২৯তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০

২৯তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০

 স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশে   কার্যক্রম পরিচালনার ২৯তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে 'মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০' ঘোষণা করেছে মাস্টারকার্ড। শনিবার (২৮ নভেম্বর) এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক, ফিনটেক ও মার্চেন্ট পার্টনার প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ইনোভেটিভ সলিউশনের জন্য ১১টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দিয়েছে মাস্টারকার্ড।

বাংলাদেশে প্রায় তিন দশকের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নিরবচ্ছিন্ন, নিরাপদ ও সুদক্ষ ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও এদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালনে যে সফলতা অর্জিত হয়েছে তা উদযাপন করতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন, শিল্প ও বিনিয়োগ-বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা সালমান এফ. রহমান। এছাড়া সাউথ এশিয়ায় মাস্টারকার্ডের ডিভিশন প্রেসিডেন্ট পোরুষ সিং; চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) ভিকাস ভার্মা; বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ পার্টনার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

যেসব ক্যাটাগরিতে মাস্টারকার্ড এই পুরস্কার ঘোষণা করেছে সেগুলো হলো- এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ডেবিট বিজনেস ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ক্রেডিট বিজনেস (ডমেস্টিক) ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ক্রেডিট বিজনেস (ইন্টারন্যাশনাল) ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড প্রিপেইড বিজনেস ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড পিওএস অ্যাকোয়ারিং বিজনেস ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড অনলাইন অ্যাকোয়ারিং বিজনেস ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ডিজিটাল সলিউশন ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড অনলাইন অ্যাকোয়ারিং (পিএফ) বিজনেস ২০১৮-১৯; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট)-পিওএস ২০১৯-২০; এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট) অনলাইন ২০১৯-২০ এবং নিউয়েস্ট মাস্টারকার্ড মেম্বার ২০১৯-২০।

অনুষ্ঠানে সাউথ এশিয়ায় মাস্টারকার্ডের ডিভিশন প্রেসিডেন্ট পোরুষ সিং বলেন, 'আগামী ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ সরকার যে ভিশন ঘোষণা করেছে তার প্রতি মাস্টারকার্ডের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। মাস্টারকার্ড বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর প্রথম থেকেই উদ্ভাবনী সেবা চালু করার মাধ্যমে এদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে।'

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, 'চলতি ২০২০ সাল একটি ব্যতিক্রমী বছর। প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে পার্টনাররা যেভাবে ব্যবসায়িক সহায়তা করেছে, বিশেষ করে লকডাউনের মাসগুলোতেও নির্বিঘ্ন সহায়তা দিয়েছে সেজন্য মাস্টারকার্ড তাদেরকে ধন্যবাদ জানায়। মাস্টারকার্ড বরাবরই পার্টনারদের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশে নিরাপদ, সুরক্ষিত ও নিরবচ্ছিন্ন পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাস্টারকার্ড পার্টনারদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করাসহ স্থানীয় অন্যান্য পার্টনারদের সঙ্গেও কাজ করে যেতে চায়।'

দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে মাস্টারকার্ড ইনোভেটিভ সলিউশন ও নতুন নতুন উদ্ভাবনসহ ব্যবসায়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি অর্জনে অব্যাহত সহায়তার স্বীকৃতিস্বরুপ পার্টনারদের এই পুরস্কার প্রদান করছে। বাংলাদেশে মাস্টারকার্ড প্রথম পেমেন্ট স্কিম হিসেবে এমএফএস ও কার্ড উভয় সেবার ক্ষেত্রে ইন্টারঅপারেবল কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রথমে বিকাশ ও পরবর্তীতে নগদের সঙ্গে অ্যাড-মানি সেবা চালু করে।

এছাড়াও বিগত বছরগুলোতে মাস্টারকার্ডের পার্টনারদের সহযোগিতায় দেশে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ইন্টারঅপারেবল ন্যাশনাল কিউআর কোড একসেপ্টেন্স সলিউশনের সুযোগ তৈরিতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছে।

স্ট্যান্ডার্ড বাংলাকিউআর চালুর মাধ্যমে এমএফএস ও কার্ড উভয় সেবার ক্ষেত্রে ইন্টারঅপারেবল কার্যক্রম পরিচালনার করেছে। মাস্টারকার্ড পার্টনারদের সহযোগিতায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে প্রথমবারের মতো এই সেবাগুলো চালু করে।

বাংলাদেশে গত ২৯ বছরে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ২০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পার্টনারশীপের ভিত্তিতে কাজ করেছে মাস্টারকার্ড। ব্যাংকগুলো হচ্ছে- এবি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল), ইসলামী ব্যাংক, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল), সাউথইস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)।

সিনিয়র অফিসার’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে

সিনিয়র অফিসার’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ  বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে সমন্বিত সাত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের 'সিনিয়র অফিসার' পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি (বিএসসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বিএসসি'র সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৫ ডিসেম্বর রাজধানীর ৬৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সাত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৭৭১টি পদের বিপরীতে পরীক্ষায় মোট এক লাখ ৪০ হাজার ১৫৫ জন প্রার্থীর অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।

সাতটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন বাংলাদেশ ও কর্মসংস্থান ব্যাংক।

নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে আরিফ হোসেন খান জানান, 'নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেটা পিছিয়ে দিতে হয়েছে।' নিয়োগ পরীক্ষার নতুন তারিখ পরে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আবু তালেব খানের কবর জিয়ারত করলেন এমপি চঞ্চল

আবু তালেব খানের কবর জিয়ারত করলেন এমপি চঞ্চল

মহেশপুর ( ঝিনাইদহ)  প্রতিনিধি  : ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শফিকুল আজম খান চঞ্চল দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে আজ শনিবার বিকেলে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবু তালেব খানের কবর জিয়ারত করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফতেপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডাঃ আতাউর রহমান, ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, মহেশপুর সরকারী মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি প্রভাষক এম এ আসাদ, ইউপি সদস্য বাচ্চু মেম্বার, ফতেপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ডাঃ কামরুজ্জামানসহ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ।

সকালে ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শফিকুল আজম খান চঞ্চল কোটচাঁদপুরে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিজ্ঞান মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কোটচাঁদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শরিফুননেছা মিকি, কোটচাঁদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলীসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

কুলাউড়ায় ৯ম ত্রৈ-বার্ষিক স্কাউট কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

কুলাউড়ায় ৯ম ত্রৈ-বার্ষিক স্কাউট কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত



মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ স্কাউটস কুলাউড়া উপজেলার আয়োজনে ২৮ নভেম্বর  শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায়  ৯ম ত্রৈ-বার্ষিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয়। কুলাউড়া মান্নান কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ স্কাউটসের উপজেলার পৃষ্ঠপোষক এ.কে.এম সফি আহমদ সলমান।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্কাউটস কুলাউড়া উপজেলা সভাপতি এটিএম ফরহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আনোয়ার এর পরিচালনায় কাউন্সিল সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল মোমিন, কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভূষণ রায়, কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু, বাংলাদেশ স্কাউটস সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক গাজী খালেদ মাহমুদ, মৌলভীবাজার জেলা স্কাউটস সম্পাদক মো. ফয়জুর রহমান, কমিশনার মো. খয়রুজ্জামান শ্যামল, সহকারী কমিশনার (সংগঠন) আব্দুল ওয়াহিদ, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সৌরভ গোস্বামী ও কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদির, প্রধান শিক্ষক মোজাহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক মো. ফয়জুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুছ ছালাম, প্রধান শিক্ষক শামছুন নাহার বেগম ও সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল মোহাইমিন।
উদ্বোধনী সভা শেষে কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ স্কাউটসের উপজেলার পৃষ্ঠপোষক এ.কে.এম সফি আহমদ সলমান উপস্থিত কাউন্সিলারদের সর্বসম্মতিতে উপজেলা স্কাউট সম্পাদক পদে কুলাউড়া এনসি সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সোহেল আহমদ ও উপজেলা স্কাউট কমিশনার কুলাউড়া বিএইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল কাইয়ুম এর নাম ঘোষণা করলে সভায় তা গৃহিত হয়। এছাড়া পদাধিকার বলে বাংলাদেশ স্কাউটসের উপজেলার সভাপতি পদে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী ও পৃষ্ঠপোষক পদে কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে.এম সফি আহমদ সলমান পুনরায় নির্বাচিত হন। সভায় উপজেলা স্কাউটস এর অন্যান্য পদ ১ সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
কাউন্সিল সভায় কুলাউড়া উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকাবৃন্দসহ নির্বাহী কমিটির সদস্য, কাউন্সিলর, কুলাউড়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপ ও কাব সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দলের উদ্ধারকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হলেন শেখ মেহেদি হাসান

দলের উদ্ধারকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হলেন শেখ মেহেদি হাসান

নিউজ ডেস্ক   : প্রথম ম্যাচে দলকে জেতানো ফিফটির পর দ্বিতীয় ম্যাচে নামতেই হয়নি ব্যাটিংয়ে। আজ (শনিবার) ফের ব্যাটিংয়ের ডাক পড়তেই দলের উদ্ধারকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হলেন শেখ মেহেদি হাসান। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে ঝড়ো ক্যামিও ইনিংস খেলে দলকে এনে দিয়েছেন লড়াই করার মতো সংগ্রহ।

টপ-মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় মাত্র ৬৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল রাজশাহী, ততক্ষণে শেষ খেলা হয়ে যায় ১০.৩ ওভার। সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাল্টা আক্রমণ সাজিয়ে ২৩ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন মেহেদি। তার এই ইনিংসের কল্যাণেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করতে পেরেছে রাজশাহী। বরিশালের জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৩৩ রান।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই রানের জন্য হাঁসফাঁস করতে থাকেন রাজশাহীর দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত এবং আনিসুল ইসলাম ইমন। আগের ম্যাচে ঝড়ো ফিফটি করা শান্ত এদিন ১৯ বল খেলে করতে পেরেছেন ২৪ রান। পাওয়ার প্লে শেষে সপ্তম ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফিরে যান রাজশাহীর অধিনায়ক।

তিন নম্বরে নেমে বেশি কিছু করতে পারেননি রনি তালুকদার। মেহেদি মিরাজের বোলিংয়ের সরাসরি বোল্ড হওয়ার আগে ৮ বলে করেন ৬ রান। অপরপ্রান্তে আরেক ওপেনার আনিসুল ইমন রানের জন্য খাবি খেতে থাকেন। তার ওপর চাপ আরও বাড়ে চার নম্বরে নামা মোহাম্মদ আশরাফুল রানআউট হয়ে ফিরে গেলে।

ইনিংসের দশম ওভারের দ্বিতীয় বলে মিসফিল্ড থেকে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রানআউট হন ৬ রান করা আশরাফুল। এর আগে দারুণ এক ফ্লিক শটে মিডউইকেট দিয়ে দৃষ্টিনন্দন এক বাউন্ডারি হাঁকান এ অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। সেই ওভারেই তেড়েফুঁড়ে মারতে গিয়ে নিজের উইকেট হারান আনিসুল ইমন। প্রথম ম্যাচে ঝড়ো ব্যাটিং করলেও এদিন ৩ চারের মারে ২৭ বলে ২৪ রানের বেশি করতে পারেননি ইমন।

দশ ওভারের মধ্যে ৪ উইকেট হারানো রাজশাহীর চাপ আরও বাড়ে পরের ওভারে নুরুল হাসান সোহান রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে গেলে। এরপর ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন মেহেদি হাসান ও ফজলে মাহমুদ রাব্বি। হাত খুলে খেলতে থাকেন মেহেদি, একপ্রান্ত আগলে রাখেন ফজলে রাব্বি।

দুজনের জুটিতে ৫০ বলে ৬৫ রান পায় রাজশাহী। ইনিংসের ১৯তম ওভারে ৩২ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন ফজলে রাব্বি। শেষ ওভারে কামরুল রাব্বির ইয়র্কার লেন্থের ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান মেহেদি। আউট হওয়ার আগে ৩টি ছয়ের মারে ২৩ বলে ৩৪ রান করেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। শেষপর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৩২ রানে থামে রাজশাহীর ইনিংস।

বরিশালের পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। এছাড়া আগের ম্যাচের শেষ ওভারে বেধড়ক পিটুনি খাওয়া মেহেদি মিরাজ আজ ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচায় নিয়েছেন ২টি উইকেট। তাসকিন আহমেদ ও আবু জায়েদ রাহির ঝুলিতে গেছে ১টি করে উইকেট।

চৌগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের বিশেষ বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত

চৌগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের বিশেষ বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত

চৌগাছা প্রতিনিধি ওয়াহিয়া আক্তারঃযশোরের চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ  শনিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন অডিটরিয়ামে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।চৌগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জিয়াউর রহমান রিন্টুর সভাপতিত্বে বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রতিরক্ষা বিষয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অবঃ) অধ্যাপক ডাক্তার নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আলহাজ   আসাদুজ্জামান মিঠু।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এসএম সাইফুর রহমান বাবুল,চৌগাছা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সোহেল,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদের সভাপতি সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, চৌগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক অমেদুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান হবি, সুখপুকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোতা মিয়া, ঝিকরগাছার মাগুরা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সম্পাদক সমীর কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমামুল কবীর, যশোর শহর স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক এসএম মাহমুদুল সুমন, যুগ্ম আহবায়ক শেখ ইব্রাহিম ও নজরুল ইসলাম, চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস ও যশোর এমএম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য রেজওয়ান হাবিব আলিফ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আবু সৈয়দ মোঃ শরিফুল ইসলাম ও কাউন্সিলর আনিচুর রহমান আনিচ, আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান আনিছুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক তৌহিদুল ইসলাম বকুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও পৌর কাউন্সিলর শাহিনুর রহমান শাহীন, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক বিএম শফিকুজ্জামান রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ।

সুদ ও ঘুষ সম্পর্কে আলোচনা

সুদ ও ঘুষ সম্পর্কে আলোচনা

আলোচক, মোঃকুতুবুল আলমঃ সুদ ও ঘুষ সম্পর্কে পবিত্র কোরআন-হাদীসের উদ্ধৃতিঃ  সুদ প্রথা দিয়ে টাকা উপার্জন করা, ইসলামী সমাজে একটি অমার্জনীয় অপরাধ । ইসলামের দৃষ্টিতে উহা একটি মারাত্মক ও ধ্বংসাত্বক শোষণের কেৌশল । আরবীতে একে বলা হয় রিবা, ইংরেজীতে Interest. আর ঘুষ হল একটি সামাজিক ব্যধি, সমাজের ক্ষমতাহীন মানুষেরা তাদের হৃত অধিকার কিংবা অন্যের অধিকারকে করায়ত্ব করার লক্ষে দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তিকে যে অবৈধ অর্থ কিংবা পণ্য সামগ্রী পর্দার অন্তরালে (গোপনে) প্রদান করে তাই ঘুষ বা উৎকোচ নামে পরিচিত। ইংরেজীতে একে বলা হয় Bribe ।

পবিত্র কোরআনের উদ্ধৃতিঃ-

>> তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করোনা । এবং মানুষের ধন-সম্পত্তির কিছু অংশ জেনে বুঝে অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে বিচারককে উৎকোচ দিও না । (সূরা-বাকারা,আয়াত-১৮৮)

>> যারা সুদ খায় তারা সেই ব্যক্তির ন্যায় দাঁড়াবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করেই পাগল করে দেয় । এটা এই জন্যেই যে তারা বলে বেচা-কেনা তো সুদেরই মত । (সূরা-বাকারা,আয়াত-২৭৫) >>

>>আল্লাহ তায়া’লা ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন । যার নিকট তার প্রতিপালকের উপদেশ এসেছে অতঃপর যে বিরত হয়েছে, তার অতীত কার্যকলাপ তো পিছনেই পড়ে গেছে এবং তার ব্যপারে সম্পূর্ণ আল্লাহর এখতিয়ার ।(সূরা-বাকারা,আয়াত-২৭৫)

>> মানুষের ধন-সম্পদে তোমাদের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, এই আশায় যা কিছু তোমরা সুদে দিয়ে থাক; মহান আল্লাহ তায়া’লার নিকট তা বর্ধিত হয় না । পক্ষান্তরে, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পবিত্র অন্তরে যারা দিয়ে থাকে, অতএব, তারাই দ্বিগুণ লাভ করে । (সূরা-রুম,আয়াত-৩৯)

>> অতঃপর তোমরা যদি তা (বকেয়া সুদ) না ছাড়, তবে জেনে রাখ এটা আল্লাহ তায়া’লা ও তার রাসূলের সঙ্গে যুদ্ধ । কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই । এতে তোমরা অত্যাচার করবেনা, অত্যাচারিতও হবে না । (সূরা-বাকারা,আয়াত-২৭৯)এ  সম্পর্কে আরও দেখুন- (সূরা-বাকারা,আয়াত-২৭৬.২৭৮,২৮০)(সূরা-আল ইমরান,আয়াত-১৩০)

পবিত্র হাদীসের উদ্ধৃতিঃ-

>> রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লা’নত করেছেন, সুদখোরের উপর, সুদদাতার উপর, এর লেখকের উপর ও উহার সাক্ষীদ্বয়ের উপর এবং বলেছেন এরা সকলেই সমান । {মুসলিম/৩৯৪৮-জাবির (রাঃ), আবূ দাউদ/৩৩০০, তিরমীযী/১২০৯}

>> রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ সুদ হল সত্তর প্রকার পাপের সমষ্টি । তার মাঝে সবচেয়ে নিম্নতম হল-আপন মায়ের সাথে ব্যভিচার করা । {ইবনে মাজাহ/২২৭৪-আবূ হুরাইরা (রাঃ)}

 এছাড়াও দেখতে পারেন- {বুখারী/১৯৫১, বুখারী/৩৫৩০}

>> নিশ্চয়ই যে অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্যে নির্ধারিত রয়েছে জাহান্নাম । {বুখারী, মিশকাত/৩৯৯৫} (ঘুষ সম্পর্কিত)

>> হারাম খাদ্য ভক্ষণ করা শরীর, জান্নাতে প্রবেশ করবেনা । {মিশকাত/২৭৮৭}(ঘুষ সম্পর্কিত)}

অধিক জনপ্রিয় নেতা-কর্মীকে বাছাই করেই প্রার্থীতা দেয়া হবে

অধিক জনপ্রিয় নেতা-কর্মীকে বাছাই করেই প্রার্থীতা দেয়া হবে


মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃখুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ভুল সিদ্ধান্ত ও দলের মধ্যে ঐক্য না থাকায় বিগত পৌরসভা নিবার্চনে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ভরা ডুবি হয়েছে। দল থেকে প্রার্থী  নিবার্চিত করে দেয়ার পরও মেয়র ও কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থীই নিবার্চিত হতে পারেনি। তাই এবার ভিন্ন আঙ্গিকে ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং অধিক জনপ্রিয় নেতা-কর্মীকে বাছাই করেই প্রার্থীতা  দেয়া হবে। যাতে পৌর মেয়রসহ ৯টি ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ৩টি ওয়ার্ডে দেয়া দলীয় সকল প্রার্থীকে  বিজয়ী করা যায়। এজন্য দল থেকে যাকে প্রার্থী  করা হবে তার জন্যই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে যে যাবে তাকে তাৎক্ষনিকভাবে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। বহিস্কৃত সেই নেতা-কর্মীর ভবিষ্যৎতে আর কোনদিন দলে ফেরারও আর সুযোগ থাকবেনা। 

শনিবার বিকেলে পৌর শহরের শেহলাবুনিয়ার ঐতিহ্যবাহী সেন্ট পলস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৌর নিবার্চনকে ঘিরে ৭ ও ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কর্মী  সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ: রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মী সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী, রামপাল উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আ: রউফ, মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইস্রাফিল হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ। 

ফোনের দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের সমস্যা সমাধানে নোটিশ

ফোনের দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের সমস্যা সমাধানে নোটিশ

নিউজ ডেস্কঃ  মোবাইল ফোনের দুর্বল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের ধীরগতি সমস্যার সমাধান করে গুণগতমান সম্মত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল (আইনি) নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) মুঠোফোন গ্রাহক সমিতির সভাপতি, সুপ্রিমকোর্টের এক আইনজীবী ও সাংবাদিকসহ তিনজনের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এই আইনি নোটিশ পাঠান।তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোনসহ মোবাইল কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীকে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, 'দুর্বল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে মোবাইল ফোন গ্রাহকরা মারাত্মক ভোগান্তিতে আছেন। গ্রাহকের কাছ থেকে যে পরিমাণ খরচ নেয়া হয় সে তুলনায় সেবার মান হতাশাজনক। মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো সে অনুযায়ী সেবার মান উন্নয়ন করেনি।'

নোটিশে আরও বলা হয়, 'ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেছেন, মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো কম তরঙ্গ ব্যবহার করার কারণে গ্রামের গ্রাহকরা মানসম্মত নেটওয়ার্ক সেবা পাচ্ছে না। দেশের মোট গ্রাহকের ৫০ ভাগ গ্রামীণ ফোন এর গ্রাহক হলেও বার বার বলা সত্ত্বেও তারা সেবা দেয়ার জন্য সংখ্যা অনুপাতে তরঙ্গ ব্যবহার করছে না।'উল্লেখ্য, ২০২০ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, ডিজিটাল সেবার মান নিশ্চিতকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তালিকায় শেষের দিকে।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, 'সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আইনি নোটিশে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যাথায় আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।'

ফলোআপঃ৪০ ঘণ্টা পর নবজাতক শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার, পিতা মাতা আটক

 ফলোআপঃ৪০ ঘণ্টা পর নবজাতক শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার, পিতা মাতা আটক

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরায় নিখোঁজের ৪০ ঘণ্টা পর নবজাতক শিশুপুত্র সোহানের মরদেহ উদ্ধার এর ঘটনায় শিশুটির পিতা ও মাতাকর আটক আটক করেছে পুলিশ। 

শনিবার (২৮ নভেম্বর) ভোর রাতে  সদর উপজেলার হাওয়ালখালি গ্রামে নিজ বাড়ির সেফটি ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শিশুটির পিতা সোহাগ হোসেন ও মা ফাতেমা খাতুনকে। 

পুলিশ জানায়, দু'বছর আগে নানির বাড়িতে আশ্রিতা ফাতেমা কলারোয়া উপজেলার সাহাপুর গ্রামের সোহাগ হোসেনের সাথে বিয়ে হয়। শ্বশুর বাড়িতে কিছুদিন থাকার পর পারিবারিক কলহের কারণে আবারও স্বামীকে নিয়ে তাকে আশ্রয় নিতে হয় নানির বাড়ি সদর উপজেলার হাওয়ালখালিতে।গত ১১ নভেম্বর সাতক্ষীরা শহরের আনোয়ারা ক্লিনিকে জন্ম হয় তাদের একটি পুত্র সন্তান। শিশুটির নাম রাখা হয় সোহান হোসেন। 

জন্মের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে, তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ২৫ নভেম্বর বুধবার তারা সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির বারান্দায় ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে শিশুটি হারিয়ে গেছে মর্মে  শিশুটির পিতা সোহাগ হোসেন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে। 

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর্জা সালাহ উদ্দীন জানান, পুলিশ এ ঘটনায় সন্দেভাজন শিশুটির  পিতা ও মাতা'কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানান, যে শিশুটি জন্ডিস, রিকেট, নিউমোনিয়া ও হার্টের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিল।তিনি জানান, এ সমস্ত কারনে ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা স্বামী-স্ত্রী দু'জনের যোগসাজশে শিশু হত্যা এবং মরদেহ গুমের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরো জানান, শিশুটির পিতা  সোহাগ হোসেন শিশুটিকে মেরে তাদের বাড়ির সামনের সেফটি ট্যাংকির ভিতরে মরদেহটি ফেলে দেয়। আর এ কাজে সহযোগিতা করে শিশুটির মা ফাতেমা  খাতুন। পুলিশ বিষয়টি জানার পর শনিবার ভোর রাতে মরদেহটি উদ্ধার করেন।এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মধুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোট এর পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ

মধুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোট এর পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ

মোঃ আঃ হামিদ, মধুপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃপ্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোট (আসাজো) এর পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল ৪ টায় মধুপুর অডিটরিয়ামের সম্মুখে রাস্তায় মাস্ক না পরা জনগণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান আলহাজ ছরোয়ার আলম খান আবু। কর্মসূচি উদ্ভোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ এর প্যানেল চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মধুপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোল্লা জমির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (আসাজো) কেন্দ্রীয় কমিটি, জালাল উদ্দিন শাহীন চাকলাদার সভাপতি (আসাজো) টাঙ্গাইল জেলা শাখা, অধ্যাপক মানিক চন্দ্র বসু সিনিয়র সহ-সভাপতি (আসাজো) টাঙ্গাইল জেলা শাখা, সাদিকুল ইসলাম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওয়ামীলীগ মধুপুর উপজেলা, মহসীনুল কবির উপ-প্রচার সম্পাদক মধুপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ, আব্দুল্লাহ আল মামুন সভাপতি (আসাজো) মধুপুর উপজেলা,  আইনুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক (আসাজো) মধুপুর উপজেলা। এসময় মধুপুর উপজেলা (আসাজো) এর সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিল

 ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিল

আব্দুর রাজ্জাক, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধিঃমানিকগঞ্জ জেলার সকল ইমাম ও মুয়াজ্জিন দের উপস্থিতে এক বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজিত বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা সালমান সাহেব দা.বা.খলিফা সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদবী (রহ),, মহাপরিচালক মাদ্রাসা দারুর  রাশাদ মিরপুর ঢাকা। 

সভাপতিত্ব করেন হযরত মাওলানা আব্দুল ওয়াহাব সাহেব পরিচালক হরগজ মালেকিয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসা, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ। 

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন হযরত মাওলানা শেখ মোঃ সালাহউদ্দিন সাহেব হেড মুহাদ্দিস মানিকগঞ্জ কামিল মাদ্রাসা। দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হযর মাওলানা আব্দুল কাদের সাহেব 

সাধারণ সম্পাদক ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ। স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন হাফেজ হযরত মাওলানা মুফতি রফিকুল ইসলাম সাহেব সভাপতি ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ।

উক্ত বিশেষ দোয়া মাহফিল  অনুষ্ঠানে আরো  বক্তব্য রাখেন হযরত মাওলানা আব্দুর রহমান সাহেব  বান্দুটিয়া হাফিজ মাদ্রাসা মাওলানা সাইফুল ইসলাম হযরত মাওলানা দিদার আল আজহারী হযরত মাওলানা আশরাফুল আলম, হযরত মাওলানা মুফতি মহিউদ্দিন,  হযরত মাওলানা ইকবাল হোসেন সিফাত,

 আরো উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলার  ইমাম  মুয়াজ্জিন। বক্তাতাগণ বলে ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ এটা খুবই প্রয়োজন, ইমাম  মুয়াজ্জিন দের ঐক্য হওয়া  অতি জরুরি। 

অনেক সময় অনেক  ইমাম দের চাকুরী চলে যায়, আবার অনেক সময় মসজিদ কমিটি  ইমামদের  হক কথা বলতে দেয় না আবার সুদ ও ঘুষের বয়ান করলে চাকুরি চলে যায় তাদের ব্যাপারে যেনো কঠিন পদক্ষেপ নেওযায় সে  ব্যাপারেও যেনো ঐক্য থাকা যায়। অতএব ইমাম ও মুয়াজ্জিন দের ঐক্য ছাড়া  বিকল্প কোনা রাস্তা নেই। পরিশেষে দোয়ার মাধ্যমে মাহফিল সমাপ্তি হয়।

৭ বছর পর জমি দখল পেলেন গফুর গংরা

৭ বছর পর জমি দখল পেলেন গফুর গংরা

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃআদালতের নির্দেশে ৭ বছর পর ৭ বিঘা জমি দখল পেলেন আব্দুল গফুর গংরা। শনিবার (২৮ নভেম্বর) রায়গঞ্জ উপজেলার পুল্লা মৌজা জে এল নং-৩৭ ও বিষমডাঙ্গা জেএল নং -১২৮ এর ৭ বিঘা সম্পত্তি দখল নিতে রায়গঞ্জ সহকরী জজ আদালতে একটি বাটোয়ারা মামলা  দায়ের করেন জমির মালিক পাচঠাকুরি  গ্রামের মৃত জসিম   উদ্দিন সেখের ছেলে মোঃ আব্দুল গং। যার নং ৮৫/২০১৩ইং।

উক্ত সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে জসিম উদ্দিনের ওয়ারিশ মোঃ আবুল হোসেন বেদখল দিয়ে ৭ বিঘা সম্পত্তি জোর জবরদস্তিতে  ভোগদখল করে আসছিল। পি/এস ডিং-৪/২০নং মোকদ্দমা সম্পত্তি দখল নিতে মোঃ আব্দুল গফুর ও মোঃ আব্দুস ছামাদ মোঃ আবুল হোসেন, মোছাঃ ফাতেমা বেওয়া, ও মোছাঃ আলেয়া বেওয়ার বিরুদ্ধে বাটোয়ারা মোকদ্দমা করা হয়। দীর্ঘ ৭ বছর মামলা চুলচেরা বিশ্লেষন ও সিএস, এসএ, আর এস খতিয়ানের মাধ্যমে বিঞ্জ আদালত আব্দুল গফুরকে সম্পত্তি প্রাপ্ত হিসাবে নির্দেশ দেন । আদালতের নির্দেশ মোতাবেক মালিককে সম্পত্তি দখল বুঝে দিতে ্এ্যাডভোকেট কমিশনার মোঃ সিরাজুল ইসলাম, নাজির মোঃ নুর মোহাম্মদ, জারীকারক মোঃ আব্দুল মালেকসহ রায়গঞ্জ থানার একদল পুলিশ বাহিনী সরজমিনে সম্পত্তি মাপ জরিপ করে লাল নিশান স্থাপন করে জমি দখল বুঝে দেন।   গত ১০.০৭.২০১৩ইং তারিখে বাটোয়ারা মামলার রায় হিসাবে উক্ত জমির প্রকৃত মালিক আব্দুল গফুরের নামে জারি ঘোষণা করা হয়।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শিক্ষার্থীকে বলাৎকার করায় মাদ্রাসার শিক্ষক গ্রেফতার

 ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শিক্ষার্থীকে বলাৎকার করায় মাদ্রাসার শিক্ষক গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টারঃ আর.জে মিজানুর রহমান ইমনঃ ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ওপর পাশবিকতা চালাতেন শিক্ষক । এক ছাত্রের বাবার করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে মো. বাকী বিল্লাহ মানিক (৩৮) নামে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । পরে আজ শনিবার দুপুরে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ আদালতে সোপর্দ করা হয় । উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের করফুলনেছা নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসায় নূরানী শাখার প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত মো. বাকী বিল্লাহ মানিক । তিনি একই ইউনিয়নের মানিকরাজ গ্রামের আজিম উদ্দিন মাস্টারের পালিত ছেলে । কিন্তু ওই শিক্ষক মাদ্রাসায় শিশুদের প্রায়ই বলৎকার করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে ।


স্থানীয়রা জানায়, গত ১৫ নভেম্বর সকালে প্রধান শিক্ষক মানিক মাদ্রাসার পাঠদান কক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডের পেছনে নিয়ে নয় বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকার করেন । এরপর আরো কয়েক দফা পাঠদান কক্ষেই ওই ছাত্রকে বলাৎকার করে তিনি । এ ঘটনার পর থেকে ঐ ছাত্র মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দেয় । গত ২৫ নভেম্বর ঐ ছাত্রকে তার বাবা বাড়ি থেকে ফের মাদ্রাসায় দিয়ে আসলেও সে বাড়ি ফিরে যায় । তার বাবা বাড়ি ফেরার কারণ জানতে চাইলে সে বলাৎকারের ঘটনা পরিবারকে জানায় । এঘটনায় নির্যাতিত ছাত্রের বাবা শুক্রবার রাতে গৌরীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে । পুলিশ ঐ দিন রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে ।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শুধু ঐ শিক্ষার্থীই নয়, আারেক শিক্ষার্থীকেও নিয়মিত বলৎকার করতেন শিক্ষক মো. বাকী বিল্লাহ মানিক । ওই অবস্থায় শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে শনিবার অভিযুক্ত শিক্ষককে ময়মনসিংহ আদালতে সোপর্দ করা হয় । গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে নিয়মিত বলাৎকার করতেন ওই শিক্ষক। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় । এ ঘটনায় মামলা শেষে আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে । বিষয়টি এলাকায় ব‍্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

সময় এখন ইঁদুর কপালিদের

সময় এখন ইঁদুর কপালিদের


মোঃ লাতিফুল আজম, নীলফামারী প্রতিনিধিঃসময় এখন ইঁদুর কপালিদের। আমন ধান কাটা মাড়াই প্রায় শেষ। ফসল শুন্য মাঠে দলবেঁধে বৃদ্ধ ,শিশু-কিশোর মাটি খুঁড়ছে। তবে কোন গুপ্তধন পাওয়ার আশায় নয়। মাটি খুঁড়ে ওরা ইঁদুরের গর্তে থেকে ধান সংগ্রহ করছে।

 ইঁদুরের গর্তে পাওয়া ধানের পুঁজি দিয়ে,এসব ইঁদুর কপালি বয়স্ক বিধবা-স্বামী পরিত্যক্তা,কেউবা শীতের পিঠা,কেউবা মুড়ি বিক্রি করে সংসারে অভাব জয় করে চলছে। ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহের এমন দৃশ্য এখন হরহামেশাই চোখে পড়ে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার দিগন্ত ভরা বিভিন্ন ফসলের মাঠে। প্রতিবছর আমন ধানের মৌসুমে বেড়ে যায় ইঁদুরের উপদ্রব। ইঁদুর ধানের শীষ কেটে নিয়ে ভবিষ্যতের খাদ্য হিসেবে গর্তে মজুত রাখে। বাতাসে আমন ধানের গাছ মাটিতে পড়ে যায় বলে ইঁদুর এ ধান বেশি সংগ্রহ করে। পড়ে যাওয়া ধান ক্ষেতের আইলে ইঁদুর গর্ত তৈরি করে প্রচুর ধান জমিয়ে রাখে। ইঁদুর আর পিপীলিকা শীতের খাদ্য সঞ্চয় সংগ্রহ যেমন একই সূত্রে গাঁথা, তেমনি নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা এর ব্যতিক্রম নয়। ইঁদুরের গর্ত ও মাঠে পরিত্যক্ত ধানের শীষ সংগ্রহ করতে বিভিন ধানি বিলের মাঠে মাঠে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া পরিবারের নারী-পুরুষ শিশু-কিশোরা প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ব্যস্ত সময় পার করছে। আর এ মাঠে নামা অধিকাংশ শিশু কিশোররা অনেকেই বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর।ওরা ধান সংগ্রহ করে শীতের পোশাক, লেখাপড়ার খরচসহ পারিবারিক সাহায্যের অংশীদারিত্ব হিসেবে ওদের সংগৃহীত ধানে দুই তিন মাসে খাবারের সংস্থান হচ্ছে। 

সরজমিনে বিভিন্ন মাঠ প্রান্তরে ঘুরে দেখা গেছে, ধান কুড়ানিরা হাতে ব্যাগ, ঘারে বস্তা, হাতে গর্ত খোঁড়া শাবল, ঝাড় –নিয়ে পিপীলিকার মতো দলবল ছেড়ে আগামীর সঞ্চয় সংগ্রহে যেন সংগ্রামী যোদ্ধা। এ সময় সদর ইউনিয়নের পুশনা নয়াবাড়ি গ্রামের দিন মজুর নজুরুল জানান, ধান কাটা শেষ হলে ইঁদুরের  গর্তের ধান ও ধানের শিষ সংগ্রাহের জন্য সকালে আমরা দলবেঁধে বের হই, বিকেলে বাড়িতে ফিরি। ইঁদুরের কোন গর্তে ধান আছে আমরা দেখলে টের পাই। এরই মধ্যে কোন গর্তে ধান থাকেনা। আবার ভাগ্য ভালো হলে এক গর্তে পাঁচ থেকে সাত কেজি ধান পাওয়া যায়। গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন কৃষক দিপু বাবু জানান, আমন ধান কাটার পর দরিদ্র কৃষক পরিবারের নারী-পুরুষ শিশু-কিশোর একযোগে ধান সংগ্রহের নেমে পড়ে। ধান পরিবহনের সময় ধান পড়ে যায়। এছাড়া ইঁদুর গর্তে  প্রচুর ধানের শীষ জমিয়ে রাখে। এভাবে অনেক পরিবার ৬থেকে ১০মণ ধান সংগ্রহ করে থাকে। তিনি আরও জানান, আমরা ধান কুড়ানিদের বাধা দেই না। পরিত্যক্ত ধান অপচয় রোধে ধান কুড়ানিদের উৎসাহিত করা হয়। এতে একদিকে পরিবারগুলোর খাবারের সংস্থান হচ্ছে অন্যদিকে অপচয় রোধ হচ্ছে। 

কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, এলাকায় ধান কাটার পর দরিদ্র লোকজনের ধান কুড়ানো এবং ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তবে প্রতিবছর ইঁদুর নিধন অভিযান ও কীটনাশকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ক্ষেতে ইঁদুরের সংখ্যা অনেকাংশে কমে গেছে। এতে ইঁদুরের গর্তে আগের মতো বেশি ধান পাওয়া যায় না।

আবার জমবে আড্ডা চায়ের কাপে

 আবার জমবে আড্ডা চায়ের কাপে


মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ:মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ন সময় হলো ক্যাম্পাস লাইফ। যা তার সারা জীবনের স্মৃতি হয়ে থাকে। আর এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্যাম্পাসের চায়ের আড্ডা। চায়ের কাপে এক চুমুক, ব্যাস শরীরের ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে যায়। এক কাপ চা না হলে সকালটাই শুরু করতে পারেন না অনেকে। মানুষের সুস্থ থাকার জন্য আড্ডা আর একরাশ হাসি, যে কোন দামী ওষুধের থেকে বেশি কার্যকরী। যখন একটা গুমোট, গোমড়া পরিবেশ নিজের চারিদিকে তৈরি হয় তখন সেটা শরীর, মন দুটোর উপরেই প্রভাব ফেলে।

মানুষের মন এমনই অদ্ভুত। সারাদিন ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, পরীক্ষা ও ভাইভা শেষে মনটাকে সতেজ করার জন্য টিএসসির চাওয়ালা মামাদের চায়ের দোকানে এক কাপ চা যেনো সব ক্লান্তি দূর করে। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে কিংবা পড়ন্ত বিকেলে ক্যাম্পাসে ফুটে ওঠে চায়ের কাপের আড্ডার এক দারুণ প্রতিচ্ছবি। টিএসসির মামাদের টংঘরে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে, আধোঘুম চোখে দৌড়ে এসে, ক্লাস শেষে ক্লান্ত দেহে নিয়ে বসে সবাই মিলে একসঙ্গে আড্ডা দেওয়ার মধ্য একটা প্রশান্তি পাওয়া যায়। কখনো বা ক্লাসে ঢুকতে না পেরে আড্ডা দেওয়া। রাতগুলো আড্ডাতে পার করা। কোনো কথাই নেই, আড্ডা চলবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ক্যাম্পাস-জীবনে আড্ডা ছাড়া অলস ও অসাড় মনে হয়। চা যেনো এই আড্ডা গুলোর সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে আছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চা ওয়ালা মামাদের চা কিংবা ক্যাফেটেরিয়ার চা বা বিবিএ ফ্যাকাল্টির নিচে সিধু মামার চা অথবা কলা ভবনের কোনার দোকানের চা আড্ডার যেনো কোথাও কমতির নেই। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ সময় কাটে টিএসসির চায়ের টং দোকান গুলোতে। স্থানটিতে সারাক্ষণ শিক্ষার্থীরা সমাগমে মুখরিত থাকে। সকাল, সন্ধ্যা বা বিকেলে জবিয়ান”রা টিএসসির চায়ের টংয়ে কাপে কাপে উঠে ঝড়, সাথে পাল্লা দিয়ে নিকোটিনের ধোঁয়াও ভেসে বেড়ায়। সেই সাথে আড্ডা আর গিটারের টুংটাং শব্দ। সেই আড্ডায় কোন ডিপার্টমেন্ট থাকেনা, কোন ব্যাচ থাকেনা, থাকে শুধুই একপ্রাণ কিছু জবিয়ান।

লিকার চা, গ্রিন টি না দুধ চা টিএসসির চা ওয়ালা মামাদের প্রথম প্রশ্ন এটা। চায়ে চিনি কে কম বেশি খায় সেটা অবশ্য মামাদের মনেই থাকে। অনেকে আবার লিকার চায়ের সাথে আদা, এলাচ, দারচিনি যা মিশিয়ে খেতে চান। সিধু মামার রং চা তো পুরো ক্যাম্পাস পরিচিত। কোথাও জায়গা না পেয়ে ক্যাফেটেরিয়ার এককাপ রং চায়ের জন্য লাইনও ধর‍তে দেখা যায় অনেককে। চা খেতে ভালোবাসেন না এরকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এসে অনেকেই চা খোর হয়ে যান। টিএসসি আর ক্যাম্পাসের আশেপাশের চায়ের দোকানের মামাদের সাথে শিক্ষার্থীদের এক আত্নার সম্পর্ক হয়ে গেছে। এইসব কিছুই কেড়ে নিয়ে করোনা নামক ভয়াল থাবা। জবির ফাঁকা টিএসসি আর জনমানবহীন ক্যাম্পাস যেনো সব কিছুই স্মৃতির পাতায় ঠায় দিয়েছে। করোনাকালেও টিএসসির চায়ের দোকানে বসছিলো আড্ডা, তবে ছিলো না আগের মতো আমেজ। চায়ের কাপের আড্ডায় থাকে না কোনো সিনিয়র জুনিয়র ভেদাভেদ। সবাই একসাথে মেতে উঠে আড্ডায়।

চায়ের কাপের আড্ডায় ভরপুর ক্যাম্পাস জীবন। আড্ডাকে নিত্যদিনের রুটিন বলা যায়। আড্ডার মাঝে যেন প্রাণ খুলে কথা বলার সুযোগ পায়। বন্ধুদের কাছে শেয়ার করা নিজের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে আড্ডা বেশ জমে ওঠে। আর এসব আড্ডার বিষয়ে নেই কোনো নির্দিষ্টতা। সুযোগ পেলেই একে-অপরকে পঁচানো, হাসি-ঠাট্টায় মেতে উঠে সবাই। আড্ডার অংশ হিসেবে শুধু যে এগুলোই থাকে তা কিন্তু না, থাকে ব্যক্তিগত নানা বিষয়ের পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ গঠনমূলক আলোচনা। এগুলো নিয়ে কথা বলতে বলতে হাতের সেই কাপটি থেকে কখন যে চা ফুরিয়ে যায় টেরই পাওয়া যায় না।


চায়ের কাপের আড্ডা সম্পর্কে জানতে চাইলে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মিথিলা দেবনাথ ঝিলিক বলেন, ক্যাম্পাস জীবন আর বন্ধুত্ব এর নিত্য এক সঙ্গী চায়ের কাপের আড্ডা। রুটিনে বাধা আমাদের জীবনে প্রিয় মানুষদের সাথে আড্ডা সবসময়ই প্রাণবন্ত করে তোলে, আর সেই প্রাণকে সজীবতা দেয় চায়ের কাপের আলাপ। কোয়ারেন্টাইন এর অস্থিরতায় বারংবার স্মৃতিতে সেই হিসেববিহীন আড্ডা গুলোই ভেসে উঠছে। ছোট, বড় কিংবা সম্পর্ক যেমনই হোক, ডিপ্রেশন কিংবা আনন্দ, গুরুত্বপূর্ণ কথা কিংবা সাধারণ সবসময়ই চায়ের আড্ডাই সেরা।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া নওশিন বিন্তি বলেন, ক্যাম্পাসে সবার সাথে সবার যোগাযোগ ধরে রাখার মাধ্যম হচ্ছে চায়ের কাপের আড্ডা। ক্যাম্পাসে সদ্য আসা জুনিয়র থেকে মাস্টার্স পাশ অথবা চাকুরী ক্ষেত্রে প্রবেশ করা সিনিয়র সবার সাথে সম্পর্কের সুতো বেঁধে দেয় এই চায়ের কাপের আড্ডা। টিএসসির প্রতিটি চায়ের দোকানে গড়ে ওঠে বছর চারেক হাজারো স্মৃতি হাজারো গল্প। অনেক অনেক মিস করতেছি টিএসসির চা দোকানের মামাদের।

পৌর কাউন্সিলর নির্বাচন করবেন ছাত্রনেতা রুবেল দাশ বাবু

পৌর কাউন্সিলর নির্বাচন করবেন ছাত্রনেতা রুবেল দাশ বাবু

সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ পটিয়ার রাজনীতির মাঠে পৌরসভানির্বাচনকে সামনে রেখে এবার প্রধানদু'দলে এক ঝাঁক নতুন মুখ। দীর্ঘদিন ধরেপ্রবীণরা মাঠে দাপিয়ে বেড়ালেও পটিয়াপৌরসভার দিনবদলের কারিগর তরুণমনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিয়ে চলছে নানাজল্পনা-কল্পনা। বিভাজনের রাজনীতিনয়, তরুণরা পুরাতন ধ্যান- ধারণা ভুলেদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গুণগতপরিবর্তন আনতে পারবে এমন মতসাধারণ মানুষের। তরুণ প্রার্থীরা দলেরশীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে এলাকারসাধারণ ভোটারদের জানান দিতেনেতাকর্মীদের সাথে ঘরোয়া বৈঠকেরপাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমফেইসবুকেও চলছে নানান ধরনেরপ্রচারনা। তারই ধারবাহিকতায় পটিয়াপৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরপদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন পৌরসভাছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রুবেল দাশবাবু। সমাজের তরুণ নেতৃত্ব তৈরি এবংসমাজকে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যকে সামনেরেখে ৬ নং ওয়ার্ডের সাধারন মানুষেরসাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে যাচ্ছেন এতরুন সম্ভ্যাব্য প্রার্থী। রুবেল দাশ বাবুপৌর সদরের ৬ নং ওয়ার্ডের পাইকপাড়াএলাকার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারেরসন্তান। তার জেঠা গৌরাঙ্গ দাশ দীর্ঘবছরতার ওয়ার্ডে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিছিলেন। গৌরাঙ্গ মেম্বার হিসেবে যারপরিচিত রয়েছে পুরো পটিয়ায়।

রুবেল দাশ বাবু শিক্ষাগত জীবনেপটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে২০০২ সালে এসএসসি, পটিয়া সরকারীকলেজ থেকে ২০০৪ সালে এইচ এস সিএবং বিজিসি ট্রাস্ট বিশ^বিদ্যালয় থেকেবিবিএ পাঠ শেষ করে ২০১০ সাল থেকেনিজেই শুরু করেন আত্বকর্মসংস্থান।

বর্তমানে তিনি পটিয়া পৌর সদরে দেশখ্যাত স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ডিলারশীপনিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।তিনি রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্নসামাজিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকসংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে সমাজউন্নয়নে নানান ধরনের ভূমিকা রেখেযাচ্ছেন। তিনি তার এলাকায় বন্ধন ক্লাবসংগঠিত করে এলাকার তরুন সমাজকেবিপথগামী পথ থেকে রুখতে প্রয়াসচালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি পটিয়াআবাহনী ক্লাবের কার্যকরী কমিটিরসদস্য ও সাবেক ফুটবলার, পটিয়াআদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন শিক্ষার্থীপরিষদ-২০০২ ব্যাচের সহ-সভাপতিরদায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি পটিয়াশেখ রাসেল ক্লাবের আজীবন সদস্য।এয়াড়াও তিনি পাইকপাড়াসমাজকল্যান সমিতির কার্যকরীকমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালন করেযাচ্ছেন।

সম্ভ্যাব্য  কাউন্সিলর প্রার্থী রুবেল দাশবাবু জানান, 'আমরা এই সমাজকেপরিবর্তন করতে চাই। আমরা এইসমাজের তরুণ নেতৃত্ব তৈরি করতে চাই।বাংলার প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখহাসিনার তৃনমূলের যে ভিশন চলমানরয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য আমারনির্বাচনে অংশ নেয়া। জাতীয় সংসদেরহুইপ ও তিনবারের নির্বাচিত এমপিসামশুল হক চৌধুরীর পটিয়ার যেউন্নয়নের ধারাবাহিকতা বিদ্যমান রয়েছেতা চলমান রাখাই আমার প্রধান উদ্দেশ্য।এলাকার মানুষের ইচ্ছা আকাঙ্খারপ্রতিফলন করার লক্ষ্যে আমি নির্বাচনেঅংশ নিতে যাচ্ছি। আমার দৃঢ বিশ্বাস ৬ নং ওয়ার্ডবাসী তাদের কাঙ্খিতউদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে তারাতরুন নেতৃত্বকে নির্বাচিত করবে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ঝিকরগাছা জোনাল অ‌ফিস এর নব নি‌র্মিত ভবনের শুভ উ‌দ্বোধন

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ঝিকরগাছা জোনাল অ‌ফিস এর নব নি‌র্মিত ভবনের শুভ উ‌দ্বোধন


মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, ঝিকরগাছা প্রতিনিধিঃ  যশোর পল্লী বিদ্যুৎ স‌মি‌তি -১ ঝিকরগাছা জোনাল অ‌ফিস এর নব নি‌র্মিত ভবন এর শুভ উ‌দ্বোধন করেছেন যশোর-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল অব. অধ্যাপক নাসির উদ্দিন।    

শ‌নিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় ওয়াপদ‌া মাঠ পল্লী বিদ্যুৎ অ‌ফিস এর নতুন ভব‌ন এর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

পল্লী বিদ্যুৎ অ‌ফিস য‌শোর জোন এর তত্ববধায়ক প্র‌কৌশলী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল এর সভাপ‌তি‌ত্বে উক্ত অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অ‌তি‌থি হিসা‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন, য‌শোর-২ আস‌নের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা মেজর জেনা‌রেল (অবঃ) অধ্যাপক ডাঃ নাসির উ‌দ্দিন। বি‌শেষ অ‌তি‌থি হিসা‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন , ঝিকরগাছা উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম্যান ম‌নিরুল ইসলাম , পৌর মেয়র মোস্তফা আ‌নোয়ার পাশা জ‌ামাল জামাল, য‌শোর পল্লী বিদ্যুৎ স‌মি‌তির জেনা‌রেল ম্যা‌নেজার আবু বক্কর সি‌দ্কিী শিবলী, উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের ভাইস চেয়ারম্যান সে‌লিম রেজা ও  ম‌হিলা ভাইস  লুবনা তাক্ষী। অনুষ্ঠান প‌রিচালনা ক‌রেন ঝিকরগাছা জোনাল অ‌ফি‌সের ডি‌জিএম দেবাশীষ কুমার । সম্মা‌নিত অ‌তি‌থি হিসা‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন , ঝিকরগাছা উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহ সভাপ‌তি চৌধুরী রমজান শরীফ বাদশা, চৌগ‌াছা উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুর রহমান বাবুল, উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কম‌প্লে‌ক্সের কর্মকর্তা ডাঃ হা‌বিবুর রহমান,সা‌বেক চেয়ারম্যান আমজাদ হো‌সেন ক‌লিম, য‌শোর জেলা যুবলী‌গের সহসভাপ‌তি আজাহার আলী, পা‌নিসারা ইউ‌পি  চেয়ারম্যান নও‌শের আলী, মাগুরা ইউ‌পি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, ঝিকরগাছা ইউ‌পি চেয়ারম্যান আ‌মির হো‌সেন, বাঁকড়া ইউ‌পি  চেয়ারম্যান নেছার আলী, গঙ্গাননাদপুর ইউ‌পি  চেয়ারম্যান বদরু‌দ্দিন বিল্টু, সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, বিদ্যুৎ স‌মি‌তি ঝিকরগাছা জো‌নের সভাপ‌তি তৌ‌ফিকুল আলম স্বপন, ঝিকরগাছা প্রেসক্লা‌বের সভাপ‌তি এমামুল হাসান সবুজ, সাধারন সম্পাদক  ইমরান রশীদ, উপ‌জেলা যুবলীগ নেতা শামীম রেজা, একরামুল হক খোকন, এমামুল হাুবিব জগলু, আব্দুল জব্বার, আ‌রিফুর রহমান সন্টু , পৌর কাউ‌ন্সিলর আব্দুর রাজ্জাক, ঝিকরগাছা উপ‌জেলা পূঁজা উদযাপন প‌রিষ‌দের সভাপ‌তি দুলাল অ‌ধিকারী প্রমূখ।

সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদাণ!

সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদাণ!

স্টাফ  রিপোর্টারঃ দূর্গাপুর মাদকের হাট কঠোর ভুমিকায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ হাসমতর আলী শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়  সঠিক তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে নিউজ প্রকাশিত  হওয়ার পর থেকে ভয়ে নড়েচড়ে বসে দূর্গাপুর উপজেলার মাদক ব্যবসায়ী চাক্রটি। 

তারই ধারাবাহিকতায়   শুক্রবার সন্ধা ৬.৫১ মিনিটে ০১৭৪০২৫৫৪৮২ এই নাম্বারে নান্দিগ্রামের কুখ্যাত ইয়াবা ও ফেন্সিডিল  ব্যবসায়ী রহমত তার ব্যবহিত মোবাইল ফোন ০১৭৯৬০২১২৮৬ নাম্বার হতে কল দিয়ে প্রান নাশের হুমকি দেন। তিনি আরো বলেন সাংবাদিক, পুলিশ, র্যাব কে টাকা দিয়ে পুষে রাখেন।তিনি সর্বহারার কথা স্বরন করতে বলেন সেই সাথে যেখানে পাবে  সেখানেই হত্যা করার হুমকি দেন।

বিষয়টি রাজশাহী পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন কে জানালে তিনি দূর্গাপুর থানা জিডি করতে বলেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।


দূর্গাপুর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ হাসমত আলী জিডি গ্রহন করেন। দূর্গাপুর থানার জিডি নাম্বার ১১০০। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আস্বাস দেন।সেই সাথে দূর্গাপুর থানাকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন।সকল পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন বলে জানান।

ইচ্ছা মানব উন্নয়ন সংস্থার ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি ও স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা-২০

ইচ্ছা মানব উন্নয়ন সংস্থার ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি ও স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা-২০

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ইচ্ছা মানব উন্নয়ন সংস্থার ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা মোঃ আরিফুল ইসলাম হৃদয়ের সভাপতিত্বে ও আসাদুল্লাহ আল গালিব ও মেহেদী হাসান রাজের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত। ২৭নবেম্বর ঢাকাস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে শুক্রবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় এই অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আব্দুল লতিফ মোল্লাপ্রধান বক্তা ছিলেন ইষ্ট ওয়েষ্ট ইউনিভার্সিটির কাউন্সিলর ডা. আলমাসুর রহমানউদ্ভোদক ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব এনামুল হক আবুলবিশেষ অতিথি ছিলেন নোয়াখালী সোনাইমুড়ী বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আনিসুর রহমানবিশেষ বক্তা ছিলেন মার্চ ফরওয়ার্ডের সিইও এম ওবাইদুল্লা চৌং। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা সহ দেশের ভিন্ন জেলা থেকে ১০০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি সংগঠনকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন - সরকারে পাশাপাশি দেশের উন্নয় সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যেভাবে কাজ করছে তাতে বাংলাদেশ অতিদ্রুতই উন্নয়নের উচ্চশিখরে উপনিত হবে। সংগঠনটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম করে আসছে এবং বর্তমানে সারাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ভবিষ্যৎকালে সারাদেশে নিজেদের আত্মমানবতায় নিতোজিত রাখতে এবং এই মহতি অনুষ্ঠানের অতিথি ও অংশগ্রহনকারী সকল সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সকলে মিলে একসাথে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহবান জানানঅত্র সংগঠনের সভাপতি মোঃ আরিফুল ইসলাম হৃদয়। সৎ ইচ্ছার জাগরণকারী এই সংগঠনের এটি ১৫৯তম কর্মসূচী ছিল এবং ১৬০তম কর্মসূচি চট্টগ্রামের অক্সিজেনে ৪ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান অত্র সংগঠনের প্রতিনিধি সাইফুল করিম বাবর।

কোটচাঁদপুরে ৪২তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ অনুষ্ঠিত

কোটচাঁদপুরে ৪২তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ  অনুষ্ঠিত

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ৪২তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রিপন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা সহঃশিক্ষা অফিসার জিয়াউর রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ঝিনাইদহ -আসনের (কোটচাঁদপুর -মহেশপুর) মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ শফিকুল আজম খান চঞ্চল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুনেচ্ছা মিকি,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিয়াজ হোসেন ফারুক, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুল আলম, উপজেলা আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী,সিনিঃসহসভাপতি লুৎফর রহমান, পৌর আঃলীগের আহবায়ক ফারজেল হোসেন মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক সহিদুজ্জামান সেলিম, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তাজুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রতন কুমার সহ আগত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -শিক্ষার্থীবৃন্দ। 

অনুষ্ঠানশেষে অতিথিবৃন্দরা  বিজ্ঞান মেলার বিভিন্ন স্টোল পরিদর্শন করেন।

পটিয়া পৌর নির্বাচনে বিএনপি'র দলীয় মনোনয়ন পেতে হাজী নজরুল ইসলাম

 পটিয়া পৌর নির্বাচনে বিএনপি'র দলীয় মনোনয়ন পেতে হাজী নজরুল ইসলাম

সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ- দক্ষিণ চট্টগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ পটিয়া পৌরসভা আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মেয়র পদে মনোনয়ন পেতে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানজিং কমিটির সদস্য সাবেক ছাএনেতা এবং পটিয়া পৌরসভা যুবদলের সিনিয়র সহ- সভাপতি এবং পটিয়া পরিবেশক ব্যাবসায়ি সমিতির সভাপতি হাজী নজরুল ইসলাম জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। কিল্ম ইমেজ উদীয়মান যুবনেতা হাজী নজরুল ইসলাম ১৯৮৮ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী ছাএদলের রাজনীতি দিয়ে প্রথম রাজনীতি শুরু করেন। এখনো পর্যন্ত দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করছেন বলে দলীয় নেতা কর্মীদের সুএে জানাগেছে।শিক্ষিত ভদ্র নম্র হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। তার পাশাপাশি হাজী নজরুল ইসলাম এর নাম সালাম ফাউন্ডেশনের নামে গরীব, অসহায়, দিন মজুরসহ গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। পটিয়া পৌর সদর বাসষ্টেশন এলাকায় তার হাজী নজরুল ইসলাম এর নিজস্ব বাসভবন হওয়ার সুবাদে দলীয় নেতা কর্মীরা অতি সহজে দলীয়  কর্মীরা  যে কোন বিপদে আপদে পেয়ে থাকেন হাজী নজরুল ইসলাম'কে আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করেন হাজী নজরুল ইসলাম। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন  সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত। পৌর নির্বাচনে বিএনপি মেয়র প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক পেতে এবার কোমর বেধে মাঠে নেমেছে। এ নির্বাচনে অংশ  নেওয়ার জন্য ভোটারাও বেশ উৎসাহী। সম্ভাব্য প্রার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় শুভেচ্ছা বিনিময় ও ভোট প্রার্থনা করছেন। পটিয়া  পৌর নির্বাচনে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে তারা হলেন  সাবেক পটিয়া পৌরসভার বিএনপি'র সভাপতি সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম সওদাগর, গত নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী তৌহিদুল আলম, সাবেক পটিয়া পৌরসভার বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল কাদের জুলু,  আওয়ামী লীগে এখনো ৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী তবে  প্রার্থী নির্ধারণ হয়নি। বিএনপি থেকে ৬জন  প্রচারণা চালালেও আওয়ামী  ৫জন নেতা মাঠে রয়েছেন।পটিয়া  বগুড়া পৌরসভার সবশেষ নির্বাচন হয় ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর। জাতীয় পার্টি একক প্রার্থী হিসেবে  মাঠে রয়েছে জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলার সভাপতি সাবেক পটিয়া পৌরসভার মেয়র শামসুল আলম মাস্টার। ভোটারদের অভিমত কে হতে যাচ্ছেন আগামী পটিয়া পৌরসভার মেয়র। বিএনপি ও জাতীয় পার্টি নেতা কর্মীরা সুষ্ট নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করেন যাতে ভোটারা তাদের প্রছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে। ২২ নভেম্বর পটিয়ায় জাতীয় পার্টির এক সমাবেশে জাপার  অতিরিক্ত মহাসচিব এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইঁয়া বলেছেন নৌকা প্রতিক পেলে বিজয়ী সে ধারণা সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহবান জানিয়েছে।  

সিরাজগঞ্জে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষাঝিকরগাছা

সিরাজগঞ্জে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষাঝিকরগাছা

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ শুক্র বার  রাতে অভিযান চালান।সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রহমতগঞ্জ এ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে হচ্ছে সংবাদ পেয়ে কনের বাসায় অভিযান পরিচালনাকালীন বর ও কনে দ্রুত পালিয়ে অন্যত্র সরে পড়ে। পরবর্তীতে মোবাইল কোর্ট এর টিম তাদের পিছু নিয়ে বরের বাড়িতে ফুলবাড়ি গ্রামে উপস্থিত হয়। সেখানেও তাদের না পেয়ে স্থানীয়দের সাহায্যে তাদেরকে আনা হয়৷ এসময় উপস্থিত কনের বাবার  নিকট থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পূর্বে বিয়ে দিবেন না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয় এবং বর ও কনের বাবাকে মোট ২০,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। 

এরপর পৌর এলাকার সয়াধানগড়া এলাকায় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে হচ্ছে সংবাদ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়৷ এসময় বর ও কনে অন্যত্র সরে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্যদের সহযোগিতায় বর ও কনেকে উপস্থিত করা হয়৷ বরকে বাল্যবিবাহ করবার অপরাধে ৫,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয় এবং কনের অভিভাবকদের নিকট প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পূর্বে বিয়ে দিবেন না মর্মেমুচলেকা আদায় করেনন সিরাজগঞ্জ সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি)  ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ।মোবাইল কোর্ট পরচালনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশ, উপজেলা ভূমি অফিসের স্টাফগণ সহযোগিতা করেন।

টিভি এন্ড মোবাইল নক আউট কাবাডি টুর্নামেন্টে উদ্বোধন

টিভি এন্ড মোবাইল নক আউট কাবাডি টুর্নামেন্টে উদ্বোধন


মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃকুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের সততা যুব সংঘ বাগাজুরার আয়োজনে টিভি এন্ড মোবাইল নক আউট কাবাডি টুর্নামেন্টে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৭ নভেম্বর শুক্রবার  সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় বাগাজুরা কাবাডি খেলার মাঠে উদ্বোধনী খেলা ও আলোচনা সভার অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত উদ্ধোধনী খেলায় কুলাউড়া কাবাডি একাডেমিকে হারিয়ে জয়লাভ করে সাইদ টেলিকম।উদ্বোধনী খেলা ও আলোচনা সভার  অনুষ্ঠানে রাউৎগাঁও ইউপি যুবলীগের সভাপতি রুহুল আমিনের পরিচালনায় রাউৎগাঁও ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি ইসহাক আলীর সভাপতিত্বে উদ্ধোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউৎগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জামাল, কুলাউড়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুস শহিদ, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলাম সবুজ, রাউৎগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী সোহাগ,ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ, ইসমাইল হোসেন, আব্দুল মুক্তাদির মনু, কুলাউড়া উপজেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম আহবায়ক শফি চৌধুরী পলিট, সততা যুব সংঘের দায়িত্বশীল সদস্যবৃন্দ  সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ডিসেম্বরে মাঠে গড়াচ্ছে কুলাউড়া কোয়াবের টুর্নামেন্ট

ডিসেম্বরে মাঠে গড়াচ্ছে কুলাউড়া কোয়াবের টুর্নামেন্ট


মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ
২৭ নভেম্বর শুক্রবার  সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টায় ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কোয়াব কুলাউড়া শাখার কার্যালয় উদ্বোধন ও জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সহিদ প্লাজার ২য় তলাস্থ কার্যালয়ে কোয়াব সভাপতি মাসুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফি আহমেদ তানিমের সঞ্চালনায়  এসময় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি রবিউল আউয়াল মিন্টু, খালেদ সাইফুল্লাহ অঞ্জন। অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম জনি, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ কাওছার হোসেইন বাবলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অমিত মল্লিক, কোষাধ্যক্ষ রায়হান আহমেদ, 
দফতর সম্পাদক ফরহাদ মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক আদনান সামী যুবরাজ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ সামী, সদস্য জায়েদুর রহমান, রাজীব নাইডু,জাকির হোসাইন, ফয়সাল আহমেদ মিন্টু, সুভাষ দাস, ইফতেখার ইফতু ও জুবায়ের আবেদীন। কোয়াব সভাপতি মাসুদ হোসেন নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। 
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ মর্মে সিদ্ধান্ত হয় যে, এবছর কোয়াব কুলাউড়ার ব্যবস্থাপনায় কুলাউড়া উপজেলার অন্তর্গত প্লেয়ারদের অংশগ্রহণে একটি লীগ পর্যায়ের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। সে লক্ষ্যে কোয়াব কার্যালয়ে আগামী ৫-১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্লেয়ার রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আগ্রহী প্লেয়ারদের ১০০/- রেজিষ্ট্রেশন ফি দিয়ে ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও এন আই ডি/ জন্ম নিবন্ধন সনদ  সহকারে রেজিষ্ট্রেশন করতে আহবান করা হল। এছাড়াও টিম এন্ট্রি ১২  ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়। আগামী বছর কোয়াবের উদ্যোগে প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। রবিউল আউয়াল মিন্টু কে আহবায়ক ও মোহাম্মদ কাওছার হোসেইন বাবলু, আব্দুস সালাম জনি, আশরাফুর রহমান শাওন, মঞ্জুরুল আমিন ও মোঃ সামিকে যথাক্রমে যুগ্ন আহবায়ক এবং অমিত মল্লিক, আদনান সামী যুবরাজ, ফরহাদ মাহমুদ, জাকির হোসাইন, ফয়সাল আহমেদ মিন্টু, ইফতেখার ইফতু, চৌধুরী মুন্না ধর ও রিপন আহমেদ কে সদস্য করে টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। 

এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের  সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আজিজুর রহমান স্মরণে কোয়াব মৌলভীবাজার এর আয়োজিত টুর্নামেন্টে কোয়াব কুলাউড়া উপজেলা একাদশের আগামী ৭ ডিসেম্বর উদ্বোধনী ম্যাচকে সামনে রেখে জায়েদূর রহমানকে ম্যানেজার ও আদনান সামী যুবরাজ ও ইফতেখার ইফতুকে এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার এবং সৈয়দ মোকাম্মেল আলী সাহেদ, মোহাম্মদ কাওছার হোসেইন বাবলু, আব্দুস সালাম জনি ও মঞ্জুরুল আমীনকে নিয়ে একটি নির্বাচক কমিটি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।