গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

 গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

 

 গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল
স্টাফ রিপোর্টারঃ গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। আজ ১৪ ই ডিসেম্বর সোমবার মহান শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গঙ্গানন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে সকাল ১০.৩০ মিনিটে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আমিনুর রহমান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক, সিনিয়র শিক্ষক সাজ্জাদুল ইসলাম,বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যুৎসাহী সদস্য  প্রভাষক মহসীন আলী, কামরুল ইসলাম, শিক্ষক সাজিজুর রহমান ,আবদুল হান্নান, আব্দুস সোবহান, ছবি রানী ,আবুল কাশেম, কামরুজ্জামান টিটু সহ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক ও কর্মচারী বৃন্দ।

রাণীশংকৈলে ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

 রাণীশংকৈলে  ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
 রাণীশংকৈলে  ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত 

কলিন চন্দ্র (ইতু) রায়,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ঘন কুয়াশা শীত উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যাগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত  করা হয়েছে। এ  দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতাল জুলকার নাইন কবীর স্টিভ'র সভাপতিত্বে এ সময়  আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ  চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আ'লীগের সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সইদুল হক,  মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শেফালি বেগম,  আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমেদ,  পৌর আ'লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার,  ওসি তদন্ত আব্দুল লতিফ, প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ সরকার,

 বীর মুক্তিযুদ্ধা হাবিবর রহমান,  মহিলা আওয়ামীলীগ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল,  মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহরিয়ার প্রমূখ।


দেশের এই প্রথম কিশোরগঞ্জ থানায় হিমঘরের উদ্বোধন

দেশের এই প্রথম কিশোরগঞ্জ থানায় হিমঘরের  উদ্বোধন


মোঃ লাতিফুল আজম ,নীলফামারী প্রতিনিধি:বাংলাদেশের অন্য থানায় হিমঘরের নেই কোনো ব্যবস্থা।  এই প্রথম কিশোরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়ালের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় থানা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত হিম ঘরের শুভ উদ্বোধন করা হয়। 

সোমবার  সকালে ফিতা কেটে হিমঘরটির উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান  বিপিএম পিপিএম। বিভিন্ন দুর্ঘটনায় থানায় আগত নিহত ব্যক্তির মরদেহ খোলাআকাশ কিংবা ছাউনির নিচে শীত কিংবা গরমে স্বজনের অপেক্ষায় দুর্গন্ধ ছড়ায। মৃত্যু ব্যক্তির শেষ যাত্রায়  বিকৃতি হীন মরদেহ দাফনের অসস্তিতে ভোগেন অনেকে।  মৃত্যু ব্যক্তির সুষ্ঠুভাবে সৎকারের অধিকার আর ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এক ব্যবসায়ীর সহায়তায় নিজ প্রচেষ্টায় মানবতার ফেরিওয়ালা ওসি আবদুল আউয়াল বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারীর সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল,পিপিএম (সেবা), কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল, কিশোরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মফিজুল ইসলাম প্রমুখ।

শেখ হাসিনার হাতে রাষ্ট্রভার থাকলে ত্রাণ নিতে লাইনে দাঁড়াতে হবে না: রেজাউল করিম চৌধুরী

শেখ হাসিনার হাতে রাষ্ট্রভার থাকলে ত্রাণ নিতে লাইনে দাঁড়াতে হবে না:  রেজাউল করিম চৌধুরী



মো:শাহজালাল রানা:শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরনকালে আওয়ামী লীগ মনোনীত চসিক মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, একা একা ভাল থাকার মধ্যে কোন আনন্দ নাই। নিজে ভাল থাকার পাশাপাশি অন্যদেরকে ভাল রাখতে পারায় যে অপার আনন্দ যারা কখনো অন্যের উপকারে আসে না তারা বুঝতে পারবেনা।

শীতার্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরনের ব্যবস্থা করে ছাত্র মিলন সামাজিক সংগঠন মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিজেরা সে তৃপ্তির সন্ধান লাভ করেছে।

১৩ ডিসেম্বর রবিবার নগরীর ছাত্র মিলন সামাজিক সংগঠনের উদ্দ্যোগে আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। 

বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু আজীবন বাংলার গরীব দু:খী মানুষের কল্যানের জন্য রাজনীতি করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় সভা সমাবেশে গেলে বাংলার গরীব দুখী মানুষ তাকে মুজিব ভাই জড়িয়ে ধরতেন। গরীব মানুষ জীর্ণ শীর্ণ বস্ত্রে আবৃত হয়ে কিংবা উদোম গায়েও তাকে ভালবেসে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি আবেগে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন। আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা পিতার স্বপ্নের দারিদ্রতা মুক্ত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে তিনি বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্র সমূহের কাতারে নিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা যা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন তা বাস্তবায়ন করেই ছাড়েন। শেখ হাসিনার হাতে যখন রাষ্ট্রভার রয়েছে, তবে ২০৪১ সালের আগেই আমরা দেখব কেউ আর ত্রাণ নিতে লাইনে দাঁড়াবেনা। সকলেই তাদের অন্ন বস্ত্রের সংস্থান করতে নিজেরাই সমর্থ হবেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক ছাত্রনেতা জালাল উদ্দীন ইকবাল। মহানগর আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক এবং ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ইকবাল হাসান চৌধুরী, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোছলেম উদ্দীন আহমদ, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল আলম, মো. আজম খান, কাজী হেলাল উদ্দীন, মো. কামরুল হক, মো. জানে আলম, নুর আহাম্মদ, ইউছুপ হারুন মাসু, ফরমান উল্লাহ, রেজাউল করিম পিন্টু, মনিরুল হক মুন্না, রাজিব ভট্টাচার্য, আব্দুল আওয়াল অপু।  

সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্র মিলন সংগঠনের সভাপতি অস্তিম মজুমদার ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তোহিদুল ইসলাম। এতে আরো বক্তব্য রাখেন হাসনাত রাকিব, প্রান্ত সেন, পাপ্পু সরকার, ইশতিয়াক আহমেদ, তাহসিন আকবর প্রমূখ।

শোভনালীতে আটদলীয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

শোভনালীতে আটদলীয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত


আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি :: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের মজগুরখালীতে আটদলীয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা থেকে মজগুরখালী রাধাকৃষ্ণ মন্দির মাঠে অনুষ্ঠিত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন করেন, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল। মজগুরখালী যুব সংঘের আয়োজনে এসময় দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিএম স্পর্শ, আশাশুনি উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ঢালী সামছুল আলম, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন, শুক সানা, বিকাশ মন্ডলসহ জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দর্শকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষক সুজন মন্ডলের সঞ্চালনায় খেলার ফাইনালে সাতক্ষীরার তপু টিমকে পরাজিত করে দেবহাটা উপজেলা পরিষদ টিম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

বঙ্গবন্ধুর প্রতি অভিনব কায়দায় ভালোবাসা প্রদর্শন

বঙ্গবন্ধুর প্রতি অভিনব কায়দায় ভালোবাসা প্রদর্শন



নিউজ ডেস্ক: আশপাশের জমিতে অনেকেই করেছেন রবিশষ্য। কেউ করেছেন মুলা, সরিষা, বেগুন ও শিমসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। আর বঙ্গবন্ধুর প্রতি মানসিক ভাবনা ও ভালোবাসার নিদর্শনের রূপ জমিনেই ফুটিয়ে তুলেছেন সৃষ্টিশীল মনের অধিকারী কৃষক আব্দুল কাদির (৪৪)। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, নৌকা, স্মতিসৌধ, শতবর্ষ লিখনি ছাড়াও জমিনের চারপাশে 'লাভ' চিহ্ন নকশা করেছেন সরিষা ও লাল শাক দিয়ে। মোট ৩২ শতক জমিতে শৈল্পিক বুননে ফসলের মাঠকে করে তুলেছেন দৃষ্টিনন্দন। প্রতিদিন শতশত মানুষ কৃষক কাদিরের ক্ষেত দেখতে ভিড় করছেন।

তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াখালবালা গ্রামে। তিনি হাজি তারা মিয়ার দ্বিতীয় পুত্র। সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শতশত উৎসুখ লোক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা ছাড়াও এসেছেন অনেক নারী। ক্ষেতে চোখ পড়লে দেখা যায় ছবির মতো আঁকা নৌকার পাশে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ছাড়াও স্মৃতিসৌধ ও শতবর্ষ লিখনি। যেন কোনো শিল্পি এঁকে রেখেছেন।

সরিষা ও লাল শাক বুনন এমন ভাবেই করা হয়েছে যা ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও নৌকাসহ স্মৃতিসৌধ। বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে উঁচু টাওয়ার। যেখানে উঠে ছবি তুলছেন অনেকেই। কথা হয় কৃষক আব্দুল কাদিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, তাঁর গ্রামে একটি বন্ধুমহল ডিজিটাল ক্লাব রয়েছে। তিনি সেই ক্লাবের উপদেষ্টা সদস্য। ক্লাবের সদস্যরা তাঁর কাছে ডিজিটাল পদ্ধতির কিছু একটা করে দেখানোর আবদার করে। ক্লাবের সদস্যদের দাবির প্রেক্ষিতে তাঁর মাথায় আসে স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে পাওয়া রবি শষ্য সরিষা ও লাল শাক প্রদর্শনী প্লটে চিত্রকলার আলোকে বীজ বপন করে কিছু নতুনত্ব সৃষ্টি করা যায় কি-না। এর মধ্যে ঘটে যায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বির্তক। ঘটে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ভাঙচুর। সর্বক্ষেত্রেই প্রতিবাদ হচ্ছে। এই প্রতিবাদ জানাতেই তিনি জমিন চাষ করে প্রথমে চিত্রাংকন করে বঙ্গবন্ধুর মুখায়ব আঁকেন ক্লাবের সদস্যদের সহায়তায়। আরো আঁকেন নৌকা, স্মৃতিসৌধ ছাড়াও 'লাভ' এর অক্ষর। চিত্ররেখার মাঝেই বারী-১৫ জাতের সরিষা ও লাল শাকের বীজ বপন করেন। জমিনে সেই বীজ গজানোর পর পুরো ক্ষেত যেন জীবন্ত ছবির মতো রূপ ধারণ করে।


তথ্যের উৎস :কালের কণ্ঠ

আশাশুনিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ

আশাশুনিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের  মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ


আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আশাশুনিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের কেয়ারগাতি গ্রামের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, আবুল হোসেনসহ শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাজারে এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় আশাশুনি উপজেলা পরিষদের চেয়রম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন সুলতানা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, প্রকৌশলী আক্তার হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, দপ্তর সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র সানা, বড়দল ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি সোহরাব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লোহাগড়া বিউটি রাণীর নামে দুর্নীতির নিউজ করায় সাংবাদিক কে হুমকি

লোহাগড়া বিউটি রাণীর নামে দুর্নীতির নিউজ করায় সাংবাদিক কে হুমকি

মো: আজিজুর বিশ্বাস ষ্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার এক দালাল ও প্রতারকের নাম বিউটি রানী মন্ডল, তার নামে দুর্নীতির নিউজ করাতে সে সাংবাদিক সরদার রইচ উদ্দিন টিপু কে দেখে নিবেন বলে হুমকী দিয়েছে। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় বিউটি রানীর নামে একটা জিডি হয়ছে।


সাংবাদিকের সাথে কথা বলে ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১০/১২/২০২০ তারিখ : বিউটি রানী মন্ডল (৪১) স্বামী গোবিন্দ কুমার মন্ডল, সাং তেলিগাতি, থানা লোহাগড়া, জেলা নড়াইল এর বিরুদ্ধে  দুর্নীতির নিউজ বিভিন্ন  অনলাইন ও পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়াই উক্ত বিউটি রানী ১৪/১২/২০২০ তারিখ : সোমবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় লক্ষীপাশা চৌরাস্তা ওয়ালটন শোরুমের সামনে সাংবাদিকের সাথে দেখা হলে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ সহ দেখে নেওয়ার হুমকী দিয়েছে।

এ ঘটনায় সাংবাদিক রইচ উদ্দিন টিপু বলেন, অামি বাদী হয়ে বিউটি রানীর নামে লোহাগড়া থানায় ডিজি করেছি।

করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ছয় দফা

করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ছয় দফা

স্টাফ রিপোর্টার: শীত মৌসুমে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আজ সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সব অঞ্চলের পরিচালক ও উপপরিচালক, সরকারি-বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সব জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।


নির্দেশনাগুলো হলো

১.স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বাড়াতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রচার কার্যক্রম চালাবে।
২.কর্মস্থলে সবার মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।
৩.শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করে যেকোনো কর্মপরিচালনা করবেন।
৪.শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সার্বক্ষণিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
৫.প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে করোনা মোকাবিলায় ঊর্ধ্বতন/অধস্তন কর্মকর্তা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

৬.সেবা গ্রহণকারীরা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সরাসরি অফিসে না এসে ডাকযোগে অথবা অনলাইনে কার্য সম্পাদন করবেন।


উল্লেখ্য বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর১৭ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে অনলাইনে ক্লাস চলছে। তা ছাড়া চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান, প্রাথমিক সমাপনী ও সমমান এবং জেএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করেছে সরকার। শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ও টিভিতে ক্লাস হচ্ছে। বছর শেষে অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়া শেষ করবে শিক্ষার্থীরা।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জবির শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জবির শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জবির শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

জবি প্রতিনিধি: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ ডিসেম্বর-২০২০) সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এর পক্ষে  প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পূর্ণ সূর্যগ্রহণ আজ

 পূর্ণ সূর্যগ্রহণ আজ



তাহের খান| ঢাকা:সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ শুরু হয়ে দিনগত রাত (১৫ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ সময় ০০টা ৫৩ মিনিট)  ১২টা ৫৩ মিনিট শেষ হবে। তবে বাংলাদেশে এটি দেখা যাবে না।

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সূর্যগ্রহণটি শুরু হবে জর্জ টাউন থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর এবং শেষ হবে সেন্ট হেলেনা, অ্যাসেনসিওন দ্বীপ এবং ত্রিস্তান দ্য কুনহা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে।

সূর্যগ্রহণটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ১৯টা ৩৪ মিনিটে।

কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে ২০টা ৩২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে। সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে ২২ টা ১৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে

কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে ২৩ টা ৫৪ মিনিট ৬ সেকেন্ডে এবং সূর্যগ্রহণ শেষ হবে ০০টা ৫৩ মিনিট বা রাত ১২ টা ৫৩ মিনিটে।তবে, বাংলাদেশ থেকে দেখা না গেলেও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেখা যাবে সূর্যগ্রহণটি।

দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এটি দেখা যাবে। একইসঙ্গে চিলি, আর্জেন্টিনার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দুপুরের পর সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।


বাংলাদেশ সময়: ডিসেম্বর ১৪, ২০২০

দেশের ৬৪ পৌরসভায় তৃতীয় ধাপে নির্বাচন ৩০ শে জানুয়ারি

দেশের ৬৪ পৌরসভায় তৃতীয় ধাপে নির্বাচন ৩০ শে জানুয়ারি



নিউজ ডেস্ক:দেশের ৬৪টি পৌরসভায় তৃতীয় ধাপে ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ৩০ জানুয়ারি। উক্ত নির্বাচনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।


আজ (১৪ ই ডিসেম্বর ) সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. আলমগীর নির্বাচনের এ সময়সূচি ঘোষণা করেন।

উক্ত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত।ইতিমধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে ২৮ ডিসেম্বর ২৫টি পৌরসভায় এবং দ্বিতীয় ধাপে ১৬ জানুয়ারি ৬১টি পৌরসভায় ভোট হবে।

তৃতীয় ধাপে যেসব পৌরসভায় ভোট হবে সেগুলো হলো গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ; নওগাঁর ধামইরহাট ও নওগাঁ সদর; সিলেটের গোপালগঞ্জ; বগুড়ার ধুনট, গাবতলী, শিবগঞ্জ, নন্দীগ্রাম ও কাহালু; রাজশাহীর মুন্ডুমালা; মৌলভীবাজার সদর; ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর; বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ; কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম ও বরুড়া; চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ; ফেনী সদর; মুন্সিগঞ্জ সদর; শেরপুরের নকলা; নাটোরের সিংড়া; রাজশাহীর কেশরহাট; চুয়াডাঙ্গার দর্শনা; ঝালকাঠির নলছিটি; নেত্রকোনার দুর্গাপুর; যশোরের মনিরামপুর; নোয়াখালীর হাতিয়া ও চৌমুহনী; লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ; কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী; গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া; শরীয়তপুরের নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ; বরগুনা সদর ও পাথরঘাটা; ভোলার বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান; শেরপুরের নালিতাবাড়ী; কুড়িগ্রামের উলিপুর; দিনাজপুরের হাকিমপুর; চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর; নড়াইল সদর; সাতক্ষীরার কলারোয়া; রাজবাড়ীর পাংশা; পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি; বরিশালের গৌরনদী ও মেহেন্দীগঞ্জ; জামালপুরের সরিষাবাড়ী; ময়মনসিংহের গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ভালুকা ও ত্রিশাল; সিলেটের জকিগঞ্জ; ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু; টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, সখীপুর, মধুপুর ও মির্জাপুর; নীলফামারীর জলঢাকা; পাবনা সদর; খুলনার পাইকগাছা এবং নড়াইলের কালিয়া।

কুলাউড়ায় রঙ্গীনকুল গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির শীতবস্ত্র বিতরণ

কুলাউড়ায় রঙ্গীনকুল  গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির শীতবস্ত্র বিতরণ


মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ কুলাউড়া উপজেলার ৪নং জয়চন্ডি ইউনিয়নের রঙ্গিনকুল গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির উদ্যোগে ও  ব্র্যাক আলট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগামের সহযোগীতায়  ইউপিজি কর্মসূচির অতিদরিদ্র সদস্যদের মাঝে  শীতবস্ত্র বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 (১৪ ডিসেম্বর)  বিকাল ৪ঘটিকায় রঙ্গীনকুল গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির সভাপতি নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ও ব্র্যাক আল্ট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রামের পিও আব্দুর রহিমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ি সাহেদুর রহমান,

 বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য কমলা বেগম। আরও উপস্হিত ছিলেন আঞ্চলিক ব্যবস্হাপক মোঃ ইকবাল হাসান, বাবলু মিয়া(এসটিও), কুলাউড়া শাখার শাখা ব্যবস্হাপক আব্দুল লতিফ,  সাপ্তাহিক কুলাউড়া সংলাপ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম জুয়েল, শামিম সরকার, আজিম উদ্দিন, পুষ্প, মন্তোষ প্রমুখ, উল্লেখ্য  হতদরিদ্র ৬৩জন লোকের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

বুদ্ধিজীবীদের ঘাতকরা সংসদে আসন গেড়েছে -মোমিন মেহেদী

বুদ্ধিজীবীদের ঘাতকরা সংসদে আসন গেড়েছে -মোমিন মেহেদী


প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, বুদ্ধিজীবীদের ঘাতকরা সংসদে আসন গেড়েছে। সরকারের বিভিন্ন স্তরে রাজনীতিকের মুখোশে স্বাধীনতা বিরোধী-দুর্নীতিবাজরা দেশকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে। ১৪ ডিসেম্বর বেলা ১১ টায় গীতিকার আহমেদ কায়সার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত 'বুদ্ধিজীবী দিবস এবং নতুন প্রজন্মেও ভাবনা' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুলক হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, প্রেসিডিয়াম মেম্বার রবীন্দ্র চন্দ্র বাড়ৈ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান একরামুল হক গাজী, মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, যুগ্ম মহাসচিব বিনয় বর্মন প্রমুখ।

এর আগে সকাল ৯ টায় বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন নতুনধারার রাজনীতিকগণ।   এসময় মোমিন মেহেদী বলেন, বাংলাদেশকে কালোদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবিতে যোগ দেয়ার সময় এসেছে। ছাত্র-যুব-জনতার রাজনীতিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে দেশের সকল সমস্যা সমাধানে নতুন প্রজন্মের সর্বোচ্চ ভূমিকা থাকবে বলে আমি বিশ^াস করি। আজ জাতিকে কষ্টমুক্ত করতে তারুণ্যের রাজনীতিকরা ০১৭১২৭৪০০১৫ নম্বরে কল করে যোগ দিন। মনে রাখবেন, বায়ান্ন আমাদের প্রেরণা, একাত্তর আমাদের চেতনা, ধর্ম-মানবতা-শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি-অর্থনীতি রক্ষাই আমাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।  

স্বপ্নের সেতু, আক্ষেপের সেতু

স্বপ্নের সেতু, আক্ষেপের সেতু
স্বপ্নের সেতু, আক্ষেপের সেতু

লঞ্চ যোগে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছি। ইতিমধ্যে দু-চারবার আব্বার সতর্কবাণী পৌঁছে গেছে। লঞ্চে ওঠার মিনিট পাঁচেক আগেই ফোনের স্ক্রিনে আব্বার নম্বর দেখেই বুঝলাম কি বলবেন, পুরোনো সুরে সে একই কথা 'পদ্মার অবস্থা কী?' আমি আশ্বস্ত করে বললাম এখন ঢেউ নাই আব্বা। নদী শান্ত। পানি কম। আব্বার বরাবরের মতো এক কথা-আল্লাহ ভরসা! তাও সাবধানে আইসো। এই পাড়ে এসে কল দিও।' আমাদের দক্ষিনবঙ্গের মানুষের জন্য পদ্মা পার হওয়া মানেই বিপদ কেটে যাওয়া।

সেতুর স্প্যানের নিচ দিয়ে কুয়াশা কেটে কেটে ধীর গতিতে লঞ্চ এগিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ যে স্প্যানটি বাকি ছিল সেটাও  গতকালকে বসানো হয়েছে। এই স্প্যানটি বসানোর মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত  পদ্মাসেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে। তাই মানুষের আবেগমিশ্রিত স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাতাজুড়ে ঘুরপাক যাচ্ছে। নদীর বুক চিরে গাঁথা পিলারগুলোর উপরে বসানো এক একটি স্প্যান জোড়া দিয়ে যেন বিশাল একটা রুপকথার গল্প তৈরি হচ্ছে। যে গল্প দক্ষিনবঙ্গের মানুষের দুঃখ ঘোচানোর কথা বলবে, যে গল্প দেশের উন্নয়নের প্রতীক হবে। সবাই দেখছে দৃশ্যমান স্বপের সেতু আমি দেখছি  আক্ষেপ। স্বজনহারাদের আক্ষেপ। জোড়া দেওয়া স্প্যানগুলোর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আমার স্মৃতিতে ভাসে ৪ আগষ্ট ২০১৪ । দমকা হাওয়া, মেঘলা আকাশ, রুদ্রমূর্তিতে ফণা তুলে ফুঁপিয়ে ওঠা পদ্মা, বাতাসে ভেসে আসা বাচ্চাদের চিৎকার, কাঁপা কাঁপা নারী কণ্ঠের আহাজারি তারপর হঠাৎ নিস্তব্ধতা! 

কোরবানি ঈদের তৃতীয় কিংবা চতুর্থ দিন হবে। সকাল থেকে হু হু করে বাতাস বইছে। মাঝে মাঝে দুই-একটা দমকা হাওয়া গাছের অপ্রাপ্ত বয়স্ক পাতাগুলোকেও যেন অকারণ আঘাতে ঝরিয়ে দিচ্ছে। বাড়ি থেকেই আন্দাজ করা যাচ্ছে খরস্রোতা পদ্মা আজ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। আমি তখন ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করি। কেউ না গেলেও অন্তত আমাকে ঢাকায় ফিরতেই হবে। বাড়ি থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বার বার আমাদের সতর্ক করা হয়েছে কিছুতেই লঞ্চে পারাপার না হতে। কাওড়াকান্দি ঘাটে ঈদে গ্রামে আসা ঢাকামুখী মানুষের ঢল। পরিবারের সদস্যের কথা রাখতে যেয়ে সেদিন ঘাটে এসে দ্বিধাদ্বন্দে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফেরিতেই উঠেছিলাম। ফেরির গতি লঞ্চের থেকে তুলনামূলক কম তাই বেশির ভাগ মানুষ হাতের মুঠোয় জীবন নিয়ে লঞ্চেই পার হয়। ঈদের সময়টাতে ধারণ ক্ষমতার তুলনায় কখনো চার-পাঁচগুণ কিংবা তারচেয়েও বেশি  যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলোকে দোল খেতে খেতে উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিতে দেখা যেত। যাইহোক, চারপাশে অসংখ্য মানুষের ভীড়, ট্রাক-বাস-প্রাইভেটকার, মাথার উপরে গনগনে সূর্য, সম্মুখে পাহাড়সম ঢেউ নিয়ে ফেরিতে দাঁড়িয়ে পদ্মা পার হচ্ছি। দুপাশ দিয়ে অনেক গুলো লঞ্চ আমাদেরকে পেছনে ফেলে গন্তব্যের দিকে ছুটে যাচ্ছে। আমরা তখন মাওয়া ঘাটের কাছাকাছি। মুন্সিগঞ্জের লৌহজং। ওই দিকটায় পদ্মা সবচেয়ে ভয়াবহ। যৌবনের সমস্ত শক্তি নিয়ে যেমন দামাল ছেলেরা প্রতিপক্ষের উপর হুংকার দিয়ে ঝাঁপিয়ে পরে তেমনি এক একটি ঢেউ যেন আছড়ে পড়ছে। আমার দৃষ্টি আটকে আছে অনতিদূরে দোদুল্যমান অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই একটি লঞ্চের দিকে। ঢেউয়ের সাথে যাথে যেন কয়েক হাত উপর থেকে আছড়ে পড়ছে। কখনো ডানে হেলে যাচ্ছে কখনো আবার বাঁয়ে। দেখতে দেখতেই সকলকে হতবাক করে চোখের পলকে লঞ্চটি পদ্মার বুঁকে হারিয়ে গেল। আমার শরীর কাঁপছে। একদৃষ্টিতে সেদিক তাকিয়ে আছি। ফেরির লোকজন সব হা-হুতাশ করছে। মিনিট দশেক এভাবেই চললো। মায়ের নম্বর থেকে কল আসতেই আমার ঘোর ভাঙলো। ওপাশ থেকে ভয়ার্ত উত্তেজিত কন্ঠস্বর। চ্যানেলে চ্যানেলে নাকি ব্রেকিং নিউজ চলছে। শান্তস্বরে বললাম আমরা ঠিক আছি। পনেরো-বিশ মিনিট পর আবার মায়ের কল। এবার ফোন কানে নিতেই মা আর্তনাদ করে উঠলো। ডুবে যাওয়া লঞ্চে আছে আমাদের এলাকার অনেকেই। আছে প্রতিবেশী চাচাতো বোন দুই সন্তানসহ। ঈদে বেড়াতে এসেছিল ওরা। আমরা একসাথে ছিলাম চারজন। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থেকেও কেউ কারো সাথে কথা বলছি না কিংবা বলার শক্তি পাচ্ছি না। ততক্ষণে আমাদের ফেরি ঘাটের কাছাকাছি। সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো চারজনই ঘটনাস্থলে যাবো৷ কিন্তু আমাদের সাথে দশ-এগারোটি ব্যাগ। বাড়ি থেকে যত্ন করে গুছিয়ে দেওয়া খাবারের ব্যাগগুলো ফেলে ছুটে চললাম লৌহজং এর দিকে...

স্পিডবোট নিয়ে ঢেউয়ের কারণে ডুবে যাওয়া স্থানে উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে  পারছে না। ট্রলার দিয়ে এক একে কয়েকজনকে তুলে আনা হয়েছে। আমরা খুঁজে পেলাম আমাদের চাচাতো বোনকে। কিন্তু একা। গলাকাটা মুরগীকে প্রাণ যাওয়ার আগে যেমন ছটফট করতে দেখা যায় তেমনি সদ্য সন্তানহারা এই জননী পদ্মা পাড়ে বালুর মধ্যে ছটফট করছে। দুই সন্তানকেই কেঁড়ে নিয়েছে সর্বনাশা পদ্মা। স্বজনহারানো অসংখ্য মানুষকে সেদিন পদ্মা পাড়ের বালুতে ছটফট করতে দেখেছি। আমি আমরা নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। 

আজ সেতু হওয়ার আনন্দে সবাই যখন উল্লাস করে, আমি করি আক্ষেপ। সেতুটা সাত বছর আগে না হওয়ার আক্ষেপ। পিনাক-৬ ডুবে যাওয়ার আক্ষেপ। সন্তানহারা প্রতিবেশী বোনের জন্য আক্ষেপ...


ঊর্মি ইসলাম ইমা
২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ।
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

বাই-সাইকেলে ৩৭ দিনে ৬৪ জেলা ভ্রমণ করেন বি-বাড়িয়ার নোমান

বাই-সাইকেলে ৩৭ দিনে ৬৪ জেলা ভ্রমণ করেন বি-বাড়িয়ার নোমান
বাই-সাইকেলে ৩৭ দিনে ৬৪ জেলা ভ্রমণ করেন বি-বাড়িয়ার নোমান

ডেস্ক নিউজ:
১ লা নভেম্বর চট্রগ্রাম থেকে যাত্রা করে গতকাল ১২ ডিসেম্বর কক্সবাজারে সমাপ্তের মধ্যদিয়ে বাই-সাইকেলে ছড়ে ৩৭ দিনে দেশের ৬৪ জেলা ভ্রমণ শেষ করেন বি-বাড়িয়া জেলার আবু হানিফ নোমান।তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবিনগর থানার নোয়াগাঁও গ্রামের মোঃ কামাল হোসেন এর একমাত্র ছেলে মাওলানা আবু হানিফ নোমান(২৪)
বর্তমান ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার
ভাদুঘর গ্রামের ঢালিবাড়ি।

জামিয়া সিরাজিয়া দারুল উলুম ভাদুঘর মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) সম্পন্ন করেন।এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন বি-বাড়িয়া জেলা সাবেক সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় বাই-সাইকেল ভ্রমণ করেন।সময় লেগেছে ৩৭ দিন বিশ্রাম সহ ৪২ দিন।

নাগরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 নাগরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত


ডা.এম.এ.মান্নান,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রি. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, নাগরপুর উপজেলা শাখা ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন পৃথক পৃথক ভাবে এ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

নাগরপুর উপজেলা আ.লীগের দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কুদরত আলী, সহ-সভাপতি মোঃ নিজাম উদ্দিন ,  সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহীদুল ইসলাম অপু, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক বি এম এম জহিরুল আমিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খালিদ হোসেন সহ উপজেলার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত-ই-জাহান, অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনিসুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবির, ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা সামিনা বেগম,সাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ সুজায়েত হোসেন প্রমুখ

পৌর নিবার্চনকে ঘিরে সরগরম মোংলা পোর্ট পৌরসভা

পৌর নিবার্চনকে ঘিরে সরগরম মোংলা পোর্ট পৌরসভা
পৌর নিবার্চনকে ঘিরে সরগরম মোংলা পোর্ট পৌরসভা

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ পৌর নিবার্চনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে মোংলা পোর্ট পৌরসভা। ২ ডিসেম্বর নিবার্চনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থীরা  মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলী, ইদ্রিস আলী ইজারদার ও এইচ এম দুলাল। জুলফিকার আলী বর্তমান পৌর মেয়র, ইদ্রিস আলী ইজারদার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও এইচ এম দুলাল প্রেসক্লাব সভাপতি এবং মোংলা বন্দরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিল্পপতি।  

উপজেলা নিবার্চন অফিসার ও সহকারী রিটার্নি কর্মকর্তা  মো: আব্দুল্লাহ আল মামুুন জানান, সোমবার বিকেল পর্যন্ত পৌর মেয়র পদে ৩ জন এবং ৯টি ওয়ার্ডে পুরুষ ও নারী (সংরক্ষিত ওয়ার্ড) মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৩০ জন প্রাথর্ী কাউন্সিলর পদে তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমার শেষ দিন ২০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ২২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই, ২৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও ১৬ জানুয়ারী ভোট গ্রহণ। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১২টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এ ভোট গ্রহণ। তবে এবারই প্রথম মোংলা পোর্ট পৌরসভায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হতে যাচ্ছে। মোংলা পোর্ট পৌরসভার আসন্ন নিবার্চনে এখানে সাধারণ ভোটারের সংখ্যা ৩১ হাজার ৫২৮জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ৬৮১ আর নারী ভোটার ১৪ হাজার ৮৪০ জন। এর আগে ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত নিবার্চনে এ পৌরসভায় ভোটারের সংখ্যা ছিল ২৫ হাজার ৯৫১জন। ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারী নিবার্চনের পর দীর্ঘ ১০ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে যাচ্ছে এবারের পৌর নিবার্চন। ২০১১ সালের নিবার্চনের পর সীমানা জটিলতার মামলার কারণে এতদিন আটকে ছিল মোংলা পোর্ট পৌরসভার নিবার্চন। তাই দীর্ঘদিন পর নিবার্চন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় সকলের মধ্যে একটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। 

আশাশুনিতে আওয়ামী লীগের আয়োজনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা

আশাশুনিতে আওয়ামী লীগের আয়োজনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা




আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল, সাবেক সহ সভাপতি নীলকন্ঠ সোম, রফিকুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান স,ম সেলিম রেজা মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু,দপ্তর সম্পাদক জগদিস সানা, আওয়ামী লীগ নেতা বুদ্ধদেব সরকার,রাজু আহমেদ পিয়াল,যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মহিতুর রহমান, শ্রমিক লীগের সভাপতি ঢালী শামসুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এস এম সাহেব আলী, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিপুল,ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হোসাইন প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সকল সহযোগী সংগঠন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি একযোগে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে আল্লামা কাসেমীর জানাযা সম্পন্ন

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে আল্লামা কাসেমীর জানাযা সম্পন্ন



নিউজ ডেস্কঃ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব,আল-হাইয়্যাতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়্যাহ বাংলাদেশ এর কো-চেয়ারম্যান,বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়্যাহ বাংলাদেশ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও জামেয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসার পরিচালক বাংলার মাদানী শাইখুল হাদিস আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী রহ. এর জানাযা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে লাখো জনতার উপস্থিতিতে আল্লামা কাসেমীর ছোট ছেলে মুফতী জাবের কাসেমীর ইমামতিতে সম্পন্ন হয়।

জানাযাপুর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী,মহিউসসুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান শায়খে যাত্রাবাড়ী,জমিয়ত সভাপতি শাইখ জিয়াউদ্দিন,মুফতী নাজমুল হাসান-বারিধারা ও হযরতের ছোট ভাই মাও.আব্দুল কুদ্দুস কাসেমী সহ শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ। 

জানাযায় আরো উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী,আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী,আল্লামা আব্দুল আউয়াল নারায়নগঞ্জ,মাও.আবুল কালাম মুহাম্মদপুর,আল্লামা জুনাইদ আল-হাবীব,মুফতী মাহফুজুল হক,আল্লামা মামুনুল হক,মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাজী,মাও.মন্জুরুল ইসলাম আফেন্দী,মুফতী আব্দুর রব ইউসুফী,মুফতী মুনির কাসেমী সহ হেফাজত-জমিয়ত-বেফাক সহ জাতীয় সংগঠন গুলোর জাতীয় নেতৃবৃন্দ। 

আল্লামা কাসেমীকে ওনার নিজ প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা জামেয়া সাবহানিয়া তুরাগ এ দাপন করা হবে ইনশাআল্লাহ।

সরকারী চালে দুর্নীতিঃ ৫ মেম্বার সহ বহিস্কার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জুয়েল

সরকারী চালে দুর্নীতিঃ ৫ মেম্বার সহ বহিস্কার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জুয়েল



খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধান:সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকা প্রণয়নে দুর্নীতি-অনিয়ম ও সরকারি কাজে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ২ নং মধুহাটী ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জুয়েল সহ ৫ জন ইউপি সদস্যকে সাময়িক বহিস্কার করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ বিদ্রোহী ডট কম'র হাতে এসে পৌছেছে।
শোকজ নোটিশ অনুযায়ী ১০ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে মধুহাটী ইউপির চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জুয়েল,১ নং ওয়ার্ডের সদস্য আশরাফুল ইসলাম,২ নং ওয়ার্ডের সদস্য শ্রী শান্তি বিশ্বাস,৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ আঃ মজিদ,৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ গোলাম রসুল এবং ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ রসুলকে জনস্বার্থে সাময়িক বহিস্কার করে ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ৪ এর (খ) ও (ছ) ধারা অনুযায়ী কেন চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না জানতে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক বরাবর কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে।শোকজ নোটিশ নং (স্মারক নংঃ ৪৬.০০.৯৩০০.০১৭.৯৯.০০১,১৬-১৩৫৬)। এর আগে তাদের স্মারক নংঃ ৪৬.০০.৯৩০০.০১৭.৯৯.০০১,১৬-১৩৫৫ প্রজ্ঞাপণে সাময়িক বহিস্কারাদেশ প্রদান করা হয়।
করোনাকালীন সময়ে সরকারের ১০ টাকা কেজি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়ম ধরা পড়ে এই ইউনিয়নে।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জুয়েল কয়েকজন ইউপি সদস্যদের সাথে যোগ সাজশে একই জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যবহার করে প্রায় ৪০টি কার্ড করে চাল আত্মহসাত করে আসছিলেন।এই কর্মসূচিতে প্রায় ৩০০টি কার্ডে এই অনিয়ম ধরা পড়ে।এই বিষয়ে বিদ্রোহী ডট কম সহ বিভিন্ন প্রিন্ট পত্রিকা,অনলাইন গণমাধ্যম, এবং টেলিভিশন চ্যানেলে এই সংবাদ প্রকাশিত হয়। সরকারের সংশ্লীষ্ট কর্তৃপক্ষের একটি তদন্ত দল সরজমিনে তদন্ত করেও দুর্নীতির প্রমাণ পায়।এর আগে এই ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২ ডিলারকে অপসারণ করে জেলা প্রশাসন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক জনাব আরিফ উজ জামান সহ একটি তদন্ত টিম ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জুয়েল সহ ৭ জন ইউপি সদস্যকে বহিস্কারের সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠায়।তারই ফলশ্রুতিতে গত ১০ ডিসেম্বর ১৩৫৫ নং স্মারকে জনস্বার্থে ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জুয়েল সহ ৫ ইউপি সদস্যকে সাময়িক বহিস্কার করে প্রজ্ঞাপণ জারি করে।একই সাথে কেন তাদের চূড়ান্ত অপসারণ করা হবে না জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে।

এই পত্রের অনুলীপি ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক,ঝিনাইদহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রোগ্রামারকে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়ে পাঠানো হয়।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব,মূখ্য সচিবের একান্ত সচিব এবং অতিরিক্ত সচিবের একান্ত সচিবের অনুকূলে অনুলীপি পাঠানো হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর পটিয়া পৌর যুবলীগ নেতার খোলা চিঠি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা বরাবর পটিয়া পৌর যুবলীগ নেতার খোলা চিঠি



পটিয়া  (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ- সভাপতি - বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। বিষয়: তৃণমূলের ত্যাগী অবহেলিত নেতাকর্মীদের কে মূল্যায়ন প্রসঙ্গে।জনাব,যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে,মাননীয় নেত্রী আপনি উপমহাদেশের প্রাচীন সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অভিভাবক। আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে সু সংঘটিত হচ্ছে এই জন্য আপনাকে স্যালুট জানাই। মাননীয় নেত্রী আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলী‌গের চট্টগ্রাম জেলার, পটিয়া পৌরসভা শাখার ক্ষুদ্র একজন কর্মী। আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে আপনাকে ভালোবেসে নিঃস্বার্থে আওয়ামী লীগ সংগঠনের জন্য কাজ করি। মাননীয় নেত্রী ২০০৪ সাল থেকে অদ্যবতী পর্যন্ত হাজার হাজার তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মী আছেন যারা অবহেলিত। অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী আছেন যারা অনাহারে, বিনা চিকিৎসায় ও মানসম্মত থাকার মত বাসস্থান নেই। তারপরও তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও আপনাকে ভালোবেসে নৌকা মার্কা কে স্মরণ করে জয় বাংলা স্লোগান শুনে মানুষের কাছ থেকে হাত বাড়িয়ে টাকা নিয়ে মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। এরপরে ও এদেরকে বর্তমান অনুপ্রবেশকারীদের কারণে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। মাননীয় নেত্রী তৃণমূলের ত্যাগী অবহেলিত নেতাকর্মীরা বড় বড় নেতাদের কাছে টাকা-পয়সা চায়না শুধু মাত্র তাদের চাওয়া একটাই তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ভাবে মূল্যায়ন করলে তারা খুশি থাকেন। অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে, সামনে পৌরসভা নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতা কর্মীদের মূল্যায়ন করার জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। পাশাপাশি তৃনমূলের প্রার্থী আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরীকে নমিনেশন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।বিনীত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী যুবলীগ এর সিনিয়র সদস্য আবদুল্লাহ আল নোমান বাংলা‌দেশ আওয়ামী যুবলীগ।

পটিয়া পৌরসভায় কাউন্সিলর পদে নিবার্চনে করবে গোলাম কাদের

পটিয়া পৌরসভায় কাউন্সিলর পদে নিবার্চনে করবে গোলাম কাদের
পটিয়া পৌরসভায় কাউন্সিলর পদে নিবার্চনে করবে গোলাম কাদের

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ৩নং ওযার্ডে জনগনের সাধারণ সেবা নিশ্চিত করতে ও পরিবর্তনের লক্ষ্যেই কাউন্সিলর পদে নিবার্চন করতে চান সাবেক ছাত্রনেতা ও পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ গোলাম কাদের। তিনি বলেন, ‘‘মাননীয় প্রাধনমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ পটিয়ার উন্নয়নের রূপকার মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি মহোদয়ের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে’ সাধারন জনগনের দোয়া ও সহয়োগিতা আগামী পটিয়া পৌরসভা নিবার্চনে ৩নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নিবার্চনে অংশগ্রহণ কবো।  

জানাযায়, মোঃ গোলাম কাদের স্কুল জীবন থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তার হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হই। ছাত্রলীগ করতে গিয়ে ২০০৩ সালে গুয়াদন্ডী এলাকার প্রথম ১৫আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করতে গিয়ে সেই দিন স্থানীয় বিএনপি নেতারা বঙ্গবন্ধুর ভাষন প্রচার করতে দেয়নি। এমনকি সেইদিন বিএনপি জামাত জোটের কতিপয় নেতাকর্মীরা প্রচারের মাইক ভেঙ্গে পেলে। ঐদিন রাতে ঘরে পুলিশ পাটিয়ে হয়রানি করে। এরপর সাবেক ছাত্রনেতা জমির উদ্দিনকে উপজেলা এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে সামনে পুলিশ আটক করলে সেই দিন গাড়ি ভাংচুর ঘটনায় ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার আসামী করা হয়। উক্ত মামলায় ৩নং ওয়াডে গোলাম কাদের (ডাকনাম নুরুল ইসলাম), তার মেজ ভাই নাজিম উদ্দিন, সহযোদ্ধা এসএম আমান উল্লাহ আমিরী, আবু তৈয়বসহ বেশ কয়েক জন আসামী করা হয়েছিল। উক্ত মামলার বর্তমান হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি মামলার বাদীকে তার গাড়ির ক্ষতিপূরণ দিয়ে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।  

আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আওয়ামী লীগের জনসমাবেশ ছিল। ঐদিন পটিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড থেকে কেউ মিছিল সহকারে সমাবেশে যোগদান করার সাহস করেনি। সেই দিন শতাধিক কর্মীসমর্থক নিয়ে মিছিল সহকারে আমি ও আমার সহযোদ্ধা আমান উল্লাহ আমিরী নেতৃত্বে আমির ভান্ডার রেলগেইট এলাকা থেকে জনসভায় যোগদান করি। মিটিং শেষ করে আমির ভান্ডার রেলগেইট এলাকায় আসলে আমি ও কয়েক জন সহযোদ্ধার উপর বিএনপির সন্ত্রাসীরা অর্তকিত হামলা চালিয়ে আহত করে। আজ অনেকেই অন্যদল থেকে আওয়ামীলীগের এসে সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে তারা ঐদিন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলা মামলা দিয়ে হয়রানির নেপথ্য কাজ করেছি। তারা আজ আওয়ামীলীগের বড় নেতা দাবি করছে। তাদের কারণে ২০০১ সাল বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৫টি বছর আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অসংখ্যা নেতাকর্মীকে রাতে ঘরে পুলিশ পাটিয়ে ঘুমাতে দেয়নি।  

এ ব্যাপারে আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নিবার্চনে ৩নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ গোলাম কাদের জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ ও পটিয়ার এমপি আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরীর কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদরে মূল্যায়ন করার সু-দৃষ্টি কামনা করেন। 

ইতিপূর্বে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ গোলাম কাদের আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সে দলকে সু-সংগঠিত করতে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে বর্তমানে পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, সাবেক সহ-সভাপতি পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ, আজীবন সদস্য পটিয়া ক্লাব,  সহ প্রকাশনা সম্পাদক ১০দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল আমির ভান্ডার দরবার শরীফ, সদস্য ১২দিনব্যাপী খতমে সালাওয়াতে রাসূল মাহফিল আমির ভান্ডার শরীফ, সদস্য গাউসিয়া খেদমত পরিষদ ৩নং ওয়ার্ড, সদস্য গুয়াদণ্ডী সমাজ উন্নয়ন পরিষদ, সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক পটিয়া প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছে।