আশাশুনির শোভনালীতে ভাঙ্গন কবলিত কালভাট পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম

আশাশুনির শোভনালীতে ভাঙ্গন কবলিত কালভাট পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম




আহসান উল্লাহবাবলু উপজেলা প্রতিনিধিঃ   

আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের শালখালি বাজারে ভাঙ্গন কবলিত কালভাট পরিদর্শন শেষে দ্রুত নির্মাণের আশ্বাস দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মোস্তাকিম। রবিবার বিকালে শালখালি বাজারে ভাঙ্গন কবলিত কালভাট পরিষদ পরিদর্শন শেষে তিনি এ আশ্বাস দেন। পরিদর্শনের সময় এবিএম মোস্তাকিম বলেন, আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলার সংযোগ সড়কের উপরে এ কালভার্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে কালভার্টটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে দুই উপজেলার মধ্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ভ্যান, মোটরসাইকেল ছাড়া বড় কোনো যানবাহন চলাফেরা করতে পারছে না ফলে জনগণকে অত্যন্ত দুর্ভোগ ও কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে আরও বলেন কালভার্টটির দ্রুত নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে এবং প্রয়োজনে আমি নিজস্ব অর্থ দিয়ে যানবাহন চলাচলের জন্য বিকল্প পথ তৈরির ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। তিনি সবশেষে বলেন কালভার্ট পারাপারের সময় কাউকে কোন টাকা দিবেন না এবং কেউ যদি টাকা চায় তাহলে সাথে সাথে আমাকে জানাবেন সে যেই হোক আমি তার ব্যবস্থা নিব। এসময় উপস্থিত ছিলেন সোনালী ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক মোনায়েম হোসেন, ইউপি সদস্য বৃন্দ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মূত্যু নাই - পলক বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালীর আদর্শ -আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মূত্যু নাই - পলক  বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালীর আদর্শ -আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক


রাজু আহমেদ, নাটোর:
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ছোটবেলা থেকে নেতৃত্বের গুনাবলীতে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। তিনি শুধু দেশপ্রেমিক ছিলেন না, দেশের নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। মানুষকে তিনি অকৃত্রিম ভালোবাসতেন এজন্য তিনি অল্প সময়ের মধ্য বঙ্গবন্ধু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত লাভ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালীর আদর্শ। তাঁর আদর্শকে হত্যা করা যাবে না। 
তিনি দেশের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। আমাদের ও তাঁর আদর্শের অনুপ্রাণিত হতে হবে। দেশকে সত্যিকার অর্থে তাঁর মত ভালোবাসতে হবে। তবেই তাঁর আদর্শের স্বার্থকতা। তাঁর আদর্শের মরন নাই। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, তাঁর আদর্শ বেঁচে থাকবে। 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা ভয় পান না, তারা নিজের জীবন বাজি রেখে দেশকে ভালোবেসে মানুষকে সেবা দেন।  ইতোমধ্য করোনা ভাইরাসে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা কর্মী সেবা দিতে গিয়ে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা রক্তের বিনিময়ে বাংলা ভাষা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধিনতা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে রোল মডেলে পরিনত করেছি। তৃতীয় 
অর্থনৈতিক বিপ্লব তাঁর নেতৃত্বে করতে আমরা প্রস্তৃত। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অঙ্গীকার বাংলাদেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না।  সে লক্ষে আমরা কাজ করছি।  মানবিক সহায়তা নিয়ে আমরা মানুষের পাশে আছি, কেউ না খেয়ে থাকবে না।  সে লক্ষে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা তৎপর রয়েছে। আমরা কাউকে না খেয়ে মরতে দিবোনা।  করোনাভাইরাস এবং বন্যার দুর্যোগে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা জনগনের পাশে আছে, থাকবে ইনশাআল্লাহ। 

প্রতিমন্ত্রী রবিবার বিকেল সাড়ে চারটায় উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ আয়োজিত ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।  

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ ওহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট জিল্লুর রহমান, কলম ইউপি চেয়ারম্যান মঈনুল হক চুনু,  চামারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, ইউপি চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম মৃধা প্রমূখ। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন সহ ১২ টি ইউনিয়ন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

সভা পরিচালনা করেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক, তাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন।

মোনাজাত পরিচালনা করেন, পৌর ওলামালীগের সভাপতি মাওলানা ইদ্রীস আলী।

সাতক্ষীরার দেবহাটায় আলোচিত ইজিবাইক চালক মনিরুলের বাড়ীতে জি.এম স্পর্শ

সাতক্ষীরার দেবহাটায় আলোচিত ইজিবাইক চালক মনিরুলের বাড়ীতে জি.এম স্পর্শ



আজহারুল ইসলাম সাদী, জেলা প্রতিনিধিঃ
 দেবহাটায় নওয়াপাড়া ইউনিয়নে শিমুলিয়া গ্রামের ইজিবাইক চালক মনিরুল ইসলামকে কয়েকদিন আগে শ্বাসরোধ করে নৃসংশ ভাবে হত্যা করা হয়,
মনিরুলের স্ত্রী বর্তমানে জেলে থাকায় বাড়ীতে তার অসহায় দুই সন্তান। একজনের বয়স ৪ বছর ও অন্যজনের ৮ বছর। নিহত মনিরুলের সন্তানদের সার্বিক খোঁজ খবর নেয়ার জন্য মনিরুলের বাড়ীতে গেলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি জি.এম স্পর্শ। 
আবেগ প্লাবিত জি এম স্পর্শ তাদের পাশে থেকে  বলেন, আমার ও ৪ বছরের একটি সন্তান আছে।একজন মা হিসেবে আমাকে আজ খুব অপরাধী মনে হলো।
মনে হাজারো প্রশ্ন জাগছে,,,
জন্মদাত্রী মায়েরা কি খারাপ হয়?
মনিরুলের মাসুম বাচ্চাদের তো কোন অপরাধ ছিলনা।
তাহলে কেন সৃষ্টিকর্তা তুমি তাদের এই পাহাড় সমান কষ্টে রেখেছো?
আমি বাচ্ছা দুটোকে সান্ত্বনা তো দুরের কথা ওদের  চোখের দিকে তাকাতে পারিনি।
শুধু কাছে ডেকে অনুভব করলাম এ কেমন নিষ্ঠুর পৃথিবী।
পৃথিবীর আর কোন সন্তানের যেন এই পরিনতি না হয়।
সন্তান গুলোর জন্য আমার বুক ভরা দোয়া  ভালোবাসা রইলো।
আমি এই নিকৃষ্ট ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রকৃত খুনীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি কামনা করছি।

মনিরুলের সন্তানদের জন্য ঈদের নতুন পোষাক ও খাদ্যসামগ্রী উপহার এসময় সরেজমিনে পৌছেদেন জি এম স্পর্শ।

ঝিনাইদহে ভুয়া এনজিওর নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

ঝিনাইদহে ভুয়া এনজিওর নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ



 সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
ভুয়া এনজিওর নামে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের টাকা লুটপাটের মহোৎসব চলছে। ঝিনাইদহে এ ধরণের শতাধীক ভুয়া এনজিও সরকারের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিস ও ঢাকার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের একটি চক্র কনটাক্ট নিয়ে নাম সর্বস্ব এনজিও মালিকদের সাথে হাত করে এই টাকা ভাগাভাগি করে নিচ্ছে।

ঝিনাইদহে এ ধরণের খবর ফাঁস হয়ে পড়েছে। অনোয়ারুল ইসলাম বাদশা ও মো. শাহজাহান আলীসহ অর্ধশতাধীক ব্যক্তি ভুয়া ও জাল কাগজপত্র দিয়ে তাদের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে অনুদানের টাকা তুলে নিয়েছেন। তবে এসবের নাটের গুরু হিসেবে কাজ করেছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সিসিটি (কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান) হাবিবুর রহমান ও সিভিল সার্জন অফিসের একটি চক্র। 

ভুয়া প্রকল্প, কাগজপত্র, আবেদন সবকিছুই তারা করে দেন। এদিকে অনুদানপ্রাপ্ত ভুয়া এনজিওগুলোর কাছে ফোন করে পিপিই ও মাস্কসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী নিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঝিনাইদহে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে ৫৪টি এবং পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে ৫২টি এনজিও’র অনুকূলে অনুদান দেয়া হয়েছে। জুনের বিভিন্ন তারিখে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে চেক গ্রহণ করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো। 

জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম ৫৩টি এবং পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপপরিচালক ডা. জাহিদ হোসেন ৫২টি এনজিও’র ভুয়া বিল ভাউচার অনুমোদন দিয়েছেন। এর মধ্যে একই এনজিও উভয় বিভাগ থেকে অনুদানের অর্থ পেয়েছে।

একটি রাজনৈতিক দলের নেতা জাল কাগজপত্র দিয়ে একই প্রতিষ্ঠানের নামে দুইবার অনুদানের টাকা তুলেছেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছে বাউল সমিতি। জেলা হিসাবরক্ষণ দফতর থেকে ১১ জুন সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এনজিও মালিক বাদশা চেক গ্রহণ করেন। সেভ ঝিনাইদহের পরিচালকের সিল দিয়ে ৯ জুন ৫০ হাজার এবং ঠিকানা পরিবর্তন করে একই (সেভ) নামে সাধারণ সম্পাদকের ভুয়া সিল ও স্বাক্ষর করে তিনি ৫০ হাজার টাকার চেক গ্রহণ করেন। 

২৮ জুন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে ৫০ হাজার টাকা তিনি তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে অনোয়ারুল ইসলাম বাদশা বলেন, প্রথমবারের মতো মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে তিনি বরাদ্দ পেয়েছেন। টাকা কী করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিভিল সার্জন কিছু জিনিসপত্র চেয়েছেন। পাঁচ হাজার টাকায় সেগুলো কিনে দেব। 

সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম এনজিওর মালিক শাহজাহান আলী স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে এনজিওটির নামে তিনি ৭৫ হাজার টাকার অনুদান নিয়েছেন। বরাদ্দের টাকা দিয়ে স্বাস্থ্যসেবার কাজ করেছেন বলে তিনি জানান। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলা পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে ২৪ জুন শাহজাহানের ম্যানেজার আশিষ মৌলিক একাই স্বাক্ষর করে ১১টি এনজিও’র বিল ভাউচার বুঝে নিয়েছেন। শাহাজান আলী জানান, ফেডারেশন অব এনজিও ইন বাংলাদেশের (এফএনবি) সভাপতি তিনি। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ আনতে টাকা-পয়সা খরচ করে হয়। শহরের কবি গোলাম মোস্তফা সড়কে সাহাজানের রয়েছে আল মামুন জেনারেল হাসপাতাল। ক্লিনিক হলেও এনজিও পরিচয়ে প্রতিষ্ঠানটির নামে ৫০ হাজার টাকা তিনি অনুদান নিয়েছেন। 

সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম জানান, জেলায় কয়েকটি ভালো এনজিও রয়েছে। তবে অনুদানপ্রাপ্ত বেশির ভাগ এনজিওই নামসর্বস্ব। বরাদ্দের টাকা দিয়ে কোনো কাজই করে না এনজিওগুলো। এ কারণে পিপিই ও মাস্কসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী চাওয়া হয়েছে বলে তিনি যুক্তি দেখান। 

জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ জাহিদ আহম্মেদ জানান, তাদের কাছে একটি কাউন্টার সাইনের জন্য কাগজ আসে। তবে সবাই যে ভুয়া তা নয়। কিছু কিছু এনজিও ভাল কাজ করেন। তিনি স্বীকার করেন বেশির ভাগই নাম সর্বস্ব। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এনজিওর নামে চেক হাতে আসা মাত্র কমিশনের ২০% ভাগ অথবা ৩০% ভাগ সিন্ডিকেট সদস্যদের হাতে গুনে দিতে হয়। তাদের সঙ্গে কাগজপত্র তৈরিসহ বরাদ্দ প্রদানের চুক্তি করতে হয়। কমিশন যত বেশি বরাদ্দও তত মোটা অংকের হয়ে থাকে। 

এই দুই নাম্বারী কাজের নাটের গুরু জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সিসিটি (কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান) হাবিবুর রহমানের স্ত্রী আসিয়া খাতুনের নামে একটি এনজিও রয়েছে বলে হাবিব স্বীকার করেন। স্রোতধারা সমাজ কল্যাণ সংস্থা নামের ওই এনজিও গত অর্থবছরেও ৭৫ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছে। অথচ জেলা শহরের শহীদ মশিউর রহমান সড়কে ওই নামে কোনো এনজিও অফিস নেই। 

এমন অসংখ্য ভুয়া এতিমখানা, মহিলা সমিতি, এনজিও রয়েছে যাদের না আছে অফিস, না আছে সাইনবোর্ড, না আছে কর্মচারী। অথচ প্রতি বছর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি বিভাগ থেকে নিয়মিত অনুদান পাচ্ছে সংস্থাগুলো। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কমিশন বাণিজ্য বন্ধ না হলে গায়েবি এনজিও’র অনুদান বন্ধ হবে না।

ঝিনাইদহে নারী সহ ৩ প্রতারক গ্রেফতার

ঝিনাইদহে নারী সহ ৩ প্রতারক গ্রেফতার




সম্রাট হোসেনঃ
জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ, ঝিনাইদহ থানা, ঝিনাইদহ এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনায় তিন প্রতারক গ্রেফতার।

        তন্মী (২৫), পিতা-নিজাম উদ্দিন, সাং-বাহির রয়ড়া, থানা-শৈলকুপা, জেলা-ঝিনাইদহ জনৈক মোঃ আনিস মন্ডল (২৫), পিতা-মোঃ সমশের মন্ডল, সাং-হাট গোপালপুর দক্ষিণ পাড়া, থানা ও জেলা-ঝিনাইদহ এর পূর্ব পরিচিত। তারা উভয় মাঝে মাঝে মোবাইলে কথা বলত। ইং-৩১/০৭/২০২০ তারিখ দুপুর অনুমান ০২.৩০ ঘটিকায় তন্মী অসুস্থ্যতার কথা বলে আনিসের নিকট ফোন করে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা চায়। পরিচয়ের খাতিরে আনিস বিকালে তন্নীকে ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা দিতে চায়। তখন তন্মী টাকা নিয়ে আনিসকে সুমী (২৪), পিতা-মোঃ আলাউদ্দিন, সাং-আড়মুখী, থানা ও জেলা-ঝিনাইদহ এর পাগলাকানাই সড়ক ব্যাপারীপাড়া (বাকী বিল্লা, পিতা-হাতেম আলীর বাড়ীর ভাড়াটিয়া) ভাড়া বাসায় আসতে বলে। আনিস সরল বিশ্বাসে ইং-৩১/০৭/২০২০ তারিখ বিকাল অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা নিয়ে তন্নীর কথামত সূমীর ভাড়া বাসায় গিয়ে দরজায় নক করে। ভিতর থেকে তন্নী সুমীর ভাড়া বাসার দরজা খুলে দিলে আনসি এবং তন্নী বাসার ভতিরে ওয়েটিং রুমে বস। ঐ সময় শ্রী প্রদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস (৩০), পিতা-প্রফুল্ল কুমার বিশ্বাস, সাং-নারায়নপুর (নলডাঙ্গা) এ/পি-চাকলাপাড়া, থানা-ঝিনাইদহ এবং আসামী সুমী পাশরে রুম থেকে বেরিয়ে এসে আনসিকে বলে তুই এই বাসায় কি কারনে এসছেসি। তখন আনসি বলে তন্নীকে ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা দিতে এসেছি। তখন সুমী আনিসকে বলে তোকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে তোকে এবং তন্নীকে উলঙ্গ করে অশ্লীল ছবি তুলব না হয় ইয়াবা দিয়ে ফাসিয়ে দেব। এই বলার সাথে সাথে তন্নী তার পরহিতি টি শার্টের উপররে ফরমাল পোষাক খুলে র্অধ নগ্ন হয়। আনিস তাদরেকে টাকা দিতে অস্বীকার করলে তন্নী, সুমী ও শ্রী প্রদ্যুৎ কুমার বশ্বিাস আনসিকে অকথ্য ভাষায় গালগিালাজ করে এবং মারধর করতে উদ্যত হয়। আনসি তার মায়রে কাছে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করে এবং টাকা পাঠাতে বলে । আনসি এর মা হাটগোপালপুর বাজারে দিয়ে বিকাশের দোকান হতে তন্মীর বিকাশ নম্বরে ১৫,০০০/- (পনরে হাজার) টাকা বিকাশ করে পাঠিয়ে দেয়| পরর্বতীতে তন্নী, আনিস এর নকিট হতে তার ব্যবহৃত সেমফনি র্টাচ মোবাইল ফোন, মূল্য অনুমান ১৫,০০০/- (পনরে হাজার) টাকা এবং নগদ ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা নিয়ে নেয়। পরর্বতীতে স্থানীয় কিছু লোকজন তন্নী, সুমী ও শ্রী প্রদ্যুৎ কুমার বিশ্বাসদরে কবল হতে আনিসকে উদ্ধার করে। ঘটনার বিষয়ে ঝনিাইদহ থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়ছে।

মাদককে না বলুন এই শ্লোগান নিয়ে ঈদের বিশেষ আয়োজন নৌকা বাইচ

মাদককে না বলুন এই শ্লোগান নিয়ে ঈদের বিশেষ আয়োজন নৌকা বাইচ




মিঠুন কুমার রাজ, 
জেলা প্রতিনিধি। 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার কলেজ ব্রীজ হতে ইন্দুরকানী বাজারের এল,জি,ই,ডি ব্রীজ পর্যন্ত নৌকা বাইচের আয়োজন করেছে স্থানীয় যুবকেরা। বর্তমান সময়ে আমাদের যুবসমাজ মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। তারা বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়ে সমাজের সুন্দর পরিবেশটাকে দূষিত করছে। এসব কথা বিবেচনা করে স্থানীয় যুবকেরা মিলে ঠিক করেছেন তারা যুবসমাজকে নেশার আসক্তি থেকে বাহিরে সুন্দর পরিবেশের সাথে পরিচিত করবে এবং সবাইকে বিনোদনের ভিতরে রাখবে। তাই ঈদের দিনে একটি মহৎ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা শপথ করে "মাদককে না বলুন " সুখী সুন্দর সমাজ গড়ুন। এসময়ে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন  ইন্দুরকানী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান ছগির এবং তিনি আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির দায়িত্ব পালন করেন।  খেলাটির পরিচালনায় ছিলেন জাকির ঠিকাদার। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসাদ হাওলাদার (ইন্দুরকানী বাজার বণিক সমিতির প্রচার সম্পাদক),  রিয়াজুল ইসলাম (শুভ), মিঠুন কুমার রাজ (সহকারী শিক্ষক, ইন্দুরকানী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়), ফাহিজুল  ও খাইরুলসহ আরও অনেকে। নৌকা বাইচ অনুষ্ঠানটি দেশ এবং দেশের বাহিরে লাইভে ( Live ) সম্প্রচার করেছেন   "রাজ মিউজিক" এর ফেসবুক আইডি থেকে।

মোংলায় নিজ কর্মে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ব্যতিক্রম এক মানবিক ইউএনও রাহাত মান্নান

মোংলায় নিজ কর্মে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ব্যতিক্রম এক মানবিক ইউএনও রাহাত মান্নান




মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা   
উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে মোঃ রাহাত মান্নান মোংলা উপজেলায় যোগদানের পর তার নিজের কর্ম দক্ষতা ও দূরদর্শিতা দিয়ে একের পর এক সরকারের উন্নয়ন ও সেবাধমর্ীমুলক কাজের পাশাপাশি চলমান করোনা পরিস্থিতিতে স্থাপন করেছেন মানবতার এক অন্যন্য নজির। করোনাকালে মানবিক দায়িত্ব পালন করে তিনি উপজেলার সকল মহলে ব্যাপক সুনাম ও প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। স্থান করে নিয়েছেন সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মনে। ২০১৯ সালের ২৬ মে মোংলায় যোগদানের পর মাত্র ১৪ মাস দায়িত্ব পালনের পর তিনি সম্প্রতি পদোন্নতিজনিত কারণে গাইবান্দা জেলায় বদলী হয়েছেন। ঈদের পর নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কথা রয়েছে তার।

মোংলায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে অসংখ্য ভাল কাজের অনুস্বরনীয় দৃষ্টান্ত রেখেছেন তিনি। বিদায় বেলায়ও মানবিক কাজ করে যেতে ভুলে যাননি সরকারের মাঠ পর্যায়ের এই চৌকস কর্মকর্তা। তার চলে যাওয়ার শেষ মূহুর্তেও তিনি গত ২৬ জুলাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র গৃহহীন এক‘শ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বিশেষ উপহার নতুন ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন তাদেরকে। 

সম্প্রতি মোংলা উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় আম্পানের সময় গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ক্ষয়ক্ষতির আশংকায় থাকা এলাকাগুলোর মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝড় বৃষ্টির মধ্যে সর্বত্র ঘুরে বেড়িয়েছেন। এরপর আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের সরকারী সহায়তা দিতে অগ্রণী ভুমিকা রেখেছেন তিনি। ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নির্ণয় করে পাঠিয়েছেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে। ওই সময়ে সরকারী বরাদ্দ দেয়া ৬৬ মেট্টিক টন চাল, একথশ বান্ডিল ডেউটিন ও নগদ তিন লাখ টাকা দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের মাঝে সুষম বন্টন করেছেন।

করোনা পরিস্থিতিতে মোংলায় আক্রান্তদের হাসপাতালে পাঠানো, হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা, মোবাইলে অসহায় কর্মহীন মানুষের ফোন পেয়ে গোপনে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়াসহ নানা ধরণের মানবিক কাজ করেছেন তিনি। দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু থেকে তিনি উপজেলার মানুষকে ঘরে থাকতে বারবার অনুরোধ করে যাচ্ছিলেন, প্রতিদিন উপজেলার বাজার-হাটসহ সমস্ত এলাকায় ছুটে বেরিয়েছেন। সরকারী নির্দেশনা ভঙ্গ করার কারণে চালিয়েছেন একের পর এক ভ্রাম্যমাণ আদালতও।

করোনাকালে ব্যবসায়ীরা যাতে পণ্যের দাম বেশী নিতে না পারেন সেজন্য তিনি উপজেলার বিভিন্ন বাজার মনিটরিং করেন। শুধু তাই নয়, তিনি করোনায় আক্রান্ত ওসুস্থ্যদের উপযোগী বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। বিভিন্ন ঈদ বা যে কোন উৎসবের সময় তাকে নিজের বেতনের টাকা দিয়ে ভাসমান ছিন্নমূল মানুষদের সহায়তা করতে দেখা গেছে। 


উপজেলা সূত্রে জানা যায়, করোনাকালীন সময়ে মোংলা উপজেলায় ২১ হাজার ৩শ পরিবারকে চাল ও নগদ অর্থ, ২ হাজার পরিবারকে শিশু খাদ্য, ২শ পরিবারকে শুকনো খাবার, ২ হাজার ৫শ টাকা করে ৭ হাজার ৪শ পরিবারকে সহায়তা করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি বাল্য বিয়ে ও যৌতুক প্রথা বন্ধ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সরকারি জমি উদ্বার এবং মাদক নির্মূলে একের পর এক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। 

ইউএনও মোঃ রাহাত মান্নান  বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি যেখানেই থাকি মানুষের জন্য কাজ করে যাবো। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি উদ্যোগ সফল করতে আমি অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এতে যত বাধাই আসুক পিছপা হবো না। তিনি আরো বলেন, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে সহযোগীতা করার জন্য বিদায় বেলায় মোংলা উপজেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

মোংলা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, ক্রীড়া পরিষদের আহবায়ক ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম বলেন, ইউএনও মোঃ রাহাত মান্নান একজন ক্রীড়ামোদী মানুষ ছিলেন। তিনি উপজেলার দায়িত্বপালনকালে খেলাধুলার মান উন্নয়নে নানা অবদান রেখেছেন। মোংলায় একটি পরিত্যাক্ত সিনেমা হলকে তিনি ইনডোর বানিয়ে ব্যাডমিন্টন খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন। এছাড়া সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে তিনি সব সময় সক্রিয় ছিলেন। সারা বাংলাদেশে প্রজাতন্ত্রের এমন কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে থাকলে সরকারী সকল নির্দেশনা সঠিকভাবে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে মনে করেন তিনি। এছাড়াও তিনি যেখানে যাবেন সেখানের ক্রীড়াঅঙ্গনের ব্যাপক উন্নোতি হবে বলে তিনি মনে করেন।

এছাড়াও মোংলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউএনও মোঃ রাহাত মান্নানকে। 

মোংলা প্রেসক্লা সভাপতি এইচ এম দুলাল ও বাংলাভিশন টেলভিশনের সাংবাদিক, মোংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন মোংলা শাখার উপদেষ্টা মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, তিনি তার কর্মকান্ড ও পরামর্শের মধ্যদিয়ে স্থানীয় সংবাদকমর্ীদেরকে নানাভাবে সহায়তা প্রদাণ করেছেন, যেটা আসলেই বিরল এবং যা মানবিকতার পরিচয় বহন করে। এছাড়া ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মোঃ রাহাত মান্নান নজির স্থাপন করেছেন। সরকারী নির্দেশনা পালনের পাশাপাশি মানবিক নানা কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। বিদায় বেলায় তার ভবিষ্যৎ জীবনের আরো বেশি সফলতা কামনা করছি। 

সাফ হোক জঞ্জাল  কবি মিজানুর রহমান তোতা

সাফ হোক জঞ্জাল   কবি মিজানুর রহমান তোতা



চারপাশের দাপুটে অন্যায় দুর্নীতি অবিচার।
কিলবিল করছে বেয়াদব শয়তান লুটেরা।
এসব জঞ্জাল সাফ করো।
রুখে দাঁড়াও।
প্রতিবাদ করো।

চোখের সামনে মিথ্যাকে সত্য বলছে।
সত্যকে বলছে মিথ্যা।
তাদের চোখে আঙ্গুল দাও। 
সত্য প্রতিষ্ঠায় শপথ নাও।

আমি বিদ্রোহী হতে চাই না।
চাই সমাজের জঞ্জাল সাফ।
ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বপ্ন সাধ আস্থা
  হচ্ছে বিলীন।
দেখেশুনে ঘটছে হৃদয়ে রক্ষক্ষরণ।

চারিদিকে এলোমেলো সব কান্ড ঘটছে।
মুরব্বীরা  চুপচাপ থাকছে।
ভয়ে বলতে পারে না কিছু।
অবলীলায় সবাই হজম করছে বিচ্ছু ।

কখনোই সমাজ এমন ছিল না তো।
মাষ্টার হেঁটে গেলে সাইকেলে চড়া ছাত্র নেমে দাঁড়াতো।
আদব কায়দা জ্ঞান সব উঠে যাচ্ছে। 
ছেলে বুড়ো একসাথে আড্ডা দিচ্ছে। 
ঘুচে যাচ্ছে ব্যবধান। 
সবকিছুই লাগামহীন। 

চলছে আত্মঘাতি ব্যবস্থাপনা। 
পাকা খেলুড়েরা চেয়ে চেয়ে দেখছে।
বলছে ‘আমার বলার কিছু ছিল না’।
নির্লজ্জ বেহায়াপনার কী অদ্ভুত ব্যাপার না?
প্রতিবাদ উপদেশ পরামর্শ জীবনবোধের ক্ষয়।
দিশাহীন দল ভারী হয়ে রয়।
চুলচেরা নৈতিক নিরিখে গতিমুখ পাল্টানো জরুরি। 

গাছ ফুল পাখি প্রেম ভালোবাসার কাহিনীর কবিতা।
গল্প রসালো কথামালা সবার পছন্দ।
বাহবা কুড়ানো ব্যস্তসময়। 
নীরবে শেষ হয়ে যাচ্ছে তিলে তিলে গড়া সমাজ।

ভাঙা বেদনার টুকরো সমাজকে কুরে কুরে খাচ্ছে। 
কোথাও নেই গভীর বিশ্লেষণ।
মুখে উচ্চারিত সুষ্ঠু সমাজের স্বপ্নসাধ।
চিন্তার আবির্ভাবে সেটি কী ঘটছে ? 

সমাজপতিরা কী পালন করছে সামাজিক দায়িত্ব? 
বাস্তব জীবনের ছবিতে কী মিল খুঁজে পাওয়া যায়? 
মানসিকতা পরিবর্তন দুঃসাধ্য।
শ্রেষ্ঠ মানবিকতাবাদ প্রত্যাশা নয়।
প্রত্যাশা শুধু স্বচ্ছ সমাজনীতি।

ক্ষণে ক্ষণে ত্যক্ত বিরক্ত বীতশ্রদ্ধতা বিদ্যমান।
মনের বাসনা একটা সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ। 
যে সমাজে মেয়েরা ধর্ষণের শিকার নয়।
দুর্নীতির ব্যধি দাপুটে বাহুবলে করে ক্ষয়।
শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে আর হা-হুতাশ নয়।

নয় হানাহানি কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি।
বন্ধ হবে নষ্টদের গলাবাজি।
মনোকষ্টের আহাজারি নয়।
সব হয়ে যাক ধুলিস্যাত।  
সাফ হোক জঞ্জাল।

পাপবোধে ঈষৎ পীড়িত নীতি-নৈতিকতায় যত্নশীল।
সমাজের সকল কর্মকান্ডে সবাই খুশী থাকবে।
চলবে আপন গতিতে।
নিয়মের ব্যতয় ঘটবে না।

অনিয়মের দেয়াল ভেঙে তাড়াতে হবে সমাজভূত।
বৃদ্ধি করতে হবে সামাজিক বন্ধন। 
সমস্বরে প্রতিবাদ চলবে নীতিহীনতার বিরুদ্ধে। 
হতে হবে সামাজিক দায়বোধে জাগ্রত। ০

নবীগঞ্জে ডাকাতিকালে নারীকে গলাকেটে হত্যা

নবীগঞ্জে ডাকাতিকালে নারীকে গলাকেটে হত্যা


 নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাও ইউনিয়নের করগাও গ্রামে ডাকাতিকালে বসতঘরে ছলেমা বেগম (৪৫) নামে এক মহিলাকে গলাকেটে হত্যা করেছে ডাকাতদল। রবিবার (২ আগস্ট) ভোর রাতে করগাও ইউনিয়নের করগাও গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

মৃত ছলেমা বেগম করগাও গ্রামের মিলন মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার-পরিজন,পাড়া প্রতিবেশিসহ চলছে শোকের মাতম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মত ছালেমা বেগম মেয়ে শান্তা বেগমকে নিয়ে একসাথে শুয়ে পড়েন। ভোর বেলা হঠাৎ করে মেয়ের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে দেখতেন পান গলাকাটা অবস্থায় ছালেমা বেগমের নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মামলার সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন এস আই আবু সাঈদ।



এদিকে হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে রবিবার (১ আগস্ট) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নবীগঞ্জ-বাহুবলে সার্কেল এএসপি পারভেজ আলম চৌধুরী।

ছালেমা বেগমের স্বামী বলেন, আমি অন্য বাড়িতে ঘুমাতে গিয়েছিলাম। সকাল বেলা এসে দেখি আমার স্ত্রী ছালেমা বেগমকে বা কারা গলাকেটে হত্যা করেছে। ডাকাতরা ছালেমা বেগমের কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান বলেন, ডাকাতরা নির্মমভাবে ছালেমা বেগমকে হত্যা করছে। ছালেমা বেগমের শরীরে একাধিক আগাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা তদন্তপূর্বক ঘটনার সাথে জড়িতের আইনের আওতাধীন নিয়ে আসবো।

ময়মনসিংহ তারাকান্দায় অটোরিকশা ও সিএনজি সংঘর্ষে ১জন নিহত

ময়মনসিংহ তারাকান্দায় অটোরিকশা ও সিএনজি সংঘর্ষে ১জন নিহত



স্টাফ রিপোর্টার : আর.জে মিজানুর রহমান ইমন  :

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায়    অটোরিকশা ও সিএনজি সংঘর্ষে ১জন নিহত । ঘটনাটি ঘটেছে ১আগষ্ট শনিবার ঈদের দিন সকালে ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট সড়কে তারাকান্দা উপজেলার মধুপুর নামক স্থানে ।

নিহত ব্যাক্তি হলেন, তারাকান্দা উপজেলার ০১নং সদর ইউনিয়নের গোহালকান্দি গ্রামের মরম আলীর ছেলে মোবারক হোসেন (৪৭) ।
সূত্রে জানা যায়, নিহত  ব্যক্তি মোবারক হোসেন তারাকান্দা বাজারের মসলা ব্যবসায়ী ছিলেন । প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা জানান, সে ঈদের দিন সকালে দোকান বন্ধ করে, অটোরিকশা করে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্য যাচ্ছিল কিছু রাস্তা অতিক্রম করার পর উপজেলার মধুপুর নামকে স্থানে পৌছাতেই বিপরীতগামী থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় ।

নিঃসঙ্গ জীবনের অনুভূতি কবি মিজানুর রহমান তোতা

নিঃসঙ্গ জীবনের অনুভূতি কবি মিজানুর রহমান তোতা



জীবনের টুকরো ছবি হৃদয়ের গহীনে
কাঁটার মতো বিঁধে চলেছে প্রতিনিয়ত
সংকটাপন্ন সংশয়দীর্ণ অবস্থাতে ভিন্ন 
উপেক্ষিত ছন্দ হচ্ছে উম্মোচন।
আপাততুচ্ছ আকাঙ্খার বর্ণিল ছায়া
নৈরাশ্যের বিপরীতে গভীর মায়াভরা
জীবনের নানা আলোকিত দিক ছুঁয়ে
তীব্র অনুভুতি। 
সুক্ষ্ম বিশ্লেষণে পারস্পরিক সম্পর্কের
একাকীত্বে ভিন্ন অনুভুতির উম্মাদনায়
ইতিবাচক যাপনের ক্ষতের উপস্থিতি
গভীর পরিতৃপ্তি।
অন্দরের দুষিত বাতাস গতিপ্রকৃতির
বহুমাত্রিকতা তাৎপর্যের সরলীকরণে
কঠিন বাস্তবতার আঙ্গিকে ঘিরে আছি
মধুর নিঃসঙ্গতায়।
ভেতরের রক্কক্ষরণ আবরণে নিদর্শন
কষ্টের বেড়াজাল ডিঙিয়ে পরিচয়বাহী
অচেনা সঙ্গ তৃঞ্চা মিটানোর আশ্বাস
কুরে খাচ্ছে সারাক্ষণ।
বৈচিত্রহীন চরিত্রের চরম বিষ বিকাশে
কল্পনার বাগানে অদ্ভুত এক অনুভুতি
দুরন্ত উম্মাদ। 
নিরুপায় অনুকম্পা দুর্ভাবনার শিঁকলে
আটকে ছটফট কল্পনার জগতে করুণ
ট্রাজেডির কাহিনী কেউ শুনতে চায় না
আত্মার অগণিত রহস্যঘেরা নিঃসঙ্গতা।
যাপনে ভরে উঠছে অনুভুতির তীব্রতা।

মধুপুরে ৩৮ তম বিসিএস ক্যাডারদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

মধুপুরে ৩৮ তম বিসিএস ক্যাডারদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

 

মো: আ: হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৩৮তম বিসিএস এ মধুপুর উপজেলা থেকে সুপারিশ প্রাপ্ত ক্যাডারদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা জহুরা। শুক্রবার (৩১জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্হিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) এম. এ. করিম। সুপারিশ প্রাপ্ত ৩৮ তম বিসি এস ক্যাডার গন হলেন, উপজেলার টেংরী গ্রামের মো: সালাউদ্দিন সোহাগ বিসিএস সড়ক ও জনপথ, শোলাকুড়ী গ্রামের আবু শিহাব বিসিএস শিক্ষা, অলিপুর গ্রামের মো: আল আমিন বিসিএস শিক্ষা, কুড়ালিয়া মলকা গ্রামের জুয়েল শিকদার বিসিএস গণপুর্ত, মধুপুর ঘোষপল্লী এলাকার সুব্রত ঘোষ বিসিএস শিক্ষা, হলুদিযা গ্রামের তানজিনা আক্তার বিসিএস শিক্ষা, গংগাহরী গ্রামের জাহিদ হাসান বিসিএস শিক্ষা।

রামগরে চড়ের প্রতিশোধ খুনের মাধ্যমে নিল মৃদুল ত্রিপুরা

রামগরে চড়ের প্রতিশোধ খুনের মাধ্যমে নিল মৃদুল ত্রিপুরা


মাহফুজা আক্তার (মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা) 
প্রতিনিধিঃ

 বহুল আলোচিত ফারুক হত্যা মামলার আসামি  উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ। 

গত ১১/০৭/২০২০ খ্রিঃ মামলার ভিকটিম মৃত ওমর ফারুক রাত ১০ঃ৩০ ঘটিকায় স্থানীয় কালাডেবা বাজার হইতে বৃষ্টি জনিত কারণে একা একা নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে একই এলাকার মৃদুল কান্তি ত্রিপুরা (১৮) তাকে পিছন থেকে লাঠি দিয়ে স্ব জোরে আঘাত করে। উল্লেখ যে তার কিছু দিন আগে আসামি মৃদুল কান্তি ত্রিপুরা কালাডেবা সড়কের রাস্তায় ব্রীজের উপর সন্ধ্যায় পা মেলে বসে মোবাইলে কথা বলতেছিলো। ঐ সময় ভিকটিম ওমর ফারুকের পায়ের সাথে তার পা ধাক্কা লেগে যায়। তখন আসামি Sorry কাকা বললেও ভিকটিম ওমর ফারুক আসামি মৃদুল কান্তি ত্রিপুরার গালে থাপ্পড় মারে।

সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামি মৃদুল কান্তি ত্রিপুরা প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ খুজতে থাকে। 
অবশেষে ১১/০৭/২০২০খ্রিঃ আসামি মৃদুল কান্তি ত্রিপুরা ভিকটিম ওমর ফারুক কে আঘাত করে পরবর্তীতে ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন। 

 পুলিশ সুপার জনাব আব্দুল আজিজ মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ প্রশাসন জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, রামগড় সার্কেল, জনাব সৈয়দ মোহাম্মদ ফরহাদ মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে মামলার ভিকটিমের মোবাইলের সূত্র ধরে আসামি কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

নাগরপুরে সামাজিক দুরত্ব রেখে প্রতিটি মসজিদে ঈদুল আযহার জামায়াত অনুষ্ঠিত

নাগরপুরে সামাজিক দুরত্ব রেখে প্রতিটি মসজিদে ঈদুল আযহার জামায়াত অনুষ্ঠিত



ডা.এম.এ.মান্নান,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধিঃ
সারাদেশের ন্যায় টাংগাইলের নাগরপুরেও ঈদুল ফিতরের মত করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ঈদুল আযহার জামায়াত সকল মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সরেজমিনে আজ শনিবার,১লা আগষ্ট ২০২০ খ্রি. সকালে দেখা যায়, নাগরপুরের ঐতিহ্যবাহী দুয়াজানী কলেজ পাড়া জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল আযহার জামায়াত আদায় করার জন্য, সকাল ৯.০০ টায় সময় নির্ধারণ করার পাশাপাশি সচেতনতা মূলক ব্যবস্থা হিসাবে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বসতে দেখা গেছে।

এ সম্পর্কে দুয়াজানী কলেজ পাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সহকারি অধ্যাপক এম.এ.সালাম বলেন, নাগরপুরে ঈদগাহ সহ সকল খোলা ময়দানে কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে, গত ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আযহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকায় মসজিদে মসজিদে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ঈদের নামাজের পর কোরবানির কথা মাথায় রেখে সকাল ৯.০০ টায় জামায়াতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যথা সময়ই জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। মসজিদের প্রতিটি মুসুল্লি মাস্ক পরে, বাড়ি থেকে ওযু করে, নিরাপদ দূরত্ব মেনে ও প্রয়োজনে ব্যক্তিগত জায়নামাজ ব্যবহার করে নামাজ আদায় করেছে।

সেই সাথে কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে এবার নামাজের আগে ও পরে কোলাকুলি বা হাত না মেলাতে, যারা অসুস্থ বা চিকিৎসাধীন এবং রোগীর সেবার নিয়োজিত সকলের স্বার্থে তাদের মসজিদে না আসতে পূর্বেই মাইকিং করে বলে দেয়া হয়েছে।

সভাপতি সাহেব আরও বলেন,আমাদের মসজিদের সুযোগ্য খতিব  মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম ঈদের নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন এবং মহামারী করোনা থেকে মহান আল্লাহ্ যেন আমাদের সকলকে হেফাজত করেন সেজন্য বিশেষ করে দোয়া করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নাগরপুরে উপজেলায় সকল মসজিদে সকাল ৭.৩০ মিনিট হতে ১০.০০ টায় মধ্যে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে।