দৈনিক লোকমত এর সম্পাদক ওপ্রকাশকের পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ

দৈনিক লোকমত এর সম্পাদক ওপ্রকাশকের পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ




স্টাফ রিপোর্টারঃ দৈনিক লোকমত নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক মিঠুন সরকারের   বাবার অকাল মৃত্যুতে দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মহসীন আলী (প্রভাষক)  শোক প্রকাশ করেছেন। 
জানা যায় দৈনিক লোকমত এর সম্পাদক ও  প্রকাশক মিঠুন সরকারের বাবা দিলিপ কুমার আজ (২৯ জুন)  সোমবার সকাল ৮.০০ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে ২৮ শে জুন যকৃৎ ( লিভার) সমস্যা নিয়ে ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ভর্তি হন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে সবাইকে কাঁদিয়ে পরলোক গমন করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর।তার অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা সহ শোক প্রকাশ করেছেন দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ এর সম্পাদক ও  প্রকাশক মোঃ মহসীন  আলী ( প্রভাষক) 

টাংগাইলে করোনা নমুনা সংগ্রহের জন্য বিশেষায়িত গাড়ীর ব্যবস্থা করলো টাংগাইল উপজেলা প্রশাসন

টাংগাইলে করোনা নমুনা সংগ্রহের জন্য বিশেষায়িত  গাড়ীর ব্যবস্থা করলো টাংগাইল উপজেলা প্রশাসন




ইন্জি.তারিকুল ইসলাম  টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ         টাঙ্গাইল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে করোনা স্যাম্পল সংগ্রহের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত বিশেষায়িত গাড়ীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

আজ সোমবার (২৯ জুন ২০২০ খ্রি.) বিকেলে বিশেষায়িত গাড়ীর উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মোঃ শহীদুল ইসলাম।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। 

বিশেষায়িত গাড়ি উদ্ধোধন কালে সুযোগ্য টাংগাইল জেলা প্রশাসক মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাস সন্দেহে স্যাম্পল প্রদানের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়া ও আসা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কারন, যাওয়া বা আসার পথে অন্যদের সংক্রমিত করার ঝুঁকি রয়েছে। এই বিশেষায়িত গাড়ী রোগীর বাড়ী থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করবে। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেক কম ও স্বাস্থ্যকর্মীগণ পিপিই পরিধান করা ছাড়াই স্যাম্পল সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে পিপিই পরিধানের কষ্ট ও খরচটাও সাশ্রয়ী হবে।

গ্রাম্য ডাক্তার আলামিন শেখ এর সংবাদ সম্মেলন। হয়রানি মুলক মামলা ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ

গ্রাম্য ডাক্তার আলামিন শেখ এর সংবাদ সম্মেলন। হয়রানি মুলক মামলা ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ




কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।। 

আজ (২৯ জুন) বিকাল ৩ঃ০০টায় হালসা বাজারে নিজ প্রতিষ্ঠান জয় ম্যাডিকেল সেন্টারে সাংবাদিক দের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু মানব কল্যাণ পরিষদ এর মিরপুর থানার সাংগাঠনিক সম্পাদক, আম বাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ও মিরপুর উপজেলা গ্রাম্য ডাক্তার এসোশিয়েশন এর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক গ্রাম্য ডাক্তার আলামিন তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। 
তার লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে
আমি একজন গ্রাম্য ডাক্তার যার এল,এম,এ,এফ,পি (ঢাকা) আর,এম,পি ট্রেনিং মিরপুর উপজেলা সাস্থ্য কেন্দ্র। আমি কখনোই
নিজেকে এম,বি,বি,এস বলে পরিচয় দেইনি।
আমার এলাকার গুরুতর অসুস্থদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর প্রয়োজন হলে কুষ্টিয়ার একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর চিকিৎসক এর পরামর্শ নেয়ার জন্য  নিজেই সাথে করে নিয়ে আসি।বেশ কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন ফেসবুক আই ডি থেকে আমার রাজনৈতিক উৎথথানে ঈর্শান্নিত হয়ে আমার নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি মুলক পোস্ট করা হচ্ছে। তারই যের ধরে গত ১৫ ই জুন আমি আমার এলাকার
গুরুতর অসুস্থ কে একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে  যায়।এমন সময়ে সাংবাদিক পরিচয়ে  কয়েক জন আমাকে ডাক্তার সেজে রুগি দেখার অভিযোগ করে এবং আমার সাথে চরম 
দুর্ব্যবহার করলে আমি প্রতিবাদ করে আমার নাম প্রতিষ্ঠানের কোথাও আছে নাকি আর আমার ডাক্তার পরিচয়ের কোন প্যাড বা চিকিৎসা পত্র দেখাতে বল্লে তারা ব্যার্থ হয়ে
আমাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে। এ খবর পেয়ে একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সাইদুর রহমান ভাই ছুটে আসলে তার সাথে সাংবাদিক পরিচয় কারীর তর্কাতর্কি চলতে চলতে একপর্যায়ে ঠেলাঠেলি হয়, যা প্রতিষ্ঠানের সি সি ফুটেছে আছে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে কুস্টিয়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের হয় যার নং ২৩ তারিখ ১৩/৩/২০.যা এখন তদন্তাধীন, যা সম্পুর্ন মিথ্যা ও হয়রানি মুলক। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক,সমাজের দর্পন মিথ্যা তথ্যের উপর নির্ভর করে আমার উপরে চড়াও হয়ে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করে, থানাতে আমার
বিরুদ্ধেই হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করে। সে বিষয়ের উপর মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে আমি তীব্র 
নিন্দা জানায় এবং সুস্থু তদন্ত সাপেক্ষে হয়রানি মুলক মামলার প্রতিকার চায় আপনাদের মাধ্যমে। 
তিনি তার লিখিত বক্তব্য এ আরও দাবি করেন যে মানস কন্যা  দেশ নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশ অনুযায়ী আমি আমার এলাকায় প্রায় ১ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রান-সাহায্য বিতরণ করেছি আগামী তে তা অব্যাহত থাকবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়স্থ খুলনা জেলা সমিতির পক্ষে কয়রায় উপহার সমগ্রী বিতরণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়স্থ খুলনা জেলা সমিতির পক্ষে কয়রায় উপহার সমগ্রী বিতরণ




কয়রা প্রতিনিধি  : - খুলনা জেলা সমিতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রা উপজেলার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ।

আজ সোমবার সকালে খুলনা জেলা সমিতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষে অত্র সমিতির সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম সমিতির সদস্যদের নিয়ে কয়রা উপজেলা পরিষদ চত্তরে উপহার সামগ্রী নিয় কয়রার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছাত্র ছাত্রীদের একত্রিত করে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল,আলু, তেল, চিড়া, স্যালাইন, পেয়াজ,লবণ, সাবান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খুলনা জেলা সমিতির উপদেষ্টামন্ডলী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, এলামনাই সদস্য ও অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী থেকে ফান্ড নিয়ে এ উপহার সমগ্রীর ব্যবস্থা  করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম, সবুজ সানা, মুজাহিদুল ইসলাম আকাশ, জাকিয়া সুলতানা, আবু হেনি মোস্থফা কামাল, শরিফ, সহ আরো অনেকে।

লঞ্চ ডুবির ঘটনার ১৩ ঘন্টা পর জীবিত উদ্ধার - ১

লঞ্চ ডুবির ঘটনার ১৩ ঘন্টা পর জীবিত উদ্ধার - ১




সম্রাট হোসেনঃ  আজ সোমবার লঞ্চ দূর্ঘটনার ১৩ঘণ্টা পর রাত ১০.২০ মিনিটে, একজন ব্যাক্তি নিজেই উপরে উঠে এসেছেন।তাকে ঢাকার মিডফোর্ট হাসপাতে পাঠানো হয়েছে। সে কথা বলতে পারছেনা, কিন্তুু চোখ মেলতে পারছে বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত তার নাম ঠিকানা জানা যায়নি।

ঝিকরগাছায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ কৃত টিন দিয়ে চায়ের দোকানের চাল (ছাউনি)তৈরি

ঝিকরগাছায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ কৃত টিন দিয়ে চায়ের দোকানের চাল (ছাউনি)তৈরি




স্টাফ রিপোর্টারঃ ঝিকরগাছা উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ কৃত টিন দিয়ে চায়ের দোকানের চাল ( ছাউনী) তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে।জানা যায় যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে ঘর তৈরীর জন্য টাকা ও টিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই বরাদ্দকৃত টিন অত্র উপজেলার ১নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ব্যাংদাহ গ্রামের মৃত মালেক ধাবক এর ছেলে রূপচাঁদ ধাবক ঘরের চাল তৈরির পরিবর্তে চায়ের দোকানের ছাউনি দিয়েছে।
এই ব্যাপারে অত্র গ্রামের বাসিন্দা ও ১ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোবারক হোসেন দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ কে জানান ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক ব্যাংদাহ গ্রামের যে সকল ব্যক্তিদেরকে ঘর মেরামতের জন্য টিন ও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তাদের আম্পানের দ্বারা কোনো ক্ষতি হয়নি বরং যে সকল অসহায় দরিদ্র মানুষের ঘরের চাল উড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে বরাদ্দ দেয়া হয়নি।
তিনি বলেন ব্যাংদাহ গ্রামে রূপচাঁদ ধাবক পিতা-মৃত মালেক ধাবক, বিকাশ  পিতা আরব আলী কে এইটিন ও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনকে দেখানো হয়েছে তাদের ঘরের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রকৃত অর্থে এ-ই দুই জনের ভিতর রুপচাঁদ ধাবকের  ঘরের চালের একটি মাত্র টিন ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে কিন্তু   বিকাশের ঘরের কোন সমস্যা হয়নি। 
তিনি আরও জানান অত্র গ্রামে আম্পানে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে   ১. নাজমুল  পিতা মৃত আব্দুর রাজ্জাক, ২.হাসান পিতা মৃত সুবারেক ৩.হোসেন পিতা মৃত সুবারেক ৪.মহির উদ্দীন পিতা মৃত ইলাহি  বক্স।  কিন্তু তাদেরকে সহায়তা না দিয়ে এদেরকে এই সহায়তা দেওয়ায় গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ ক্ষোভ  প্রকাশ করেছেন।তিনি আরো জানান এই বরাদ্দকৃত টিন দিয়ে রুঁপচাদ ধাবক  ঘরের চাল (ছাউনি) না দিয়ে অত্র গ্রামের বাঁশ তলার মোড় নামক স্থানে তার চায়ের দোকানের ছাউনি দিয়েছে। যে কারণে গ্রামবাসী হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এই ব্যাপারে মুঠোফোনের মাধ্যমে  ঝিকরগাছার ইউএনও সুমি মজুমদার এর কাছে আম্পানে  ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে বরাদ্দকৃত টিন দিয়ে চায়ের দোকান মেরামত করার কোন বিধান আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা প্রকৃত অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরের জাল মেরামত করার জন্যই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কোন চায়ের দোকান মেরামতের জন্য নয়। 
এই ব্যাপারে অত্র ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ কে  জানান বিষয়টি তার জানা নেই । এমত অবস্থায় এলাকাবাসী এই ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভয়নগরে পাটকল শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

অভয়নগরে পাটকল শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত




মোঃ দেলোয়ার হোসেন, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : 
অভয়নগরে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা মিল অভ্যন্তরে অবস্থানসহ সমাবেশ করেছে। সোমবার (২৯জুন) সকালে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল যশোর জুট ইন্ডাস্ট্রিজের  (জেজেআই) শ্রমিকরা মিল অভ্যন্তরে বেসরকারি খাতে মিল হস্তান্তরের প্রতিবাদে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দু’ঘন্টাব্যাপী অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেছে। জেজেআই শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইকবাল হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেজেআই সিবিএর সাধারণ সম্পাদক এসএম কামরুজ্জামান চুন্নু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মল্লিক, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এমএ রশিদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের সদস্য জনার্দন দত্ত নান্টু, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য গাজী নওশের আলী, এ্যাডভোকেট আবুল হোসেন, ইকবাল কবির জাহিদ, শ্রমিকনেতা গোলাম আজম মিঠু, আবদুল হামিদ প্রমুখ। বক্তারা, জাতীয় উৎপাদনশীলতা মুজুরি কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানান। তারা আরও জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে আগামীকাল বেলা ২টায় মিল অভ্যন্তরে শ্রমিকরা আবারও অবস্থান কর্মসূচী পালন করবে। জেজেআই সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মল্লিক জানান, বিগত ৪০বছর মিলটি লাভের মুখ দেখতে পারেনি, এর জন্য দায়ী কে? শ্রমিক নাকি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এসএম কামরুজ্জামান চুন্নু জানান, শ্রমিকদের বকেয়া পাওনাদির জন্য রাস্তায় নামতে হয়, শ্রমিকদের আজ লড়াই করে বাঁচতে হচ্ছে। নাকের কাছে মুলা ঝুঁলিয়ে আজ নয়,কাল-পরশু বলে কালবিলম্ব ঘটানো হচ্ছে। শ্রমিকরা এসব কথা আর শুনতে চায় না। তিনি অবিলম্বে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মানার আহবান জানান।

মানিকগঞ্জে দারুল আরকাম মাদ্রাসার পক্ষে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ও সাবেক ইফা ডিজি সামীম মোহাম্মদের জন্য দোয়া মাহফিল

মানিকগঞ্জে দারুল আরকাম মাদ্রাসার পক্ষে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ও সাবেক ইফা ডিজি সামীম মোহাম্মদের জন্য দোয়া মাহফিল




আব্দুর রাজ্জাক                 হরিরামপুর(মানিকগঞ্জ)প্রতিনিধি :
২৯/৬/২০ইং দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতি মানিকগঞ্জ কর্তৃক আয়োজিত ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক ডিজি শামীম মুহাম্মদ আফজাল এর রুহের মাগফিরাত কামনায় আলোচনা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হয়।

এ সময় জেলা সভাপতি হাঃ মাওঃ মোঃ জাফরুল্লাহর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়  আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সহঃ সভাপতি হাঃ মাওঃ মাসউদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ হাঃ মাও আফজাল হুসাইন সহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ দের মধ্যে থেকে সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি ইচ্ছা করলে আমাদের দারুল আরকাম মাদ্রাসা খুব দ্রুত প্রকল্প পাশ করতে পারেন, তাই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আকুল আবেদন জানাই আপনার বাবা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান আলেমদের ভালোবেসে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন আপনিও আলেমদের কে ভালোবেসে দারুল আরকাম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত করেছেন অতএব আপনি দয়া করে দ্রুত প্রকল্প পাশ কারার ব্যবস্থা করে দিন, শিক্ষক দের কান্না আপনি বন্ধ করতে পারেন আপনার সমর্জি কামনা করছি। দারুল আরকাম মাদ্রাসা শিক্ষকগন আরো বলেন  ছয় মাস যাবত আমরা আমাদের বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। অথচ এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সুতরাং আমরা প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোড় দাবী জানাচ্ছি উক্ত প্রকল্প দ্রুত পাশ করে হাজার হাজার শিক্ষক শিক্ষিকাদের খেদমতের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার ও দের লক্ষাধিক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত অনিশ্চিয়তার হাত থেকে রক্ষা করবেন। 

আরোও বক্তব্য রাখেন দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় সহঃ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাঃ মাও মোঃ ছানোয়ার হোসেন  তিনি সাংবাদিক কে বলেন দারুল আরকাম মাদ্রাসা আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয়ে একটি নতুন ধারার যুগোপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এ প্রতিষ্ঠানটি ইতি মধ্যেই গোটা বাংলাদেশে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হওয়ায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উর্ধতন সকল কর্মকর্তাদের রয়েছে আন্তরিক মনভাব সুতরাং দুশ্চিন্তা করার কিছুই নাই ইনশাআল্লাহ অতি শীঘ্রই আরোও শক্তিশালী, মজবুত ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দারুল আরকাম মাদ্রাসা আত্ম  প্রকাশ করবে।ইনশাআল্লাহ 

আলোচনা শেষে তিনি সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ ও সাবেক ইফা ডিজি শামীম মুহাম্মদ আফজাল এর রুহের মাগফিরাত কামনা সহ চলমান দেশের করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি কামনায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন।

সাংবাদিক রেহেনা আর নেই

সাংবাদিক রেহেনা আর নেই
 




সম্রাট হোসেনঃ
দৈনিক ইত্তেফাকের স্টাফ ফটো সাংবাদিক রেহেনা আক্তার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার ( ২৯ জুন) সোমবার আনুমানিক সন্ধ্যা সোয়া ৬ টায় নিজ বাসায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। রেহেনা আক্তারের বড় ভাই ফটো সাংবাদিক ফজিত শেখ বাবু তার মৃত্যুর সংবাদটি জানান।
রেহেনা আক্তারের মৃত্যুতে ইত্তেফাকের বার্তা বিভাগের প্রধানসহ সহকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, একইসঙ্গে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেনে।
রেহেনা আক্তার দৈনিক ইত্তেফাকের আগে পাক্ষিক অন্যান্য, বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করেন। গ্রামের বাড়ি ডেমরায় বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে। তার মৃত্যুতে দৈনিক কপোতক্ষ নিউজ  পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও  তার আত্তার মাগফিরাত কামোনা করছি।

দত্তবাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রসায় মোহাম্মাদ নাসিমের স্বরণে আলাচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

দত্তবাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রসায় মোহাম্মাদ নাসিমের স্বরণে আলাচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত



 মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ
 ২৯ শে জুন সোমবার বিকাল ৩টায় দত্তবাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মরহুম নাসিমের স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বাগবাটি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আ:লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মইনুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে মরহুম নাসিমের জীবনীর উপর স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন প্রস্তাবিত মনসুর নগর থানার যুগ্ম আহব্বায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য গোলাম রব্বানী তালুকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রস্তাবিত মনসুর নগর থানা আ:লীগের যুগ্ম আহব্বায়ক মোঃ আমজাদ হোসেন, ইউনিয়ন আ:লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী সাইফুল ইসলাম, প্রস্তাবিক মনসুর নগর থানা তাতীলীগের সভাপতি হাজী সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাজী রজব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। পরে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে অত্র প্রতিষ্ঠানের মুফতি মাও: মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দোয়া পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ওযাড আ:লীগের অন্যতম সদস্য আব্দুস সাত্তার তালুকদার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রতনকান্দি ইউনিয়ন আ:লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল ইসলাম জুরান, ছোনগাছা ইউনিয়ন আ:লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ছোনগাছা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ রিমন, রতনকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসলাম উদ্দিন সেখ, বাগবাটি ইউনিয়নের ওযাড আ:লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণ। এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রি মরহুম নাসিমের সুযোগ্য সন্তান সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয়। তিনি বলেন তার পরিবারে এখনও অনেকে অসুস্থ আছেন। তাদের সুস্থতা কামনা ও তার বাবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দেশবাসির কাছে দোয়া চান।

কৃষকেরা হতাশ অতি বৃষ্টিতে অসময়ে বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

কৃষকেরা হতাশ অতি বৃষ্টিতে  অসময়ে বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি




 মোঃ ফিরোজ হোসাইন
  রাজশাহী ব্যুরো

 বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ যার সার্বিক উন্নয়ন কৃষির ওপরই নির্ভরশীল। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে আরো স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো দেশ।সাথে প্রকৃতির দুর্যোগ তো আছেই। 
বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আমাদের দেশের আবহাওয়া অনবরত বদলে যাচ্ছে ফলে কৃষিক্ষেত্রে নানা রকম ফসলের সময়মতো উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে বাংলাদেশের কৃষির গতি ও প্রকৃতি বদলে যাচ্ছে মারাত্মকভাবে। ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশের কৃষি প্রতিনিয়ত প্রকৃতির বৈরী পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে এগিয়ে চলছে। অসময়ে খরা, বন্যার কারণে একদিকে কৃষক হারিয়ে ফেলছে অতি মূল্যবান ফসলসহ নানা জাতের বীজ অন্যদিকে মাটি হারাচ্ছে ফসল উৎপাদনশীলতা। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি তথা জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের কৃষি নির্ভরশীল ক্ষুদ্র খামারভিত্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
বাংলদেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন করতে হলে কৃষির এসব সমস্যা নিরূপণ করে, খাদ্য উৎপাদন ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা আমাদের জন্য খুব জরুরি। এছাড়াও কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে টেকসই কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বৈরী আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থার প্রচলন প্রয়োজন। কৃষি প্রযুক্তির উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে আমরা কিছুটা সফল হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার আধুনিক প্রযুক্তির মারাত্মক অভাব এখনও রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত যেমন- লবণাক্ততা, উচ্চ তাপমাত্রা, খরা কিংবা বন্যাসহিষ্ণু প্রযুক্তির অভাব লক্ষণীয় যা টেকসই কৃষি উৎপাদনের পূর্বশর্ত।
চলতি মওসুমে দেশজুরে বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থের স্বীকার বন্যাকবলিত অঞ্চলের মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে মানুষের বাড়ি-ঘর, ফসলের ক্ষেত। এই বন্যার ফলে সারাদেশের বন্যাকবলিত অঞ্চলের মানুষ ব্যাপক ক্ষতি গ্রস্থের সম্মুখীন হয়েছেন। বন্যার পানিতে ভেসে গেছে কৃষকের বীজতলা,। হাঁটুপানিতে নেমে অসহায়ের মতো বীজতলা হতড়ানো,ও ফসল উঠানো,বর্তমানে হতাশা ছাড়া কিছুই জোটেনি কৃষকের কপালে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বেশির ভাগ কৃষকের ফসল, শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন,বন্যাকবলিত অঞ্চলের কৃষক। মাঠের পর মাঠ এখনো পানির নিচে তলিয়ে আছে। অনেক জায়গায় মাঠে শুধু এখন পানিতে টইটম্বুর। 
বেশির ভাগ কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তাঁদের একমাত্র সম্বল এখন চাপা দীর্ঘশ্বাস। বন্যার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে ডুকরে কেঁদে উঠছে অসহায় কৃষক।
নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এবারের বন্যায় ১ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমির রোপা আমনের বীজতলা, ৩ হাজার ৩০ হেক্টর জমির আউশ, ৫ হাজার ৯১২ হেক্টর জমির পাট, ২হাজার ৬৩১ হেক্টর জমির শাক-সবজি, ১৮০ হেক্টর জমির বাদাম,৮০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নওগাঁ  জেলার তিনটি  উপজেলার ২২ টি ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা বন্যাকবলিত হয়েছে। 
এরমধ্যে রোপা আমন বীজতলা, সবজি, আউশ আবাদ, পাট ও বাদাম নষ্ট হয়ে প্রায় ১০০০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জেলায় ১ হাজার ৯২ টি মৎস্য খামার, পুকুর ডুবে ও পাড় ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, ৪০৬ জন চাষী। মাছ ও পোনা ভেসে গিয়ে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫কোটি ২ লাখ টাকা।জেলায় অনেক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঁচটি মাদ্রাসা ও একটি কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার ও  করোনা পরিস্থিতির কারণে
বন্ধু পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নওগাঁয় সাম্প্রতিক বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় আর্থিকভাবে নিঃস্ব কৃষকরা। বন্যাপরবর্তী ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য নতুন করে জমিতে রোপণের জন্য আমন ধানের বীজ সংকট তীব্র আকার ধারণ করবে বলে ধারনা করছেন কৃষবিদরা।  কৃষকদের মাঝে এক ধরনের হাহাকার বিরাজ করছে। আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর পানি হু হু করে বেড়ে চলেছে।আত্রাই ও রাণীনগর উপজেলার বেশ কিছু ইউনিয়নের বন্যাকবলিত হয়েছে। এটা রোপা আউশের মৌসুম ও আমনের বীজতলা তৈরির সময়। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকায় জেলার ১৩১ হেক্টর জমির রোপা আউশ ধান ও ৬৫ হেক্টর আমন ধানের চারা পচে কালো হয়ে যাবার সম্ভবনা রয়েছে ।  সরকারি হিসাব অনুযায়ী
এসব জমিতে রয়েছে ধান,বাদাম শাকসবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল। এই নিয়ে হাজারো কৃষক চরম বিপাকে পড়েছে। বন্যার পানি দ্রুত অপসারণ না হলে পরবর্তী ফসল ঘরে তোলা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।
কৃষকরা জানিয়েছে,অতি বৃষ্টিতে অসময়ে এই বন্যা আমাদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি  হবে বন্যায় পানি ফসলের জমিতে উঠায় শ্রমিক সংকট,আর অধিক টাকা গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। ফসল ঘরে তুলতে  যে পরিমান খরচ তাতে কৃষকেরা হতাশায় নিমগ্ন।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির যে পরিমাণ এ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি।

শ্রীউলায় বেড়ীবাঁধে সেনাবাহিনী কে সহযোগিতা করার জন্য স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মান চলছে

শ্রীউলায় বেড়ীবাঁধে সেনাবাহিনী কে সহযোগিতা করার জন্য  স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মান চলছে




আহসান উল্লাহ বাবলু , আশাশুনি( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত 

আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজরাখালি  ভাঙ্গন কবলিত ভেড়ী বাঁধের নির্মান কাজ  করা হয়েছে।সোমবার  বাঁধ রক্ষার জন্য রিং বাঁধের কাজ এগিয়ে নেওয়া জন্য সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য  শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিলের আহবানে শ্রীউলা ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার মানুষ  ওয়াপদা (ভাঙ্গা) ভেড়ি বাধে অংশ গ্রহণ করে এবং বিকল্প রিং বাঁধের কাজে অংশ নেয়। অাগামী ৩দিনের মধ্যে রিং বাধের ৯০ভাগ সম্পন্ন হবে বলে জানাগেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীককে সহযোগিতায় করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান সাকিলের নেতৃত্বে হাজার হাজার জনগণ সেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মানের কাজ চলমান রেখেছে। উল্লেখ্য, ঘুর্ণিঝড় আমফান এর আঘাতে ভেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। আম্ফানে শ্রীউলা ইউনিয়নের ৫টি  ভেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে শ্রীউলা ইউনিয়ন প্লাবিত হয়।এসময় উপস্তিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসিম বরুন চক্রবতী।

মাগুরার শ্রীপুরে মাদক দ্রব্য সহ আটক -২

মাগুরার শ্রীপুরে মাদক দ্রব্য সহ আটক -২



মো:রাসেল হোসেন,শ্রীপুর( মাগুরা)প্রতিনিধি: আজ ২৯ জুন সোমবার মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বরিশাট নতুন পাড়া উকিল মোল্লার বাড়ি থেকে জাকির শেখ (৩০) নাজমুল হোসেন  মোল্লা(২৬) কে মাদকদ্রব্যসহ হাতে নাতে আটক করতে সক্ষম হয়েছে শ্রীপুর থানার পুলিশ।
২৯ জুন সোমবার সন্ধ্যায় শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহমেদ মাসুদ জানান আজ দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীপুর থানার এস, আই হোসনে আরার নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার বরিশাট নতুন পাড়া উকিল মোল্লার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে মাগুরা শহরতলীর বরুনাতৈল গ্রামের আজিজ শেখের পুত্র জাকির শেখ(৩০) ও শ্রীপুর উপজেলার বরিশাট নতুন পাড়ার উকিল মোল্লার পুত্র নাজমুল হোসেন (২৬) কে ৪+৪= ৮পিচ ইয়াবা ও ২+২=৪ পুরি গাজাসহ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।আটককৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য বেচাকেনার সাথে জড়িত বলে আমাদের নিকট স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু হয়েছে, মামলা নং ১৬ তারিখ ২৯/৬/২০২০ইং

কেশবপুরে এক বৃদ্ধের বিষপানে আত্মহত্যা

কেশবপুরে এক বৃদ্ধের বিষপানে আত্মহত্যা




মোরশেদ আলম
যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি 

কেশবপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে আব্দুল আজিজ সরদার নামে এক বৃদ্ধ বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামে।

 খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনায় কেশবপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের মৃত জলিল সরদারের ছেলে আব্দুল আজিজ সরদার (৬০) পারিবারিক কলহের জেরে সোমবার সকালে বিষপানে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোলার লাইটের আলোয় আলোকিত আশাশুনি বাসী

সোলার লাইটের আলোয় আলোকিত আশাশুনি বাসী



আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি( সাতক্ষীরা)   প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের কারিগর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হকের পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত সোলার লাইটের আলোয় আলোকিত করেছেন আশাশুনি বাসিকে। এমপি প্রতিনিধি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডলের নির্দেশন অনুযায়ী গত একসপ্তাহে উপজেলার আলীয়া মাদ্রাসা, হাফিজিয়া মাদ্রাসা, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, মসজিদ ও বিভিন্ন রাস্তায় রাস্তায় সোলার প্যানেল লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে আশাশুনি হাসপাতালে ১টা, আশাশুনি থানার সামনে ২টা, আশাশুনি ঢালী বাড়ি মোড়ে ১টা, আশাশুনি টু চাপড়া ব্রীজ মোড়ে ১টা, আশাশুনি ফায়ার সার্ভিস মোড়ে ১টা, আশাশুনি পালপাড়া ও আদর্শগ্রাম মোড়ে ১টা, আশাশুনি সোদকোনা চাম্পাফুল মোড়ে ১টা, আশাশুনি ধান্যহাটি মোড়ে ১টা, আশাশুনি বড়বাড়ী মোড়ে ১টা, আশাশুনি দক্ষিণ পাড়া রনজিৎ বৈদ্যের মোড়ে ১টা, আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা মোড়ে ১টা, আশাশুনি আদালতপুর মাদ্রাসা মোড়ে ১টা, আশাশুনি নাটানা চৌরাস্তা মোড়ে ১টা সহ উপজেলার জন গুরুত্বপূর্ণ সকল স্থানে রোড লাইট স্থাপন করা হয়। রোড লাইট স্থাপনকালে উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ঢালী মোঃ সামছুল আলম সহ সাধারন জনগন উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে এসিল্যান্ডের বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

আশাশুনিতে এসিল্যান্ডের বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা





আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি( সাতক্ষীরা)   প্রতিনিধি: আশাশুনিতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত কার্যক্রম ও বাজার মনিটরিংকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা, সরকারী আদেশ অমান্য করায় মোবাইল কোর্টে সর্বমোট ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন, বড়দল ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম ও বাজার মনিটরিংকালে সরকারি নির্দেশ অমান্য করা ও মুখে মাক্স না থাকায় বড়দল ইউনিয়নের বেলায়েত গাজীর পুত্র শাহিনুর গাজীকে ২০০ টাকা, ডুমুর পোতা গ্রামের মোসলেম সরদারের পুত্র বাদশা সরদারকে ১০০ টাকা, আনুলিয়া ইউনিয়নের মমতাজ উদ্দিনের পুত্র মোক্তার হোসেনকে ১০০ টাকা, অছিয়ার গাজীর পুত্র জসিমকে ১০০ টাকা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করেন। এছাড়াও সন্ধ্যা ৬টার পর ঔষধের দোকান ব্যতীত সকল দোকান বন্ধ রাখা ও মুখের মাক্স ব্যতীত বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে বলে জানান। এসময় পুলিশ ফোর্স, (ভূমি) অফিসের নাজির অধিকারী উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ





আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি( সাতক্ষীরা)   প্রতিনিধি: 

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ অর্থ বিতরণ করা হয়। জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ ও উপজেলা সমাজকল্যাণ পরিষদের মাধ্যমে ১ হাজার করে ৭৪ জন প্রতিবন্ধীকে ৭৪ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের  চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ বি এম মোস্তাকিম। বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ বি এম মোস্তাকিম  বলেন, আমরা ইতিপূর্বে উপজেলায় ৬০ হাজার পরিবারকে তদন্ত করেছি যাহাতে কেউ যেন প্রতিবন্ধী ভাতা থেকে বঞ্চিত না হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন করোনা ভাইরাস ও ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করা, মুখের মাক্স ব্যবহার করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করাসহ প্রত্যেকের বাড়ির আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু প্রমূখ।

দিনাজপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ স্কাউট দিনাজপুর জেলা রোভারের সদস্যবৃন্দ সচেতনতায় কাজ করছে

দিনাজপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ স্কাউট দিনাজপুর জেলা রোভারের সদস্যবৃন্দ সচেতনতায় কাজ করছে




দিনাজপুর প্রতিনিধি॥ দিনাজপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ জেলা কমিটির প্রচারণায় বাংলাদেশ স্কাউটস দিনাজপুর জেলা রোভার এর সদস্যবৃন্দ দিনাজপুর শহরের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে করোনা ভাইরাস থেকে সচেতনতার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ স্কাউটস দিনাজপুর জেলা রোভারের সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২৯ জুন সোমবার শহরের বালুয়াডাঙ্গা মোড়ে রোভার ইউনিট লিডার ও কাহারোল বুলিয়া বাজার কলেজের অধ্যক্ষ নাজমা শিরিনের নেতৃত্বে রোভারের সদস্যরা বালুয়াডাঙ্গা মোড়ে প্রতিটি ইজি বাইকের চালক, যাত্রী, বিভিন্ন যানবাহনের ড্রাইভার, যাত্রী ও জন সাধারণের মাঝে করোনা ভাইরাস বিষয়ক জন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যাদের মুখে মাস্ক নেই সেসব মানুষকে যানবাহন থেকে নামিয়ে ঐসকল ব্যক্তির নিজ উদ্যোগে স্থানীয় দোকান থেকে মাস্ক ক্রয় করে পুনরায় যানবাহনগুলি গন্তব্যে ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। এছাড়াও দিনাজপুর শহরের কলেজ মোড়, সুইহারী মোড়, ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড মোড়সহ ১০টি পয়েন্টে রোভার সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমে করোনা ভাইরাস থেকে সচেতনতায় কাজ করছেন ও মাইকের মাধ্যমে জনগণকে সতর্কতামূলক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির জরুরী বার্তা সকলকে হাতে তুলে দেন।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু, বাড়ি লক ডাউন

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু, বাড়ি লক ডাউন





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। 


ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে মোস্তাক আহমেদ (৫০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তিনি গত ৪ দিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। এছাড়াও তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। মোস্তাক আহমেদ উপজেলার হেলাই গ্রামের মতলেব মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাপড় ব্যবসায়ী। 

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাগেছে, তিনি রোববার সকালে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাকে নমুনা ও অক্সিজেন দেওয়ার কথা বলা হয়। তার পরিবারের সদস্যরা নমুনা ও অক্সিজেন না দিয়ে বাড়ি চলে আসে। এরপর রাত ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। সোমবার সকাল ৯ টার দিকে এলাকার কয়েকজন যুবক তার দাফন কাজ সম্পন্ন করেছে। 

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ সুলতান আহমেদ জানান, হেলাই গ্রামের মোস্তাক আহমেদ মারা যাওয়ার একঘন্টার মধ্যেই তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির বাড়ির কেউ বাইরে ও বাইরে থেকে ভিতরে না প্রবেশ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মহম্মদপুরের বিনোদপুরে নাবালিকা কন্যা অপহরনেৱ অভিযোগে থানায় মামলা দায়েৱ

মহম্মদপুরের বিনোদপুরে নাবালিকা কন্যা অপহরনেৱ অভিযোগে থানায় মামলা দায়েৱ




মোঃকুতুবুল আলম
মহম্মদপুর (মাগুরা)

মাগুৱা জেলার মহম্মদপুর
 উপজেলাৱ বিনোদপুর ইউনিয়নেৱ পিয়াদাপাড়া গ্রামেৱ  কালাম শেখেৱ নাবালিকা  কন্যা মোছা: মুন্নি খাতুন  অপহরনেৱ অভিযোগে মাগুৱা জেলাৱ মহম্মদপুর থানায় ৫ জনেৱ নাম উল্যেখ করে  মোছা: মুন্নি খাতুনেৱ পিতা মো: কালাম শেখ  বাদী হয়ে  শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ।  অপহৱন এবং উক্ত কাজে সহায়তা করার অপরাধে মামলাদায়েৱ করেছেন  ।  মামলা সূত্রে জানা যায়, মোছা: মুন্নি খাতুনেৱ পিতা মো: কালাম শেখ  গত  ১৭/০৬/২০ইং তারিখ  মহম্মদপুর থানায় হাজির হয়ে ৫ জন আসামীৱ নাম উল্যেখ করে মামলা দায়েৱ করেন । যাৱ  মাগুৱা এৱ  মহম্মদপুর থানাৱ  এফ আই আৱ নং , ১২/৭৬ তাৱিখ ১৭/০৬/২০ এবং  জিআৱ নং ৭৬/২০২০ তাৱিখ ১৭/০৬/২০ ধাৱা ৭/৩০ ২০০০ সালেৱ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও অপহৱন এবং উক্ত কাজে সহায়তা করার অপরাধ। মামলাৱ  এজাহার ভুক্ত আসামীরা হলেন । ১.মো:লিটন মিয়া(২৫) ২. মো : রিপন মোল্যা(২৩) ৩.সোহাগ মোল্যা(২১) পিতা আলী মোল্যা ৪.মো: আলী মোল্যা (৬০)পিং  মৃত নাজেম মোল্যা ৫.মোছা ৱোজিনা খাতুন(৫০) স্বামী মো: আলী মোল্যা । সর্ব সাং বিনোদপুর পিয়াদাপাড়া, থানা মহম্মদপুর জেলা  মাগুৱা।মামলাৱ এজাহাৱ সূত্রে জানা যায়,
মামলাৱ বাদী মোছা: মুন্নি খাতুনেৱ পিতা মো: কালাম শেখ  সাং বিনোদপুর পিয়াদাপাড়া মহম্মদপুর মাগুৱা, মামলাৱ এজাহাৱে উল্লেখ করেন, বিবাদীদয় আমাৱ প্রতিবেশি আমাৱ নাবালিকা মেয়ে মোছা: মুন্নি খাতুন( ১৬) বিনোদপুর ননীবালা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। আমার মেয়ে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে আসামী লিটন মিয়া প্রায় সময় বাধা  সৃষ্টি করিত এবং তাহাকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়া আসিতেছিল। বিষয়টি আমার মেয়ে আমাদের জানাইলে আমি আসামী আলী মোল্যা ও আসামী মোছা: রোজিনা খাতুনদের নিকট বিভিন্ন সময় জানাইলে আসামীরা কোন কর্নপাত করে না এবং আমাকে আসামীদের  বাড়ি হইতে তারিয়ে দেয়। আমার মেয়ে গত ইং ২৫/০৫/২০ তারিখ সকাল অনুমান ১০ঘটিকার সময় তার বান্ধবী মোছা: সাউদিয়া খাতুন (১৬) পিং মো: আবির হোসেন, সাং বানিয়াবহু, থানা  মহম্মদপুর, জেলা মাগুরা, এর  বাড়িতে  বেড়াইতে যায় ,পরবর্তীতে ইং ২৬/০৫/২০ তারিখ আনুমানিক সকাল ১১ ঘটিকার সময় তাহার বান্ধবীর  বাড়ি হইতে আমার  বাড়িতে যাওয়ার পথে নিখোজ হয়। এই সংক্রান্তে মহম্মদপুর থানায় সাধারন ডায়েরী নং ১১৬৮ তারিখ ২৬/০৫/২০২০ ইং খ্রি.এন্টি করা হয় ।  পরবর্তীতে আমি খোজ খবর নিয়া জানিতে পারি ,আমার মেয়ে তাহার বান্ধবী মোছা:সাউদিয়া খাতুন এর বারি হইতে পায়ে হাটিয়া ইং ২৬/০৫/২০ তারিখে সকাল ১০টার সময় আমার নিজ  বাড়ির উদ্যেশ্যে রওনা করিয়া নারায়নপুর গ্রামস্থ বটগাছের উত্তর পার্শে পিচের রাস্থায় ফাকা জায়গায় ইং তারিখ ২৬/০৫/২০ আনুমানিক সকাল ১১ঘটিকার সময় পৌছালে আসামী ১ মো. লিটন মিয়া ২ মো.রিপন মোল্যা ৩ মো. সোহাগ মোল্যা, মাইক্রোবাস যোগে আমার মেয়ের সামনে আশিয়া তাহাকে জোর পূর্বক মাইক্রোবাসে করে তুলিয়া নিয়া দ্রুত চলিয়া যায়। যাৱ সাক্ষী ১ মিজানুর রহমান( ৩০) পিং মূত সিরাজ মূর্ধা, ২ মোছা: বিউটি খাতুন (৩৫) স্বামী মো.কালাম শেখ, ৩ মো আবু বক্কর শেখ (৭০) পিং   মৃত আ:গনি, ৪ মো. ফুলমিয়া( ৪৮) পিং মৃত আ:ছালাম সর্ব সাং বিনোদপুর পিয়াদাপাড়া, থানা মহম্মদপুর, জেলা মাগুরা। পরবর্তীতে সাক্ষীগণদেৱকে  সঙ্গে নিয়া আসামী আলী মোল্যা ও রোজিনা খাতুন দের নিকট বিষয়টি জানাইলে, আসামীরা বলে আমার মেয়ে অপহরনের বিষয়টি তাহাদের নলেজে রহিয়াছে । আমার মেয়েকে ফেরৎ দিবে বলিয়া আসামীরা আজকাল করিয়া তালবাহানা করিতে থাকে । আমার মেয়েকে বিবাদীরা ফেরৎ দেয় নাই।সকল আসামীদের পরস্পর যোগসাজে ও সহায়তায় ও প্ররোচনায় আমার মেয়েকে অপহরন করিয়া  অজ্ঞাত স্থানে লুকাইয়া রাখিয়াছে। আসামীরা আমার মেয়েকে নীতি বিহগীত কাজে আমার মেয়েকে জরিত করিতে পারে বা আসামীরা  আমার মেয়ের  বড় ধরনের ক্ষতি করিতে পারে বলিয়া আশংকা করিতেছি।

জীবন-জীবিকা রক্ষায় তৎপর বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জীবন-জীবিকা রক্ষায় তৎপর  বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা



 
মিঃ নুর,  নিজস্ব সংবাদদাতাঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সৃষ্ট এমন সংকট নিকট অতীতে আর দেখেনি পৃথিবী। মহামারীতে স্থবির হয়ে পড়েছে ধনী-গরিব প্রায় সব রাষ্ট্র। বিশ্ব সংকটের এই ঢেউ আচড়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। এই বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংকট নিরসনে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন রাত-দিন। মানুষের জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি জীবিকা নিশ্চিতে নিয়েছেন একের পর এক পদক্ষেপ। অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে তিনি ঘোষণা করেছেন নানা প্রণোদনা।
গণভবন থেকেই সবকিছু কঠোর মনিটরিংয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমস্যা সমাধানে তিনি তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের সব জেলা প্রশাসন, দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, সামাজিক এবং ধর্মীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। স্থানীয় প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক পরামর্শ দিয়েছেন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এ রকম সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ফোর্বস ম্যাগাজিনসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং সংস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের  প্রশংসা করেছে।

জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস মহামারী পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি গণভবনে নিয়মিত অফিস করছেন, ফাইলপত্র সই করছেন এবং পাশাপাশি অন্যান্য সব সেক্টরের খোঁজখবর রাখছেন। দেশের মানুষের জীবন এবং অর্থনীতিকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শীর্ষ পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে দুটো বিষয়। একটা হচ্ছে জীবন, আরেকটা হচ্ছে জীবিকা। প্রধানমন্ত্রী সবকিছু সমন্বয় করছেন। তিনি সবার সঙ্গে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। প্রতিদিনই তিনি বিভিন্ন জনের সঙ্গে বৈঠক করছেন। ব্যাংকিং বিষয়, অর্থনৈতিক বিষয় বা স্বাস্থ্য বিষয়সহ সবকিছুর তিনি সর্বশেষ তথ্য নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। পাশাপাশি চীনের প্রেসিডেন্ট, ইউরোপীয় দেশগুলো তথা বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী কথা বলছেন।

আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে মানুষের জীবন ও জীবিকাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একে ‘মানুষের জীবন রক্ষার বাজেট’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তায় আনার জন্য বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে গত অর্থ বছরের তুলনায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।   

অর্থনীতি ও জীবন বাঁচাতে যত পদক্ষেপ : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দফায় দফায় বাড়ানো হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অনির্দিষ্টকালের জন্য এইচএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। অনলাইন ও টেলিভিশনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সাধারণ ছুটি কয়েক দফা বাড়িয়ে ৩০ মে পর্যন্ত তা বলবৎ রাখা হয়। চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসনসহ করোনা যুদ্ধে ফ্রন্টলাইন যোদ্ধাদের জন্য পিপিই-মাস্কসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী নিশ্চিত করা হয়। টেস্টিং কিট আমদানি ও পরীক্ষার ব্যবস্থার পাশাপাশি সারা দেশে ৬৮টি ল্যাব থেকে করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেসব সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী প্রত্যক্ষভাবে করোনাভাইরাস রোগীদের নিয়ে কাজ করছেন তাদের বিশেষ সম্মানী দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি সদস্য এবং প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের অন্য কর্মচারীদের জন্য দায়িত্ব পালনকালে কেউ আক্রান্ত হলে পদমর্যাদা অনুযায়ী প্রত্যেকের জন্য থাকছে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকার স্বাস্থ্যবীমা। মৃত্যুর ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫ গুণ হিসেবে স্বাস্থ্য ও জীবন বীমা ঘোষণা করা হয়েছে। এ জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৫০ কোটি টাকা। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিদেশি সংস্থা, চিকিৎসক পেশার প্রতিনিধিসহ সবাইকে নিয়ে ‘জাতীয় কমিটি’ এবং ‘কভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক’ কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুই  হাজার ডাক্তার ও ৫ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা এরই মধ্যে কাজে যোগ দিয়েছেন। অচিরেই আরও ৫ হাজার স্বাস্থ্য টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ তথ্য ও চিকিৎসাসেবা প্রদানে হটলাইনে যুক্ত চিকিৎসক সংখ্যা ৩ হাজার ৯৬৪ জন। তিনটি হটলাইনে (১৬২৬৩; ৩৩৩ ও ১০৬৫৫) তারা চিকিৎসা এবং অন্যান্য পরামর্শ দিচ্ছেন। এ ছাড়া বিভাগ, জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী ১ এপ্রিল ৩১টি, ১৬ এপ্রিল ১০টি, ২০ এপ্রিল ১৩টি এবং ২৭ এপ্রিল ১০টি নির্দেশনা দেন। ১৫ মার্চ কভিড-১৯ ঠেকানোর লড়াইয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে সার্ক নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে গণভবন থেকেই যোগ দেন শেখ হাসিনা। ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে ১৯টি প্যাকেজে ১ লাখ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। প্যাকেজে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনকে ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের সংস্থাগুলোর জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। ক্ষুদ্র (কুটির শিল্পসহ) এবং মাঝারি শিল্পের চলতি মূলধন সরবরাহের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। করোনাভাইরাস মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের গেল দুই মাসের সুদের চাপ কমাতে ২ হাজার কোটি

তুই প্রযুক্তিতে পড়ছ, তোর ভিসি আইসা আমার কাছে নাকে খত দিবো!

তুই প্রযুক্তিতে পড়ছ, তোর ভিসি আইসা আমার কাছে নাকে খত দিবো!




নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

'বেডা তোর নোয়াখালী আসা বন্ধ করে দিমু, চিনস তুই আমারে? ফাউল কোথাকার। তুই প্রযুক্তিতে পড়ছ। তোর ভিসি আইসা আমার কাছে নাকে খত দিবো, ফাউল কোথাইকার। সারাজীবনের পড়ালেখা নষ্ট করে দিবো তোর! তুই বেডা বেশি মাস্টরি করবি তো তুই চিনস নাই এহনো কার লগে কথা কইতেছস, কইতাছি।' 

এসব বলে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি) ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদকে মোবাইলফোনে হুমকি দিয়েছেন নোয়াখালী পৌর শহরের বাড়িওয়ালা মো. জায়েদ।
রবিবার সন্ধ্যায় মোবাইলফোনে হুমকির ওই অডিও রেকর্ড শাকিল আহমেদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করলে বিষয়টি নিয়ে  আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের মধ্যে। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গিয়ে নাকে খত দিবে এমন মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। 

জানা যায়, নোয়াখালী পৌর শহরের হাউজিং এস্টেট পিবিআইয়ের সামনে বুখারী সরণির একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী শাকিল। চলমান করোনাভাইরাস দুর্যোগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাসা ভাড়া নেওয়ার কয়েকদিন পর নিজ এলাকা রংপুরে চলে যান তিনি। এরপর রানিং(জুন) মাসের ভাড়া ব্যতীত অন্যান্য সব মাসের বাসা ভাড়া পরিশোধ করেছেন তিনি। শাকিলের অনুপস্থিতিতে বাড়িওয়ালা তার জিনিসপত্র নিচতলায় শিফট করা ও বাসা ভাড়া নিয়ে ঝামেলার একপর্যায়ে মোবাইলফোনে এমন হুমকি দেন বাসার মালিক জায়েদ।

বাড়িওয়ালা মো. জায়েদ  ভুল স্বীকার করে বলেন, 'আমার এসব বলা ঠিক হয়নি। ভিসি স্যার এসে নাকে খত দিবে এটা বলা উচিত হয়নি। আমি এজন্য দুঃখিত। আমি মেজাজ ধরে রাখতে পারিনি। ওরা বাসা ভাড়া দিচ্ছেনা। চলমান করোনাভাইরাস দুর্যোগে আপনার মানবতা দেখানো উচিত নয় কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'আমি মানবতা দেখিয়ে দশ হাজার টাকার ভাড়া সাত হাজার টাকা করে দিয়েছি। আর কত মানবতা দেখাবো? আমার তো বাসা ভাড়া দিয়েই চলতে হয়।' 

তবে বাড়ি ভাড়া না দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন শাকিল আহমেদ। তিনি বলেন, করোনা দুর্যোগেও শুধুমাত্র রানিং মাসের ভাড়া ব্যতীত সব ভাড়া আমি দিয়েছি। রানিং মাসের টাকাও বিকাশ করে দিবো। নানা হুমকিসহ আমার সাথে খুব বাজে আচরণ করেছে বাড়িওয়ালা। আমাকে নোয়াখালী যাওয়া বন্ধ করে দিবে, সারাজীবনের পড়ালেখা নষ্ট করে দিবে। এসব বলে হুমকি দিয়েছে। ভিসি স্যারকেও গালি দিয়েছে। আমার ক্ষতি করার জন্য বাড়িওয়ালা ভার্সিটির আইডি নম্বর খুঁজছে। সে আমার ফেসবুকের পোস্ট খুব তাড়াতাড়ি ডিলিট করার জন্য ভয় দেখাচ্ছে। 

করোনা কালীন সময়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন ৩ মাসের ভাড়া মওকুফ করলেও বাড়িওয়ালা ফুল ভাড়ার জন্য আমাদের চাপ প্রয়োগ করে। শুধুমাত্র মে এবং জুন মাসে বাসা ভাড়া ১০,০০০ থেকে কমিয়ে ৭০০০ করে কিন্তু আমি ফেসবুকে পোস্ট করার কারণে বলছে সম্পূর্ণ ১০০০০ টাকাই দিতে হবে। এর আগের মে এবং জুনের সব ১০০০০ নিবে এটা আমার বন্ধু আতাউস সালাম আমাকে ফোন করে বলেছে। আমি প্রক্টর স্যারকে বিষয়গুলো জানিয়েছি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মো. বাহাদুর  বলেন, আমি কলরেকর্ডগুলো পেয়েছি। ভিসি স্যার, ট্রেজারার স্যার এবং আমি নোয়াখালীতে আছি। আমরা এখন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। বাড়িওয়ালা কি করতে পারে তা আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেখব।

দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজের পক্ষ থেকে দুইদিন ব্যাপি ফ্রি অনলাইন চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প গঠন

দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজের পক্ষ থেকে দুইদিন ব্যাপি ফ্রি অনলাইন চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প গঠন




                                   
 নিউজ ডেস্ক:
মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর জন্য লকাডাউনের কারনে যাতায়াতে অসুবিধা থাকার কারনে শহর ও গ্রাম-অঞ্চলের রোগীরা সঠিক সময়ে ডাক্তারগনের সাথে সরাসরি সাক্ষাত করে চিকিৎসা গ্রহন করতে না পারায় সাধারন রোগ নিয়ে বিভিন্ন রকম সমস্যায় ভুগছেন।
এজন্য সর্বসাধারণের সুবিধার্থে
"দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ" অনলাইন পোর্টালের  পক্ষ থেকে ব্যতিক্রমী ভাবে হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা.এম.এ.মান্নান এর উদ্যোগে আগামী ০১ /০৭/২০২০ খ্রি. তারিখ হতে ০২/০৭/২০২০ খ্রি.সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত  অনলাইনে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন । 
 ফোন কলের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট ও অন্যান্য ডাক্তারের কাছে থেকে যেকোন পরামর্শ নিতে পারবেন।
প্রথম দিন:                                         ডা.এম.এ.মান্নান  হোমিও কনসালটেন্ট ও গবেষক  প্রধান চিকিৎসক                                মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র.   
বিষয়- করোনা ভাইরাস ও অন্যান্য রোগ নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ
তারিখঃ ০১/০৭/২০২০ইং রোজঃ বুধবার-সময়ঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত,  মোবাইল নং-০১৭২১৪০৬৭২০
দ্বিতীয় দিন। 
 ১।ডা.মো.তোফাজ্জল হোসেন  সহযোগী অধ্যাপক মেডিসিন বিভাগ টাংগাইল হোমিও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,টাংগাইল।                     মোবাইল নং-০১৭১২৫৭০৭৩৩             
 ২।ডা.মো.কাওছার খান মেডিকেল অফিসার(হোমিও)  মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র.     মোবাইল নং-০১৭২৭০৯৮৮৪
বিষয়ঃরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি কিভাবে বাড়ান যাবে ও হোমিওপ্যাথি মতে সকল রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ। 
তারিখঃ ০২/০৭/২০২০ইং, রোজঃ বৃহস্পতিবার, সময়ঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত। 
সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন-সজিব হুসাইন মোহাস্মদ হাসান নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধি,                    মাও.আব্দুল রাজ্জাক  হরিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি,    ইন্জি.তারিকুল ইসলাম                 টাংগাইল উপজেলা প্রতিনিধি, আশরাফুল ইসলাম  সরকারি সা'দত কলেজ প্রতিনিধি,       দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ                   ধন্যবাদান্তে  প্রভাষক মোঃ মহসীন আলী         প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ  পরিচালনায়:                                      ডা.এম.এ.মান্নান টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি                    দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ

করোনা টেস্টের জন্য 'ফি'!

করোনা টেস্টের জন্য 'ফি'!




অধ্যাপক ড মীজানুর রহমান:    

সরকার করোনা টেস্টের জন্য 'ফি' আদায় শুরু করবে বলে আলোচনা চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নাকি সেদিকেই হাঁটছে। এ কাজটি হবে দুর্দিনে সবচেয়ে জন বিরোধী একটি পদক্ষেপ। এতে সরকারের কোন সাশ্রয় হবে না, চোরদের পকেটে টাকা চলে যাবে। সরকারের খাতে সমালোচনাটাই জমা হবে।


RT-PCR টেস্ট হচ্ছে করোনা রোগী সনাক্তকরণে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বা একমাত্র স্বীকৃত পদ্ধতি যা WHO কর্তৃক অনুমোদিত।  তবে এ প্রক্রিয়াটি জটিল, ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ । দ্রুত PCR মেশিন সংগ্রহ বর্তমান সময়ে কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়। তবে নমুনা সংগ্রহ থেকে চূড়ান্ত ফলাফল নির্ণয় করে রোগীকে জানিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনবল, যা জরুরী ভিত্তিতে তৈরি সম্ভব নয়।

বর্তমানে প্রায় ৭০ টি ল্যাবে এ কার্যক্রম চলছে। দৈনিক প্রায় বিশ হাজার টেস্ট করা হচ্ছে। ল্যাবের সংখ্যা আরো বাড়বে, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কত বাড়াতে পারবো। দৈনিক এক লক্ষ করে টেস্ট করলে  সতেরো কোটি মানুষের বিশ শতাংশকে টেস্ট করতে এক বছরের বেশি সময় লাগবে। দেশের সকলের PCR টেস্ট করতে সময় লাগবে কমপক্ষে পাঁচ বছর। এত দিনে হয় আমরা মরে যাব বা করোনা মরে যাবে।


করোনা টেস্ট করার চেয়ে উপসর্গ দেখে আইসোলেশন বা উপসর্গ ভিত্তিক চিকিৎসার দিকে বেশি জোর দিতে হবে। PCR টেস্ট এ একবার কারো পজিটিভ আসলে তাকে আর দ্বিতীয়বার টেস্ট করার দরকার নেই। ১৪-২১ দিনের মধ্যে যদি উপসর্গ চলে যায় ধরে নিতে হবে সে সুস্থ হয়ে গেছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার এন্টিবডি টেস্ট করানো যেতে পারে। এটা শুধু রোগীর সান্তনা এবং গবেষণার জন্য কাজে লাগবে।


অন্তত পজিটিভ রোগীদের দ্বিতীয় -তৃতীয় বার PCR টেস্ট বন্ধ করলেই 'কিট' সংকটের বড় একটা সুরাহা হবে। উপসর্গ বিহীন কারো PCR টেস্ট করার প্রয়োজন নেই। ব্যক্তি যদি নিজেই করোনা আক্রান্ত বলে সন্দেহ করে তাকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হোক। উপসর্গ স্পষ্ট হলে অর্থাৎ শ্বাসকষ্টের মত জটিলতা সৃষ্টি হলেই কেবল হাসপাতালে ভর্তি করা হোক যাতে প্রয়োজনে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া যেতে পারে।


PCR টেস্টের খরচ অর্ধেকে নামানো যায় যদি একটি কিট দিয়ে দুইজনের পরীক্ষা করানো হয়। প্রক্রিয়াটি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সফলভাবে প্রয়োগ করেছে এবং স্বীকৃতিও পেয়েছে।

অযথা উপসর্গ বিহীন রোগীদের টেস্ট অথবা প্রথম টেস্টে পজিটিভ আসা রোগীদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বার PCR টেস্ট না করে, উপসর্গ চলে যাওয়ার পর সুস্থ্য ঘোষণা করুন বা এন্টিবডি টেস্ট করুন। 


ফী ধার্য করে ভীর কমানো যাবে না। অনেকে এখন বাঁচার জন্য মরিয়া হয়ে উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই টেস্ট করে নিশ্চিত হতে চাচ্ছে।  অনেকেই এরকম, " আমার বান্ধবীর বাসার সবাই দুইবার করে টেস্ট করে ফেলেছে, আমরা একবারও করলাম না! "


আর একটা বিষয় আমার অবাক লাগে, রেড জোনের অতি সংক্রমিত এলাকা চিহ্নিত করতে এত সময় কেন লাগছে! এই কাজের জন্যও কেউ ব্যবসায়ের ফাঁদ পাতছে না তো? 

গত চৌদ্দ দিনে যাদের করোনা পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে তাদের নিজের অথবা পরিবারের কারো টেলিফোন নম্বরে এসএমএস করে তাদের ফলাফল জানানো হয়েছে। পজিটিভ টেলিফোন নম্বরধারীরা এই মুহূর্তে কোথায় আছে এটা পুলিশ কর্মকর্তা আমার ছাত্র মোল্লা নজরুলকে দিলেই এক ঘন্টার মধ্যে জানিয়ে দিতে পারবে মোবাইল ট্র‍্যাকিং এর মাধ্যমে। ট্র‍্যাকিং এ সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী যেই পাড়ায়, মহল্লায় বা রোডে পাওয়া যাবে সে জায়গাটুকু লকডাউন করে দিতে হবে। তার আগে স্থানীয় প্রশাসন লকডাউনকৃত এলাকার যাবতীয় বিষয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এলাকাবাসী বিশেষ করে স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় তা কার্যকর করবে। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে লাগাতার মিটিং এর কোন প্রয়োজন নেই।



লেখকঃ অধ্যাপক ড মীজানুর রহমান
মাননীয় উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


কাজিপুরে পানিতে ডুবে নির্মাণ শ্রমিক নিখোঁজ !

কাজিপুরে পানিতে ডুবে নির্মাণ শ্রমিক নিখোঁজ !


মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে নির্মানাধীন ম্যাটসে কর্মরত নির্মাণ শ্রমিক পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছে।   সোমবার (২৯ জুন) বেলা এগারোটায় সঙ্গীয় শ্রমিকদের নিয়ে পার্শ্ববর্তী দওয়ে (ইনতুল্যা দও) গোসল করতে গেলে ডুবে যান তিনি।   নিখোঁজ শ্রমিক চাপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ থানাধীন বাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নজরুল ইসলামের পুত্র কাওছার (১৮)।  নিখোঁজ ব্যক্তির সাথে গোসল করতে যাওয়া শামিম জানান, "আমরা সাত জন দওয়ের উত্তর পাশ দিয়ে গোসল করতে নামি। কাওছার সাঁতার কেটে দক্ষিণ পাশে পাড় হচ্ছিল। একপর্যায়ে সে ডুবে যায়। আমরা তাকে তুলতে পারিনি।"  কাজিপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ফরিদ উদ্দিন জানান, "আমরা ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি। রাজশাহী কন্ট্রোলে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাঁরা দ্রুত ডুবুরী পাঠাচ্ছে।"  এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ শ্রমিককে স্থানীয় ভাবে খোঁজাখুঁজির চেষ্টা চলছে।

রানা প্লাজায় ধ্বসে মৃত্যু অতঃপর আর্থিক সহায়তার জন্য ব্রাক কর্মকর্তার খোঁজ

রানা প্লাজায় ধ্বসে মৃত্যু অতঃপর আর্থিক সহায়তার জন্য ব্রাক কর্মকর্তার খোঁজ






কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি, আলমগীর হোসাইন 

২৪ এপ্রিল ২০১৩ সকাল ৮:৪৫ এ সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে রানা প্লাজা নামের একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ে। ভবনের কয়েকটি তলা নিচে ডেবে যায়। কিছু অংশ পাশের একটি ভবনের ওপর পড়ে। এ দূর্ঘটনায় এক হাজার ১৭৫ জন শ্রমিক নিহত এবং দুই হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়। সে সময় কুমিল্লা জেলাদিন মুরাদনগর উপজেলা আমপাল গ্রামের আবদুল মজিদ এর ছেলে মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে মারা যান।

মাহবুবুর রহমান ব্রাক এনজিওর থেকে লক্ষাধিক টাকা প্রাপ্ত হন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তার কোনো খোজ পাওয়া যাচ্ছে না। আজ একজন ব্রাক এনজিওর কর্মকর্তার সাথে দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ অনলাইন সংবাদ পত্রের সাংবাদিক আলমগীর হোসাইন  কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধির সাথে সরাসরি ফোনালাপের মাধ্যমে ঘটনাটি নিশ্চিত করা হয়।

তিনি জানান রানাপ্লাজার ভবন ধ্বংসে মৃত ব্যক্তি এক লক্ষ ৫ হাজার টাকা পাবে এবং তার চেকও পাশ করা আছে।

কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তিটিকে এখনো খোজে পাওয়া যায় নি। যদি এই খবর প্রকাশের মাধ্যমে তার ঠিকানা পাওয়া যায় তাহলে পত্রিকায় উল্লেখিত ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে জানানো হলো।
যোগাযোগের মাধ্যমঃ
মোবাইলঃ ০১৩০৩-০৫৯৮৪৮

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র জনাব শেখ তন্ময়ের জন্মদিনে সাংবাদিক মিঠুন কুমার রাজ এর শুভেচ্ছা বিনিময়

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র জনাব শেখ তন্ময়ের জন্মদিনে সাংবাদিক মিঠুন কুমার রাজ এর শুভেচ্ছা বিনিময়





ডেক্স রিপোর্ট,
বাগেরহাটঃ

জন্মদিনে বাগেরহাট বাসির শুভেচ্ছায় সিক্ত বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র বাগেরহাট জেলার-২ আসনের এমপি জনাব শেখ সারহান নাসের তন্ময়। 
খুলনার বাগেরহাট জেলার পরিচ্ছন্ন নিষ্ঠাবান ও গণমানুষের ভালোবাসার একমাত্র ব্যক্তি বাগেরহাট -২ আসনের এমপি জনাব শেখ তন্ময়ের জন্মদিনে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
রবিবার নিজ কার্যালয়ে শেখ তন্ময়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় এর শিক্ষক ও পরিচালক গণ, প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ এবং আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সহ সমাজের সাধারণ মানুষেরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
এসময় তারা শেখ তন্ময়ের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পরে তারা তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও ফেসবুকে এই সিংহপুরুষ বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র বাগেরহাট ২ আসনের এমপি জনাব শেখ তন্ময় সাহেব শুভাকাঙ্খীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন।

সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘন্টায় করোনা শনাক্ত ৬২ জন মোট আক্রান্ত ৪৮৫ জন

সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘন্টায় করোনা শনাক্ত ৬২ জন মোট আক্রান্ত ৪৮৫ জন




 মাসুদ রানা  সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো  ৬২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ৬২ জনের মধ্যে ১২ জন পৃর্বের  পজিটিভ শনাক্ত।
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় সুত্রে জানা এ তথ্য জানা যায়।
আজ সোমবার  (২৯ জুন) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (পিসিআর) ল্যাব থেকে ১৮৮ জনের নমুনার ফলাফল পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৬২ জনের করোনা পজিটিভ এবং অন্য ১২৬ জনের নেগেটিভ ফলাফল আসে।
আজকের ৬২ জনের মধ্যে আগের আক্রান্তের ১২ জনের আজও পজিটিভ আসে এবং নতুন  করে জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জন।
জেলায় নতুন ৫০ জনের মধ্যে সিরাজগঞ্জ সদরের ২৫ জন, বেলকুচির ১০ জন, কাজিপুরের ১ জন, শাহজাদপুরের ৯ জন এবং রায়গঞ্জের ৫ জন রয়েছেন।
জেলার বাহিরের মানুষসহ সিরাজগঞ্জ ল্যাবে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৫৭ জনের। যার মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলার বাসিন্দা ৪৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বাকী ২২ জন অন্য জেলার।
সিরাজগঞ্জ জেলায়  মোট করোনা আক্রান্তের ৪৩৫ জনের মাঝে বেলকুচিতে ১১৬ জন, সিরাজগঞ্জ সদরের ১৩৫জন, রায়গঞ্জের ৩১ জন, চৌহালীর ২৭ জন, শাহজাদপুরের ৫০ জন, উল্লাপাড়ার ২৪ জন, কাজিপুরের ২৮ জন, তাড়াশের ১০ জন এবং কামারখন্দের ১৪ জন।
এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ জন এবং মারা গেছে মোট ৪ জন।

ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ



নিউজ ডেস্কঃ  
২৯/০৬/২০২০
*** দেশে করোনায় আরও ৪৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১৭৮৩
***২৪ ঘণ্টায় ১৭৮৩৭ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত ৪০১৪
***গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত ২২.৫০ শতাংশ।
নারীঃ৯জন
পুরুষঃ৩৬জন

কুড়িগ্রামে তিস্তার প্রবল স্রোতে টি-হেড বাঁধে ধ্বস, ২৫ হাজার মানুষের ভিটেমাটি হুমকীর মুখে

কুড়িগ্রামে তিস্তার প্রবল স্রোতে টি-হেড বাঁধে ধ্বস, ২৫ হাজার মানুষের ভিটেমাটি হুমকীর মুখে




মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
জেলার উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছের নাগড়াকুড়ায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত একটি টি-বাঁধের মুল অংশ ভেঙ্গে গেছে তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করলেও, ক্রমশঃ বিলিন হয়ে যাচ্ছে বাঁধটি। এ অবস্থায় হুমকীর মুখে পড়েছে, গুনাইগাছের ও বজরা ইউনিয়নের প্রায় ২৫ হাজার মানুষের ভিটা-মাটি ও বাড়ি-ঘর।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারি প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, গুনাইগাছের নাগড়াকুড়া টি-হেড বাঁধের বøক পিচিংসহ স্থায়ী কাজের মুল ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়াও উজানে প্রায় ৮শ মিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে মুল টি-বাঁধের ২৩০ মিটার অংশের বিভিন্নজায়হায় ধস দেখা দিয়েছে। যদি আরো বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও বøক ফেলা না হয়, তাহলে এটি বিলিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো জানান, উজানের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, পানির স্রোত সরাসরি এসে টি-বাঁধে ধাক্কা দেয়। এতে বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সকাল নয়টার দিকে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

গুনাইগাছ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ খোকা জানান,  গতকাল রাত থেকে বাঁধটিতে ভাঙ্গন শুরু হয়। এতে সামনের মুল অংশের প্রায় ১৫০ ফিট পানিতে বিলিন হয়ে গেছে। এখন ওই বাঁধের বিভিন্ন অংশে ধস দেখা দিয়েছে। এটি নদীতে বিলিন হলে তার ইউনিয়নের ১,২,৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১০ হাজার মানুষের ভিটা-মাটি ও ঘরবাড়ি নদীতে বিলিন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এলাকাগুলো হচ্ছে- কাজির চক, রাজবল্লভ,টিটমা,নন্দু নেফরা, শুকদেব কুন্ড ও সন্তোষ অভিরাম।

বজরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম আমিন বাবুল জানান, এই টি বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে তার পুরো ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। বিশেষ করে,  বজরা সাদুয়া দামার হাট, খামার দামার হাটবগলা কুড়া, সাতালস্কর, পশ্চিম বজরা  ও চর বজরা মারাত্মকভাবে ক্ষতি গ্রস্ত হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্র্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র স্রোত ও ঘুর্ণিপাকের। এতে গুনাইগাছের নাগড়া কুয়ায় একটি টি বাঁধের ধসের খবর পেয়েছেন। ভাঙ্গন রোধ করার জন্য সেখানে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবি, ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার

বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবি, ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার






সম্রাট হোসেন  নিজস্ব প্রতিনিধি
 

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ফরাশগঞ্জ এলাকায় লঞ্চডুবির ঘটনায় সোমবার নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডের সদস্যরা। খবর ইউএনবি’র।

ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটের দিকে ৬০ থেকে ৭০ জন যাত্রী নিয়ে এম ভি গ্রিন ভাট নামে একটি দেড়তলা টেডি লঞ্চঘাটে ভেড়ার সময় আরেকটির নৌযানের ধাক্কায় ডুবে যায়।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা এবং উদ্ধার কাজ শুরু করেন, বলেন কর্মকর্তা।

দায়িত্বরত কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার জানান, উদ্ধার অভিযানের সময় ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অনেকেই সাঁতার কেটে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধার কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

সদরঘাট নৌ থানার ওসি রেজাউল করিম ভূঁইয়া জানান, সকাল ৮টায় মুন্সীগঞ্জ জেলার কাঠপট্টি থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন যাত্রী নিয়ে গ্রিন ভাট ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল।

বিআইডব্লুউটিএর যুগ্ম পরিচারক একেএম আরিফ উদ্দিন জানান, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করার জন্য উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বেশিরভাগ যাত্রী উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা কাজ করছে

কুমিল্লা প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে দুর্বৃত্তরা

কুমিল্লা প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে দুর্বৃত্তরা




মো: রবিউল হো: সবুজ,(কুৃমিল্লা প্রতিনিধি):

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে রাবেয়া আক্তার (২১) নামে প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) ১১ টার পর নাঙ্গলকোট উপজেলার মান্দ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল  গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। ওই নারীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামের আলী মিয়ার স্ত্রী জাহানারা বেগম রবিবার সকাল ১১টার দিকে বাজার করতে স্থাণীয় মান্দ্রা বাজারে যান। এ সুযোগে মোটরসাইকেলযোগে তিনজন লোক তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন বাকী দুইজন যুবক ও একজন মধ্যবয়সী। ওই সময় বাড়িতে রাবেয়া আক্তার ও তার নানী জামিলা খাতুন (৭২) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। ঘটনার সময় রাবেয়া ঘরে ছিলেন এবং তার নানী বাইরে তরকারি কাটছিলেন। মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তি সুকৌশলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় তিনি (জামিলা খাতুন) তাদেরকে দেখেননি। পরবর্তীতে ওই তরুণীর মা জাহানারা বেগম বাজার থেকে ফিরে মায়ের কাছে মেয়ের কোথায় তা জানতে চান।
এসময় জামিলা খাতুন তার মেয়েকে বলেন, মোটরসাইকেলযোগে সম্ভবত ব্যাংকের তিনজন লোক এসেছে। রাবেয়া তাদের সাথে কথা বলছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে সাথে সাথেই মা ঘরে গিয়ে মেঝেতে মেয়ের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে আশে-পাশের লোকজন জড়ো হয়ে থানা পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল ছুটে যান। রাবেয়াকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থাণীয়রা ধারণা করছেন। বছর দুয়েক আগে কুমিল্লার জনৈক কাতার প্রবাসীর সাথে রাবেয়ার বিয়ে হয় বলে তারা জানান। বিয়ের পরও তিনি বাবার বাড়িতেই থাকতেন।

নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা জানা যাবে।

করোনাকালীন সময়ে যুব সমাজের ভূমিকা

করোনাকালীন সময়ে যুব সমাজের ভূমিকা



  
জবি প্রতিনিধিঃ 
করোনার করাল গ্রাসে আজ থমকে গেছে সারা বিশ্ব। থমকে গেছে বিশ্ব অর্থনীতি ও। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম করোনা রোগী ধরা পরে ৮ মার্চ। সংক্রমণ রোধে ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান। সে হিসেবে এখন পযর্ন্ত ১০০ ও বেশি দিন হলো দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আয়তনের ৩০% যুব সমাজ। যা মোট আয়তনের বিশাল একটা অংশ। কিন্তু সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারনে তারা অনেকটা হেলা ফেলা করে সময় পার করছে। যা অনেক সময় তাদের মানসিক স্বাস্থ্যেরও ক্ষতির কারন হচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা কিছু অনলাইন এবং অফলাইন ভিত্তিক কাজ করে দেশের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারে। কারন আমরা জানি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী সকল আন্দোলন দুর্যোগের সময় সবার প্রথম এগিয়ে এসেছে আমাদের যুব সমাজ। করোনাভাইরাস সংকটকালীন সময়ে সবচেয়ে জরুরী বিষয় হচ্ছে সেচ্ছাসেবীমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করা। তরুণরাই পারবে এই সংকটকালে অসহায় ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এই কোভিড ১৯ মহামারীর সময়েও আমাদের যুব সমাজ পিছিয়ে নেই। বরাবরের মত এবারো তারা এগিয়ে এসেছে এবং উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে যা খুবই প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ যুবসমাজ। বাংলাদেশের যে সকল তরুণ কর্মসংস্থানের মাধ্যমে অর্থনৈতিক খাতে অবদান রাখছেন তার মধ্যে কৃষিতে ২৪%, শিল্পতে ৩০% এবং সার্ভিসে রয়েছে ৪৬%। এর মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ২১.০৯%, হাউসহোল্ড এ ১৫.৫৯%, সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৩.৩৮%, এনজিও ০.৭৬, ব্যক্তিগত পর্যায়ে ৫৮.২৪% এবং অন্যান্য সেক্টরে ০.৯৫% কর্মরত রয়েছে যারা অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। ৫.৩ কোটির এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত করাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা ও যুব সমাজ চাইলেই এই সংকোট কালীন সময়ে সমাজের ও দেশের প্রতি আমাদের ভূমিকা পালন করতে পারি। আসুন জেনে নেই কীভাবে:
১. পরিবর্তনের দূত হিসেবে কাজ করতে পারি। আমরাই সমাজ পরিবর্তনের অগ্রদূত। আমাদের হাত ধরেই আসবে পরিবর্তন।
২.সমাজে বর্তমান সময়ে কোভিট-১৯ নিয়ে প্রচলিত ভুল ও ভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারি। গুজব প্রতিহত করনে,যাতে মানুষ বিভ্রান্ত না হয়ে পরে।
৩.করোনাকালীন সময়ে দুস্থ ও অসহায় মানুষদের পাশে দাড়ানোর জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যাবস্থা করতে পারি টাকা সংগ্রহ ও তা অসহায়দের মাঝে বিতরনের মাধ্যমে।
৪.সাধারন মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করতে পারি। যাতে করে মানুষ আরোও সচেতন হতে পারে।
৫.আমরা ঘরে বসে মাস্ক এবং হ্যান্ড সেনিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ তৈরি করে আশেপাশের মানুষের মাঝে বিতরন করতে পারি।
৬.এখন বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কোর্স হচ্ছে সেসবে অংশগ্রহণ করতে পারি। এতে করে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি হবে এবং সামনের সময়গুলোতে নিজেকে প্রস্তুত করতে সহায়ক হবে।
৭.বিভিন্ন কিক্রেটিভ এবং ডিজাইনিং কোর্স করতে পারি যা দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
৮.এখন রয়েছে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার দারুণ সুযোগ। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় সংকট হলো কর্মসংস্থান তৈরি করা সেই সংকট মোকাবেলা করতে প্রয়োজন উদ্যোক্তা তৈরি করা যা নিয়ে সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ এবং পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই গ্রহণ করছে। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রয়োজন নতুন সৃষ্টিশীল আইডিয়া সেই আইডিয়াটাকে কিভাবে বাস্তবায়িত হবে সেটা নিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করা। এই সকল বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক স্টার্টআপ এন্ড অন্ট্রাপ্রেনারশিপ কোর্স রয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তারা নিজেদের প্রস্তুত করতে পারি।
৯.সেচ্ছাসেবীমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি।করোনাভাইরাস সংকটকালীন সময়ে সবচেয়ে জরুরী বিষয় হচ্ছে সেচ্ছাসেবীমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করা। তরুণরাই পারবে এই সংকটকালে অসহায় ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষের পাশে দাড়াতে। এখনকার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে কৃষকের পাশে দাঁড়ানো। এখন ধান কাটার মৌসুম, তাদের ধান কাটতে সহযোগিতা করে খাদ্য সংকট থেকে দেশকে রক্ষা করা আমাদের মহান দায়িত্ব। নিম্ন আয়ের মানুষ যারা দেশকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করে যাচ্ছে তাদের পাশে দাড়াতে হবে এই সংকটে। বাংলাদেশের খেটে খাওয়া মানুষের টাকায় আমাদের রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে, তাঁদের অর্থে আমরা পড়াশুনা করছি। এখনই সময় তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর, সময় এখন আমাদের দায়িত্ব পালনের। এছাড়া আমাদের দেশে করোনায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সেবা দান করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
১০.সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যুব সমাজ যৌথভাবে অনলাইন ভিত্তিক বা অন্যান্য অর্থনৈতিক উদ্যোগের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে পারি যা সংকটকালীন ও পরবর্তী সময়ে আমাদের নিজেদেরকে স্বনির্ভর করে তুলবে ও পরবর্তিতে জাতীয় অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে।

আমরাই জাতির আগামীর পথপ্রদর্শক, উন্নয়নের কর্ণধার ও সফলতার চাবিকাঠি সেই তরুণদের পদস্খলন যেকোনো দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে।আর তরুণরা সফল হবে যদি তারা দৃঢ় মনোবল ধারণ করে। কারণ তরুণদের ব্যাপারে মিশরের কবি ইবরাহীম নাজী বলেন, যখন চক্ষু ঘুমিয়ে পড়ে তখন আমরা যুবকরা ভোরে জাগা পাখির ন্যায় প্রত্যুষে জাগ্রত হয়ে ফজরকে অভ্যর্থনা জানাই। আমরা যুবকরা সবাই মিলে প্রকৃত মর্যাদা অর্জনে ঝাঁপিয়ে পড়ি। (জেনে রাখ) যে বিজয়ের জন্য সকাল সকাল ঝাঁপিয়ে পড়ে, সে বিজয় ছিনিয়ে আনে।


আজমেরী আলম নাতাশা
শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
প্রমিস ফেলো ও রিসার্চার
সেইভ ইউথ বাংলাদেশ।

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

কুড়িগ্রামে  বন্যা পরিস্থিতির অবনতি




মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৭৭ সে. মি. উপর দিয়ে এবং নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৪ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত।

ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ৭৬ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত।

তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে প্রবাহিত হচ্ছিল ১৯ সে. মি.  বিপদসীমার নিচ দিয়ে।

মাধবপুরে নতুন করে আরও ৭জন করোনা আক্রান্ত ১০০ ছুঁই ছুঁই

মাধবপুরে নতুন করে আরও ৭জন করোনা আক্রান্ত ১০০ ছুঁই ছুঁই




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১০০ ছুঁই ছুঁই। গতকাল রবিবার ও সোমবার নতুন আক্রান্ত ১৩ জনসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৫ জনে দাঁডিয়েছে।

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো ইশতিয়াক মামুন গতরাতে ও আজকে করোনায় আক্রান্তের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ৯ জুন ও ১৪ও ১৫ জুনের ২৫ জনের সংগৃহীত নমুনা ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরী তে স্থাপিত কোভিড১৯ বিশেষায়িত ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় । আজ ২৮ জুন ও ২৯ জুন হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে তাঁদের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত রিপোর্টে দেখা গেছে, ১৩ জনের করোনা পজেটিভ এবং ১২ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ।

এদিকে ২৩ ,২৪ ,২৫,ও ২৬ জুন প্রেরিত নমুনার রিপোর্ট এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে মাধবপুরে এই পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে ১ জন মারা গেছে।

মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আয়েশা আক্তার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি সকলকে সামাজিক নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিতকরণসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশনা প্রদান করেন। অন্যথায় তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

তারাকান্দা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা স্যাম্পল বুথ উদ্ভোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস

তারাকান্দা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা স্যাম্পল বুথ উদ্ভোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস




স্টাফ রিপোর্টারঃ মিজানুর রহমান ইমন,

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কিছু হৃদয়বান ব্যাক্তিরা এই মহামারী করোনা কালীন সময়ে, কোভিড-১৯ স্যাম্পল টেষ্ট করার জন্য একটি বুথ উপহার প্রদান করেন । কিছুদিন আগে তারাকান্দা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক, নুরুজ্জামান সরকার বকুল (মাষ্টার)  করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) স্যাম্পল টেষ্ট পরীক্ষার জন্য বুথ স্থাপনের প্রচেষ্টা চালায় তারই ফলশ্রুতিতে  ২৮জুন রবিবার (কোভিড-১৯) বুথ টি উদ্ভোধন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা টি.এস.আই ডাঃ রাশিদুজ্জামান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ প্রাণেশ চন্দ্র, তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক, সি এইচ সিপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় এসোসিয়েশনের সভাপতি হুমায়ুন কবির নানক সোহেল, দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ফজলে এলাহি ঢালি, দৈনিক সর্বকন্ঠ পত্রিকার ময়মনসিংহ প্রতিনিধি, আর.জে মিজানুর রহমান ইমন, সুরুজ্জামান সুরুজ, মোঃ আজগর আলী,তারাকান্দা বাজারের ব্যাবসায়ীগণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেত্ববৃন্দ

মাধবপুরে মোটর সাইকেল ও ট্রাক মুখামুখি সংঘর্ষে নিহত ২-জন

মাধবপুরে মোটর সাইকেল ও ট্রাক মুখামুখি সংঘর্ষে নিহত ২-জন




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ঢাকা-সিলেটে মহাসড়কে ট্রাক ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাক ও এর চালককে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২৮-জুন) রাতে নোয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে নিহতরা হলেন, মাধবপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মকসুদ আলীর ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫) ও একই উপজেলার কামালপুর গ্রামের মিজান মিয়ার ছেলে রুমন মিয়া (২৫)। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌফিকুল ইসলাম তৌফিক জানান, রাতে কুমিল্লা থেকে শুটকি নিয়ে সিলেটের দিকে যাচ্ছিল একটি ট্রাক। নোয়াপাড়ায় আসলে মাধবপুরগামী একটি মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হন মোটরসাইকেল আরোহী মাসুক ও রুমন। স্থানীয়রা তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাক ও এর চালককে আটক করে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।ন্ত ছেলে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মুরাদনগরে ৬২টি নমুনার ফলাফলে একই পরিবারের ১০জনসহ নতুন করে করোনা শনাক্ত ২৭ জন

মুরাদনগরে ৬২টি নমুনার ফলাফলে একই পরিবারের ১০জনসহ নতুন করে করোনা শনাক্ত ২৭ জন





শাহ আলম জাহাঙ্গীর
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা
 
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় রোববার ২৮ জুন ৬২টি নমুনার ফলাফলে নতুন করে ২৭ জন করোনায় পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে পূর্বের আক্রান্ত ১১ জনের নেগেটিভ রিপোর্ট আসায় নতুন করে সুস্থ্ ঘোষিত হয়েছেন ১১ জন।

মুরাদনগরে নতুন করে করোনায় আক্রান্তরা হলেন: রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাখরাবাদ এক হিন্দু যৌথ পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন, নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ১ জন, নবীপুর গ্রামে ১ জন, ইউএনও কার্যালয়ের কর্মচারী ২ জন, উত্তরা ব্যাংক কোম্পানীগঞ্জ শাখার ১ জন, ব্র্যাক এনজিও মুরাদনগর ও নহল চৌমুহনীর ২ জন, পান্তি গ্রামে ৩ জন,  হায়দারাবাদ গ্রামে ১ , করিমপুর গ্রামে ১, পাঁচকিত্তা গ্রামে ১, স্বাস্থ্যকর্মী জয়নগর গ্রামের ১ জন, শুশুন্ডা ১ জন, নিমাইকান্দি ১, মুরাদনগর সদরে ১ জনসহ মোট ২৭ জন।

 মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স সূত্রে জানাগেছে, ২৮ জুন পর্যন্ত উপজেলা থেকে ১৩১০ জনের নমুনার মধ্যে ১২১৭ জনের নমুনার ফলাফলে মোট ২৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এতে সুস্থ্য হয়েছেন ১৪৩ জন এবং করোনায় ভাইরাস নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন ১১ জন। করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৮ জনের পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায় এবং ৩ জনের নমুনার সংগ্রহ করার পর মারা যায়।

মুরাদনগর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে মৃত্যুবরণ করেন এ পর্যন্ত  ১১ জন। তাঁরা হলেন: মুরাদনগর সদরে মোঃ বাচ্চু মিয়া (৫৫), নাগেরকান্দি গ্রামের মোঃ নাসির (৩৪), নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের আব্দুল খালেক (৬৫), জেসমিন বেগম (৪৫), আকুবপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৭৩), যাত্রাপুর গ্রামের প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর (৪৭), ভবানীপুর গ্রামের বাবুল মিয়া (৪৮), মাহেরা খাতুন (৫৫), রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের আবুল বাশার (৬২), জশমন্তপুর গ্রামের আব্দুল বাতেন (৬৭) এবং পাহাড়পুর গ্রামের মতিন মিয়া (৬৫)।

কুমিল্লার হোমনার ইউএনও করোনায় আক্রান্ত

কুমিল্লার হোমনার  ইউএনও করোনায় আক্রান্ত




শাহ আলম জাহাঙ্গীর
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা
 

কুমিল্লার হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএন) তাপ্তি চাকমা প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত।গতকাল শনিবার ২৭ জুন বিকেলের রিপোর্টে তাঁর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডা. মোহাম্মদ আবদুছ ছালাম সিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ইউএনও তাপ্তি চাকমা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় খবরে হোমনা উপজেলার সাধারন মানুষ তার সুস্থতা কামনায় ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছেন। অনেকে নিজ নিজ ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তার সুস্থতা কামনা করেছেন।  
জানাগেছে,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা করোনা সংকটের শুরু থেকেই হোমনাবাসির পাশে থেকে সার্বক্ষনিক দায়িত্বপালন করেছেন। করোনার সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবেই তাকে মনে করেন হোমনা উপজেলাবাসি।
 উপজেলা স্বাস্থ্য  পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  বলেন, ইউএনও’র শারীরিক অবস্থা ভাল আছে। তাঁর মনোবল শক্ত রয়েছে বলে হোমনা উপজেলা স্বস্থ্যকর্মকর্তা জানান। তিনি সব ধরনের নিয়ম মেনে চলছেন। তার করোনা পজেটিভ নিশ্চিত হওয়ার পর হোমনার সরকারী বাসায়  স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারিন্টিনে রয়েছেন।
 বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের তথ্যমতে ,করোনা সংকট শুরু থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা অসহায়ের পাশে ছিলেন। হতদরিদ্রের মাঝে সরকারি ত্রাণ বিতরণ,  আক্রান্তদের সহায়তা প্রদান, মৃত্যু ব্যক্তিদের দাফনেও ছিলেন তিনি সম্মুখে। পাশাপাশি করোনা প্রতিরোধে তার কঠোরতাও ছিল নজরকাড়ার মত। বিশেষ করে রমজানে ইফতার বিতরণ ঈদে নতুন জামা কাপড় বিতরণ করে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মাঝে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। তার সুস্থতার জন্য সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী। হোমনার সর্বস্তরের জনগণ ইউএনও তাপ্তি চাকমার আশু সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন।

চালিমিয়া পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের অজুখানা নির্মাণ কাজে শরিক হউন

চালিমিয়া পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের অজুখানা নির্মাণ কাজে শরিক হউন



প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ 
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলায় অবস্থিত বাবুখালী ইউনিয়নের চালিমিয়া পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের অজুখানা নির্মাণ কাজ চলিতেছে একাজে অনেক অর্থের প্রয়োজন, কিন্তু উক্ত মহল্লার অধিকাংশ জনগন নিন্ম আয়ের খেটে-খাওয়া মানূষ, আপনারা  মসজিদের উন্নয়ন কাজে শরিক পারেন,তাই আপনাদের নিকট থেকে মসজিদের অজুখানা নির্মাণের জন্য অর্থ সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি, 
সার্বিক যোগাযোগ
মোঃকুতুবুল আলম
01759311919 Bkash,
7017413416290ডাচবাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং, 
20507770241751614ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং