ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগের দুইগ্রুপের সংঘর্ষে এক জনের মৃত্যু

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগের দুইগ্রুপের সংঘর্ষে এক জনের মৃত্যু




সম্রাট হোসেন শৈলকুপা উপজেলা (ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ 
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিসংকর পুর গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাজারে যাওয়ার পথে মিয়া বাড়ির মোড়ের কাছে আসলে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা অপর গ্রুপের হামলায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা আলাপ হোসেন( ৫৫) নিহত হয় বলে সুত্রে প্রকাশ এবং তার সাথে থাকা নরুর হোসেন আহাত হয়েছে। এলাকা বাসির নিকট খবর নিয়ে জানা যায় এই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যেন মাসুম ও আওয়ামী লীগের নেতা ফরুকজ্জামানের কর্মী দের মাঝে এলাকায় আধীপত্ত বিস্তার নিয়ে মারামারি চলে আসছিলো। নিহত আলাপ হোসেন ফরুকজ্জামানের কর্মী বলে জানা যায়। এলাকায় এখন ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে  যেকোন সময়  লুঠতরাজ এবং বেপক ভাঙ্গাচুর হতে পারে।এলাইকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় দ্রুত টিকা উদ্ভাবনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায়  দ্রুত টিকা উদ্ভাবনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর



-
ডেস্ক রিপোর্টঃ 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবজাতিকে করোনা ভাইরাসের মত মহামারী থেকে রক্ষা করতে দ্রুত টিকা উদ্ভাবনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, টিকাদানই সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ মোকাবেলার অন্যতম উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত একটি ভার্চুয়াল বৈশ্বিক টিকা সম্মেলনে বলেন, চলমান কোভিড মহামারী প্রমাণ করেছে কোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা সত্যিকার অর্থে কতটা শক্তিহীন।

জাতিসংঘের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, প্রতি চার মাসে মানুষের মধ্যে একটি নতুন সংক্রামক রোগ দেখা দেয়। আর গ্লোবাল ভিরোম প্রজেক্টের অনুমিত হিসেব মতে প্রায় সাত লাখ ভাইরাস রয়েছে যেগুলো মহামারী ঘটাতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ভাইরাসের অনেকগুলো মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকির সৃষ্টি করতে পারে। তাই মানবজাতির টিকে থাকার জন্য বিদ্যমান ও আরো নতুন টিকার প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জিএভিআই অ্যালায়েন্স (সাবেক গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এন্ড ইমিউনাইজেশন)-এর সহায়তা কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘এই লড়াইয়ে জিএভিআই অ্যালায়েন্স আমাদের সর্বোত্তম সহায়তা দিতে পারে এবং আমরা তাদের করতে দিলে ভবিষ্যতেও তারা তা দেয়া অব্যাহত রাখবে।’

জিএভিআই প্রতিষ্ঠার ২০ বছর উপলক্ষ্যে যুক্তরাজ্য বিভিন্ন দেশের সরকার, ফাউন্ডেশন, বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বিশ্ব টিকা সম্মেলনের আয়োজন করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে জিএভিআই সারাবিশ্বে ৭৬ কোটির বেশি মানুষকে মারাত্মক রোগের টিকা দিয়েছে এবং এক কোটির বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কেবল আমাদের সদিচ্ছাই জিএভিআই’র পূর্ণ তহবিল ও তাদের টিকাদান অবকাঠামো জোরদার নিশ্চিত করতে পারে এবং অতিরিক্ত ৩০ কোটি শিশুকে টিকাদান ও জিএভিআই সহায়তাপুষ্ট দেশগুলোর ৮০ লাখ পর্যন্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই কেবল আমি নই, সারা দুনিয়া জিএভিআই’র সহায়তায় আপনাদের বক্তব্য শুনতে অপেক্ষা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব যখন কোভিড-১৯ মোকাবেলায় মরিয়া হয়ে একটি কার্যকর টিকা খুঁজছে তেমন সময় টিকা বিষয়ক সহায়তায় মিলিত হওয়ার চেয়ে উত্তম সময় আর হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘লাখ লাখ শিশু ও গর্ভবতী মায়ের জীবন বাঁচিয়েছে এমন একটি উদ্যোগের একজন অংশীদার হিসেবে আমি আপনাদের সঙ্গে থাকতে পেরে আনন্দিত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই অভিযাত্রায় সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ও এসডিসিজ অর্জনে জিএভিআই বাংলাদেশের সময়ের সমীক্ষায় উত্তীর্ণ অংশীদার প্রমাণিত হয়েছে। ’অনুদান ছাড়া আমাদের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি সফল হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকাদান উদ্ভাবনে জিএভিআই’র সঙ্গে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ডিজিটাল স্বাস্থ্য তথ্য সিস্টেমই-এর অন্যতম অগ্রসর ব্যবহারকারী হিসেবে এ অঅঞ্চলে ডিজিটাইজিং এবং ডাটা সিস্টেম শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অগ্রদূত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সিনপ্রিন্টস ও এনইসির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে টিকাদান সেবা উন্নয়ন একটি শিশু বায়োমেট্রিক্স-এর ব্যবহারের বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার আইডি ২০২০, জিএভিআই ও এটুআই’র অংশীদারিত্বে স্বাস্থ্যসেবার জন্য একটি অনন্য ডিজিটাল আইডেনটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমীক্ষা চালাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশাল আর্থিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতির বিনিময়ে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কর্মীরা করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সীমিত রাখতে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সেখানে ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবির।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বারকিনা ফেশোর প্রেসিডেন্ট রোচ মার্ক ক্রিস্টিয়ান কাবোরে, ইথিউপিয়ার প্রেসিডেন্ট শাহলে ওয়ার্ক জিউডে, জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তনিও গুতেরেস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেডরোজ এ্যাডানোম গিব্রেসিউস এবং বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং বিল এন্ড মিলেন্দা গেটস ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার বিল গেটস এতে মূল বক্তব্য রাখেন। সমাপনি বক্তব্য রাখেন জিএভিআই বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. নাগোজি ওকোনজো আইওয়েলা।

নওগাঁর আত্রাইয়ে টিউবওয়েল বিতরণ

নওগাঁর আত্রাইয়ে টিউবওয়েল বিতরণ


       

 মোঃ ফিরোজ হোসাইন  
রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর আত্রাইয়ে ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুলের উদ্যোগে টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে দশ জনের হাতে টিউবওয়েল তুলে দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবাদুর রহমান প্রামানিক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম।

এসময় এসিল্যান্ড আরিফ মুর্শেদ মিশু, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুল ও মমতাজ বেগম, আত্রাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি রুহুল আমীন উপস্থিত ছিলেন। 

টিউবওয়েল প্রাপ্তরা হলো কয়েরা নুরানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা, নন্দিগ্রাম দূর্গা মন্দির, শাহাগোলা ঈদগাঁহ মাঠ, পারপাঁচুপুর গ্রামের আলতাবের মেয়ে শ্যামলী বিবি, শিবপুর গ্রামের আরমান, দাঁড়িয়াগাঁথী গ্রামের মজিবর রহমান, দীঘা বাজার, জয়সাড়া জাবেদের বাড়ীর সামনে, নন্দন্দী গ্রামে জুয়েলের বাড়ীর সামনে, মহাদীঘি গ্রামে শফিরের মোড়ে।

পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩

পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩




মোরশেদ আলম 
কেশবপুর যশোর প্রতিনিধি 


যশোর কেশবপুরের কাটাখালি বাজারে মাছের আড়তের ব্যবসায়ীক পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আরতদারী ব্যবসায়ীদের মারপিট ও খুন জখমের হুমকিতে দিপংকর মন্ডল বাদি হয়ে কেশবপুর থানায় গত বুধবার ৫ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের গৌরহরি মন্ডলের পুত্র দিপংকর মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে মাছের আড়তদারী ব্যবসা করে আসছিলেন। কিন্তু ব্যবসায়ীক পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আড়ুয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মোল্লার ছেলে সেলিম মোল্লা, সুলতান গাজীর ছেলে আকবর গাজী, চেনি মোল্লার ছেলে হাবিবুর মোল্লা, শহিদুল ফকিরের ছেলে তুহিন ফকির ও রুবেল হোসেন-সহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন বে-আইনীভাবে হাতে লোহার রড, বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গত ৩ জুন বিকাল অনুমান ৬টা ৩০ ঘটিকার দিকে তার বসতবাড়ির পাশে পুকুরপাড়ের যাতায়াতের রাস্তায় একা পেয়ে পথরোধ করে চারিদিক হতে ঘিরে অশ্লিল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। অভিযোগকারী গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিরা তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্নস্থানে ফোলা জখম করে। এসময় ১নং বিবাদী সেলিম মোল্লা তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে মাথায় কোপ মারতে গেলে তিনি উক্ত কোপ বাম হাত দিয়ে ঠেকালে বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের নিচে লেগে কেটে যায়।

এসময় অভিযোগকারীর ডাকচিতকারে উক্ত মাছের আড়তমালিক সমিতির সভাপতি রানা প্রতাপ বৈরাগী ও ইন্দজিত বৈদ্য এসে তাকে ঠেকাতে গেলে বিবাদীরা তাদেরকেও মারপিট করে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ফজলে রাব্বির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি। সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বেনাপোল কাস্টমসের নিলামে মোটরসাইকেল বিক্রয়ের ভুয়া ফেসবুক ব্যবহারকারী আটক

বেনাপোল কাস্টমসের নিলামে মোটরসাইকেল বিক্রয়ের ভুয়া ফেসবুক ব্যবহারকারী আটক




তুহিন হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি  : 

যশোরের বেনাপোল কাস্টমস হাউজকে দীর্ঘদিন ধরে ফলোআপ করে ফেইসবুকে 'বাইক সেল' নামে একটি ভুয়া অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজ খুলে নিলামে ভারতীয় মোটর সাইকেল বিক্রয়ের মূল হোতা প্রতারণাকারী আরমান (২৮) কে আটক করেছে পুলিশ। 


মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে ঢাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। 

 

আটক আরমান কুমিল্লা জেলার মৃতঃ শাহ আলমের ছেলে। 


সূত্রে জানা যায়, ভারত থেকে আনা বৈধ কাগজপত্র বিহীন মোটরসাইকেল বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটকের পর তা বেনাপোল কাস্টমস হাউজে জমা করা হয়। পরবর্তীতে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশানুযায়ী সেই মোটরসাইকেল গুলোকে নিলামে তোলেন এবং সার্কুলার অনুযায়ী বিভিন্ন ক্রেতাগণ এই মোটর সাইকেলগুলো দরপত্রের মাধ্যমে কাস্টমস হাউজ থেকে নিলামে কিনে থাকেন। আর এক শ্রেণির প্রতারক চক্র সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে, বেনাপোল কাস্টম হাউজকে ফলোআপ করে ফেইসবুকে 'বাইক সেল' নামে একটি ভুয়া অফিসিয়াল পেইজ খোলে। তারপর সেই পেইজের মাধ্যমে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে, বোকা বানিয়ে দেশের দূর-দূরান্তের মোটরসাইকেল ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন।


এমন অসংখ্য ক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে, বেনাপোল কাস্টমস হাউজের চোখে ভুয়া অফিশিয়াল পেইজটি দৃষ্টিগোচর হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ২০১৮ সালের (০১ জুনে) বেনাপোল কাস্টমসের পক্ষে রাজস্ব কর্মকর্তা নাঈম মিরন বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৬।


তিনি জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউসকে জড়িয়ে একটি প্রতারক চক্র ফেইসবুকে 'বাইক সেল' নামে একটি ভুয়া অফিসিয়াল পেইজ খুলে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি কাস্টমের নজরে আসলে তাৎক্ষণিক মামলা দায়ের করা হয়। কাস্টম কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই প্রতারক চক্র ভারত থেকে চোরাই পথে মোটরসাইকেল এনে এই পেইজের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকেন।


বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। সেই মোতাবেক প্রধান আসামি আরমানকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

আটক আসামিকে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

সিংড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক গুরুত্বর আহত, ১ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ

সিংড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক গুরুত্বর আহত, ১ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ



রাজু আহমেদ, সিংড়া: 
নাটোরের সিংড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক মোতালেব (৩৬) আহত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার  দুপুর আড়াইটার দিকে ইটালী ইউনিয়নের বুড়িকদমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সুত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মোতালেব বাড়ি থেকে রড, সিমেন্ট কেনার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হলে হামিদুলের  নেতৃত্বে রনি, হাবিব দেশীয় অস্ত্র নিয়ে  হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে।  এসময় তাঁর নিকট থেকে ১ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে। বর্তমানে চিকিৎসাধীণ রয়েছে। 

এ বিষয়ে সিংড়া থানার ইন্সপেক্টর ওসি তদন্ত সেলিম রেজা জানান, বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছি, তবে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নাটোরের লালপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ

নাটোরের লালপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ





রাজশাহী ব্যুরো
নাটোরের লালপুরে ৭২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তি ৫ লাখ ৪ হাজার হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয় ।

বুধবার ( ৪ জুন) সকালে লালপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে চেক বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন নাটোর -১ ( লালপুর-বাগাতিপাড়া ) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল, লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মুল বানীন দ্যুতি, নাটোর জেলা তাঁতীলীগের সহ সভাপতি রিপন হোসেন , নাটোর জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাঘা, লালপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহামুদুল হক মুকুল, আলাউদ্দিন আলাল, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অনুপ কুমার ঠাকুর, মোহাম্মদ আলী প্রমূখ ।

এ আধাঁর কেটে যাবেই মোঃ আসাদুজ্জামান

এ আধাঁর কেটে যাবেই মোঃ আসাদুজ্জামান




একদিন ঘোর কেটে হবে ভোর,
আবার জাগবে এ ঘুমন্ত শহর। 
অসুস্থ পৃথিবী শুধু জলছবি, 
প্রাণের দেহে প্রাণ পাখির কন্ঠে গান, 
সুসময় সে তো আসবেই, প্রভু চাইলে- এ আধাঁর কেটে যাবেই। 

জ্বলন্ত অনলে জ্বলছে পৃথিবীর ফুসফুস, 
তখনও মান-হুস হয়নি কি কোন হুস। 
ঝলসানো দেহটা নিথর দাঁড়িয়ে,- তবুও, 
একফোঁটা করুণা হয়নি কি কারোও।
অভিশাপে গজবে এ জাতি ডুববেই,
প্রভু চাইলে- এ আধাঁর কেটে যাবেই। 

লোভ আর হিংসায় দু'হাতে যত করেছি কামায়,
একটুও বসে ভাবিনি হিসাব কষে, 
কতটুকু জমা পূণ্য লাভের ও খাতায়। 
আজ আমার যত ছিল আপন মধু মায়ায়, 
সবাই পর শুধু আপন সাদা কাফন পরভূমেই,
প্রভু চাইলে-এ আধাঁর কেটে যাবেই।

কুয়েতে পরিবর্তন হতে পারে আকামা আইন, ২০ দিনার জরিমানার প্রস্তাব

কুয়েতে পরিবর্তন হতে পারে আকামা আইন, ২০ দিনার জরিমানার প্রস্তাব




 আকরাম হোসেন সুমন স্টাফ রিপোর্টার  কুয়েতঃ

প্রবাসী আবাস আইন সম্পর্কিত বিধিবিধানগুলিতে ব্যাপক পরিবর্তনের এবং ভিসা ব্যবসায়ের অধ্যায়টিকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করার লক্ষ্যেে একটি মৌলিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে ।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে অবহিত সূত্রে আরব টাইমসে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি প্রথমে মন্ত্রিসভায় আলোচনা ও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে এবং তারপরে জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় পরিষদে প্রেরণ করা হবে।

উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ এই উদ্দেশ্যে একটি দল গঠন করেছেন, যার সাথে ফতওয়া ও আইন বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আইন বিষয়ক বিভাগ, সিভিল সার্ভিস কমিশন, কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবিগণ এবং স্বাস্থ্য ও বীমা কোম্পানি প্রতিনিধিরা ছিলেন।

এই কমিটি ইতোমধ্যে কুয়েতে প্রবাসীদের আবাসন আইন নিয়ন্ত্রণ করে নতুন আইনের চূড়ান্ত রূপরেখা শেষ করেছে।

সূত্রগুলি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এই সংশোধনীগুলির মধ্যে প্রাইভেট সেক্টরে নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে তাদের ফাইলের আওতায় নিবন্ধিত প্রান্তিক শ্রমিক বা রেসিডেন্সি আইন লঙ্ঘনকারীদের গ্রেপ্তার ও জরিমানা বাড়ানোর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে তাদের কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করা, বা শ্রম ফাইলকে দু’বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করা এবং নিয়োগকারী / স্পনসরদের তদন্তের আওতায় আনা।

এছাড়াও, নতুন আইনটি স্পনসরদের তাদের লেনদেনকারী কর্মচারীদের ভ্রমণের টিকিটের মূল্য প্রদানের পাশাপাশি তাদের আবাসন ও খাবারের ব্যয় বহন করতে বাধ্য করবে।

নতুন আইন রেজিডেন্সির লঙ্ঘনের জন্য দৈনিক জরিমানা ২ দিনারের পরিবর্তে ২০ দিনার প্রস্তাব করা হয়েছে, তবে ৫০০ দিনারের বেশী নয় ।

উল্লেখিত আইন লঙ্গনকারী প্রবাসীকে তিন বছরের জন্য কুয়েতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।

মোহনগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মোহনগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


 

মোঃআজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি :
 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে 
আরাফাত নামে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

গতকাল বুধবার (৩ জুন) বিকেলে উপজেলার বড়তলী বানিহারী ইউনিয়নের মামুদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত শিশুটি ওই গ্রামের রহিম উদ্দিনের ছেলে। 

প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে শিশুটির মা পাশের বাড়িতে গেলে শিশুটি খেলতে খেলতে বাড়ির সামনে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। তার মা বাড়িতে এসে শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে খুঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভেসে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ডাঃ সিরাজ জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সহ ১৯ নতুন করে করোনায় শনাক্ত

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সহ ১৯ নতুন করে করোনায় শনাক্ত





মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ১০ পুলিশ সদস্যসহ নতুন করে আরও ১৯ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৯১ জন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর জানান, সিরাজগঞ্জ শহীদ এম.মনসুর আলী মেডিকাল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে ৯৪ জনের নমুনা টেস্টের রিপোর্ট পাওয়া যায়। এর মধ্যে নমুনা টেস্টের রিপোর্টে ৭৫ জনের নেগেটিভ এবং ১৯ জনের পজেটিভ এসেছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১০ জনই এনায়েতপুর থানার পুুলিশ সদস্য। ৬ জন বেলকুচি উপজেলার ও শাহজাদপুর উপজেলার ২ জন, কাজিপুর উপজেলার ১ জন রয়েছেন।
জেলায় সর্বমোট করোনা রোগীর সংখ্যা হলো ৯১ জন। এর আগে মারা গেছেন ২ জন ও সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন ৮ জন। করোনায় মৃত ২ জনের বাড়ী বেলকুচি উপজেলায়।

কুয়েতে করোনা ভাইরাসে আজ আক্রান্ত ৫৬২ জন ও মৃত্যু ৬ জন

কুয়েতে করোনা ভাইরাসে আজ আক্রান্ত ৫৬২ জন ও মৃত্যু  ৬ জন





দাইয়ানুর রহমান মিষ্টারনুর কুয়েত প্রতিনিধিঃ

কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, আজ ৪ ঠা জুন করোনা ভাইরাসে আরো ৫৬২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ পর্যন্ত কুয়েতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৯২১ জনে, চিকিৎসাধীন ১২৪৬২ জন, সুস্থতা লাভ করেছেন ১৭২২৩ জন ও বর্তমানে সংকটপূর্ণ অবস্থা ১৮৪ জন।

কুয়েতে করোনা পরাজয়ের পথে
ইনশাআল্লাহ। 
গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত ৫৬২, সুস্থতা লাভ ১৪৭৩ ও মৃত্যু ৬ জন
অর্থাৎ আক্রান্তের চেয়ে কুয়েত ৯১১ জন বেশি সুস্থতা লাভ করেছেন।

আজ নতুন করে  ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এনিয়ে কুয়েতে আজ পর্যন্ত  মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩৬ জনের। 

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত বিভিন্ন দেশের নাগরিক।
ভারতীয় নাগরিক - ৯৯ জন
স্থানীয় নাগরিক- ১৭৭ জন
মিশরীয় নাগরিক - ৮৪ জন

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশী আজ নতুন করে আরো ৮৬ জন সহ শনাক্ত মোট ৩২৯০ জন''।
বাকিরা অন্যান্য দেশের।

এদিকে কুয়েত ৫টি এরিয়ায় আক্রান্তদের সংখ্যা।
ফারওয়ানিয়া - ১৪৮ জন
আহমদি - ২০০ জন
হাওয়াল্লী - ৫৪ জন
জাহরা - ১০৫ জন
রাজধানী শহর - ৫৫ জন

আরো জানা গিয়েছেন আবাসিক এলাকায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত।
জিলিব আল-সুয়েখ - ৩০ জন
ফারওয়ানিয়া - ৩৬ জন
মাহবুলা- ৩২ জন
খাইতান- ২৮ জন
মাংগাফ- ২৬ জন
আব্দালি- ২৩ জন
এছাড়াও দেশটির তিনটি জায়গায় যথাক্রমে, জওয়ান রেসর্ট,খাইরান রেসর্ট ও আল-কুত বিচ্ হোটেলসহ আরো বেশ কয়েকটি ক্যাম্পে ২৩ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

বর্তমানে কুয়েতে ''জরুরী অবস্থা'' চলছে।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে নির্দেশ এবং খুব বেশি প্রয়োজন ব্যতীত ঘরের বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকতে নিষেধ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কুয়েতের সর্বত্রে (৩১ মে থেকে তিন সপ্তাহ) সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত  ১২ ঘণ্টার কারফিউ দিয়েছেন দেশটির সরকার
উল্লেখ্য,  মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কুয়েতের সর্বত্রে চলছে লকডাউন ও কারফিউ।
প্রায় তিন মাস পর ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধীরে ধীরে দেশটি স্বাভাবিক কাজকর্মে ফেরার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে মাহবুলা,জিলিব,ফারওয়ানিয়া, খাইতান ও হাওয়াল্লী এলাকায় টোটাল লকডাউন।
তবে টোটাল লকডাউন এলাকার কিছু সংখ্যক স্ট্রিট ও ব্লককে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। 

কুয়েতে টোটাল লকডাউন এর আওতার বাইরে নিম্নের ব্লক ও স্ট্রিট গুলো।
ফারওয়ানিয়া, স্ট্রিট নং- ৬০-১২০-৫২০ ও ১২৯।
খাইতান, ব্লক নং- ৪৬-৭-৮ ও ৯
সূত্র, আরব টাইমস

৮জুন খুলছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

৮জুন খুলছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


 

জবি প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ ছুটি শেষে আগামী ৮ জুন খুলছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। তবে বন্ধ থাকছে ক্লাস-পরীক্ষা। সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে অফিস।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সাথে মুঠোফোন আলাপে প্রতিবেদককে এসব তথ্য জানান।

এসময় উপাচার্য বলেন, শুধু অফিসিয়াল কাজগুলো চালু রাখার জন্য সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চলবে। আমাদের নতুন বিল্ডিং, ছাত্রীহলের কনস্ট্রাকশন চলছে, সেগুলো কিছু কাজ আছে, নতুন ক্যাম্পাসের অডিট ও কাগজপত্রের বিষয় আছে, সবমিলিয়ে অফিসিয়াল কাজকর্ম ৮ তারিখ থেকে শুরু হবে।

কেমন কাটছে জবি শিক্ষার্থীদের কোয়ারেন্টাইন জীবন!

কেমন কাটছে জবি শিক্ষার্থীদের কোয়ারেন্টাইন জীবন!



নিউজ ডেস্কঃ   
মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে হঠাৎ থমকে গেল এই শহর বলা যায় গোটা বিশ্ব এমনকি প্রাণ প্রিয় চিরচেনা ক্যাম্পাসটাও। করোনা ভাইরাসের সৌজন্যে চলছে এখন পুরো পৃথিবী। অঘোষিত লক ডাউনে দেশ। সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভয়াল করোনা ভাইরাসের কারণে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে চাকুরিজীবী, বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ তথা ক্রীড়াঙ্গন এবং সিনেমা জগতের ব্যক্তিত্বরা। সরকারি নির্দেশনায় বন্ধ রয়েছে সকল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, বন্ধ রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ও। লকডাউন হওয়ার ঠিক আগেই অচল হয়ে গিয়েছে গোটা শহর। গৃহবন্দি সকলে। তবে বাসায় থাকা ব্যাপারটা খুব একটা আপত্তি নেই।
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষার্থীর কোয়ারেন্টাইনে থাকা দিনগুলো নিয়ে অনুভূতি তুলে ধরেছেন জবি প্রতিনিধি মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ ।


‘বর্তমানে সমগ্র বিশ্ব করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে সংক্রমিত হওয়ার কারণে এই কোয়ারান্টাইন শব্দটার সাথে আমাদের পরিচয় হয় নতুনভাবে। এই সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কোয়ারান্টাইন জীবনটা এক উপকারী পদ্ধতি, যার জন্য সবাই এখন অতিবাহিত করছে এই কোয়ারান্টাইন জীবন। আমার পুরো এই শিক্ষাজীবনের বেশী সময়টা আমার গ্রামেই কেটেছিলো। কিন্তু শিক্ষার তাগিদে যেদিন থেকে বাহিরে ছিলাম তারপর থেকে কখনো এত লম্বা সময় পরিবারের সাথে কাটাতে পারেনি। তাই, এই কোয়ারান্টাইন সময়টা পরিবারের সাথে খুব আনন্দের সাথেই উপভোগ করছি। অনেকদিন থেকে পছন্দের কিছু সাহিত্য পড়বো বলেও ঢাকা শহরের ব্যস্ততার কারণে আর পড়া হয়ে উঠে নি। এই কোয়ারান্টাইন সময়টাকে কাজে লাগিয়ে সেই পড়াটুকু শেষ করে নিয়েছি। সবমিলিয়ে সময়টা ভালোই কাটছে। যদিও বড্ড মিস করছি আমার প্রিয় ক্যাম্পাসটাকে আর ক্যাম্পাসের মানুষগুলোকে। তবুও বলবো এই পরিস্থিতি কাম্য নয়, সুস্থ হোক এই পৃথিবী। আবারো জমজমাট হয়ে উঠুক আমাদের দিনগুলো।’

ফজলে রাব্বি ফরহাদ
১৪তম ব্যাচ, লোকপ্রশাসন বিভাগ।

 


সারা বিশ্ব জুঁড়ে চলছে লক-ডাউন। আর আমরা যারা কোয়ারান্টাইনে আছি তারা জানি লক-ডাউনে ঘরের মধ্যে বসে থাকা কতটা কষ্টকর। আমরা কেউই ঘরে বসে থাকতে চাই না।অনেকের কাছেই এটি দু:সহ।ঠিক তেমনি আমার কাছেও এটি খুব কষ্টের মনে হচ্ছে। আজ প্রায় ৬০-৬৫ দিন বাইরের পৃথিবী থেকে নিজেকে বন্দি কারাগারে রেখেছি।সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে সুস্থ পৃথিবীতে আগে যেমন প্রানের ক্যাম্পাসে যেতাম, এখন আর তা হয় না।খুব সুন্দর ভাবে মনে পড়ে যায় আমার করণীয় কিছু নাই।যার ফলে ফ্রেশ হয়ে এক রুম থেকে অন্য রুমে শুয়ে বসে কাটাতে হচ্ছে সারাদিন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে বন্ধুদের সাথে। তবে এ সুযোগে পরিবারের সাথে কিছু ভালো সময় কাটাতে পারছি। নিজেকে গৃহবন্দি রাখাই এখন সময়ের আহ্বান। তা না হলে আমি অপি কখনোই গৃহবন্দি থাকতাম না।

মো:মেহরাব হোসেন অপি
ব্যাচ :১৫তম ব্যাচ, পরিসংখ্যান বিভাগ।

 


কোয়ারান্টাইন এর কারণে পরিবারের সাথে একটু বেশি সময় কাটাতে পারছি। ঘরের বিভিন্ন কাজে আম্মুকে সাহায্য করা,ছোট ভাইয়ের পড়াশোনায় সাহায্য করা তাছাড়া এই সুযোগে নিজের জ্ঞানের পরিধিও বাড়ানোর চেষ্টা করতেছি। যেহেতু বাইরে বের হওয়ার উপায় নেই তাই সোশ্যাল মিডিয়াতেই বন্ধু- বান্ধবের সাথে যোগাযোগ রাখা। আর আশা করি দ্রুত এই পৃথিবী সুস্থ হয়ে উঠবে আবার চারদিক কোলাহলে মেতে উঠবে।

আহনাফ তাহমিদ ফাইয়াজ 
২য় বর্ষ, একাউন্টিং বিভাগ।

কুমিল্লা মুরাদনগরে পাগলা কুকুরের কামড়ে ২৭ জন আহত, জলাতঙ্ক রোগের আশঙ্কা

কুমিল্লা মুরাদনগরে পাগলা কুকুরের  কামড়ে ২৭ জন আহত, জলাতঙ্ক রোগের আশঙ্কা




শাহ আলম জাহাঙ্গীর
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর, রামচন্দ্রপুর বাজার ও  বাখরাবাদ গ্রামে গত ২ দিনে পাগলা
কুকুরের কামড়ে এলাকার মোট ২৭ জন আহত হয়।

এর মধ্যে গুরুতর আহতদের মধ্যে রামচন্দ্রপুর বাজার পাড়ার  গাদ্দাফীর মেয়ে রাত্রি (৫), রাজমিস্ত্রি হেলাল (১৬),বাখরাবাদের গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেনের শিশু কন্যা আমেনা( ৫),  বাখরাবাদের সুনীল (৪০),  পাঁচকিত্তা বাজারের  রঞ্জিত চন্দ্র দাস (৪০), রামচন্দ্রপুরের  শ্রমিক  মহসিন মিয়া (৪০)মৌসুমির বোন এক সন্তানের জননী(২২)।
রামচন্দ্রপুর (উত্তর) ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকর্মী রাজীব হোসাইন বাবু ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার(৩ জুন)ও আজ বৃহস্পতিবার (৪জুন)দুপুর পর্যন্ত  ২৭ জন ব্যক্তিকে কয়েকটি পাগলা কুকুর কামড়িয়ে আহত করে। আহতদের মধ্যে অনেকেই  শ্রমজীবী দরিদ্র দিনমুজুর।।
করোনার এ সংকটে এমনিতেই ওরা বেকার শ্রমহীন।  এরি মধ্যে কুকুরে কামড়ে দিয়েছে। পয়সার অভাবে সুষ্ঠু চিকিৎসা করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন  কুকুরের কামড়ে আহত অনেক শ্রমজীবী দরিদ্র মানুষ।সময়মত সঠিক চিকিৎসা না নিলে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে কুকুরে কামড়ে দেয়া শ্রমজীবী দরিদ্র মানুষদের আশঙ্কা।
পাগলা কুকুরের কামড় থেকে বাঁচতে রামচন্দ্রপুর এলাকাবাসী আজ বৃহস্পতিবার  (৪ জুন) দুপুরে হামলাকারী ২ টি পাগলা কুকুরকে হত্যা  করেছে। এলাকায় আরো পাগলা কুকুর আছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। রামচন্দ্রপুর  বাজার ও আশেপাশে এলাকার পাগলা কুকুরগুলো শিগগির নিধন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।

মিরসরাইয়ে করোনা প্রতিরোধে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সাথে মতবিনিময় সভা

মিরসরাইয়ে করোনা প্রতিরোধে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সাথে মতবিনিময় সভা




ফিরোজ মাহমুদ, মিরসরাই প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে, মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও মন্দিরের পুরোহিতদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ৪ জুন) সকালে উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়ন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা রেড়ক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আনোয়ার বাহার চৌধুরী। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টারের সভাপতিত্বে ও ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন মিলনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মিহির কান্তি নাথ। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নুরুল গনি, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তোফায়েল উল্ল্যা চৌধুরী নাজমুল, উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক আরিফ মাঈনুদ্দীন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, মঘাদিয়া ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজ্বী নুর হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মফিজ মাষ্টার, আবদুল হালিম মাষ্টার, উপজেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মোস্তফা কামাল চৌধুরী লিটন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দীকি মাসুদ, আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা রবিউল হোসেন নিজামী, আবুতোরাব জগন্নাথ ধাম পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনঞ্জন দাশ প্রমুখ। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগ নেতৃবন্দ ও মঘাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সমজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন, মন্দিরের পুরোহিতরা উপস্থিত ছিলেন। 

বক্তারা উপস্থিত সকলকে করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও মন্দিরের পুরোহিতদের সাধাণ মানুষকে করোনার বিষয়ে সচেতন করার আহবান জানান।

মোংলায় সিটি মেয়র খালেক সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে, বনের উপর অত্যাচার রুখতে হবে

মোংলায় সিটি মেয়র খালেক সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে, বনের উপর অত্যাচার রুখতে হবে



মোঃএরশাদ হোসেন রনি   
 প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের অনেক ক্ষতি করছে। সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে। তাই বনের উপর মানুষের অত্যাচার রুখতে হবে। সাবধানতা অবলম্বন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে হবে। আমাদের অসচেতনতার কারনে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ ৬শো পরিবারকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি কপোর্রেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক একথা বলেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান, মোংলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ গোলাম সরোয়ার, রূপান্তরের নির্বাহি পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন ্ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক আহমেদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নূর আলম শেখ, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শেখ কবির হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইস্রাফিল হোসেন হাওলাদার প্রমূখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক আরো বলেন নিজে নিরাপদে থেকে পরিবারকে রক্ষা করতে হবে। তিনি সরকারি নির্দেশনা মেনে করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। উল্ল্রেখ্য ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ  ৬শো পরিবারের জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা হিসেবে রূপান্তরের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে তিন হাজার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য চার হাজার টাকা নগদ অর্থ, পিট ল্যাট্টিন, তাবু এবং হাইজিন কীট্স পাকেজ প্রদান করা হয়। এছাড়া পুকুর জীবানুমুক্তকরণ এবং মার্কেটে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মোংলার দিগন্ত প্রকল্প সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শ্রমিক সংঘ চত্বরে ২৫০ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমথর জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে প্রতি মসজিদের জন্য পাঁচ হাজার নগন অর্থ প্রদান করেন।

মধুপুর বহুমুখী মডেল টেকনিক্যাল ইন্সিটিটিউটের শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল পাসের দাবীতে রাস্তা অবরোধ

মধুপুর বহুমুখী মডেল টেকনিক্যাল ইন্সিটিটিউটের শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল পাসের দাবীতে রাস্তা অবরোধ




মো: আ: হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন রানিয়াদ মধুপুর বহুমুখী মডেল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের ২০২০ইং সালে এস.এস.সি ও এস.এস.সি সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী সকল শিক্ষার্থীর একটি বিষয়ে এবছর ৩১ মে ফলাফল প্রকাশে শতভাগ ফেল আসে। বৃহস্পতিবার (৪জুন) দুপুরে ফেল করা ওই ছাত্র, ছাত্রীরা মধুপুর ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের মধুপুর মালাউড়ি নামক স্হানে রাস্তা অবরোধ করে  তারা বিক্ষোভ করে। ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিক মধুপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্হলে গিয়ে তাদেরকে রাস্তা অবরোধ তুলে নিতে বললে ছাত্র ছাত্রীরা অবরোধ তুলে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করতে করতে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়। মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা জহুরা এর নির্দেশে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আ: রশিদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যান একং ছাত্র ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানান তোমাদের ব্যাপারটা নিয়ে ঢাকা ডিজি মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে বিশ দিনের ভিতরেই তোমাদের রেজাল্ট আসবে। তোমরা নিশ্চিন্তে বাড়ীতে ফিরে যাও তার কথায় আশস্হ হয়ে ছাত্র, ছাত্রীরা বাড়ীতে ফিরে যায়।  মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সকল পরীক্ষার্থী। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যাবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষিকা-  কর্মচারীদের  গাফিলতির  কারনে এরকম হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সহ অভিভাবকরা এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। তারা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম কিভাবে চালিয়ে যাবে সেটা নিয়ে অভিভাবকরা অনিশ্চয়াতার মধ্য দিয়ে সময় পার করতেছেন। এব্যাপারে অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার ফোনটি বন্ধ দেখায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উক্ত প্রতিষ্ঠানের জনৈন শিক্ষক এর সাথে যোগা যোগ
করে জানা যায় ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম ঢাকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গেছেন শতভাগ ফেল আসার কারন খতিয়ে দেখার জন্য। এখন শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি, যাচাই বাছই পূর্বক পরীক্ষার ফলাফল সংশোধন করে পুনঃফলাফল প্রকাশের পদক্ষেপ গ্রহন করা। যাতে করে তারা পরবর্তী শিক্ষাকার্যক্রম যথাযথ ভাবে চালিয়ে যেতে পারে

অভয়নগরে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ইউপি মেম্বার আটক!

অভয়নগরে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ইউপি মেম্বার আটক!




মোঃ দেলোয়ার হোসেন , অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : 

অভয়নগরে রাতের অন্ধকারে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার তরিকুল ইসলামকে আটক করেছে অভয়নগর থানা পুলিশ। বুধবার (৩জুন) রাতে সিদ্দিপাশা গ্রাম থেকে ওই মেম্বারকে আটক করা হয়। থানাসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের মেম্বার তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার রাতে জনৈক এক গৃহবধূর (২৭) বাড়িতে প্রবেশ করে তার ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। যার প্রেক্ষিতে বুধবার রাতে জনৈক ওই মহিলা বাদি হয়ে অভয়নগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অভয়নগর থানা পুলিশ বুধবার গভীর রাতে অভিযুক্ত ইউপি মেম্বার তরিকুল ইসলামকে আটক করে বৃহস্পতিবার সকালে যশোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। অভয়নগর থানার ওসি তাজুল ইসলাম  জানান, জনৈক ওই মহিলার লিখিত অভিযোগের ঘটনার সত্যতা পেয়ে ইউপি মেম্বার তরিকুল ইসলামকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। 


মেস ভাড়া নিয়ে ঝামেলায় জবি শিক্ষার্থীরা

মেস ভাড়া নিয়ে ঝামেলায় জবি শিক্ষার্থীরা





জবি প্রতিনিধিঃ   

পুরো বিশ্বজুড়ে চলছে অদৃশ্য একশক্তি ও আতংকের রাজত্ব যার নাম করোনা ভাইরাস (কোভিট -১৯)।  পৃথিবী আজ থমকে দাঁড়িয়েছে,  চারিদিকে  কোটি কোটি মানুষের আর্তনাদ ও মৃত্যুর মিছিল। মহামারি করোনাভাইরাস মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সব ক্ষেত্রে ধস নামিয়ে দিয়েছে। উচ্চবিত্ত পরিবারগুলো হয়ে যাচ্ছে মধ্যবিত্ত। মধ্যবিত্তরা পড়ে যাচ্ছে  নিম্নবিত্তের কাতারে।  আর নিম্নবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষদের কি অবস্থা তা সবারই জানা সব ধরনের আয় উপার্জন পুরোপুরি বন্ধ। এ-ই পরিস্থিতিতে বাসার মালিক ও কতিপয় মেস ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে পড়েছে একমাত্র  অনাবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় নিরীহ শিক্ষার্থীরা।


দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ুয়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। যাদের পড়াশুনার খরচ থেকে শুরু করে থাকা-খাওয়া, হাত খরচ সবই চলে টিউশনি বা খণ্ডকালীন চাকরি করে। কিন্তু সম্প্রতি নভেল করোনাভাইরাসের  কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বন্ধ হয়ে যায় তাদের এই উপার্জনের পথ। ফলে দেশের এই সংকটকালে বিপাকে পড়েন এসব স্ব-উপার্জিত  শিক্ষার্থীরা।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি ফার্মগেট এ হোস্টেল এ থাকি। ভাড়া ৫৮০০ খাওয়া থাকাসহ। আব্বু ব্যাবসা করে, ঠিকাদারি, বিল পাস হয় নাই, খএউ অফিস বন্ধ ছিল, তার ওপর ঘুষের আনাগোনা। হোস্টেল ম্যানেজার কে বলা হইছে, আমি এসে টাকা দিবো। কিন্তু ওনারা শুনতে নারাজ। টাকা তাদের চাই। বার বার ফোন দিয়ে বলতেছে টাকা দিতে। 


এইদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মিথিলা দেবনাথ ঝিলিক বলেন, ‘সম্প্রতি করোনাভাইরাসের কারণে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ দিন বন্ধ আছে। আবার কবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে সেটিও এখন নিশ্চিত  করে বলা কঠিন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই টিউশন করে জীবিকা নির্বাহ করে। এখন আমাদের টিউশনসহ অন্যান্য আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে আছে,  যার কারণে বাসা ভাড়া দিতে রীতিমত কষ্ট সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।'


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী নিশাত তাসনিম বলেন, দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে উপার্জন না থাকায় নিজেকে খুব অসহায় লাগছে। সবকিছু স্বাভাবিক হলেও যেসব বাসায় পড়াতাম, সেসব বাসায় আবার যেতে পারবো কি না তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। 


শুধু এই শিক্ষার্থীই নয়, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া আরো অনেকে এই সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। তারা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি তাদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন তাহলে খুবই উপকৃত হবেন তারা। এ ক্ষেত্রে  বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যারা টিউশনি করে পড়াশুনার খরচ চালায় এমন শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করে সাহায্য করতে পারে বলে মতামত দেন।


বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী বেশি। তাদের হল সুবিধা না থাকায় সমস্যাও বেশি। যার কারণে স্থানীয়ভাবে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে ক্যাম্পাস খুললেই এই ব্যাপারে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিবো। বেশি পরিমাণ শিক্ষার্থীর সমস্যার সমাধান রাষ্ট্রীয়ভাবেই করতে হবে। এর মধ্যেও যদি কোনো শিক্ষার্থীর আর্থিক   সমস্যা দেখা দেয়, আমাদের জানালে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং এই বেপারে সর্বদা উদ্যোগী। পার্শ্ববর্তী থানায় জানালে তারাও সহযোগিতা করবে, ইতিমধ্যে এ-ই ব্যাপারে আমি কথা বলেছি।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, 'ক্যাম্পাস খুললেই আমরা বাসা ভাড়া সমস্যা নিয়ে কাজ করবো। এখন কোনো সমস্যা হলে প্রক্টরকে জানালে তিনি ব্যবস্থা নিবেন। আমরা এখন শিক্ষার্থীদের খাবার ও চিকিৎসা সংকট নিয়ে কাজ করছি।'


‘করোনা মোকাবেলায় জবিয়ানের পাশে জবিয়ান’ ফান্ডের সেচ্ছাসেবক সুবর্ণ আসসাইফ বলেন, ফান্ডের উপহারের জন্য যেসব শিক্ষার্থীরা যোগাযোগ করছিলেন, তাদের অধিকাংশই ঢাকাতে টিউশনি করিয়ে নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবারের পাশেও দাঁড়াতো। কিন্তু টিউশন বন্ধ থাকায়, পরিবার নিয়ে তারা বিপদে পড়েছে। লকডাউন উঠিয়ে নিলেও এসমস্ত শিক্ষার্থীদের ও তাদের পরিবারের অবস্থার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। কেননা এদের আয়ের উৎস টিউশন বা অন্যান্য ছোট খাটো কাজ। সামাজিক দূরত্ব ও নিরাপত্তার কথা ভেবে তারা এ-ই মূহুর্তে কাজে নামতে পারছে না।


উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রামণ প্রতিরোধে  সরকার কয়েক দফায় ছুটি বৃদ্ধি করেছে। সর্বশেষ এ ছুটি বাড়িয়ে ৩০ মে পর্যন্ত করা হয় এবং ১৫ জুন পর্যন্ত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ব্রিফিং অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়তে পারে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটির মেয়াদকাল, যা শিক্ষার্থীদের ওপর সৃষ্টি করছে বাড়তি চাপ। তাই খুব দ্রুতই স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফেরার প্রত্যাশা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য সকল শিক্ষার্থীদের।

সাংবাদিক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে

সাংবাদিক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে



দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ পোর্টালের জন্য দেশের প্রতিটা জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হচ্ছে ।
আগ্রহীদের যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হল।
যোগাযোগের ঠিকানা ০১৭২৭৫৬৭৯৭৬ (সম্পাদক)
ইমেইল: mohsinlectu@gmail.com


কাজিপুরে গ্রামীণ আলো সোলার সৌর বিদ্যুতে কাজিপুরের অনেক এলাকা আলোকিত

কাজিপুরে গ্রামীণ আলো সোলার সৌর বিদ্যুতে কাজিপুরের অনেক এলাকা আলোকিত




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলে সৌর বিদ্যুতের সুবাদে অনেক এলাকা আলোকিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠান ও বাসগৃহে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহারের ফলে দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হয়েছে এবং সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। টিনের চালায় বা ছাদে সৌর বিদ্যুতের প্যানেল লাগানো হচ্ছে। 
সূর্যের আলো থেকে সোলার প্যানেল ব্যাটারি চার্জে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। বাড়ীর যে কোন খোলা জায়গা বা উঁচু স্থানে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়। বিশেষ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়ে ব্যাটারিতে সঞ্চয় হতে থাকে এবং চার্জ নিয়ন্ত্রেণ দ্বারা ব্যাটারির মধ্যে বিদ্যুতের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। প্রতিটি সৌর বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপন করতে ৮ থেকে ৩৮ হাজার টাকা খরচ হয়। এককালিন কিছু টাকা ও পরে মাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য। কাজিপুরের নিশ্চিন্তপুর ও তেকানী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ না থাকায় জনগণ বিদ্যুতের পরিবর্তে সৌর বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। নিশ্চিন্তপুর ও তেকানী ইউনিয়নের মোতাহার হোসেন, আনিছুর রহমান, জামাল, আমজাদ, সিদ্দিক হোসেন, সোহাগ রানা, সিহাব উদ্দিন, রিনা খাতুন, জাহিদ হাসান, দুলাল হোসেন, আলাল হোসেন ও রুপালী খাতুন জানান, গ্রামীণ আলো সোলার থাকার কারণে আমাদের ছেলে-মেয়ে অনেক রাত পর্যন্ত লেখা-পড়া করে পারে।    
গ্রামীণ আলো সোলার সিষ্টেমের নিশ্চিন্তপুর শাখার কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেন জানান, চর এলাকায় ১০০০ হাজার সৌর বিদ্যুতের প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। আরো অনেক প্যানেলের প্রস্তাব আছে। ফলে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহারে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার সুবিধা এবং লোডশেডিংয়ের ঝামেলা থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে এবং সৌর বিদ্যুৎ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

মাধবপুরে সরকারি শর্ত মেনে দোকান-মার্কেট খুললেও ক্রেতা নেই

মাধবপুরে সরকারি শর্ত মেনে দোকান-মার্কেট খুললেও ক্রেতা নেই




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে সরকারি র্শত মেনে দোকান মার্কেট খুললেও ক্রেতা নেই।
করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যেই সরকারি শর্ত মেনে গত রবিবার (৩১-মে) থেকে বেশিরভাগ মার্কেট ও বিপণিবিতান খুলেছে। তবে কিছু শপিংমল প্রস্তুতি শেষ করতে না পারায় এখনও চালু হয়নি। চলতি সপ্তাহের মধ্যে এগুলো চালু হবে বলে আশা করছেন মাধবপুর বাজারে যেসব 

মার্কেট খুলেছে সে গুলোতে ক্রেতা ছিল তুলনামূলক অনেক কম। অনেক মার্কেটের ব্যবসায়ীই বলছেন, সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে এলে এবং আতঙ্ক কমলে ক্রেতারা আসবেন। তবে নতুন করে চালু করা মার্কেট ও দোকান গুলোতে জীবাণুনাশক স্প্রে দেওয়া হচ্ছে ক্রেতাদেরও নানাভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী বেচাকেনা ধরে 

রেখেছে নিয়ম অনুযায়ী ক্রেতাদের দূরত্ব বজায় রেখে পণ্য কিনতে দেখা গেছে।
মাধবপুর পৌর বাজারে বিভিন্ন মোবাইল দোকান গুলোতে মানুষের ভিড় লক্ষ করা গেছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু করে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মাধবপুরসহ সারা দেশের মার্কেট, বিপণি বিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার নির্দেশনা থাকলেও, বৃহস্পতিবার (৪-জুন) সকাল ১০টার আগে থেকেই মাধবপুর, 

বাজারের অধিকাংশ দোকান খোলা হয়। দোকান গুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। বৃহস্পতিবার ( ৪.জুন মাধবপুর পৌর বাজারে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পোশাক পাদুকা গৃহস্থালি সামগ্রী প্লাস্টিক সামগ্রী, মোবাইল টাইলস ও স্যানিটারি, হার্ডওয়্যার, ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্সসহ সব পণ্যের দোকান খুলেছে। বিভিন্ন মার্কেট ও দোকানে কিছু 

ক্রেতার আনাগোনা ছিল যদিও।
দোকান দাররা জানিয়েছেন, বেচাকেনা কম। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয় নিয়ে জীবিকার তাগিদে দোকান খুলতে হয়েছে। সরকারি শর্ত মেনে করোনা প্রতিরোধের সুরক্ষাসামগ্রী কেনা, বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীদের বেতন-বোনাস এবং দোকানে পণ্য তুলতে জমানো টাকা খরচ হয়েছে। তাই ক্রেতা পাওয়া না গেলে ব্যবসায়িকভাবে আরও ক্ষতিগ্রস্ত 

হওয়ার আশঙ্কা আছে। মাধবপুর পৌর এলাকার বাসিন্দা ৪জি, কালেকশনের মালিক টিটু সরকার, বলেন সকাল থেকে দোকান খুলে বসে রয়েছি কোনো বিক্রি নেই। আগে দৈনিক ২০ হাজার টাকার বেশি বিক্রি করতে পারতাম। এখন ২ হাজার ৩ হাজার এর বেশি বিক্রি হচ্ছে না তবে দুই-চারদিন গেলে পরিস্থিতি বোঝা যাবে পাশেই রয়েছে, অরর্পন কালেকশন,

 ব্যবসায়ী টিটু সরকার টু বলেন, দোকানে যা বিক্রি হচ্ছে তা দিয়ে দোকানের বিদ্যুৎ বিলও দেওয়া সম্ভব হবে না। এমন বিক্রির চেয়ে দোকান বন্ধ থাকা অনেক ভালো।
এদিকে আগের চেয়ে ভিড় বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাইকারি ও খুচরা দোকান গুলোতে। কাঁচা বাজার গুলোতে সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা দেখা যায়নি সাধারণ 

মানুষের মধ্যে। যে যেভাবে পারছেন, কেনাকাটা করছেন। অনেক ক্রেতা ও বিক্রেতাকে মাস্ক পরতেও দেখা যায়নি। আবার অনেকের মুখে মাস্ক থাকলেও সঠিকভাবে ছিল না। মাধবপুর পৌর বাজারের দোকান মালিক কর্মচারীরা বলেন, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় সরকারের নির্দেশনা মেনে দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখায় আয়-রোজগারও বন্ধ ছিল। সরকারি নির্দেশনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে 

দোকানপাট খোলা হয় কিন্তু দোকান, খোলা হলেও তেমন ক্রেতা নেই। তবে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় তারা নিজেরাও আতঙ্কিত। এ কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান দারি করবেন বলে জানান। মাধবপুর পৌর বাজার কমিটির সেক্রেটারি শাহ সেলিম, বলেন এখন দোকানে তো কোনো কাস্টমারি নেই। শুধু শুধু দোকান-মার্কেট খুলে বসে থাকেন ব্যবসায়ীরা। এখন সব মার্কেট ক্রেতাশূণ্য 

মানুষজন খুব সচেতন এখন। করোনা
সংক্রমণ বাড়ায় দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। তবে এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দোকান-মার্কেট গুলো খুলেছেন ব্যবসায়ীরা। এখনও যারা মার্কেট বা দোকান খোলার প্রস্তুতি শেষ করতে পারেননি তারা আস্তে আস্তে খুলবেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ছাত্রলীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ছাত্রলীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ




শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় করোনা সংকটকালীন সময়ে অসহায়-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে ছাত্রলীগ।

বুধবার (০৩ জন) বিকেলে গোমস্তাপুর উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে চৌডলায় ১০০ পরিবারের মাঝে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ভোলাহাট ও নাচোল উপজেলায় ১৪০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি খালেদ হাসান নয়ন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সাকলায়েন আলম মন্ডল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাকিউল ইসলাম সাকিল, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য আতিকুর রহমান সুমন, চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রেজা ইমন, সাধারণ সম্পাদক সাইফ জামান আনন্দ, সহ-সভাপতি আতিকুল ইসলাম আতিক, সাব্বির হোসেন মন্ডল, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বারী, গোমস্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাউসার আহমেদ সাগর, সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির বিশ্বাস, রহনপুর পৌর সভাপতি ফজলে রাব্বি প্লাবন, রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, শিবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিজভী আলম রানা, সাধারণ সম্পাদক আশিফ হাসান প্রমুখ।

অভয়নগরে কলেজপড়ুয়া যুবককে হত্যা; লাশ পড়ে রয়েছে বাওড়ে

অভয়নগরে কলেজপড়ুয়া যুবককে হত্যা; লাশ পড়ে রয়েছে বাওড়ে




মোঃ দেলোয়ার হোসেন, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি:

অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া মডেল কলেজে পড়ুয়া নূরুজ্জামান বাবু (২০) নামের এক যুবককে অপহরণের পর খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ অপহৃতের লাশ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। পুলিশ ও স্থানীয়দেরসূত্রে জানা গেছে, অভয়নগর উপজেলার পুড়াখালী গ্রামের ইমরান গাজীর ছেলে নূরুজ্জামান বাবুকে গত সোমবার রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে অপহরণ করে অপহরণকারীরা। অপহরণের পর মঙ্গলবার রাতে নূরুজ্জামান বাবুর পিতার কাছে ৫০লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে অপহরণকারীরা। 

বিষয়টি নূরুজ্জামান বাবুর পিতা ইমরান গাজী লিখিত আকারে থানায় জানালে, পুলিশ বুধবার অপহরণের সূত্র ধরে ওই এলাকায় বসবসাকারী রিফায়েত হোসেন আউজ ও আবদুর রাজ্জাক ফকির নামের দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের স্বীকারোক্তিতে পুলিশ বুধবার গভীর রাতে পুড়াখালী বাওড়ের মধ্যে নিহত নূরুজ্জামান বাবুর লাশের সন্ধান পায়। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসীরা জানান, কলেজপড়ুয়া যুবক নূরুজ্জামান বাবুর লাশ পুড়াখালী বাওড়ের কঁচুরিপানার নিচে পড়ে রয়েছে। অভয়নগর থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে যশোর মর্গে পাঠানো হবে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 


সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দিনাজপুর সদরে অসহায় এক বৃদ্ধার ঘর নির্মান

সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দিনাজপুর সদরে  অসহায় এক বৃদ্ধার ঘর নির্মান




দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ আমফানে ভেঙ্গে পড়া দিনাজপুর সদরের এক বৃদ্ধার ঘড় নির্মানে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্ট ফোর হর্স ।
দেশের প্রতিটি দুর্যোগ,মহামারি থেকে শুরু করে হিরোর ভুমিকা পালন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এমনি একটি কাজ করলেন দিনাজপুর জেলার খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্ট ফোর হর্স এর তত্বাবধানে লেফটেনেন্ট মোরশেদে’র নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি দল।  
দিনাজপুর সদরের ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের উত্তর উলিপুর গ্রামের বৃদ্ধা আসমা বেগমের ঘড় নির্মানের উদ্দ্যোগ নেন। এসময় তারা সেই বৃদ্ধার ঘর নির্মানের জন্য বাশ টিনসহ প্রযোজনীয় সকল জিনিস পত্র নিজেরাই কিনে এনে দেন। এদিকে একই গ্রামে অসহায় ও দু:স্থ্য পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল,ডাল,তেল,চিনি আটাসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। 
বৃদ্ধা আসমা বেগম জানান, আমার ৪ মেয়ে এক ছেলে সবার বিয়ে হয়েছে,ছেলে বউ নিয়ে অন্যত্র থাকে। ভিক্ষা করে নিজের পেট চলে, ঘর ভেঙ্গে গেছে ঘুমানোর জায়গা নাই। বেটারা ঘর বানিয়ে দিবে শুনে তাদের জন্য দোয়ার ফুল ঝুড়ি ঝরতে থাকে মুখ দিয়ে। 
লেফটেনেন্ট মোরশেদ জানান, একদিকে করোনাভাইরাসের কারণে মানুষজন বেকার হয়ে পড়ে আছে অন্যদিকে ঘুর্ণিঝড় আমফানের আঘাতে অসহায় মানুষগুলো কুল হারা হয়ে পড়েছে।বৃদ্ধা আসমা বেগম ভিক্ষা করে নিজের সংসার চালায়,এমন পরিস্থিতিতে ঘড় নির্মান করা অসম্ভব।তাই আমরা এই বৃদ্ধার ঘর নির্মানের উদ্দ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি গ্রামের অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে কিছু ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

দিনাজপুরে সুস্থ ৫৬ জন, মৃত ২

দিনাজপুরে সুস্থ ৫৬ জন, মৃত ২




দিনাজপুর প্রতিনিধি :গত ২৪ ঘন্টায় নতুন আরো ১১ জনসহ দিনাজপুর জেলায় করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ২৬৬ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে পার্বতীপুর উপজেলায় ০৭ জন, সদরে ০২ জন, চিরিরবন্দরে ০১ জন ও খানসামা উপজেলায় ০১জন রয়েছে। ইতিমধ্যে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় একজন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন।
দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা: মো: আব্দুল কুদ্দুছ বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় জানান, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন আরো ১১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত রোগির সংখ্যা দাড়ালো ২৬৬ জনে। এ সময়ে নবাবগঞ্জ উপজেলায় একজনসহ এ পর্যন্ত ৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলার সদর ও চিরিরবন্দর উপজেলায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত দুইজনের মধ্যে সদর উপজেলায় একজন পুরুষ ও চিরিরবন্দর উপজেলায় একজন নারী রয়েছেন।
তিনি জানান, আক্রান্ত ২৬৬ জনের মধ্যে রয়েছে সদর উপজেলায় ৬৬ জন (মৃত একজনসহ), কাহারোলে ১২ জন, বিরলে ৩০ জন, বোচাগঞ্জে ৯ জন, পার্বতীপুরে ২১ জন, ফুলবাড়ীতে ৮ জন, নবাবগঞ্জে ২১ জন, হাকিমপুরে ৪ জন, খানসামায় ১০ জন, বিরামপুরে ২৭ জন, ঘোড়াঘাটে ২৬ জন, চিরিরবন্দরে ১৭ জন (মৃত একজনসহ) ও বীরগঞ্জ উপজেলায় ১৩ জন। আর বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ১৬৮ জন, প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রয়েছেন ২৮ জন, হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১২ জন ও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। 
সিভিল সার্জন ডা: মো: আব্দুল কুদ্দুছ আরো জানান, বুধবার ৩ জুন দিনাজপুর ল্যাব হতে ৫৯টি নমুনার ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১১টি নমুনার ফলাফল পজিটিভ, ৩ টি নমুনার ফলাফল ফলোআপ পজিটিভ ও বাকী ৪৫টি নমুনার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। 
এ নিয়ে দিনাজপুর জেলায় মোট করোনায় (কোভিট-১৯) প্রমানিত রোগির সংখ্যা দাড়ালো ২৬৬ জন। এছাড়া বুধবার ১২৭টি নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ১১৯ জনসহ বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ২১৮৫ জন।

কাজীপুরে বাঐখোলায় ক্লোজারের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে

কাজীপুরে বাঐখোলায় ক্লোজারের  কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে




 মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের বাঐখোলায় অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ  ক্লোজার বাধের  কাজ দূতগতিতে এগিয়ে চলেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই ক্লোজার বাধের নির্মাণ কাজ যথাযথ ভাবে সম্পন্ন হলে ভাটিতে অবস্থিত তিনটি গ্রামের বিশাল জনপদ যমুনার ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে, পাশাপাশী  ভ্রমনপিপাসুদের জন্য ক্লোজার বাধটি দর্শনীয়স্থান হিসাবে পরিনত হবে। 
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানে গেছে , গত ২০১২ সালে যমুনার ভাঙ্গনের কবলে পরে সিরাজগঞ্জের সদর ইউনিয়নের রতনকান্দি,বাহুকা,কাজীপুরের শুভগাছা ইউনিয়নের শুভগাছা ও গান্ধাইল ইউনিয়নের বাঐখোলা এলাকায় ব্যপক ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। ঐ সময় যমুনার একটি শাখা নদী কাজীপুরের বাএখোলা , শভগাছা, ও পার্ববত্তী  রতনকান্দি ইউনিয়নের পাশঘেঁসে প্রবাহিত হতে থাকায় এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যপক ভাঙ্গন ভিতি শুরু হয়। গত ২০১৩  সালের ঐ সময় কালিণ শাখা নদীটি বন্ধের লক্ষ্যে  বাঐখোলার সাবেক উপজেলা  ছাত্রলীগ সভাপতি মরহুম আলআমিন তাং  ও স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে সাবেক সাংসদ প্রকৌশলী জয়ের সার্বিক সহযোগিতায় প্রায় কোটি টাকা ব্যায়ে একটি  ক্রস বাধ নির্মিত হলে  যমুনারশাখা নদীর  ভাঙ্গন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতেকরে পরের বছর ঐ এলাকায়  চরজেগে  অনেক জমাজমি চাষাবাদের আওতায় আসে।এদিকে দির্ঘদিন পরে গত ২০১৯ সালে হটাৎকরে যমুনার ভাঙ্গন আবার বেড়ে যাওয়ায় পূর্বের করা ক্রসবাধটি ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়।অপরদিকে ১৮/১৯ অর্থ বছরে যমুনার  নদী তীঁর সংরক্ষন কাজের শূভগাছা এলাকার কাজ  চলমান রাখতে গিয়ে উজানে বাঐখোলা ও পাটাগ্রাম  এলাকায় আবারো যমুনা নদী খনন কাজ করে খননকৃত মাটি পঞ্চিমাংশে পূর্বের  ভেঙ্গে যাওয়া ক্রস বাধ এলাকায় ফেলতে থাকায় আগের মত একটি বাধ সৃষ্টি হতে থাকে।এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০১৩ সালের নির্মিত বাধটির গুরুত্ববুঝে আগের বাধের স্থানে নুতন একটিক্লোজার  বাধের নির্মাণ কাজ হাতে নিয়েছে।  এবিষয়ে ক্লোজার বাধের দেখবালের  দায়িত্বরত এস ও জাকির হোসেন জানান ৪শ মিটার লম্বা,ও ১শমিটার প্রসস্থ  নির্মানাধীন  ক্রসবাধটির মাটি ফেলতে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যায় হত।কিন্ত উজানের যমুনার খননকৃত মাটি নদীতীরে না রেখে ক্রসবাধটি নির্মাণ করা হচ্ছে,যা পানিউন্নয়ন বোর্ডের একটি সাশ্রয়ী প্রকল্প। গত মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ক্রসবাধিটির তিন সাইডে প্রায় ২লক্ষাধীক জিও ব্যাগ ড্যাম্পিং এর কাজ সম্পন্ন হওয়ার পথে।তিনি আরও জানান  কাজ সম্পন্ন হলে ভাটির অংশের শুধু  ভাঙ্গনই রোধ হবে না,  ক্রসবাধটির তিনদিকে পানি থাকায় ভ্রমনপিপাসুদের  চির্তবিনোদনের পাশাপাশী   স্বাস্থ্যকর দর্শনীয় স্থানে পরিনিত করা হবে

নদীতে গোসল করতে গিয়ে কলেজ পড়ুয়া ছেলের মৃত্যু!

নদীতে গোসল করতে গিয়ে কলেজ পড়ুয়া ছেলের মৃত্যু!



মোঃ লাতিফুল  আজমঃ
কিশোরগন্জ  নীলফামারী প্রতিনিধি শখের ইংরেজি বিষয়ে পড়াশুনা শেষ করতে পারলো না ইংরেজি বিষয় নিয়ে অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক লিমন (২১)। তার আগেই তার জীবন থেমে গেল। আজ বুধবার নদীতে গোসল করতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরতে হলো বাড়ীতে। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের চাড়ালকাটা নদীর সাইফুন নামক স্থানে।

জানা গেছে, বুধবার মুশরুত পানিয়াল পুকুর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাবুল হোসেনের একমাত্র অনার্স পড়ুয়া ছেলে আব্দুর রাজ্জাক লিমন (২১) চাড়ালকাটা নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। তার সাথে থাকা অন্যজন সাতার কেটে উপরে আসতে পারলেও সে আসতে পারেনি। খবর পেয়ে এলাকাবাসী প্রায় ঘন্টাব্যাপী নদীতে চেষ্টা চালিয়ে তাকে মৃত্যু অবস্থায় উদ্ধার করে। তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


 
নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুক বলেন, সেনা সদস্য বাবুল হোসেনের একটিই ছেলে। সে ঢাকা তেজগাও কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্র। সে অনেক মেধাবী ছাত্র ছিল। এছাড়া সে ক্রিকেট ভাল খেলতো।কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুন অর রশীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে টিন বিতরণ

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে টিন বিতরণ
 

মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, 
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ভয়াবহ তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৮ পরিবারের মধ্যে ১৪ পিচ করে টিন বিতরন করা হয়েছে। 

জানা যায়, গতকাল ৩জুন ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে টিন বিতরন করা হয়। আনোয়ার গ্রুপের সৌজন্যে ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে টিন বিতরনী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সুমী মজুমদার, ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সেলিম রেজা প্রমুখ।

মাধবপুরে কৃষকরা পাটের আঁশ নয়, শাঁক চাষে আগ্রহী

মাধবপুরে কৃষকরা পাটের আঁশ নয়, শাঁক চাষে আগ্রহী



লিটন পাঠান মাধবপুর প্রতিনিধি

সোনালী আঁশ পাট। একই সাথে পাট অর্থকরী ফসলও। সেজন্য কৃষকরা পাট চাষ করতেন। তবে এখন বর্তমানে পাট চাষের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া ও বাজারে চাহিদা না থাকায় পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা ব্যতিক্রম নয়।
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলাও। কয়েকবছর আগেও উপজেলার বিভিন্ন-প্রান্তের কৃষকরা পাট চাষ করতেন।

তবে এখনো উপজেলার কৃষকরা পাট চাষ করেন। তবে এখন আর পাট তোলার জন্য নয় বরং শাঁক হিসেবে,
ব্যবহার করার জন্য। গত কয়েকবছরে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পাট শাঁকের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরাও শাঁক চাষে ঝুঁকছেন। আর শাঁক উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় আশঙ্কাজনক হারে কমেছে পাট উৎপাদন। এতে কৃষকের পাশাপাশি,

সরকারও প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। অথচ উপজেলা কৃষি বিভাগ পুরো নির্বিকার। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, এবার উপজেলায় মাধবপুর পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে। শাহজাহানপুর আন্দিউরা আদাঐর বুল্লা, ছাতিয়াইন ও বাঘাসুরা ইউনিয়ন মিলিয়ে ৩৩০ হেক্টর জায়গায় জুড়ে দেশি তোষা কেনাক, মেস্তাসহ বিভিন্ন জাতের পাট,

চাষ হয়েছে। বিশেষ করে নিচু এলাকায় পাটের আবাদ বেশি হয় বলেও জানায় কৃষি বিভাগ।এদিকে বুধবার (৪-জুন) মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জাতের পাটের আবাদ হয়েছে। তবে বেশির ভাগ কৃষকই পাটের আঁশের বদলে পাট শাঁককে প্রাধান্য দিচ্ছেন।
উপজেলার ছতিয়াইন গ্রামের নায়িম,

হোসেন নামে এক কৃষক বলেন এক বিঘা জমিতে পাট উৎপাদনে চাষ সার, বীজ কিনতে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার টাকা। জমিতে বাছাই খরচ হয় ২ হাজার টাকা এবং পাট কাটা ও জাগ (পানিতে ভিজিয়ে রাখা) দিতে ব্যয় হবে ৩ হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করতে একজন কৃষকের মোট ব্যয় হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। অথচ এক বিঘা জমিতে 

ভালো আবাদ হলে পাট পাওয়া যায় ৮ থেকে ৯ মণ। গতবার উঠতি বাজারে মণ প্রতি ১১০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাট চাষ করে লাভের বদলে পুঁজি হারানোর আশঙ্কায় থাকতে হয়।
তিনি আরও বলেন অন্যদিকে, সমপরিমাণ জায়গায় পাট শাঁক আবাদ করলে লাভ হয় খরচের দ্বিগুণ। আর এতে করে এখন অনেকেই পাট শাঁক 

চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। একই কথা বলছেন মাধবপুর পৌরসভার ছোট মিয়া নামের আরেক কৃষক, বলেন বাজারে পাটের চাহিদা না থাকায় আমাদের পাট চাষে আগ্রহ নেই। তবে পাটের শাঁক হিসেবে বাজারে চাহিদা অনেক বেশি। আর এক বিঘা জমি থেকে পাট শাঁক চাষ করে ৪০ দিনের মধ্যে ফসল উৎপাদন করে তা বিক্রি করা যায়। 

এতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মতো হয়। জলিল মিয়া নামে আরেক কৃষক জানান, এবার ১ বিঘা জমিতে পাট শাঁক উৎপাদন করে এ পর্যন্ত ১১ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। আরও জমিতে যে ফসল আছে তা বাজারে বিক্রি করলে ৭-৮ হাজার টাকার মতো পাওয়া যাবে,এ ব্যাপারে মাধবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন এবার।

উপজেলার ৩৩০ হেক্টর এলাকাজুড়ে দেশি তোষা, কেনাক মেস্তাসহ বিভিন্ন জাতের পাট চাষ হয়েছে হওয়ায় নদী, নালা খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ার ফলে পাট পচানো ও নিড়ানোর অনিশ্চয়তায় পাট চাষের একটা বড় সমস্যা বলে মনে করেন অনেক কৃষক। তারপরেও মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর, আন্দিউরা আদাঐর  বুল্লা ছাতিয়াইন 
বাঘাসুরা মাধবপুর পৌরসভাসহ কিছু অংশে পাট চাষ হয়েছে বলে জানান।

ভোমরা আওয়ামীলীগ সভাপতি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত দোয়া কাম্য

ভোমরা আওয়ামীলীগ সভাপতি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত দোয়া কাম্য



আজহারুল ইসলাম সাদীঃ সাতক্ষীরা জেলার ৬নং ভোমরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি গাজী আব্দুল গফুর সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন, তিনি তার দ্রুত সুস্থ্যতার জন্য সকলের দোয়া কাম্য করেছেন।
উল্লেখ ভেমরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি গাজী আব্দুল গফুর ২ রা মে বেলা ১১ টার সময় মটর সাইকেল এর ব্যাটারি পাল্টানোর জন্য সাতক্ষীরা শহরের নাজমুল স্মরণি দিয়ে যাওয়ার সময় অপর দিক দিয়ে প্রায়ভেটকার ও পেছন দিয়ে একটি ভ্যান দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় তাকে ধাক্কা দিলে তিনি বাম পায়ে গুরুত্বর আঘাত প্রাপ্ত হন।
এসময় স্থানীয়রা তাকে পার্শ্ববর্তী শফিকুল ইসলাম নামে এক ডাক্তার এর মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি তার সাতক্ষীরা'র উত্তর কাটিয়াস্থ বাস ভবনে চিকিৎসাধীন আছেন।
প্রচুর রক্ত ক্ষরণের কারণে তার পায়ে কয়েকটি সেলাই দেয়া হয়েছে।
তিনি তার দ্রুত সুস্থ্যতার জন্য সকরের দোয়া চেয়েছেন।