কেশবপুরে বহু অপকর্মের হোতার ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন।

কেশবপুরে বহু অপকর্মের হোতার ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন।




যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি 

যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর  সিমান্তের চাঁদড়া-হাজরাকাটি এলাকার চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, নারী পাচারকারী, ইয়াবা ব্যবসায়ী ও মামলাবাজ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত জানিয়ে এলাকাবাসী নজরুল ও রুবেলের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবী জানিয়েছে  

এলাকাবাসির অভিযোগ- বহু অপকর্মের হোতা চাঁদড়া গ্রামে বসবাসরত মৃত কিনু মোড়লের ছেলে নজরুল ও তোফাজ্জেল মোড়লের ছেলে রুবেল দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নিরিহ সহজ-সরল মানুষদের বিভিন্ন ভাবে বিপদের মুখে ফেলে হয়রানী করে থাকে এবং তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় মোটা মোটা অংকের টাকা। 

এলাকাবাসী জানান তারা দুইজনই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে  চালিয়ে যাচ্ছে নানা অপকর্ম।

শনিবার (৬ জুন) বিকালে মনিরামপুরের হাজরাকাটি ঈদগাহ মোড়ে অতিষ্ঠ এলাকাবাসি বহু অপকর্মের হোতা, নারী লোভী, মামলাবাজ নজরুল ও রুবেলের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবীতে এক জনাকীর্ণ মানববন্ধন করেছেন।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- হাজরাকাটি গ্রামের রবিউল ইসলাম, মুসলিমা খাতুন, তৌহিদুর রহমান, আব্দুল করিম, রেজাউল ইসলাম, চাঁদড়া গ্রামের আব্দুল আহাদ, ফতেমা খাতুন, রুহুল আমীন, ইস্রাফিল হোসেন, ফজিলা বেগম প্রমুখ।

এরই মধ্যে তৌহিদুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন- নজরুল ও রুবেলের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গণস্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু আজও প্রশাসনের টনক পড়েনি।

রুবেলের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে। যার নং- ২, তাং- ৩/৫/২০১৭, মামলা নং- ১২, তাং- ১৩/২/২০১৯ এবং মনিরামপুর থানায় মামলা রয়েছে। যার নং- ২০, তাং- ১৮/১১/২০১৬। এছাড়া কলারোয়া ও ডুমুরিয়া থানায় তাদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। নজরুল ও রুবেল একাধিক বিয়ের নায়ক।

 নজরুল তার স্ত্রীদের দিয়ে মাদক ব্যবসা করায় এবং নজরুলের প্রধান হাতিয়ার তার স্ত্রীদের ব্যবহার করে ধর্ষণের হুমকি-ধামকি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়। সকল বক্তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নজরুল ও রুবেলের এহেন অপকর্মের শাস্তি দাবী করেছে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনের মাধ্যমে।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক করোনা ভাইরাসে  আক্রান্ত



দৌলতপুর প্রতিনিধিঃ
কুষ্টিয়ার জেলা প্রসাশক আসলাম হোসেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
শনিবার বিকেলে এখবর নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন আনোয়ারুল ইসলাম।
করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই জেলা প্রসাশক আসলাম হোসেন কুষ্টিয়াকে করোনামুক্ত রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন।
গত শুক্রবারও তিনি প্রায় শতাধিক করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়ি খাবার পৌছে দিয়েছেন।
হঠাৎ গতকাল সন্ধ্যা থেকে জ্বর, সর্দি অনুভব হলে, আজ সকালে তিনি করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। বিকেলে তার ফলাফল আসছে পজিটিভ।
বর্তমানে তিনি হোম কোয়ারান্টাইনে রয়েছেন।

মোহনগঞ্জে সাংবাদিক-নার্সসহ করোনা আক্রান্ত ৩

মোহনগঞ্জে সাংবাদিক-নার্সসহ করোনা আক্রান্ত ৩




মোঃআজহারুল ইসলাম, মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে সাংবাদিক ও নার্সসহ তিনজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। 

আক্রান্তরা হলেন, পৌরশহরের দৌলতপুরের আবুল কাসেম আজাদ (৫০), জাহাঙ্গীর (৪৫) ও কাজিহাটি গ্রামের সেতু (২৬)। তাদের মধ্য আবুল কাসেম আজাদ মোহনগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি, সেতু মোহনগঞ্জ হাসপাতালের সেবিকা ও জাহাঙ্গীর একটি ওষুধ কোম্পানির প্রতনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।

শনিবার (৬ জুন) মোহনগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সের আরএমও( আবাসিক মেডিকেল অফিসার) ডা. সুবির সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ২ জুন তাদের নমূনা সংগ্রহ করে পাঠানোর পর শনিবার তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমেদ জানান, সভাপতি আবুল কাসেম আজাদ করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকেই এ পর্যন্ত বাসায় অবস্থান করছিলেন। সংক্রমণের ভয়ে তিনি ক্লাবে আসতেন না। তারপরও তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা তার দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করছি।

মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের রূপান্তর এর সহায়তা প্রদান

 মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের  রূপান্তর এর সহায়তা প্রদান




মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা    
মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের উদ্যোগে ৬ জুন শনিবার সকালে দিগরাজ কলেজ চত্বরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ দুইশো পরিবারকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করা হয়।  

শনিবার সকাল ১১টায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে জরুরী সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বুড়িরডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান নিখিল চন্দ্র রায়। সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কপোর্রেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, রূপান্তরের নির্বাহি পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক আহমেদ, দিগরাজ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ তুষার গাইন প্রমূখ। সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের এই মানবিক সহায়তা সময়পোযোগী। মানুষের বিপদকালে মানবিক দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসায় রূপান্তরথর প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্ল্রেখ্য মোংলা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ  ৬শো পরিবারের জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা হিসেবে রূপান্তরের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে তিন হাজার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য চার হাজার নগদ অর্থ, পিট ল্যাট্টিন, তাবু এবং হাইজিন কীট্স পাকেজ প্রদান করা হয়। এছাড়া পুকুর জীবানুমুক্তকরণ এবং মার্কেটে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

বাঞ্ছারামপুরে সাবেক ছাত্রদল নেতা আনিছুর রহমান সুজনের ৪০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

বাঞ্ছারামপুরে সাবেক ছাত্রদল নেতা আনিছুর রহমান সুজনের  ৪০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ




শাহ আলম জাহাঙ্গীর
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা

ঢাকা কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক সাধারণসম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রদলেরর
সহসাধারণ সম্পাদক ছাত্রদল নেতা মো. আনিছুর রহমান সুজন গতকাল শনিবার (৬জুন) গাওরাটুলী 
 গ্রামে নিজ অর্থায়নে  বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের প্রায় ৪০০ অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী,  ১০০ দরিদ্রব্যক্তিকে নগদ টাকা ও ৫০০ মাস্ক
বিতরণ করেন।  ফরদাবাদ
ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হক অরুন মাস্টারের সভাপতিত্বে  খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে  উপস্থিত ছিলেন ফরদাবাদ ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি মো. সালাউদ্দিন, সাবেক যুবদল সভাপতি মো. মনির হোসেন সরকার, ফরদাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন, সাবেক উপজেলা যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম শামীম,সাবেক উপজেলা যুবদল নেতা মো. খলিলুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুকুর রহমান, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইকবাল হোসেন, মহসিন মিয়া, নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
ছাত্রদল নেতা আনিছুর রহমান সুজন বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান 
তারেক রহমানের নির্দেশনায় করোনামহামারীতে এলাকার দুস্থ অসহায়
দরিদ্র কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।এটা আমার নৈতিক দায়িত্বও মনে করি। তাই স্থানীয়যুবদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে সরকরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করি। ভবিষ্যতে এ ত্রাণ কার্য অব্যাহত থাকবে।

বেনাপোলে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মাদক ব্যবসায়ী ফেন্সিডিলসহ আটক

বেনাপোলে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মাদক ব্যবসায়ী ফেন্সিডিলসহ আটক




তুহিন হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলের পুটখালী সীমান্ত এলাকা থেকে ৯৬ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ একতা প্রেসক্লাব বেনাপোলের সহ সভাপতি ও ডাক্তার শেখ সেলিম সাংবাদিক পরিচয়দানকারী (৫০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি’র) সদস্যরা। আটক সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মাদক ব্যবসায়ী শেখ সেলিম বেনাপোল পোর্ট থানাধীন পাঠবাড়ি গ্রামের মৃত শেখ শাহজান এর ছেলে।

শনিবার (৬ই জুন) সকালে পুটখালী সীমান্ত দিয়ে বেনাপোলে আসার পথে বিজিবি মাদক ব্যবসায়ী সেলিম এর মোটরসাইকেল ও শরীর তল্লাশী করে ৯৬ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ  তাকে আটক করে।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, বিজিবি’র হাতে ফেন্সিডিল সহ আটক একতা প্রেসক্লাব বেনাপোলের সহ সভাপতি ও ডাক্তার শেখ সেলিম দীর্ঘ দিন ধরে সাংবাদিকের পরিচয় দিয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছে। 

এবিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান বলেন, ২১ বিজিবি সদস্যরা ৯৬ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ শেখ সেলিম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক আইনে মামলা দিয়ে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। সেই মোতাবেক আমরা আসামীকে আগামীকাল যশোর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহন করবো। 


ঝিনাইদহের আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, লুট হওয়া ছাগল গরু উদ্ধার পৃথক দু’টি মামলা

ঝিনাইদহের  আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা,  লুট হওয়া ছাগল গরু উদ্ধার পৃথক দু’টি মামলা





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 



বৃহস্পতিবার (০৪-০৬-২০২০) রাতে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের হরিশংকরপুর গ্রামের আলাপ শেখ নামে ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। এরপর ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়। তাৎক্ষনিকভাবে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান পিপিএম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি ব্যাপক সংঘর্ষ, সহিংসতা ভংচুর ও লুটপাটের হাত থেকে রÿা করেন গ্রামটিকে। উদ্ধার করেন লুট হওয়া ১০টি গরু, ৫টি ছাগলসহ বিভিন্ন মালামাল। পরে ছাগল-গরুর মালিকদেরকে তা তিনি ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান পিপিএম বলেন, হত্যাকান্ডের ঘটনায় ২৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এ ছাড়া আসামী ধরতে যাওয়ার সময় পুলিশ এ্যাসাল্ট ঘটনায় আরো একটি মামলা হয়েছে। এলাকায় বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। কোন প্রকার আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড করলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান পিপিএম।
উলল্লখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলে হরিশংকরপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর ইসলাম ও সহ-সভাপতি আলাপ শেখসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী একটি বিয়ের দাওয়াত শেষে হরিশংরপুর বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে গ্রামের মাঝে পৌঁছালে ওৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষরা এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে আলাপ শেখ এবং নুর ইসলামকে গুরুতর জখম করে। গুরুতর আহত আলাপ শেখ ও নুর ইসলামকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলাপ শেখকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

হঠাৎ বুকের ব্যথায় হাসপাতালে বন্দর পতেঙ্গা আসনের সাংসদ এম. এ. লতিফ এমপি

হঠাৎ বুকের ব্যথায় হাসপাতালে বন্দর পতেঙ্গা আসনের  সাংসদ এম. এ. লতিফ এমপি




চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
মোঃ হাসান রিফাত

চট্টগ্রাম বন্দর-পতেঙ্গা আসনের সাংসদ এমএ লতিফকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৩টায় নগরীর জিইসি মোড়ের মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সিসিইউতে তাকে ভর্তি করানো হয়।

মেট্রোপলিটন হাসপাতালর মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘শারীরিকভাবে অসুস্থবোধ করায় চট্টগ্রাম বন্দর-পতেঙ্গা আসনের সাংসদ এমএ লতিফকে সিসিউতে ভর্তি করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিসিইউতে দায়িত্বরত চিকিৎসক।’

এমএ লতিফের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে তার বুকে ব্যথা উঠে। ব্যথা না কমায় তাকে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালটির সিসিইউতে স্থানান্তর করেন।

নওগাঁর সাপাহারে দর্জি ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নওগাঁর সাপাহারে দর্জি ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার




মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

 নওগাঁর সাপাহারে সারোয়ার নামে এক দর্জি  ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

 সাপাহার  উপজেলার ফুটকইল মনিহার পাড়া গ্রামের  আইয়ুব আলীর ছেলে সারোয়ার হোসেন (২৬)  একজন  দর্জি ব্যবসায়ী। লাবনী সুপার মার্কেটে কিংস টেইলার্সের মালিক বেশকিছু দিন ধরে সুনামের সহিত ব্যবসা করে আসছিলেন বলে জানাগেছে।

পারিবারিক ও গ্রামবাসী সূত্রে জানাগেছে ব্যবসা চলাকালীন সময়ে ও বর্তমান কোরনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ব্যাংক এনজিও থেকে লোন করেছিলেন যার কারনে ধার দেনা পরিশোধ না করতে পারায় মানসিক চাপে ভুগছিলেন সারোয়ার হোসেন।

প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল ৫ জুন রাতে দোকান ঘর বন্ধ করে বৃষ্টির সময় বাড়ি চলে আসেন সারোয়ার হোসেন। সাংসারিক বিয়ষে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয় এক পর্যায়ে ঝড় বৃষ্টি কমলে স্ত্রীর উপর অভিমান করে বাড়ির    বাহিরে  চলে যান সারোয়ার হোসেন। রাত গভীর হতে থাকলে বাড়িতে ফিরে না আসলে পরিবারের সবাই মোবাইলে অন্য আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতে খোজ খবর নিতে থাকেন তারা।
পরদিন ৬ জুন সকাল বেলা বাড়ি থেকে কিছু দুরে একটি আম বাগানে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়েছে এলাকাবাসী। 
পরে বিষটি পরিবারকে  জানালে তারা  থানায় খবর দেন। দ্রুত  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অফিসার আব্দুল হাই। গাছ থেকে লাশ নামিয়ে পুলিশ  সুরতহাল প্রতিবেদনের পরে সারোয়ার হোসেনের লাশ  নওগাঁ মর্গে পাঠানো  হয়েছে বলে জানান ওসি আব্দুল হাই।

হাজী ইদ্রিস কন্ট্রাক্টারের মৃত্যুতে রেজাউল করিম চৌধুরীর শোক প্রকাশ

হাজী ইদ্রিস কন্ট্রাক্টারের মৃত্যুতে রেজাউল করিম চৌধুরীর শোক প্রকাশ




রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

চট্টগ্রাম মহানগরের ৩৮ নং দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী ইদ্রিস কন্ট্রাক্টারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী।

শোকবার্তায় রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ইদ্রিস কন্ট্রাক্টার একজন জননন্দিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তিনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এবং আমি গভীর ভাবে শোকাহত।

শোকবার্তায় তিনি বলেন, আমি মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে হাজী ইদ্রিস কন্ট্রাক্টারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি। মহান সৃষ্টিকর্তা তাঁকে জান্নাতবাসী করুন।আমিন।

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তারা সরকারি গাছ কেটে বানাচ্ছে জ্বালানী

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তারা সরকারি গাছ কেটে বানাচ্ছে  জ্বালানী




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 



বড় অর্জুন গাছের গুড়ি কুড়াল ও করাত দিয়ে কাটছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা, সামনেই দাঁড়িয়ে তা দেখছেন উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তারেক হাসান ভুঞা, স্টেশন অফিসার দিলীপ কুমার সরকার ও সাব-স্টেশন অফিসার রউফ মোল্লা। চিত্রটি ঝিনাইদহ সদর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের।

এভাবে করোনা পরিস্থিতি সৃষ্টির পর গেল প্রায় ২ মাসের বেশী সময় ধরে গোপনে স্টেশনের প্রায় ২০ টির বেশী আম, মেহগনি, অর্জুন, আমলকি, নারিকেল সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটা হয়েছে। এর মধ্যে বড় বড় ৪ টি সহ ৭ টি গাছ সম্পূর্ণ কাটা হয়েছে। বাকিগুলোর বড় ও ছোট ডাল কাটা হয়েছে যা স্টেশনের মেছের জ্বালানীর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। একেবারে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে স্টেশন চত্বরের ফুল বাগান।
স্টেশনের সাবেক ডিএডি(বর্তমানে এডি কুষ্টিয়া) রফিকুল ইসলামের লাগানো আমলকি গাছও কেটে ফেলা হয়েছে। স্টেশন চত্বরের ফুল বাগান সংলগ্ন গাছে ঘুঘু সহ বিভিন্ন পাখি ডিম পাড়তো বাচ্চাও ফুটতো। কিন্তু এখন চিত্রটি একেবারেই ভিন্ন। পাল্টে গেছে পরিবেশ।

গাছ কাটতে দেখা এক প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদ জানান, বেশ কিছুদিন আগে দেখলাম সড়ক ভবনের পাশে ফায়ার সার্ভিসের ভিতরে একটি মেহগনি গাছ ৪/৫ জন এসে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে কেটে নিয়ে গেল। একটা বড় অর্জুন গাছও সম্পূর্ণ কেটে খড়ি বানিয়ে নিল।
বিভিন্ন সময়ে লোকজনের চোখ ফাকি দিয়ে গোপনে কাটা এসব গাছ ও গাছের ডাল নিজেদের কর্মীদের দিয়ে এবং স্থানীয় ছ-মিল থেকে খড়ি করে সেগুলো ব্যবহার করছে জ্বালানীর কাজে। অনেক খড়ি এখনও রেখে দেওয়া হয়েছে ডিএডি অফিসের ছাদে।
স্থানীয় ছ-মিলের শ্রমিকরা জানান, ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়িতে করে কয়েকজন এসে ৩০ সিএফটি কাঠ খড়ি করে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে বড় একটি অর্জুন গাছ ছিল।

ঝিনাইদহ সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সভাপতি সাইয়েদুল আলম জানান, ফায়ার সার্ভিসের মত সেবামুলক প্রতিষ্ঠানে যদি বিনা অনুমতিতে এভাবে সরকারি গাছ কাটা হয় তাহলে স্বচ্ছতার আর জায়গা থাকে না। আমাদের দাবি, ঝিনাইদহবাসীর দাবি বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি সম্পত্তি নষ্টের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা করবে অধিদপ্তর।
তবে কাটা গাছ ও গাছের অংশ জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, এর বেশী কিছু বলতে পারবোনা বলে জানান স্টেশনের সাব-অফিসার রউফ মোল্লা। আর কিছুই জানেন না বলেন স্টেশন অফিসার দিলীপ কুমার সরকার।

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সরকারি গাছ কেটে জ্বালানী বানাচ্ছে কর্মকর্তারা
খড়ি রেখে দেওয়া হয়েছে ডিএডি অফিসের ছাদে
নিজের নেতৃত্বে কেন সরকারি গাছ কাটা হচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে উত্তেজিত হয়ে ফায়ার সার্ভিসের জেলা উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তারেক হাসান ভুঞা জানান, এ বিষয়ে আমাকে কেন আপনি জিজ্ঞাসা করছেন। আপনার তো জানতে চাওয়ার কথা না। অন্য কোন গাছ কাটা হয়নি। শুধু ঘূর্ণিঝড় আম্পানে হেলে পড়া একটি অর্জন গাছ কেটে এডি স্যার, ডিসি স্যারের অনুমতিতে খড়ি করা হয়েছে।

ঝিনাইদহের দায়িত্বে থাকা যশোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সহকারী পরিচালক (এডি) মতিয়ার রহমান জানান, ফায়ার স্টেশনের গাছ কাটা হচ্ছে, জ্বালানী বানানো হচ্ছে এ বিষয়ে তো আমি কিছুই জানি না। আমাকে তো কেউ কিছু বলেনি। এর আগে স্টেশনে গিয়েছি তবুও তো কেউ কিছু বল্লো না। স্টেশনের গাছ কেটে তারা কোন ভাবেই জ্বালানী বানাতে পারে না। আপনার কাছ থেকে শুনলাম, গিয়ে বিষয়টি দেখবো।
জেলা বন কর্মকর্তা ও সরকারি গাছ কাটা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য সচিব গিয়াস উদ্দিন জানান, সরকারি গাছ নিজস্ব ভাবে কাটা, খড়ি করা কিংবা অন্য কোন কাজে ব্যবহারের কোন বিধান নেই। কেউ ইচ্ছা করলেই তা করতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় যেটা করেনি ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। এটা অত্যন্ত দু:খজনক বিষয়।

জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, ফায়ার স্টেশনের গাছ কাটার বিষয়ে কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি। সামনের সমন্বয় সভায় বিষয়টি আলোচনা করে, ঘটনা পরিদর্শন শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো হবে।

এছাড়াও নানা স্বেচ্ছাচারিতার মধ্য দিয়ে চলছে স্টেশনটি। স্টেশন অফিসার ও উপ-সহকারী পরিচালক(ডিএডি) এর থাকার জন্য দ্বিতল-একটি আবাসিক ভবন রয়েছে। কিন্তু জেলায় জয়েন্ট করার পর থেকেই আবাসিক ভবনে না উঠে পরিদর্শন বাংলোতে থাকেন ডিএডি তারেক হাসান ভুঞা ও ডিএডি অফিস সংলগ্ন একটি কক্ষে ২০১৬ সাল থেকেই থাকছেন স্টেশন অফিসার দিলীপ কুমার সরকার।

সরকারি নিয়ম রয়েছে আবাসিক ভবন ব্যতীত অন্য পরিদর্শন বাংলো কিংবা অন্য স্থানে থাকতে হলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া সরকারি খাতে জমা দিতে হয়। এই ভাড়ার টাকাও সরকারি খাতে জমা দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।

নওগাঁর আত্রাই নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাবাসীর নির্ঘুম রাত যাপন

নওগাঁর আত্রাই নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাবাসীর নির্ঘুম রাত যাপন




      
  মোঃ ফিরোজ হোসাইন
   রাজশাহী ব্যুরো

 উপজেলার বুক চিরে যুগযুগ ধরে প্রবাহমান আত্রাই নদী আপন মহিমায় বয়ে চলেছে তার গতিধারা। প্রতিবছর বর্ষামৌসুম শুরু হলে এলাকাবাসীকে  নির্র্ঘুম রাত যাপন করতে হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে যাচ্ছে যুগের পর যুগ।

তাদের  উদাসিনতায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও খনন না করায় নদী ভরাট হয়ে প্রতিবছর বাঁধভেঙ্গে মানুষের বাড়ী-ঘর জান-মাল মাটির সাথে মিশে দেয় বলে এলাকার লোকজন  অভিযোগ করেন।

জানা গেছে,কৃষি ও কৃষকের ভাগ্যউন্নয়নের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের গৃহিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক পানি উন্নয়ন বোর্ড সত্তরের দশকে মান্দা থেকে সিংড়া পর্যন্ত নদীর দুইধারে বাঁধ তৈরী করে।এসময় বাগমাড়া,মান্দা, রাণীনগর, নন্দীগ্রাম, সিংড়া এবং নাটোর সদর উপজেলার নদীর মোহনায় পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে আত্রাই নদীর উপর সাহেবগঞ্জ, আহসানগঞ্জ, কলেজপাড়া,শুটকিগাছা, ভবানিপুর-মির্জাপুর এবং গোড় নদীর উপর কাশিয়াবাড়ী, ইসলামগাঁথী এবং সমসপাড়া নামক স্থানে ¯স্লুইচগেট নির্মাণ করে প্রবাহমান নদীর পানি চলাচল সচল রাখে। শুরুতে ¯স্লুইচগেটের চাবি সময়মত সরবরাহ করে পাল্লাগুলো ফাঁকা করে দেওয়া হলেও বর্তমানে অসাধু প্রভাবশালী মহলের কারনে সেগুলোর কার্যকারিতা আর নাই। 

প্রতি বছর অল্প বন্যা হলেই নদীর বাঁধভেঙ্গে মাঠের ফসলসহ বাড়ী ঘড়ের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। যেকারনে লক্ষ লক্ষ হেক্টর জমির ফসল নিয়ে এলাকার কৃষকরা থাকেন উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায়। বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে প্রশাসনসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষ নরেচড়ে বসলেও কার্যত এর বাস্তব কোন সমাধান আজও মিলেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত সরকারের আমলে কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের কথা চিন্তা করে নওগাঁ-৬(আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সাংসদ মো. ইসরাফিল আলম নদীর খনন কাজ শুরু করেন। কিন্তু মাত্র ৩/৪ কিলোমিটার খনন করতেই অদৃশ্য কারনে তা বন্ধ হয়ে যায়। 

বাঁকা গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, নদীতে গেট করার আগে মাঠে ধীরে ধীরে পানি আসতো ধানও ধীরে ধীরে বেড়ে উঠতো। গেট করার ফলে একদিকে রক্তদহ বিলের পানি এসে মাঠ ভরে যায় সেইসাথে গেটগুলো সময়মত না খুলে দিয়ে ইচ্ছেমত খোলার কারনে মাঠের ধান ডুবেযায়। পানির প্রয়োজনে গেট খুলতে বললে বলে চাবি নাই আবার চাবি থাকলে সেটা কাজ করছেনা ।

নওগাঁ-৬(আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সাংসদ মো. ইসরাফিল আলম এর সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন   এবং  দ্রুত     প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান।

এলাকাবাসী  কৃষি ও কৃষকের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে  অতি দ্রুত  আত্রাই নদীর খনন কাজ সম্পন্ন এবং  স্লুইস গেটগুলো সংস্কার করণে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

নাটোরের লালপুরে পৃথক পৃথক ভাবে সাবেক এমপি শহীদ মমতাজ উদ্দিনের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

নাটোরের লালপুরে পৃথক পৃথক ভাবে সাবেক এমপি শহীদ মমতাজ উদ্দিনের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন



রাজশাহী ব্যুরো
আজ ৬জুন লালপুরের ইতিহাসে এক শোকের দিন। আজ নাটোরের লালপুরে জনপ্রিয় আ.লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ মমতাজ উদ্দিনের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পৃথক পৃথক ভাবে পালিত হয় । এই দিনটি লালপুরের মানুষের নিকট শোকাহত রক্তাক্ত ৬ জুন হিসেবে খ্যাৎ। 

শনিবার( ৬জুন) সকালে জননেতা সাবেক এমপি শহীদ মমতাজ উদ্দিনের কবর জিয়ারত,  নেঙ্গপাড়া চিরঞ্জিব শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্মরণ সৌধে পুস্পস্তবক অর্পন, মিলাদমাহফিল  ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় । এসব অনুষ্ঠান লালপুর বাগাতিপাড়া থানা আওয়ামীলীগ, এমপি ও বিভিন্ন অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথক ভাবে পালন করেন ।

জননেতা শহীদ মমতাজ উদ্দিনের ছোট ভাই, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে পারিবারিক ভাবে কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠিত করেন ।

লালপুর - বাগাতিপাড়া থানা আ.লীগের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন লালপুর থানা আ.লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন ঝুলফু, সাধারন সম্পাদক ইসাহাক আলী, বাগাতিপাড়া থানা আ.লীগের সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারন সম্পাদক সেকেন্দার আলী, লালপুর থানা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, জেলা আ.লীগের সদস্য উপাধ্যক্ষ বাবুল আকতার, জেলা পরিষদের সদস্য বদিউর রহমান বদর, লালপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের মহিলা সম্পাদক আসিয়া জয়নুল বেনু, লালপুর -বাগাতিপাড়া উপজেলার সকল অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

নাটোর -১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া )আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুলের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন জননেতা , সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মমতাজ উদ্দিনের পুত্র সামীম আহমেদ সাগর , লালপুর নথ' বেঙ্গল সুগার মিলের সিবিএ সভাপতি গোলাম কাউছার, লালপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহামুদুল হক মুকুল, আলাউদ্দিন আলাল, নাটোর জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাঘা, প্রভাষক রিপন হোসেন, লালপুর থানা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্টু, মোহাম্মদ আলী  সহ লালপুর -বাগাতিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

লালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোনোয়ার হোসেন মনি, ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তরিকুল ইসলাম, সহ লালপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ 

উল্লেখ্য  গত ২০০৩ সালের ৬ জুন রাত ১০টার দিকে নাটোর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ উদ্দিন উপজেলার গোপালপুর থেকে নিজবাড়ি মিল্কিপাড়ায় ফিরছিলেন। পথে গোপালপুর-সালামপুর সড়কের নেঙ্গপাড়া নামক এলাকায় মমতাজ উদ্দিনকে কিছু দুস্কৃতিকারীরা কুপিয়ে হত্যা করে। তার এই অকাল মৃৃত্যুতে লালপুরের আ.লীগ তথা নাটোর বাসি নেতৃত্বশূণ্য হয়ে পরে। জনপ্রিয় এই বর্ষিয়ান নেতাকে হারিয়ে নাটোর-১ আসনের লালপুর-বাগাতিপাড়ার আ.লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে নেমে আসে এক অন্ধকারের ঘনঘটা।

পরে যে স্থানে শহীদ মমতাজ উদ্দিন কে হত্যা করা হয় সেই স্থানে তার স্মৃতির স্মরণে চিরঞ্জিব শহীদ মমতাজ উদ্দিন নামে একটি স্মরণ সৌধ তৈরী করা হয়। তৎকালীন ২০০৪ সালের ৬জুন বাংলাদেশ আ.লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল স্মরণ সৌধটি উদ্বোধন করেন। এর পর থেকে প্রতিবছর ৬জুুনে লালপুর-বাগাতিপাড়া উপজেলার আ.লীগও তার সহযোগি সংগঠন ও মমতাজ উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ, মিলাদমাহফিল, বিশেষ মোনাজাত, স্মরণ সভা, কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্যদিয়ে এই দিনটি পালন করে আসছে।

সিংড়ায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবলীগ নেতা আটক, দল থেকে বহিস্কার

সিংড়ায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবলীগ নেতা আটক, দল থেকে বহিস্কার




রাজু আহমেদ, সিংড়া: 
নাটোরের সিংড়ায় ১৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১২)’র হাতে আটক উপজেলা যুবলীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবুল বাশার ওরফে আশিকুর রহমান আশিককে বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (৬ জুন) উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান কামরান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার ১৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ উপজেলা যুবলীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক। আশিকুর রহমানকে আটক করেছে র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ। সিংড়া পৌর শহরের পাড়া জয়নগর মহল্লার একটি বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক আশিক উপজেলার সাঁতপুকুরিয়া গ্রামের আহসান হাবিবের পুত্র। পরে তাকে সিংড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।



বিষয়টি নিশ্চিত করে সিংড়া থানার ইন্সপেক্টর (ওসি তদন্ত) সেলিম রেজা জানান, সিংড়ার জয়নগর থেকে ১৯৫ পিস ইয়াবাসহ আশিকুর রহমানকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১২)। পরে তাকে সিংড়া থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে এবং জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। 


চৌগাছার মেডিকেল অফিসারের করোনা মুক্তিতে ছাত্রলীগ নেতা সবুজের দোয়া কামনা

চৌগাছার মেডিকেল অফিসারের করোনা মুক্তিতে ছাত্রলীগ নেতা সবুজের দোয়া কামনা



স্টাফ রিপোর্টারঃ চৌগাছার করোনা যুদ্ধের ফ্রন্ট ফাইটার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ নাহিদ সিরাজ করোনা আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার এম্বুলেন্স যোগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি যশোরের সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ  শফিউল আরিফ স্যারের প্রতি, সেইসাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল অবঃ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন মহোদয়কে। স্যারদের অতি দ্রুত ও আন্তরিক চেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি ডাঃ নাহিদ যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।

মাধবপুরে পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মাধবপুরে পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে বেশ কয়েকটি গ্রামের বাড়িঘর ও কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি ছড়া (নদী) গুলো দিয়ে অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শনিবার (৬-জুন) সকাল পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টির ফলে তেলানিয়াছড়া, সিমনাছড়াসহ কয়েকটি পাহাড়ি নদীর পানি বেড়ে আশপাশের বাড়িঘর, কৃষিজমি ও পুকুর তলিয়ে যায়।

শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল খায়ের জানান, পাহাড়ি ঢলে শাহজাহানপুর ইউনিয়নের ৬ টি ওয়ার্ডের আনুমানিক ২৫০ টি বাড়িঘর ও প্রায় ৩ শত একর কৃষি জমির সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া এসব এলাকার অনেক 

পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় সব মাছ ভেসে গেছে। তবে আগেই ধান কাটা শেষ হয়ে যাওয়ায় ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেলেও কোন ক্ষতি হয়নি। তবে অনেক সবজি চাষি ও মৎস্য খামারি পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

জগদীশপুর ইউনিয়নের বরধলিয়া গ্রামের এস এম মুক্তি জানান, পাহাড়ি ঢলে তেলানিয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে বরধলিয়া গ্রামের রাস্তাঘাট, পুকুর ও বাড়িঘর ডুবে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জগদীশপুর তেমুনিয়া থেকে ইটাখোলা 

রাস্তার বড়ধলিয়া গ্রামের ভেতরের কিছু অংশ ভেঙ্গে গেছে। তিনি আরও বলেন অনেকে সরকারি খাল দখল করে দোকান পাট করেছে। জগদিশপুর তেমুনিয়া বাজারের নতুন একটা ব্রিজ করা হয়েছে কিন্তু সেই ব্রিজের পানি 

যাওয়ার কোন রাস্তা নেই। তেমুনিয়া বাজারের পানি নিষ্কাশনের রাস্তা বন্ধ করে ঘরবাড়ি করা হয়েছে। সেই জন্য পাহাড়ি ঢালে আগের চেয়ে অনেক বিশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,

তৌফিক আলম চৌধুরী জানান, পাহাড়ি ঢলে মানুষের ঘরবাড়ি, জমি ও পুকুর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং রাস্তাঘাট ভেঙ্গে গেছে। পানিতে সব ভেসে যাওয়ায় অনেক পরিবারের সকালের খাবারের মত কোন কিছু নেই আমি।

তাৎক্ষণিক-ভাবে তাদের সকালের ও দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও করেছি এবং চেষ্টা করছি সরকারি ভাবে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য।

ভোলার বোরহানউদ্দিনে গলদা চিংড়ির রেণু পাচার কালে ৩ জন আটক ও জেল

ভোলার বোরহানউদ্দিনে গলদা চিংড়ির রেণু পাচার কালে ৩ জন আটক ও জেল




মোঃ আওলাদ হোসেন
জেলা প্রতিনিধি,ভোলা,দৌলতখান

যে কোন মাছের রেনু পোনা হচ্ছে দেশের সম্পদ।এগুলো ধ্বংসে পুরো বিশ্বের জীববৈচিত্র্যের ধ্বংসের পাশাপাশি ধ্বংস হচ্ছে আমাদের অর্থনীতি।
আমাদের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস যেন এখন নিত্য নৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
সাম্প্রতিক গোলদা ও বাগদা চিংড়ি ধরার নামে মারাত্মক ভাবে প্রতিনিয়ত ক্ষতি আমাদের অর্থনীতি ও জীববৈচিত্র্য। 
উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকাতে চলছে এর তান্ডব লীলা।আর এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না ভোলার দৌলতখান বোরহানউদ্দিন সহ অন্যান্য উপজেলা গুলো।আর গত কাল এটা নজরে আসে স্থানীয় প্রশাসনের।সাথে সাথেই অভিযান চালিয়ে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়ন থেকে  পাচার কালে ১৩ ব্যারেল গলদা চিংড়ির রেণুসহ  ওই চক্রের ৩ জনকে আটক করছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার  গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ঘোলপাড় থেকে  তাদেরকে  আটক সহ একটি ট্রলার জব্দ করা হয়। শুক্রবার সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আটককৃতদের প্রত্যেক কে ১ বছর করে কারাদন্ড প্রদান করেন। আটককৃতরা জানান, ওখানে প্রায় ২ লাখ রেণু ছিল।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বশির গাজী বলেন, মেঘনা থেকে আহরিত রেণু একটি চক্র কাচিয়া ইউনিয়নের ঘোলপাড় দিয়ে পাচার করছে।এমন সংবাদে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর, স্থানীয় থানা পুলিশের সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় চিংড়ি রেণু পাচারের অভিযোগ  ২ লাখ রেণু সহ একই উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়নের মজিবলের ছেলে ফারুক,৪ নং ওয়ার্ডের ইয়াছিন বেপারীর ছেলে রুহুল আমিন,লালমোহন পৌরসভার মোস্তফার ছেলে সবুজ কে আটক করা হয়। পরে তাদের প্রত্যককে ১ বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়। তিনি আরো জানান,আটককৃত চিংড়ি রেণুগুলো  স্থানীয় ফরিদ দালালের।
ফরিদ দালাল স্থানীয় কতিপয়  সহযোগী সংগঠনের নেতার আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে তাদের সহযোগিতায় রেণুগুলো পাচার করে আসছে এমন অভিযোগ রয়েছে।উল্লেখ্য  গত ৮ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বশির গাজী, মৎস্য কর্মকর্তা, স্থানীয় নৌ কন্টিনজেন্ট এর সহযোগিতায় এক অভিযান পরিচালনা করেন। পরে ফরিদ দালালকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএফএম. নাজমুস সালেহীন জানান,আটককৃত ১৩ ব্যারেল রেণু উপজেলা পরিষদ ও স্থানীয় থানা  পুকুরে অবমুক্ত করা হয়। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

আহনাফ আবরার মুকতাদির ফ্রি ফ্রাইডে হোমিও ক্লিনিক এর উদ্যোগে অসহায় পরিবারের ছাত্রদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

আহনাফ আবরার মুকতাদির ফ্রি ফ্রাইডে হোমিও ক্লিনিক এর উদ্যোগে অসহায় পরিবারের ছাত্রদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ



হাসান সাদী,নাগরপুর প্রতিনিধি:টাংগাইলের নাগরপুরে অবস্হিত নবগঠিত আহনাফ আবরার ফ্রি ফ্রাইডে হোমিও ক্লিনিক এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা.এম.এ.মান্নান এর নেতৃত্বে নাগরপুর বাজার ও  দুয়াজানী কলেজ পাড়া এলাকার শ্রমিক, কর্মহীন ও অসহায় ৩২ টি পরিবারের স্কুল পড়ুয়া ছাত্রদের জন্য শিক্ষা উপকরণ যেমন, অংক খাতা, ইংরেজী খাতা,বাংলা খাতা,কলম,পেন্সিল ও চক বিতরণ করা হয়।    গত শুক্রবার ৫ মে ২০২০ খ্রি.বেলা ২.০০ টায় নাগরপুর উপজেলায় নাগরপুর বাজার ও দুয়াজানী কলেজ পাড়া এলাকায় অসহায় ছাত্রদের জন্য তাদের পরি্ারের কাছে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। 
বিতরণ কালে নবগঠিত আহনাফ আবরার ফ্রি ফ্রাইডে হোমিও ক্লিনিক এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা.এম.এ.মান্নান বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারনে সারাদেশ আজ অচল হয়ে পড়েছে ফলে কর্মজীবীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে তাদের মাঝে দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক সংকট ঠিক তখনি আমি তাদের পাশে আমি আমার সাধ্যমত দাড়িয়েছে। সরকারের পাশাপাশি আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান তাদের পাশে দাড়াতে পেয়ে আনন্দিত। আমাদের কার্যকম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।আমি দেশের জনগোষ্ঠীকে সর্বদা স্বাস্থ্যবান ও সুস্হ  দেখতে চাই। অসুস্থ শরীর দেখতে চাই না তাই আমি দেশের অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য ফ্রি ফ্রাইডে হোমিও ক্লিনিক চালু করেছি যাতে দেশের সম্মানিত অসহায় নাগরিকগণ বিনা টাকায় ডাক্তারের  পরামর্শ ও মেডিসিন পায়।বর্তমানে করোনা প্রার্দুভাবের কারনে সমাজের অসহায় পরিবারের পড়ুয়া ছাত্রদের শিক্ষা উপকরণ কিনতে পাচ্ছে না ফলে পড়ালেখা বাধা হয়ে দাড়িয়েছে,  আমি আমার সাধ্যমত তাদের পড়ালেখার স্পিড বাড়ানোর জন্য তাদের পাশে দাড়িয়েছি।আমি দেশে ধনী শ্রেনীর মানুষকে অসহায় ছাত্রছাত্রী ও কর্মহীনদের পাশে দাড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সকলেই সচেতন থাকতে হবে। বাসার বাহিরে কম বের হতে হবে,নিয়মিত বার বার সাবান দিয়ে  হাত ধৈত করতে হবে,মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধী ও অন্যান্য নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে আর মহান আল্লাহ কাছে ইবাদত বন্দেগী করে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ৮১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নতুন করে আরো ২৮২৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত সংখ্যা  ৬০৩৯১জন এবং গতকাল সুস্হ হয়েছেন ৬৪৩ জন এখন পর্যন্ত করোনায় মোট সুস্হ হয়েছেন ১২৮০৪ জন। এখনো যদি আমরা সচেতন না হই, তাহলে হতে পারে আমাদের জন্য আরও বেশী ভয়াবহ।জ্বনাব ডা.এম.এ.মান্নান আরও বলেন,এই মহামারী করোনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য করোনার যিনি মালিক মহান প্রভু আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা’য়ালার কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। যেকোনো কাজ বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার সহিত করতে হবে। জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত বাহিরে বের হওয়া যাবে না। যার যার অবস্থান থেকে জনসচেতনতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অসুস্থ হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন এবং তা অন্যকে মানতে উৎসাহিত করুন।শিক্ষা উপকরণ বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা.কাউছার খান,ডা.আ.ওহাব,মাসুম বিল্লাহ ও মিডিয়াকর্মী ও ছাত্র কল্যান পরিষদের মহাসচিব  সজিব হুসাইন মোহাস্মদ হাসান ও সিহাব মহিউদ্দিন সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

হালিশহর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র ভূতুড়ে বিলের ফাঁদে দিশেহারা পতেঙ্গার শতশত গ্রাহক

হালিশহর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র ভূতুড়ে বিলের ফাঁদে দিশেহারা পতেঙ্গার শতশত গ্রাহক




মোঃ হাসান রিফাত
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের অজুহাত দেখিয়ে নির্দিষ্ট বিলের চেয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের ফাঁদে পড়েছেন চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানা এলাকার অধিকাংশ গ্রাহক।

শুধু তাই নয়, এসব বিদ্যুৎ বিলের কপি সংশোধনের পরও সংশয় কাটছে না ভূক্তভোগীদের। আবার এসব বিল পরিশোধের পরও পরবর্তী মাসে চলে আসছে উল্টো জরিমানাসহ আরও অতিরিক্ত বিল। সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে রীতিমত হেনস্তার শিকার হচ্ছেন সেখানকার শতশত গ্রাহক— এমন অভিযোগ ওঠেছে হালিশহর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ শাখার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, ব্যবহৃত বিদ্যুতের চেয়ে বেশি বিল, মিটারের চলতি ইউনিট রিডিং না দেখে অনুমানভিত্তিক রিডিং করা ও বছর শেষে থেকে যাচ্ছে একই সমস্যা। এতে প্রতিকার চাইতে গিয়ে হয়রানি ও নাজেহালের শিকার হচ্ছেন অনেকেই।

এদিকে, করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট দূর্যোগের কারণে, দুই মাসের অধিক সময় ধরে কর্মহীন ও গৃহবন্দি থাকায় অধিকাংশ লোকজনের আয় নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। এই সময় উদ্ভট সব বিল কাণ্ডে দিশেহারা অবস্থা গ্রাহকরা। শুধু তাই নয়, এর সাথে গুনতে হচ্ছে বিলের চেয়ে অতিরিক্ত ২-৩ গুন অর্থ। এতে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে অনেকের।

ভুক্তভোগীরা বলেন, গত ২-৩ মাস মিটার রিডিং না দেখে অফিসে বসে বিল বানিয়ে বিতরণ করেছে রিডাররা। কোনো কোনো এলাকায় ৬ থেকে ৮ মাসে তাদের দেখা পায়নি গ্রাহকরা। আবার এসব সমস্যা সংশোধনের করতে দফতরে গেলে সেখানে হয়রানি তো আছেই। আবারও বিল সংশোধন ও মিটারের সমস্যা সমাধান করতে গিয়েও দালালদের দিতে হচ্ছে আরও বাড়তি টাকা।

দুইজন গ্রাহক বলেন, অতিরিক্ত বিলে বিষয়ে সেখানকার বিদ্যুৎ বিল সমন্বয়ক জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন পরের মাসে ঠিক করে দেওয়া হবে। কিন্তু লকডাউনের অজুহাত তোলেন কথায় কথায়। তাঁর সঙ্গে সুর মেলায় সেখানকার নির্বাহী কর্মকর্তাও।

তারা আরও বলেন, অফিস থেকে দেওয়া বিদ্যুৎ বিলগুলো পুরোপুরি মনগড়া। কখনো ইউনিট রিডিং এর দ্বিগুন আবার কখনো দিগুনেরও অধিক বিল। তেমনি একটি বিল সংশোধন করার পরও তাও আবার পরের মাসে ওই বিলের টাকা পরিশোধ করেছি জরিমানাসহ।

সূত্র বলছে, হালিশহর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ শাখার প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাহক রয়েছে। একজন নির্বাহী কর্মকর্তাসহ রয়েছে মোট সাতজন প্রকৌশলী কাজ কর্মরত। সেখানে লাইনম্যান ও হেলপারসহ রয়েছে ৩০ জন কর্মচারী। এছাড়া বিলের কপি বিতরণসহ মিটার রিডার হিসেবে কাজ করছেন আরও ৩০ জন কর্মচারী।

হালিশহর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী (ইনচার্জ) মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, মিটার রিডারদের কাজ বাড়ি-বাড়ি গিয়ে রিডিং চেক করা। কোথাও মিটার রিডার যায়না এমন অভিযোগ আমরা পাইনি।

অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, যদি কারো বিদ্যুৎ বিল বেশি হয়ে থাকে তাহলে তা সংশোধন করে দেওয়া হবে। তবে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে গ্রাহকদের হয়রানি করার প্রসঙ্গে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

আম উৎপানের শীর্ষে উত্তরাঞ্চল ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ

আম উৎপানের শীর্ষে উত্তরাঞ্চল ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ



 
মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

আমশিল্পের অগ্রগতি ও টেকসই করে বাঁচিয়ে রাখতে দেশের শীর্ষ আম উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁর সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর এলাকায় সর্বাধুনিক আম সংরক্ষাণাগার বা বড় ধরনের জুস-জেলির কারখানাসহ আম গবেষণাকেন্দ্র এবং বৃহৎ পাইকারি বাজার স্থাপনের দাবি জেলাবাসীর। এর মধ্যেই আম উৎপাদনকারী জেলাগুলোর মধ্যে দেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে নওগাঁ জেলার সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর আত্রাই এলাকাসহ জেলার অন্যান্য উপজেলাগুলো।

এক জরীপে দেখা গেছে, চলতি বছরে আমের সিজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হতে ২ লাখ মেট্রিকটন আম ও রাজশাহী জেলা হতে ১ লাখ মেট্রিকটন আম উৎপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমতে ওই জেলাগুলো থেকে মোট ৩ লাখ মেটিকটন আম দেশের বিভিন্ন স্থানসহ বিদেশেও রপ্তানি করা হবে। অপরদিকে শুধু নওগাঁ জেলা থেকে এবারে ৩ লাখ মেট্রিকটন আম বিদেশসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে সাপাহারে অনুষ্ঠিত আমচাষি ও আম ব্যবসায়ীদের এক সভায় নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নান মিয়া জানিয়েছিলেন। সে হিসেবে আমের রাজধানী না বললেও নওগাঁকে বাণিজ্যিক আমের রাজধানী বলা যেতে পারে বলেও তিনি তার মতামত ব্যাক্ত করেন।

বর্তমানে সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর এলাকায় প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে। নওগাঁ জেলায় প্রতিবছর পাল্লা দিয়ে প্রতিটি উপজেলায় ২ থেকে ৩ হাজার হেক্টোর জমিতে নতুন নতুন আমের বাগান গড়ে উঠছে বলে কৃষি দপ্তর থেকে জানা গেছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে এসব এলাকায় আম চাষাবাদ ছাড়া আর কোনো ফসল চাষাবাদের জমি হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে অভিজ্ঞমহল ধারণা করছেন।

আবহাওয়া অনুকূলে ও বাজার ভালো থাকলে শুধু নওগাঁ জেলা থেকেই এ বছর আড়াই থেকে তিন শ কোটি টাকার আম বাণিজ্য হতে পারে বলেও কৃষি দপ্তর, আমচাষি ও আম ব্যবসায়ীগণ জানিয়েছেন।

পাতি: উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের ‘অসময়ের বন্ধু’

পাতি: উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের ‘অসময়ের বন্ধু’


 

মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

 নওগাঁর রাণীনগরে চলতি রবিশস্য মৌসুমে ধান, গম, সরিষা, ভুট্টা, বাদাম সহ অন্যান্য শাক-সবজির পাশাপাশি দিনদিন চাষিরা পাতি চাষের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। জৈষ্ঠ্য মাসের আগে এই এলাকার চাষিদের ঘরে সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে তেমন কোন বিক্রয় যোগ্য ফসল ঘরে না থাকায় প্রান্তিক কৃষক সহ সাধারণ মানুষ কিছুটা অভাবে এই সময়টা পার করে। কিন্তু অসময়ের বন্ধু হিসেবে খ্যাত অধিকাংশ কৃষকদের ঘরে এখন পাতি কাটা ও শুকানোর কাজ শুরু হয়েছে। বাজার মূল্য ভাল ও ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে পাতি চাষি কৃষকরা বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে তেমন কোন ক্ষতি না হওয়ায় এবং স্বল্প পরিমাণ বালাই নাশক প্রয়োগে, সার্বিক উৎপাদন ব্যয় কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় ইরি-বোরো ধান চাষের আগ্রহ কিছুটা কমিয়ে বনপাতি ও জলপাতি চাষে কৃষকরা মনোযোগ দিচ্ছে। এক সময় এই জনপদে পাতি চাষ তেমন না হলেও পাতি দিয়ে তৈরি পরিবেশ বান্ধব মাদুরের প্রধান উপকরণ হিসেবে কদর বেশি থাকায় চলতি মৌসুমে অন্যান্য ফসলের সাথে রেকর্ড পরিমাণ পাতি চাষ করেছে এই উপজেলার কৃষকরা। ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে পাতি ভাল হওয়ায় কৃষকরা কাটা শুকানো শুরু করাই ভাল দামে বাজারে পুরোদমে বিক্রয় হচ্ছে। সরকার পর্যায় থেকে কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ফসল চাষের জন্য কৃষি উপকরণ, বীজ, রাসায়নিক সার বিনা মূল্যে বিতরণ করা হলেও পাতি চাষের জন্য প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কোন প্রকার সহযোগীতা প্রদান করা হয় না। চলতি রবিশস্য মৌসুমে কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ হানা না দেওয়ায় পাতি চাষের পরিবেশ অনুকূলে থাকায় পাতির ভাল ফলন হচ্ছে বলে চাষিরা জানান। ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে কৃষকরা নিজ নিজ জমিতে প্রথম পর্যায়ের কাটার কাজ প্রায় শেষ। এই ফসলটি একই জমিতে প্রায় তিন বার কাটা যায়। গ্রামীণ জনপদের কৃষকরা এই পাতি চৈত্র মাস থেকে বৈশাখ মাস অবদি কাটা শুকানোর কাজ চলতে থাকে। মাদুর তৈরির উপযোগী করতে ভাল রোদ থাকলে প্রায় দুই দিন সময় লাগে তা শুকাতে। এরপর কিছু কৃষক সাংসারিক প্রয়োজনে বাজার জাত করলেও বেশি লাভের আশায় অধিকাংশ কৃষক গুদাম জাত করে রাখে। দাম বেশি হলে সুযোগ বুঝে তারা অবসর সময়ে পরিবারের সবাই মিলে মাদুর তৈরি করে বেশি দামে বাজারে বিক্রয় করে। এর সুবাদেই রাণীনগরের পাতি দেশ জুড়ে খ্যাতি। জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে প্রায় ৮০ হেক্টর জমিতে বনপাতি ও জলপাতি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চলতি বছরে উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাতির আবাদ হয়েছে। শুরুতেই ভাল আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং পাতির ক্ষেতে রোগ-বালাই না থাকায় ও মাঠ পর্যায়ে পাতি চাষিদের উপ-সহকারি কৃষি অফিসাররা যথা সময়ে উপযুক্ত পরামর্শ নজরদারি ও প্রত্যক্ষ কারিগরী সহযোগিতার কারণে পাতি ক্ষেত অনেকটা ভাল হয়েছে। তবে মিরাট, গোনা, কাশিমপুর, রাণীনগর সদর, কালীগ্রাম ও পারইল ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পাতি চাষ হয়েছে। পাতি কাটার মৌসুমে রোদ ভাল থাকলে মানসম্পূর্ণ ভাবে শুকাতে পারলে প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৭০ হাজার টাকার পাতি বিক্রয় হবে। উপজেলার পারইল ইউনিয়নের বোদলা গ্রামের পাতি চাষি হেলাল মন্ডল জানান, আমি প্রতি বছরই ধানের পাশাপাশি পাতি চাষ করি। চৈত্র মাস থেকে শুরু করে ইরি ধান ঘরে তুলার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত পাতি বিক্রয় করে আমার সংসারের প্রয়োজনীয় সমস্যা গুলো সমাধান করি। চলতি মৌসুমে এক বিঘাতে পাতি চাষ করেছি। ইতিমধ্যেই প্রথম কাটা শেষ করে পাতিগুলো রোদে শুকানোর কাজ চলছে। আবহাওয়া ভাল থাকায় জমিতে পাতি ভাল হয়েছে। আশা করছি সমদয় খরচ বাদ দিয়ে প্রায় প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভের আশা করছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪/৫ টি ইউনিয়নে বিগত বছরের তুলনায় লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমান পাতি চাষ হয়েছে। কুটির শিল্পের মাদুর তৈরির প্রধান উপকরণ পাতি। পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় লাভ বেশি হওয়ার কারণে কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পাতি চাষ করেছে। তবে প্লাস্টিকের সামগ্রী বাজারে বেশি  হওয়ার কারণে পরিবেশ বান্ধব পাতির তৈরি মাদুর বিপণন কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

রতনকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মোহাম্মাদ নাসিমের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও কোরান খতম

রতনকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মোহাম্মাদ নাসিমের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও কোরান খতম



মাসুদ রানা:  চৌদ্দ দলের সমন্বয়ক, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রি ও বাংলাদেশ আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের রোগমুক্তি কামনায় রতনকান্দি ইউনিয়ন পরিষদেরর উদ্যোগে পরিষদ ভবনে শনিবার সকাল দশ টায় দোয়ার মাফিল আয়োজন করেন ইউনিয়ন পরিষদেরর চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। দোয়া ও কোরান খতমের মোনাজাদ করান মাওলানা মোঃ আঃহাকিম, পরিচালনা করেন সচিব মোঃ মাহবুবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুড়িপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ কামরুল হাসান, বাহুকা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদে সদস্য চাঁন মিয়া, হীরন, আঃআলিম, আবুল কালাম আজাদ, আলী হোসেন, বাচ্চু মিয়া, মহিলা সদস্য বেবী খাতুন ও বুলবুলি, এছারা পরিষদেরর ষ্টাফ আঃ রাজ্জাক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পদক আঃ মান্নান ফারাজি, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক বুলবুল আহম্মেদ ভুট্রো, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবগ লীগের ভারপ্তাপ্ত সভাপতি সোহেল রানা, সাধারন সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম আবির, ইউনিয়ন ছাএলীগের সাধারন সম্মাদক জাকিরুল ইসলাম বাবু সহ সকল অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্ধ ও জনোগনের এক অংশ।    

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমপাড়া উৎসব:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমপাড়া উৎসব:



চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমপাড়া উৎসব পালিত হয়েছে।আজ শনিবার বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কালেক্টরেট আমবাগান চত্তরে এ উৎসব পালন করা হয়।
উপস্হিত ছিলেন,জেলা প্রশাসক এ.জেড.এম নুরুল হক,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তাজকির উজ-জামান,পুলিশ সুপার এ.এইচ.এম আব্দুর রকিব,এনএসআই'র উপ-পরিচালক মোরশেদ আলম,সিভিল সার্জন ডাঃজাহিদ নজরুল চৌধুরী,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলমগীর হোসেনসহ অনান্যরা।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে করোনায় আক্রান্ত ২৬৩৫ এবং মৃত্যু ৩৫ জনের

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে করোনায় আক্রান্ত ২৬৩৫ এবং মৃত্যু ৩৫ জনের
নিউজ ডেস্ক:
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬৩৫ জন। এখন পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ৫৬৬ জন।
আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৫ জন। এখন পর্যন্ত সর্বমোট মারা গেছেন ৮৪৬ জন।

আজ শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনা বিষয়ক বুলেটিনে এ তথ্য জানান।

কভিড১৯ এ কারনে পাড়ায় পাড়ায় জীবানু নাশক মেডিসিন স্প্রে অব্যাহত মেদুয়ায়"

কভিড১৯ এ কারনে পাড়ায় পাড়ায় জীবানু নাশক মেডিসিন স্প্রে অব্যাহত মেদুয়ায়"





মোঃ আওলাদ হোসেন 
জেলা প্রতিনিধি, ভোলা,দৌলতখান 

COVID-19 এর প্রভাব কোন ভাবেই কমছে না।এর মাত্রা দিনের পর দিন বাড়তেই আছে।এযেন এক লাগামহীন ঘোড়া।পুরো বিশ্বব্যাপী এর মাত্রাতিরিক্ততা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির সাথে তুলনা করছেন বিশ্লেষকরা।যার কবল থেকে বাংলাদেশ ও কোন ভাবেই কমের দিকে নয়।এটা যেন পুরো বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ছে।আর এমন সময় বাংলাদেশে সরকারের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিভিন্ন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।তারই ধারাবাহিকতায় আজ ০৫-০৬-২০ইং দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার মোঃ মঞ্জুর আলম এর সহযোগিতায়  মেদুয়া ইউনিয়ন এর প্রত্যেকটি  মসজিদে এবং বিভিন্ন জন সমুক্ষে জীবানু নাশক স্প্রে করা হয়েছে।
যা সার্বিক ভাবে সহযোগীতা করেছেন ফরহাদ হোসেন অফিস সহকারী ২নং মেদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ,
আনোয়ার হোসেন ফরহাদ সেইন্ট বাংলাদেশ,এনজিও কর্মী।