শৈলকুপায় কৃষক সেজে হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার

শৈলকুপায় কৃষক সেজে হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার




সম্রাট হোসেন শৈলকুপা উপজেলা( ঝিনাইদহ)  প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের শৈলকুপায় কৃষক সেজে আব্দুল আলিম
(৫০) নামে হত্যা মামলার এক আসামীকে
গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ জুন) সকালে
উপজেলার পুরাতন বাখরবা মাঠ থেকে তাকে
গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী
শেখপাড়া গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।
শৈলকুপা থানার ইন্সেপেক্টর (তদন্ত) ও মামলার
তদন্ত কর্মকর্তা মহসীন হোসেন জানান, রবিবার
সকালে তমালতলা ক্যাম্প ইনচার্জ তরিকুল
ইসলামের নেতৃত্বে বাংলার কৃষক সেজে সঙ্গীয়
ফোর্স নিয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। উপজেলার
পুরাতন বাখরবা গ্রামের মাঠ থেকে হত্যা মামলার
অন্যতম আসামী আলিমকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান, কুষ্টিয়া রবীন্দ্র মৈত্রী
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেধাবী শিক্ষার্থী
আরাফাত হোসেন (২১) কে গত ২৮ এপ্রিল পিটিয়ে
হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যা মামলার অন্যান্য
আসামীরা পলাতক রয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতার
করতে পুলিশ ব্যাপক তৎপর রয়েছে বলেও জানান
তিনি।

কালীগঞ্জে ফেন্সিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

কালীগঞ্জে  ফেন্সিডিল  সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার



খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 


ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মাহাফুজুর রহমান জানান গোপন সংবাদে ভিত্তিতে 

৭ জুন  রাত্রীবেলা কালীগঞ্জ থানার একটি চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে ৩১(একত্রিশ) বোতল ফেন্সিডিল সহ ২(দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করে,  ১। মোঃ আল মামুন(২৫), পিতা-মোঃ সাখাওয়াত শেখ, সাং-বালিয়াডাঙ্গা(পশ্চিমপাড়া), ২। মোঃ শাওন ইসলাম(১৯), পিতা-রবিউল ইসলাম, সাং-দাদপুর, উভয় থানা-কালীগঞ্জ, জেলা-ঝিনাইদহদ্বয়কে কালীগঞ্জ থানার বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম হইতে গ্রেফতার করা হয়।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস২০২০ কল্যাণের বৃক্ষরোপন ও গাছের চারা বিতরণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস২০২০  কল্যাণের বৃক্ষরোপন ও গাছের চারা বিতরণ




 মোঃ হাসান রিফাত,
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সমগ্র বিশ্ববাসীকে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করতে প্রতিবছর ৫ জুন বাংলাদেশ সহ সারা পৃথিবীতে পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস, এই উপলক্ষে সেচ্ছায় রক্তদাতাদের সামাজিক সংগঠন " কল্যাণ"ও প্রতিবছরের মত ব্যাপক কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। যার অন্যতম হল বৃক্ষরোপন অভিযান , বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশাজীবিদের মাঝে ১ হাজার গাছের চারা  বিতরণ।।

এরই অংশ হিসাবে আজ ৫ জুন বাঁশখালীর উপকূলীয় অঞ্চল খানখানবাদের রায়ছটা গ্রামের বায়তুন নুর জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠ ও পরিত্যাক্ত স্হানে সামাজিক বনায়নের অংশ হিসাবে ফলজ ও বনজ গাছের  মোট ৫০০ টি চারা রোপন করা হয়, এছাড়া একই গ্রামের  তালিমুল কোরআন ওয়াহ্ সুন্নাহ মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের মোট ১৪৫ জন ছাত্রছাত্রীর মাঝে ফলজ বৃক্ষের চারাগাছ ও সচেতনতামূলক রিপলেটও বিতরণ করা হয়। 

এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং খানখানাবাদ  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এডভোকেট বদরুদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম এনায়েত বাজার মহিলা  কলেজের প্রভাষক প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দীন জাহেদ,  স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মৌলানা আনোয়ারুল কবির, মইনুল ইসলাম তালুকদার ফরহাদ, সাজ্জাদ হোসেন সেলিম, মুজিবুল হক চৌধুরী,  সিরাজুল মোস্তফা, মাস্টার আবুল বায়ান, কল্যাণের বোর্ড অব এক্টিভিষ্টের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান, হাফেজ জাহেদুল ইসলাম ও এডভোকেট আজিজুল হক মাসুদ।
 বক্তারা  বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তন এখন সারা বিশ্বের সাথে সাথে আমাদেরও অন্যতম প্রধান সমস্যা অথচ আমরা যদি একটু সচেতন হয়ে প্রতিবছর দেশের ১৮ কোটি জনগণের অর্ধেকও যদি ১ টি করে গাছ লাগাই এবং তার সঠিক পরিচর্যা করি , একই ভাবে সারা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার অর্ধেকও যদি গাছ লাগায় , বনভূমি ধংস করা বন্ধ করি এবং পলিথিন শপিং ব্যাগ ব্যবহার বর্জন করি তাহলে পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা সময়ের ব্যাপার।

উল্লেখ্য এটা ছিল এই বছর কল্যাণের ২য় ধাপের চারা বিতরণ কর্মসূচী।
এর আগে গত ২৫মে ঈদের দিন চট্টগ্রাম নগরীতে কোভিড-১৯ যুদ্ধের অগ্রযোদ্ধা চট্রগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও ফিল্ড হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, সিএমপির,  কোতোয়ালী,  বন্দর থানার পুলিশ ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে ৫০০ শত পেয়ারা গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

না ফেরার দেশে কুমিল্লার প্রবীণ আ'লীগ নেতা ডা. খোরশেদ আলম সরকার

না ফেরার দেশে কুমিল্লার প্রবীণ আ'লীগ নেতা    ডা. খোরশেদ আলম সরকার




শাহ আলম জাহাঙ্গীর 
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা

 না ফেরার দেশে কুমিল্লার  আওয়ামী লীগ
নেতা মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক, বর্তমান মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ডাঃ খোরশেদ আলম সরকার।  ( ইন্না-লিল্লাহে---- রাজেউন)। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর । 

তিনি  আজ রবিবার ১১.০৫ মিনিটে র ঢাকার  ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩  ছেলে, ৪ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।প্রবীণ  আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ খোরশেদ আলম
সরকার মেঘনা উপজেলা গঠিত হবার পূর্বে
হোমনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
ডাঃ খোরশেদ আলম সরকারের মৃত্যুতে
হোমনা  আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মো.আবদুল মজিদ,হোমনাউপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
রেহানা বেগম,  পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আ'লীগের সহসভাপতি এডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম, প্রবীণ  আ'লীগ নেতা প্রফেসর মো. ইসমাঈল হোসেন,মেঘনা উপজেলার তরুণ জেলা পরিষদ সদস্য মো.নাসির উদ্দিন শিশির,  হোমনা  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমানসহ অনেক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয় এই আ'লীগ নেতার  মৃত্যুতে হোমনা-মেঘনা উপজেলার আ’লীগের নেতৃবৃন্দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে ।

পরিবেশ দিবস ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ করলেন নোবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা শাওন নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

পরিবেশ দিবস ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ করলেন নোবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা শাওন নোবিপ্রবি প্রতিনিধি




  ডেস্ক রিপোর্টঃ  
 বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও মুজিব শতবর্ষ ২০২০ উপলক্ষে কেন্দ্রীয়  ছাত্রলীগের নির্দেশনা অনুযায়ী নোয়াখালী বিজ্ঞান ও  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের জনপ্রিয় নেতা ফারদ্বীন এহসান শাওন।

আজ রবিবার (৭জুন) বিকেলে
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আমড়া, কাঠবাদাম, জলপাই, পেয়ারা, আমলোকি, কামরাঙ্গা, অরুলি, জামরুল গাছসহ আরো বিভিন্ন বনজ কাঠ গাছ লাগান তিনি।

এ ব্যাপারে নোবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা ফারদ্বীন এহসান শাওন বলেন,  কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং জননেতা একরামুল করিম চৌধুরী এমপি মহোদয়ের  অনুপ্রেরণায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দিকনির্দেশনায় ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে গাছ লাগিয়েছি আমি। নানা অসাধু চক্র দেশের বিভিন্ন জায়গায় গাছ কেটে ফেলায় পরিবেশে এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় আমি এমন কর্মসূচি পালন করেছি।

নাগরপুরে নতুন করোনা আক্রান্ত- ২, আরোগ্য - ১০

নাগরপুরে নতুন করোনা আক্রান্ত-  ২, আরোগ্য -  ১০


হাসান সাদী,নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:মনে হচ্ছে করোনা নাগরপুরে বাসা বেধেছে। কারন প্রতিনিয়ত নাগরপুরে করোনা রোগী বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে নাগরপুর জনগনের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। আজ রবিবার ০৭ জুন ২০২০ খ্রি. নাগরপুর উপজেলায় নতুন করে ২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে।আইইডিসিআর এর রিপোর্টে নতুন দুইজন আক্রান্তদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.মো.রোকুনুজ্জামান খান।করোনা আক্রান্ত নতুন দুইজনের মধ্যে একজনের বাড়ি নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামের। তিনি সাভারে গার্মেন্টসে চাকুরী করেন। অপর একজন মামুদনগর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের। তারা দুজনই পুরুষ তাদের বয়স ৫০এর উর্ধে। আক্রান্তদের বাড়ি সহ আশেপাশের ৫ টি বাড়ি লক ডাউন ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, উপজেলা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.মো.রোকুনুজ্জামান খান।
নতুন দুজন করোনা আক্রান্ত রোগী নিয়ে নাগরপুর উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩০ জন এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১০ জন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জন।

কেশবপুরে গরমের তৃষ্ণা মেটাতে রসালো তালের শাঁস বিক্রয়ের হিড়িক।

কেশবপুরে গরমের তৃষ্ণা মেটাতে রসালো তালের শাঁস বিক্রয়ের হিড়িক।




মোরশেদ আলম
যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি। 

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় বাজারে বাজারে উঠেছে কচি তালশাঁস বা চোখ। গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য ক্রেতাদের কাছে তালশাঁসের কদর অনেক বেশি।আর পাড়া-মহল্লার ফল বিক্রেতাদের কাছে মিলছে রসালো কচি তালশাঁস।


ব্যবসায়ী আলম গাজী বলেন গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য ডাবের পানির পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছে ভেজালমুক্ত তালশাঁসের কদর অনেক বেশি।
ফুটপাতের উপর তীক্ষ্ণধার যুক্ত দায়ের আঘাতে শক্ত খোলস থেকে সরস তালশাঁস বা চোখ বের করে আনে বিক্রেতা। একটা তালে সাধারণত তিনটি করে শাঁস থাকে যা প্রতি পিস ৫ থেকে ১০ টাকা বিক্রয় করে বলে জানাই ওই ব্যবসায়ী।

তালশাঁস কেবল স্বাদে ভালো না, মানব শরীরের জন্যও এটা অনেক উপকারী। বছরের প্রথম ফল উঠেছে, তাই দাম একটু বেশি।
শহরের আর এক বিক্রেতা আবু তালেব বলেন গরমের সময় ডাবের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তালশাঁস বিক্রি হয়। কিন্তু এখন তাল গাছ কম থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে পারছি না।করোনার ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এ সরকার ঘোষিত বিধি নিষেধ মেনে চারটার পর ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকায় তাল বেশি ক্রয় করতে পারছি না।

সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে তালকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রচলিত ফল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়েবসাইটে  তালশাঁসের অনেক পুষ্টিগুনে কথা বলা হয়েছে।

আবার পুষ্টিবিদরা বলছেন, তালশাঁসের বেশির ভাগ অংশ জলীয় থাকে।ফলে দ্রুত শরীর শীতল করার পাশাপাশি আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে শরীর দ্রুত পানি হারালে তা পূরণ করতে পারে। এ ছাড়া তালশাঁস শরীরের কোষের ক্ষয় প্রতিরোধ করে । ফলে সারা দিন ক্লান্তের পর অনেককেই পথের পাশে তালশাঁস বিক্রেতার কাছে ভিড় জমাতে দেখা যাই।

ঝিকরগাছার গুলবাগপুরে একজনের করোনা সন্দেহ!

ঝিকরগাছার গুলবাগপুরে একজনের করোনা সন্দেহ!



স্টাফ রিপোর্টারঃ  যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার  গুলবাগপুর গ্রামে একজনের করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে বলে চাউর হচ্ছে। গ্রাম বাসী সুত্রে জানা যায়  ১ নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের ১ নং গুলবাগপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মৃত মান্দার আলীর ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলামের  (শহিদ) বাড়ীতে গত তিন দিন ধরে ঢাকা থেকে এসে এক ব্যক্তি অবস্থান করছে। 
যার জন্মস্থান বরিশাল, নাম জুল হোসেন। কাজের সুত্রধরে জুল হোসেন গুলবাগপুর গ্রামের শহিদের ছোট ভাই তুহিনের সাথে ঢাকায় থাকতো। 
সেই সুত্র ধরে জুল হোসেন গুলবাগপুর গ্রামের শহিদের বাড়িতে বেড়াতে  এসেছে বলে শহিদের পরিবার জানান। 
গুলবাগপুর গ্রামে আসার পর থেকেই জুল হোসেন মারাত্মক অসুস্থ, যার আলামত দেখে জুল হোসেন এর করোনা পজেটিভ বলে এলাকায় চাউর হচ্ছে। 
শহিদের বাড়ি সুত্রে বলা হচ্ছে  জুল হোসেন মারাত্মক আকারের কিডনি রোগে ভুকছে, তার কোন করোনা হয়নি। কিন্তু এলাকাবাসী দ্রুত তাকে পরীক্ষার মাধ্যমে গ্রামবাসীর স্বাস্থ্য ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কতৃপক্ষের আশুদৃষ্টি কামনা করেছেন । 

অভয়নগরে করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে!

অভয়নগরে করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে!




মোঃ দেলোয়ার হোসেন , অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : 

অভয়নগরে দিনদিন বেড়েই চলেছে প্রাণঘাতী করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা। চরম ভীতি ও করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে জনগণের মাঝে। গত ২৪ঘন্টায় নওয়াপাড়া পৌর আওয়ামীলীগনেতা, ব্যাংকারসহ ৪জনের শরীরে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট মিলেছে। রোববার বিকাল পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে-২০-এ। এর মধ্যে করোনার নমুনায় পজিটিভ রিপোর্ট নিয়ে নওয়াপাড়ার একজন শিল্পপতির মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তর। সূত্র জানায়, ঈদের আগে লকডাউন চলাকালে করোনায় আক্রান্ত হন ৬জন রোগী। ঈদের পর লকডাউন শিথিলের পর আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪তে। সব মিলিয়ে উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০-এ। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৫জন করোনাকে জয় করে বাড়িতে ফিরেছেন। ৮জন হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, করোনা পজিটিভ নিয়ে নওয়াপাড়ার একজন শিল্পপতির মৃত্যু হয়েছে। আর বাকি ৬জন বাড়ির হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে চিকিৎসাসেবা নিয়ে চলেছেন। এদিকে উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা দিনদিন বেড়ে যাওয়ায় জনগণের মাঝে চরম ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এসএম মাহমুদুর রহমান রিজভী জানান, উপজেলায় বসবাসরত জনগণ সরকারি স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দিনদিন বেড়েই চলেছে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা। আগামীতে কী হয় বলতে পারছি না। 


বাংলাদেশের একমাত্র ঝিনাইদহ জেলায় লকডাউন মুক্ত

বাংলাদেশের একমাত্র ঝিনাইদহ জেলায় লকডাউন মুক্ত


 


খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 



বাংলাদেশের একমাত্র ঝিনাইদহ জেলায় লকডাউন নেই
লকডাউন মুক্ত হিসাবে দেশের একমাত্র জেলা হিসাবে ঝিনাইদহ জেলাকে ঘোষনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশে কেবলমাত্র ঝিনাইদহ জেলায় লকডাউন নেই। ইতিপূর্বে কখনোই জেলা বা জেলার কোন উপজেলা লকডাউন ছিল না।  

ঝিনাইদহ জেলায় ৬টি উপজেলা রয়েছে। এখানকার জনসংখ্যা প্রায় ১৭ লাখ। জেলায় আজ রবিবার নতুন করে একজন করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫জন তবে তাদের সবার রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ এসেছে। জেলায় এপর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২শ ৫০ জনের মতো।

ঝিনাইদহ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের করোনা সেলের মুখপাত্র ডা: প্রসেঞ্জিৎ বিশ্বাস জানান, যেহেতু ইতিপূর্বে ঝিনাইদহ লকডাউন ছিল না এবং সুস্থ্যতার হার বেশী, এসব বিবেচনায় নতুন করে একমাত্র জেলা হিসাবে ঝিনাইদহ কে লকডাউন মুক্ত রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের আধিক্য বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধি ও আইনি পদক্ষেপ।

ঝিনাইদহের মৃত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে একাধিক চালের কার্ড

ঝিনাইদহের মৃত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে একাধিক চালের কার্ড





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, 


লাইলী বেগম মারা গেছেন ১০/১২ বছর আগে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের স্ত্রী তিনি। অথচ এই মৃত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র (৪৪১১৯৫২০৯০৪৯৫) ব্যবহার করে মধুহাটী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের একাধিক ব্যাক্তি ১০ টাকা কেজি দরের চাল উত্তোলন করছেন। মুসলিম জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে হিন্দু ও হিন্দু ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে মুসলমানদের তালিকা করা হয়েছে। এক গ্রামের জাতীয় পরিচয়পত্র অন্য গ্রামে ব্যবহার করা হয়েছে। নারীর আইডি দিয়ে পুরুষ আর পুরষের আইডি ব্যবহার করে নারীর চালের কার্ড বানানো হয়েছে। এ ভাবে ওই ইউনিয়নে ১০/১২ জনের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অর্ধশত ব্যক্তির চালের কার্ড করা হয়েছে। চেয়ারম্যান, কতিপয় মেম্বর ও দুই ডিলার বছরের পর বছর ধরে জাল জোচ্চুরির মাধ্যমে গরীব মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত এই চাল নামে বেনামে তুলে নিচ্ছেন। ইউনিয়নের দুই ডিলার নয়ন ও ইন্তা ওজনেও কম দিচ্ছেন বলে উপকারভোগীরা অভিযোগ করেন। সুনিদ্দিষ্ট লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন তদন্ত করে এই দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র পাওয়া গেছে। এদিকে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর মধুহাটী ইউনিয়নের কুবিরখালী গ্রামের রফিকুল ইসলাম নুরুল ইসলাম ও দুর্গাপুর গ্রামের বদর উদ্দীন লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর চালের কার্ড হারানার গন জিডি করা হয়েছে ঝিনাইদহ সদর থানায়। দুর্নীতি, অপকর্ম ও একজনের চাল অন্যজন তুলে নেওয়ার তথ্য আড়াল করার জন্য এই জিডি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত অভিযোগ তদন্তে রোববার মধুহাটী ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি অভিযোগকারীদের বক্তব্য রেকর্ড করেন। অনেকেই তার কাছে চাল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন। তবে মধুহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক আহম্মেদ জুয়েল বলেছেন, ১২৪১টি তালিকা করতে গিয়ে কম্পিউটারে টাইপিং মিসিং হতে পারে। এ গুলো সংশোধন করে বাদ দেওয়া হয়েছে। সরেজমিন তদন্ত করে জানা গেছে, ১০/১২ আগে মারা যাওয়া মৃত লাইলী বেগমের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে গোপালপুরের আব্দুলের ছেলে আমিরুল, একই গ্রামের রুহুল আমিনের স্ত্রী রেশমা খাতুন, আইয়ুব হোসেনের ছেলে মিন্টু মিয়া, মির্জাপুর গ্রামের ইসমাইলের ছেলে আক্তার হোসেন, নওদাপাড়া গ্রামের বিশারতের ছেলে মোশারেফ, বদর উদ্দীনের ছেলে নুর ইসলাম, কুবির খালী গ্রামের বুদোই মন্ডলের ছেলে কলিম উদ্দীন, একই গ্রামের জাবেদ আলীর স্ত্রী শাহেদা বেগম, ওয়াড়িয়া গ্রামের হালদারের ছেলে সম্ভু হালদার ও একই গ্রামের বদরের ছেলে বাবলুসহ একাধিক ব্যাক্তির নামে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির ১০ টাকা কেজি দরের চালের কার্ড হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সার্ভয়ারে লাইলী বেগমকে মৃত দেখানো আছে। তার জন্ম সাল ১৯৪০। এদিকে মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যাবহার করে চাল পাচ্ছেন লাইলী বেগমের ছেলে আবুল হোসেন আবুও। আবুলের নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলেও তা নেওয়া হয়নি। লাইলী বেগমের পরিবার একজন মৃত মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একাধিক ব্যাক্তির নামে চাল তোলার খবরটি শুনে বিস্মিত হন। মৃত লাইলী বেগমের পুত্রবধু আকলিমা খাতুন ও পোতা ছেলে আল আমিনের ভাষ্য এই অন্যায় কাজ যারা করেছে তাদের শাস্তি হোক। গোপালপুর গ্রামের শুধু মৃত লাইলী বেগমই নন ওই গ্রামের দত্তপাড়ার শচিন্দ্র নাথ দত্তের ছেলে অশোক কুমার দত্ত তিন বছর ধরে ঢাকার গাজীপুর চান্দুরা এলাকায় থাকেন। তার নামে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির চালের কার্ডও রয়েছে। তিনি এই কার্ডে চাল উত্তোলন না করলেও প্রতি মাসে তার নামের চাল কে বা কারা তুলে নিচ্ছে। অথচ অভাবের তাড়নায় দুই ছেলে অসিম ও নয়নকে নিয়ে অশোক দত্ত ঢাকায় চলে গেছেন। লেখাপড়া ছেড়ে তার দুই ছেলে এখন গার্মেন্টস কর্মী। মুঠোফোন কথা বলতে গিয়ে আশোক ও তার স্ত্রী শিখা রানী দত্ত কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তারা বলেন, চরম অভাবের তাড়নায় দুমুঠো ভাতের জন্য আমরা গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় এসেছি। অথচ আমাদের নামে কে বা কারা চাল তুলে খাচ্ছে আমরা নিজেরাও জানি না। অশোক দত্ত জানান, ২/৩ বছর আগে প্রতিবেশি চিত্ত দত্তের ছেলে বিপুল তার চালের কার্ড করে দিবেন বলে ছবি নেন। তার নামে কার্ড হলেও তিনি প্রতি মাসের ৩০ কেজি খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির চাল পাচ্ছেন না বলে জানান অশোক। গ্রামে গিয়ে দেখা যায় অশোকের ফ্লাট বাড়িটি অযত্নে পড়ে আছে। নিজের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সব কিছু বিক্রি করলেও অবশিষ্ট ওই বাড়িটুকু আছে বলে স্ত্রী শিখা রানী দত্ত জানান। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, অশোকের জাতীয় পরিচয়পত্র (৪৪১১৯৫২১৯২৯৩৪) ব্যাবহার করে তার ছোট ভাই তপন দত্ত ও বোন জোছনা রানীসহ চোরকোল গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রমজান আলী, একই গ্রামের এজের আলীর ছেলে দশর আলী এবং মামুনশিয়া গ্রামের ইউসুফের ছেলে তক্কেল ও একই গ্রামের ইসরাফিলের স্ত্রী আকলিমা ১০ টাকা কেজি দরের চালের কার্ড হয়েছে। এছাড়া গোপালপুর গ্রামের মোজাম্মেল হকের স্ত্রী ফাতেমা বেগমের জাতীয় পরিচয়পত্র (৪৪১১৯৫২১৯১৯২২) ব্যবহার করে ওয়াড়িয়া গ্রামের এজের আলীর ছেলে তাইজেল, চোরকোল গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে বিপুল, আকবর আলীর ছেলে বরকত আলী, পানি মুন্সির ছেলে আরজান, নওদাপাড়া গ্রামের আহম্মেদ মন্ডলের স্ত্রী জাহেদা খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র (৪৪১১৯৫২১৯২৭৮১) ব্যবহার করে চোরকোল গ্রামের জামায়াত আলীর ছেলে রইচ, একই গ্রামের গোলক কুমারের ছেলে শ্রী বিমল কুমার, গোপালপুরের আব্বাসের ছেলে আইয়ূব, মাহাতাবের ছেলে ডালিম, গোপালপুরের আইয়ুব আলীর ছেলে মনিরুলের জাতীয় পরিচয়পত্র (৪৪১১৯৫২১৯২২৮৯) ব্যবহার করে সুধীর কুমারের ছেলে তপন কর্মকার, গোপালপুরের আনারুদ্দীনের ছেলে গাজিরুদ্দীন, নওদাপাড়ার সেকেল আলীর ছেলে শফি মুন্সি, একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে লিখন ও কুবির খালী গ্রামের মসলেমের ছেলে মোশাররফ। গোপালপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে সজিবরের জাতীয় পরিচয়পত্র (৪৪১১৯৫২১৯২৯৯৯) ব্যবহার করে ৪ জন, মনিরুদ্দীন মোল্লার ছেলে সাহেব আলীর জাতীয় পরিচয়পত্র (৪৪১১৯৫২১৯১৯৯৯) ব্যবহার করে ৪ জন, আব্বাস মন্ডলের ছেলে আইয়ুব হোসেনের

যুক্তরাষ্ট্রস্থ মাধবপুর ফাউন্ডেশন ইউ এসএ ইনক উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ,

যুক্তরাষ্ট্রস্থ মাধবপুর ফাউন্ডেশন ইউ এসএ ইনক উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ,




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

আর্ত-মানবতার সেবায় আমরা সর্বদা নিয়োজিত, স্লোগানকে বুকে ধারন করে
করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে যুক্তরাষ্ট্রস্থ মাধবপুর ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনক উদ্যোগে

করোনায় কর্মহীন ও দুর্গত পরিবারের মাঝে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ১ শত করে ১১শো প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
ইতিমধ্যে আজ (৭ই জুন) রবিবার দুপুরে উপজেলার ধর্মঘর চৌমুহনী,বহরা ৩ টি

 ইউনিয়নে করোনায় কর্মহীন দুর্গত প্রতিটি ইউনিয়নে ১০০ করে ৩০০ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে,এসব খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেটে ছিল ১০ কেজি চাল, ৫ শ গ্রাম সোয়াবিন তেল ১ কেজি ডাল সাবান ১টা।

ধর্মঘর,চৌমুহনী,বহরা ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, মাধবপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ধর্মঘর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আব্দুর নুর, ধর্মঘর ইউপির বর্তমান

 চেয়ারম্যান সামছুল ইসলাম (কামাল) চৌমুহনী ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ আপন মিয়া, মাধবপুর ফাউন্ডেশন ইউ এসএ ইনক পক্ষে সঞ্চালনা করেন ধর্মঘর ইউনিয়নের বীরসিংহ পাড়া গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ ইফতেখার আহমেদ

 (বোষ্টার) সাবেক ছাত্রনেতা মাজহারুল ইসলাম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আব্দুল মালেক প্রমুখ।

ঝিনাইদহ মহেশপুরে করোনার মধ্যেও বাল্য বিয়ের হিড়িক, প্রশাসন নিরব

ঝিনাইদহ মহেশপুরে করোনার মধ্যেও  বাল্য বিয়ের হিড়িক, প্রশাসন নিরব






খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 



 করোনা ভাইরাসে লকডাউনের মধ্যেও মহেশপুর উপজেলার আনাচে কানাচে অহরহ ঘটছে বাল্যবিয়ে। উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় করোনা ভাইরাসের মধ্যে একাধিক বাল্য বিয়ে সংঘঠিত হয়েছে। এসব বাল্য বিয়ে দেওয়ার পূর্বে প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও তারা নিরব ভূমিকা পালন করছেন।

প্রাপ্ত সূত্রে প্রকাশ, উপজেলার ফতেপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া রিতা খাতুন(১৪)কে গত ১লা মে জীবননগর থানার বকুন্ডিয়া গ্রামের সোহাগের সাথে বিয়ে দেয়, অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী বর্ষা খাতুন(১৩) পিতা শরিফুল ইসলাম ফতেপুর নানা আমির শেখের বাড়িতে থেকে লেখপড়া করতো গত ২রা জুন তাকে বিয়ে দেয়, ২রা এপ্রিল বাবলা মাথাাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে শারমিন আক্তার(১৫) কে বাল্য বিয়ে দেয়, ১৮ই মে কানাইডাঙ্গা গ্রামের বীথি খাতুন(১৩) কে বালা বিয়ে দেয়, ২৮শে মার্চ গোপালপুর গ্রামের আমিনুরের মেয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া বৃষ্টি খাতুন(১৪) বাল্য বিয়ে দেয়, ৩০শে মে কানাইডাঙ্গা গ্রামের মোংলার ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়েকে বাল্য বিয়ে দেয়। এছাড়া পান্তাপাড়া ইউনিয়নে ৩টি স্বরুপপুর ইউনিয়নে ৪টি, শ্যাকুড় ইউনিয়নে ৩টি, নেপা ইউনিয়নে ২টি ও কাজীরবেড় ইউনিয়নে ২টি, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে ৩টি, যাদবপুর ইউনিয়নে ৩টি, নাটিমা ইউনিয়নে ২টি, মান্দাবাড়িয়া ইউনিয়নে ৩টি, আজমপুর ইউনিয়নে ২টি এবং মহেশপুর পৌরসভ ৫টি বাল্য বিয়ে সংঘটিত হয়েছে। সকল বিয়েই ৫ম থেকে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীদের, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রেজিষ্টার অনুযায়ী এদের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছর হলেও ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত জন্ম সনদে তাদের বয়স দেখানো হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ বছর।

স্থানীয়রা জানান, কাজীরা সরকারের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে এসব বাল্য বিয়ে পড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক বাল্য বিয়ে পড়ানোর অভিযোগ দেয়া হলেও প্রশাসন এ ব্যপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। সরকারের আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অবাধে বাল্য বিয়ে হওয়াতে একদিকে যেমন স্কুল-মাদরাসা থেকে ঝড়ে পড়ছে শিক্ষার্থী অন্যদিকে বাল্য বিয়ের বহু কুফল পরিলক্ষিত হচ্ছে সর্বত্র। অপরিনত বয়সে বিয়ের কারনে সু-স্বাস্থ্য, উচ্চ শিক্ষা পরিপূর্ণ সংসার গঠন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক মেয়েরাই। ফলে সরকারের লক্ষ উদ্দ্যেশ্য ব্যহত হচ্ছে। বিয়ের পর স্বামীসহ শশুরালয়ের লোকজনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারায় তালাক প্রাপ্ত হচ্ছে অনেকেই।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পারিনি।

যশোরের শার্শায় ৩৮ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করেছে পুলিশ

যশোরের শার্শায় ৩৮ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করেছে পুলিশ




তুহিন হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:
যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে  পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।


রবিবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার বাগআঁচড়া বাজার এলাকা থেকে এ ফেনসিডিল উদ্ধার করে বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ।


পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার যশোর মহোদয়ের নির্দেশে মাদক মুক্ত যশোর গঠনের লক্ষ্যে এএসপি নাভারন সার্কেল ও অফিসার ইন-চার্জ শার্শা থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এএসআই(নিঃ)/ আকবর হোসেন অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।


বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ উত্তম কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুতে ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের শোক প্রকাশ

আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুতে ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের শোক প্রকাশ




মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ 

মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতার মৃত্যুতে ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রলীগ পরিবারের শোক প্রকাশ।

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ ফরহাদ হোসেনের পিতা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ব্রেন স্ট্রোকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। আজ রবিবার সকাল সাড়ে সাত ঘটিকার সময় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুতে ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রলীগ পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হাবিব শিপলু ও সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন।

আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন

আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন



নিউজ ডেস্কঃ  
ঐতিহাসিক ৭ জুন গনতন্ত্রকামী বাঙালী মুক্তির সনদ ৬ দফা আন্দোলন।
  মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার অক্ষুন্ন রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ই জুনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার অক্ষুন্ন রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।

৭ জুন ঐতিহাসিক ছয়দফা দিবস উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে ৭ই জুনের শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “ইনশাআল্লাহ্, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে হবে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ। ”

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে স্বাধীনতা সুফল পৌঁছে দিতে কাজ করছি। 

গত সাড়ে ১০ বছরে আমরা দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছি। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। সম্প্রতি আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি।’

বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ই জুন এক অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ৬-দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৭ই জুন নতুন মাত্রা পায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফা আদায়ের লক্ষ্যে এদিন আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার ওপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে। এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহিদ হন।

আজকের এই দিনে তিনি ঐতিহাসিক ৭ই জুনসহ স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, পাকিস্তানি শাসন-শোষণ বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি নবাবজাদা নসরুল্লাহ খানের নেতৃত্বে লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা বিরোধী দলীয় এক জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করলে জাতির পিতা ১৯৬৬ সালের ৫ফেব্রুয়ারি সেখানে ঐতিহাসিক ৬-দফা প্রস্তাব পেশ করেন।

১১ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু ৬-দফার পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান শুরু করেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার জনমানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ৬-দফার প্রতি সমর্থন জানায়। ৬-দফা হয়ে উঠে দেশের শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের মুক্তির সনদ।

শেখ হাসিনা বলেন, ৬-দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার ৬-দফার রূপকার বঙ্গবন্ধুকে ৮ মে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৬-দফার প্রতি বাঙালির অকুন্ঠ সমর্থনে রচিত হয় স্বাধীনতার রূপরেখা। জাতির পিতার ২৩ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু 
জয় জয়ন্ত শেখ হাসিনার জয় হোক,

হবিগঞ্জ জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে

হবিগঞ্জ জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হবিগঞ্জ জেলাকে সম্পূর্ণ লকডাউন (রেড জোন)  ঘোষণা করা হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রোববার (৭ মে) সকাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতর এই লকডাউন কার্যকরের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। এর আগে শনিবার (৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা তথ্য সম্পর্কিত ওয়েবসাইট এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তালিকায় দেখানো হয়েছে হবিগঞ্জ জেলাকে রেড জোনের আওতাভুক্ত করে পুরোপুরি লকডাউন।

উল্লেখ্য- এই পর্যন্ত হবিগঞ্জ জেলায় ২০৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১২১ জন। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলায় ১ শিশুসহ দুইজন করোনায় মারা গেছেন।

দিনাজপুরে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা

দিনাজপুরে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা




দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন চত্বরে শহর  ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এ সময় দিনাজপুর সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  মোঃ ইমদাদ সরকার ও সাধারন সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চনের নেতৃত্বে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করেন দিনাজপুর শহর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শহর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রায়হান কবীর সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক এস এম খালেকুজ্জামান রাজু নেতৃত্বে শহর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. নুরুজ্জামান জাহানী, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাতলুবুল মামুন, মমিনুল ইসলাম, সংগঠনিক সম্পাদক মানিক রঞ্জন বসাক, দপ্তর সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি দেবাশিষ ভট্টাচার্য, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহির খান, শহর আওয়ামীলীগের সংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. শামীম আলম বাবু, এনাম উল্লাহ জেমী, আশরাফ আলী শাহ, প্রচার সম্পাদক মাসুদ রানা, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক কোরায়শী দুলাল, আইনজীবী শাহাজাদা প্রমুখ।

ঘোড়াঘাটে ক্ষুরা ও পিপিআর রোগ নির্মুল ও নিয়ন্ত্রনের লক্ষে দিন ব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে ক্ষুরা ও পিপিআর রোগ নির্মুল ও নিয়ন্ত্রনের লক্ষে দিন ব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত




দিনাজপুরী প্রতিনিধিঃ  দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে ও এল ডি ডি পি প্রকল্পের আয়োতায় ক্ষুরা ও পিপিআর রোগ নির্মুল ও নিয়ন্তনের লক্ষ্যে দিন ব্যাপী সেচ্ছা সেবী ভ্যাকসিনেটরদের প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১০ টায় উপজেলা  পরিষদ হল রুমে দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
 প্রশিক্ষণ কর্মশালা উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে ও ভেটেরিনারি সার্জন রুমানা আক্তার রুমির পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শাহিনুর আলম। 
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঘোড়াঘাট নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম ও জেলা অতিরিক্ত প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আশিক আকবর। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে একটি করে বাই সাইকেল বিতরণ করা হয়।

বীরগঞ্জে চলাচলে রাস্তার দাবিতেঅবরুদ্ধ পরিবার ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন মানববন্ধন

বীরগঞ্জে চলাচলে রাস্তার দাবিতেঅবরুদ্ধ পরিবার ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন মানববন্ধন




দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥-দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের ঝাড়বাড়ীর প্রসাদপাড়ায় রাস্তার দাবিতে অবরুদ্ধ পরিবার ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১০টায় ঘন্টাব্যাপি উপজেলার ঝাড়বাড়ীর প্রসাদপাড়া সরকারি রাস্তা বন্ধ করার ফলে ২০ হিন্দু পরিবার সহ অবরুদ্ধ হয়ে পড়া ৫০ পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধন শেষে ঝাড়বাড়ী ভূমি অফিসের সামনের রাস্তা ৩০ মিনিট অবরোধ করেন অবরুদ্ধ পরিবার ও এলাকাবাসীরা। সম্প্রতি উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের প্রসাদপাড়া গ্রামের শতবছরের যান চলাচলের সরকারি রাস্তা হঠাৎ করে পশ্চিমংশে বন্ধ করে দেয় মৃত বানুয়া বর্মনের ছেলে মহাদেব বর্মন। ফলে ৫০ পরিবার সহ এলকাবাসীর ব্যবহৃত চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যায়। শ্রীমতি শেফালী সাহা বলেন, রাস্তা বন্ধ হওয়ার কারণে আমাদের সন্তানরা এক কিলোমিটার ঘুরে স্কুলে যেতে হয় এবং পাশে মন্দির আছে সেখানেও আমরা অনেক রাস্তা ঘুরে যেতে হচ্ছে। শ্রী জগদিশ রায় বলেন, আমি একজন ভ্যান চালক রাস্তা বন্ধ হওয়ার কারণে আমার ভ্যানটি আর বাড়িতে ঢুকাতে পারি না এখন অন্য মানুষের বাড়িতে রাখতে হয় ভ্যান। আমার জন্ম থেকেই এই সরকারি রাস্তা দেখে আসতেছি অথচ হঠাৎ করেই রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হলো। মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমাদের শত বছরের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে, আমরা ৫০ থেকে ৬০টি পরিবার অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। হাট বাজারে করতে পারতেছিনা এবং  একদম কোন রকম বের হওয়ার মতো চৌরাস্তা নেই। নিরুপায় হয়ে আজকে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। আমরা অবরুদ্ধ পরিবারগুলো প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। শতগ্রাম ইউনিয়নের আমল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ধনেশ রায় বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকেই এই রাস্তা দেখে আসতেছি, ওখানকার জনগণের স্বার্থে রাস্তা খুব প্রয়োজন আমি মনে করি ওখানকার যাতায়াতের রাস্তা জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। শতগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কে এম কুতুব উদ্দিন বলেন, আমি জন্মসূত্রেই দেখে আসতেছি এটাই ছিল প্রসাদপাড়ার প্রথম যোগাযোগের রাস্তা, রাস্তাটি বন্ধ হওয়ার কারণে ৫০ থেকে ৬০ টি পরিবার বের হওয়ার কোনো পথ নাই। ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র প্রসাদপাড়া হওয়ার কারণে এই রাস্তাটি সবচেয়ে এখন গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওখানে গেলে, মহিলা নিয়ে আসে। তাদের উচ্চবাচ্য হয়, মারামারি করতে চায়, আমরা তো ওখানে গিয়ে মারামারি করতে পারিনা এবং ফোর্স এপ্লাই করতে পারিনা, এটা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সম্ভব। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। এদিকে বন্ধ রাস্তার ছবি তুলতে গিলে মহাদেব, ভুট্টু সহ তাদের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের অশ্লীল ভাষায় গালাগাল সহ ক্যামরা ভাংচুরের চেষ্টা করেন।

পরিবেশ দিবসে জবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ভার্চুয়াল সেমিনার অনুষ্ঠিত

পরিবেশ দিবসে জবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ভার্চুয়াল সেমিনার অনুষ্ঠিত





জবি প্রতিনিধিঃ বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) এর ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের উদ্যোগে ‘’পোস্ট কোভিড-১৯: নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার, ইনভাইরোমেন্ট, এন্ড ডেভোলপমেন্ট’’ শীর্ষক একটি ভার্চুয়াল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯ টায় সেমিনারটি শুরু হয়। এবছর বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দিবসের স্লোগান ছিল It’s Time for Nature. অর্থাৎ প্রকৃতিকে বাঁচানোর এখনই সময় (বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর)। উক্ত স্লোগানের সাথে করোনা মাহামারী বিষয়টি অর্ন্তভুক্ত করে এবারের সেমিনারের বিষয়বস্তু ঠিক করা হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.মীজানুর রহমান। 


সেমিনারে 'টাইম ফর ন্যাচার উইথ ভাইরাস' শীর্ষক মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এস দারা শামসুদ্দীন। মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, আমার মানুষ প্রকৃতির ছোট একটা পার্ট যারা ইকোলজিক্যাল পিরামিডের উপর বসে আছি। এই ধরত্রীর জীববৈচিত্র্য আমাদের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি সাধন হচ্ছে। প্রকৃতির উপর আমাদের র্নিভরতা বা অত্যাচার না কমালে মহামারীসহ এরূপ সমস্যা আরও আসবে। তবে এখন এই লকডাউনে কিছুটা পুষিয়ে নিচ্ছে। যদিও নেচারকে সময় দিলে সে নিজেই ঠিক করে নেয়। পোস্ট কোভিড-১৯ সিচুয়েশনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশ বান্ধব প্রজন্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। 


সেমিনারে বিশেষ বক্তা হিসেবে ’পোস্ট কোভিড-১৯: নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার' বিষয়ে বক্তব্য রাখেন দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইকোনোমিক্স এর অধীন ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক ড.অঞ্জন সেন। করোনা পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থাপনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক সমীক্ষা উপস্থাপন করে বলেন, করোনা পরবর্তীতে বিশ্বব্যস্থাপনা পাওয়ার অব ব্যালেন্স শিফট হবে। তা পশ্চিম থেকে র্পূব দিকে স্থানাস্তরিত হবে। পাশাপাশি দ্বন্ধ-সংঘাতও বাড়বে। 


প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, 'কোভিড-১৯ পরবর্তী পৃথিবীতে মানবজাতিকে আরও সহনসীলভাবে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে হবে । আমাদের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখবে অভ্যন্তরীন বাজারে সক্রিয় বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত প্রায় ৬ কোটি মানুষ, যা অনেক দেশের মোট লোক সংখ্যার চেয়ে বেশি।'



সমাপনী বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান পরিবেশের সাথে মানুষের পারস্পারিক নির্ভরশীলতার উপর জোর দিয়ে বলেন, পরিবেশের ক্ষতি করে মানুষ ভালভাবে বাঁচতে পারবে না। কোভিড-১৯ পরবর্তী দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে বাংলাদেশের কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাহস ও শক্তিই আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখবে। বিগত বিভিন্ন দুর্যোগে আমাদের সে অভিজ্ঞতা রয়েছে।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মাদ আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় সেমিনারে আলোচক হিসেবে আরও সংযুক্ত ছিলেন ইউএনডিপি এর এ্যাসিস্টেন্ট কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব মো. খোরশেদ আলম এবং বাংলাদেশ ভূগোল সোসাইটির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন প্রমুখ।

Live Programme Link: https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10157838990779145&id=530584144

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে দিনাজপুরে করোনা দূর্যোগকালিন সেচ্ছাসেবক টিমের দিনাজপুরের র‌্যালী অনুষ্ঠিত

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে দিনাজপুরে  করোনা দূর্যোগকালিন সেচ্ছাসেবক  টিমের দিনাজপুরের র‌্যালী অনুষ্ঠিত




প্রতিনিধি দিনাজপুর : মাক্স পড়ন- শাররীক দুরুত্ব বজায় রাখুন ও ঘন ঘন হাত ধৌত করুন শ্লোগান নিয়ে দিনাজপুর শহরে র‌্যালী করেছে করোনা দূর্যোগকালিন সেচ্ছাসেবক টিম দিনাজপুর ।
রবিবার সকালে করোনা দূর্যোগকালিন সেচ্ছাসেবক টিম দিনাজপুরের উদ্দ্যোগে প্রেসক্লাবের সন্মুখ হতে একটি র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে আবারো পূর্বের জায়গায় এসে র‌্যালী শেষ। র‌্যালীটি শহরের সড়ক প্রদিক্ষনকালে মাইকে ঘন ঘন হাত ধৌত করুন-শাররীক দুরুত্ব বজায় রাখুনসহ জনসচেতনতামুলক বিভিন্ন শ্লোগান প্রচার করা হয়। 
করোনার ভয়াবহ পরিস্থতি মোকাবেলায় দেশের সবাইকে স্ব-উদ্দ্যোগে দায়িত্ব পালনের আহবান জানিয়ে করোনা দূর্যোগকালিন সেচ্ছাসেবক টিম দিনাজপুর কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হাসান মানিক বলেন,আসুন সচেতন হই নিজে বাঁচি অপরকে বাঁচতে সহায়তা করি। 
তিনি আরো বলেন,অযথা ঘোরাঘুরি না করে বাড়িতেই অবস্থান করি এবং সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি নিজেও বাঁচি এবং দেশের মানুষকেও বাঁচতে সহায়তা করি। 
আয়োজিত র‌্যালীতে অংশগ্রহন করেন, করোনা দূর্যোগকালিন সেচ্ছাসেবক টিম দিনাজপুরের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড.মেহেরুল ইসলাম,সদস্য সচিব রেজাউর রহমান রেজু,বদিউজ্জামান বাদলসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেয়।

দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

  দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার



নিউজ ডেস্কঃ 
 দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের আধিক্য বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধি ও আইনি পদক্ষেপ।
সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ কথা জানানোর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি।
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে শনিবার (৬ জুন) সর্বশেষ আপডেট করা তালিকায় বরিশাল বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে বরগুনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরকে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন ভোলা ও ঝালকাঠি।
চট্টগ্রাম বিভাগে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীকে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি।
ঢাকা বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও টাঙ্গাইলকে। এই বিভাগে শুধু ঢাকা ও ফরিদপুর আংশিক লকডাউন।
খুলনা বিভাগের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা, মেহেরপুর, নড়াইল ও সাতক্ষীরাকে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন বলা হচ্ছে বাগেরহাট, কুষ্টিয়া ও মাগুরাকে। খুলনা বিভাগেই দেশের একমাত্র গ্রিন জোন চিহ্নিত জেলা ঝিনাইদহ, অর্থাৎ এটি লকডাউন নয়।
রাজশাহী বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহীকে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ।
#রংপুর_বিভাগের_আটটি_জেলাকেই_পুরোপুরি_লকডাউন_বলা_হচ্ছে। জেলাগুলো হলো- দিনাজপুর, #গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রংপুর ও ঠাকুরগাঁও।
সিলেট বিভাগের সব ক’টি জেলাকেই বলা হচ্ছে পুরোপুরি লকডাউন। বিভাগের জেলাগুলো হলো- হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।
ময়মনসিংহ বিভাগেরও সব ক’টি জেলাকে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে। এ চারটি জেলা হলো জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুর।
এখন পর্যন্ত পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) হিসেবে ঢাকার কোনো এলাকাকে দেখানো হচ্ছে না।
মহানগরীর আংশিক লকডাউন বলে চিহ্নিত ৩৮টি এলাকা হলো- আদাবর, থানা, উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, ওয়ারী, কদমতলী, কলাবাগান, কাফরুল, কামরাঙ্গীরচর, কোতয়ালী, খিলক্ষেত, গুলশান, গেন্ডারিয়া, চকবাজার, ডেমরা, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, দক্ষিণখান, দারুসসালাম, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, পল্টন মডেল, পল্লবী, বংশাল, বাড্ডা, বিমানবন্দর, ভাটারা, মিরপুর মডেল, মুগদা, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, রমনা মডেল, লালবাগ, শাহআলী, শাহজাহানপুর, শেরেবাংলা নগর, সবুজবাগ, সুত্রাপুর ও হাজারীবাগ থানা এলাকা।
আর লকডাউন নয় বলে চিহ্নিত ১১টি এলাকা হলো- উত্তরখান থানা, ক্যান্টনমেন্ট থানা, খিলগাঁও, তুরাগ, বনানী, ভাষানটেক, মতিঝিল, রামপুরা, রূপনগর, শাহবাগ ও শ্যামপুর থানা এলাকা।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, আজ রোববার (৭ জুন) থেকেই কিছু জায়গায় জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হচ্ছে।

অগ্রনী কো- অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড এর পক্ষে খাদ্য সহায়তা প্রদান

অগ্রনী কো- অপারেটিভ ক্রেডিট  ইউনিয়ন লিমিটেড এর পক্ষে খাদ্য সহায়তা প্রদান




মোঃএরশাদ হোসেন রনি,মোংলা   
করোনার কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া ১২০পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন অগ্রনী কো- অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড।
    
৭ ই জুন রবিবার সকাল ১১ টায় মোংলা উপজেলার  চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বসে প্রদান করা হয় এ খাদ্য সহায়তা।
খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন জনাব পীযুষ কান্তি মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি নয়ন কুমার রাজবংশী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জনাব মোঃ নাহিদুজ্জামান নাহিদ,  চাদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তরিকুল ইসলাম,সমবায় অফিসার জনাব মোস্তফা কামাল।  

খাদ্য সহায়তা প্রদানের অনুস্ঠানে বক্তারা বলেন সরকারী নির্দেশনা মেনে আপনারা চলাফেরা করবেন।বাইরে বের হলে অবশ্যই মাক্স ব্যাবহার করবেন।মোংলার বাইরে থেকে কেউ আসলে অবশ্যই তাকে কোয়ারান্টাইন এ রাখবেন।আতংকিত না হয়ে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন বক্তারা।            

১২০ পরিবারের পরিবার এর মাধে খাদ্য সামগ্রী হিসাবে প্রদান করা হয় চাল ৮কেজি,আলু ২কেজি,ডাল৫০০গ্রাম ও সাবান একটি।

মিষ্টির কার্টুনের ওজন ২৫০ গ্রাম হওয়ায় ৭ হাজার টাকা মোবাইল কোর্টের জরিমানা

মিষ্টির কার্টুনের ওজন ২৫০ গ্রাম হওয়ায় ৭ হাজার টাকা মোবাইল কোর্টের জরিমানা



এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক  হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনের নির্দেশনায় নবীনগর  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম
 নবীনগর উপজেলার শিবপুর বাজারে শনিবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০বা০৯ মোতাবেক অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় শিবপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান  শাহিন সরকারের উপস্হিতিথে হাজী সুইটস দোকানে সত্বাধিকারী মোঃ এমদাদুল হক কে নগদ ৭০০০ হাজার অর্থ দন্ড প্রদান করেন এই  দোকানিকে চলতি বৎসরে  এনিয়ে দুই বার মোবাইল কোট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা কালে মিষ্টির কার্টুনের উজন ২৫০ গ্রাম হওয়ায  অবৈধভাবে  সংরক্ষণ ওজনে মাল কম দেওয়ার অপরাধে দোকান মালিক সত্ত্বাধিকারী মোঃ এমদাদুল হক কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০বা০৯ এর ৪৫ ধারায়  ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার


 

মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার।
জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে রৌমারী থেকে একটি নৌকা যাত্রাপুর যাওয়ার সময় উলিপুর এলাকার অন্ততপুর পৌঁছেলে হঠাৎ বজ্রপাতে নৌকার মাঝি নদী পড়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজার পর মেলেনি তার খোঁজ। রবিবার সকালে চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ মাঝিপাড়া এলাকায় একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করে থানা পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে নিখোঁজ সেই মাঝির পরিবার উপস্থিত হন এবং তার চাচা লাশটি সনাক্ত করেন। উদ্ধার হওয়া নিহত যুবক কুড়িগ্রাম যাত্রাপুর এলাকার আবুবক্কর সিদ্দিক এর ছেলে মফিজুল হক (২২)। সে দীর্ঘদিন থেকে নৌকা চালাত। ঘটনার সত্যত্বা স্বীকার করে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন লাশ উদ্ধার করা হয়েছে আইনি প্রকৃয়া শেষে পরিবারের কাছ হস্তান্তর করা হবে।

ঝিনাইদহে নাবালিকা ধর্ষণ, অন্ত- সত্তা হয়ে পড়ায় হত্যার হুমকি, থানায় মামলা

ঝিনাইদহে নাবালিকা ধর্ষণ, অন্ত- সত্তা হয়ে পড়ায় হত্যার হুমকি, থানায় মামলা





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 



ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লক্ষীকোল গ্রামের মোঃ বারেক আলীর ছেলে জান্নাত আলী (৩০) এর নামে, চেতনানাশক স্প্রে মুখে দিয়ে তারই বাসার ভাড়াটিয়ার নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনাই ওই নাবালিকার মা আনোয়ারা বেগম (৩৬) বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

শনিবার (৬জুন) এ ঘটনায় লিখিত এজাহারে বাদী আনোয়ারা বেগম পুলিশকে জানিয়েছেন, বিবাদী মো: জান্নাত আলী আমার বাসার মালিক। অনুমান দেড় মাস যাবত বিবাদীর বাসাতে ভাড়াটিয়া হিসেবে তিনি ৩ কন্যাসহ ভাড়া রহিয়াছে। পরের বাড়িতে কাজ করে আমি জীবিকা নির্বাহ করি। সেই সুবাদে কাজের কারণে আমিও আমার বড় কন্যা মোছা: সুমাইয়া খাতুনকে নিয়ে প্রতিদিন সকাল অনুমান ৮ ঘটিকায় বাড়ি হইতে বাহির হইয়া যায়। সেই সুযোগে বিবাদী আমার নাবালিকা কন্যা মোছাম্মদ সুমাইয়া খাতুন কে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে ও কুপ্রস্তাব দেয়। আমার কন্যা বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিবাদী তার অনৈতিক লালসা চরিতার্থ করার জন্য সে আমার কন্যার মুখে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে অজ্ঞান করে। গত ইংরেজি ২৪-৫-২০২০ তারিখ সকাল অনুমান ১০ ঘটিকার সময় তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। কন্যার জ্ঞান ফিরলে বিবাদী কন্যাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে বলে, এই কথা যদি কাউকে বলিস তবে তোকে খুন করে ফেলবো। আমার নাবালিকা কন্যা ভয়ে বিষয়টি কাউকে কিছু না বলিলে বিবাদী জোরপূর্বক আমার কন্যাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিকবার ধর্ষণ করিতে থাকে। ইংরেজি ৩০-৫-২০২০ তারিখে বাড়িতে কেহ না থাকার সুযোগে বিবাদী আমার কন্যাকে অনৈতিক কাজের কথা বলিলে আমার কন্যা বিবাদীর প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিবাদী ধারালো ছুরি গলায় ধরে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করে কন্যাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ইহাতে আমার কন্যা একাধিক বার বমি করে ও মাথা ঘোরার কথা বললে আমি ঘটনার বিষয়ে কন্যার নিকট জানতে পারি বিপদের কারণে বর্তমান আমার কন্যা অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনার বিষয়ে অনেকেই অবগত আছে। বর্তমানে বিবাদী আমার ও আমার কন্যাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে বলিতেছে এই নিয়ে যদি কোন বাড়াবাড়ি করিস তবে তোদের কে জানে মেরে ফেলবো। বিবাদী অত্যন্ত খারাপ ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। উক্ত বিষয় ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিবাদী আমার ও আমার কন্যাকে খুন-জখম সহ যেকোনো ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এমতাবস্থায় আমাদের আইনি সহায়তা একান্ত প্রয়োজন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, এ বিষয়ে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এটা দ্রুত তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুয়েত প্রবাসী বুড়িচংয়ের টিটু হাবীব করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু

কুয়েত প্রবাসী বুড়িচংয়ের টিটু হাবীব করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু




মারুফ হোসেন- বুড়িচং(কুমিল্লা) সংবাদদাতাঃ   

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমুল গ্রামের বাকশীমুল পূর্ব পাড়ার আলী আশরাফের ছেলে কুয়েত প্রবাসী মোঃ টিটু হাবীব করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।    

তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফয়েজ আহমেদ ফোন কলের মাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তার বন্ধু জানান গত ১ জুন কুয়েতে আলফরওয়ানীয়া ব্লক ১ তার বাসায় থাকা কালীন করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়া দেখে তাকে কুয়েত হসপিটালে ভর্তি করালে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কিন্তু তার মৃত্যুর খবর গত ৬ ই জুন সবাই জানতে পারে। তার মৃতদেহ কুয়েত সোলবিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।             
তার স্ত্রী মিনু আক্তার ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করোনা পজিটিভ। তিনিও বর্তমানে কুয়েতে অবস্থান করছেন।মৃত্যু কালে তিনি তার ২ স্ত্রী ও ১ কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিমান বাহিনীর অফিসার জয়নুল আবেদীন এর হরিনাকুন্ডে দাফন সম্পন্ন,

বিমান বাহিনীর অফিসার জয়নুল আবেদীন এর হরিনাকুন্ডে দাফন সম্পন্ন,




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 


ঢাকায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জুনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার জয়নুল আবেদিনের হরিনাকুন্ডুতে  দাফন সম্পন্ন 
৬তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় মরহুম জয়নুল আবেদিনের (৫৫) নিজ গ্রাম হরিশপুরে দাফন সম্পন্ন হয়েছে । ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ"র নির্দেশনা অনুযায়ী হরিনাকুন্ডু
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা নাফিজ সুলতানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিশেষায়িত টিম, থানা ও জোড়াদহ ক্যাম্প পুলিশের সহায়তায় জানাযা দাফন কাফন সম্পন্ন করা হয় । 
মরহুম জয়নুল আবেদিন হরিনাকুন্ডুতে হরিশপুর গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন মোল্লার ছেলে । 
৬ তারিখ সকালে করোনা অবস্হায় তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ঢাকায় ইন্তিকাল  করেন । তিনি জুনিয়র টেকনিশিয়ান পদে বিমান বন্দর উত্তরা ঢাকা কর্মরত ছিলেন ।বিকাল ৫টায় তার মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি হরিণাকুণ্ডুর হরিশপুর সাধুগঞ্জে পৌছায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আব্দুল হামিদ খান জানান, মৃত ব্যক্তির জানাযা ও দাফন কাফনের সময় উপস্থিত ছিলেন হরিনাকুন্ডু
উপজেলা পরিষদের চেয়ারমান মোঃ জাহাঙ্গীর হোসাইন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা নাফিজ সুলতানা, জোড়াদহ  পুলিশ ক্যাম্পের আইসি টিটু আলীসহ পুলিশ সদস্যগণ, হরিণাকুন্ডু প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল ইসলাম তাজু,ঞ ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠিত কমিটির সদস্য ও গণশিক্ষার শিক্ষক আঃ রাজ্জাক, তৈয়বুর, মোঃ আরিফুল ইসলাম , ডাঃ চন্দন মোর্শেদ, মোঃ হাবিবুর রহমান ও মাও: মঈনউদ্দীন।

ভার্চুয়াল সাহিত্য সভা

ভার্চুয়াল সাহিত্য সভা



প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ 
সুপ্রিয় কবি, শুভেচ্ছা জানবেন। করোনার মহামারিতে বাংলাদেশ তথা বিশ্ব আজ হুমকির মুখে। তাতে ভাল নেই আপনারা। এর মধ্যে আপনার সৃষ্টিশীলার লেখাটি পড়তে যাই, শুনতে চাই।  আর এজন্য বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ ভার্চুয়াল সাহিত্য সভা আয়োজন করতে যাচ্ছে। আপনি অংশ নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার সহযোগিতায় বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ সমৃদ্ধশালী সংগঠন গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

গোলাম মো¯Íফা মুন্না
যশোর
০১৭১৮২০৮৮১৫

দৌলতখান থেকে মহিলাসহ মাদক ব্যাবসায়ী হাতনাতে আটক

দৌলতখান থেকে মহিলাসহ মাদক ব্যাবসায়ী হাতনাতে আটক




মোঃ আওলাদ হোসেন 
জেলা প্রতিনিধি, ভোলা,দৌলতখান 


পুরো বিশ্ব যখন করোনা মহামারীতে হাবুডুবু খাচ্ছে এহেন পরিস্থিতিতেও কমছে সমাজে বিভিন্ন ধরনের খারাপ অপকর্ম গুলো।যুব সমাজের ধ্বংসের অন্যতম মাধ্যম মাদকের নেশা থেকে মুক্তি পায় নি দৌলতখান যুবসমাজ।এমনেই নিন্দিত অপকর্ম, তার মধ্যে আবার লেডিস ব্যাবসায়ী। যা অদ্য ৬ই জুন পুলিশের বিশেষ অভিযানে হাতে নাতে ধরা, মহিলা সহ পুরুষ ব্যাবসায়ী।
মাননীয় পুলিশ সুপার, ভোলা মহোদয়ের নির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ দৌলতখান থানা, ভোলা এর নেতৃত্বে অদ্য ইং ০৬/০৬/২০২০ তারিখ দুপুর অনুমান ০২.০০ ঘটিকার এসআই/ মো: জাহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় এসআই/ মো: মাহমুদুল হাসান, এএসআই/ মো: শফিকুল ইসলাম, কং/৯৪০ মো: রাকিব, নারী কং লিমা আক্তারকে সহকারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দৌলতখান থানাধীন চরপাতা ০৭ নং ওয়ার্ডস্থ জনৈক সেকান্তর এর পুকুর পার হইতে মাদক ব্যবসায়ী মোসা: হাবিবা (৪৫) স্বামী- মো: ফারুক, সাং- উত্তর দিঘলদী ০৪ নং ওয়ার্ড, থানা ও জেলা- ভোলাকে ১০০(একশত) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ধৃত করেন।

পূর্ব ইলিশা থেকে ২.৫ কেজি গাজা সহ ২ মাদক ব্যাবসায়ী আটক

পূর্ব ইলিশা থেকে ২.৫ কেজি গাজা সহ ২ মাদক ব্যাবসায়ী আটক




মোঃ আওলাদ হোসেন 
জেলা প্রতিনিধি, ভোলা,দৌলতখান 

পুরো বিশ্ব যখন করোনা মহামারীতে হাবুডুবু খাচ্ছে এহেন পরিস্থিতিতেও কমছে সমাজে বিভিন্ন ধরনের খারাপ অপকর্ম গুলো।যুব সমাজের ধ্বংসের অন্যতম মাধ্যম মাদকের নেশা থেকে মুক্তি পায় নি ভোলার যুবসমাজ। যা অদ্য ৬ই জুন পুলিশের বিশেষ অভিযানে হাতে নাতে ধরা।
মাদক বিরোধী অভিযানে ভোলা সদর থানাধীন পূর্ব ইলাশা ফেরীঘাট হইতে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাজাসহ দুই-মাদক ব্যাবসায়ী আটক৷

জনাব মোঃ শহীদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, ভোলার নেতৃত্বে আজ ০৬/০৬/২০২০ তারিখ সন্ধা ০৬:৩০ ঘটিকায় এস আই (নিঃ) মোঃ মাজহারুল ইসলাম ও সংগীয় ফোর্স, জেলা গোয়েন্দা শাখা, ভোলা মাদক অভিযান পরিচালনা করেন
উক্ত অভিযানে ভোলা সদর মডেল থানাধীন পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ০১নং ওয়ার্ডের ইলিশা ফেরীঘাট হইতে
২কেজি ৫০০গ্রাম মদকদ্রব্য গাজাসহ ২জনকে আটক করা হয়ছে 
আটককৃতরা হলেন মাদক ব্যবসায়ী ১/মোঃ আলাউদ্দিন (৫৫), পিতা- মৃত আঃ মান্নান, সাং- উওর জয়নগর ০৫নং ওয়ার্ড, 
২/মোঃ শাজাহান মাতুব্বর (৬০), পিতা- মৃত আছমত আলী, সাং- কালাকোপা ০৩নং ওয়ার্ড, উভয় থানা- দৌলতখান, জেলা- ভোলা। তাদের বিরুদ্ধে ভোলা সদর মডেল থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন 
আইনে  মামলা করা হয়েছে।"

মোঃ আওলাদ হোসেন 
জেলা প্রতিনিধি, ভোলা,দৌলতখান 

পুরো বিশ্ব যখন করোনা মহামারীতে হাবুডুবু খাচ্ছে এহেন পরিস্থিতিতেও কমছে সমাজে বিভিন্ন ধরনের খারাপ অপকর্ম গুলো।যুব সমাজের ধ্বংসের অন্যতম মাধ্যম মাদকের নেশা থেকে মুক্তি পায় নি ভোলার যুবসমাজ। যা অদ্য ৬ই জুন পুলিশের বিশেষ অভিযানে হাতে নাতে ধরা।
মাদক বিরোধী অভিযানে ভোলা সদর থানাধীন পূর্ব ইলাশা ফেরীঘাট হইতে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাজাসহ দুই-মাদক ব্যাবসায়ী আটক৷

জনাব মোঃ শহীদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, ভোলার নেতৃত্বে আজ ০৬/০৬/২০২০ তারিখ সন্ধা ০৬:৩০ ঘটিকায় এস আই (নিঃ) মোঃ মাজহারুল ইসলাম ও সংগীয় ফোর্স, জেলা গোয়েন্দা শাখা, ভোলা মাদক অভিযান পরিচালনা করেন
উক্ত অভিযানে ভোলা সদর মডেল থানাধীন পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ০১নং ওয়ার্ডের ইলিশা ফেরীঘাট হইতে
২কেজি ৫০০গ্রাম মদকদ্রব্য গাজাসহ ২জনকে আটক করা হয়ছে 
আটককৃতরা হলেন মাদক ব্যবসায়ী ১/মোঃ আলাউদ্দিন (৫৫), পিতা- মৃত আঃ মান্নান, সাং- উওর জয়নগর ০৫নং ওয়ার্ড, 
২/মোঃ শাজাহান মাতুব্বর (৬০), পিতা- মৃত আছমত আলী, সাং- কালাকোপা ০৩নং ওয়ার্ড, উভয় থানা- দৌলতখান, জেলা- ভোলা। তাদের বিরুদ্ধে ভোলা সদর মডেল থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন 
আইনে  মামলা করা হয়েছে।