার করে যেগুলোর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। এদের খাবারে ভাতের পরিমান খুবই কম থাকে, কম মানে সব মিলিয়ে ৫০ গ্রাম চাল ফুটালে যতটুকু ভাত হয়, কেউ কেউ একেবারেই ভাত খায়না। বিভিন্ন রকম নুডুলসের খুব আধিক্য দেখা যায় এখানে, প্রায় সবরকম নুডুলস কোন প্রকার মসলা ছাড়া অনেক জলের ভিতর হালকা সবজি সহ সিদ্ধ করে হাপুস হুপুস করে খেতে দেখা যায়। ভাতের পরিবর্তে অনেকে নুডুলস খায় কিন্তু সেটাও পরিমানে খুব অল্প। তবে এরা প্রচুর শাক সবজি খায় এবং অনেক স্বাস্থ্য সচেতন তাই শরীরে কোন রোগ নেই। ভুড়ি মোটা চাইনিজ খুজে পেতে হিমশিম খেতে হয়।
কমিউনিটির ভিতরে বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন রাইড

মাছের ব্যপারে একটু না বললেই নয়। চাইনিজরা জীবিত মাছ খায় (কিছু সামুদ্রিক মাছ ছাড়া)। তাই খোলা বাজার থেকে শুরু করে শপিং মলে একুরিয়ামে সব মাছ রাখা থাকে। সেটা তেলাপুয়ে, সরপুটি, রুই থেকে শুরু করে চিংড়ী মাছ পর্যন্ত। যখন যে যেমনটা চাচ্ছে সেখান থেকে সে তেমনটা তুলে নিচ্ছে। একুরিয়ামে রাখা মাছ মারা যাওয়ার সেটাকে সাথে সাথে উঠিয়ে আলাদা করে অর্ধেকের ও কম দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। মাংসের ব্যাপারেও একটু অন্যরকম। যেকোন ধরনের মাংস যদি মুরগির কথা বলি তবে দেখা যায় মুরগির সব পার্ট পার্ট আলাদা বিক্রি হয় এবং দাম ও সব অংশের আলাদা আলাদা। একটা মজার ব্যাপার হল এখানে সবকিছুর দামই ৫০০ গ্রাম এ হিসাব করে, আমাদের মত কেজিতে না। সুপার মল, খোলা বাজার সবখানেই দামের ওই একই চিত্র, মানে আমাদের মত কেজিতে হিসাব করতে গেলে দুই দিয়ে গুন করে হিসাব করে নিতে হয়। খাবারে কেউ যে ভেজাল মেশাতে পারে এরা কখনো সেই জিনিসটা মাথায় আনতে পারেনা।
কমিউনিটির ভিতরে সুইমিং পুলের একাংশ

মিষ্টি এরা পছন্দ করেনা এজন্য কোথাও মিষ্টির দোকান আলাদা করে খুজে পাওয়া যাবেনা, তবে খুবই হালকা মিষ্টি (আমাদের মত চিনির সিরাতে চুবানো না) জাতীয় কিছু খাবার পাওয়া যায়। ভাজা পোড়া খুবই কম খায়, যেহেতু ভাজা পোড়া মুখোরোচক সেহেতু তারা পছন্দ করে কিন্তু সেটা সকালের নাস্তার সাথে কিছু কিছু মানুষ খায়। স্টিমে ভাপানো ব্রেড (ডামপ্লিং, মম) খুবই পছন্দের খাবার চাইনিজদের। কোনরকম লবন বা মশলা ছাড়া মিষ্টি আলু সিদ্ধ, কলমি শাক সিদ্ধ, বিভিন্ন সবজি সিদ্ধ তাদের খুবই প্রিয়। তবে বাসায় খাওয়ার চেয়ে বাহিরেই বেশি খায়, সেজন্য এদের জীবন অনেক ঝামেলা মুক্ত। নেই বাজার করার চিন্তা, কি রান্না করবে সেই চিন্তা। তবে মাঝেমধ্যে তারা কিচেনেও সময় দেয়।  
গ্রিন টি এদের খুবই জনপ্রিয় পানীয়। তাই ছোট থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ সবার কাছে গ্রিন টি এর বেশ বড় বড় পট থাকে। সেটাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রিন টি, ফ্লাওয়ার টি (বিভিন্ন ফুল শুখানো) ভরে সারাদিন একটু একটু করে গলা ভিজাতে থাকে। নরমাল তাপমাত্রার জল এরা পান করে খুবই কম, সব ট্যাবে ৪০ ডিগ্রী এবং ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানীয় জলের ব্যবাস্থা থাকে। 
এত রকমের ফল যে পৃথিবীতে আছে সেটা এখানে না আসলে হয়ত আমার জানা হত না। সারাবছরে কিছু কমন ফল ছাড়াও বিভিন্ন সিজনে বিভিন্ন ফল পাওয়া যায়, সব রকমের ফল এখানে অনেক সস্তা এবং ফ্রেশ। সেজন্য দিনমজুর থেকে শুরু করে সবারই ফল খাওয়ার সামর্থ্য আছে। আমার কাছে মনে হয় চাইনিজরা ডিনার বা লাঞ্চে যতটুকু খাবার খায় তার থেকে প্রতিদিনের ফল খাওয়ার পরিমানটা বেশিই হবে। তবে হ্যাঁ ফল একটু বাসি হলে কেউ সেটা কেনে না, সবাই ফ্রেশ জিনিসের প্রতি অনেক বেশি ঝোঁকে। 
ইয়ং জেনারেশনের ফাস্ট ফুডের প্রতি ঝোঁক আছে তবে সেটা বিশেষ (বার্থডে, ম্যারেজ অ্যানিভারসারি) দিনগুলোতে। এছাড়াও মাঝেমধ্যে দোকান গুলোতে বড় ডিস কাউন্ট অফার করে এজন্য ম্যাকডোনাল্ড, কেএফসি, পিজ্জা হাঁট সহ আরও কিছু নামকরা ফাস্ট ফুডের দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন ব্রান্ডের ওয়াইন, বিয়ার খুব সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায় সেজন্য এদের প্রচুর ড্রিঙ্কস করতে দেখা যায়, কিন্তু ড্রাঙ্ক অবস্থায় ড্রাইভিং বা লোকাল প্লেসে ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
বিকালে ডিনারের পরে সবার দলবদ্ধ ভাবে নৃত্য করার দৃশ্য

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিঃ 
যেহেতু এরা শারীরিক ভাবে খুবই ফিট সেহেতু ডাক্তারের কাছে কমই যাওয়া লাগে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রের খুব বেশি প্রচলন এখানে। হাসপাতালের বড় বড় ডিগ্রী ধারী ডাক্তাররা ও প্রথমে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা দিয়ে ট্রিটমেন্ট শুরু করেন তাই সেটা যত কঠিন রোগই হোক না কেন। ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করার পরে বিভিন্ন গাছ গাছড়ার ভেষজ ঔষুধ ডিসপেনসারিতে কিনতে পাওয়া যায়। 
     
ব্যক্তি স্বাধীনতাঃ 
এরা সবাই খুবই স্বাধীনচেতা। স্বামী স্ত্রী সবাই যে যার মত স্বাধীনতা ভোগ করে এবং কেউ কারও পার্সোনাল লাইফে হস্তক্ষেপ করতে পছন্দ করেনা। ছেলেমেয়েদের ও ছোট থেকে সেভাবেই স্বাধীনতা দিয়ে বড় করে। সবাই সেলফ ডিপেন্ডেন্ট অর্থাৎ স্বামী স্ত্রী কেউ কারো আয় ইনকামের উপর নির্ভরশীল নয়। পারিবারিক জীবন ও অনেক সুখের। সবাই উইকেন্ডে কাছে বা দূরে ফ্যামিলির সাথে ঘুরতে যায়। প্রতিমাসের আয় থেকে নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ রেখে দেয় ঘোরার জন্য। লাইফ কে যতভাবে এনজয় করা যায় তার সবগুলো পন্থাই চাইনিজরা অনুসরণ করে। সামার, উইন্টার বা অন্যান্য ভ্যাকেশনে সব স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস একসাথে ছুটি শুরু এবং শেষ হয়। যাতে করে ফ্যামিলির সবাই দূর প্রবাস কিংবা দেশের ভিতরের দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে পারে। যাতায়াতের জন্য অত্যধুনিক সব ব্যবস্থা থাকায় এই সময় গুলোতে একটু ভিড় হলেও কাউকে শোনা যায়নি কালোবাজারি করে টিকিট বুকিং বা টিকিট না পেয়ে কেউ তাদের গন্তব্যে যেতে পারেনি। 

মানুষ হিসেবে চাইনিজরাঃ 
চাইনিজরা অনেক বেশি শৃঙ্খলিত এবং ছন্দময় জীবন বেশি পছন্দের। গায়ের রঙ সবার সাদা। পোশাক পরিচ্ছদ (কে কি পরল) নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই, সবাই খুবই সিম্পল পোশাক পরতে পছন্দ করে। এরা অনেক হেল্পফুল এবং অনেক কাজে নিজ থেকে এগিয়ে আসে। ফরেনারদের ব্যাপারে এরা অনেক পজেটিভ মাইন্ডের। ইংরেজি কম পারে ঠিকই কিন্তু ফরেনার দেখলে নিজেরা আগ বাড়িয়ে কথা বলতে আসে, উপকার করতে আসে। এদের কোন ধর্ম নেই। প্রকাশ্যে ধর্ম পালন এখানে আগে থেকেই নিষিদ্ধ। কে কোন ধর্মের সেটা এরা নিজেরাই জানেনা। তাই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মানুষ মরতে শোনা যায়না। সারাক্ষন মোবাইল নিয়ে বিজি থাকে, সেটা রাস্তা পারাপার, গাড়ি চালানো, খাওয়া যে কোন সময় হতে পারে। 
আমি আমার দেখা ফুজিয়ান প্রদেশের ফুজো সিটির মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাপন সম্পর্কে এখানে আলোকপাত করেছি। চীন বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যা বেষ্টিত অন্যতম বৃহৎ একটা রাষ্ট্র। স্থান কাল ভেদে সবার কালচার, খাদ্যভ্যাস ভিন্ন থেকে ভিন্নতর হবে সেটাই স্বাভাবিক। স্বাভবিক ভাবেই পাঠকদের মধ্যে কেউ কেউ আমার থেকে অনেক বেশি অভিজ্ঞ ব্যক্তি থাকতে পারেন। অন্যান্য প্রদেশের সাথে আমার লেখা নাও মিশতে পারে। আমার লেখনীর মাধ্যমে চাইনিজ কালচার, চাইনিজদের চলাফেরা, খাদ্যভ্যাস সহ বেশ কিছু জিনিস শেয়ার করেছি। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ খুব অল্প বয়স থেকে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়েবেটিস, হার্টের রোগ সহ নানান জটিলতায় ভোগে। সামান্য একটু সচেতনতা, জীবনযাত্রার মান এবং খাদ্যভ্যাস পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে এগুলোকে খুব সহজেই জয় করা যায়। আমার লেখা পড়ে যদি অন্তত একজন মানুষ ও উপকৃত হয় তবেই আমার সার্থকতা। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনায়, ভালো থাকবেন সবাই।

লেখকঃ অজয় কান্তি মন্ডল
গবেষক
ফুজিয়ান এগ্রিকালচার এন্ড ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি
ফুজিয়ান, চীন।

কলাপাড়ায় মামলা করে বিপাকে প্রানহানীর শংকায় বাড়ীঘর ছাড়া- সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়ায় মামলা করে বিপাকে প্রানহানীর শংকায় বাড়ীঘর ছাড়া- সংবাদ সম্মেলন


নাঈমুর রহমান কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলপাড়ায় একই পরিবারের নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় মামলা করে বিপাকে পড়েছেন যুবক নেছার উদ্দীন।তার দায়েরকৃত মামলার আসামীদেরকে স্বাক্ষী বানিয়ে মিথ্যা ছিনতাই মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রানহানীর শংকায় বাড়ীঘর ছেড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন জনপ্রতিনিধিসহ সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে।


কোন সুফল না পেয়ে ভুক্তভোগী ওই যুবক বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় কলাপাড়া রিপোটার্র্স ইউনিটিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের ভুক্তভোগী যুবক নেছার উদ্দীন। এসময় তার দাদি আশিধ্বোর্ রিজিয়া বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


লিখিতি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত ৩১ মার্চ বিকালে আমার বসত বাড়ির উঠানে একটি গাছ জোর পূর্বব কাটতেছিল প্রতিপক্ষ বাবুল জোমাদ্দারসহ সাতজন। উক্ত গাছ কাটায় আমি বাঁধা দিলে তারা আমাকেসহ আমার পরিবারের সবাইকে কুপিয়ে জখম করে। তাদের সবাইকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ফুফাফো ভাই মাহবুবের অবস্থা আংশকাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করে।


বিষয়টি বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদ মাসুদ নিজামী আমাদেরকে দেখতে হাসপাতালে আসেন। তারা উভয় পক্ষকে শালিসির মাধ্যমে মিমাংশার আশ্বাস দেয়। তাদের আশ্বাস পেয়ে আইনের আশ্রয় না নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাই। পরে শালিস বৈঠকের জন্য বার বার মাসুদ নিজামীর সরনাপন্ন হলেও তিনি অজ্ঞাত কারনে কোন সালিশ বৈঠক বসাননি।


তিন মাস অতিবাহিত হওয়ার পরে প্রতিপক্ষ বালুল জোমাদ্দারসহ তার দলবল জুলাই মাসের ২০ তারিখ দুপরে ফের আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে বসত ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বিষয়টি নীলগঞ্জ ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারন সম্পাদক মাসুদ নিজামীকে অবগত করলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে বলেন।


পরে শালিস বৈঠকের জন্য আগের অচলনামা তার কাছে ফেরতে চাইলে সে আমাকে একটি ফটোকপি ফেরত দেয়। জুলাই মাসের ২২ তারিখ কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বাবুল জোমাদ্দারসহ সাত জনকে আসমি করে একটি মামলা দায়ের করি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফ আইর আর এর নির্দেশ দেয় এবং কলাপাড়া থানার এস আই আসলাম খানের উপর মামলার দায়িত্ব দেয়।


তার লিখিত বক্তবে তিনি আরো উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দুই মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ২১ সেপ্টেম্বর বালুল জোমাদ্দার বাদী হয়ে আমাকে আসামী করে আমার মামলার আসামীদেরকে স্বাক্ষী বানিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যা ছিনতাই মামলা দায়ের করে।


বিজ্ঞ আদালত মামলাটির তদন্তের নির্দেশ দেয় কলাপাড়া থানার এসআই দাউদকে। এসআই দাউদ প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিষয়টি মিথ্যা বলে প্রমানিত হইবে।


নেছার উদ্দীন আরও বলেন, আমার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর কলাপাড়া কামার পট্রি থেকে এসআই আসলামখান বাবুল জোমাদ্দারকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেন। বাবুল জোমাদ্দার বর্তমানে পটুয়াখালী জেল হাজতে রয়েছেন।


এরপর থেকে আসামিপক্ষ এবং বিভিন্ন কুচক্রি মহলের সহায়তায় প্রকাশ্যে এবং ফোনে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের মারধর কুপিয়ে খুন জখমের এবং বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে বলে হুমকি দামকি দিতে থাকে। বর্তমানে আমাদের পরিবারের সদস্যর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বিষয়টি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এবং সরকারে উচ্চ পর্যায়ের দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি তিনি।


এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয়নি।


কলাপাড়া থানা উপ পরিদর্শক এস আই আসলাম বলেন,বাড়ির সিমানায় বড়ই গাছের ডাল কাটা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জের ধরে ৬ জন আহত হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি বাবুল জোমাদ্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে এ পুলিশ কর্মকতার্ জানিয়েছেন।

উখিয়ার আলোচিত ওসি মর্জিনাকে সিলেটে বদলিসহ গনবদলি আমুল পরিবর্তন

 উখিয়ার  আলোচিত ওসি মর্জিনাকে সিলেটে বদলিসহ গনবদলি আমুল পরিবর্তন


সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ- কক্সবাজার জেলার  ছয়টি থানার ছয়জন ওসিসহ আরও ৩৪ জন পরিদর্শককে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির কথা জানানো হয়। এরমধ্যে উখিয়া থানার আলোচিত ওসি মর্জিনা আক্তারকে সিলেট রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।এর আগে দুই দফায় পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেনসহ আট শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের কর্মকাণ্ড ও ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া হয়। এছাড়াও সিনহা হত্যার ঘটনায় সারা বাংলাদেশ আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের ভাবমূর্তি পিরিয়ে আনতে উর্ধতন কতৃপক্ষ কটোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।               এরপর জেলা পুলিশকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয় সদর দপ্তর। বর্তমানে জেলা পুলিশে কর্মরত আছেন বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রায় ১ হাজার ৭০০ সদস্য।গত বৃহস্পতিবারের প্রজ্ঞাপনে উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আকতারকে সিলেট রেঞ্জে, বদলি করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ওসি প্রদীপ মিলে এক মেম্বার এর কাছ থেকে ৫১ লক্ষ টাকা ভাগবাটোয়ারা অভিযোগ উঠেছে। এমকি মর্জিনা ভাংতি ৫ টাকার পয়সা নিয়েছে বলে ভুক্তাভোগি পরিবারের অভিযোগ রয়েছে। সিমাহীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি টাকা আয়ের অভিযোগ রয়েছে। ওসি প্রদীপের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলে উখিয়ায় জনশ্রুতি রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এইসবের তদন্ত হওয়ার উচিত মনে করেন সচেতন মহল।        মহেশখালী থানার ওসি দিদারুল ফেরদৌসকে বরিশাল রেঞ্জে, চকরিয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমানকে পটিয়া প্রবাসী জাপর ও দিন মজুুুর হাসান কে পটিয়া থেকে তুলে নিয়ে ৫০ লক্ষ টাকা চাঁদাা দাবি করে। টাকা 


না দেওয়ায় ক্রসফায়ারে হত্যা মামলা রুজু হয় মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে। তার সাথে ফাঁডির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম ও রয়েছে।                    খুলনা রেঞ্জে, রামু থানার ওসি আবুল খায়েরকে রাজাশাহী রেঞ্জে, পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজমকে রংপুর রেঞ্জে, কুতুবদিয়া থানার ওসি এ কে এম শফিকুল ইসলাম চৌধুীকে খুলনা রেঞ্জে বদলি করা হয়।এ ছাড়া জেলার টেকনাফ, চকরিয়া, মহেশখালী, উখিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, রামু থানা, চারটি পুলিশ ফাঁড়ি, আদালত, জেলা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এবং ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত আরও ২৮ জন পুলিশ পরিদর্শককে একযোগে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বাইরে বদলি করা হয়েছে।উখিয়া থানার প্রথম নারী ওসি মর্জিনা আক্তারের বিরুদ্ধে সম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠেছে। এক কলেজ ছাত্রী তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলাও করেছেন। এছাড়া ওসি প্রদীপের সাথে মিলে এক ব্যক্তিকে ধরে এনে তার বাসার টাকাপয়সা লুটপাটের অভিযোগ ওঠেছে মর্জিনার বিরুদ্ধে।


কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, সদর দপ্তরের নির্দেশনায় পরিদর্শক পদমর্যাদার ৩৪ জনকে বদলি করা হয়েছে। কিন্তু কী কারণে বদলি করা হয়েছে, তিনি জানেন না।গত সপ্তাহে সদর দপ্তরের নির্দেশনায় পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেনকে রাজশাহী জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি রাজশাহীর উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন। আগের দিন বুধবার নতুন এসপি হিসেবে যোগ দেন ঝিনাইদহের এসপি মো. হাসানুজ্জামান।


২১ সেপ্টেম্বর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বদলি করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে।


এর মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার, কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আদিবুল ইসলামকে মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কক্সবাজার সদরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজওয়ান আহমেদকে গাজীপুর জিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার, মহেশখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রতন কুমার দাশ গুপ্তকে চট্টগ্রাম নবম এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার, ট্রাফিক পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিককে চট্টগ্রাম রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) সহকারী পুলিশ সুপার, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. মতিউল ইসলামকে নোয়াখালীর সহকারী পুলিশ সুপার ও ডিএসবির সহকারী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলামকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়।বর্তমানে সিনহা হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে রয়েছেন।সিনহা হত্যা কান্ডের মধ্যে দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে একের পর এক আদালত মামলা রুজু হয়েছে। দেশের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা জন্ম দিয়েছে। উর্ধতন পুলিশ প্রশাসন শৃঙ্খলা পিরিয়ে আনতে আমুল পরিবর্তন এনেছেন। এতে কক্সবাজার জেলার মানুষের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। 


সৌদি সরকার ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ওমরা হজ্জ এর অ্যাপ চালু করবে !

 সৌদি সরকার ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে  ওমরা  হজ্জ এর অ্যাপ চালু করবে !



বেলাল উদ্দিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :সৌদি আরবের হজ্জ এবং উমরাহ মন্ত্রণালয় গত বুধবারে ঘোষনা দিয়েছে যে, ওমরা হাজী এবং পবিত্র মসজিদ দুটিতে ইবাদতকারী এবং দর্শনার্থীদের “ই’তামারনা” নামক একটি এপ্লিকেশন দিয়ে মনিটর ও রেগুলেট করা হবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই এপ্লিকেশনটি সৌদি অধিবাসী সকলে ডাউনলোড করতে পারবেন।


সৌদি ডাটা এন্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অথোরিটি এর সাহায্য নিয়ে একটি অ্যাপ ডেভেলপ করেছে মন্ত্রণালয়, যা মক্কা এবং মদিনায় উমরাহ  হাজী এবং প্রার্থনা করতে ইচ্ছুক সকলের সময় বন্টন করবে।


এই অ্যাপটি সৌদি আরবের উমরাহ হাজী এবং বাকিদের নিজেদের হজের আনুষ্ঠানিকতা ও ভিজিট শিডিউল আগে থেকেই প্ল্যান করতে সাহায্য করবে, এবং হজের রীতিনীতি পালন করার জন্য রিজার্ভেশন দিয়ে রাখবে।


আগামী ৪ অক্টোবর থেকে সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে সৌদি আরবে উমরাহ হজ চালু করতে যাচ্ছে সৌদি সরকার। প্রথম ধাপে শুধুমাত্র সৌদি আরবে অবস্থান করা সৌদি নাগরিক বা প্রবাসীরাই উমরাহ হজ করতে পারবেন, এবং তাওয়াফ এর মোট ধারনক্ষমতার ৩০ শতাংশ মানুষ হজ করতে পারবেন। প্রতিদিন ৬ হাজার উমরাহ হাজি গ্র্যান্ড মসজিদে সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে হজের আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারবেন।


আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে এন্ড্রয়েড এবং আইওএস ব্যবহারকারী সকলের জন্য এই অ্যাপটি চালু করা হবে। মন্ত্রণালয় জানায়, এই অ্যাপটি ব্যবহার করে উমরাহ হাজীরা সহজেই হজের আনুষ্ঠানিকতা পালনের  নির্দিষ্ট দিন ও সময় সিলেক্ট করতে পারবেন, এবং হজ সংক্রান্ত যেকোন সার্ভিস যেমন ট্রান্সপোর্ট, ইত্যাদি এর প্রয়োজন হলে সেটাও অ্যাপ এর মাধ্যমেই ব্যবস্থা করতে পারবেন।

পটিয়া পৌর নির্বাচনে আ'লীগে কাউন্সিলর পদে সমর্থন পেতে ৫ নং ওয়ার্ডের জসিমসহ নেতাদের দৌড়ঝাঁপ

পটিয়া পৌর নির্বাচনে  আ'লীগে কাউন্সিলর পদে সমর্থন পেতে ৫ নং ওয়ার্ডের জসিমসহ   নেতাদের দৌড়ঝাঁপ


সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ আগামী পটিয়া পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে  মেয়র পদে ৯ টিওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে নির্বাচন। এ নির্বাচনে  আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর নাম শুনা যাচ্ছে। তবে ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে দলীয় সমর্থন পেতে চলছে আওয়ামী লীগ নেতাদের দৌড়ঝাঁপ। দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় এমপির সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। পটিয়ায়  আওয়ামীলীগ     সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বাসা, বাড়ি ও অফিসে ধর্ণা দিচ্ছেন সমর্থন প্রত্যাশীরা। নিজ নিজ এলাকায় পোস্টারিং, ব্যানার ফেস্টুন টানিয়ে তারা প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। দলের ত্যাগী নেতা কর্মীদের মনোভাব এলাকার জনপ্রিয় কিল্ম ইমেজ ব্যাক্তিদের দিকে নজর। তারা আশাবাদী দলের ভাবমূর্তির প্রার্থী দিয়েছে দেবে হাইকমান্ড। সুএে জানাযায়,এরই মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকাও করা এর মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর রয়েছে আলোচনায়।      


আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, মেয়র ও  ওয়ার্ডের সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। কেউ কেউ নেতাদের অফিসে গিয়েও কুশল বিনিময় ও নিজেদের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন। বাসা ও অফিসে যাওয়াত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি কেউ কেউ সচিবালয়ে গিয়ে দেখা করছেন প্রভাবশালীদের  সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন কাউন্সিলর হওয়ার সমর্থন পেতে। পটিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে গত নির্বাচনে সামান্য ভোটে হেরে যান সাবেক কাউন্সিলর আমির হোসেন। নির্বাচিত হন আলহাজ্ব এম খোরশেদ গনী। তিনি এবারও নির্বাচন করা প্রস্তুত রয়েছে। তবে       সাবেক ছাএনেতা আমির হোসেন আমু কাউন্সিলর প্রার্থী হবেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন এলাকার তার ঘনিষ্ঠ লোকজন   । এদিকে ৫ নং ওয়ার্ডে  সাবেক কাউন্সিলর পটিয়া পৌরসভা জাতীয় পার্টির সভাপতি   আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম  প্রার্থী হতে পারেন বলে জানিয়েছেন পটিয়া পৌরসভা জাতীয় পার্টি সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ।নতুন প্রার্থী তালিকায় ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি ও সমাজ সেবক মোঃ জসিম উদ্দিন ও সাবেক পৌরসভা ছাএলীগ সভাপতি নুরুল করিম দলীয় সমর্থন নিয়ে প্রার্থী হওয়ার আবাস পাওয়া যাচ্ছে। নুরুল করিম গত পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন। এবারও নির্বাচন করবেন এমনটাই শুনা যাচ্ছে। নতুন মুখ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, কাউন্সিলর নির্বাচনে এ ওয়ার্ডকে শতভাগ বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাছাড়া মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্সের ঘোষণাও দিয়েছেন তারা। সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ জসিম উদ্দিন    বলেন, আমি অতি সাধারণ মানুষ কিন্তু আমার ইচ্ছা সমাজের মানুষের জন্য কিছু করা। জনগণের পাশে থেকে তাদের সেবা করাই আমার লক্ষ্য। জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব শামসুল হক চৌধুরীর উন্নয়ন এবং         বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাস্তায় নেমেছি। দল থেকে মনোনয়ন পেলে এলাকায় যথোচিত উন্নয়ন করার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবো।

সড়কের বেহাল দশা দেখার কেউ নেই

 সড়কের বেহাল দশা দেখার কেউ নেই

ইকরাম শরীফ, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:মাদারীপুর সদর থানাধীন চরমুগুরিয়া থেকে শ্রীনদীর রাস্তা, কালিরবাজার থেকে আলগী হয়ে তিথিরপাড়ার রাস্তা এবং মিঠাপুর বাজার থেকে হবিগঞ্জ হাট হয়ে জালালপুর মালো পাড়া পর্যন্ত রাস্তাগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ এবং চলাচল অনুপযোগী। এই রাস্তাগুলো দিয়ে প্রতিদিন প্রায় লক্ষ লক্ষ মানুষ চলাচল করে। এসব এলাকার মানুষ প্রতিদিন তাদের জরুরী কাজ স্কুল কলেজগামী ছাত্রছাত্রী, কৃষাণ, দিনমজুর, বাজারের দোকানদারের মালামাল আনা নেওয়া, রোগী নিয়ে ডাক্তার বা হাসপাতালে যাতায়াত সমাধান করার জন্য জেলা সদরে আসা যাওয়া করে থাকে। বিশেষ করে রোগী নিয়ে এসকল রাস্তায় চলাচল করা এ যেনো এক মরণ ফাদ। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য গত এক মাসের বেশি হবে তার গ্রামের বাড়ীর বাজারে বঙ্গবন্ধুর শোক সভায় বলেছিলেন, আপনারা আমাকে এক মাস সময় দিন। আমি এ সকল রাস্তা মেরামত করে দিবো। এখন এক মাস পার হয়ে প্রায় ২য় মাস চলছে। কিন্তু রাস্তার কাজের কোনো খবর নেই। সংশ্লিষ্ট সকল সরকারী বেসরকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের রাস্তা মেরামতের বিষয়টির উপর বিশেষ সুদৃষ্টি দেওয়ার জন্য  ভুক্তভোগী এলাকার জনগন জোর দাবি জানান।

ডা.এ জি খান এর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন,ডা.এম.এ.মান্নান

 ডা.এ জি খান এর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন,ডা.এম.এ.মান্নান




ডেস্ক নিউজ:উপমহাদেশের খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডা. আবদুল গাফ্ফার খান (এজি খান) এর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন নাগরপুরের ঐতিহ্যবাহী মানব সেবামূলক প্রতিষ্ঠান- মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানেজিং ডিরেক্টর(এমডি) ডা.এম.এ.মান্নান। 


শোকবাণীতে ডা.এম.এ.মান্নান  বলেন- বরগুনা জেলার কৃতিসন্তান, এশিয়ার অন্যতম খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও বিশিষ্ট মিডিয়া কর্মী ডা. আবদুল গাফ্ফার খান (এজি খান) গত বুধবার,২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রি.দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৫ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তার ইন্তিকালে বাংলাদেশের জনগন একজন খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে হারাল। তার শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়। আমি তার ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।


শোকবাণীতে ডা.এম.এ.মান্নান আরো বলেন,ডা. এজি খান এশিয়া মহাদেশের একজন খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন। তিনি চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি বহু জনসেবামূলক ও দীনী কাজের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের একজন শুভাকাক্সক্ষী এবং বহু মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানার পৃষ্ঠাপোষক ছিলেন। তিনি অসংখ্য অসহায় দরিদ্র মানুষের সেবা করে গিয়েছেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার জীবনের নেক আমলসমূহ কবুল করে তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসে স্থান দান করুন এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন,আমিন।

শৈলকুপায় নিখোঁজের ৫ দিনের মাথায় কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করলো পুলিশ

 শৈলকুপায় নিখোঁজের ৫ দিনের মাথায় কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করলো পুলিশ


সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা  (ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নিখোঁজের ৫ দিনের মাথায় কলেজ ছাত্র সুজনের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে হাজামপাড়া গ্রামের ধান ক্ষেতের বরিং এর ভেতরে মাটি খুড়ে সেখান থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।


জানা যায়, উপজেলার আউশিয়া গ্রামের সুজন (২০) নামের এক কলেজ ছাত্র ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলো।

৫ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার রাতে সুজনের অর্ধগলিত মৃতদেহ হাজামপাড়া ধান ক্ষেতের বরিং এর মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে কুপিয়ে হত্যা শেষে মৃতদেহটি মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সে মালয়েশিয়া প্রবাসি আউশিয়া গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।


পুলিশ জানায়, পাওয়ানা টাকা আনতে গিয়ে সে আর বাড়ি ফেরেনি বলে শৈলকুপা থানায় একটি মামলা করেছিলো পরিবার। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাকিব ও নাজমুল নামে দুই জনকে আটক করেছে। সাবিক আটকের পর থেকে তার পরিবারের লোকজন বাড়িঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছে।


নিখোঁজ সুজনের চাচা রফিকুল ইসলাম রবি জানান, গত রোববার (২০ সেপ্টম্বর) বিকালে সুজন সার আনতে আউশিয়া বাজারে যায়। বাজারের একটি চায়ের দোকানে চা খাওয়ার সময় পাওয়ানা ৮০০ টাকা নেওয়ার জন্য জনৈক রাকিব মোবাইল করে। রাকিব সে সময় সুজনকে রাকিবের ছোট ভাই সাকিবের মটরসাইকেলে চলে আসার জন্য জানালে চায়ের দোকান থেকে সুজন সাকিবের মটরসাইকেলে চলে যায়। বাজারের অনেকেই ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন। সেই থেকে ৪ দিন ধরে সুজন নিখোঁজ ছিলো।


এদিকে সুজন নিখোঁজের ঘটনায় সাকিবকে আটক করা হলে তার ভাই রাকিব এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা গা ঢাঁকা দিয়েছে।

ঝিনাইদহে মাদক মমলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

 ঝিনাইদহে মাদক মমলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী  গ্রেফতার


খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধান:ঝিনাইদহে আট মামলা ও  সাজাপ্রাপ্ত মোঃ রাজা নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। শুক্রবার ( ২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে পুলিশের একটি বিশেষ টিমের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। যার মামলা নং- জিআর -১০৩/১৬। ঝিনাইদহ সদর সার্কেল আবুল বাসার ও সদর থানার ওসি মিজানুর রহমানের চৌকশ বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের মাধ্যমে এবং এসআই রফিকুল ইসলামের নেত্রীত্বে অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে দীর্ঘ দিনের এই পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় বলে পুলিশ সুত্রে যানা যায়। 


এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে ০৬ (ছয়) মাসের সশ্রম কারাদন্ড এবং ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ (পনের) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত আসামী মোঃ রাজা দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিলো। তিনি বলেন, সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি আসামী রাজা শহরের পাগলা কানায় এলাকাতে অবস্থান করছে। এসময় এস আই রফিক সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামী রাজা ঝিনাইদহ শহরের কাঞ্চননগর মডার্ণ মোড় এলাকার মৃত ওলিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে।

সাতক্ষীরা জেলা আ'লীগের সভাপতির স্ত্রীর মৃত্যুতে সদর আ'লীগের শোক

 সাতক্ষীরা জেলা আ'লীগের সভাপতির স্ত্রীর মৃত্যুতে সদর আ'লীগের শোক

 



আহসান উল্লাহ বাবলু সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ এর সহধর্মিনী বৃহস্পতিবার ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন,(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার মৃত্যুতে শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সহ-সভাপতি গোলাম মোরর্শেদ, আসাদুজ্জামান অছলে চেয়ারম্যান, সরদার নজরুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, ফারুক হোসেন, অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান মোশা, এড. স্যামুয়েল ফেরদৌস পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনছান বাহার বুলবুল, মোস্তাফিজুর রহমান নাছিম ও গনেশ চন্দ্র মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শফিউদ্দীন, শেখ মনিরুল হোসেন মাছুম, প্রভাষক হাসান মাহমুদ রানা, আইন সম্পাদক এড. হাসান উল্লাহ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক মহসীন কবির পিন্টু, তথ্য গবেষণা সম্পাদক আব্দুল জলিল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ গোলাম মোস্তফা বাবু, দপ্তর সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ক্বারী মিজানুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শেখ মোনায়েম হোসেন, বন পরিবেশন সম্পাদক আমিনুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, মহিলা সম্পাদিকা এড. ইরানী, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসানুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল হান্নান, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক প্রভাষক আফাজ উদ্দীন, শ্রম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ আব্দুল হামিদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক রহমত আলী, কোষাধ্যক্ষ জি এম আমীর হামজা, নির্বাহী সদস্যবৃন্দ আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, আলহাজ¦ এস এম শওকত হোসেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, এড. আব্দুল লতিফ, ডাঃ মুনসুর আহমেদ, আশরাফুজ্জামান, স ম জালাল উদ্দীন, ডাঃ মহিয়ূর রহমান ময়ুর, রহেল উদ্দীন, হাবিবুর রহমান হবি, লুৎফর রহমান, বজলুর রহমান, রমজান আলী, এড. মোস্তাফিজুর রহমান শাহনেওয়াজ, শওকত আলী, ইউসুফ আলম, এস এম মোশারফ হোসেন, তাপস কুমার আচার্য্য, নুর ইসলাম মাগরেব, শামছুর রহমান, আবু বক্কর সিদ্দিক, অমরেন্দ্র নাথ ঘোষ, ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মিজানুর রহমান বাবু সানা, ওবায়দুল ইসলাম মানি, মাস্টার মফিজুল ইসলাম, শাহীনুর ইসলাম শাহীন, আজহারুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, লোকমান হোসেন, মোঃ ইশারুল, মশিয়ার রহমান ঈদুল, আছাদুজ্জামান ও প্রভাষক এম সুশান্ত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি