ঝিনাইদহ মহেশপুর পুলিশের অভিযানে ৫৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঝিনাইদহ মহেশপুর পুলিশের অভিযানে ৫৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 


ঝিনাইদহের মহেশপুর থানাধীন ভৈরবা ফাঁড়ি পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত রোববার (১৪ জুন) রাতে নেপা ইউপির চার পুকুর নামক স্থান থেকে ৫৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ মিরাজ হোসেন নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।
থানা সুত্রে জানাগেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোর্শেদ হোসেন খান এর নির্দেশে রোববার রাত ৯টার দিকে থানার এস আই আওয়াল হোসেন ও ভৈরবা পুলিশ ক্যাম্পের এ এস আই সিরাজুল ইসলাম  সিরাসজ সীমান্ত বর্তী খোশালপুর গ্রাম থেকে ৫৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ খোশালপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী মিরাজ হোসেনকে আটক করে। মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খান জানান, এব্যাপারে আটককৃত মিরাজের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে। এবং তাকে ঝিনাইদহ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাধবপুরে পুলিশের হাতে দুর্ধর্ষ ডাকাত শুকুর আটক

মাধবপুরে পুলিশের হাতে দুর্ধর্ষ ডাকাত শুকুর আটক




,

লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য মনিরুল ইসলাম শুক্কুর (২৮) কে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫-জুন) বিকালে ছাতিয়াইন পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ(ইন্সপেক্টর) কামরুল 
হাসান এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সুত্রে খবর পেয়ে রতনপুর,

এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতি, মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি মনিরুল ইসলাম, শুক্কুর কে আটক করে সে মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন গ্রামের 
মৃত মকবুল হোসেনের পুত্র। ইন্সপেক্টর কামরুল হাসান জানান, শুক্কুরের বিরুদ্ধে ৭ টি ডাকাতি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে ৫ টি ডাকাতি মামলা কোর্টে চলমান ও ১ টি 

ডাকাতি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা, রয়েছে এবং ১ টি ডাকাতি মামলা ছাতিয়াইন পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তদন্তাধীন আছে। মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ভোলার বোরহানউদ্দিনে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুলে নিয়ে ধর্ষণ

ভোলার বোরহানউদ্দিনে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুলে নিয়ে ধর্ষণ





মোঃ আওলাদ হোসেন
 জেলা প্রতিনিধি, ভোলা,দৌলতখানঃ ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায়  ৮ম শ্রেণীতে পড়ুয়া ১৫ বছরের এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ উক্ত ঘটনায় গত ৯ জুন বোরহানউদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এবং ওই মামলার প্রধান আসামী রনি পাটোয়ারীকে আটক করে জেলে পাঠানো হয়েছে ।
ধর্ষিত মেয়ের বাবা জানান, বাটামারার স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন সদস্য মুনু মেম্বারের নাতী, মাদকাসক্ত রনি পাটোয়ারী (২২) গত ৬ মাস ধরেই উত্যক্ত করছেন। কিছুদিন আগে বারবার প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় একসময় রনি সরাসরি হুমকি দেয় 'সে যা পারে করে নিবেন; কেউ নেই তাকে কিছু করার। গত ১১ই জুন আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে; মেয়ে টয়লেট হতে ফেরার পথেই তুলে নিয়ে যায় বাটামারা ৬ নং ওয়ার্ডের নুর ইসলাম পাটোয়ারীর ছেলে রনি পাটোয়ারী(২২) ও তার দুই সহযোগী মোঃ শাহাবুদ্দিন(২০) ও মোঃ মিরাজ (১৯)।  কিছুক্ষণ পর মেয়ে ফিরতে দেরি হওয়ায় খুজতে থাকেন বাবা-মা।  বাসা হতে ৪০০ মিটার দূরেই নির্জন বিলের মধ্যে খুজে পায় মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায়।
পরে মেয়ের জবানবন্দিতে জানাযায়, দুই সহযোগীর সহযোগীতায় ধর্ষণ করার পর; মেরে ফেলা ও লাশ লুকানোর পরিকল্পনা করেন। যখনই মেয়ের বাবা-মা লোকজন নিয়ে খুজতে যান; তখন তাদেরকে দেখে পালিয়ে যায় ধর্ষক রনি পাটোয়ারী ও তার দুই সহযোগী। 
এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামী রনি পাটোয়ারীকে আটক করা হলেও পলাতক আছে তার দুই সহযোগী শাহাবুদ্দিন ও মিরাজ। দিনমজুর অসহায় মেয়েটি’র বাবা সঠিক বিচার দাবী করছেন প্রশাসনের কাছে।
এব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার ওসি ম. এনামুল হক জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। ওই মামলার প্রধান আসামী কে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তাদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওয়াতায় আনা হবে ৷

কুমিল্লার মুরাদনগরে করোনা উপসর্গে মৃত হিন্দু ব্যক্তির শেষকৃত্যে স্বজাতিরা নেই। পাশে ছিলো যুবলীগের মুসলিম সদস্যবৃন্দ

কুমিল্লার মুরাদনগরে করোনা উপসর্গে মৃত হিন্দু ব্যক্তির শেষকৃত্যে স্বজাতিরা নেই। পাশে ছিলো যুবলীগের মুসলিম সদস্যবৃন্দ




শাহ আলম জাহাঙ্গীর
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা

করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউপির সচিব  যাত্রাপুর গ্রামের প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধরের শেষকৃত্যে স্বজাতিরা কেউ না থাকলেও  স্থানীয় এমপি'র নির্দেশে মরদেহ সমাহিত করতে এগিয়ে এলো মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের একটি সাহসী মানবিক টিমের মুসলিম কতিপয় সদস্য।করলো করোনাকালে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত।
 বিগত ৮ থেকে ১০ দিন ধরে জ্বরে ভূগছিলেন ইউপি সচিব মৃত প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর। পরে গত শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় তীব্র শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে পরিবারের লোকজন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়ার পূর্বেই নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর খবর শুনে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের লোকজন, পুরোহিত ও সনাতন ধর্মালম্বী আত্মীয়-স্বজন সকলেই মরদেহ সমাহিত করতে প্রথমে আশ্বাস দিলেও, পরে তারা অপারগতা প্রকাশ করেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত পেরিয়ে পরদিন শনিবার (১৩ জুন) সকালেও মৃতের মরদেহ সমাহিত না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েন পরিবারের লোকজন। ঠিক সেই সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ’র নির্দেশনায় গঠিত উপজেলা যুবলীগের মরদেহ দাফন কমিটির সদস্যদের অবহিত করেন উপজেলা প্রশাসন। বিষয়টি অবহিত হওয়ার সাথে সাথে উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ রুহুল আমিনের নেতৃত্বে কমিটির সকল সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে শনিবার বেলা ১০টার দিকে মৃত প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ তার পারিবারিক শ্মশানে সমাহিত করেন যুবলীগের সদস্যরা।

প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর (৪৫) উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের মৃত সুবাস চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে ও উপজেলার ১১নং রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ইউপি সচিব ছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ বলেন, প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করার পর পূজা উদযাপন পরিষদের লোকজন, পুরোহিত ও সনাতন ধর্মালম্বী আত্মীয়-স্বজন সকলেই মরদেহ সমাহিত করতে প্রথমে আশ্বাস দিলেও, পরে তারা অপারগতা প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় আমি মুরাদনগর  উপজেলা যুবলীগের স্বেচ্ছাসেবকগণের সহায়তা চাইলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার উপস্থিতিতে মৃতের মরদেহ পারিবারিক শ্মশানে সমাহিত করেন।

অপরদিকেকরোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করায় প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।

মোংলায় বাড়ির সিমানা নিয়ে দুই পরিবারের মাঝে বিরোধ।উভয়ের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মোংলায় বাড়ির সিমানা নিয়ে দুই পরিবারের মাঝে বিরোধ।উভয়ের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ




 
মোংলা প্রতিনিধিঃ 
মোংলার  ভ্যানচালক পরিবারকে বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তার প্রতিবেশী একটি পরিবার, এমন অভিযোগ করেছেন ভূক্ত ভুগী ভ্যান চালক হোসেন গাজি।  সীমানা প্রাচীর নির্ধারনের অজুহাতে আমার বসত ভিটা দখলের  অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে আমার প্রতিবেশি পরিবার টি। তাদের দখল প্রচেষ্টায় বাধা দেয়ায় মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছি আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যবৃন্দ। এমন অভিযোগ করেন ভ্যান  চালক হোসেন গাজী। 
এ বিষয় হোসেন গাজি আরো জানান,আমি 
মোংলার ০১ নং চাঁদপাই ইউনিয়নের উত্তর কাইনমারী গ্রামের ছোট ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ২৫ বছর  ধরে ৫ কাঠা জমিতে বসবাস করতেছি।  সম্প্রতি আমার প্রতিবেশী মোঃ আক্তার, মোঃ মোক্তার, মোঃ ছত্তার এর নজর পরে আমার এই বসত ভিটার উপর। শুরু হয়  আমার পরিবারকে উচ্ছেদের নানা চক্রান্ত। সীমানা নির্ধারন সহ নানা অজুহাতে হয়রানী করে আসছিল এ পরিবারটি।
 ভ্যান চালক মোঃ হোসেন গাজী ও তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম জানান. সর্বশেষ গত ১৪ মে সন্ধ্যায় হঠাৎ করে প্রতিবেশী মোঃ আক্তার, মোঃ মোক্তার, মোঃ ছত্তার ও তার লোকজন নিয়ে আকস্মিক ভ্যানচালককে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে হামলা সহ বেদড়ক মারধর শুরু করে। এ হামলায় আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যরা  রক্তাক্ত জখম হয়। প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে  অভিযুক্ত পরিবারের সদস্য মোঃ মোক্তার হোসেন বলেন আমাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী হোসেন গাজি ও তার স্ত্রী ফিরোজা বেগমের আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তি হীন।মূলত তারাই লোকজন নিয়ে আমি সহ আমার পরিবারের উপর হামলা করে।আমি সহ আমার পরিবারকে বেধড়ক মারধর করে।আহত অবস্হায় প্রতিবেশীরা আমাদের কে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন।
মোক্তার হোসেন আরো বলেন এ বিষয় মোংলা থানায় গত ১৬.০৫.২০ তারিখ এ আমার মা মোসাঃসালেহা বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।মামলার নম্বর ৫। 

এ বিষয়ে মোংলা থানার এস আই মিজান বলেন,আসামিদের গ্রেফতারের জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।যত দ্রুুত সম্ভব আসামিদের কে আইনের আওতায় আনা হবে।

সিংড়ায় ইউপি সদস্যসহ ৬জন জুয়ারী আটক

সিংড়ায় ইউপি সদস্যসহ ৬জন জুয়ারী আটক




নাটোর প্রতিনিধি :
নাটোরের সিংড়ায় ইউপি সদস্য মকবুল হোসেনসহ ৬ জন জুয়ারীকে আটক করেছে সিংড়া থানা পুলিশ। রবিবার মধ্যরাতে উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের শ্রীকোল গ্রাম থেকে আটক করে সিংড়া থানা পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য মকবুল হোসেন,  শ্রীকোল গ্রামের ছোবাহানের পুত্র ধান ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রেজা, মজিবরের পুত্র হ্যাপি,  আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র শরিফুল, আব্বাস উদ্দিনের পুত্র আরিফ, লতাবাড়িয়া গ্রামের হারুনের পুত্র আলামিন। 

জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যার পর গ্রামের পুর্ব পাশে একটি পরিত্যক্ত স্থানে জুয়ার আসর বসায় তারা। 
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে এসআই ইলিয়াসের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়। 

সিংড়া থানার এসআই ইলিয়াস হোসেন জানান, আসামীদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বিজ্ঞ আদালতে তাদের প্রেরণ করা হয়েছে।


নওগাঁয় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

নওগাঁয় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


 
মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এর গুলিতে সুভাস চন্দ্র রায় (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে নীতপুর সীমান্তের ২২৭নং পিলারের নিকট প্রায় ৫০০ মিটার ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুভাস পোরশা উপজেলার তুরিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভুলু রায়ের ছেলে। এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছে বলে এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন। এদিকে নিহতের মরদেহ বিএসএফের হেফাজতে রয়েছে। এ ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)র পক্ষ থেকে লাশ ফেরত চেয়ে ও পতাকা বৈঠকের আহবান জানিয়ে বিএসএফকে পত্র দিলেও সোমবার বিকেল ৫ টা পর্যন্ত তারা কোন জবাব দেয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে নিতপুর সীমান্ত দিয়ে চোরাইপথে ভারতের অভ্যন্তরে ৮/১০ জন রাখাল গরু নিতে যায়। সোমবার ভোরে গরু নিয়ে ফেরার পথে ২২৭ নম্বর পিলারে নিকট ভারতের অভ্যন্তরে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় ভারতের আগ্রাবাদ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান সুভাস। এছাড়া তার সহযোগী আরো একজনের কোন খোজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তারা। 

এ ব্যাপারে ১৬ বিজিবি নীতপুর ক্যাম্পের সুবেদার আনিছুর রহমান বলেন, প্রায় দুই কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে বলে শুনেছি। এছাড়া আরও কেউ আহত আছে কিনা তা খোঁজ নেয়া হচ্ছে। ঘটনার পর বিএসএফ’র সাথে পতাকা বৈঠকের আহবান করা হয়েছে।

এদিকে নওগাঁ-১৬ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)র কমান্ডিং-অফিসার লে. কর্নেল আরিফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পযর্ন্ত তারা কোন সাড়া দেয়নি।

"" লকডাউনের ১২টি পরিবারের পাশে দাড়ালো "উমরমজিদ ইউনিয়ন সোসাইটি

"" লকডাউনের ১২টি পরিবারের পাশে দাড়ালো  "উমরমজিদ ইউনিয়ন সোসাইটি





 মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ। 
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ঘুমারুভীমশীতলা মৌজা এলাকায় (রাজমাল্লীর হাট থেকে পশ্চিমে মধ্যপাড়া মসজিদ থেকে উত্তরে দানানগর) একজন ঢাকা ফেরত মহিলা করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হয়।

উপজেলা প্রশাসন গত ১০ই জুন, ২০২০ তারিখে সেই বাড়ির আশেপাশে মোট ৭ টি বাড়িকে লকডাউন ঘোষণা করে। লকডাউনের কারনে এই ৭ টি পরিবারসহ আশেপাশের আরো ৫ টি পরিবার নিয়ে মোট ১২টি পরিবার অসহায় হয়ে পড়ে কারণ করোনা সন্দেহে তাদেরকে কেউ কাজ দিতে চায় না, অথচ এই পরিবারগুলোর প্রধান বেশীরভাগই দিনমজুর। লকডাউনের আওতায় থাকা সকলেই যেন নিয়ম মেনে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে সেই লক্ষ্যে উমরমজিদ ইউনিয়নের তরুণ যুবকদের উদ্যোগে গঠিত সামাজিক সেবামুলক ও অরাজনৈতিক সংগঠন "উমরমজিদ ইউনিয়ন সোসাইটি" উক্ত ১২টি পরিবারের জন্য ৩ দিনের খাবারের ব্যাবস্থা করেছে। 

প্রতিটি পরিবারের প্রতিনিধিদের হাতে নিম্নোক্ত খাদ্যসামগ্রী উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়ঃ

১) চাল ৪ কেজি ২) ডাল ১/২ কেজি ৩) ডিম ১ হালি ৪) তেল ১/২ লিটার ৫) পিয়াজ ১/২ কেজি ৬) আলু ২ কেজি ৭) লবন ১/২ কেজি ৮) মরিচ ১/২ কেজি  ৯) সাবান ১ পিস 

উপহার সামগ্রীর ব্যাগ হাতে পেয়ে তাদেরকে স্বস্থিদায়ক অবস্থায় দেখা গেছে এবং তারা সংগঠনের জন্য প্রাণভরে দোয়া করবে বলে উপস্থিত সকলকে জানায়। 

এসময় সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন "উমরমজিদ ইউনিয়ন সোসাইটি" এর সহঃ সভাপতি খন্দকার মোঃ শাহজাহান, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রোস্তম আলী, প্রচার বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা, সমাজকল্যাণ বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, সংস্কৃতি বিষয়ক সহঃ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান সহ আরো অনেকে।

সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, গরীব-অসহায় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে সহযোগিতা, মাদক মুক্ত এলাকা গড়তে প্রশাসনকে সহযোগিতা, চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে অক্ষম অভাবগ্রস্তদের সহযোগিতা এবং করোনা প্রতিরোধমুলক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ত্রান বিতরণ কার্যক্রম সহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট থানার অন্তর্গত সমগ্র উমরমজিদ ইউনিয়নের মানুষের কর্মমুখী আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চা, গুনগতমানসম্পন্ন সৃজনশীল শিক্ষা প্রসারে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করাই এই সংগঠনের মুল লক্ষ্য।

আগামীতে এই সংগঠনটি আরো বেশ কিছু সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণ, গরীব অসহায় ব্যাক্তিদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন, চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে অক্ষম অভাবগ্রস্তদের সহযোগিতা, বাল্যবিবাহ রোধে সভা-সেমিনার ও গনসচেতনতা সৃষ্টি এবং গতিশীল কর্মপদ্ধতি ও সুনাগরিক সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মশালা, সেমিনার, আলোচনা, বিতর্ক, খেলাধুলা, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন ইত্যাদি।

সংগঠনটির সভাপতি ইঞ্জিঃ মোঃ ইলিয়াছুর রহমান ও সহঃ সভাপতি মোঃ শাহজাহান খন্দকার এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুমন সরকার সংগঠনের পক্ষ থেকে উমরমজিদ ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যেন বর্তমান সময়ের মত ভবিষ্যতেও গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়ানো এবং এলাকার সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সংগঠনটি সফলভাবে কাজ করে যেতে পারে।

উলিপুরে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু আহত দুই

উলিপুরে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু  আহত দুই




কৃষ্ণ সরকার পীযূষ,  ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে জমি থেকে বাদাম উঠানোর সময় বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরও দুইজন গুরুত্বর আহত হন। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, সোমবার (১৫ জুন) বিকালে চর গোড়াই পিয়ার গ্রামে।  
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের চর গোড়াই পিয়ার গ্রামে কয়েকজন কৃষক মিলে জমি থেকে বাদাম উঠানোর (তোলা) সময় হঠাৎ করেই বজ্রপাতসহ বৃষ্টি শুরু হয়। এসময় জমিতে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতের আঘাতে অবসর প্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাও. রুহুল আমীন (৬৮) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার সঙ্গে থাকা গোড়াই পিয়ার কানীপাড়া গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের স্ত্রী আঞ্জুআরা বেগম (৪০) ও মইনুদ্দিনের ছেলে মহসিন আলী (৫০) গুরুত্বর আহত হন। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নিহত মাও. রুহুল আমীন রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট দাখিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত মৌলভী শিক্ষক। তিনি উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের সরদারপাড়া গ্রামের খাতির আলী মিস্ত্রির ছেলে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাঈদুল ইসলাম জানান, বজ্রপাতে গুরুত্বর আহত দুই জনের শারীরিক অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 
থেতরাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হিরা মনির ধর্ষক মিজান ক্রসফায়ারে নিহত

হিরা মনির ধর্ষক মিজান ক্রসফায়ারে নিহত




সম্রাট হোসেনঃ
বহুল আলোচিত লক্ষীপুরে হিরা মনির ধর্ষনের প্রধান আসামি মিজান পুলিশের সাথে ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করার হয়ছে।
বিস্তারিত আসছে  -----

ঝিনাইদহে কৃষকের বাড়িতে ডাকাতি, গরু, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার লুট

ঝিনাইদহে কৃষকের বাড়িতে ডাকাতি, গরু, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার লুট






খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 




ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামে সুলতান মিয়া নামের এক কৃষকের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কৃষকের ৮ টি গরু, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল, বিদেশীয় কম্বলসহ মালামাল লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগিরা জানায়, গেল রাত আড়াই টার দিকে ট্রাক ও পিকআপ নিয়ে একদল ডাকাত পুলিশ পরিচয়ে কৃষক সুলতান মিয়ার বাড়িতে ঢোকে। এসময় তারা বাড়ির ৭ সদস্যকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি কক্ষে আটকে রাখে। পরে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ সাড়ে ১৬ হাজার টাকা ও ৫ টি মোবাইল ফোন লুটে নেয়। প্রায় এক ঘন্টা ধরে লুটপাট চালায়। এরপর গোয়াল থেকে ৮টি গরু ট্রাকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে তারা রুমের জানালা ভেঙ্গে বাইরে এসে প্রতিবেশীদের খবর দেয়।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শর্ন করেছে। থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ডাকাতদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে।

এতিম শিশুদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের মৌসুমী ফল বিতরণ

এতিম শিশুদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের মৌসুমী ফল বিতরণ




রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।

মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এতিমখানায় অবস্থানরত এতিম শিশুদের পুষ্টি কথা চিন্তা করে তাদের জন্য মৌসুমী ফল নিয়ে তাদের পাশে দাড়িঁয়েছে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ও সিটি ইউনিটের উদ্যোগে যুব রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রামের বাস্তবায়নে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ম্যানেজিং বোর্ড সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ শেখ শফিউল আজম ও চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান এম. এ. ছালাম এর তত্ত্বাবধাণে যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের যুব প্রধান মোঃ ইসমাইল হক চৌধুরী ফয়সালের নেতৃত্বে নগরীর আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা, বায়তুর রিদওয়ান ইয়াতিমখানা ও হেফজখানা মাদরাসা-ই-আবু হুরায়রা (রা.) কমপ্লেক্স, আলহেরা হেফজ খানা ও এতিম খানায় মৌসুমী ফল বিতরণ করা হয়। উক্ত কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন যুব রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রামের সিনিয়র যুব সদস্য জৌর্তিময় ধর সহ যুব স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ আটক ২জন

মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ আটক ২জন





লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১ টি পুরাতন মোটরসাইকেল ও ভারতীয় গাঁজাসহ ২ পাচারকারীকে আটক করেছে।
সোমবার (১৫-জুন) সকাল সাড়ে ১০টার  সময় হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়ানের হরষপুর 

বিওপির নায়েব রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের  হরষপুর থেকে ধর্মঘর এলজিডি রাস্তার আমবাড়িয়া নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ ২ পাচারকারীকে 

আটক করে। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ১টি পুরাতন মোটরসাইকেল ও জব্দ করা হয়। আটককৃত পাচারকারীরা হলো হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আনন্দ গ্রামের মৃত ফুল মিয়ার ছেলে মোঃ আরজু মিয়া (২৮)এবং 

একই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত, ইউনুছ মিয়ার ছেলে মোঃ জাকির হোসেন (২৪) আটককৃত মোটরসাইকেল ও গাঁজা পাচারকারীদের বিকেলে মাধবপুর উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,

তাসনুভা নাসতারান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট 
৭ দিনের কারাদণ্ড ও জন প্রতি ১ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

সারাদিন পরিত্যাক্ত খাবারের ঠোঙ্গা ও বোতল কুড়িয়ে দিন কাটছে স্কুল পড়ুয়া মরিয়মের

সারাদিন পরিত্যাক্ত খাবারের ঠোঙ্গা ও বোতল কুড়িয়ে দিন কাটছে স্কুল পড়ুয়া মরিয়মের




স্টাফ রিপোর্টার-(রাজু)

অভাবজনিত কারনে ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলাধীন সিনুয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়া ঢাকায় আসেন স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে। 

লক্ষ ছিল অন্ন সংস্থানের রাস্তা সুগম করা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন রুপ ধারণ করলো।

২০১৪ ইং সনে স্ত্রী সন্তান নিয়ে আব্দুল লতিফ মিয়া ঢাকা আসলেঃ সফলতা নয় বরং হতাশায় পড়ে যান।

লতিফ মিয়ার স্ত্রী হাসিনা বেগম নিরক্ষর বলে চাকরি হয়নি কোন গার্মেন্টস কিংবা কোন জুটের গোডাউনে। 
লতিফ মিয়া প্রথমতঃ রিক্সা চালালেও রোদ-বৃষ্টিতে ভাড়াকৃত রিক্সা দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেয়ে পরবর্তীতে পরিত্যক্ত খাবারের ঠোঙ্গা ও বোতল কুড়িয়ে দিন যাপন শুরু করেন। 
প্রথমেই লতিফ মিয়া একা একা কাজ শুরু করলেও অধিক ইনকামের জন্য ১২ বছর বয়সী স্কুল পড়ুয়া উঠতি বয়স্ক মেয়েকে  এবং ৭ বছর বয়সী শিশু বাচ্চাকে উক্ত কাজ তথা টোকাই পেশায় নিয়োজিত করেন।

ভাগ্যের পরিহাস বর্ননা করতে গিয়ে ১২ বছরের মরিয়ম বলেন-

একটু ভালো থাকার জন্য'ই স্কুল ছেড়ে ঢাকায় আসা। বাবা বলেছিল- ঢাকায় এসে আমাকে অনেক বড়ো স্কুলে ভর্তি করে দিবে কিন্তু তা আর হলোনা।

এখন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রাস্তায় পরিত্যক্ত খাবারের ঠোঙ্গা ও বোতল কুড়িয়ে দিন যাপন করতে হচ্ছে। 

এটা আমার কর্মের ফল নয় বরং এটা আমার ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। আমি আর অপকর্ম করার সময় পেলাম কোথায়? আমি তো স্কুল জীবনটাই শেষ করতে পারলাম না। যাক এখন এসব বিষয়ে দুঃখ করি না।
শুধু একটাই বলবো, আমার মতো ভাগ্য যেন আর কারও না হয়। 

মরিয়ম দুঃখ করে বলেন, আজ গরীব পরিবারে জন্ম নিয়েছি বলে আমাকে মেয়ে হয়েও ভান চালাতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন।

দেশের চলমান করোনা পরিস্থিতিতে যখন পুরো এলাকা থমথমে বিরাজ করছে তখনও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে নিয়ে বের হতে হচ্ছে অন্যের আনাচে কানাচে ও রাস্তা ঘাটে। 

প্রতিদিন ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত দুই নাবালক শিশু মেয়েকে সাথে নিয়ে'ই আব্দুল লতিফ মিয়ার সংগ্রামী জীবনের প্রথম ধাপ শুরু হয় এবং সন্ধায় উপার্জিত টাকা দিয়ে মোটা চাল ও ডাল ভাত খেয়ে জীবন চলছে জীবনের গতিতে।

বাঁশখালীতে গণ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মজিদ বন্দুকযুদ্ধে নিহত

বাঁশখালীতে গণ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মজিদ বন্দুকযুদ্ধে নিহত



মোঃ আরিফুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি। 
চট্টগ্রামের  বাঁশখালী উপজেলায় গণ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি র‍্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
১৫ মে ২০২০ সোমবার রাত আনুমানিক ২ টা ১০ মিনিটের সময় বাঁশখালী থানাধীন পৌরসভা উত্তর জলদী ১ নং ওয়াডের বাদালিয়া বড় হাজি বাড়ি সংলগ্ন আনোয়ের মেহগুনি বাগানের ভিতরে গুলাগুলির এ ঘটনা ঘটে বলে বাঁশখালী থানা সূত্রে জানা যায়।
নিহত ব‍্যাক্তি হলেন বাঁশখালী থানাধীন বৈলছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম চেচুরিয়া ঘোনা পাড়ার লেদু মিয়ার পুত্র আব্দুল মজিদ( ৩০) র‍্যাবের একটি টহল দলের সাথে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ও তার অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের সাথে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
পরে সেখানে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মজিদের লাশ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে লাশের পাশে ১ টি এলজি ও ৫ রাউন্ড কার্তুজ র‍্যাব কতৃক উদ্ধার করা হয়  থানা পুলিশ সূত্রে জনা যায়। এদিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি র‍্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়াই ধর্ষণের সঠিক বিচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
বাশখালী থানা সূত্রে আরও জানা যায় নিহত ব‍্যাক্তি গত ২৮ ই এপ্রিল ২০২০ নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ৯(৩) নমীয় মামলার ১ নং আসামি। 
বাঁশখালী থানা মামলা নং ৩৪ রিপোর্ট লেখা পযর্ন্ত লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করা হচ্ছিল।
এ বিষয়ে বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রেজাউল করিম মজুমদার ঘটনার সত‍্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত ব‍্যাক্তি আব্দুল মজিদ ধর্ষণ মামলার ১নং আসামি। আমরা তাকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পেরণ করেছি। পরবর্তী আইনানুগ ব‍্যবস্হা গ্রহণ করা হইতেছে বলেও জানান তিনি।

নওগাঁর আত্রাই নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রী নিখোঁজ

নওগাঁর আত্রাই নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রী নিখোঁজ




  
মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর আত্রাইয়ে আত্রাই নদীতে গোসল করতে নেমে নিতি আক্তার (১০) চতুর্থ শ্রেণির এক  ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে  নদীতে গোসল করতে নেমে নদীর স্রোতে সে ডুবে যায়। এদিকে রাজশাহীর একটি ডুবুরী দল ও পরিবারের লোকজন নদীর তীরসহ সম্ভাব্য স্থানগুলোতে তার সন্ধান করছে। তবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিতি আক্তার উপজেলার আটগ্রাম গ্রামের প্রবাসী ফজলুর রহমানের মেয়ে ও উপজেলার কলকাকলি কিন্ডার গার্টেন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলেম উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার বেলা ১১টার দিকে ৯৯৯ থেকে ফোন আসে উপজেলার আটগ্রাম এলাকায় পানির স্রোতে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকন্যা নিতি আক্তারের ভেসে যাওয়া খবর। সাথে সাথে এস আই রুবেল আলমকে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, নিতি আক্তার সোমবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে তার ফুফাতো বোন জুতি আক্তারকে সাথে নিয়ে বাড়ির পাশে আত্রাই নদীতে গোসল করতে যান। গোসলের এক পর্যায়ে নিতি আক্তার সাাঁতার কেটে নদীর মাঝে প্রান্তে পৌঁচ্ছালে পানির স্রোতে ভেসে যায়।

এ বিষয়ে রাজশাহী ডুবুরি দলের লিডার নুর-নবী বলেন, আমাদের কাছে  খবর পৌছার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌছে দুপুর ১টা থেকে নদীতে নিখোঁজ শিশুকন্যার সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রখেছে। আশা করছি আমরা নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করতে সক্ষম হব। তিনি আরও বলেন, তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় এলাকা ভিত্তিক লকডাউন শুরু কাল

চুয়াডাঙ্গায় এলাকা ভিত্তিক লকডাউন শুরু কাল




মোঃ কাউসার আলী
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

আগামিকাল (১৬ জুন) থেকে এলাকা ভিত্তিক লকডাউনে পড়তে যাচ্ছে চুয়াডাঙ্গা।আর এ লকডাউনে পড়তে যাচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের পরানপুর,রিফিউজি কলোনি,মোবারক পাড়া,কলেজ পাড়ার অর্ধেক এবং ৭ নং ওয়ার্ডের থানা পাড়া,বাজার পাড়া ও পুরাতন বাজার পাড়া।আজ সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কোভিড-১৯ বিষয়ক সভায় জেলা প্রশাসক জনাব নজরুল ইসলাম সরকার এ ঘোষনা দেন।তিনি আরও বলেন এ লকডাউন কঠোরভাবে পালন করা হবে।
তাই ঘরে থাকুন,নিরাপদে থাকুন।

দৌলতখানে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

দৌলতখানে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু





 মোঃ আওলাদ হোসেন 
জেলা প্রতিনিধি, ভোলা,দৌলতখান।


মৃত্যুর স্বাদ প্রত্যেক প্রাণীই অস্বাদন করতে হবে,এটাই সত্য।
কিন্তু এরকম খবরটি যদি হয় অপ্রাপ্ত বয়স্ক অদরের ছেলের তখন এই খবরটি কতটা কষ্টের একেবারে ভূক্তাভূগী ছাড়া বুঝাই যায় না।
ভোলার দৌলতখানে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রবিবার (১৪ জুন) উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দিদারউল্লাহ গ্রামের বেড়ী হাওলাদার বাড়ির পাশে পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো, ওই ইউনিয়নের একই ওয়ার্ডের নুরউদ্দিনের ছেলে হাবিব (৮) ও নুরনবীর ছেলে নিহাদ (৬)। সম্পর্কে শিশু দুটি আপন চাচাতো ভাই হয়।
জানা যায়, বিকালে বাড়ির পাশের পুকুরে ওই দুই ভাই গোসল করতে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে পুকুরের পাশে তাদের কাপড় পড়ে থাকতে দেখে। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুরের পানিতে জ্বাল টেনে রাত সাড়ে ৯ টায় পৃথক পৃথকভাবে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে। এঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে শত শত লোক ওই বাড়িতে ভিড় জমায়।
দৌলতখান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বজলার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ২০২০ পালন

নওগাঁর আত্রাইয়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ২০২০ পালন





মোঃ ফিরোজ হোসাইন  
রাজশাহী ব্যরো

 নওগাঁর আত্রাইয়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ২০২০ পালিত
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় ও  নওগাঁ জেলা শাখার নির্দেশে ফলদ, বনজ ও ওষুধী বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
উপজেল স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ আবু উজ্জ্বল  এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন।
সোমবার  সকালে আত্রাই  উপজেলা আওয়ামী  স্বেচ্ছাসেবক লীগের  আয়োজনে ৫৩ নং পাথাইল ঝাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গনে  বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা  আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক  লীগের সাধারণ সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত)  সুইট দত্ত,সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও ৫৩নং পাথাইল ঝাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমৎ জাহান সহ অনেকে। 
নওগাঁ -৬ (আত্রাই, রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মো.ইসরাফিল আলম আত্রাই উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি কে স্বাগত জানিয়ে বলেন,প্রকৃতির ভারসম্য রক্ষা করতে বৃক্ষের ভুমিকা অপরিসীম, বৃক্ষ আমাদের অক্সিজেন দেয় যা থেকে আমরা এই পৃথিবীতে মুক্তভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারছি? তাই শুধু এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ঘিরে নয় দেশের প্রত্যেক নাগরিককে তিনি একটি করে বৃক্ষ রোপণ করতে বলেন।

বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি সম্পর্কে সভাপতি আবু উজ্জল বলেন, মুজিব বর্ষকে ঘিরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্দেশে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হলো!৩ মাস ব্যাপি এ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।

হাড় ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে ভিটামিন ডি এর অভাবে

হাড় ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে ভিটামিন ডি এর অভাবে





মোঃ আওলাদ হোসেন 
জেলা প্রতিনিধি,ভোলা দৌলতখান।

গতিময় জীবন, খাদ্যাভাসের পরিবর্তন, কাজের চাপ, দুশ্চিন্তাজনিত কারণে আমরা সবাই কম বেশি লাইফ স্টাইল ডিজিজের শিকার। ঘুম না হওয়া, অবসাদ, বন্ধ্যাত্বের পাশাপাশি হালে নতুন সংযোজন হয়েছে অল্প বয়সেই গাঁটে ব্যথা, হাঁটুর সমস্যা, কিংবা কোমরের।

এ তো গেল রোগীর সমস্যা। অনেক ক্ষেত্রে এ ছাড়া রয়েছে চিকিৎসকের সমস্যাও। কি হল? না হল?
 লিখে দিলেন গুচ্ছের ওষুধ। ব্যস, সকালে ঘুম থেকে উঠে, স্নানের আগে, খাওয়ার আগে, কিছু ক্ষেত্রে প্রথম গ্রাস মুখে তুলে, খাওয়ার পরে গিলতে থাকুন একটার পর একটা। কী, না ডাক্তার বলেছেন, আপনার শরীরে ঘাটতি রয়েছে ভিটামিন ডি-র। তারপর থেকেই সূর্য না ওঠা, দেরিতে ওঠা, পেঁয়াজের দাম রোজ নতুন মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেলা থেকে শুরু করে মোদীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া, সব কারণের জন্যেই আপনি দায়ী করেন ওইটুকু ভিটামিন ডি-এর ঘাটতিকেই।


সমস্যা অন্য জায়গায়। আপনার শরিরে ভিটামিন ডি কম কিনা, কম হলে কতটা কম, সে সবের কোনও পরীক্ষা হয়েছে? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেটা হয়না। কারণ সরকারি হাসপাতালে সাধারণত ভিটামিন ডি -এর পরীক্ষা হয় না। হলেও সেটি সময়সাপেক্ষ। আর বেসরকারি হাসপাতালে এই পরীক্ষার জন্য দেড় থেকে আড়াই হাজার টাকা লাগে, সবার সেই সামর্থ্য নেই। অতএব চিকিৎসক এবং রোগী আজীবন শুধু আন্দাজের বসে ধরে নিলেন সমস্যার উৎস ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি। তার জন্য চলতে লাগল অনবরত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট।

প্রশ্ন হচ্ছে, ভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য কতটা প্রয়োজনীয়? চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রথম থেকেই বলে এসেছে আমাদের শরীরে প্রাকৃতিক ভাবে ভিটামিন ডি সংশ্লেষ করে সূর্যালোক। এই উপাদান কম থাকলে হাড়ের সমস্যা, হাড় ক্ষয়ে যাওয়া, বাতের ব্যথা, কিছু ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যা হতে পারে। কিন্তু আপনার শরীরে ঠিক কী মাত্রায় এই উপাদান রয়েছে, পরীক্ষা না করে ওষুধ খাওয়া কখনওই উচিত না।

কিশোরগঞ্জে নতুন করে করোনা আক্রান্ত -২

কিশোরগঞ্জে নতুন করে করোনা আক্রান্ত -২





মো:লাতিফুল আজম 
কিশোরগঞ্জ নিলফামারী প্রতিনিধি:

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে এক ব্যাংক কর্মকর্তা ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী করোনা পজেটিভ ফলাফল এসেছে। নতুন এ ২ জনসহ  উপজেলায় করোনা সংক্রমণ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮ জন। আজ সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু শফি মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু শফি মাহমুদ জানান- ঢাকায় প্রেরিত নমুনায় নতুন করে এ উপজেলায় ২ জনের করোনা পজেটিভ ফলাফল এসেছে। একজন অগ্রণী ব্যাংক গাইবান্ধা কর্পোরেট শাখায় কাজ করেন। তার বাড়ি মাগুড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে। অপরজন হল কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে কর্মরত। তার বাড়ী পুটিমারী ইউনিয়নে। এরা প্রত্যেকেই বাড়ীতে আইসোলেশনে রয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮ জনে। ২ জনের বাড়ির পার্শ্ববর্তী ৫ টি বাড়ির ২৯ জনকে লক্ডাউন করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এম হারুন অর রশিদ নতুন ২ জন শনাক্তের বাড়ীসহ ৫ টি বাড়ির ২৯ জনকে লকডাউনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শিবগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণে ৩ দফা অনিয়মের অভিযোগে কাজ বন্ধের পর আবারো শুরু!

শিবগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণে ৩ দফা অনিয়মের অভিযোগে কাজ বন্ধের পর আবারো শুরু!




শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণে ৩ দফা অনিয়মের অভিযোগে কাজ বন্ধের পর নির্মাণ ত্রুটি নিয়েই আবারো কাজ শুরু হবার অভিযোগ উঠেছে।তবে এ অনিয়মের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সাব ঠিকাদার অস্বীকার করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, নির্মানকাজে বালির তুলনায় কম পরিমানে সিমেন্ট প্রদান, ওয়াটার লেবেল না করা, পুরাতন ইট-রড ব্যবহার করা, সঠিক মাপে বেইজ ও
বিম ঢালায় না করাসহ নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার।
সোমবার জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের নামোজগন্নাথপুর-ফিল্টের হাটে কমিউনিটি ক্লিনিকের নির্মাণ কাজে এসব অনিয়মের অভিযোগ করেছে গ্রামবাসীর । আর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে সরেজমিন পরিদর্শনেও।
এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর ৩ বার কাজ বন্ধ হলেও অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে নির্মানত্রুটি নিয়েই দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এর নির্মান কাজ। এর জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদাসীনতাকে দায়ী করছে স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট গ্রামের মো. জাফর ইকবাল জানান, সিলেকশন বালু না দেয়া সহ পিলারের বেইজ ঢালায় ৫ ফিট ৬ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও তা সাড়ে ৩ ফিট/৪ ফিট করার অভিযোগে গত ১৭ রমজান এলাকাবাসী কাজে প্রথম বাঁধা দেয়। তিনি আরও জানান, পুরাতন রডের বালা দিয়ে পিলার ঢালায় এবং ওয়াটার লেবেল ছাড়াই ১০ ইঞ্চির ঢালায় ৬ ইঞ্চি করে দেয়া হয়েছে। অনুসরণ করা হচ্ছেনা পাস হওয়া ভবনের ড্রয়িং।
সেসময় স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাংসদ ডা. শামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল মৌখিকভাবে কাজ বন্ধ করার কথা বললেও কয়েকদিন কাজ বন্ধ থাকার পর লিখিত কোন পদক্ষেপ না থাকায় আবারো কাজ শুরু হয়। এভাবে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২ দফা কাজ বন্ধ হলেও পরে আবার শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাকিব রাজু অভিযোগ পাবার পরও এখন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ দেখতেই আসেনি।

গ্রামের স্থানীয় নেতা মো. শফিকুল মন্ডলের অভিযোগ, কাজ বন্ধ করার পর গ্রামবাসীর পক্ষে ৫ সদস্যের একটি কমিটি কাজ দেকভালের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু কমিটিকে অগ্রাহ্য করে কমিটির এক সদস্য ও দুর্লভপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান আলীর ইন্ধনেই এলাকাবাসীর বাঁধার মুখেও কাজ চলছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আ.লীগ নেতা হাসান আলী জানান, আমি এই কাজের ভালো মন্দ বুঝি না। তাই কাজ কেমন হচ্ছে এব্যাপারে আমি কিছুই জানি না এবং আমার কোন দায়িত্ব নেয়। তবে আমিও চাই, কাজটি ভালোভাবে হোক।
অন্যদিকে কাজের শুরু থেকেই পুরাতন রড, ইট, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ মুখলেসুর রহমান।

তবে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ কাজের ঠিকাদার নবাব আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান , তার কাজটি তিনি সাব ঠিকাদারের কাছে হস্তান্তর করেছেন।তাই এ ব্যাপারে তার কিছু জানা নাই।
আর সাব-ঠিকাদার আনারুল ইসলাম জানান, সব নিয়ম-কানুন মেনে সঠিকভাবে কাজ চলছে। কোন অনিয়ম হচ্ছে না এবং কোন পুরাতন সামগ্রী এ নির্মানকাজে ব্যবহার হচ্ছেনা।

এবিষয়ে দুর্লভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাকিব রাজু মুঠোফোনে জানান, আমি নিজে উপস্থিত হতে পারিনি। কিন্তু ফোনে কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি, কাজ ভালোই হচ্ছে।

তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ আলদাভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়া হলে বিষয়টি তিনি জানাতে পারবেন।।

অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাংসদ ডা. শামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল বলেন, এবিষয়ে আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আওয়ামীলীগ নেতা, ঠিকাদার, সরকারি কর্মকর্তা যেই হোক না কেন, স্বাস্থ্য খাতে সরকারি কাজে কোন অনিয়ম করলে ছাড় দেয়া হবে না।

শিবগঞ্জে করোনা আক্রান্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসণ

শিবগঞ্জে করোনা আক্রান্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসণ




শামিম উদ্দিন শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এক পরিবারের পাশে দাঁড়ালো উপজেলা প্রশাসন। সোমবার সকালে উপজেলার ধাইনগর এলাকার ঐ আক্রান্ত ব্যাক্তির বাড়ির পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুশল বিনিময় শেষে একমাসের খাবার হিসেবে চাল,ডাল,আটা ,তেল ও বিভিন্ন ধরনের ফল প্রদান করা হয়।এর আগে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে আক্রান্ত ব্যক্তির বিভিন্ন সমস্যা শোনার পর পরামর্শ প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল রাব্বি,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: সায়েরা খান, শিবগঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল হক সহ অন্যান্যরা।
প্রসঙ্গত: আক্রান্ত ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ই পি আই টেকনিশিয়ান পদে চাকরিরত অবস্থায় গত ৭ জুন নমুনা দেয়ার পর ১০ জুন করোনা পজিটিভ হয়েছেন।

উলিপুরে দুই করোনা রোগীর বাড়ি লকডাউন

উলিপুরে দুই করোনা রোগীর বাড়ি লকডাউন




 মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
উলিপুর উপজেলার উত্তর দলদলিয়ায় ঢাকা গাজীপুর থেকে করোনা পজেটিভ দুই জন রোগী বাড়িতে আসলে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আজ সোমবার দুপুরে তাদের বাড়িতে গিয়ে তাদেরকে হোম আইসোলেশনে রাখেন এবং তাদের বাড়ি দুটি লগডাউন ঘোষণা করেন ।

এ সময় উলিপুর উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃআব্দুল কাদের এবং উলিপুর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা করোনা যোদ্ধা ডাক্তার সুভাষ চন্দ্র সরকার ও  স্থানীয় স্বাস্থ্য সহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কুড়িগ্রামে পুলিশ সুপারের মাদক বিরোধী অভিযানে নাগেশ্বরীতে ২০ বোতল ফেনসিডিল সহ দম্পত্তি আটক

কুড়িগ্রামে পুলিশ সুপারের মাদক বিরোধী অভিযানে নাগেশ্বরীতে ২০ বোতল ফেনসিডিল সহ দম্পত্তি আটক



মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
পুলিশ সুপার কুড়িগ্রামের নির্দেশে গতকাল দিবাগত  মধ্যরাতে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী থানা অফিসার ইনচার্জ রওশন কবীরের নেতৃত্বে নাগেশ্বরী'র বখশীখামার এলাকার বল্লভপুর গ্রামের আঃ খালেকের  বাড়ির চতুর্দিক ঘিরে রাখে পুলিশ। এ সময় আঃ খালেকের পুত্র মোঃ আমজাদ হোসেন (৩৫) তার স্ত্রী মোছাঃ রোজিনা বেগম (২৯) সহ পলিথিনে  ফেনসিডিল ঘর থেকে বের করে পার্শের আবর্জনার স্তুপে গর্ত করে রাখার সময় পুলিশ তাদের হাতে নাতে আটক করে।
অভিযানে  পলিথিনে ২০ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই দম্পত্তি বেশকিছু দিন থেকে গোপনে মাদকসেবীদের কাছে ফেনসিডিল বিক্রি করে আসছিলো।
তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামে করোনায় সরকারের দেয়া এডিপির অর্থ হরিলুটের অভিযোগ

কুড়িগ্রামে করোনায় সরকারের দেয়া এডিপির অর্থ হরিলুটের অভিযোগ




  মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
করোনা দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের বার্ষিক উন্নয়ন প্রোগ্রাম (এডিপি)’র বরাদ্দকৃত অর্থ কুড়িগ্রামে হরিলুট হবার অভিযোগ উঠেছে। করোনা দুর্যোগে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিশ্চিত এবং মাঠ পর্যায় কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধিদের সুরক্ষার জন্য এই অর্থ বরাদ্দ দিলেও সেই সুবিধা থেকে অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

করোনা মহামারী দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে বার্ষিক উন্নয়ন প্রোগ্রাম (এডিপি)-র ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের কুড়িগ্রামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। এই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ইউএনও’র বিরুদ্ধে। করোনা দুর্যোগ চলাকালীন মানুষের সহায়তার জন্য সরকারের একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা একসঙ্গে আসার কারণেই এডিপি’র অর্থ হরিলুট করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ফুলবাড়ি উপজেলায় একটি পিপিই’র মূল্য ৫ হাজার ২৭০ টাকা এবং ৪ হাজার ২৫০ টাকা দেখানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি জীবাণুনাশক টানেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ টাকা। একই মানের পিপিই নাগেশ্বরী উপজেলায় সাড়ে তিন হাজার টাকা ক্রয় দেখানো হয়েছে। অথচ মাঠ পর্যায় কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিদের সুরক্ষার জন্য দেবার কথা থাকলেও এখনো অনেক কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিরা তা না পাওয়ার অভিযোগ করেন। তারা নিজ উদ্যোগে করোনা দুর্যোগে কাজ করছেন। আবার অনেকেই পিপিই পেলেও সেগুলো একদম নিম্ন মানের ২শ’-৩শ’ টাকা মূল্যের।

 

অপরদিকে রাজারহাট উপজেলায় এডিপির পুরো অর্থ ত্রাণ সামগ্রিতে ব্যয় করা হয়েছে। ত্রাণের প্যাকেটে দেখা যায়, স্টিমেট অনুযায়ী ৫৭টাকার ডিটল সাবানের পরিবর্তে ২২ টাকার এবং এক কেজি সেমাই ৫৮ টাকার পরিবর্তে ৩৫ টাকার দেয়া হয়েছে। এছাড়াও নিম্ন মানের চাল ও ডাল দেবার অভিযোগ রয়েছে।

এডিপি’র অর্থ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায়- ৬ লাখ এক হাজার টাকা, ভূরুঙ্গামারী- ৫ লাখ ৯১ হাজার টাকা, রাজিবপুর- ৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা, চিলমারী- ৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা, ফুলবাড়ি- ৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা, নাগেশ্বরী- ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা, রাজারহাট- ৪ লাখ ২ হাজার টাকা, রৌমারী- ৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং উলিপুর উপজেলায়- ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা। জেলার ৯টি উপজেলার ৩টি পৌরসভাসহ ৭৩ ইউনিয়নের করোনা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জীবাণুনাশক, ব্লিচিং পাউডার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লোবস, মাস্ক, এ্যান্টিসেপটিক সাবান, পিপিই এবং ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার জন্য এই অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। যা ১৫ জুলাই’র মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে।

রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম মঞ্জুসহ অনেকেই জানান, এডিপির অর্থে এসব বরাদ্দ আমরা জানি না। এখানে যে ত্রাণ সামগ্রি দেয়া হয়েছে তা সর্বোচ্চ ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকার হবে। এছাড়াও আমরা ওয়ার্ড ভিত্তিক যে তালিকা দেই সে অনুযায়ী ত্রাণ পাই না। চেয়ারম্যান কাছে গেলে তিনি বলেন বরাদ্দ থেকে ইউএনও স্যার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তাদের জন্য রেখে দেন। সে অনুযায়ী সকলের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব না।

রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ কর্মকার বলেন, এডিপি’র ত্রাণ সামগ্রির প্যাকেট কত টাকার সে বিষয় আমার জানা নেই।

তবে তিনি আরও বলেন, ইউএনও স্যার বিভিন্ন ত্রাণের চাল রেখে দিয়েছিলেন পরিষদে। সেগুলো কি করেছেন তা আমার জানা নেই।

নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াশী ইউপি চেয়ারম্যান এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ফোরামের সভাপতি আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, করোনা মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন হতে আমার ব্যবহারের জন্য একটি হ্যান্ড স্যানিটাইজার পেয়েছি। এছাড়া গ্লোবস, মাস্ক, পিপিই এগুলো কিছুই পাইনি।

ফুলবাড়ি উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মোসাব্বের আলী মুসা জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়া হয়েছে। একটি ওয়ান টাইম পিপিই দেয়া হয়েছে ২শ /৩শ টাকার হবে।

ফুলবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডাঃ শামসুন্নাহার জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০টি পিপিই পেয়েছে। এরমধ্যে সাবেক ইউএনও একটি তার কাছে রেখে দিয়েছেন। এছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি। তবে দুটি সংগঠন থেকেও কয়েকটি পিপিই পেয়েছেন বলে জানান।

ফুলবাড়ি উপজেলা প্রকৌশলী আসিফ জানান, আমরা শুধু স্টিমেট করে দেই। কিভাবে কোথা থেকে খরচ হয়েছে এটা ইউএনও এবং চেয়ারম্যান স্যার বলতে পারবেন। তবে তিনি পিপিই মূল্যের কথা স্বীকার করেন। এবং এগুলো উন্নত মানের হাসপাতালে ব্যবহারের জন্য দেয়া হয়েছে।

 

নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকৌশলী বাদশার কাছে এডিপি’র অর্থ খরচের স্টিমেট চাইলে তিনি বলেন, ইউএনও’র কাছে আছে আমার কাছে কোন কপি নেই।

 

নাগেশ্বরী উপজেলার ইউএনও নুর আহমেদ মাছুম বলেন, পিপিইসহ করোনা মোকাবেলায় সরঞ্জামাদি ক্রয় করা হয়েছে। কিছু ত্রাণ সামগ্রিও ক্রয় করা হয়েছে। দু প্রকার পিপিই ক্রয়ে একটিতে সাড়ে তিন হাজার এবং অপরটিতে দু’ হাজার ২শ টাকা হবে আনুমানিক। স্টিমেট দেখতে চাইলে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীকে দেখাতে বললে উপজেলা প্রকৌশলী বাদশা স্টিমেট এখনো কমপ্লিট করা হয়নি বলে সেখানে জানান।

 

রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যোবায়ের হোসেন অনিয়মের কথা অস্বীকার করে বলেন, এডিপি’র বরাদ্দের টাকা পুরোটাই ত্রাণ বিতরণে ব্যয় করা হয়েছে। স্টিমেট অনুযায়ী সব কিছুই হয়েছে দাবী তার।

 

সদ্য যোগদানকৃত ফুলবাড়ি উপজেলার ইউএনও তৌহিদুর রহমান বলেন, এডিপির অর্থ সম্পর্কে কিছু না জানলেও তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানোর আশ্বাস দেন।

ঝিনাইদহে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৬ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা আদায়।

ঝিনাইদহে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৬ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা আদায়।





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 



ঝিনাইদহে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫২ জনকে 
২৬ হাজার ৫শ’ টাকা জরিমানা
করোনা ভাইরাস বিধি লঙ্ঘনে দায়ে ১৫ জুন সোমবার সকালে 

করোনার ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব না মানা ও মাস্ক ব্যবহার না করা, সসময় বিনা কারণে বাইরে ঘোরাঘুরি করা এবং নির্দিষ্ট সময়ের পর ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অপরাধে ঝিনাইদহে  ৫২ জনকে ২৬ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথের নির্দ্দেশনায় করোনার সংক্রমন রোধে জেলা ব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হচ্ছে।

ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত সাতক্ষীরার উপকূল রক্ষার দাবিতে নাগরিক কমিটির মানববন্ধন

ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত সাতক্ষীরার উপকূল রক্ষার দাবিতে নাগরিক কমিটির মানববন্ধন





আজহারুল ইসলাম সাদী, সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, নদীর বাঁধ ভাঙা, লবনাক্ততা ও জলাবদ্ধতায় বিপন্ন উপকূলীয় এলাকার মানুষকে রক্ষার দাবীতে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ।
এলক্ষে আজ সোমবার ১৫ জুন-২০২০ বেলা ১১টার সময় সাতক্ষীরা কালেকটরেট চত্বরে এক বিশাল মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উক্ত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
উক্ত মানববন্ধনে জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক মোঃ আনিসুর রহিম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,
অধ্যাপক আবু আহমেদ, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, মমতাজ আহমেদ বাপী, এড. শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, সুধাংশু শেখর সরকার, আবুল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক আব্দুল বারী, সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, এড. খগেন্দ্র নাথ ঘোষ, এড. আল মাহমুদ পলাশ, প্রভাষক তপন কুমার শীল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ঝড়-জলোচ্ছাস ছাড়াও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার মানুষ নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হওয়া, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা সমস্যার সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে আসছে।
২০০৯ সালের ২৫ মে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আয়লার পর ২০১০ সালের ২৩ জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও খুলনার কয়রা এলাকা পরিদর্শূন করেন। তিনি দুর্গত মানুষের প্রতি সহমর্মিতা জানান। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং বাঁধ কেটে, পাইপ ঢুকিয়ে এলাকার লোনা পানি তোলা বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কিন্তু সমন্বয়হীনতা ও দুর্ণীতির কারনে দীর্ঘ ১১ বছরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ভারতের চেয়ে কম গতিতে বাংলাদেশে আঘাত হানলেও বেড়িবাঁধের ক্ষতি ভারতের চেয়ে বাংলাদেশেই বেশি হয়েছে।
সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকাকে দুর্যোগ প্রবন এলাকা হিসেবে ঘোষণা, এলাকার উন্নয়নে পর্যাপ্ত বরাদ্দসহ বিভিন্ন দাবী-দাওয়া পেশ করা হয় এবং দাবী সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগকে মাথায় রেখে স্থায়ী, মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ পুন:নির্মাণ, বাঁধের নদীর সাইটে পর্যাপ্ত জায়গা রাখা এবং লোকালয় সাইটে বেড়িবাঁধকে চিংড়ি ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করাসহ নদীর চর, বেড়িবাঁধ ও ঘেরের বাঁধের মধ্যবর্তি স্থানে বৃক্ষরোপন করা।
যেসব স্থানে বারবার বাঁধ ভাঙছে সেইসব স্থান চিহ্নিত করে সেখানে ব্লকের মাধ্যমে কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব জমি না থাকলে ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি অধিগ্রহণ করা। বাঁধের নিচে ১০০ ফুট এবং সেই অনুপাতে উচ্চতা ও উপরে চওড়া করা। বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জরুরী তহবিল গঠন ও বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করা। বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে সবধরণের দুর্নীতি বন্ধ করা।
এ বছর বর্ষা মৌসুমে সাতক্ষীরা শহরসহ পাশ্ববর্তী এলাকায় যাতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয় সেজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি-ঘর নির্মাণে সরকারী সহায়তা দ্রুত প্রদান ও চিংড়িসহ অন্যান্য ফসল ও আমসহ মৌসুমি ফলের ক্ষয়ক্ষতির শিকার চাষিদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান দ্রুত সংস্কার করা।
প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রেরণকৃত স্মারকলিপিতে করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া জেলার লাখ লাখ মানুষের মাঝে ইতোমধ্যে সরকারীভাবে যে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় পর্যাপ্ত রেশন কার্ডের মাধ্যমে নিয়মিত পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণ করা, করোনা পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরার সরকারী হাসপাতালে অন্যান্য রোগের চিকিৎসা কার্যক্রম আরো জোরদার করা এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপন সহ জেলা নাগরিক কমিটির সকল দাবি অনতিবিলম্বে মেনে নিয়ে দুর্গত পীড়িত জনসাধারণের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জোর দাবি জানানো হয়।

সিরাজগঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ২৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত

সিরাজগঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ২৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত
 



মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ গত ২৪ ঘন্টায় আরো ২৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২১১ জনে।
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (পিসিআর) ল্যাব থেকে ৯৪ জনের নমুনার ফলাফল পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৯ জনের করোনা পজিটিভ এবং অন্য ৬৫ জনের নেগেটিভ ফলাফল আসে।
আজ জেলায় আক্রান্তদের মধ্যে বেলকুচিতে  ২৪জন এবং উল্লাপাড়ার ৫ জন রয়েছেন।
জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের ২১১ জনের মাঝে বেলকুচিতে ৭৫জন, সিরাজগঞ্জ সদরের ৪৯জন, রায়গঞ্জের ২১জন, চৌহালীর ১৯জন, শাহজাদপুরের ১৫জন, উল্লাপাড়ার ১১ জন, কাজিপুরের ৯জন, তাড়াশের ৭জন এবং কামারখন্দের ৫ জন।

মাধবপুরে করোনায় থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীরা

মাধবপুরে করোনায় থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীরা





লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর এলাকায় মাদক কারবার বন্ধ নেই, করোনা ভাইরাসের চলমান সংকটের সময়েও। অতীতের চেয়ে রেকর্ড ভেঙে চলছে মাদকের জমজমাট ব্যবসা। মাদক কারবারিরা ধর্মঘর মনতলা রোডের বিভিন্ন পয়েন্টে লোক নিয়োগ করে রেখেছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর 
অবস্থান মাদক বিক্রেতাদের কাছে।

মোবাইল ফোনে পৌঁছে দেয়।
ধর্মঘর এলাকার দায়িত্বে রয়েছে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ি। বর্তমানে এখানে পর্যাপ্ত জনবলও রয়েছে। একজন পরিদর্শক, দুজন এসআই, দুজন এএসআই, একজন এটিএসআই। অন্যদিকে ধর্মঘর এলাকার মালনঞ্চপরে রয়েছে একটি বিজিবি ক্যাম্প মাঝে, মাঝে মাদকের চালান আটক করা হলেও 

মাদকের গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায়। মাদকের মূল গডফাদারদের আটক না করার কারণেই মাদকের কারবার প্রতিদিন বেড়েই চলছে। এলাকার জনমনে নানা রকম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মাঝে মাঝে মাদকের চালান আটক হলেও আসামি পাওয়া যায়নি বলে মাদকদ্রব্যকে পরিত্যক্ত দেখানো হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে,

মাধকের কোনো তথ্য দেয়া হলে তা পৌঁছে যায় মাদক কারবারিদের কাছে, এমন অভিযোগ এলাকার অনেকের।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইকবাল হোসেনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মাদকের গডফাদারদের তালিকা সংগ্রহ করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করব ধর্মঘর বিজিবি।

ক্যাম্প কমান্ডার আবু বক্কর বলেন আমি, নতুন যোগদান করেছি। মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি। মাদক বৃদ্ধি পেয়েছে শুনেছি, আমি ব্যবস্থা নেবো। মাদকের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোরশেদ আলম জানান, মাদক জোন ধর্মঘরের দায়িত্ব দিয়েছেন এসআই কামরুল ইসলামকে।

 ওসি সাহেব, আমার দায়িত্ব নয়, আমি মাঝে মাঝে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুরোধ দেখি। ধর্মঘর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মামুনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যারা মাদক ব্যবসা করে আমরা জানি, আমাদের জন্য একটু সমস্য, কারণ আমরা জনপ্রতিনিধি।

দিনাজপুরে চিকিৎসকসহ নতুন ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত জেলায় মোট আক্রান্ত ৪১২ জন

দিনাজপুরে চিকিৎসকসহ নতুন  ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত  জেলায় মোট আক্রান্ত ৪১২ জন





দিনাজপুর প্রতিনিধি : নতুন আরও ১৪ জন করোনা (কোভিড-১৯) পজিটিভসহ জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪১২ জন। সুস্থ্য হয়েছে ১৫৮ এবং মুত্যুবরন করেছে ৬ জন। 
দিনাজপুর জেলায় (কোভিড-১৯) পজিটিভ সংখ্যা সর্বমোট পূর্বে ৩৯৮ + ১৪ (বর্তমানে) = ৪১২ জন এর মধ্যে ২৯৭ জন পুরুষ ও ৯৭ জন মহিলা এবং ১৮ জন শিশু।
রবিবার রাত ৯ টায় সিভিল সাজর্ন মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ জানান, একজন চিকিতসকসহ দিনাজপুরে নতুন আরো ১৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে দিনাজপুর সদরে ৭ জন পৗর বাস টারমিনাল এলাকায় ১ জন পুরুষ (৫৪), সদরে ৪ নং শেখপুরা এলাকায় ১ জন মহিলা (৬৫), পৌর এলাকায় কালিতলাতে ১জন পুরুষ (৩৫), ৫ নং নিউটাউন এলাকায় ১ জন পুরুষ (২৪), আর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত পুরুষ চিকিৎসক (৩২), এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ২ জন পুরুষের বয়স ৫৮ ও ২৭, সদর পাঁচবাড়ীতে ১ জন পুরুষ (৩২), চিরিরবন্দর উপজেলায় ১ জন পুরুষ (৬৫), বিরামপুর উপজেলায় ১ জন পুরুষ (৩৪), ফুলবাড়ী উপজেলা ১ জন পুরুষ (৭২), বিরল উপজেলায় ২ জন এর মধ্যে ১ জন মহিলা (২০) ও ১ জন শিশু (৩) এবং বোচাগঞ্জ উপজেলায় ২ জন এর মধ্যে পুরুষ (৫৫)  ও মহিলা (৪৫) করোনা আক্রান্ত হয়েছে।
বর্তমানে ২০৮ জন হোম আইসোলেশনে এবং ২৭ জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ও হাসপাতালে ভর্তি ১৩ জন রয়েছে। বর্তমানে মৃত্যু বরন করেছেন ৬ জন।
বর্তমানে মোট ১৫৮ জন সুস্থ হয়েছেন তার মধ্যে সদরে-৩৫ জন, খানসামা-৬ জন, ফুলবাড়ী-৭ জন, নবাবগঞ্জ-১২ জন, পার্বতীপুর-১৮ জন, কাহারোল-১০ জন, হাকিমপুর-২ জন, বোঁচাগঞ্জ-৮ জন, ঘোড়াঘাট-১৯ জন, বিরামপুর-৩ জন, বিরল-২৫ জন, চিরিরবন্দর-৩ জন এবং বীরগঞ্জ-১২ জন।
গত ২৪ ঘন্টায় দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ল্যাবরেটরীতে প্রেরিত নমুনা ১০৩টি পাঠানো হয়েছে।
গতকাল দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ল্যাব থেকে ১০১ জনের নমুনার ফলাফলের মধ্যে নতুন ১৪ জনের করোনা (কোভিড-১৯) পজিটিভ আর ১টি ফলোআপ পজিটিভ এবং বাকী ৮৬টির ফলাফল নেগেটিভ। অদ্যাবধি ল্যাবটেরিতে প্রেরিত নমুনার সংখ্যা ৫৩০০ টি আর অদ্যবধি ফলাফল এসেছে ৪৮৬৯ টি নমুনার।
সর্ব মোট ৪১২ জন ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর মধ্যে (দিনাজপুর সদর-১২৬ জন, কাহারোল-১৩ জন, বোঁচাগঞ্জ-১৩ জন, ফুলবাড়ী-১৫ জন, পার্বতীপুর-৩৪ জন, নবাবগঞ্জ-২৫ জন, ঘোড়াঘাট-৩১ জন, হাকিমপুর-৫ জন, চিরিরবন্দর-৩৭ জন, বিরল-৩৯ জন, বিরামপুর-৩৩ জন, বীরগঞ্জ-১৯ জন ও খানাসামা-২২ জন) মোট ১৩টি উপজেলায়। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে দিনাজপুর জেলায় ১৪২ জন হোম কোয়ারেন্টাইন গ্রহন করেছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ২৫৫৪ জন।
উল্লেখ্য, গতকাল দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চার জেলার সর্বমোট ১৮৮টি নমুনার ফলাফল হয়েছে তার মধ্যে ২৫ টি পজিটিভ, আর ২ টি ফলোআপ পজিটিভ, ১টি ইনভেলিড এবং বাকী ১৬০টি ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।

সিরাজগঞ্জে নাসিমের মৃত্যতে রতনকান্দিতে তার আত্নার মাগফিরাত কামনা ও মাস ব্যাপি নানান কর্মসূচী ঘোষণা

সিরাজগঞ্জে নাসিমের মৃত্যতে রতনকান্দিতে তার আত্নার মাগফিরাত কামনা ও মাস ব্যাপি নানান কর্মসূচী  ঘোষণা
  



মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে সদ্য প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান নেতা মোহাম্মদ নাসিম এমপি’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছে রতনকান্দির ইউনিয়ের আওয়ামী সহযোগী সংগঠের নৃএী বৃন্দ। সিমান্ত বাজার দলিয় কার্যালয়ে সোমবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে মহান নেতার বিদেহী আত্মার এই শাক্তি কামনা দোয়া করা হয়।
 এসময় উপস্তিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদ্যস গোলাম রব্বানী তালুকদার,রতন কান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম জুরান,রফিকুল ইসলাম মাষ্টার,শাহাআলম মাষ্টার,বিপল্প হোসেন,ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ আসলাম উদ্দিন, দোয়া ও মোনাজাত করান মাওলানা মোঃ জহুরুল ইসলাম।  ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ ভুট্টু,  ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সস্পাদক সাজেদুল ইসলাম আবির,ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহেল রানা, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আঃ আলিম খাঁন সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম বাবু সহ ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ  । এ
 সময় তারা বলেন, মহান এই নেতার মৃত্যুতে আমরা সবাই মর্মাহত ও গভীরভাবে শোকাহত আমার এক মাস ব্যাপি বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় দোয়ার আয়োজন করবো যেন আল্লাহ এই প্রিয় নেতাকে জান্নাত নসিব করেন

করোনায় আক্রান্ত হলে করণীয় গুলো দ্রুত জেনে নিন

করোনায় আক্রান্ত হলে করণীয়  গুলো দ্রুত জেনে নিন





রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।

করোনা ভাইরাস অদৃশ্য এক মহামারী আমাদের একটু অসচেতনতায় আক্রমণ করে আমাদেরকে।তাই এই মহামারীতে আক্রান্ত হলে করণীয় গুলো হলো।

নিজের মনোবল শক্ত রাখুন। নিজের মধ্যে সাহস রেখে পরিবারকে সাহস দিন। হাশি খুশিতে নিজেকে উপভোগ করবেন। অনলাইনে সবার সাথে স্বাভাবিক মনে যোগাযোগ করবেন।

এই সময় হতাশ থেকে দূরে থাকতে হবে। শরীর সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। কাউকে বুজতে দিবেন না যে আপনি করোনায় আক্রান্ত। এবং নিজেই নিজেকে আলাদা রাখবেন।

গরম পানি ও রং চা নিয়মিত পান করবেন। লবন , আদা, লং , দারুচিনি, কালোজিরা পুদিনা পাতা দিয়ে স্পেশাল রং চা বানিয়ে পান করবেন। গলা কখনো শুকনো হতে দেবেন না। প্রয়োজনে ফ্লাক্স ভর্তি করে রাখবেন। 

জ্বরআসলে বেশি গোসল না করে সাবান বা স্যাভলন দিয়ে সমস্থ শরীর ভালোভাবে মুছে নিবেন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে জ্বরের ঔষধ খাবেন। মেডিকেলে না যাওয়া শ্রেয়।

সর্দি থাকলে গরম পানির ভাপ নেবেন নাকে ঠিক সর্দি নরম হওয়া পর্যন্ত। পারলে গরম তেলে হালকা রসুন দিয়ে ঘ্রাণ নেবেন । আলহামদুলিল্লাহ প্রচুর হাঁচি হবে তখন। এরপর অল্প সময়ে সর্দি সেরে যাবে।

গলা ব্যথা থাকলে লেবুর রস হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে খাবেন।  পানি কিন্তু  প্রচুর পরিমাণ  পান করবেন কোন অলসতা করবেন না , প্রয়োজন ছাড়াও পান করবেন।  জ্বর থাকলে হলুদ থাকবে প্রস্রাব তবুও পানি বেশি পান করবেন । ইনশায়াল্লাহ ২৪ ঘন্টায় প্রস্রাব পরিস্কার  হয়ে যাবে।

মাথা  ঘাড়ে ব্যথা থাকবে ভগলে হাতের পেশীতেও  থাকবে।  মানসিক দুর্বল হয়ে অলস ভাবে শুয়ে থাকবেন না। হাত-পা  সঞ্চালন করবেন ব্যায়ামের মতো। শরীরকে ঘামাতে চেষ্টা করবেন তখন অতিরিক্ত টকসিন বের হয়ে যাবে ঘামের সাথে। সে সময় ক্ষুদামন্দ স্বাদহীনভাব ও বমি বমি ভাব কমে যাবে। ব্যায়াম করলে পানির পিপাসা ও ক্ষুদা  বাডবে। ব্যায়াম আপনার শরীরের রক্ষণ ক্ষমতা অনুযারী করবেন।

জ্বর কমে যাওয়ার পর ব্যথা বিষন্নতা লাগবে পাতলা পায়খানাও হতে পারে। মনোবল হারাবেন না স্যালাইন খাবেন এবং রং চা, লবন,আদা, কালোজিরা, লেবু নিয়মিত খেয়ে যাবেন।

 এসি বা অতিবাতাস যাতে করে বুকে এবং নাকে প্রবেশ  না করে  সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

বিকস বা মাথা ব্যাথার মলম কপালে ও নাকের সামনে হালকা করে লাগাবেন। নিয়মিত হ্যাক্সিজল ও স্যানিটাইজার ব্যাবহার করবেন এবং হাত মুখ সবসময় পরিস্কার  রাখবেন। 
জামা একটা ধোয়া ব্যাতিত দ্বিতীয়বার গায়ে দেবেন না।

বিশেষ করে হার্টের রোগী ও ডায়বেটিস রোগীরা শংকায় থাকেন।  তাদের প্রতি অবিশ্যই মেডিকেল  চিকিৎসা করাতে হবে।

মাএ ১মাস ১৫ দিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেন।তাকে জিজ্ঞাসা করে যানা যায়। উক্ত প্রক্রিয়া গুলো সে করোনা আক্রান্তের সময় প্রতিনিয়ত করে যেতেন।
গোলমরিচ ১০পিস, লেবু ১পিস , লং ১০পিস, দারচিনি পরিমানমত, আদা ১০০ গ্রাম,  পানি ১লিটার পানি,  
এসব দিয়ে ভালো ভাবে চুলায় জাল দিবেন এর কিছুক্ষন পর দেখবেন ফুটন্ত  পানি থেকে বাষ্পাকারে ধুঁয়া বাহির হবে।

এবার আপনি একটা কাপড় নিয়ে মাথায় ঢাকনা দিয়ে ওই গরম পানির ধুঁয়াগুলো  নিঃশ্বাসের সাথে সাথে টানতে থাকুন এবং ১ঘন্টা পর পর পুনরায় গরম দেয়া পানি চায়ের মত খেতে থাকুন এই পক্রিয়াটা দৈনিক কয়েকবার চালিয়ে যান,দেখবেন করোনা থেকে খুব শীঘ্রই মুক্তি মেলবে ।

পানিসারার কৃষ্ণচন্দ্রপুরের রাস্তাটির বেহাল দশা, দেখার কেউ নেই

পানিসারার কৃষ্ণচন্দ্রপুরের রাস্তাটির বেহাল দশা, দেখার কেউ নেই






মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, 
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার অন্তর্গত পানিসারা ইউনিয়নের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের একটি মাত্র প্রাধান সড়কের বেহাল অবস্থা। জানা গেছে, কৃষ্ণচন্দ্রপুরের এই সড়কে প্রতিনিয়ত ৪০০-৫০০ মানুষের যাতায়াত। পাশাপাশি তিনটা গ্রামেরও প্রধান সড়ক এটি। এছাড়াও গ্রামের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতেরও অন্যতম মাধ্যম কৃষ্ণচন্দ্রপুরের সড়ক। বর্ষার মৌসুমে সড়কে যাতায়াতে গ্রামের সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। পুরো বর্ষা জুড়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকতে হয় গ্রামবাসীর।

জনপ্রতিনিধি ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নিকট গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে তারা আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তারা যেন এই সড়কটির দ্রুত সংস্কার কার্য সম্পাদন করেন এবং গ্রামবাসীর ভোগান্তির অবসান ঘটান।

ঝিনাইদহে আরো ৮ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত

ঝিনাইদহে আরো ৮ জন নতুন করে  করোনা আক্রান্ত
 




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 


ঝিনাইদহে নতুন করে আরো ০৮ জন করোনা পজেটিভ, এনিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা 
দাঁড়ালো ১০১ জনে
তারিখ  :১৫-৬-২০২০

মোট প্রাপ্ত #ফলাফলের সংখ্যা ১২৮৮+৩২=১৩২০
#নেগেটিভ_১২১৯
#পজিটিভ_১০১

#উপজেলা_ভিত্তিক_আক্রান্তের_মোট_সংখ্যা 
#সদর_২২+(#নতুন২)=২৪
#শৈলকূপা_১৭
#হরিনাকুন্ডু_৮+(#নতুন১) =৯
#কালীগঞ্জ-২৩+(#নতুন৪) =২৭
#কোটচাদপুর_১৮
#মহেশপুর_৫+(#নতুন১)=৬

#মোট_মৃত্যুর_সংখ্যা_০১
(#শৈলকূপা) 

তথ্য সুত্র : ডাঃ সেলিনা বেগম, সিভিল সার্জন, ঝিনাইদহ ।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ







প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ 
গত ১৪ জুন আমাকে জড়িয়ে ঝিকরগাছা,

যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ পোর্টালে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি । সুত্রমতে গত ১৪ জুন রবিবার " চাঁদপুরে কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ৮ বছর আগে বিয়ে করার অভিযোগ" শিরোনামে যে সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আমাকে রাজনৈতিক ভাবে ও সামাজিক ভাবে সমাজ ও দেশের কাছে হেয় করার জন্য সাংবাদিকের কাছে এই ষড়যন্ত্র মুলক সংবাদটি প্রেরণ করা হয়েছে। আমি এহেন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সুষ্ঠু ধারার রাজনৈতি চালিয়ে যেতে পারি তার জন্য কচুয়া উপজেলা বাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। 
প্রতিবাদ দাতা 
মোঃ সালাহউদ্দিন সরকার, 
পিতা মোঃ আলী আজগর, 
আহ্বায়ক
 কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগ,চাঁদপুর।

স্বাগত হে বর্ষা

স্বাগত হে বর্ষা





মোঃকাউসার আলী,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।

কবিগুরুর ভাষায়-"আবার এসেছে আষাঢ় আকাশও ছেয়ে/আসে বৃষ্টিরও সুবাস বাতাসও বেয়ে।"
বৃষ্টিস্নাত সজীবতার রুপ নিয়ে হাজির কদমের ঋতু বর্ষা।আজ পহেলা আষাঢ়।প্রত্যেক বছর বাঙালিরা এই দিনটিকে বরণ করে নেয় বৃষ্টির গান,কবিতা,নাটক,আবৃত্তি দিয়ে।রমনীরা এই দিনটিকে বরণ করে নেওয়ার জন্য নীল শাড়ি পরে প্রকৃতির নীল রংয়ের সাথে মিশে একাকার হয়ে যায়।কিন্তু এ বছর করোনার করাল গ্রাসে সবই স্তব্ধ।নেই বর্ষাকে বরণ করার তোড় আছে করোনার হাত থেকে বাঁচার জোর চেষ্টা।সারাদেশের মানুষ এখন মহাব্যস্ত করোনাকে মানিয়ে নিতে।কিন্তু তাই বলে কি বর্ষা থেমে থাকবে?বর্ষা তার আপন নিয়মেই চলে এসেছে।বর্ষা শুধুমাত্র বাঙালির ঋতু।বর্ষার পূর্বাভাসে গাছে গাছে  ফুটতে শুরু করে কদম ফুল।কিন্তু আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে এর কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা যায়।তাই কবির মতো আমিও বলতে চাই--"বৃষ্টি ঝরুক আর নাই ঝরুক/কদম ফুটুক আর নাই ফুটুক বর্ষা এসে গেছে।"কদম ফুলকে বলা হয় বর্ষার দূত।সাধারণত আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টিতে কদম ফোটে।কদম বর্ণে,গন্ধে,সৌন্দর্যে এদেশের রুপসী তরুর অন্যতম।বৃষ্টির সাথে কদমের ভালবাসা খুবই নিবিড়।অথচ ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে সেই কদম ফুল।এক সময় কদম ফুল ছাড়া গ্রাম কল্পনা করা যেত না কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার মোহে আজ সেটা হারিয়ে যাচ্ছে।
বর্ষা মনকে আন্দোলিত করে তোলে।তাইতো বর্ষার চিত্ত বাসনা প্রকাশ করে কবিগুরু লিখেছেন--"হৃদয় আমার নাচে রে ময়ুরের মতো নাচে রে....।" ময়ুরের মতোই বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজে কাটে বাঙালির শৈশব।স্কুলে যাওয়ার সময় কিংবা ফেরার  সময় পথে দুরন্ত কিশোর কিশোরিরা আনন্দে মাখে বৃষ্টির ফোটা।আর যত্ন করে ব্যাগে ভরে রাখে প্রিয় রঙিন ছাতাটা।তুমুল বৃষ্টিতে গাঁয়ের ছেলেরা নেমে পড়ে ফুটবল নিয়ে।বর্ষার এতই রুপ!
মানুষের মনে এক অদ্ভুত শিহরণ জাগায় বর্ষা।বর্ষা প্রেমের বোধকে উসকে দেয়।তাই কবিগুরু লিখেছেন--"তুমি যদিনা দাও দেখা/কর আমায় হেলা/কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল বেলা?"একই অনুভূতি নিয়ে কবি নজরুল লিখেছেন--"রিম ঝিম্ ঝিম্ ঝরে শাওন ধারা/গৃহকোণে একা আমি ঘুমহারা।"
আসলে বর্ষা মানুষের মনকে চনমনে করে তোলে।কিন্তু বর্তমানে সব কিছুই অতীত।ছেলে মেয়েরা এখন ঘরের কোণে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত।তাদের কাছে বর্ষা মানেই সবকিছুর ছুটি এবং মোবাইল নিয়ে গেমস্ খেলা অথবা অনলাইন দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া।কোনো কিছুই আর আগের মত নেই।তাই,বর্ষা গোপনে তোমাকে জানাই শুভেচ্ছা।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কষ্টে জীবন যাপন করছেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কষ্টে জীবন যাপন করছেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক





মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি:


করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের প্রার্দুভাব দিন-দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে সেই সাথে মৃত্যু ও সরকারের পক্ষ থেকে সকল পেশার মানুষকে ঘরে থাকার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে । সেই সাথে দীর্ঘ হচ্ছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ । এতে করে সরকারের অনুদান প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিপাকে না পড়লে ও ,বিপাকে পড়েছে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ও ঐসব বিদ্যালয়ের কমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা  এতে করে চরম অর্থ সংকটে পড়েছেন শিক্ষক ও অসহায় ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকরা । তারাও তাদের ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছে । এতে করে প্রাথমিক শিক্ষার হার ঝড়ে পড়বে বলে অশাঙ্কা করছে । এদিকে নন-এমপি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এককালীন প্রণোদনা জন্য শিক্ষকদের তথ্য নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত প্রণোদনা বা আর্থিক সহায়তায় , ব্যবস্থা না হওয়ায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকরা ।বেতন ভাতা না থাকায় জীবন-যাপনের জন্য এই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা পাঠদান শেষে বিভিন্ন ক্ষুদ্র কাজে কর্মরত ছিলো । করোনা ভাইরাসের কারণে তাও বন্ধ ।কর্মহীন হয়ে পড়ায় স্ত্রী সন্তান মা বাবা পরিবার-পরিজন নিয়ে মহা -বিপদে আছেন তারা এমনকি অনেক শিক্ষকের পরিবারে ঈদের ছোঁয়া লাগেনি এবার ।যেখানে বেসরকারি শিক্ষকদের নুন আনতে পানতা ফুরায় সেখানে দীর্ঘ-দিন কর্ম না থাকায় অর্ধাহারে – অনাহার ঘরে থাকতে হচ্ছে তাদের।

এমন তো অবস্থায় আবদুল হামিদ স্যার কপোতাক্ষ নিউজে জানান: 
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী:
আপনি মানবতার মা । এই দেশের প্রাথমিক শিক্ষার জন্য আপনি ও আপনার পরিবারের যে ত্যাগের নজির রয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল । দেশের মানুষকে ভালো রাখতে দিন-রাত চেষ্টা করে যাচ্ছেন ।দেশের সবচে বেশি পরিশ্রমী মানুষ এখন আপনি । করোনা মোকাবেলায় আপনার উদ্যোগ শ্রম ও তৎপরতা বিশ্বে প্রশংসিত ।

এই সংকট-কালে ৫০ লক্ষ মানুষের মধ্যে মানবিক সহায়তা ও নানা খাতে প্রণোদনা ঘোষণা করে ইতোমধ্যেই আপনি সংকটাপন্ন মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন । একজন উদার , মানবিক, জন-দরদি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রশংসা কুড়িয়েছেন ।

এই সংকটকালে দেশের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে শিক্ষাখাত । বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষা । প্রাথমিক শিক্ষা , শিক্ষার মুলভিত্তি হলে ও ২০১৩ সনে জাতীয়করণ কালীন পরিসংখ্যান ভুলের কারণে অল্প সংখ্যক বিদ্যালয় জাতীয়করণের বাহিরে । প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি অংশ সরকারি বেতন ভাতা পেলেও আর একটি অংশের কপালে জোটেনি বেতন ভাতা । করোনা সংকটে ও জোটেনি প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা । এমতাবস্থায় ২০২০-২১অর্থ বছরে এই বিদ্যালয়গুলোর জাতীয়করণের অর্থ বরাদ্দ রেখে ।জরুরি ভিত্তিতে এই শিক্ষকদের বেতন ভাতা ও প্রণোদনার সবিনয় অনুরোধ করছি ।

কয়রার উত্তর বেদকাশীর রত্নারঘেরিতে মানব কল্যান ইউনিটের ত্রান বিতরণ

কয়রার উত্তর বেদকাশীর রত্নারঘেরিতে মানব কল্যান ইউনিটের ত্রান বিতরণ





মোহাঃ ফরহাদ হোসেন কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ 
খুলনার কয়রা উপজেলায়,
আম্পানে আঘাতে নদী ভাঙ্গনে পানি বন্ধী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে গিভ বাংলাদেশ প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন, বন্ধু ফাউন্ডেশন অফ বাংলাদেশ, বিকন। ,কয়রা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানব কল্যাণ ইউনিট এর সার্বিক সহযোগীতায় 

 ত্রাণ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে উপকূলীয় চরাঞ্চলসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায়। তারই ধারাবাহিকতায়,গত শনিবার ও ১৪ জুন রবিবার উপজেলার উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নে রত্নাঘেরি আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্ধী ৫০ টি পরিবারের ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করেছে তারা। এসময় প্রতি পরিবারকে চাল ৭ কেজি, ডাল ১কেজি, লবণ ৫০০ গ্রাম, তেল ১ কেজি, আলু ২.৫ কেজি, চিড়া ১ কেজি, চিনি ১.৫০০ কেজি, মোমবাতি ২টাসহ খাবার স্যালাইন ও গ্যাসলাইট প্রদান করে তারা।

মানব কল্যাণ ইউনিটের এমন মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বানভাসি মানুষের পাশে সকল স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন উপজেলার সচেতন মহলসহ সাধারন মানুষ । এ ব্যাপারে সংগঠনটির সভাপতি আল আমিন ফরহাদ বলেন,আম্ফানে আমাদের এলাকার মানুষের বেহাল দশা হয়েছে ।

ক্ষতি কম বেশি সবার হয়েছে। তার যতটুকু পারি আমরা করছি এবং করবো। ইতিমধ্যে আমরা কয়েক শ পরিবারের মাঝে খাদ্য পৌছে দিয়েছি, বাধ মেরামতে কাজ করা শ্রমিকদের ভিতর ৩০০ কেজি চিড়া ও ১০০ কেজি মিষ্টি বিতরণ করেছি।তিনি আরও বলেন একজনের দুঃখ কষ্টে অন্যজনের বিচলিত হয়ে উঠা মানব চরিত্রের উৎকৃষ্ট বৈশিষ্ট্য। তাই বরাবরের মত এবারও আমরা অসহায়, বানভাসি মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছি। ভবিষ্যতেও আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ইনশাল্লাহ

মাধবপুরে ১২ বছর ধরে বন্ধ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরের এক্স-রে মেশিন,

মাধবপুরে ১২ বছর ধরে বন্ধ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরের এক্স-রে মেশিন,




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কয়েক লক্ষ্য মানুষের সরকারি চিকিৎসার একমাত্র স্থান ‘মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এ উপজেলার মানুষের সঠিক চিকিৎসার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি এক্স-রে মেশিন দেয়া হলেও এখন এটি কেবল শোভাবর্ধন কিংবা এক্স-রে মেশিন আছে কথাতেই সীমাবদ্ধ। ১২ বছর ধরে তালা বদ্ধ কক্ষে পড়ে আছে এক্স-রে মেশিন।

মেশিন থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তা লাগছে, না মানুষের কোন কাজে। বরং নিজ খরচে উপজেলার বিভিন্ন প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারেই করাতে হয় এক্স-রে। এমনকি দীর্ঘদিন মেশিনটি বন্ধ থাকার কারণে বিকল হওয়ার শংকাও দেখা দিয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছেন জনবল সংকটের কারণে মেশিনটি বন্ধ আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলায় সরকারি হাসপাতালের স্থাপিত এক্স-রে মেশিনের মাধ্যমে রোগীরা নামমাত্র সরকারি ফি প্রদান করে এক্স-রে করানোর কথা থাকলেও এখন প্রাইভেট ভাবে অতিরিক্ত মূল্যে এক্স-রে করাতে হয়। সরকারি হাসপাতালের মেশিনটি বন্ধ থাকায় উপজেলায় বেঙের ছাতার মত গড়ে উঠা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে। বিকল্প কোন পথ না থাকায় অনেকটা অসহায় হয়েই জনসাধারণরা প্রাইভেট ভাবেই করাতে হয় এক্স-রে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, ১৯৯৭-৯৮ দিকে ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে আনা হয়েছিল অ্যানালগ মডেলের এক্স-রে মেশিনটি। স্থাপন করে কিছু দিন চালানো হয়েছিল মেশিনটি। তবে ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বন্ধ।

সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন, থাকলেও রেডিওগ্রাফার, পদে মেশিনটি চালানোর মানুষ না থাকায় ১২ বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে মেশিনটি। কর্তৃপক্ষ বলছেন মেশিনটি চালানোর জন্য গত ১১ বছর ধরে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একজন রেডিওগ্রাফার চাওয়া হয়েছে। কিন্তু কবে একজন টেকনিশিয়ান দেওয়া হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.এইচ.এম ইশতিয়াক মামুন জানান, এক্স-রে মেশিনটি ২০০৮ সাল থেকে তালা বদ্ধ কক্ষে পড়ে আছে। মেশিনটি সচল রাখতে বছরে দুই তিনবার চালু করা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় বেশ কয়েকবার আবেদন করা হয়েছে। মেশিনটি চালানোর জন্য দক্ষ লোক চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দেওয়া হলেও এ পর্যন্ত কোনো লোক পাওয়া যায়নি।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডাঃ আনিসুর রহমান  বলেন, দীর্ঘদিন থেকে রেডিওগ্রাফার পদে জনবল সংকট রয়েছে। নিয়োগ বন্ধ থাকায় এ পদে মানুষের অভাব। তবে সম্প্রতি মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগ দেয়া হবে। নিয়োগ হলেই মাধবপুরের এ সংকট দূর হবে আশা করছি। আমরা ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে জনবলের চাহিদা পাঠিয়েছি।

সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহম্মেদ কামরান আর নেই!

সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহম্মেদ কামরান আর নেই!




 নিউজ ডেস্কঃ  সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যু 

((ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)) 
নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।

সোমবার (১৫ জুন) ভোর রাতে তিনি মারা যান বলে নিশ্চিত করেছেন ছেলে ডা. আরমান আহমেদ শিপলু। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা কামরান।

এর আগে, ৫ জুন সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করার পর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন বদর উদ্দিন কামরান। গত ২৭ মে তার স্ত্রী আসমা কামরান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন।

নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের স্বামী ডা.বিকাশ পাল করোনা আক্রান্ত

নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের স্বামী ডা.বিকাশ পাল করোনা আক্রান্ত





হাসান সাদী নাগরপুর(টাংগাইল)প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের  স্বামী ডা. বিকাশ পাল (৩২) করোনা আক্রান্ত হয়েছে।

আইইডিসিআর এর রিপোর্টের ভিত্তিতে রবিবার (১৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো.রোকুনুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, আক্রান্ত চিকিৎসক ডা.বিকাশ পাল এর আগে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলেন। এখন তার স্ত্রী নাগরপুরে কর্মরত।ডা.বিকাশের  স্ত্রীর সাথে দেখা করতে এলে ঠান্ডা জ্বর অনুভব করে, পরে তার নমুনা পরীক্ষা দিয়েই আইসোলেটেড আছেনতিনি। তিনি বর্তমানে নিজ কোয়ার্টারে আইসোলেটেড হয়ে চিকিৎসাধীন আছে। তার স্ত্রীর সাথেই সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত থাকবেন।

নাগরপুর উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন। আর চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২ জন।

জীবনের থেকেও বড় জীবন গড়ো!

জীবনের থেকেও বড় জীবন গড়ো!




এ ধরনীর ঐশ্বর্য তোমাকে বেধে রাখিতে পারে না,,,

জীবনের উপভোগ্য মুহুর্ত গুলো পর্যন্ত বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায় নিয়ে যায়,,,, তারপর হঠাৎ ই অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। বিদঘুটে জমাট বাধা হা হাকার করা অসম্ভব কালো অন্ধকার। 

নতুন ভোরটা হয়তো কারো কারো দেখা হয়েই ওঠে না।


আসলাম..সবটা না দেখে যাই কী করে!!! 

কেন আত্মসমর্পণ করবো নিজের কাছে। জিতে গিয়ে শুরু করেছি এই জার্নি তাহলে কেনো বিলিয়ে দেবো আপন প্রান এই নশ্বর দুনিয়ার নশ্বর মানুষ আর তার কার্যাবলির কাছে।


জীবন মানেই তো নতুন ভোর,,,এখানে বাধা আসে অবাধের অস্তিত্ব এর জানান দিতে,,,ভালো মানুষগুলো যে আসলেই ভালো...সেটা তো তাদের বিপরীতের মানুষগুলো জানান দেয়।

এসেছি যখন যেতে তো হবেই.... আজ বা কাল...

সহজভাবে হোক বা কঠিনতম ভাবে।

কিন্তু তাই বলে জীবনকে কেনো উপহাস করার সুযোগ দেবো???


কেনো অট্টহাস্যে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে দেবো আমার সত্তাকে নিয়ে।এ যে ঘোর হেরে যাওয়া। আমাকে আমার অপ্রয়োজনীয় লাগতে পারে,,,কিন্তু কেউ একজনের কাছে অন্তত আমি অমূল্য। 

কেউ তো মন থেকে ভালোবাসে আমাকে৷ কেউ তো চায় আমি ভালো থাকি। 

ওই কেউ মানুষ টার ওপর অন্যায় করলে তো পাপের বোঝা আরো ভারী হলো।


একটিদিন না হেসে কাটালে সে দিনটি নাকি অপচয় হয় তাহলে একটি জীবন নিজে নিজেকে ভালোবেসে না কাটালে কী সেটা জীবনের অপচয় নয়???? 

 এই ভাবনায় তো আমরা সৃষ্টিকর্তার কাছেও ঋনী হয়ে যাই।

কাদার সময় ভেবে নিও...হাসির দিন আসছে।

আবার হাসার সময় ও পরিমিত হেসো কারন সামনে খারাপ সময় ও অবশ্যই আসবে।

ফলাফল জানা থাকলে সেখানে ভয় কম হয়,,,জয় এর প্রবল ইচ্ছা উঁকি দেয়।


কখনো যদি বিদায় বেলার কথা মনে হয়....

যদি মনে হয় এ ধরনী আমার জন্য না.....


তবে এটা ভেবো.... 

মাত্র যে বাবা তার সন্তানকে কাধে করে কবরে শুইয়ে এসেছেন...তার থেকে তোমার কষ্ট বেশি না।


মাত্র যে অবুঝ শিশু ভূমিষ্ট হয়ে তার মা কে হারিয়েছে...তার না বুঝতে পারা কান্নার আর্তনাদে এর থেকে বেশি ক্ষোভ এই পৃথিবীর প্রতি প্রকাশ পায়।


তবু তারা বেচে থাকে,,,জীবনের নতুন মানে খোজে। 

চিতকার করে কাদিতে গিয়ে চিতকার করে কাদতে হয়তো পারো নি.....

কিন্তু একবার হো হো হেসে দেখো হিংসে করার মানুষের অভাব হবে না।


জীবনটাকে সেই যায়গায় নিয়ে যাও... টিকে থাকতে সবাই পারে না,,, যে পারে সে ই দিনশেষে প্রাপ্তির হাসি হেসে বলতে পারে চিরবিদায় । 

পৃথিবীর ঋন চুকিয়ে তারপর ই ওপারের কথা ভেবো,,, উদাহরণ এর ঘাটতি মনে হলে নিজেই সেই উদাহরণ হয়ে যাও।


বাচো প্রিয় বাচো.....

ভালোবাসার সবটুকু স্বাদ আস্বাদন করে প্রতিটা সেকেন্ড নিজের করে রেখে অন্ধকার এর মায়া কাটিয়ে এক নতুন ভোরের সূচনা করো.....

দেখবে সেই ভোরের রোদ মিষ্টিই বটে.... নিজের জন্য বাঁচো..নিজেকে ভালোবাসো...নিজেই নিজের নিজস্বতায় নিমগ্ন থেকে একমুখ হাসি আর প্রাপ্তির সাথে বলিও....


জীবনের চেয়েও বড় এক জীবন গড়েছিলাম 🙂🙂🙂


LIFE IS REALLY REALLY WONDERFUL 😊



রাগিব শাহরিয়ার রাফি
আইন বিভাগ
২য় বর্ষ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

করোনাকালেও বিলম্ব ফি আদায় করছে বিএএফ শাহীন কলেজ

করোনাকালেও বিলম্ব ফি আদায় করছে বিএএফ শাহীন কলেজ





মোঃ হাসান রিফাত
  চট্টগ্রাম প্রতিনিধি


 করোনাকালেও বিলম্ব ফি আদায় করছে বিএএফ শাহীন কলেজ
করোনাকালীন সময়ে বেতন ফি পরিশোধ না করায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিলম্ব ফি আদায় করছে বিএএফ শাহীন কলেজ। মহামারির এই সময়ে এপ্রিল ও মে মাসের বেতন নিয়মনুযায়ী পরিশোধ না করায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১ হাজার ৮৬০ টাকা। যা আরো একমাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ। 

জানা গেছে, নিয়মনুযায়ী প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বেতন ফি পরিশোধ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। নির্ধারিত এ সময়ের মধ্যে বেতন ফি পরিশোধ করতে না পারলে বিলম্ব ফি হিসেবে গুনতে হয় মাসিক বেতনের অর্ধেক টাকা। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই মার্চ মাস পর্যন্ত বেতন পরিশোধ করলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী গত এপ্রিল ও মে মাসের বেতন পরিশোধ করতে পারেনি। তাই কলেজ কর্তৃপক্ষ অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের মতো দুমাসের বেতনের সাথে বিলম্ব ফি হিসেবে জুড়ে দিয়েছেন অতিরিক্ত আরো একমাসের অর্থ। কলেজ কর্তৃপক্ষের এমন অমানবিক আচরণে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অভিভাবকের অভিযোগ, বন্দরনগরীর নামকরা এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অমানবিক আচরণ মেনে নেয়ার নয়। করেনা দুর্যোগে সব শ্রেণি পেশার মানুষ অর্থনৈতিক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। মহামারির এই সময়ে যেখানে তারা বেতন ফি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সেখানে দু’মাসের বেতনের সাথে অতিরিক্ত আরো একমাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বিলম্ব ফি আদায় করা কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়েও প্রশ্ন রেখেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষের ওপর। 

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, করোনার এই ক্রান্তিকালে কেন বিলম্ব ফি আদায় করা হচ্ছে কিংবা বিলম্ব ফি মওকুফের অনুরোধ জানিয়ে কলেজের প্রধান হিসাব রক্ষক মো. ইউনুস তাদের নাস্তানুভুদ করে ছাড়েন। 

এ বিষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রতিবেদকের সাথেও এমন আচরণ করেন তিনি। পরে তিনি কলেজের অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়ে ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে ফোন কেটে দেন। 

বিলম্ব ফি আদায়ের প্রসঙ্গ জানিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক বিল্পব গাঙ্গুলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি   বলেন, কোনো এমপিও ভুক্ত স্কুল-কলেজ বেতনের জন্য অভিভাবক কে চাপ দিতে পারবে না। আর কেও যদি বিলম্ব ফি আদায় করে তাহলে আমাদের মেইলে অভিযোগ করবে। আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

কিশোরগঞ্জে ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গবাদি পশু

কিশোরগঞ্জে ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গবাদি পশু




মো:লাতিফুল  আজম
কিশোরগঞ্জ  নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ঘরে ঘরে ল্যাম্পি স্কিন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে গবাদী পশু। ভাইরাসটি মরণব্যাধী না হলেও খামারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

প্রায় দু’ সপ্তাহ আগে ল্যাম্পি স্কিন ভাইরাসটি কিশোরগঞ্জে দেখা দেয়। এখন গোটা উপজেলায় তা ছড়িয়ে পড়ছে। ঘড়ে ঘড়ে সংক্রমন দেখা দিচ্ছে। এই ভাইরাসটির উপসর্গ হলো গবাদী পশুর চামড়ায় লাল ও গুটি গুটি হওয়া, পাঁ ফুলে যাওয়া, গলায় ব্যাথা হওয়া ও ফুলে যাওয়া এবং জ্বর হওয়া। যা কিনা অনেকটা করোনা ভাইরাসের মতো উপসর্গ। ভাইরাসটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

গবাদী পশু এই ভাইরাসের কারণে দুধ উৎপাদন কমে যাচ্ছে, পশুর ওজন হ্রাস ও ক্রমশঃ দুর্বল হচ্ছে। আর চামড়ার গুণাগুন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ সদর ইউপির মুন্সিপাড়া গ্রামের খামারী মমতাজ উদ্দিন পালানু জানান, আমার ১টি গরুর এই ভাইরাসটি হয়েছিল, এখন ভাইরাসমুক্ত। তবে আমার গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে। পুটিমারী ইউপির কালিকাপুর গ্রামের আব্দুস ছামাদ জানান, আমার ৩টি গরুর এই ভাইরাসটি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মফিজুল ইসলাম জানান, ‘ভাইরাসটির মেয়াদ ৭ থেকে ১০ দিন। এর কোন প্রতিষেধক বের হয়নি। তবে পক্সের ভ্যাকসিন ‘গোট পক্স ব্যাকলি’ প্রয়োগ করা যায় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে প্যারাসিটামল খাওয়ানো যায়। তিনি আরো বলেন, ‘এই ভাইরাসে ভয়ের কারণ নেই। এটি মরণব্যাধী নয়। মৃত্যুর হার শতকরা ০.৫ থেকে ১ভাগ। আমাদের উপজেলায় কোন পবাদী পশুর মৃত্যু হয়নি। খামারীদের আতংকিত না হয়ে ধৈর্যধারণ করতে হবে। আর হাতুরে চিকিৎসকদের কবলে পরে অর্থ অপচয় করার প্রয়োজন নেই। তবে খামার মশা-মাছি মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

সবজি চাষে চারা ও বীজ নিয়ে কৃষকের পাশে কৃষি বিভাগ

সবজি চাষে চারা ও বীজ নিয়ে কৃষকের পাশে কৃষি বিভাগ




মো: লাতিফুল  আজম
কিশোরগঞ্জ নিলফামারী প্রতিনিধি :

কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ আবুল কালাম বারী পাইলট বলেন- প্রত্যেক কৃষকের বাড়ী হয়ে উঠুক পুষ্টিকর খাদ্যে ভরপুর। বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব সরকার। করোনাকালে বসত বাড়ীসহ কোন জমি যাতে পতিত না থাকে এজন্য সবজিসহ ফলমূল চাষাবাদের নিদের্শ দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তারই ফলশ্রুতিতে এ উপজেলার কৃষকদের মাঝে ফলদ বৃক্ষের চারা ও সবজির বীজ বিতরণ করা হচ্ছে। যাতে বাড়িতে বসে পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব পূরণ হয়। তিনি গতকাল রবিবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের প্রশিক্ষণ রুমে সবজি-পুষ্টি বাগান স্থাপনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও চারা বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রবিউল ইসলাম বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাপলা বেগম প্রমুখ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তুষার কান্তি রায়।

২০১৯-২০ অর্থবছরে খরিপ-১ মৌসুমে পারিবারিক কৃষির আওতায় সবজি-পুষ্টি বাগান স্থাপনের লক্ষ্যে ২৮৮ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ১২ প্রকার সবজি বীজ ও ফলদ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।

এছাড়া সার, পরিচর্যা ও ব্যারা তৈরির জন্য কৃষকদের বিকাশের মাধ্যমে নগদ অর্থও বিতরণ করা হবে বলে উপজেলা কৃষি অফিসার জানান। সবজি-পুষ্টি বাগান স্থাপনের লক্ষ্যে উপজেলায় ৭ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮ শ’ ৮০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এসব চারা ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে উপজেলা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের তত্তাবধানে।