শ্বশুরের কাছ থেকে মোটরসাইকেল উপহার পাচ্ছেন নববধূ ফারহানা আফরোজ

শ্বশুরের কাছ থেকে মোটরসাইকেল উপহার পাচ্ছেন নববধূ ফারহানা আফরোজ

 



সুমন হোসেন,  যশোর জেলা প্রতিনিধি। 

তিনি জানিয়েছেন, গায়ে হলুদের ছবি ভাইরাল হওয়া এবং নানা বিরূপ মন্তব্য তার জীবনে কোন প্রভাব ফেলবে না। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে তার বোঝাপড়াটা ভালো, ফলে আগামীতেও তিনি বাইক রাইডিং অব্যাহত রাখবেন।

এর আগে ১৪ আগস্ট পাবনার কাশিনাথপুরের বাসিন্দা ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হাসনাইন রাফির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন যশোর শহরের সার্কিট হাউজ এলাকার মেয়ে ফারহানা আফরোজ। এর আগের দিন ১৩ আগস্ট ছিল ফারহানার গায়ে হলুদ। 


গায়ে হলুদের দিনে শহরজুড়ে বন্ধু-বান্ধব ও সাথীদের নিয়ে বাইক র‌্যালি (মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা) করেন কনে ফারহানা। ওই শোভাযাত্রার ছবি এ কাজে নিযুক্ত ফটোগ্রাফার তার অনুমতি নিয়েই ফেসবুকে দেন। এরপর ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের ছবি ভাইরাল হয়। 

ফারহানা আফরোজ বলেন, সবাই নেচে-গেয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান উদযাপন করেছি। আমি যেহেতু বাইক চালাতে পারি তাই বাইক চালিয়ে অনুষ্ঠান করেছি। ব্যতিক্রমী কিছু করার ভাবনা থেকেই এমন আয়োজন। এটি আমার নিজস্ব উদ্যোগে করেছি। অনেক আনন্দ করেছি বন্ধু-বান্ধব ও সাথীরা। 

যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০১১ সালে এসএসসি ও ২০১৩ সালে যশোর আব্দুর রাজ্জাক কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ফারহানা। এখন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) থেকে এইচআর-এ এমবিএ করছেন ফারহানা।

তিনি আরো বলেন, ২০০৭ সাল থেকে বাইক চালাই। মূলত বাড়িতে সাইকেল ও প্রাইভেটকার চালানো শেখা হয় ছোটবেলাতেই। বাবার মোটরসাইকেলটিও চালানোর একটা ঝোঁক ছিল। তাই বাবার অজান্তেই কোন প্রশিক্ষক ছাড়াই মোটরসাইকেল চালানো শিখি। ২০১৩ সালে ঢাকায় আসার পর বন্ধুদের বাইকে হাত পাকাই। এরপর নিজে স্কুটি কিনি। ওই স্কুটিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করি।

ফারহানা আরো বলেন, বাইক র‍্যালির ছবি ফেসবুকে আসার পর শ্বশুড়বাড়ির লোকজন তা স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন। তারা আমার বাইক চালানোর বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন। ফলে তারা ছবি ও ভিডিও দেখে বেশ আনন্দ করেছে। কিন্তু নেটিজানরা বিষয়টিকে ভালোভাবে নিতে পারছে না। তারা আমার চারিত্রিক সনদ দিচ্ছেন। এটা আমি মানতে পারছি না। যে কারণে ছবি ভাইরাল হবার পর আমি নিজেই বাইক র‌্যালির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করি।

তিনি আরো বলেন, সুযোগ পেলে আমি হেলিকপ্টার চালানোও শিখতাম। আমি সবকিছুই চালানো শিখতাম। স্বামীর পক্ষ থেকেও কোনপ্রকার আপত্তি নেই।

তবে তার সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ফারহানা তাকে সংবাদমাধ্যমে না টানার জন্য অনুরোধ করেন। তার স্বামী হাসনাইন রাফি বর্তমানে ঢাকার গাজীপুরে কর্মরত। ফারহানাও শিগগিরই ঢাকা যাবেন। এবং শ্বশুরের প্রতিশ্রুত মোটরবাইকটি ঢাকা থেকেই কিনবেন।

সিরাজগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ১লক্ষ টাকা অর্থদন্ড

 সিরাজগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ১লক্ষ টাকা অর্থদন্ড



মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃঅভিযান পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ।

অদ্য ২৫/০৮/২০২০ গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অবৈধ উপায়ে বিপণনের উদ্দেশ্যে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে সংবাদ পেয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের সরাইচন্ডী মৌজায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ভ্যাকু মেশিনের মাধ্যমে বালু কাটা এবং ট্রাকের মাধ্যমে বালু স্থানান্তর করা অবস্থায় হাতেনাতে অভিযুক্তকে ধরা হয়।

পরবর্তীতে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারার অপরাধে ১৫ ধারায় অভিযুক্ত রেজাউল করিম(৩০)কে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ)টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয় এবং প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যমানের সমপরিমাণ বালু জব্দ করা হয়। 

অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন উপজেলা ভূমি অফিসের স্টাফগণ এবং আনসার বাহিনীর সাদস্যগণ।

খাগড়াছড়িতে উদয়ন সমাজ কল্যাণ সমিতির(usks) শুভ উদ্বোধনী অনুষ্টান অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়িতে উদয়ন সমাজ কল্যাণ সমিতির(usks) শুভ উদ্বোধনী অনুষ্টান অনুষ্ঠিত




প্রকাশ কান্তি ত্রিপুরা, জেলা প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি।। 


“গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান, দেশ ও মানুষ বাঁচান” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বায়ুমন্ডলে কার্বণ হ্রাসকরন প্রকল্প (CER) উদয়ন সমাজ কল্যান সমিতি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধনী ও প্রকল্প কাজে যোগদানের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্টান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


গতকাল ২৪ শে আগস্ট সকাল ৯টায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার খাগড়াপুরস্থ মিলন পুর ত্রিপুরা কল্যান সংসদের হল রুমে উদয়ন সমাজ কল্যান সমিতির প্রকল্পের কাজের শুভ উদ্বোধনী ও কর্মশালার অনুষ্টানটি অনুষ্ঠিত হয়।


উদয়ন সমাজ কল্যান সমিতি’র জেলা ব্যবস্থাপক, চেইথেরং ত্রিপুরা (চৈতি) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলার সদর উপজেলার চেয়ারম্যান জনাব, মোঃ শানে আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, রঞ্জন ত্রিপুরা (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান) , আরোও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উদয়ন সমাজ কল্যান সমিতির, প্রকল্প পরিচালক, জনাব মোঃ তোজাক্কের চৌধুরী বুলেট, উদয়ন সমাজ কল্যান সমিতি’র বান্দরবান জেলা ব্যবস্থাপক, জনাব মোঃ বাবুল হোসেন ও উদয়ন সমাজ কল্যান সমিতির মার্কেটিং ও প্লানিং পরিচালক, জনাব মোঃ ফয়সাল আলী রাসেল।


এছাড়া, অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ৯ উপজেলার ব্যবস্থাপক ও শাখা ব্যবস্থাপকসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ২ঃ৩০ মিনিটে শেষ হয়।

কুমিল্লার হোমনা কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসির বৃত্তিতে উপজেলায় সেরা

 কুমিল্লার হোমনা কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসির বৃত্তিতে উপজেলায় সেরা




শাহ আলম জাহাঙ্গীর

ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা

কুমিল্লার হোমনা কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ২০২০ সালের  এসএসসি'র  বৃত্তিতে ধারাবাহিক সাফল্য অব্যাহত রেখে উপজেলায় সেরা হয়েছে । সোমবার রাতে  কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত উপজেলা সাধারণ ৩১টি বৃত্তির মধ্যে ১৫টি বৃত্তি পেয়ে  উপজেলায় শীর্ষ স্থান লাভ করেছে অত্র বিদ্যালয়টি । এর মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ০৮টি, মানবিক বিভাগে ০৫ টি ও বিজ্ঞান বিভাগে ০২ টি বৃত্তি লাভ করে ।  


ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক  সৈয়দা ফাহমিদা পারভীন বলেন, এসএসসিতে ১৫ টি বৃত্তি  পেয়ে উপজেলায় সেরা হওয়ায়  আমি খুবই আনন্দিত । ভবিষ্যতে আরও ভাল ফলাফল অর্জন করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে ।  


ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও  পৌর আ’লীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাবুল বলেন, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ছাত্রীদের প্রতি খুবই আন্তরিক ও যত্নবান ছিল ,যার ফলে সাফল্য  অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এ জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষক মন্ডলীকে আন্তরিক ধন্যবাদ  ।


উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী রুহুল আমিন বলেন, বিদ্যালয়টি এসএসসি'র বৃত্তিতে উপজেলায় শীর্ষ স্থান লাভ করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন । আশা করি ভবিষ্যতে আরো ভালো ফলাফল করে স্কুলের সুনাম বয়ে আনবে ।

নাটোর নলডাঙ্গায় পানিতে ডুবে মদিনার মৃত্যু!

 নাটোর নলডাঙ্গায় পানিতে ডুবে মদিনার মৃত্যু!



রাজশাহী ব্যুরোঃ নাটোরের নলডাঙ্গায় পানিতে ডুবার  দুই দিন পর মদিনা খাতুন নামের এক শিশু কন্যা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে দিকে উপজেলার খাজুরা ইউনিয়ন গৌড়িপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত মদিনা খাতুন (৭) ওই গ্রামের মকসেদ আলীর মেয়ে। খাজুরা ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান ও সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান,গত রবিবার দুপুরে উপজেলার খাজুরা ইউনিয়নের গৌড়িপুর গ্রামের মকসেদ আলীর যমজ দুই কন্যা শিশু মক্কা ও মদিনা বাড়ির পাশেই বন্যার পানিতে গোসল করতে নামে। পরে মক্কা গোসল করে বাড়িতে ফিরে গেলেও আরেক মেয়ে মদিনা খাতুন বাড়ি ফিরে না আসলে তাকে খোজাঁখোজি শুরু করে পরিবারের স্বজনরা। অনেক খোঁজ করে না পেয়ে সোমবার পাশের জেলা নওগাঁর আত্রাই উপজেলা থেকে একদল ডুবুরি এনে অনেক খোঁজাখোজি করেও পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার দুপুরে দিকে নিখোঁজ মদিনার মরদেহ পানিতে ভেসে উঠে। নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, শিশুটি গোসল করতে গিয়ে বন্যার পানিতে ডুবে নিখোঁজ ছিল। মঙ্গলবার শিশুটির মরদেহ পানিতে ভেসে উঠে। পরে স্থানীয় লোকজন লাস উদ্ধার করে।

আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আহসান উল্লাহ বাবলু করোনা পজিটিভ

 আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আহসান উল্লাহ বাবলু করোনা পজিটিভ


আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা  প্রতিনিধিঃ      আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার সাংবাদিক আহসানুল্লাহ বাবলু করোণা আক্রান্ত হয়ে নিজে বাসায় চিকিৎসাধীন আছেন। প্রায় দুই সপ্তাহ থেকে তার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে গত শনিবার আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মাধ্যমে তার নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হলে আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জানান সে করোণা পজিটিভ। মঙ্গলবার সকালে আসলে রিপোর্টার্স ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক জরুরি মিটিংয়ের সাংবাদিক আহসান উল্লাহ বাবলুর সুস্থতা কামনায় বিবৃতি দিয়েছেন আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সহ-সভাপতি রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল, সহ-সভাপতি তৌফিকে কাইফু, সহ-সভাপতি এম এম সাহেব আলি, সহ-সভাপতি আইয়ুব হোসেন রানা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী ফরহাদ, অর্থ সম্পাদক আনিসুর রহমান বাবলা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিএম আলাউদ্দিন  ক্রীড়া সম্পাদক আলমিন ছোট, সদস্য গাউছুল আজম প্রমুখ।

সুন্দরবন থেকে ৪২ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করেছে বনবিভাগ

সুন্দরবন থেকে ৪২ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করেছে বনবিভাগ



মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের মরাপশুর খাল থেকে ৪২ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করেছে বনবিভাগ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে বনের মরাপশুর এলাকায় অভিযান চালায় বনপ্রহরীরা। এ সময় মাংস ছাড়াও তিনটি হরিণের মাথা, ১২টি পা, সাড়ে সাতশ ফুট ফাঁদ, কয়েকটি ধারালো অস্ত্র ও একটি নৌকা জব্দ করে অভিযানকারীরা। 



পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, অভিযানকারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা শিকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কেউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের চেহারা দেখে সনাক্ত করা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বন আইনের ২৬ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামীরা হলেন,  কবির হাওলাদার (৪৫), মোতালেব খাঁন (৫০), কামরুল (৪৫), রাসেল শেখ (২৮) ও আতাহার খান (৪৫)। এদের সকলের বাড়ী মোংলার চিলা এলাকায় বলেও জানান তিনি।

ইউ এন ও'র নেত্রীতে বালি উত্তলন দৌলতপুরে সংবাদ সম্মেলন এলাকাবাসী

 ইউ এন ও'র নেত্রীতে বালি উত্তলন দৌলতপুরে  সংবাদ সম্মেলন এলাকাবাসী

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।।কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে আবেদর ঘাট নামক স্থানে, মঙ্গলবার দুপুর ১২  টার সময়  নদী রক্ষা বাঁধ ও বসতবাড়ি রক্ষার স্বার্থে বালি কাটা বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতা, শামছুল আলম, নাসির উদ্দিন, হাচিনুর রহমান,মাহাবুবুর রহমান,খাইরুল ইসলাম শিবুল, ইকবাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন, হাকিমুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাইদার আলী

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, এক  শ্রেনীর প্রভাব শালী মহল নদীতে বালী উত্তলন করছে।

 তাদের বাঁধা দিতে গেলে ভয় ভিতি দেখায়, বিষয়টি উপজেলা প্রশানের নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারকে বার বার জানানো হলেও তিনি কোন ধরনের কোন পদক্ষেপ নেন নাই। তিনি বড় অংকের টাকার বিনিময়ে বালি উত্তলনে সহযোগীতা করছে বলে যানা গেছে।

 সভাপতির তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এই বালি কাটার সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরাসরি জড়িত আছে তার নেত্রীতে বালি উত্তলন হচ্ছে।  তা না হলে  আমরা বার বার বলার পরে কোন ব্যবস্থা নেন নাই কেন। 

 তার পরে একটি বিষয় আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার কে মুঠোফোনে জানায় আপনি এখন আসেন দেখেন বালি উত্তলন হচ্ছে। 

বলার দুই মিনিটের মধ্যে আমাকে বালি উত্তলন কারিরা ফোন দিয়ে বলছে হায়দার চাচা ইউ এন ও কে বলে কি করবেন। এতে কি স্পষ্ট হয়না তিনি জড়িতো।

আমরা এই  ইউ এন ও'র আপসারন দাবি করছি। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার  এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছে তা মিথ্যা।

আমার সাথে কোন যোগসাজশ নেই কোন বালি 

ব্যবসায়ীর সাথে। আমাদের ভ্রাম্যমাণ অভিযান নিয়োমিত চলছে।

আশাশুনিতে ইউনও'রআশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন

আশাশুনিতে ইউনও'রআশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন


আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধিঃ   আশাশুনিতে আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মীর আলিফ রেজা। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের ভোলানাথপুর আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি গৃহহীন থাকবে না কেউ আর। আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশের কেউ গৃহহীন না থাকার লক্ষ্যে আনুলিয়া ইউনিয়নের উপকার ভোগীর তালিকা অনুযায়ী তাদেরকে এখানে পুনর্বাসন করা হবে। জানাগেছে আনুলিয়া আশ্রায়ন প্রকল্পের নতুন করে ১২টি ব্র্যাকের ৬০টি পরিবার থাকতে পারবে এবং আগামী সপ্তাহে সেটা হস্তান্তর করা হবে। এ সময় পিআইও সোহাগ খান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, ইঞ্জিনিয়ার মাহমুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফলোআপঃ হবিগঞ্জে শিক্ষককে হত্যার হুমকি, শিশু ধর্ষিত ও নিজের সন্তানকে নষ্ট করার অভিযোগ!

ফলোআপঃ হবিগঞ্জে  শিক্ষককে হত্যার হুমকি, শিশু ধর্ষিত ও নিজের সন্তানকে নষ্ট করার অভিযোগ!




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় আলোকিত ৩টি ঘটনা, দুইদিনে একই পরিবারের ২শিশু ধর্ষিত, এবং শিক্ষক দম্পতিকে হত্যার হুমকি ও প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের পেটের সন্তানকে নষ্ট করার অভিযোগ। মাধবপুর উপজেলায় দুইদিনে একই পরিবারের দুই শিশু ধর্ষণের ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর অবস্থায় দুই শিশুকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মাধবপুর উপজেলার ১১নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন তালুকদার বিনু মিয়ার এখানে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া থাকে আব্দুল আজিজ। তার পাশের ভাড়াটিয়া ধর্ষণকারী গিয়াসউদ্দীন তালুকদার ক্যামিকেল কোম্পানীতে চাকুরী করে।


ঐদিন সকাল ১১টায় আব্দুল আজিজের ৩ বছররের ছেলে উজ্জল মিয়াকে ঘরে একা পেয়ে তার রুমে নিয়ে বায়ুপথে বলৎকার করে। পরে শিশুটি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এর দুইদিন আগে ২২ আগস্ট গিয়াসউদ্দীন (৪৫) আব্দুল আজিজের মেয়ে জান্নাত (৪) কে রাতে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে।


ধর্ষিতার বাবা আব্দুল আজিজ জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে আমার মেয়ে জান্নাত (৪) ও ছেলে উজ্জল (৩) কে ঘুমে রেখে ক্ষনিকের জন্য আমরা বাহিরে গেলে গিয়াস উদ্দীন ঐ সময় সুযোগ বুঝে আমার মেয়েকে ধর্ষন করে। আর আজ আমার ছেলে তিন বছরের ছেলে উজ্জলকে বলৎকার করে। যোগাযোগ করা হলে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে শুনেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ দায়ের করলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এদিকে ঘটনার পর থেকেই গিয়াস উদ্দীন পলাতক রয়েছে।


মাধবপুরে এক শিক্ষক দম্পতিকে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে একটি মহল এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার দক্ষিন খড়কী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মাহবুবা শিরিন কে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে খড়কী গ্রামের একটি প্রভাবশালী মহল এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নজরুল ইসলাম। অভিযোগে উলেখ করা হয়, গত ৮ জুন ২০ ২০ ইং নজরুল ইসলামের শ্যালক সাইফুর রহমান মুর্শেদ কে ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে খুন করে তার স্ত্রী হাসিনা বেগম।


এ ঘটনায় শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তীব্র প্রতিবাদ করলে আত্মীয়তার সূত্র ধরে হাসিনা বেগমের আত্মীয়রা তাদের প্রাননাশের হুমকি ও স্কুলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে স্কুল পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য আলী আকবর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর আরেকটি অভিযোগে শিক্ষক দম্পতি নজরুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষিকা মাহবুবা শিরিনের বিপক্ষে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন।


স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হাই জানান, নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী খুবই ভালো মানুষ। সুষ্ঠুভাবে তারা পরিচালনা কমিটির সাথে পরামর্শ করে স্কুল পরিচালনা করে যাচ্ছেন। খুনের মামলা থেকে বাঁচতে একটি মহল তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও হুমকি প্রদান করছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান জানান, উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি অভিযোগের সত্যতা যাচাই পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।


মাধবপুরে প্রতিপক্ষ কে ঘায়েল করতে নিজের পেটে সন্তানকে নষ্ট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের কবিলপুর গ্রামের দুলাল মিয়া মাধবপুর থানায় এমন অভিযোগ করেন। অভিযোগে উলেখ করা হয় এ মাসের ২১ তারিখ শ্যামলী পাড়ায় এক সালিশ বৈঠকে এমন ঘটনা ঘটে।


ওইদিন সকালে অযথা উত্তেজিত হয়ে মাধবপুর গরুর বাজারের বাসিন্দা জব্বর মিয়া মেয়ে শারমিন বেগম নিজের পেটে কিল ঘুষি মেরে গর্ভে থাকা সন্তানকে নষ্ট করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পাশাপাশি বাদী পক্ষকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, উভয়ের পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

কুষ্টিয়া কুমারখালীতে পুকুরের পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

 কুষ্টিয়া কুমারখালীতে পুকুরের পানিতে ডুবে   যুবকের মৃত্যু


খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান । 

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাটিকামার গ্রামের রাস্তা সংলগ্ন পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত যুবক খোকসা উপজেলার আমলাবাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমান গুরুর ছেলে আওয়াল (২৩)। মদ্যপ অবস্থায় পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। 


প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী বাটিকামারা গ্রামের  ফারুখের ছেলে নাঈম, মৃত নুরুদ্দিন শেখের ছেলে ফারুখ, আলম শেখের ছেলে ইমন শেখ এবং মুজিবুল শেখের ছেলে রাব্বি শেখ জানান সোমবার রাত ১০ টার দিকে ভাঙা মসজিদ সংলগ্ন রাস্তার উপর একজন যুবককে পরে থাকতে দেখে তারা মৃগীরোগী মনে করে নাকের কাছে জুতা ধরে এসময় যুবকটি উঠে তাদের দিকে তার পকেটে থাকা মোবাইল ছুঁড়ে মারে এবং পার্শ্ববর্তী মোঃ জিন্নাহ শেখের পুকুরের মধ্যে নেমে যায়। এসময় তারা যুবকটিকে পানি থেকে উঠানোর চেষ্টা করে কিন্তু কোনভাবেই সে পানি থেকে না উঠলে তারা পানিতে নেমে তাকে উঠিয়ে ভ্যানযোগে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাবার পথে যুবকটির দেহ অসাড় হয়ে যায় এবং হাসপাতালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত জানায়।


অপরদিকে কুমারখালী থানা পুলিশ যুবকটির পরিচয় উদ্ধার করে তার অভিবাবকদের খবর দিলে তারা আসতে অপারগতা প্রকাশ করে এবং জানায় ছেলেটি মাদকাসক্ত কিছুদিন পূর্বে জেল থেকে বেরিয়ে নানা কুসংসর্গে মিশে পরিবারের উপর নানাভাবে অত্যাচার করে। পরে নানাভাবে বুঝিয়ে তাদেরকে নিয়ে আসা হয়।


এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, ছেলেটির পরিবারের কথামতো জানা যায় সে মাদকাসক্ত এবং অতিরিক্ত নেশা করে পানিতে ডুবে হয়তো মারা গেছে। তবে পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট আসার আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

মহিপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধের নির্মান কাজে অনিয়ম, পাচটি গ্রাম হুমকির মুখে

 মহিপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধের নির্মান কাজে অনিয়ম, পাচটি গ্রাম হুমকির মুখে




নাঈমুর রহমান কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

তারিখঃ ২৫/০৮/২০২০ ইং

পটুয়াখালীর মহিপুরে নির্মান  কাজ শেষ হওয়ার এক বছর না যেতেই ভাংগতে শুরু করেছে  মহিপুরের  নিজামপুর সুধীরপুর,কমরপুর  বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ। ফলে এক যুগের পানিবন্ধী দশা থেকে এলাকাবাসী মুক্তি পেলেও নতুন করে দেখা দিয়েছে পুরনো সে শংকা। আর এজন্য পানি উন্নয়ন বোডের অপরিকল্পিত প্রকল্প প্রনয়নসহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিন্মমানের কাজকে দায়ী করেছেন এলাকাবাসী।২০০৭ সালে ঘুনিঝড় সিডরের আঘাতে ভেংগে যায়  বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ। এরপর কয়েক দফা পুনঃনিরমান কাজ করা হলেও তা টেকসই না হওয়ায় ফি বছরই ভেংগে যায়। এতে বছরের প্রায় ছয় মাস দুদফা জোয়ারের পানিতে বন্ধী হয়ে পড়ে সাগর মোহনার কমরপুর, সুধীরপুর, নিজামপুর, পুরানমহিপুর,নজিবপুর পাচটি গ্রামের প্রায় দশ হাজার মানুষের নদীতে বিলীন হয়ে যায়  ফসলি জমি, বসত ভিটা। আনাবাদী থাকে শতশত একর ফসলি জমি। এলাকাবাসীর দুরভোগ লাঘবে পামি উন্নয়ন বোর্ড ৪৭/১ পোল্ডারে ২ কোটি৮৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৮৮৫ মিটার বাধের র্নিমান কাজ জুন ২০২০ সালে  সম্পন্ন করে। যেখানে ৫ প্যাকেজে ৪টি ঠিকাদার প্রতিঠান কাজ শুরু করে তখন স্থানীয়দের কাজের ক্ষেত্রে অনিয়ম চোখে পড়ায় তারা কাজের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবাদ করে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে জানায়। তখন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ বলেন বাধ নির্মানে জিও ব্যগের ভিতরে থাকা বালু ও সিমেন্ট একমাসের ভিতরে  জমাট বেধে যাবে। কিন্তু ৩০ জুন ২০২০ এ কাজ শেষ হলেও এখনো পর্যন্ত তা জমাট বাধেনি কারন ব্যাগের ভিতরে বালুর থেকে সিমেন্টের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।মানহীন কাজের কারনে বছর না যেতেই বিলিন হতে যাচ্ছে সরকারের কোটি টাকা ব্যায়ে বেরিবাধের  নিজামপুর ও সুধীরপুরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ  আংশ।স্থানীয় হানিফ চৌকিদার জানান কাজের সময় আমরা অনিয়মের প্রতিবাদ জানাই কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাতে কর্নপাত করেনি।নুরজামাল হাওলাদার জানান কাজ শেষ হইছে ৩ মাস হয়েগেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত ব্যাগের ভিতরে বালু জমাট বাধেনি যার খেসারত আমাদের গ্রামবাসীদের দিতে হচ্ছে। ভুক্তভোগি সালাউদ্দীন রাড়ী জানান প্রতি বছরে সরকারি ভাবে বেরিবাধ নির্মাণ করার জন্য মোটা অংকের বরাদ্দ আসে নামমাত্র কাজ করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ও পাউবো তা ভাগাভাগি করে খায়। এ কাজের তদারকি কর্মকর্তা  পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মুসফিকুর রহমান  শুভ বলেন আমাদের জানামতে কাজের ক্ষেত্রে কোন অনিয়ম হয়নি। তবে আম্ফান বন্যার কারনে কাজ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হইছে যা আমরা পূনরায় নির্মান করে দিয়েছি। ইউপি চেয়ারম্যান আ: ছালাম আকন বলেন, একেতো অনিয়ম তাপর আবার বর্ষা মৌসুমে পানির মধ্যে কাজ করে,তাসব পানিতেই ভেসে যায়। সুখনার সময় এ কাজ করা উচিত। আমি মন্ত্রী, এম পি, পাউবো'র দারে দারে পাচ বছর যাবৎ ঘুরে হতাস, তাই আমি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আশুদৃষ্টি কামনা করি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে খাটের নিচ থেকে দুই ভাই-বোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে খাটের নিচ থেকে দুই ভাই-বোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার



এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধিঃসৌদীআরব ফেরত প্রবাসীর সন্তান শিফা আক্তার ও কামরুল হাসান। দু’জনেই যথাক্রমে অষ্টম এবং পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। নিজেদের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে উদ্ধার হলো দুই ভাই-বোনের রক্তাক্ত মরদেহ। এদিকে ঘটনার পর তাদের মামা অদৃশ্য কারণে হন বেপাত্তা।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার এই ঘটনায় গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক ভীতি ও চাঞ্চল্য।


সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রাম থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।


নিহতরা হলো, শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল হাসান (১০)। তারা ওই গ্রামের সৌদি ফেরত কামাল মিয়ার সন্তান। 


শিপা আক্তার বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ও কামরুল হাসান সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছিলো।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সোমবার বিকাল থেকে ছেলে কামরুল হাসানের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ছেলেকে না পেয়ে মা হাসিনা আক্তার মেয়ে শিপাকে রান্নাঘরে রেখে ছেলের সন্ধানে যান। পরে ছেলের সন্ধান না পেয়ে বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন মেয়েও নিখোঁজ। পরে ঘরের মধ্যে তাদের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে তিনি জ্ঞান হারান।


খবর পেয়ে বান্ছারামপুর থানা পুলিশ এসে রাত ১০টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে নিহতদের মামা বাদল পলাতক রয়েছেন।


পুলিশ বলছে'প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে- এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।'

সিরাজগঞ্জে ছোনগাছা পাঁচঠাকুরী বন্যায় মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

সিরাজগঞ্জে ছোনগাছা পাঁচঠাকুরী বন্যায়  মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে -ছোনগাছা ইউনিয়নের পাঁচঠাকুরীতে যমুনানদীর ভাঙ্গনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ  ১৬০জন পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী  বিতরণ করা হয়েছে।

-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনার উপহার ত্রাণ হিসেবে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এ ফুড প্যাকেজ বিতরণ করা হয় ।

মঙ্গলবার(২৫আগষ্ট)সকালে পাঁচঠাকুরী বাজারে

উক্ত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ সদর-কামারখন্দ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না। তিনি বলেন, যমুনানদী প্রতিবছরে বন্যায় নদীভাংগনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। স্থানীয়দের নদী ভাংগনের কবল থেকে রক্ষা পেতে হলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিকল্প নেই। এবং খুবশীঘ্রি একটি স্থায়ী বাঁধ প্রকল্পের কার্যক্রম চালু করা হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান এস,এম নাছিম রেজা নূর দিপু , জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার ফারুক, পৌরপ্যানেল মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক হেলাল উদ্দীন, পৌরকাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আলামিন তালুকদার, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি রাজু আহমেদ প্রমুখ।

সভাপতিত্ব করেন, ছোনগাছা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস,এস শফিকুল ইসলাম শফি।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর থানা আঃলীগের সদস্য আব্দুস ছালাম মাষ্টার, স্থানীয় ছাত্রলীগনেতা লিটন মির্জা, সাইদুল ইসলাম সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

আশাশুনির ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

আশাশুনির ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান




আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধিঃ   আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ও আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও প্রতাপ নগর ইউনিয়নের বানভাসি ১৫০০ মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে জি আর এর চাউল বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মোস্তাকিম। মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি  ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ কালে বানভাসি মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, লঘুচাপ,অতিবর্ষণ ও প্রবল জোয়ারের কারণে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মূল বাদ ও রিং বাঁধ ভেঙে প্রতাপনগর,শ্রীউলা ইউনিয়নের সকল গ্রাম ও আশাশুনি সদর ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। বানভাসি মানুষ আজ তাদের শেষ আশ্রয়স্থল ঘর ছাড়া হয়ে রাস্তার উপরে বিভিন্ন জায়গায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। মানুষের সবচেয়ে কষ্ট হচ্ছে তাদের স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ায়।এলাকার মানুষ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে আমি এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার সাথে কথা বলে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছি। তিনি আরও বলেন, বানভাসি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও মানচিত্র থেকে ইউনিয়নকে রক্ষা করতে হলে রিং বাঁধ দিয়ে পানি আটকানো এবং পরবর্তীতে টেকসই বেড়ি বাঁধের বিকল্প নাই। আমি উচ্চ পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কথা বলেছি যাতে অতি দ্রুত রিংবাঁধ ও পরবর্তীতে টেকসই বাঁধ  দিয়ে বানভাসি মানুষ ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকাকে রক্ষা করা যায়। তিনি উপকূলবর্তী জনগণ ও জনপদকে রক্ষার লক্ষ্যে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ জাকির হোসেন, উপজেলা আ'লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, ইউপি সদস্য কোহিনুর ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, প্রতাপ নগর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আঃবারেক গাজী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ

ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার।

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঝিনাইদহে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এ সার ও বীজ বিতরণ করা হয়। এর আগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা শুভ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যাণ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশিদুর রহমান রাসেল, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জুনাইদ হাবিব, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম। পরে সদর উপজেলার ৩’শ ২৫ জন কৃষককে উন্নত মানের ৫ কেজি ডালবীজ ও বিভিন্ন প্রকার ১৫ কেজি রাসায়নিক সার প্রদাণ করা হয়।

জনসচেতনতার অভাবে যশোরে করোনার লাগামহীন প্রভাব

জনসচেতনতার অভাবে যশোরে করোনার লাগামহীন প্রভাব





মোরশেদ আলম

যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:

প্রতিদিনই বাড়ছে যশোরে করোনা রোগীর সংখ্যা, যেন এমন মনে হচ্ছে এটা করোনার লাগামহীন দৌড়।বিগত কয়েকদিনের যবিপ্রবির ল্যাবের করোনা তথ্য থেকে দেখা যায় এখনও খুব একটা নিয়ন্ত্রণে নাই যশোরে করোনার প্রভাব।যশোরে করোনার এমন প্রভাব এর জন্য সচেতন মহল মনে করেন জনসচেতনতা না থাকার কারনে যশোরে করোনা খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আসছে না।বিগত কয়েকদিনের যবিপ্রবির ল্যাবের তথ্য দেখলে বুঝা যাবে এটা কতটা ভয়ং রূপ ধারণ করেছে, তাই সবগুলো না হলেও কিছু তথ্য তুলে দেয়া হলো

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে ২৫ আগস্ট ২০২০ খ্রি. তারিখ ঘোষিত করোনার টেস্টের ফলাফলে

যশোরের ১২৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮ জনের পজিটিভ ফলাফল পাওয়া যায় ,

২৪ আগস্ট (সোমবার)২০২০ খ্রি. তারিখ ঘোষিত করোনার টেস্টের ফলাফলে যশোরের ১৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৩ জনের করোনা পজেটিভ।

২৩ আগস্ট ২০২০ খ্রি. তারিখ ঘোষিত করোনার টেস্টের ফলাফলে যশোরের ২১৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৫ জনের করোনা পজেটিভ।

২২ আগস্ট(শনিবার) সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে যশোর জেলার ১৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

২১ আগস্ট(শুক্রবার) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে যশোর জেলার ১০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

সব মিলিয়ে দেখা যায় যশোরে নতুন এবং পুরানো মিলিয়ে  তিনহাজারের আশেপাশে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।যেটা যশোর বাসীর জন্য দুশ্চিন্তার একটি বিষয়।কেউ যানে না করোনার এই ভয়াল থাবা কবে শেষ হবে এজন্য সচেতন মহলের দাবি যতদিন এই দুর্দিন  না কাটে ততদিন ডাক্তারের পরামর্শ মেনে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, মাস্ক ব্যবহার করা প্রভৃতি নিয়ম মেনে চলতে হবে,কারন এই মহাবিপদ থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে সৃষ্টিকর্তা এবং নিজেদের সচেতনতা। 

সৌদি নাগরিক এবং তাদের প্রবাসী কর্মীরা স্থলপথে সৌদি আরবে ফিরে আসতে পারবেন!

 সৌদি নাগরিক এবং তাদের প্রবাসী কর্মীরা স্থলপথে সৌদি আরবে ফিরে আসতে পারবেন!




মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

সৌদি আরবের জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ পাসপোর্ট (জাওয়াজাত) এক ঘোষণায় জানিয়েছে, যেসকল সৌদি নাগরিক বর্তমানে সৌদি আরবের প্রতিবেশী দেশগুলোতে অবস্থান করছেন, আটকে আছেন, তারা নিজেদের পরিবারের সদস্য ও প্রবাসী গৃহকর্মীদের নিয়ে স্থলপথে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন!


জাওয়াজাতের এই ঘোষণামতে, পুরুষ ও নারী সৌদি নাগরিক, তাদের নন-সৌদি পরিবারের সদস্য যেমন স্বামী, স্ত্রী, সন্তান এবং তাদের  গৃহকর্মীরা – যাদের সৌদি আরবে বসবাস করার অনুমতিপত্র রয়েছে এবং যারা ভ্রমণের সময় সঙ্গে ছিলেন, তারা স্থলপথে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন


জাওয়াজাত জানিয়েছে যে, নন-সৌদি সদস্যদের সাথে থাকা সৌদি নাগরিক যদি তাদেরকে নিয়ে দেশে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক হন, তবে তাকে আগেই এবশের পোর্টাল এর মাধ্যমে পরিবারের বা সাথে থাকা নন-সৌদি সদস্যদের জন্য আবেদন করে অনুমতি নিতে হবে এবং তার সাথে উল্লেখ্য ব্যক্তির সম্পর্ক উল্লেখ করে কাগজপত্র সাবমিট করতে হবে। এছাড়াও এবশের পোর্টালে নাগরিক এবং তার সাথে থাকা নন-সৌদি পরিবার সদস্য ও গৃহকর্মী – তারা অনুমতির জন্য আবেদনের পাশাপাশি কোন বন্দর দিয়ে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক সেটাও উল্লেখ করে দিতে হবে।


জাওয়াজাত জানিয়েছে, প্রথম ধাপে আল-খাফজি, আলরাকাই, আল-বাথা, এবং কিং ফাহাদ ব্রিজ স্থলবন্দরগুলো দিয়ে সৌদি আরবের চারপাশের দেশগুলো অর্থাৎ কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, ইত্যাদি দেশগুলো থেকে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন। পরবর্তী ধাপে জাতীয় তথ্যকেন্দ্রে এর তথ্যের ভিত্তিতে বাকি স্থলবন্দর দিয়েও প্রবেশের সুযোগ দেবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।


এখানে উল্লেখ্য যে, সকল নন-সৌদি নিবাসীকে অনুমতি পাবার পরে সৌদি নাগরিকদের সাথে প্রবেশের সময় সাথে করে “করোণাভাইরাসে আক্রান্ত নন/করোণাভাইরাসের উপসর্গ নেই” মর্মে পিসিআর এক্সামিনেশন সার্টিফিকেট বহন করতে হবে, যা প্রবেশের সময়ের পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে করা হতে হবে। এছাড়াও সৌদি নাগরিকদের স্থলবন্দরের মাধ্যমে প্রবেশের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াতেই সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা মেনে চলতে হবে

সৌদিতে কমেছে করোনার দাপট , সরকারি কর্মীদের কাজে ফেরার নির্দেশ

সৌদিতে কমেছে করোনার দাপট , সরকারি কর্মীদের কাজে ফেরার নির্দেশ




মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃসৌদি আরবে কমেছে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ। সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী , গত ২৩ আগস্ট দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১০৯ জন। এটি ছিল গত চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন আক্রান্তের সংখ্যা।


অন্যদিকে একই দিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৭০২ জন এবং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন ৩০ জন। দেশটিতে প্রতিদিনই কমছে করোনার প্রকোপ এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে সুস্থতার হার


যার কারণে সরকারি দপ্তরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩০ শে আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষ কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।


এর এর আগে করোনার প্রাদুর্ভাব এর কারণে উপস্থিতি স্থগিত ছিল ওই সকল কর্ম ক্ষেত্রে। অন্যদিকে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছে , যতদিন না করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আসছে ততদিন পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দূর শিক্ষণ ও ভার্চুয়াল শিক্ষাপদ্ধতি অব্যাহত থাকবে।


যদিও অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে তবে এখনো আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে অব্যাহত রয়েছে বিশেষ ফ্লাইট চলাচল।


রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস ও জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেটের তথ্য অনুযায়ী , গত ১৯ আগস্ট পর্যন্ত করণায় প্রাণ হারিয়েছে ৭৮৮ বাংলাদেশী

জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সততার সাথে কাজ করে জীবনকে সমৃদ্ধ করতে হবে -দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান

জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সততার সাথে   কাজ করে জীবনকে সমৃদ্ধ করতে হবে                         -দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান



মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড দিনাজপুর-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেছেন, নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্বকে ধারণ করতে হবে। যে যার জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, কর্মের মধ্যে অমরত্ব লাভ করা যায়। এজন্য সৃজনশীলতাকে বড় আকারে ধারণ করতে হবে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সততার সাথে কাজ করে জীবনকে সমৃদ্ধ করতে হবে। প্রত্যেকের জীবনে নৈতিকতা ও সততার চর্চা থাকতে হবে। মাইন্ড সেট আপ পরিবর্তন করে জীবনকে কর্মস্পৃহার মধ্যে রেখে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সুনাম বৃদ্ধি ও শিক্ষা বোর্ডকে মডেল শিক্ষা বোর্ডে রূপান্তরিত করতে হবে।  

২৫ আগষ্ট মঙ্গলবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আলহাজ্ব মো. মাসুদ আলম আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হওয়ায় ও শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রাব্বানী আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ায় দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রশাসনের উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড দিনাজপুর-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবু বকর সিদ্দিক এ কথা বলেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বর্তমান করোনা সংকটকালেও দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ দক্ষতা ও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করে চলেছে। এ শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ধৈর্য্য ও বিচক্ষনতার সঙ্গে স্বাস্থ্য বিধি মেনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জনগণের সেবা অব্যাহত রেখেছেন। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখতে হবে। 

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. আমিনুল হক সরকার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ফেডারেশনের নব নির্বাচিত যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব মো. মাসুদ আলম এবং দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ফেডারেশনের নব নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গোলাম রাব্বানী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের মো. নাসিম উজ্জামান, মো. হারুন-অর-রশিদ, মো. মেজবাহুল ইসলাম বকুল, মো. শাজাহান, মো. আজিজার রহমান রাজু, তানজিমুল ইসলাম জুয়েল, মো. সারওয়ার শাওন, আলিফ নুরা, জামিনা খাতুন জুঁই প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানের শুরুতেই দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আলহাজ্ব মো. মাসুদ আলম আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হওয়ায় ও শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রাব্বানী আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ায় দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রশাসনের উদ্যোগে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবু বকর সিদ্দিক ও সচিব প্রফেসর মো. আমিনুল হক সরকার। 

স্বামী পরিত্যক্তা এক তরুণীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

স্বামী পরিত্যক্তা এক তরুণীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা




মিঠুন কুমার রাজ, 

স্টাফ রিপোর্টার। ভান্ডারিয়া উপজেলায় মৌসুমী (১৭) নামের এক স্বামী পরিত্যক্তা তরুণী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। 


সোমবার দুপুরে জুনিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। সে জুনিয়া গ্রামের মধু মাতুব্বরের মেয়ে।

জানা গেছে, সদ্য বিবাহিতা স্কুলছাত্রী মৌসুমীর দেড়মাস পূর্বে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়। এনিয়ে ওই পরিবারে প্রায়শই ঝগড়া হত। দুপুরে মেয়েটির সঙ্গে তার মায়ের বাক বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তার মা হাড়ি-পাতিল পরিস্কার করতে তাদের বাড়ির পুকুর ঘাটে গেলে এসময় মৌসুমী ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।

কিছুক্ষন পর তার মা এসে ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে ডাক চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে মেয়েটিকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।

ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মাকসুদুর রহমান ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় সোমবার রাতে ভান্ডারিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

কক্সবাজার গভীর সমুদ্র এলাকা ১৩ লক্ষ পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

কক্সবাজার গভীর সমুদ্র এলাকা ১৩ লক্ষ পিস ইয়াবাসহ ০২  মাদক ব্যবসায়ী আটক

 


মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজঃ-কক্সবাজার গােপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মায়ানমার সীমান্ত হতে ট্রলারযােগে সমুদ্র পথে কথিত মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করিয়া কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন খুরুশকুল মাঝির ঘাটের দিকে আসিতেছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে RAB-১৫, কক্সবাজার এর একটি আভিযানিক দল গত ২৩ আগস্ট ২০২০ তারিখ ১৭০০ ঘটিকায় কক্সবাজার জেলার গভীর সমুদ্র এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিক (১) মােঃ আয়াজ (৩৪), পিতা- মােঃ বশির আহমেদ, মাতা- মৃত আয়শা খাতুন, সাং- বালুখালী ক্যাম্প-১৩, ব্লক- এইচ-১৬, মাঝি- ইউসুফ, থানা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার এবং (২) মােঃ বিল্লাল (৪৫), পিতা- মৃত আব্দুল মজিদ, মাতা- মােছাঃ মােস্তফা খাতুন, সাং- ঝিলংজা, ০২ নং ওয়ার্ড, দক্ষিণ হাজীপাড়া, পাওয়ার হাউস, থানা- সদর জেলা- কক্সবাজার দেরকে ১৩,০০,০০০ (তের লক্ষ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ০১টি ফিশিং বােট, ০১টি মােবাইল, ০১টি সীম কার্ড এবং নগদ ১০,৯০০/- টাকাসহ গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক (ইয়াবা) এর আনুমানিক মূল্য প্রায়ঃ ৬০,০০,০০,০০০ (ষাট কোটি) টাকা।

হবিগঞ্জে বিদ্যুৎ দেয়ার নাম করে চা-শ্রমিকদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায়

 হবিগঞ্জে বিদ্যুৎ দেয়ার নাম করে চা-শ্রমিকদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায়




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার ৮নং সাটিয়াজুড়ি ইউনিয়নের বড়ইটিলা চা-শ্রমিকদের বিদ্যুৎ দেয়ার নাম করে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় টাকা নেয়ার পর এলাকায় বিদ্যুতের খুটি ফেলে রাখা হলেও আবারো মোটা অংকের টাকা দাবী করে সে। আর এতে টাকা দিতে না পারায় বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ চা-শ্রমিকেরা। 


তাই বিষয়টি আমলে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন ডিজিএম চুনারুঘাট জোনাল অফিসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের কর হয়েছে। এছাড়াও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ঢাকা সংসদ সদস্য হবিগঞ্জ-৪, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সিলেট জোন সিলেটসহ বিভিন্ন দপ্তরে এর অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে এলাকাবাসির পক্ষে লিখিত। 


অভিযোগটি দায়ের করেন বড়ইটিলা চা-বাগানের বুধরাম গোস্বামীর পুত্র রাজকুমার গোস্বামী। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার কথা শুণে প্রায় দেড় বছর পুর্বে বিদ্যুতের জন্য হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জেনারেল ম্যানেজার বরাবরে আবেদন করা হয়। গত ১ বছর পুর্বে টেন্ডারের মাধ্যমে লায়েস মিয়া নামে এক ঠিকার বিদ্যুতায়নের কাজ পায় বলে জানা যায়।


যার লট নং- সি ইউ- ২৭৯ এবং প্যাকেজ নং- ৩৯-০৪ পরে বিদু্যুত যাওয়া কোন কার্যক্রম না দেখে চা-শ্রমিকেরা ঠিকাদার লায়েসের সাথে যোগাযোগ করে। এসময় সে তাদের কাছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবী করে। বিদ্যুতের আশায় সকল চা-শ্রমিকেরা একত্রিত হয়ে তাকে ২০ হাজার টাকা দেয়। টাকা দেয়ার পরে সে ওই এলাকায় বিদ্যুতের খুটি পাঠায়। 


পরে ঠিকাদার লায়েস নিরীহ চা-শ্রমিকদের কাছে আরো ১ লাখ টাকা দাবী করে এবং না দিলে বিদ্যুৎ দেয়া হবে না বলে জানায়। এ সময় চা-শ্রমিকেরা এত টাকা দিতে অপরাগত প্রকাশ করলে এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎ দেয়ার কোন নাম নিশানা নেই। তাই টাকা ছাড়া বিদ্যুৎ প্রদান করাসহ ঠিকাদার লায়েসের দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে যেন আইনের আওতায় আনা হয় সে জন্য দাবী জানিয়েছেন চা-শ্রমিকেরা।

সাবেক ছাত্রনেতা আবুল হোসাইনের বাবা আর নেই- নেত্ববৃন্দদের শোক প্রকাশ

সাবেক ছাত্রনেতা আবুল হোসাইনের বাবা আর নেই- নেত্ববৃন্দদের শোক প্রকাশ


ডা.এম.এ.মান্নান 

টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:

সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই এর কেন্দ্রীয় অন্যতম সদস্য, সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা জ্বনাব মো.আবুল হোসাইন এর সম্মানিত বাবা অভিজ্ঞ পল্লী চিকিৎসক জ্বনাব মো.কুরবান আলী(৮৫) ইন্তেকাল করেছেন,ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।তিনি অনেক দিন যাবত শারিরিক নানান জঠিল রোগে ভুগছিলেন। 


 আজ মংগলবার,২৫ আগস্ট ২০২০ খ্রি. সকাল ৯.০০ টায় টাংগাইলের নাগরপুর উপজেলা বারাপুষা গ্রামে নিজ বাসভবনে  মারা যান।মরহুমের জানাযা নামায বাদ আসর নাগরপুর বারাপুষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স ৮৫ ছিল। তিনি সাত ছেলে,দুই মেয়ে, বাতিজা ও নাতি সহ অসংখক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।


 জ্বনাব আবুল হোসাইনের বাবার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও মরহুমের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন নাগরপুর উপজেলা ও টাংগাইল জেলা সাবেক ছাত্র নেত্ববৃন্দ।


যৌথ বিবৃতিতে সাবেক ছাত্র নেতারা  বলেন-জ্বনাব আবুল হোসাইন এর বাবা ছিলেন একজন পল্লী চিকিৎসক এবং ইসলামী আন্দোলনের একজন সক্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী এবং অভিবাবক। তার মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলনের একজন সমর্থক হারালাম। তিনি অনেক দিন যাবত শারিরিক নানান জঠিল রোগে ভুগছিলেন। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। মহান আল্লাহ যেন তাকে মাফ করে জান্নাত নসিব করেন এবং তার পরিবার ও পরিবর্গকে শোক সইবার তৌফিক দান করেন, আমিন।

হবিগঞ্জে অপারেশনের সময় নারীর জরায়ূ কেটে দিলেন ডাক্তার

 হবিগঞ্জে অপারেশনের সময় নারীর জরায়ূ কেটে দিলেন ডাক্তার


লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের শহরের টাউন হল রোডে অবস্থিত সেন্ট্রাল হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্ট্রারে’ টিউমার অপারেশ করতে গিয়ে এক নারীর জরায়ু কেটে দিয়েছেন ডা. আরশেদ আলী। বর্তমানে ওই নারী জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। গতকাল সোমবার (২৪-আগস্ট) রাতে সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসে রোগীর স্বজনরা বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। 


এ ঘটনায় রোগীর স্বজনরা সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ডা. আরশেদ আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়- বানিয়াচং উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের মৃত নোয়াজিশ মিয়ার স্ত্রী খদর চাঁন (৬৫) জরায়ু টিউমারে আক্রান্ত হন। গত ১ সপ্তাহ আগে তিনি হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি হন। গত রবিবার সকালে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের গাইনি বিভাগের। 


কনসালটেন্ট ডা. আরশেদ আলী তাকে অপারেশনের জন্য শহরের টাউন হল রোডে অবস্থিত সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ অপারেশনের পরামর্শ দেন। আরশেদ আলীর পরামর্শে সাথে সাথে ওই নারীকে সেন্ট্রাল হসপিটালে ভর্তি করেন তার স্বজনরা। বিকেলের দিকে ডা. আরশেদ আলী সেন্ট্রাল হসপিটালে ওই নারীর জরায়ু টিউমারের অপারেশন করেন।


কিন্তু অপারেশন শেষে ওই নারীকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করার কয়েক ঘন্টা অতিবাহিত হলেও জরায়ুতে লাগানো ক্যাথেটার দিয়ে প্রস্তাব আসা বন্ধ থাকে। রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও এক ফোঁটা প্র¯্রাবও বের হয়নি। এমনকি ওই নারীর পেট ফোলে উঠে। এক পর্যায় রাত ১টার দিকে পুণরায় ডা. আরশেদ আলীকে খবর দিলে তিনি হাসপাতালে গিয়ে ওই নারীর চিকিৎসা করেন।


কিন্তু এরপরও বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় ভোরে তাকে সিলেট প্রেরণ করা হয়। এদিকে, মূমুর্ষ অবস্থায় ওই নারীকে সিলেট পাঠালেও রোগীর সাথে দেয়া ছাড়পত্রে সীল দেয়নি সেন্ট্রাল হসপিটাল কর্তৃপক্ষ। যার ফলে সিলেটের কোন হাসপাতাল ওই রোগীকে ভর্তি নেয়নি। এতে রোগীর অবস্থা আরও শঙ্কটাপন্ন হয়ে উঠে। সারাদিন সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেও রোগীকে ভর্তি করতে না পারায় গতকাল সোমবার রাতে। 


আবারও রোগী নিয়ে হবিগঞ্জ ফিরে আসেন স্বজনরা পরে তারা সেন্ট্রাল হসপিটালে এসে বিক্ষোভ করলে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এক পর্যায়ে ছাড়পত্রে সীল নিয়ে আবারও তারা রোগীকে নিয়ে সিলেট চলে যান।

এ ব্যাপারে রোগীর ভাগ্নে মহিবুল ইসলাম শাহীন বলেন- ‘ডাক্তার আরশেদ আলীও 


সেন্ট্রাল হসপিটাল কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে মৃত্যুর মুখে পড়েছে আমাদের রোগী। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্রে সীল না দেয়ার কারণে সিলেটের কোন হাসপাতালই আমাদের রোগীকে ভর্তি নেয়নি। তিনি বলেন- ‘ডা. আরশেদ আলী অপারেশনের সময় রোগীর জরায়ু কেটে দিয়েছেন যার ফলে সে এখন মৃত্যু পথযাত্রী এ ব্যাপারে।


সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার অসীম দেব বলেন- ‘এই রোগীকে রিলিজ দেয়ার সময় আমি ছিলাম না। তবে এখন আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ওই নারীকে সিলেট নিয়ে যাচ্ছি এবং রোগীর সুস্থ্যতায় যা করার প্রয়োজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করবে। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে নারীর অপারেশন করা সেই চিৎিসক আরশেদ আলীকে বার বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।


উল্লেখ্য-ডা. আরশেদ আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও ভুল চিকিৎসা, রোগীদের সাথে অসধাচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সদর হাসপাতালে আসা রোগীদের অপারেশনের জন্য বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শও তিনি নিজেই দিয়ে থাকেন।

গদাইপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

গদাইপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ




 আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা  প্রতিনিধিঃ   আশাশুনি প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নের ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন গদাইপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন, এলাকার মানুষের সাথে মতবিনিময় এবং ত্রাণ বিতরণ করা হয়।  


ঘুর্ণিঝড় আম্ফান এবং গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার নদীর পানি বৃদ্ধি ও প্রচুর বৃষ্টিপাতে প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আশাশুনি সদর ইউনিয়নের একাধিক স্থানে পাউবো’র ভেড়ী বাঁধ ও রিং বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়। ইউনিয়ন ৩টির ৪৮টি গ্রামের ৮০ সহ শতাধিক মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।  প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নের বিভিন্ন ভাঙ্গন কবলিত মানুষের সাথে দেখা করে তাদের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন সংস্থার সদস্যরা। আশ্রয় কেন্দ্র ও বিভিন্ন সড়কে, বাধের উপরে আশ্রয় নেওয়া ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার ও ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করেন। সংগঠনের 


সহ সভাপতি মোঃ মামুন হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রায়হান প্রিন্স ও কার্যকরী সদস্য মোঃ আক্তার হোসেন এছাড়াও অন্য সদস্য বিন্দু উপস্থিত ছিলেন।


 


সভাপতি মোঃ ফারুক হুসাইন


ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বলেন,  প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এলাকার মানুষ বিপর্যস্ত খোলপেটুয়া নদী দুই কূলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে উপকুল মানুষকে রক্ষা করার জন্য সরকারের কাছে বিশেষ অনুরোধ করছি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জনপ্রশাসন এর কাছে বিশেষ অনুরোধ করছি। অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। বর্তমান পরিস্থিতিতে  মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা আসুন আমরা একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসি অসহায় মানুষের পাশে থাকি সব সময়।



দেশের বিভিন্ন এলাকায়    পানিবন্দি ভাঙ্গন কবলিত ভয়াবহ বন্যায় একটি বড় অংশ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ লক্ষ্যে গদাইপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থা পানিবন্দি ভাঙ্গন কবলিত অসহায় মানুষের পাশে ও বন্যার্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ২০০ পরিবারের মধ্য শুকনো খাবার ও ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করছে পানিবন্দি মানুষের দুঃখ-কষ্ট নিজের চোখে দেখেছে তাদের দুঃখ কষ্টের কথা শুনেছে সাহায্যের দুহাত বাড়িয়ে দিয়েছে সংস্থাটি কার্যনির্বাহী সদস্য সহ সংস্থার অন্যান্য সদস্যবৃন্দ-এর নেতৃত্বে একটি টীম প্রতাপনগর শ্রীউলা ইউনিয়ন পানিবন্দি ভাঙ্গন কবলিত‌ ও বন্যা কবলিত  মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। আজ সারাদিন আশাশুনি থানার বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে ঘুরে ঘুরে শুকনো খাবার ঔষধ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে সদস্যরা।

জবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার!

 জবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার!


নিউজ ডেস্কঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়(জবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান  তার বিরুদ্ধে আপত্তিকর, মিথ্যা, ভিত্তিহীন, ও বানোয়াট তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। সোমবার(২৪ আগষ্ট) এক বিবৃতিতে তিনি নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের কতিপয় শিক্ষক গত ২৩ ও ২৪ আগস্ট ২০২০ তারিখ তাদের ব্যক্তিগত ফেইবুক ওয়ালে বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যানকে নিয়ে আপত্তিকর, মিথ্যা, ভিত্তিহীন, ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করছেন। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করা, বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবৈধ ও অন্যায় সুযোগ-সুবিধা আদায়, নিজেদের দুর্বলতা ও নোংরা কাজ ঢাকার মানসে এ ধরনের হীন কর্ম ও চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জনমনে বিরূপ ধারণা প্রদান ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর কুট কৌশল হিসেবে এ ধরনের অপপ্রচার করেছে। এর মাধ্যম বিভাগের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও সাধারণের মধ্যে আমার ব্যক্তিগত মান-সম্মান ও ইমেজ ক্ষুন্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া মীমাংসিত বিষয়ে বার বার মনগড়া অভিযোগ করা হচ্ছে।

তিনি আরো তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এটি একটি নিন্দনীয় কাজ এবং তা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি এবং বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনে মারাত্মক অপরাধ

উল্লেখ্য, বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে গত ১২ নভেম্বর ২০১৯ দায়িত্ব নেয়ার পর বিভাগের যাবতীয় অফিসিয়াল ও একাডেমিক কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি ও রেওয়াজ মেনে পালন করে আসছি। কোনরূপ ব্যত্যয় হয় নি। অনুরাগ ও বিরাগ বশবর্তী হয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয় নি। বিভাগের নীতি-নির্ধারণী যে কোন সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে হয়ে থাকে। অধিকন্ত, বিভাগের হিসাব পরিচালনা, পরীক্ষা পরিচালনা বা উন্নয়নমূলক কাজ সংশ্লিষ্ট কমিটি করে থাকে। কোন কোন ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান শুধুমাত্র অনুমোদন করেন বা অবহিত হয়। বিভাগ পরিচালনায় কোনরূপ ব্যত্যয় হলে বা ভিন্ন বক্তব্য থাকলে তা বিভাগের একাডেমিক কমিটি ও প্ল্যানিং কমিটিতে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। তিনি  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ ও এর দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সম্পর্কে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান।

শুভ উদ্বোধন হলো ভাসমান রেস্টুরেন্ট পদ্মা নদীতে

শুভ উদ্বোধন হলো ভাসমান রেস্টুরেন্ট পদ্মা নদীতে



আব্দুর রাজ্জাক,হরিরামপুর প্রতিনিধিঃ(মানিকগঞ্জ)হরিরামপুর উপজেলার আন্ধামানিক সংলগ্ন, ট্রলারঘাট এর পার্শে ভাসমান রেস্টুরেন্ট,২৪/৮/২০২০ ইং শুভ উদ্বোধন করা  হলো। 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হরিরামপুর উপজেলার সম্মানিত ও সুযোগ চেয়ারম্যান জনাব দেওয়ান সাইদুর রহমান 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হরিরামপুর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আজম খান 

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন  হরিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মুক্তিযুদ্ধো গোলজার হোসেন বাচ্চু 

 বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন দেওয়ান আব্দুর রব, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবুল বাশার সবুজ। 

আরো উপস্থিত ছিলেন  স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা কর্মীরা ও প্রশাসনে ব্যক্তিবর্গ।

অতিথিরা  ভাসমান রেস্টুরেন্টি পছন্দ করেছেন এবং প্রসংশা করেছেন।এবং বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনাও দিয়েছেন। 

আন্ধারমানিকের স্থানীয় মোঃ শামীম আহমেদ,তিনি এই  ভাসমান রেস্টুরেন্টি তৈরি করেন। তিনি বলেন আজ থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা হবে,প্রায়  ৫০টির উপরে  খাবারের  আইটেম থাকবে।

যেমন ১/ চিকেন বল ২/চিকেন বিলি ৩/ চিকেন কাটলি ৪/ থাই ফ্রাইড চিকেন ৫/ থাই ফ্রাইট রাইস ৬/ ভেজিটেবল ফ্রাইট রাইস ৭/ হট কফি ৮/হালিম আরো ইত্যাদি। 

যত্নের সঙ্গে খাবার সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি। 

রেস্টুরেন্ট এর মালিক  বলেন অনেক দিন আগে থেকেই তাদের স্বপ্ন ছিলো যে, পদ্মা নদীতে একটি  ভাসমান রেস্টুরেন্ট তৈরি করবেন। তাদের মনের আশা পূরণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত ও শুকরিয়া আদায় করেন। 

পানিতে ভাসমান রেস্টুরেন্ট টি দেখতে খুবই সুন্দর, পাশ দিয়ে লাঞ্চ ও ট্রলার চলাচল করে। 



প্রতিদিন বিকেল বেলায় মানুষেরা ঘুরাঘুরি ও আনন্দ উপভোগ করে শান্তি পায়,ভ্রমন প্রিয় মানুষ গুলো। পরিশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে রেস্টুরেন্ট টি উদ্বোধন করা হয়।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পটিয়া মহাসড়কে ময়লা আবর্জনার ভাগাড়, দুর্গন্ধে বিভিন্ন রোগ ছড়াচ্ছে

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পটিয়া   মহাসড়কে ময়লা আবর্জনার ভাগাড়, দুর্গন্ধে  বিভিন্ন রোগ ছড়াচ্ছে



পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরীঃ- চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া পৌরসভার বিসিক শিল্পনগরী  এলাকার সামনে মহাসড়কে   কোরবানির জবাইকৃত পশুর বর্জ্য সহ নানান বর্জ্য  বিভিন্ন স্থান থেকে  পটিয়া  পৌরসভার গাড়িতে করে এনেে  ফেলে রাখায় দূর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। ফলে হাজার হাজার পথচারী সহ এতে করে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে স্থানীয় ও দূরপাল্লার যানবাহনের যাত্রীসহ মহাসড়কের পাশ দিয়ে চলাচলরত হাজার হাজার   পথচারী ও স্কুল শিক্ষার্থী


। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কের পটিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বিসিক শিল্প এলাকার সামনে বর্জ্য-আবর্জনা ফেলানো হচ্ছে প্রতিদিন। ফলে ময়লা আবর্জনার ভাগাড় পরিণত হয়েছে।এসব ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে বিসিক শিল্পনগরীর লোকজন, ব্যবসায়ী, কর্মচারী, শ্রমিক স্কুল শিক্ষার্থী  মহাসড়কে যাতায়াতকারী যানবাহনের প্রতিদিনকার সহ একাধিক যাত্রী। পটিয়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের লোকজন কোরবানীর পশু জবাই করার পর পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশমতে ডাস্টবিনে ও বাড়ির আঙ্গিনায় মজুত করে। কোরবানির দিন বিকেলে পৌরসভার বর্জ্যবহনকারী গাড়ি এসব বর্জ্য তুলে নিয়ে মহাসড়কের বিসিক শিল্প এলাকার সন্নিকটে ফেলে। স্তুুপকৃত বর্জ্যে কোন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ না দেয়ায় এবং দুর্গন্ধ প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায়  দীর্ঘদিন   ধরে চারিদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে নানান রোগ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকার লোকজনের।       


এছাড়াও পটিয়া পৌরসভার  মহাসড়কের মুন্সেফ বাজার     পাশে চলাচল রাস্তার উপর বর্জ্য,  পটিয়া রেলওয়ে ষ্টেশন পিছনে এবং ছিন্ন মুল কলোনীর সামনে সহ হাড্ডি সুলতানের ভাঙ্গারী মালের গুদামে স্তুপ করা হয়েছে পশুর হাড়-গুড়। ফলে এসব এলাকাতেও দূর্গন্ধে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বেকায়দায় পড়ছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের চলাচল রাস্তার বিভিন্ন স্থানে এখনো পড়ে রয়েছে  বর্জ্য। যার ফলে পুরো পটিয়া পৌরসভার আকাশ বাতাস বর্জ্যরে দুর্গন্ধে ভারি হয়ে উঠছে।পটিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামাল উদ্দিন বেলাল জানান, পৌরসভার   মহাসড়কের পাশে  বর্জ্য স্তুুপ করা হয়েছে বিষয়টি শিকার করেলেও কোন মন্তব্য করতে রাজি নয়।   


 এসব বর্জ্যে পুরো এলাকাজুড়ে বিরক্তকর দুর্গন্ধ প্রতিদিন মানুষকে বিষিয়ে তুলেছে।পটিয়া পৌরসভার এক কর্মকর্তা  জানান, পৌরসভার বর্জ্য অপসারণের নির্ধারিত কোন স্থান না থাকায় বিসিক শিল্প এলাকার সামনে মহাসড়কের পাশে অস্থায়ীভাবে মজুত করা হচ্ছে। পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ এর নির্দেশে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে এলাকার লোকজন দাবি করছেন ময়লা আবর্জনা দুর্গন্ধে  রোগব্যাধি  ছড়াচ্ছে। এছাড়াও ময়লাগুলো মহাসড়কের উপরে চলে এসেছে। এতে দুর্পাল্লার গাড়ির দ্রুত গতিতে চালানো হলে গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে     ময়লা আবর্জনার পানি মানুষের গায়ে পড়ে কাপড় নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেন এম. এম. এজাহার, ফরিদ মিয়া, বেলাল, আবু তাহের সহ স্থানীয়রা। মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন সরকারি বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা কক্সবাজার, বান্দরবান, টেকনাফ আসা যাওয়ার পথে চোখে পড়লেও অদৃশ্য কারণে নিরব রয়েছে বলে জানান কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।            এ ব্যাপারে এলাকার লোকজন পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।