বরই চাষে স্বাবলম্বী মানিকগঞ্জের দুলাল

 বরই চাষে স্বাবলম্বী মানিকগঞ্জের দুলাল

আব্দুর রাজ্জাক হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রইন্টার পর্যন্ত লেখাপড়া করে কৃষিতে ঝুঁকে পরেন দুলাল, অনেকটা সখের বশে কাজ শুরু করলেও সেই নেশাকেই এখন পেশায় পরিনত করে সংসারের অভাব দূর করে এখন সে এলাকার রোল মডেলে পরিনত হয়েছেন। 

মাত্র ২বিঘা জমি নিয়ে বাগান শুরু করে পরিশ্রমের ফলে এখন তা ১০ বিঘার অধিক বিস্তৃত হয়েছে, বর্তমানে তিনি লাখপতি বনে গেছেন বলে জানা গেছে। অভাবের সংসারে এখন স্বচ্ছলতা এসেছে।

এমন সফল ফলচাষি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার উকিয়ারা গ্রামের মোঃ দুলাল মিয়া। তার বাবার নাম মেহের আলী।

জানা যায়, দুলাল মিয়া সংসারকে মনে করেছেন একটি যুদ্ধক্ষেত্র। তাই দৃঢ় মনোবলকে পুঁজি করে পরিশ্রমের মাধ্যমে আজ হয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলার মধ্যে সফল ফলচাষি। মাত্র ২০ বছরের ব্যবধানে তিনি ১০ বিঘা জমি বাড়িয়েছেন। থাকার জন্য সুন্দর একটি বসতবাড়ি তৈরি করেছেন। বর্তমানে নিজের ও লিজ নেয়া মিলে ১০ এর অধিক বিঘা জমিতে বিভিন্ন ফলের চাষ রয়েছে তার।


এ বছর তিনি ভারতীয়, কাশ্মিরি, নারিকেল, আপেল, বাউ ও থাই কুলের চাষ করেছেন। ইতিমধ্যেই বরই পাকা শুরু করেছে, বাগান থেকেই পাইকারি দরে মন হিসেবে ব্যাপারিদের কাছে বিক্রি করেন। যা জেলা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হচ্ছে। তার দেখাদেখি এ অঞ্চলের অনেকে এখন বরই চাষ শুরু করেছেন। তার বাগানে রয়েছে বল সুন্দরী,  জাতের বরই যা সবার নজর কেড়েছে। অতীত ও বর্তমান জীবনের হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে এলাকার মানুষের কাছে তিনি জীবনযুদ্ধে জয়ী সফল একযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত পেয়েছেন।

সরেজমিনে দুলালের বরই বাগানে গেলে দেখা যায়, মাটির সামান্য ওপর থেকেই সব কুলগাছের ডালপালা চারদিক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিটি ডালে প্রচুর পরিমাণে কুল ধরে মাটিতে নুয়ে পড়ছে। অবস্থাটা এমন গাছের পাতার চেয়ে গাছে কুল বেশি দেখা যাচ্ছে

কুলগুলো দেখতে ঠিক অস্ট্রেলিয়ান আপেলের মতো। কিন্তু আকারে একটু ছোট। ক্ষেতের পাখি ঠেকাতে সারা ক্ষেতের ওপর দিয়ে নেট জাল দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। এতে কোনো পাখিই আর ক্ষেতের কুল নষ্ট করতে পারছে না।

ওই মাঠের একটু দূরে আরেকটি ক্ষেতে রয়েছে একই জাতের কুল। সে ক্ষেতটিতেও আপেল কুলের পাশাপাশি চাষ করা হয়েছে বল সুন্দরী জাতের কুল। এ ক্ষেতটিতে কুলের ধরটা আরও বেশি। রঙটাও বেশ আকর্ষণীয়। এর অল্প দূরেই থাইল্যান্ডের-৫ ও ৭ জাতের পেয়ারা। পেয়ারা ক্ষেতের পাশেই রয়েছে থাইল্যান্ডের বারোমাসি জাতের আম। যেখানে ছোট ছোট আমগাছে মাটি থেকে একটু ওপরে ছোট-বড় আম ধরে আছে। আবার কিছু কিছু আমগাছে সবেমাত্র মুকুল আসছে। সব ফলের ক্ষেতেই আগাছামুক্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। ক্ষেতের ফলগুলো এবং ক্ষেত দেখলে প্রাণ জুড়িয়ে যায়।

ক্ষেতেই দেখা হয় কৃষক দুলালের সঙ্গে। তিনি বলেন, সাংসারিক জীবনে অভাবের তাণ্ডবে খুব কষ্ট করেছেন। কিন্তু তার বিশ্বাস ছিল পরিশ্রম করেই সফল হবেন। অর্থ না থাকলেও আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে ২০০০ সালে প্রথমে কিছু ধারদেনার মাধ্যমে দুই বিঘা জমিতে বরই চাষ শুরু করেন, সেখান থেকেই শুরু এখন তার পাঁচটি বাগান। এর বাহিরে তার লিচু বাগান ও ধানের প্রজেক্টও রয়েছে সেখানেও তিনি সফলতার ছাপ রেখছেন।

অন্যান্য চাষের চেয়ে বরই চাষে লাভ বেশি পেয়ে এ চাষেই জমি বর্গা নিয়ে বরই চাষ বাড়াতে থাকেন আর এভাবে ২০ বছর বরই চাষের মাধ্যমে বেশ সফল হন তিনি। এর পর নানান জাতের চারা উৎপাদন করলে সেখানেও সফলতা ধরা দেয়।

কৃষক দুলালের ভাষ্য, এ পর্যন্ত জীবনে যত ফল ও ফসলের চাষ করেছেন, প্রায় সবই লাভবান হয়েছেন। কিন্তু বেশি সাড়া জাগিয়েছে বল সুন্দরী ও আপেল জাতের কুলে। ক্ষেতে যে পরিমাণে কুল ধরেছে, তা দেখতে মানুষ আসছে। অন্য কৃষকরাও উৎসাহিত হচ্ছেন। গাছের শাখা-প্রশাখায় তারার মতো ধরে আছে বরই। অবস্থাটা এমন পাতার চেয়ে বরই বেশি।

দুলালের বাগানে অনেক জাতের কুল চাষ হয়েছে; কিন্তু বল সুন্দরী জাতের কুল চাষ এই প্রথম। এ জাতের কুলের আকার রঙ ও ধরার দৃশ্যটা বেশ ভিন্ন। বল সুন্দরী কুল দেখতে অস্ট্রেলিয়ান ছোট আপেলের চেয়ে একটু ছোট। কিন্তু স্বাদে কড়া মিষ্টি। কুল বয়সে পরিপূর্ণ হয়েছে। এখন এসব ক্ষেতের কুল বিক্রি উপযোগী হয়ে উঠেছে।

কৃষক দুলাল আরও জানান, তার ফল বাগানে মাসিক বেতন চুক্তিতে ১০/১২ জন লোক সারা বছর কাজ করে তারাই বাগান টিকিয়ে রাখে। কোনো কোনো সময় বাজারজাতও তারা করেন। তারা অনেক ভালো বলেই বিশ্বস্ত হয়ে উঠেছে। বিনিময়ে তাদের সুযোগ-সুবিধাগুলোও নিজের মতো করে দেখি। স্ত্রী ও দুই সন্তানও তাকে সহাযতা করেন বলে জানান তিনি।

জাগির ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রাণী জানান, এ এলাকায় যেন ফলের বিপ্লব ঘটে গেছে। দুলাল মিয়া অনেক পরিশ্রম করে বিভিন্ন ধরনের ফলের চাষ করেছেন। তার মধ্যে বল সুন্দরী কুল যেভাবে গাছে ধরে আছে দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে।

একই গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক ইদ্রিস আলী জানান, দুলালের বাগানে আম লিচু সহ সব মৌসুমের ফল থাকলেও বরই চাষে আলোড়ন তুলেছে, তার পাচটি বাগানে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক আসছে বাগান দেখতে, বাজারে আপেল কুলের চেয়েও দুলালের বাগানের কুল অনেকটা বেশি মিষ্টি ও সুস্বাদু। দুলাল বেকার যুবকের আশান্বিত করেছে, তার দেখাদেখি অনেকেই এখন কৃষিতে ঝুঁকে পড়েছে। 

এতসব সফলতার মাঝেও দুলালের কষ্ট আছে, ক্ষোভ নিয়ে জানান, প্রায় ২০ বছর যাবত বাগান করছি, আমি জেলার সবচেয়ে বড় এবং সফল চাষি হলেও কৃষি অফিস কখনও কোন খোঁজখবর অথবা সহায়তা করে না। বঙ্গবন্ধু পুরস্কার সহ নানা পুরস্কার দেবার কথা বলে প্রতি বছর কাগজপত্র নিলেও আজ অবধি কোন সহায়তা বা পুরস্কার পাননি, কখনও তাদের শরণাপন্ন হলে তাদের আচরণ অত্যান্ত ঢ়ূর প্রকৃতির হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। 

এর সত্যতা পাওয়া যায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার আচরণে, বারবার ফোন দিয়ে ও অফিসে গিয়েও উপজেলা কৃষি অফিসার আফতাব উদ্দিনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, দুলাল মিয়া নিজে একসময়ে কষ্ট করেছেন। আর এখন হয়েছেন এলাকার মধ্যে একজন আদর্শ কৃষক। কৃষিকাজ করে যে ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটানো যায়, এ কৃষক তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

ঝালকাঠি ফিরোজাআমু স্মৃতি ফুটবল টূর্নামেন্টের রশীদ একাদশ'কে হারিয়ে রাজাপুর সোনালী অতীত একাদশ বিজয়ী

ঝালকাঠি ফিরোজাআমু স্মৃতি ফুটবল টূর্নামেন্টের রশীদ একাদশ'কে হারিয়ে রাজাপুর সোনালী অতীত একাদশ বিজয়ী

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টার 
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন- ফুটবল জগৎ একদিন বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে নতুন মাপকাঠিতে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশের খেলোয়াররা বিশ্বের কাছে মাথা উচুঁ করে দাাড়াবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খেলাধূলার প্রতি সবসময় বিশেষ ভাবে নজর দিয়ে আসছে। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াররা তৃনমুল থেকে এসেছে। সুতারাং ভালো প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে ভালো মানের খেলোয়ার হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় পর্যায়ে সুযোগ পাওয়ার টার্গেট নিতে রাজাপুরে ফুটবল খেলোয়ারদেরকে পরামর্শ দেন তিনি। আজ বিকাল ৪ টায় ঐতিহ্যবাহী রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে ফিরোজা আমু স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট -২০২১ এর উদ্বোধনী খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক জিয়া হায়দার খান লিটন এর সঞ্চালনায় ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্হার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ঝালকাঠি - ১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বজলুল হক হারুন এমপি ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. খান সাইফুল্লাহ পনির, সহ-সভাপতি এ্যাড. সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস, রাজাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাড এ এইচ এম খায়রুল আলম সরফরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আক্তার লাইজু,ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাংগাঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান ডেজলিং তালুকদার, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ফকরুল ইসলাম খান। রাজাপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও উপজেলা আওয়ামীলীগ কর্তৃক আয়োজিত এ  টুর্নামেন্টে ঝালকাঠি, বরিশাল, পিরোজপুর, গোপালগঞ্জ সহ ১৬ টি টিম অংশ গ্রহন করে। আজকের উদ্বোধনী খেলায় রাজাপুর সোনালী অতীত একাদশ ঝালকাঠির রশিদ একাদশকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে।

লোহাগড়া মধুমতি নদী থেকে দিনে রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

লোহাগড়া মধুমতি নদী থেকে দিনে রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

মোঃ আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল: নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার বকজুড়ি ঘাট নামক  মধুমতি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট। 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বকজুড়ি ঘাট এপার ওপার থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট এর ইন্দন দাতারা হলো ১ মোঃ এরোন মোল্ল্যা,গ্রাম কেষ্টপুর থানা লোহাগড়া -জেলা নড়াইল ২ মোঃ মান্নান সদ্দার, গ্রাম আমডাঙ্গা থানা লোহাগড়া-জেলা নড়াইল। ৩ মোঃ কেরামত মোল্ল্যা,গ্রাম পানাইল থানা আলফাডাঙ্গা -জেলা ফরিদপুর দের নির্দেশে দিনে রাতে অবাধে বালু উত্তোলন করছে  একটি সিন্ডিকেট। 

এই অবৈধভাবে বালু কাটার বিষয়ে নদীর পাড়ে বসবাসকারী ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্ষমতার বলে এরোন মোল্লা, মান্নান সদ্দার, ও কেয়ামত মোল্লার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন যাবত এই বালু উত্তোলন চলছে।

এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নৌকার মাঝি এবং স্থানীয় কিছু লোক সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কয়েকবার অবৈধ বালি কাটা বাধা দিয়েছি, তখন এই মহলটি আমাদের বিভিন্ন কথা বলে এবং ম্যাসিন এক জায়গা থেকে তুলে অন্য জায়গা নিয়ে বালি কাটে। ওই নৌকার মাঝি আরো বলেন, এই মহল যেভাবে বালি কাটতেছেন এতে আরও নদী ভাঙ্গন বেড়ে গেছে আমরা নিরীহ মানুষ কি করবো। আপনারা সাংবাদিকরা এসেছেন আপনারা এই অবৈধ বালু কাটা বন্ধ করে দিন। 

এ সময় বালু উত্তোলনকারী ১নং এরোন মোল্ল্যার সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি চর কিনেছি,তখন এরোন মোল্ল্যার কাছে চর কেনার কাগজ দেখতে চাইলে তিনি তাল বাহানা দেখিয়ে বিভিন্ন নেতার নাম বলে এড়িয়ে যাই।

এরপর ২ নং মান্নান মোল্ল্যার সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমরা লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে চর কিনেছি, তখন তাকে বলা হয় চর থেকে বালি না কেটে আপনারা কেনো অন্য জায়গা থেকে বালি কাটতেছেন। তখন তিনি চেয়ারম্যানের দোহাই দিয়ে এড়িয়ে যাই। এবং সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

এরপর সাংবাদিকের পরিচয় গোপন রেখে বালু কেনার কথা হয় ৩ নং কেরামত মোল্ল্যার সাথে তিনি বলেন আমি ড্রেজার মালিক এবং ওদের পাটনার আমরা নদীর যেকোনো জায়গা থেকে বালি কাটি আপনার বালি লাগবে নাকি। 

এনিয়ে মুঠোফোনে লোহাগড়া উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার রাখি ব্যানার্জির সাথে কথা হলে তিনি বলেন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জয়পুরহাটে ট্রাক্টরের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

জয়পুরহাটে ট্রাক্টরের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

জামিরুল ইসলাম  জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটে বালুবোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় আব্দুল কুদ্দুস(৫৫)নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হয়েছে। রবিবার(৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে পাঁচবিবি উপজেলার চাঁনপাড়া-নিশ্চিন্তা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

নিহত আব্দুল কুদ্দুস জয়পুরহাট সদর উপজেলার কাদোয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের  ছেলে।পলাশ চন্দ্র দেব জানান,  আব্দুল কুদ্দুস নিজ বাড়ী থেকে চাঁনপাড়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে নয়াপাড়া এলাকায় একটি বালুবোঝাই ট্রাক্টর মোটরসাইকেলেটিকে সামনের দিক থেকে ধাক্কা দিলে গুরুত্বর আহত হন আব্দুল কুদ্দুস। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শাজাহান খানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালো নিসচা কর্মী আব্দুল গফুর

শাজাহান খানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালো নিসচা কর্মী আব্দুল গফুর

আব্দুল আহাদ,, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : গত ৫ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন রাজশাহী বিভাগীয় আঞ্চলিক কমিটির সম্মেলনে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাংসদ শাজাহান খান নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জননন্দিত চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার হুমকি ও তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অশালীন বক্তব্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা), বগুড়া জেলা শাখার নির্বাহী সদস্য আব্দুল গফুর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করে বিবৃতি প্রদান করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য প্রদান করলে এর বিরুদ্ধে দেশব্যাপী বুদ্ধিজীবি, অভিভাবক সমাজ, সুশীল সমাজ, সমাজ চিন্তাবিদ, ছাত্রজনতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে অতীতের মত তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা বলেন নিসচার চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ব্যক্তিস্বার্থে কোনকিছু করেন নাই। সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ প্রণয়ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিলে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার পর এর গুরুত্ব বিবেচনা করে সকলের মতামতে তা প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

সকলের মতামতে আইনটি পরবর্তীতে জারি করা হয়। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বর্তমান সড়ক পরিবহন মন্ত্রী সাংসদ ওবায়দুল কাদের আইনটি সম্পর্কে সকলকে সচেতন হবার জন্য পরামর্শ দেন। সুতরাং নিসচা'র চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন সম্পর্কে যে বিরুপ মন্তব্য করা হয়েছে তা কখনোই গ্রহণ করা যায় না।

কয়রায় আদিবাসী মুন্ডা সমবায় সমিতির বার্ষিক সাধারন সভা

কয়রায়  আদিবাসী মুন্ডা সমবায় সমিতির  বার্ষিক সাধারন সভা


কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলার নৃ-তাত্বিক আদিবাসি সমবায় সমিতি লিমিটেড ও সুন্দরবন আদিবাসি উন্নয়ন সংস্থা (সাউস) এর বার্ষিক সাধারন সভা গত শুক্রবার সন্ধায় সংগঠনের উত্তরবেদকাশি গাজীপাড়ার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা গীরেন্দ্রনাথ মুন্ডার সভাতিত্বে বার্ষিক সাধারন সভায় বক্তব্য রাখেন কয়রা উপজেলা নৃ-তাত্বিক আদিবাসি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি বলাই কৃঞ্চ সরদার,সাধারন সম্পাদক প্রভাত সরদার, অবিনাষ মুন্ডা,রনজিত মুন্ডা,মহিবালা মুন্ডা,সুরভী মুন্ডা,রনজিত কুমার মাহাতো প্রমুখ। সভায় আদিবাসি সদস্যদের জন্য ১টি কমিউনিটি সেন্টার নির্মান,সরকারের বিভিন্ন সহযোগিতায় তাদের সম্পৃক্ততাকরন, চাকুরী ক্ষেত্রে তাদের আলাদা কোটা রাখা সহ সরকারের নিকট বিভিন্ন দাবি দাওয়া উপস্থাপন করা হয়। বার্ষিক সাধারন সভায় সংগঠনের সকল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নাগরপুরে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধন

নাগরপুরে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধন

ডা.এম.এ.মান্নান,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় (কোভিড ১৯ টিকাদান কর্মসৃচী  উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ রবিবার ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ খ্রি.সকালে নাগরপুর সদর হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে উপজেলা প্রধান স্বাস্হ্য কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান এর সভাপতিত্বে ও মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট কামরুনাহার এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও সিফাত-ই- জাহান।

এ সময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ভূমি তারিন মসরুর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির, ডা. খালিদ বিন কাশিম, ডা. শরিফুল ইসলাম সহ সাংবাদিকবৃন্দ।

সারা দেশের ন্যায় চৌগাছায় করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

সারা দেশের ন্যায় চৌগাছায় করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন


চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধিঃ সারা দেশব্যাপী দুই সপ্তাহ ব্যাপী করোনা ভাইরাস এর টিকাদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। যশোরের চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভাইরাস এর  টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে আজ রবিবার সকাল দশ ঘটিকায়।   চৌগাছা উপজেলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. মোস্তানিছুর রহমান, উপজেলার নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী এনামুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছাঃ লুৎফুন্নাহার লাকি।
 উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন প্রথম দিনে ৫০ জনকে করোনার টিকা দেওয়া হবে। আমরা যে পরিমাণ ডোজ টিকা পেয়েছি প্রথম পর্যায়ে উপজেলার ৪ হাজার ব্যক্তিকে এই টিকা দেয়া হবে, প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার পর ২য় ডোজ এক মাস পরে দেওয়া হবে। 
 টিকা প্রদানের পর প্রায় আধঘন্টা করে অবজারভেশনে রাখা হয় টিকা গ্রহনকারীদের। তবে আজ টিকা গ্রহনকারীদের মধ্যে কোন রকম উপসর্গ দেখা যায়নি বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। যারা টিকা নেয়ার তালিকায় আছেন কিন্তু এখনও রেজিষ্ট্রেশন করেন নি তাদের দ্রুত রেজিষ্ট্রেশন করার আহবান জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাঃ লুৎফুন্নাহার।
এ সময় করোনা মহামারি প্রতিরোধের টিকা প্রদান কার্যক্রম সফল করার লক্ষ্যে সকল কে আহবান জানান।

তাহিরপুর প্রথম কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

তাহিরপুর প্রথম কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

আবু সায়েম সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আজ কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন সারাদেশে উদ্ব্যোদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে তারই ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জ জেলা তাহিরপুর  উপজেলা শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল কোভিড-১৯  করোনা মহামারি ভাইরাসের টিকা তাহিরপুর উপজেলার মধ্যে সর্বপ্রথম টিকা গ্রহন করেছেন তিনি। 

তিনি বলেন বাংলাদেশ সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ভ্যাকসিন আমাদের মধ্যে নিয়ে এসেছেন।আগ্রহীদের ভ্যাকসিন গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন এই টিকা নিরাপদ। মানুষকে আতঙ্কিত না হবার জন্য অনুরোধ করছেন।।

মোংলায় হরিণের মাংসসহ পাচারকারী আটক

মোংলায় হরিণের মাংসসহ পাচারকারী আটক

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা: মোংলার দিগরাজের বালুর মাঠ এলাকা থেকে ২২ কেজি হরিণের মাংসসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার বিকেলে এসআই মোঃ ইমলাক হোসেন, এএসআই মোঃ রুহুল আমিন ও এএসআই আবুল হোসেন দিগরাজ বাজার সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কামাল শিকদারের (৩০) কাছে থেকে ২২ হরিনের মাংসসহ জব্দ করে। এ সময় হরিণের মাংস পাচারের দায়ে তাকেও আটক করা হয়েছে। আটক কামাল বালুর মাঠের জামাল শিকদারের ছেলে। কামাল পুলিশের স্বীকারোক্তিতে বলেছে সে খুলনার দাকোপ উপজেলার লাউডোব গ্রামের চোরা শিকারী কার্তিকের কাছ থেকে এ মাংস কিনে এনেছেন তিনি। কার্তিকের কাছ থেকে পাইকারী কিনে এনে মোংলাসহ বিভিন্ন জায়গায় তিনি চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলেন।  ওসি ইকবাল বাহারচৌধুরী আরো বলেন, জব্দকৃত মাংসে কেরোসিন তেল দিয়ে নষ্ট করে মাটি চাঁপা দেয়া হবে। আর আটককৃতের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী নিধন-পাচার আইনে মামলা দায়েরের পর সোমবার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে। 

আবুল খায়ের গ্রুপে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে

আবুল খায়ের গ্রুপে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে

বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপে 'ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি (ট্রেড মার্কেটিং)' পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: আবুল খায়ের গ্রুপ

পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি (ট্রেড মার্কেটিং)শিক্ষাগত যোগ্যতা: মার্কেটিং/এমআইএস/ম্যানেজমেন্টে এমবিএ
অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয়
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর
কর্মস্থল: চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.jagojobs.com/sales-marketing এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।আবেদনের শেষ সময়: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

সূত্র: জাগোজবস ডটকম


আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ ধাপের পৌরসভার নির্বাচন

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ ধাপের পৌরসভার নির্বাচন

রশিদুল ইসলাম রিপন, লালমনিরহাট: লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ রেজাউল করিম স্বপন ৩২টি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

এ উপলক্ষে আজ রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় লালমনিরহাট জেলা শহরের আপন পাড়াস্থ নিজ বাসভবনে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা ও সাংবাদিক সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন।
নারিকেল গাছ মার্কা নিয়ে এবার লালমনিরহাট পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করছেন মোঃ রেজাউল করিম স্বপন। তাঁর নির্বাচনী লিখিত ইশতেহার সাংবাদিকদের সামনে থেকে পাঠ করে শোনান। সেই ইশতেহারে নগর পরিকল্পনার ৩২টি পদক্ষেপ রয়েছে।

মোঃ রেজাউল করিম স্বপন বলেন, আমি নির্বাচনে জয়ী হলে এ কাজগুলো বাস্তবায়ন করবো। নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষানায় আরও বক্তব্য রাখেন তাঁর স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ। এ সময় তাঁর মা রওশন আরা বেগমসহ তাঁর বোন, পরিবারের অন্যান্য স্বজন, শুভাকাঙ্খী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যশোরে করোনা টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি কাজী নাবিল আহমেদ

যশোরে  করোনা টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি কাজী নাবিল আহমেদ

সুমন হোসেন,  যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম। রোববার সকালে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদকে টিকা প্রদানের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।যশোরে করোনার টিকা প্রদান শুরু
সকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও টিকা গ্রহণ করেছেন যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার দিলীপ কুমার রায়, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর বিএমএ'র সভাপতি ডাক্তার একেএম কামরুল ইসলাম বেনু, উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক ফেরদৌসী বেগম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্বাস উদ্দিন, যশোর জেলা পরিষদের সদস্য মেহেদী হাসান মিন্টু, সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোদাচ্ছের আলী ও পৌর কাউন্সিলর সন্তোষ দত্ত।যশোরে করোনার টিকা প্রদান শুরু
যশোরের সাত উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একই সময় টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন। তিনি জানান, শুধুমাত্র নিবন্ধিতরাই এই টিকা গ্রহণের সুযোগ লাভ করবেন।যশোরে করোনার টিকা প্রদান শুরু
যশোরে টিকা গ্রহণের পর সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, সিভল সার্জন শেষ আবু শাহীন ও প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা সবাই এটা স্বাভাবিক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, টিকা নিয়ে অহেতুক গুজব ও আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। এটা সবাইকেই গ্রহণ করা উচিত।

উলিপুরে প্রথম কোভিড-১৯ এর টিকা নিলেন সংসদ সদস্য এম এ মতিন

উলিপুরে প্রথম কোভিড-১৯ এর টিকা নিলেন সংসদ সদস্য এম এ মতিন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম সারা দেশের ন্যয় আজ বেলা ১২ টায় কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় করোনা ভ্যাকসিন  কোভিড-১৯ এর উদ্বোধন করা হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুভাষ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভ্যাকসিনেশনের উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রাম -৩ উলিপুর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক এম এ মতিন( অবঃ)।সংসদ সদস্য নিজে টিকে নিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু করেন।এরপর সাবেক সিভিল সার্জন ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএমএম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ লোকমান হাকিম ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা টিকা নেন।সংসদ তার বক্তব্যে সকলকে টিকা নেবার জন্য আহ্বান জানান।তিনি টিকা  নিয়ে সকলকে আতংকিত না হবার জন্য বলেন।

ঝালকাঠিতে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন

ঝালকাঠিতে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঝালকাঠিতে কোভিট-১৯ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জোহর আলী প্রথমে টিকা নেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু এমপি ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক এডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনীর ও সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালিসহ ১৫ ক্যাটাগরিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রেজিষ্ট্রেনকৃতরা টিকা গ্রহন করেন। প্রথম দিনে সদর হাসপাতালের তিনটি বুথে ৪০ জনসহ জেলায় ৪টি কেন্দ্রের ১২ টি  বুথে মোট ১৩০ জনকে টিকা প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ে জেলায় মোট ১২ হাজার ডোজ টিকা পাওয়া। এপর্যন্ত ৭৫০ জনে রেজিস্ট্রশন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী, পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
একই দিনে রাজাপুর উপজেলায় করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার উদ্বোধন আনুষ্ঠানিক ভাবে সকাল সোয়া ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান প্রধান অতিথি থেকে শুভ উদ্বোধন করেন । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোক্তার হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজাপুর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ গোলাম বারি খান, রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজ আক্তার লাইজু, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুজা মন্ডল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবুল খায়ের মোহাম্মদ রাসেল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রশিদসহ সাংবাদিক বৃন্দ। রেজিস্ট্রেশন কৃত ৩৬ জনকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রথম করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন রাজাপুর সরকারি কলেজ এর অধ্যক্ষ গোলাম বারি খান ও ডাঃ আবুল খায়ের মোহাম্মদ রাসেল। এদিকে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টিকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য  ও পপ কর্মকর্তা শিউলি পারভীন প্রথমে টিকা নিয়ে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস মোর্সরদা লস্কর, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার তাজুল ইসলাম দুলাল চৌধুরী সহ ডাক্তার, নার্স, সাংবাদিক সহ নানা শ্রেণীপেষার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁ জেলায় "আমরাই- বদলগাছী" সংগঠন এর উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নওগাঁ জেলায়  "আমরাই- বদলগাছী" সংগঠন এর উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর ,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার বদলগাছীতে  "আমরাই- বদলগাছী"  সংগঠনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

মানবতার চেষ্টা দেওয়াল বিভিন্ন ছোট বড় সংগঠন তেমনি একটি সংগঠন নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানা অন্তর্গত   "আমরাই- বদলগাছী" এর উদ্যোগে বদলগাছী উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ই ফেব্রুয়ারি  কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।
 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য -মীর মহীউদ্দীন আলমগীর চৌধুরী , মোঃ মোজাফফর হোসেন ।
কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মীর সাব্বির আহমেদ চৌধুরী এবং আর উপস্থিত ছিলেন মোঃ পারভেজ পিয়াশ, মোঃআরমান মোস্তাক সহ-আরো  সদস্যবৃন্দ 
অনুষ্ঠানে বস্ত্রহীন হতদরিদ্র মানুষের হাতে তুলে দেয়া হয় শীতবস্ত্র কম্বল।কম্বল পেয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন তাদের এই কার্যক্রম তাদের একটি নতুন আস্থাভাজন তারা এ সংগঠনের দীর্ঘায়ু ও শুভ কামনা করে,তারা যেন মানুষের পাশে থেকে এভাবেই কাজ করে যেতে পারে। 

"আমরাই -বদলগাছী"সংগঠনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যরা বলেন আমাদের এ কার্যক্রম আরো গতিশীল করে আমরা আন্তঃউপজেলা থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ে কাজ মানুষের পাশে থেকে হতদরিদ্রদের সাহায্য করব নতুন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করব ।
এছাড়াও  আমরাই- বদলগাছী সংগঠনটি -দেশ ও বহির্বিশ্বের অভিশাপ করোনা যা দেশ ও বহির্বিশ্ব কে  করেছিল স্তব্ধ । করোনা কালীন সময়ে যখন সবকিছু স্তব্ধ তখন এ সংগঠনটি মানুষের দ্বারে- দ্বারে ঘুরে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ছিলেন

নলছিটিতে ব্যবসায়ীর উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানবন্ধন

নলছিটিতে ব্যবসায়ীর উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানবন্ধন

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঝালকাঠির নলছিটিতে বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আসাদুজ্জামান খান পলাশের উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নলছিটি প্রেসক্লাব সম্মুখে ঘন্টব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে আসাদুজ্জামান খান পলাশের স্বজন ও স্থানীয়রা অংশগ্রহন করেন। 

এসময় উপস্থিত পলাশের ভাই রেজাউল ইসলাম ইমন বলেন আমার ভাইকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে আক্কাস ও মিজান বাহিনী পরিকল্পিতভাবে হামলা করে। তিনি ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেছেন। আমরা পরিবার নিয়ে আতংকিত অবস্থায় বসবাস করছি। কারন হামলাকারীরা এখানো প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন। আমরা চাই তাদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক। 

উল্লেখ্য পলাশকে গত ৩ জানুয়ারী(২০২১) রাতে তার নিজ এলাকায় বসে রাতের আধারে এলোপাতাড়ি কোপানো হয় পরবতীর্তে তার বাবা মোঃ এসকেন্দার আলী খান বাদী হয়ে নলছিটি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ঝালকাঠিতে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন

ঝালকাঠিতে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টার 
ঝালকাঠিতে কোভিট-১৯ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জোহর আলী প্রথমে টিকা নেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক এডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনীর ও সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালিসহ ১৫ ক্যাটাগরিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রেজিষ্ট্রেনকৃতরা টিকা গ্রহন করেন। প্রথম দিনে সদর হাসপাতালের তিনটি বুথে ৪০ জনসহ জেলায় ৪টি কেন্দ্রের ১২ টি  বুথে মোট ১৩০ জনকে টিকা প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ে জেলায় মোট ১২ হাজার ডোজ টিকা পাওয়া। এপর্যন্ত ৭৫০ জনে রেজিস্ট্রশন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী, পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মোংলায় মুক্তিযোদ্ধাকে টীকা প্রদানের মধ্য দিয়ে করোনার টিকাদান শুরু

মোংলায় মুক্তিযোদ্ধাকে টীকা প্রদানের মধ্য দিয়ে করোনার টিকাদান শুরু

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ মহামারী থেকে মুক্তির প্রত্যাশার মধ্য থেকে সারাদেশের মত মোংলায়ও করোনা ভাইরাসের টিকাদান শুরু হয়েছে। রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১ টায় সরকারী হাসপাতাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথমে একজন মুক্তিযোদ্ধা এই টিকা নিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার ইউএনও কমলেশ মজুমদার, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) জীবিতেষ বিশ্বাস ও থানার ওসি মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী পর্যায়ক্রমে এই টিকা নেন। 

মোংলা উপজেলায় করোনা ভাইরাসের ৪ হাজার ৪৪২ টিকা আসে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার। তবে প্রথম পর্যায়ে এই টিকা দুই হাজার ২২১ জনকে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে বাকিদের দেওয়া হবে এই টিকা। 

ইউএনও কমলেষ মজুমদার এদিন বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে এই টিকাদান নিয়ে কিছুটা আতংক থাকলেও সরকারী কর্মকর্তারা প্রথম এই টিকা নিয়ে সবাইকে উৎসহ যুগিয়েছেন। পাশাপাশি আতংক না হয়ে সবাইকে এই টিকা গ্রহন করতে অনুরোধ করেন তিনি।  

ঝিকরগাছায় কোভিড-১৯ টিকাদানের শুভ উদ্বোধন করলেন ডা. নাসির উদ্দিন এমপি

ঝিকরগাছায় কোভিড-১৯ টিকাদানের শুভ উদ্বোধন করলেন ডা. নাসির উদ্দিন এমপি

আফজাল হোসেন চাঁদ : যশোরের ঝিকরগাছায় কোভিড-১৯ টিকাদানের শুভ উদ্বোধন করলেন কোভিড-১৯ টিকাদানের উপদেষ্টা ও যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ নাসির উদ্দিন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে রবিবার সকাল ১১টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকাদান কেন্দ্রের কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচির উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম, কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান,আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশিদুল আলম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম রেজা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুবনা তাক্ষী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য শামিম রেজা, উপজেলা করোনা (কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি) কমিটির অন্যান সদস্যবৃন্দ সহ আরো অনেকে।
ঝিকরগাছা উপজেলায় কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচির প্রথমদিনে টিকা গ্রহণ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স সনোকা ঘোষ, ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাই স্কুলের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা  আব্দুর রশিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ তৌহিদ তারিফ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, সেনেটারী ইন্সেপেক্টর গণপতি বিশ্বাস সহ ৪১জন অনলাইন ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণকারীদের মধ্যে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তবে আজ কোন ব্যক্তির মোবাইলে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচির ম্যাসেজ না যায় তবুও যদি কোন কেউ হাজির হয় তাহলে তাদেরকে টিকা দেওয়া হবে বলে জানান উপজেলা মেডিকেল অফিসার ও আসিটি ফোকাল পয়েন্ট ডা. মোঃ আরশাফ উদ্দীন।

কলারোয়ায় করোনা টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

কলারোয়ায় করোনা টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় করোনা টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। 

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ গণ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। পরবর্তীতে আরও টিকা গ্রহণ করেন স্বাস্থ্যকর্মী-সংবাদকর্মীসহ অনেকেই।

এ টিকাদান কার্যক্রম প্রতিদিন চলবে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত। করোনা টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মৌসুমী জেরীন কান্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য  কর্মকর্তা ডাঃ জিয়াউর রহমান, কলারোয়ার যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফ্ফার, কলারোয়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শফিকুল ইসলাম,  সাচিপ নেতা
 ডাঃ সুব্রত ঘোষ. ডাঃ জাহিদ আলম প্রমুখ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জিয়াউর রহমান জানান, এপর্যন্ত করোনা টিকা গ্রহণের জন্য
কলারোয়ায় ১৬৩ জন ব্যক্তি নাম নিবন্ধন করেছেন।

দিনাজপুরের কাহারোলে কোভিড-১৯ এর প্রথম ভ্যাকসিন নিলেন মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি

দিনাজপুরের কাহারোলে কোভিড-১৯ এর প্রথম ভ্যাকসিন নিলেন মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি

খাদেমুল ইসলাম রাজ, বীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় প্রথম করোনা ভ্যাকসিন গ্রহন করলেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল।
৭ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালে কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে উপজেলায় করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, বিশ্বের মানুষের পাশাপাশি করোনা আতঙ্কে বাংলাদেশের মানুষ যখন ভীত হয়ে পড়েছিল আতঙ্কিত ছিল সেই মুহূর্ত একটি মহল বিভ্রান্তিকর মিথ্যাচার দিয়ে মানুষকে আরো বেশি আতঙ্কিত করবার চেষ্টা করেছে। এই সংকটকালীন মুহূর্ত একশ্রেণীর মানুষ করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি করবার চেষ্টা করেছে। আজ উন্নত দেশগুলির পাশাপাশি প্রায় সমসাময়িক সময়ে বাংলাদেশে করোনা প্রতিষেধক ভ্যাকসিন বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। এটি জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী সম্পন্ন নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে। এখন পর্যন্ত অনেক দেশে এই ভ্যাকসিন না পেঁৗছালেও জননেত্রী শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেশের মানুষকে রক্ষা করবার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছেন বলেই আজকে বাংলাদেশের মানুষ ভ্যাকসিন গ্রহণ করছেন। এই মিথ্যাচারে মানুষ যেন কোনভাবেই বিভ্রান্ত না হয় সে কারণে আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষকে ভ্যাকসিন গ্রহণে উৎসাহিত করবার জন্যই আমি প্রথম ভ্যাকসিন গ্রহণ করছি।
কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ শফিউল আজম জানান, কাহারোল উপজেলায় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এর ৩শ ৫০টি ভায়াল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা সাড়ে ৩ হাজার ব্যক্তিকে দেয়া যাবে।
উপজেলায় টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনের পরপরই টিকা গ্রহন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুল হাসান, কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ শফিউল আজম, ওসি ফেরদৌস আলী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কাহারোল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুল হাসান, আরএমও ডা. রায়হান আলী, কাহারোল থানার ওসি মো. ফেরদৌস আলী, উপজেলা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) তরুন কুমার রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম ফারুক।
এমপি গোপাল আরও বলেন, আজকের বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় দেশের রাষ্ট্রদূতরা সরকাররা সমালোচিত হলেও আন্তর্জাতিক ফোরামে প্রশংসিত হয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এত দ্রুত দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক পত্রিকা প্রখ্যাত সেখানে কয়েকটি প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার করণা মোকাবেলায় তার পদক্ষেপকে তার পদক্ষেপ সম্পর্কে তারা বলেছেন অনেক দেশের শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক্স পত্রিকায় শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বলা হয়েছে যে করনা মোকাবেলায় শেখ হাসিনা আজকে তিনি যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রথমেই ভ্যাকসিন নিয়ে এসে মানুষকে কথার জন্য মানুষকে রক্ষার জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ট্রেনের অপেক্ষায় চিলমারী

ট্রেনের অপেক্ষায় চিলমারী



কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ চিলমারীকে নিয়ে উন্নয়নের ভাবনা থাকলেও তা যেন এখন উল্টো হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে তবুও দেখা নেই ট্রেনের। আছে লাইন, আছে স্টেশন, যাত্রীরা আছে অপেক্ষায় কিন্তু বছর গেলেও আসছে না ট্রেন। তালাবদ্ধ রয়েছে অফিস, তুলে নেয়া হয়েছে জনবল। ফলে নষ্ট হওয়ার পথে লাখ লাখ টাকার যন্ত্রাংশ। এ যেন নজরে পড়ছে না কর্তৃপক্ষের। নানা অজুহাতে চিলমারী-পার্বতীপুর রেলপথে ট্রেনটি রয়েছে বন্ধ। স্বল্প ভাড়ায় সহজেই ট্রেনে চিলমারীর রমনা থেকে পাবর্তীপুর ও পার্বতীপুর থেকে চিলমারীর রমনা যাতায়াত করতে সুবিধা হতো সাধারণ যাত্রীদের।
সে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হাজার হাজার যাত্রী। জানা গেছে, চিলমারী নদীবন্দর ও হরিপুর তিস্তা সেতু চালুর অগ্রগতি হলেও বন্ধ হয়ে আছে যাতায়াতের ভরসার ট্রেনটি। ফলে জনসাধারণের মাঝে বাড়ছে হতাশা। উপজেলায় দু'টি রেল স্টেশন বালাবাড়ি ও রমনা নামে স্টেশনটির এক সময় বেশ জৌলুস থাকলেও কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর নজরদারির অভাবে তা নষ্টের পথে। প্রায় ১ বছর থেকে ট্রেনটি বন্ধ থাকায় রেলপথে যাতায়াতকারী জেলার চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী, রাজিবপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এছাড়াও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় বেশি ক্ষতিগ্রস্তের শিকার এই অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা, বেকার হয়ে পড়েছেন অনেকেই। মানবেতর জীবনযাপন করছেন কুলি, শ্রমিক ও তাদের পরিবার। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের ২৩শে মার্চ চিলমারীর রমনা থেকে পার্বতীপুরের ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। এখনো বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। কবে থেকে আবার নিয়মিতভাবে চিলমারী-পার্বতীপুর পথে ট্রেন চালু করা হবে এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাগরা কেউই পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারছেন না। এদিকে বন্ধ থাকায় স্টেশনের বিভিন্ন মালামালসহ অফিসের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন এলাকাবাসী। এ বিষয় নাম না জানা শর্তে রেল সংশ্লিষ্ট একজন বলেন, কিছুদিন আগে রেল চেয়ারম্যান পরিদর্শনে এলেও কৌশলে তাকে চিলমারী আসতে দেয়া হয়নি। এবং চিলমারীতে দায়িত্বে থাকা বুকিং সহকারী ও পোর্ডারদেরও সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কথা হলে বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ড্রাইভার, ইঞ্জিন স্বল্পতা ও স্টেশন মাস্টার না থাকার কারণে ট্রেনটি বন্ধ রয়েছে।

নড়াইল করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের শুভউদ্বোধন করলেন মাশরাফি বিন মোর্তুজা

নড়াইল করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের শুভউদ্বোধন করলেন মাশরাফি বিন মোর্তুজা


মোঃ আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।।নড়াইলে করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের উদ্বোধন করলেন বাংলাদেশ জাতীয় ওডিআই ক্রিকেট দলের সাবেক সফল অধিনায়ক ও নড়াইল ২ আসনের মাননীয়  সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজা।

এসময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) হাবিবুর রহমান প্রথম টিকা গ্রহণ করেছেন।আজ ৭ (ফেব্রুয়ারী) রবিবার সকাল ১১টায় নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচি শুরু হয়।সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলায় এ পর্যন্ত ২৪ হাজার ডোজ টিকা এসেছে। ১ হাজার জন রেজিস্ট্রেশন করেছেন। প্রথম ধাপে জেলায় ১৮ বছর বয়সের উর্দ্ধে ২৪ হাজার মানুষকে এ ভ্যাকসিন দেয়া হবে। নড়াইল সদর হাসপাতাল, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলা হাসপাতালে একযোগে এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়ে পরবর্তী ১৪ দিনে সম্পন্ন হবে।

একেই বলে প্রেম!

একেই বলে প্রেম!

হুদা মালী প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের আমগাছের ডালে ঝুলে আত্নহত্যা করেছেন প্রেমিক প্রেমিকা। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি২০২১) ভোর রাতে তারা আত্নহত্যা করেন।এলাকাবাসীর ধারণা
পরকিয়া প্রেমঘটিত বিষয়ে এই আত্নহত্যার ঘটনা ঘটেছে । 
নিহতরা হলেন গৃহবধু ফাতেমা বেগম (৪০) উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামের শেখ হাসানের স্ত্রী ও যুবক করিম পাড় (৩০) শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাট দক্ষিণপাড়ার জয়নাল পাড়ের ছেলে,
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, সকালে শেখ আব্দুল হাই আমাকে ফোন করে জানায় আমার বাড়িতে দুইজন আত্নহত্যা করেছে। থানা পুলিশে খবর দাও।
 নিহতরা হলেন. শেখ আব্দুল হাইয়ের পুত্রবধু ও অপর এক যুবক। আব্দুল হাইয়ের ছেলে শেখ হাসান মানুসিক ভারসমস্যহীন। প্রেমঘটিত কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে সকলেই ধারণা করছেন।ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম আরো জানান,পুলিশ আশার পর  শেখ আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি।
তবে জানা গেছে ,যুবকের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পায়নি তবে গৃহবধুর মুখে ও গলায় আচড়ের দাগ রয়েছে।
পুলিশ বলছে এখনই বলা সম্ভব নয় এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যার ঘটনা এবিষয়ে তদন্ত চলছে।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর খায়রুল কবির জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মোবাইল ফোনে ঘটনাটি থানায় জানানোর পর মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। একটি আমগাছে ডালে একই রশ্নিতে দুই পাশে ঝুঁলছিল দুই মরদেহ। কি কারণে তারা আত্নহত্যা করেছে সেটির কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 
 মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

চিড়িয়াখানার বন্ধী খেলা সরোয়ার জাহান

চিড়িয়াখানার বন্ধী খেলা সরোয়ার জাহান

মনে অনেক আশা নিয়ে
গেলাম চিড়িয়াখানা 
দেখতে পারবা সব কিছু ভাই
ছুইতে পারবানা,,

দেখলাম একটু সামনে গিয়ে
দাড়ীয়ে আছে হাতি
তার সামনে যাচ্ছে না কেউ
মারবে বলে লাথি,,,,

দেখতে হাতি নাদুস নুদুস 
ভাব মারছে বেশ
নিজের শরীর দেখতে পেলে
সব কোরতো শেষ,,,, 

খাচার মধ্যে সাপ গুলো যে
শুয়ে আছে একা
ছােট বড় সবাই মিলে 
করতে যাচ্ছে দেখা,,,,

বানর গুলো লাফালাফি 
করে যে বার বার
ময়না পাখি কইনা কথা
কি বলবো যে আর,,,

জিরাফ টা যে মাথা নেড়ে
উপরের ঘাস খায়
তাইনা দেখে ছােট্ট বিড়াল
মিয়াও মিয়াও কই,,,

বাঘের হুংকার দেখা যায়না 
ক্লান্ত দেহ নিয়ে
তারপরও সে হাজার লোকের 
আনন্দ যাচ্ছে দিয়ে,,,

হরিণ গুলো ঘুরছে খাচায়
আছে তাও বন্ধি
তাইনা দেখে পাশের নেকড়ে
আটছে কত ফন্দি,,,

ঘোড়া দুটো ছাড়া আছে
চারিপাশে তাও ঘেরা
পাশে আছে জিব্রা বুড়ো
দিচ্ছে না যে সাড়া,,,

জলহস্তী কাদা মেখে
দাঁত কেলিয়ে হাসে
পরের খাচায় বন্ধু কুমির
থাকতে পারছেনা পাশে,,,

মরার মত পড়ে আছে 
বনের সিংহ রাজা
মনে হচ্ছে পাপ করে সে
পাচ্ছে অনেক সাজা,,,

ময়ুর দুটি মাঝে মাঝে
পেখম  মেলে দিচ্ছে 
তাইনা দেখে বাবু সোনারা 
অনেক মজা নিচ্ছে,,, 

মনের মত বন্ধু নেই যার
দোয়েল পাখি ময়না
মনের কষ্টে এখন তারা
কথা একটু কইনা,,,

গন্ডার টা দেহ নিয়ে
পারছে না ঘুরতে
মনের দুঃখে চিতা বাঘটা
পারছে না যে মরতে,,,

কবুতর গুলো বাক বাকুম
ভুলে গেছে আজ
পাশের ঘরে বন্ধি ঘুঘু
দিচ্ছে না আর সাজ,,,

গাধার কথা কি আর বলবো
সবার সাথে মিশে
বাদাম লেবু কলা গুলো
যাচ্ছে সারাদিন ফিসে,,,

বাঘের কাছে কেউ যাবেনা
গাধার পিচে বোঝা 
এসব দেখে বাড়ীর দিকে 
এলাম এবার সোজা,,, 

সব প্রাণী ভাল থাকুক
বন্ধি খেলা ঘরে
সবার মত সবাই থাকুক
কেউ না যেন মরে,,,।

বড়লেখায় ১৫৫২ জন উপকারভোগীর মাঝে কার্ড ও খাদ্যশস্য বিতরণ

বড়লেখায় ১৫৫২ জন উপকারভোগীর মাঝে কার্ড ও খাদ্যশস্য বিতরণ

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ১৫৫২ জন উপকারভোগীর মাঝে কার্ড ও খাদ্যশস্য বিতরণ অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন। ও 
উল্লেখ্য মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে বড়লেখা উপজেলায় ১৫৫২জন দুস্থ মহিলাদের মাঝে দুই বছর ধরে প্রতিমাসে ৩০কেজি করে চাল ভিজিডি কর্মসূচির মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান এর সভাপতিত্বে  উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ, বড়লেখার চেয়ারম্যান জনাব সোয়েব আহমেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজ উদ্দিন ও জনাবা রেহানা বেগম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জনাবা শামসুন্নাহার, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ।

করোনা ভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা নিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ

করোনা ভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা নিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ০৭/০২/২০২১ইং: রোজ রবিবার সকাল ১১টার সময় উপজেলা প্রশাসন ভবনে করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা নিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,নিসচা বড়লেখা উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা জনাব সোয়েব আহমদ।

দিনাজপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি ভ্যাকসিন নিয়ে উদ্বোধন করলেন করোনা টিকা প্রদান কর্মসূচী

দিনাজপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি ভ্যাকসিন নিয়ে উদ্বোধন করলেন করোনা টিকা প্রদান কর্মসূচী
করোনার টিকে নিচ্ছেন জাতীয়  সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি
মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ  দিনাজপুরের প্রথম ভ্যাকসিন গ্রহন করে করোনা টিকা কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি ইকবালুর রহিম।
আজ রোববার সকালে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা টিকা প্রদান কেন্দ্রে উক্ত করোনা টিকা প্রদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়। প্রথমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করার পরপরই টিকা গ্রহন করেন হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। এরপর চিকিৎসক, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ ৫৫ বছরের উর্ধ্বে ব্যক্তিরা টিকা গ্রহন করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর সিভিল সার্জন আব্দুল কুদ্দুছ, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসনসহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
দিনাজপুরে মোট করোনা টিকা মজুত রয়েছে ৯৬ হাজার ডোজ এবং প্রথম ধাপে দেয়া হবে ৪৫ হাজার জন মানুষকে। এ্যাপসের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার মানুষ নিবন্ধন করেছেন।

দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে ১২ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ আসামী গ্রেফতার

দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে  ১২ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ আসামী গ্রেফতার

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার  অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  বিপ্লব কুমার সাহা এর নেতৃত্বে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে, ৬ ফেব্রুয়ারি দেবহাটা থানাধীন গরানবাড়ীয়া মোড় নামক স্থান হইতে ১২ বোতল ফেন্সিডিল এবং একটি মটরসাইকেল সহ ৩ আসামিকে আটক করেছে। 

আটককৃতরা হলেনঃ
আশাশুনি থানার বসুখালি গ্রামের মৃত্যু নজরুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ আব্দুল রাজ্জাক (৩২) ও কালিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নলতা গ্রামের আব্দুল্লাহ কারিগর এর ছেলে মোঃ আবীর হোসেন (২০)। 
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদেরকে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারার্থে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে।

একজন ‘নাইনাই’ এর গল্প

একজন ‘নাইনাই’ এর গল্প

অনলাইন শপিং চীনাদের জনপ্রিয় এবং স্বল্প সময়ে পণ্য ডেলিভারি পাওয়ার সর্বোত্তম পন্থা। যেখানে সার্বক্ষণিক নিশ্চিত করা হয় পণ্যের গুণগত মান। অনলাইনে পণ্য ক্রয় পরবর্তী, ক্রেতাকে যথাসময়ে ডেলিভারি দেওয়ার জন্য প্রতিটা কমিউনিটির আশপাশে বেশ কয়েকটি করে ডেলিভারি শপ আছে। পন্য অর্ডার করার পর হতে মোবাইলের অ্যাপে সেটার ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু আছে। এছাড়া কোন পন্য পৌঁছানোর সাথে সাথে ক্রেতার মোবাইল নাম্বারে খুদে বার্তা চলে যায়। তারপর ক্রেতারা গিয়ে নিজ দায়িত্বে নিজের পন্য খুঁজে নিয়ে আসে। ক্রেতাদের সহজে খুঁজে পেতে কর্তৃপক্ষ পণ্যের প্যাকেটের গায়ে নাম্বারিং করে নির্দিষ্ট র‍্যাকে সাজিয়ে রাখে। যেটা ক্রেতাদের চোখের নিমিষেই খুঁজে পেতে সাহায্য করে। ক্রেতারা নিজ দায়িত্বে সাজানো র‍্যাক থেকে পন্য নেওয়ার পর দোকানে রাখা স্ক্যানারে পন্যের গায়ের কিউ আর কোড/বার কোডটি স্ক্যান করে বাসায় নিয়ে যায়। কোডটি স্ক্যান করার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রেতা নিশ্চিত হয় যে, পন্য ক্রেতা ঠিকঠাক বুঝে পেয়েছে। 
চীনাদের মত আমরাও আমাদের দৈনন্দিন নিত্য প্রয়োজনীয় বেশীরভাগ জিনিসই অনলাইনে অর্ডার করি। প্রতিদিনই কিছু না কিছু পণ্য অনলাইন পণ্যের ডেলিভারি শপ থেকে নিয়ে আসতে হয়। আমার মেয়ে ‘অন্তু’র প্রতিদিনের আবদার থাকে তাকে সাথে নিয়েই যেন অনলাইনে ক্রয়কৃত পণ্য নিয়ে আসি। ক্রয়কৃত পন্য খুঁজে বের করে অন্তুর কাজ হল স্ক্যানারের নিচে রাখা। স্ক্যানারের নিচের নির্দিষ্ট স্থানে পন্যের বক্স রাখার পরেই স্ক্যানার স্বয়ংক্রিয় ভাবে পণ্যের বাক্সের গায়ে লাগানো কিউ আর কোড/বার কোড ডিটেক্ট করে স্ক্যানারটি চীনা ভাষায় রেকর্ড কৃত একটা কথা বলে। অন্তু এইটা শুনে খুব মজা পায়। সে ও মাঝেমধ্যে ওই রেকর্ড করা ভাষাটা অবিকল হুবুহ বলে। এরপর পণ্যটা নিয়ে বেরিয়ে আসার সময়ে গেটে অপেক্ষা করে নাইনাই। অন্তু পণ্য নিয়েই আগে নাইনাই কে খুজতে থাকে। এরপর নাইনাই এর কাছে গিয়ে বক্সটা দেয়। চীনা ভাষায় নাইনাই অর্থ ঠাম্মি বা দাদী। চীনা এই নাইনাই কে নিয়েই আজকের লেখা।
নাইনাই এর বয়স আনুমানিক আশি বছরের উপরেই হবে। বাহ্যিক অবলোকনে বোঝা গেলেও নাইনাই এর কাজকর্মে কেউ কখনো বুঝবে না যে উনি এত বয়স্কা একজন মহিলা। সবাই উনাকে নাইনাই বলেই ডাকে। তাই আমিও নাইনাই বলি আবার অন্তুও নাইনাই বলে। আমি যখন ভোরে হাঁটার জন্য বের হই মাঝে মধ্যে দেখি নাইনাই তার সকালের হাঁটার কাজ সেরে কমিউনিটির গেটে বসে আছে। সন্ধ্যার পরে বাসায় ফেরার সময় দেখি নাইনাই অন্যান্য বয়স্ক মানুষদের সাথে বসে গল্প করছে। খুবই প্রাণবন্ত আর মজার এই নাইনাই। নাইনাই এর রেগুলার ডিউটি অনলাইনের পণ্য ডেলিভারির দোকান খোলার সাথে সাথেই সেখানে হাজির হওয়া এবং বন্ধের আগ পর্যন্ত সেখানে থাকা। এরপর যারা পণ্য নিয়ে যায় তারা পণ্যের বক্সগুলো নাইনাই থেকে খুলে নেই। নাইনাই সেগুলো ছুরির সাহায্যে পরম যতনে খুলে বক্সটা নিজের কাছে রেখে পণ্যগুলো ক্রেতার কাছে দিয়ে দেয়। সবাই স্বঃপ্রনোদিত হয়ে নাইনাই কে দিয়েই বক্স গুলো খুলে নেই। এতে করে নাইনাই একটু লাভবান হয়। বক্সগুলোর কাগজ বিক্রি করে নাইনাই কিছু টাকা পায়। এই বক্সগুলোর এখানে বেশ চাহিদা। কেননা অনালাইন শপের কর্তৃপক্ষের প্রতিদিনকার লক্ষ লক্ষ বক্সের চাহিদা মেটাতে এসব বক্সগুলোর পুনঃ পুনঃব্যবহার করে। সেজন্য একটু দরিদ্র প্রকৃতির বয়স্ক মানুষেরা সেগুলো সংগ্রহ করে খুলে কাগজের মত ওজনে বিক্রি করেন। পরে সেগুলো দিয়ে বক্স বানিয়ে আবারো অনলাইনে পণ্য ডেলিভারির কাজে ব্যবহৃত হয়।   
গেল সপ্তাহের ছুটির দিন সকালে অন্তুকে নিয়ে কিছু পণ্য নিয়ে আসতে গেছিলাম। সেদিন নাইনাই আর ছাড়বেই না। পাশের দোকানে অন্তুকে নিয়ে গেছে। ওকে খাবার কিনে দেবেই তো দেবে। আগেও বেশ কিছুদিন নাইনাই বলেছে এ ব্যাপারে। কিন্তু তেমনটা সুযোগ করতে পারেনি। আমরা নাইনাই এর ভাষা বুঝিনা। হাতের ইঙ্গিতে বার বার না করতে লাগলাম। কিন্তু নাইনাই তার সিদ্ধান্তে অনড়। আগে অন্তুর কাছে জিজ্ঞাসা করেছে অন্তু কি পছন্দ করে। অন্তুও না বলেছিল, কিন্তু নাইনাই এর আদর ভালোবাসায় তার না বলাতেও কাজ হইনি। দোকান থেকে অন্তুর পছন্দের আইসক্রিম এবং সাথে কিছু চকলেট কিনে দিল অন্তুকে।
রাস্তা দিয়েই যেতেই মেইন রোডের পাশেই অনলাইন পণ্যের ওই দোকান। তাই আমরা আমাদের কমিউনিটি থেকে বাইরে বের হতে গেলেই নাইনাই এর দেখা পাই। নাইনাই এর নজর এড়ানো খুবই কষ্টকর। প্রতিদিন কয়েকবার আমাদের সাথে নাইনাই এর সাক্ষাৎ হয়। আমাদের দেখা মাত্রই কিসব বলা শুরু করে। ভাষা বুঝিনা তাই কিছুর প্রতিত্তর ও দিতে পারিনা। নাইনাই কে দেখি আর অনেক মায়া লাগে। মনে মনে ভাবি আহারে বয়স্কা মহিলাটা এভাবে এখানে সারাক্ষণ বসে থাকে। লোকের থেকে বক্স কুড়ায়। নাজানি কতই না কষ্টকর নাইনাই এর জীবন। 
মাঝে বেশ কিছু দিন নাইনাই এর দেখা পাইনি। ভেবেছিলাম হয়ত কোথাও ঘুরতে গেছে। সেজন্য অনলাইন থেকে বাসায় পণ্য আনার পরে প্রাপ্ত বক্সগুলোকে নাইনাই কে দেব বলে না ফেলে ব্যালকনিতে জমিয়ে রেখেছিলাম। প্রায় মাস খানিক পর থেকে আবারো নাইনাই এর দেখা পেলাম। ভাবলাম বাসার বক্সগুলো নাইনাই কে ডেকে দেওয়া দরকার। কিন্তু কিভাবে ওনাকে বোঝাবো যে বাসায় তোমার জন্য অনেক বক্স জমিয়ে রেখেছি। সেজন্য একটু হলেও মুশকিলে পড়ে গেলাম। একটা উপায় বের করলাম। আমরা যে কমিউনিটিতে থাকি নাইনাই ও একই কমিউনিটির বাসিন্দা। সকালে উনি যখন যায় তখন মাঝেমধ্যে বাসার ব্যালকনি থেকে দাঁড়িয়ে নাইনাই কে দেখা যায়। অন্তুও বেশ কয়েকদিন নাইনাই কে দেখেছে। তাই অন্তুকে বলা হয়েছে কখন নাইনাই যাবে সেটা দেখার জন্য। অন্তু প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ব্যালকনিতে গিয়ে পাহারা দেয় নাইনাই কখন যাবে সেটা দেখতে। বেশ কিছুদিনের মাথায় অন্তু একদিন নাইনাই কে দেখতে পেল। ব্যালকনি থেকে অন্তু ডাকা শুরু করল। ওর ডাক শুনতে না পেয়ে নাইনাই সাড়া দেইনি। এরপর অন্তু আমাকে গিয়ে বলার পরপরই আমি এসে নাইনাই কে জোরে ডাক দিলাম। নাইনাই উপরে তাকালো। আমি চাইনিজে আমাদের বাসার নাম্বার বলে ওনাকে আসতে বললাম। নাইনাই আসল। ভিতরে ডেকে বসতে বললাম। অন্তুকে আগেই কোলে জড়িয়ে আদর করে নিল। বসতে বসতে অনেক কথা বলল। কিছুই বুঝলাম না।
এরপর বক্সগুলো দিলাম। প্রথমে উনি একেবারেই নিতে চাইছিল না। আমাকে বোঝাতে চাইছে নিচে এগুলো বিক্রির দোকান আছে। উনি আমাকে দোকান দেখিয়ে দেবে। সেখানে গিয়ে আমি যেন এগুলো বিক্রি করে আসি। আমি নাইনাইকে বললাম তুমি বিক্রি কইর। উনি রাজি হল। এরপর পকেট থেকে একটা ছোট্ট টাকার ব্যাগ বের করল। আমাকে টাকা দেবে। আমি অস্বীকার করাতে আর বেশি জোরাজুরি করেনি টাকা নেওয়ার জন্য। এরপর দেখলাম অন্য পকেট থেকে একটা মোবাইল ফোন বের করল। বয়স আশির উপরে হলে কি হবে, স্মার্ট ফোন ব্যবহারে নাইনাই অনেক পারদর্শী। টাচ স্ক্রিন চেপে নাম্বার বের করে কল দিয়ে কার সাথে কথা বলল। কিছুক্ষন পরে নাইনাই এর এক নাতনি (অন্তুর থেকে বয়সে একটু বড়) আসল আমাদের বাসায়। বক্সগুলো দুজনে নিয়ে লিফেট তুলে আমাদের থেকে বিদায় নিল। নিচে তাকিয়ে দেখলাম। নাইনাই এর একটা কার্ট আছে। সেটা আনার জন্যই মূলত উনি নাতনিকে কল দিয়েছিল। পরে নাতনি আর উনি বক্সগুলো কার্টে লোড দিয়ে পায়ে হেঁটে ওদের বাসার দিকে চলে গেল। 
একদিন সন্ধ্যায় আমরা হাটতে বের হয়েছি। আমাদের সাথে ছিল অন্তুর বান্ধুবি এবং ওর মা। নাইনাই দেখলাম একটা প্রাইভেট কার থেকে নামছে। নামতে গিয়েই আমাদের সাথে নাইনাই এর দেখা। অন্তুকে কোলে নিতে চাইছে। আমি সে সুযোগে নাইনাই এর ব্যাপারে অন্তুর বান্ধুবির মায়ের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলাম। উনি বললেন ‘চীনা বয়স্ক ব্যক্তিরা সবসময় নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখতে চায়। নাইনাই ও ঠিক তেমন। যে প্রাইভেটকার থেকে নাইনাই নামল সেটা ওনার ছেলের গাড়ী’। কোথা থেকে যেন তারা ফিরছিলেন। তার ছেলে বেশ ভালো মানের চাকুরী করে। আমরা নাইনাই এর ব্যাপারে এসব শোনার পরে একটু অবাকই হলাম। বুঝলাম বক্স কুড়ালেও নাইনাই টোকাই না। কাজকে নাইনাই অনেক বেশী ভালোবাসে। সেজন্য অবসরকে যথোপযুক্ত ব্যবহার করে। সাথে এটাও বুঝলাম চীনারা যেকোন কাজকে যথেষ্ট মর্যাদার সাথেই দেখে। হতে পারে সেটা অনেক ছোট। আমাদের চোখে হতে পারে কাজগুলো নিকৃষ্ট মানের। কিন্তু চীনাদের কাছে কোন কাজই নিকৃষ্ট নয়। তাইতো বয়স্ক মানুষেরা ও একটি মুহূর্ত বসে নষ্ট করেনা। যেটা সাহায্য করে তাদের মনকে উৎফুল্ল ও প্রাণবন্ত রাখতে। সাথে নিরোগ জীবনযাপন করতে। কেউ কাউকে সামাজিক ভাবে এসব ছোটখাট কাজ করাকে হেয় না করে তাদেরকে যথেষ্ট মর্যাদার সাথে দেখে। আর সেজন্যই মানুষে মানুষে বিভেদ এখানে দেখা যায় না। 

লেখকঃ অজয় কান্তি মন্ডল
গবেষক
ফুজিয়ান এগ্রিকালচার এন্ড ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি
ফুজো, ফুজিয়ান, চীন।

পটিয়া পৌর ৪ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চান এম এ আবছার

পটিয়া পৌর ৪ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চান এম এ আবছার

সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ আগামী ১৪  ফেব্রুয়ারী ২০২১ ইং পটিয়া  পৌরসভা নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সমাজ সেবক  উট পাখি প্রতীক নিয়ে  কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন আলহাজ্ব এম এ আবছার( বিএ)।  তিনি গত কয়েকদিন যাবত গণসংযোগ করেন উট পাখি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে অবিরাম মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে চলেছেন। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সাথে করে পটিয়া   পৌরসভার ৪  নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে ৪  ওয়ার্ডবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন এবং উট পাখি  প্রতীকে ভোট চেয়েছেন। 
তিনি ৪ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন। দীর্ঘদিন ৪ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি পরিবারের সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে পাশে থাকা  সমাজসেবক এম এ  আবছার।  ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী  এম এ  আবছার বলেন, করোনাকালীন সময়ে আমি জনসচেতনতায় কাজ করাসহ আমার ওয়ার্ডের কমপক্ষে (২৫০-৩০০) পরিবারের নিকট ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছি। আমি ৫০ জন রিক্সাচালককে নগদ টাকা দিয়েছি। আমার সাধ্যমত আমার ওয়ার্ডবাসীকে সহায়তা করার চেষ্টা করেছি এবং আগামীতে করব। 
আমি এলাকার  ব্যাপক উন্নয়ন ভুমিকা রাখতে চাই।  আমি নির্বাচিত হলে ৪ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা পালন করব। ৪ নং  মডেল আদর্শ ওয়ার্ডকে  উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে 
দল-মত নির্বিশেষে   একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব । এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও সড়কের বাতিসহ এলাকার উন্নয়ন করব। সুবিধাবঞ্চিত গরীব-অসহায় এর নিকট সরকারী সুযোগ-সুবিধা দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেব । এজন্য আমি ৪ নং ওয়ার্ডের সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন উট পাখি মার্কায় ভোট  চান। গনসংযোগকালে তার সাথে এলাকার মান্যগণ্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

ফয়জুল কবির চৌধুরী খরনা ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচনের প্রস্তুতি

ফয়জুল কবির চৌধুরী খরনা ইউনিয়নে  লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে  চেয়ারম্যান  নির্বাচনের প্রস্তুতি



সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ- লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে  পটিয়াট খরনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ফয়জুল কবির চৌধুরী (টিটু)। সে পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ি। ফয়জুল কবির চৌধুরী ঐতিহ্যবাহী খরনা ইউনিয়নের  চৌধুরী বাড়ির আবদুর রউফ চৌধুরী পুএ । ফয়জুল কবির চৌধুরী দাদা বৃহত্তর খরনার ইউনিয়ন পরিষদের ৩৫ বছর সুনাম এর সহিত চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন করেছেন।পারিবারিক ঐতিহ্য রয়েছে চৌধুরী পরিবারের খরনা ইউনিয়ন সর্ব এলাকায়। আধুনিক মডেল আদর্শ 

খরনা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে মানবসেবার নিজেকে নিয়োজিত রাখতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে খরনা ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে লাঙ্গল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন ফশজুল কবির চৌধুরী  (টিটু) তিনি এলাকায় সামজিক যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন জননেতা ফয়জুল কবির চৌধুরী। তিনি বলেন খরনা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অংশ গ্রহণ করে বিজয়ী হলে শিক্ষা, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় সন্রাস মাদক মুক্ত করবে বলে জানান। এছাড়াও হয়রানী মুক্ত আধুনিক মডেল খরনা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে তিনি সকলের সহযোগিতা ও দোয়া এবং  আশীর্বাদ কামনা করেন। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বিরোধী দলীয় উপনেতা সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্লিন ইমেজ রাজনীতিবীধ জননেতা জিএম কাদের এমপি'র নির্দেশ লাঙ্গল মার্কায় নিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদের খরনা ইউনিয়ন থেকে  চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার প্রস্তুত রয়েছে বলে এ প্রতিবকদকে জানান। তিনি আরোও বলেন, খরনা ইউনিয়নবাসীর জন্য কিছু করতে চাই জনগণের ভালোবাসাকে পাথেয় করে আগামী দিনের পথ চলা আমি সকলের সহযোগিতা চাই।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ডায়াবেটিস স্বাস্থ্য শিক্ষা সহায়ক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ডায়াবেটিস স্বাস্থ্য শিক্ষা সহায়ক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

আঃহামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইলের মধুপুরে একটি স্থানীয় হোটেলের হলরুমে ভেষজ ও এলোপ্যাথিক চিকিৎসা বিধি মতে ডায়াবেটিস স্বাস্থ্য শিক্ষা সচেতনতায় "ডায়াবেটিস নির্ণয়, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসা পরামর্শ ' অমূল্য গ্রন্হের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। মধুপুর ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সমিতির উদ্যোগে হাকীম আক্তারুজ্জামান এর সভাপতিত্বে মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ হাকীম কামরুল ইসলাম নাবাতাতী, মোমেনশাহী ইউনানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন লেখক হাকীম মোঃ হারুন অর রশিদ ফকির, বহু ইউনানী চিকিৎসা গ্রন্থের প্রণেতা, প্রভাষক হাকীম এম.এম কামরুজ্জামান। তিব্বিয়া হাবিবিয়া কলেজের প্রভাষক লেখক ও অনুবাদক হাকীম সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, ইউনানী তিব্বিয়া কলেজ ফেনী এর প্রভাষক হাকীম আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, বাংলাদেশ ইউনানী মেডিক্যাল এসোসিয়েশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাকীম সৈয়দ মাসুদ হোসেন রানা, হাকীম মুহাম্মদ শফিকুল আলম ফরাজী, হাকীম হুমায়ুন কবির এবং ডাঃ হাকীম কানিজ ফাতেমা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার হাকীম ও কবিরাজগণ।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ভাংচুরের বিচার দাবীতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন

সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ভাংচুরের বিচার দাবীতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন


আশিকুজ্জামান মিজান ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচন চলাকালে দুই মেয়র প্রার্থীর সর্মথকদের মধ্যে সংঘর্ষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ছবি তুলতে গেলে দুই টিভি সাংবাদিক মাসুদ রানা ও নুরজ্জামানের ওপর হামলা মারধর ও এনটিভির ক্যামেরা ভাংচুরের প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে ময়মনসিংহে কর্মরত সাংবাকিকরা মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেছে।
শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসুচী পালিত করা হয়। মানববন্ধন থেকে পুলিশের কাছে সরবরাহকৃত ভিডিও ফুটেজ ও ছবি দেখে আগামী সাত দিনের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবী জানানো হয়েছে। তা না হলে পরবর্তী কর্মসুচী ঘোষনা করা হবে বলে ঘোষনা দিয়েছেন বক্তারা।
মানববন্ধন কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক বাবুল হোসেন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ নিয়ামুল কবির সজল, ময়মনসিংহ সিটি প্রেসক্লাব সভাপতি আইয়ুব আলী, সাধারন সম্পাদক মতিউল আলম, ময়মনসিংহ টেলিভিশন রিপোর্টার ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আ ন ম ফারুক, ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি নজিব আশরাফ, বিভাগীয় নারি সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক মাসরুফা সুলতানা মিমি, সেক্রেরেটারি নুরজাহান পারভীন।মাছরাঙা টিভির শরীফুজ্জামজন টিটু, গাজি টিভির কাজি মোস্তফা মুন্না,দৈনিক খবর পত্রের এম এ মোতালেব, দেশ টিভির ইলিয়াস আহমেদ, প্রথম আলোর জগলুল পলাশ রুশো, প্রথম আলোর ফটো সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, ভোরের কাগজের রুহুল আমীন, ভোরের ডাকের সালাহ উদ্দিন বেলাল, দৈনিক জনতার সিরাজুল ইসলাম, আরটিভির বিপ্লব বসাক, এশিয়ান টিভির আবু তোরাব রাসেল ও এম হোসেন বিনয়, চ্যানেল আই টিভির ক্যামেরাপার্সন নাজিমুদ্দিন সাইদ, দৈনিক সংগ্রামের ইমরান কবির, ঢাকা টাইমসের জয়নাল আবেদীন, দৈনিক সবুজের বার্তা সম্পাদক মইনুদ্দিন রায়হান ও সাইফুল ইসলাম , সাপ্তাহিক আলাপসিংহের সম্পাদক নাজমুস সাকিব।
দৈনিক একুশে সংবাদের গোলাম কিবরিয়া পলাশ, বাংলাদেশ সমাচারের নূরে আলম পূর্ণ চৌধুরী, বাংলা পত্রিকার জাকির হোসেন, আজকের বাংলা দেশের বার্তা সম্পাদক বাবলি আকন, দেশকাল পত্রিকার অজয় সরকার, আমাদের কন্ঠের সুমন ভট্রচার্য, ডেইলি ট্রাইবুনালের কামরুল হাসান, অনিন্দ বাংলার জান্নাতুল ফেরদৌস রানু, সাপ্তাহিক পশরের আব্দুল হামিদ ইমরান, সিটিজিভির আব্দুল কাদের তারা, মো শফিকুল ইসলাম, সোনালী শীষের ফটো সাংবাদিক মোঃ কামাল, সাপ্তাহিক ব্রম্হপুত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনিসুর রহমান ফারুক, আমাদের বানীর সম্পাদক মো মিজানুর রহমান, এবং নির্যাতিত টিভি সাংবাদিক মাসুদ রানা ও নুরুজ্জামান প্রমুখ।

পটিয়া মেয়র প্রার্থীর লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে জাতীয় ছাত্রসমাজ কর্মীসভা

পটিয়া মেয়র প্রার্থীর লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে  জাতীয় ছাত্রসমাজ কর্মীসভা

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ-- জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা   শামসুল আলম মাস্টার এর লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ৬ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকেলে দলীয় কার্য়লয়ে  জাতীয় ছাএসমাজের   এক কর্মীসভা  চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহবায়ক  এন এম জসিম উদ্দিন এর  উদ্দিন সভাপতিত্বে,  সদস্য সচিব ইয়াসিন খানের  সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত হয়

।এতে  বক্তব্য জেলার যুগ্ম আহবায়ক রাজিব চৌধুরী, উপজেলার আহবায়ক রবিউল হাসান, জসিম উদ্দিন বাবর, আকাশ, সাফি  প্রমুখ।  সভায় বক্তারা বলেন, পটিয়া পৌরসভা'কে একটি আধুনিক ও আদর্শ পৌরসভা গড়ে তুলতে শামশুল আলম মাস্টার কে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহবান জানান।  বক্তৃতারা আরোও  বলেন,  পৌরবাসীর সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অতীতের ন্যায় ও রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, ড্রেন, স্যানিটেশন, সড়কবাতিসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিতে  শামশুল আলম মাস্টারের বিকল্প নেই। দলীয় মতের উর্ধ্বে উঠে পটিয়া পৌর জনগণের সুনিশ্চিত সেবা পেতে তরুণ প্রজন্মের যুবসমাজের একটি আত্মনির্ভরশীল গড়ে তুলতে  জীবনের শেষ নির্বাচন শামশুল আলম মাস্টার কে লাঙ্গল মার্কার ভোট দেওয়ার আহবান জানান জাতীয় ছাএসমাজ নেতৃবৃন্দ।