বাংলাদেশ প্রেসক্লাব শার্শা উপজেলা শাখা

 বাংলাদেশ প্রেসক্লাব শার্শা উপজেলা শাখা



প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ আহবায়ক মোঃ আব্দুর রহিম।জেলা প্রতিনিধি ইনডিপেনডেন্ট টিভি।যুগ্ন আহবায়ক-দেবুল কুমার দাস বেনাপোল প্রতিনিধি দৈনিক সংবাদ।যুগ্ন আহবায়ক- মোঃ সেলিম রেজা বেনাপোল প্রতিনিধি ডিবিসি\উপজেলা প্রতিনিধি বিজয় টিভ।যুগ্ন আহবায়ক- আসাদুজামান নয়ন বাগআচড়া প্রতিনিধি দৈনিক স্পন্দন। সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম ছোট্ট বেনাপোল প্রতিনিধি বাংলা টিভি।সদস্য সাংগঠনিক শাহ নেওয়াজ স্বপন বেনাপোল প্রতিনিধি দৈনিক প্রজন্মের ভাবনা। সদস্য অর্থ মোঃ আলি হোসেন দৈনিক দৃষ্টিপাত।

রহিম বেনাপোল- ০১৭৫৫৬২৪৫৬৯

আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কে নিয়ে সাধারণ জ্ঞান

আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কে নিয়ে সাধারণ জ্ঞান


১. জো বাইডেনের পুরো নাম কি? 

উঃ পুরো নাম জোসেফ রবিনেট বাইডেন জুনিয়র

 ২.তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট?

উঃ ৪৬তম ভাইস প্রেসিডেন্ট

৩.তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্টের সাথে কাজ করেছেন? 

উ.সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে দুই মেয়াদে কাজ করেন (১৯৭৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত) 

৪. তার জন্ম তারিখ কত?

উ. জন্ম ১৯৪২ সালের ২০ নভেম্বর

৫.তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কোথায় জন্ম গ্রহণ করেন?

উ. পেনসিলভানিয়ার স্ক্রানটনে

৬.তারা কত ভাই বোন?

উ. চার ভাইবোন (সবার মধ্যে বড় তিনি)

৭.বাইডেনের বাবার নাম কি? 

উ. বাবা নাম  জোসেফ রবিনেট বাইডেন সিনিয়র

৮. তার মায়ের নাম কি? 

উঃ মায়ের নাম ক্যাথরিন ইউজেনিয়া ফিনেগান (তাঁর মা আইরিশ বংশোদ্ভূত)

৯.তিনি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি নেন?

উঃ তিনি সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে ডিগ্রি নেন

১০.তিনি কত সালে বিবাহ করেন? 

উঃ তিনি ১৯৬৬ সালের নিলিয়া হান্টারকে বিয়ে করেন

১১. বর্তমানে তার কয়টা সন্তান?

উঃ বর্তমানে তারর তিন সন্তান রয়েছেন—জোসেফ আর ‘বিউ’ বাইডেন, রবার্ট হান্টার ও নাওমি ক্রিস্টিনা

১২.তার প্রথম স্ত্রী কত সালে মারা যান এবং কিভাবে?

উঃ ১৯৭২ সালে বড় দিনের আগে ক্রিসমাস ট্রি কিনতে গিয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিলিয়া নিহত হন

১৩. কত সালে এবং কাকে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করেন? 

উঃ ১৯৭৩ সালে বাইডেন জিল ট্রেসি জ্যাকবকে বিয়ে করেন

রাসুল (সাঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শণের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

রাসুল (সাঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শণের  প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে  বিক্ষোভ মিছিল


আব্দুর রাজ্জাক,হরিরামপুর(মানিকগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ আজ ৫ ই নভেম্বর মানিকগঞ্জ জেলা উলামা মাশায়েখ পরিষদের উদ্যোগে  বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) এর অবমাননা ও ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, হযরত মাওলানা আব্দুল ওহাব সাহেব, পরিচালনা করেন হাফেজ তানজিল আহমেদ, বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের সাটুরিয়া থানার  সভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম।

খেলাফত মজলিস শিবালয় থানা সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম  ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ মাওলানা ইলিয়াস আহমেদ সাবেক সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা শামসুল ইসলাম উলামা মাশায়েখ পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শেখ  মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন উলামা মাশায়েখ পরিষদের মহাসচিব আলহাজ্ব মাওলানা বশির রেজা। 

 মানিকগঞ্জ জেলা সভাপতি  মাওলানা নুরুল ইসলাম ফরায়েজী দোয়া পরিচালনা করেন। 

আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আশরাফুল আলম মাস্টার ট্রেনার ইসলামিক ফাউন্ডেশন মানিকগঞ্জ। মাওলানা ইউসুফ উক্ত সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিস মানিকগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আব্দুল হান্নান সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান । হয়রত মাওলানা আব্দুল কাদের , প্রভাষক মানিকগঞ্জ কামিল মাদ্রাসা মুফতি আবু  বকর, মাওলানা উসমান গনি, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, দখলিলুর রহমান, মাওলানা আশিকুল ইসলাম সানোয়ার,মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মাওলানা আনিসুর রহমান আনাস, মাওলানা জাহাঙ্গীর হোসাইন,মাওলানা জাকির হোসেন,ছাত্র মজলিস মানিকগঞ্জ জেলা সভাপতি ওমর ফারুক, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক সহ আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় উলামায়ে মাশায়েখগণ

বারাক ওবামার রেকর্ড ভাঙ্গলেন বাইডেন

 বারাক ওবামার রেকর্ড  ভাঙ্গলেন বাইডেন

নিউজ  ডেস্কঃ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। এ নির্বাচনে  গণনা শেষ হওয়ার আগেই যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে বারাক ওবামার গড়া রেকর্ড ভেঙে ইতোমধ্যে ৭ কোটির বেশি ভোট পেয়েছেন বাইডেন।সিবিএস নিউজ,নিউইয়র্ক টাইমস, হাফিংটন পোস্ট, এপিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে,এ নির্বাচনে ৭৭ বছর বয়সী বাইডেন মোট ভোট পেয়েছেন ৭ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার ২০৭টি ভোট।পরিসংখ্যানে দেখা যায় মোট ভোটের ৫০ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০০৮ সালে নির্বাচনে বারাক ওবামা সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন ৬ কোটি ৯৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫১৬টি ভোট ট্রাম্প মোট ভোট পেয়েছেন ৬ কোটি ৭২ লাখ ৮০ হাজার ৯৩৬টি ভোট, মোট ভোটের ৪৮ শতাংশ। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

 বেশিরভাগ ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের ফলাফল হাতে এসেছে। এতে দেখা যাচ্ছে এখন পর্যন্ত ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন পেয়েছেন ২৬৪টি ইলেকটোরাল ভোট। অপরদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে আছে ২১৪টি ভোট।


যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকটোরাল মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮। যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। এই হিসাবে জয়ের খুব কাছাকাছিই আছেন জো বাইডেন।

৬ নভেম্বর শুক্রবার থেকে অটোরিকশা ও সিএনজি চলাচল শুরু

৬ নভেম্বর  শুক্রবার থেকে অটোরিকশা ও সিএনজি চলাচল শুরু

মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,  কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ আগামীকাল ৬ নভেম্বর  শুক্রবার থেকে অটোরিকশা ও সিএনজি পূনরায় কুলাউড়ায় চলাচল শুরু হবে, পৌরসভার ভিতর শুধুমাত্র  ২৫০ টি অটোরিকশা চলবে এবং সিএনজি স্ট্যান্ডে শুধুমাত্র একলাইনে সিএনজি স্ট্যান্ড করতে হবে।

 এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান "এ.কে.এম সফি আহমেদ সলমান"পৌরসভার ভিতর চলাচলের জন্য যে ২৫০ টি অটোরিকশা নির্ধারিত করা থাকবে তারা পৌরসভার বাইরে যেতে পারবে না এবং পৌরসভার বাইরের জন্য যে রিকশা নির্ধারণ থাকবে তারা পৌরসভার ভিতর ডুকতে পারবেনা। এমন নীতি মেনে অটোরিকশা ও সিএনজি পূনরায় কুলাউড়ায় চলাচল শুরু হবে। ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার  বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিটের সময় কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এক আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয়।

কুলাউড়ায় অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা

কুলাউড়ায় অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা



মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃমৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শহরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলাচল হঠাৎ বন্ধ হওয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। শহরে দু-চারটি পায়ে চালিত রিকশা ছাড়া আর কিছু না পাওয়ায় পায়ে হেঁটে যার যার গন্তব্য স্থলের উদ্দেশ্যে ছুটছেন যাত্রীরা।  ৪ নভেম্বর বুধবার  সিনএনজি ও অটোরিকশা চালকদের মধ্যে  সংঘর্ষের পর থেকে কুলাউড়া শহরের ও এলাকার বিভিন্ন স্থানে অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচল বন্ধ,রাস্তায় বাস, মোটরসাইকেল, পিকাপ ব্যতীত অন্যান্য সব যানচলাচল বন্ধ। রাস্তায় যাত্রী থাকলেও নেই পর্যাপ্ত গাড়ি,যাত্রীরা হয়রানির শিকার। বাস ও পিকাপে যাত্রীদের ভিড়। এ সুযোগে বাস ও পিকাপ গাড়িতে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। এ ধরনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি চায়  যাত্রীরা।

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধূলার বিকল্প নেই- এমপি নাসির উদ্দিন

 মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধূলার বিকল্প নেই- এমপি নাসির উদ্দিন

আব্দুল জব্বার, স্টাফ রিপোর্টার।।যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের জাতীয়  সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) ডা. অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন বলেছেন,'মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধূলার কোন বিকল্প নেই। বেশি বেশি খেলাধূলার আয়োজনের মাধ্যমে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত  ঝিকরগাছা ও চৌগাছাকে মডেল উপজেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সকলে এগিয়ে আসতে হবে। বৃহস্পতিবার যশোরের ঝিকরগাছা  উপজেলার মাগুরা ডহর মাগুরা রওশন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি, এসব কথা  বলেন।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম,আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আজহার আলী, থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান এমপি প্রতিনিধি আমিনুর রহমান,   আংগারপাড়া বহিরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি এ.বি. এম শফিউদ্দিন, মাগুরা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, জাকির হোসেন, ইমরান হোসেন, পিকুল হোসেন, কবির উদ্দিন, রিপন হোসেন শিল্টু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইস্রাফিল হোসেন মানিক,মাগুরা স. প্রা. বি. এর সভাপতি সাজিজুর রহমান প্রমুখ।

নওগাঁর আত্রাইয়ের ইউএনও পুরস্কার পেলেন সৃজনশীলতার ওপর

 নওগাঁর আত্রাইয়ের ইউএনও পুরস্কার পেলেন   সৃজনশীলতার ওপর

 


রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর আত্রাই উপজেলায় সৃজনশীলতার উপর পুরস্কার পেলেন ইউএনও মোঃ ছানাউল ইসলাম।  আত্রাই উপজেলা চত্বরে সৌন্দর্য বর্ধন, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আলোক সজ্জিত বেষ্টনী, সৃষ্টি করা জন্য সৃজনশীলতা স্মারক পুরস্কার পেলেন । বৃহস্পতিবার সকাল ১১ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষে পূর্নিমার পল্লী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে সংস্থা পরিচালক এস এম হাসান সেন্টু ইউএনও কে ক্রেষ্ট পুরস্কার তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার ফজলুল হক, মহিলা বিষয়ক অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন, আত্রাই প্রসক্লাব সভাপতি মোঃ রুহুল আমীন সাংবাদিক তপন কুমার সরকার প্রমুখ।

ঝিনাইদহে স্কুল বন্ধ তবুও জোর করে হাজিরা নেন প্রধান শিক্ষক

 ঝিনাইদহে স্কুল বন্ধ তবুও জোর করে হাজিরা নেন প্রধান শিক্ষক



স্টাফ রিপোর্টারঃ  গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ নাগরিকের দেহে মহামারি করোনা ভাইরাস সনাক্তের পর ১৪ মার্চ থেকে সারাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করে সরকার। কয়েক দফায় বাড়িয়ে আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে গায়ের জোরে নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নিয়মিত আসা-যাওয়া বাধ্যতামূলক করেছেন ঝিনাইদহের হরিনাকুণ্ডু পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ এসএসসি ভোকেশনালের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম। এজন্য তিনি প্রতিষ্ঠানে খুলেছেন হাজিরা খাতা। নিজ ক্ষমতাবলে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিদের প্রতিদিন সকাল ১০ টার মধ্যে  উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় ¯^াক্ষর করার নির্দেশনা জারি করেছেন। আর নিজের ক্ষমতার বাহাদুরি দেখাতে শিক্ষকদের কঠোরভাবে এ নির্দেশনা মানতে বাধ্য করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানে নির্দেশিত উপস্থিতির সময় পেরিয়ে গেলেই হাজিরা খাতায় সেই শিক্ষকের নামের পাশে লালকালি দিয়ে অনুপস্থিত লেখা হয় বলেও তারা জানান।

এবিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের এসএসসি ভোকেশনাল শাখার  ট্রেড ইন্সট্রাক্টর মোস্তাক আহাম্মেদ বলেন, মহামারি করোনা সচেতনতায় সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ থাকার পরেও নিয়মিত স্কুলে আসতে বাধ্য করা ও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য করছেন ওই প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও যদি কেও সকাল ১০ টার এক মিনিট পরেও আসেন তাহলে হাজিরা খাতায় তার নামের পাশে লালকালি দিয়ে অনুপস্থিত লিখে রাখছেন। আবার ওই প্রধান শিক্ষকের পছন্দের কিছু শিক্ষক স্কুলে না আসলেও হাজিরা খাতায় তাদের স্বাক্ষরের ঘর ফাঁকা রেখে পরে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। যা সম্পূর্ন নিয়ম বহির্ভত।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম দম্বোক্তি প্রকাশ করে মিডিয়াকর্মীদের বলেন নিয়ম থাকুক বা না থাকুক আমার ইচ্ছায় আমি করেছি। আপনারা যা ইচ্ছা তাই করেন। 

ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সাজেদুল ইসলাম টানু মল্লিক বলেন,  শুনেছি প্রধান শিক্ষক  এসব অবৈধ কাজ করছেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে আমি মৌখিকভাবে এ বিষয়ে সতর্ক করেছি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্ত ফজলুল হক বলেন, নিয়মিত দাপ্তরিক কাজের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস খোলা রাখার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারি বা সহায়কদের জন্য এ নির্দেশনা। সব শিক্ষক বা কর্মচারিদের প্রতিষ্ঠানে আসার কোন নির্দেশনা নেই। যদি এ ধরণের কোন নির্দেশনা ওই প্রধান শিক্ষক দিয়ে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) সৈয়দা নাফিস সুলতানা বলেন, এ ধরণের কোন নির্দেশনা দেওয়ার এখতিয়ার প্রধান শিক্ষকের নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

কুলাউড়া থানার নতুন ওসি বিনয় ভূষন রায় এর যোগদান

কুলাউড়া থানার নতুন ওসি বিনয় ভূষন রায় এর যোগদান



মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা
প্রতিনিধিঃমৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন বিনয় ভূষন রায়। ০৫ নভেম্বর  বৃহস্পতিবার তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি মৌলভীবাজার জেলার গোয়েন্দা শাখার ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বাসিন্দা বিনয় ভূষন রায় ২০০৫ সালে এসআই পদে পুলিশে যোগদান করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি কুলাউড়া, গোলাপগঞ্জ, ছাতক, কানাইঘাট, বড়লেখা ও জৈন্তাপুর থানায় সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, বিনয় ভূষন রায় মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্য থাকাকালিন সময় মাদকদ্রব্য বিরোধী অভিযান পরিচালনা করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসাবে পুরস্কৃত হন। জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ (পিপিএম-বার) চৌকস পুলিশ অফিসার হিসাবে দায়িত্বপালনের জন্য ওসি (ডিবি) বিনয় ভূষন রায় এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ট্রাক চাপায় এক জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ট্রাক চাপায় এক জনের মৃত্যু



আর.জে মিজানুর রহমান ইমনঃ ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় সোহাগ (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু । (০৫ই নভেম্বর) বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে, গফরগাঁও-ময়মনসিংহ সড়কের গফরগাঁও উপজেলার চারিপাড়া গ্রামের খালের উপর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে ।নিহত সোহাগ (৩৫) হলেন, উপজেলার মুখী গ্রামের আছর আলীর ছেলে । সে মুখী স্কুল বাজারে স্টিল সাপ্লাইয়ের ব্যবসায়ী ছিলেন । ঘটনার পর ট্রাক চালক জাহাঙ্গীর কে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় । গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনুকুল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ।

ফুলপুরে অনলাইন এ্যাক্টিভিটিস ও স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভায় আমন্ত্রণ পেলনা অনেকই

 ফুলপুরে অনলাইন এ্যাক্টিভিটিস ও স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভায় আমন্ত্রণ পেলনা অনেকই


 



আর.জে মিজানুর রহমান ইমনঃ নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় (৫ই নভেম্বর) রোজ বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক জনাব মিজানুর রহমান আসেন ফুলপুরে অনলাইন এ্যাক্টিভিটিস ও স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে বিশেষ মতবিনিময় সভা করতে, কিন্তু ফুলপুরের অনেক অনলাইন এ্যাক্টিভিটিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেত্ববৃন্দরা পাইনি কোনো আমন্ত্রণ । এ নিয়ে নানান কথার অভিযোগ উঠেছে ।  যারা আমন্ত্রণ পেয়েছে তারা মনে হয় একান্ত প্রশাসনের কাছের মানুষ বা সংগঠন না হলে কেন ফুলপুরে বিভিন্নভাবে জনগণকে স্বেচ্ছায় সেবা দিয়েও আমন্ত্রণ পাই না । বিভিন্ন সংগঠনের নেত্ববৃন্দরা বলছেন করোনার মহামারীতেও আমরা নিজেদের অর্থ বা অন্যের কাছ থেকে হাত পেতে চেয়ে নানান ভাবে কাজ করেছি যা বিভিন্ন সংবাদকর্মীরা অনলাইন সহ প্রিন্ট পত্রিকায় প্রকাশ করেন । তাহলে কেনইবা পেলাম না, আমরা আমন্ত্রণ । তাহলে কি আমরা ১ টাকা খরচ করে ৫ টাকার কিচ্ছা গাইনি বলে ? নাকি নিজের অর্থ খরচ করে প্রশাসনকে সাথে রেখে কাজ করেনি বলে? নাকি ঠিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি বলে? আজ বেশিরভাগই দেখা যাচ্ছে যারা তেল মারতে পারে তারাই প্রশাসনের নজরে পড়ে। যে সংগঠনের বয়স মাত্র ১মাসও হয়নি তারাও আমন্ত্রণ পেয়েছে কিন্তু কয়েক বছর ধরে স্বেচ্ছায় কাজ করছে তাদের কে দেয়নি আমন্ত্রণ।

এ বিষয়ে তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক তপু রায়হান রাব্বি বলেন, আমরা ২০১৭ সাল থেকে স্বেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছি ফুলপুরে। আমাদের সংগঠনটি কোন সরকার অনুমোদিত নয়। এ সংগঠনটি চলে নিজেদের অর্থে। কোন সময় যদি প্রয়োজন পড়ে তাহলে অন্যের কাছে হাত পেতে অসহায় মানুষের পাশে থাকি। প্রাণঘাতী নোবেল করোনাভাইরাসে যখন চিনে আক্রান্ত হয় তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডঃ প্রাণেশ চন্দ্র পন্ডিত স্যারের সাথে কথা বলে, হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তার দেবনাথ চৌধুরী ও ফুলপুরের ব্লাড ডোনার্স কে নিয়ে বিভিন্ন স্কুলে সচেতনতামূলক সেমিনাল করা হয়। পরে যখন বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস দেখা দেয় তখন সেই ডাক্তার করোনা পজিটিভ এ আক্রান্ত হয়। করোনা ভাইরাসের জন্য বাংলাদেশ যখন লকডাউনে অসহায় মানুষের ঘরে খাবারে কষ্ট হচ্ছে তখন বিভিন্নভাবে তাদের পাশে থাকি। আর আমাদের বেশিরভাগ কার্যক্রমে বিভিন্ন অনলাইন সহ প্রিন্ট পত্রিকায় প্রকাশ হয়। শুধু আমরাই কাজ করিনি ফুলপুরের বিভিন্ন সংগঠন কাজ করছে যারা আজকে কোন প্রশাসনের আমন্ত্রণ পায়নি। কারণ একটিয় ফুলপুরের প্রশাসনের কানে কেউ-না-কেউ বিষ ডোকা তে পারে যেন তেলবাজদের স্বার্থে আঘাত না পড়ে। তিনি আরো বলেন আপনাদের উৎসাহিতে এগিয়ে যেতে পারে প্রতিটা সংগঠন। তাই একটু উৎসাহিত করার জন্য সকল সংগঠনকে এক চোখে দেখার বিনীত অনুরোধ করা হল।

সাহাপুর তরুণ স্বেচ্ছাসেবী  সংঘ থেকে আকিকুল ইসলাম জানান, আমরা সততার সাথে কাজ করেও কেন পেলাম না ফুলপুরে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ তা জানি না? কিন্তু তাই বলে কোন সংগঠনের স্বেচ্ছা কার্যকলাপ বন্ধ থাকবে না। সততার সাথে এই সকল সংগঠন এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। 

এ বিষয়ে ৯ বছর ধরে অনলাইনে লেখালেখিতে যুক্ত হৃদি মোতালেব জানান, ফুলপুরে কর্মরত মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে অনলাইনে আমার চেয়ে প্রবীণতম কেউ ছিলেন বা আছেন বলে কোন তথ্য আমার জানা নেই। সাম হোয়ার ইন ব্লগ, প্রথম আলো ব্লগ, আমার ব্লগ সহ ব্লগারদের স্বর্ণযুগের সহযোদ্ধা অনেকেই এখনও বন্ধু তালিকায় যুক্ত আছেন স্বমহিমায়। অনলাইনে লেখালেখির অপরাধে ইতিমধ্যে ফুলপুরের ১ম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা মামলা খেয়েছি, করোনার চরম ক্রান্তিকালে ৪৪ দিন হাজত খেটেছি। এখন আমি যে অনলাইন এ্যক্টিভিস সে সার্টিফিকেট কে দিবে আমাকে?কার কাছ থেকে নিবো তার প্রত্যয়নপত্র? কে দিবে স্বীকৃতি? যারা মামলা দিয়েছে তারা তো স্বীকৃতি দিয়েছেই, বাকীরা কি বলেন? শুধুমাত্র অনলাইন এক্টিভিস্টের স্বীকৃতির অভাবে মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মত বিনিময় সভায় অংশ গ্রহন করতে পারিনি আমন্ত্রণের জন্য এতে দুঃখীত। তিনি আরো বলেন তবে যারা সেই অনুষ্ঠানে মত বিনিময় করেছেন তাদের সবার অনলাইনে কোন এক্টিভিটি রয়েছে তো ? তাদের এ সত্যায়ণে কে প্রত্যায়ণ করেছেন? তিনি নিজে আমার মতো ৯ বছরের অনলাইনার্স তো? তিনি কি দ্য এডমিন দ্যা অনলাইনার্স এ কাজ করেছেন? 

এছাড়াও ফুলপুরের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক বা তথ্য প্রচারকারি অনলাইন গ্রুপের সাথে কথা বললেও তারা জানান আমরা কোন দাওয়াত পাইনি। যদি প্রশাসন তার নিজ আইডিতেও দাওয়াত দিতেন তেবুও আমরা সেই দাওয়াত পেতাম বা অংশগ্রহণ করতাম। 

এ বিষয়ে ফুলপুর উপজেলা প্রশাসন শীতেষ চন্দ্র সরকারকে মুঠো ফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।

আখতারুজ্জামান চৌধুরী'র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে রেজাউল করিম চৌধুরী শ্রদ্ধাঞ্জলি

 আখতারুজ্জামান চৌধুরী'র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে রেজাউল করিম চৌধুরী শ্রদ্ধাঞ্জলি



রিয়াজুল করিম রিজভী চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানঃমুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু'র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও জিয়ারত করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চসিক মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর মরহুম আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু'র কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও জিয়ারতের সময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি  সিডিএ চেয়ারম্যান এম. জহিরুল আলম দোভাষ,চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,আওয়ামীলীগ নেতা তৌহিদুল আনোয়ার,আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো: শাহবুদ্দিন সর্দার,আবদুর রহিম, হাইলধর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দিদারুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ,আওয়ামী লীগ নেতা মো: ফারুক, এস.এম.জামিল সহ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোংলায় সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌর মেয়রের সিসি ক্যামেরা প্রদাণ

মোংলায় সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌর মেয়রের সিসি ক্যামেরা প্রদাণ

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ  ইভটিজিং বন্ধসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের স্বার্থে বিভিন্ন স্কুল-কলেজে স্থাপনের জন্য সিসি ক্যামেরা দিয়েছেন মোংলা পোর্ট পৌর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর (৮টি) প্রধানদের হাতে এ সিসি ক্যামেরা তুলে দেন। এ সময় প্রতিটি স্কুল ও কলেজের জন্য ৮টি করে সিসি ক্যামেরা দেয়া হয়েছে। এর আগে তিনি নব নির্মিত পৌর কমপ্লেক্স মার্কেটের দোকান বরাদ্দ পাওয়া ব্যবসায়ীদের হাতে পৌর কর্তৃপক্ষের চুক্তিপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র জুলফিকার আলী ছাড়াও পৌর সচিব অমল কৃঞ্চ সাহা, প্রেসক্লাব সভাপতি এইচ এম দুলাল, কাউন্সিলর আলাউদ্দিন, আ: রাজ্জাক, পৌর কর্মকতা-কর্মচারী, শিক্ষক এবং ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। 

মহেশপুরে প্রবাসীর জায়গা দখল করে বাড়ি নির্মাণ, বাঁধা দিলে দেওয়া হচ্ছে হত্যার হুমকি

 মহেশপুরে প্রবাসীর জায়গা দখল করে বাড়ি নির্মাণ, বাঁধা দিলে দেওয়া হচ্ছে হত্যার হুমকি




ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে রেমিটেন্স যোদ্ধা এক প্রবাসীর বাড়ির রাস্তা দখল করে জোরপুর্বক স্থাপনা নির্মাণ করছে এক ভুমিদস্যু। প্রবাসীর পিতা ও পরিবারের লোকজন বাঁধা দিলে তাদের মারধরসহ হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভূমিদস্যু প্রভাবশালী হওয়ায় গ্রাম্য মাতব্বরদের সিন্ধান্ত উপেক্ষা করে কাজ করছে। এ নিয়ে যেকোন সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তারপরও স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ২ সন্তান মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই অবস্থান করছেন। নিজের ভিটায় আব্দুস সাত্তারের বড় ছেলে আব্দুল্লাহ একটি ঘর নির্মান করেছেন। জমির দলিল ম্যাপ অনুযায়ী ঘর নির্মান করে ঘরের পাশে ২ ফুট রাস্তা রেখে দিয়েছেন যাতায়াত করার জন্য। সম্প্রতি ওই এলাকার ভুমিদস্যু আব্দুল কুদ্দুস জমি দখল করে স্থাপনা নির্মান করছেন। এ ২ সন্তান বাড়িতে না থাকায় আব্দুস সাত্তার বিপাকে পড়েছেন। স্থানীয় মাতব্বরদের কাছে গেলে জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে বারণ করলেও তা আব্দুল কুদ্দুস মানছেন না।

আব্দুস সাত্তার অভিযোগ করেন, আব্দুল কুদ্দস একজন ভূমিদস্যু। জায়গা দখল করে তিনি বাড়ি নির্মান করছেন। আমার সন্তানরা বাড়ি না থাকার সুযোগে আব্দুল কুদ্দুস জমি দখল করছে। আমি বাঁধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। মারধর ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। থানা থেকে পুলিশ এসেছিল। তারা ফিরে যাওয়ার পর আবারো কাজ করছে। আমি এখন অসহায়।

মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা দেশের জন্য রেমিটেন্স পাঠাচ্ছি। দেশের উন্নয়নে কাজ করছি। কিন্তু আমার পরিবার এখন নিরাপত্তহীনতায়। এজন্য আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস বলেন, এই জমিতে আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। আমি কাজ করবো। মাতব্বর বা পুলিশ কি বলল আমার কিছু আসে যায় না।

(কাল্পনিক ছোট গল্প) ভালোবাসার ছোঁয়ায় বেঁচে আছি!!!

(কাল্পনিক ছোট গল্প)  ভালোবাসার ছোঁয়ায় বেঁচে আছি!!!

ভালোবাসা হারিয়ে যায় তবুও থেকে যায় ভালোবাসা।ভালোবাসা কষ্ট দিলে আমরা সহজেই আত্নহত্যার কথা ভেবে থাকি।নয়নার সাথে অনেক বছরের ভালাবাসার সম্পর্ক ছিন্ন কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছি না। নয়নাকে হারিয়ে সব কিছুই অসহ্য লাগছে !গ্ৰামের মেঠো পথে নয়নাকে না দেখে আমার প্রতিনিয়ত আরও বেশি কষ্ট হয়।

পৃথিবীতে নয়নাকে  ছাড়া বেঁচে থাকার কোন মানেই খুঁজে পাই না ।সবকিছুই যেন বিষের মতো মনে হয় আত্মীয় স্বজনের! সঙ্গে তেমন কোনো যোগাযোগ হয়না।নয়নাকে ছাড়া আমি কারো চোখের সাথে চোখ মিলাতে পারি না। তবে বন্ধুরা, আমাকে অনেক বুলিয়ে স্বান্তনা দেয়।ভালোবাসা এবং ভালোবাসার মানুষ হারিয়ে গেলে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার ইচ্ছে থাকেনা তবুও বেঁচে থাকতে হয় ভালোবাসার কথা ভেবে।ভালোবাসা মানেই দুজনের মধ্যে দেহের মিলন নয়।ভালোবাসা আসে মন থেকে আবার সেই ভালোবাসা অন্য মনে গিয়ে হারিয়ে যায়।তবুও ভালোবাসা বেঁচে থাকে চিরকাল।

অনেক সময় মনে হয় মরে গেলেই হয়তো আমি ভালো থাকতাম।নয়নার স্মৃতি আমার মন থেকে কোনো ভাবেই মুছে ফেলতে পারছিনা।সবসময় কালো ডগর মায়াবী চোখের চাওনি মনে পরে।কেনো এমন হয়?তবে কি ভালোবাসার শক্তি অনেক বেশি?আবার ভাবি ভালোবাসার স্বপ্ন যদি এক হয়ে যায় তাহলে হয়তোবা এতোটা ভাবতাম না ভালোবাসা নিয়ে।

তবে নয়নাকে ভুলে যাওয়ার সহজ পন্থা কি আত্মহত্যা? যাতে মৃত্যু যন্ত্রণাই হবে নয়নাকে ভালোবাসার ফলাফল।তবে কি জীবন নামক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি নেওয়ার একমাত্র পথ নিজেকে মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়করানো?

আজ দু বছর হতে চলছে নয়না অন‍্যের ঘরে দিব্বি সুখে ঘর করছে। নয়না তুমি সুখে শান্তিতে আছো অথচ আমি তোমাকে না ভেবে একটি রাত ও সঠিকভাবে ঘুমাতে পারিনি। তোমার জন্য সবসময় বুকের মধ্যে ব‍্যাথা করে মনে হয় কে যেনো বুকের উপর উঠে আমাকে চেপে ধরে।এক কথায়  নাওয়া-খাওয়া হারাম হয়ে গেছে। সারাদিন টেনশনের মধ্যে থাকি এই বুঝি তুমি অনেক কষ্টকর অবস্থায় আছো?কারো সাথে ঠিক মতো কথা বলতে পারছিনা। 

ভালোবাসার মানুষ যদি কষ্ট দেয় কিংবা কারো অবহেলা করে দূরে চলে যায় তাহলেই হয়তো মানুষ  আত্মহত্যার চেষ্টা করে?থাক এসব কথা। তুমি ভালো থেকো সুখে শান্তিতে থেকো। আমাকে অবহেলা করে আমার ভালোবাসা তুচ্ছ ভেবে তুমি চলে গেলে অনেক দূরে তবুও তোমাকে ছাড়া আমি সত্যিই অনেক অসহায় যেনো হ্নদপৃন্ড ছাড়া আমি বেঁচে আছি।

আমাদের জীবনটা খুবই সুন্দর ছিলো তাইনা নয়না?তবে তুমি কেনো আমাকে ভালোবেসেছিলে?কেনোই বলে মধুর স্বপ্ন দেখিয়েছিলে?আমিতো তোমাকে আমার সবটুকু ভালোবাসা দিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছি।এখন যে আমার বেঁচে থাকাটা খুবই কষ্টকর হয়ে গেছে। মানুষ মাত্রই ভুল করে তাই বলে তুমি আমাকে ভুলে গিয়ে আমার ভালোবাসা ভুলে গিয়ে এতোবড় ভুল কিভাবে করতে পারলে?তবে এই ভুল থেকে আমি যতটুকু শিক্ষা পেয়েছি তা আমার জীবনে অনেক বড় পাওয়া।আমি এই টুকুই নিয়ে লড়াই করে বেঁচে থাকতে চাই।আমার পরবর্তী জীবনটাকে ভালোবাসার জন্য বিলিয়ে দিয়ে গেলাম।তোমার কাছ থেকে যে অবহেলা আমি পেলাম এটা সত্যিই পৃথিবীতে ইতিহাস হয়ে থেকে যাবে ভালোবাসার জন্য।

আল্লাহর দরবারে সবসময় তোমার সুখের জন্য দোয়া করে যাবো। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তোমার জন্য দোয়া করবো তুমি স্বার্থপর হলেও আমি কখনোই স্বার্থপরের মতো আমার ভালোবাসা ভুলে যেতে পারবোনা।তবে আমি শেষ বারের মতো বলবো কখনও যদি আমার অজান্তে তোমার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করে থাকি তাহলে আমাদের পবিত্র ভালোবাসার কথা ভেবে আমাকে তুমি ক্ষমা করে দিও।

তবে কেউ যদি ভালোবাসার মানুষের জন্য আত্মহত্যা নামক জঘন্য অপরাধের পথ বেছে নেয় তাহলে ভালোবাসাকে অপমান করা হবে।তুমি স্বার্থপর হতে পারো কিন্তু আমি তোমার মতো নই।কেননা ভালোবাসা আছে বলেই পৃথিবী এখনো এতো সুন্দর। আমি চেষ্টা করছি অতীতকে ভুলে গিয়ে আপনজনের নিয়ে হাসি-খুশি ভাবেই জীবনের বাকি দিনগুলো অতিবাহিত করতে।মরণ যন্ত্রণা নিয়ে জীবন শেষ করতে চাই নয়না!!আমি আর কখনও মরিচীকার পিছনে ঘুরে ঘুরে সময় নষ্ট করতে চাইনা। তুমি পবিত্র ও সত‍্য ভালোবাসাকে ভুলে যেতে পারো কিন্তু আমি সেই ভালোবাসাকে নিয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হাসিখুশি থাকতে চাই।কেননা ভালোবাসার  মানুষের জন্য কষ্ট করে বেঁচে থাকার সুখ যে অনেক শান্তির।নয়না তুমি বুঝতে পারনি আমাকে তুমি বুঝতে পারোনি আমার পবিত্র ভালোবাসা।তবুও সবসময় মহান আল্লাহর কাছে আমার নয়নার জন্য এবং আমার না পাওয়া ভালোবাসার জন্য সবসময় দোয়া করে যাবো।

-মোঃ ফিরোজ খান
নবীন লেখক ও সাংবাদিক
ঢাকা, বাংলাদেশ

বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ বগুড়া জেলা কমিটি গঠন

বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ বগুড়া জেলা কমিটি গঠন

মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ বগুড়া জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী এনামূল হক আইনুর কে আহবায়ক ও সমাজসেবক শাহাজাহান আলী কে সদস্য সচিব করে এ কমিটি অনুমোদন করেছেন সংগঠনের কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক এড. রনি আহম্মেদ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রিয় সভাপতি মনির খান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ড. ফজলুল হক উক্ত কমিটি অনুমোদন করেছেন।

জেলার তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করার জন্য নেতৃবৃন্দ আহবান জানিয়েছেন।

কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

 কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাচারীতায়  একতরফা উপজেলা কমিটি গঠন, উক্ত কমিটি বাতিল, এবং নতুন কমিটি ঘোষনার দাবীতে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে বিএনপি কার্যালয়ে  সংবাদ সম্মেলন করেন।লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান।উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম ফারুখ ( সাবেক চেয়ারম্যান) উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহাবায়ক আলমগীর হোসেন খান, মনিরুল ইসলাম মন্টু, বজলুর রহমান, সাইদুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি কামরুজ্জামান সিদ্দিক, সাফদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আয়েছ উদ্দিন মিঞা,  সদস্যসচিব ওহিদুল ইসলাম খাঁন, দোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আজমল হোসেন, সদস্যসচিব বজলুর রহমান, বলুহর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নুরুজ্জামান, সদস্যসচিব নাজিম উদ্দিন, কুশনা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক গোলাম ফারুখ, এলাঙ্গী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মিজানুর রহমান মজনু, সদস্যসচিব আলী হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকদল সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন আলামিন, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম বাবু, মাহবুব হোসেন, মৎসজিবীদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম, সদস্যসচিব আজিম হোসেন, যুবদল সাবেক সসহ-সভাপতি আশাদুল ইসলাম, ছাত্রদল  সদস্যসচিব হুুমায়ুন কবির ভুঈয়া হিরা, মৎসজীবীদল যুগ্ন-আহবায়ক আতিয়ার রহমান, যুবনেতা কামাল হোসেন সহ, উপজেলা প্রেসক্লাব, কোটচাঁদপুর প্রেসক্লাব, কোটচাঁদপুর রিপোটার্স ইউনিটি সকল সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

লোহাগড়ায় পিআইও’র খালু শ্বশুর পেলেন গৃহহীনদের ঘর

লোহাগড়ায় পিআইও’র খালু শ্বশুর পেলেন গৃহহীনদের ঘর



মো: আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টারঃনড়াইলের লোহাগড়ায়  গৃহহীনদের ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খোঁদ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) খালু শ্বশুরই পেয়েছেন সরকারি প্রকল্পের গৃহহীনদের ঘর। অথচ খালু শ্বশুরের বাড়িতে রয়েছে তিনটি ঘর। সরকারি নির্দেশনা অনুয়ায়ি গৃহহীনরাই এই ঘর পাবেন। অথচ, উপকারভোগী বাছাই ও ঘর নির্মাণে করা হয়েছে নানা অনিয়ম। 

জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে গত ৮ ডিসেম্বর ৪৩টি প্রকল্প অনুমোদন করে উপজেলা প্রশাসন।প্রতিটি দুর্যোগ সহনীয় এ  ঘর নির্মাণে সরকারি বরাদ্দ ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা। দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ খাতে বরাদ্দকৃত নগদ টাকায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। ওই প্রকল্পের ১৯নং ক্রমিকের ঘরের মালিক ছাতড়া গ্রামের মোঃ আমির মোল্যার ছেলে মোঃ দুলাল মোল্যা। মোঃ দুলাল মোল্যা পিআইও এস,এম,এ করিমের খালু শ্বশুর।     

খোজ খবর নিয়ে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ১নং ছাতড়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ দুলাল মোল্যা। দুলালের স্ত্রী রহিমা বেগম (৫০)। রহিমার ভাগ্নী জামাই পিআইও করিম। সেই হিসাবে মোঃ দুলাল মোল্যা পিআইও”র খালু শ্বশুর। 

রহিমা বেগম জানান, পিআইও এস,এম,এ করিম সাহেব আমার আত্মীয়। জামাই নিজে আমাকে সরকারি টাকার ঘর দেছে। কিন্তু ঘর নির্মাণে ঠিকাদার নানা অনিয়ম করেছে। তিনি জানান, জয়পুর ইউনিয়নের মেম্বর বাচ্চুকে দিয়ে পিআইও সাহেব ঘরটি নির্মাণ কাজ করেছেন।তিনি অভিযোগ করেন, নতুন ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়ছে। বাথরুমের টিনের চালের বেড়া ছোট তাই পানি ঢোকে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোঃ দুলাল মোল্যা ও রহিমা বেগমের নিজের ১৮ শতক জমির উপর রয়েছে  দেওয়াল ও মেঝে পাঁকা করা দুটি ঘরসহ মোট তিনটি ঘর। রয়েছে তিনটি সোলার প্যানেল। জয়পুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বর মোঃ বাচ্চু শেখ জানান, রহিমা বেগম  পিআইও স্যারের আত্মীয়। পিআইও করিম সাহেবের অনুরোধে ঘরের নির্মাণ কাজ করেছি। আমি রং ও টয়লেটের কুয়া বানানো বাদে সব কাজই করেছি। আমাকে পিআইও স্যার ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। বাকি প্রায় ৭৫ হাজার কি করেছেন জানি না। আমি আরো টাকা পাবো। ছাতড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বনাথ দাস ভুন্ডুল বলেন, কাগজ কলমে ওই ঘর নির্মাণ প্রকল্পের সভাপতি আমি। অথচ ঘর নির্মাণ করবার পর আমি বিষয়টি জেনেছি। পিআইও সাহেবের আত্মীয় বাড়িতে ঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে। লোহাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিকদার নজরুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নের নামে বরাদ্দ দিয়ে পৌরসভার মধ্যে ঘর কিভাবে হলো সেটা খোজ নিচ্ছি।লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোসলিনা পারভীন বলেন, আমিতো ওই সময়ে লোহাগড়াতে দায়িত্বে ছিলাম না। পিআইও সাহেব ভাল বলতে পারবেন। তবে খোঁজ নিয়ে দেখবো।

লোহাগড়ায় এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, পালিয়েছে সহকর্মীরা

লোহাগড়ায় এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, পালিয়েছে সহকর্মীরা

মো:আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টারঃনড়াইলের লোহাগড়া পিয়ারলেস  ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুপ্তীকে মুমূর্ষ অবস্থায় লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে গেছেন তার সহকর্মীরা বলে অভিযোগ উঠেছে।পরে তাকে পরিবারের লোকদের মাধ্যমে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মৃত্যুর কোলে ঢ'লে পড়েন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লক্ষীপাশা এলাকায় অবস্থিত অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পৌরসভার রাজুপুর গ্রামের বাবুল শেখ এর মেয়ে ও উপজেলার শিয়েরবর গ্রামের আমিনুর রহমানের স্ত্রী সুপ্তী খানম (২৫) প্রায় দেড় মাস আগে মাঠ কর্মী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করে গত বুধবার রাত আটটার দিকে সুপ্তীর মাকে ফোন করে জানানো হয় সুপ্তী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এলাকায় বিকেল ৪ টার দিকে এক সহকর্মীর মোটরসাইকেল হতে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে। 

তাকে লোহাগড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে।খবর পেয়ে সুপ্তীর পরিবারের লোকেরা হাসপাতালে ছুটে আসেন। সেখানে এসে মেয়েকে পেলেও কোন সহকর্মীকে পাওয়া যায় নি। সুপ্তী গুরুতর হওয়ায় সেখান কার মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রিপন ঘোষ তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরিবারের লোকজন তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সদর হাসপাতালে রওনা হলে পথিমধ্যে সুপ্তী মারা যায়।

নিহত সুপ্তীর চাচা জানান, ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে রাত সাড়ে আটটার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, সুপ্তী শারীরিক ভাবে একটু দুর্বল  ছিল।  বুধবার বিকেলে অফিসের কাজে সহকর্মীর মোটর সাইকেলে যোগে কাশিয়ানীতে যায়।বিকালে অফিসে ফিরে আসার সময় সহকর্মীর মোটরসাইকেল এর পিছন থেকে সে পড়ে যায় এবং গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের সকলের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি প্রতিষ্ঠানটিও বন্ধ পাওয়া যায়। 

পরিবারের লোকদের অভিযোগ সুপ্তী মোটরসাইকেল হতে পড়ে যায় নি। তাকে কোন ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে। তার শরীরে এক্সিডেন্ট করে আহত হওয়ার মতো কোনো চিহ্ন নেই। শুধুমাত্র তার বাম চোখের উপরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে এবং নাক দিয়ে রক্ত আসছিল। তার সহকর্মীরা হাসপাতালে তাকে রেখে পালিয়ে যাওয়া এবং সকল সহকর্মীদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় সুপ্তীর মৃত্যু রহস্যজনক বলে মনে করছেন পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, সুপ্তীর লাশ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো সঠিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ময়নাতদন্ত  রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে । তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বদলগাছীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় আটক-১

বদলগাছীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় আটক-১

রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর, বদলগাছী নওগাঁঃগৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় নওগাঁর বদলগাছীতে একজনকে আটক করেছে বদলগাছী  থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত দেলোয়ার হোসেন দুদু (৬০) উপজেলার বিলাসবাড়ী ইউনিয়নের শর্মাপুর গ্রামের কমর উদ্দিনের ছেলে।৩৫ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ থানায় মামলা করলে বুধবার তাকে  গ্রেপ্তার করা হয় বলে বদলগাছী থানার ওসি চৌধুরী জোবায়ের আহম্মদ জানান।তিনি বলেন, দুদু শনিবার রাত ১২টার দিকে ওই গৃহবধূর ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করেন। গৃহবধূ চিৎকার করলে দুদু দ্রুত পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে এসআই আরিফুল ইসলাম বুধবার সকাল ৯টার দিকে তাকে  গ্রেপ্তার করেন।পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো  হয়েছে বলে জানান ওসি জোবায়ের আহম্মদ।

জবি শিক্ষার্থীরা মাত্র ৯৯ টাকায় ৩০ জিবি ডাটা পাবে

জবি শিক্ষার্থীরা   মাত্র ৯৯ টাকায় ৩০ জিবি ডাটা পাবে
জবি প্রতিনিধি: মহামারি করোনায় অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১৯৯ টাকার ৩০ জিবি ডাটা প্যাকেজের মধ্যে- শিক্ষার্থীরা ৯৯ টাকা প্রদান করবে এবং বাকী ১০০ টাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রবি’কে সরাসরি প্রদান করবে। রেজিস্ট্রেশন ও ব্যবহারের শর্তাবলী সাপেক্ষে সাশ্রয়ী মূল্যে ডাটা প্রদানের এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে পাঠানো উপাচার্য মহোদয়ের আদেশক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। উপাচার্যের সভা কক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও রবি’র মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক চুক্তি হয়।বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহী সকলকে প্রদত্ত লিঙ্কের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়েছে।রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক: https://datapackage.jnu.ac.bd রেজিস্ট্রেশন ও ব্যবহারের শর্তাবলী গুলো হলো: উপরোক্ত লিঙ্কে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর ‘রবি’ রেজিস্ট্রেশনকৃত মোবাইল নম্বরে ডাটা প্যাকেজে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার কনফার্মেশন ম্যাসেজ প্রদান করবে। অতঃপর ১৯৯ টাকা রিচার্জ করতে হবে এবং ইউএসএসডি কোড (*১২৩*৭৭৩৩#) ডায়েল করে বিশ্ববিদ্যালয় ও ‘রবি' প্রদত্ত সুবিধাটি উপভোগ করা যাবে। একজন শিক্ষার্থী ১৯৯ টাকার বিনিময়ে প্রতিমাসে ৩০ জিবি ডাটা পাবেন এবং প্রতিমাসের অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তী মাসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। তবে উল্লেখ্য যে, শিক্ষার্থীকে প্রথমবার বান্ডেলটি কিনতে ১৯৯ টাকা প্রদান করতে হবে (সরকারী নীতিমালা অনুসারে), এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রবি কর্তৃপক্ষের সংগে নাম্বার শেয়ার করার সাথে সাথে ‘রবি’ শিক্ষার্থীর মোবাইল নাম্বারে-এ ১০০ টাকা রিচার্জ পাঠিয়ে দিবে। উক্ত ১০০ টাকা জবি'র পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের অনুকূলে ভর্তুকি হিসেবে ‘রবি'-কে প্রদান করা হবে। প্রতিমাসের অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তীমাসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। প্যাকেজটি ০৫ নভেম্বর, ২০২০ হতে কার্যকর হবে এবং আপাতত ৫ জানুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তুকি প্রদান করবে। প্রয়োজনে ভর্তুকির প্রদানের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে। নিজস্ব অর্থায়নে সমস্ত ভর্তুকি প্রদান করা হবে শুধুমাত্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এ সুবিধা পাবেন;০৫। ব্যবহারকারীর অবশ্যই রবি/এয়ারটেল সিম কার্ড থাকতে হবে। যাদের রবি/এয়ারটেল সিম কার্ড থাকবে না তারা রেজিস্ট্রেশন লিংকে প্রদত্ত ৭৭টি এড্রেসের-এর যে কোন একটিতে যোগাযোগ করে বিনামূল্যে সিম কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। উল্লেখ্য, এখানে সিম কার্ড সংগ্রহের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। একটি রবি/এয়ারটেল ঝওগ কার্ড দিয়ে একবারই রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এই ডাটা প্যাকেজের মাধ্যমে যে সমস্ত সেবাগুলো গ্রহণ করা যাবে: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব পোর্টাল, ই-লাইব্রেরি পোর্টাল, বিডিরেন জুম, গুগল ড্রাইভ, হোয়াটসঅ্যাপ, জি-মেইল, হট-মেইল, ইয়াহু মেইল। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দও ১৯৯ টাকার বিনিময়ে এই সুবিধা পাবেন। তারা কোন ভতুর্কি সুবিধা পাবেন না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের পূর্ব-অবগতি ব্যতিরেকে শর্তের ধারা/মোবাইল নম্বর যুক্ত করা-বাতিল করা/ডাটা প্যাকের পরিবর্তন/ডাটা অপব্যবহারকারীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এর উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ এবং রবি’র চিফ এন্টারপ্রাইজ বিজনেস অফিসার জনাব আদিল হোসেন নোবেল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন। এসময় রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং রবি’র এন্টারপ্রাইজ বিজনেস‘র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম, জেনারেল ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম এবং ম্যানেজার ধীমান কান্তি উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, এই চুক্তির আওতায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ ১৯৯ টাকায় এই সুবিধা উপভোগ করবেন। বিস্তারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। (www.jnu.ac.bd)

কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোরের জন্মদিন

কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোরের  জন্মদিন



মো:আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টারঃস্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধায়। জন্ম ৪ নভেম্বর ১৯৫৫ মৃত্যু ৬ জুলাই ২০২০,সন্ধ্যে ৬টা ৫৫ মিনিটে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।বাংলা প্লেব্যাকের কিংবদন্তী শিল্পী এন্ড্রু কিশোরের ৬৫তম জন্মবার্ষিকী । ১৯৫৫ সালের ৪ঠা নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহন করে তিনি।২০২০ সালের ৬ই জুলাই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বাংলাগানের ভুবনে অনবদ্য অবদান রাখা এই শিল্পী। 

তাঁর উদাত্ত কন্ঠের জাদুতে বাজার মাত করেছে অনেক ফ্লপ সিনেমার গান।  আলম খান, আলাউদ্দিন আলী আর আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলদের মত সুর স্রষ্টাদের প্রথম পছন্দ। আর রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমিন কিংবা সামিনা চৌধুরীর মত শিল্পীদের চোখে সেরা সহশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। চার দশক ধরে রাজত্ব করেছেন প্লেব্যাকের মুকুটহীন সম্রাট হিসেবে।আমার সারা দেহ খেও গো মাটি, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, একদিন তোমায় না দেখিলে, বেদের মেয়ে জোছনা, জীবনের গল্প, পাথরে ফুল ফোটাবো, তুমি যেখানে আমি সেখানে সহ অজস্র গানে নিটোল কারুকাজের কন্ঠস্বরের জাদুতে রঙিন করে রেখেছিলেন বাংলা গানের শ্রোতাদের৷পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও হয়ত আরো বহুযুগ বাংলার শহর, বন্দর হাট মাঠ প্রান্তরে ছড়িয়ে থাকবে এই কিংবদন্তী শিল্পীর কন্ঠস্বর।একজন গায়ক। তিনি বাংলাদেশ সবচেয়ে  বেশী ও অন্যান্য দেশের বহু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। যেজন্য তিনি 'প্লেব্যাক সম্রাট' নামে পরিচিত। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে, জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙের ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান, ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা, সবাই তো ভালোবাসা চায় প্রভৃতি।বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এন্ড্রু কিশোর আব্দুল আজিজ বাচ্চুর অধীনে প্রাথমিকভাবে সঙ্গীত পাঠ গ্রহণ শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর কিশোর নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, আধুনিক, লোক ও দেশাত্মবোধক গানে রেডিওতে তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর কিশোর নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, আধুনিক, লোক ও দেশাত্মবোধক গান শ্রেণিতে রাজশাহী বেতারের সঙ্গে তালিকাভুক্ত ছিলেন। এন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৭ সালে আলম খান সুরারোপিত মেইল ট্রেন চলচ্চিত্রের "অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তাঁর কেউ" গানের মধ্য দিয়ে। তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী চলচ্চিত্রের "ধুম ধাড়াক্কা"। 

তবে এ জে মিন্টু পরিচালিত ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রতীজ্ঞা চলচ্চিত্রের "এক চোর যায় চলে" গানে প্রথম দর্শক তার গান শুনে এবং গানটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি অন্যান্য প্লেব্যাক গান রেকর্ড করেন যেমন 'ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে', 'ভালবেসে গেলাম শুধু' এর মত জনপ্রিয় সব গান।

১৯৭৭ সালে আলম খানের সুরে ‘মেইল ট্রেন’ সিনেমায় ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে এন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয়। সেই শুরুর পর থেকে তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এন্ড্রু কিশোরের খুব জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, আমার বুকের মধ্যে খানে’, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘পড়ে না চোখের পলক’, ‘পদ্মপাতার পানি’, ‘ওগো বিদেশিনী’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘আমি চিরকাল প্রেমের কাঙাল’প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। 

এন্ড্রু কিশোর ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য দেশ-বিদেশের আরও অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন উপমহাদেশের খ্যাতনামা এই শিল্পী।

এন্ড্রু কিশোর সংসার জীবনে স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু এবং সজ্ঞা (২৬) নামে এক মেয়ে  ও সপ্তক (২৪) নামে এক পুত্র সন্তান রেখে গেছেন। তার দুজনই বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াতে পড়াশোনা করছেন। সজ্ঞার পড়াশোনা প্রায় শেষের দিকে।এন্ড্রু কিশোর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়  ম্যানেজমেন্ট  বিভাগে  পড়াশোনা করেছেন।

মোহনগঞ্জে ছাত্র ইউনিয়নের ৯ম উপজেলা সম্মেলন

মোহনগঞ্জে ছাত্র ইউনিয়নের ৯ম উপজেলা সম্মেলন

 

আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি নেত্রকোনাঃনেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন মোহনগঞ্জ উপজেলা শাখার ৯ম  সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে মোহনগঞ্জ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নেরআহব্বায়ক ঐশ্বর্য আফরিন ঋতুর সভাপতিত্বে যুগ্ন আহব্বায়ক রফিক হাসান রনির সঞ্চালনায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।উদ্বোধক ছিলেন সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মোঃআব্দুল বারী, প্রধান অতিথি ছিলেন কমরেড জলি তালকদার, কমিউনিষ্ট পার্টির মোহনগঞ্জ উপজেলা সভাপতি এনামুল হক বাচ্চু, নেত্রকোনা  জেলা ছাত্র ইউনিয়ের সভাপতি মিঠুন শর্মা অভি, এ ছাড়াও উপজেলা কমিউনিষ্ঠ পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

সম্মেলনে ঐশ্বর্য আফরিন ঋতুকে সভাপতি ও রফিক হাসান রনিকে সাধারন সম্পাদক করে ১৯জন বিশিষ্ট উপজেলা শাখার  ছাত্র ইউনিয়ন কমিঠি গঠন করা হয়েছে।

ব্যাটমিন্টন খেলার কথা বলে কিশোরকে বলাৎকার!

 ব্যাটমিন্টন খেলার কথা বলে কিশোরকে বলাৎকার!


মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃমৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ব্যাটমিন্টন খেলার কথা বলে একাধিক যুবক মিলে ১৬ বছরের এক কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠেছে। বলাৎকারের শিকার ওই কিশোরের পিতা বাদি হয়ে বুধবার ৭ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জনের নামে কুলাউড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাজীপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে গত  ২ নভেম্বর সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় এক বাজার থেকে বলাৎকারের শিকার ওই কিশোরকে আতিক মিয়া (১৮) নামে এক যুবক পার্শ্ববর্তী একটি মাঠে ব্যাটমিন্টন খেলার কথা বলে নিয়ে যায়। সেখানে উপস্থিত আতিকের সহযোগী আনছার মিয়া, সামাদ মিয়া, মো. শফিক, সুমন মিয়া, পাপ্পু হোসেন ও আলাউদ্দিন মিলে ওই কিশোরকে জোরপূর্বক নির্জন অন্ধকারে নিয়ে বলাৎকার করে। এ সময় ওই কিশোর চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান বলেন, কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।