বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করলো বশেমুরবিপ্রবি ' র সংগঠন গ্রীন ভয়েস

বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করলো বশেমুরবিপ্রবি ' র সংগঠন গ্রীন ভয়েস




সুমন,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি ঃ১৬ জুলাই থেকে শুরো হওয়া গ্রীন ভয়েস ফটোকনস্টেট এর ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে।এ খবরটি নিশ্চিত করেছেন বশেমুরবিপ্রবি'র গ্রীন ভয়েস পরিবার।


প্রতিযোগিতায় ১৭৯ টি ছবি জমা পড়েছিল বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে থেকে সেরা ৫ টি ছবিকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়।


প্রথম পুরষ্কার লাভ করেন পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী বিপ্লব হোসেন।পুরষ্কার প্রাপ্ত অন্যান্য চারজন হলেন,২ য় স্হান সুপ্রতীম মিত্র( কৃষি),৩ য় আরিফ ইসলাম( লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড ভেটেনারি মেডিসিন),৪র্থ সালমা নুরী( বাংলা) এবং ৫ম স্হানে আছেন তিথি রায় ( লোকপ্রশাসন)।


এছাড়াও সবাইকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট প্রদান করা হবে ইমেইলের  মাধ্যমে।


১৬-২৮  জুলাই প্রর্যন্ত চলমান এই প্রতিযোগিতার পর্দা নামলো অবশেষে।

পাশাপোল ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

পাশাপোল ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি




পাশাপোল ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে ১৫ আগস্টে শাহাদাৎ বরণ কারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। 

কর্মচারিদের অবহেলা আর নয়! কারন দর্শানোর নোটিশ বশেমুরবিপ্রবি কর্তৃপক্ষের

 কর্মচারিদের অবহেলা আর নয়! কারন দর্শানোর নোটিশ বশেমুরবিপ্রবি কর্তৃপক্ষের



সুমন,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি ঃচুরি যাওয়া কম্পিউটারের দায়িত্বে থাকা প্রহরীরা কেন অনুনোমোদিত ছুটিতে থেকে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছ, তার কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বশেমুরবিপ্রবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহমেদ সাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তি গতকাল সোমবার প্রকাশিত হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,ঈদ- উল - আযহার ছুটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী/ প্রহরীবৃন্দ কেন অনুনোমোদিত ছুটি নিয়ে এমন করলো সেটা তিন কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে হবে।


নোটিশ জারীকৃত প্রহরীদের তালিকায় আছেন,শেখ মোজাহিদুর রহমান,লিয়াকত হোসেন,সুলতান ইসলাম,শরিফুল ইসলাম,আকমাা হোসেন, হাবিবুর রহমান,মুকিত শেখ,নয়ন দাড়িয়া,মাহবুব আল হাসান,এমরান হোসেন,নাসিরউদ্দিন মোল্লা,রবিউল ইসলাম,শাহ আলম আকরাম আলী শেখ,মানবস কুমার সিদ্দিকী, এমারত পাটোয়ারি, নিয়ামুল ইসলাম ও রাজু আহমেদ।



এসময় আরো জানানো হয়,ক্যাম্পাসের গেটে আগতের সাথে যথাযথ ব্যবহার না করা বা   দায়িত্বে অবহেলার  কারন জানাতে হবে।


কেন তাদের শাস্তির বিধান রাখা হবে না জানিয়ে তিন কর্মদিবসের আলটিমেটাম দেয়া হয়।


উল্লেখ্য, লাইব্রেরি ভবন থেকে কম্পিউটার চুরির পরই এমন সিদ্ধান্ত নিলো বশেমুরবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ।

মৎস্যজীবি দলের নেতা মো.মোতালেব হোসেনের পিতা আর নেই-বিভিন্ন মহলে শোক প্রকাশ

মৎস্যজীবি দলের নেতা মো.মোতালেব হোসেনের পিতা আর নেই-বিভিন্ন মহলে শোক প্রকাশ




ডা.এম.এ.মান্নান,

টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:


টাংগাইল শহরের ঐতিহ্যবাহী বেপাড়ীপাড়া  নিবাসী ও টাংগাইল জেলা জাতাীয়তাবাদী মৎস্যজীবি দলের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক মো.মোতালেব হোসেন এর সম্মানিত পিতা বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী মো.বাচ্চু বেপাড়ী আজ মংগলবার  ১১ আগষ্ট ২০২০ খ্রি. বিকাল  ৬.১০ মিনিটে টাংগাইল বেপাড়ী পাড়া নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করিয়াছেন,ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানান সমস্যায় ভুগছিলেন।মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।মরহুমের জানাযা নামায করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে আজ বাদ এশা বেপাড়ী পাড়া জামে মসজিদ মাঠে  অনুষ্ঠিত হবে। মরহুম বাচ্চু বেপাড়ীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন দুয়াজানী কলেজ পাড়া জামে মসজিদ কমিটির সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক এম.এ.সালাম,সহ সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলি আকতার, সেক্রেটারি মো. শওকত আলী মাষ্টার, সহ এলাকার মুসুল্লিগণ,আহাস্মদ হোসেন হোমিও ক্লিনিক এর প্রতিষ্ঠাতা ডা.এম.এ.মান্নান। এদিকে টাংগাইল জেলা বিএনপি নেত্ববৃন্দ সহ টাংগাইল বেপাড়ী পাড়ার সর্বস্বরের জন সাধারন গভীর শোক প্রকাশ ও সমবেদনা জ্ঞাপন ও তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছেন এবং মরহুমের জন্য মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া ও মরহুমকে যেন সকল গুনাহ মাফ করে জান্নাত নসিব এবং পরিবারবর্গকে এই বিশাল মৃত্যুশোক কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা দান করেন,আমিন। মরহুমের  ভাই,বোন, দুই ছেলে,নাতি,নাতনি ও তিন মেয়ে সহ অসংখ্যক আত্বীয় স্বজন রেখে গেছেন।

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরে ৪৫১৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

 ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরে ৪৫১৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক





এইচ এম জহিরুল ইসলাম মারুফ

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি ।


ঝালকাঠির রাজাপুরে চার হাজার পাঁচশ ১৭ পিস ইয়াবাসহ কামাল হোসেন (৪২) ও সাইফুল ইসলাম আকন (৪৩) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের নৈকাঠী এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে এদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃত কামাল হোসেন চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার নিজাম উদ্দিনের ছেলে ও সাইফুল ইসলাম আকন রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের কানুদাশকাঠী এলাকার মৃত জলিল আকনের ছেলে। পুলিশ জানায়, চট্টগ্রামের কক্সবাজার ও টেকনাফ থেকে গত চারমাস ধরে ইয়াবা এনে এ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সহবরাহ করত এই মাদক ব্যবসায়ীরা। এই খবরের সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতায় পুলিশের কাছে খবর আসে, চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ইরফানের কাছ থেকে ইয়াবার একটি চালান নিয়ে রাজাপুরে আসছে মাদক ব্যবসায়ী কামাল হোসেন। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজাপুরের নৈকাঠী এলাকায় দিবাগত সোমবার মধ্যরাতে অবস্থান নেয় পুলিশ। রাত দেড়টার দিকে একটি মোটর সাইকেলে নৈকাঠী এলাকায় এসে পৌঁছায় কামাল ও সাইফুল। এ সময় তাদেরকে আটক করে দেহ তল্লাশি করে চার হাজার পাঁচশত ১৭ পিস ইয়াবা জব্দ করে পুলিশ। এ বিষয় সহকারি পুলিশ সুপার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা গত চারমাস ধরে এই ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা করছি। এ অঞ্চলের অন্য মাদক কারবারিদের বিষয়েও তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের আটক করতে কাজ করছে পুলিশ।আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বঙ্গবন্ধু মাহফুজা আমিন

   বঙ্গবন্ধু              মাহফুজা আমিন




বঙ্গবন্ধু 

যার জন্মই হয়েছে, 

এদেশ করতে স্বাধীন। 


বঙ্গবন্ধু 

যার জন্ম না হলে,

এদেশ হয়তো থাকতো পরাধীন। 


বঙ্গবন্ধু 

সদা ন্যায়ের পক্ষে, 

এক মহানায়কের নাম। 


বঙ্গবন্ধু

তোমাকে হারিয়ে আমরা,

উপলব্ধি করছি তার দাম। 


বঙ্গবন্ধু 

তোমার অনুপস্থিতিতে হচ্ছে, 

ব্যাপক দুর্নীতি। 


বঙ্গবন্ধু 

তোমায় হারিয়ে আমরা, 

হারিয়েছি সম্প্রীতি। 


বঙ্গবন্ধু 

তোমার স্বপ্নের দেশ এখন, 

ভীষণ অসুস্থ। 


বঙ্গবন্ধু 

দেশের দুর্যোগে সহায়তা দিয়ে, 

কে করবে সুস্থ?? 


বঙ্গবন্ধু 

এমন বীর প্রতি শতাব্দীতে,

 জন্ম নেয় একবার।


বঙ্গবন্ধু 

শতবর্ষ পরে তোমাকে, 

ফিরে পাবো কি আবার?? 


বঙ্গবন্ধু 

সে তো বাংলার আকাশে, 

উজ্জ্বল নক্ষত্র। 


বঙ্গবন্ধু 

তুমি পড়বে কি আমার, 

ঠিকানাবিহীন পত্র??

কৃষকদের সরকারি বরাদ্দকৃত ঘর,ব্যাক্তিস্বার্থে খাবার হোটেল হিসেবে ভাড়ায় দেওয়ার অভিযোগ

 কৃষকদের সরকারি বরাদ্দকৃত ঘর,ব্যাক্তিস্বার্থে খাবার হোটেল হিসেবে ভাড়ায় দেওয়ার অভিযোগ

   



খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ সরকার যেখানে অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার সেখানে,সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের কালুহাটিতে কৃষকদের জন্য  সরকারি বরাদ্দকৃত ঘর এখন খাবার হোটেলের জন্য ভাড়ায় দেওয়া হয়েছে। 


গতকাল সরে


জমিন গিয়ে জানা যায়,সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নে প্রান্তিক কৃষকদের কথা ভেবে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস,কৃষি পন্য সংগ্রহ ও বাজারজাত করনের লক্ষে সরকারি ১ লক্ষ বাজেটে ঘর করে দিয়েছেন। দুঃখের বিষয় এই ঘর কৃষকদের কোন কাজে আসছেনা। এলাকার কৃষকদের অভিযোগ, ঘরটির রক্ষনাবেক্ষনের দ্বায়িত্ব থাকা প্রভাবশালী মুক্তার আলী নিজের ব্যাক্তিগত কাজে ঘরটি ব্যাবহার করে আসছিল। কিছু দিন হল ব্যাক্তিস্বার্থে অন্যের নিকট ঘরটি ভাড়ায় দিয়েছেন তিনি, ঘরটি এখন খাবার হোটেল হিসিবে ব্যাবহার করছেন,একই এলাকার ঠান্ডু আলী  নামে এক যুবক। ঘরটি দ্রুত খালি করে দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।    


এ ব্যাপারে,মুক্তার আলী ও একই এলাকার নুর আলী প্রতিবেদককে জানান,এই ঘর কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করেছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস। ঠান্ডু গরিব তাই ঘরটি আমরা কিছুদিন হল খাবার হোটেল করতে দিয়েছি। তবে ভাড়ায় না।প্রয়োজনে ঘর খালি করে দেওয়া হবে।

ছুটিপুরে এখন থেকে বিশাল পশু হাট,শুক্রবার মূল্য ছাড়!

 ছুটিপুরে এখন থেকে বিশাল পশু হাট,শুক্রবার  মূল্য ছাড়!




যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলাধীন ছুটিপুর এখন থেকে সপ্তাহে দুইদিন বিশাল সাধারণ পশু হাট বসছে। প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও শুক্রবার বসছে এ-ই পশুহাট। এর মধ্যে শুক্রবার থাকছে ক্রেতা - বিক্রেতার জন্য বিশাল মূল্য ছাড়!  শুক্রবার সাধারণ ক্রেতাদের জন্য গরু প্রতি পাস খরচ মাত্র ৩০০ টাকা আর ব্যসায়ীদের জন্য পাস খরচ গরু প্রতি মাত্র ২০০ টাকা। 

ঝিকরগাছার পানিসারা ইউনিয়নের রাস্তার কাজ পরিদর্শন করলেন - এমপি নাসির উদ্দিন

ঝিকরগাছার পানিসারা ইউনিয়নের রাস্তার কাজ পরিদর্শন করলেন - এমপি নাসির উদ্দিন



স্টাফ রিপোর্টারঃ ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের রাস্তার কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি নাসির উদ্দিন। আজ( ১১ ই জুলাই) মঙ্গলবার যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলাধীন পানিসার ইউনিয়নের বেজিয়াতলার মোড় থেকে পানিসারা পর্যন্ত নির্মানাধীন সরকারি রাস্তা উন্নয়নের কাজ পরিদর্শন করলেন (চৌগাছা - ঝিকরগাছা) আসনের জাতীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল অবঃ অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ নাসির উদ্দিন।

এ সময়  তার সাথে ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, উপজেলা প্রকৌশলী শ্যামল বসু, যুবলীগ নেতা আজাহার আলী, ঝিকরগাছা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমরান রশীদ,উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন , ঝিকরগাছা পৌরসভার এমপি প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন, যুবলীগ নেতা ইব্রাহিম,ছাত্রলীগ নেতা রাজ প্রমুখ। রাস্তা টিতে সরকারি ব্যয় ধরা হয়েছে ষাট লক্ষ টাকা। 


সিরাজগঞ্জে বেকারির মালিককে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

 সিরাজগঞ্জে বেকারির  মালিককে ৭৫ হাজার  টাকা  জরিমানা


 মাসুদ রানা, সিরাজগঞ্জ  জেলা  প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ  উল্লাপাড়া উপজেলার  পৃথক অভিযানে  নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন, খাবারে কাপড়ের রং ও সাল্টু মিশ্রণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দা দিয়ে খাবার তৈরীর দায়ে তিন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৭৫ হাজার  টাকা  জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার  ১১ আগষ্ট  সকাল থেকে  দুপুর পর্যন্ত  

এই আদালত পরিচালনা করেন সহকারী  কমিশনার  ও  বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন। অভিযানে সহায়তা  করেছে  জেলা সেনেটরী ইন্সপেক্টর  দিপু চৌধুরী , র‌্যাব-১২ এর এসআই  আব্দুর ওয়াহাব ও র‌্যাবের একটি চৌকষ দল এবং জেলা আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যবৃন্দ। সিরাজগঞ্জ  উল্লাপাড়া  উপজেলার পাঁচিলা বাজারের    সড়কে অবস্থিত  বেকারীর মালিক ফজলুল হককে

ভোক্তা অধিকার  সংরক্ষণ  আইন ২০০৯ এর ৪২ ধারায়  ২০ হাজার  টাকা ও পূর্বদেলুয়া মায়ের  দোয়া বেকারি  মালিক মোঃ ফরিদুল ইসলামকে একই আইনে ৩০ হাজার  টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও উপজেলার হাটখোলা বাজার  জিন্না স্টোর  এর মালিক মেয়াদোত্তীর্ন  ময়দা বিক্রি করায়  ভোক্তা  অধিকার  সংরক্ষণ  আইন  ২০০৯ এর ৫১ ধারায়  জহিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার  টাকা  

 জরিমানা করা হয়েছে। 

জেলা প্রশাসনের  সহকারী  কমিশনার  ও বিজ্ঞ  এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান,  বেকারিতে

ক্ষতিকারক  কাপড়ের রং, আয়োডিন  বিহীন  লবণ, সাল্টু মিশিয়ে  তৈরি  করা খাদ্য  পণ্যে মানব দেহের জন্য  অত্যন্ত ক্ষতিকর।

  তিনি  আরও  জানান,আন্তর্জাতিক খাদ্য আইনে বলা আছে খাবারে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফুড কালার বা খাবারের রং ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু যেহেতু ফুড কালার অনেক ব্যয়বহুল তাই বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খুব কমদামি কাপড়ে ব্যবহৃত রং খাবারে মিশিয়ে থাকে।  যখন আপনি এমন কৃত্রিম রং মেশানো খাবার খাবেন, গলা থেকে বুক পর্যন্ত একধরনের জ্বালা হবে। এ্যাসিডিটির সমস্যা শুরু হবে। যখন এটা হজম প্রক্রিয়া শুরু হবে তখন বমি বমি লাগবে, মেজাজ খিটখিটে হবে, পেট ভারী ভারী লাগবে। এমনকী মাথা ব্যথাও হতে পারে। এসব হচ্ছে তাৎক্ষণিক সমস্যা।তবে দীর্ঘমেয়াদী যে সমস্যাগুলো দেখা দেয় তারমধ্যে অন্যতম হলো কিডনি`র সমস্যা। চামড়ায় নানা ধরনের রোগ দেখা দেয়।  কৃত্রিম রং, ডালডা ও অতিরিক্ত তেল ব্যবহারে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া (ওবেসিটি) ঝুঁকি থাকে। উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হরমোন তার ভারসাম্য হারাতে পারে।  অর্থাৎ কৃত্রিম রং কোন ভাবেই স্বাস্থ্যের সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাই খাবারে কৃত্রিম রং ব্যাবহার থেকে বিরত থাকার বিকল্প নেই। তাহলেই স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। আমরা পাব সুন্দর জীবন। জনসম্মুখে জব্দ কৃত রং  এবং মেয়াদোত্তীর্ণ  ময়দার ৩৭ কেজি বস্তা, সাল্টু পানিতে ফেলে ধ্বংস  করা হয়।জনস্বার্থে এ ধরনের  অভিযান  অব্যাহত থাকবে।

করোনায় জীবন দিলেন পুলিশের আরও এক সদস্য ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার এর শোক

করোনায় জীবন দিলেন পুলিশের আরও এক সদস্য ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার এর শোক



খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃকরোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ পুলিশের আরও এক গর্বিত সদস্য এএসআই (সশস্ত্র) মোঃ দলিল উদ্দিন বিশ্বাস (৫৮) জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি ঝিনাইদহ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত ছিলেন।


করোনা আক্রান্ত হয়ে তিনি গত ২৫ জুলাই ২০২০ খ্রি.  রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। গতকাল দিবাগত রাতে করোনার সাথে যুদ্ধে হেরে গিয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 


তার বাড়ি যশোর জেলার কোতয়ালি থানার নওদা গ্রামে।


বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবস্থাপনায় মরদেহ মরহুমের গ্রামের বাড়ি পাঠানো হয়েছে। সেখানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, এ নিয়ে বর্তমান করোনাকালে দেশ ও জনগণের কল্যাণে বাংলাদেশ পুলিশের ৬৬ জন গর্বিত সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।


করোনায় বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য এএসআই (সশস্ত্র) মোঃ দলিল উদ্দিন বিশ্বাসের মৃতুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান পিপিএম ।


তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

এছাড়া তার মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি ।

আশাশুনিতে অভিযোগ করতে আসা অসহায় মহিলাকে ত্রাণ ও নগদ অর্থ দিয়ে সাহায্য করলেন, ওসি মোঃ গোলাম কবির

আশাশুনিতে অভিযোগ করতে আসা অসহায় মহিলাকে ত্রাণ ও নগদ অর্থ দিয়ে সাহায্য করলেন, ওসি মোঃ গোলাম কবির



আহসান উল্লাহ বাবলু, উপজেলা   প্রতিনিধি:

আশাশুনিতে আত্ম মানবতার সেবায় থানায় অভিযোগ করতে আসা অসহায় ব্যক্তিকে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ দিয়ে সাহায্য করলেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ গোলাম কবির। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এ অসহায় ব্যক্তিকে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। সে উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের মোঃ আফিলউদ্দীনের মেয়ে (প্রতারণার শিকার) নাসিমা খাতুন, তিনি থানায় অভিযোগ করতে আসলে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম কবির তার অভিযোগ শুনে বুঝে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারে সে খুবই হতদরিদ্র, গরিব ও অসহায়। তাৎক্ষণিক তাকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ হাতে তুলে দেন এবং তাকে আশ্বস্ত করেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ত্রাণ সামগ্রী, নগদ অর্থ ও অফিসার ইনচার্জের আশ্বস্ত পেয়ে অসহায় নাসিমা খাতুন এর চোখে মুখে খুশি ও আনন্দ চিহ্ন দেখা গেছে। এ সময় আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমরা যারা সচ্ছল তারা যদি এসব অসহায় মানুষের পাশে যেয়ে দাঁড়াই তাহলে এ অসহায় পরিবারগুলো কিছুটা হলেও উপকৃত হবে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যেন অসহায় মানুষের পাশে থেকে সুস্থ শরীরে দীর্ঘ সময় সেবা করে যেতে পারি। তিনি সবাইকে উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, আশাশুনি থানায় জিডি ও অভিযোগ করতে কোন টাকা লাগে না। আপনারা কোন দালাল ধরবেন না সরাসরি আমার কাছে চলে আসবেন আপনাদের অভিযোগ আমি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ গোলাম কবির তিনি গত ০৭/০৬/২০২০ তারিখে আশাশুনিতে যোগদানের পর থেকে কঠোর হস্তে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জুয়া, বাল্যবিবাহ ও চুরিসহ সকল অপরাধ কর্মকান্ড দমন করে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনসহ তিনি অসহায় হতদরিদ্র মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। এবং পুলিশ যে জনগনের বন্ধু তা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বিতরনের সময় আশাশুনি থানার এস আই হাসানুজ্জামান (হাসান), এস আই ফকির জুয়েল রানা, এস আই জাহাঙ্গীর, আশাশুনিতে সদ্য যোগদানকৃত এস আই গাজী নূরনবীসহ থানার অফিসার বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে জনগনের দোড়গোরায় সেবা পৌছে দিতে বিট পুলিশিং এর উদ্বোধন

 নওগাঁর আত্রাইয়ে জনগনের দোড়গোরায় সেবা পৌছে দিতে বিট পুলিশিং এর উদ্বোধন




মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

রাজশাহী ব্যুরো


সারাদেশে পুলিশের পরিসেবা সহজ করতে এবং সেবার স্তরগুলো জনগণের দোর গোড়ায় পৌছে দিতে বাংলাদেশ সরকার এর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আইজিপি’র নির্দেশে সারাদেশে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বিট পুলিশিং কার্যালয় থেকে সহজেই সাধারণ মানুষ সেবা পাবেন। এছাড়া এলাকার মাদক,সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রবনতা কমাতে এবং আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিট পুলিশিং কার্যক্রম অন্যতম সহায়ক ভূমিকা রাখবে।


গতকাল সোমবার বিকেলে আত্রাই থানা পুলিশের আয়োজনে উপজেলার সাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে বিট পুলিশিং কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া (বিপিএম)।

 

আত্রাই থানার ওসি মো: মোসলেম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান, সাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবু শাহাগোলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম, সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন সন্দেশ, অত্র ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

হবিগঞ্জে ইতি হত্যা মামলার তদন্ত দুই বছরেও শেষ হয়নি হতাশ পরিবার

 হবিগঞ্জে ইতি হত্যা মামলার তদন্ত দুই বছরেও শেষ হয়নি হতাশ পরিবার



লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি


হবিগঞ্জ জেলায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার আলোচিত ইতি আক্তার (৬) হত্যা মামলার তদন্ত দুবছরেও শেষ হয়নি। কবে নাগাদ তদন্ত শেষ হবে সেই খবরও জানেন না কেউ। অথচ ইতির পরিবার আত্মীয়-স্বজন সহপাঠী সবাই চাইছেন দ্রুতই ইতি হত্যার রহস্য উন্মোচন হোক খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক।


এদিকে ২০১৮ সালে ইতি হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও দুবছরে মামলার তদন্তে কোন সুরাহা হয়নি। প্রথম শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ মামলার তদন্ত করলেও পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হবিগঞ্জকে মামলার তদন্তভার দেয়া হয়।


বর্তমানে মামলার তদন্তটি পিবিআই-ই করছে পিবিআই এর কর্মকর্তারা বলছেন, ইতি হত্যা মামলার তদন্ত অগ্রগতি হচ্ছে। কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। আশাকরি খুব শীঘ্রই এ হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন হবে।


তবে বিচারের এ দীর্ঘসূত্রতায় হতাশ ইতির বাবা আব্দুস শহীদ। তিনি বলেন, মেয়েকে হারিয়ে বিচারের আশায় আমি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। আমি চাই আমার মেয়ের প্রকৃত খুনিদের ফাঁসি হোক।


এ মামলার বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শিশু ইতি হত্যা মামলাটি পিবিআই হবিগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করছেন।


হবিগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুতুবুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করেছি, এখনো তদন্তের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমি আশা করছি খুব শীঘ্রই এর একটি সুরাহা হতে পারে। আমরা আশা করছি ভাল কোন খবর আপনাদেরকে দিতে পারব।


প্রসঙ্গত ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই ভোরে বাড়ির পাশের মসজিদে মক্তবে পড়তে যায় ইতি আক্তার। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ইতির বাবা এ নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরদিন ২৬ জুলাই সকালে মসজিদের পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেত থেকে ইতির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেন। ইতি আক্তার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচরের ৯নং ওয়ার্ডের চটপটি বিক্রেতা আব্দুস শহিদের মেয়ে।


এরপর ২০১৮ সালের ২৬ জুলাই ইতির বাবা আব্দুস শহীদ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ওই মামলাটি কিছুদিন তদন্ত করার পর পিবিআই হবিগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়। যা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

নাটোর নাজিরপুরে চলছে ডিঙ্গি নৌকা বাইচ

 নাটোর নাজিরপুরে  চলছে ডিঙ্গি নৌকা বাইচ



রাজশাহী ব্যুরোঃ

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এই আয়োজন দেখে মুগ্ধ সাধারণ মানুষ।

গতকাল বুধবার সোমবার বিকেলে উপজেলার জুমারনগর বিলে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুমাইনগর যুব সমাজ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ ওই নৌকা বাইচ আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্থানের ৮টি নৌকা অংশ নেয়। সন্ধ্যারপরে অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন নৌকার মাঝিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে একটি স্মাট ফোন তুলে দেন। আয়োজকরা জানান, ‘বহুকাল ধরে বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার লোকজন ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচের আয়োজন করে আসছেন। কালের বিবর্তনে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। এক সময় সারা বাংলায় জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা ছিল এই নৌকা বাইচ। সেই ঐতিহ্য যাতে চিরতরে হারিয়ে না যায়, সেজন্যই আমাদের ব্যতিক্রমী এই আয়োজন। আমাদের বিশ্বাস, এ আয়োজন মানুষের মনে আনন্দ উদ্দীপনা জাগ্রত করে তুলতে পেরেছে।’এদিকে, নৌকা বাইচ দেখতে দুপুর থেকে জড়ো হয় দূর-দুরান্তের শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের হাজার হাজার মানুষ। কেউ নৌকায় চড়ে,কেউবা খালের পাড়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন অভিনব নৌকা বাইচ। তাদের আনন্দ-উল্লাস দেখে প্রতিযোগিরা উৎসাহিত হয়েছেন এবং প্রতিযোগিতাটি পূর্ণতা পেয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের তুখোর ছাত্রনেতা শরীফ উদ্দিন। তিনি বলেন,‘জনগণকে আনন্দ দেবার জন্যই স্থানীয়রা এ নৌকা বাইচের আয়োজন করেছে। ভবিষ্যতেও এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

কেশবপুরে একই সড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত-২

 কেশবপুরে একই সড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত-২




মোরশেদ আলম,যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ কেশবপুরে একই সড়কের পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় এক নারীসহ দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে শিশুসহ দুজন।

জানা গেছে, সোমবার দুপুরে যশোর-চুকনগর সড়কের মধ্যকুল ট্রাক টার্ণিলারের পাশে চুকনগর মুখি যাত্রীবাহী একটি বাসের চাকা পাংচার হয়ে চাকার রিং খুলে পাশে চলন্ত ভ্যান যাত্রী মনজিলা খাতুনের (২৪) গায়ে লাগলে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন। এ সময় তার শিশু মেয়ে সিনথিয়া (৩) ও মধ্যকুল গ্রামের গোলাম মোস্তফা (৫২) আহত হন। এলাকাবাসী দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।


অপরদিকে সোমবার বিকেলে একইদিনে একই সড়কের বুজতলা-তেইশমাইল নামক এলাকায় সাইকেল চালিয়ে আসার সময় আলতাপোল গ্রামের মৃত ইদু সরদারের ছেলে আব্দুর রহমান (৬৮) আলম সাধুর ধাক্কায় সড়কে নিচে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে মারা গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন জানান, হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত মহিলার লাশ উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। আহত শিশুটি ডান পা ও মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।

যশোর চুকনাগর সড়ক টিতে প্রায় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে এই ব্যাপারে সড়কে চলাচল কারী ইজিবাইক, ইঞ্জিন ভ্যান,বাস চালকদের সাথে কথা বলে যানা যায় সড়ক টিতে সব ধরনের মোটরযানের প্রচুর চাপ কিন্তু সড়ক টি তেমন প্রসস্হ না হওয়াতে মাজেমধ্য এমন দুর্ঘটনা ঘটে, তাই এই সড়কে চলাচল কারী সচেতন মহলের দাবি এমন দুর্ঘটনা এড়াতে সরকার যেন রোড টিকে অতিদ্রুত চারলেন করার ব্যাবস্থা করেন

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরের এক যুবক ঢাকাস্থ সাভারে কুমিল্লার বন্ধুর হাতে খুন!

 সিরাজগঞ্জ কাজিপুরের এক যুবক ঢাকাস্থ সাভারে কুমিল্লার বন্ধুর হাতে খুন!



মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ

ঢাকাস্থ সাভারের আশুলিয়ায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার শাহিন (৩০) নামের একজনকে ৬০ হাজার টাকার লোভে খুন করেছে বন্ধু রাকিব (৩২)। ঘটনাটি ঘটে সাভারের আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া মোল্লাবাড়িতে এনামুল হকের বাসায়।

নিহত শাহিন কাজিপুর উপজেলার বেলতৈল গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে।

শাহিনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাভারের আশুলিয়ায় সুইটার কোম্পানির কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করতেন তিনি। বাড়ি থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়ে গত শুক্রবার সন্ধায় ঢাকা যান। সেখানে গিয়ে বন্ধু আজিজুলের বাসায় ওঠেন। গতকাল রাতে টাকার লোভ সামলাতে না পেরে সুতা কাটার সিজার দিয়ে বুকে ও গলায় খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে রাকিব নামের ওই ব্যক্তি।

নিহতের বাবা জানান, “গত রাত সাড়ে ১০ টার দিকে শাহিনের বন্ধু আজিজ হত্যার ঘটনাটি আমাকে মোবাইলে জানায়।”

জানা যায়, ওই বাসার অন্য সদস্যদের মধ্যে আজিজুল ওই সময় অফিসে ডিউটিতে ছিলেন। তিনি ওই দিন দুপুর থেকেই শাহিনের নাম্বারে কল করলে বারবার খুনি রাকিব রিসিভ করতেন।

নিহত শাহিনের চাচাতো ভাই শিক্ষক আব্দুস সোবহান জানান, “আমরা ঘটনা স্থলে এসে জানতে পারি শাহিন তার বন্ধু আজিজুলের বাসায় ছিল। ওই বাসাতে আরো চার জন সদস্য ছিল যার দুই জন ঈদের ছুটিতে বাড়িতেই ছিলেন। বাসাতে এসেছে শুধু রাকিব আর আজিজুল।” তিনি আরো জানান, নিহতের মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করেছে পুলিশ। তার বড় ভাই আশাদুল বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় রাকিবের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য, খুনি রাকিব (৩২) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার বাজারখোলা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

নওগাঁর আত্রাইয়ে এ্যাডঃ ওমর ফারুক সুমনের মাস্ক বিতরণ

নওগাঁর আত্রাইয়ে এ্যাডঃ ওমর ফারুক সুমনের মাস্ক বিতরণ




মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

রাজশাহী ব্যুরো


 নওগাঁর আত্রাইয়ে নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক ও নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসন উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডঃ ওমর ফারুক সুমনের নিজ অর্থায়নে বিশ্ববাসী চলমান করোনা (কোভিড-১৯) মহামারী প্রতিরোধে প্রায় ৩ হাজার মাস্ক বিতরন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ১০ই আগষ্ট   উপজেলার বান্দাই খাড়া হাটে এ মাস্ক বিতরনে উপজেলা আওয়ামীলীগের, যুবলীগের, স্বেচ্ছাসেবকলীগের, ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড.মো.এছরাইল হোসেনের নেতৃত্বে মহা-দুর্নীতি

 বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের  মহাপরিচালক ড.মো.এছরাইল হোসেনের নেতৃত্বে  মহা-দুর্নীতি



 দিনাজপুর প্রতিনিধি :বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মো. এছরাইল হোসেনের বিরুদ্ধে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন নির্মান ও সংস্কার কাজ দেখিয়ে ভূয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ“র বিরুদ্ধে কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবরে অভিযোগ।


স্থানীয় কৃষক মো: রাজেদুর রহমান রাজু এবং নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,দিনাজপুর জেলা সদরের নশিপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মো. এছরাইল হোসেন ইনস্টিটিউটের ষ্টাফদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার জন্যে প্রতিষ্ঠিত প্রতিভা কিন্ডার গার্টেন স্কুলটিতে নিজের আত্বীয়কে সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে আত্বীয়করণের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্বসাত করেছেন।


এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অভ্যন্তরে শহীদ মিনার, ফ্লাগ ষ্ট্যাান্ড, ড্রেন নির্মান,কেমিক্যাল ক্রয়,টিএলসি গম ক্রয়,কর্মকর্তা কর্মচারীদের ষ্টাফ কোয়াটার এবং আনসার ক্যাম্প সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকা আত্বসাত করেছেন বলে অভিযোগ বলা হয়েছে। মহাপরিচালক (চ:দা:) ড. মো. এছরাইল হোসেনের এর বিরুদ্ধে বিদেশী বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা কয়েকটি কোটি টাকা আত্মসাৎ । তারা অভিযোগে উল্লেখ করেন, এসমস্ত অনিয়ম দূর্নীতি এবং লুটপাটের সাথে জড়িত থেকে ভুমিকা রেখেছেন উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাা ড. আব্দুল হাকিম,হিসাব রক্ষক মো: সহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য আরো কয়েকজন যা তদন্ত করলেই বেড়িয়ে আসবে।


অভিযোগে বলা হয়েছে এছাড়াও আঞ্চলিক গম গবেষণা কেন্দ্র শ্যামপুর, রাজশাহী, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইলিয়াছ কৃষি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ে ১১/১২/২০১৮ সালে ড. মো. এছরাইল হোসেনের বিরুদ্ধে আর এফ কিউ এর মাধ্যমে মাটি ভরাটের কাজ, মাটি ক্রয়, রিপিয়ারিং, গবেষণা কর্মসূচী সহ বেশ কটি প্রকল্পে প্রতারণা আশ্রয় নিয়ে জালিয়াতি করে প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর বিরুদ্ধে তদন্ত করেন।


এব্যাপারে জানতে সাংবাদিকরা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মো. এছরাইল হোসেনের সাথে তার দফতরে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি অফিসে থেকেও কথা বলতে এবং সাক্ষাত দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন,পরবর্তীতে তার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভি করেননি।

বিপ্লবী ক্ষুদিরামের মৃত্যুদিবস আজ

বিপ্লবী ক্ষুদিরামের মৃত্যুদিবস আজ



সুমন,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি ঃভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামী এক মহানায়ক ছিলেন বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু।আজ তার ১১২ তম মহাপ্রয়ান দিবস।১৯০৮ সালের আজকের এইদিনে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।


অত্যাচারী ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যার পরিবর্তে ইংরেজ মহিলা মিসেস কেনেডি ও তার কন্যাকে হত্যার দায়ে তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।ওয়াইন রেল লাইন থেকে সংগ্রাম করে দুই ভারতীয় কনস্টেবলের হাতে ধরা পড়েছিলেন এই বিপ্লবী।



ক্ষুদিরামের অন্যতম সঙ্গী ছিল প্রফুল্ল চাকী।বিপ্লবী বারিন্দ্র কুমার ঘোষের সংস্পর্শে ক্ষুদিরাম ব্রিটিশ বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন।


ক্ষুদিরামের জন্ম ১৮৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার হাবিবপুরে।তার পিতা ত্রৈলোক্যচন্দ্র বসু এবং মাতা লক্ষ্মীপ্রিয় দেবী।অল্প বয়সে পিতামাতাকে হারিয়ে তিনি বড়বোন অপরূপার আশ্রয়ে যান।


তার আগে দুই ভাই মারা যাওয়ার খুদের বিনিয়ে মাসিরকাছে বিক্রি করা হয়।এজন্য তার নাম রাখা হয়েছিল ক্ষুদিরাম বসু।


ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে ক্ষুদিরামের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আশাশুনির বিভিন্ন নদীতে নেট জাল দিয়ে রেণু পোনা নিধন চলছে

 আশাশুনির বিভিন্ন নদীতে নেট জাল দিয়ে   রেণু পোনা নিধন চলছে



আহসান  উল্লাহ  বাবলু  উপজেলা প্রতিনিধিঃ আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন নদীতে অবৈধ নেটজাল পেতে রেণু পোনা নিধনের ঘটনা ঘটে চলেছে। ফলে এলাকার নদী থেকে রেণু পোনার সাথে বিভিন্ন মাছের রেণু নিধনের প্রেক্ষিতে নদীগুলো মাছ শূন্য হওয়ার আশঙ্কা বিরাজ করছে। উপজেলার বেতনা নদীর কয়েক কিলোমিটার তীর জুড়ে বিভিন্ন স্থানে নদীর ভাটা শুরু হলে রেণু সংগ্রহ করার দৃশ্য প্রতিদিন চোখে দেখা যায়। কিশোর-যুব-বয়স্করা এসময় উৎসবে মাতে নদীর চরে মাছ ধরার কাজে। নদীর তীর জুড়ে স্রোতের বিপরীতে ছোট ছোট এলাকা নিয়ে খুঁটি পুঁতে রাখা হয়। জোয়ারের সময় উজানে বাগদা চিংড়ীর পোনা ও রেণু উঠে আসে। জোয়ারের টানে উঠে আসা পোনা নদীর তীর ঘেষে নীচের দিকে নামার চেষ্টাকালে নদীতে পুঁতে রাখা পানির এক ফুট নিচে খুঁটির সাথে অবৈধ নেট ও পাটায় বাধাপ্রাপ্ত হয়ে রেণু পোনা আটকে যায়। আটকে যাওয়া এসব (মাছের বাচ্চা) রেণুর সাথে দেশীয় মাছের পোনা ও ছোট কাঁকড়াও উঠে আসে। নদী থেকে নেট উপরে (ডাঙ্গায়) তুলে আনার পর রেণুগুলো বাছাই করে নেয়া হয়। এসময় জালে আটকে থাকা ছোট ছোট মাছ ও কাঁকড়া মরে যায় বা ফেলে দিয়ে নিধন করা হয়। এতে করে নদীতে দেশীয় মাছ ও কাঁকড়া দিনে দিনে কমে যাচ্ছে বা উধাও হয়ে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত ভাবে নদীতে রেনু ধারার নামে সকল প্রকার মাছের নিধন কাজের কারনে এলাকার নদীতে এখন ১২ মাস আর মাছের সন্ধান মেলেনা। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এসব অবৈধ রেণু নিধন বন্ধে কয়েকবার মোবাইল কোর্টে জরিমানা ও নেট জাল বিনষ্ট করা হয়েছে। মানুষকে অপরাধ না করতে প্রচার ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য সভা করা হয়েছে। প্রয়োজনে আবারও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে ইউএনও মহোদয়সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করা হবে।