গাংনীর এসএম প্লাজায় হামলার ঘটনায় ৩ আসামি জেল হাজতে

গাংনীর এসএম প্লাজায় হামলার ঘটনায় ৩ আসামি জেল হাজতে

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি:মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা শহরের এসএম প্লাজায় গাংনী বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মানিক ও তার ছেলেসহ ৩ জনের উপর নৃশংসতার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ৩জন আসামীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।সােমবার মেহেরপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট (প্রথম) আদালত তাদের জামিন আবেদন না মঞ্ছুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, গত ২৯ মে দুপুরে ব্যবসায়ি হেলাল ও তার লোকজন এক দোকান কর্মচারীকে নির্যাতন করলে, বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মানিক প্রতিবাদ করেন। এতে রাগান্বিত হয়ে ব্যবসায়ি হেলাল ও তার ভাই বেলাল এবং ভাতিজা সাবরি ধারালো চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে মানিককে। এসময় মানিককে বাঁচাতে এসে আহত হন মানিকের ছেলে সোহান ও ব্যবসায়ি স্বপন । এসএম প্লাজার অন্যান্য ব্যবসায়িরা জোটবদ্ধ ভাবে এগিয়ে আসলে,হেলাল ও তার ভাই বেলাল এবং ভাতিজা সাবরি পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় গাংনী থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। যার নম্বর জিআর- ১২০/২১। আসামীরা আদালতে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং সােমবার আদালতে জামিন নিতে আসলে, মেহেরপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট(প্রথম) আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তরিকুল ইসলাম আসামীদেরকে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠান।

এদিকে আসামীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। একজন ব্যবসায়ি হয়ে অপর ব্যবসায়ির উপর হামলা ও পাল্টা মামলা করায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন আসামীরা। এসএম প্লাজার ব্যবসায়ি এনামুল হক জানান, ঘটনার দিন আহতদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করা ও চিকিৎসায় সহযোগিতা করায় এনামুলসহ কয়েকজনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে হেলাল। ঘটনার দিন আহতদের নিয়েই ব্যস্ত ছিল সবাই। কেউ হামলা করেনি। এমনকি ফেসবুক লাইভে এসেও কোন হামলার কথা বলেননি আসামীরা। কোন আঘাতের চিহ্নও দেখতে পাননি দর্শকরা। হেলালদের এ মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

মেহেরপুরে মাদক সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তির কারাদণ্ড

মেহেরপুরে মাদক সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তির কারাদণ্ড

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি: হেরোইন সেবনের দায়ে আশরাফ আলী ও অজয় কুমার দাস নামের দুই ব্যক্তিকে তিন মাসের কারাদণ্ড ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।  বুধবার দুপুরের দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আশরাফ আলী ও অজয় কুমার দাস কে এই সাজা দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত আশরাফ আলী মেহেরপুর শহরের কেশব পাড়ার আব্দুল আজিজের ছেলে এবং অজয় কুমার দাস একই এলাকার মদন দাসের ছেলে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়ানুর রহমান এ আদেশ দেন।  এর আগে মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মেহেরপুর শহরের ক্যাসব পাড়ায় অভিযান চালিয়ে ওই দুই মাদকসেবীকে হেরোইনসহ গ্রেফতার করেন।মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল অভিযান পরিচালনা করেন।  পরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৯ এর ১ (গ) ধারা ভঙ্গ করা অপরাধে একই আইনের ৩৬ ধারায় দু'জনকেই ৩ মাস করে কারাদন্ড, এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল মান্নান এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ সদস্য মহিতুর রহমান

আশাশুনিতে রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ সদস্য মহিতুর রহমান

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা   প্রতিনিধি : আশাশুনিতে ইটের রাস্তা,ড্রেন সহ স্লাব নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মহিতুর রহমান। বুধবার সকালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে তিনি এ কাজের উদ্বোধন করেন।আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সম্মুখ হতে নজরুল ইসলাম ও মহব্বত হাওলাদার এর বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা পাকা করন, ড্রেন ও স্লাব নির্মান কাজ সম্পন্ন করা হবে। এ রাস্তা, ড্রেন স্লাব নির্মাণের ফলে বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং  স্কুলগামী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আর পানিতে ভিজে স্কুলে স্কুলে যেতে হবে না। রাস্তা নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেন ও স্লাব এর ব্যবস্থা করে জলাবদ্ধতা নিরসন করায় এলাকার মানুষ জেলা পরিষদ সদস্য মহিতুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন

নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে  বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কোভিড-১৯ করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পুরণ করেছেন, তাদেরকে শর্ত সাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন দিয়ে ক্লাশ করার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। ২০২০ সালে  অনার্স ১ম  বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের  জন্য ফরমপূরণ করেছেন সর্বমোট  ৪  লাখ  ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন, অনিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার ৫০ জন। আর মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২য় বর্ষে প্রমোশন পাবেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী। প্রমোশন পাওয়ার শর্তসমূহের মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই ১ম  বর্ষের  লিখিত  পরীক্ষায়  অংশগ্রহণ  করতে  হবে।  কেউ  যদি  এই  পরীক্ষায়  অংশ  না  নেয় বা  পরীক্ষায়  অংশ  নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড’ হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেওয়া প্রমোশন বাতিল বলে গণ্য হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.ac.bd তে পাওয়া যাবে।

উলিপুরে এক সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

উলিপুরে এক সন্তানের জননীর আত্মহত্যা


কুড়িগ্রাম  প্রতিনিধিঃ  কুড়িগ্রামের উলিপুরের পান্ডুল ইউনিয়নের বাবুপাড়া গ্রামে এক সন্তানের জননীর গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যার খবর পওয়া গেছে।  এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে ও স্বামী মুমিনুল ইসলামের সাথে অভিমান করে গৃহবধূ সুমা আক্তার(২৯) গলায় ওড়না পেচিয়ে গত বুধবার ১৬ জুন গভীর রাতে শয়ন ঘরের ধরনার সাথে  ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করে।তার স্বামীর আরও এক স্ত্রী আছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।  উলিপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা রহুল আমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।এঘটনায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোরে করোনা সনাক্ত ১৬৫ মোট ৮৭৪৭জন

যশোরে করোনা সনাক্ত ১৬৫ মোট ৮৭৪৭জন

সুমন হোসেন,  যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরে বুধবার নতুন করে আরও ১৬৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে চার জনের। মৃতরা হলো, বাঘারপাড়া উপজেলার জহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব তুহিন (৪০), মণিরামপুর উপজেলার রাজগজ্ঞের শাহাব উদ্দীন (৬২), ঝিকরগাছা নাভারণের আসাদুর রহমান (৫০), চৌগাছা উপজেলার বড় খানপুর গ্রামের আমিল মল্লিক (৫০)। নতুন আক্রান্ত ১৬৫ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ১৬৫ জন। এছাড়া, কেশবপুরে ৪, ঝিকরগাছায় ১১, অভয়নগরের ২০ ও মণিরামপুরের ১ জন করে রয়েছে। সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানান, মোট মৃত্যু হয়েছে ৯৬ জনের সুস্থ হয়েছেন ৬৭২০ জন।

পোরশায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

পোরশায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

রাকিবুল, পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর পোরশায় থানা পুলিশের অভিযানে মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নামের এক সিআর ০৭/২১(সাজা) আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে অফিসার ইনচার্জ শফিউল আযম খান এর নেতৃত্বে এএসআই সিরাজুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আব্দুর রাজ্জাক পোরশা পুরইল গ্রামের মোঃ লুৎফর রহমানের ছেলে বলে জানা গেছে।

নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে ভায়া টেষ্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

 নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে ভায়া  টেষ্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

মোঃ ফিরোজ হোসাইন, রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে ভায়া টেষ্ট (জরায়ু মুখ ও স্তন ক্যান্সার) পরীক্ষার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. রোকসানা হ্যাপির সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর উদ্বোধন করা হয়। ফিতাকেটে এর উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবাদুর রহমান প্রামানিক, ইউএনও ইকতেখারুল ইসলাম। 
এসময় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, আ'লীগ সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ দত্ত দুলাল, সম্পাদক আক্কাছ আলী, যুগ্ম সম্পাদক নাহিদ ইসলাম বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বি জুয়েল, আত্রাই প্রেসক্লাব সভাপতি রুহুল আমীন, আরএমও ডা. আরিফ হাসান, ডা. জাকারিয়া হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. রোকসানা হ্যাপি সাংবাদিকদের জানান, সরকারী ছুটির দিন বাদে সব দিন এ পরীক্ষা চলবে। ৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সী মেয়েরা এবং যে সকল মেয়ের বিয়ের বয়স ১০ বছর হয়েছে তারাও পরীক্ষা করাতে পারবেন । পরীক্ষা করাতে রোগীকে জাতীয় পরিচয় পত্র সাথে আনতে হবে। বল্য বিয়ের কারনে এ রোগের সংখ্যা বাড়ছে বলে ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের বিয়ে না দিতে অভিভাবকদের আহবার জানান তিনি।

শৈলকুপায় স্কুল ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির অভিযোগের জেরে শহরে উত্তেজনা, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

শৈলকুপায় স্কুল ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির অভিযোগের জেরে শহরে উত্তেজনা, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

নিজস্ব সংবাদদাতা শৈলকুপা( ঝিনাইদহ)শৈলকুপায় দর্জির দোকানে আটকে রেখে স্কুল ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির অভিযোগের জেরে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে সেইসাথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
  জানা গেছে, মঙ্গলবার  বিকাল ৫টার দিকে  উপজেলার সাতগাছি গ্রামের বিপ্লব খানের  মেয়ে  দশম শ্রেণীর ছাত্রী সাবিয়া খাতুন ঢাকায় থাকা তার বড় বোনের নিকট বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর জন্য শৈলকুপা শহরে যায়।এরপর তার এক বন্ধুর কথামত শৈলকুপা চৌরাস্তা মোড়ে পাইলট হাই স্কুল মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় সোহেল নামের এক দর্জির দোকানে বসে। দোকান মালিক দর্জি সোহেল তাকে বসতে দিয়ে কিছু সময়ের জন্য বাহিরে যায় এবং ফিরে এসে বলে তার ক্যাশবাক্স থেকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা চুরি  হয়েছে। চুরির অপবাদ দিয়ে সাবিয়া খাতুন  কে আটক করে এবং জিহাদ নামের এক ব্যাক্তিকে  ডেকে এনে তাকে মারধরসহ শাররিক ভাবে লাাঞ্চিত করে। এব্যাপারে সাবিয়ার পিতা বিপ্লব খান জানান , মেয়েকে আসতে বিলম্ব হওয়ায়  তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে অজ্ঞাতনামা এক ব্যাক্তি সাবিয়ার ফোন রিচিভ করে বলে আপনার মেয়েকে নিয়ে যান। পরে মেয়েকে আনতে গেলে  সোহেল ও জিহাদ তার দোকনের  ক্যাশবাক্স থেকে সাবিয়া টাকা চুরি করেছে বলে দাবি করে। এই ঘটনা কে কেন্দ্র  করে উভয়ের মধ্যে বাক বিতন্ডা হলে  তারা আটক স্কুল ছাত্রী  সাবিয়া খাতুন কে ছেড়ে দেয়। এদিকে সাবিয়া খাতুন  এ প্রতিনিধি কে  জানান, আমি দর্জি সোহেলের দোকানে গেলে  আমাকে বসতে দিয়ে  বলে  আামি আসছি, কিছু সময় পর জিহাদ নামের এক ব্যাক্তির সাথে এসে বলে আমার ক্যাশবাক্স  থেকে তুমি  সাত হাজার ৫০০ টাকা চুরি করেছো। তখন  আমি এই মিথ্যা  অপবাদের প্রতিবাদ করলে  জিহাদ নামের এক ব্যাক্তি এসে আমাকে  মারধরসহ শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করে  এবং আমার মোবাইল ফোন  ছিনিয়ে নেয়। তার কিছু সময় পর আমার পিতা এসে আমাকে উদ্ধার করে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। এব্যাপারে সোহেল দর্জিকে বার বার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যাইনি। 
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মোঃ জাহাঙ্গির আলম  জানান, আমার কাছে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি , লিখিত অভিযোগ আসলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিব। অপর দিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  শৈলকুপা শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পোরশা টু মহাদেবপুর রাস্তার বেহাল অবস্থা

পোরশা টু মহাদেবপুর রাস্তার বেহাল অবস্থা

রাকিবুল  পোরশা( নওগাঁ)চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন এটা কোনো সিটি না  এইটা আমাদের নওগাঁ জেলার পোরশা টু মহাদেবপুর থানার একমাত্র যোগাযোগ বহুল রাস্তা। সামান্য বৃষ্টি হলেই তৈরী হয় মরন ফাঁদ।  এখন বর্ষাকাল এই মৌসুমে রাস্তার বেহাল অবস্থা তৈরী হয়েছে। মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। পোরশা থানার যোগাযোগ স্থূল একমাত্র রাস্তার   এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এই বছর খুব ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তৈরী হচ্ছে জানযট। 
উল্লেখযোগ্য এইটা গনপ্রজাতন্তী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী জনাব বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এম পি মহাদয় এর নির্বাচনী এলাকা ।যোগাযোগ প্রবন রাস্তার এমন পরিস্থিতিতে মানুষের যাতায়াতের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। 
এই নিয়ে কতৃপক্ষের কোনো ভূমিকা নেই। 
রাস্তার যথাযথ কার্যক্রম করা হক দাবি ।

বামুন্দি সাব-জোনাল অফিসের পল্লিবিদ্যুৎ ব্যাবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়ম!

বামুন্দি সাব-জোনাল অফিসের পল্লিবিদ্যুৎ ব্যাবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়ম!

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বার বার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশকে শতভাগ বিদুৎ ব্যাবস্থার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে,কারন দেশ ডিজিটাল করতে হলে দেশে বিদ্যুৎ ব্যাবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে তানাহলে সকল সেবা দেশের জনগনের মাঝে পৌছানো সম্ভব হবেনা। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মানুষেরা ইতিপূর্বে বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা নিয়ে সন্তোস প্রকাশ করলেও অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন গ্রাহকেরা।

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা নিয়ে মানুষের ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া গেছে, তবে এ অভিযোগ দেওয়ার পরেও কোনো সমাধান পায়নি তারা।বিশেষ করে বামুন্দি সাব জোনাল অফিসের আন্ডারে বেতবাড়ীয়া,ভবানিপুর,পীরতলা সহ এই এলাকার মানুষের বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা নিয়ে বেশি ভুগছে তবে পল্লিবিদ্যুৎ এর সাথে জড়িত কাউকে কিছু বলতে পারছেন না,কারন বিভিন্ন সময় পল্লিবিদ্যুৎ এর লাইনম্যানদের সাথে কথা কাটাকাটি করায় জরিমানা দিতে বাধ্য হয়েছেন অনেক গ্রাহক। 

বেতবাড়ীয়া গ্রামের মৃত নুরেল মোল্লার ছেলে মুদি দোকানদার আসাদুল ইসলাম জানান, আমার বিল বকেয়া থাকার কারনে আমার লাইন বিছিন্ন করতে আসলে আমি তাদের বিভিন্ন ভাবে অনুরোধ করি বলি আমি গরীব মানুষ আমার লাইনটা দয়া করে বিছিন্ন করবেননা। আমি কালকের ভিতরে বিল পরিশোধ করে দিব কিন্তু তারা আমার কথা না শুনেই লাইন বিছিন্ন করে দেয়। আমি পরের দিন বিল পরিশোধ করতে গিয়ে দেখি আমার ২৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে,পরে জানতে পারি আমার উপর খুব্ধ হয়ে অন্যায়ভাবে এই জরিমানা করা হয়।

গ্রাহকদের অভিযোগ পবিত্র রমজান মাসে ইফতার ও সাহরির সময় বিদ্যুৎ থাকতো না পল্লিবিদুৎ অফিসে কল দিলে তারা বলতো লোডশেডিং চলছে,বিশেষ করে মেঘ বা একটু বাতাশ হলেই বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয় ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও বিদ্যুৎ লাইন পাইনা,তখন অফিসে কল দিলে তারা বলে লাইনের কাজ চলছে,তাছাড়া বিভিন্ন সময় কল দিলে তারা রিসিভ করেনা,তুষার আহমেদ নামের এক গ্রাহক জানান,অন্য জেলার মানুষেরা আমাদের বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা নিয়ে হাসিঠাট্টা করে। 

একজন গ্রাহক জানান আজকে ১৫ জুন পল্লিবিদুৎ এর কিছু লোকজন এসে বলেন যারা কৃষি বাংকে বিদ্যুৎ বিল দিয়েছেন তাদের লাইন বিছিন্ন করে দেওয়া হবে কিন্তু ঐ গ্রাহক জানতে চান কেন লাইন কেটে দিবেন বিস্তারিত না বলেই স্তান ত্যাগ করে চলে যান তারা।

পাশের জেলা কুষ্টিয়ার দৌলাতপুর উপজেলার বিদুৎ ব্যাবস্থা নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা করেন বেতবাড়ীয়া গ্রামের অনেক গ্রাহক,তারা বলেন আমাদের এখানে একটু বাতাশ বা মেঘ হলে বিদ্যুৎ থাকেনা তখন আমাদের জরুরি প্রয়োজনে গোয়ালগ্রাম বাজারে গিয়ে কাজ করি,ঐ গ্রাহক বলেন আমাদের বেতবাড়ীয়াতে ঝড় হলে পাশের গ্রাম নাটনাপাড়া ও গোয়ালগ্রামেও ঝড় হয়,কিন্তু দেখা যাবে আমাদের এখানে বিদ্যুৎ নাই কিন্তু গোয়ালগ্রামে ঝড় শেষ হলেই বিদ্যুৎ চলে আসে,কারন এরা দ্রুত লাইনের কাজ করতে চাইনা।

একদিকে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকার কারনে ছাত্ররা অল্প খরচে অনলাইন ক্লাস করার জন্য ওয়াইফাই ব্যাবহার করে কিন্তু কোন মাইকিং বা অবগত না করে লাইন বন্ধ রাখার কারনে গরিব ছাত্ররা ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। কিছুদিন আগে এক গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল আসার কারন জানতে স্তানীয় কয়েকজন সাংবাদিক তাদের অফিসে গেলে লাইভ করতে নিষেধ করেন এখন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি এজিএম। 

উল্লেখ গতকাল ১৫ই জুন দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল,আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিদ্যুৎ আসছে আর যাচ্ছে তবে বেলা বারোটার দিকে আকাশে মেঘ দেখা দিলে আবারো বিদুৎ বন্ধ করে দেয়,অকারনে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়ার কারন জানতে এক গ্রাহক অফিসে কল দিলে তারা বলে লাইনে গাছ কাটার কাজ চলছে তাই বলে ফোন কেটে দেন বিস্তারিত জানতে হলে স্যারকে কল দিন। 


এ বিষয়ে জানতে আবারো অফিসের নাম্বারে কল দিলে জয়নাল নামের এক পল্লিবিদুৎ এর স্টাফ মেজাজ দেখিয়ে ফোন কেটে দেয়। তবে এ বিষয়ে বামুনি সাব-জোনাল অফিসের এজিএম কম জানান আজ ও কালকে লাইনে কাজ চলার কারনে লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে, মাইকিং বা গ্রাহককে অবগত না করে লাইন বন্ধ করার বিধান আছে কি? এ প্রশ্নের সৎ দিতে পারেনি এজিএম কম, এবং কৃষি বাংকে যারা বিল দিয়েছে তাদের লাইন কেন কেটে দেয়া হবে এ প্রসঙ্গে এজিএম কম বলেন এটা বলার কোনো সুযোগ নাই বিষয়টা ক্ষতিয়ে দেখছি।

হীরার খোঁজে গ্রাম খুড়ে একাকার!

হীরার খোঁজে গ্রাম খুড়ে একাকার!
ছবি' ইন্টারনেট 

আন্তার্জাতিক ডেস্ক' সম্পদের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। তবে এ জন্য হাজারখানেক মানুষ মিলে একটা গ্রাম পুরো খুঁড়ে একাকার করে দেওয়ার ঘটনা সম্ভবত এবারই প্রথম ঘটল। কেউ হয়তো যুক্তি দেখাতে পারেন, কৃষিকাজের জন্য জমিতে তো খোঁড়াখুঁড়ি, লাঙল দেওয়াই হয়। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার ওই গ্রামের খোঁড়াখুঁড়ির সঙ্গে কৃষিকাজের কোনো যোগসূত্র নেই। অজ্ঞাত এক পাথরের কারণে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে ওই গ্রামের মানুষ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, ঘটনাটি দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু–নাটাল প্রদেশের কোয়াহ্লাথি গ্রামের। গত শনিবার থেকে ওই গ্রামে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে স্থানীয় লোকজন। দেশের অন্যান্য এলাকা থেকেও অনেকে ছুটে গেছে সেখানে। গত সোমবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত খোঁড়াখুঁড়ি চলছিল।

ঘটনার শুরু এক পশুপালকের একটি পাথর খুঁজে পাওয়ার মধ্য দিয়ে। পশু চরাতে গিয়ে একটি খোলা মাঠে মাটি খুঁড়ে তিনি ওই পাথর পান। পাথরটি আসলে কী, তা শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে স্থানীয় লোকজন এটাকে হীরা বলে ধরে নিয়েছে। এরপর খবর ছড়িয়ে পড়ে, কোয়াহ্লাথি গ্রামে মাটির নিচে হিরা রয়েছে। আর তারপরই দলে দলে মানুষ ওই গ্রামে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে।

২৭ বছর বয়সী স্থানীয় এক তরুণ বলেন, খোঁড়াখুঁড়ি করে তিনি বেশ কয়েকটি পাথর পেয়েছেন, যদিও সেগুলো আকারে ছোট। তিনি বলেন, 'পাথরগুলো আমাদের জীবন বদলে দেবে। কারণ, আমি যে কাজ করি, তা সম্মানজনক নয়। পাথরগুলো নিয়ে যখন বাড়ি ফিরলাম, সবাই আনন্দে নেচে উঠেছিল।'

এদিকে গ্রামজুড়ে ওই খোঁড়াখুঁড়ির খবর সরকারের কাছেও চলে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার খনিজ সম্পদ দপ্তর সোমবার বলেছে, তারা ওই গ্রামে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে। এই দল নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে জানাবে, পাথরগুলো আসলে কী।

তবে খনিজ সম্পদ দপ্তরের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বসে নেই স্থানীয় লোকজন। তারা এরই মধ্যে পাথরগুলো আকারভেদে ১০০ র‍্যান্ড (৭ দশমিক ২৯ মার্কিন ডলার) থেকে ৩০০ র‍্যান্ড দরে বিক্রি শুরু করে দিয়েছে।
এদিকে কর্তৃপক্ষকে যথাযথ অনুসন্ধানের সুযোগ দিতে খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ করে সবাইকে সরে যেতে বলেছে প্রাদেশিক সরকার। সরকারের আশঙ্কা, এভাবে হাজারো মানুষ একসঙ্গে জড়ো হওয়ার কারণে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে কর্তৃপক্ষের কোনো কথাই কানে তুলছে না কেউ।

গ্রীষ্মকালীন ফল কালো জাম কেন খাবেন

গ্রীষ্মকালীন ফল কালো জাম কেন খাবেন
ছবিঃ ইন্টারনেট

মোঃ ফিরোজ হোসাইন, রাজশাহী ব্যুরোঃ গ্রীষ্মকালীন ফল কালো জাম। পুরো বর্ষা জুড়েই বাজারে পাওয়া যায় এই ফলটি। এতে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। পুষ্টি উপদান হিসেবে জামে রয়েছে শর্করার পরিমাণ ১৫ দশমিক ৫৬ গ্রাম, পটাশিয়াম ৭৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেশিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম ও সোডিয়াম ১৪ গ্রাম।এ ছাড়াও জাম বিভিন্ন রোগপ্রতিরোধ করে থাকে। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক-এই ফল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

* জামে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন 'সি' থাকায় জ্বর, সর্দি ও কাশি দূর হয়।
* দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতে জাম খেতে পারেন। জাম দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
* জামে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিনগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
* এতে থাকা গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
* জামের ভিটামিন 'এ' চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
* ক্যানসারের জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে সহায়তা করে জাম। মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
* নিয়মিত জাম খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
* রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে জাম সহায়ক।
* জামে ডায়াটরি ফাইবার রয়েছে। তাই এটি কোষ্ঠকাঠিন্যে বেশ উপকারী।

মথুরাপুর মাঃ বিঃ এর প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মরিয়া একটি অসাধু চক্র

মথুরাপুর মাঃ বিঃ এর প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদের  বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মরিয়া একটি অসাধু চক্র

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি //চঞ্চল হোসাইন 
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে গড়ে উঠা খাস মথুরাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় অনেক ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। প্রতিস্ঠানটিতে সুনামের সহিত শিক্ষা লাভ করে প্রাক্তন অনেক শিক্ষার্থীই এখন দেশের রাজধানী সহ বিদেশেও গৌরবের সহিত কর্মরত রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে কৃতিত্বের সাথে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন জনাব আব্দুর রশিদ। 
তিনি ২০১০ সাল থেকে এপর্যন্ত সততার সাথে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছেই সে একজন আদর্শ শিক্ষক সে যেন শিক্ষার্থীদের কাছে ভালোবাসা ও সুশিক্ষা দেওয়ার এক অফুরন্ত ভান্ডার শিক্ষার্থীদের নয়নের মনি। 
কিন্তু তার এই সততার সাথে কাজ এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে সুশিক্ষা প্রদাণে ঈর্ষান্বিত হয়ে বাধা প্রধান করার জন্যই কতিপয় কিছু অসাধু ব্যাক্তি এবং জামায়াত, বিএনপির আশির্বাদ পুষ্ট কিছু ব্যাক্তি তার বিরুদ্ধে ইদানিং  গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তার অর্জন এবং সবার কাছে সে যে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে তার থেকে তাকে হেয়পতিপন্য করার জন্যই এই ষড়যন্ত্র বলে মনে করেন তিনি। কিছু অসাধু ব্যাক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কিছু গনমাধ্যম কর্মী নিবন্ধন বিহীন এবং ভুইফোড় ফেইসবুক পেজ এবং পত্রিকাতে তার নামে যে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এলাকার সুশীল সমাজ। ২০১০ সাল থেকে এপর্যন্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক ও ভালোবাসার আশ্রয়স্থল এবং সুশিক্ষার এক অফুরন্ত ভান্ডার। 
তাই তার নামে এই মিথ্যা তথ্য এবং সমাজে তাকে হেয়পতিপন্য করায় তার নামে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন তার স্নেহের শিক্ষার্থীরা ও এলাকার সুশীল সমাজ।

মেহেরপুরে সাংবাদিক জনির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

মেহেরপুরে  সাংবাদিক জনির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি: সাংবাদিক মিজানুর রহমান জনির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত চাঁদাবাজির  মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত  মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেন মেহেরপুরের সাংবাদিকরা। 

আজ মঙ্গলবার বিকালে মেহেরপুর রিপোর্টর্স ক্লাবের সামনে এ মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মাহবুবুল হক পোলেন, আতিক স্বপন, কাজিমুল হক আনিক, রাশেদ খাঁন প্রমূখ মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্তইনা বাদীই জানেনা মামলার আসামীদের অপরাধ। অথচ এই মামলায় সাংবাদিক জনির জামিন না হয়ে জেল হাজতে প্রেরণ দুঃখজনক। এই ঘটনার লাইভ ভৈরব নদের পাড়ের কিন্তু ঘটনা ঢাকাচাপা দিতে জেলা প্রসাশক ও জনপ্রসাশন প্রতিমন্ত্রীর আস্থাভাজন প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেকের মত সম্মানিত ব্যক্তিদের নাম ভাঙ্গিয়ে মরাগাং এর নাটক সাজিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে মিলন মেম্বার। তদন্ত হওয়া দরকার কে এই মিলন মেম্বার, এর অবৈধ কর্মকান্ডের পেছনের শক্তি  কারা। সেই সাথে মিজানুর রহমান জনির নামে মিথ্যামামলা প্রত্যাহার সহ নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানায়। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মিনারুল ইসলাম, লিটন মাহমুদ, রাব্বি আহমেদ,সেলিম, প্রিন্স আরিফ, সাইদ, সান, সোহান, সুরুজ, সজল, হিমেল, তানভির আহমেদ,  শরিফ মাহমুদ মামুন, সাঈদ হোসেন।

কাশিয়ানীতে রাস্তার বেহাল দশা দেখার কেউ নেই

কাশিয়ানীতে রাস্তার বেহাল দশা দেখার কেউ নেই

রিয়াদুল ইসলাম মোরশেদ, উপজেলা প্রতিনিধি,কাশিয়ানীঃ কাশিয়ানী উপজেলা অন্তগত ফুকরা  ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড শাফলীডাঙ্গা সরকারি পুকুর পার  হতে  আনুমানিক  ৪০০ থেকে ৫০০ মিটার দক্ষিনে ১১১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিত্য যাওয়ার রাস্তার বেহাল দশা দেখার যেনো কেউ নেই, জায়গায় জায়গায় ইট উঠে গেছে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব স্থানে পানি জমে বিপত্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। হালকা বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাটার পরিস্থিতি থাকেনা প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।  অনেকদিন যাবত রাস্তাটি সংস্কারহীন ভাবে পড়ে আছে এই রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া আশায় ও এলাকাবাসীর যাতায়াতে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে বড় ধরনের বিপদ হতে পারে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। 

রাস্তাটি সংস্কারের জন্য  ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন যাতে করে খুব দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা হয়

বিচারের ক্ষেত্রে ধর তক্তা মার পেরেক এর কোনো সুযোগ নেই

বিচারের ক্ষেত্রে ধর তক্তা মার পেরেক এর কোনো সুযোগ নেই

মানুষের চুড়ান্ত বিচারের একচ্ছত্র ক্ষমতা একমাত্র সৃষ্টিকর্তার, যিনি ওপারে মানুষের প্রতিটা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজের হিসাব নিবেন। আর দুনিয়ায় মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার সেই পরম ক্ষমতার কিছুটা চর্চা করার পবিত্র দ্বায়িত্ব পান বিচারকগণ। তাই বিচারের সময় কতটা সাবধানতা আর বিচক্ষণতা বিচারকগণের অবলম্বন করা উচিত তা বলাই বাহুল্য। বিচারের ক্ষেত্রে "ধর তক্তা মার পেরেক" মানে অযাচিত তাড়াহুড়োর কোন সুযোগ নেই। শতশত বছরে প্রাপ্ত নিগূঢ় অভিজ্ঞতা আর আইনের ক্রমবিকাশের সাথে সময়োপযোগী ভাবনার মিশেলে পরিচালিত হওয়া উচিত যেকোন দেশের বিচার ব্যবস্থা। একজন মানুষকেও যেন অন্যায়ভাবে বিচারের মুখোমুখি না করা হয়, কোন নিরপরাধীকে যেন সাজা শুনতে না হয়, সেটা নিশ্চিত করাই আইন-আদালতের পবিত্র দ্বায়িত্ব। Injustice anywhere is a threat to justice everywhere. কিন্তু কি হচ্ছে মোবাইল কোর্ট নামক আধা-বিচারিক ব্যবস্থায়?

ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে দেশের মানুষের বেশ ভালো ধারণা আছে। সহসাই চোখে পড়ে তাদের কর্মতৎপরতা। একঝাকঁ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সর্বদা প্রস্তুত আছেন অপরাধীদের মুহূর্তের মধ্যে সাজা আর জরিমানা প্রদানের আদেশ দেয়ার জন্য। অপরাধীদের বিচিত্র কৌশল আর তথ্য-প্রযুক্তি উৎকর্ষের এই দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কিছুটা আবেদন যে আছে সেটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে এই চাহিদা জুডিশিয়াল অফিসারগণই মিটাতে পারতেন যদি হাইকোর্টের অধীনে যথাযথ পরিকল্পনা নিয়ে আগানো যেত। পাশ্ববর্তী দেশে এ ধরনের এক্সপেরিমেন্ট সফল হয়েছে।
 
যাই হোক, লেখাটা প্রয়োজনীয়তা কিংবা অপ্রয়োজনীয়তা নিয়ে নয়। সেটা ভিন্ন আলোচনা। আমি সাধারণত পদ্ধতিগত ত্রুটি নিয়ে লিখি, এখানেও কিছু ভয়াবহ পদ্ধতিগত ত্রুটি নিয়েই আলোচনা করবো, আদতে যেটা আইন লংঘন বা অপরাধের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। বলে রাখা ভালো মোবাইল কোর্ট অর্ডিন্যান্স, যেটি ২০০৯ সালে আইনের মর্যাদা পায়, সংবিধানের সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। এটি মাসদার হোসেন মামলার আলোকে পৃথক হওয়া বিচার বিভাগের জন্য ভয়াবহ হুমকি। স্বাধীন বিচার বিভাগের ধারনার সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক হওয়ায় এবং নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ পৃথক হওয়ায় মহামান্য হাইকোর্ট ইতিমধ্যে আইনটিকে অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষনা করেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের এ্যাপিলেট ডিভিশনে আটকে আছে। এই আটকে থাকার সুযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ তাদের অযাচিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে যাচ্ছেন। যাই হোক, এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে গিয়ে তারা বিতর্কিত আইনটির নিজস্ব বিধানও মানছেন না। একে তো মোবাইল কোর্ট আইনটিই বিতর্কিত, সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ আদেশের সময় এই আইনের বিধানও মানছেন না! শুনতে খারাপ লাগে, আইন মানছেন না স্বয়ং ম্যাজিস্ট্রেট! এমনকি পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট একযোগে অপরাধের বিচারের নামে নিজেরাই স্পস্ট অপরাধ করে যাচ্ছেন।
 
মোবাইল কোর্ট আইনের মাধ্যমে অভিযুক্তদের সাজা প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কিছু অত্যাবশকীয় শর্ত পালন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট আইনের ৫, ৬, ৭ ধারায় সেসব পদ্ধতির কথা বলা আছে। যেগুলো যথাযথ ভাবে পূরণ না করলে কোনভাবেই প্রদত্ত আদেশ আইনসিদ্ধ হয় না। সচরাচর যেগুলো তারা মানেন না বা মানতে চান না। অন্যসব বাদ দিলেও কিছু বিষয় না বললেই নয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ কেবল মোবাইল কোর্ট আইনে প্রদত্ত সিডিউলভূক্ত অপরাধগুলোর বিচার করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত। সিডিউলভূক্ত অপরাধের বাইরের কোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার তাদের নেই। কিন্তু হর হামেশাই তারা এই বিধানের তোয়াক্কা না করে তফশীলভূক্ত অপরাধের বাইরেও তাদের লম্বা হাতখানা ঢুকিয়ে দেন। বুঝে, না বুঝে তারা দেশের বিচার ব্যবস্থায় বিতর্ক সৃষ্টি করে চলেছেন। মহামান্য হাইকোর্ট বারবার তাদের এখতিয়ার বিহীন কার্যক্রমের লাগাম টেনে ধরতে নানান ধরনের নির্দেশনা প্রদান করলেও কিছুতেই তারা থামছেন না।
 
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যাকে সাজা দিতে চাচ্ছেন তাকে অবশ্যই নিজের দোষ স্বীকার করতে হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সেচ্ছায় দোষ স্বীকার না করেন তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কোনভাবেই তাকে সাজা শোনাতে পারবেন না। কেন এমন বিধান? সুস্পষ্ট কারণ আছে। মোবাইল কোর্ট ব্যবস্থায় অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ থাকে না। কিন্তু আইনের গুরুত্বপূর্ণ নীতি হচ্ছে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তাকে অবশ্যই আত্মপক্ষ সমর্থনের যথেষ্ট সুযোগ দিতে হবে। সংবিধানের ৩৫ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, কাউকেই তার নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না। আর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কাউকে সাজা দিলে সেটা কোনভাবেই বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সমান্তরালে যায় না। কুখ্যাত অপরাধীকেও তার পক্ষে কৌশলী নিয়োগের সুযোগ দিতে হবে।
 
সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয়লাভের অধিকার, ৩৫ অনুচ্ছেদে বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ বিষয়ে বলা আছে। মোবাইল কোর্ট নামক ব্যবস্থায় যেহেতু বিচারের সাধারণ নিয়মগুলো মানা হয় না, সেহেতু অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তার দোষ স্বীকার করলেই তাকে সাজা দেয়া যাবে। দোষ স্বীকার বাস্তবিক অর্থেই করতে হবে, কোন রকম চাপ কিংবা হটকারিতা করে স্বীকারোক্তি আদায় করা যাবে না। কিন্তু নির্বাহী এই বিশেষ আদালতের বিরুদ্ধে অধিকাংশ সময়ে অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি আদায়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ আর জোর জবরদস্তির অভিযোগ আছে। এমনকি স্বীকারোক্তি আদায়ের বিশেষ কাগজে অভিযুক্তের স্বাক্ষর নেয়ার সময় তাকে বলা হয় না যে দোষস্বীকারের কাগজে সে স্বাক্ষর করছে। অথচ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে অভিযুক্তকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলা যে, সে দোষ স্বীকার করবে কিনা, খুব সতর্কতার সাথে তাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতে হবে, দোষ স্বীকার করতে তিনি বাধ্য নন। কোন রকম জোর জবরদস্তি কিংবা ছলনা করে না বুঝিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে নিলে সেটা কোনভাবেই দোষস্বীকারোক্তি মর্মে গন্য হবে না।

মোবাইল কোর্ট অর্ডিনান্সের মাধ্যমে বিচার করতে হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবশ্যই ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। এর অর্থ হচ্ছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে অপরাধটি সংগঠিত হতে হবে। কোনভাবেই এই শর্তভঙ্গের সুযোগ নেই। কিন্তু আমরা সচারাচর দেখতে পাচ্ছি, পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করছেন! আর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহা-সমারোহে উক্ত অভিযুক্তকে বিভিন্ন মেয়াদে মূহুর্তের মধ্যে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। কোন আইনে তারা এমনটা করেন? এই বিষয়ে বিস্তর আলোচনা জরুরী। কারন এখানে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট দু'পক্ষই আইন অমান্য করে দন্ডনীয় অপরাধ করছেন।
 
প্রথমে পুলিশের বিষয়ে আসা যাক। আসামী গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি'র ৬০, ৬১ এবং ১৬৭ ধারা পুলিশকে অনুসরণ করতে হয়। সাধারণত পুলিশ আসামী গ্রেপ্তার করে দুই ভাবে; আদালত থেকে এরেস্ট ওয়ারেন্ট পেয়ে এবং আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট ছাড়া যে কোন মাধ্যমে খবর পেয়ে। আদালত থেকে ওয়ারেন্ট পেয়ে গ্রেপ্তার করলে আসামীকে কোন রকম বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব আদালতে হাজির করতে হবে। অন্যদিকে আদালতের এরেস্ট ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীকে এখতিয়ারাধীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে। এখানে ম্যাজিস্ট্রেট বলতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুঝায়। কোনভাবেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা যাবে না। পুলিশ কোন আইনে, কিসের ভিত্তিতে আসামীকে ধরে সরাসরি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে যায়? নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন আইনে, কোন ক্ষমতায় এভাবে নিয়ম বহির্ভূতভাবে উপস্থাপিত আসামীকে সাজা প্রদান করেন? তিনি কি আইন জানেন না? নাকি জেনে বুঝেই এমনটা করেন? অবশ্য তিনি আইনের লোক না। নাও জানতে পারেন। বিচার করার খায়েশ মানুষের পুরনো প্রবৃত্তি। তাই বলে এমন বেপরোয়া ভাবে? এটা বিচার না, বিচার বিভাগের গালে চপেটাঘাত!

 
পুলিশ আসামীকে গ্রেপ্তার করে আইন অমান্য করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আসামীকে সোপর্দ করে সুস্পষ্ট অপরাধ করছে। পুলিশ আইন, ১৮৬১ সালের ২৯ ধারায় এ ধরনের আইনের লংঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়াও দন্ডবিধি'র ২২০ ধারায় পুলিশের বিরুদ্ধে চার্জ আনা যেতে পারে। যেখানে বলা আছে কোন ব্যক্তি যদি যে পদমর্যাদা বলে কোন ব্যক্তিকে বিচারে প্রেরণ করার বা আটকে সোপর্দ করার আইনানুগ ক্ষমতা লাভ করে, সে পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত ক্ষমতা লাভ করে, সে পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়ে, সে ক্ষমতা প্রয়োগ পূর্বক দুনীতিমূলকভাবে বা দুরভিসন্ধিমূলকভাবে কাউকে বিচারে বা আটকে সোপর্দ করে বা আটক করে রাখে, এবং এইরূপ কাজ দ্বারা সে আইন বিরুদ্ধ কার্য করছে বলে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন্ডে অথবা অর্থ দন্ডে অথবা উভয়বিধ দন্ডেই দন্ডিত হবে।

অন্যদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে গুরুতর অপরাধ করছেন। তারা দন্ডবিধির ২১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করছেন। এই ধারায় বলা আছে, কোন ব্যক্তি যদি কর্মচারী হিসেবে কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে কোন রিপোর্ট, আদেশ, রায় দুর্নীতিমূলকভাবে বা দুরভিসন্ধিমূলকভাবে প্রণয়ন করে বা ঘোষণা করে, যা আইন বিরুদ্ধ বলে সে জানে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন্ডে অথবা অর্থদন্ডে অথবা উভয়বিধ দন্ডেই দন্ডিত হবে। এছাড়াও অবৈধ আটকের অভিযোগ তো স্পটভাবে করা যায়। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কোন নাগরিককে ৫ মিনিট আটকে রাখারও অধিকার কারো নেই।

আরেকটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; শিশু আইন ২০১৩ এর ১৬ ধারায় অপরাধের সাথে জড়িত শিশুর বিচার কেবল শিশু আদালতই করবে বলা থাকলেও মোবাইল কোর্ট নামক সাজার স্প্রিন্টার মেশিন শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছে না। হাজার হাজার শিশু এই অযাচিত এখতিয়ারবিহীন কোর্টের রায়ে কারাগারে। সম্প্রতি মহামান্য হাইকোর্টের নজরে বিষয়টি আসলে মহামান্য হাইকোর্ট মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত সব শিশু আসামিকে বিচার পদ্ধতির ত্রুটির কারনে ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মহামান্য হাইকোর্টের নজরে না আসলে হাজার হাজার শিশু ভুল বিচারের স্বীকার হয়ে জেলেই পচে মরতো। হাইকোর্টের নজরে আসার আগেই যে অসংখ্য অন্যায় হয়ে যাচ্ছে, তার বিচার কে করবে? এই লাগামহীনতার রশি টাঁনবে কে?

 
পদ্মা-মেঘনা বিধৌত চর এলাকা নিয়ে শরীয়তপুর জেলা। এখানকার নদী তীরবর্তী মানুষের প্রধান পেশা মৎস্য শিকার। বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে সরকার মা ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের এই পরিকল্পনা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু স্থানীয় জেলেদের নির্দিষ্ট ঐ সময়ে বিকল্প কর্মসংস্থান অথবা পর্যাপ্ত ভর্তুকির বিষয়টিও সরকারের মাথায় থাকা উচিত। এ বছর এই নিষেধাজ্ঞার সময়টিতে যা হয়েছে তা নজিরবিহীন। প্রায় ১৯০০ জেলে এবং ইলিশ ক্রেতা-বিক্রেতা-বহনকারীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়েও যেখানে কারাগারে ধারন ক্ষমতার কয়েকগুন হাজতী-কয়েদী থাকে, সেখানে হুট করে অতিরিক্ত ১৯০০ লোক'কে জায়গা দেয়া কারা-কর্তৃপক্ষের জন্য অসম্ভব হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে পাশ্ববর্তী অন্যান্য জেলার কারাগারে আসামীদের প্রেরণ করতে হয়েছে। সেখানেও ইতিমধ্যে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত হাজতী-কয়েদী আছে। পাঠকদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে এই আলোচনার সাথে মোবাইল কোর্টের কি সম্পর্ক? সম্পর্ক আছে। এই যে ১৯০০ মৌসুমী আসামী জেলে ঢুকলো এদের সবাই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রাপ্ত। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, এদের অধিকাংশকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অথবা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কাছে হাজির করলে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেছেন যা কোনভাবেই তারা করতে পারেন না। এই বিপুল সংখ্যক আসামী কবে নাগাদ আপিলের সুযোগ পাবে আর কবে নাগাদ জামিনের আবেদন করতে পারবে তাও অনিশ্চিত। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রদত্ত সাজার বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে আদেশের সহিমোহরী নকল প্রয়োজন। সেটা তুলতে আসামী পক্ষের রীতিমতো যুদ্ধজয় করতে হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে নকল পেতে এক থেকে দেড় মাস এমনকি তারও বেশি সময় লেগে যায়। অথচ আসামীর ন্যায়সঙ্গত অধিকার যথাসম্ভব দ্রুত রায়ের নকল পাওয়া। ইতিমধ্যে বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আসলে মহামান্য হাইকোর্ট ৫ কর্মদিবসে রায়ের নকল প্রদানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ইচ্ছাকৃতভাবে এমন অহেতুক বিলম্বের পরে আবার আসে শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনের প্রসঙ্গ। অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক এক দিন বসলে চারদিন বসেন না। শুনানির নির্ধারিত দিনে কোর্ট না উঠলে আবার অনিশ্চিত অপেক্ষা। এক ধরনের ফাঁদে আটকে যায় বিচার প্রার্থীর ভাগ্য। এক কথায় বিচারের নামে প্রহসন চলছে এই মোবাইল কোর্ট ব্যবস্থায়।

 
শেষ করবো আলোচ্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক একটা বিশেষ মামলায় হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ এবং নির্দেশনার মাধ্যমে যেখানে মহামান্য হাইকোর্ট রীতিমতো অন্যায় আদেশ প্রদানকারী সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং এ কাজে সহযোগিতাকারী সংশ্লিষ্ট থানার ওসি'কে অন্যত্র বদলীর নির্দেশ দিয়ে চরম ভৎসনা করেছেন। The state VS UNO of Sakhipur, Tangail & another, 2017 (1) LNJ 239, এই মামলায় পুলিশ সাব্বির শিকদার নামের এক স্কুল ছাত্রকে ফেসবুকে স্থানীয় সাংসদকে হুমকি দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে টাংগাইলের সখিপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের কাছে হাজির করে। রফিকুল ইসলাম আসামীকে তথ্য প্রযুক্তি আইনে দুই বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেন। ঠিক কোন ধারায় সাজা দিয়েছেন তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব জানতেন না! কতটা হাস্যকর! ঘটনাটি দেশের অধিকাংশ জাতীয় দৈনিকে স্থান পায়। ২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দি ডেইলি স্টারে'র একটা সংবাদকে নজরে এনে মহামান্য হাইকোর্ট স্ব-প্রনোদিত হয়ে রুল জারি করে মামলার নথিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানার ওসি'কে তলব করেন। হাইকোর্ট এ ধরনের আদেশ কেন অবৈধ হবে না জানতে চান। এরপরেই শুরু হয় নানান নাটক। নথি টেম্পারিংসহ পুরো আইনটাই বদলে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথ্য প্রযুক্তি আইন হয়ে যায় মাদব দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন। মোবাইল কোর্ট আইনের ৫, ৬, ৭ ধারায় বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে যেই স্পষ্ট বিধান আছে তার কিছুই এখানে মানা হয় নি।

অভিযুক্ত পুলিশ আর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শপথপূর্বক আলাদা আলাদা বক্তব্য পেশ করেন। তারা তাদের বক্তব্যে জাতীয় পত্রিকার সংবাদ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবী করেন। তারা জানান, আসামী সাব্বির সিকদারকে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ গ্রাম গাজাঁসহ হাতেনাতে ধরে সাজা দিয়েছেন। তথ্য প্রযুক্তি আইনে সাজা দেননি। অথচ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহেব আদেশের দিন সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় সাংসদকে ফেসবুকে হুমকি দেয়ায় আসামী সাব্বিরকে তথ্য প্রযুক্তি আইনে সাজা দেয়া হয়েছে। সাংবাদিকরা কোন ধারায় সাজা দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন "এ মূহুর্তে মনে নেই"! ২০১৬ সালের ২৪৫ নং মামলাটির নথি পর্যালোচনায় মহামান্য হাইকোর্ট দেখতে পান পুলিশ একটি কম্পিউটার টাইপড অভিযোগ এবং একটি কম্পিউটার টাইপড সিজার লিস্ট করেছেন। অথচ মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় আস্ত কম্পিউটার নিয়ে অভিযানে যাওয়া অসম্ভব। স্বাভাবিকভাবেই মহামান্য হাইকোর্টের সন্দেহের উদ্রেক হয়। আর যেই তারিখে অভিযান পরিচালিত হয়েছে দাবি করা হয়েছে সেই তারিখে কথিত আসামী গ্রেপ্তার হয়ে পুলিশের হেফাজতে ছিলো। সাজানো অভিযানের দুই দিন আগেই সাব্বিরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। তাহলে কিভাবে তাকে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান পরিচালনা করে ১০০ গ্রাম গাজাঁসহ গ্রেপ্তার করে সাজা দিলেন?

শেষমেষ মহামান্য বিচারপতি এম. এনায়েতুর রহিম তার জাজমেন্ট প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি বলেন,

'On careful examination of the above provisions of the Mobile Court Ain, 2009 it is crystal clear that the Magistrate who is empowered for holding a Mobile Court under the Mobile Court Ain, 2009 must take cognizance of the alleged offence instantly at the spot provided the same has been committed or unfolded in his presence and the said Magistrate is also empowered to convict the accused and award the prescribed sentence to him if he pleads guilty. Cognizance of the offence has to be taken by the concerned Magistrate instantly on the spot and lodgment of written complainant with the Magistrate is not at all required. There is no scope to convict a person under the Ain, 2009 who was apprehended or arrested or detained by the police prior to his trial that is before commencement of Mobile Court proceeding. And if anyone is convicted in the aforesaid manner, the whole proceeding of the Mobile Court will be vitiated and the order of conviction is illegal and without jurisdiction.'

এ আদেশে মহামান্য হাইকোর্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ওসি'কে চরমভাবে ধিক্কার জানান। তাদের দূরে কোথাও বদলী করতে সরকারকে নির্দেশ দেন। এমন সাজা পেয়েও যদি এদের বোধদয় না হয়, তাহলে হতাশ হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। একই ধরনের অন্যায় বিচার এখনো হরহামেশাই করা হচ্ছে। মহামান্য হাইকোর্ট বারবার সতর্ক করার পরেও এমনটা চলতে থাকলে হয়তো যেকোন সময় কোন অন্যায় আদেশ দেয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা পুলিশের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অপরাধের চার্জ আনারও প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। ভিকটিম নিজে কিংবা যেকোন নাগরিক (কার্যবিধি'তে বাধা না থাকলে) অথবা বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) তে চাইলে স্বপ্রণোদিত হয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে পারেন। দেশের কিছু জেলার বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইতিমধ্যে পুলিশকে সাবধান করে চিঠিও দিয়েছেন যাতে তারা আসামী ধরে আইন অমান্য করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপন না করে। সতর্ক বা সাবধান করা এক ধরনের সংকেত। সংকেতের গণনা শেষেই ঝড় আচড়ে পড়ে। শুভবুদ্ধির উদয় হোক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সব বাধা দূর হোক।

লেখক: মোঃ শহিদুল ইসলাম সজীব, আইনজীবী, শরীয়তপুর জজ কোর্ট; অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শরীয়তপুর সদর; ই-মেইল: mdshahidulislam0038@gmail.com

নড়াইলের পল্লীতে এক কিশোরী গণ ধর্ষনের শিকার, আটক এক জন

নড়াইলের পল্লীতে এক কিশোরী গণ ধর্ষনের শিকার, আটক এক জন

মোঃআজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল: নড়াইলের লোহাগড়ার  উপজেলার কামারগ্রামের এক কিশোরী গণধর্ষনের শিকার হয়েছে। ওই  কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে জেলা পরিষদের সদস্যসহ ছয়জনকে আসামী করে ১৫ জুন মঙ্গলবার দুপুরে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

বিকালে পুলিশ এজাহার ভূক্ত তিন জন আসামীকে আটক করে আদালতে প্রেরন করেছে এবং কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা করার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।পুলিশ ও পরিবার  সূত্রে জানা গেছে,  উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের কামারগ্রামের এক কৃষকের কিশোরী কন্যা ও সরশুনা  দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীর (১৩) সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী কাশিপুর গ্রামের  আমিনুর শেখের ছেলে অন্তর শেখের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর জের ধরে গত ৫ জুন অন্তর শেখ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইল ফোনে ওই কিশোরীকে সন্ধ্যার পর বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে তুষারের ইজিবাইকে করে লাহুড়িয়া- কল্যানপুরের দিকে রওনা হয়।
পথিমধ্যে অন্তর তার দুই বন্ধু মাধবহাটি গ্রামের নুর ইসলাম ফকিরের ছেলে লিকু ফকির ও  কামারগ্রামের  বাদশা শেখের ছেলে জামিরুল শেখকে ইজিবাইকে তুলে নিয়ে যায়।

তারা রাত নয়টার দিকে ভদ্রডাঙ্গা বাতাশি গ্রামের জোড়া ব্রীজ এলাকায় পৌছালে ইজিবাইক থেকে কিশোরীকে নামিয়ে প্রেমিক অন্তর শেখ, লিকু ফকির ও জামিরুল শেখ একটি পাটক্ষেতের মধ্যে নিয়ে মুখ বেধে জোরপূর্বক পালাক্রমে তারা তিনজন ধষর্ণ করে। এ সময় ধর্ষনের দৃশ্য জামিরুল স্মাট ফোনে ভিডিও ধারন করে রাখে। ধর্ষণের ঘটনাটি কাউকে জানালে ওই ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল করে দেওয়া হবে বলে কিশোরীকে ভয় দেখায় ধর্ষকেরা। পরে তারা ওই কিশোরীকে অন্তরের ফুফাতো ভাই পার্শ্ববর্তি সরশুনা গ্রামের আজিজুল মুন্সীর বাড়ীতে নিয়ে রেখে চলে যায়। খবর পেয়ে গভীর রাতে কিশোরীর পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে যায়। পরে ওই কিশোরী ধর্ষনের শিকার হয়েছে বলে পরিবারের লোকজনকে জানায়। 

ঘটনার পর নড়াইল জেলা পরিষদের সদস্য উপজেলার সরশুনা গ্রামের মিশাম শেখ ও কামার গ্রামের আশরাফুল শেখ  ধর্ষনের বিষয়টি থানা পুলিশকে না জানিয়ে ৬০ হাজার টাকায় বিনিময়ে মিমংশা করে ফেলতে ওই কিশোরীর পিতাকে চাপ  সৃষ্টি করে।

এক পর্যায়ে ভয়ে কিশোরীর পরিবার চুপচাপ থাকে। পরে  ঘটনা জানাজানি হলে  ১০ দিন  পর পুলিশের সহযোগিতায়  কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১৫ জুন) দুপুরে লোহাগড়া থানায় তিন ধর্ষক, দুইজন শালীসকারী ও ইজিবাইক চালকসহ ছয়জনকে আসামী করে মামলা করে  (মামলা নং- ১৪ তারিখ ১৫.৬.২১)। পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামী ধর্ষক অন্তর শেখ, লিকু ফকির ও ইজিবাইক চালক তুষারকে বিকালে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে।
   
 এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের সদস্য মিশাম শেখ জানান, ধর্ষণের বিষয়ে আমি মিমাংশা করতে কাউকে চাপ প্রয়োগ করিনি। আমাকে হয়রানী মূলক ভাবে আসামী করা হয়েছে।মামলার বিষটি নিশ্চিত করে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, তিনজনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো  হয়েছে।

নড়াইলে ভুমি দস্যুরা লুটে খাচ্ছে সরকারী জমি

নড়াইলে ভুমি দস্যুরা লুটে খাচ্ছে সরকারী জমি

,মোঃ আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইলঃ নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার খাশিয়াল ইউনিয়নের পুটিমারী বাজারে ভুমি দস্যুরা লুটে খাচ্ছে সরকারী খাস জমি,এর মূল হোতা আল আজিজ। পুটিমারী বাজারে খাল মুখের সরকারী ২১ শতক জমি কোন বন্দবস্ত ছাড়াই পেশী শক্তির বলে সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে জবর-দখল করে কাঁচা/পাঁকাঘর নির্মান করে ব্যবসা করে  আসছে বলে এলাকাবাসী জানায়। 
আল আজিজ পুটিমারী গ্রামের বালা শিকদারের ছেলে। 
১৪ জুন  (সোমবার) সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ইউনিয়নের পাকুড়িয়া মৌজায় জে.এল নম্বর ৮৫, এস.এ দাগ নং ৬৩৭ জমির পরিমান ২১ শতক জমি সরকারী এক খতিয়ানভুক্ত। এই জমিতে ওই গ্রামের বালা শিকদারের ছেলে আল-আজিজ পাঁকা ঘর নির্মান করে পলাশ কে মাসিক ৩ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছে বলে দোকানী পলাশ জানান। এদিকে একই দাগের জমি জালিয়াতির কারণে পুটিমারী গ্রামের শামসু শিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালত এক মাসের জেল দেয়ায় একই গ্রামের রাজ্জাক শিকদারের ছেলে সুনু শিকদার  রাতারাতি ফার্নিচারের দোকান ঘরের মালিক বনে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, খাল মুখে ঘর নির্মান করার কারণে বাজারে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে পরিবেশ দূষন হচ্ছে। যা মানব স্বাস্থ্যেও জন্য হুমকি স্বরূপ। এ বিষয়ে বাজার কমিটির সেক্রেটারী মোঃ শওকত শিকদারের সঙ্গে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, সরকারী জমি জালিয়াতির কারণে শামসুকে ভ্রাম্যমান আদালত জেলে পাঠান এবং আল-আজিজ ও সুনু শিকদার সরকারী জমি দখল করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এই জমি নিয়ে ভবিষ্যতে এলাকায় আইন শৃংখলার চরম অবনতি হওয়ার আশংকা রয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সে কারণে সরকারের দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আল-আজিজ শিকদারকে তার ব্যবহৃত (০১৭৪০-৫৮৭০৯৯) নম্বর মোবাইলে ফোন দিলে কথা  হলে তিনি বলেন আমি এই জমির মালিক না, আমার নামে মিথ্যা নিউজ করানো হচ্ছে,এ সময় তিনি আরও বলেন ওই জমিতে কোনো ঘর নাই, আামকে যারা মিথ্যা ভাবে ফাঁসাচ্ছে আমি তাদের নামে মামলা করব।


খাশিয়াল ইউনিয়ন উপ-সহকারী (ভুমি) কর্মকর্তা সঞ্জিত হালদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বালেন, উল্লেখিত জমি জালিয়াতির তথ্য প্রমানীত হওয়ায় উক্ত কাগজপত্র বাতিল করে আগত ১ খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। সরকারী জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মান ও ব্যবসা করার বিষয়ে তদন্তপূর্বক উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করবো।  
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, পুটিমারী বাজারে কিছু অসাধু চক্র সরকারী সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আছে এ বিষয়ে আমি অবগত আছি। শিঘ্রই সরকারী সম্পত্তি উদ্ধারের নিমিত্তে উচ্ছেদ অভিযান করা হবে।

জয়পুরহাটে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অভিনব প্রচার!

জয়পুরহাটে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অভিনব প্রচার!

মোঃ আরিফুল ইসলাম অনিক জয়পুরহাট (পাঁচবিবি) উপজেলা প্রতিনিধিঃমানতে হবে স্বাস্থ্যবিধির উপদেশ, তবেই করোনামুক্ত হবে বাংলাদেশ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে করোনারোধে জনসচেতনতা বাড়াতে জয়পুরহাটে ভ্রাম্যমাণ ভ্যান উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তুলশী চন্দ্র রায়।ভ্রাম্যমান ভ্যানটি জনবহুল বিভিন্ন জায়গায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে লোকগান, নাটিকা, বিজ্ঞাপন প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালাবে।উদ্ধোধনের সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সানজিদা খাতুন, ডা. ইফ্ফাত আরা নাফিস, ডা. ফারহানা রিতা উপস্থিত ছিলেন।

যশোরে নতুন আক্রান্ত ২৪৯ জন লকডাউন আরো এক সপ্তাহ

যশোরে নতুন আক্রান্ত ২৪৯ জন লকডাউন আরো এক সপ্তাহ



সুমন হোসেন,  যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ২৪৯জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫জন ভারত ফেরত। এটি জেলায় একদিনের সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। এছাড়া মারা গেছেন তিনজন। উচ্চ ঝুঁকির কারণে যশোরের দুটি পৌরসভায় লকডাউন চললেও তা মানছে না সাধারণ মানুষ। তবে প্রশাসন বলছে লকডাউন কার্যকর করতে আরো কঠোরতা আরোপ করা হবে। সেইসাথে জনগণকেও সচেতন হওয়ার পরামর্শ তাদের।
যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজেস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় ৫২৮জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৪৯জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৭ শতাংশ। আজ মারা গেছেন তিনজন। এদের মধ্যে একজন করোনা রোগী এবং অপর দুইজন করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজকের তিনজনসহ গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৫জন। এদিকে করোনার উর্ধ্বগতির কারণে যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় লকডাউন চললেও তা মানছে না সাধারণ মানুষ। স্বাভাবিকদিনের মতই শহরের রয়েছে মানুষের চলাচল।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজেস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, লকডাউন কার্যকরে সব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সংক্রমন ঠেকাতে আরো কঠোরতা আরোপ করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, আজ জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভা রয়েছে। সভায় লকডাউন আরো বৃদ্ধি করা হতে পারে।
জানানো হয়েছে আবারো ১ সপ্তাহ লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হবে যশোর শহরকে। যশোর জেলায় করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় যশোর জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ জুন রাত ১২ টা পর্যন্ত  যশোর সদর উপজেলার যশোর পৌরসভা, চাঁচড়া, উপশহর, আরবপুর, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন, ঝিকরগাছা উপজেলার ঝিকরগাছা পৌর এলাকা, শার্শা উপজেলার শার্শা ইউনিয়ন ও বেনাপোল পৌর এলাকার বেনাপোল বাজার এবং অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভায়।

মেহেরপুরে সাংবাদিক জনির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

মেহেরপুরে  সাংবাদিক জনির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ সাংবাদিক মিজানুর রহমান জনির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত চাঁদাবাজির  মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত  মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেন মেহেরপুরের সাংবাদিকরা। 

আজ মঙ্গলবার বিকালে মেহেরপুর রিপোর্টর্স ক্লাবের সামনে এ মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মাহবুবুল হক পোলেন, আতিক স্বপন, কাজিমুল হক আনিক, রাশেদ খাঁন প্রমূখ মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্তইনা বাদীই জানেনা মামলার আসামীদের অপরাধ। অথচ এই মামলায় সাংবাদিক জনির জামিন না হয়ে জেল হাজতে প্রেরণ দুঃখজনক। এই ঘটনার লাইভ ভৈরব নদের পাড়ের কিন্তু ঘটনা ঢাকাচাপা দিতে জেলা প্রসাশক ও জনপ্রসাশন প্রতিমন্ত্রীর আস্থাভাজন প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেকের মত সম্মানিত ব্যক্তিদের নাম ভাঙ্গিয়ে মরাগাং এর নাটক সাজিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে মিলন মেম্বার। তদন্ত হওয়া দরকার কে এই মিলন মেম্বার, এর অবৈধ কর্মকান্ডের পেছনের শক্তি কারা। সেই সাথে মিজানুর রহমান জনির নামে মিথ্যামামলা প্রত্যাহার সহ নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানায়। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মিনারুল ইসলাম, লিটন মাহমুদ, রাব্বি আহমেদ,সেলিম, প্রিন্স আরিফ, সাইদ, সান, সোহান, সুরুজ, সজল, হিমেল, তানভির আহমেদ,  শরিফ মাহমুদ মামুন, সাঈদ হোসেন।

টাঙ্গাইল সদর সহ তিন উপজেলায় লকডাউন

টাঙ্গাইল সদর সহ তিন উপজেলায় লকডাউন

টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে তিন উপজেলায় কয়েক দিন ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। এ জন্য টাঙ্গাইলকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী শনিবার থেকে জেলার সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ তিন উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলাগুলো হলো টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর। আজ সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই তিন উপজেলায় মঙ্গলবার থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এদিকেটাঙ্গাইলে ৭৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ আক্রান্ত শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯ জন, কালিহাতীতে ২১ জন, বাসাইলে ৫ জন, সখীপুরে ৪ জন, গোপালপুর ও ঘাটাইলে ৩ জন করে এবং মধুপুর ও দেলদুয়ারে ১ জন করে রয়েছেন। এ নিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪ হাজার ৫৩২। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৫ জন। সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান বলেন, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতীতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে আটক ৩

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে আটক ৩

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি :আশাশুনিতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত তিন জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।সোমবার রাতে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির এর নেতৃত্বে এসআই ফকির জুয়েল রানা, এসআই আমিনুল ইসলাম ও এএসআই মোঃ নামিজ উদ্দীন সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় চেউটিয়া গ্রামের মৃত আলী মোল‍্যার ছেলে রবিউল মোল‍্যাকে সিআর-৮৫/১৯ (সাজাপ্রাপ্ত) এবং সিআর-৬৭/১৯ (সাজাপ্রাপ্ত) মামলা, কাপসন্ডা গ্রামের আমিরুল মোড়ল এর ছেলে রকিব মোড়লকে জিআর-২৩১/২০২০ এবং জিআর-৭২/২০২০ মামলা ও কাকবাশিয়া গ্রামের লুৎফার রহমান গাজীর ছেলে শাহিনুর রহমানকে সিআর-৪৯/২০১৮ মামলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করেন।গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে মঙ্গলবার বিচারার্থে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের গাবুরা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে মাঝে সামগ্রী বিতরন

ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের গাবুরা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে মাঝে সামগ্রী বিতরন

হুদা মালী, শ্যামনগর প্রতিনিধি: ২৬ মে ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উচ্চ জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচিয়ে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়। দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাতে বাঘ বিধবা ও অতিদরিদ্র পরিবারগুলো খাদ্য সংকটে পড়লে লিডার্সের সহযোগিতায় বাঘ বিধবা ও অতিদরিদ্র পরিবারের নিকট খাদ্য ও হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করেন।

মঙ্গলবার (১৫ জুন)সকাল ১১টায় ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্থ ১৫৫টি পরিবারে মাঝে খাদ্য ও হাইজিন সামগ্রী বিতরন করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স। প্রতিটি খাদ্য ও হাইজিন প্যাকেজে আছে চাল , ডাল, আলু , তেল , লবন , সাবান , মাস্ক , ব্লিচিং পাউডার , স্যানিটারী ন্যাপকিন , ওরাল স্যালাইন।

 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এস. এম. আতাউল হক (দোলন), বিশেষ অতিথি উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আয়ূব (ডলি),বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুর রাজ্জাক, গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলম, জি. এম. সালাউদ্দিন, ও গাবুরা ইউনিয়ন জলবায়ু সহনশীল ফোরামের সভাপতি শেখ আমীর হোসেন, লিডার্সের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এস এম মনোয়ার হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা অসিত মন্ডল, প্রকল্প সমন্বয়কারী কুন্তল রায় চেীধুরী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মহোদয় ভুক্তভোগী উপকারভোগীদের মাঝে খাদ্য ও হাইজিন সামগ্রী বিতরন উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, "উপকূলের মানুষের সমস্যা নিয়ে আমি বিভিন্ন স্থানে কথা বলি। উপকূলের মানুষ নদীর সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকে। দুর্যোগে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে তারা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ মেরামত করে নিজেদের টিকিয়ে রাখার চেস্টা করে। টেকসই বেড়িবাঁধের জন্য আমরা প্রচেস্টা চালাচ্ছি। আগামী মৌসুমেই টেকসই বেড়িবাঁধ হবে বলে বিশ্বাস করি। লিডার্স জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ সমস্যা বিভিন্ন স্থানে তুলে ধরেছে। আজ বাঘ বিধবা ও অতিদরিদ্র পরিবারে খাদ্য ও হাইজিন সামগ্রী বিতরনের জন্য লিডার্সকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।

বনানী এফ. আর টাওয়ারে বিভৎস্যতা জি.এম মুছা

বনানী এফ. আর টাওয়ারে বিভৎস্যতা       জি.এম মুছা

মৃত্যু যে কত ভয়কর বিভীষিকাময়, যন্ত্রণাদায়ক মানুষ কতটাই বা অনূভব 
করতে পারে, অনেকটা কাছ থেকে মৃত্যুকে দেখে ফিরে আসা এমন 
মানুষ জানেন কতটা বিভৎস ও ভয়ংকর বনানীর এফ আর টাওয়ারের 
আগুনের ক্ষিপ্রতা, বিভীষিকাময় লেলিহান অগ্নিশিখা, চার দেয়ালের মাঝে 
আটকা পড়া সহস্র মানুষের গগণ ভেদী চিৎকার ছুটাছুটি, কাকুতি-মিনতি, 
বাঁচার জন্য আত্মচিৎকার অতিদ্রুত পৌছে গেল সবখানে সে খবর আপন
জনের কাছে, চোখের সামনে আগুনে পুড়ে নিমেষেই ছাঁই,সব আশা-ভরসা 
ও তাদের স্বপ্নগুলো, ডুকরে কেঁদে ওঠে মন-হৃদয় দুমড়ে মুষড়ে খান-খান,
জীবন্ত মানুষ, জ্বলš Í আগুনে ঝলসে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা যে কতটা কঠিন, 
বাঁচার অদম্য চেষ্টা, জানালার কাঁচ ভেঙ্গে সুউচ্চ বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে 
পড়া ভয়ংকর সেই দৃশ্য দেখা স্বজনের সামনে, কুন্ডলি পাঁকানো কালো ধোঁয়ার 
মধ্যে থেকে হাজার হাজার মানুষের চেচামেচি করুণ আর্ত্মনাদ, হেলিকপ্টার, 
দমকল বাহিনীর অব্যর্থ চেষ্টা, পানির শব্দ চারিদিকে ঢাকার আকাশ, বাতাস 
মুখরিত, বাতাসে ভেসে এলো জীবন্ত মানুষের পোড়া মাংসের গন্ধ, কি বিষ্ময় 
লুকিয়ে আছে ছিন্নমূল কিশোর নাঈমের চোখে-মুখে, পলিথিন জড়িয়ে ফুটো
পানির পাইপ চেপে ধরেছে কি গভীর বিশ্বাসে, প্রাণে বেঁেচ যাবে ভবনের আগুন
লাগা সকল মানুষ, বোঝেনা অবুজ শিশু, অযথা প্রশ্ন করে মাকে, আজ কেন 
গুলশান লেকে ঝাঁকে ঝাঁকে হেলিকপ্টার নামে বলতে পারো মা, ওরা কি শুধুই
পানি খায়, কত পানি খায়, পানি খেয়ে কি করে, উড়ে কোথায় যায়? মায়ের 
চোখ জলে ভিজে যায়, কচি শিশু দু'হাতে চোখের জল মুছে দেয়। অস্ফুট 
কণ্ঠে বলে, মাগো তুমি কেঁদোনা, আমি বোকে দেব হেলিকপ্টারকে আর যেন 
কখনো না আসে গুলশান লেকে পানি খেতে, ছোট জান্নাত গুলশানে থাকে, 
প্রতিনিয়ত অবুঝ মনে প্রশ্ন করে, গুলশানে কেন ঝাঁকে ঝাঁেক হেলিকপ্টার 
উড়ে এসে ঝুপ ঝাপ পানিতে নামে পানি খেয়ে কেন যে আবার আকাশের মেঘের 
কোলে  হারিয়ে যায়। 

কুড়িগ্রামে পৌর এলাকায় চলছে লকডাউন

কুড়িগ্রামে পৌর এলাকায় চলছে লকডাউন
কুড়িগ্রামের চলছে লকডাউন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জেলার পৌর এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ড ও বাজারে এক সপ্তাহের জন্য জনসমাগম ও অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আজ সোমবার বিকালে জেলা করোনা সংক্রান্ত কমিটির ভার্চুয়াল মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান জানান, সাম্প্রতিক সময়ে কুড়িগ্রামে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জেলার সদর উপজেলাসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি উপজেলা লকডাউনের সুপারিশ করা হয়। আলোচনা, প্রস্তাব এবং সংক্রমণের মাত্রা বিবেচনায় আপাতত কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে জনসমাগম ও অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, 'জেলায় করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আমরা ম্যাপিংয়ের কাজ করেছি। জেলার কোন অঞ্চলগুলোতে সংক্রমণের মাত্রা বেশি, সেটি নির্ণয় করে আমরা আপাতত পৌর এলাকার ২, ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জনসমাগম ও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ আরোপ করতে যাচ্ছি। আগামীকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টা থেকে পরবর্তী ৭ দিন এই বিধিনিষেধ চলবে। এরপরও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ না হলে, আমরা কঠোর লকডাউনে চলে যাব।'

'শহরের হাসপাতাল পাড়া এলাকায় ঔষধ ও খাবারের দোকান ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, জিয়া বাজার ও পৌর বাজার এলাকায় মোটরসাইকেল কিংবা অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। যাতে মানুষের সমাবেশ বা সমাগম কম হয়', যোগ করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, 'কয়েকটি পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই পয়েন্টগুলোতে মোবাইল কোর্ট ও পুলিশের মাধ্যমে ছোট ছোট পরিবহণে যাত্রী পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে, যাতে তারা অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পৌর এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে।'

'আমরা আপাতত আগামী সাত দিন পর্যবেক্ষণ করব। যদি এতে পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তাহলে পরবর্তীতে কঠোর বা সর্বাত্মক লকডাউনে যাব', বলেন তিনি।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, আজ জেলায় ২৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনা শনাক্তের হার ৬৫ শতাংশ।  যার মধ্যে ১৩ জনই সদর উপজেলার বাসিন্দা। ৫ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত গত ৯ দিনে জেলায় ২৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় ১০৩ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে। গত ৯ দিনে করোনা আক্রান্ত ১০৩ জনের মধ্যে ৭৯ জনই সদর উপজেলার বাসিন্দা।

গাবুরায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে ১০টি গ্রামের মানুষের চলাচল

গাবুরায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে ১০টি গ্রামের মানুষের চলাচল
গাবুরা ঝুঁকিপূর্ণ সেতু
 হুদা মালী, শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা, শ্যামনগর উপজেলার ১২নং গাবুরা ইউনিয়নের ১০নং সোরা গ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসা-যাওয়া করছে। সেতুটির মেয়াদ শেষ তবুও প্রতিদিন শত শত যানবাহন সেতুটির ওপর দিয়ে চলাচল করছে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে। যে কোনো সময় সেতুটি ভেঙে খালের উপর পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যার কারণে সেতুটি আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। সেতুর খুঁটি থেকে ফাটল‌ ও প্লাস্টার খসে খসে পড়ছে। ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে পড়েছে সেতুটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সংস্কারের অভাবে সেতুটির মাঝখানে ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও ব্রিজের দুই পাশের রেলিংগুলো ভেঙে পড়ে আছে। ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।

এ ঝুকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে গ্রামের প্রায় হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। পাশাপাশি এই পথে কয়রা উপজেলার গোলখালী ,ঘড়িলালসহ অনেক মানুষের যাতায়াত রয়েছে। পুরোনো ব্রিজ হওয়ায় অনেক দিন থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। এর মধ্যে নতুন করে ব্রিজের মাঝখানে বড় আকারের একটি ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্রিজটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সোরা গ্রামের কামরুল গাইন বলেন, স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন যেকোনো সময় ব্রিজটি খালের মধ্যে ধসে পড়তে পারে। ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। এর মাঝখানে বড় আকারের ফাটল এবং প্লাস্টার খসে খসে পড়ছে।এতে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে।মটর সাইকেল চালক সাত্তার শেখ বলেন, ব্রিজটি অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে গাড়ি নিয়ে ব্রিজের উপর উঠলেই বুকটা ধরপর করে কেঁপে ওঠে।এতে আমাদের মধ্যে ভয়-ভীতির সৃষ্টি হয়।এবং গাবুরায় কোন জায়গায় পিচের কার্পেটিং
না থাকাই। কিছু ইটের সড়ক‌ আছে তা প্রায় সব সড়কের ইট উঠে গিয়ে বৃষ্টির পানি জমে সেসব জায়গায় ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ডুমুরিয়া খেয়াঘাট ও হরিশখালীসহ খেয়াঘাট টু গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সড়কের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক অবস্থা।

আলহাজ্ব এম,এম মুনছুর আলী বলেন, এটি ইউনিয়ন পরিষদের অংশ হওয়ায় যেন দেখার কেউ নেই। সড়কের ইট গুলো উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত ও কাঁদা মাটি দেখা দিয়েছে। ফলে একটু বৃষ্টি হলে সেখানে পানি জমে যাচ্ছে রাস্তার এমন বেহালদশা। এছাড়া গাবুরা অঞ্চলের সাথে উপজেলার সড়ক গুলোর যোগাযোগের ব্যবস্থা উন্নত না থাকায় উপজেলা সদরের অফিস আদালতে, স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা, হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রোগী নিয়ে যাতায়াতে সময়ক্ষেপণ সহ ঝুঁকি নিয়ে আসা যাওয়া করতে হয়।

এ ব্যাপারে শ্যামনগর উপজেলা প্রকৌশলী নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজর গিফারী জানান, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের সড়কগুলোর অধিকাংশ সংস্কার এবং অনেক নতুন সড়ক ও সেতু নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি যে সমস্ত সড়ক ও সেতুর বেহাল অবস্থা রয়েছে সেগুলোর কাজও করা হবে।

 ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদুল আলম বলেন, গাবুরা ১০টি গ্রামের মানুষ এই সেতু দিয়ে শ্যামনগর উপজেলা যাতায়াত করে থাকেন। বিকল্প রাস্তা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার করছে সেতু দিয়ে। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির পাশে নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণের বিষয়টি ইউনিয়নবাসীর দাবি। এ নিয়ে উপজেলায় মাসিক উন্নয়ন সভায় আলোচনা হয়েছে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে নতুন সেতু নির্মাণ করা সম্ভব নয়।

উদিয়মান তরুন ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ও তার তিন সঙ্গীর সন্ধানের দাবিতে দিনাজপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

উদিয়মান তরুন ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ও তার তিন সঙ্গীর সন্ধানের দাবিতে দিনাজপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

খাদেমুল ইসলাম রাজ ,বীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর জেলার তরুণ সমাজের উদ্দ্যোগে উদীয়মান বহুল আলোচিত তরুণ বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান এর হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার নিমিত্তে মানববন্ধন কর্মসূচী হয়। আজ রোজ সোমবার বেলা ১২:১৫ মিনিটে কর্মসূচী শুরু হয়।
আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান গত বৃহস্পতিবার রংপুর থেকে ঢাকা আসার পথে ড্রাইভার সহ ৩ জন এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। যাত্রার সময় সর্বশেষ যোগাযোগ হয় রাত ২:৩৬ মিনিটে‌, গাবতলী থেকে। তারপর থেকেই আর কোনোভাবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি বলে আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান সাহেবের স্ত্রী বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন।
আবু ত্ব-হার দ্রুত সন্ধানে দিনাজপুর তরুণ সমাজের আয়োজিত মানববন্ধনে এক বক্তা বলেন, "স্বাধীন রাষ্ট্রে অন্যায়ভাবে নিরপরাধ মানুষদের গুম,খুন, জেল, জুলুম কোনো ভাবেই কাম্য নয়। পরবর্তী প্রজন্মের ধ্বংসের এই অশনিসংকেতকে বুড়ো আঙুল দেখাতে স্বাধীনতাকামী তরুণ সমাজের এই মানববন্ধন।" দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, "আবু ত্ব-হা সাহেব কোনো রাজনৈতিক দলের নয়,নয় কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য। তিনি শুধু দ্বীনের দাওয়াতী কাজের জন্য স্পষ্ট ভাষায় সত্যকে উম্মোচিত করে চলেছেন। অথচ তাকেও গুম করা হলো।  গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দায়িত্ব সবার আগের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আশা করি প্রশাসন এ বিষয়ে তৎপর ভূমিকা পালন করবে। অন্যথা আমরা কার কাছে নিরাপত্তা চাইব?" উক্ত প্রগ্রামে অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম ফাহিম বলেন, "দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশে এই গুম,খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যা চলমান রয়েছে। যেটা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক বটে। আবু ত্ব-হার মত আলোকিত তরুণদের নিঃশেষ করে দেওয়ার যে ষড়যন্ত্রের জাল বিছানো হচ্ছে সেটা যারাই করুক না কেনো এই তরুণ সমাজ তাদের কালো হাত রুখে দেবে।"
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি একরামুল হক আবির বলেন, "উদীয়মান তরুণ বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিজের সমৃদ্ধ জ্ঞাণ ছড়িয়ে দিয়ে বর্তমান সময়ের তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছিলেন। সেই মুহূর্তে আবু ত্ব-হার নিখোঁজ সংবাদ অত্যন্ত দুঃখজনক। মানুষের মৌলিক অধিকার গুলোর মধ্য যে নিরাপত্তার অধিকার সংযুক্ত তা বাস্তবায়নে সরকার বরাবরই ব্যর্থতার পরিচয় বহন করে আসছে। আমরা প্রশাসনের যে গড়িমসি কর্মকাণ্ড তা থেকে উত্তরণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের সুদূরপ্রসারী ভূমিকা দেখতে চাই। অবিলম্বে আবু ত্ব-হা ভাইয়ের খোঁজ চাই। মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন দিনাজপুরের সচেতন তরুন সমাজের  ইয়াকুব আলী, আতাবুদ্দীন, মেহেদী, রুবেল সহ আরও অনেক।

গোপালগঞ্জে চুরি যাওয়া শিশু মনিষার মৃতদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জে চুরি যাওয়া শিশু মনিষার মৃতদেহ উদ্ধার

কে.এম মুরাদ,মুকসুদপুর উপজেলা প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জে মুকসুদপুরের বাটিকামারীতে প্রদীপ মালোর ৩ বছরের শিশু কন্যা 'মনিষা' চুরি হওয়ার দুইদিন পর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বেলা ১ টা ২০ মিনিটে পুলিশের উপস্থিতিতে প্রদীপ মালোর ঘরের পেছনে তারাপদো মালোর টয়লেটের ট্যাঙ্কির ভেতর  থেকে লাশটি উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়। এ সময় ট্যাঙ্কির পাশে একটি চাকু এবং কেচি উদ্ধার করে পুলিশ।

মুকসুদপুর থানার ওসি আবু বকর মিয়া বলেন, বিষয়টা খুবই মর্মান্তিক। গত রবিবার গভীর রাতে মনিষা নামের শিশুটিকে বাবা-মায়ের কাছ থেকে  ঘরের বেড়া কেঁটে কে বা কারা চুরি করে। শিশুটির বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বিষয়টি তদন্তে নামে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সহ সিআডি,পিবিআই ও র্যাব-৮। শিশুটিকে হত্যা করে টয়লেটের  ট্যাঙ্কির ভেতরে ফেলে রাখার বিষয়টি বেলা ১টা ২০ মিনিটে জানতে পারি। পরে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি। হত্যাকারীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।উল্লেখ্য, গত রবিবার গভীর রাতে ঘরের বেড়া কেঁটে নগদ অর্থ এবং স্বর্ণালংকারসহ শিশুটিকে চুরি করে নেয় দুর্বৃত্তরা।

গাংনীতে ঘরে বসেই চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন আবাসনের বাসিন্দারা

গাংনীতে ঘরে বসেই চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন আবাসনের বাসিন্দারা

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি:মেহেরপুরের গাংনীতে ঘরে বসেই চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন ভাটপাড়া আবাসন প্রকল্পের ৯০টি পরিবার। বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকলের দৌর গোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দেবার লক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে এফপি আই ইশরাক আবাসনে চিকিৎসা সেবা প্রদানের উদ্যোগ নেন। তাকে সহযোগীতা করছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ। বাড়িতে বসে চিকিৎসা ও পরামর্শ পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন সকলে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের এফ ডাব্লিউ এ,এফ ডাব্লিউ ভি গনের উপস্থিতিতে আবাসনের ৯০ টি পরিবাররের ২৫০জনকে পরিবার পরিকল্পনা, বড়ি, কনডম, ইনজেকশন, বিতরণ, গর্ভবতী সেবা, গর্ভ পরবর্তী সেবা, শিশু, কিশোর কিশোরী সেবা, ও সাধারন রোগীদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। আবাসনে স্থায়ীভঅবে বসার স্থান না থাকায় চিকিৎসাসেবা প্রদানে হিমশিম খাচ্ছিলেন সেবা প্রদানকারীরা। সেখানে একটি কমিউনিটি সেন্টারের একটি কক্ষে সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

এফপিআই ইশরাক বিভিন্ন ব্যাক্তিদের নিকট থেকে চেয়ার টেবিল যোগাড় করেছেন। আবাসনের সভাপতি শুকুর আলী জানান,আবাসের বাসিন্দরা খুবই অবহেলিত। চিকিৎসা সেবা শেকে শুরু করে সব কিছুতেই পিছিয়ে রয়েছে। স্থানীয় ছেলে ইশরাক আবাসনের মানুষের দুর্দশা দেখে কমিউিনিটি সেন্টারে চেয়ার-টেবিল দিয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসা প্রদান করছেন। এতে আবাসনের বাসিন্দাদের দুরে কোথাও যেতে হচ্ছেনা। হাতের নাগালেই পাচ্ছেন চিকিৎসা সেবা। শুধু চিকিৎসা নয় নানা ধরনের পরামর্শ পেয়েও উপকৃত হচ্ছেন এখানকার মানুষ।

এফপিআই ইশরাক জানান, অবহেলিত মানুষের বসবাস ভাটপাড়া আবাসন প্রকল্পে। তারা অনেক সময় অর্থের অভাবে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা সেবা নিতে পারেনা। তাদের কথা বিবেচনা করেই দশ বছর যাবত প্রতিমাসে একবার সেখানে গাছের নিচে কিংবা বাড়ির উঠানে বসে ক্যাম্প ভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান করা হতো। এখন কমিউিনিটি সেন্টারের একটি কক্ষে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। আবাসনের সকলেই চিকিৎসা নিয়ে স্বাচ্ছন্দবোধ করেছন। সার্বিক সহযোগীতা ও দেখাশোনা করছেন ইশরাক ও ইসতিয়াজ ইউনুস।

গাংনী উপজেলা ইউএইসএফপিও(ভারপ্রাপ্ত) খোকন রেজা বলেন, একটি গ্রামে ২৫০ জন মানুষ বাড়িতে বসেই চিকিৎসা সেবাসহ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ভিবিন্ন পরামর্শ নিয়ে উপকৃত হচ্ছেন। এতে হাসপাতালেও চাপ কমছে। করনাকালীন মুহুর্তে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়েও নানা পরামর্শ পাচ্ছেন তারা। হাতের নাগালে চিকিৎসা সেবা পেয়ে উপকৃত হচ্ছে অনেকেই।

মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জেনারেল হাসপাতালের সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জেনারেল হাসপাতালের সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি:জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের সহযোগিতায় মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে হাই ফ্লো অক্সিজেন ক্যানেল ও অন্যান্য চিকিৎসা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকালে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এই অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়েছে।সুরক্ষা সামগ্রী হিসেবে ছিল ১১২ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ০৮ টি হাই ফ্লো-নেজাল ক্যানুলা, ১১ টি অক্সিজেন কনসেনট্রেইটর, ০২ টা ভেন্টিলেটর, ০২ টি আইসিইউ, ৫০ টি বেড। 

এসময় উপস্থিত ছেলেন, মেহেরপুর  জেনারেল হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ড ডাঃ রফিকুল ইসলাম
মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড্যা.ইব্রাহিম শাহিন, মেহেরপুর জেলা সিভিল সার্জান ড. নাসির উদ্দীন, সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন প্রমুখ

কয়রায় ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

কয়রায় ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

মোহাঃ ফরহাদ হোসেন কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ ভূমি সেবা ডিজিটাল,বদলে যাচ্ছে দিনকাল" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কয়রা উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে সপ্তাহ ব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল ১৫ জুন বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে ভুমি সেবা সপ্তাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জাননো হয় যে, সারা দেশে অনলাইন ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ সংক্রান্ত ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এখন থেকে সকল ভূমি মালিকরা তাদের তথ্যাদি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পারবে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা দুনর্ীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ দাউদ আলী মোল্যা, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান মনু, উপজেলা সাইক্লিং গ্রুপের সভাপতি প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা,ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট পেশকার মোঃ আনিছুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত নাজির সুজন কুমার পাল, অফিস সহকারী মেহেরুন নেছা প্রমুখ।

কয়রায় সাংবাদিক মোস্তফা শফিক করোনায় আক্রান্ত,সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতি প্রদান

কয়রায় সাংবাদিক মোস্তফা শফিক করোনায় আক্রান্ত,সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতি প্রদান

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম করোনায় আকান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ইতিপর্বে ১ম ও ২য় দফায় কয়রা উপজেলা স্বাাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে করোনার টিকা গ্রহন করেছেন। জানা গেছে সাংবাদিক মোস্তফা শফিকুল ইসলাম ঢাকায় যাওয়ার পুর্বে গত ১৪ জুলাই কয়রা সরকারি হাসপাতাল থেকে করোনার পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় তার করোনায় পজেটিভ ধরা পড়ে। সেখান থেকে তিনি নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। সাংবাদিক মোস্তফা ইসলাম বলেন, গত ১০ মার্চ করোনার প্রথম ড্রোস ও ৯ মে করোনার দ্বিতীয় ড্রোস টিকা গ্রহন করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুদীপ বালা বলেন, টিকা নেওয়ার পরেও মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চিন্তার কোন কারন নেই। এদিকে সাংবাদিক মোস্তফা শফিকুল ইসলামের সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মোংলায় একটি বাড়ি থেকে অজগর সাপ উদ্ধার

মোংলায় একটি বাড়ি থেকে অজগর সাপ উদ্ধার

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা মোংলার একটি বসত বাড়ির খোপ  থেকে অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা সাপটি মেরে ফেললো ৫টি হাঁস আজ ১৫ জুন মঙ্গলবার সকাল ৮ টার দিকে মোংলা উপজেলা ৫নং সুন্দরবন  ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিধান হালদার এর বাড়ির খোপ থেকে অজগর সাপটিকে পাওয়া যায়। 

খোপে থাকা  সাপটিকে স্বজনরা দেখতে পেলে স্থানীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে থাকা কাটাখালী টহল ফাঁড়ি ও ওয়াইল্ডটিম ও ভিটিআরটি কে খবর দিলে  এসে তারা অজগর সাপটিকে উদ্ধার করে।  উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন বলে জানান ওয়াইল্ডটিম প্রতিনিধি মোঃ সোহেল হাওলাদার,
এদিকে বনবিভাগের কাটাখালী ফাঁড়ির ওসি মেগনাথ বলেন"ওয়াইল্ডটিম আমাদের কাছে হস্তান্তর করলে আমরা যৌথভাবে সুন্দরবনে অবমুক্ত করি রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশনায় তবে সাপটির ওজন ৬ কেজি এবং লম্বায় ৮ ফুট  আনুমানিক ৫ হাত হবে।

উদ্বার কাজে এলাকাবাসী ওয়াইল্ডটিম ভিটিআরটি, বনবিভাগ, সুন্দরবন থেকে প্রতিনিয়ত লোকালয়ে আসা সাপগুলো উদ্ধার করে আবার সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়।সুন্দরবনে অবমুক্ত করার সময় উপস্থিত ছিলেন,কাটাখালী টহল ফরেস্ট ওসি সহ তার স্টাফবৃন্দ  ওয়াইল্ডটিম প্রতিনিধি মোঃ সোহেল হাওলাদার,চাঁদপাই সহ ব্যাবস্থাপনা সংগঠনের কেশিয়ার মোঃ আলামিন মোছাল্লি,ভিটিআরটি প্রতিনিধি মোঃছোরাপ হাং,সিপিপি সদস্য মোঃ মারুফ বাবু এছাড়াও এলাকাবাসী সহ আরও অনেকে।

মোংলায় সরকারী হাসপাতালে কোভিড বেড ও অক্সিজেন সিলিন্ডার দিল ভারতীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান

মোংলায় সরকারী হাসপাতালে কোভিড বেড ও অক্সিজেন সিলিন্ডার দিল ভারতীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা
মোংলা ইপিজেড এ অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ল্যাগেজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভিআইপি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবার করোনা মহামারীর সময় জীবন রক্ষাকারী মেডিকেল সরঞ্জামাদী নিয়ে পাশে দাড়ালো মোংলাবাসীর। মোংলায় কোভিড চিকিৎসায় গতি আনার জন্য কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আশিষ কুমার সাহা মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর কোভিড ইউনিটে ১৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার সেট, ২টি অক্সিজেন জেনারেটর এবং ১৫টি হসপিটাল বেড বিনামূল্যে প্রদান করেন। কোম্পানীর পক্ষ হতে বাংলাদেশের মানব সম্পদ বিভাগীয় প্রধান জনাব মিজানুর রহমান খান, প্লান্ট হেড জনাব শাহনেওয়াজ আলম ও প্লান্ট হেড জনাব মন্জুর আহমেদ উক্ত উপহার সামগ্রী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। একই সময় স্থানীয় সাংবাদ কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের মধ্যে ভিআইপির তৈরী বিদেশে রপ্তানীযোগ্য তিন লেয়ারের মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরন করা হয়।

 সোমবার সকালে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কমলেশ মজুমদার, সহঃ পুলিশ সুপার মোংলা সার্কেল জনাব আসিফ ইকবাল, অফিসার ইনচার্জ মোংলা থানা জনাব ইকবাল বাহার চৌধুরী ও মোংলা ইপিজেড এর ডেপুটি ম্যানেজার জনাব জাহিরুল ইসলাম। এই সকল চিকিৎসাসামগ্রী সংযোজন মংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কভিড ইউনিটের বর্তমান ধারন ক্ষমতা দ্বিগুণ করবে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, কোভিড এর প্রথম ধাক্কার সময় হতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে কারখানার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসা এই বহুজাতিক কোম্পানি  ইপিজেড অভ্যন্তরে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার মাধ্যমে সকল শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরন, বিনামূল্যে ঔষধ সেবা প্রদান, বিনামূল্যে মাস্ক ও সেনিটাইজার সরবরাহ সহ নানাবিধ সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় কোম্পানিটি এবার ও,এস,এম,এস (ওয়ান স্টপ মেডিকেল সার্ভিসেস) কর্মসূচী চালু করেছে। এই কর্মসূচীর মাধ্যমে কোম্পানীর সকল কর্মীর জন্য যে কোন সময় কোভিড শনাক্তকরণ পরিক্ষা,  প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এ্যম্বুলেন্স ও জরুরী ভিত্তিতে ঔষধ সরবরাহ সেবা নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। মংলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসক সামগ্রী প্রদান এই ও,এস,এম,এস  কর্মসূচীরই একটি অংশ। ইতিমধ্যেই কোম্পানিটি ইপিজেড এর এ্যম্বুলেন্স ক্রয়ে বৃহৎ অংশীদারী ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়াও কর্মীদের নিয়মিত হেলথ চেক আপ ও বিমামূল্যে ঔষধ প্রদান, চিত্তবিনোদন মূলক অনুষ্ঠান আয়োজন, সামাজিক দায়িত্ব থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করন সহ নানাবিধ কর্মসূচী পালনে এই কোম্পানীর ভূমিকা অনুকরনীয়। মংলা উপজেলার প্রায় দশ শতাংশ পরিবার হতে ৩৬০০ দক্ষ কর্মী বর্তমানে ভিআইপিতে কর্মরত। বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে উদাহরণ তৈরী করে কোম্পানিটি লে অফ কালীন সময়েও সকল কর্মীদের বেতন ভাতা প্রদান করেছে।

কদম ফুল রেজাউল করিম রোমেল

কদম ফুল রেজাউল করিম রোমেল


বর্ষার বৃষ্টিতে ফুটেছে কদম ফুল।
ও কদম ফুল
অপূর্ব রূপে সুগন্ধ ছড়াও,
ভরিয়ে দাও মন।
অঝোর ধারায় বয়ে যাওয়া বৃষ্টি,-
টিনের চালে ঝনঝন শব্দ
শিহরিত হয়ে ওঠে শরীর হৃদয় স্পন্দন।
ও কদম ফুল
তোমার জন্য লিখেছি
কত কবিতা কত গান।
অপূর্ব রূপে সুগন্ধ ছড়াও,
ভরিয়ে দাও মন
ও কদম ফুল।