গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গনসংযোগে এমপি প্রতিনিধি মোঃ আমিনুর রহমান

 গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গনসংযোগে এমপি প্রতিনিধি মোঃ আমিনুর রহমান

স্টাফ  রিপোর্টারঃ গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গনসংযোগে এমপি প্রতিনিধি মোঃ আমিনুর রহমান। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে  যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ১ নং গঙ্গানন্দপুর  ইউনিয়ন জুড়ে গনসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন অত্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান এমপি প্রতিনিধি মোঃ আমিনুর রহমান। 

তিনি প্রতিদিন ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, হাট বাজার, মহল্লায় ছুটে যাচ্ছেন জনগণের কাছে, জনগণের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনছেন এবং তাদের কে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে পাশা থাকছেন। তারই ধারাবাহিকতায়  আজ ১০ নভেম্বর রোজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত অত্র ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের গঙ্গানন্দপুর গ্রামের বিভিন্ন চায়ের দোকান সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অবস্থানরত জনগণের সাথে যোগাযোগ করেন এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চনে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তাদের দোয়া ও সমার্থন চান।


আমিনুর রহমান কে গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই

 আমিনুর রহমান কে গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই


মোংলা হলো বাগেরহাট জেলার ‘নিউক্লিয়াসথ- পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়

 মোংলা হলো বাগেরহাট জেলার ‘নিউক্লিয়াসথ- পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়


মোঃএরশাদ  হোসেন  রনি, মোংলাঃসম্প্রতি মোংলায় ধর্ষণের শিকার হওয়া শিশুটির লালনপালনকারী মামাকে একটি অটোভ্যান বানিয়ে  দিয়েছে পুলিশ। বাবা-মাথর ফেলে যাওয়া ওই শিশুটিকে দীর্ঘদিন ধরে লালনপালন করে আসছিল তার মামা মিলন শেখ (৩৫)। উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের নারকেলতলা-মাকড়ডোনস্থ আবাসন প্রকল্পে মামার বাড়ীতে থাকাকালীন গত ৩ অক্টোবর প্রতিবেশী আব্দুল মান্নানের লালসার শিকার হন শিশুটি। ওই ঘটনার ১৬ দিনের মাথায় মাত্র ৬ কার্যদিবসের মধ্যেই ধর্ষক আব্দুল মান্নানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় আদালত। 


ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটি যাতে সুষ্ঠুভাবে খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে পারে সেই উদ্দেশ্যে মোংলা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী তার হতদরিদ্র মামাকে একটি অটোভ্যান দেয়ার উদ্যোগ নেয়। সেই উদ্যোগ অবশেষে বাস্তবায়ন করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে মাকড়ডোন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শিশুটির মামার হাতে অটোভ্যান ও ভ্যানের চাবি তুলে দেন বাগেরহাট পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়। হতদরিদ্র মামা মিলন শেখ নতুন অটোভ্যানটি পেয়ে সন্তোষ প্রকোশ করে বলেন, আমি কখনও ভাড়ার ভ্যান গাড়ী চালিয়ে কখনও দিন মজুরের কাজ করে অসহায় ভাগ্নিকে নিয়ে ভীষণ কষ্টে দিনাতিপাত করছিলাম। গাড়ী পেয়ে যে উপকার হয়েছে তা এই মুহূর্তে কেউকে বুঝাতে পারবো না। এই গাড়ীর কিছু টাকা আমি আমার ভাগ্নির ভবিষ্যৎতের জন্য সঞ্চয় করবো। যাতে ওর একটা ভবিষ্যৎ করে দিতে পারি। কারণ আজ ওর কারণেই থানার ওসি স্যার আমাকে এই গাড়ীতে দিয়েছে। আমি ও আমরা ওসি স্যারের জন্য দোয়া করি। 


এর আগে মাকড়ডোন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী নিযার্তন ও ধর্ষণ প্রতিরোধমুলক এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়। এ সময় তার বক্তৃতায় তিনি বলেন, মোংলা হলো বাগেরহাট জেলার নিউক্লিয়াস। এখানে দেশের সকল বিভাগেরই লোকজনই কমবেশি বসবাস করে। তাই বিভিন্ন মতের এ সকল মানুষের নিরাপত্তাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পারাটা পুলিশের একটা বড় অর্জন। এছাড়া উন্নয়নের পূর্ব শর্ত হলো সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন তার উপর নির্ভর করে। কারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল থাকলেই মানুষ সেখানে বিনিয়োগ করে এবং শিল্পকলকারখানা গড়ে তোলেন। তাই মোংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল বলেই এখানে দিনকে দিন নিরাপদে একের পর এক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এ কৃতিত্ব শুধু পুলিশের একার নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদেরও কারণ তারা সার্বক্ষনিক নানাভাবে পুলিশকে সহায়তা করে আসছেন। এ সময় তিনি বাগেরহাট সদর আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দিন  ও তার মা রিজিয়া নাসের এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহারের রোগ মুক্তি ও সুস্থ্যতা কামনা করেন এবং যে যার ধর্মমতে তাদের জন্য দোয়া-প্রার্থনা করার আহবাণ জানান। অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, মোংলা-রামপাল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আফিস ইকবাল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার্ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ: রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম, মোংলা সরকারী কলেজে অধ্যক্ষ গোলাম সরোয়ার ও প্রভাষক নিগার সুলতানা সুমিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। 


চাঁদনী রাত মোঃ রাসেল মিয়া

চাঁদনী রাত            মোঃ রাসেল মিয়া


অপেক্ষার রাত আর কাটে না ।

বসে আছি চাঁদনী রাতের আলোয়,

খোলা আকাশের নিচে ।

কখন আসবে গগণের বুক চিড়ে,

এক ফালি উত্তপ্ত সূর্যটার রশ্মি ।

কোলাহলহীন পৃথিবীটাকে বড়ই শান্ত লাগে,

জোনাকিরা চমকে ওঠে ।

মাঝে মাঝে একরাশ দক্ষিণা বাতাস বয়ে যায়,

আঁধারের মাঝে দোলখায় গাছের পাতাগুলো ।

ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাকে ভেঙ্গে যায় ঘুম,

তারারা জেগে ওঠে,

শুরু হয় তাদের বিচরণ মুক্ত আকাশে,

চুপি চুপি কি যেন বলে যায় ।

ল্যাম্প পোষ্টের নিয়ন আলোয়

একাকী বসে, চেয়ে রই নির্জন পথে ।

যখন শুনি পায়ের আওয়াজ উঠে দাঁড়ায়,

ছুটে যাই পিছু পিছু তার খোঁজে ।

ধীরে ধীরে রাত কাটে পৃথিবীর,

কেটে যায় প্রতিক্ষার প্রহর ।

তবুও আমি আশায় বসে থাকি,

পৃথিবী জুড়ে নামবে কখন ভোর ।

পটিয়ায় জাতীয় পার্টির গনতন্ত্র দিবস পালন

পটিয়ায় জাতীয় পার্টির  গনতন্ত্র দিবস পালন


সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃপটিয়ায় জাতীয় পার্টির  গনতন্ত্র দিবস পালন করেছে। ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার  বিকেলে পটিয়া দলীয় কার্য়ালয়ে উপজেলা ও  পৌরসভা জাপার   যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পটিয়া  উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক আহমদ চেয়ারম্যান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির  কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলার আহবায়ক শামসুল আলম মাষ্টার। পৌরসভা জাপার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ এর  সঞ্চলনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা জাপার যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে আবদুস সাত্তার রণি, মোহাম্মদ মিয়া চৌধুরী, কমিশনার   নুরুল ইসলাম , উপজেলা জাপার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী খোরশেদ আলম, বক্তব্য রাখেন   ডাঃ খোরশেদ আলম,  দিপু মেম্বার,প্রবাসী বদিউল আলম, কৃষক পার্টি   জেলার সভাপতি মাহবুবুর রহমান,  জেলা যুবসংহতির নেতা দুলা মিয়া মেম্বার, দিদারুল আলম, রুপেশ সরকার, জালাল আহমদ, মোরশেদ আলম, মোঃ জাফর, ছাত্রনেতা রবিউল হাসান, মোঃ সাফি, মোঃ আকাশ, শুভ, রাফি এম নুরুল আলম  প্রমুখ। প্রধান অতিথির  বক্তব্যে শামসুল  আলম  মাষ্টার  আওয়ামীলীগ- বিএনপির  শাসন আমলের  গনতন্ত্রের চেয়ে এরশাদের শাসনামলে গনতন্ত্র হাজার গুণ ভালো যে কারণে  শহীদ হয়েছেন নূর হোসেন আশা আকাঙ্খা জাতী পুরণ হয়নি তিনি নুর হোসেন এর   আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, যে আশা নিয়ে নূর হোসেন আত্মদান করেছে, সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। শামসু মাষ্টার  বলেন, নূর হোসেন হয়তো চেয়েছিলেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর শাসনামলের গণতন্ত্রের চেয়ে আরো ভালো গণতন্ত্র পাবে দেশ কিন্তু দেশের জনগণের সে  আশা প্রত্যাশা পুরণ হয়নি।  তাই আগামী যে কোন  নির্বাচনে জাতীয় পার্টি প্রার্থীকে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহবান জানান।



ইফা'র বোর্ড অব গর্ভনরসে আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন

 ইফা'র বোর্ড অব গর্ভনরসে আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন



আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জঃউপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন শাইখুল ইসলাম, আরব ওয়াল আজমের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, বাতেলের আতঙ্ক ,ইসলামী মুলুকের সদর , নি: স্বার্থ  নির্লোভ  ইসলামী  ব্যাক্তিত্য বহুমাত্রিক প্রতিভার  অধিকারী ২০০ শতাধিক  ধর্মীয় বইয়ের লেখক শতশত মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতাও মোতাওয়াল্লি , বাংলাদেশের হাজার হাজার শীর্ষস্থানীয় আলেমদের উস্তাদ ব্রিটিশ  বিরোধী আন্দোলনের  অন্যতম সিপাহসালার ,কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের প্রশান্তি মুকুট হীন সম্রাট ,আদ্ধাতিক জগতের রাহবার ,তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর ,বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্গত টুংগিপাড়া থানার  অন্তর্ভুক্ত গওহরডাঙা গ্রামের মাটি তথা  বাংলার মাটি যাহার জন্য ধন্য সেই মহান ব্যাক্তির সূযোগ ছোট সাহেব জাদা জনাব হযরত আল্লামা হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন সাহেব কে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের সম্মানিত গভর্নর নিযুক্ত করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন । বাংলাদেশ দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যান সমিতির পক্ষ থেকে।

ধন্যবাদানতে-

হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন গোপালগঞ্জী।

মহাসচিব

কেন্দ্রীয় কমিটি বাদাশিকস

ফুলবাড়ীতে চাচাত ভাইয়ের ধর্ষনে অন্তঃসত্বা এক নারী

ফুলবাড়ীতে চাচাত ভাইয়ের ধর্ষনে অন্তঃসত্বা এক নারী



কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে চাচাত ভাইয়ের ধর্ষনে অন্তঃসত্বা এক নারী বিচারের নামে প্রতারণার শিকার হয়ে দুঃর্বিসহ জীবন যাপন করছেন। বিচারে ধর্ষকের সাথে বিয়ের আশ্বাসে দুই লক্ষ ৫ হাজার ক্ষতিপূরণ আদায় করা হলেও টাকা পায়নি অন্তঃসত্বা নারী। পায়নি অনাগত সন্তানের পিতৃ পরিচয়। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার ছোট কামাত গ্রামে।

জানা গেছে,ওই গ্রামের বদিউজ্জামান ওরফে বাহাদুর ভাটিয়ার ছেলে কামরুল ইসলাম বুলবুল (৩০) তার আপন চাচাত বোন এক সন্তানের জননীকে একাধিকবার জোর পুর্বক ধর্ষন করেন। এতে ওই নারী অন্তঃসত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। পরে রাগে অভিমানে নারীর স্বামী বাড়ী ছেড়ে চলে যান। ধর্ষনে অন্তঃসত্বা হওয়ার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্থানীয় মাতব্বরদের ম্যানেজ করে ধর্ষক বুলবুল। এক পর্যায়ে ইউপি সদস্য আব্দুল বাতেনের আয়োজনে ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী শেখের বাড়ীতে সালিশ বৈঠক বসানো হয়।

অন্তঃসত্বা ওই নারী বলেন, আমার এ অবস্থার জন্য বুলবুল দায়ী। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আপোষের নামে আমার কাছে জোর করে সই স্বাক্ষর নিয়ে আমার সাথে প্রতারণা করেছে। আমি তাদের উপযুক্ত বিচার চাই।

ওই নারীর মা বলেন, সালিশে বুলবুলের সাথে তার মেয়ের বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং ক্ষতিপুরণ বাবদ দুই লক্ষ ৫ হাজার টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আপোষনামায় মেয়ের স্বাক্ষর নেন মাতব্বররা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা কোন টাকা পয়সা দেয়নি।

কামরুল ইসলাম বুলবুলকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার পরেও তাকে পাওয়া যায় নাই।ইউপি সদস্য আব্দুল বাতেন জানান, প্রথম সালিশে ছিলাম পরের সালিশে ছিলাম না। তবে ওই নারী অন্তঃসত্বা।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী শেখ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ওই নারী বর্তমানে দুঃর্বিসহ জীবন যাপন করছেন এটা ঠিক। তবে  তার পাওনা বুঝেয়ে দেওয়া হবে।ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোজ খবর নিয়ে তাকে আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।

আগামীকাল বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিক

 আগামীকাল বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিক


তুহিন রানা (আব্রাহাম) ; খুলনা নগর প্রতিনিধিঃআাগামীকাল বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হবে,বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তারই অংশ হিসেবে খুলনা নগর যুবলীগের এক ঘোষনা মতে আাগামীকাল খুলনার শিববাড়ির মোড় থেকে বিকাল ৩ টায় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজিত হবে।

শোভা যাত্রা শেষে খুলনা নগর যুবলীগের প্রধান কার্যালয়ে বিকাল ৫ টায় কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।নগর যুবলীগের আহবায়ক ও যুগ্ম-আহবায়ক সকল নেতা-কর্মীদের মাস্ক পরিধান করে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করার জন্যে কঠোর ভাবে হুশিয়ার করেছন।

আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

 আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত


আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আতওায় কর্মরত স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের অংশ গ্রহনে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুদেষ্ণা সরকার। গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রাখেন সিভিল সার্জন অফিসের সার্ভেলেন্স মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ আমানতউল্লাহ।

বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা কমিটি অনুমোদন

 বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা  কমিটি অনুমোদন


আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃবঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা জেলার, শ্যামনগর উপজেলা শাখার ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

কমিটিতে সভাপতি পদে জি এম আব্দুল গফুর  সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ সালমান সাদিক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১নং আব্দুর রহমান বাচ্চুকে মনোনীত করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ এর সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি, এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক এড. প্রবীর মুখার্জী, মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর ২০২০) শ্যামনগর উপজেলা শাখা কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন।

কমিটির অনান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি  মোঃ শাহিনুর রহমান, সহ-সভাপতি, বাবলু গাজী, আল ইমরান, আবু শাহীন, আনিছুর রহমান, রহুল আমিন, লিয়াকত মোল্যা, ভবসিন্দু মন্ডল, মিলন হোসেন, সিরাজুল ইসলাম ও আকবর হোসেন।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইস্রাফিল হোসেন, মেহেদী হাসান, রেদানুর রহমান শিমুল, অহেদুজ্জামান লিটন, খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক, আরিফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা, হাবিবুর রহমান, উজ্জ্বল হোসেন, সাইফুল ইসলাম, অনিমেশ মন্ডল, অর্থ সম্পাদক আবুল কালাম দপ্তর মোঃ মনিরুজ্জামান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, আইন সম্পাদক এড. শহিদুল ইসলাম, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক রউফ আলী, ত্রাণ সম্পাদক খবিরুল ইসলাম, ধর্ম সম্পাদক হাফেজ আশরাফ আলী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দিলীপ বৈদ্য, মহিলা সম্পাদক কাকুলী আক্তার, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক আব্দুল লতিফ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আয়জুল ইসলাম, মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মহিবুল্লাহ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক মোঃ মামুন, ভূমি সম্পাদক শাহিনুর রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক ডাঃ আলমগীর কবীর। এছাড়া ৭জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৬ জন সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সম্পাদক এবং ৭ জনকে নির্বাহী সদস্য পদে মনোনীত করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।



আটদলীয় গাদনদাড়ি টুর্ণামেন্টের দহাকুলা যুব সংঘ জয়ী

 আটদলীয় গাদনদাড়ি টুর্ণামেন্টের দহাকুলা যুব সংঘ জয়ী



আহসান বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃআশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে আটদলীয় গাদনদাড়ি টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় কাদাকাটি মাদ্রাসা মাঠে টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় খেলাটির শুভ উদ্বোধন করেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল হক মোড়ল। মনোমুগ্ধকর এই খেলায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দহাকুলা যুব সংঘ দল ও আশাশুনি উপজেলার আগরদাড়ী বলাকা যুব সংঘ দল পরষ্পরের মুখোমুখি হয়। নির্ধারত সময়ে উভয় দল কোন গাদন দিতে না পারায় খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারেও উভয় দল কোন গাদন দিতে সক্ষম হয়নি। পরে কমিটি ও রেফারীর সিদ্ধান্তে টচ পদ্ধতিতে দহাকুলা যুব সংঘ দল আগরদাড়ী বলাকা যুব সংঘ দলকে পরাজিত করে জয়লাভ করে। আকর্ষণীয় এই খেলাটি পরিচালনা করেন, রেজাউল ইসলাম। ধারাভাষ্যে ছিলেন, শিক্ষক আফসার আলী ও ফরহাদ হোসেন। ইউপি সদস্য আবু হাসান বাবুর সভাপতিত্বে এসময় সাবেক মেম্বার আঃ হান্নান সরদার, ইয়াকুব আলী বেগ, বিশিষ্ট সমাজসেবক নুরুল হক, আলহাজ্ব বদরউদ্দীন সরদার, আঃ মান্নান, ছদরউদ্দীন সরদার, ইউনুছ আলী, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য অমৃত কুমার সানা, আলমগীর হোসেন আঙ্গুরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ ও দর্শকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। একই মাঠে আগামী ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের শেষ খেলায় সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ী একতা সংঘ দল ও কাদাকাটি কেআর যুব সংঘ দল পরষ্পরের মুখোমুখি হবে।


উলিপুর গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেল এর ধাক্কায় নিহত ১, আহত ১

 উলিপুর গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেল এর ধাক্কায় নিহত ১, আহত ১


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ মোটলসাইকেল এর সাথে গাছের ধাক্কায় ১ জন মুত্যুবরন করেছেন,এবং ১ জন আহত হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে উলিপুর-রাজারহাট রোডের বাকেরহাটে নামে স্হানে। 

বেলা ১ টার  দিকে এই  ঘটনাটি ঘটে। দূর্ঘটনার নিহহত ব্যক্তির মোঃ নুরনবী।  তার সঙ্গে থাকা আইডি কার্ডের ঠিকানা অনুযায়ী জানা যায়,তিনি রাঙ্গামাটি বন বিভাগের বন প্রহরী পদে কর্মরত।  নিহত ব্যক্তি চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ বাজারের খড়খড়িয়া গ্রামের মৃত্য মোহাম্মদ আলীর পুত্র।


নিখোঁজের ৪ দিন পর লাশ উদ্ধার!

নিখোঁজের ৪ দিন পর লাশ উদ্ধার!





মোঃ সবুজ মিয়া, বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার গাবতলীতে নিখোঁজ হওয়ার ৪দিন পর যুবক শামীম হোসেন (২৩) এর লাশ উদ্ধার হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে লাশের সুরতহাল রির্পোট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ৯ নভেম্বর সোমবার সকালে উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের সোনাকানিয়া দহের আগারীর কচুরীপানা’র মধ্যে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শামীম উপজেলার পাশ্ববর্তী নশিপুর ইউনিয়নের নিজগ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। জানা গেছে, শামীম হোসেন গত ৬নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে আর ফিরে আসেনি। তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে আত্নীয় স্বজনসহ বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া না গেলে গত ৭নভেম্বর তার মামা মহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন। যার সাধারণ ডায়েরী (জিডি) নং ২৮২, তাং ০৭-১১-২০। জিডি’র বাদী মহিদুল ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়ে ছিলেন, নিখোঁজ হওয়া শামীম হোসেন কিছু দাদনের ব্যবসা করতো। দাদনের টাকা নিয়ে কিছু মানুষের সাথে দ্বন্দ্ব থাকায় তারা শামীমকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এ ছাড়া নারী সংক্রান্ত একটি ঘটনাও ছিল বলে তিনি (বাদী মহিদুল) জানিয়ে ছিলেন। যে কারনে পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে ছিলেন তিনি। এর এক পর্যায়ে ৯ নভেম্বর সোমবার সকাল আনুমানিক ৭টায় উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের সোনাকানিয়া দহের আগারীতে একজন কৃষক তার জমিতে কচুরীপানা পরিস্কার করতে গেলে কচুরীপানা’র মধ্যে লাশটি দেখতে পায়। পরে আশে পাশের লোকজনকে ঘটনাটি জানালে পুলিশকে সংবাদ দেয়া হয়। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুরুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, শামীমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, তার গলায়, কানে ও হাতের কনুই’র উপরেসহ শরীরে বেশ কয়েকটিস্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চিহ্ন পাওয়া গেছে। ওসি মোঃ নুরুজ্জামান জানান, হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

কালিয়ার নড়াগাতি দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ১০ জন

 কালিয়ার নড়াগাতি দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ১০ জন


মো:আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইলঃএলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার মূলখানা গ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে রায়হান ফকির রানা (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এছাড়া অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। নিহত রানা মূলখানা গ্রামের ফায়েক ফকিরের ছেলে এবং সে বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরি করতেন।পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নড়াগাতির থানার মূলখানা গ্রামের সবুর ফকির ও মান্নান শিকদার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছে। এর জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে মান্নান শিকদার গ্রুপের লোকজন প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রায়হান ফকির রানা, মশিয়ার চৌকিদার, চাঁন মিয়া, নাসির শেখ ও আরজ আলী ফকিরসহ অন্তত ১০ জন গুর“তর জখম হন। গোপালগঞ্জ হাসপাতালে নেয়ার পথে রানা মারা যান।নড়াগাতি থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রোকসানা খাতুন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।

নড়াইলের লোহাগড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত

 নড়াইলের লোহাগড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত


মো: আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইলঃনড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সামনে নড়াইল থেকে আশা মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আকবর শরীফ (৬৫) পিতা মৃত সুলতান শরীফ সাং লাহুড়িয়া ডিগ্রিরচর থানা লোহাগড়া জেলা নড়াইল এর মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার পথচারী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার সামনে থেকে  দ্রুতগতিতে আসা থেকে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়, এ সময় পথচারী লোকজন তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে ডিউটিরত ডাক্তার মো: শরিফুল ইসলাম জানান হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায় মোটরসাইকেলটি ও মোটরসাইকেলের থাকা ১/মো: হেলাল আহমেদ, (১৪) পিং মো: পিকুল মোল্লা, ২/ চালক মো: আরিফ খন্দকার, (১৫) পিং মো: আজিবার খন্দকার, সর্ব সাং রামচন্দ্রপুর থানা জেলা নড়াইল সদর নড়াইল কে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার, আসামী গ্রেফতার

 ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী  ধর্ষণের শিকার, আসামী গ্রেফতার

 

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের নগরকান্দায় ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার  পুরাপাড়া ইউনিয়নের বেতাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে থানা পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।

অভিযোগে জানাগেছে উপজেলার বেতাল গ্রামের ৯ বছরের এক  শিশুকে ঘরে একা পেয়ে প্রতিবেশী আইয়ুব কাজীর ছেলে আব্দুল করিম কাজী (২২) শিশুটিকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। শিশুর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ধর্ষক  করিম কাজী পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নগরকাদা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এ ব্যাপারে শিশুটির ভাই বাদী  হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে  মঙ্গলবার সকালে মামলার আইও  নগরকান্দার উপ পরিদর্শক রবিউল ইসলাম ধর্ষক করিম কাজী কে  গ্রেফতার করেছে। 

নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। ধর্ষন হয়েছে কিনা সেটা জানার জন্য শিশুটিকে ফরিদপুর ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।

থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ মোঃ সোহেল রানা  বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে  করিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারী পরিক্ষার পর সঠিক তথ্য জানাযাবে।

কয়রায় স্কুল পর্যায়ে যৌন হয়রানী প্রতিরোধে কমিটি গঠন

 কয়রায় স্কুল পর্যায়ে যৌন হয়রানী  প্রতিরোধে কমিটি গঠন


মোহাঃ ফরহাদ হোসেনঃকয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলা জলবায়ু পরিষদের উদ্যোগে সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানী প্রতিরোধে কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে  প্রধান শিক্ষক এস এম খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে ও সিএসআরএল প্রকল্পের উপজেলা ফিল্ড অফিসার নিরাপদ মুন্ডার পরিচালনায় এ উপলক্ষে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা অধিদপ্তরের আবু সাঈদ, জলবায়ু পরিষদের সদস্য প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা, সাংবাদিক রিয়াছাদ আলী, প্রধান শিক্ষক এস এম নুরুল আমিন নাহিন, ইউপি সদস্য সুলতানা মিলি, শিক্ষক  রনজিত কুমার মন্ডল, বরুন কুমার বৈরাগী, আব্দুস সবুর, চম্পাবর্তি তরফদার, নিপা আক্তার প্রমুখ। আলোচনা শেষে প্রধান শিক্ষক এস এম খায়রুল আলমকে সার্বিক দায়িত্বে ও চম্পাবর্তি তরফদারকে আয়বায়ক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ঠ যৌন হয়রানী প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়।

তরুণ লেখক মোহাম্মদ অংকন-এর উপন্যাস আসছে

 তরুণ লেখক মোহাম্মদ অংকন-এর উপন্যাস আসছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তরুণ লেখকদের মধ্যে একটি পরিচিত নাম মোহাম্মদ অংকন। দেশের জাতীয় পত্রিকার উপসম্পাদকীয় পাতা, সাহিত্য পাতা, শিশু-কিশোর পাতাসমূহ যার একচ্ছত্র দখলে। প্রতিদিন কোনো না কোনো পত্রিকায় লেখা প্রকাশ হবেই। শুধু তাই নয়- উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতেও তার লেখা প্রকাশ হয়। নিয়মিত লেখা প্রকাশের মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে উঠেছেন। ইতোমধ্যে তার ছয়টি বই প্রকাশ হয়েছে। সে সব বই কোনোটা শিশুদের, কোনোটা কিশোরদের। আবার কোনোটা ছিল ছোটগল্পের বই। তার কোনো উপন্যাসের বই প্রকাশ হয়নি বলে পাঠকমহলের বেশ আশা ছিল। এবার সে আশা পূরণের পথে। দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘কবি প্রকাশনী’ থেকে আসছে তার প্রথম উপন্যাস ‘আলোমতি’।

৯ নভেম্বর রোজ সোমবার দুপুরে ‘কবি প্রকাশনী’র প্রধান কার্যালয়ে লেখক-প্রকাশক চুক্তিপত্র সম্পন্ন হয়েছে। ‘কবি প্রকাশনী’র প্রকাশক সজল আহমেদ জানান, ‘তরুণ লেখক মোহাম্মদ অংকন-এর প্রথম উপন্যাস আমরা প্রকাশ করতে পেরে আনন্দিত। ‘আলোমতি’ নামের উপন্যাসটি ১লা ডিসেম্বর প্রকাশ পাবে। ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রকমারি ডট কমসহ দেশের সকল অনলাইন বুক মার্কেটে প্রি-অর্ডার শুরু হবে। এছাড়া প্রথম ৩০০ জন পাঠককে লেখকের অটোগ্রাফসহ বইটি দেওয়া হবে।’ তিনি আরও জানান, ‘শুধু বইমেলা নয়, আমরা সারা বছর বই প্রকাশ করে থাকি। দেশের বড় বড় লাইব্রেরি ও বিক্রয়কেন্দ্রে আমরা বই সরবরাহ করে থাকি। সে হিসেবে তরুণ এই লেখকের বই সারা দেশের পাঠকের কাছে পৌঁছে যাবে বলে আশা রাখি।’

প্রথম উপন্যাস প্রকাশের অনুভ‚তি ব্যক্ত করে মোহাম্মদ অংকন জানান, ‘আমি এমনই একটা সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম যে কেউ আমাকে একটু উপরে উঠার সুযোগ করে দিক। করোনার এই দুঃসময়ে ‘কবি প্রকাশনী’ আমার পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারা আমাকে নিয়ে এত এত প্ল্যান করেছেন যা সত্যই আমার জন্য অনেক বড় কিছু।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকের প্রত্যাশা ছিল আমার উপন্যাসের বই আসুক। তা এবার পূরণ হল। আরও একটি প্রত্যাশা পূরণ হবে তা হল বইতে অটোগ্রাফ দেওয়া। এজন্য পাঠক ও শুভাকাক্সিক্ষদের আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য।’

কৃষি জমিতে কচুরিপানা ভর্তি, কৃষক হতাশ

কৃষি  জমিতে কচুরিপানা ভর্তি, কৃষক হতাশ


রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর আত্রাইয়ে বন্যার পানিতে ভেসে আসা কচুরিপানাতে আবাদি জমি ভরে গেছে। এসব কচুরিপানা পরিস্কার করতে কৃষকরা এখন দিশাহারা। আসন্ন বোরো মৌসুমে ধানচাষ নিয়ে তারা চিন্তায় হতাশা হয়ে গেছে৷ 

জানা যায়, এইবারে আত্রাইয়ে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কৃষকের সকল আসা স্বপ্ন ম্লান হয়ে যায়। একাধিকবার কৃষকরা  আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়েও ব্যর্থ হন। পরপর দু’বারের বন্যায় তাদের সকল স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছে৷  বন্যায় নদীর বিভিন্ন বাঁধের ভাঙন দিয়ে প্রচুর পরিমান কচুরিপানা প্রবেশ করেছে মাঠে। কচুরিপানা প্রবেশের পর তা আর বের হয়নি। ফলে এ কচুরিপানাগুলো আবদি জমিতে আটকা পড়ে যায়। উপজেলার কাঁন্দওলমা, বাঁকিওলমা, বিপ্রবোয়ালিয়া, পবনডাঙ্গা, নবাবেরতাম্বু, খনজোর, মধুগুড়নই, ভোঁপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা যায় ওই মাঠগুলোতে প্রচুর পরিমান কচুরিপানা আবাদি জমিতে আটকে পড়েছে। ফলে এসব কচুরিপানা পরিষ্কার করে জমিগুলো বোরো চাষের উপযোগী করতে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কাঁন্দওলমা গ্রামের কৃষক ওহিদুর রহমান বলেন, আমাদের অনেক জমিতে কচুরিপানা আটকে পড়েছে। বিশেষ করে যে জমিগুলোতে আমরা বোরো বীজতলা তৈরি করতাম এ জমিগুলোও এখন কচুরিপানার নিচে পড়ে রয়েছে। এ কচুরিপানা পরিষ্কার করতে আমাদের অতিরিক্ত অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

মধুগুড়নই গ্রামের কৃষক মো. হাসান বলেন, আমাদের মাঠে যেমন কচুরিপানা, তেমনি ঘাস জন্মেছে। কচুরিপানা ও ঘাস মারা ওষুধ দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না। এখন বোরো চাষের উপযোগী করতে আমাদের প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। এভাবে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করে আমরা আবাদ করি। কিন্তু সময়মত আমাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় আমরা লোকসানের শিকার হই। উপজেলা কৃষি অফিসার কেএম কাউছার হোসেন বলেন, আত্রাই বোরো ধানের জন্য বিখ্যাত একটি এলাকা। এ উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়। এবারে বন্যায় কৃষকের অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে। সেই সাথে আবাদি জমিগুলোতে কচুরিপানা আটকে থাকায় আরও তাদের জন্য আর্থিক ক্ষতিকর। তবে তাদের সরকারীভাবে কিছুটা সহযোগিতা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের প্রণোদনা সহায়তার আওতায় নেয়া হয়েছে৷

মোংলায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার চেষ্টা ও এক নারীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ

 মোংলায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে তেল ব্যবসায়ীকে হত্যার চেষ্টা ও এক নারীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ মোংলা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাহবুবুর রহমান মানিকের নেতৃত্বে আঁখি সিনেমা হল সংলগ্ন একটি বাড়ীতে ঢুকে এক নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানীর চেষ্টা ও সোনা গহনাসহ বিভিন্ন মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। ওই নারীকে রক্ষায় এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীদেও বেদম মারপিটের আঘাতে গুরুতর আহত হন তার নিকট আত্মীয় বাজারের তেল ব্যবসায়ী শহিদুল গাজী। এ ঘটনায় মোংলা থানায় এজাহারের জন্য অভিযোগ দেয়ার দুইদিন পরও মামলা গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। 

এজাহারভুক্ত করার জন্য থানায় দাখিলকৃত অভিযোগ ও  সন্ত্রাসী হামলায় আহত শহিদুল গাজীর স্ত্রী  মুক্তা বেগম জানান, গত ৭ নভেম্বর পৌর শহরের আঁখি সিনেমা হল সংলগ্ন তার ভগ্নিপতির পৈত্রিক বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তার অপর দুইবোন শিরিন আক্তার ও নাজমা বেগম। ওইদিন দুপুর দুইটার দিকে পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক ও তার সহযোগীরা মিলে তাদের ঘরে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। এ সময় তারা শিরিন ও নাজমার শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায়। জোরপূর্বক তাদের গলায় থাকা সোনা গহনা ও ঘরের মুল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। মুক্তা বেগম বলেন, তার দুই বোনের ডাক-চিৎকার শুনে সেখানে ছুটে যান তার স্বামী শহিদুল গাজী। এরপর সন্ত্রাসীরা তার স্বামী ও তার দুইবোনকে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে বেদড়ক মারপিট কওে তাদের মাথা পাঠিয়ে দেয় এবং শরিরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক জখম করেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সরোয়ার হোসেন, মোঃ ইউছুব, রিনা বেগম ও গোলাম রব্বানী তাদেরকে সন্ত্রাসীদের কবল থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

মোংলা  পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএলএস সড়কের বাসিন্দা মরহুম আঃ সালাম ফকিরের একটি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে কয়েক মাস যাবৎ। আঃ সালামের দুই স্ত্রী, ৫ ছেলে ও এক মেয়ে ওই জায়গাটি দীর্ঘদিন সমহারে ভোগদখল করে আসছিলেন। তবে ওই সম্পত্তিটি  মরহুম সালামের এক স্ত্রী এককভাবে দাবী করায় তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। ওই সম্পত্তি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বরাদ্দ নিয়ে ছিলেন মরহুম আঃ সালাম। আর ওই বিরোধকে পুজি করে বিএনপি নেতা মানিক চুক্তির মাধ্যমে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সেখানে লুটপাট, হামলা আর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। এমন ঘটনায় ৭ নভেম্বর রাতে মোংলা থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার করতে একটি অভিযোগ দাখিল করেন সন্ত্রাসী হামলায় আহত শহিদুলের স্ত্রী মুক্তা বেগম। কিন্তু দুইদিন পরও মামলা না নেয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। 

এ বিষয়ে মাহবুবুর রহমান মানিক বলেন, ওই ঘটনার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবী করেন।   

এর আগে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত  মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মোংলা বন্দরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ উঠে মাহবুবুর রহমান মানিকের বিরুদ্ধে। তখন এ নিয়ে একটি মামলাও হয় তার বিরুদ্ধে। কিন্তু ওই সময় পুলিশ তাকে আটক না করে জামিন নেয়ার সুযোগ করে দেয়ার অভিযোগও রয়েছে।  

এ বিষয়ে জানতে মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জের মুঠোফোনে ফোন দিলে অপর প্রান্তে ফোনটি রিসিভ করেন থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ জাহাঙ্গাীর আলম। তিনি বলেন, তারা অভিযোগ পেয়েছেন। দুই পক্ষকে নিতেয় একটি সমঝোতার চেষ্টা করছেন।  

এদিকে হামলা ও নারীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার ঘটনায় মামলা না নেয়া আর পুলিশের কর্মকার্ন্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু ঐক্য পরিষদের সাথে চাত্রলীগের মতবিনিময়

বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু  ঐক্য পরিষদের সাথে চাত্রলীগের মতবিনিময়

 

কুলাউড়া প্রতিনিধিঃ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ এর নেতৃবৃন্দের সাথে বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু  ঐক্য পরিষদ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শাখার নব নির্বাচীত নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়। শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতি জুনেদ আহমদ সহ সভাপতি: মেহরাব হোসেন জুনেল, সাধারন সম্পাদক : এ এম ফারহান সাদিক, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শেখ টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক :জাবেদুর রহমান ডেনেস, তোফায়েল আহমদ ইমন। 

উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচীত কমিটির  সভাপতি শাহিদুল আলম তপু , সহ-সভাপতি উজ্জ্বল দাস, রহমান রুহান, সাধারন সম্পাদক :আনোয়ারুল আজিম খান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক : জিবরান হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ আহমদ, আফ্রিদুল করিম মাহেল, রেজুয়ান হোসেন, প্রচার সম্পাদক :দিদারুল ইসলাম দিদার, ক্রীড়া সম্পাদক সপিকলু দাস।

সাধের ম্যারেজ সার্টিফিকেট

সাধের ম্যারেজ সার্টিফিকেট


চীনে আসার পর ফ্যামিলি আনার ব্যাপারে জানতে পারলাম পাসপোর্টের সাথে ম্যারেজ সার্টিফিকেট এবং বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন লাগবে এবং সেটা চাইনিজ অ্যাম্বাসি থেকে সত্যায়ন করতে হবে যেহেতু হিন্দু বিবাহ রীতিতে বিবাহের সময়ে রেজিস্ট্রেশনের কোন বাধ্যবাধকতা ছিলনা তাই বিয়ের ৬ বছর পরে গিয়ে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করলামঅভিজ্ঞ অন্যদের থেকে তথ্য নিয়ে জানতে পারলাম ২০০ টাকার স্ট্যাম্পে (১০০ টাকার দুই পৃষ্ঠা) এফিডেফিট করলেই হবে। এফিডেফিট করলাম যে আমি অমুক, অমুক তারিখে অমুক কে উভয়ের সম্মতিতে বিবাহ সম্পন্ন করি  এবং সুখে শান্তিতে বসবাস করে আসছি ব্লা ব্লা ব্লা... এবং আমাদের একটি কন্যা সন্তান আছে। এরপর সেটা নিয়ে নোটারি করালাম। নোটারাইজ অফিসার লাল রঙের শাপলা ফুলের আকৃতির লাল টকটকে একটা চিহ্ন মেরে দেওয়ার পাশাপাশি দুই পৃষ্ঠা জুড়ে আরও বেশ কয়েকটা ছিল ছপ্পর দিল। মনে মনে অনেক শান্তি পেলাম এটা ভেবে যে অবশেষে ম্যারেজ সার্টিফিকেটে বেশ কয়েকটা অফিসিয়াল ছিল ছপ্পর পড়েছে। সময় হাতে না থাকায় নোটারাইজেশানের কাজটুকু করে আমি চীনে চলে আসি।  

এবার মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়ন করার পালা। মন্ত্রণালয় নামটা শুনলেই কেন জানিনা মনের ভিতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে। হতে পারে সেটা গর্বে আবার হতে পারে কিছু কিছু মন্ত্রণালয়ের নিন্ম শ্রেনির বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সামান্য ব্যাপার নিয়ে হাইকোর্ট দেখানোর ইঙ্গিত নিয়ে। যেটাই মনে হোক না কেন মন্ত্রণালয়ের দারস্ত হওয়া ছাড়া এখন আর উপায় নেই। আমি চীনে থাকায় সবকিছু ম্যানেজ করতে হচ্ছিল ফোনে। প্রথমে শ্যামল কে দিয়ে নোটারি করা কাগজটি আইন মন্ত্রণালয়ে সত্যায়নের জন্য পাঠালাম। শ্যামল আমাদের গ্রামের ছেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রআইন মন্ত্রণালয়ের কেউ একজন শ্যামলকে এতটায় ভয় দেখিয়েছে ও ফিরে এসে আমাকে ফোনে বলল ‘কাকা এটাতে হবেনা, ইউপি চেয়ারম্যানের থেকে প্রত্যায়ন লাগবে। আর ৫ হাজার টাকা দিলে কিছুই লাগবেনা ওনারা সত্যায়িত করে দেবেআমি ওকে বললাম ‘টাকা কিজন্য দেব? বৈধ জিনিস নেব, কাগজ পত্রের ঘাটতি থাকলে সেটা জমা দেব কিন্তু টাকা কিজন্য লাগবে?......’ অনেকক্ষন শ্যামলের সাথে কথা বলার পরে বাবাকে ফোন দিলাম ইউপি চেয়ারম্যানের থেকে প্রত্যায়ন নেওয়ার জন্য। বাবা পরেরদিন ইউপি চেয়ারম্যানের থেকে প্রত্যায়ন নিয়ে ঢাকায় কুরিয়ার করল, শ্যামল দুইদিন পরে সেটা হাতে পেয়ে আবার আইন মন্ত্রণালয়ে গেল। চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন দেখে মন্ত্রণালয়ের সেই ভদ্রলোক আর কোন অজুহাত দেখাতে পারল না অর্থাৎ জমা নিল। পরের দিন আইন মন্ত্রণালয়ের কাজ সম্পন্ন হল।

বার যেতে হবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েআগে থেকেই জানা ছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেশ সুনাম আছে। তাই আইন মন্ত্রণালয়ের কাজ হয়ে যাওয়ায় একটু হলেও ভাল লাগা কাজ করছিল। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ও একই কথা এটাতে হবেনা। রেজিস্টার্ড ব্রাহ্মণ থেকে সার্টিফিকেট লাগবে। সেখানে সহকর্মীর স্ত্রীর চাকুরির সুবাদে একটু সুবিধা পেলাম। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজও মোটামুটি সফল বলা যায়সেজন্য চীনে বসে মনেমনে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম যে অনেক হাতের কাজ গুছিয়ে ফেলেছি। এখন দেশে গিয়েই বউ বাচ্চা নিয়ে আগে ভিসা অফিসে যাব তারপর ভিসার জন্য পাসপোর্ট এবং সত্যয়নের জন্য সার্টিফিকেট জমা দিয়ে দুই মাস আরামচে নিজের বাড়ী সহ আত্মীয় স্বজনের বাড়ী ঘুরে বেড়াব।

যেই কথা সেই কাজ। নির্ধারিত সময়ে রাতের ফ্লাইটে দেশে গিয়েই ভোরে বউ বাচ্চা সহ চাইনিজ অ্যাম্বাসি গিয়ে ভিসার জন্য ওদের পাসপোর্ট জমা দিলাম। কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করে কর্তব্যরত অফিসার পাসপোর্ট জমা নিল। চাইনিজ অ্যাম্বাসি পাসপোর্ট রিসিভ করা মানে ভিসা হবে এরকমটা ভাবাই যায় (আগে বেশ কয়েকবার চীনে আসার অভিজ্ঞতায় এরকমটায় আমার মনে হয়)। আর কাগজ পত্রে কোন গড়মিল থাকলে ওনারা পাসপোর্ট জমা রাখেনা। যাইহোক এরপর দিলাম ম্যারেজ সার্টিফিকেট আর বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন। চাইনিজ এম্ব্যাসির কাউন্টারে বসা ভদ্রমহিলা জমা দেওয়া কাগজের এপিঠ ওপিঠ উল্টে পাল্টে দেখে আমাকে ফেরত দিয়ে বলল এগুলো হবেনা। আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মত অবস্থা। যার জন্য এত কিছু আর এখন উনি বলেন এটাতে হবেনা। আমি কারন জিজ্ঞাসা করলে উনি বললেন এটা ৩ দিন আগে সত্যায়নের মেয়াদ ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে তাই আবার সত্যায়ন করাতে হবে মনে মনে অনেক রাগ হল। আমার জানা ছিলনা এখানে সত্যায়নের ব্যাপারে ছয়মাস খুবই কড়াকড়ি ভাবে পালিত হয়। দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা শেষ করে নিজের সহ অন্যের শয়ে শয়ে সার্টিফিকেট নিজেরাই সত্যায়িত করেছি নিলক্ষেত থেকে স্ট্যাম্প তৈরি করে। সেখান থেকেই সত্যায়িতের ব্যাপারটা কেন জানিনা নিজের কাজে একেবারে ফালতু মনে হত। কিন্তু এটা যেহেতু বিদেশী ব্যাপার স্যাপার ছিল তাই একটু বেশিই গুরুত্ব দিয়েছিলাম তার পরেও এখানে এসে ব্যর্থ হলাম। কি আর করার এতদিনের পরিশ্রম সব পন্ড। পাসপোর্ট জমা দিয়ে ফিরে এলাম। আবার দৌড়াতে হবে সেই আইন মন্ত্রনালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তারপর অ্যাম্বাসিতে। বুঝলাম দুইমাসের ছুটিতে দেশে আসার মজা আজ প্রথম দিনেই শেষ।

এবার নিজে সশরীরে উপস্থিত থেকেই আবার একই কাজের পুনরাবৃতি শুরু করলাম। এফিডেফিট, নোটারি তারপর আইন মন্ত্রনালয়। এবার আইন মন্ত্রনালয় অনড় এটাতে হবেই না। ব্রাহ্মণের সার্টিফিকেট লাগবেই, না ব্যবস্থা করতে পারলে তারা টাকার বিনিময়ে ব্যবস্থা করে দেবে। আমি তখন খুলনা ছিলাম, তাই খুলনার শীতলা বাড়ির মন্দিরের রেজিস্টার্ড ব্রাহ্মণ থেকে নির্দিষ্ট ফিস দিয়ে সার্টিফিকেট করিয়ে নিলাম। পরে সেটা নোটারী করিয়ে খুলনা থেকে অফিসের ঠিকানায় কুরিয়ার করলাম। অফিসের সহকর্মী সেটা নিয়ে আইন মন্ত্রনালয়ে গেল, তারা এবার ও রাখতে নারাজ। এটাতে ও নাকি কিসব ঝামেলা আছে। পরে সহকর্মী অনেক অনুনয় বিনয় করে জমা দিল এবং কাজ হলপরের দিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে ওটা জমা নেবেনা। আমাদের সবার পাসপোর্টের কপি লাগবে, বউ কিজন্য বিদেশে নেবে? আপনার কলিগ কোথায়? উনি না এসে আপনি কেন এসেছেন? এসব আযাচিত প্রশ্ন করেছে আমার কলিগ কে। আবার সেই সহকর্মীর স্ত্রীর সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা নিল।

পরের দিন আমি বউ বাচ্চার ভিসা নেওয়ার জন্য ঢাকা রওনা দিলাম আর ভাবলাম একেবারে ম্যারেজ সার্টিফিকেট টাও সত্যায়নের জন্য অ্যাম্বাসিতে জমা দেব। কারন চাইনিজ অ্যাম্বাসিতে পাসপোর্ট পিক আপে কোন লাইন থাকে না কিন্তু জমা দেওয়ার লাইন অনেক লম্বা। শুধু এই সুবিধা টুকু নেওয়ার জন্য এত দিনের অপেক্ষা। তাছাড়া ইতোমধ্যে ভিসা অফিস থেকে পাসপোর্ট পিক আপের সময় বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। ভিসা পাওয়ার পরে বিমানের টিকিট কাটার ও ব্যাপার আছে। বিমানের টিকিট যত আগে করা যাবে ভাড়া ও একটু কম লাগে সেজন্যও আমার মধ্যে একটু তাড়াহুড়োও ছিলমাঝপথে আসার পরে কলিগের কাছে ফোন দিয়ে জানতে পারলাম আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্টিফিকেট ফেরত দেবেনা, ফেরত দেওয়ার তারিখ নাকি পরের দিন কিছুটা ভুল বোঝার জন্য এই পরিনতি। আমি যেহেতু ঢাকার আসার মাঝপথে তাই ফিরে যাওয়ার ও পথ দেখলাম না। ভাবলাম ম্যারেজ সার্টিফিকেট ছাড়াই ভিসা নিয়ে আসি। অফিসের সিনিয়র কলিগ কে সব জানালাম। উনি বললেন তুমি ভিসা নিয়ে যাও আমি কাউকে দিয়ে অ্যাম্বাসি থেকে ম্যারেজ সার্টিফিকেট সত্যায়িত করিয়ে নেবযাক একটু হলেও মাথার উপর থেকে একটা চিন্তা কমল।

আমি অ্যাম্বাসি গিয়ে স্ত্রী এবং মেয়ের ভিসা সম্বলিত পাসপোর্ট নিয়ে খুলনা রওনা দিলাম। পরের দিন কলিগ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে থেকে কাগজ পত্র এনে দেখে সেখানে মেইন যে সার্টিফিকেট সেটা নেই মানে ম্যারেজ সার্টিফিকেট করানোর সময় আমাকে দুইটা কাগজ দেওয়া হয়েছিল। একটা সার্টিফিকেট আর একটা তথ্যবহুল কাগজ। সেই সার্টিফিকেট টায় মিসিং, কিভাবে মিসিং হল সেটা জানিনা। আমাকে ফোনে জানানোর পরে আবার মাথায় হাত মানে আবার সবকিছু প্রথম থেকে করতে হবে? তখন কলিগ আমাকে বললেন সমস্যা নেই এটাই সত্যায়ন করলে হবে আশাকরি।

আমার সিনিয়র কলিগ নিজেও কিছুদিন আগে চীন থেকে পিএইচডি করে সস্ত্রীক দেশে ফিরেছিলেন। তাই উনি এ বিষয়ে নিঃসন্দেহে ভালোই অভিজ্ঞ। ইতোমধ্যে প্রায় ২০-২২ দিন পার হয়ে গেছে তাই উনি আর দেরি না করে পরেরদিন ভোর ৫ টায় অফিসের কর্মচারীকে দিয়ে চাইনিজ অ্যাম্বাসিতে পাঠাও এর বাইকে করে পাঠালেনসে পৌছে দেখে ইতোমধ্যে ৫০ জন সিরিয়ালে। একজন ১০ হাজার টাকা চেয়েছে সিরিয়াল এগিয়ে দেওয়ার জন্য। ও ফিরে আসল পরের দিন আরও ভোরে গিয়ে দেখে আরও লম্বা লাইন। সেদিনও ফিরে আসল। এভাবে হবেনা সেটা ভালোরকম বোঝা গেল। আমি বাড়িতে অনেক দুশ্চিন্তায় আছি, ভিসা পেয়েই বিমানের টিকিট করা শেষ এখন ম্যারেজ সার্টিফিকেট অ্যাম্বাসি থেকে সত্যায়িত না করতে পারলে চীনে আসার পরে ওটার কোন মূল্য নেই। কলিগ সব শুনে বুঝে আমাকে টেনশন করতে না করলেন উনি আমাকে আশ্বাস দিলেন কোন ট্রাভেলিং এজেন্সির মাধ্যমে অ্যাম্বাসি থেকে সত্যায়িত করিয়ে নেবেনসেক্ষেত্রে ফিস একটু বেশি পড়বে কিন্তু ওই মুহূর্তে ফিসের ব্যাপার নিয়ে ভাববার বিষয় নয়, কারন ইতোমধ্যে আমাদের যাওয়ার দিন ঘনিয়ে আসছে পরে উনি নিজ দায়িত্ব নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সি দিয়ে সত্যায়িত করার পর্ব শেষ করলেন। চীনে আসার আগেরদিন সেটা হাতে পেলাম। বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন নিয়ে কোন খানে কোন ঝামেলা হইনি।

চীনে আসার পরে আমার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলল ম্যারেজ সার্টিফিকেট এবং বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন চাইনিজ ভাষায় ট্রান্সলেট করাতে হবে। আমি বললাম এটাতো ইংলিশে, তাঁরা বলে ইংলিশে থাকলেও কাজ হবেনা চাইনিজ ভাষায় ট্রান্সলেশন ছাড়া। ৩০০ ইউয়ান (৩৬০০ টাকা) দিয়ে ট্রান্সলেট করালাম, পরে ওটা দিয়েই রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করলাম। যাক অবশেষে ম্যারেজ সার্টিফিকেট কাজে দিল। পরে সার্টিফিকেট গুলো ডেস্কের ড্রয়ারে স্ব-যতনে রেখে দিলাম কারন পরের বছর আবার দরকার হবে

ডেস্কের উপরে রাখা ছিল জলের ফিল্টার, একদিন সন্ধ্যায় আমার স্ত্রী ফিল্টার থেকে জল নিয়ে অন্যমনস্ক থাকায় ট্যাব বন্ধ করতে খেয়াল ছিলনা। পরে ফিল্টারের জল পড়ে পুরো ঘরময় হয়ে গেল। তখন আমার খেয়াল হইনি যে ডেস্কের ড্রয়ার খুলে কাগজ পত্রে গেছে কিনা দেখি। দুইদিন পরে কি দরকারে ড্রয়ার খুলে দেখি সব কাগজ পত্র ভিজে জবজবে। সেই ম্যারেজ সার্টিফিকেট টা ভিজেছে কায়দা মত। সেটা ছিল নীল রঙের আর নিউজপ্রিন্ট কাগজের (টিস্যু পেপারের মত নরম)ওই নীল রঙ বাকি সব কাগজে চুপসে গিয়ে, সত্যয়নের যাবতীয় সিল ছপ্পর ডাল-চাল পেকে গেছে। এমন অসেচতনার জন্য বউকে একটু বকাবকিই করলাম। পরে সব বের করে বাতাসে শুকালাম কিন্তু নিল রঙ গেল না। ম্যারেজ সার্টিফিকেটের লেখা আর চোখে ধরেনা, কোন সিল দেখা যায় নাএটা দিয়ে এবছর ভিসার কাজ হবে বলে মনে হচ্ছিলনা তবে স্ক্যান কপি থাকায় মূল কপিতে কাগজের সমস্যা ছিল বলে ভিসা অফিসকে বুঝিয়ে আবার রেসিডেন্স পারমিটের জন্য কাগজ জমা দেওয়ায় কাজ হয়েছে আগামী বছরের জন্য আবারও ওই একই ড্রয়ারে তবে আগের থেকে আরও বেশি যতনে রাখা হয়েছেজানিনা আর কত কিচ্ছা-কাহিনী অপেক্ষায় আছে এই ম্যারেজ সার্টিফিকেট কে ঘিরে। ম্যারেজ সার্টিফিকেট নিয়ে এত কাহিনী হওয়ার পরে মনে হয় নিজের একখান মাত্র বিয়ে করা বউকে বৈধ প্রমান করতে বিয়ের ৬/৭ বছর পরে এসেও এত্ত ঝুক্কি ঝামেলা আর যারা ...........। না থাক আর বললাম না। সবার শুভ কামনায়। 

 

লেখকঃ অজয় কান্তি মন্ডল, ফুজিয়ান, চীন