ধর্ষনমুক্ত গড়তে সমাজ হবে বিপ্লবী সাজ

ধর্ষনমুক্ত গড়তে সমাজ হবে বিপ্লবী সাজ
 
মানব সভ্যতার ইতিহাস কি শুধুই শ্রেণীসংগ্রামের? শ্রেণীসংগ্রামের গ্লানি যেমন এখনো সমাজ টানছে তেমনি সংকীর্ণতা ও মানবতাবোধের সংগ্রামও প্রতিনিয়ত সমাজকে ভাবাচ্ছে। সভ্যতার এই স্বর্ণযুগে এসে মানুষ সংকীর্ণতা থেকে কতটুকু বেড়িয়ে এসেছে? আমাদের মন,সমাজ, জাতি,আইন, আদালত এই সংকীর্ণতার লালনকারী হয়ে তত দিন পর্যন্ত থাকবে যতদিন নতুন নতুন ধর্ষণ সমাজ দেখবে।ঘুমন্ত মানবতাবোধ, আইন দিয়ে কি সমাজ শুধু ধর্ষকদের সংখ্যা বাড়াতেই থাকবে? কারা এই ধর্ষক শ্রেনী???
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী? কোটিপতি বাপের মার্সিটিজ কারে বসা ছেলে নাকি রাস্তার পাশে জন্ম নেয়া বখাটে, কারা??????

কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধুর সাথে  অন্যান্য বিষয়ে কথা বলতে বলতে নারীদের সম্পর্কে তার ধারণা জানতে চাইলে অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হয়।তার মতে নারীরা হচ্ছে স্বর্ণের মত,স্বর্ণ যেমন  ব্যবহারের পর লুকিয়ে রাখতে হয় তেমনি মেয়েদেরও ঘরে রাখতে হয়। সেদিন আমি শুধু থাকে  একথায় বলেছিলাম মেয়েরা কোন পণ্য নয়।এই হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা কিছু ছাত্রের নারী জাতি নিয়ে ভাবনা।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চতর ডিগ্রি দেয়ার আগে তার সন্তানদের  নৈতিকতা ও মানবতাবোধের শিক্ষা দেয়া কি উচিত নয়? যে সমাজ সত্য স্বীকার করতে এত নাজুক সেখানে নামধারী ডিগ্রির কি দরকার? পৃথিবী যখন অনন্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে কেন পরিপূরক একটা শ্রেণীকে পণ্য ভাবা হবে?মানসিকতার এই বিপর্যয়ের দায়বার কে নিবে?কারণটা কিন্তু এখানেই !

সুষ্ঠ বিচার দাবী করাটা আমাদের সমাজে আজ ধৈর্যের  ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।বিচার কার্যের দীর্ঘসূত্রিতায় এসব বিষয়কে আরো বেশি লালনে সাহায্য করছে বলে মনে হয়। আমাদের সবই আছে, এইসব নিয়ে কথা বলার কেউ নাই। বিচারকার্যকে প্রভাবিত করা অভিজাত শ্রেণীকে সামাল কে দিবে?

আমরা ব্যানার নিয়ে, শ্লোগান দিয়ে কয়েকদিন আন্দোলন করব তারপর তনুর মত সব ধর্ষিতার ইতিহাস সময়ের ভিতর লুকিয়ে যাবে আর ধর্ষকেরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে। তাদেরই বা দোষ কোথায়, প্রতিবাদহীন সমাজই তো তাদের এই অধিকার দিয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষ সবই দেখি--- হায় হুতাশ করি, সিস্টেমকে গালি দেয় আর জোর গলায় বলি তাতে আমার কি???এই "আমার কি "নামক বাক্যটি যতদিন সমাজে থাকবে ততদিন সমাজে নতুন ধর্ষণকাহিনী সৃষ্টি হবেই।
ধর্ষণ আজ আমাদের সমাজে একটা মহাসংকটের নাম।এই সংকট থেকে উত্তরণের  জন্য মেয়েদের মানসিকতার পরিবর্তন সহ নারীদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। সমাজটা কোন নারী বা পুরুষের না,দুর্বল বা সবলের না।এটা আমরা বাঙালী জাতির।।

একবিংশ শতাব্দীতে এসে ধর্ষকেরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে, হোক সে ফুটপাতের ছেলে কিংবা বড় রাজনীতিবিদ বাপের ছেলে। তাদের ঘুরে বেড়াতে দেয়া যাবে না।এই ধর্ষন সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের সঙ্ঘবদ্ধ প্রয়াস দরকার। দরকার বজ্রকন্ঠের স্লোগান। ধর্ষনমুক্ত গড়তে সমাজ হবে বিপ্লবী সাজ।     
  
                       
সাখাওয়াত হোসাইন (ব্যাংক কর্মকর্তা)

চট্রগামের ১১টি বাহিনীর ৩৪ জন জলদস্যুর অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ

চট্রগামের ১১টি বাহিনীর ৩৪ জন জলদস্যুর অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ

মোঃ আরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
চট্রগামের বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া অঞ্চলের ১১টি বাহিনীর ৩৪ জন জলদস্যু অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের উপস্থিতিতে বাঁশখালী পৌরসভাস্হ জলদি  আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তারা আত্মসমর্পণ করেন।

এই প্রসঙ্গে র‍্যাব বলছে, হাজার হাজার উপকূলবর্তী মানুষ দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় চিহ্নিত জলদস্যু ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে আছেন। জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হবেন তারা। এর মধ্যে দিয়ে উপকূল অঞ্চলে শান্তির সুবাতাস বইবে। এতে উপস্হিত ছিলেন,
আসাদুজ্জামান খান মাননীয় মন্ত্রী স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়,বিঃ শামসুল হক টুকু এমপি সভাপতি স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী সংসদ সদস্য চট্রগ্রাম ১৬ বাঁশখালী, মোঃ মোসলেম উদ্দিন সংসদ সদস্য বোয়ালখালী ৮ আসন, সভাপতি চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ, আশেক উল্লাহ রফিক এমপি সংসদ সদস্য কুতুবদিয়া মখেশখালী,মোঃ জাফর আলম এমপি চকরিয়া কক্সবাজার, মোস্তফা কামাল উদ্দিন সিনিয়র সচিব জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়, ডঃ বেনজীর আহমদ,বিপিএম (বার)পুলিশ মহাপরিদর্শক বাংলাদেশ পুলিশ, সভাপতিত্ব করেন, লেঃ কর্ণেল মোঃ মশিউর রহমান জুয়েল, পিএসসি র্র্যাব ৭, তোফাইল মোস্তফা ছরওয়ার,উপপরিচালক র্র্যাব, চট্রগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

ব্যবস্থা পনায় র্র্যপিডএ্যাকশন ব্যাটালিয়ন -৭ চট্রগ্রাম
এর কাছে যারা আত্নসমর্পন করেছে তারা হলেন, আত্মসমর্পণ করেছেন যারা: বাইশ্যা বাহিনীর মো. আব্দুল হাকিম ওরফে বাইশ্যা ডাকাত (৫২), মো. আহামদ উল্লাহ (৪২), মো. আব্দুল গফুর ওরফে গফুর (৪৭), মো. দিদারুল ইসলাম ওরফে পুতিক্যা (৩২), মো. জসিম উদ্দিন (২৬), মো. মিজানুর রহমান (২৩), আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে বাইশ্যা (২৯), মো. বেলাল মিয়া (৩০), মো. আব্দুল হাকিম বাক্কু (৩৫), মো. রশিদ মিয়া (৩৬)। খলিল বাহিনী বাদল বাহিনীর কুতুবদিয়া থানার আব্দুর রহিম (৬৪), মো. মাহমুদ আলী প্রকাশ ভেট্টা, মো. ওবায়দুল্লাহ (৩৬), মো. ইসমাইল (২৪) সাহাবুদ্দিন ওরফে টুন্নু (৩২)। রমিজ বাহিনীর মো. ইউনুছ (৫৬), মো. তৌহিদ ইসলাম (৩৪), মো. ফেরদৌস (৫২), মো. রেজাউল করিম (৪০)। বাদশা বাহিনীর মো. নিজাম উদ্দিন ভান্ডারী, মো. ইউনুস (৫১), কামাল উদ্দিন (৪৭), মো. আব্দু শুক্কুর, ইউনুচ (৪২)। জিয়া বাহিনীর সাহাদাত হোসেন (দোয়েল) (৪১), মো. পারভেজ (৩৩), মো. নাছির (৫১), আমির হোসেন (৪৮), মো. সাকের (৪০)। কালাবদা বাহিনীর মো. সেলিম বাদশা (৩৪), মো. আব্দুল গফুর ওরফে গফুর, মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৩১), মো. মামুন মিয়া (২৭), মো. মন্জুর আলম (৪২)।

অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার: এই ৩৪ জন জলদস্যু আত্মসর্মপণের সময় তারা বিপুল সংখ্যক অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। বাইশ্যা ডাকাত বাহিনী ৩ জন এলজি- ৪১ টি, থ্রি কোয়াটার এলজি ১৯টি, বিদেশি পিস্তল ১টি, রিভলবার ১টি, এসবিবিএল ৫টি, এসবিবিএল বন্দুক ১৬টি, ডিবিবিএল বন্দুক ১টি, ওয়ান শুটারগান ১টি, থ্রি কোয়াটার ওয়ান শুটারগান ১টি, এসবিবিএল ওয়ান শুটারগান ১টি, পাইপগান ১টি, এয়ারগান ২টি এবং .১২ বোরের গুলি ৮৮৬ রাউন্ড এবং .২২ বোর রাইফেলের গুলি ১,১৭০ রাউন্ড জমা দিয়েছে।

র‍্যাব বলছে, ২০০৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত র‍্যাব চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪৮ জন জলদস্যুকে আটক করে। উদ্ধার করে ৭৯৭ টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৮৮৪২ রাউন্ড গোলাবারুদ। এছাড়াও ২০১৮ সালে ৪৩ জন জলদস্যু র‍্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

হরিণাকুন্ডুতে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল অনুষ্ঠিত

 হরিণাকুন্ডুতে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে সাংবাদিকদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠে ঐতিহ্যবাহী ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাব ও হরিণাকুণ্ডু প্রেস ক্লাবের মধ্যে এ ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত খেলার শুভ উদ্বোধন করেন ও খেলায়াড়দের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারমান মোঃ জাহাঙ্গীর হোসাইন।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা নাফিস সুলতানা ও হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহিম মোল্লা।

এছাড়াও খেলায় ইউপি চেয়ারমান ফজলুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর ফারুক হোসেন, সমকাল ও ডিবিসি নিউজ এর কুস্টিয়া প্রতিনিধি সাজ্জাদ রানা, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও একুশে টেলিভিশন এর কুস্টিয়া প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম, কুস্টিয়া জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম সুরুজ, কুস্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাঞ্জিয়ার রহমান চঞ্চল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত খেলায় ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাব জয়লাভ করে। খেলাশেষে ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাব সভাপতি এম রায়হান ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান টিপুর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

ঢেম ঢেমিয়া কালীর মেলায় গরু- মহিষ এবং ঘোড়া ক্রয়-বিক্রয় বৌ বাজার বন্ধ

ঢেম ঢেমিয়া কালীর মেলায়  গরু- মহিষ এবং ঘোড়া ক্রয়-বিক্রয় বৌ বাজার বন্ধ

খাদেমুল ইসলাম রাজ, বীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ করোনার কারণে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঢেম ঢেমিয়া কালীর মেলা গরু- মহিষ এবং ঘোড়া ক্রয়-বিক্রয় ও বৌ বাজার বন্ধ করেছে প্রশাসন।

এই কালির মেলাটি পঞ্চগড়, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও তিন জেলার শেষ সীমানায় প্রতিবছর এ মেলাটি বসে ২নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আর মেলা শুরু হওয়ার সাত দিন আগ থেকে গরু, মহিষ,ঘোড়া মেলাতে বিভিন্ন যায়গা থেকে আসে এবং পূজার দুইদিন আগ থেকে ক্রয় বিক্রয় শুরু হয় সে হিসাবে মেলাতে মহিষ এবং ঘোড়া ক্রয় বিক্রয় শুরু করার কথা কিন্তু করোনার কারনে এবারই প্রথম মেলাটি বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, এটি ১৫০ বছরের পুরাতন মেলা। মন্দিরে কালীপূজা পালনের মধ্য দিয়ে এ মেলা শুরু হয়। মেলায় রকমারি মিঠাই, সংসারের যাবতীয় জিনিসপত্রের দোকানসহ কসমেটিক্স, মাটির হাঁড়ি-পাতিল, মাছ ধরার নানা সামগ্রী এবং বিনোদনের জন্য বসানো হয় নাগর দোলা ও চরকি। ঐতিহ্যবাহী ঢেম ঢেমিয়া কালীর মেলাকে ঘিরে এর তিন কিলোমিটার জুড়ে স্থানীয় বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়েও রকমারি জিনিস-পত্রের দোকান বসতো।

কিন্তু করোনার কারণে এবার সবই ভেস্তে গেছে। পলাশবাড়ী  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুয়েলুর রহমান জুয়েল জানান, প্রতিবছর কালীপূজায় মেলা বসে। এক মাস এ মেলায় নারী-পুরুষের ঢল নামে। মেলাটি বহুকালের হলেও করোনার কারণে মেলা এবার বন্ধ।

জনাব আবদুল কাদের,এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বীরগঞ্জ জরুরী আদেশ দিয়েছেন, দিনাজপুরের উপর অর্পিত ক্ষমতা বলে অদ্র ১২-১১-২০২০ খ্রি তারিখ সকাল ১০ঃ০০টা হতে ১৫-১১-২০২০ খ্রি তারিখ বিকেল ৫ঃ০০ ঘটিকা পর্যন্ত মেলা আশে পাশের চতুর দিকে ২০০ গজ এলাকায় ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা মতে নিম্ন বর্ণিত কার্যসমূহের উপর নিষেধাজ্ঞা। 

(১)পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে সমাবেশ। 

(২)যে কোন ধরনের অস্ত্র বা লাঠিখোঠা আগ্নেয়াসস্ত্র বহন। 

(৩)যে কোন ধরনের স্লোগান বা মিছিল করা।

(৪)এমন কোন কার্য করা না হয় যাতে সুষ্ঠ পরিবেশ ব্যাহত হতে পারে। 

(৫)ধর্মীয় আচার আচরণ পালনের সময় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। 

যারা এ আদেশ লংঘন করবেন তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারার বিধান মোতাবেক শান্তি মূলক ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে। 

তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে এবার মেলা বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। কারণ মেলায় যে পরিমাণ মানুষের আনাগোনা হয় তাতে এলাকার মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে। সেই দিকটি বিবেচনা করে সবার মঙ্গলের স্বার্থেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ -১ কাজিপুর উপ-নির্বাচনে বিপুল ভোটে নৌকার বিজয়

সিরাজগঞ্জ -১ কাজিপুর  উপ-নির্বাচনে বিপুল ভোটে নৌকার বিজয়


মাসুদ রানা, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর-সদরের একাংশ) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৭১টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং কেন্দ্রসমূহে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ভোট গণনায় সবগুলো কেন্দ্রে এখন নৌকা প্রতীক এগিয়ে রয়েছেন। নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয় এবং ১৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করছেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিজিবি টহল দিতে দেখা যায়। অধিকাংশ কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর (ধানের শীষ) কোন এজেন্ট ও নেতাকর্মী দেখা যায়নি।

এ সংসদীয় আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৪ জন। তবে কেন্দ্র সমূহে নারী ভোটার উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় নৌকা প্রতীক নিয়ে এবং বিএনপি থেকে সেলিম রেজা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অংশ গ্রহণ করেন।

এ আসনটি আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে খ্যাত। এজন্য এবারো নির্বাচনে নৌকা প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে ভোটাররা এ অভিমত ব্যক্ত করছেন।

এদিকে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রাজশাহী অঞ্চল ও রিটার্নিং অফিসার ফরিদুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্র সমূহে শান্তিপূর্ণভাবে ইভিএম এর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গনণা শেষে রাত ১২ টার আগেই ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ওই আসনের এমপি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে এই আসনটি শুন্য ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

নড়াইলে সিআইডির হাতে গ্রেফতার সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাকরি দেওয়া প্রতারক

নড়াইলে সিআইডির হাতে গ্রেফতার সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাকরি দেওয়া প্রতারক

মো: আজিজুর বিশ্বাস, স্টাফ রিপোর্টারঃ সেনাবাহিনীর ডি’জিএফআই এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। প্রতারকের নাম খন্দকার ওবায়দুর চুন্নু ওরফে জীবন চৌধুরী (৫০)। তার বাড়ি রাজবাড়ি জেলায়।

গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ ওয়াকিটকি, ডিজিএফআই এর ভূয়া পরিচয়পত্র, ৫টি মোবাইল সেট এবং বিভিন্ন কোম্পানির ১০টি সিম কার্ড পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নড়াইল সিআইডির কার্যালয়ে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে নড়াইল সিআইডির একটি টিম বুধবার (১১ নভেম্বর) ভোরে রাজবাড়ি জেলার কালুখালী থানার রূপসা গ্রাম থেকে প্রতারক খন্দকার ওবায়দুর চুন্নু ওরফে জীবন চৌধুরী ও তার মা মরিয়ম বেগম (৬৮)কে গ্রেফতার করে। 

এ সময় তার কাছ থেকে অবৈধ ওয়াকিটকি, মোবাইল ও ডিজিএফআই এর ভূয়া পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। তবে টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, ওবায়দুর দেশের বিভিন্ন জেলায় ৭টি বিবাহ করে সেসব এলাকায় একটি প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে এবং সেসব এলাকার সহজ-সরল মানুষকে সেনাবাহি’নীর বিভিন্ন পদে চাকরি দেবার নামে নিয়োগপত্র প্রদান করে লাখ লাখ টাকা আদায় করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইলের ৩টি এলাকার চার জনের কাছ থেকে মোট ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তার বিরুদ্ধে নড়াইলের লোহাগড়াসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে।

মামলার বাদি লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপাশা এলাকার ভ্যান সাইকেলের ম্যাকানিক ফিরোজ মোল্যা এ জানান, তার ছেলে মোছা মোল্যার (১৮) সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস অফিসের অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য জমি বিক্রি ও লোন নিয়ে ওবায়দুরকে গত মে ও জুন মাসে দুকিস্তিতে ৯ লাখ টাকা দেয়।

একই উপজেলার লোহাগড়া ইউনিয়নের কাউড়িখোলা গ্রামের কর্মহীন যুবক বিল্লু মঙ্গল রায় জানান, তিনি তার পৈত্রিক জমি বিক্রি ও সুদে টাকা লো’ন নিয়ে সেনাবাহি’নীর কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরির জন্য গত জুলাই ও আগস্ট মাসে ওবায়দুরকে ১০ লাখ টাকা দেয়।

লোহাগড়া থানার রাজুপুর গ্রামের তরিকুল ইসলাম জানান, তিনি সেনাবাহিনীতে অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য ওবায়দুরকে গত জুন ও জুলাই মাসে ৪ লাখ টাকা প্রদান করেন। একইভাবে লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ইশানগাতি গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানান, তার ভাইপো সাজ্জাদ সরদারের চাকরির জন্য গত ১৫ জুলাই ওবায়দুরকে ৬লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

পড়াপানি খেয়ে হারাতে হলো নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার

 পড়াপানি খেয়ে হারাতে হলো নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার


শার্শা প্রতিনিধি : মোঃ ফজলুর রহমানঃ আমরা জানি অজ্ঞান পার্টি, গামছা পার্টি, মলম পার্টির কথা এবার গ্রামে  এল মাথায় পাগড়ী ওয়ালা মুসাফির সেজে, পানি পড়া পার্টি, ১২/১১/ ২০২০ বৃহস্পতিবার সকালে দশটার দিকে শার্শার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন এর টেংরা গ্রামে এক ব্যক্তির বাড়িতে এলো ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সের দুইজন যুবক ছেলে মাথায় পাগড়ী বেঁধে লম্বা সালাম দিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করল তার পর প্রথম একগ্লাস পানি চাইলো পানি দেয়ার পর সেই পানিটা ঝাড় ফুক দিয়ে বলল আপনি  এই পড়া পানি টুকু খেয়েনেন আপনার পরিবার থেকে রোগ বালা মুসিবত দূর হয়ে যাবে  বিনিময় কোন টাকা পয়সা কিছু দেয়া লাগবে না। কিন্তু ঐ ব্যক্তি সেই পানি টুকু না  খেয়ে গালেদিয়ে  দেখে কিছু একটা মিশ্রন করা আছে তারপর সে পানিটুকু  ফেলে দেয়। তার পর সেই মহিলা লোকজন ডাকা বাকি করলে  তারা চোখের পলকে দ্রুত পালিয়ে যায়। কেউ যদি  গ্লাসে পানি টুকু খাবেন ওদের কথা মত বাড়িতে থাকা স্বর্ণালংকার নগদ টাকা পয়সা সব দিয়ে দিবেন নিজের ইচ্ছায়। এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। চলতি মাসে যশোরে মনিহার এর পিছনে এক পরিবার থেকে নিছে২০ হাজার টাকা স্বর্ণ অলংকার, গত সপ্তাহে একই পন্থা অবলম্বন করে ঝিকরগাছা বল্লা গিরামে এক পরিবারের কাছ থেকে নিচে গরু বিক্রি করে আসা 30 হাজার টাকা।

আজকের যুবরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বে

আজকের যুবরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বে


তুহিন রানা (আব্রাহাম) ; খুলনা নগর প্রতিনিধিঃখুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, আজকের যুবরাই আগামীর বাংলাদেশ নির্মানে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দৃঢ় নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথিবীর বুকে ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত উন্নয়ন শীল রাষ্ট্রে পরিনত করার যে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন, সেই সংগ্রাম এগিয়ে নিতে হবে আজকের যুবকদের। এ জন্য তিনি যুব সমাজকে শুধু চাকরির পিছনে না দৌড়িয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নিজের জন্য চাকরি নয় অন্যের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করার প্রত্যয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মপ্রয়াসকে ষড়যন্ত্রকারীরা ভন্ডুল করতে চায়। তাই তারা ঘোলা জলে মাছ শিকারের আশায় সর্বদা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকেন। তিনি যুবলীগের নেতা কর্মীদের সর্বদা এই সকল ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার বিকালে যশোর রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পূর্ব যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। যুব সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে যে আদর্শে যুবলীগের সৃষ্টি হয়েছিল শেখ ফজলুল হক মনি’র নেতৃতৃত্বে। সেই আদর্শকে বুকে ধারন করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আদর্শবান কর্মীরাই আদর্শবান যুবলীগ তৈরী করবে।

যুব সমাবেশে খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নূর ইসলাম বন্দ, মুন্সি মোঃ মাহবুব আলম সোহাগ, আলী আকবর টিপু, হাফেজ শামীম, সাবেক যুবলীগ নেতা মনিরুজ্জামান সাগর, , এস এম আকিল উদ্দীন, মোর্শেদ আহমেদ রিপন, নাহিদ মুন্সি, যুবলীগ নেতা এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ, রোজী ইসলাম নদী, কামরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের শেখ, আবুল হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, নজরুল ইসলাম দুলু, শওকত হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম তাজু, মোস্তফা শিকদার, কাজী ইব্রাহীম মার্শাল, জুয়েল হাসান দিপু, সাজ্জাদুর রহমান লিংকন, মহিদুল ইসলাম মিলন, মসিউর রহমান সুমন, মেহেদী মোড়ল, কে এম শাহীন হাসান, ইয়াসিন আরাফাত, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, রাশেদুজ্জামান রিপন, আব্দুল্লাহ আল মামুন মিলন, ওলিউর রহমান রাজু, আব্দুল মালেক, ইলিয়াস হোসেন লাবু, আরিফুর রহমান আরিফ, রবিউল ইসলাম লিটন, শওকত হাসান, ইকবাল কবীর লিটন, রিপন হোসেন, এজাজ আহমেদ, শিফার হায়দার, কাঞ্চন শিকদার, সোহাগ দেওয়ান, হাসান শেখ, মুক্তা সরদার, মুস্তাঈন বিল্লাহ চঞ্চল, শাহীন আলম, জামাল হোসেন, রকিবুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, আনিসুর রহমান, মাছুম উর রশীদ, হারুনুর রশীদ, অলোক শীল, ইব্রাহীম হোসেন তপু, সাবেক ছাত্রনেতা বাচ্চু মোড়ল, বিপুল মজুমদার, অভিজিৎ পাল, জনি মোড়ল, নূর হাসান জনি, প্রমূখ।

এর আগে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানা থেকে মিছিল সহকারে নেতা কর্মীরা যুব সমাবেশে অংশগ্রহন করেন। একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয় যা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষপুত্র ও বিসিবি’র পরিচালক শেখ সোহেল এর জন্মদিন উপলক্ষে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। এর আগে ভোরে সূর্যদয়ের সাথে সাথে দলীয় কার্যালয়ে জাতিয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা ফজলুল হক মনির প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়।এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাই শহীদ শেখ আবু নাসের এর সহধর্মিনী রিজিয়া নাসের, তার পুত্র শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার ও শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি’র সহ ধর্মিনী রূপা চৌধুরী’র সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

ইউজিসি ও গ্রামীণফোনের সমঝোতা স্বাক্ষর

 ইউজিসি ও গ্রামীণফোনের সমঝোতা স্বাক্ষর

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ:করোনা মহামারীর কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ও গ্রামীণ ফোন লিমিটেড (জিপি) এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর ২০২০) এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারকের আওতায়, গ্রামীণ ফোন লিমিটেড অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে ইন্টারনেট ডাটা প্যাক সাশ্রয়ী মূল্যে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের সরবরাহ করবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ জুম প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন। ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. মো: সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ এবং প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ড. ফেরদৌস জামান, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব), ইউজিসি এবং কাজী মাহবুব, সিবিও, জিপি স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া, ড. শামসুল আরেফিন, পরিচালক, জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগ, ইউজিসি, মোহাম্মদ তৌরিত, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বিডিরেন ও গ্রামীণ ফোনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ভার্চুয়ালি অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এ মহতী উদ্যোগে গ্রামীণ ফোনকে এগিয়ে আসার জন্য ইউজিসি চেয়ারম্যান আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সংকটকালীন উচ্চশিক্ষাক্ষেত্রে গ্রামীণ ফোনের এ অংশগ্রহণ সময়ের দাবি। এর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা পূরণ হবে। এটি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীরা অনলাইন শিক্ষায় আরও বেশি মনোযোগী হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ইউজিসি এবং গ্রামীণ ফোনের মধ্যকার বন্ধন এখানেই শেষ হবে না বরং ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে দেশের বৃহৎ এই টেলিকম অপারেটর প্রয়োজনে এগিয়ে আসবে।

উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে নামমাত্র খরচে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য সবকয়টি মোবাইল অপারেটরদের অনুরোধ জানানো হলে একমাত্র টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড সে আহ্বানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে।

সাংবাদিককে হত্যার উদ্যোশ্যে পিটিয়ে আহত

 সাংবাদিককে হত্যার উদ্যোশ্যে  পিটিয়ে আহত


নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,শিপনঃনারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নে কাজীপাড়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাংবাদিক কাজী নেওয়াজ শরীফকে  কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।

ঘটনায় কাজী নেওয়াজ শরীফ  বুধবার দুপুরে বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় ৩ জনকে আসামী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।নেওয়াজ শরীফ  সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার  দুপুর আনুমানিক ১২ ঘটিকার সময় উপজেলা জামপুর ইউনিয়নের কাজীপাড়া  এলাকায় আমার নিজ বাড়ির সম্পত্তির মধ্যে টিন দিয়ে বেড়া দিয়ে দখল করার চেষ্টা করে একই এলাকার মৃত কাজী ইব্রাহিম মিয়ার  ছেলে কাজী ফয়েজ আহমেদ,বাছেদ সহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন,আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বাধা দিলে পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে ৩/৪ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আমাকে ও আমার পরিবারের সকল সদস্যদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা আমাদেরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে,পরে তাদের বাধা দিতে আসলে আমার ভাবি ও ভাতিজিকে তারা শ্লীলতাহানি করে তাদের সাথে থাকা স্বর্নের চেইন এবং আমার সাথে থাকা রবি কোম্পানির প্রায় ২ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এলাকাবাসী আমাদেরকে চিকিৎসার জন্য সোনারগাঁ স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করায়। তিনি আরো বলেন, থানায় অভিযোগ করার পরেও অভিযোগ তুলে নিতে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে।

জানতে চাইলে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন,এঘটনায় একটি অভিযোগ নেয়া হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

বড়লেখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে

বড়লেখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে


আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের সম্মানিত গ্রাহকসদস্যগণকে জানানো যাচ্ছে যে, ৩৩ কেভি মেইন লাইনের জরুরী  রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামীকাল ১৩ নভেম্বর ২০২০ খ্রি. রোজ শুক্রবার সকাল ৭:০০ টা থেকে বিকেল ৪:০০ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

গ্রাহক সদস্যদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং ধৈর্য ধরে বর্ণিত কাজে সহযোগিতা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

অনুরোধক্রমে: কর্তৃপক্ষ মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

জমে উঠেছে কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন

জমে উঠেছে কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন


মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃকুলাউড়ায় জমে উঠেছে কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ  সমিতির নির্বাচন। বাজারের চায়ের ষ্টল ও মোড়ে মোড়ে ভোটের আলোচনায় সরগরম হয়েছে উঠেছে। উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে বাজারের পরিবেশ।

প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চেয়ে কুশল বিনিময় করছেন। প্রার্থীরা অনেকেই বাজারের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার অঙ্গীকার করা সহ বিবিধ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। সমগ্র বাজার এলাকা পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্যাপক নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়,কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির  নির্বাচন  আগামী ২১ নভেম্বর ২০২০ ইং শনিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে সভাপতি সম্পাদক সহ বিভিন্ন পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতীক নিয়ে ভোটারদের কাছে নির্বাচিত হতে বিরামহীন প্রচারণায় মাঠে রয়েছেন প্রার্থীরা।বাজারের ব্যবসায়ীরা  জানান, এবারের নির্বাচনে আমরা সেই প্রার্থীদেরকেই নির্বাচিত করবো যারা আমাদের নায্য অধিকার আদায়ে কথা বলবেন। যাদের মাধ্যমে আমাদের বাজারের উন্নয়ন হবে। উন্নয়নমুখী প্রার্থীদেরকেই আমরা নির্বাচিত করবো। 

কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ  সমিতির নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করতে সুন্দর ও শান্তিপুর্ন নির্বাচন উপহার দিতে যা যা প্রয়োজন তার সকল ব্যবস্থাই করা হবে। নির্বাচনে কোন প্রকার গাফিলতি করা হবে না।

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেনীর ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেনীর ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত

মাধ্যমিক স্তরের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মূল্যায়নের লক্ষ্যে ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর

অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন






















বদলগাছী খাদাইলে নাজমুল হত্যার বিচার চেয়ে মানববন্ধন

 বদলগাছী খাদাইলে নাজমুল হত্যার বিচার চেয়ে  মানববন্ধন



রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর,বদলগাছী  নওগাঁঃ নাটক নয় – বিচার চাই – সমান যদি হয় আইনের ধার শির্ষক শ্লোগানে ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে (১১,৩০ মিনিটে) খাদাইল উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বাজারের প্রধাণ সড়কে নওগাঁ জেলার বদলগাঁছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের পূর্ব খাদাইল গ্রামের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান (মিরু) এর অপহরণ হত্যা ও মদদ দাতাদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে অবরোধ  মানববন্ধন সকর্মসূচি পালন করেছে উত্তাল এলাকাবাসী, এতে বক্তব্য দেন। মিঠাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফিরোজ হোসেন, মিঠাপুর ইউনিয়ন ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন মিঠাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আহসান হাবীব, সাবেক ছাত্রনেতা বদলগাছী উপজেলা শাখা সাইফুল ইসলাম যুগ্ন আহবায়ক মিঠাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ যুবলীগ আতিকুল ইসলাম আতিক খাদাইল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জিল্লুর রহমান প্রচার সম্পাদক মিঠাপুর ইউনিয়ন বিরো আব্দুর রাজ্জাক রাজু আহমেদ মহিলা ইউপি সদস্য মোসাম্মৎ মুক্তা বেগম ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দরা।

জানা গেছে, অপহরনের পাঁচদিন পর জয়পুরহাটের আক্কেলপুর মহিলা কলেজ থেকে কিছু দূরে রেললাইনের পাশে ডোবা থেকে নওগাঁ জেলার বদলগাঁছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের পূর্ব খাদাইল গ্রামের আলামিন হোসেনের (৯ম শ্রেণী) পড়ুয়া ছেলে নাজমুল হাসানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

ঘটনা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর খাদাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন (১৪) কে অপহরন করে মুঠোফোনে অপহৃত নাজমুলের পিতার নিকট ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে সন্তানকে উদ্ধারের জন্য বিকাশে কিছু টাকা দিতে চাইলেও অপহরণকারীরা রাজি না হয়ে নাজমুল হোসেন কে হত্যা করে কোন একসময় বস্তা বন্দী অবস্থায় আক্কেলপুর উপজেধীন মহিলা কলেজ থেকে কিছু দূরে রেললাইনের পশ্চিম পার্শে একটি ডোবায় ফেলে দিলে (১০) নভেম্বর সকালে স্থানীয় কৃষকরা মাঠে ধান কাটতে যাওয়ার সময় ডোবায় পরে থাকা বস্তাটি দেখে সন্দেহ হলে আক্কেলপুর থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে থানা পুলিশ বস্তা বন্দী মরদেহটি উদ্ধার করে।

পরে বস্তা থেকে মরদেহটি বের করে দেখা যায়, অত্যান্ত নির্মমভাবে নাজমুল হাসানের মুখমণ্ডলে ছুরিকাঘাত করে তার হাত ও পা কেটে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।

এমন নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জরিত মদদ দাতাদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সর্বদলীয় রাজনৈতিক স্থানীয় নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধী, খাদাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার উত্তাল এলাকাবাসী মানববন্ধন এবং অবরোধ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অপহরণ ও হত্যাকান্ডের বিষয়ে বদলগাঁছী থানা র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, উপরোক্ত ঘটনায় ২ জন নারী ও ৩ জন পুরুষসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপহরণ করে হত্যা ও মদদ দাতাদের চিন্হিত করে শিঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে।

বড়লেখা পৌরসভায় ১৬০টি উন্নতমানের পরিবেশ বান্ধব সৌর বাতি স্থাপন

বড়লেখা পৌরসভায় ১৬০টি উন্নতমানের পরিবেশ বান্ধব সৌর বাতি স্থাপন

আকরাম হোসাইন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভা কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন "পরিবেশ বান্ধব সৌরচালিত সড়ক বাতি স্থাপন " প্রকল্প পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা মোঃ শামীম আল ইমরান।

এসময় বড়লেখা পৌরসভার মেয়র জনাব আবুল ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান সহ পৌরসভার কর্মকর্তা -কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন "বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট " এর অর্থায়নে দুই কোটি টাকা ব্যায়ে এই প্রকল্পের মাধ্যমে বড়লেখা পৌরসভায় ১৬০টি উন্নতমানের পরিবেশ বান্ধব সৌর বাতি স্থাপন করা হচ্ছে।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যানের আশুরার বিল রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যানের আশুরার বিল রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

মামুনুর রশিদ, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে জাতীয় উদ্যানের অন্যতম আকর্ষন আশুড়ার বিল রক্ষাসহ ৫দফা দাবীতে স্থানীয়দের মানববন্ধন এবং স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

আজ বৃহষ্পতিবার নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক ভবনের সামনে উক্ত মানববন্ধনটির আয়োজন করে জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, শিক্ষক, শ্রমিকসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। এসময় উপজেলার শহরের সকল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে নিজ নিজ ব্যানারে আশুড়ার বিল রক্ষায় মানববন্ধনে যোগ দেন। মানববন্ধনকারীরা জাতীয় উদ্যানের পরিবেশ বজায় রাখতে অন্য জেলা থেকে আগত অবৈধ দখল উচ্ছেদ, ক্ষতিগ্রস্থ ক্রসড্যামের বাধ সংস্কার, বিলে মাছ চাষের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহনসহ ৫ দফা দাবী জানায়। ৭ দিনের মধ্যে দাবী মানা না হলে আগামীতে আরো বৃহৎ কর্মসূচীর হুশিয়ারী দেন তারা। মানববন্ধন শেষে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর একটি স্মারক লিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুন নাহারের নিকট প্রদান করা হয়।

উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারুল বেগম, ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুর রহমান, ক্লাব ও লাইব্রেরী সভাপতি জিয়াউর রহমান মানিক, কুশদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সায়েম সবুজ, শালকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক প্রমূখ।

শেখ হেলাল উদ্দীন এম.পি'র সুস্থতা কামনায় চৌগাছা উপজেলা আঃলীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শেখ হেলাল উদ্দীন এম.পি'র সুস্থতা কামনায় চৌগাছা উপজেলা আঃলীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ছোট ভাই শেখ নাসের এর পুত্র শেখ হেলাল উদ্দীন এমপির দ্রুত সুস্থতা কামনায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ চৌগাছা উপজেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব এস এম হাবিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুর রহমান বাবুল এর সঞ্চলনায় আজ বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে চার ঘটিকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যলয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দোয়া মাহফিলের উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ সাত্তার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জগদীশপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার শিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সরকারি এম এম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, এস এম রেজায়ান হাবিব আলিফ, জহির উদ্দিন, জেলা পরিষদ সদস্য হবিবর রহমান,উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর কাউন্সিলর আনিসুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান রাজু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদ এর সভাপতি আঃ সালাম,উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নাসিমা খানম,চৌগাছা সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জালাল উদ্দীন, হাকিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মিলন, সিংহঝুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খলিল বাদল, ধুলিয়ানী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য তৌফিকুজ্জামান মিঠু, ধুলিয়ানী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মোঃ মোস্তফা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক হাশেম আলী, পাশাপোল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ হোসেন, চৌগাছা সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক আকরামুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক জিহাদ হোসেন, জগদীশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার বাবু, এবিসিডি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শিপন রহমান,নারায়নপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সুমন, পৌর ছাত্রলীগ নেতা সৌরভ রহমান বিপুল, সিংহঝুলি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল হোসেন, মিনহাজুর রহমান জিসাদ,আক্তারুল,ইমন সহ উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্থরের নেতৃবৃন্দ।

কোটচাঁদপুর যুব মহিলা লীগের সভাপতি ভাইস চেয়ারম্যান পিংকির নামে হত্যা মামলা

 কোটচাঁদপুর যুব মহিলা লীগের সভাপতি ভাইস চেয়ারম্যান পিংকির নামে হত্যা মামলা


সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পিংকি খাতুনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে লাবনী নামে একজন হিজড়া হত্যার অভিযোগে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে (যার পিটিশন নং ৬৯/২০, স্মারক নং ৬৪৯)।

নিহত লাবনী চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকার স্বস্থিপুর গ্রামের আব্দুল জলিল মন্ডলের সন্তান। ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়ার মৃত আলীজান মীরের সন্তান বর্ষা মীর (তৃতীয় লিঙ্গ) গত মঙ্গলবার বাদী হয়ে ঝিনাইদহের একটি আদালতে মামলাটি করেন। কোটচাঁদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তানিয়া বিনতে জাহিদ পিটিশন মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য কোটচাঁদপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন, ঝিনাইদহ শহরের কাঞ্চননগর গ্রামের ইসারত আলীর হিজড়া সন্তান আকাশী খাতুন, সদর উপজেলার বয়ড়াতলা গ্রামের আবু বকরের সন্তান প্রিয়ংকা খাতুন, ভুটিয়ারগাতি গ্রামের আব্দুর রহিম শেখের সন্তান আনোয়ারা খাতুন, কোটচাঁদপুরের বলুহর বাসষ্ট্যান্ডের কল।পনা খাতুন ও চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলঅকার নাস্তিপুর গ্রামের ফকির মোল্ল্যার সন্তান পায়েল ওরফে জুয়েল। আদালতে দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, আক্তার ওরফে লাবনী একজন পুরুষ ছিল। তার স্ত্রী ও দুইটি সন্তান রয়েছে।

মামলার প্রধান আসামী পিংকি খাতুন প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছর আগে অপারেশনের মাধ্যমে আক্তার হোসেনকে হিজড়া বানায়। সেই থেকে আক্তার হোসেন হয়ে যায় লাবানী। হিজড়ায় রুপান্তরিত হওয়ার পর লাবনী অন্যান্য হিজড়াদের সাথে জীবিকা নির্বাহ করতে থাকে। এলাকা ভাগাভাগী নিয়ে নিহত লবনী, মামলার বাদী বর্ষা মীর ও অতিসম্পতি নিহত কারিশমা হিজড়ার সঙ্গে পিংকি খাতুনের চরম বিরোধ শুরু হয়। লাবনী কোটচাঁদপুর উপজেলা শহরের জনৈক হাসেম বিশ্বাসের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এরপর বাসা পরিবর্তন করে একই শহরের বলুহর বাসস্ট্যান্ডের ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।

গত ৭ জুন একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে লাবনী ওরফে আক্তারকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে হাত পায়ের রগ কেটে হত্যা করে লাশ তড়িঘরি করে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার নাস্তিপুর গ্রামে দাফন করা হয়। মামলার বাদী বর্ষা মীর বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেন, প্রধান আসামী পিংকি খাতুনের সঙ্গে বিরোধের কারণে আমিসহ দুই হিজড়া লাবনী ও কারিশমা তাকে কালীগঞ্জ শহরে মারপিট করি। সেখান থেকেই পিংকি আমাদের তিনজনকে হত্যার ছক আঁটে। সেই ছকেই প্রথমে লাবনী ও পরে কারশিমাকে খুন করে। আমাকেও সে খুনের জন্য অপহরণ করেছিল।

বাদী বর্ষা মীর প্রশ্ন তুলে বলেন, হিজড়া হয়ে কি ভাবে পিংকি মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হয় ? এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পিংকি খাতুন বৃহস্পতিবার বিকালে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান, আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই আমার প্রতিপক্ষরা ষড়যন্ত্র করে আসছে। তার ধারাবাহিকতায় এই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। মামলাটির সুষ্ঠ তদন্ত দাবী করে তিনি বলেন, ৩ বছর ধরে মামলার বাদী বর্ষা মীর নানা ধরণের মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানী করে আসছে।

কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, মামলা দায়ের হবার খবরটি আমি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে দেখেছি। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর মামলাটি রেকর্ড করা হবে বলে ওসি জানান।

যশোরের বেনাপোল দিয়ে ভারতে গেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান

যশোরের বেনাপোল দিয়ে ভারতে গেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান

সুমন হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচাইতে মূল্যবান রত্ন মানতে হবে সাকিব আল হাসানকে। শুধু দেশ সেরা অলরাউন্ডার নয় অর্জনের তিনি দেশের সেরা মাঠের ক্যারিশমা যা রেখে গেছেন তাতেই অমরত্ব কেনা হয়ে গেছে।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার ১২ই নভেম্বর যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যান। এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ভারতে যাওয়ার পূর্বে, যশোরের স্থল বন্দর বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমানের সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করেন। কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করার পর সরাসরি ইমিগ্রেশন হয়ে ভারতে রওনা দেন।

এ সময় স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও ক্রিকেটভক্তরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সেখানে তাদের সাথে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান কোনো কথা বলেননি।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা, মানববন্ধন

 দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা, মানববন্ধন

আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: উপকূলের জন্যে হোক একটি দিন, জোরালো হোক উপকূলীয় সুরক্ষার দাবি' এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঘূর্ণিঝড়ে প্রয়াত উপকূলবাসীর স্মরণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ১২ নভেম্বরকে উপকূল দিবস পালনের দাবিতে আশাশুনিতে লিডার্স এর পক্ষ থেকে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আশাশুনি জনতা ব্যাংক মেড়ে লিডার্স এর পক্ষ থেকে উপজেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরাম ও লিডার্স এর আয়োজনে এবং ব্রেড ফর দা ওয়ার্ল্ড এর অর্থায়নে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে লিডার্সের সিনিয়র ফ্যাসিলিটেটর মাধাই চন্দ্র সরকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন লিডার্স এর প্রকল্প সমন্বয়কারী রনজিত কুমার মন্ডল, সিনিয়র ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক জি এম আল ফারুক, রনজিত কুমার বৈদ্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সমীর রায়,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান,সাবেক সভাপতি আহসান হাবীব, সাংবাদিক এম এম সাহেব আলী,, আকাশ হোসেন, নূর আলম, আলাউদ্দিন।

মানববন্ধনে বক্তারা ১৯৭০সালের ১২ নভেম্বর ভোলা সাইক্লোনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য উপকূল দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান। এছাড়া বক্তারা উপকূলীয় এলাকা রক্ষায় টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবি জানান।

পটিয়ায় বহু অপকর্মের হোতা স্ত্রীর মামলায় জেল হাজতে

পটিয়ায় বহু অপকর্মের হোতা স্ত্রীর মামলায় জেল  হাজতে

সেলিম চৌধুরী,  স্টাফ  রিপোর্টারঃ- চট্টগ্রামে পটিয়ায় বহু অপকর্মে হোতা স্ত্রীর নারী নির্য়াতন মামলায়  মোঃ ইউনুসকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে    পুলিশ। ১১ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় পটিয়া থানার এস আই আক্কাস গোফন সংবাদে ভিত্তিতে অভিয়ান চালিয়ে ছবুর রোড় থেকে মোঃ ইউনুস কে গ্রেফতার করে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ৩০ মার্চ ১৯ ইং পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা গ্রামের ইলিয়াছ খাঁ নিবাসী নুরুল ইসলামের পুত্র মো. ইউনুছের সাথে উপজেলার দক্ষিণ ছনহরা গ্রামের নুরুল আলমের কন্যা নাছরিন সুলতানার সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী ইউনুছ সপরিবারে পটিয়া পৌর সদরের ৯নং ওয়ার্ডের লায়লা ভিলা নামক ভাড়া বাসায় চলে আসেন। সেখানে বিভিন্ন অজুহাতে যৌতুক দাবি করে স্বামী ইউনুছ নাছরিনকে নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। এমনকি ইউনুছের শারীরিক মানসিক   নির্য়াতন ও মারধরে কারণে নাছরিন সুলতানা ছিল অতিষ্টত। এর মধ্যে গাড়ি ক্রয়ের জন্য ৫ লাখ টাকা নাছরিনকে তার বাপের বাড়ি থেকে এনে দিতে বলেন।

এই বিষয় নিয়ে গত ২২ জুলাই ১৯ ইং  নাছরিনকে তার স্বামী মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করার পর একটি রুমে আটকিয়ে রাখেন। এই খবর পেয়ে নাছরিন সুলতানার পিতা নুরুল আলম পটিয়া থানাকে জানালে থানার এস.আই আকতার হোসেন একদল পুলিশ নিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে নাছরিন সুলতানা বাদি হয়ে গত ৫ আগস্ট  ১৯ ইংং  চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যাল  আদালতে একটি মামলা নং ২৩০/১৯ ইং দায়ের করেন। 

উক্ত মামলা টেকাতে চতুর ইউনুস স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্রসহ ৮ লক্ষ টাকার মালামাল লুটপাটের  ভিত্তিহীন   অভিযোগ এনে পটিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর ২৭৩/১৯ একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্তে এর সত্যিতা পায়নি বলে রিপোর্ট প্রদান করে।

পটিয়া থানার এস আই আকতার হোসেন জানান, গত ২২ জুলাই নাছরিন সুলতানাকে তার স্বামী ইউনুছের বাসা থেকে উদ্ধার করে তার পিতার হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে  বিষয়টি নিশ্চিত করেন।   এস আই আক্কাস জানান,  নাছরিন সুলতানার নারী নির্য়াতন ও যৌতুক   মামলায় ওয়ারেন্ট আসামি মোঃ ইউনুস কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সে দীর্ঘদিন পলাতক থেকে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যহত রয়েছে বলে জানান। 

খুলনায় মাস্ক না পরায় মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত

 খুলনায় মাস্ক না পরায় মোবাইল  কোর্টের অভিযান অব্যাহত


তুহিন রানা (আব্রাহাম),খুলনা নগর প্রতিনিধিঃচতুর্থ দিনে নগরীর পাঁচটি পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালন করা হয় ও ১৬ মামলায় ৭৫০০ টাকা অর্থদণ্ড ও ৬ জনকে আটক।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাব্য দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে অদ্য ১২ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, খুলনা জনাব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন পিএএ মহোদয়ের নির্দেশে এবং বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্ট্রেট, খুলনা জনাব মোঃ ইউসুপ আলী মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে নগরীর ডাক বাংলা, শিববাড়ি মোড়, নিউমার্কেট, ফুলবাড়ি গেট ও শিরোমনি এলাকায় মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব দেবাশীষ বসাক এবং জনাব মোঃ তাহমিদুল ইসলাম। 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে দরিদ্র্য মাস্কবিহীন মানুষকে মাস্ক বিতরণ করা হয়। মাস্ক সাথে না থাকায় ০৬ (ছয়) জনকে আটক করা হয় এবং মাস্ক পরিধান না করার দায়ে ১৬ (ষোল) জনকে মোট ৭,৫০০/- (সাত হাজার পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮’ এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান মোতাবেক এসব জরিমানা করা হয়। 

সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় গত ০৮ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখের জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ০৯ নভেম্বর, ২০২০ তারিখ থেকে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থা গ্রহণ করে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করেন আনসার ও পুলিশের সদস্যগণ। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গত এক বছরে বন বিভাগের মাধ্যমে দেশে মোট ৮ কোটি ৬১ লক্ষ ৬২ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে

গত এক বছরে বন বিভাগের মাধ্যমে দেশে মোট ৮ কোটি ৬১ লক্ষ ৬২ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে


আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: পরিবেশ, বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন বলেছেন, মুজিববর্ষের কর্মসূচি-সহ গত এক বছরে বন বিভাগের মাধ্যমে দেশে মোট ৮ কোটি ৬১ লক্ষ ৬২ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। এসকল বৃক্ষ জলবায়ু পরিবর্তন রোধ, কার্বন নিঃসরণ প্রশমণ, অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি, খাদ্য-পুষ্টিসহ দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি সহ দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, তথ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক কোটি বৃক্ষের চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পাদন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরিবেশ, বন ও জলবাযু পরিবর্তন মন্ত্রণালযের সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি, প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, পরিবেশ, বন ও জলবাযু পরিবর্তন মন্ত্রণালযের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ড.  মো: বিল্লাল হোসেন এবং প্রধান বন সংরক্ষক(চলতি দায়িত্ব) মো: আমীর হোসাইন চৌধুরী এসময় উপস্থিত ছিলেন ।

মন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষের এক কোটি চারা রোপণের পাশাপাশি চলতি বছরে বন অধিদপ্তর কর্তৃক বিভিন্ন প্রকল্প ও রাজস্ব বাজেটের আওতায় ১৪,৬৬৯ হেক্টর ব্লক বাগান, ১৬১০ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগান এবং উপকূলীয় এলাকায় ১০,০৭৭ হেক্টর ম্যানগ্রোভ বাগান সৃজনের মাধ্যমে ৭ কোটি ৪৬ লাখ  ৮২ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এছাড়াও জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে সংসদ সদস্যগণের মাধ্যমে মোট ১৪ লক্ষ ৮০ হাজারটি বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা সারাদেশে রোপণের জন্য বিতরণ করা হয়েছে। এসকল গাছের সঠিক পরিচর্যা করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সত্বেও যথাসময়ে আমরা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৬ জুলাই গণভবণ প্রাঙ্গণে ১ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।এর পর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে পরিকল্পনামতো সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণের সহযোগিতায় এক কোটি চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এ এক কোটি চারা ৩৭,৫৯৮টি প্রতিষ্ঠান/সংস্থা/ব্যক্তির মাধ্যমে বিতরণ ও রোপণ করা হয়। প্রতিটি জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কোথায়, কী পরিমাণ বৃক্ষের চারা কখন, কিভাবে, কাদের মাধ্যমে বিতরণ এবং রোপণ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত ডাটাবেজ বন বিভাগে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বন মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় ২০,৩২৫টি করে ৪৯২ টি উপজেলায় মোট ১ কোটি বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলদ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষের চারা বন বিভাগের নার্সারীসমূহে উত্তোলন করে রোপণের জন্য প্রস্তুত করা হয়। যে সমস্ত উপজেলায় বন বিভাগের নার্সারি নেই, সেক্ষেত্রে পাশ্ববর্তী উপজেলায় এ চারা উত্তোলন করা হয়। এলাকাভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী চারার প্রজাতি নির্বাচন করা হয় এবং ৫০% এর অধিক ফলের চারা উত্তোলন করা হয়। উক্ত এক কোটি চারার মধ্যে ৪০টির অধিক বৃক্ষপ্রজাতি রয়েছে। তন্মধ্যে চিকরাশি, চাপালিশ, কড়ই, মেহগনি, কদম, গামারি, জারুল, বকুল, সোনালু, হিজল, মহুয়া, শিমুল, কৃষ্ণচূড়া ইত্যাদি বনজ প্রজাতি রয়েছে। এছাড়া জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, আমড়া, জলপাই, কাঠ বাদাম, বেল, তেঁতুল, চালতা, লটকন ইত্যাদি ফলদ প্রজাতি ও আমলকী, হরিতকী, বহেরা, অর্জুন ইত্যাদি ঔষধি প্রজাতির চারা উল্লেখযোগ্য।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বৃক্ষরোপণ অভিযান এক নতুন মাত্রায় গতি লাভ করেছে। বনবিভাগ রোপিত চারাসমূহ বৃক্ষে পরিণত হলে আগামী ৫ বছর জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপজেলাভিত্তিক বৃক্ষ আচ্ছাদন পরিমাপের উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। গাছের বেড়, উচ্চতা ও এতদঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য হিসাব প্রয়োগ করে বৃক্ষে জমাকৃত কার্বন পরিমাপ করারও পরিকল্পনা রয়েছে। এতদ্বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমরা মন্ত্রণালয় থেকে বন অধিদপ্তরকে নির্দেশনা প্রদান করেছি।

বন মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ একটি স্মারক নিদর্শন হয়ে থাকবে। বৃক্ষ, পরিবেশ এবং প্রতিবেশ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহ এবং করোনা মহামারীর মধ্যেও নিজ হাতে বৃক্ষের চারা রোপণ করে উৎসাহ দেয়ায় তাঁর প্রতি আমাদের সীমাহীন কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ রইলো। এ কর্মসূচি গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মন্ত্রী দেশের বন ও বন্যপ্রাণী তথা পরিবেশ, প্রতিবেশ রক্ষায় তাঁদের এমন আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার সুযোগ্য উত্তরাধিকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এখন আমাদের সকলের সাংবিধানিক

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার সুযোগ্য উত্তরাধিকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এখন আমাদের সকলের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সকলে সম্মিলিতভাবে প্রকৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে কাজ করলেই আমরা দেশের পরিবেশ উন্নত করতে পারবো।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বন মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বৃক্ষাচ্ছাদিত ভূমির পরিমান ২৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বনের গাছ রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ইটভাটা সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সকল অবৈধ ইটাভাটার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।  ইট পোড়ানো নিরুৎসাহিত করতে সকল সরকারি কাজে ২০২৫ সালের মধ্যে শতভাগ ব্লক ইট ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।

বগুড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক মাস্ক বিতরণ

বগুড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক মাস্ক বিতরণ



মোঃ সবুজ মিয়া, বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান সফিক বলেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলে নিজে সুরক্ষা থেকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে অপরকেও সুরক্ষা থাকার পরামর্শ দিতে হবে।

সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে চললে মহামারী করোনা থেকে সুরক্ষা থাকা সম্ভব। তিনি বুধবার সকাল ১০ টায় বগুড়া সদরের মানিক চক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র/ ছাত্রীদের হাতে বিনামুল্যে মাস্ক বিতরণ কালে তাদেরকে ঘরে থেকে বিভিন্ন ডিজিটেল পদ্ধতিতে স্যারদেরকে ফোন করে পড়া লেখার আহবান জানিয়ে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নরুল ইসলাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর সালাম,সহকারী শিক্ষক হাসান,এম জিয়াউল হক,কামরুজ্জামান,রাশেদা,আব্দুর রহিম রকি,শফিকুল ইসলাম, সজিব সাহা সহ সকল শিক্ষকৃব্দ।

শার্শায় ট্রাক ও ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে স্কুল ছাত্রী ভ্যান চালক নিহত, আহত- ২

শার্শায় ট্রাক ও ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে স্কুল ছাত্রী ভ্যান চালক নিহত, আহত- ২


তুহিন হোসেন, বেনাপোল    প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় ইট ভাটার ট্রাকের সাথে শিক্ষার্থী বহনকারী  ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে শেফা খাতুন (১৪) নামে এক শিক্ষার্থী এবং ভ্যান চালক আবু হানিফ  নিহত হয়েছে। 

এঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে ওই ভ্যানে থাকা জ্যোতি ও অহনা নামের আরো দুই শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার সময় যশোর-সাতক্ষীরা হাইওয়ে সড়কের খাজুরা নামক স্থানে। নিহত শেফা খাতুন উপজেলার কাঠুরিয়া গ্রামের সামীউল ইসলামের মেয়ে। আহত শিক্ষার্থী জ্যোতি খাতুন একই গ্রামের আবুল কালাম লিটন এবং অহনা ইকরামুল কবীরের মেয়ে। তারা উভয়ই একে অপরের চাচাতো বোন এবং বুরুজ বাগান পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। 

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে এ্যাসাইনমেন্ট পরীক্ষার খাতা জমা দেওয়ার জন্য ভ্যান যোগে স্কুলে যাচ্ছিল তারা। প্রতিমধ্যে খাজুরা নামক স্থানে পৌছালে বিপরিতদিক থেকে আসা একটি ইট ভাটার গাড়ির সাথে তাদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই শেফা খাতুনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার যশোর ২৫০শয্যা হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ভ্যান চালক আবু হানিফ। সে ওই গ্রামের নছুর উদ্দিনের ছেলে। 

নাভারণ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টিটু নাথের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার উর্দ্ধতন কর্মকর্তার পারমিশন ছাড়া আমি কোন বক্তব্য দিতে পারবো না বলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং লাইনটি কেটে দেন। এদিকে সড়কে ভয়াবহ দূর্ঘটনার খবর শুনে শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা দিতে ছুটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল। ঘাতক ট্রাক চালককে গ্রফতার করে আইনের আওতায় আনতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন তিনি।

কয়রায় সমাবেশ; ১২ নভেম্বরকে উপকূল দিবস ঘোষনার দাবি

কয়রায় সমাবেশ; ১২ নভেম্বরকে উপকূল দিবস ঘোষনার  দাবি

মোহাঃ ফরহাদ হোসেন,কয়রা খুলনা প্রতিনিধিঃউপকূলের জন্য হোক একটি দিন,জোরালো হোক উপকূল সুরক্ষার দাবি -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনার কয়রায় ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের ‘ভোলা সাইক্লোন’ এর ৫০ বর্ষপূর্তি, ঘূর্ণিঝড়ে প্রয়াত উপকূলবাসীর স্মরণ এবং প্রস্তাবিত উপকূল দিবস পালন করা হয়েছে।

উপকূলবাসীর স্বার্থ সুরক্ষায় ১২ নভেম্বরকে উপকূল দিবসের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন এর জনগণ।বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় বেদকাশী কলেজিয়েট স্কুল মোড়ে র‍্যালি পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বেদকাশী ব্লাড ডোনার ক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদুল হাসান বাদশাহর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মানবতার তরঙ্গ সংগঠনের সভাপতি আইয়ুব আলী, হ্যালো বেদকাশী-র সভাপতি সরদার আবু হাসান, ডাঃমনিরুল ইসলাম, আবু হেনা,মোশারফ, ইসমাইল,বাহারুল,আজিম,মাহফুজ,রায়হান,সোহাগ,রাসেল প্রমুখ।

অ্যাকশন এইড,কোস্টাল ইয়ুথ অ্যাকশন হাব, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, বাংলাদেশ মডেল ইয়ুথ পার্লামেন্টের ব্যানারে এবং বেদকাশী ব্লাড ডোনার ক্লাব, মানবতার তরঙ্গ এবং হ্যালো বেদকাশী এর বাস্তবায়নে উপকূলীয় কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ জলবায়ু সুবিচার ও উপকূল দিবসের স্বীকৃতির দাবিতে মিলিত হয়।



সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উপকূলে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। উপকূলের বিপুল জনগোষ্ঠী জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে। তা সত্বেও এ অঞ্চলের প্রায় ৫ কোটি মানুষ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। উপকূলের বহু এলাকা অরক্ষিত থেকে যাচ্ছে যুগের পর যুগ। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্যে উপকূলবাসী একটি দিবসের দাবি জানিয়েছেন।

তারা আরো বলেন, এ দিবসটি সরকারের স্বীকৃতি পেলে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সংবাদ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে উপকূলের গুরুত্ব বাড়বে। এর মাধ্যমে উপকূলের সুরক্ষা ও সেখানকার জনগোষ্ঠীর অধিকার ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে। বক্তারা অবিলম্বে দিবসটির স্বীকৃতি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

১৯৭০ সালের ৮ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ‘ভোলা সাইক্লোন’ ক্রমশ শক্তিশালী হতে হতে উত্তরে এগিয়ে ১১ নভেম্বর রাতে উপকূলে আঘাত হানে।আলোচকরা জানান, ২০১৮ সালের মে মাসে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি ভয়াবহ প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগের তালিকা প্রকাশ করে। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়কে এতে পৃথিবীর সর্বকালের ইতিহাসে ভয়ঙ্করতম প্রাণঘাতী ঝড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

আত্রাইয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ্যাম্বুলেন্স চালক নেই, রোগীরা দুর্ভোগে

 আত্রাইয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ্যাম্বুলেন্স চালক নেই, রোগীরা দুর্ভোগে

রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ্যাম্বুলেন্স চালক না থাকায় রোগিরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। চালক না থাকায় সরকারী এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার তুলনায় অনেক বেশি ভাড়া দিয়ে প্রাইভেট গাড়িতে করে রোগি পরিবহন করতে হচ্ছে। এতে করে একদিকে রোগির স্বজনা লোকসানের শিকার হচ্ছেন অপরদিকে চরম দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে। জানা যায়, আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স চালক মো. আসলাম পাভেজ টিপু গত সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখে বদলী হয়ে চলে যান মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তিনি বদলী হওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন কোন এ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে ওই সময় থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ দ্রুত চালক নিয়োগের ব্যাপারে জোড়ালো কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এখানে চালক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। দীর্ঘদিন থেকে এ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় সরকারী এ্যাম্বুলেন্স পড়ে থেকে অকেজো হয়ে যাবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল হিসেবে জটিল ও গুরুতর রোগিদের প্রতিনিয়ত এখান থেকে স্থানান্তর করা হয় নওগাঁ সদর হাসপাতাল অথবা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। স্থানান্তরিত রোগিদের পরিবহনের জন্য স্বজনদের ছুটতে হয়প্রাইভেট গাড়ির নিকট। সুযোগ বুঝে তারা সরকারী ভাড়ার তুলনায় অনেক বেশি অর্থ হাতিয়ে নেয় রোগিদের কাছ থেকে। এতে করে রোগিদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। উপজেলার বিশা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মোল্লা বলেন,গত কয়েক দিন আগে আমি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহতাবস্থায় আত্রাই হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে আমাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাজশাহী যাবার জন্য সরকারী এ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে প্রাইভেট একটি মাইক্রোবাসে আমাকে যেতে হয়। এতে আমার দুর্ভোগও পোহাতে হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা.রোখসানা হ্যাপি বলেন, এ্যাম্বুলেন্সের চালকের পদ শূন্য হওয়ার সাথে সাথে আমি এখানে একজন চালক নিয়োগের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত ভাবে জানিয়েছে। এ ছাড়াও একাধিকবার মৌখিকভাবে আমি তাঁদেরকে জানিয়েছি।তাঁরা নিয়োগ না দিলে আমার করার কিছু নেই।

বিভিন্ন ক্লিনিক গুলোতে অভিযান ও জরিমানা

 বিভিন্ন ক্লিনিক গুলোতে অভিযান ও জরিমানা

 

রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁয় গতকাল বুধবার বৈকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শহরে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার হাসপাতাল গুলোতে অভিযান চালায়  ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) মোঃ রফিকুল আলম।

চিকিৎসার পরিবেশ ও মেডিক্যাল ডিপ্লোমা নার্স না থাকায় নওগাঁয়  বেসরকারি একটি ক্লিনিক সিলগালা করা হয় ও  চারটিকে জরিমানা করা হয়েছে।গতকাল বুধবার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক হাসপাতাগুলোতে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) রফিকুল আলম।

নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর এ মুর্শেদ জানান, অভিযানে সৌদিয়া হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার পরিবেশ না থাকায় সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমান আদালত।

এছাড়া ডিউটি ডাক্তার ও মেডিক্যাল ডিপ্লোমা নার্স না থাকায় ১০ হাজার টাকা, মান্দা ক্লিনিককে ৫ হাজার টাকা, মেট্রো হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা দেয়ার ৫ হাজার ও শাহ নার্সিং হোমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ১ মাসের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ, জেলা ড্রাগিস্ট অ্যান্ড কেমিস্ট সমিতির সভাপতি আতোয়ার রহমান খোকাসহ অন্যান্যো কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার কৃষকরা বেশ খুশি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার কৃষকরা বেশ খুশি


মোঃ সবুজ  মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃ চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন ও দাম বেশি থাকায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার কৃষকরা বেশ খুশি । সোনালী ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এ এলাকার কৃষকরা। আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও এই এলাকায় আর মাত্র কয়দিন পরে পুরো দমে ধান কাটা শুরু হবে বলে কৃষকরা জানান।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ১১হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮’শত হেক্টর বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। অর্জিত ১১হাজার ৫’শত হেক্টর জমিতে উফশি এবং ৩’শত হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধানের চাষ করা হয়েছে। প্রধান কিছু জাতে বেশি প্রাধান্য দেন এ অঞ্চলের কৃষকরা, যে গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিনা-৭, ব্রি-৪৯, ৫০, রনজিৎ, স্বর্না, মামুন, কাটারী ভোগ, আতপ জাতের ধান ।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে এবং কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাধারনত অগ্রাহয়ন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে রোপা আমন ধান কাটা শুরু হয়। আশ্বিন ও কার্তিক এ দুই মাসে চাষিরা বিশেষ করে প্রান্তিক চাষিরা অভাব-অনটনের মধ্যে থাকেন। তাই আগাম জাতের ধান বাজারে আসায় চাষিরা সেই ধান আবাদের জন্য ঝুকে পড়েছেন। বর্তমানে এ জাতের বিনা-৭, ১৭, ব্রি ধান-৭১,৭৫,৪৯, ৯০। আগাম জাতের ধান বিক্রি করে চাষিরা অনেকটাই অর্থ সঙ্কট থেকে রেহাই পান ও পরবর্তী কৃষি আলু ও সরিষা চাষের সে অর্থ যোগান দেন।

উপজেলার ছাতিয়াগাড়ী এলাকায় কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে আগাম জাতের ব্রিধান-৯০ চাষ করেছি। এবার রোপা আমন ধানের ফলন ও দাম দুটোই ভালো। আগাম জাতের এ ধান চাষ করে একদিকে যেমন অসময়ে আর্থিক সঙ্কট মিটছে, অপর দিকে আলু ও সরিষা চাষের জন্য জমি উপযোগী করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাজেদুল আলম বাংলাদেশ বলেন, দুপচাঁচিয়া অঞ্চলের আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং ভালো ফলন হওয়ায় আগাম জাতের ধান চাষে আগ্রহী এই অঞ্চলের কৃষকগন। মাননীয় প্রাধানমন্ত্রী বলেছেন কারো এক ইঞ্চি জমি যেন অনাবাদী না থাকে, সব জমিতেই চাষ করবেন, তাই এবার এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। রোপা আমন চাষে বাম্পার ফলন হওয়ায় প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না ঘটলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

নানা আয়োজনে খুলনায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

 নানা আয়োজনে খুলনায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

তুহিন রানা (আব্রাহাম) ; খুলনা নগর প্রতিনিধিঃখুলনায় নানা আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বুধবার (১১ নভেম্বর) দিনব্যাপী এ কর্মসূচি উদযাপন করছে খুলনা মহানগর যুবলীগ।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ভোর ৬টায় শামীম স্কয়ার মার্কেটে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণির প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, বিকেল ৩টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বিকেল ৫টায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা অনুষ্ঠান ও সন্ধ্যা ৬টায় অসহায় দুস্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ।

‘সংকটে, সংগ্রামে, মানবিকতায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ’ স্লোগান নিয়ে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে এ বছর।

ভোরে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শেখ ফজলুল হক মণির প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক সফিকুর রহমান পলাশ ও যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মণির নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক যুব কনভেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে সংগঠনটি।