সাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

সাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন


আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃ "অপরাধীর সংবাদ প্রচারে আমরা অঙ্গিকার বদ্ধ" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে,  সাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসাহ উদ্দীপনায় কেক কেটে দোয়া ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। 

বুধবার (৯ ডিসেম্বর-২০২০) বিকাল ৫ টার সময় সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ কেন্দ্র (সংগ্রাম হাসপাতাল এর সামনে) সাতক্ষীরা জেলা ক্রাইম রিপোটার্স এসোসিয়েশন এর অফিসে,সাতক্ষীরা জেলা মাতৃজগত পত্রিকার সকল প্রতিনিধিবৃন্দ আয়োজিত উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে, জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সাতক্ষীরা ব্যুরো এম ইদ্রীস আলি'র  সভাপতিত্বে ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি বি এম মাসুদুর রহমান এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক, সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আবুল কালাম, বিশেষ অতিথি  হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ এর সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি   ও বাংলাদেশ ক্রাইম সংগঠন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম সাদী, ভোরের পাতার জেলা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার প্রতিনিধি ডাঃ মহিদার রহমান

আরো উপস্থিত ছিলেন, মাতৃজগত টিভি'র সাতক্ষীরা সদর প্রতিনিধি মোঃ মনিরুল ইসলাম, সময় বার্তা অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন, সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শেখ হাসান গফুর, দৈনিক সংযোগ বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ আবু সাইদ, দৈনিক রাজপথের দাবি পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শাহনওয়াজ মাহমুদ রনি প্রমুখ।

আলোচনা সভায় আলোচকবৃন্দ জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার শাফল্য কামনা করে, সাংবাদিকদের সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা করেন।

সাতক্ষীরা উপজেলা ও জেলার শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" সম্মাননা পেলেন - জ্যোৎস্না আরা

সাতক্ষীরা উপজেলা ও জেলার শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" সম্মাননা পেলেন - জ্যোৎস্না আরা
সাতক্ষীরা উপজেলা ও জেলার শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" সম্মাননা পেলেন - জ্যোৎস্না আরা
স্টাফ রিপোর্টার : সাতক্ষীরা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"সম্মাননা পেলেন জ্যোৎস্না আরা। বুধবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল।এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক
(চলতি দায়িত্বে) এ,কে এম শফিউল আযম।


মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের" উদ্যোগে দেশব্যাপী পরিচালিত "জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ" শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় "সমাজ উন্নয়নে অসামান্য
অবদান রেখেছেন যে নারী "ক্যাটাগরিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন জ্যোৎস্না আরা। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ" ও "বেগম রোকেয়া দিবস" ২০২০
উদযাপন উপলক্ষ্যে, সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয়তার শীর্ষে সাতক্ষীরার শিশু ও নারী সমাজের ভাগ্যোন্নয়নে এবং সুবিধা বঞ্চিত নারী সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বর্তমান সময়ে নারী নেতৃত্বের
বিকল্প নেই। গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের প্রাণের নেত্রী সততা, যোগ্যতার বিচারে সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান, গণ মানুষের প্রিয় মুখ  নারী জাগরণ ও নারী আন্দোলনের ''অগ্নিকন্যা'' জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা পৌরসভার (সংরক্ষিত) ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর জ্যোৎস্না আরা। তিনি ১৯৯০ সালের ছাত্র আন্দোলনে স্বৈরাচার বিরোধী গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন। 
কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে পর্যায়ক্রমে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের
আহবায়ক, জেলা ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের সাহসী মুজিব সৈনিক জাতিরজনক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুজিব কন্যা মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও আদর্শে আদর্শিত ব্যক্তিত্ব জ্যোৎস্না আরা একজন সাদা মনের মানুষ। দ্বীনি মেহনতি শ্রমজীবী খেটে খাওয়া সাধারণ নিরীহ মানুষের সুখ-দুঃখের সব সময়ের সাথী জ্যোৎস্না আরা। এলাকার মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি ইতিমধ্যে শত শত উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য নারী সমাজের কাছে তুলে ধরে নারীদের সুসংগঠিত করে নারী জাগরণের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। 
সেই জ্যোৎস্না আরা মহান নারী নেত্রী গণমানুষের
প্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ,  নিরক্ষতা দূরীকরণ,  মাদক,জঙ্গি, সন্ত্রাস, নারী পাচারসহ বিভিন্ন সচেতনতা মূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে সফলতা অর্জন করেছেন। দেশের সংকটকালীন সময়ে বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়,বন্যা, বৈশ্বিক মহামারী করোনা চলাকালীন সময়ে সর্বোচ্চ  শ্রম দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন।

অসুস্থ্য প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার পাশে ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা

অসুস্থ্য প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার  পাশে  ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা


মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, ঝিকরগাছা প্রতিনিধিঃ
ঝিকরগাছা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়ন বহিরামপুর গ্রামের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আব্দুল কাদের খান দীর্ঘদিন অসুস্থ্য ছিলেন। তার দীর্ঘদিন অসুস্থতার খবর জানতে পেরে তার শারীরিক খোঁজ খবর নিতে  যান ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম রেজা। তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট  আব্দুল কাদের খাননের  দ্রুত সুস্থতা ও আশু রোগমুক্তি কামনা করছেন।

শিক্ষা ব্যয় ৫০% মওকুফের দাবিতে মোহনগঞ্জে ছাত্র ইউনিয়নের মানব বন্ধন

শিক্ষা ব্যয় ৫০% মওকুফের দাবিতে মোহনগঞ্জে ছাত্র ইউনিয়নের মানব বন্ধন
শিক্ষা ব্যয় ৫০% মওকুফের দাবিতে মোহনগঞ্জে ছাত্র ইউনিয়নের মানব বন্ধন

আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি নেত্রকোনাঃনেত্রকোনার মোহনগঞ্জে করোনাকালীন সময়ের  শিক্ষা ব্যয় ৫০% মওকুফ করার দাবীতে ছাত্র ইউনিয়নের মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে  মোহনগঞ্জ পৌর শহরের সৈয়দ মোড়ে উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের উদ্দোগে এ মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি পার্থ প্রতিম সরকার,সহ সভাপতি অনন্ত সরকার,উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ঐশ্বর্য আরেফিন ঋতু,সাংগঠনিক সম্পাদক রেফায়েত উল্লাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম হিমেল দপ্তর সম্পাদক বাধন মিয়া, স্কুল ছাত্র সম্পাদক চায়না আক্তার প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা মোহনগঞ্জ সহ সারা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করোনাকালীন সময়ের শিক্ষা ব্যায় ৫০% মওকুফের দাবী জানান, ইউল্যাব শিক্ষার্থী সাদাত মাহমুদ ও রায়হান আতিকের উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের ও দাবী জানান।

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী স্বাস্থ্য কমিটির সভা

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী স্বাস্থ্য কমিটির সভা


আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে উপজেলা প্রতিবন্ধী স্বাস্থ্য কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুদেষ্ণা সরকারের সভাপতিত্বে এসময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, সিনিয়র সুপারভাইজার শাহিনুর ইসলাম, এপিটি ফয়সাল মীর, এমআইএস এণ্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার আরিফুল ইসলাম, সিএম বরুণ কুমার সরকার, ডিপিও আশাশুনির সভাপতি সাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিগত ৬ মাসের প্রকল্পের অগ্রগতি আলোচনা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য ও পূনর্বাসন সেবা আরও সম্প্রসারণ করে তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে সাবলম্বী করে তুলে সমাজের মুল স্রোতে ফিরিয়ে নিতে সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

লাকসাম আন্তর্জাতিক নারী নিযার্তন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস’২০ উদযাপন

লাকসাম  আন্তর্জাতিক নারী নিযার্তন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস’২০ উদযাপন
লাকসাম  আন্তর্জাতিক নারী নিযার্তন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস’২০ উদযাপন
মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজ,(লাকসাম)প্রতিনিধিঃ "শেখ হাসিনার বারতা, নারী পুরুষ সমতা" এই শ্লোগান কে সামনে রেখে লাকসাম জয়িতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়েছে।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে লাকসাম উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ.কে.এম  সাইফুল ইসলাম সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মোঃ ইউনুস ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, "কমলা রঙের বিশ্বে নারী, বাধার পথ দেবেই পাড়ি" এবছরের প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০২০ উপলক্ষে "জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ" কার্যক্রমের আওতায় এবারে ৫ টি ক্যাটাগরির মধ্যে  উপজেলার ৫জনকে জয়িতাকে এ সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পড়শী সাহা প্রমূক।

জয়িতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের লাকসাম অন্যান্য কর্মকর্তা, বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ  , এনজিওর নারী নেতৃবৃন্দ,অনেক নারীরা এবং প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ  বিভিন্ন পেশাজীবীর মানুষগন উপস্থিত ছিলেন। 

আ‌লোচনা সভা শে‌ষে,পাঁচ ক‌্যাটাগ‌রী‌তে সাফল‌্য অর্জনকারী জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় আলোচকরা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত এবং বেগম রোকেয়ার জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন।লাকসাম বেগম রোকেয়া দিবস'২০ উদযাপন উপলক্ষে জয়িতা সম্মাননা ও ক্রেস্ট পেয়েছে ৫ নারী।


ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা-কর্মীরা প্রস্তুত-মজন

ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা-কর্মীরা প্রস্তুত-মজন
ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা-কর্মীরা প্রস্তুত-মজন
মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়া জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি, বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্য অবমাননা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি বগুড়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টেম্পল রোড সাতমাথায় মুজিব মঞ্চে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা শাখার সভাপতি ভিপি সাজেদুর রহমান সাহীন এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুলফিকার রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু। বিশেষ অতিথি বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগ এর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ কে এম আসাদুর রহমান দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডঃ জাকির হোসেন নবাব, জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশিষ পোদ্দার লিটন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুর রাজ্জাক তিতাস। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ইতিহাসের মিমাংসিত বিষয় নিয়ে একটি উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী দেশব্যাপী ধর্মীয় বিভেদ তৈরীর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

৭১'র পরাজিত শক্তি আবার মাথা চারা দেওয়ার চেষ্টা করছে তারা বার বার ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। যার জন্ম না হলে এই স্বাধীন সার্বভৌমত্ব পেতাম না, যার জন্ম না হলে লাল সবুজের পতাকা পেতাম না, যার জন্ম না হলে আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারতাম না সেই মহান নেতা, বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাস্কর্যকেই আঘাত করেনি তারা বাংলাদেশকে আঘাত করেছে। তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে ভাস্কর্য রয়েছে। এই ভাস্কর্য সেই দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বহন করে। অনেক বারাবারি করেছেন, এখন থামুন, আর বারাবারি করেন না। যদি করেন, তাহলে আমরা আর ঘরে বসে থাকবো না। উগ্র সাম্প্রাদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠীর সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা-কর্মীরা প্রস্তুত।

আরো উপস্থিত ছিলেন, আবু জাফর সিদ্দিকী রিপন, প্রভাষক মনিরুজ্জামান মনির, গোলাম হোসেন, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, মহিদুল ইসলাম, নাজমুল কাদির শিপন, বনি ছদর খুররম, ওবাইদুল হক প্রিন্স, রেজাউল করিম রিয়াদ, নুরুন্নবী সরকার, আরিফুল হক বাপ্পী, মশিউর রহমান মামুন, মীর জোবায়ের জয়, হযরত আলী, আব্দুল ওয়াদুদ পাপ্পু, খালেকুন্নাহার পলি, রশ্মি স্বর্ণা, সুলতান মাহমুদ প্রিন্স, ইমরান হোসেন রাজু, জাকিউল ইসলাম লিচু, শাহিন আলম, মাসুদ রানা, মামুনুর রশিদ, প্রভাষক মামুন, প্রভাষক রাজু, মিনহাজুল ইসলাম, রাশেদ ইসলাম, আব্দুল হাকিম, সোহানুল ইসলাম, নাসিমুল বারী নাসিম, আতাউর রহমান, আতা, মশিউর রহমান মন্টি, মোঃ লিটন শেখ, মোঃ নুরুজ্জামান, সুলতান মন্ডল সজল, সাইফুল ইসলাম, মানিক, সহ জেলা শাখা, পৌর শাখা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

আমরা আজ স্বাধীন; খুঁজে পেয়েছি সুন্দর সুফলা সোনার বাংলাদেশ

আমরা আজ স্বাধীন; খুঁজে পেয়েছি সুন্দর সুফলা সোনার বাংলাদেশ



আমাদের দেশ আজ স্বাধীন হয়েছে। আমরা আমাদের সন্তানদের,ছাত্রজনতা,বাংলার কৃষক ও রাখালের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি আজকের বাংলাদেশ।আমরা শতভাগ কষ্টের পরেও পেয়েছি স্বাধীনতা"এই আনন্দ হাজারো ১৫ ই আগষ্ঠের কথা ভুলিয়ে দিতে পারবেনা কখনও স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীন বাঙালীদের।আমরা কখনোই আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সেই শোকের মাতবের পরেও যে স্বাধীনতা পেয়েছি সেই স্বাধীনতা ও শোক দুটোই সবসময় আমাদের হ্নদয়ের মাঝেই থাকবে অনন্তকাল।

আমার জন্ম ১৯৮০ সালের ২৮ ডিসেম্বর,বাবুগঞ্জ থানার রমজান,কাঠী গ্ৰামের সন্ধ্যা নদীর পাশেই রহিম গঞ্জ ইউনিয়নের পাশে ই অবস্তিত শহীদ ক‍্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করি।ঠিক সে সময় থেকেই আমি আমার দেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমি যে বিদ্যালয় থেকে এস এস সি পাশ করি সেই বিদ্যালয় ছিলো আমাদের দেশের জন্য যে সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়ে ছিলেন তাদের মধ্যে বীর শ্রেষ্ঠ মহীউদ্দীন জাহাঙ্গীর ছিলেন একজন।তাই হয়তো আমি আমার দেশের প্রতি, দেশের মানুষের জন্য ভালো বাসা একটু বেশি ই অনুভব করি। সবচেয়ে বড় কথা হলো যে আমাদের দেশ গড়ে তুলতে, দেশের ভাষাকে,পাকিস্তানি পাকহানাদার বাহিনীর কাজ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে এবং আমাদের কে দিয়েছেন মাটি ও এদেশের মানুষের মুখে সুখের হাসি ।সেই মা ও আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ভাষা কে যিনি কঠোর সংগ্ৰামী হয়ে মৃত্যুর কথা না ভেবেই জেগে উঠেছিলেন শুধুমাত্র একটি সুন্দর ও সবুজ সোনার বাংলাকে এদেশের মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিতেই।

বঙ্গবন্ধু পেরেছিলেন এবং তার কথা রেখেছেন এবং উপহার দিয়েছেন বাঙ্গালী জাতিকে সৌন্দর্য ঘেরা সবুজ সমারোহের এই লাল-সবুজের সোনার বাংলাদেশ ও আমাদের প্রিয় ও মাতৃভাষা বাংলা ভাষা কে।যার অবদান অন্য কেউ দিতে পারবেনা কখনোই।সেই বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে কিভাবে এই দেশের মানুষ ভুলে যাবে।অসম্ভব কেউ কখনোই ভুলে যেতে পারবেনা, যতদিন মানুষের মধ্যে একবিন্দু রক্ত থাকবে।কিইবা দোষ ছিল আমাদের মহান নেতর যার কারণে তাকে সহ তার পরিবারের সদস্যদের নিস্ব:সংশ ভাবে হত্যা করেছিল রঙ্গের বণ‍্যা বইয়ে দিয়েছিল ধানমন্ডির ৩২ বাড়িতে।রক্তের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল সাড়া বাড়ি এমনকি শিশু রাসেল কে ছেড়ে দেয়নি হানাদার বাহিনীরা।সমস্ত বাড়ি গুলির শব্দে যেনো ভোরের ফজরের আযানের ধ্বনি শুনতে পাওয়া গিয়েছিল।নিমূল‍্য করে দিয়েছিলেন এদেশের কিছু নরপিশাচ সহ পাকহানাদার বাহিনীরা।দোষ যদি থেকেই থাকে তাহলে আমি বলবো, একটি কথা যেটা তিনি আমাদের কে এই বাংলাদেশের বুকে লাল-সবুজের পতাকা ও একটি চিরসবুজ সোনার বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন,তবে কি এটাই ছিলো কি মহান নেতার দোষ?


আমার ছোট এই প্রশ্নটি থাকবে এদেশের সকল মানুষের প্রতি।সকল বাঙ্গালীর প্রতি।আমাদের দেশের গরীব,অসহায় ও দুখিদের জন্য যে সুখের সময়ে সকলের পাশাপাশি দাড়িয়েছে এবং ভালো মন্দ খবর নিয়েছে।যে মহান নেতা পাশে থাকতেন সবসময় বাঙ্গালীর।এই কথা কখনোই কোনো বাঙ্গালী ভুলে থাকতে পারবেনা।আমরা এবং আমাদের সন্তানেরা সবসময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই এবং সেই রক্তাক্ত আগষ্টের কথা ও পাওয়া স্বাধীনতার কথা ভেবেই যেনো আমাদের দেশের সবাই মিলে মিশে সুন্দর ও সুখের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।সবসময় আমাদের বুকের গভীরে রাখবো আমাদের জাতির জনকে।কবিদের সেই মন কেড়ে নেওয়া ভাষাকে মনে করে;

"তুমি আঁখিতে বিচরণ করিয়াছ,তোমার তুলনায় অন্য কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবেনা এই বাংলায় এবং আসবেনা কভূ ফিরে কোনো জনক ,কোনো দেশ দরদী এই বাংলাদেশের মাটিতে হে,জনক তুমি ১৮কোটি বাঙ্গালীর বুকের গভীরে যতদিন থাকবে পদ্ভা,মেঘনা ও যমুনা ততদিন থাকবে বঙ্গবন্ধু তোমার গড়ে তোলা এই সোনার বাংলাদেশ!! দ্বিতীয় কোনো মুজিব আসবেনা তবে আমরা চাইবো আমাদের জনকের মতোই এই স্বাধীন বাংলাদেশকে ভালোবাসা দিয়ে রাখতে, যেখানেই দেখবো অন‍্যায় অত্যাচার সেখানেই ছুটে যাবো অন‍্যায়কারীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে।তুমি বীর তুমি, বীর বাহাদুর, তুমিই শুধু ছিলে এই দেশ গরাইবার একমাত্র বাংলার কারিগর।যাকে বিশ্ববাসী চিনে থাকেন বাঙ্গালী জাতির জনক হিসেবে।।

আমি নিজের আঁখি ঢালিয়া,চাইয়া রইবো,ঐ ১৫ ই আগষ্ঠের পানে যদিও ফিরে পাবনা তোমায় তুমি তবুও রহিবে মিলে মিশে বাংলাদেশের প্রতি ক্ষনেক্ষনে।তপ্ত সুখে হাসিয়া বেড়াইতে যেন কাদিবেনা কারো হিয়া দেশ দিয়েছো আরো মাতৃভাষা বাংলা তুমি কভু মরিবেনা থাকিবে মনের মাঝেই,এই দেশের মাটিতে সবুজের সমারোহে রহিবে জাগ্ৰত হইয়া।তবুও হৃদয় মোর থাকে সবসময় আকুল হইয়া অগ্নিঝরা সেই আগষ্ঠের মাঝে যেনো অগ্নিশিখা হইয়া থাকবে বেঁচে যুগ যুগান্তর

(নবীন লেখক ও সাংবাদিক:)
মোঃ ফিরোজ খান)

আশাশুনির হাজরাখালি ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

আশাশুনির হাজরাখালি ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

আহসান উল্লাহ বাবলু  আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃআশাশুনি উপজেলার শ্রীউলার বহুল আলোচিত হাজরাখালি ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে এ ভেড়ীবঁাধ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন, শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়নে ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে অ্যাডভাইজার মনিরুল ইসলাম, প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার বিজয় কৃষ্ণ দাশ, অ্যাকাউন্ট্যান্ট কনক কাঞ্চন দেবনাথ, গাজিপুর কুড়িগ্রাম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান, মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিয়ার রহমান, সহকারি শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, এ্যাডমিন এসিস্ট্যান্ট ইজাজ আহমেদ রুমি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ডিআইআরডি ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড কতর্ৃক নির্মানাধীন ভেড়ীবঁাধের কাজ উদ্বোধনকালে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, অবসরপ্রাপ্ত সুপার ও মাড়িয়ালা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ছাইদুল ইসলাম।

নগরকান্দায় অগ্নিকান্ডে দু'টি বসত ঘর পুড়ে ছাই

নগরকান্দায় অগ্নিকান্ডে দু'টি বসত ঘর পুড়ে ছাই
নগরকান্দায় অগ্নিকান্ডে দু'টি বসত ঘর পুড়ে ছাই

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ নগরকান্দা ফরিদপুরের নগরকান্দায় চরযশোরদী ইউনিয়নের রামেরচর এলাকায় চোকদার বাড়ীতে অগ্নিকান্ডে ২টি বসতঘর পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার রাতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০.০০ টায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। পার্শ্ববর্তী এলাকায় ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিল হওয়ায় বাড়ীতে কোন লোকজনের উপস্থিতি ছিল না। যার ফলে মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুনের লেলিহান দেখে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে। আগুন নিয়ন্ত্রনের আগেই অগ্নিকান্ডে সিরাজ চোকদার ও সালাম চোকদারের ২টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুরোপুরি পুড়ে যায়।  চরযশোরদী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান সাহেব ফকির বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জেনেছি। আগুনে ২টি বসত ঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখনও নিরুপন করা যায়নি । তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে কিছু নগদ আর্থিক সহযোগিতা করেছেন বলে তিনি জানান।

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক 

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে একশ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুইজনকে আটক করেছে ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, উপজেলার নিশ্চিন্তপুর (মধুগঞ্জ) এলাকার  মৃত ওবাইদুল ইসলামের ছেলে নিহাল হাসনাইন লিপু (৩৪) ও ফয়লা মাষ্টারপাড়া এলাকার স্বপন দাসের ছেলে সমীত দাস বাবু (৩২)। সিপিসি-২, ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামাল উদ্দিন এক ই-মেইল বার্তায় জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নিশ্চিন্তপুর শ্মশান সংলগ্ন লিপুর হলুদের চাতালের একটি ঘর থেকে একশ বোতল ফেনসিডিলসহ তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫টি মোবাইল সেট, ১০টি সীম কার্ড ও নগদ ১৫ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। র‌্যাবের একটি সুত্র জানায়, কালীগঞ্জ এলাকায় জনপ্রতিনিধিদের আত্মীয় স্বজনরা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। ইতিপুর্বে বারোবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালামের স্বজনদের আটক করেছিল র‌্যাব।

কোটচাঁদপুরে আমন ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন করলেন --- এমপি চঞ্চল

কোটচাঁদপুরে আমন ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন করলেন --- এমপি চঞ্চল

  

কোটচাঁদপুরে আমন ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন করলেন --- এমপি চঞ্চল

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, খুলনা ব্যুরো প্রধানঃঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় সরকারি ভাবে চলতি আমন মৌসুমে অভ্যন্তরীন ধান ও চাউল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। চলতি মৌসুমে কৃষকদের নিকট থেকে ২৫৫ মেট্রিকটন ধান ক্রয় করা হবে বলে জানা গেছে।

বুধবার সকালে (৯ই ডিসেম্বর)  কোটচাঁদপুর সরকারি খাদ্য গুদামে ফিতা কেটে ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ শফিকুল আজম খান চঞ্চল।

এ সময় উপজেলা ধান-চাউল ক্রয় কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রিপন,উপজেলা আঃলীগের সাধারন সম্পাদক শাহাজান আলী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তাজুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিয়াজ হোসেন ফারুক, পৌর আঃলীগের আহবায়ক ফারজেল হোসেন মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক সহিদুজ্জামান সেলিম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জাহিদ হোসেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল আজিজ , কৃষি অফিসার মহাসিন আলী, বিআরডিপি অফিসার বাহাউল ইসলাম, সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাঈমুল হাসান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ  জানান, চলতি মৌসুমে কৃষকদের নিকট থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে ২৫৫ মেট্রিকটন ধান এবং মিলারদের নিকট থেকে ৩৭ টাকা কেজি দরে ৪০৮ মেট্রিকটন সিদ্ধ চাল ক্রয় করা হবে। উদ্বোধনে সরাসরি একজন কৃষকের নিকট থেকে এক মেট্রিকটন ধান ক্রয় করা হয়।

আশাশুনিতে রোকেয়া দিবসে আলোচনা সভা সম্মাননা ক্রেস্ট,অনুদান, ঋণের চেক বিতরণ

আশাশুনিতে রোকেয়া দিবসে আলোচনা সভা সম্মাননা ক্রেস্ট,অনুদান, ঋণের চেক বিতরণ
আশাশুনিতে রোকেয়া দিবসে আলোচনা সভা সম্মাননা ক্রেস্ট,অনুদান, ঋণের চেক বিতরণ
আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃআশাশুনিতে বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা সম্মাননা ক্রেস্ট,অনুদানের চেক ও ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম। আলোচনা সভা শেষে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে উপজেলা পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী শ্রেষ্ঠ পাঁচজন নারী জয়িতাকে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জনকারী নারী সুষমা রানী সরকার, শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী সেবা শিবানী মুখার্জি, সফল জননী রেনুকা রানী গাইন, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারী জেবুন্নাহার,সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান ও অগ্রণী ভূমিকা রাখায় নারী কামরুন নাহার রিনাকে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ৩৩ জন নারী উদ্যোক্তাকে ৪৮ হাজার টাকা ঋণ ও ৭টি সংগঠনকে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির পল্লীসমাজ সহায়তা ও জয়িতা নারী সংগঠন ও উপজেলার অন্যান্য নারী সংগঠন অংশগ্রহণ করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মোসলেমা খাতুন মিলি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, এফ ও উজ্জাল হোসেন  প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান।

দিনাজপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ

দিনাজপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ

মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে আঘাত করা মানে বাংলাদেশকে আঘাত করা, বাঙালি জাতির অনুভুতিতে আঘাত করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আঘাত করা। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই বাংলাদেশের নাগরিক আমরা। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে একই সূত্রে গঁাথা দেখি। এর যে কোনো একটির অপমানে আমরা সংক্ষুব্ধ হই।
৯ ডিসেম্বর বুধবার প্রেসক্লাব সম্মুখ সড়কে কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের অবমাননার প্রতিবাদে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ দিনাজপুর জেলা শাখা আয়োজিত ভাস্কর্য বিরোধী ও ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টিকারী উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এ কথা বলেন।
দিনাজপুর জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ছবি সিনহা'র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদা বেগম মুক্তার সঞ্চালনায় বক্তারা আরও বলেন, পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা স্বাধীনতা বিরোধীরা ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে দেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। আমরা বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আর কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র হলে যুব মহিলা লীগের নেতা কর্মীরা একজনকে ছাড় দেবে না। বক্তারা আরও বলেন, আমরা সবাই জানি ভাস্কর্য একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অন্যতম স্মারক। হাজার বছরের লড়াই-সংগ্রামের বীরত্বগঁাথা এবং শ্রেষ্ঠ মনীষীদের অবদানকে নতুন প্রজন্মের পরম্পরায় জীবন্ত করে রাখা। এই ভাস্কর্য নির্মাণের সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক বা বিরোধ নেই। হাজার বছরের মুসলিম সভ্যতার দিকেও যদি আমরা তাকাই তাহলে দেখব বিশ্বের অনেক ইসলামি দেশগুলোতে সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনের মধ্যে ভাস্কর্য অন্যতম প্রধান হিসেবে স্থান করে আছে। অথচ আমাদের এই প্রিয় মাতৃভুমিতে ধর্মের অপব্যখ্যা দিয়ে যারা ভাস্কর্যকে ইসলামবিরোধী বলে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহবান জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি আন্না অধিকারী, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজমুন নাহার ছন্দা, শহর যুব মহিলা লীগের আহবায়ক মলিভিয়া পারলিন, যুগ্ম আহবায়ক তিথি দে, যুব মহিলা লীগ নেত্রী সিলিভিয়া পারলিন, মমতাজ পারভীন লিপি, বৃষ্টি বসাক, গৌরী সেন, ইশরাত জাহান বর্ণী, শ্রাবন্তি গোস্বামী প্রমুখ। 

সাপাহারে নারী জয়িতাদের সংবর্ধনা

সাপাহারে নারী জয়িতাদের সংবর্ধনা

  

সাপাহারে নারী জয়িতাদের সংবর্ধনা

রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর,নওগাঁঃ "শেখ হাসিনার বার্তা, নারী পুরুষ সমতা" এই শ্লোগান কে সামনে রেখে নওগাঁর সাপাহারে নারী জয়িতাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১ টার দিকে  মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সাপাহার উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানেসভাপতিত্ব করেন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কল্যাণ চৌধুরী। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান হোসেন মন্ডল।

সংবর্ধিত জয়িতা বিজয়ীরা হলেন, অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী পাতাড়ী গ্রামের সারমিন খাতুন, শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ধন্টিপাড়া গ্রামের খাতিজাতুল কোবরা, সফল জননী নারী তেঘরিয়া গ্রামের মাহফুজা বিবি এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী; সাপাহার সদরের ইসফাত জেরিন মিনা।

এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  কৃষিবিদ মুজিবুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য ফাহিমা পারভীন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস সরকার, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সাহারা বানু, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান প্রমূখ।শেষে উপজেলা পর্যায়ে চারজন শেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা স্মারক হিসেবে সনদ পত্র ও ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও সমাবেশ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও সমাবেশ
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও সমাবেশ

সুমন হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃজাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। বুধবার সকাল ১১ টায়  বঙ্গবন্ধু মুর‌্যালের সামনে এই কর্মসূচী পালন করা হয়। এসময় বক্তারা বলেন, কুষ্টিয়ায় জাতির জনকের ভাস্কর্য ভেঙ্গে মৌলবাদি গোষ্টি যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে তা লাখ লাখ শহীদের রক্তের মুক্তিযুদ্ধকে আঘাত হেনেছে। ভাস্কর্য ও দেশ বিরোধী সাম্প্রদায়িক ধর্মন্ধ মৌলবাদিদের অবিলম্বে প্রতিহত করতে হবে। তাদের এই ধৃষ্টতা আগামী দিনে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে এজন্য মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শুভশক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান বক্তারা। তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা প্রবীন হয়েছে কিন্তু তাদের সন্তানদের শরীরে তাজা রক্ত বয়ছে।একাত্তরে এই মৌলবাদী অপশক্তিকে মুক্তিযোদ্ধারা জবাব দিয়েছে, এখন আবার তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে সাম্প্রদায়িক উগ্রতা দেখাতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা এবার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়ে দেবে। তারা আরো বলেন, ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে জনগণের হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুকে দূরে রাখা যাবে না। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। এসময় তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স বাহিনীর বৃহত্তর যশোরের ডেপুটি প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সহ সভাপতি খয়রাত হোসেন, হায়দার গণি খান পলাশ, একরাম উদ দৌলা, সাবেক জেলা কমান্ডার মাজহারুল ইসলাম মন্টু, রাজেক আহম্মেদ, শেখ আব্দুর রাজ্জাক, নজরুল ইসলাম, খাইরুজ্জামান রয়েল, গোলাম রসুল, ইসমাইল হোসেন, আব্দুস সালাম হেলালের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের জেলা সভাপতি কামরুজ্জামান, হিরোক চৌধুরী, তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

বদলগাছীতে বিপুল পরিমান মাদকসহ গ্রেফতার-২

বদলগাছীতে   বিপুল পরিমান মাদকসহ গ্রেফতার-২

বদলগাছীতে   বিপুল পরিমান মাদকসহ গ্রেফতার-২

রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর,নওগাঁঃ র‌্যাব-৫,সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কোম্পানী কমান্ডার এম. এম. মোহাইমেনুর রশিদ এর নেতৃত্বে নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানাধীন গন্ধবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান মদকদ্রব্যসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে।গত ৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে উক্ত এলাকায় জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের মাদক বিরোধী অভিযানের সময় জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলাধীন রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের চকবিলা গ্রামের মৃত ইব্রাহিম আলী সরদারের ছেলে মাহাবুবুল আলম (৩৮) ও পশ্চিম মাতাপুর গ্রামের মৃত আমিনুর রহমান সরকারের ছেলে লিটন হোসেন (৩০) কে ৮৮৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৮.৫ গ্রাম হেরোইন, ৩৭ বোতল ফেন্সিডিল, ১৪০ পিস বুপ্রেনোরফিন ইঞ্জেকশন ও একটি মোটর সাইকেলসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ হিলি ও পাঁচবিবি সীমান্ত এলাকা হতে বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে স্থানীয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আক্কেলপুর-বদলগাছি এলাকার যুবসমাজের নিকট সরবরাহ ও বিক্রয় করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে।

পটিয়ায় এলডিপি'র উদ্যোগে কাজী ইয়াকুব এর ১ম মৃত্যু বার্ষিকী পালন

পটিয়ায় এলডিপি'র উদ্যোগে কাজী ইয়াকুব এর ১ম মৃত্যু বার্ষিকী পালন

পটিয়ায় এলডিপি'র উদ্যোগে কাজী ইয়াকুব এর ১ম মৃত্যু বার্ষিকী পালন

সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর এলডিপি'র সভাপতি মরহুম কাজী মুহাম্মদ ইয়াকুব এর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ৯ ডিসেম্বর বুধবার সকালে কচুয়াই ইউপি কালা মসজিদ সংলগ্ন মরহুম এর কবরে খতমে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পরে মরহুম কবরে এলডিপি'র নেতা কর্মীরা পুষ্প মাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। পরে এলডিপি'র জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার উদ্যােগে এক স্বরণ সভা পৌর এলডিপি'র সভাপতি ইন্জিনিয়ার আবদু রশিদ এর সভাপতিত্বে পৌর সাধারণ সম্পাদক রাশেদ কবির আরমান এর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা এলডিপি'র সাধারণ সম্পাদক গেলালাম কিবরিয়া শিমুল, বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা এলডিপি'র সভাপতি মনছুর আলম, গনতান্ত্রিক যুবদল সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন পটিয়া পৌর নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মজিবুর রহমান, এলডিপি'র পৌর সিনিয়র সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রানা, উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদেরুজ্জমান, পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান, পৌর গনতান্ত্রিক যুবদল সভাপতি ও ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী গাজী আমির হোসেন, আবু সৈয়দ, পৌর এলডিপি'র যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলম, খরনা ইউপি সভাপতি আবদুর রশিদ, টিপু সোলতান, ছগির কানন,খোরশেদ আলম, মোঃ বেলাল প্রমুখ।-

সভায় বক্তারা বলেন,বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের কাজী মুহাম্মদ ইয়াকুব একজন সাহসী সিপাহসালার ছিলেন। শত নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল-জুলুম, হামলা-মামলা উপেক্ষা করে কাজী মুহাম্মদ ইয়াকুব সাহসী নেতৃত্বে আন্দোলন বীর পটিয়া তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছিল। কাজী ইয়াকুব এলডিপি'র একজন ত্যাগি নেতা ছিলেন কাজী ইয়াকুব এর অভাব এলডিপি'র তে কোনোদিন পূরণ হবে না। তার আত্মার শান্তি কামনা করেন

আত্রাইয়ে রোকেয়া দিবসে ৩ জয়িতা সংবর্ধিত

আত্রাইয়ে রোকেয়া দিবসে ৩ জয়িতা সংবর্ধিত
আত্রাইয়ে রোকেয়া দিবসে ৩ জয়িতা সংবর্ধিত
রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ কার্যক্রমের আওতায় জয়িতাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছানাউল  ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার ফজলুল হক এর সঞ্চালনায় জয়িতা অন্বেষন বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মসুচী বাস্তবায়নে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ দত্ত, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, জেলা পরিষদ সদস্য ফেরদৌস আরা চৌধুরী, আত্রাই প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ রুহুল আমীন, উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার আমিনুল হক, উপজেলা সমবায় অফিসার নিজাম উদ্দিন প্রমুখ।
পরে শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত ৩জন জয়িতাকে সনদ ও ক্রেষ্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। 


জহির আহমেদ গানের কিংবদন্তি- মোমিন মেহেদী

জহির আহমেদ গানের কিংবদন্তি- মোমিন মেহেদী


নিউজ ডেস্কঃ প্রেস ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী বলেছেন, দুইবাংলার সাড়া জাগানো গান ‘যদি সব সাগরের জল’-এর কন্ঠশিল্পী জহির আহমেদ গানের কিংবদন্তি। তাঁর যথাযথ মূল্যায়ণ হওয়া সময়ের দাবি।৭ ডিসেম্বর সকাল বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত স্বাধীনতা-স্বাধীকার-বঙ্গবন্ধু ও আধুনিক অসংখ্য গানের রুপকার জহির আহমেদ-এর সাথে অনলাইন প্রেস ইউনিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় অনলাইন প্রেস ইউনিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা বরেণ্য এই শিল্পীকে বইশুভেচ্ছা জানান। উপস্থিত ছিলেন মো. জসেদ, কবির সিকদার প্রমুখ।

কন্ঠশিল্পী জহির আহমেদ এসময় বলেন, নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরাও আমাকে মনে রেখেছে জেনে আমি আনন্দিত। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে আমার অর্ধশত গান রয়েছে। যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি পেলে যথাযথভাবে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌছে দেয়া সম্ভব। আমি গান গাই পাওয়ার আশায় নয়; অবিরাম দেয়ার নেশায়। শত শত গানে আমি অবিরত বাংলাদেশ-স্বাধীনতা-বঙ্গবন্ধু-ভাষা আন্দোলন আর ভালোবাসার রঙ দিয়েছি। যাতে করে এই গানের মাঝে জীবন্ত হয়ে থাকতে পারি সুরে সুরে।
এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, নিরন্তর নিবেদিত এই মহান শিল্পীর মূল্যায়ণ হলে ঋদ্ধ হবে বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গণ-ঋদ্ধ হবে বাংলাদেশের শিক্ষা-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক মহল।  

নওগাঁর আত্রাইয়ে সরিষার ফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে সারা মাঠ

নওগাঁর আত্রাইয়ে সরিষার ফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে সারা মাঠ

নওগাঁর আত্রাইয়ে সরিষার ফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে সারা মাঠ
রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর আত্রাইয়ে অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষার ফুল। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত যেমন মাঠ, তেমনি বাম্পার ফলনের হাতছানিতে কৃষকের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। যেন সরিষার হলুদ হাসিতে স্বপ্ন দেখছে কৃষক।
রাস্তার দুই পাশ জুড়ে হলুদের সমারোহ। মাঠে মাঠে ছেয়ে গেছে সরিষার ক্ষেত। সবুজের আগায় ভরা হলদে সরষে ফুলে মৌমাছির ঘুরপাক। বাতাসে দুলছে সরিষা ফুল, হাসছে কৃষক। দিগন্ত জোড়া সরিষার বাম্পার ফলনে বেজায় খুশি কৃষকের মন।

চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলার আত্রাই  উপজেলায় উন্নত জাতের সরিষা চাষ হচ্ছে । বেড়ে ওঠা গাছ আর ফুল দেখে বেশি ফলনের স্বপ্ন দেখছেন উপজেলার কৃষকরা। গত বছর স্থানীয় বাজারে উন্নত জাতের সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা এবারও সরিষা চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর প্রত্যেক চাষি বেশি মুনাফা লাভ করবে।

চাষকৃত সরিষার বেশির ভাগই ফুল এসে গেছে
এদিকে চলমান ঘন কুয়াশা বেশি দিন স্থায়ী হলে সরিষার ফলনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে
শীতের স্থায়িত্ব কমে আসে তাহলে আবাদে কোনো প্রভাব পড়বে না।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে যানা যায়, সম্পূরক রবি শস্য হিসেবে সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে সরিষা বীজ প্রদান করা হয়েছে। এরই মধ্যে চাষকৃত সরিষার বেশির ভাগেই ফুল এসে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

উলেখ্য,বারি-১৪ সহ অন্যান্য সরিষা বপনের মাত্র ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে এর ফলন পাওয়া যায়। এ সরিষা উঠিয়ে আবার
 বোরো আবাদ চাষ করা যায় বলে একে কৃষকরা 'লাভের ফসল' হিসেবে অভিহিত করে থাকেন।


মোংলায় বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন

মোংলায় বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন
মোংলায় বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন
 মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ মোংলায় আন্তর্জাতিক নারী নিযার্তন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০ উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পযার্য়ে নিবার্চিত শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"দের সম্মাননা দেয়া হয়েছে।উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন (জীবনের জন্য প্রকল্প) ও চালনা বন্দর মহিলা সমিতির সহযোগীতায় বুধবার সকালে অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার কমলেশ মজুমদার। 

এ সময় অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে ঝর্ণা  আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ডা: মৌসুমী আফরোজা মৌ, সফল জননী কদবানু বেগম, নিযার্তনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন গড়ায় সাবিনা খাতুন ও সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় শিপ্রা হালদারের হাতে জয়িতা সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি কমলেশ মজুমদার। 

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী, উপজেলা কৃষি অফিসার অনিমেষ বালা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ইশরৎ জাহান, সোনাইলতলা ইউপি চেয়ারম্যান নাজরিনা বেগম, মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান ইস্রাফিল হাওলাদার, বুড়িরডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান নিখিল চন্দ্র রায়, সাংবাদিক আবু হোসাইন সুমন, এনজিও কর্মকর্তা  আনিদ্য সুলতানাসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোংলা সরকারী কলেজের প্রভাষক এস,এম মাহবুবুর রহমান। 

আজ বেগম রোকেয়া দিবস

আজ  বেগম রোকেয়া দিবস


মোঃআকাশ সরকারঃ প্রতিবছর এই দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়।
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, জন্ম ৯ ডিসেম্বর ১৮৮০ রংপুর জেলার,মিঠাপুকুর থানার,পায়রাবন্দ। 
(মৃত্যু  ৯ডিসেম্বর  ১৯৩২ কলকাতা)বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, বেগম রোকেয়া নামে অধিক পরিচিত। তিনি হলেন  একজন বাঙালি চিন্তাবিদ, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।তিনি বাঙ্গালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং প্রথম বাঙ্গালি নারীবাদী। ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে বিবিসি কতৃক আয়োজিত 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ' জরিপে ষষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছিলেন বেগম রোকেয়া। ছোট গল্প কবিতা, উপন্যাস,বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, প্রবন্ধ সহ বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় অসামান্য অবদান রাখে। বিভিন্ন প্রবন্ধগ্রন্থে রোকেয়া নারী-পুরুষের সমকক্ষতার যুক্তি দিয়ে নারীদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করে সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় আহ্বান জানিয়েছেন এবং শিক্ষার অভাবকে নারীপশ্চাৎপদতার কারণ বলেছেন।বেগম রোকেয়ার স্বীকৃতি বাংলাদেশের ৭ম বিভাগ রংপুরে বেগম রোকেয়ার স্মরণে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালের ৮ অক্টোবর। ১৯৬০ এর দশকে বগম রোকেয়া নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্রী হল চালু করা হয়।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের আবাসিক হল 'বেগম রোকেয়া হল' প্রতিষ্ঠা করা হয়।প্রতিবছর  ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়ার স্মরণে 'রোকেয়া দিবস' পালন করা হয়।
নারী উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য বিশিষ্ট নারীদের 'বেগম রোকেয়া পদক' প্রদান করা হয়।রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে পৈতৃক ভিটায় ৩ দশমিক ১৫ একর ভূমির উপর নির্মিত হয়েছে 'বেগম রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্র' এতে অফিস ভবন, সর্বাধুনিক গেস্ট হাউজ, ৪ তলা ডরমেটরি ভবন, গবেষণা কক্ষ, লাইব্রেরি ইত্যাদি রয়েছে। স্মৃতিকেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়।তার অসাধারণ কাজের জন্য আজীবন বাংলার মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসকের সাথে বেসরকারী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির নেতৃবৃেন্দের সাক্ষাৎ

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসকের  সাথে বেসরকারী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির নেতৃবৃেন্দের সাক্ষাৎ

মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি :দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো: মাহমুদুল আলম বলেছেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শনা অনুযায়ী সারাদেশের মত দিনাজপুরে আমরাও স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষে সর্বাত্বক কাজ করছি। তিনি বলেন, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক ব্যবসায় কেউ অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে কোনোরুপ ছাড় দেয়া হবেনা। সাধারন মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবশ্যই মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে হবে,স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সরকারের যা কড়া নিদের্শনা রয়েছে তা কঠোর ভাবে বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর।
৯ ডিসেম্বর বুধবার সকালে দিনাজপুর বেসরকারী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সভাপতি ডা: মো: মনসুর আলী ও সাধারন সম্পাদক মো: আতিকুর রহমান নিউ'র নেতৃত্বে নবনির্বাচিত কার্য্য নির্বাহী কমিটির নেতারা জেলা প্রশাসক মো: মাহমুদুল আলমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেন। দিনাজপুর বেসরকারী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি আরো বলেন, আপনারা সততার সাথে জনগনকে পরিচ্ছন্ন সেবা প্রদান করবেন,মানুষকে হয়রানী করা চলবেনা। সে লক্ষে প্রশাসনের কাজ হিসেবে সরকারী নিয়ম নীতির বাহিরে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি সহ্য করা হবেনা।
এসময়ে মত বিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন, -সভাপতি ডাঃ মমতাজ বেগম পলি, সহ- সভাপতি ডাঃ মোহাম্মদ আলী, সহ- সভাপতি আসাদুর রহমান ভূঁইয়া তপন, সহ- সভাপতি সৈয়দ সোহেল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো: আতিকুর রহমান নিউ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আকতারুজ্জামান সবুজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু রায়হান ইভা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বজলুর রশীদ বুলু, কোষাধ্যক্ষ মো: আতিকুর রহমান, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ মোঃ আইয়ুব আলী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক বিশ্বজিৎ কুমার রায়, আইন  বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাকিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, কার্যনির্বাহী সদস্য  মোঃ তোফায়েল আহমেদ, নুর,কার্য্য নির্বাহী সদস্য মো: লাবু প্রমুখ।



ভোলার দৌলতখানে জেলেদের মাঝে নৌকা বিতরন করলেন বিজিবি

 ভোলার দৌলতখানে জেলেদের মাঝে নৌকা বিতরন করলেন বিজিবি
 ভোলার দৌলতখানে জেলেদের মাঝে নৌকা বিতরন করলেন বিজিবি

মোঃ আওলাদ হোসেন,জেলা প্রতিনিধি ভোলা (দৌলতখান) মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে “মুজিব শতর্বষের অঙ্গীকার স্বাবলম্বী বাংলাদেশ নৌকায় কর্ম উদ্দীপনা, এই শ্লোগানকে সামনে রেখে  ভোলার দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের কাজিরহাট মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে হতদরিদ্র ১৫ জন জেলেদের মাঝে  নৌকা বিতরণ করা হয়েছে। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সেক্টর কমান্ডার বি জি বি কর্নেল মোহাম্মদ আরশাদুজ্জামান খান(পিবিজিএম)। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা ব্যাটালিয়ন বিজিবি সহকারী পরিচালক তফছির আহমেদ, চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ শাহীন,অ্যাডভান্স অটো ব্রিকসের পরিচালক মাহবুব হোসেন শুভ প্রমুখ। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সেক্টর কমান্ডার বি জি বি কর্নেল মোহাম্মদ আরশাদুজ্জামান খান(পিবিজিএম) বলেন, বিজিবির পক্ষ থেকে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সারা বাংলাদেশে  জেলেদের মাঝে নৌকা বিতরণ করা হচ্ছে, এরই ধারাবাহিকতায়  বরিশাল ডিভিশন এর মধ্যে শুধুমাত্র ভোলার চরপাতা ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে নৌকা বিতরণের জন্য নির্বাচন করেছি। কারণ এখানে প্রকৃত জেলেরা রয়েছে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি তার প্রতি সম্মান জানাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আপনারা  এখানে সমবেত হয়েছেন তার জন্য চরপাতা ইউনিয়ন এর চেয়্যারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া সহ সকল এলাকাবাসীকে বিজিবির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ। 

নৌকা প্রদান অনুষ্ঠানে চরপাতা ইউনিয়নের চেয়্যারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া তার বক্তব্যে বলেন চরপাতা ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে নৌকা বিতরণ করার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে  বিজিবি মহাপরিচালকের কাছে  কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং ভবিষ্যতে যেন এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকে তা প্রত্যাশা করছি।

নৌকা প্রদান অনুষ্ঠানে ১৫ জেলেদের মাঝে ১৫ টি নৌকা,দুটি করে টি-শার্ট, ১ টি করে লুঙ্গি গামছা ও মুজিব শতবর্ষ লোগো সম্বলিত পাল বিতরণ করা হয়।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত-মাহফুজুর রহমান তালুকদার

 বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়  নির্বাচিত-মাহফুজুর রহমান তালুকদার


মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃকুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সদস্য পদপ্রার্থী মাহফুজুর রহমান তালুকদার ।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ৮ ডিসেম্বর সদস্য পদে নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী একক প্রার্থী হিসেবে মাহফুজুর রহমান তালুকদারকে  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।

মাহফুজুর রহমান তালুকদার বলেন, হিংগাজিয়া বাজার  ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে আমাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য পদে নির্বাচিত করায় হিংগাজিয়া বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

উল্লেখ্য, হিংগাজিয়া বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন আগামী ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।