জনগনের চরম ভোগান্তি ডোমারে প্রধান সড়কটি মেরামত কাজ ধীর গতিতে

জনগনের চরম ভোগান্তি ডোমারে প্রধান সড়কটি মেরামত কাজ ধীর গতিতে





মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি:


নীলফামারীর ডোমার পৌর শহরের প্রধান সড়কটি বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে কয়েক মাস ধরে মেরামতের কাজ করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এ জন্য ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরফলে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারে ছোট-বড়সহ বিভিন্ন ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে পৌর এলাকার ৪টি সড়ক নষ্ট হয়ে গেছে। অতিরিক্ত চাপের কারণে সড়কগুলোর কোথাও কোথাও হাঁটু আবার কোন স্থানে এরচেয়েও বড় গর্ত হয়েছে। ভরা বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টিতে গর্তগুলো পানিতে ভরে গেছে। এতে বুঝার উপায় নাই, কোথায় গর্ত আর কোথায় ভালো। প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। এতে সড়কগুলো চলাচলের একেবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সড়কগুলোর সাথে তৈরী ড্রেনগুলোও ভেঙে যাচ্ছে। ছোট সড়কগুলোর দুই দিকে দুইটি গাড়ি এলে ওই সড়কে কয়েক ঘন্টা যানজট লেগে যাচ্ছে।এতে ডোমার পৌর এলাকার মানুষজনের দূর্ভোগ চরমে উঠছে।

জানা গেছে, ২০১৯ সালে নীলফামারী সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) ডোমার থানা হতে বাসস্টান্ড পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক মেরামতের জন্য টেন্ডার আহবান করে। কাজটি হক এন্টার প্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরু করে। টিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিজের খেয়াল-খুশিমতো নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত সময় নিয়ে কাজ করে। এতে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে বিকল্প সড়ক হিসাবে পাড়া-মহল্লার ছোট ছোট সড়কগুলো দিয়ে বিভিন্ন ভারী যানবাহন চলাচল করছে কয়েক মাস ধরে।

চিকনমাটির মোড় থেকে স্টেশন হয়ে মুচির মোড়ের সড়কটি দিয়ে সবচেয়ে বেশী ভারী যানবাহন চলাচল করে। এতে ওই সড়কে কোথাও হাঁটু আবার কোথাও এর চেয়ে বড় গর্ত হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে বুঝার  উপায় নাই। কোথায় গর্ত আর কোথায় ভালো। এতে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা।

নীলফামারী মেইন সড়ক হতে এলএসডি-সাহাপাড়া হয়ে বাজার পর্যন্ত সড়কে অটো-রিক্সা, মাইক্রো-বাস, ট্রাক্টর ও মটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। দুই দিক হতে দু’টি মাইক্রো পারাপার হতে লেগে যায় ঘন্টার পর ঘন্টা যানজট। ট্রাক্টর চলার কারনে সড়কের সাথে ড্রেনটি ভেঙে একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে।


নতুন বাসস্টান্ড হতে সবুজপাড়া-প্রশিকার মোড়-বুড়ির দোকান পর্যন্ত ও বন বিভাগ থেকে ডাকবাংলো সড়ক ছাড়াও অন্যান্য সড়কগুলোতে ভারী যানবাহন চলাচল করছে। এতে ওই সড়কগুলোরও বেহাল দশা হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে পৌর এলাকার ভুক্তভুগি মানুষরা ডোমার প্রধান সড়কটির মেরামত কাজ দ্রুত শেষ ও ক্ষতিগ্রস্থ অন্যান্য সড়কগুলো পুনরায় মেরামত করার দাবী করে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী ইব্রাহীম জানান, পাথরের সংকটের কারণে, কাজটি যথা সময়ে শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে কাজটি শেষ করার তিনি আশা করছেন।

নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল করিম জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন এবং পাথর সংকটের কারণে কাজটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হয় নাই। কাজটি দ্রুত শেষ করার জন্য আমি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগাদা দিচ্ছি।

এ বিষয়ে ডোমার পৌর মেয়র আলহাজ্ব মনছুরুল ইসলাম দানু ও কাউন্সিলর আক্তারুজ্জাসান সুমন জানান, শহরের প্রধান সড়কটির মেরামতের কাজের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে পৌর এলাকার অন্যান্য ছোট সড়কগুলো দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করছে। এরফলে ওই সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা হয়েছে। সাথে ড্রেনগুলোও ভেঙে গেছে। দ্রুত প্রধান সড়কটি মেরামত করে যানবাহন চলাচলে উন্মুক্ত করা না হলে, ছোট ছোট অন্যান্য সড়কগুলোর বাকি যেটুকু টিকে আছে, সেইটুকুও নষ্ট হবে।

আশাশুনি বড়দলে জমি জবর দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের আঘাতে আহত পিতা

আশাশুনি বড়দলে জমি জবর দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের আঘাতে আহত পিতা




আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি( সাতক্ষীরা)  প্রতিনিধি   : আশাশুনির বড়দলে জমি জবর দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের মারপিটে স্বামী স্ত্রী সহ একই পরিবারের ৪জন গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বিকালে আশাশুনির বড়দল ইউনিয়নে বাইনতলা গ্রামে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগে জানাগেছে বাইনতলা গ্রামের মৃত সিফাতুল্লাহ গাইনের পুত্র নজরুল ইসলাম গাইনের তপশীল বর্নিত স্বত্ত¡দখলীয় জমি দীর্ঘদিন যাবৎ জবর দখলের ষড়যন্ত্র করে আসছে প্রতিপক্ষরা। ঘটনার দিন পূর্ব পরিকল্লনা মোতাবেক একই গ্রামের মৃত বাবর আলী গাইনের পুত্র হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী এলাকার ত্রাস তোপা গাইনের নেতৃত্বে সাইদ গাইন, ইয়াছিন ,শহীদুল ইসলাম, মইনুর গাইনসহ ৬/৭ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দলবদ্ধ হয়ে রাম দা, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড ,হাতুড়ীসহ ,লাঠিসোটা নিয়ে উক্ত নজরুল গাইনের স্বত্ত¡ দখলীয় জমি জবর দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে নজরুল গাইন বাঁধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেএলাপাতাড়ীভাবে মারপিট করেতে থাকে তার ডাক চিৎকার শুনে স্ত্রী হাফিজা খাতুন, পুত্র আরিফুল ইসলাম ও পুত্রবধু রিজিয়া খাতুন উদ্ধারে এলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ীভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময়  মারপিট কারীদের মধ্যে তোপা গাইন আহত পুত্রবধুর কাপড় চোপড় ছিড়ে ছুটে শ্লীলতাহানী ঘটায়। ওই সময় সাইদ গাইন  পুত্রবধুর গলায় থাকা ৫৭হাজার টাকা মূল্যের ০১ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন টান মেরে ছিড়ে নিয়েনেয়। এ খবর শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসতে দেখে মারপিট কারীরা মামলা মোকদ্দমা না করতে জীবন নাশের হুমকী দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় ঘটনাস্থলে আসা লোকজন আহতদেরকে উদ্ধার করে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে।  এ ব্যাপারে আশাশুনি থানায় আহত নজরুল গাইন বাদী হয়ে ০৫জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৬/৭জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।  অভিযোগ পেয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম কবীর এএসআই মিলনকে ঘটনার তদন্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন।  নির্দেশ পেয়ে এএসআই মিলন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনার তদন্ত করেন।  তবে ঘটনার তদন্তকালে পুলিশকে আশপাশের লোকজন জানান বিবাদীরা অত্যান্ত দুর্দান্ত প্রকৃতির তাদের বয়ে এলাকার লোকজন মুখ খুলতে সাহস পায় না। গতকাল নজরুল গাইনের জবর দখল নিতে গেলে বাঁধা দেওয়ায় তাদেরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিলো বলে জানাগেছে। 


কুয়েতে যারা শ্রমিকদের বেতন প্রদান থেকে বিরত থাকেন তাদের জন্য কঠোর শাস্তি জেল জরিমানা

কুয়েতে যারা শ্রমিকদের বেতন প্রদান থেকে বিরত থাকেন তাদের জন্য কঠোর শাস্তি জেল জরিমানা




দাইয়ানুর রহমান মিষ্টারনুরঃ

আকামা সমস্যা বেতন দেরিতে দেওয়া বা,বেতন না দেওয়া, সুপারভাইজারের ঘুষ চাওয়া,আকামার জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করে সরাসরি যেকোন অভিযোগ দাখেল করুন। শীঘ্রই  ফারওয়ানিয়া ও জিলিব আল সুয়েখ লকডাউন এলাকায় লেবার নতুন অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়।

শ্রম অধিকার বাস্তবায়নের ব্যর্থতায় কোম্পানির মালিকদের সাথে শ্রমিকদের বিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর সম্পূর্ণ লকডাউন অঞ্চলে জনশক্তি বিষয়ক জেনারেল অথরিটির অফিস(লেবার অফিস) বরাদ্দ করেছে সামাজিক বিষয়ক মন্ত্রী ও অর্থনৈতিক বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মরিয়ম আল-আকিল।

মন্ত্রী আল-আকিল কুয়েত নিউজ এজেন্সি (KUNA) কে বলেছেন, উপ প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আনাস আল-সালেহের সাথে সমন্বয় কার্যকারের জন্য একটি কার্যালয় অফিস এবং তদন্তের সাধারণ প্রশাসনের সাথে যুক্ত একজন অফিসারকে জিলিব আল-শুয়েখ এবং ফারওয়ানিয়া এলাকায় একটি অফিস বরাদ্দ করা হয়েছে।

আকামা সমস্যা বেতন দেরিতে দেওয়া বা না দেওয়া, সুপারভাইজারের ঘুষ চাওয়া,আকামার জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করে সরাসরি যেকোন অভিযোগ জানান লেবার অফিসে।
[আংশিক প্রকাশিত]

সূত্রঃ আরব টাইমস কুয়েত

দিনদিন বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, লকডাউনে সুফল পাচ্ছেন না অভয়নগরের বাসিন্দারা

দিনদিন বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, লকডাউনে সুফল পাচ্ছেন না অভয়নগরের বাসিন্দারা




মোঃ দেলোয়ার হোসেন, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : 
রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন করা হয়েছে অভয়নগরের করোনা সংক্রমণ এলাকাসমূহে। লকডাউনে সুফল পাচ্ছেন না এলাকার মানুষ। দিনদিন বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা। গত ২৪ঘন্টায় এ উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা রেকর্ড সংখ্যক হিসেব দাঁড়িয়েছে ৩০জনে। শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। হাসপাতালসূত্রে জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা ক্রমশ: বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে করোনায় প্রাণ কেড়ে নিয়েছে চারজনের। সর্বমোট উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৯-এ। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫-২০জন মাত্র করোনাকে জয় করেছেন। বাকিরা সকলেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দিনদিন এ উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ জনগণের মাঝে ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে। অপরদিকে উপজেলায় বেশ কয়েকটি এলাকাকে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও মানুষ তা মানতে নারাজ। সবচেয়ে জনবহুল এলাকা নওয়াপাড়া শহরে মানুষের ভীড় সর্বদা লেগেই থাকছে। প্রশাসনের গাড়ী দেখে ছুটে পালাচ্ছেন অনেকেই। প্রশাসনের গাড়ী চলে গেলে আগের অবস্থায় ফিরছে সকলে। শনিবার সকালে নওয়াপাড়ার নূরবাগ ও স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন জনগণকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে। দিনদিন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া সম্পর্কে উপজেলা স্বাস্থ ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা.এসএম মাহমুদুর রহমান রিজভী জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে কোনক্রমেই কমবে না করোনা রোগীর সংখ্যা। জনগণকে মুখে মাস্ক ব্যবহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবশ্যই চলতে হবে।  উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, জনগণ সচেতন না হলে কোনক্রমেই  করোনার সংক্রমণ থামবে না। উপজেলার সকল জনগণকে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি পুরাপুরি মেনে চলার আহবান জানান তিনি। 

সিরাজগঞ্জে নগদ অর্থ এনে দিলো সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম

সিরাজগঞ্জে নগদ অর্থ এনে দিলো সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম




 মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধি ঃসিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার দূর্গম চর নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের চর পানাগাড়ি গ্রামের আবুল হোসেন (৬৫) সে একজন বৃদ্ধ লোক খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছেন, দুঃখে কষ্টে কাটছে তার দিন। আয় রোজগার করার মত সংসারে তার কেউ নেই। তার একমাত্র ছেলে জামাল বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যে পাগলের মত ঘুরে বেড়ান। বৃদ্ধ আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। উক্ত বিষয়টি সামাজিক যোগযোগের প্রকাশিত হলে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার গুয়াগাছিয়া গ্রামের কানাডা প্রবাসী মোতালেব মিয়া মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য যোগাযোগের লোক খুঁজতে থাকেন। এমতাবস্থায় গুগল ম্যাপে কাজিপুরের সেতু কম্পিউটার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এর পরিচালক তোফাজ্জল হোসেনের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। অতপর তিনি তোফাজ্জল হেসেনের মাধ্যমে উক্ত বৃদ্ধ লোকটিকে সহযোগীতা করার কথা ব্যক্ত করেন। পরে তিনি তোফাজ্জল হোসেনের সততার পরিচয় পেয়ে তার মোবাইল এর বিকাশে ১০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দেন।
গতকাল সকালে তোফাজ্জল হোসেন উক্ত ১০ হাজার টাকাসহ তার নিজস্ব অর্থায়ানে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী চাল, ডাল, তেল, সাবান, পিয়াজ, লবন, আলু, রুটি সুকনা খাবারসহ বৃদ্ধের পরিবারের কাছে তুলে দেন। এছাড়াও আবু বক্কর উক্ত বৃদ্ধকে সাহয্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। বিতরণ কালে উপস্থিত উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন মাস্টার সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে উক্ত প্রবাসীর কথোকথন করানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সেতু কম্পিউটারের পরিচালক তোফাজ্জল হোসেন, প্রশিক্ষক সুমন রেজা, মারুফ মিয়া, উক্ত গ্রামের সৈনিক শামীম মিয়া, জিয়াউর রহমানসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

নীলফামারীতে তিল চাষের বাম্পার ফলন:

নীলফামারীতে তিল চাষের বাম্পার ফলন:




মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি:


 নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষিচাপ ইউনিয়নে ৪ হেক্টরসহ উপজেলায় মোট ৫ হেক্টর খরিপ ওয়ান মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ায় তিলের বাম্পার ফলন হয়েছে। নামমাত্র উৎপাদন খরচ আর চাহিদার সাথে ভাল দাম পাওয়ায় খুশি কৃষক। চলতি খরিফ-ওয়ান মৌসুমে তিলের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে তিল চাষিরা। ভাল দাম ও প্রচুর চাহিদা থাকায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। কৃষক ঝুঁকছেন তিল চাষাবাদের দিকে। তিল বীজ বপনের ৮০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে কৃষকরা ক্ষেত থেকে ঘরে তুলতে পেরেছেন। 

আর এতে উৎপাদন খরচ নেই বললেই চলে। তিলের ঔষধি গুণ থাকায় বাজারে চাহিদা রয়েছে বেশি। লক্ষিচাপ দুবাছুড়ি এলাকার তিল চাষী বেলাল হোসেনসহ অনেকে বলেন ধান, পাট ও ভুট্টাসহ অন্য ফসলের চেয়ে তিলের আবাদে লাভ বেশি। তবে তামাক চাষের পর পরিতক্ত জমিতে কম খরচে তিল চাষে লাভজনক হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে কৃষকরা। তাই কৃষকরা বলছে আমরা অনেকেই এখন তিল আবাদের দিকে ঝুঁকেছি । তবে কৃষি বিভাগের মরামর্শ পেলে আরো ব্যাপক লাভের আশা করছে কৃষকরা। 

ব্যবসায়ীরাও জানান, চলতি মৌসুমে প্রতি মণ তিল বিক্রি হচ্ছে ২হাজার থেকে ২৫শ’ টাকায়। যা গত বছরের চেয়ে ৫ থেকে ৭শ’ টাকা বেশি। সদর উপজেলা কৃষিবিদ কামরুল হাসান বলছে, ভালো জাতের বীজ সরবরাহসহ কৃষকদের প্রশিক্ষণসহ সবধরনের সহযোগিতার ফলে বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় উপজেলায় চলতি মৌসুমে তিলের ভালো ফলন হয়েছে।

পোরশায় নগদ অর্থ ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ!

পোরশায় নগদ অর্থ ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ!




 

 মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
  রাজশাহী ব্যুরো

  নওগাঁর পোরশায় খাদ্যমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিলের নগদ অর্থ, ফলজ চারা ও কৃষি প্রণোদনার অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার উপজেলা প্রশাসন পোরশার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ঢাকা নিজ অফিস থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন ও অর্থ বিতরণের উদ্বোধন করেন, মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

পরে কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলমের উপস্থাপনায় সামাজিক দূরুত্ব বজায় রেখে ৬১ জনকে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা, তিনটি মসজিদ ও একটি মন্দিরে ৩ লক্ষ টাকা মন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে বিতরণ করা হয়।
এছাড়াও ১৯২ জনকে ৩ লক্ষ ৭১ হাজার ৫২০ টাকা কৃষি প্রণোদনার অর্থ এবং ২০ হাজার ৩২৫টি ফলজ চারা বিতরণ করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ইউএনও নাজমুল হামিদ রেজা।

মু প্র ক পেকুয়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতির উপর সন্ত্রাসী হামলা, নিন্দা জ্ঞাপন

মু প্র ক পেকুয়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতির উপর সন্ত্রাসী হামলা, নিন্দা জ্ঞাপন





প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ 
মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কমান্ড কক্সবাজার জেলা শাখার আওতাধীন পেকুয়া উপজেলা শাখার সহ- সভাপতি মোঃ রাসেল হোসেন এলাকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

উক্ত সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কমান্ড যশোর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ এই সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত  কঠোর শাস্তির দাবী করেন।

হবিগঞ্জ জেলায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি,

হবিগঞ্জ জেলায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি,




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বানিয়াচং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়েছে। মামলার অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন আখ্যায়িত করে দ্রুত মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের সাংবাদিকরা। দাবি মানা না হলে দিয়েছেন বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি। আজ শনিবার (২৭-জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, হবিগঞ্জের ব্যানারে জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ফোরামসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এতে অংশ নেয়। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার দুই শতাধিক সাংবাদিক।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও সংবাদ নীতিমালা মেনে মৎস্য কর্মকর্তা আলমের দুর্নীতি সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। অথচ হবিগঞ্জের দুইজন সংবাদিককে জড়িয়ে হয়রানির উদ্দেশে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছেন ওই সরকারি কর্মকর্তা। এ মামলা মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
দ্রুত মামলাটি প্রত্যাহার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে জানিয়ে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। পরবর্তী আন্দোলনের ঘোষণার আশ্বাস দিয়ে সকল সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদ জানান জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি।

টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, সত্য সংবাদ প্রকাশের পরও মৎস্য কর্মকর্তা বিতর্কিত আইনে মামলা দায়ের করেছেন। শিগগির এই মামলা তুলে না নিলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাবান মিয়া বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে সৎ দুইজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করেছেন তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শিগগির এই মামলা প্রত্যাহার না করলে পরবর্তীতে এর দায়ভার নিতে হবে ওই দুর্নীতিবাজ মৎস্য কর্মকর্তাকে। টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, হবিগঞ্জের সভাপতি রাসেল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম সুরুজ আলীর পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, 

জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ইসমাইল, সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান জাহির, সাবেক সভাপতি রুহুল হাসান শরীফ, শুয়েব চৌধুরী, মোহাম্মদ নাহিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, নির্মল ভট্টাচার্য্য রিংকু, শাহ ফখরুজ্জামান, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. এমদাদুল ইসলাম সোহেল, বাংলাদেশ টেলিভিশনের আলমগীর খান, সময় টিভির হবিগঞ্জ প্রতিনিধি রাশেদ আহমদ খান, যমুনা টিভির প্রদীপ দাশ সাগর, একাত্তর টিভির শাকিল চৌধুরী, যায়যায়দিনের নূরুল হক কবির, নিউজ টোয়েন্টিফোর’র শ্রীকান্ত গোপ, এসএ টিভির সেলিম চৌধুরী, মোহনা টিভির ছানু মিয়া, মাই টিভির মোশাহিদ আলমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার দুই শতাধিক সাংবাদিক। কয়েকটি সামাজিক সংগঠনও এই মানববন্ধনে অংশ নেয় জানা গেছে, বানিয়াচং উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম এক কর্মস্থলে টানা দীর্ঘদিন চাকরির সুবাদে বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন- এমন 

অভিযোগ এনে এবং প্রতিকার চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন স্থানীয় লোকজন। এ নিয়ে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেন আলম। কিন্তু এখতিয়ার বহির্ভুত হওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত। পরবর্তীকালে তিনি ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মাছরাঙা টেলিভিশনের হবিগঞ্জ প্রতিনিধি চৌধুরী মো. মাসুদ আলী ফরহাদ ও বাংলানিউজের ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বদরুল আলমসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন তিনি।

ঝিনাইদহে র্যাবের হাতে (৪০০) পিচ ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ঝিনাইদহে র্যাবের হাতে  (৪০০) পিচ ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 


ঝিনাইদহ তেতুলতলা বাজর থেকে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ রুহুল কুদ্দুস নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ঝিনাইদহ র‌্যাবের কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম এবং স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এইচ এম শফিকুর রহমান এর নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করে২৭ জুন শনিবার সকালে 
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল ঝিনাইদহ-কালীগঞ্জ সড়কের তেতুলতলা বাজারে অভিযান চালায়। সেসময় ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ রুহুল কুদ্দুস নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। সে সাতক্ষীরা কলারোয়ার চান্দুরিয়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে। তার কাছ থেকে ০৩ টি মোবাইল সেট, ০৭টি সীম কার্ড এবং ০১ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

আশাশুনিতে ভ্রামমান আদালতে ১০ ব্যক্তিকে বিভিন্ন অপরাধে ৭ হাজার টাকা জরিমান আদায়

আশাশুনিতে ভ্রামমান আদালতে ১০ ব্যক্তিকে বিভিন্ন অপরাধে ৭ হাজার টাকা জরিমান আদায়





 আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি ( সাতক্ষীরা)  প্রতিনিধি: 
আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে পুশসহ বিভিন্ন অপরাধে ১০ ব্যক্তিকে 
৭হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী 
ম্যাজিট্রেট মীর আলিফ রেজা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। পরিচালনাকালে আশাশুনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে বাগদা চিংড়িতে পুশ করার অপরাধে 
পুশকৃত মাছ জব্দ করে বিনষ্ট করাসহ ৪ ব্যবসায়ী কমলাপুর গ্রামের করিম ঢালীর পুত্র নুর হোসেন ঢালীকে ১হাজার টাকা, একই গ্রামের আব্দুল জব্বারের পুত্র আলতাপ হোসেনকে ১হাজার টাকা ,কালি পদ মন্ডলের পুত্র ভোল নাথ মন্ডলকে ১হাজার, কাশেম শেখের পুত্র কামরুল শেখকে ৫শত 
টাকা সর্বমোট ৩ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অপর দিকে ভোক্তা অধিকার আইনে বুধহাটা 
গ্রামের আনিছুর রহমানের পুত্র রনি হোসেনকে ৩হাজার টাকা। এবং মোটর সাইকেল চালককে হেলমেট না পরার 
অপরাধে গোয়ালডাঙ্গা বাজার থেকে আঃ খালেকের পুত্র ডালিমকে ২শত টাকা ও গোদাড়া গ্রামের আঃ রউফের পুত্র মুকুল হোসেনকে ১শত টাকা, এ ছাড়া শিতলপুর মোড় থেকে মাস্ক না পরার অপরাধে পথচারী আঃ রহিমের পুত্র ফিরোজকে ৫০টাকা, জাহাঙ্গীর গাজীর পুত্র সাইদকে ৫০টাকা ও জাহাঙ্গীরের পুত্র জাহিদকে ১শত টাকাসহ সর্বমোট ৭হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন পুশ না করার জন্য সকলকে সচেতন করা হয়। এছাড়া সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার আহবান জানান এবং বিকাল ৪টার পর থেকে ঔষধের দোকান ব্যতিত অন্যান্য সকল দোকান পাট বন্ধ রাখা সহ অহেতুক ঘোরাফেরা না করার নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় পুলিশ সদস্য, অফিস সহকারী আব্দুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি যুবলীগের আহব্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি যুবলীগের আহব্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
 


মাসুদ রানা  সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি যুবলীগের আহব্বায়ক কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। ২৬ জুন (শুক্রবার) বাংলাদেশের আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মঈনুল হোসেন খাঁন নিখিলের সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মঈনুল হোসেন খাঁন নিখিলের সাক্ষরিতে লেখা হয়েছে, আমাদের আওয়ামী যুবলীগ একটি সু সংগঠিত ও সুশৃঙ্খল সংগঠন। উক্ত উশৃঙ্খলকারীর কোন ঠাই নেই। শালিশী বৈঠক নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাথে বেলকুচি উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়কের সাথে মত বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরসের দৃষ্টিগোচর হয়। পরবর্তীতে যুবলীগের চেয়ারম্যানের নির্দেশনুযায়ী দলীয় শৃঙ্খলা ভংঙ্গের কারণে বেলকুচি উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়।

মাধবপুরে বিজিবির হাতে মাদকসহ ২ চোরাকারবারি আটক,

মাধবপুরে বিজিবির হাতে মাদকসহ ২ চোরাকারবারি আটক,




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি  

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মেহেদী উদ্ধার এবং গাঁজাসহ দুই মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে। হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজিবি’র অধিনায়ক লে.কর্ণেল এসএমএন সামীউন্নবী চৌধুরী জানান, শনিবার (২৭-জুন) সকালে মনতলা বিওপির হাবিলদার গোলাম মোস্তুুফার নেতৃত্বে একদল বিজিবি সদস্যরা,

শাহজাহানপুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ ঢাকা জেলার গাজীপুর উপজেলার কালিগঞ্জ ইশ্বরপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (২৬) এবং বহরা ইউনিয়নের 

শ্রীধর পুর ইয়াছিন মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া (২২) কে আটক করে। অপরদিকে শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকায় ধর্মঘর বিওপির নায়েক মোজাহিদ হোসেন এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে 

পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১শ ৯৮ পিস, ভারতীয় মেহেদী এবং মনতলা বিওপির নায়েব সুবেদার আঃ হালিম এর নেতৃত্বে চৌমুহনী ইউনিয়নের চৈতন্যপুর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্ত প্রথম বাংলাদেশী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেলেন

সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্ত প্রথম বাংলাদেশী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেলেন



মোঃ নাঈম শেখ, সিঙ্গাপুর প্রতিনিধিঃ    
সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রাজু সরকার সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে একটি পরিচিত নাম। তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য সিঙ্গাপুর সরকার, ডাক্তার নার্সরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তিনি দুইমাস হাসপাতালে আইসিইউতে ছিলেন। তার চিকিৎসা ব্যয় সিঙ্গাপুর সরকার বহন করে মহৎ হৃদয়ের পরিচয় দিয়েছে৷ এইজন্য সিঙ্গাপুর সরকার, ডাক্তার, নার্স ও বিভিন্ন এনজিওগুলোর প্রতি আমরা প্রবাসীরা কৃতজ্ঞ৷ 
রাজু সরকার গতকাল শুক্রবার চিকিৎসা সেবা নিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন৷ সিঙ্গাপুরের দৈনিক পত্রিকা দ্যা স্ট্রেইট টাইমস তাকে নিয়ে আজ একটি কলাম প্রকাশ করেছে। স্ট্রেইট টাইমসে বলা হয়, 

তিনি কয়েকবার মৃত্যুর কাছাকাছি গিয়েছিলেন তবে তিনি কোভিড -১৯ থেকে সুস্থ হবার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন। 

ফেব্রুয়ারিতে তিনি যখন অসুস্থ হয়ে পড়েন তখন তার স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন। তিনি প্রথম সন্তানের পিতা হবার অপেক্ষায় ছিলেন।
শুক্রবার ২৬ জুন মি.রাজু সরকার টান টক সেনগ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। একজন বাবা জীবনের নতুন জীবন পেয়েছেন৷ তার ছেলের জন্ম হয়েছিলো ৩০ শে মার্চ।

৩৯ বছর বয়সী এই বাংলাদেশী প্রায় পাঁচ মাস হাসপাতালে কাটিয়েছিলেন, যার অর্ধেক সময়ই আইসিইউতে ছিলেন৷ 
হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাবার পরে তিনি থাম্বস আপ সাইন দেখিয়ে স্ট্রেইট টাইমসকে বলেন যে, তিনি প্রথমে যা করতে চান তা হলো হলো কিছু খাসির মাংস দিয়ে ভাত খাওয়া৷ 
করোনাভাইরাসে সংক্রমণকারী প্রথম কয়েকজন বিদেশী কর্মীর মধ্যে তিনি ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন।
মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাকে টিটিএসএইচের পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।

আইসিইউতে এত দিন থাকার পরে তাঁর নাটকীয়ভাবে সুস্থ হয়ে উঠা চিকিৎসকদের অবাক করে দিয়েছিলো। 
ডঃ হো (Dr.HO) বলেছেন যে রাজু সরকার খুব অসুস্থ ছিলেন যখন তাকে প্রথমবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং দু-তিনবার মৃত্যুর কাছাকাছি গিয়েছিলেন। 

তার রক্তচাপ কমতে শুরু করেছিলো এবং তার খুব দূর্বল / কম অক্সিজেনেশন ছিল। আমরা ভেবেছিলাম যে তার দীর্ঘমেয়াদী অক্সিজেনের সহায়তা প্রয়োজন হবে এবং তিনি খুব চিন্তিত হয়েছিলেন যে রাজু সরকার হবেন সিঙ্গাপুরের করোনায় মৃত্যুর মধ্যে প্রথম একজন। 
পুনর্বাসন কেন্দ্রে, তিনি শক্তি এবং কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস তৈরির জন্য ফিজিওথেরাপি করেছিলেন। গ্রুমিংয়ের মতো স্ব-যত্নের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি পেশাগত চিকিৎসককেও দেখেছিলেন।

তিনি পুনর্বাসন কেন্দ্রে তার পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে ১০ কেজি রাখতে বাড়াতে সক্ষম হন।শুক্রবার সিনিয়র ফিজিওথেরাপিস্ট সাইমন লাউ জানিয়েছিলেন, প্রথমদিকে তাকে ঘোরাতে সহায়তার দরকার ছিল।
আইসিইউতে দীর্ঘকাল থাকার কারনে তিনি খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। তবে তিনি অত্যন্ত অনুপ্রাণিত ছিলেন, নিজের অনুশীলন করতে আগ্রহী ছিলেন, নিজে থেকে সেরে উঠলেন এমনকি ওয়ার্ডে বিশ্রাম নেওয়ার সময় নিজের অনুশীলনও করেছিলেন। "

রাজু সরকার প্রায় দুই ঘন্টা প্রতিদিন অনুশীলন করতেন এবং ডাক্তাররা তার নিজস্ব অনুশীলন করতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুমতি দিতেন৷ 
শুক্রবার সিনিয়র স্টাফ নার্স চার্মাইন লোহ জানিয়েছেন, রাজু সরকার খুব কৌতূহলী ছিলেন, তিনি বলতেন 'কেন এমনটি হয়' এবং 'আমি কিভাবে আরও ভাল হয়ে উঠব' এর মতো অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেতেন। আমরা তাকে কীভাবে নিজের যত্ন নেওয়ার যায় সে বিষয়ে শেখানোর চেষ্টা করেছি। 
তার সুস্থ হওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণা ছিল তাঁর পরিবার। তার অবস্থার উন্নতির এক সপ্তাহ পরে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে ভিডিও চ্যাটের মাধ্যমে প্রথম তিনি তার সন্তানকে দেখেছিলেন ।তখন তাকে আইসিইউ থেকে বের করে একটি সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছিলো৷ 

রাজু সরকার স্ট্রেইট টাইমসকে বলেন,
"আমার ছেলে যখন ঘুমাচ্ছে তখন আমি তাকে ফোন করতে পারি না। তিনি আরও বলেন, বাচ্চা তার মুখ দেখলেই কান্না থামিয়ে দেবে। 
নার্সরা বলেছে যে তিনি সবসময় তার ফোনে তার পরিবারের ফটো দেখেন এবং ঘন ঘন বাড়িতে কল করেন।

রাজু সরকার বলেন, "আমি আমার ছেলে ও স্ত্রীকে দেখতে চাই ... আমি (আশা করি) তিন বা চার মাসের মধ্যে (বাড়িতে) যেতে পারবো৷
তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার পুরোপুরি সুস্থ হবার এখনো দীর্ঘ পথ বাকি৷ 

তিনি এখন দুই মাসের জন্য মেডিকেল ছুটিতে রয়েছেন এবং ফলোআপ ভিজিটের জন্য তাকে হাসপাতালে ফিরতে হবে।

যখন তিনি কাজ শুরু করার জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত হবেন, তখন তার নিয়োগকর্তার সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা করা হবে।সিনিয়র নার্স ম্যানেজার ম্যাগডালেন লিম, যিনি তার দেখাশুনা করা নার্সদের মধ্যে একজন ছিলেন, রাজু যখন হাসপাতাল ছেড়েছিলেন, তখন তিনি বিদায় জানাতে গিয়ে তার সুস্থ হওয়া সম্পর্কে বলেন,"এটি একটি সুন্দর সাফল্যের গল্প। তিনি খুব পরিশ্রমী রোগী ছিলেন।"
হাসপাতাল ছাড়ার সময় রাজু সরকার সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেন,"আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

আশাশুনি থানায় বিশেষ অভিযানে ৬ জুয়ারী আটক

আশাশুনি থানায় বিশেষ অভিযানে ৬ জুয়ারী আটক





আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি( সাতক্ষীরা)  প্রতিনিধিঃ  আশাশুনি থানায় বিশেষ অভিযানে ৬ জুয়ারী আটক হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, পিপিএম(বার) দিক নির্দেশনায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, দেবহাটা সার্কেল শেখ ইয়াছিন আলী তত্ত্বাবধানে এবং আশাশুনি থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ  মোহাম্মাদ গোলাম কবির এর নেতৃত্বে আশাশুনি থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে শনিবারে এসআই(নিঃ)হাসানুজ্জামান, এসআই (নিঃ) ফরিক জুয়েল রানা ও এএসআই (নিঃ)  কবির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স এর সহায়তায় গোপন সংবাদরে ভিত্তিতে প্রকাশ্যে টাকার বিনিময়ে তাস দ্বারা জুয়া খেলার অপরাধে মধ্যম একসরাগ্রামের মুজিবর মোল্লার পুত্র, আসামী ১. মোঃ সাইফুল মোল্লা (২২), একই গ্রামের মাজেদ মোল্লার পুত্র পিতা- ইস্রাফিল আলম  ময়না (২৬), একই গ্রামের আজিজ মোল্লার পুত্র  আরিফুল ইসলাম (২৩), একই গ্রামের শহিদুল ইসলাম গাজী পুত্র শরিফুল ইসলাম (২৭), গফফার গাজীর  আলমগীর গাজী (২৮), কালিপদ দাসের পুত্র মহানাথ দাশ (২৮), পিতা-কালিপদ দাশ, উভয় আসামিদেরকে মধ্যম একসরা গ্রামের জনৈক মোঃ সাইফুল মোল্লা (২২), পিতা-মুজিবর মোল্লা এর বসত ঘরের ভিতর, হইতে হানেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসংক্রান্তে থানায় জুয়া আইন এর ১৭(৬)২০২০ মামলাটি রুজু করা হয়।আসামীদেরকে বিচারার্থে ইং-২৭/০৬/২০২০ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

মাধবপুরে করোনার মধ্যেও থেমে নেই জুয়াড়িদের জুয়া খেলা,

মাধবপুরে করোনার মধ্যেও থেমে নেই জুয়াড়িদের জুয়া খেলা,




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

বিশ্ব মহামারী  করোনা ভাইরাসে জনসাধারণ যখন ভয়ে আতঙ্কিত  আর এদিকে সুযোগ সন্ধানী জুয়াড়িরা ২০ জন ৩০ জন এক সাথে মিলে জুয়া খেলা চালিয়ে যাচ্ছে। সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের  বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন বসছে জুয়ার আসর। এলাকাবাসী বারবার বাধা দিলেও মানছেনা জুয়াড়িরা ।ফলে এলাকার অনেক যুবক জুয়া খেলে আজ পথে বসার উপক্রম।

জানা গেছে,জুয়া খেলার স্থান ধর্মঘর হাইস্কুলের  মাঠের সাইডে,পুকুরপাড় সহ প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পিছনে ঝোপঝাড়ের ভিতরে এবং পুরাতন বিজিবি ক্যাম্পের সাথে রানার পুকুরপাড়ে ও চেয়ারম্যান এর পরিত্যক্ত মিলের ভিতরে বিভিন্ন জায়গায় বসে জুয়ার আসর। এই এলাকার কয়েকটি গ্রামের তরুণ যুবকদেরকে একত্রিত করে জুয়া খেলার আসর বসিয়ে অবৈধ পন্থায় হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কিছু অসাধু ব্যাক্তিরা।

জানা যায়,মাধবপুর থানার কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর মোরশেদুল আলম মাঝে মধ্যে জুয়ার আসর গুলোতে অভিযান অব্যাহত রাখলেও  দুই এক দিন বন্ধ থাকে পরে আবার লোক নিয়োগ করে পাহারার মাধ্যমে যেই সেই জুয়ার আসর বসানো হয়। সমাজ সেবক ও ধর্মঘর হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজী লোকমান ভূঁইয়া বলেন- আমি অনেক বার জুয়াড়িদের ধাওয়া দিয়েছি জুয়াড়িরা উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়, এবং যে স্থানে বসে জুয়া খেলা হয় সেই স্থানের আশেপাশে ভারতীয়,

 ফেনসিডিলের খালি বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়। জুয়া খেলার জন্য বার বার সতর্ক করার পরও থেমে নেই জুয়া খেলা প্রকাশ্যে জুয়া খেলার আসর বসানো হচ্ছে। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে জুয়া খেলার ফলে নানা রকম অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে যুবকরা। এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

জলঢাকায় ফোর লেন রাস্তার দাবীতে অধিকার সচেতন নাগরিকসহ উপজেলা বাসির মানববন্ধন

জলঢাকায় ফোর  লেন রাস্তার দাবীতে অধিকার সচেতন নাগরিকসহ উপজেলা বাসির মানববন্ধন





মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি: 

মোদের দাবী একটাই ফোরলেন রাস্তা চাই” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে জলঢাকা পৌরসভার প্রাণ কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু চত্বরে মানববন্ধন করেছেন অধিকার সচেতন নাগরিক সহ উপজেলাবাসী।  শনিবার বঙ্গবন্ধু চত্বরে সকাল   মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠানে জলঢাকা পৌরভার সাবেক মেয়র ইলিয়াস বাবলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, সাবেক পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু, আওয়ামীলীগ নেতা এ কে আজাদ, শ্রমিকলীগ নেতা শাহিনুর রহমান, যুবলীগ নেতা লাভলুর রশিদ, সফিকুল ইসলাম পলাশ, কাউন্সিলর ফজলুল হক হলাই, শিক্ষক নাহিদ পারভেজ পাভেল, ছাত্রনেতা মিল্লাত, রড ফারুক প্রমূখ। এসময় উপস্থিত অধিকার সচেতন নাগরিকের সদস্যরা বলেন, অবিলম্বে রংপুর পাগলাপীর থেকে জলঢাকা ডালিয়া হয়ে পাটগ্রাম বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত ফোরলেন রাস্তা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সচেতন নাগরিকের এ আন্দোলন অব্যাহত থাকিবে। মানববন্ধনে সাবেক এমপি গোলাম মোস্তফা বলেন, রংপুর, লালমনিরহাট বুড়ীমারী হয়ে ১৩৫ কিলোমিটার আর রংপুর-পাগলাপীর জলঢাকা হয়ে বুড়ীমারী ৯০ কিলোমিটার। সেক্ষেত্রে রাস্তা যেদিকে কম সেদিকেই হবে। এতে সরকারের কয়েকশত কোটি টাকা বাচঁবে বলে উল্লেখ করেন। একটি রাস্তা একটি জনপদের সম্পদ সেটাকে কতিপয় সুবিধা বাদীরা লালমনিরহাট দিয়ে স্থাপনের ষড়যন্ত্র করছে। যা বোদগম্য নয়। যেখানে একটি স্থল বন্দরের প্রশ্ন সেখানে ব্যক্তিগত দলাদলি না করে দেশের জাতীয় স্বার্থ প্রাধান্য দিয়ে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখা দরকার। সবার সহযোগিতা কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা সাবেক মেয়র ইলিয়াস হোসন বাবলু।

দূর্নীতি ও সামাজিক অসংগতির বিরুদ্ধে আপোষহীন এক সংগ্রামী সৈনিক, প্রতিবিপ্লবী এম এস আই টুটুল ভাই

দূর্নীতি ও সামাজিক অসংগতির বিরুদ্ধে আপোষহীন এক সংগ্রামী সৈনিক, প্রতিবিপ্লবী   এম এস আই টুটুল ভাই





দাইয়ানুর রহমান মিষ্টারনুরঃ

২০১৩ এর দেশজুড়ে নাশকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে সংগ্রাম করে টিকে থাকা পদ পদবীহীন এক নিবেদিত আওয়ামী কর্মী। 
জননেত্রী শেখ হাসিনার দূর্নীতি ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যায় বাস্তবায়নের একজন সহযোদ্ধা হিসেবে আত্মনিয়োগ করা এই টুটুল ভাই ইতি মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের অধিকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
জনগনের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত ও সামাজিক অসংগতির বিরুদ্ধে কাজ করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র সম্মুখীন হয়েও নির্ভীকতার সাথে ছুটে চলা এই  সফল সংগ্রামী এটাই  প্রমান করেছেন যে, সমাজের দ্বায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে দলীয় পদ পদবী, সাংবাদিকতা বা বিশেষ কোন পরিচয়ের প্রয়োজন হয় না। সৎসাহস আর আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতেই সকল অপশক্তির দমন সম্ভব। 

আমি ও আমরা সকল যুবসমাজ সর্বদা টুটুল ভাইয়ের সার্বিক সহোযোগিতায় থাকবো এবং তার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি।

দেশে আজ করোনায় মুত্যু- ৩৪

দেশে আজ করোনায় মুত্যু- ৩৪




স্টাফ রিপোর্টারঃ ( ২৭ জুন) ২৪ ঘণ্টায় ১৫১৫৭ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত ৩৫০৪। দেশে করোনায় আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১৬৯৫
।দেশে  করোনায় দেশে মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৮ জন।২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ১১৮৫ করোনা রোগী, মোট সুস্থ ৫৪৩১৮।এ পর্যন্ত পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত ২৩.১২ শতাংশ


আশাশুনিতে উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকিমের পক্ষে মাক্স বিতরণ

আশাশুনিতে উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকিমের পক্ষে মাক্স বিতরণ




আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি ( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:


আশাশুনিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম এর পক্ষ থেকে ভ্যান শ্রমিক ও দোকানদারদের মাঝে মাক্স বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে আশাশুনি সদরসহ বিভিন্ন স্থানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এ মাক্স বিতরণ করেন। মাক্স বিতরণকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু বলেন, সম্প্রতি মরণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনসাধারণকে সচেতন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য উপজেলা ব্যাপী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিমের নেতৃত্বে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া তিনি আরও বলেন, করোনা ও আম্ফান মোকাবেলায় মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামীতে ফ্রি মেডিকেল টিমের মাধ্যমে মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হবে। এ সময় যুবলীগ নেতা ও আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি এম এম সাহেব আলী, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিএম আলাউদ্দীন, রিপোর্টার্স ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আহসান উল্লাহ বাবলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

আশাশুনিতে কোভিভ-১৯ নভেল করনা ভাইরাসের উপসর্গে মৃত ব্যক্তির দাফন সম্পন্ন

আশাশুনিতে কোভিভ-১৯ নভেল করনা ভাইরাসের উপসর্গে মৃত ব্যক্তির দাফন সম্পন্ন




আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি  ( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

আশাশুনিতে কোভিড-১৯ নভেল করোনা ভাইরাসের উপসর্গে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত শেখ সোহরাব আলীর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় তার মৃতদেহ খুলনা থেকে নিজ গ্রাম দরগাহপুরে পৌঁছায়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দরগাহপুর কলেজিয়েট বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ শেখ আবদুস সবুর। জানাজার নামাজ শেষে তাকে তার নিজস্ব পারিবারিক কবরস্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক প্রশাসনিক দাফন টিমের মাধ্যমে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। মৃত শেখ সোহরাব আলীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি জুন মাসের শুরুতে তার কর্মস্থান মানিকগঞ্জের আরিচায় যোগদান করেন। যোগদানের এক সপ্তাহপরে তিনি অসুস্থ হয়ে সেখানে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। পরে তাকে মানিকগঞ্জের উথলি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা পরীক্ষা করার জন্য নমুনা প্রদান করেন। রিপোর্ট আসার পূর্বেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। শারীরিক অবস্থা অবনতির কারণে তার পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খুলনায় নিয়ে আসা হয় এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়। ঢাকা রিপোর্ট পেতে দেরি হাওয়ায় গত ২২শে জুন তার আবারও খুলনা মেডিকেল কলেজে করোনা পরীক্ষা করার জন্য নমুনা প্রদান করা হয়। গত ২৪ তারিখে মানিকগঞ্জ এবং খুলনার রিপোর্টে তার করোনা পজেটিভ আসে। তার পরিবার সূত্রে আরো জানাগেছে, শেখ সোহরাব আলী হার্ট জনিত রোগে উচ্চরক্তচাপে ভুগছিলেন। এদিকে করোনা ভাইরাজে মৃত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকায় পাশের পাঁচ সদস্যের একটি বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলী রেজা। দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী, আশাশুনি থানার এস আই মামুন হোসেন, এ এস আই মোকাদ্দেস হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স, উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল গফফার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তফা, গ্রাম পুলিশ বৃন্দ ও আত্মীয়-স্বজন জানাজা নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

ইকো নেটওয়ার্ক জবি টিমের উদ্যোগে ওয়েব সেমিনার অনুষ্ঠিত

ইকো নেটওয়ার্ক জবি টিমের উদ্যোগে ওয়েব সেমিনার অনুষ্ঠিত





জবি প্রতিনিধিঃ
ইকো নেটওয়ার্ক দ্বারা সংগঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জলবায়ু ও দুর্যোগ স্টাডি ইউনিট (জেএনইউ-সিডিএসইউ) এবং ঢাকা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (ডিআইডিএম) এর যৌথ উদ্যোগে "Nature, Ecosystem services and Hazards: Sustainable Approach" বিষয়ের উপর ওয়েব সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


২৬ জুন (শুক্রবার) রাত ৮ টায় সেমিনারটি শুরু হয় যা ইকু নেটওয়ার্ক এর অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে লাইভে সম্প্রচার সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ অনুষ্ঠিত হ‌য়। (https://www.facebook.com/econetwork.org/videos/265457981377708/)


অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে আরও ছিলেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল কাদের। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ইকু নেটওয়ার্কের সদস্য তাহযিবা মাসুদ (সাফা)।



উক্ত ওয়েব সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের  ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা এই করোনা মহামারীকে বিভিন্ন ভাবে ফেস করছি এর মধ্যে একটা হচ্ছে আমরা অনেকেই মনে করছি প্রকৃতির মধ্যে পরিবর্তন আসছে।  আমরা যদি মনে করি এই পেন্ডেমিক প্রকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের জোগান দিচ্ছে এটার এক ধরনের ভিন্ন ব্যাখ্যা আছে! আমরা কেউ কেউ বলছি আমাদের বাতাসের শহরকেন্দ্রিক দূষণ কমে যাচ্ছে, এটি ঠিকে রয়েছে কিন্তু আমরা যদি বাংলাদেশের উদাহরনের দিকে যদি দেখি তাহলে শহর কেন্দ্রিক মানুষ গুলো যখন গ্রামে যাচ্ছে তাহলে গ্রামের  ইকোসিস্টেমের উপর এর প্রভাব পরছে। আমরা হয়তো শহরের পরিবেশ একটু ভালো পাচ্ছি কিন্তু গ্রামের মানুষের বেড়ে যাবার কারণে গ্রামের ইকোসিস্টেমের উপর  এর প্রভাব পরছে। সুতরাং এটা পজিটিভ ভাবার কোনো কারন নাই কেননা যদি কোনো সময় মহামারীর পাশাপাশি দূর্ভিক্ষ হয়। তাহলে মানূষ তখন আর প্রকৃতি প্রেমিক থাকবে নাহ তখন মানুষ বাঁচার জন্য বায়োডাইভারসিটি  নষ্ট করে ফেলবে। তখন মানুষের বেঁচে থাকাই হবে মুখ্য বিষয় । সুতরাং এই অবস্থা এটা বলা যাবে নাহ পেন্ডেমিক আমাদের পরিবেশে যেটা ভারসাম্য করছে সেটা দীর্ঘস্থায়ী হবে। যদিও প্রাকৃতিক পরিবেশ সুস্থ হচ্ছে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকার জন্যে তারপরও যদি মহামারীর সাথে দূর্ভিক্ষ দেখা দেয় তাহলে এটা আমাদের জন্য রক্ষা করা অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়ে পরবে। তিনি আরো বলেন, করোনা মহামারীর পাশাপাশি দূর্ভিক্ষ দেখা দিলে মানুষ আর প্রকৃতি প্রেমিক থাকবে না।


অপর বক্তা ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে পরিবেশকে ক্ষতির দিকে ঠেলে দিচ্ছি কিন্তু এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি হচ্ছে আপনি পরিবেশের যে সব জিনিসের উপর নির্ভর করছেন আর পরিবেশ যা আপনাকে জোগান দিচ্ছে সেগুলো ব্যবহার করার সময় যেনো পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয়। আমরা জানি সম্পদ দুই প্রকার নবায়নযোগ্য ও অনবায়ন যোগ্য। নবায়নযোগ্য সম্পদ আমরা ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারি কিন্তু অনবায়নযোগ্য সম্পদ ইচ্ছা মতো ব্যবহার করতে পারবো নাহ  কেননা অনবায়নযোগ্য সম্পদ সীমিত। অনাবায়নযোগ্য সম্পদকে নষ্ট করে ফেললে এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি আর থাকে নাহ। পরিবেশের দূষন কে কমিয়ে যদি পরিবেশকে তার ঠিক জায়গায় রাখা যায় সেটিই হবে এনভায়রোন মেন্টাল সাস্টেইনএবলিটি । এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটির সাথে পাবলিক হেলথ এর একটা বড় সম্পর্ক রয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছে এটি প্রানী থেকে এসে মানুষের দেহে সংক্রমিত করে মানুষকে আক্রান্ত করছে । আমরা প্রানিদের হ্যাবিটেট গুলো নিজেদের প্রয়োজনে ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা চিন্তা না করে ধবংস করে দিতেছি। এসব কারনেই জুনোটিক পেন্ডেমিক গুলো আসছে। কখনো বলা হয়ে থাকে ১০০ বছর পর পর এই মহামারী গুলো হচ্ছে। আমরা এখন সেই মহামারীর মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন পরিবেশকে দূষন মূক্ত করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে চাইলে আমাদের মানুসিক পরিবর্তন আনতে হবে । আমাদের মধ্যে যারা সমার্থ্যবান আছে তাদের চেষ্টা করতে হবে পরিবেশকে দূষণ না করে যে পন্য (অরগানিক প্রোডাক্ট) গুলো আছে সেগুলো বেশি করে  উৎপাদন করতে হবে।


উল্লেখ্য যে, ইকো নেটওয়ার্ক পরিবেশ সংক্রান্ত তরুণদের নিয়ে একটি ভলেনটিয়ার অর্গানাইজেশন। ওয়েব সেমিনারে প্রকৃতি, ইকোসিস্টেম ও দূর্যোগ এই তিনটার সাথে সম্পর্ক করে কীভাবে পরিবেশেকে সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায় এবং দূর্যোগের সময় সহাবস্থান নিশ্চিত করা যায় এইসব বিষয়সমূহ উপস্থাপন করা হয়। চলমান করোনা মহামারির সময়ে পরিবেশগত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করতেই আয়োজন করা হয়েছিলো এই ওয়েব সেমিনারটি।

আত্রাই কালীগঞ্জ সড়কের বেহাল দশা,দেখার কেউ নেই

আত্রাই কালীগঞ্জ সড়কের বেহাল দশা,দেখার কেউ নেই



মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

 নওগাঁর আত্রাই-কালীগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

আত্রাই থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার রাস্তার প্রায় সব জায়গাতে কার্পেটিং উঠে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে।

এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সামান্ন বৃষ্টি হলেই ওই গর্তগুলোতে পানি জমে যাওয়ায় আর যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ফলে সড়টি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, আত্রাই-কালীগঞ্জ সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এ সড়ক দিয়েই যেতে হয় পতিসর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত তার কুঠিবাড়িতে। যেটি এখন প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। যেখানে প্রতিনিয়ত পর্যটকদের রয়েছে আসা-যাওয়া।

এছাড়াও আত্রাই থেকে বগুড়ার সাথে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা আত্রাই- কালীগঞ্জ সড়ক।
এদিকে উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ি, সোনাইডাঙ্গা, বাঁকা, মনিয়ারী ইউনিয়নের কচুয়া, পালশা, নওদুলী, দিঘীরপাড়, মস্কিপুরসহ ওই এলাকার অর্ধশতাধিক গ্রামের লোকজনের উপজেলার সাথে যোগাযোগের জন্য এ সড়কের বিকল্প নেই।

এলাকার হাজার হাজার জনগণকে বিভিন্ন প্রয়োজনে এ সড়ক দিয়ে উপজেলা সদরে আসতে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিশেষ করে কোন রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসতে তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে সুস্থ লোকও এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এছাড়াও প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় অনেক দুর্ঘটনা।
আত্রাই সিএনজি স্ট্যান্ড মাস্টার রাজু বলেন, আত্রাই রেলওয়ে স্টেশন হতে কালীগঞ্জ হয়ে বগুড়া এ রুটে প্রতিদিন শতাধিক সিএনজি চলাচল করে। বেশ কয়েক বছর থেকে এ সড়কের বেহাল দশা হয়ে রয়েছে। আমাদের সিএনজি চালকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সড়কে সিএনজি চালান।

রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত হওয়ায় ওই জায়গাগুলোতে বিভিন্ন সময় ভটভটি, অটোরিক্সা ও সিএনজি উল্টে গিয়ে অনেকে আহতও হয়েছেন। জনদুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।
উপজেলার নওদুলী গ্রামের আলহাজ শফির উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন কাজে আমাদের প্রতিনিয়ত উপজেলায় যাতায়াত করতে হয়। সড়কটির এ বেহাল দশা হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই আমাদের চলাচল করতে হচ্ছে।
নওগাঁ এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোবারক হোসেন বলেন, আত্রাই-কালীগঞ্জ সড়কের সংস্কার কাজের দরপত্র আহবান করা হয়েছে। ঠিকাদারও নির্বাচন হয়েছে।

বর্ষাকাল শেষ হলেই কাজ শুরু করা হবে। তিনি বলেন, এবারে এ সড়ক প্রস্তে আরও বাড়ানো হবে এবং টেকসই রাস্তা নির্মাণ করা হবে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বৃক্ষ সঞ্চয়ের চাবিকাঠি হিসেবে উপকার দেয়

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বৃক্ষ সঞ্চয়ের চাবিকাঠি হিসেবে উপকার দেয়




 দিনাজপুর প্রতিনিধি॥ ২৭ জুন শনিবার দিনাজপুর শহরের জামাইপাড়া আপন ঠিকানা সংলগ্ন আলোহা সোসাল সার্ভিসেস বাংলাদেশ (এএসএসবি) এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ আলী এন্ড ফয়জুন নেছা মেমোরিয়াল হাই স্কুলে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বনজ, ফলজ ও ঔষধী গাছের চারা বিতরণ করা হয়। 
আলোহা সোসাল সার্ভিসেস বাংলাদেশ (এএসএসবি) এর নির্বাহী পরিচালক মিনারা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা ত্রাণ কমিটির আহবায়ক মোঃ আলতাফুজ্জামান মিতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম  সাধারন সম্পাদক ও জেলা ত্রাণ কমিটির সদস্য সচিব মোঃ ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র মোঃ মনিরুজ্জামান জুয়েল, দিনাজপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সবুর, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও পিপি এ্যাডঃ রবিউল ইসলাম রবি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ শাহজাহান নভেল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম লিটন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রদীপ ঘোষ, ছাত্রলীগ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক গোলাম ইমতিয়াজ ইনান, সদস্য জয়ন্ত ঘোষ। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিরা লাল রাম। সভায় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখার পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং কমিটির কমিটির সভাপতি মিনারা বেগমকে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়। বক্তারা বলেন, বৃক্ষ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বৃক্ষ সঞ্চয়ের চাবিকাঠি হিসেবে উপকার দেয়। যেমন ফল আমাদের দেহের পুষ্টি বৃদ্ধি করে ঠিক তেমনি ঔষধী গাছ চিকিৎসা ও ঔষধ তৈরী ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে। গাছ বিপদের সময় প্রকৃত বন্ধুর মত আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রতিটি মানুষকে অন্তত ৩টি করে গাছ লাগানো প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখা এ কর্মসূচী প্রতিটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

দিনাজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাকের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কার্য সম্পন্ন: ইকবালুর রহিমের শোক

দিনাজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাকের রাষ্ট্রীয়  মর্যাদায় দাফন কার্য সম্পন্ন: ইকবালুর রহিমের শোক




দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ দিনাজপুর শহরের নিমনগর বালুবাড়ী নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মৃত্যুকালে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধার বয়স হয়েছিল ৭৩ মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র ১ কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। 
বালুবাড়ী পানির ট্যাংকি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজের পূর্বে দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এইচ এম মাগ্ফুরুল হাসান আব্বাসির নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করেন। জানাজার নামাজ ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান শেষে শহরের শেখ জাহাঙ্গীর কবরস্থানে মরহুম বীল মুক্তিযোদ্ধার দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনাসহ শোকসন্তোপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। 
বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাকের জানাজার নামাজ ও দাফন কার্যে রাজনৈতিক সামাজিক সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে। 

বাংলাদেশ ভারত মৈত্রি অটুট থাকুক শ্লোগান নিয়ে দিনাজপুরে মানববন্ধন পালন

বাংলাদেশ ভারত মৈত্রি অটুট থাকুক শ্লোগান নিয়ে দিনাজপুরে  মানববন্ধন  পালন




দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ 
দিনাজপুর > বাংলাদেশ ভারত মৈত্রি অটুট থাকুক শ্লোগান নিয়ে দিনাজপুরে মানব বন্ধন করেছে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি ।

আজ শনিবার সকালে  প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি দিনাজপুর জেলা শাখার ব্যানারে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিসহ সংগঠনের সদস্যরা। ’ ৭১ মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সরকার এবং সেনাবাহিনীর আত্বত্যাগ এবং অবদানের কথা স্মরন করেন অংশ গ্রহনকারিরা। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক অটুট থাকার পক্ষে বক্তব্য রাখেন।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটির জেলা কমিটির আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক সরকার, সদস্য সচিব রতন সিং,  হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা কমিটির সভাপতি সুনীল চক্রবর্তী, পূজা উৎযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক উত্তম রায় এবং এ্যাডভোকেট সৈকত পালসহ অন্যান্যরা।

আলহাজ্ব এম,এ সাত্তার খান সাহেবের অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

আলহাজ্ব এম,এ সাত্তার খান সাহেবের  অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ



এস কে সুমন  মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 
 কোভিড ১৯ করোনা ভাইরাস মহামারীর কারনে গরীব, অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে আলহাজ্ব এম এ সাত্তার খান সাহেবের সাহায্যে  ত্রান বিতরণ করা হয়। মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানাধীন বলধারা ইউনিয়নে প্রায় ২৫০ পরিবারের উপর ৫ কেজি চাউল,  ৩ কেজি আলু,  ১ কেজি ডাউল , ১ লিটার সয়াবিন তৈল দেওয়া হয়। বড় কালিয়াকৈর (বাংগালা বাজার) জামে মসজিদে পবিত্র জুম্মার নামাজ শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করা হয়। ঠিক একই সময়ে ছোটকালিয়াকৈর বিশ্বাস পাড়া জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া শেষে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। উক্ত সময়ে উপস্হিত ছিলেন -- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সম্মানিত আহবায়ক মোঃ জামিল উদ্দিন মনি, ডাঃ দিলাল উদ্দিন আহমেদ, সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি), বলধারা ইউনিয়ন শাখা, মোঃ রবিউল ইসলাম রিটু,সাংগঠনিক সম্পাদক বিএনপি বলধারা ইউনিয়ন শাখা, মোঃ তজু সরদার  সভাপতি বিএনপি  ৯ নং ওয়ার্ড বলধারা ইউনিয়ন শাখা, মোঃ ছানোয়ার হোসেন ছানু সরদার সাধারণ সম্পাদক বিএনপি ৯ নং ওয়ার্ড বলধারা ইউনিয়ন শাখা, মোঃ কহিনুর রহমান সভাপতি ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি বলধারা ইউনিয়ন শাখা, মোঃ আবু সাঈদ বিশ্বাস সভাপতি বিএনপি ৭ নং ওয়ার্ড বলধারা ইউনিয়ন শাখা, মোঃ দারোগালী শিকদার কোষাধ্যক্ষ বিএনপি ৭ নং ওয়ার্ড বলধারা ইউনিয়ন শাখা,  মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, মোঃ দেলোয়ার হোসেন,  যুবদল নেতা বলধারা ইউনিয়ন শাখা সহ আরো অনেক নেত্রীবৃন্দ। উল্লেখ্য -- আলহাজ্ব এম, এ সাত্তার খান সিংগাইর থানার সকল স্কুল, কলেজ, মসজিদ,মাদ্রাসার উন্নয়নে অনুদান দিয়ে থাকে।

সার্বিক  তত্তাবধানে ছিলেন-- এড্যাভোকেট মুস্তাফিজুর বিশ্বাস মিলন, সদস্য সচিব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, মানিকগঞ্জ জেলা শাখা।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত




মো: আ: হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

ছোট্ট বেলার সেই দিনগুলি, মার্বেল ঘুড়ি আর ডাংগুলি। মনে পড়ে শুধু মনে পড়ে, পাবো কি আর সেই দিন ফিরে…..। শৈশবের স্মৃতি জড়ানো এমন শ্রুতি মধুর গানের কথার মতোই  করোনাকালে ঘরবন্দী নানান পেশার মানুষ অবসর সময়ে ঘুড়ি উড়িয়ে অনেকেই সেই শৈশবে ফেরার চেষ্টা করছেন।করোনার ভয়াবহতা বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের দৃশ্যপট। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটে চলা মানুষ এখন গৃহবন্দি। নিরাপদে থাকতে স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সেই সঙ্গে বন্ধ সব আউটডোর খেলাধুলা। আর এই লম্বা ছুটিতে বাঙালির ঐতিহ্য রঙিন ঘুড়ি নিয়ে মেতে আছেন টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলের তরুণ প্রজন্মসহ বিভিন্ন বয়সি মানুষ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অনেকেই একসঙ্গে খোলা মাঠ, বিল, ঝীল কিংবা বাড়ির ছাদে বিভিন্ন প্রজাতির ঘুড়ি উড়াতে দেখা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কুড়ালিয়া গ্রামের যুবসমাজের উদ্যোগে শনিবার(২৭জুন) সকালে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করে এবং প্রত্যেক প্রতিযোগির মুখে মাস্ক পড়া বাধ্যতামুলক করে এই ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে উৎসুক লোকজন এই ঘুড়ি প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করেন।  টাঙ্গাইল শহর হতে শুরু করে, জেলার প্রায় সব উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ঘুরে দেখা যায়, বিকেল হলেই যেনো মুক্ত আকাশে চলছে ঘুড়ির মেলা। আকাশে বাতাসের সাথে তাল মিলিয়ে উড়ছে নানা রঙের নানা ধরনের ঘুড়ি। বিভিন্ন বাসাবাড়ির ছাদেও চলে ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা। করোনাকালীন অবসাদ দূর করার এক সুস্থ বিনোদন।
ঘুড়ি উড়ানো অনেক প্রতিযোগি বলেন, শৈশবে বন্ধুদের নিয়ে বর্ষার বিকেলে রং বাহারি ঘুড়ি উৎ্সবে মেতে উঠতাম। একেকটা ঘুড়ির ভিন্ন ভিন্ন নাম রাখতাম। কখনো কখনো ইচ্ছে করেই একটি ঘুড়ির সুতা দিয়ে অন্যটির সুতা কেটে আনন্দে মেতে উঠতাম। কিন্তু যান্ত্রিকতা আর কর্মজীবন আমাদের কাছ থেকে শৈশবের সব কিছু কেড়ে নিয়েছে। করোনা সংক্রমণ এড়াতে কলেজ বন্ধ রয়েছে। তাই এ সুযোগে শৈশবের সেই পুরোনো স্মৃতিতে ক্ষণিকের জন্য ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছি। যদিও পুরোনো সেই বন্ধুরা এখন আর পাশে নেই। করোনার অবসরে বর্ষার গগনে রঙিন ঘুড়ি উড়িয়ে সময় পার করতে দেখা গেছে শিশু, কিশোর, যুবক ও অনেক মধ্যবয়সীদেরকেও।

মোংলায় চিলা ইউনিয়ন এ জেলে কার্ডের চাল বিতরন শুরু

মোংলায় চিলা ইউনিয়ন এ জেলে কার্ডের চাল বিতরন শুরু





মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা।
মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে  এ শনিবার সকাল ১১ টায় নৌ বাহিনী  কন্টিনজেন্ট মোংলা ও ইউপি চেয়ারম্যান এর উপস্থিতিতে জেলে কার্ডের চাল বিতরন কার্যক্রম এর উদ্বোধন করা হয়।  

এ সময় চিলা ইউনিয়ন এর ৬ নং ও ৮নং ওয়ার্ডের  ৪০৫ পরিবারের মাঝে এ জেলে কার্ডের চাল বিতরন করা হয়।প্রতি পরিবারকে ৫৬কেজি করে চাল বিতরন করা হয়।    

জেলে কার্ডের চাল বিতরন কার্যক্রম শুরু করার পূর্বে চিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন বলেন আমার ইউনিয়ন এ মোট ১৮০০ জেলে  পরিবারের মাঝে এ জেলে কার্ডের  চাল বিতরন করা হবে।আজ প্রথম দিন ৬ ও ৮ নং ওয়ার্ডের  ৪০৫ পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরন করা হচ্ছে পর্যায়ক্রমে পত্যেক ওয়ার্ড এ জেলে কার্ডের চাল বিতরন করা হবে।

এসময় তিনি  করোনার সংক্রমণ এর হাত থেকে বাচতে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন। সবাইকে মাক্স ব্যাবহার করার ও সামাজিক দুরত্ব   বজায় রেখে চলাফেরা করার অনুরোধ করেন।  

জেলে কার্ডের চাল বিতরন কার্যক্রম শেষে  মোংলা নৌ বাহিনী  কন্টিনজেন্ট  এর পি,টি অফিসার মোঃকবির হোসেন বলেন আজ চিলা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ৪০৫পরিবার এর মাঝে জেলে কার্ডের চাল বিতরন করা হয়।

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিমা নামের (৮) বছরের শিশু নিহত

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিমা নামের (৮) বছরের শিশু নিহত




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ট্রাকচাপায় রিমা খাতুন (৮) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের বলিদাপাড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রিমা খাতুন বলিদাপাড়া গ্রামের লিটন হোসেনের মেয়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ সড়কের পাশেই দাঁড়িয়েছিল রিমা। দ্রুতগতিতে আসা যশোরগামী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রিমাকে চাপা দিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যায় রিমা।

কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিশু রিমার মৃতদেহ উদ্ধার করে। কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার কন্ঠ টোয়েন্টিফোর এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার কন্ঠ টোয়েন্টিফোর এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত




এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নূরনগর সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়ে,জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার কন্ঠ টোয়েন্টিফোর পত্রিকার সাফল্যের ২ বছর পেরিয়ে ৩ বছরে পদার্পন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
আজ শুক্রবার  বিকাল ৩টায় 
নূরনগর সাংবাদিক ফোরাম অফিসে। 
জনপ্রিয় আওয়ার কন্ঠ নিউজ পোর্টালের স্টাফ রিপোর্টার ও নূরনগর সাংবাদিক ফোরামের সম্মানিত সভাপতি হেফজুল বাহারের সভাপতিত্বে ও আওয়ার কন্ঠ নিউজ পোর্টালের স্টাফ রিপোর্টার এস.এম অলিউল্লাহ'র সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 এসময় আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নূরনগর সাংবাদিক ফোরামের সাধারন সম্পাদক, নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্য ও দৈনিক আলোর জগত পত্রিকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি মনির হোসেন,দৈনিক আজকের প্রভাত পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  খায়রুল এনাম,নূরনগর সাংবাদিক ফোরামের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও নবীনগর টিভির সাংবাদিক জুয়েল রানা,নুরনগর টিভির সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র পত্রিকার  নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি ও নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সায়্যিদ আহমাদ রাফি,সাংবাদিক মহসিন মোল্লা,লেখক সেলিম সারোয়ার, ব্যবসায়ি আতিকুর রহমান আকাশ,

অনুষ্টানের শুরুতেই কেক কাটার মধ্য দিয়ে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার কন্ঠ টোয়েন্টিফোর পত্রিকার মঙ্গল কামনা করা সহ নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আশা ব্যক্ত করেন।

গুলবাগপুর গ্রামে বিবাহিত একাদশ ও অবিবাহিত একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

গুলবাগপুর গ্রামে বিবাহিত একাদশ ও অবিবাহিত একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত




স্টাফ রিপোর্টার: যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলাধীন ১ নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের গুলবাগপুর গ্রামে বিবাহিত একাদশ ও অবিবাহিত একাদশের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায় গত২৬শে  জুন শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় আলাউদ্দিন বিশ্বাস মডেল একাডেমি এর প্রাঙ্গণে গ্রামের বিবাহিত একাদশ ও অবিবাহিত একাদশের মধ্যে এক দুর্দান্ত ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। 


উক্ত খেলায় ২/১গোল ব্যবধানে অবিবাহিত একাদশ  বিবাহিত একাদশকে পরাজিত করেন ।উক্ত খেলায় প্রথমার্ধে অবিবাহিত একাদশ ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে শেষ করেন। বিরতির পর বিবাহিত একাদশ একটি গোল করে এক, এক গোলে সমতা ফেরান পরবর্তীতে একটি বিতর্কিত গলে অবিবাহিত একাদশ এগিয়ে যান নির্ধারিত ৬০ মিনিটের খেলায় ২/১ গোল ব্যবধানে অবিবাহিত একাদশ বিবাহিত একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। খেলা শেষে উভয় একাদশের মধ্যে একটি প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।

তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে, চরাঞ্চলে বন্যা

তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে, চরাঞ্চলে বন্যা




মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি:


ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। (২৬ জুন ও ২৭ জুন) সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল বলে জানায় নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,  (২৫ জুন) বিকেল ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও শনিবার ভোররাতের পর থেকে তা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। গত ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২৪০ মিলিলিটার। টানা দুই দিনের বৃষ্টির ফলে তিস্তাসহ জেলার সকল নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লোকালয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে আমন ধানের বীজতলার পাশাপাশি বাদামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার কারণে বিভিন্ন পুকুরের মাছ বের হওয়ার ফলে মৎস্য চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তার চরাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। উজানের ঢল সামাল দিতে খুলে দেয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট। তিস্তার বন্যায় বসতঘরে পানি ঢুকছে। চরাঞ্চলে ১০ হাজার পরিবার ইতোমধ্যে পানিবন্দী হয়ে গেছে বলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন।

ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা জানান, তিস্তার বন্যায় ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছচাঁপানী, ডাউয়াবাড়ি, গোলমুন্ডা, শৌলমারী, কৈমারীসহ ১০ ইউনিয়নের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি চর ও গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওই সকল এলাকায় বসবাসকারীদের নিরপদে উঁচু স্থানে সরে থাকার জন্য বলা হয়েছে। তিস্তার চরাঞ্চলের বাদাম ক্ষেত ও আমন ধানের বীজতলা হাঁটু থেকে কোমড় পানিতে তলিয়ে রয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার অধিকাংশ নিচু এলাকায় বন্যা দেয়া দিয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, বর্তমানে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

জলঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন প্যানেল প্রত্যাশীরা

জলঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন প্যানেল প্রত্যাশীরা





মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি: 


 সারাদেশে চলমান প্রাথমিক শিক্ষক সংকট নিরসনে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা প্যানেল প্রত্যাশীরা। জানা গেছে, ২০১৮ সালে দীর্ঘ ছয় বছরের একমাত্র সার্কুলারে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২৪ লাখেরও বেশি। আর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় মাত্র ৫৫ হাজার। যা মোট প্রার্থীর ২.৩ শতাংশ। চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয় ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে। বাকি ৩৭ হাজার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হননি। চূড়ান্ত মনোনীতদের মধ্যে অনেকেরই অন্য চাকরি হয়ে যাওয়ায় যোগদান করেনি। অনেকে আবার ৩৮ তম বিসিএস ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন রেজাল্টের অপেক্ষায় আছেন। এ ছাড়া মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা ভেঙে পড়েছে। তাই করোনা পরবর্তী এ সংকট কাটিয়ে উঠতে প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। মুজিববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ঘরে ঘরে একজন করে সরকারি চাকরি প্রদান ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা প্রণোদনা হিসেবে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল শিক্ষকদের দাবি এখন সর্বমহলে আলোচিত। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সারাদেশে ২৮ হাজার ৮৩২টি সহকারি শিক্ষকের শূন্য পদ ছিল। বর্তমানে সে সংখ্যা ৬০ হাজারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষকের এই চরম সংকট নিরসনে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন জলঢাকা উপরজেলার প্যানেল প্রত্যাশীরা। সহকারী শিক্ষক ২০১৮ প্যানেলে নিয়োগ দিয়ে নিয়োগ প্রত্যাশীদের বেকার সমস্যা দূর করার আহ্বান জানান জলঢাকা উপজেলার প্যানেল বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, নীলফামারী জেলার ৬টি উপজেলায় ৮২৭ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও চুড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্ত হন মাত্র এক-তৃতীয়াংশ প্রার্থী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষার মহাপরিচালক মহোদয়ের বক্তব্য অনুযায়ী প্রাথমিকের মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য নেই, উপস্থিত হলেই ১৪/১৫ মার্কস। তাই আমরা যারা প্যানেল প্রত্যাশী সকলেই চাকরি পাওয়ার যোগ্য দাবীদার। তিনি আরও বলেন, করোনা মহাসংকট কালে চলমান শিক্ষক সংকট দূরীকরণে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান একটি দীর্ঘ মেয়াদী সময় সাপেক্ষ ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। তাই নিয়োগ বঞ্চিত এসকল মেধাবীদের প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ দিলে একদিকে যেমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দূর হবে তেমনি নিয়োগ বঞ্চিত এসকল মেধাবীরা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।

দুই জবি শিক্ষার্থীর করোনা জয়ের গল্প

দুই জবি শিক্ষার্থীর করোনা জয়ের গল্প




জবি প্রতিনিধিঃ 
বর্তমান সময়ে এক আতঙ্কের নাম করোনা। করোনার কারণে পৃথিবীজুড়ে মানুষের প্রাণহানি ঘটছে সববয়সী মানুষের। কিন্তু করোনার সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। আজ শুনবো তেমনই দুই করোনাজয়ী জবি শিক্ষার্থীর গল্প।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটি বিভাগের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী শরীফ ইবনে ফুয়াদ। গত মে মাসে তার মা ও বাবার সাথে কোভিড-১৯ পজেটিভ সে। ফুয়াদ জানিয়েছেন তার করোনা জয়ের গল্প। ফুয়াদ লিখেছেন, 'রোজার প্রথম দিন। আম্মুর কিছুটা জ্বর আসে ৯৯ ডিগ্রির মত। এরকম ২ দিন যায় জ্বর ৯৯ থেকে ১০১ এর ভিতরেই থাকে। তার পরের দিন আমার জ্বর আসে ১০৪ এর মত।প্রথমে ভেবেছিলাম মৌসুমি জ্বর কিন্তু জ্বর আর যায় না বরঞ্চ বাড়ে। পরে চিন্তিত হয়ে আইইডিসিআর এ ফোন দেই। কিন্তু ওরা নমুনা সংগ্রহের জন্য আসার কথা জানালেও পরে আসেনি। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়রদের সহযোগিতায় ১ তারিখ বাসায় আইইডিসিআর থেকে লোক আসে এবং নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। ৬ তারিখ বিকাল ৪ টার সময় রিপোর্ট আসে। আমার এবং আমার মায়ের পজিটিভ এবং বাবার নেগেটিভ। সেই মুহুর্তে কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে যায় গোটা পরিবার। কিন্তু মনোবল ধরে রাখি। পরে আমার বড় ভাই তার কর্মস্থল থেকে ঢাকায় এসে আম্মুকে ঢাকা সিএমএইচ এ ভর্তি করিয়ে দেন। কিছুদিন পর তারও পজিটিভ আসে। প্রথমে হাসপাতালে ভর্তি হব ভাবলেও, পরে বুজতে পারলাম বাসায় চিকিৎসা নেওয়াই ভাল হবে। আমি আর আম্মু বাসায় থেকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে থাকি। বিভিন্ন ধরনের মসলা মিস্রিত গরম পানি খেতে থাকি। ভিটামিন সি ও ডি যুক্ত খাবার খেতে থাকি। এভাবেই অনেক দিন চলতে থাকি। ১৮ তারিখ রাত ৯ টার সময় ২য় টেস্ট এর রিপোর্ট আসে। সকলের দোয়ায় আমার ও আম্মুর নেগেটিভ আসে। এই খবর শুনে পরিবারের সবাই খুশি হয়। এর কিছুদিন পর আব্বুরও নেগেটিভ আসে। এখন আমার পরিবারের সবাই সুস্থ যার জন্য আল্লাহর কাছে অনেক শুকরিয়া আদায় করি। করোনা কোনো আতঙ্কের নাম নয়। মনোবল ধরে রেখে, নিয়ম মেনে চললেই সহজেই জয় করা যাবে করোনা।





পরিবারের ৭ সদস্যসহ করোনা পজিটিভ হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট স্ট্যাডিজ বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী মুশফিকুর সালেহীন ভূইয়া। সালেহীন জানিয়েছেন তাদের গোটা পরিবারের একসাথে করোনা জয়ের গল্প। সালেহীন লিখেছেন, গত ১৬ মে, ২০২০ তারিখে আমার জ্বর সহ, পুরো শরীর ব্যাথা শুরু হয়, এছাড়া শরীর খুব দূর্বল হয়ে পড়ে। সে সাথে আমার পরিবারের আরও সাতজনের একই সমস্যা দেখা দেয়। এর প্রেক্ষিতে করোনা হয়েছে এমন সন্দেহর উপর ভিত্তি করে গত ২১ মে করোনা টেস্ট করাই। টেস্টের রেজাল্ট এলো পরিবারের সবার করোনা পজিটিভ। প্রথমে সবাই ভয় পেলও, সামলে নিই, সবাই ছিলাম মানসিক ভাবে খুবই দৃঢ় । এছাড়া করোনাকে আমরা একটা সাধারণ রোগ বলে মানসিকভাবে স্থির করি। আমাদের পরিচিত কয়েকজন ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ঔষধ সম্পর্কে জেনে নেই। সাথে গরম পানির ভাপ, আদা চা এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার নেওয়া শুরু করি। এরই মধ্যে অনলাইনে আমি একটি বিজনেস কেস কম্পিটেশনে যোগদান করি এবং এটিই আমাকে করোনা যে পজিটিভ এসেছিল সেটি ভুলে থাকতে সহায়তা করে। অবশেষে আল্লাহর রহমতে গত ১২ জুন, ২০২০ তারিখে সেকেন্ড করোনা টেস্টে আমাদের সবার নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।আর আমরা পরিবারের সকলেই করোনা জয় করি। আমাদের গোটা পরিবারের করোনা জয়ের পেছনে ছিলো আমাদের তীব্র মানসিক শক্তি। আর এর জন্যে মারাত্মক ভাবে কোন অসুস্থ হওয়া ছাড়া সবাই সেরে উঠি।

আমার যে সকল উপদেশ থাকবে করোনা আক্রান্তদের জন্যঃ
১। কোন ভাবেই মানসিক দিক থেকে ভেঙ্গে পড়া যাবে না। আর যাদের বয়স ৫০ বছরে নিছে তারা আমি মনে করি কোন দ্বিধা ছাড়াই করোনা কে জয় করতে পারবেন ইনশাল্লাহ।
২। সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করতে হবে।
৩। মানসিক চাপ তৈরি হয় না, এমন কোন কাজে নিজেকে ব্যাস্ত রাখতে হবে।
৪। নিয়মিত ঔষধ নেওয়া সহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে।
৫। আক্রান্ত রোগী আবশ্যই অন্যদের থেকে আলাদা থাকবে।
আশা করি সবাই এই জিনিস মেনে চললে খুব সহজেই করোনা কে জয় করতে পারবেন। সুতরাং ভয় না পেয়ে সাবধান থাকুন। সবাই বাসায় থাকবেন,সাবধানে থাকবেন।


শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

দৈনিক নওয়াপাড়ার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, মরহুম বেলাল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

দৈনিক নওয়াপাড়ার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, মরহুম  বেলাল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায়  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত




মোঃ দেলোয়ার হোসেন, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : 
কৃতী ফুটবলার, দৈনিক নওয়াপাড়ার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মরহুম বেলাল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদজুম্মা নওয়াপাড়ার ক্লিনিকপাড়ার বায়তুল আমান জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মসজিদের ইমাম হযরত মাওলানা মুফতি জালাল উদ্দিন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মসজিদ পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা আবুল বাশার ভূঁইয়া, আবুল কাইউম, মোতওয়ালী ইকবাল হোসেন বাবু, পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, দপ্তর সম্পাদক এসএম ফারুক আহমেদ, মসজিদের মোয়াজ্জ্বিন মাওলানা মোহাম্মাদ আলী, সুমন মোগল, মোস্তাক হোসেন, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের আইসিটি সম্পাদক তারিম আহমেদ ইমন, দৈনিক নওয়াপাড়ার স্টাফ রিপোর্টার শেখ আহাদুজ্জামান নূরসহ এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা। মহামারি করোনাকালে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে ধোপাদি গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক ইসমাইল হোসেন জানান, ধোপাদি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মরহুম বেলাল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়লো অভয়নগরে ব্যাংক কর্মচারীর বাড়ি

দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়লো অভয়নগরে ব্যাংক কর্মচারীর বাড়ি




মোঃ দেলোয়ার হোসেন, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : 
অভয়নগরে নূর ইসলাম নামে এক ব্যাংক কর্মচারীর বসতবাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পুড়ে গেছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও সীমানা প্রাচীর। শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের শংকরপাশা ইসলামপাড়ায় এঘটনা ঘটে। অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ব্যাংক কর্মচারী নূর ইসলাম জানান, তিনি খুলনার অগ্রনী ব্যাংক বয়রা শাখায় পিওন পদে কর্মরত আছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে কর্মস্থল থেকে বাড়ি পৌঁছান। শুক্রবার ভোর রাতে বাবা মমজেদ আলী মোল্যার চিৎকারে ঘুম থেকে উঠে দেখেন বসতবাড়ির সামনে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ ও সীমানা প্রাচীর আগুনে পুড়ছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি। বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা আগুন দিতে পারে মর্মে শুক্রবার দুপুরে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। ব্যাংক কর্মচারী নূর ইসলামের বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনায় জড়িত সকলের শাস্তি দাবি করেছেন শ্রীধরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী। এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ঝিনাইদাহে ড্রাগন ফল চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন চাষীরা

ঝিনাইদাহে ড্রাগন ফল চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন চাষীরা





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 




ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চাষীরা দেশী ফল চাষের পাশাপাশি ড্রাগন ফল চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। এর মধ্যে  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁচড়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ৭০-৮০ বিঘা জমিতে পেয়ারা, লিচু, আম, বরই সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলের সাথে বিদেশী ফল ড্রাগনের চাষ হচ্ছে।
কালীগন্জ উপজেেলায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০ জন চাষী ড্রাগন চাষের সাথে যুক্ত আছেন।
চাষী সুরোত আলী জানান, তিনি প্রথমে ১২ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করেন। ফলন ভালো হওয়ায় ১২ বিঘা থেকে বাড়িয়ে ১৭ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করেছেন। দেড় বছরে গাছে ফল আসতে শুরু করে। জুলাই-আগস্টের মধ্যে ফল পাকতে শুরু করে। সাধারণত ফুল আসার ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মাথায় ফল পেকে যায়। একটি পরিপুষ্ট পাকা ফলের ওজন প্রায় তিন শ’ থেকে চার শ’ গ্রাম হয়। বছরে একাধারে প্রায় ৩ থেকে ৪ মাস ফল সংগ্রহ করা যায়। ড্রাগন গাছ একবার লাগালে ওই গাছ কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ বছর ফল দেয়। সর্বনিম্ন ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা কেজি দরে ফল বিক্রি হয়। 


চাষী শের আলী আমদের জানান, ড্রাগন বিক্রির বড় বাজার হচ্ছে ঢাকা। এছাড়া খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহসহ স্থানীয় বাজারে তারা ড্রাগন ফল বিক্রি করে থাকেন। তিনি বলেন, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন স্থানে চাষীরা ড্রাগন চাষে ঝুঁকছেন।
তার প্রায় ৯ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান রয়েছে। এবছর তার বাগান হতে উৎপাদিত ফলের বেশির ভাগ যাবে ঢাকার বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। তবে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ভাল দাম না পাওয়ার শঙ্কা কাজ করছে বলে জানান তিনি, এছাড়া এই ফলের চারা প্রতি পিছ ৫০ টাকা করে  বিক্রি করেন বলে জানান। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ নিয়মিত তার বাগান দেখতে আসেন এবং চারা নিয়ে যান।
চাষাবাদ সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন চারা লাগানোর প্রথম দুই বছর চারার পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। নিয়মিত সার ও কিট নাষক প্রয়োগ করা লাগে। সাধারণত এক বিঘা জমিতে সার, লেবার, সিমেন্টের খুটি,টায়ার ইত্যাদি দিয়ে ৩ লাখ টাকার মত খরচ হয়। এবং দুবছর পর থেকে ফলন ভাল হলে ৪থেকে ৫ লাখ টাকার মত ফল বিক্রয় করা সম্ভব। এবং পরবর্তী বছরগুলো তে খরচ এর পরিমান আরও কমে আসে এবং লাভ বেশি হয়। যার ফলে যুবকেরা এই ফল চাষের প্রতি বেশি ঝুকছেন।

কেশবপুর থানা কম্পাউন্ডে সবজির চাষ

কেশবপুর থানা কম্পাউন্ডে সবজির চাষ




মোরশেদ আলম
যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি 

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা অনুযায়ী দেশে কোন জমি পতিত থাকবে না। তারই ধারাবাহিকতায় পুলিশ বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মহোদয়ের নির্দেশক্রমে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের উদ্যোগে থানার কম্পাউন্ডের ভেতরে পড়ে থাকা পতিত জমির ঝোপ-ঝাড় পরিষ্কার করে শাক-সবজির চাষ শুরু করেছেন।

 সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, থানা কম্পাউন্ডের ভেতর পতিত জমির ঝোপ-ঝাড় পরিষ্কার করে ১০ টি বেড তৈরির পাশাপাশি নিচু জায়গা উঁচু করে চাষের উপযোগি করে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত লাল শাক, কলমি শাক, পুই শাক, সবুজ শাক, বরবটি, ঢ়েঁড়স, সিম, কাচা মরিচ, টমেটো, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, করলা, ঝিংগাসহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ শুরু করেছে। এ সময় ওই সবজির ক্ষেত পরিচর্যা করতেও দেখা যায়। 
করোনা কালীন সময়ে প্রায় এক মাস আগে তিনি বিভিন্ন প্রকারের সবজির বীজ বপন করেন। ওই সবজির ক্ষেতের কারণে থানার বাউন্ডারির ভেতরের পরিবেশ এখন যেন সবুজের সমাহারে রূপ নিয়েছে। পাশা পাশি থানার কম্পাউন্ডের ভেতরে বড় বড় গাছে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত বিভিন্ন পাখির কলতানে থানা কম্পাউন্ড মুখরিত হয়ে উঠে। 
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা অনুযায়ী দেশে কোন জমি পতিত রাখা যাবে না।

 তারই ধারাবাহিকতায় পুলিশ বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মহোদয়ের নির্দেশক্রমে আমি থানার বাউন্ডারীর ভেতরের ঝোপ-ঝাড় পরিষ্কার করে বিভিন্ন শাক-সবজি চাষ শুরু করেছি। সরকারের এই মহৎ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। সবজি চাষ করতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এতে আমরা সবাই বিষমুক্ত শাক-সবজি খেতে পারব। তিনি আরো বলেন, পুলিশের এই উদ্যোগ দেখে অন্যরাও যাতে আগ্রহী হন বাড়ির অঙ্গিনায় শাক সবজী চাষ করেন।