কাঠালিয়ায় টিকা নেয়ার পরে করোনায় শিক্ষকের মৃত্যু

কাঠালিয়ায় টিকা নেয়ার পরে করোনায় শিক্ষকের মৃত্যু

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ 
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় তম্ময় বেপারী (৩৫) নামে স্কুল শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। শনিবার সকাল ১১টার দিকে বরিশালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। জ্বর-সর্দি ও ডায়রিয়ার লক্ষণে আক্রান্ত হলে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নেন এবং ৩১মার্চ করোনা টেষ্টে রেজাল্ট পজেটিভ আসে। তম্ময় বেপারী উপজেলার নেয়ামতপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের দিলিপ বেপারীর ছেলে।

নেয়ামতপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র তালুকদার শিক্ষক তম্ময় বেপারী করোনায় মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত ২০ মার্চ বিদ্যালযের পার্শ্ববর্তী মিরুখালী ক্লিলিক থেকে তিনি করোনা টীকা নেন। পরের দিন ২১মার্চ জ্বর হলে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র চিকিৎসা নেন এবং ৩১মার্চ তারিখ টেষ্টে তার করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। তরুণ শিক্ষক তম্ময়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শিক্ষক তম্ময় বেপারীর বিদ্যালয়ের সহকর্মী শিক্ষকবৃন্দ এবং নিজ রামপুর গ্রামের লোকজন জানান, তম্ময় বেপারী অত্যন্ত বিনয়ী স্বভাবের ছিলেন৷ ছোট বড় সবাইর সাথে সে হাসিমূখে কথা বলতেন। তার এ অকাল মৃত্যু বিদ্যালযের সহকর্মী, ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসীর মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।

গত দুইদিন পূর্বে আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন হাওলাদার স্যার করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মার যান।

আশাশুনিতে থানা পুলিশের অভিযানে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামী আটক

আশাশুনিতে থানা পুলিশের অভিযানে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামী আটক

আহসান উল্লাহ বাবলু,  আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২ বছরের ব্নিাশ্রম কারাদন্ডের সাজাপ্রাপ্ত ১ আসামীকে আটক করা হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে আশাশুনি থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে এএসআই মোঃ নাজিম উদ্দীন, এএসআই পূর্ণানন্দ হরি সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় সাজাপ্রাপ্ত (০২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ১০,০০০/- হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ০২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড) এর ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী মধ্যম বড়দল গ্রামের মোস্তফা মোল্যার ছেলে সাদ্দাম হোসেন মোল্যাকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ১০টায় খুলনার গল্লামারি LING স্কুলের সামনে হইতে আটক করেন। আসামীকে বিচারার্থে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা পরিবার হার্টে ছিদ্র হওয়া হাবিবুর রহমান হাবিব এর পাশে দাঁড়িয়েছে

মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা পরিবার হার্টে ছিদ্র হওয়া হাবিবুর রহমান হাবিব এর পাশে দাঁড়িয়েছে

আবুল হাসনাত রাতুল
মানবতার প্রেমে,
মানবতার কাজে সবার পাশে"
এই স্লোগান সামনে রেখে,
মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা পরিবারের উদ্যোগে গত ২৮.০৩.২১ তারিখ রোজ রবিবার  হরতালের মাঝেই দিন রাত এক করে হাবিবুর রহমান এর পাশে দাঁড়ানোর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে 'মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা' পরিবার।জানা গেছে যে-
 হাবিবুর রহমান হাবিব এর হার্টে দুটি ছিদ্র হওয়ায় তার চিকিৎসার জন্য প্রচুর টাকার প্রয়োজন। সাধারণ পরিবারের সন্তান হওয়ায় তাহার পরিবারের পক্ষে তার চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব নয়।তাই তথ্যসুত্রে জানা গেছে মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা পরিবার এর উপদেষ্টা মোঃ মোহাইমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে মাহমুদুল, সিফাত, দেলোয়ার, শারমিন রুমা, মুন্না,  সোহান,আফাজ্জল, শফিক, লিমা, রফিকুল, জাকির, নাহিদ, নোমান সহ আরও অনেকের ক্ষুদ্র চেষ্টায় শম্ভুগঞ্জ এলাকা থেকে ১৭০০০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। উক্ত সাহায্য পেয়ে হাবিবুর রহমান হাবিব এর বেঁচে থাকার কিছুটা হলেও আস্থা অর্জিত হয়েছে।

জানা গেছে অদ্য ০২.০৪.২১ তারিখ শুক্রবার মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা পরিবার এর আপ্রাণ চেষ্টায় সংগ্রহকৃত টাকা হাবিবুর রহমান হাবিবের বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।এমন একটি মহৎ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পারায় মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা পরিবার নিজেদের ধন্য মনে করেছে।মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা পরিবারের  প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছে হাবিবুর রহমান হাবিব এর বাবা।
উক্ত সংগঠন এর সকল স্বেচ্ছাসেবী অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে শম্ভুগঞ্জ এর সকল এলাকাবাসীর প্রতি। 
এবং সকলে একজোট হয়ে বলেছে-মনুষ্যত্বের আলোয় মানবতা" এভাবে সব সময় মানুষের পাশে ছিল, আছে, থাকবে ইনশাআল্লাহ।

আশাশুনিতে করোনা ভাইরাস সংক্রান্তে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

আশাশুনিতে করোনা ভাইরাস সংক্রান্তে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

আহসান উল্লাহ বাবলু,  আশাশুনি, সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে করোনা ভাইরাস সংক্রান্তে মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণের লক্ষে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিব ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে মাস্ক পরিধান না করায় বুধহাটা ইউনিয়নের মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটের আর এস ফিস এর প্রঃ আব্দুস সাত্তারকে ১ হাজার টাকা, মৎস্য সেট থেকে রফিকুল ইসলামকে ৫০০ টাকা, সনৎ কুমারকে ৫০০ টাকা, শাহাবুদ্দীন ও আমিরুলকে ৩০০ টাকা, সাইফুল ইসলাম ও জমাত আলীকে ৩০০ টাকা ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে। এসময় জনস্বার্থে মাস্ক পরিধান নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে অফিস সহকারি মোস্তাফিজুর রহমান ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হক কে ঘেরাও!

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হক  কে ঘেরাও!

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর অদূরে সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে আজ শনিবার বিকেলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে ঘেরাও করে রাখা হয়। পুলিশ বলছে, মামুনুলের একজন নারীসহ এখানে অবস্থানের খবর পেয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁর কক্ষটি ঘেরাও করেন। আর মামুনুল হক বলছেন, দ্বিতীয় স্ত্রীসহ অবকাশযাপনে গেলে কিছু লোক তাঁকে নাজেহাল করে।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তবিদুর রহমান সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, এখানে মামুনুল হক একজন নারীকে নিয়ে উঠেছেন, এই খবর পেয়ে এলাকার লোকজন ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু নেতা-কর্মী তাঁর কক্ষটি ঘিরে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশও আসে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এখানে রয়েছেন। পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এসেছেন।

এদিকে মামুনুলকে ঘেরাওয়ের খবরে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা 'রয়েল রিসোর্ট' নামে ওই অবকাশ যাপনকেন্দ্রটিতে যান। সেখানে মামুনুল সংবাদকর্মীদের বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে অবকাশ যাপনে তিনি ওই রিসোর্টে যান। সেখানে তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে।

মামুনুল বলেন, 'মাস্তান প্রকৃতির লোকেরা এসে আমাকে আমার ওয়াইফসহ নাজেহাল করেছে। আমাকে আক্রমণ করেছে।'সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'শনিবার দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁয়ে যাই। জাদুঘর ঘুরে দেখে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য এখানে (রিসোর্টে) আসি।'

মামুনুল বলেন, 'আমার বক্তব্য পরিষ্কার, আমরা এখানে একটু রিফ্রেশমেন্টের জন্য এসেছিলাম।...এখানে অনেক উচ্ছৃঙ্খল লোক এসেছে। আপনারা দেখেছেন। আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।'

স্থানীয় আলেমদের কাউকে জানিয়ে তিনি এখানে এসেছেন কি না, জানতে চাইলে মামুনুল বলেন, 'না, আমি জানাইনি। যেখানে যাই মানুষজন ভিড় করে। এ জন্য আমি একটু আলাদা করে এসেছিলাম।'সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মামুনুল ওই রিসোর্টে ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল।

তথ্যের উৎস: প্রথম আলো

বড়লেখায় রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল কর্তৃক আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ

বড়লেখায় রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল কর্তৃক আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল এন্ড কলেজে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে  রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল কর্তৃক আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় এসএসসি পরীক্ষাথীর্দের মধ্যে পুরুস্কার বিতরণ।
প্রথম স্থান : তানবির আব্বাস তানিম
দ্বিতীয় স্থান: ইয়াসমিন জামান
তৃতীয় স্থান: সাদিয়া তাসনিম

কর্তৃক আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করছেন জয়নাল আবেদীন চেয়ারম্যান।

লকডাউনের কথা শুনে বাজারে ভিড়!

লকডাউনের কথা শুনে বাজারে ভিড়!
বাজারে উপচে পড়া ভিড়!

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশে আগামী সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য 'লকডাউন' শুরু হবে—দুজন মন্ত্রী এ খবর জানানোর পরই রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে আতঙ্কের কেনাকাটা বা প্যানিক বায়িং শুরু হয়ে গেছে। মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বাজারে ভিড় করছে। কেউ কেউ একসঙ্গে বাড়তি পরিমাণ পণ্য কিনে ঘরে ফিরছেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার সকালে প্রথম 'লকডাউনের' খবর জানান। এরপর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে 'লকডাউনের' সিদ্ধান্তের কথা জানান। বাজারে ভিড় বাড়তে শুরু করে বেলা দুইটার পর থেকে।

আজ শনিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর অন্যতম বড় তিন বাজার মোহাম্মদপুরের টাউন হল, হাতিরপুল ও কারওয়ান বাজারে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় দেখা যায়। বেশির ভাগ মানুষ সংসারের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য—চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ ও আলু কিনছিলেন।

বেলা সোয়া দুইটার দিকে মোহাম্মদপুরের টাউন হল কাঁচাবাজারের দুই পাশে শের শাহ সূরী সড়ক ও শাহজাহান সড়কে সারি সারি দাঁড়ানো ছিল ব্যক্তগত গাড়ি (প্রাইভেট কার)।  ব্যবসায়ীরা জানান, ভরদুপুরে সাধারণত এমন ভিড় থাকে না। লকডাউনের খবর শুনেই ক্রেতারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে বাজারে আসছেন। তবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কেউ কেউ বলছেন, একদিকে মাসের প্রথম শনিবার, অন্যদিকে সামনের সপ্তাহ থেকে রোজা। অনেকেই মাসের ও রোজার বাজার একসঙ্গে করছেন। তাই ক্রেতা কিছুটা বেশি।

ক্রেতাদের একজন জাভেদ হোসেনের হাতে মোটামুটি লম্বা ফর্দ দেখা গেল। তাঁর গাড়ির চালকের হাতে বড় দুটি বাজারের ব্যাগ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, 'রোজার বাজার গতকাল শুক্রবার করেছি। লকডাউনের খবর শোনার পর আবার বাড়তি কিছু কিনে রাখার জন্য বাজারে এসেছি।'

শ্যামলীর বাসিন্দা মাসুদুল করিম জানান, তিনি বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় বাসা থেকে 'লকডাউন' দেওয়ার খবর জানিয়ে ডাল, পেঁয়াজ, আলু ও সবজি নিয়ে যেতে বলা হয়। তিনি বলেন, 'লকডাউন' কত দিন থাকে, বলা তো যায় না। তা ছাড়া এই সময়ে বাজারে যত কম আসতে হয় ততই ভালো। তাই যতটুকু সম্ভব বাজার করলাম।

কারওয়ান বাজারের সরকারি অফিসগুলোতে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। তারপরও ভিড় অন্যান্য ছুটির দিনের তুলনায় বেশি দেখা গেল। প্রাইভেট কার থামিয়ে অনেকেই কেনাকাটা করছিলেন। তাঁদের একজন মোহাম্মদপুরের জামাল হোসেন। তিনি বলেন, সংক্রমণ বৃদ্ধির এই পরিস্থিতিতে বারবার যাতে বাজারে না আসতে হয়, তাই বাড়তি পরিমাণে কিনেছি।

মোটরসাইকেল নিয়ে ইস্টার্ন মল্লিকা থেকে ভিড় ঠেলে হাতিরপুল কাঁচাবাজার পৌঁছাতে আধঘণ্টা সময় লাগল। বিকেল সোয়া চারটায় এই বাজারেও মুদিদোকানের সামনে মানুষের ভিড় দেখা যায়। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য দিতে ব্যস্ত ছিলেন দোকানিরাও।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি শুরু হয়। তখন সাধারণ ছুটির আগে বাজারে ব্যাপক ভিড় হয়েছিল। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেশ বেড়ে যায়। এ বছর চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগে থেকেই চড়া।তবে হাতিরপুল বাজারের ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক বলেন, চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ ইত্যাদির সরবরাহে ঘাটতি নেই। তিনি মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন।

তথ্যের উৎস: প্রথম আলো

মেহেরপুরে করোনার কবলে আরও ৫ জন

মেহেরপুরে করোনার কবলে আরও ৫ জন

তানভির আহমেদ,মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ জন। ১৬ টি নমুনার ফলাফল এসেছে এর মধ্যে ৫ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে।

গতকাল  রাতে সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়, আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে এক সদর উপজেলার তিন জন গাংনী উপজেলার ও অপর একজন মুজিবনগর উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় বর্তমানে মোট পজিটিভ সংখ্যা ৪০(সদরে ২৫ জন, গাংনীতে ১৩ জন, মুজিবনগরে ২ জন)।
এছাড়াও জেলায় এ পর্যন্ত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ৭০০ জন বাড়ি ফিরেছে। এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৭ জন। নতুন করে করোনায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

কৃষি খাতের উন্নয়নকল্পে নাগাবিলের খাল পুন:খননের উদ্যোগ গ্রহন

কৃষি খাতের উন্নয়নকল্পে নাগাবিলের খাল পুন:খননের উদ্যোগ গ্রহন
কৃষি খাতের উন্নয়নকল্পে নাগাবিলের খাল পুন:খননের উদ্যোগ গ্রহন

তানভীর আহমেদ, মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরে
 মুজিবনগর উপজেলা কৃষি নির্ভর এলাকা উপজেলার সবথেকে বড় ফসলের মাঠ নাগার মাঠ যে মাঠকে ঘিরে চলে মুজিবনগর উপজেলা ও মেহেরপুওর সদর উপজেলার ২০/৩০ টি গ্রামের মানুষের চাষআবাদ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কিন্তু প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পুরো মাঠটি তলিয়ে যায় পানির নিচে হারিয়ে যায় প্রায় অর্ধ লক্ষ কৃষকের স্বপ্ন।

বড় নাগার মাঠ থেকে গৌরিনগর গ্রামের ভিতর দিয়ে ভৈরব নদীতে পানি নিস্কাসনের জন্য একটি খাল থাকলেও কালের পরিক্রমায় সেটি ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় মাঠের পানি নিস্কাসন।মেহেরপুর ১ আসনের এমপি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন কৃষকদের হারিয়ে যাওয়া সপ্নকে ফিরিয়ে আনতে এবং মুজিবনগর তথা মেহেরপুরের কৃষি খাতের উন্নয়নকল্পে নাগাবিলের খাল পুন:খননের উদ্যোগ গ্রহন করেন।

উলিপুরে পাওনা টাকা আদায় কেন্দ্র করে কুপিয়ে জখম, আটক-৩

উলিপুরে পাওনা টাকা আদায় কেন্দ্র করে কুপিয়ে জখম, আটক-৩

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের উলিপুরে পাওনা টাকা আদায় কেন্দ্র করে মারপিট ও কুপিয়ে ৫জনকে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে উলিপুর পৌরশহরের কাচারী পাড়া গ্রামে।ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্দুল খালেক(৪৫), মল্লিকা বেগম(৪০) ও মেহেদী হাসান(১৮) নামের তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে নারিকেলবাড়ী কাজিরচক এলাকার থাই মিস্ত্রী জাহিদুল ইসলাম(৩৭) উলিপুর বাজার হইতে বাড়ী যাওয়ার পথে পৌরসভার কাচারী পাড়ায় পৌঁছেলে পাওনা টাকা আদায় কেন্দ্র করে অভিযুক্ত আব্দুল খালেক(৪৫) ও তার ছেলে মেহেদী হাসান(১৮),মল্লিকা বেগম(৪০) ও নুরুজ্জামালসহ অভিযুক্তরা পথরোধ করিয়া মারধরে রক্তাক্ত করে বাড়ীতে আটক করিয়া রাখে।খবর পেয়ে জাহিদুলকে উদ্ধার করতে তার চাচাতো ভাই মমিনুল ইসলাম(২৮), এরশাদুল হক(৩০),জেহাদুল ইসলাম(২৬) ও জিয়ারুল ইসলাম(২৮) ঘটনাস্থলে পৌঁছেলে আসামী আব্দুল খালেক,মেহেদী হাসান,মল্লিকা বেগম ও নুরুজ্জামাল সহ অন্যান্যা আসামীরা তাদেরকে বেধড়ক মারধর করিয়া রক্তাক্ত জখম করে।এসময় এরশাদুলকে হত্যার উদ্দ্যেশে আসামী নুরুজ্জামাল ধারালো বটি দিয়ে মাথায় ও বামহাতে কুপিয়ে জখম করে।এতে এরশাদুলের বাম হাতের কনুইয়ের নিচে লাগিয়া এক তৃতীয়াংশ কেটে অস্থিচ্যুত হওয়ার উপক্রম হয়।পরে স্থানীয়রা ৯৯৯এ ফোন করলে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় মমিনুল ইসলাম,জাহিদুল ইসলাম,এরশাদুল হক,জেহাদুল ইসলাম ও জিয়ারুল ইসলামকে চিকিৎসার জন্য উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে মমিনুল ও এরশাদুলের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন।এঘটনায় শুক্রবার রাতে গুরুত্বর আহত মমিনুল ইসলামের পিতা জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে আব্দুল খালেকসহ ৭জন নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ৪/৫জনের বিরুদ্ধে  থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হারিছুর রহমান জানান, এঘটনায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে।পুলিশী পাহারায় প্রধান আসামী আব্দুল খালেক উলিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

এব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, আটক তিন আসামীর মধ্যে দু'জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।অপর আসামী আব্দুল খালেক পুলিশী পাহারায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।বাকী আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

বড়লেখায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ২৬ জন কে ১০,১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান

বড়লেখায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ২৬ জন কে ১০,১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান
বড়লেখায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা
আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় করোনা ভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ থাকায় মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্য আজ বড়লেখা উপজেলার সামনে  মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ২৬ জন কে ১০,১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।সবাইকে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক প্রদানকৃত ১৮ দফা নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার অনুরোধ করা হল। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বে বড়লেখা থানা পুলিশ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে।

মোংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন করতে আরও ২৪ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন

মোংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন করতে আরও ২৪ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন
মোংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন করতে আরও ২৪ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা: 
দেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলার সুবিধাদি সম্প্রসারন ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে কন্টেইনার টার্মিনাল, কন্টেইনার ডেলিভারী ইয়ার্ড এবং কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণ করাসহ বার্ষিক ১ কোটি ৫০ লাখ টন কার্গো, ৪ লক্ষ টন টিইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বন্দরের উন্নয়নে ২০২১ সাল থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মোট ২৪ টি উন্নয়ন প্রকল্প ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি মাস্টার প্ল্যান প্রকাশ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে বন্দরের উন্নয়নে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান ১০টি প্রকল্পের মধ্যে ১টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে। ৩ টির কাজ চলতি বছরের জুনে শেষ হবে, অধিক গুরুত্বপূর্ণ আরো ৪ টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের জুনে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বন্দর উন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আপগ্রেডেশন অব মোংলা পোর্ট নামে যে প্রকল্পটি রয়েছে  সেটি বাস্তবায়ন করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় নির্ধারন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ১৪ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার টাকা।


বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পসহ ৫০টির অধিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ও তিনটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে। মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীদের দ্রুত ও দক্ষ সেবা প্রদানে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ৭০টি কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ৮০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন, ৩টি কার ইয়ার্ড নির্মাণ, ১০টি বিভিন্ন ধরনের সহায়ক জলযান ক্রয়, ৬২টি বিভিন্ন ধরনের লাইটেড বয়া, ২টি রোটেটিং বিকন, ৬টি জিআরপি লাইট টাওয়ার সংগ্রহ ও স্থাপন, একটি মোবাইল হারবার ক্রেন, একটি স্টাফিং-আনস্টাফিং শেড, একটি ওয়েব্রিজ মোবাইল স্ক্যানার সংগ্রহ। এ ছাড়া রুজভেল্ট জেটির বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে। বন্দরের আধুনিকায়ন, চ্যানেলের নাব্যতা সংরক্ষণ ও দক্ষতার সঙ্গে কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জাহাজের গড় অবস্থানকাল হ্রাস এবং কার্গো ও কন্টেইনার সংরক্ষণের সুবিধাদির সম্প্রসারণসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মোংলা বন্দরে যেসব সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে তাহলো জাহাজ হ্যান্ডলিং সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২২৫ মিটার, ড্রাফট ৭ থেকে সাড়ে ৮ মিটার, কার্গো হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি ১০ মিলিয়ন মে.টন, ও কন্টেইনার ৭০ হাজার টিইউজ। এছাড়া কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সুবিধার মধ্যে রয়েছে, স্ট্র্যাডেল ক্যারিয়ার ৫টি, ফর্কলিফট ৩১টি, রিচ স্ট্র্যাকার ২টি, মোবাইল ক্রেন ৫টি, ডকসাইট ক্রেন ৫টি, টার্মিনাল ট্রাক্টরে শেষ হবে।  সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজও সমাপ্তির পথে। এ বছরেই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করবে মোংলাবাসী। এসবের বাইরে গত বছরের ডিসেম্বরে মোংলা বন্দরের আউটার বারে ড্রেজিং কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে।  ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১৯.৪৫ ঘনমিটার ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এই চ্যানেল দিয়ে ১০.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হারবারিয়া পর্যন্ত হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধায় আনা হয়েছে।পোর্টের অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি-সরঞ্জাম সংগ্রহ। পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং কার্যক্রম বর্তমানে চালু রয়েছে যা  ২০২২ সালের জুনে শেষ হবে। প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে  হারবারিয়া থেকে বন্দরের জেটি পর্যন্ত ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ খুব সহজেই ভিড়তে পারবে।
সহায়ক জলযান সংগ্রহ, বর্জ্য নি:সৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ থেকে পিপিপি'র আওতায় মোংলা বন্দরের ২টি অসম্পূর্ণ জেটির নির্মাণও কাজ শেষ করা হবে ২০২২ সালের মধ্যে।  চলমান এ সব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৮ হাজার কোটি টাকা। এদিকে ২০২০ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ  পর্যন্ত মোংলা বন্দরে মোট ৭৭২টি বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করেছে বলে নিশ্চিত করেছে বন্দরের হারবার বিভাগ।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন,মোংলা বন্দরের উন্নয়নে বর্তমানে একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে আউটার বার ড্রেজিং সম্পন্ন করেছি এবং ৭৯৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে গত মাসের ১৩ তারিখ থেকে ইনারবারে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বন্দরে কন্টেইনার জাহাজসহ অন্যান্য জাহাজগুলো তুলনামুলকভাবে বৃদ্ধি পাবে।
বর্তমানে যে কয়টি উন্নয়ন প্রকল্প চালু রয়েছে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে বলেও জানান বন্দর চেয়ারম্যান।

লকডাউন নিরন্নদের আত্মহত্যায় প্ররোচিত করবে : নতুনধারা

লকডাউন নিরন্নদের আত্মহত্যায় প্ররোচিত করবে : নতুনধারা

প্রেস বিজ্ঞপ্তিনতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, অপরিকল্পিত লকডাউন  নিরন্নদের আত্মহত্যায় প্ররোচিত করবে। ৩ এপ্রিল সকাল ১০ টায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে 'তোহফায়ে রমজানা ও করোনা সচেতনতা'র লিফলেট বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধনী আয়োজনে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী অপরিকল্পিত 'লকডাউন ও সাধারণ ছুটি'র সিদ্ধান্ত জনগনের কাঁধের উপর চাপিয়ে দেয়ার জন্য শিক্ষক-চাকুরীজীবী-ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সরকারের সহায়তার অভাবে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে বিভিন্ন সময়। এই অমানবিক পরিস্থিতি থেকে দেশের মানুষকে রক্ষার জন্যও জনগনের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে সরকারকে মানবিক সরকার হতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষদের মধ্য থেকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছলদেরকে এগিয়ে আসতে হবে বঞ্চিত-অভাবগ্রস্থ সাধারণ মানুষকে সহায়তা করার মানষিকতা নিয়ে।

সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার অধ্যাপক শুভঙ্কর দেবনাথ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা প্রমুখ। সারাদেশে সমাজ-ধর্ম-মানবতার রাজনীতি করতে আগ্রহীদেরকে ছাত্র-যুব-জনতার রাজনৈতিকধারা নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির পতাকাতলে শামিল হতে ০১৭১২৭৪০০১৫ নম্বরে নাম-ঠিকানা-জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর লিখে এসএমএস করারও আহবান জানানো হয় কর্মসূচীতে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর রেডর‌্যালীর মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশের পর সারাদেশে ১৫৭ টি শাখায় কমিটি গঠন করে নির্বাচন কমিশনে আবেদনকৃত রাজনৈতিকধারা নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির অফিসিয়াল ফোন নাম্বার থেকে কল করে এসএমএসকারী নতুন সদস্যদেরকে সদস্য নাম্বার জানিয়ে দেয়া হবে।

বগুড়াকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে- সঞ্জীব ভাটী

বগুড়াকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে- সঞ্জীব ভাটী
বগুড়াকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে- সঞ্জীব ভাটী
মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃভারতীয় সহাকারী হাই কমিশনার রাজশাহী শ্রী সঞ্জীব কুমার ভাটী বলেছেন, বগুড়াকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের অপার ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে এই জেলায় মহাস্থানগড়ের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে শুধু তাই নয় সকল দিক দিয়ে অত্যন্ত সমৃদ্ধ পুরো বগুড়া জেলা তাই পর্যটনখাত নিয়ে আরো বেশী গুরুত্ব দিলে ভারতীয় পর্যটকদেরই ব্যাপক ভীড় হবে বগুড়ায় বলে আশা করেন তিনি।

শুক্রবার সকালে বগুড়া শহরের জলেশ^রীতলা আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ সংলগ্ন হোটেল লা ভিলা'র উদ্বোধণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন।

হোটেল লা ভিলা'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী মো: মুরাদ এবং পরিচালক ফজলে রাব্বী'র ব্যবস্থাপনায় ফলক উন্মোচন, কেক কর্তন ও ফিতা কেটে হোটেলের যাত্রার শুভ সূচনা করার পর উদ্বোধনী বক্তব্যে সঞ্জীব ভাটি আরো বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব অনেক শক্ত যা দীর্ঘদিনের। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলাতেও ভ্যাকসিন প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও ভারত যথাসম্ভব সহযোগিতা করে যাচ্ছে। সর্বদা দুই দেশের এই সম্পর্কের বন্ধন অটুট থাকলেই ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনা সম্ভব মর্মে অভিব্যক্তি প্রকাশ করে তিনি তার বক্তব্যে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুুদ্ধে শহীদ সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বগুড়া পৌর কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সঞ্জু রায়ের সার্বিক পরিচালনায় শহরের প্রাণকেন্দ্রে আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে স্থাপিত এই হোটেল ও রেস্টুরেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাগর কুমার রায়, বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক, কাহালু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আল হাসিবুল হাসান সুরুজ, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক, বগুড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মতিন সরকার, জে.বি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ শাওন, আর.বি গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার প্রসাদ, হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন বগুড়ার সভাপতি নজরুল ইসলাম সেলিম, জলেশ^রীতলা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডোনিস বাবু তালুকদার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বগুড়া পৌর কমিটির সভাপতি পরিমল প্রসাদ রাজ, সহ-সভাপতি অতুল সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখর রায় প্রমুখ।


নওগাঁর আত্রাইয়ে পুলিশের অভিযানে জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্যসহ আটক ৮

নওগাঁর আত্রাইয়ে পুলিশের অভিযানে জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্যসহ আটক ৮
নওগাঁর আত্রাইয়ে পুলিশের অভিযানে জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্যসহ আটক ৮  

মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে ইউপি সদস্যসহ আট জুয়াড়িকে আটক করেছে আত্রাই থানা পুলিশ।শনিবার সকালে তাদের নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, ভোঁপাড়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সালমান আলী উজ্জল (৩৮), শিমুলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরর ছেলে কামরুল হাসান (৪০), মৃত শামসুর সরদারের ছেলে সাজু সরদার (৩২), মৃত কাজেম উদ্দিনের ছেলে শহিদুল ইসলাম বল্টু (৪৫),মৃত শাহাদত হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম (৩৮), মৃত তমিজ ফকিরের ছেলে ফিরোজ ফকির (৩৮), মৃত কিসমত আলীর ছেলে ইনছার আলী খান ৩৫) ও এমদাদুল হক খাঁন (৪১)।

এ বিষয়ে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামে জুয়ার আসর বসেছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে আট জুয়াড়িকে আটক করা হয়।এসময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার ৫ সেট তাস ও ২৯ হাজার ১৩০ টাকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আটকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের নওগঁা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

লোহার খনির সন্ধানে কূপ খনন শুরু

লোহার খনির সন্ধানে কূপ খনন শুরু

মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরে লোহার খনির সন্ধানে কূপ খনন কাজ শুরু হয়েছে।  এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের (জিএসবি) মহাপরিচালক ড. মোঃ শের আলী। 
দিনাজপুরে এবার লোহার খনির সন্ধানে নেমেছে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর খনির সম্ভাবতা যাচাই ও জরিপের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে কূপ খনন শুরু করেছে জিএসবি'র একটি দল।  চিরিরবন্দর উপজেলার ১০নং পুনট্রি ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজায় খনন করা হচ্ছে। 
এবিষয়ে জিএসবি'র মহাপরিচালক ড. মোঃ শের আলী বলেন, 'পাশের কিছু এলাকায় আকরিক লোহার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। সেই তথ্য বিবেচনা করে এখানে সম্ভাবতা যাচাইয়ের জন্য খনন কাজ শুরু করা হয়েছে।' 
এ সময়  উপস্থিত ছিলেন চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম তারিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দীকা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরতিজা হাসান, জিএসবির পরিচালক মো. মইনউদ্দিন, উপ পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মোঃ মাসুদ রানা, সহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মোঃ রোকনুজ্জামানসহ অনেকে। উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলায় বড়পুকুরিয়ায় কয়লা খনি এবং মধ্যপাড়ায় পাথর খনির উত্তোলন কাজ অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে দুটি খনিই। এছাড়াও ফুলবাড়ী ও নবাবগঞ্জের দিঘীপাড়ায় আরও দুটি কয়লা খনি এবং হাকিমপুরের ইসবপুর ও মুর্শিদপুরে উন্নতমানের আকরিক লোহার খনি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর। 

ঝিনাইদহে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঝিনাইদহে ডিবি পুলিশের অভিযানে  ২০ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃ ঝিনাইদহে বিপুল পরিমাণ অবৈধ গাঁজা সহ এক মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেছে পুলিশ বলে জানাযায়।ঝিনাইদহ  ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মুনতাসিরুল ইসলাম এর দিকনির্দেশনা  একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে  শনিবার ৩-৪-২১ তাং সকালে ঝিনাইদহ থানাধীন ভেটেরিনারি কলেজের সামনে থেকে অাসামি মোঃ মহসিন (২০), পিতা-হারুন মাতুব্বর, সাং- বড়হামিদ্দী, থানা- ভাঙ্গা, জেলা- ফরিদপুর কে ২০ (বিশ) কেজি গাঁজা ও ০১ (এক) টি পিকঅাপ সহ অাটক করে।

সোমবার থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন

সোমবার থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন

ছবিঃ ইন্টারনেট

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের জন‌্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।আজ শনিবার (৩ এপ্রিল) সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। 

লকডাউন এর ভিতরে যা খোলা থাকবে
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, লকডাউনে জরুরি সেবা দেয়—এমন প্রতিষ্ঠানগুলোই শুধু খোলা থাকবে।

আজ শনিবার বেইলি রোডের বাসা থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানের বাইরে শুধুমাত্র শিল্পকারখানা খোলা থাকবে। শ্রমিকেরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিফট অনুযায়ী কাজ করবেন।প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন  বলেন, আজ সন্ধ্যায় এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন করা হতে পারে। সেখানে সব বিষয়ে বিস্তারিত বলা হবে।

এদিকে আজ দুপুরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেছেন, আগামী সোমবার থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন থাকবে।এর আগে ২৯ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি সেবাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা, উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা, জনসমাগম সীমিত করা, গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল সরকার।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অগ্রগতি প্রয়োজন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অগ্রগতি প্রয়োজন

বিনোদনের পাশাপাশি চলচ্চিত্র একটি সমাজের দর্পণ স্বরুপ। একটি দেশের সংস্কৃতি, নাগরিকদের আচার, ব্যবহার, পছন্দ, রুচি, অভ্যাস জানা যায় চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, চলচ্চিত্র কালের সাক্ষীও বটে। চলচ্চিত্র বিভিন্ন সময় সামাজিক, রাজনৈতিক অসঙ্গতি, শোষন-নীপিড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সমালোচনা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ভুমিকা রেখে এসেছে। যেমন: কিংবদন্তি জহির রায়হানের 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে তৎকালীন স্বৈরশাসনের তীব্র সমালোচনা। ২০০২ সালে তারেক মাসুদ 'মাটির ময়না' ছবিটি নির্মাণের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার সমালোচনা তুলে ধরেছেন এবং দীর্ঘদিন টিকে থাকা সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে যুক্তির সাথে বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে চেষ্টা করেছেন। এছাড়াও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে গ্রামীণ বাংলার সহজ সরল জীবনধারার চিত্রও উঠে আসে যা মনকে পুলকিত করে।

আজ জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস। ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শিল্প, বাণিজ্য, ত্রাণ ও দূর্যোগ কল্যাণমন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রাদেশিক পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সেই সূত্রে ২০১২ সাল থেকে এই বিশেষ দিনটিকে সরকারিভাবে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এর প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

চলচ্চিত্র হতে পারে বিনোদনের সুষ্ঠু মাধ্যম,  বহন করতে পারে জাতীয় পরিচয়, তৈরী করতে পারে মনস্তত্ব এবং জনপরিসরে পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হতে পারে। কিন্তু চলচ্চিত্রের গল্পে দেশীয় চিন্তা, দেশীয় সংস্কৃতি, ও মৌলিকত্ব না থাকলে এ সম্ভাবনা খুবই কম। আমাদের চলচ্চিত্রের সুন্দর অতীত থাকলেও গত দুই দশক ধরে চলচ্চিত্রে ভিন্নধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে। পূর্বে আলোর মিছিল, হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, ওরা ১১ জন, আগুনের পরশমণি ইত্যাদি সিনেমার মতো জীবনধর্মী সিনেমা নির্মিত হলেও বর্তমানে বাস্তবধর্মী সিনেমা নির্মাণের সংখ্যা খুবই কম। বাংলা চলচ্চিত্র আজ অনেকটাই ভিনদেশী সংস্কৃতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়েছে। জীবনবোধের চিত্র, নিজস্ব সংস্কৃতি, বাস্তবধর্মী প্রেক্ষাপট এসব কমই খুজে পাওয়া যায় সম্প্রতি নির্মিত সিনেমাগুলোতে। আজকাল নির্মিত সিনেমার অধিকাংশই বাবা-মা সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে বসে উপভোগ করার মতো নয়। আধুনিকতার নামে যেন অশ্লীলতাই বেশী পরিলক্ষিত হয়। তাই আজকালের সিনেমাগুলোর অধিকাংশই ব্যবসায়িক সফলতা পাচ্ছে না কিংবা দর্শকপ্রিয় হচ্ছে না।

মহামারি কোভিড-১৯ ঢাকাই চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ আরোও অনিশ্চিত করে তুলেছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে রক্ষা করতে ১৫ জুলাই ২০২০ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংশ্লিষ্ট ১৮ টি সংগঠণ। সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনাসহ সুনির্দিষ্টভাবে ৪টি প্রস্তাব পেশ করা হয়। এদিকে দেশের সিনেমা হল গুলোকে বাঁচানোর জন্য অন্যদেশ থেকে সিনেমা আমদানি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সিনেমা হল মালিকেরা। তাদের এই মতামত গ্রহন করলে সিনেমা হল গুলোতে দেশীয় সিনেমার থেকে ভিনদেশী সিনেমার প্রাধান্য বাড়বে যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভিনদেশী সিনেমার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দিবে।  এতে করে তাদের উপর ভীনদেশী সংস্কৃতিরও প্রভাব পড়বে। দেশের সিনেমা হল গুলোকে বাঁচানোর জন্য হল মালিককে সিনেমা হলের পরিবেশ ও নিরাপত্তার দিকে নজর দিতে হবে।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের আঁতুড়ঘর "বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)" এর উন্নয়নের দিকেও নজর দিতে হবে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের আধুনিকায়ন করতে হবে। জাতীয়ভাবে সিনেপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের প্রশাসক 'প্রযোজক সমিতি' এর বিরাট ভুমিকা রাখতে হবে। চলচ্চিত্র শিল্পকে বিশ্বের সাথে সমান তালে এগিয়ে নিয়ে যেতে দুই/একটা বা টুকটাক ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ করলেই হবে না,  বছরজুড়ে ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। সিনেমার গল্পে মৌলিকত্ব আনতে হবে। সেই গল্পের মাধ্যমে নিজের দেশ, নিজের মাটি, নিজের মানুষকে তুলে ধরার চেষ্টা করতে হবে। তবেই মানুষ প্রাণভরে সিনেমা উপভোগ করতে পারবে এবং ঢাকাই চলচ্চিত্র এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির পথে।


সুমনা আক্তার
শিক্ষার্থী, তৃতীয় বর্ষ, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

অটিজম শিশুদের প্রয়োজন একটুখানি ভালোবাসা!

অটিজম শিশুদের প্রয়োজন একটুখানি ভালোবাসা!

অটিজম' শব্দটির সাথে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। এই পরিচিতি থাকা সত্ত্বেও আমরা তাদেরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেই না। একজন সাধারণ শিশুর মতো অটিজমও একজন শিশু। শুধুমাত্র অটিজম তার ব্যক্তিত্বের অংশমাত্র, তার পুরো সত্ত্বাটাই অটিস্টিক নয়। একটি সাধারণ শিশুর যেমন চিন্তা-ভাবনা, কল্পনা, পছন্দ-অপছন্দ, স্বপ্ন, ভয়-ভীতি রয়েছে তাদেরও থাকতে পারে। সাধারণ শিশুরা নিজেদের আবেগ ও অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অটিস্টিক শিশুরা অতোটা পেরে ওঠে না। তাই বলে তাদেরকে অবজ্ঞা করো না। এভাবে একসময় তাদের প্রত্যাশা এতোটাই কমে যাবে যে, তারা আর কিছু করার আত্মবিশ্বাস পাবে না।

অটিজম সাধারণত বংশগত বা মানসিক রোগ নয়, এটা স্নায়ুগত বা মনোবিকাশজনিত সমস্যা। আমাদের সমাজে অনেক ব্যাক্তি বা পরিবার আছে যাদের অটিজমে আক্রান্ত শিশু রয়েছে। এই শিশুরা আমাদের সমাজেরই একজন। কিন্তু অনেকেই অটিস্টিক শিশু দেখলে তাদের ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করে থাকেন, তাদের মা-বাবাকে নিয়ে নানা কুসংস্কারে বলি করা হয়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এটা বেশি হয়ে থাকে। অটিজম এমন একটি বিকাশজনিত সমস্যা, যা হলে আক্রান্ত ব্যাক্তির মানুষ বা বিষয়ের প্রতি কোনো আগ্রহ থাকে না। এছাড়া সামাজিক মিথস্ক্রিয়া, ভাষা, আবেগীয় বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয় না। এর মানে এই নয় যে, অটিস্টিক শিশু বোকা বা অমেধাবী। অটিস্টিক শিশু মাঝে মাঝে এমন কাজ করে, যেন একজন সাধারণ শিশু ও করতে পারে না। তারা ছবি আঁকায়, গানে, গণিতে কিংবা কম্পউটারে খুবই দক্ষতা থাকে। বিখ্যাত সংগীত শিল্পী লেডি হাক এবং ডারিল হান্না, কার্টুন ছবির আবিষ্কারক সাতসি তাহেরসিহ অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিও অটিজমে আক্রান্ত ছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কোনো শিশু অটিজম নির্ণয় হলে অতি দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। পাশাপাশি পরিবারের সবার সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। শিশুটির সঙ্গে কথা বলার মাঝে, পড়ানোর সময়, সামাজিক বন্ধনে, খেলাধূলার মাঝে বিভিন্ন বিষয় শেখাতে হবে, হাসি-খুশিতে রাখতে হবে সবসময়। তারা অনেক কিছুই পারে আবার অনেক কিছুই পারে না। যা পারে তার জন্য উৎসাহ যোগাতে হবে। আর যা না পারে তার জন্য ধমক-ধামক দেয়া যাবে না। বেশি চাপের মধ্যে পড়লে মাঝে মাঝে তারা স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। যদি তাদেরকে ভালোভাবে বুঝতে পারি তাহলে এটা এড়ানো সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, তাদেরকে শর্তহীন ভাবে ভালোবাসা। তারা এটা কেনো পারে না, ওটা কেনো অন্যদের মতো হয় না এসব বলে তাদেরকে আরো গহীন জটিলতায় ঠেলে দেই। তারা আমাদের সমস্ত স্বপ্ন আর প্রত্যাশা মেটানোর ক্ষমতা রাখে না। অটিজমকে অক্ষমতা না ভেবে বিশেষ রকম সক্ষমতা ভাবতে হবে। তারা গুছিয়ে কথা বলতে পারে না কিন্তু কখনো মিথ্যা কথা বলে না। তারা হয়তো অন্যদের সাথে খেলতে পারে না, কিন্তু খেলার ছলে কখনো চুরি করে না। অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয় না। এগুলো তাদের জন্য অনেক ভালো গুণ। তাদেরকে বিশ্বাস করে, একটু প্রশংসা করো এবং শর্তহীনভাবে ভালোবাসো। তারাও একদিন অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারবে। শুধুমাত্র প্রয়োজন একটুখানি ভালোবাসা।

সাবিনা আক্তার মুন্নী
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

হেফাজত -বিএনপি-জামাত বাংলাদেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায় : বদিউল আলম

 হেফাজত -বিএনপি-জামাত বাংলাদেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়  : বদিউল আলম

সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বদিউল আলম বলেছেন, ইসমাম শান্তি'র ধর্ম। ইসলামে কোন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই। ইলামের নামে হেফাজত মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে দিন, স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী ও জাতীয় স্বাধীনতা দিবস পালনের ঐতিহাসিক মুহুর্তে তারা ঢাকা, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, হাটহাজারিতে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। হেফাজত, বিএনপি- জামাত শিবির আবারো বাংলাদেশকে পাকিন্তান ও আফগানিস্তান বানাতে মাঠে নেমেছে। হেফাজত ইসলাম একাত্তরের শত্রু, রাজাকার আলবাদরদের দোষর, দেশের স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের শত্রু বিএনপি জামায়াতের মদদ পুষ্ট হেফাজত ইসলামকে যেকোন মূল্যে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। পটিয়ায় হেফাজতের সাম্প্রতিক তান্ডবের চিত্রও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় কওমি মাদ্রাসা চলছে। হেফাজত ইসলামের পৃষ্ঠপোষকতায় যারা জড়িত থাকবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাদেরই বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পটিয়ায় কারা হেফাজত লালন করে গোয়েন্দা সংস্থা প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে রিপোর্ট প্রদান করার আহবান জানান। তিনি হেফাজতের ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান। 
তিনি গত শুক্রবার একটি রেস্তুরায় পটিয়ার কর্মরত সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কলে এ কথা বলেন। এছাড়াও ২ এপ্রিল যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম এর হুংকারে হেপাজত কর্মীরা মাঠে নামেনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দেশরত্ন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা দেশরত্ন পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা মৎসজীবী লীগের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক মো. আবু সৈয়দ, মহানগর যুবলীগ নেতা মোক্তার আহমেদ আরিফ, ভাটিখাইন ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জসিম উদ্দিন, আশিয়া ইউপি আ'লীগ নেতা নাছির উদ্দিন, আজিজুল হক মানিক, সাইফুল ইসলাম সোহেল, তৌহিদুল আলম জুয়েল, সাইফুল ইসলাম শাহীন, উজ্জ্বল ঘোষ, সাইফুল ইসলাম জুয়েল, ছাত্রনেতা সাজ্জাদ হোসেন, মেহেদি হাসান মারুফ, জয়নাল আবেদীন রাফি প্রমূখ।

ধর্মের ধ্বজা : আবুল খায়ের শিকারি ( কুয়েত প্রবাসি)

ধর্মের ধ্বজা : আবুল খায়ের শিকারি ( কুয়েত প্রবাসি)
আবুল খায়ের শিকারি

কর্ম খেয়ে ধর্ম উরায়
কথিত ধার্মিক বেতাল
রক্তের নেশা উঠেছে মাথায়
হিংস্র বন্য মাতাল।

রামায়ণ-গীতা দেখে না খুলে
উরন চন্ডির দলে
অপব্যাখ্যায় রয়েছে মেতে
দু'পায়ের পশু কুলে।

কুরআন-পুরান রূপকে ভরা
বুঝে না সন্ত্রাস-মৌলবাদী
মানুষ মারিয়া পূণ্য খোঁজে
আছে যতো গবাদি।

ধর্মের খোলসে অধর্ম করে
যতো মন্ত্রভূক পরজীবী।
হত্যায় মেতেছ জ্যান্ত দেবতা
তমাছন্নে ঘেরা হৃদয় রবি।

গ্রন্থ যতো এনেছে জ্ঞানী
প্রেমের বাণী ভরপুর
ঈশ্বর সেবায় সৃষ্টি প্রীতি
এখানে ধর্মের অঙ্কুর।

সত্য যুগের অবতার যিনি
অহিংসা করেছে প্রচার
নারায়ণ নামে পূর্ণ রথ
লক্ষ্মী করিয়া অধিকার।

ত্রেতায় রাবন বিপরীত
হনুমান প্রেমের স্মারক
বক্ষে তার ফুটায়েছে যুগল
প্রেম সুধায় ঈশ্বর ধারক।

দ্বাপরে কৃষ্ণ দিয়েছে প্রেম
অধর্ম করে সংহার
কুরুক্ষেত্রে হিংস্রের বধ্
আশি মণ পৈতার পাহাড়।

কলির কেষ্ট গৌরাঙ্গের নাম
নিমাই একই রূপে
প্রেম বিলিয়েছে জনে জনে
সন্ন্যাসী জীবন স্বরূপে।

বেদ-বেদান্ত দেখো ঘেটে
কী বলেছেন ভবিষ্যৎ
সাহারার বুকে জাহারা
স্ব-গৌরবে মুহাম্মদ (স:)।

চলমান প্রেম, ধর্মও তাই
নেই তো পিছনে বাঁধা
উর্বর চিন্তায় স্বর্গ সুখ
বিলাপে রয়েছে গাঁধা।

জেলা প্রশাসন কতৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, অর্থদন্ড প্রদান

জেলা প্রশাসন কতৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, অর্থদন্ড প্রদান
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা

আকরাম হোসাইন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলায় বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসানের নির্দেশনা এবং বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব তানিয়া সুলতানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে আজ ০২ এপ্রিল ২০২১ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

এ সময় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতে সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টার পর দোকান বন্ধ না রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে ১৮টি মামলায় মোট ১২১৭৫/- টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া, সন্ধ্যা ৭ঃ০০টার পর দোকান বন্ধ রাখা ও  করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারের জন্য জনগণকে  উদ্বুদ্ধ করা হয়। 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার(ভূমি), মৌলভীবাজার সদর সুনজিত কুমার চন্দ এবং জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ তানভীর হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম, এবং অর্ণব মালাকার। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সাহায্য করেন র‍্যাব-০৯,  শ্রীমঙ্গল ও সদর থানা পুলিশ।

উল্লেখ্য যে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পরিধানে এবং জনসচেতনা বৃদ্ধিতে মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

কুলাউড়ায় মরহুম এ কে এম গোলাম মোস্তফা ট্রাস্টের স্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন

কুলাউড়ায় মরহুম এ কে এম গোলাম মোস্তফা ট্রাস্টের স্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন
কুলাউড়ায় মরহুম এ কে এম গোলাম মোস্তফা ট্রাস্টের স্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন
মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ ০২ এপ্রিল শুক্রবার রাত ৮ঃ৩০ মিনিটে মরহুম এ কে এম গোলাম মোস্তফা ট্রাস্টের স্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। ট্রাস্টের সভাপতি এ কে এম মঈনুল ইসলাম মঈন সাহেবের সভাপতিত্বে ও মোঃ বদরুল ইসলামের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব রুহুল আমীন সাহেব,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতার প্রবাসি মোঃ আমিনুল ইসলাম স্বপন, ট্রাস্টের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, মাওঃ ফকরুল ইসলাম, নিজামিয়া বিশকুটি রহঃ স্মৃতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুস সামাদ সাজু, ভবানীপুর ইসলামী আদর্শ সোসাইটির সভাপতি আবু তাহের লিটন, সাধারন সম্পাদকঃ শামসুজ্জামান চৌধুরী সজলু, ভবানীপুর ছি পি দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক জুনেদ আহমদ, ইলিয়াছ আলী, সিলেট মহানগর তালামীযের সদস্য মাছুম বিল্লাহ, ট্রাস্টের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ আশরাফ আলী সুবেক, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ জাসেম আহমদ, সমাজ কল্যান সম্পাদকঃ জাহিদ আহমদ, জসিম উদ্দিন জনি, সদস্যঃ নজরুল ইসলাম রুয়েল,এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,জামিল আহমদ সজিব,মন্জুর হাসান তানিদ,সাঈদ আহমদ,আলী হোসেন রনি, ফাহিম আহমদ,আমিনুল ইসলাম হাসান,লিমন আহমদ,মাছুম আহমদ,শাকিল আহমদ প্রমূখ।