নন্দীগ্রামে উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর হামলা ও লাঞ্চিতের ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ

নন্দীগ্রামে উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর হামলা ও লাঞ্চিতের ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ



আব্দুল আহাদ,নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ


বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ''র উপর হামলা ও 

লাঞ্ছিতের ঘটনায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুস্ঠিত হয়েছে। ঘটনা সূত্রে জানাযায়, ২৯শে অক্টোবর শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ কুন্দারহাট বাজারে অবস্থিত চায়ের দোকানে সবার সাথে কুশল বিনিময় করছিলো, ঠিক সেই সময় পূর্ব দলীয় বিরোধের জের ধরে সেই স্থানে ৫নং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী (ফক্কার) উপস্থিত হয় এবং তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়, কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ কে গালি গালাজ সহ তার পাঁনজাবির কলার ধরে 

লাঞ্ছিত করে জুলফিকার আলী (ফক্কার) সহ তার সাথে থাকা অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা। এই ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান জিন্নাহ'র ছোট ভাই উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ মাহমুদ আশরাফ মামুন বাদী হয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী (ফক্কার) কে ১নং আসামী ও ৪জন কে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় মামলা করে, মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শওকত কবির। উক্ত ঘটনায় বিকেল ৩টায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন চন্দ্র মহন্তের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর হামলা ও লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে ও দোষী ব্যাক্তিদের দাবী দ্রুত 

গ্রেপ্তারের বিক্ষোভ মিছিল বের করে, মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক প্রতিবাদ সভা করে।উক্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শ্রী দুলাল চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম শেখ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ আশরাফ মামুন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু সাঈদ, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম (শফিক), সাধারণ সম্পাদক সাঈদ রায়হান মানিক, ছাত্রলীগ নেতা শুভ আহম্মেদ, উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি শাহজাহান আলী সাজু, ২নং সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সোহাগ, এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম দুলাল, যুবলীগ নেতা, এমআর জামান রাসেল, বেনজীর আহমেদ, মোফাজ্জল বারী, সুমন আহমেদ, আসকান আলী , রুহুল আমিন, এনামুল হক, লিটন, ফারুক, দিলীপ প্রমূখ। উক্ত প্রতিবাদ সভায় আগামী সোমবার বিকেল ৩টায় বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন বক্তারা।

সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ উপজেলায় নবাগত ইউএনও মেরিনা সুলতানার যোগদান

সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ উপজেলায় নবাগত ইউএনও মেরিনা সুলতানার যোগদান




মাসুদ রানা  সিরাজগঞ্জ  জেলা প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেরিনা সুলতানা যোগদান করেছেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট)  সকালে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের  পরিবর্তে নিযুক্ত হয়েছেন।


নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেরিনা সুলতানা রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণী বিদ্যা বিষয়ের উপর অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন শেষে ৩৩ তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে অংশগ্রহন করে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। তার পৈত্রিক নিবাস রাজশাহী জেলা শহরে।

এদিকে বিদায়ী কামারখন্দের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম নাটোরের বড়াই গ্রামে নিযুক্ত হয়েছেন

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে করোনায় পরিবার কল্যাণ সহকারির মৃত্যু

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে করোনায় পরিবার কল্যাণ সহকারির মৃত্যু




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ  সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক পরিবার কল্যাণ সহকারির মৃত্যু হয়েছে।

খাদিজাতুল কোবরা নামের এই পরিবার কল্যাণ সহকারির বাড়ি কাজিপুর উপজেলা সদরে এবং কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলেন।

কাজিপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পলাশ ভৌমিক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “ওই কর্মির করোনা পজেটিভ আসায় তিনি সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অনবতি হলে গত রবিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকায় নেবার পথে বিকেল সাড়ে চারটায় তার মৃত্যু হয়।” পরে স্বজনরা রাতেই পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন কার্য সম্পন্ন করেন।

উল্লেখ্য, কাজিপুরে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত্রের সংখ্যা ৫৯।

সিরাজগঞ্জে এক মাদক ব্যবসায়ীর জেল

সিরাজগঞ্জে এক মাদক ব্যবসায়ীর  জেল



মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ থানার শাহেদনগর ব্যাপাড়ী পাড়া নামক স্থানে মোঃআব্বাস  (৪৫) নামক ব্যক্তিকে তিন মাসের  জেল দিয়েছে  ভ্রাম্যমাণ  আদালত।সোমবার  দুপুরে জেলা প্রশাসনের  

সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ  ফয়সাল  আহমেদ  নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ  আদালত পরিচালিত  হয় । এ অভিযানে   সহয়তা করেন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের এডি জাহিদ আব্দুল্লাহ, সাথে পুলিশ বাহিনী। 

ভ্রাম্যমাণ  আদালত সূত্রে জানান  যায়, সোমবার  গোপন  সংবাদ ভিত্তিতে  সিরাজগঞ্জ থানার শাহেদনগর ব্যাপাড়ী পাড়া নামক স্থানে মোঃআব্বাস  (৪৫) নামক ব্যক্তিকে ৫৭ পুরিয়া প্রায় (১১৪ গ্রাম) গাঁজা যার আনুমানিক মূল্য ২২৮০ টাকা) সহ আটক করা হয়।ব্যক্তি দৈনিক ৮/১০ টি পুড়িয়া সেবন করে এবং ১৫/১৬ জনের কাছে তা বিক্রি করতো বলে স্বীকার করে। দরুন তাকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রব আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) ক এর ২১ ক্রমিকের তৃতীয় কলাম অনুযায়ী ধারায় ২০০০ টাকা অর্থদন্ড এবং ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক  ড.ফারুক  আহাম্মদ   এর নির্দেশে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট 

মোহাম্মদ  তোফাজ্জল  হোসেনের  সার্বিক দিক নির্দেশনায় আজ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয় জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল  আহমেদ ।

আশাশুনিতে আশ্রায়ন প্রকল্পের ব্যারাক হস্তান্তর

 আশাশুনিতে আশ্রায়ন প্রকল্পের ব্যারাক হস্তান্তর





আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধিঃ   


প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার গৃহহীন থাকবে না কেউ আর। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের ভোলানাথপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মান কাজ শেষে বুঝিয়ে দেয়া হয়| সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ আশ্রায়ন প্রকল্পের ব্যারাকের চাবি হস্তান্তর করা হয়।এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ টি পাকা ব্যারাকে মোট ৬০ টি ঘর ৬০ জন ভূমিহীনকে বরাদ্দ দেয়া হবে| এ সময় উপস্থিত ছিলেন ল্যা. কর্ণেল মো: শাহিনুল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মীর আলিফ রেজা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান,আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, আনুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রমুখ|

চৌগাছার পাশাপোল ইউনিয়ন এর সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের মৃত্যুবার্ষীকিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

চৌগাছার পাশাপোল ইউনিয়ন এর সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের মৃত্যুবার্ষীকিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত




চৌগাছা(যশোর)প্রতিনিধিঃযশোরের চৌগাছার পাশাপোল ইউনিয়ন এর সাবেক চেয়ারম্যান ও অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেমের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে বিকাল ৫ ঘটিকায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি ২০১৬ সালের ৪ জুন এর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২৯ আগস্ট উপজেলা পরিষদের সভা শেষে বাড়ি ফেরার পর তিনি নিখোঁজ হন। তার লাস অজ্ঞত পরিচয় হীন হিসেবে দাফন করা হয় পরে ৩১ আগস্ট যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশ যশোর শহর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

পাশাপোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম.হাবিবুর রহমান।


উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিএম শফিকুজ্জামান রাজুর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদের সভাপতি সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শাহাবুদ্দিন চুন্নু, স্বরূপদাহ ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জগদিশপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য ও যশোর এমএম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক আশরাফুল আলম, রেজওয়ান হাবিব আলিফ, চৌগাছা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি সদস্য জালাল উদ্দিন, পাশাপোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতলেব, পাশাপোল ইউপির সদস্য আব্দুস সালাম, আবুল খায়ের, আব্দুর রহিম, আবুল কাশেমের ছেলে ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহাম্মেদ, দপ্তর সম্পাদক হাশেম আলী, চৌগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক আকরামুল ইসলাম প্রমূখ।

ঝিকরগাছায় রাসেল স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল

ঝিকরগাছায় রাসেল স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল




মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃসোমবার (৩১ আগস্ট) বিকা‌ল ৫ টায় ঝিকরগাছা উপ‌জেলার গদখালী  ইউনিয়নের স‌দিরালী রা‌সেল স্মৃ‌তি সংসদ  আ‌য়ো‌জিত জা‌তির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জা‌তীয় শোক দিবস  উপল‌ক্ষে স‌দিরালী  সংগঠন চত্ব‌রে রা‌সেল স্মৃ‌তি সংস‌দের সভাপ‌তি মেম্বর র‌ফিকুল ইসলা‌মের সভাপ‌তি‌ত্বে শোকসভা ও দোয়া মাহ‌ফিল  অনু‌ষ্ঠিত হয়।

  

 প্রধান অ‌তি‌থি হিসা‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম্যান মোঃ ম‌নিরুল ইসলাম। 

বি‌শেষ অ‌তি‌থি হিসা‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন উপ‌জেলা ছাত্রলী‌গের সা‌বেক সাধারন সম্পাদক শামীম রেজা , উপ‌জেলা ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুবনা তাক্ষী ও ঝিকরগাছা প্রেসক্লা‌বের সাধারন সম্পাদক ইমরান রশীদ।

আ‌রো উপ‌স্থিত ছি‌লেন, উপ‌জেলা যুবলীগ জা‌ফিরুল হক, গদখালী  ইউনিয়ন  আওয়ামী লীগের সা‌বেক সভাপতি জ‌লিল সরদার,  আওয়ামীলীগ নেতা শ‌হিদুল ইসলাম খোকন, প্রভাষক আশরাফ উ‌দ্দিন,  নুরুল আ‌মিন দুদু, মু‌ক্তি‌যোদ্ধা আবু বক্কর সি‌দ্দিক, মেম্বর ও সা‌বেক ছাত্রলীগ নেতা তাজউ‌দ্দিন আহ‌মেদ, মেম্বর ম‌নিরুজ্জামান ম‌নির, উপ‌জেলা ছাত্রলীগ নেতা আ‌রিফ হো‌সেন, র‌নি আহ‌ম্মেদ,যুবলীগ নেতা ইব্রা‌হিম প্রমূখ।

পুলিশের বিরুদ্ধে ‘মাদকসেবীর’ মামলার নেপথ্যে

পুলিশের বিরুদ্ধে ‘মাদকসেবীর’ মামলার নেপথ্যে






স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরের বায়েজিদ এলাকার এক ‘ব্যবসায়ীকে’ বাড়ি থেকে ধরে এনে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় ও ২৫ পিস ইয়াবা দিয়ে চালান দেওয়ার অভিযোগ তুলে বায়েজিদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলামসহ আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা।  


১৯ আগস্ট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দীন মুরাদের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মো. আবদুল ওয়াহেদ নামে এক ব্যক্তি।


মামলা নম্বর ২৯৩/২০। মামলায় বায়েজিদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলামসহ আট পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়।

মামলার বাদি মো. আবদুল ওয়াহেদ নিজেকে ব্যবসায়ী দাবি করে এজাহারে উল্লেখ করেছিলেন, ১৩ জুলাই রাতে বায়েজিদ থানাধীন মুরাদনগর জামাল কলোনী এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রির বিষয়ে কথা বলার সময় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে বাদিকে থানায় ধরে নিয়ে যান। বাদির সঙ্গে থাকা আরও তিনজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়।


মো. আবদুল ওয়াহেদের এ মামলার সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়েছে। টানা কয়েকদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে জানার চেষ্টা করেছে ১৩ তারিখ রাতে আসলে কী হয়েছিল। কথা বলেছে প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার সাক্ষীর সঙ্গে। এছাড়া কথা বলা হয়েছে বায়েজিদের আরেফিন নগর এলাকার যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে সেখানকার বাড়ির মালিক ও কেয়ারটেকারের সঙ্গে।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আবদুল ওয়াহেদ ও তার সঙ্গীদের ইয়াবা সেবনের বিষয়টি বাড়ির কেয়ারটেকার ও স্থানীয়রা পুলিশকে জানানোর পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের চারজনকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়।  


এ ঘটনায় বায়েজিদ থানা পুলিশ হাতেনাতে ইয়াবাসহ আটক চার ইয়াবা সেবনকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে।  


জামিন পেয়ে আবদুল ওয়াহেদ তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে দাবি করে আদালতে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি সিএমপির উপ-কমিশনারকে (উত্তর) তদন্তের দায়িত্ব দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় উঠে এসেছে আবদুল ওয়াহেদ, তার সহযোগী আবুল হোসেনসহ অন্যরা বায়েজিদের মুরাদনগর জামাল কলোনির বাসায় সেদিন কী করছিলেন।


জামাল কলোনির কেয়ারটেকার শ্যামল চন্দ্র দাশ বলেন, ১৩ তারিখ রাতে ১৫ নম্বর বাসায় অবস্থান করছিলেন চারজন। সেখান থেকে মাদক সেবনের গন্ধ পেয়ে পাশের রুমের ভাড়াটিয়া আমাকে অভিযোগ করেন। পরে আমরা গিয়েও তা দেখতে পাই।তাদেরকে বারণ করে আসি যাতে বাসায় বসে মাদক সেবন না করেন। কিন্তু তারা শুনছিলেন না। পরে আমি এলাকার দারোয়ানসহ মানুষজনকে খবর দিই। তারা এসেও সবাইকে বসে মাদক সেবন করতে দেখেন। ’ 


শ্যামল চন্দ্র দাশ বলেন, পরে থানার টিঅ্যান্ডটি নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানালে পুলিশ এসে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাদের আটক করেন।


একই বক্তব্য দেন ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া মোবারক হোসেন, মো. রুবেল, মো. কালু, আয়েশা বেগম, বেবি আক্তার, অমরী রাণী দাশসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা।  


জামাল কলোনির দারোয়ান মো. শামসুল আলম প্রকাশ লালু মিয়া বলেন, আবুল হোসেন ইয়াবা খান সেটা সবাই জানেন। ইয়াবার টাকা জোগাড় করতে চুরিও করেন। পাশের এক ভাড়াটিয়ার মুরগিও চুরি করেছেন। এ নিয়ে তাকে সতর্ক করা হয়েছে কয়েকবার।


‘বাসা ভাড়া নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন মানুষজন নিয়ে এসে আড্ডা দিত আবুল হোসেন। প্রথম দিকে আত্মীয়-স্বজন মনে করলেও ঘটনার দিন বুঝতে পারি তারা আসলে মাদক সেবনের জন্যই আসে। মাদকের আসর বসানো হতো এতদিন। ’


দারোয়ান মো. শামসুল আলম প্রকাশ লালু মিয়া বলেন, আবুল হোসেনের নিজের বাড়ি বায়েজিদের সৈয়দনগর এলাকায়। ওখানে না থেকে নির্জন এলাকায় বাসা নেওয়ার বিষয়টি এখন বুঝতে পারছি।  


জামাল কলোনির কেয়ারটেকার শ্যামল চন্দ্র দাশ বলেন, বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় আবুল হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্র চাইলে পরে দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি তা দেননি।


এদিকে মামলার বাদি আবদুল ওয়াহেদ নিজেকে আরেফিন নগর এলাকার ব্যবসায়ী দাবি করলেও সেখানে তার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই বলে জানা গেছে। তিনি আরেফিন নগর এলাকার নজরুলের ভাড়াটিয়া বলে মামলায় উল্লেখ করলেও বাড়ির মালিক নজরুল জানান আবদুল ওয়াহেদ নামে তার কোনো ভাড়াটিয়া নেই।  


জানা গেছে, আবদুল ওয়াহেদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন বদলকোট এলাকায়। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম।  


যে কারণে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা


মাদক সেবনরত অবস্থায় আটকের পর থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে পুলিশকে চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ তাদের না ছেড়ে মামলা দায়ের করে। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।  


অনুসন্ধানে জানা যায়, বাদশা নামে এক ব্যক্তি আটক আবদুল ওয়াহেদ, আবুল হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন ও মো. হানিফকে ছাড়িয়ে নিতে তদবির করেন। অভিযান পরিচালনাকারী টিমের সদস্যদেরকে চাপ দেন যাতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের ছাড়া হয়নি।


বিষয়টি স্বীকার করেন অভিযান পরিচালনাকারী টিমের একজন সদস্য। তিনি  বলেন, আবদুল ওয়াহেদসহ চারজনকে হাতেনাতে ইয়াবাসহ সেবনরত অবস্থায় আটকের পর যখন থানায় নিয়ে আসা হয় বাদশা নামে এক ব্যক্তি তাদের ছাড়িয়ে নিতে তদবির করেন। তাদের ছাড়াতে না পেরে এখন মিথ্যা অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছে।


বায়েজিদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই পুলিশ চার মাদকসেবীকে ইয়াবাসহ আটক করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তারা জেল থেকে ছাড়া পেয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে দিল। শুধু হয়রানি করার জন্যই এ মামলা করা হয়েছে।  


আবুল হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন ও মো. হানিফের বিরুদ্ধে মাদক আইনে একাধিক মামলাও রয়েছে জানা গেছে।


চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক বলেন, ১৩ তারিখ পুলিশ যে মামলা দায়ের করেছিল সেটির সত্যতা আমরা পেয়েছি। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আবদুল ওয়াহেদ ও অন্যরা মাদক সেবনের বিষয়টি জানিয়ে যারা থানায় ফোন করেছে তাদের সঙ্গেও কথা বলেছি। কিন্তু তারা কারাগার থেকে বের হয়ে কেন পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করলো তা তদন

পাশাপোল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন - প্রভাষক সবুজের

পাশাপোল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন - প্রভাষক সবুজের



প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ মহরুম আবুল কাশেম ভাই এর আজ ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী।২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট নির্মমভাবে পাশাপোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম কে হত্যা করা হয়।


যে মানুষটা তিলে তিলে তৈরি করেছিলো পাশাপোল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে। যিনি দীর্ঘ ১৭ বছর পাশাপোল ইউনিয়ন আওয়মীলীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।আপামর মানুষের বন্ধু, ইউনিয়ন বাসীর সুখ-দুঃখের সাথী মরহুম আবুল কাসেম এর ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী তে জানায় পাশাপোল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের  পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধঞ্জলী।এবং সকলে দোয়া করবেন মহান আল্লাহ যেনো কাসেম ভাই কে জান্নানত নসীব করেন।

সিরাজগঞ্জে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উদ্যাগে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

সিরাজগঞ্জে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উদ্যাগে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

  


মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃসর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি  জাতির  জনক  বঙ্গবন্ধু  শেখ  মুজিবুর  রহমান  এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী  ও জাতীয়  শোক  দিবস উপলক্ষ্যে অনলাইন  এ  বিভাগীয়  পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ভাষণের ক বিভাগে ২য় স্থান অর্জন  করায় বিজয়ী 

সুমাইয়া ইসলাম  জেরিনের  হাতে পুরুষ্কার  তুলে দেন প্রধান  অতিথি জেলা প্রশাসক  ড.ফারুক  আহাম্মদ । সোমবার  ৩১ আগষ্ট  সকালে  দুপুরে  শহীদ  শামসুদ্দিন  সম্মেলনে কক্ষে  ইসলামিক  ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের আয়োজনে  আয়োজিত  অনুষ্ঠানে  অন্যান্যদের উপস্থিত  ছিলেন,ইসলামিক ফাউন্ডেশন  এর  উপপরিচালক  মোহাম্মদ  ফারুক  আহামেদ, সহকারী  উপ পরিচালক  সিরাজুল ইসলাম  প্রমূখ । প্রধান  অতিথির তার  বক্তব্য  বলেন,বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ।’ তিনি যুক্তি দেখিয়ে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য নেতাদের ভাষণ ছিল লিখিত। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য লিখিত ছিল না।তিনি তার ভাষণে জনগণের  অধিকার  আদায়ের  কথা ছিলো। তিনি আরও  বলেন , মাদক একটি পরিবারকে ধবংস করে দিচ্ছে  তাই মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবন থেকে জনগণকে  সচেতনতা করা জন্য  ইমামদের প্রতি আহবান  জানান। বিজয়ী সুমাইয়া ইসলাম  জেরিন উল্লাপাড়া  উপজেলার  রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের  জাহিদুল ইসলাম এর কণ্যা বলে জানা গেছে।এ-সময়  বিভিন্ন  উপজেলার  ইমাম এবং  জেলা প্রশাসনের  কর্মকর্তা  ও সাংবাদিক  বৃন্দরা উপস্থিত । 

ক্যাপশনঃসোমবার সম্মেলনে  কক্ষে আয়োজিত  পুরুষ্কার বিতরণ  অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ভাষণের ক বিভাগে ২য় স্থান অর্জন  করায় বিজয়ী সুমাইয়া ইসলাম  জেরিনের  হাতে পুরুষ্কার  তুলে দেন প্রধান  অতিথি জেলা প্রশাসক  ড.ফারুক  আহাম্মদ।

ঝিকরগাছার বায়শা বাজারে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা

ঝিকরগাছার বায়শা বাজারে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা




 মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, ঝিকরগাছা প্রতিনিধিঃসোমবার (৩১ আগস্ট) বিকা‌ল ৪ টায় ঝিকরগাছা উপ‌জেলার নাভারন  ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যুবলীগ  আ‌য়ো‌জিত জা‌তির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবুর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী  ও জা‌তীয় শোক দিবস  উপল‌ক্ষে স্থানীয় বায়শা বাজা‌রে  আ‌লোচনা সভা ও দোয়া মাহ‌ফিল অনু‌ষ্ঠিত হয়। ইউ‌নিয়ন যুবলী‌গের সাধারন সম্পাদক আব্দুর র‌হিম এর  সভাপ‌তি‌ত্বে অনু‌ষ্ঠিত আ‌লোচনা সভায় প্রধান অ‌তি‌থি হিসা‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন, উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম্যান ও  উপ‌জেলা  আওয়ামীলী‌গের  যুগ্ম সম্পাদক ম‌নিরুল ইসলাম। 

বি‌শেষ অ‌তি‌থি হিসা‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন উপ‌জেলা ছাত্রলী‌গের সা‌বেক সভাপ‌তি ও যুবলীগ নেতা র‌ফিকুল ইসলাম, সা‌বেক সাধারন সম্পাদক  ও যুবলীগ নেতা শামীম রেজা, উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা সে‌লিম রেজা, ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুবনা তাক্ষী ও ঝিকরগাছা প্রেসক্লা‌বের সাধারন সম্পাদক ইমরান রশীদ। আ‌রো উপ‌স্থিত ছি‌লেন,উপ‌জেলা যুবলীগ নেতা জা‌ফিরুল হক, ইব্রা‌হিম হো‌সেন, ছাত্রলীগ নেতা আ‌রিফ হো‌সেন, র‌নি আহ‌ম্মেদ, নাভারন ইউ‌নিয়‌ন আওয়ামীলীগ নেতা শুকুর আলী,‌মোস‌লেম উ‌দ্দিন, মাষ্টার গোলাম মোস্তফা, রুহুল আ‌মিন,শাহাজান আলী, উপ‌জেলা যুবলীগ নেতা আলমগীর হো‌সেন, ইউ‌নিয়ন যুবমীলীগ নেতা সুজন হো‌সেন, ছাত্রলীগ নেতা হেদা‌য়েত হো‌সেন,সুজন প্রমূখ।

ঝিনাইদহ মহেশপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমান ভেজাল পানীয় সহ আটক-১

ঝিনাইদহ মহেশপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে  বিপুল পরিমান ভেজাল পানীয় সহ আটক-১


খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার আলামপুর কুলবাগান থেকে বিপুল পরিমাণ ভেজাল কোমল পানীয়সহ বাবুল হোসেন নামের একজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

সোমবার ভোররাতে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত বাবুল হোসেন ওই গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে।

ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশের ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাসানুজ্জামান পিপিএম এর দিকনির্দশনায়  ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযান চালিয়ে আলামপুর কুলবাগান গ্রামে নামি-দামি কোম্পানীর মোড়ক ব্যবহার করে একটি চক্র ভেজাল কোমল পানীয় উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের পরির্দশক পিয়ার উদ্দিন, এসআই মাহফুজুর রহমান, ইউনুস আলী গাজী, এস আই মাহফুজ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ভোররাতে সেখানে অভিযান চালায়।

এসময় একটি বাড়ি থেকে ২৫ বস্তা কোমল পানীয় জব্দ করা হয়। আটক করা হয় বাবুল হোসেন নামের একজনকে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

আশাশুনিতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় দুই পক্ষের আহত-৫

 আশাশুনিতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় দুই পক্ষের আহত-৫





আহসান উল্লাহ  বাবলু  উপজেলা  প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বাগালীতে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ আগষ্ট শুক্রবার বেলা ২টার দিকে বাগালী গ্রামের ওমর শরীফের বাড়ির সামনের ইটের সোলিং রাস্তার উপরে। এ ঘটনায় নুর ইসলাম গাজী (মন্টু) গং এর তিনি নিজেসহ তার ভাই মুছা গাজী ও ভাইপো ফিরোজ হোসেন গুরুতর জখম হয়েছে। মুছা গাজী ও ফিরোজ হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের দুজনকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তাদেরকে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। আহত নুর ইসলামকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। অপরদিকে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান গাজী গং এর আহত বাগালি গ্রামের আবদুস সবুর গাজীর ছেলে গোলাম রব্বানী, মৃত ওয়াজেদ আলী গাজীর ছেলে আনার আলী গাজীকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় দুই পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। রবিবার বিকালে সরেজমিন গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যাতায়াতের পথ কেন্দ্রিক দীর্ঘদিন থেকে নুর ইসলাম গং এবং সামছুর রহমান গং এর সাথে বিরোধ চলে আসছিল। সর্বশেষ গত ২৮ আগষ্ট শুক্রবার বিকাল ২টার দিকে নুর ইসলাম এবং তার ভাই মুছা গাজী বাগালী জামে মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে ওমর শরীফের বাড়ির সামনে ইটের সোলিং এর উপর পৌছালে বিএনপি নেতা সামছুর রহমান গাজীর নেতৃত্বে স্থানীয় আনসার আলী গাজী, আফসার আলী গাজী, রব্বানি গাজী, তজলু রহমান, মাজেদ গাজী, আমজাদ গাজী, আরিফ গাজি, শরিফ গাজী, এবাদুল গাজী, ফজলু গাজী সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হয়।


এ বিষয়ে জানতে নুর ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি প্রতিবেদককে জানান, সামছুর গাজীর লোকজন আমাদের উপর হামলা করে আমাদেরকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। আমাদের উপর হামলা করতে এসে তাদের একজন ইটের সোলিং এর উপর পড়ে গিয়ে পায়ে আঘাত পেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে আমাদের নামে মামলা করার পাঁয়তারা করছে।


এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।


আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানান, এ ঘটনায় দুই পক্ষ থেকে দুটি অভিযোগ আমি পেয়েছি। আমাদের একজন অফিসার এ বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে নিয়োজিত আছেন। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আশাশুনিতে আইন-শৃংখলা রক্ষায় দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ওসি গোলাম কবির

আশাশুনিতে আইন-শৃংখলা রক্ষায় দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ওসি গোলাম কবির





আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধি: আশাশুনিতে আইন-শৃংখলা রক্ষায় দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ  গোলাম কবির। গত (৭ই জুন) আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করার পর মাদক সহ সকল অপরাধ দমন করে থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাহসী ভূমিকা রাখাসহ পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। থানায় জিডি ও অভিযোগ করতে কোন টাকা লাগে না। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এরই প্রেক্ষিতে মানুষ শত্রুতামূলক ক্ষুদ্রতম এবং জায়গা জমির সংক্রান্তে অভিযোগ লিখে থানায় জমা দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও লোকজনের মাধ্যমে রেকর্ড করার জন্য কিন্তু অভিযোগের ভিত্তিতে অফিসার পাঠিয়ে তদন্ত করেন। প্রয়োজনে সরোজমিনে নিজেই যেয়ে তদন্ত পূর্বক সত্য মিথ্যা যাচাই করার পরে অভিযোগের মামলা রেকর্ড করেন। যে অভিযোগ রেকর্ড করার মত না সেই অভিযোগ রেকর্ড করে না। তিনি চায়না শত্রুতামূলক ক্ষুদ্রতম ও জায়গা জমির মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে অহেতুক মানুষ হয়রানি হোক। (ওসি) গোলাম কবির আইন শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার এর আইজিপি'র নির্দেশে আশাশুনি উপজেলার ১১টা ইউনিয়নে পলিশিং বিট কার্যালয় তৈরি করেছেন। পাশাপাশি গ্রাম পুলিশদেরকেও উৎসাহিত করে বলেন, কোথাও কোনো মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জুয়া ও চোর-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড ও অনিয়ম দুর্নীতি হচ্ছে কিনা তাদের তথ্য দেওয়ার জন্য। এছাড়াও জানা গেছে, অসহায় ব্যক্তিরা থানায় অভিযোগ করতে এলে তাকে ত্রাণসহ নগদ অর্থ দেওয়া দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি করোনা ভাইরাস সংক্রান্তে ও ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায় মানুষের পাশে যেয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি আশাশুনিতে যোগদান করার পর মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জুয়া ও চোর-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্ম নির্মূল হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলার সচেত

শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা আ’লীগের মানববন্ধন

 শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার আসামিদের  শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা আ’লীগের মানববন্ধন




আজহারুল ইসলাম সাদী, জেলা প্রতিনিধিঃখুনি খালেদার নির্দেশে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায়, শেখ হাসিনার উপর তার গাড়ি বহরে হামলাকারী আসামিদের, দ্রুত বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের মানববন্ধন পালিত । 


আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা'র শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে উক্ত  মানববন্ধন কর্মসুচিতে, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহিদউদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গণি, জেলা আওয়ামীগের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সদর  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহাদাত হোসেন, জহুরুল ইসলাম নান্টুসহ জেলা আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট  তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা, কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী গ্রামের এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে, কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে রাস্তার উপর জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও তৎকালিন সাংসদ হাবিবুল ইসলামের হাবিব ও বিএনপি নেতা রঞ্জুর নির্দেশে বিএনপি ও যুবদলের নেতা কর্মীরা দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহি বাস রাস্তার উপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ী বহরে হামলা চালায়, সেই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও দুঃখের বিষয় আজও সেই মামলার আসামিদের বিচার হইনি?

বক্তারা অবিলম্বে উক্ত  মামলার আসামিদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

হবিগঞ্জে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ছনের ঘর

 হবিগঞ্জে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ছনের ঘর

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর উপজেলার গ্রামাঞ্চলে ছনে ব্যবহার কমতে শুরু করেছে। ঘরের চালায় ব্যবহার করার জন্য উলুখড় জাতীয় এক ধরনের তৃণ বিশেষ। এককালে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ছিল ছনের ঘর। একসময় যে ছন দিয়ে মানুষ থাকার ঘরের ছাউনি হিসেবে ব্যবহার করত, এখন তা গ্রামীণ থাকার ঘর থেকে বিলুপ্ত হয়ে আধুনিক জগতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে। পার্কের দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য বৈঠকখানায় শখের রেস্টুরেন্ট, পাকা বাড়ির সামনে কিংবা বাগানে বসে আড্ডা দেওয়ার ঘর অথবা কোনো শুটিং স্পটে।


অনেকের কাছে ছনের বাহারি ব্যবহার দেখে মনে হয় আধুনিকতার এক অনন্য ছোঁয়া। অনেকের পাকা বসত ঘরের উপর তলায় ছনের তৈরি ছোট ঘরটিকে ঐতিহ্যের রূপ দেয়। চিরচেনা এই ছন তৎকালে ঘরের ছাউনির জন্য শতভাগ ব্যবহার হতো। ছনই ছিল ঘরের চালার একমাত্র ভরসা আদিকাল থেকে মানুষ বসবাসের জন্য গোলপাতা, পরে খড় তারপর এই ছন দিয়ে ঘরের চাল/ছাউনি তৈরি করে বসবাস করত ছন গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের নিদর্শন গ্রামীণ এলাকার গরিব-মধ্যবিত্তের বাড়ির ঘরের ছাউনির একমাত্র অবলম্বন ছিল এই ছন।


সেকালে ছন মাটি কিংবা বেড়ার ঘরে ছাউনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কালের আবর্তনে এখন হারিয়ে যেতে বসেছে আবহমানকালের গ্রামীণ ঐতিহ্যের চিরচেনা এই চিহ্নটি। আধুনিকতার গন্ডি পেরিয়ে এখন আমরা বাস করছি অত্যাধুনিক যুগে। এতে মানবজীবন ও পরিবেশের এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

এ পরিবর্তনের ছোঁয়ায় বর্তমানে ছনের তৈরি ঘর বিলুপ্তির পথে বললেই চলে। এদিকে রঘুনন্দন পাহিড়ী এলাকায় ছন কাটা উৎসব চলে। ছন কেটে ধানের মতো মেলে দিয়ে কিছুদিন শুকানোর পর তা বিক্রির জন্য ভার বেঁধে হাটে নিয়ে যাওয়া হয় একসময় পাহাড় গুলো। 


এলাকাভিত্তিক ছনখোলা হিসেবে বেশ পরিচিত ছিল, কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই দৃশ্য এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। হারিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি এলাকার ছন।

আধুনিক সভ্যতায় মানুষ এখন পাকা-আধাপাকা বাড়ি তৈরিতে ব্যস্ত। ছাউনি হিসেবে ব্যবহার করছে টিনকে ফলে গ্রাম থেকে ছনের ব্যবহার ক্রমশ বিলুপ্তির পথে। যৎসামান্য ছন রঘুনন্দন পাহাড়ি অঞ্চল থেকে কেটে আনেন পাহাড়ি লোকজন। আগের মতো ছন পাওয়া যায় না বলে জানান পাহাড়ি এক চাষী রেমন সাওতাঁল, তিনি বলেন প্রতিবছর ঘরে পুরাতন ছনের ছাউনি সরিয়ে নতুন করে 


ছন ব্যবহার করে এ সময়ে মানুষ ব্যস্ত থাকে ঘর ছাউনিতে। অনেকে অর্থাভাবে টিনের পরিবর্তে ছনকে ছাউনি হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছে আগের মতো ছন তেমন পাওয়া যায় না পাহাড়ে। তাছাড়া ছনের চাহিদা কমে যাওয়ায় পাহাড়ী চাষীরাও বিমুখ হচ্ছে দিন দিন। জানা গেছে, ছনের ছাউনির ঘর তৈরির জন্য গ্রামে কিছু কারিগর ছিলেন। তাদের দৈনিক মজুরি ছিল ৩শ থেকে ৪শ’ টাকা পর্যন্ত। ছনকে খুলে তারপর কাস্তে দিয়ে ছনের উচ্ছিষ্ট ছাড়িয়ে ছনকে অনেকটা শোলার মতো ঝুরঝুরে করা হয়।


এরপর আগার পাতলা অংশ কেটে সাজিয়ে কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে ছাউনি দেয়া হতো। ছাউনির ওপরে বাঁশ ও বেত দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিয়ে পানি ছিটানো হতো যাতে করে সহজে ছনগুলো বাঁশের ওপর বসে যায়। মাধবপুর উপজেলার হাট-বাজার গুলোতে এখন ছন খুব কমই দেখা যায়। সাধারণ গ্রামের মানুষ ঘর তৈরিতে ছাউনি হিসেবে আগের মতো ছনের ব্যবহার তেমন করতে পারছে না। ১০-১৫ বছর আগেও উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় প্রচুর পরিমাণে ছন উৎপন্ন হতো।


বর্তমানে পাহাড়ের ঢালু কিংবা উপরিভাগে চা পাতা ও জুম চাষাবাদ, বৃক্ষরোপন করার ফলে এখন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার কয়েকটি ছনের বাজারে দেখা যায়, বর্তমানে দুই থেকে চার হাত এবং পাঁচ থেকে আট হাত লম্বা এক ভার ছনের দাম ৫০০-৭০০ টাকা। একসময় ছনের বাজারে ক্রেতার ভীড় দেখা যেত। চাঁনপুর বাজার শাহপুর বাজার তেলিয়াপাড়া মনতলা তেমুনিয়া বাজারে ছন বিক্রির জন্য আনা হত। ফাল্গুন-চৈত্রমাসে গ্রামের বিভিন্ন এলাকার ঘরের ছাউনি হিসেবে ছনের 


ব্যবহারে ধুম পড়ে যাবে এখনো প্রায় পরিবার ছনের ওপর নির্ভরশীল। বছর গত হলে ঘরের ছাউনিতে ছনের প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া দুই-তিন বছর পরপর ছন পরিবর্তন করতে হয় বলে এটাকে অনেকে ঝামেলা মনে করেন।

সেই থেকে ছনের ছাউনি ঘরের সংখ্যা কমতে শুরু করে। বর্তমানে এই ঘর খুব একটা চোখে পড়ে না। ছনের ছাউনির ঘরের কথা নবীনদের মন থেকে চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামবাংলার আবহমান ঐতিহ্যের ছনের ঘর রূপকথার গল্প কথনের মতো হয়ে যাবে।

বাঁশখালীতে এমপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত‍্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা।

 বাঁশখালীতে এমপির  বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত‍্যাহারের দাবিতে  প্রতিবাদ সভা।




মোঃ আরিফুল ইসলাম

চট্টগ্রাম,প্রতিনিধি।

 চট্রগ্রামের বাঁশখালীতে বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের উদ্যোগে, বাঁশখালীর মাননীয় সংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপির, বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্দ ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ৪ নং বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজুল ইসলাম ও সেলিম উদ্দিন চৌধুরী, আবুল কালাম,খোরশেদ আলম,হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ এনামের বিরুদ্ধে মিত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে ভিক্ষুভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট)বিকাল ৩ টার সময় বাহারছড়া ইউনিয়ন অসংলগ্ন বশির উল্লাহ মিয়াজির হাট প্রাঙ্গণে এ ভিক্ষুভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়। মিছিলটি বাহারছড়া ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মোঃ আবুল কালাম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত ভিক্ষুভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন,ভিপি শামসুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন,খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, পেয়ার আহমদ চৌধুরী, জাহেদ আকবর জেবু,কাজি আনোয়ার ইসলাম, মোঃ আলী চৌধুরী, আবদুল মালেক ইউপি সদস্য, সিরাজুল ইসলাম, ইউপি সদস্য রোশজ্জমান,ইউপি সদস্য নাছির উদ্দিন খান,ফৌজুল মুবিন সহ স্হানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের অশংখ্য নেতাকর্মী প্রমুখ। বক্তারা বলেন,বাঁশখালী উন্নয়নের রুপকার মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র বন্দ করতে হবে এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম সহ আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিত্যা ষড়যন্ত্র মুলুক মামলা অনতিবিলম্বে প্রত্যেহার সহ আওয়ামীলীগ ও মহান মুক্তিযোদ্ধের নাম ভাংগিয়ে সংগঠন খুলে দোকানদারি বন্দ করতে হবে,অন্যতাই তাদের কে বাঁশখালী থেকে প্রতিহত করা হবে বলে হুশিয়ারী উচ্ছারণ করেন।

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ চিত্রা নদীতে ডুবে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

ঝিনাইদহ  কালীগঞ্জ  চিত্রা নদীতে ডুবে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের  মৃত্যু



খোন্দকার আব্দুল্লাহ  বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 


 ৃঝিনাইদহ জেলার  কালীগঞ্জ উপজেলার  চিত্রা নদীতে ডুবে এক মানসিক প্রতিবন্ধীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে। 

কালীগঞ্জ পৌরসভার হেলাই গ্রামের আফজাল মন্ডলের ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধী সৌখিন মন্ডল (৩০) সকালে হেলাই গ্রামের চিত্রা নদীর ব্রীজের উপর থেকে অসতর্কতা বসত সে নদীতে পড়ে যায়। এলাকাবাসি ও কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভীসের টিম প্রায় দেড় ঘন্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ফেনী ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য হলেন অধ্যাপক বাহাদুর

ফেনী ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য হলেন অধ্যাপক বাহাদুর



নোবিপ্রবি প্রতিনিধি 

আগামী দুই বছরের জন্য 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ফেনী ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অ্যাপ্লায়েড ক্যামিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর।


জানা যায়, গত ১২ জুলাই বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের(ইউজিসি) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠি ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুরকে পাঠানো হয়।  ওই চিঠিতে বলা হয় ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ এর ধারা ১৭ অনুযায়ী প্রত্যেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি সিন্ডিকেট থাকবে। উক্ত আইনের ধারা ১৭(১)(ছ) অনুযায়ী ফেনী ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেটের একজন সম্মানিত সদস্য দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে। কমিশন আশা করে উচ্চশিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে আপনার দৃঢ় প্রত্যয় এবং সুযোগ্য নেতৃত্বে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সঠিক ও বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা পেতে সক্ষম হবে।'


প্রসঙ্গত,  অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর নোবিপ্রবির শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও এসিসিই বিভাগের চেয়ারম্যান। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত বর্তমান সভাপতি। তিনি কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

মোংলায় সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশের অনুমতি প্রদানের দাবীতে মানববন্ধন

মোংলায় সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশের অনুমতি প্রদানের দাবীতে মানববন্ধন





মোঃএরশাদ হোসেন রনি. মোংলা:  সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশের অনুমতি প্রদানের দাবীতে ৩১ আগস্ট সোমবার সকালে মোংলা নদীর পাড়ে মামার ঘাটে পর্যটন ব্যবসায়ী বৃন্ধের  আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটর্স অব বাংলাদেশথর সদস্য সুন্দরবনের পর্যটন ব্যবসায়ী মোঃ মিজানুর রহমান মোল্লা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ট্যুর ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম খোকন, মোঃ এমদাদুল হক, খান রূপম ও পৌর কাউন্সিলর আঃ কাদের। সমাবেশে বক্তারা বলেন কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সিলেটসহ দেশের সব পর্যটন অঞ্চল খুলে দেয়া হয়েছে। অথচ অদৃশ্য শক্তির কারনে সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশের জন্য এখনও পর্যন্ত খুলে দেয়া হয়নি। করোনাকালে সুন্দরবনে পর্যটন শিল্পের সাথে যুক্ত ৫ হাজার মানুষ ৬ মাস ধরে কর্মহীন আছে। বক্তারা অবিলম্বে সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশের অনুমতি প্রদানের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানান। সমাবেশে সুন্দরবনের পর্যটন ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবেশবান্ধব ব্যবসা পরিচালনার অঙ্গীকার পূনবর্যক্ত করেন। মানববন্ধনে পর্যটন শিল্পথর সাথে যুক্ত কয়েকশ শ্রমজীবি মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

কেশবপুরে আখ চাষের দিকে ঝুকছেন কৃষকরা

 কেশবপুরে আখ চাষের দিকে ঝুকছেন কৃষকরা




মোরশেদ আলম

যশোর প্রতিনিধি 


যশোর কেশবপুরে এবার আখ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। এই কারনে ধান চাষ থেকে আখ চাষে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় আখ চাষে ঝুঁকছেন কেশবপুরের কৃষকরা। বর্ষার শুরুতে আখ চাষ করে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। দামও বেশ ভাল। উৎপাদিত আখের আশানুরূপ দাম পেয়ে খুশি আখ চাষিরা। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অর্থায়নে কেশবপুরে আখ চাষ জোরদার করণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকরা আখ চাষ করেছেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেকে আখ চাষ করেছেন বলে জানা গেছে। আখ চাষের অধিকাংশ জমিই আনাবাদী ছিল। কিছু ধান চাষের জমিতে আখের এ বাম্পার ফলনে অনেক চাষী আখ চাষে ঝুকছেন।

এলাকার আখ চাষিরা জানায়,কেশবপুরে আনাবাদি জমিতে আখ চাষ শুরু করেছেন এলাকার কৃষকরা। ধান চাষে অমানুষিক পরিশ্রম, মূলধন বেশি লাগার কারণে অনেক কৃষকই ধান চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। একই সঙ্গে তারা ধানের বিকল্প ফসল চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন। যেসব কৃষক ধান চাষ করতেন তাদের অনেকেই এখন আখসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।


কেশবপুরে কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর কেশবপুরে ১ হাজার হেক্টর (৭ শত ৫০ বিঘা) জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে । এর মধ্যে লতারি জবা আখ, মিছড়ি দানা আখ,বাশ টেনাই আখ,সূর্য মুখী আখ,ইশ্বরদী এন১৬ আখ জমিতে চাষ করা হয়েছে।


এ ছাড়া কৃষকরা আখক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে আলু, গাজর ও ফরাশসিম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। আখক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে বাঁধাকপি, ফুলকপিসহ আরও কয়েকটি কৃষি ফসল চাষে কেশবপুরে কৃষি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। চলতি মৌসুমে কেশবপুরে প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছে বলে জানা গেছে। কেশবপুরে মাটি ও আবহাওয়া আখ চাষের উপযোগী এবং জলাবদ্ধতা না থাকায় চলতি মৌসুমে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি হেক্টর আখ চাষে কৃষকের খরচ হয়েছে ২ লাখ টাকা। আর প্রতি হেক্টরে উৎপাদিত আখ ১০ থেকে ১১ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।সাগরদাড়ী ইউনিয়নের আখ চাষী মনির মিয়া জানান, তিনি প্রায় ১০ শতক জমিতে মিছড়ি দানা জাতের আখ চাষ করেছেন। তার মোট ব্যয় হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। বিক্রয় মূল্য পাচ্ছেন ৮০ হাজার টাকা। আগে এসব ভূমিতে ধান চাষ করে তিনি খরচ বাদ দিয়ে ৫ হাজার টাকাও লাভ করতে পারতেন না।গড়ভাঙ্গা এলাকার আখ চাষি রহমাতুল্লাহ জানান, তিনি ২ লাখ টাকা খরচ করে আখ চাষ করেছেন। প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা বিক্রি করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করছেন তিনি।


কেশবপুরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব চন্দ্র সানা জানান, বেলে-দো আঁশ থেকে শুরু করে এঁটেল পর্যন্ত সব মাটিতেই আখ চাষ করা সম্ভব হলেও পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থাযুক্ত এঁটেল-দোআঁশ মাটি আখ চাষের জন্য সর্বোত্তম। তিনি বলেন, কেশবপুরের জমিতে আখ চাষের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান।

একাদশ শ্রেনীতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন শুরু

 একাদশ শ্রেনীতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন শুরু



নিউজ ডেস্কঃ 

আজ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে আবেদন করতে না পারা ও সিলেকশন না পাওয়া ও নিশ্চায়ন না করা শিক্ষার্থীরা এই ধাপে আবেদন করতে পারবে।


আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ চলবে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত।

দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফলাফল ও প্রথম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।


দ্বিতীয় ধাপের শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করা হবে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে কোন শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে তার দ্বিতীয় পর্যায়ের সিলেকশন ও আবেদন বাতিল বলে গন্য হবে।


তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল ও তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে।


এছাড়া কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায়। ভর্তি কার্যক্রম চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।


আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের তথ্য মতে, শিক্ষার্থীদের এসএমএসে ফল জানানো হবে। একইসঙ্গে একটি সিকিউরিটি কোড পাঠানো হবে। এ কোডটি ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য সংগ্রহ করতে হবে। আর ভর্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইটেও (http://www.xiclassadmission.gov.bd) ফল জানা যাবে।


এর আগে গত ২৫ আগস্ট রাতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি বিষয়ে (http://www.xiclassadmission.gov.bd/) প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়।


সারাদেশে সাত হাজার ৪৭৪টি সরকারি-বেসরকারি কলেজ মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ২৫ লাখ আসন রয়েছে। আর ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী রয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন।

ঝিনাইদহে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

ঝিনাইদহে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ





সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃপ্রতিবন্ধী সেবা ও  সাহায্য কেন্দ্র, ঝিনাইদহ এর পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, হেয়ারিং এইড, র্স্মাট সাদাছড়ি ও ওয়াকার বিতরণ করেন ড.মুঃ অানোয়ার হোসেন হালাদার, বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা বিভাগ, খুলনা, সরোজ কুমার নাথ, জেলা প্রশাসক, ঝিনাইদহ, জেলা তত্ত অফিসার, উপ পরিচালক, জেলা সমাজ সেবা,ঝিনাইদহ, প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহাহ্য কেন্দ্র, ঝিনাইদহ

কোটচাঁদপুরে কপোতাক্ষ নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এমপি, শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল

 কোটচাঁদপুরে কপোতাক্ষ নদে  মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এমপি, শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল





 খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

 


ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কপোতাক্ষ নদে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।


৩১শে আগস্ট সকালে কোটচাঁদপুর উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কপোতাক্ষ নদে প্রধান অতিথি হিসেবে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ শফিকুল আজম খান চঞ্চল ।


উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমারের সভাপতিত্বে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রিপন, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুল আলম,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আঃলীগের সভাপতি মোছাঃ শরিফুন্নেচ্ছা মিকি, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিয়াজ হোসেন ফারুক, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তাজুল ইসলাম, উপজেলা আঃলীগের সিনিয়র সহসভাপতি  নুরুল ইসলাম খাঁন বাবলু, সিনিয়র সহসভাপতি লুৎফর রহমান, পৌর ৪ নং ওয়ার্ড কমিশনার জাফর ইকবাল শান্তি, উপজেলা মৎস্যলীগের আহবায়ক খাইরুল ইসলাম সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 


উল্লেখ্য, কপোতাক্ষ নদের  সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্পের আওতায়, উক্ত নদে ৫০০ কেজি বিভিন্ন জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

আফসার হত্যার আসামী গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে দিনাজপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আফসার হত্যার আসামী গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে  দিনাজপুরে মানববন্ধন   ও স্মারকলিপি প্রদান





মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরে  কৃষক আফসার আলী হত্যার আসামী গ্রেফতার ও বিচার চেয়ে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে তার স্বজনরা।


৩১ আগষ্ট সোমবার সকালে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্য্যালয়ের সন্মুখ সড়কে কর্ণাইকাটাপাড়া গ্রামের শতাধিক মানুষ কৃষক আফসার আলী হত্যার আসামী গ্রেফতার ও বিচার চেয়ে মানববন্ধন করে তার স্বজনরা। মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,ভুমিদস্যুরা সম্পত্তির লোভে একজন কিলঘুষি মেরে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। ১১ একর সম্পত্তি রক্ষার্থে ও ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য জীবিতাবস্থায় আফসার আলী সরকারের সংশ্লীষ্ট প্রশাসনের সকল দফতরের কর্তাদের দাঁড়ে দাড়েঁ ঘুরেও ন্যায় বিচার পাননি তিনি। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মো: হাসান আলী শামীম,নাজমুল ইসলাম,গুদইর ও মানারুল ইসলাম প্রমুখ।


মানববন্ধন শেষে আফসার আলী হত্যার বিচার প্রার্থনা করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ভুক্তভোগীরা।


উল্লেখ্য, গত ২৪ আগষ্ট সদরের কর্ণাই কাটাপাড়া গ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে কৃষক আফসার আলীকে কিলঘুষি মেরে হত্যা করেছে সন্ত্রাসী ফাবিয়ান মন্ডল ও মনসুর আলী নুহু‘র নেতৃত্বে দূর্বত্তরা।

নওগাঁয় বন্যার পানিতে মাছ ধরার এখন ধুম

নওগাঁয় বন্যার পানিতে মাছ ধরার এখন ধুম





 মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

 রাজশাহী ব্যুরো


 নওগাঁর আত্রাইয়ে বিভিন্ন গ্রামে চলছে মাছ শিকারের ধুম। দেশে কয়েক দফার বন্যায় বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর ডুবে গেছে। আবাদ করা মাছগুলো এতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় বিভিন্ন জায়গায়। এতে করে মৎস্যচাষীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। অপরদিকে করোনার কারণে অধিকাংশ মানুষের দৈনন্দিন কোন কাজ নেই। এ বেকার সময়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে  আত্রাই  উপজেলার মানুষেরা। ফলে সৌখিন ও মৌসুমী মাছ শিকারীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে নদ, নদী, খাল,বিল ও জলাশয়গুলো। বিভিন্ন ব্রিজ, কালভার্ট ও স্রোতের মুখেও মাছ শিকারীরা তৌরাজাল বা খড়াজাল নিয়ে উৎপেতে রয়েছেন। অনেকে এ মাছ বিক্রি করে দৈনন্দিন চাহিদাও মেটাচ্ছেন।


উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের লোকজনকে তৌরাজাল বা খড়াজাল, বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতে দেখা যায়। বর্ষার পানিতে মাছ শিকারে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাগুলোতে। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দেখাও মিলছে। স্ব স্ব এলাকার তরুণ, যুবক, প্রবীণ ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও মাছ শিকারে মেতে উঠেছেন।


আত্রাই উপজেলার ৮ নং হাটকালুপাড়া  ইউনিয়নের ৫ নংওয়ার্ড দ্বিপ্চাদপুর গ্রামের মোঃ ফরহাদ আমিন ও হাফিজুল ইসলাম  বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে কাজ কর্ম বন্ধ থাকায় আপাতত বড়শি ও তৌরা জাল  দিয়ে মাছ শিকার করে দিন কেটে যাচ্ছে। বন্যার কারণে ডোবায় নালায় বিভিন্ন মাছ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। আর আমরা এ মাছগুলো ফাঁদ দিয়ে ধরতে পারি এবং আমাদের পুষ্টির চাহিদাও মিটছে। মাছ ধরার আনন্দও অন্য রকম। সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, করোনায় মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়ের উৎস কমে যাওয়ার কারণে অধিকাংশ মানুষ বর্ষার নতুন পানিতে মাছ শিকারে নেমেছেন। এ ব্যাপারে আত্রাই  উপজেলা কালকাপুর ইউনিয়নের আনোয়ার হোসেন জানান । বন্যার পানি বিভিন্ন জায়গায় প্রবেশ করার কারণে এখন সব জায়গায় কম বেশি মাছ শিকার করা যাচ্ছে।

ছুটিপুর বাজারে এনআরবি ব্যাংকের ৩০৬ তম এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আউটলেটের শুভ উদ্বোধন

ছুটিপুর বাজারে এনআরবি ব্যাংকের ৩০৬ তম এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আউটলেটের  শুভ উদ্বোধন


 



স্টাফ রিপোর্টরঃ ছুটিপুর বাজারে এনআরবি ব্যাংকের ৩০৬ তম এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আউটলেটের  শুভ উদ্বোধন। যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ছুটিপুর বাজারের জাম তলার মোড়ে  আজ ( ৩১ শে জুলাই) সোমবার সকাল ১টার সময় এন আর বি ব্যাংকের ৩০৬ তম এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আউটলেটের  শুভ উদ্বোধন হলো। 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিল্টন রায়,  হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশন, এন আর বি ব্যাংক। 

বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন এন আর বি ব্যাংকের যশোর জেলা শাখা ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান, ১ নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও এমপি প্রতিনিধি আমিনুর রহমান। 

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি গোলাম হোসেন, আ'মী নেতা আজগর আলী, জাকির হোসেন , সাবেক ছাত্র লীগ নেতা পিপলু, অত্র শাখার এজেন্ট অবাইদুর রহমান সহ গন্যমান ব্যক্তি বর্গ। 


প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ



খবর বিজ্ঞাপ্তিঃ- দৈনিক জনতা দৈনিক ইনফো বাংলা, জিনিয়াস বাংলা ২৪ টিভি, দৈনিক দেশ বার্তা দৈনিক আমার বাংলাদেশ পএিকা ও অনলাইনে পটিয়ার ছনহরা স্বামী দেবরকে সহ তিনজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়। উক্ত সংবাদের তিব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানান আবদুস সালামের স্ত্রী জাহানারা বেগম। জাহানারা বেগম প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেন  পটিয়া উপজেলা ছনহরা ইউনিয়ন উওর ছনহরা  আবদুস  সালাম  এর সাথে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয় ৩৩ বছর আগে। বিবাহর বছর দুয়েক পরে তার স্বামী আবদুস সালাম প্রায় সময় যৌতুক টাকার জন্য ঝগড়া বিবাদ করে আসছে। এর ধারাবাহিকতা গত ১৭ জানুয়ারি ২০ ইং তার স্বামী  আবদুস সালাম,                    


দেবর আবদুল করিম, তার স্ত্রী আয়েশা বেগম দেশীয় অস্ত্রশস্র নিয়ে এসে ঘর মেরামতের কথা বলে জাহানারা বেগম এর কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করে এতে টাকা দিতে অপরাগত প্রকাশ করিলে স্বামী আবদুস সালাম লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং দেবর কিরিচ দিয়ে মাথায় কুপিয় জখম করা চেষ্টা করিলে সে কিরিচ এর কুপ  সে জাহানারা বেগম এর ডান হাত দিয়ে টেকানোর চেষ্টা করলে কিরিচ এর কোপের আঘাতে    ডান হাতের শাহাদাত আঙুল সম্পুর্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় জাহানারা বেগম বাদী হয়ে  স্বামী আবদুস সালাম, দেবর আবদুল করিম,  স্ত্রী আয়েশা খাতুন এর বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন  ট্রাইব্যাল নং( ৩)  চট্টগ্রাম আদালতে মামলা করিলে উক্ত মামলা পটিয়া থানায় নথিভুক্ত করে মামলা নং( ৭) ২৬/০৪/২০ ইং।   উক্ত মামলার ২ নং আসামি আবদুল করিম কে গত ৭ আগষ্ট পটিয়া থানা পুলিশের এস আই রিয়াজ উদ্দিন গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে এবং বর্নিত ঘটনা সত্যি বলে আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণের সময় সি. এস আই পটিয়া আদালত চট্টগ্রাম বরাবর প্রেরণ করে। জাহানারা বেগম এর দুই ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে তারা হলেন, মোঃ বেলাল (৩০)  আবদুল মান্নান (২২) মেয়ে রনি আকতার (১৮) তানিয়া আকতার (১৫) বড়  ছেলে বেলালকে  বিবাহ করিয়াছে এবং বড মেয়ে রনি আকতার বিবাহ দিয়েছে। জাহানারা বেগম জানান তার স্বামীর নির্যাতনে সে প্রায় সময় বাপের বাড়িতে বসবাস করেছিলো। উক্ত সংবাদটি সাংবাদিক কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি উক্ত সংবাদে তিব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং উক্ত সংবাদে এলাকার কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি এসব দুষ্ট চক্র থেকে দুরে থাকার বিশেষভাবে অনুরোধ রইল। প্রতিবাদকারী জাহানারা বেগম উওর ছনহরা পটিয়া চট্টগ্রাম।                                                                              

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে গুজবে কান না দিতে আহবান

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে গুজবে কান না দিতে আহবান




নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা এবং স্থগিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার দিন-তারিখ নিয়ে ফেইসবুকে ছড়ানো গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা এবং এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, “সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া ফেইসবুক পেইজ ও প্রোফাইল খুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাল্পনিক তারিখ ঘোষণা করে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

“এ বিষয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হল।”

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হল- স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে এবং কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।

“পরীক্ষা নেওয়ার উপযুক্ত পরিস্থিতি হলে তখন পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং পরীক্ষার তারিখ গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজমান হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

Ministry of education,Bangladesh নামে একটি পেইজ থেকে গত ১২ অগাস্ট এক পোস্টে বলা হয়েছে, “প্রিয় ছাত্রছাত্রীগণ, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ সব স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হবে।”

Ministry of education board পেইজে থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৮ মিনিটে এক পোস্টে বলা হয়, “এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত চুড়ান্তঃ- সাস্থবিধি মেনে অক্টোবরের ১৫ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। রুটিন প্রকাশিত হবে ১ অক্টোবর। -শিক্ষা মন্ত্রণালয়।”

এই তথ্যকে মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসুত হিসেবে অভিহিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রাণালয়।

Ministry of education board পেইজে থেকে শনিবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে আরেক পোস্টে বলা হয়েছে, “এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য ১৫ই অক্টোবর কে সামনে শিক্ষার্থীদেরকে মানষিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

ভুয়া কোনো পেইজের বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়ে প্রয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে (https://www.facebook.com/moebdgov) এসব বিষয়ে নজর রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো গুজবে কান না দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে তা স্থগিত রয়েছে।

দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে গত ১৭ মার্চ থেকে। সেই ছুটির মেয়াদ ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে জানিয়েছে, মহামারীর কারণে এবার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা এবং অষ্টমের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা হবে না।

পঞ্চমের শিক্ষার্থীদের স্কুলে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হলেও অষ্টমের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কী করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি কোটচাঁদপুর সহ ২৩৪ টি পৌরসভার নির্বাচন

আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি কোটচাঁদপুর সহ ২৩৪ টি পৌরসভার নির্বাচন

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরোঃ

আগামী ডিসেম্বরে পৌরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই সময়ে ভোট করার প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে। প্রায় আড়াইশ’র মতো পৌরসভায় ভোট হতে পারে। এই লক্ষ্যে ইসি সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। রবিবার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ওই সভায় পৌরসভা নির্বাচনের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত না হলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং পৌরসভাগুলোর নির্বাচনের সময় হওয়ায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ১০ আগস্টের কমিশন সভায়ও একই ধরনের সিদ্ধান্ত হয়।


স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে তিনশ’ পৌরসভা রয়েছে। এদের মধ্যে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর একযোগে ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া অন্যান্য পৌরসভাগুলোর ভোট মেয়াদ অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর যে পৌরসভাগুলোর ভোট হয়েছিল, তার বেশিরভাগের মেয়র ও কাউন্সিলররা পরের বছর (২০১৬ সাল) জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি মাসে শপথ নেন। আর ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। পৌরসভা আইন অনুযায়ী, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই যেসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে, সেগুলোতে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোট করতে হবে।


তবে ডিসেম্বরেই ভোট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় জেলা পরিষদ বাদে সবগুলোতেই দলীয় ভিত্তিতে ভোট হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের মতো সব পৌরসভার ভোট একদিনে অনুষ্ঠিত হবে। পৌরসভাগুলো সদর এলাকা হওয়ায় ইভিএমের ব্যবহার বাড়ানো হবে। কমিশন সভায় সেই প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি বাড়লে ইভিএমের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে করোনা সংকট পরিস্থিতিতে স্কুল খোলা এবং বার্ষিক পরীক্ষার তারিখ বিবেচনা করে পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।


ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর ২৩৪টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করা হয়। এবারও ওই তালিকা ধরে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে ইসি সচিবালয়। ইতোমধ্যে পৌরসভার বর্তমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ, প্রথম সভার তারিখ ও জনপ্রতিনিধিদের শপথগ্রহণের তারিখ সংগ্রহ করে কমিশনে পাঠাচ্ছেন বিভিন্ন জেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলা থেকে ইসি সচিবালয় এই তথ্য সংগ্রহ করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনার রফিকুল ইসলাম  বলেন, ‘পৌরসভাগুলো নির্বাচন উপযোগী হলেই আমরা ভোট করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দেশে বড় ধরনের দুর্যোগ না হলে ওই সময়ই ভোট হবে। সচিবালয়কে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।’ ডিসেম্বরেই ভোট হাওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান এই কমিশনার।


নির্বাচন কমিশন দেশের ২৩৪ টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের চিন্তা করছে। তবে এই সংখ্যা কম বা বেশিও হতে পারে। যেসব পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো হলো, টাঙ্গাইল সদর, ধনবাড়ী, মধুপুর, মির্জাপুর, ভুঞাপুর, সখিপুর, গোপালপুর, কালীহাতি, জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ী, মেলান্দহ, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, শেরপুর সদর, নকলা, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ত্রিশাল, ভালুকা, গফরগাঁও, নান্দাইল, ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, নেত্রকোনা সদর, মদন, মোহনগঞ্জ, দুর্গাপুর, কেন্দুয়া, কিশোরগঞ্জ সদর, কুলিয়ারচর, হোসেনপুর, কটিয়াদী, বাজিতপুর, ভৈরব, করিমগঞ্জ, মানিকগঞ্জ সদর, সিংগাইর, মুন্সীগঞ্জ সদর, মিরকাদিম, ঢাকার ধামরাই, সাভার, নরসিংদী সদর, মাধবদী, মনোহরদী, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, তারাবো, রাজবাড়ী সদর, পাংশা, গোয়ালন্দ, ফরিদপুরের বোয়ালমারী, নগরকান্দা, গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গীপাড়া, মাদারীপুর সদর, কালকিনি, শিবচর, শরীয়তপুর সদর, নড়িয়া, ডামুড্যা, জাজিরা, ভেদরগঞ্জ পৌরসভা।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, কুমিল্লার চান্দিনা, লাকসাম, দাউদকান্দি, বরুড়া, চৌদ্দগ্রাম, হোমনা, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ছেংগারচর, ফরিদগঞ্জ, কচুয়া, মতলব, ফেনী সদর, দাগনভুইঞা, পরশুরাম, নোয়াখালীর বসুরহাট, চৌমুহনী, হাতিয়া, চাটখিল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ, রামগতি, রায়পুর, চট্টগ্রামের সন্দীপ, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, মীরসরাই, বারাইয়ারহাট, পটিয়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ডু, খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙা, রাঙামাটি সদর, বান্দরবান সদর ও লামা পৌরসভা।মেহেরপুরের গাংনী, কুষ্টিয়া সদর, মিরপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, খোকসা, খুলনার পাইকগাছা, দাকোপের চালনা, চুয়াডাংগা সদর, দর্শনা, জীবননগর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, হরিণাকুণ্ডু, শৈলকূপা, যশোর সদর, নওয়াপাড়া, মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, চৌগাছা, কেশবপুর, নড়াইল সদর, কালিয়া, বাগেরহাট সদর, মোড়েলগঞ্জ, মাগুরা সদর, সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া পৌরসভা।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, রহনপুর, শিবগঞ্জ, নাচোল, জয়পুরহাট সদর, আক্কেলপুর, কালাই, নওগাঁ সদর, নজিপুর, নাটোর সদর, সিংড়া, বড়াইগ্রাম, নলডাঙ্গা, গোপালপুর, গুরুদাসপুর, পাবনা সদর, ভাঙ্গুড়া, ঈশ্বরদী, চাটমোহর, সাঁথিয়া, সুজানগর, ফরিদপুর, বগুড়া সদর, শেরপুর, সারিয়াকন্দি, গাবতলী, সান্তাহার, কাহালু, ধুনট, নন্দীগ্রাম, শিবগঞ্জ, রাজশাহী জেলার কাঁকনহাট, আড়ানী, মুন্ডুমালা, কেশরহাট, গোদাগাড়ী, তাহেরপুর, ভবানীগঞ্জ, তানোর, কাটাখালী, চারঘাট, দুর্গাপুর, পুঠিয়া, নওহাটা, সিরাজগঞ্জ সদর, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ

নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে হাজারো দর্শনার্থীদের ভিড় মিলছেনা বিহারের দর্শন

নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে  হাজারো দর্শনার্থীদের ভিড় মিলছেনা বিহারের দর্শন

রহমতউল্লাহ বদলগাছী উপজেলা প্রতিনিধিঃনওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে  হাজারো দর্শনার্থীদের ভিড় মিলছেনা বিহারের দর্শন । 

 নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কে কেন্দ্র করে প্রতিদিন  দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় মিলছেনা বিহারের দর্শন ।

নওগাঁ জেলা বদলগাছী উপজেলার অন্তর্গত বাংলাদেশের ঐতিহ্য বিরল ইতিহাসের সোনালী অক্ষরের  প্রাণ কেন্দ্র  পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার

করোনা মহামারীতে দেশ ও বহির্বিশ্ব যখন অসহায় এর প্রভাবে পাহাড়পুর তথা সোমপুর বিহারের দর্শনার্থীদের ভিড় থাকলেও মিলছেনা বিহারের দর্শন ।

সাম্প্রতিক করোনা মহামারীর প্রভাবে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিধি অনুসারে জনসমাগম  রোদে সরকার দেশের সকল পর্যটন স্থান গুলি বন্ধ করলেও ভ্রমণ প্রেমী মানুষগুলি উপচে পড়া ভিড় জমাচ্ছে পর্যটন স্থানগুলোতে তবে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকার ফলে মিলছে না তাদের পর্যটন স্থানগুলো দর্শন । এ পর্যটন স্থান গুলির মধ্যে একটি অন্যতম পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ।

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কে কেন্দ্র করে মহামারী কে অবজ্ঞা করে দূর-দূরান্ত হতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমছে বিহারে তবে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকার ফলে খুলছে না বিহারের গেট এর ফলে দর্শনার্থীদের মাঝে পরছে হতাশার ছাপ । 

একইসাথে সরকারের অর্থনৈতিক খাত ও বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব আয় হতে ।

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের দায়িত্বরত কাস্টোডিয়ান তানভীরুল ইসলাম জানান এ অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব খাত বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব এ আয় হতে ।