সম্ভব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুবেদার আফতাব উদ্দীনের পক্ষ থেকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

সম্ভব্য চেয়ারম্যান  পদপ্রার্থী সুবেদার আফতাব উদ্দীনের পক্ষ থেকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সিলেট জেলার কানাইঘাট  উপজেলার  ৫ নং বড়চতুল  ইউনিয়ন সম্ভব্য চেয়ারম্যান নৌকা পদপ্রার্থী জনাব বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আফতাব উদ্দীন  পক্ষ থেকে সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের  শুভেচ্ছা। শুভ হোক ২০২১ সাল।

আমরা সকলেই জানি ২০২০ সাল টা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর ছিল, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে সকল শ্রেণীর মানুষের কম বেশী ক্ষতি সাধিত  হয়েছে। কেউবা নিজের প্রিয়জনদের  চিরো দিনের জন্যে হারিয়েছি। 

আঁধার ভেদ করে সূর্য কিরণ,প্রতি জীবন দুয়ারে পৌঁছে যাক, 
যাপিত জীবনের যাবতীয় গ্লানি,ভুলে এসো রাঙিয়ে তুলি জীবনের নতুন বছর ২০২১ সাল। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি নিরাপদে থাকি।
শুভ হোক ২০২১সাল 
সবার জন্যে শুভ কামনা

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের ২০২১ সেশনের কমিটি গঠন

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের ২০২১ সেশনের কমিটি গঠন

ডা.এম.এ.মান্নান,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি: মহান আল্লাহর মেহেরবানীতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২১ সেশনের জন্য কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচন ও সেক্রেটারি জেনারেল মনোনয়ন সম্পন্ন হয়েছে।অনলাইনে সারাদেশের সদস্যদের ভোটে কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সালাহউদ্দিন আইউবী। সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মনোনীত হয়েছেন হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। 

আজ মংগলবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রি. বিকাল ৪টায় ছাত্রশিবিরের সহকারি নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনায় শহীদ আব্দুল মালেক মিলনায়তনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক তাসনীম আলমের অনুমতিক্রমে নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতির নাম ঘোষণা করেন ছাত্রশিবিরের সহকারী নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মতিউর রহমান আকন্দ। নাম ঘোষণার পর নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতিকে শপথ পাঠ করান ছাত্রশিবিরের সহকারী নির্বাচন কমিশনার মতিউর রহমান আকন্দ। 

গত ২৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ২৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা পর্যন্ত সারাদেশে অনলাইনের মাধ্যমে একযোগে কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ছাত্রশিবিরের সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি ২০২১ সেশনের জন্য কার্যকরী পরিষদের সঙ্গে পরামর্শ করে হাফেজ রাশেদুল ইসলামকে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মনোনয়ন দেন।

উল্লেখ্য নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইউবী এর আগে যথাক্রমে সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক, কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং গাজীপুর মহানগর ও ঢাকা কলেজের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ইংরেজী সাহিত্য বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে লিবার্টি 'ল' কলেজ থেকে এলএলবি সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি বেসরকারী  বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ-তে অধ্যয়নরত আছেন।

নব মনোনীত সেক্রেটারি জেনারেল এর পূর্বে যথাক্রমে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক, কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক, কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান সম্পাদক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পপুলেশন সাইন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ-তে অধ্যয়নরত আছেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর জননেতা ডা: শফিকুর রহমান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতিবৃন্দ। এছাড়াও দেশ বিদেশ থেকে ইসলামিক স্কলারগণ বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনে সারাদেশের সদস্যবৃন্দ অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীরে জামায়াত বলেন, আমাদের সকল কর্মসূচি, কর্মকান্ড, প্রচেষ্টা শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। সুতরাং আমাদের সার্বিক কর্মস্পৃহা ও প্রচেষ্টার ভিত্তি হতে হবে আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস। আল্লাহকে মনেপ্রাণে ভয় করতে হবে। জীবনের সকল ক্ষেত্রে রাসূল সা. এর জীবনাদর্শকে গ্রহণ করতে হবে। আমরা যদি থাকি মহান আল্লাহ তায়ালার সাথে তাহলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ থাকবেন আমাদের সাথে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদেরকে আল্লাহর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।তিনি নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি, নব মনোনীত সেক্রেটারি জেনারেলসহ সকল পর্যায়ের জনশক্তিদের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।

নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রনেতা সালাহউদ্দীন আইউবী সংগঠনের সকল পর্যায়ের দায়িত্বশীল, জনশক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ দেশবাসীর নিকট দোয়ার অনুরোধ করেছেন।

মোংলায় শিল্পী এম আই রাজুর গান ভাইরাল

মোংলায় শিল্পী এম আই রাজুর গান ভাইরাল

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ মোংলার শিল্পী এম আই রাজুর গান ভাইরাল। ছোট বেলা থেকেই রাজুর গানের প্রতি ছিল প্রচন্ড ঝোক। খেলার মাঠের পাশা পাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মুলক কাজ করতে দেখেছে মোংলা বাসি, কিন্তু তার ভিতরের এই সুপ্ত প্রতিভা প্রথম দেখলো মোংলাবাসি। নিজে গান লিখেন, নিজে সুর বাধেন এবং শেই গান নিজেই গেয়ে থাকেন। এমন প্রতিভা সচারআচার সবার হয় না। প্রিয় মোংলাবাসি সত্যিই এমন প্রতিভা পেয়ে ধন্য। এম আই রাজুর প্রথম মৌলিখ গান শুধু তুই তুই সাড়া তুলেছে মোংলার অলিতে, গলিতে, চায়ের দোকানে। আমি ব্যাক্তি গত ভাবে এম আই রাজুর সাথে কথা বলি এবং জানতে চাই "শ্রতাদের জন্য আর কোন গান আসতেছে কি না? উত্তরে তিনি বলেন তার পরবর্তি গান "ভিশন শখের পাখি" অডিও এবং ভিডিওর কাজ প্রায় শেষ। খুব শিগ্রহই শ্রতাদের মোন কাড়তে আসছে স্যাড রোমান্টিক আরো একটি চমৎকার গান। প্রথম গানেই এমন সাড়া দেখে আত্ববিস্বাস নিয়ে এম আই রাজু বলেন পরবর্তি গান আরো সুন্দর করে সাজানো হয়েছে শ্রতাদের জন্য। ইতি মধ্যেই "শুধু তুই তুই" গান তরুণ প্রজন্মের ভিতরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে‌।


গান: শুধু তুই তুই [Shudhu Tui Tui]
শিল্পী: এম আই রাজু [M I Razu]
কথা ও সুর: এম আই রাজু [M I Razu]
মডেল: মাহিয়া মিম এবং সবুজ আসরাফ সুপ্ত
পরিচালক: ওয়াহিদ বিন চৌধুরী
ইউটিউব চ্যানেল Orko Muisic Station এ গানটি পাওয়া যাবে।

অনলাইন প্রেস ইউনিটি বরিশাল শাখার মতবিনিময়

অনলাইন প্রেস ইউনিটি বরিশাল শাখার মতবিনিময়

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  সংবাদযোদ্ধাদের অধিকার রক্ষায় হবো ঐক্যবদ্ধ' শ্লোগানকে সামনে রেখে অনলাইন প্রেস ইউনিটি বরিশাল শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল শাখার সভাপতি ফরহাদ হোসেন ফুয়াদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অনলাইন প্রেস ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা কলামিস্ট মোমিন মেহেদী। কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও দৈনিক আজকের সময়ের বার্তার সম্পাদক সংবাদযোদ্ধা লোকমান হোসাঈনের উদ্বোধনী বক্তব্যর মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন ইউনিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা। বক্তব্য রাখেন অনলাইন প্রেস ইউনিটি বরিশাল শাখার সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন গাজী, রিয়াজ চৌধুরী, রেজাউল করিম সুজন খান, শফিকুল ইসলাম রিমন, রাকিব হাওলাদার, খান তুহিন, তানজিমুন রিশাদ, সোহেল রানা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, আজ যারা সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদেরকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা পাচার করছে, তাদের বিরুদ্ধে-দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে থাকবে বরাবরের মত অবিরত অনলাইন প্রেস ইউনিটির সংবাদযোদ্ধাগণ। এই সংবাদযোদ্ধাদেরকে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি-নির্যাতন করার চেষ্টা করলে তাদেরকে কলমের মাধ্যমে প্রতিহত করা হবে।

গভা শেষে সংবাদপত্র ও সংবাদযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে সংবাদীয় শুভেচ্ছা জানান নতুন প্রজন্মের রাজনীতিক কলামিস্ট মোমিন মেহেদী সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে।

বড়দিনের চতুর্থ দিনের অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল

বড়দিনের চতুর্থ দিনের অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল

আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে বড়দল ও জামালনগর ক্যাথলিক চার্চের আয়োজনে চতুর্থ দিন সোমবার রাতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে সাতক্ষীরা ৩ আসনের এমপি ডাঃ আ ফ ম রুহুল হকের প্রতিনিধি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল কেক কাটে ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বড়দল ফ্রান্সিস জেভিয়ার গির্জা ও জামালনগর যীশু হৃদয় ক্যাথলিক গির্জায় উপস্থিত হলে সেখানে শত শত লোক তাকে ফুল ছিটিয়ে সম্মান জানান। পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে কেক কাটা শেষে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কথা তুলে ধরে বলেন, বড়দল ফ্রান্সিস জেভিয়ার গির্জা মন্দিরের রাস্তা সংস্কারের আশ্বস্ত করেন ও জামালনগর যীশু হৃদয় ক্যাথলিক গির্জা মন্দিরের রাস্তা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংস্কারের জন্য আ ফ ম রুহুল হক স্যারের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকার অনুদানের ঘোষণা দেন। ক্যাথলিক গির্জা মন্দিরের সভাপতি মাষ্টার লালন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির সফরসঙ্গী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ঢালী মোঃ শামসুল আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এস এম সাহেব আলী, বদরতলা হাজী জালাল উদ্দিন আদর্শ কলেজ প্রভাষক রবীন্দ্রনাথ সরকারসহ কলেজের শিক্ষক বৃন্দ, রবার্ট জুয়েল মন্ডল, প্রেসক্লাবের সভাপতি আল ফারুক, সাধারণ সম্পাদক সমীর রায়, সাবেক সভাপতি এস এম আহসান হাবীব, শোভনালী ইউপি সদস্য উদায় কান্তি বাছাড়সহ ইউপি সদস্য বৃন্দ, রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রচার সম্পাদক বি এম আলাউদ্দীন, শ্রীউলা যুবলীগ নেতা আলাউদ্দীন লাকি, উপজেলা প্রজন্ম লীগের সভাপতি মুর্শিদ আলম, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলে আ'লীগ নেতা আব্দুল হান্নান মন্টু সরদার, শফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি মহাসিন আলী লিটন, বড়দল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মালি, শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুল হাকিম গাজী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাসির উদ্দিন আরজু, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি নাহিদ রানা বাবু, বড়দল ৪ ৫ ৬ সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য প্রার্থী কবিতা রানী মন্ডল। কেক কাটা ও আলোচনা সভা শেষে জামাল নগর ক্যাথলিক গির্জায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর মেয়র প্রাথী পরিবর্তনের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর  মেয়র প্রাথী পরিবর্তনের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর  পৌরসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের ঘোষিত মেয়র প্রার্থীতা পরিবর্তনের দাবীতে পৌর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

২৯ ডিসেম্বর  মঙ্গলবার বিকেলে কোটচাঁদপুর পৌর সভার মেন বাজার পায়রা  চত্বরে  পৌর আহ্বয়ক কমিটির সদস্য মোঃ নুরুন্নবী ইউসুফ ( শান্তির) সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামিলীগে যুগ্ম  আহ্বায়ক পৌর মেয়র পদ প্রাথী  মোঃ সহিদুজ্জামান সেলিম পৌর আওয়ামিলীগে সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল আজিজ, সদস্য। সাবেক ছাত্র লীগের সভাপতি প্রদীপ কুমার হালদার,যুব লীগ নেতা শেখ মোঃ হেকিম, সাবেক সেচ্ছাসেকলীগের আহ্বায়ক আরিফ শেখ, সাবেক পৌর ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক  মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, পৌর ছাত্র লীগ নেতা শেখ ফয়সাল, পৌর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ এস এম শামিম  সহ আওয়ামিলীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগ, কৃষক লীগ সহ সকল অঙ্গ সংগঠনে নেতৃ বৃন্দ ও পৌর সভার সাধারন মানুষের এক অংশ। 

বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  নেতৃবৃন্দ আসন্ন কোটচাঁদপুর  পৌরসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ঘোষিত মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামিলীগে সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান আলীর  নাম বাতিল করে প্রকৃত আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবী জানান।

বক্তব্যে তারা বলেন, অতিতে কখনো কোন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের পক্ষে কাজ করেনি, সব সময় বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে,আমরা কোটচাঁদপুর পৌর সভাকে ইউনিয়ন বানাতে চাই না। আট মাস আগের পৌরসভার ভোটার কোনো দিন মেয়র হতে পারে না। ইউনিয়নের ভোটার দিয়ে পৌর সভার ভোট হবে না।  আমরা আশাকরি নিশ্চয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি বিবেচনা করবেন। পৌর সভাবাসী ও সাধারণ  ভোটার দের দাবী সহিদুজ্জামান সেলিম কে নৌকা প্রতিক দেওয়া হোক। 

এসময় নেতৃবৃন্দ আরও বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিগত নির্বাচন গুলোতে বিদ্রোহী  অনুপ্রবেশ কারী ও তাদের  সহযোগীদের দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। সে আলোকেই অবিলম্বে নতুন প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টি পূণর্বিবেচনার দাবী জানান।

আশাশুনির আনুলিয়া ব্লাড ব্যাংকের শীতবস্ত্র বিতরণ

আশাশুনির আনুলিয়া ব্লাড ব্যাংকের শীতবস্ত্র বিতরণ

আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি  সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের ব্লাড ব্যাংকের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিছট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়। আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে শীতবস্ত্র বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন আশাশুনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম। আনুলিয়া ব্লাড ব্যাংকের পক্ষ থেকে এলাকার দুস্থ ও অসহায় ১০০০ পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণের তালিকা করা হয়। উদ্বোধনকালে ৫০০ পরিবারের ভিতরে কম্বল বিতরণ করা হয় এবং পরবর্তীতে বাকি ৫০০ কম্বল প্রত্যেকের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এসময় সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুগ্ম দায়রা জজ খুরশিদ আলম শিমুল,থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ গোলাম কবির,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি,প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ জাকির হোসেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জগদিস চন্দ্র সানা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আনুলিয়া ব্লাড ব্যাংকের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্লাড ব্যাংকের কর্মকর্তা, সদস্য শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কুলাউড়ায় প্রবাসী সামাজিক সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ

কুলাউড়ায় প্রবাসী সামাজিক সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ

মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ কুলাউড়া উপজেলার ৮নং রাউৎগাঁও  ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে ভবানীপুর প্রবাসী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন।

২৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার  বেলা ১১ঃ৩০ মিনিটে সময় লিটন মিয়ার বাড়িতে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ মাহফিল শেষে অসহায় মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ সিরাজুল ইসলাম শায়েখ, মৈশাজুড়ি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ সিতার আলী, সমাজসেবক মো:শাইস্তা মিয়া, আওয়ামীলীগ নেতা মো:কলা মিয়া, প্রবাসী লিকছন মিয়া,ভবানীপুর ছি,পি দাখিল মাদ্রাসা সহ সুপার মাওঃ আহসান কবির রাসেল, ভবানীপুর ইসলামী আদর্শ সোসাইটির সভাপতি মো:আবু তাহের লিটন, সাধারণ সম্পাদক মো:শামসুজ্জামান সজলু, প্রচার সম্পাদক জাসেম আহমদ, আলহেরা ইসলামি যুব সংঘের সি.সাধারণ সম্পাদক জাহিদ আহমদ, একতা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি মোঃকামরুল ইসলাম নাফি,  সহ সভাপতি তারেক আহমদ,সাধারণ সম্পাদক ইমাদ হোসাইন, প্রমুখ। 

এছাড়াও আরো সামাজিক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ  উপস্থিত ছিলেন।

দাফন সম্পন্ন হলো গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্লার্ক রফিকুল ইসলামের

দাফন সম্পন্ন হলো গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  ক্লার্ক রফিকুল ইসলামের



স্টাফ রিপোর্টারঃ দাফন সম্পন্ন হলো  গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী  রফিকুল ইসলামের। আজ ২৯ শে ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১১ টার সময় কাগমারী ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে কাগমারী যৌথ কবর স্থানে তাকে শ্বায়িত করা হয়।
 
উক্ত জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ এর সভাপতি আমিনুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, বিদ্যুৎসাহী সদস্য প্রভাষক, সদস্য বিপ্লব হোসেন কামারুল ইসলাম,  সামসুর রহমান,জাহাঙ্গীর আরম সহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক কর্মচারী বৃন্দ।
 
এসময় উক্ত জানাজায়  উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান ঝন্টু,সহ সভাপতি মতিয়ার রহমান,প্রচার - সম্পাদক আজগর আলী, মেম্বর তোতা মিয়া, বাবলু রহমান, যুবলীগ নেতা ময়েজ উদ্দিন, সহ সর্ব স্তরের জনগণ। জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল মালেক।

কয়রার আইন শৃংখলা ভাল রাখতে বছর জুড়ে মানুষের পাশে ছিলেন ওসি রবিউল হোসেন

কয়রার আইন শৃংখলা ভাল রাখতে বছর জুড়ে  মানুষের পাশে ছিলেন ওসি রবিউল হোসেন

কয়রা(খুলনা):  পুলিশ নিয়ে অনেকের বিরূপ ধারণা থাকলেও খুলনা জেলার কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন সে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন।। তিনি একজন ব্যতিক্রমধর্মী মিষ্ট ভাসি পুলিশ অফিসার। প্রতিনিয়ত তিনি সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে ২০২০ সালে পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে গেছেন জনগন ও দেশের কল্যাণে। "পুলিশ জনগণের বন্ধু" তিনি এই বাক্যটির উৎকৃষ্ট নিদর্শন। তিনি অন্যতম একজন আদর্শ পুলিশ অফিসার যিনি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আধুনিকতা, প্রযুক্তি ও সততা এবং মেধার দক্ষতা দিয়ে অপরাধ দমন করার চেষ্টা করেন দেশের কল্যাণে। "পুলিশ জনতার, জনতা পুলিশের" এই শ্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন এই পুলিশ অফিসার । অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন খুলনা জেলার কয়রা থানার মানুষের চোখে আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ ও গরিবের বন্ধুসুলভ পুলিশ অফিসার। বছর জুড়ে অধিকাংশ মানুষই তাকে গরিবের আস্থার শেষ আশ্রয়স্থল হিসাবে দেখেছেন। তিনি তাঁর সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও তার বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তা এবং মেধার বিকাশে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। তার চোখে ধনী-গরিব, রিক্সাচালক হতে সব শ্রেনী পেশার মানুষ সমান। রবিউল হোসেন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেছেন। তিনি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাই নন বছর জুড়ে আইন শৃংখলার পাশাপাশি অনেক সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও অবদান রেখেছেন। দায়িত্বের ক্ষেত্রে তিনি অন্যায়ের সাথে কোন আপষ করেননা। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত ১ বছরে কয়রা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার ১৭৬৮ জন গ্রেফতারী পরোয়ানা আসামীকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। এ ছাড়া  ৬৬ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে আটক পুর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। কয়রায় এখন মাদকমুক্ত প্রায়। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করে বছর জুড়ে ৪০ টি মামলায় ৪৬ জনকে গ্রেফতার করে মোবাইল কোটে সাজা প্রদান,অর্থ দন্ড সহ নিয়োমিত মামলায় কোটে সোর্পদ করা হয়েছে। পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ টি বন মামলায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়রায় চলতি বছরে ৬ টি ধর্ষন মামলায় ৬ জন আসামী আটক হয়েছে। এ ছাড়া  নারী নির্যাত প্রত্যাক মামলার আসামী আটক সহ ভিকটিম উদ্ধার কার্যক্রম ছিল শতভাগ। বর্তমান বছরে কয়রা থানায় দালাল মুক্তর পাশাপাশি জুয়ার আসর বন্ধ করার ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনকে প্রশংসা জানিয়েছে সর্বস্তরের জন সাধারন। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় পুলিশের প্রচার প্রচরনা-কার্য়ক্রম ও সচেতনতামুল সভা এখনও চলমান রয়েছে। যৌন হয়রানী,বাল্য বিবাহ,ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসন মানুষকে সচেতনতা রাখতে বিভিন্ন কর্মসুচী গ্রহন করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার গণমানুষের বন্ধু সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষের মুখেহাসি ফোটাতে তাদেরকে হেফাজত করতে, মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ দুঃখভাগাভাগি করে নিতে। আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাদাঁবাজ, ইভটিজার মুক্ত করে মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা। আমার কাছে ধনী-গরিব, রিক্সা চালকসহ সব শ্রেনী পেশার মানুষ সমান। একজন নির্যাতিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ। সেই লক্ষে গোটা বছর মানুষের পাশে থাকার চেষ্ঠা করেছি। আর সকলের সহযোগিতায় সেটি করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন,খুলনা জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্যাহ স্যারের দিক নির্দেশনায় কয়রার সার্বিব আইন শৃংখলা ভাল রাখা সম্ভব হয়েছে। তিনি কয়রার সার্বিক আইনশৃংখলা ভাল রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

৪র্থ বর্ষ অনার্স পরীক্ষার পুনঃসংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ

৪র্থ বর্ষ অনার্স পরীক্ষার পুনঃসংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ

নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা কোভিড-১৯ এর কারণে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা ১৬/০১/২০২০ থেকে  আরম্ভ  হওয়ার  সূচি  প্রকাশ  করা  হয়েছিলো। স্থানীয়  সরকার  নির্বাচন  থাকায় পরীক্ষাসমূহ  ১৭/০১/২০২১  থেকে  শুরু হবে। এ  পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল  ৯:৩০টা  থেকে শুরু হবে। পরীক্ষার  নির্ধারিত পুনঃসংশোধিত সময়সূচি  ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

আইটিএ

নওগাঁয় খন্ডিত পাথরের বিষ্ণু মুর্তি উদ্ধার

নওগাঁয় খন্ডিত পাথরের বিষ্ণু মুর্তি উদ্ধার

রহমত উল্লাহ আশিকুজ্জামান নুর,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ জেলার মান্দায় কষ্টিপাথরের একটি বিষ্ণুমূর্তির খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার ভালাইন ইউনিয়নের মোয়াই লীলাবাজার দিঘিরপাড় এলাকা থেকে গতকাল সোমবার দুপুরে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনুর রহমান জানান, মোয়াই দীঘিরপাড় এলাকায় সরকারিভাবে একটি আবাসন তৈরির কাজ চলছে। খনন কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকরা মূর্তিটি দেখতে পেয়ে পুলিশে সংবাদ দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে সেটি উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

ওসি আরও জানান, এটি বিষ্ণুমূর্তির খণ্ডিত অংশ। এর ওজন ৩ কেজি ৬৫০ গ্রাম। মূর্তিটি কষ্টি পাথরের হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শীতের রাতে কম্বল হাতে নৈশ প্রহরীদের খোঁজে নবীনগরের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী

শীতের রাতে কম্বল হাতে  নৈশ প্রহরীদের খোঁজে নবীনগরের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী

এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা সকল বাজার নিরাপত্তায়  থাকা নৈশ প্রহরীদের খুঁজে খুঁজে বের করে এই কনকনে শীতের রাতের আঁধারে  কম্বল বিতরণ করলেন নবীনগর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক এম কে জসিম উদ্দিন, নবীনগর থানা প্রেসক্লাবের ১নং কার্যকরী সদস্য সাংবাদিক বাবুল,জিনদপুরের উদয়মান সমাজ সেবক মানবাধিকার কর্মী  মোঃ হাসান উদ্দিন, বাজে বিশারা গ্রামের পল্লী বিদ্যুতে কর্মরত মানবাধিকার কর্মী  মোঃ নুরুজ্জামান। 

 সোমবার  ২৮/১২ মধ্যরাত থেকে শুরু করে রাতভর তীব্র কুয়াশায়  মটর সাইকেলে করে উপজেলার পৌর এলাকা থেকে শুরু করে কোনাঘাট, শ্রীরামপুর, গোপালপুর, মানিকনগর,  শ্যামগ্রাম,রছুল্লাবাদ, দশমৌজা,জিনদপুর, বটতলী, বাঙ্গরা,লাউর ফতেহপুর,বাশারুক ইব্রাহিমপুর পাল বাজার,বাঁশবাজার,সোহাতার মোড়,ভোলাচং,মাঝিকাড়া সহ আরো ছোট বড় বাজারের সকল নৈশ প্রহরীদের মাঝে  শীত নিবরনে কম্বল বিতরণ করেন।

এই তীব্র শীতে কম্বল হাতে পেয়ে   নৈশ প্রহরীরা বলেন,এই প্রথম কেউ আমাদের খুঁজে খুঁজে বের করে রাতের আঁধারে কম্বল বিতরণ করল ,আমরা এই ৪ জনের উজ্জ্বল ভবিষৎ কামনা করি। 

এসম্পর্কে নবীনগর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক এম কে জসিম উদ্দিন বলেন,আমরা নবীনগরে কিছু মানবিক কাজ করে সকলের হৃদয়ে স্থান করে নিতে চায় তারই ধারাবাহিকতায় এই কম্বল বিতরণ দিয়ে শুরু করলাম ভবিষ্যতে আরো ভাল কিছু করতে চায়।

রাতের আঁধারে কম্বল নিয়ে ছুটে চলা নবীনগর থানা প্রেসক্লাবের ১নং কার্যকরী সদস্য  সাংবাদিক বাবুল বলেন,আমাদের গ্রাম কেন্দ্রীক বাজারগুলোর নিরাপত্তায় যারা রাতের কনকনে শীতে রাতভর পাহারায় নিয়োজিত থাকেন তাদের কথা চিন্তা করে আমরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি,ভবিষ্যতে আমরা নবীনগরে আরো ভাল কিছু করতে চায়। এটা আমাদের একান্তই ব্যক্তিগত উদ্যোগে করেছি।

এই সময় সাথে থাকা মানবাধিকার কর্মী হাসান উদ্দিন ও নুরুজ্জামান বলেন,আমাদের এই  মহৎ কাজের জন্য সাংবাদিক বাবুল অনুপ্রাণিত করেছে, সত্যি আমরা এই কাজে থাকতে পেরে আনন্দিত ভবিষ্যতে আরো ভাল কিছু করতে চায় নবীনগরের অসহায় মানুষদের জন্য। 

পরিশেষে তারা সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসার জন্য আহব্বান করেন।

ডাক্তার নেই নার্স নেই তবুও নাম তার হাসপাতাল!

ডাক্তার নেই নার্স নেই তবুও নাম তার হাসপাতাল!


সম্রাট হোসেন , ঝিনাইদহ  প্রতিনিধিঃ ঘড়ির কাঁটা তখন দুপুর ১টা। ঘটনাস্থল ঝিনাইদহ শহরের আল মামুন জেনারেল হাসপাতাল। হাসপাতালটির মালিক ডঃ রাশেদ আল মামুন। তিনি শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তার মতো দায়িত্বশীল পদে কর্মরত। ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল বাশারের নেতৃত্বে সোমবার দুপুরে একদল ভিজিটর আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ক্লিনিকটি পরিদর্শনে গেলেন। ক্লিনিকে ঢুকেই চক্ষু চড়ক গাছে উঠলো! এ কি হাল! ঢাল নেই, তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দ্দারের মতোই দশা।
 
হাসপাতালে সর্বক্ষন কোন চিকিৎসক নেই। নেই সনদধারী প্রশিক্ষিত কোন নার্স। পরিবেশ নোংরা। স্টোর রুমে খাবারের বাসনপত্র ও ধুলোবালিময় যন্ত্রপাতি পড়ে আছে। বিথী নামে একজন নিজেকে নার্স বলে পরিচয় দিয়ে এগিয়ে আসলেন। কিন্তু নেই কোন তার সনদ। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া আমেনা খাতুন অনার্স কলেজ থেকে বিথী মানবিক বিভাগে এইচএসসি পাশ করে নার্স হিসেবে কাজ করছেন।
 
পুর্ণিমা, রিনি, ইরিনা, জুলি ও হাজেরা খাতুন নামে যে সব নার্স আছে বলে জানানো হয়, তাদের কোন সনদ নেই। মোঃ আল আমিন নামে এক ব্যক্তি নিজেকে সহকারী ম্যানেজার বলে দাবী করে পরোক্ষনেই জানালেন তিনি কম্পিউটার অপারেটর। সাজ্জাদ হোসেন নামে এক যুবক নিজেকে প্যাথলজিষ্ট হিসেবে দাবী করলেও তিনি ঝিনাইদহ ভোকশনাল থেকে পড়ালেখা করে এখানে কাজ করছেন।
 
আর সর্বক্ষন ডাক্তার হিসেবে যাকে রাখা হয়েছে তিনি একজন মেডিকেল এ্যসিসটেন্ট। তার নাম শামিম হোসেন। বাড়ি হলিধানী ইউনিয়নের বেড়াদী গ্রামে। এ ভাবেই জেলা শহরের উপরে বীরদর্পে পরিচালিত হচ্ছে একজন দায়িত্বশীল স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মালিকানাধীন আল মামুন জেনারেল হাসপাতাল। ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল বাশার ক্লিনিকটির এহেন হালচাল দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
 
এছাড়া ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিস থেকে পাঠানো তালিকাতে ক্লিনিকটির নাম নেই। সিভিল সার্জন অফিসের স্টোনো নজরুল ইসলাম জানালেন ভুলক্রমে নাম তালিকায় ওঠেনি। হাসপাতালটি লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করেছে কিনা সে তথ্যও নেই সিভিল সার্জন অফিসে। হাসপাতালটির মালিক ডঃ রাশেদ আল মামুন পরিদর্শনের খবরে মুঠোফোনে এ প্রতিনিধিকে জানান, তার শ্বাশুড়ি মারা যাওয়ার কারণে বেশ কয়েকদিন ক্লিনিকে আসতে পারেন নি। এ কারণে একটু অগোছালো রয়েছে। তিনি জানান সর্বক্ষন ডাক্তার হিসেবে একজন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট রয়েছে।
 
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম জানান, আপনারা পরিদর্শনে যেটা পাবেন সেটাই আদালতকে রিপোর্ট আকারে জানাবেন। এর বাইরে তিনি মন্তব্য করেন নি। উল্লেখ্য বিভিন্ন পত্রিকায় ঝিনাইদহ জেলার ক্লিনিক ও প্যাথলজি নিয়ে খবর প্রকাশিত হলে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক বৈজয়ন্ত বিশ্বাস স্বপ্রণোদিত হয়ে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০(১) ধারার বিধান মতে আমলে নিয়ে গত ২৬ নভেম্বর একটি আদশে দেন। আদশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে ঝিনাইদহ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক সোমবার তৃতীয় দিনের মতো গনমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল বাশার আল মামুন জেনারেল হাসপাতাল, শামীমা ক্লিনিক, ডিজিপ্যাথ, তাছলীমা ক্লিনিক ও আপন প্যাথলজি সরেজমিন পরিদর্শন করে নানা অসঙ্গতি পান।

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী কমান্ডো মুভির বয়কট চাই

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী কমান্ডো মুভির বয়কট চাই

আল্লাহকে নিয়ে কুটুক্তি করা.নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর অবমাননা.ইসলামের অবমাননায়. আমাদের নীরবতা আমাদের কল্যাণ বয়ে আনবে না, আমাদেরকে জাগ্রত হতে হবে।

৯৫ ভাগ মুসলিম দেশ হলো বাংলাদেশ। পৃথিবীর মানচিত্রে দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ.এই দেশে ইসলামের অবমাননা কোন সাহসে করে তথাকথিত ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা।

বিশ্বের দরবারে মুসলমানদের সন্ত্রাসী,জঙ্গি হিসেবে তুলে ধরার অপচেস্টা হিসেবে আলেমদের মতো দাড়ি টুপিওয়ালা সাজিয়ে।তাদের জঙ্গি,সন্ত্রাসী হিসেবে 'কমান্ডো' মুভিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।যেটা বরাবর হলিউড.বলিউডের সিনেমায় করে আসছে মুসলিম বিদ্বেষী দেশগুলো।

কিন্তু বাংলাদেশের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে মুসলিম বিদ্বেষী সিনেমা।এটা আমরা ৯৫%ভাগ মুসলিমরা কিভাবে নিচ্ছি? এই সিনেমা সারা বিশ্বের যারাই দেখবে, সবাই বলবে মুভিটি যেহেতু মুসলিম দেশ থেকেই নির্মিত।সেহেতু এটা আসলেই সত্যি। মুসলিমদের নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি হবে.মুসলিম ভীতি তৈরি হবে।যেটা আমাদের মুসলিমদের এই প্রজন্ম ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য চরম হুমকি।

মুক্তি পাওয়া 'কমান্ডো' সিনেমায় সারা দুনিয়াব্যাপী ইসলাম নিয়ে যে বহু পর্যায়ের ষড়যন্ত্র চলছে এই সিনেমা তারই অংশ।সিনেমাটিতে দেখানো হবে কালেমা খচিত পতাকা।পতাকার নীচের অংশ থাকবে Ak-47 এর সিম্বল।পতাকার পেছন থেকে বেরিয়ে আসবে কথিত সন্ত্রাসীরা। দেখি যাবে কথিত সন্ত্রাসীরা সুন্নাতি পোষাক পড়ে 'নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার' স্লোগান দিচ্ছে।

কালেমাধারীদের পরাজিত করার জন্য নায়ক দেব যুদ্ধ করে যাবে এই সিনেমাতে।এই মুভিতে দেখাবে ইসলামি জঙ্গিবাদ দমনে নায়ক দেব এসে হাজির হয়েছে।আর জঙ্গিদের সিম্বল হিসেবে কালিমা খচিত পতাকা ব্যবহার করা হয়েছে।এখানে সুস্পষ্টভাবে ইসলামকে ডিমোনাইজ করা হচ্ছে।ভিলেন বানিয়েছে ইসলামকে।যা ইচ্ছাকৃত ইসলাম বিদ্বেষ।

''আমাদের প্রশ্ন হলো বাংলাদেশি পরিচালক কুখ্যাত কুলাঙ্গার শামীম আহমেদ রনি এই স্পর্ধা কোথায় পেলো''

আমি অনেক আগেই বলেছিলাম সন্ত্রাসী জঙ্গীবাদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।প্রকৃত মুসলিম জঙ্গীতো দূরের কথা ত্রাশের পক্ষেও থাকতে পারেনা। কিন্তু কালেমার পতাকাকে জঙ্গীর ট্যাগ লাগিয়ে কারো হাতে ঈমানদাররা তুলেও দিতে পারেনা।
 
রিসেন্ট ঘটে যাওয়া নিউজিল্যান্ডের সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে ক্রুশবিদ্ধকরণ মুভি  বানিয়ে,খৃষ্টান সম্প্রদায়কে দায়ী করে, দেব ও শোয়ার্জনেগার কে নায়ক বানান।
 
আরেকটা বানান লাখ লাখ মুসলিমকে রাখাইন ও পার্শ্ববর্তী দেশের উগ্রবাদীদের দারা হত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও বাড়িঘর জালিয়ে দেয়া নিয়ে। সেগুলি এত নিকটে ঘটলেও চোখে পড়লনা কেনো।ভন্ডামী সব ইসলাম আর সুন্নাতি পোষাক নিয়ে তাইনা।

পরিচালক কুখ্যাত কুলাঙ্গার শামীম আহমেদ রনি আপনি আপনার সিনেমা কে উচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার জন্য যা খুশি করেন কিন্তু ইসলাম ধর্মকে অপমান করে কিংবা কোন ধর্ম কে অপমান করে।মুসলমানদের আঘাত করে।কিংবা কোন ধর্মের মানুষদের আঘাত করে আপনি সিনেমা করার দুঃসাহস করবেন না।

কারণ, আপনি ইসলাম ধর্ম কে আঘাত করে.কিংবা কোন ধর্মকে আঘাত করে সিনেমা তৈরি করতে চাইলে. আপনার বিরুদ্ধে তখনই ধর্ম প্রাণ মানুষ গুলো সোচ্চার হয়ে উঠবে।

(১)
ঘুমন্ত মুসলিম জাগো
ঘুম এবার ভাঙ্গ.
লেমার ঝান্ডা হাতে নাও
পাক কালাম বুকে নাও।

জালিমের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠো
ইসলাম ধর্ম রক্ষা করো।
শকুনের দল ওত পেতে আছে
ঘুমন্ত মুসলিম কে টার্গেট করে।

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করলাম। আল্লাহ এই কাফের,জালিমদের হেদায়াত দান কর. আর যদি তাদের নসিবে হেদায়াত না থাকে। তুমি তাদেরকে ধ্বংস করে দাও। (আমিন)

আকরাম হোসাইন
'ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-দৈনিক খবরের ডাকঘর পত্রিকা', 'মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি-দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ পত্রিকা', 'প্রতিনিধি-দৈনিক ইতি কথা পত্রিকা'

বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন

বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন

মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃবগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রিয়াদের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন করা করা হয়েছে।

সোমবার শহরের কালিতলা হাট উন্মুক্ত মঞ্চে শতাধিক গরীব ও অসহায় মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন করেন প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বগুড়া জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ বগুড়া জেলা কমিটির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাশরাফি হিরো, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শেখ শামিম।

সাবেক ছাত্রনেতা আহসান হাবিব লেমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক কমিশনার এস.আই আমিনুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহেদুজ্জামান বাদল,জিন্না খাঁন, আইভি আক্তার নুপুর, জিয়াউর রহমান মানিক প্রমূখ। বিতরনের পূর্বে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগনের সরকার।

মানুষের কল্যানের জন্য এবং দেশের উন্নয়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে আজ বাস্তবে রুপ দিয়েছেন। তিনি সারা বিশে^র উন্নয়নের মডেল স্বরুপ। উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে আগামী বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা মার্কা প্রার্থীকে জয়যুক্ত করার আহবান জানান।

কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়

কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. কাজিউল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১৯,৭৭৩। তিনি ১৪,৩০৫ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়ৈছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম বেবু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫,৪৬৮ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি'র বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আবু বকর সিদ্দিক নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫,২৯৩ ভোট। এছাড়াও বাংলাদেশ ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল মজিদ হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪,০৫৮ ভোট। এদিকে আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত প্রার্থী মো. সাইদুল হাসান দুলাল জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১,৮৩৭ ভোট।

জেলা নির্বাচন ও রিটার্ণিং অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম রাকিব নির্বাচনের ফলাফলের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তুচ্ছ দু'একটি ঘটনা ছাড়া আনন্দমুখর পরিবেশে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। কোন ধরণের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও ভোট জালিয়াতির কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এবারের কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ৫জন, ৮টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ৩৯জন এবং ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর ১৩জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ পৌরসভার ২৪টি কেন্দ্র ও ১৭৩টি কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি এবং সাধারণ ৭টি। কুড়িগ্রাম পৌরসভায় মোট ভোটার ৫৬ হাজার ৩৯৫ জন তম্মধ্যে নারী ভোটার ২৯ হাজার ৪৮জন আর পুরুষ ভোটার ২৭ হাজার ৩৪৭জন। এই প্রথমবারের মত ইভিএম পদ্ধতিতে পৌরসভার এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 
কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে কেন্দ্রগুলোতে ৭জন পুলিশসহ ১৭জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ৩প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ৩টি টিম ও পুলিশের ২টি টিম সহযোগিতা করে। নির্বাচনে একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, প্রতিটি ওয়ার্ডে ১জন করে ম্যাজিস্ট্রেট ও ৮টি মোবাইল টিম দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও সাদা পোষাকে ৭সদস্য করে ৩টি টিম কাজ করে।

হুইপ শামসুল হক চৌধুরী রোগমুক্তি কামনায় দিদারুল আলম এর দোয়া

হুইপ শামসুল হক চৌধুরী রোগমুক্তি কামনায় দিদারুল আলম এর দোয়া


সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
জাতীয় সংসদের  হুইপ ও পটিয়া আসনের বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব  শামসুল হক চৌধুরীন ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য এমপি'র ছোট ভাই মহিবুল হক চৌধুরী নবাব
করোনা পজিটিভ। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরের বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। আপনারা সবাই তার করোনামুক্তির জন্য দোয়া করবেন। গত ২০ শে ডিসেম্বর বন্দর উপদেস্টা কমিটির সভায় অংশগ্রহনের পরে তিনি শারীরিক অসুস্থতা বোধ করতে থাকেন। ২৩ ডিসেম্বর রাতে করোনা পরিক্ষা করলে তার পজিটিভ আসে। করোনার মধ্যে যে কয়েকজন জনপ্রতিনিধি সার্বক্ষনিক জনগনের সেবায় মাঠে ছিলেন তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম। পটিয়ায় তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় ৬৫০০০ মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন, পটিয়া হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন ও আলাদা করোনা ওয়ার্ড স্থাপন করেন। এছাড়াও সংসদের অধিবেশন ও রাজনৈতিক কর্মসূচীতেও নিয়মিত অংশগ্রহন করেছেন। এদিকে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও পটিয়া পৌরসভা মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির সাবেক সাবেক পটিয়া পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আসন্ন জঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের সন্ভাব্য  চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ দিদারুল আলম ২৭ ডিসেম্বর রবিবার  সন্ধায় নাইখাইন  হযরত মোহছেন আউলিয়ার মাজারে শামসুল হক চৌধুরী এমপি'র ও মজিবুল হক চৌধুরী নবাব এর রোগমুক্তি কামনায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।এতে এলাকার শত শত মানুষ দোয়া মাহফিলে অংশ গ্রহণ করে জাতীয় সংসদের হুইপ পটিয়া এমপি'র ও মহিবুল হক চৌধুরী নবাব এর  সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনজাত করা হয়। আল্লাহ কাছে ফরিয়াদ করেন পটিয়ার গণমানুষের নেতা সুস্থ হয়ে জনগণের মাঝে ফিরে আসুক আমিন।