ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর প্রভাবে মোংলায় সাড়ে ৬শো ঘরবাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ ১৫শো মানুষকে দূর্গত ঘোষণা

ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর প্রভাবে  মোংলায় সাড়ে ৬শো ঘরবাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ  ১৫শো মানুষকে দূর্গত ঘোষণা
   মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা    অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর প্রভাবে ২০ মে বুধবার রাতে মোংলায় জ্বলোচ্ছাস এবং ধমকা হাওয়ায় দশ গ্রাম প্লাবিত, ডুবে গেছে দুই হাজার চিংড়ি ঘের, সাড়ে ৬শো ঘর-বাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ এবং ১৫শো মানুষকে দূর্গত ঘোষণা।    মোংলার কানাইনগর, দক্ষিণ কাইনমারি, কলাতলা, আমতলা, কেয়াবুনিয়া, সিন্দুরতলা, কোলাবাড়ী, জয়মনি, শেলাবুনিয়া, বিদ্যারবাহন, মৈদাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থরা জানান গত বুধবার বিকেল থেকে সারারাত সাইক্লোন শেল্টারে তারা অবস্থান করে। সকাল বেলা বাড়ীতে এসে দ্যাখে জোয়ারের পানিতে ঘর-বাড়ীসহ মালামাল ভেসে গেছে এবং প্রবল ঝড়ে অনেকের ঘর-বাড়ী সম্পূর্ণ এবং আংশিক ভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের অভ্যন্তরেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।  মোংলা উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান জানান ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর প্রভাবে জ্বলোচ্ছাসে পশুর নদীর তীরবর্তী গ্রামসহ মোংলা উপজেলায় সবমিলিয়ে সাড়ে  ৬শো ঘরবাড়ী সম্পূর্ণ এবং আংশিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ইটের সোলিং রাস্তাও অনেক জায়গায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ জেড এম তৌহিদুর রহমান বলেন চিংড়ি অধ্যুষিত মোংলা দুই সহস্রাধিক চিংড়ি ঘের সম্প...

কয়রায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানেের তান্ডবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৩০ গ্রাম প্লাবিত।

কয়রায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানেের তান্ডবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৩০ গ্রাম প্লাবিত।
  মোহাঃ ফরহাদ হোসেন   কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ - গত কালের ঘুর্নিঝড় আম্পানের কারনে  সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে খুলনার কয়রা উপজেলার কয়রা সদরের হরিনখোলা ঘাটাঘাটি, লোকা, দশহালিয়া,দক্ষিন বেদকাশীর আংটিহারা, গোলখালী,চরামুখা, উত্তর বেদকাশীর গাজীপড়া, রত্নঘেরীর, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৩ ১৪/১,১৩ ১৪/২ পোল্ডারের বেড়িবাঁধ ভেঙে ৩০ টি গ্রাম লোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। গত কাল বুধবার রাত ১১ টার পর  প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় নদীর পানি ৪ ফুট বৃদ্ধি  পেলে কয়রা উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের ৭ টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে মানুষের বসত বাড়ি, ক্ষেত খামার, সহায় সম্পদ, লোনা পানিতে তলিয়ে যায়।  উত্তর বেদকাশীর গাজী পাড়ার বাসিন্দা রুস্তুম গাজী কাঁদতে কাঁদতে বলেন ভাঙনে আমার ঘরবাড়ি বিলিন হয়ে গেছে। প্রতিবেশি দীনবন্ধু খাবারের জন্য দুই কেজি চাল দিয়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ৪টি ইউনিয়নের ৩০ টি গ্রামের মাছের ঘের, ফসরের ক্ষেত,  গবাদিপশুর খামার,  ও বসতবাড়ি মিলে অর্ধশত কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।  স্থানীয় সংসদ সদস্য  আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু, জেলা প্রশাসক মেহাম্মাদ হেলাল হোসেন, উপজেলন চেয়ারম্যান এস,এম শফিকুল ইসালাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা, সহকারী কমিশনার (ভুমি) নূর ই আলম সিদ্দিকী,   ...

"ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে ঝিনাইদহে ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি

"ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে ঝিনাইদহে ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি
 "
সম্রাট হোসেন শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ ভয়াল ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর প্রাভাবে সারা বাংলাদেশের মোতন ঝিনাইদহ জেলাই প্রচণ্ড তাণ্ডব শুরু হয়েগেছে।সকাল থেকে মাঝে  মাঝে ঝড় বৃষ্টি হলেও বিকাল থেকে একটা বাতাস ও বৃষ্টি হয়তেছে। রাত ৯ টার পর থেকে রিপট লিখা পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়  আম্পান তার ব্যাপক তাণ্ডব লিলা চালিয়ে যায়তেছে।প্রচুর গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে যোগাযোগ ব্যাবস্থা একদম বন্ধ রয়েছে। তাছাড়াও মাঠে এখন ও ১০% জমির ধান কাটতে বাকি রয়েছে সে গুলো একদম নষ্ট হয়েগেছে। জেলাই  আম বাগান ও লিচু বাগানেও ব্যাবপক ক্ষতি হয়েছে।এছাড়াও এই এলাকায় পানের বরোজেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে আহাত বা নিহতের খবর পাওয়া যায়নি। আমি শৈলকুপার ১৪ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা ও ঝিনাইদহ জেলার সকল উপজেলায় আমার পরিচিত জনদের নিকট ফোন দিয়ে এই খবর নিশ্চিত হয়েছি।এলাকার সকল বয়সক লোক জন বলছে তাদের জীবনেও এত বড় ঝড় দেখেনি। রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে ঝড় বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। সময় রাত ( ১২ঃ৩৫)

মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশী মুসলিমদের ঈদুল ফিতরের সালাত ও করনীয়

মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশী মুসলিমদের ঈদুল ফিতরের সালাত ও করনীয়


ড. মোহাম্মাদ নাজমুল হক

আসসালামু আলাইকুম।
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা,
মালয়েশিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান মহামারীর বাস্তবতা সামনে রেখে এবারের ঈদ আমরা কিভাবে উদযাপন করবো, তা একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে! রামাদান আসার পূর্বেও একই প্রশ্ন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছিলো, এবারের রামাদান কিভাবে উদযাপন করবো? বাস্তবতার আলোকে সেই প্রশ্নের উত্তর আমরা পেয়ে গেছি এবং সেই মোতাবেক ইতিমধ্যে আমাদের রামাদানের রোযা এবং তারাবিহ এর সালাত আদায় করেছি।

ঠিক তেমনি ভাবে ঈদের বেলায় সেই প্রশ্ন গুলোই আমাদের সামনে পুনরায় আসছে। সময়োপযোগী এই প্রশ্নগুলোর চমৎকার সমাধান বাস্তবতার আলোকে আমাদের ওলামায়ে ইকরামগন দিয়েছেন।

আমরা যদিও ঈদের নামাযের জন্য ঈদগাহ অথবা মসজিদে যেতে পারবো না কিন্তু ঈদের সময়ের আমাদের রাসূল (সা) এর সুন্নাতসমুহ পরিপুর্ন ভাবে পালন করে আমরা আমাদের ঈদ মহিমান্বিত করতে পারি। যেমনঃ
১.  ঈদের আগের রাত থেকে ঈদের তাকবির পড়ার মাধ্যমে আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বড়ত্বের কথা স্বরন করতে পারি। আল্লাহ তায়ালার বানী 
وَلِتُكْمِلُواْ الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُواْ اللّهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ
'এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা'আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর'। [ সুরা বাকারা ২:১৮৫ ]
আমরা যে যেখানে আছি সেখান থেকে তাকবীর ছড়িয়ে দিব ইন শা আল্লাহ।
তাকবির হচ্ছে *আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ*

২. সেই সাথে ঈদের দিন স্বপরিবারে ফজরের সালাত আদায় করে উৎসবমুখর দিনটি শুরু করতে পারি।

৩. সকালে গোসল করে, মিসওয়াক করে, নতুন জামা পরিধান করে আতর লাগিয়ে কয়েকটি বেজোড় খেজুর খেতে পারি। তারপরে যদিও আমরা মসজিদে আসতে পারবো না কিন্তু তাকবীর পড়তে থাকবো।

৪. তাছাড়া পরিবার পরিজন বন্ধু বান্ধবের সাথে ফোনের মাধ্যমে  ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারি।খোজ খবর নিতে পারি। এ ক্ষেত্রে *তাকব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম, ঈদ মোবারাক বলতে পারি অথবা  এরাবিকে কুল্লু আম ওয়া আন্তুম বিখাইর* বলতে পারি। 

৫. এখন, যে জায়গায় ইদের নামায হয় না, সে জায়গায় মানুষের কি করে ঈদের সালাত আদায় করে থাকে এবং যার ঈদের নামায মিস হয়ে গেছে তিনি কিভাবে নামায আদায় করবেন এ ব্যপারে আমরা মাসায়ালাটি অনুধাবন করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। 

👉🏼 ঈদুল ফিতরের নামায যদি কারো মিস হয়ে যায় হানাফি মাযহাব অনুযায়ী তা আদায় করার আর সুযোগ নাই,  কিন্তু অন্য মাযহাব  এর ফুকাহা গন  ঈদের নামায অতিরিক্ত তাকবীর সহ পড়ার মত ব্যাক্ত করেছেন। এ ব্যাপারে একটি হাদিসের উদাহরণ হিসেবে নেওয়া যায়।
*সহীহ বুখারীর হাদিস যে আনাস (রাঃ) ঈদের সালাত জামায়াতে না পাওয়ার পর তিনি ঘরে এসে পরিবারের সবাইকে নিয়ে -এমনকি দাস-দাসীদেরকে একত্রিত করে তাকবীর দিয়ে ঈদের জামায়াত করছেন। তবে, সেখানে তিনি ঈদের খুতবা দেন নি।*
*কোন এক সময়ে আনাস (রা) এর দাস আব্দুল্লাহ বিন আবি উতবাহ দুই রাকায়াত ঈদের সালাতের ইমামতি করেছেন।* *(দেখুনঃ এরওয়াউল গালীল, আলবানী ৩/১২০), বুখারী হাদীস নং ৯৮৭ এর আগে, মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা (হাদীস নং ৫৮০৩), সুনানে বায়হাকী (৬২৩৭)*
 
👉🏼 এই হাদীস বা সাহাবার আমলের ওপর ভিত্তি করে অনেক ইমাম যেমন মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাজহাবের মতামত হল ঘরে ঈদের সালাত আদায় করা যাবে। 
 *(দেখুনঃ মুখতাসারুল ঊম্ম- মুয়ানী ৮/১২৫, শারহুল খারশী ২/১০৪)।* 

তাহলে কেউ যদি নামায না পায় অথবা এই সময়ে আমরা যদি মসজিদে গিয়ে নামায পড়তে না পারি তাহলে যেহেতু আমরা শাফেয়ী মাযহাব অনুযায়ী এ দেশে অবস্থান করছি সে মাহযাব অনুসরণ করে ঘরেই আমরা ২ রাকাত নামায অতিরিক্ত তাকবীর সহ আদায় করতে পারি।  

👉🏼 হানাফী মাজহাবে বলা হয়েছে যে ব্যক্তি ইমামের সাথে ঈদের সালাত না আদায় করতে পারে, তাহলে সে আলাদা ভাবে ঈদের নামাজ আদায় না করে ২/৪ রাকাত নফল নামায পড়তে পারেন। *(দেখুন আদ-দুররুল মোখতার ২/১৭৫)*
এক্ষেত্রে যে কোন একটি মত  গ্রহন করবো এবং তা আদায় করতে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। 

 👉🏼 সাউদী স্থায়ী ফতোয়া কমিটি মতামত ব্যাক্ত করেছেন  (৮/৩০৬) যে, যদি কেউ ঈদের সালাতের জামায়াত না পায়, তিনি ঘরে বা অন্য কোথাও আবার আলাদা জামায়াত করতে পারবেন ঈদের অতিরিক্ত তাকবীর সহ। 

কিন্তু এখানে সালাতের পর ঈদের খুৎবা দিবেন না। এই সালাতের জন্যে ইক্বামত দিতে হবে না এবং ক্বিরাত জোরে পড়বেন।

👉🏼 মিশরের গ্রান্ড মুফতিও ফতোয়া দিয়েছেন যে এই বছরের কোভিড-১৯ এর কারণে পরিবারের সদস্যরা নিজেরা ঘরেই ঈদের সালাতের জামায়াত করতে পারবেন। কারণ এর পক্ষে সাহাবীদের আমল পাওয়া যায়।

মোংলায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ঝড়-বৃষ্টি সাইক্লোন শেল্টারে ৫০হাজার মানুষ

 মোংলায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ঝড়-বৃষ্টি  সাইক্লোন শেল্টারে ৫০হাজার মানুষ



মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা 
 অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে মোংলায় থেমে থেমে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মোংলা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতএর মধ্যে ৫০হাজার মানুষ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে। ২০ মে বুধবার রাতেই ঘূর্ণিঝড় সুন্দরবন উপকূল অতিক্রম করেছে। মোংলা বন্দরের হারবার মাষ্টার কমান্ডার ফখরউদ্দিন জানান বন্দরের ১১টি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে অবস্থান আছে। পন্য উঠা-নামার কাজ পুরোপুরি বন্ধ আছে। বন্দরের নিজস্ব এ্যালার্ট-৪ জারি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান জানান ১০৩টি সাইক্লোন শেল্টারে ইতিমধ্যে ৫০ হাজার উপকূলীয় মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন যাদেরকে শুকনা খাবার, খিচুড়ি, চিড়া, বিস্কুট ও শিশু খাদ্য দেয়া হয়েছে। এছাড়া ভোর রাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেহরির খাবার দেয়া হয়। কোস্ট গার্ড সূত্রে জানাগেছে সুন্দরবনে তাদের নিজস্ব ১৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে জেলেরা অবস্থান করেছে। তাদেরকে কোস্ট গার্ড খাদ্য সরবরাহ করেছে। সুন্দরবন এবং সাগরে জেলেদের নিরাপদে অবস্থান করার জন্য কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছিলো। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান বন বিভাগের কর্মকর্তাদের এবং জেলেদের নিরাপদ অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূল এলাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০-১৫ ফুট উচ্চতায় জ্বলোচ্ছাস দেখা দেয়ার সম্ভাবনা ছিলো তবে জোয়ারের আগেই স্থলভাগ অতিক্রম করায় তা হয়নি। তবে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৬-৭ ফুট পানির উচ্চতা বেড়েছিলো। জ্বলোচছাসের প্রভাবে মোংলার শতাধিক চিংিড় ঘের তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ জেড এম তৌহিদুর রহমান। তবে পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এ রিপোর্ট লেখা অবধি জানা যায়নি।

নওগাঁয় ৭৪ গ্রাম পুলিশ পেলো ঈদ শুভেচ্ছা

নওগাঁয় ৭৪ গ্রাম পুলিশ পেলো ঈদ শুভেচ্ছা

 

মোঃ ফিরোজ হোসাইন  
রাজশাহী ব্যুরো

 নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে গ্রাম পুলিশের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে শারীরিক দুরুত্ব মেনে ৭৪ জনের হাতে চিকন(আতপ) চাল, সেমাই, দুধ,সাবান, তেল তুলেদেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবাদুর রহমান প্রামানিক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম।

সংক্ষিপ্ত এক আলোচনায় বৈশিক করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ পালনে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম বলে উল্লেখ করা হয়। এ সময় বিদেশ, ঢাকা, নারায়নগঞ্জ এবং গাজীপুর ফেরতদের তথ্য আদান প্রদান, করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়ী লকডাউন, বাজার পাহারা দেওয়া ইত্যাতি ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব পালনের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরন করা হয়।

সিরাজগঞ্জ কুড়ালিয়াতে করোনা উপসর্গ নিয়ে পোষাককর্মীর মৃত্য লাশ দাফন করলো পুলিশ

সিরাজগঞ্জ কুড়ালিয়াতে করোনা উপসর্গ নিয়ে পোষাককর্মীর মৃত্য লাশ দাফন করলো পুলিশ

  মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে মনোয়ারুল ইসলাম মনির (৪৫) নামে এক পোশাককর্মীর মৃত্যু হয়েছে। 
বুধবার (২০ মে) দুপুরের দিকে নিজ বাড়ীতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মনোয়ারুল ইসলাম মনির সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে। 
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম হীরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পোশাক শ্রমিক মনোয়ারুল ইসলাম মনির ঢাকা থেকে আসার পর তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। গত ১৭ মে তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। পরিবার ও এলাকায় মানুষ দাফনে এগিয়ে না আসায় সদর থানা পুলিশের সহায়তায় তার দাফনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

মানসিক ভারসাম্যহীন, অটোরিকশা চালক,ও শ্রমিকদের মাঝে ২৫০ প্যাকেট ইফতার বিতরন করেন -টিমঃ১৯ যোদ্ধা

মানসিক ভারসাম্যহীন, অটোরিকশা চালক,ও শ্রমিকদের মাঝে ২৫০ প্যাকেট ইফতার বিতরন করেন -টিমঃ১৯ যোদ্ধা


তেতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ
পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন, অটোরিকশা চালক,শ্রমিক,আনসার,ভ্যান চালক ও মধ্যবিত্তদের মাঝে ২৫০ পেকেট ইফতার বিতরন করছে টিমঃ ১৯ যোদ্ধা নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। 

টিমঃ১৯ যোদ্ধা সেচ্ছাসেবী সংগঠন তেতুলিয়া উপজেলা ৭ টি ইউনিয়ন দুপুরে খাবার বিতরনের পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই এ নেমেছে এই সেচ্ছাসেবী সংগঠন, 

টিমঃ১৯ যোদ্ধা সেচ্ছাসেবী সংগঠন এর উপদেষ্টা ও তেতুলিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক কাজী মাসফিকুর রহমান সাকিব জানান, টিমঃ১৯ যোদ্ধা একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন, সকলের সহযোগিতায় আমাদের পথচলা, ইতিমধ্যে আমরা অনেক জায়গায় আমাদের সংগঠনের সুনাম লোকজনের মুখে ও অন্তরে এক বিরাট জায়গা করে নিয়ে নিয়েছে,আমরা যতদিন ঠিক আগের অবস্থায় ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা মানসিক ভারসাম্যহীনদের খাবার বিতরন চালিয়ে যাবো।

টিমঃ১৯ যোদ্ধা সেচ্ছাসেবী সংগঠন এর অহব্বায়ক মো সাব্বির হোসেন  জানান, টিমঃ১৯ যোদ্ধা সেচ্ছাসেবী সংগঠন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই ও যুদ্ধ ঘোষনা করেছে,
আমরা এই মহামারি থেকে যেনো সকলে সচেতন হয় তা নিয়েও কাজ করছি, 
ইতিমধ্যে আমরা মানসিক ভারসাম্যহীনদের খাবার বিতরন, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী, পিপিই,ও ইফতার বিতরন করেছে,তেতুলিয়া উপজেলা বাসি আমাদের এই কর্মকান্ডে খুব প্রসংসা করছে,

তেতুলিয়া উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহি অফিসার জানান,টিমঃ১৯ যোদ্ধ মানসিক ভারসাম্যহীনদের খাবার বিতরেনর পাশাপাশি করোনা ভাইরাস মেকাবিয়া অনেক বড় একটি ভূমিকা পালন করেছে, টিমঃ১৯ যোদ্ধা সেচ্ছাসেবী সংগঠন এর পাশে তেতুলিয়া উপজেলা প্রসাশন সব সময় পাশে থাকবে বলে জানান তিনি,

টিমঃ১৯ যোদ্ধা সেচ্ছাসেবী সংগঠন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সকল কাজে পাশে থাকবে বলে তারা জনিয়েছেন।

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবেলায় মাঠে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবেলায় মাঠে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম


রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ও সিটি ইউনিটের উদ্যোগে যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের বাস্তবায়নে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে যুব স্বেচ্ছাসেবকরা। চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের উদ্যোগে মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে সচেতনতামূলক মাইকিং নগরীর ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড, ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড, ৩৭নং উত্তর মধ্য হালিশহর ওয়ার্ড, ৩৮নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ড, ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড, ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ড, ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, সী বিচ, আনন্দবাজার বেরিবাঁধ এলাকায় সচেতনতামূলক মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পতেঙ্গা এলাকায় মাইকিং কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আ.জ.ম নাছির উদ্দিন, সিটি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারী আব্দুল জব্বার, সিটি ইউনিটের কার্যকরী পর্ষদ সদস্য মহসিন উদ্দিন চৌধুরী ফয়সাল, যুব রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রামের যুব উপ প্রধান-১ রাজীব দে, ক্রীড়া ও প্রচার- প্রকাশনা বিভাগীয় প্রধান কৃষ্ণ দাশসহ কার্যকরী পর্ষদ সদস্য ও যুব স্বেচ্ছাসেবকরা। এছাড়া বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ম্যানেজিং বোর্ড সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. শেখ শফিউল আজম ও সিটি রেড ক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান এম.এ.ছালাম এর ইউনিট কার্যক্রমে সহযোগীতায় প্রতিনিয়ত যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম থেকে জনসাধারণ তথ্য প্রদান করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সহযোগীতায় যুব স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।  
এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে পটিয়া, সীতাকুন্ড, সাতকানিয়া, সন্দ্বীপ উপজেলায় মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

পরিবারসহ জবি শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ

পরিবারসহ জবি শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ


জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থী পুরো পরিবারসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আইন বিভাগের ওই শিক্ষার্থীর মা-বাবা এবং ছোট বোনসহ সবারই করোনা টেস্টে রেজাল্ট পজিটিভ পাওয়া যায়। ওই শিক্ষার্থীর পুরো পরিবার বর্তমানে চট্টগ্রাম অবস্থান করছেন।

জানা যায়, শুরুতে শিক্ষার্থীর বাবা অসুস্থতা বোধ করায় করোনা টেস্ট করায় এবং গত ১৪মে টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ আসে। পরবর্তীতে ১৭ মে পরিবারের অন্য সদস্যরা করোনা টেস্ট করায়। আজ বুধবার বাকিদেরও করোনা পজিটিভ বলে জানানো হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ওই শিক্ষার্থী জানায়, প্রথমে বাবার করোনা পজেটিভ হওয়ায় আমরা সবার করোনা টেস্ট করাই। আমাদের সবারই পজেটিভ আসে। আমরা হোম আইসোলেশনে আছি। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন,ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতায় অব্যহত থাকবে।

শিবগঞ্জের আরো ১৬শ’ পরিবারের পাশে জিকে ফাউন্ডেশন

শিবগঞ্জের আরো ১৬শ’ পরিবারের পাশে জিকে ফাউন্ডেশন


মো:শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
করোনাভাইরাসের কারণে খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডে ঘরে থাকা কর্মহীন হয়ে পড়া ১ হাজার ৬শ’ পরিবারের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেছে জিকে ফাউন্ডেশন।

বুধবার (১৮ মে) বিকেলে শিবগঞ্জ স্টেডিয়াম মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্মহীন পরিবারের মধ্যে চাল, আটা, ডাল, তেল, দুধ, সেমাই ও চিনি তুলে দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খাঁন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, , উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেল, সাধারণ সম্পাদক আলী রাজসহ অন্যরা।


 
এর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার পরিবারের মাঝে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ ও ১ লিটার তেল বিতরণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে বলে জানান উপজেলা চেয়ারম্যান।

নওগাঁয় যুবলীগনেতা রাফিউলের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নওগাঁয় যুবলীগনেতা রাফিউলের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ



মোঃ ফিরোজ হোসাইন  
রাজশাহী ব্যুরো 

নওগাঁর আত্রাইয়ে করোনা ক্রান্তী কালে যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) রাফিউল ইসলাম রাফির উদ্যোগে ঈদ সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা নবাবের তাম্বু হাই স্কুল চত্বরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ৩শ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ এবাদুর রহমান প্রামানিক। এসময় উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, প্রচার সম্পাদক ও পাঁচপুর ইউপি চেয়ারম্যান আফছার আলী প্রাং, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শেখ হাফিজুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ,পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১এর পরিচালক মুকুল উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন রাফিউল ইসলাম ...

উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নে কর্মহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদাণ

উল্লাপাড়া  সদর ইউনিয়নে কর্মহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদাণ


মাসুদ রানা
সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ 
উল্লাপাড়া  সদর  ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। 
প্রত্যেক পরিবার কে সামাজিক দূরত্ব  বজায়  রেখে  ১০কেজি চাউল,চিনি ৫০০ গ্রাম , লাচ্ছা সেমাই  এক  প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে ১০ টায়  উপজেলার সদর  ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে হতদরিদ্র  ৫৮০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী  উপহার তুলে  দেন  ইউপি  চেয়ারম্যান  মোঃ  আব্দুল সালেক।  
এবিষয়ে  ইউপি  চেয়ারম্যান  মোঃ আব্দুল সালেক   বলেন,  করোনা ভাইরাসের দূর্যোগ মূহুর্তে  দেশ রত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমার রাজনৈতিক অভিভাবক সিরাজগঞ্জ-৪ উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম এর দিক-নির্দেশনায় সার্বক্ষনিক এলাকায় জনসচেতনতা মূলক প্রচার প্রচারণা ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি।
যতদিন এই মহামারী থেকে মুক্তি না পাই ততদিন জনগণের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে যাব ইনশা আল্লাহ। সবাইকে সরকারের নির্দেশনা যথাযথ মেনে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে ঘরে থাকাররও আহবান জানান তিনি।তিনি আরও  বলেন,  আমি আমার ইউনিয়নের মানুষের কথা চিন্তা করে ব্যক্তিগতভাবে ৬ শত   পরিবারের  মাঝে  খাদ্য  সামগ্রী  বিতরণ  করেছি। আমার ইউনিয়নের কোনো গরিব মানুষ না খেয়ে থাকবে না। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিভিন্ন  আবাসস্থল  গিয়ে গিয়ে  করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন  সচেতনতা  মূলক  উপদেশ দেন  এবং করোনা ভাইরাস সংক্রমণের অনেকটা ঝুঁকি জীবাণু  নাশক  স্প্রে, মাস্ক,  হ্যান্ডওয়াশ দেওয়া হয়েছে। 
এসময়ে  উপজেলা  উচ্চ  মাধ্যমিক  শিক্ষা  অফিসার  মোঃ  শফিকুল ইসলাম ,ইউপি সচিব  শামসুল  হক , ইউপি সদস্য  জাহাঙ্গীর  হোসেন  বকুল,ইউপি সদস্য মোছাঃ রাশিদা খাতুন, ইউপি সদস্য আমিনুলজামান অলক, ইউপি সদস্য  দেলোয়ার  হোসেন সহ অন্যান্য ইউপি সদস্য বৃন্দ  উপস্থিত  ছিলেন ।

দিনাজপুরে বিএনপি নেতা ফজলুল রশিদের উদ্যোগে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

দিনাজপুরে বিএনপি নেতা ফজলুল রশিদের উদ্যোগে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ


প্রতিনিধি দিনাজপুর ॥ দিনাজপুর সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুর রশিদ ফজলু’র উদ্যোগে ও ইউনিয়ন বিএনপির সার্বিক সহযোগিতায় করোনাভাইরাস প্রতিরোধের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া এক হাজার গরিব অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বেলা ১১টায় পুলহাট কেবিএম কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে করোনা প্রতিরোধের কারণে কর্মহীন গরিব অসহায় মানুষের হাতে এসব খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড. মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল। 
এ সময় জেলা বিএনপির অপর যুগ্ম আহবায়ক হাসানুজ্জামান উজ্জল, কোতয়ালী বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি রুহুল আমিন, আউলিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আফজাল হোসেন, সহসভাপতি  মোকাদ্দেসুর রহমান তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আনোয়ার সাদাত সাগর, বিএনপি নেতা আরাফাত হোসেন, রাজু আহমেদ, বিপ্লব বাবু, মাসুদ, তোফাজ্জল হোসেনসহ ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

দিনাজপুর বিএনপির উদ্যোগে কর্মহীন গরিব মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

দিনাজপুর  বিএনপির উদ্যোগে কর্মহীন গরিব মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ


প্রতিনিধি দিনাজপুর : দিনাজপুর কোতয়ালী বিএনপির উদ্যোগে ৩নং ফাজিলপুর ও ২নং সুন্দরবন ইউনিয়নে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের কারণে কর্মহীন ও গরিব অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। 
দিনাজপুর সদর উপজেলার রানীগঞ্জ এহিয়া হোসেন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে ফাজিলপুর ইউনিয়নের কর্মহীন ও গরিব অসহায় মানুষের হাতে এসব খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন বিএনপির রংপুর বিভাগীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। 
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধান অতিথি মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমান মহামারি করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে সকলকে সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারী নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। তাহলে আমরা সবাই এই প্রাণঘাতি ভাইরাস থেকে বাচঁতে পারবো। আপনারা সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সবাইকে এই প্রাণঘাতি ভাইরাস থেকে রক্ষা করেন। এ সময় তিনি সমাজের সামর্থবান সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এসব গরিব অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়ানোর আহবান জানান। 
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ¦ মাহবুব আহম্মেদ, হাসানুজ্জামান উজ্জল, কোতয়ালী বিএনপির সভাপতি ও আস্করপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. আবু বকর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক ও দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মুরাদ আহম্মেদ, ৩নং ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজপুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ মন্ডল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলাই বসাক, মো. রফিকুল ইসলাম, কোতয়ালী বিএনপির সদস্য মো. জুয়েল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ফারুক হোসেনসহ ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে সুন্দরবন ইউনিয়নের রামডুবি মোড়ে সুন্দরবন ইউনিয়নের গরিব অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সুন্দরবন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আবু বকর সিদ্দিকসহ ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দিনাজপুর কোতয়ালী বিএনপির ১০টি ইউনিয়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রবিবার ফাজিলপুর ও সুন্দরবন ইউনিয়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এই দু’টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ শতাধিক কর্মহীন ও গরিব অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কুমিল্লার তিতাসে লকডাউন কার্যকর করতে হার্ডলাইনে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসে লকডাউন  কার্যকর করতে হার্ডলাইনে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি



শাহ আলম জাহাঙ্গীর
কুমিল্লা ব্যুরো

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর করতে হার্ডলাইনে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি।  আজ  
বুধবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার তাঁর কার্যালয়ে লকডাউন বিষয়ে বলেছেন, এই মূহুর্তে তিতাস উপজেলা থেকে কেউ বাইরে যাবে না এবং প্রবেশও করতে পারবে না। 
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইতি মধ্যে আরো কঠোর করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
যদি কেউ বাইরের যে কোনো স্থান থেকে আসেন তাকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে রাখা হবে, আর স্থানটি নির্বাচিত করা হয়েছে গাজীপুর খান বহু মূখী মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ কে। উপজেলার 
প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া মহল্লায় গ্রাম পুলিশ, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার বৃন্দ খবর রাখবেন কে নতুন করে গ্রামে এসেছে এবং তাৎক্ষনিক ওই ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে নিজস্ব বিছানাপত্র সহ।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সরকার স্বাস্থ্য বিধির গাইডলাইন দিয়েছে এগুলো অনেকেই মানছে না। অনেকেই বেড়ান-খেলান, শপিং ও আড্ডাবাজিতে থাকতে চায়। অথচ সারা পৃথিবীতে মৃত্যুর মিছিল, আমাদের দেশে ডাক্তার, পুলিশ ও সাংবাদিক সহ বহু লোক আক্রান্ত এবং মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছে। 
তিনি সকলকে সতর্ক করে বলেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন এখানে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা কর্মচারী আক্রান্ত। এই মূহুর্তে যে কেউ আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা বা কুমিল্লায় রেফার করবে এটাও সম্ভব না, তাই যে যেখানে আছেন ওখানেই থাকাই শ্রেয়। আর যদি কেউ আসে তাহলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন। 
এদিকে গাজীপুর খান বহু মূখী মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজের পুরাতন ভবনটি কোয়ারান্টাইনের জন্য নির্বাচিত করতে এলাকা বাসীর পক্ষে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের যুক্তি হলো নতুন ভবন সংলগ্ন আবাসিক বাসা বাড়ি থাকায় কোয়ারান্টাইনে যারা থাকবেন তাদের হাঁচি-কাশি ও থুতু ফেললে প্রতিবেশীরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর করতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার দুপুরে উপজেলার প্রবেশ স্থল জিয়ার কান্দি সেতুতে কর্তব্যরত পুলিশ প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করেন।
এই সেতুতে দু'টি চেকপোস্ট রয়েছে, তিতাস প্রান্তে একটি ও দাউদকান্দি অংশে একটি।

কয়রায় বাড়ছে বৃষ্টিপাত জোয়ারের পানি উপকূলীয় জনপদের মানুষদের নেওয়া হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র

কয়রায় বাড়ছে বৃষ্টিপাত জোয়ারের পানি  উপকূলীয় জনপদের মানুষদের নেওয়া হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র



মোহাঃ ফরহাদ হসেন কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
    সমুদ্রে চোখ রাঙাচ্ছে সুপার সাইক্লোন আম্ফান। উপকূল জুড়ে ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত জারি থাকলেও দিনভর কখনও ঘন কালো মেঘ আবার কখনও সাদা মেঘের ভেসে বেড়ানোর দৃশ্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। 

বুধবার সকাল থেকে থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। দুপুর নাগদ ভারি বর্ষণ শুরু হয়ে কিছুক্ষণ পর থেমে যায়। দমকা বাতাসের সঙ্গে থেমে থেমে ভারি বর্ষণ এই রির্পোাট লেখার সময় পর্যন্ত অব্যহত ছিল। ঝড়ো বাতাস বইছে, এ কারণে জনমনে আতঙ্ক বেড়ে গেছে। এ ছাড়া বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়রার নদী পাড়ের মানুষ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। 

উপজেলার দক্ষিন বেদকাশি ইউনিয়নের হারেজখালী, বিনাপানি, উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের গাজীপাড়া বেড়িবাধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করার উপক্রম হয়ে পড়ে। গাতিরঘেরি, গাববুনিয়া, গাজিপাড়া, কাটকাটা,কয়রা সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর কয়রা, ৪ নম্বর কয়রার পুরাতন লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকা, মদিনাবাদ লঞ্চ ঘাট, ঘাটাখালি, হরিণখোলা, গোবরা, মহারাজপুর ইউনিয়নের উত্তর মঠবাড়ি, দশালিয়া, লোকা। মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের কালিবাড়ি, নয়ানি, শেখেরটেক এলাকার বেড়িবাঁধ রয়েছে মারত্মক ঝুকিপুর্ন। উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে খোলা হয়েছে সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। 



উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা জানান, দুর্যোগ প্রস্তুতি কমিটির জরুরী সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কয়রা উপজেলার  উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ঘূর্ণিঝড়ের সর্তকতা জানিয়ে মাইকিং করা হচ্ছে। এ ছাড়া  কয়রায় ১১৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র ইতিমধ্যে ৪০ হাজার মানুষ আশ্রয় গ্রহন করেছে। এর মধ্যে ৮০ টি আশ্রয়কেন্দ্রে খিছড়ি রান্না করে খাবার ব্যবস্থা গ্রহন করার পাশাপাশি শুকনো খাবার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ১৪ টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা রয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাফর রানা বলেন, ঘুর্নিঝড় পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সিপিপির মাধ্যমে উপজেলার ১ হাজার ৪০ জন  স্বেচ্ছাসেবক মাঠে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জানিয়ে তারা নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং করে তারা স্থানীয় আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে।


উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান আলহজ্ব এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ এর সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, সার্বক্ষনিক কয়রা অবস্থান করে মানুষের জানমাল রক্ষায় দিন রাত কাজ করছে। তিনি সকালে বিভিন্ন ঝুকিপুর্ন বেঁড়িবাধ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন জন্য পাউবোর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

হবিগঞ্জে হঠাৎ অস্থির মাংসের বাজার

হবিগঞ্জে হঠাৎ অস্থির মাংসের বাজার



লিটন পাঠান হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুর বাজারে সক্রিয় অসাধু মাংস ব্যবসায়ীরা দাম নির্ধারণ না করে দেয়ায় তারা প্রথম রোজা থেকে প্রতিকেজি গরুর মাংসে ৫০ টাকা বাড়িয়ে দেয়,

১০ রোজা থেকে ২৬ রোজা কেজিতে ১০০ বাড়িয়ে বিক্রি করছে মাধবপুরে উপজেলা বাজারে বুধবার (২০-মে) সকালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি ৬০০ থেকে সর্বোচ্চ ৬৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা দুই মাস আগেও বিক্রি হয়েছে ৫০০-৫২০ টাকা, 

এদিকে শুধু গরুর মাংস নয়, কার সাজি করে রমজানের আগেই প্রতিকেজি খাসির মাংসে ১০০ টাকা বাড়িয়ে ৯০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে এছাড়া বাড়ানো হয়েছে দেশি ও ব্রয়লার মুরগির দাম মাংসের বাজারের এই পরিস্থিতি দেখে হতাশ ক্রেতারা,
                                                           মাধবপুর বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৬০০-৬৫০ টাকা, যা মার্চে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৬৬০ টাকা এপ্রিল মাসে প্রতিকেজি গুরুর মাংসে ৫০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকা কেজি,

মাধবপুর বাজারে মাংস কিনতে আসা  ডিএসবির এসআই সাইকুল ইসলাম সুজন, গণমাধ্যমকর্মী  লিটন পাঠান কে  বলেন গরুর মাংসের দাম বাড়ছেই অসাধুরা দাম বাড়ানোর জন্য রমজান মাসকে টার্গেট করে
তারা এ সময় দাম বাড়িয়ে দিয়ে পরে এক বছর বাড়তি দরেই বিক্রি করছে এছাড়া এভাবে আরেক রমজান মাস এলে আবার দাম বাড়ায়, যা এক ধরনের প্রতারণা,

এ কারনে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা এখন মাংস কিনতে পারছে না গরুর মাংস এখন উচ্চবিত্তের খাবার হয়ে গেছে মাধবপুর বাজারের মাংস বিক্রেতা মোঃ জাহের মিয়া বলেন, আমি প্রতিকেজি গরুর মাংস ৫৮০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি,

মাধবপুর বাজারে গরুর সরবরাহ কম তা বলা যাবে না তবে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করছে অনেকেই ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।

হবিগঞ্জ সরকারি গুদামে মধ্যস্বত্বভোগীর ধান বঞ্চিত কৃষক

হবিগঞ্জ সরকারি গুদামে মধ্যস্বত্বভোগীর ধান বঞ্চিত কৃষক


লিটন পাঠান হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের পর শুরু হয়েছে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহের কার্যক্রম। প্রক্রিয়ায় রয়েছে উন্মুক্ত লটারীর ব্যবস্থাও কিন্তু তালিকা হালনাগাদ এবং মাঠ পর্যায়ে তদারকীর অভাবে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রকৃত কৃষকরা। সরকারের গুদামে যাচ্ছে মধ্যসত্যভোগীদের ধান। ফায়দা লুটছেন জনপ্রতিনিধি, তাদের আত্মীয় এবং অন্য পেশার লোকজন। এমন চিত্রই উঠে এসেছে হবিগঞ্জ জেলায় কৃষকদের কাছ থেকে সরকারের বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে। অভিযোগ রয়েছে কার্ডধারীদের অল্প টাকা দিয়ে অসাধু লোকদের রমরমা বাণিজ্যেরও। লোকবল সংকটের কারণে মাঠ পর্যায়ে পুরোপুরি যাচাই করা যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

জানা গেছে, হবিগঞ্জ জেলায় এবার ২০ হাজার মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করছে সরকার। দাম নির্ধারণ হয়েছে প্রতি কেজি ২৬ টাকা। গেল কয়েকদিনে সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ১০০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে বানিয়াচং উপজেলার দু’টি ইউনিয়ন থেকে ৩৫ কার্ডের বিপরীতে এসেছে ৭০ মেট্রিক টন। যাদের ৩০ জনই কাগাপাশা ইউনিয়নের।

ওই ইউনিয়নে উন্মুক্ত লটারী কার্যক্রমে অংশ নেন ৬৫০ কার্ডধারী। নির্বাচন করা হয় ২১৫টি কার্ড। ইতোমধ্যে ৩০টি কার্ডের বিপরীতে ধান এসেছে ৬০ টন। অন্যদিকে ৩০ কার্ডধারীর মধ্যে ১৪ জনই প্রকৃত কৃষক না বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজন। মধ্যসত্যভোগীরা কার্ডপ্রতি ৫০০ অথবা ১ হাজার টাকা দিয়ে নিজেদের ধান দিচ্ছেন সরকারের গুদামে। এমনটাই দাবি করেছেন জনপ্রতিনিধিরা।

লটারী বিজয়ীদের তালিকায় রয়েছেন ওই ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের দীপন দাশ, ধনঞ্জয় দাশ, সুরঞ্জিত দাশ, রামমোহন নাগ, রীনা রানী দাশ, মিহির সরকার, জলাই মিয়া, রিজিয়া বেগম ও হাফিজুর রহমান; কাগাপাশার রঞ্জু সরকার ও অপু মিয়া এবং বাগাহাত গ্রামের শাফির উদ্দিন, ফারুক মিয়া ও কামাল মিয়া।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এদের মধ্যে শাফির উদ্দিন ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য, রামমোহন নাগ পল্লী চিকিৎসক এবং রিজিয়া বেগম একজন এনজিও কর্মী। বাকী ১১ জনের কেউই বর্তমানে কৃষি কাজের সাথে জড়িত না।

উপকারভোগী ধনঞ্জয় দাশ বলেন, তার স্ত্রী সাবেক নারী ইউপি সদস্য। বর্তমানে তিনি অসুস্থ। ছেলে দোকান কর্মচারী। চাষ করেননি জমিও। অন্য একজনের নিকট থেকে দুই টন ধান ক্রয়ের পর সরকারিভাবে বিক্রি করেছেন তিনি। জমি চাষ না করেও কিভাবে ধান বিক্রয় করলেন জানতে চাইলে সদোত্তর দিতে পারেননি এদের আরো কয়েকজন।

তবে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল কাশেম চৌধুরী বলেছেন, এদের কার্ড ব্যবহার করে গুদামে ধান বিক্রয় করেছেন মধ্যসত্যভোগীরা। মৌসুম আসলেই ১ হাজার অথবা ৫০০ টাকা দিয়ে কার্ড হাতিয়ে নেয় ওই চক্রটি।

জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও কৃষককে বঞ্চিত করে নিজে সুবিধা কেন নিলেন জানতে চাইলে ইউপি সদস্য আলতাব আলী বলেন, সরকারি নিয়মানুযায়ী লটারীর মাধ্যমে আমি এবং আমার ভাতিজা ধান বিক্রি করেছি।
এ ব্যাপারে কাগাপাশা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু কাউছার বলেন, ধান না থাকলেও অনেক কার্ডধারীকে ব্যবহার করে গুদামে ধান দিচ্ছেন মধ্যসত্যভোগীরা। জনবল কম থাকায় মাঠ পর্যায়ে বেশী তদারকী করা যাচ্ছে না। অন্যত্র থেকে লোকজন এসে কার্ড ক্রয়ের মাধ্যমে ধান বিক্রি করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যোগাযোগ করা হয় লটারী বিজয়ী আরো দু’টি ইউনিয়নের ৩ কার্ডধারীর সাথে। এদের মধ্যে দু’জন একই পরিবারের সদস্য অকৃষক এবং অন্যজন পেশায় রাজমিস্ত্রী। তাদের ঘরে নেই বিক্রয়যোগ্য ধান। কিভাবে লটারী বিজয়ী হলেন তাও জানেন না তারা। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের কার্ড ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রয়েছে বলে জানান।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য গুদামের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করলে দেখা যাবে অন্তত ৪০ শতাংশ কার্ডধারীই অকৃষক। যাদেরকে ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে মধ্যস্বত্বভোগীরা।

এদিকে ২৬ টাকা কেজি দরে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে হবিগঞ্জ জেলায় ২০ হাজার মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করছে সরকার। যার মূল্য হয় ৫২ কোটি টাকা। অথচ কিছুদিন পূর্বেও হবিগঞ্জে ধানের বাজার দর ছিল সর্বোচ্চ ১৪ টাকা কেজি। এতে ২০ হাজার মেট্রিক টনের মূল্য হয় ২৮ কোটি টাকা। তখনই ধান ক্রয় করে একটি সিন্ডিকেট।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা কৃষক লীগ সভাপতি হুমায়ুন কবীর রেজা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের সুবিধা নিশ্চিতে ২৬ টাকা কেজি দরে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চালু করেছেন। অথচ প্রতি বছরই এক শ্রেণীর অসাধু লোক সিন্ডিকেট করে হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকা। এদের সাথে জড়িত থাকেন দায়িত্বশীলরাও। সেজন্য লটারী কার্যক্রমে শুধু কার্ডের নাম্বার ব্যবহার না করে কার্ডধারীর নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার যুক্ত করা উচিত। এছাড়া উন্মুক্ত লটারীর পর তালিকা সঠিকভাবে যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় টানিয়ে দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২১৪ জন সর্বোচ্চ ১৬১৭ শনাক্ত, মৃত্যু ১৬ জনের

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২১৪ জন সর্বোচ্চ ১৬১৭ শনাক্ত, মৃত্যু ১৬ জনের


রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬১৭ জন শনাক্ত, মৃত্যু ১৬ জনের
করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ৩৮৬ জন মারা গেলেন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৬১৭ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৬ হাজার ৭৩৮ জনে।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি নতুন একটিসহ মোট ৪৩টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্তে আরও ১০ হাজার ২০৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৩ হাজার ৮৫২টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ৬১৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৭৩৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ১৬ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২১৪ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচ হাজার ২০৭ জন।

তিনি করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান বুলেটিনে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে খাদ্যশস্য বিতরণ করলেন- আব্দুল ওদুদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে খাদ্যশস্য বিতরণ করলেন- আব্দুল ওদুদ


মো:শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে আজ সকাল‍ ১১ঃ৩০ মিনিটে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও করোনা ভাইরাসে বেকার হয়ে যাওয়া নারী পুরুষ ২৯০ জন কর্মহীন পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয় । করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং সবাইকে বেশি বেশি করে ২০ থেকে ২৫ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে বলেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুল ওদুদ, জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম ও জেলা পরিষদ সদস্য কাজলেমা খাতুন ও স্থানীয় গণ্যমান্য আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

সাতক্ষীরায় ৬ বছরের শিশু করোনায় আক্রান্ত!

সাতক্ষীরায় ৬ বছরের শিশু করোনায় আক্রান্ত!


আজহারুল ইসলাম সাদী, সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরায় ৬ বছরের  এক শিশু করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।
এ নিয়ে জেলায় ৩০ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হলেন।
আক্রান্ত শিশুর নাম মিম, তার বাড়ি কলারোয়া উপজেলার দাড়কি গ্রামে।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, সম্প্রতি তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আজ বুধবার ২০ মে-২০২০ দুপুর ২ টার সময় মিমের শরিরে করোনা পজিটিভের রিপোর্ট আসে। শিশুটি বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন।

সৃজন সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্যদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ

সৃজন সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্যদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ


 রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতে সংগঠনের সদস্যদের পাশে দাড়িয়েছে সৃজন সাংস্কৃতিক পরিষদ। সংগঠনের সক্রিয় সদস্যদের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ভালোবাসার উপহার স্বরূপ আজ ২০ শে মে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিতরণ করা হয়। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সহযোগীতায় উপহার বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে ভালোবাসার উপহার সামগ্রী সৃজন সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্য- সদস্যা,সিনিয়র সদস্যদের হাতে তুলে দেন নিউজ চাটগাঁ পত্রিকার সম্পাদক ও সৃজন সাংস্কৃতিক পরিষদের উপদেষ্টা হারাধন চৌধুরী। সংগঠনের সভাপতি অভিষেক চৌধুরী’র পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সলিল আচার্য্য, আন্না ভট্টাচার্য্য, দীপঙ্কর দাশগুপ্ত, উজ্জল চক্রবর্ত্তী, আজীবন সদস্য অসীমা চৌধুরীসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে মানুষকে সচেতন করতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের পাশে দাড়াঁনো একটি মহৎ কাজ।  সংগঠনটি করোনা ভাইরাস সচেতনতায় প্রথম থেকে মাস্ক বিতরণ, লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

পবিত্র শব-ই-কদর আজ

পবিত্র শব-ই-কদর আজ

নিউজ ডেস্কঃ  

আজ ২০ মে বুধবার দিবাগত রাতে পবিত্র শব-ই-কদর। মুসলমানদের কাছে শব-ই-কদর অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। এই রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

‘শব-ই-কদর’ ফারসি শব্দ। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। শব-ই-কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শব-ই-কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর অর্থাৎ সম্মানিত রাত। যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এবার ঘরে থেকেই রাত জেগে নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে কদর পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, অন্যান্য সময়ে এক হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়, শব-ই-কদরের রাতে ইবাদত করলে তার চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। এই রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানবজাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে এই রাত অতীব পুণ্যময় ও মহিমান্বিত।

২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাতে কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর আসে বলে আলেমদের অভিমত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবেন।

কাফনের কাপড়ের কোন পকেট নাই- হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি

কাফনের কাপড়ের কোন পকেট নাই- হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি


দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। এর ফলে অনেক মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে।  এখনো অনেক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনসচেতনতামুলক নির্দেশনা সত্তেও মানুষ যেভাবে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তা ঘাটে বাজারে যাতায়াত বৃদ্ধি করছে তাতে ভবিষ্যতে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সংক্রামনের আশঙ্খা বাড়ছে। মানুষ যদি এখনো সচেতন না হয় তাহলে করোনা বিস্তার রোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এখনো করোনার কোন ভ্যাকসিন আবিস্কৃত হয়নি। তিনি বলেন, এই সযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী এবং কি ঔষুধসহ চিকিৎসা সামগ্রী মুল্য বৃদ্ধি করে অধিক মুনাফা লাভে ব্যস্ত। করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্বের অর্থনীতিকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। শুধু মাত্র অর্থবৃত্ত দিয়ে এই করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রান পাওয়া যাচ্ছে না। মৃত্যুর পর আমরা কেউই অর্জিত সম্পদ সাথে নিয়ে যেতে পারবো না।  আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। কাফনের কাপড়ের কোন পকেট নাই। 
২০ মে বুধবার দিনাজপুর একাডেমি স্কুল প্রাঙ্গণে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় ও দরিদ্র সেলুন শ্রমিক এবং বাবুর্চি শ্রমিক ৫০০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালে এসব কথা বলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। এসময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি চিত্ত ঘোষ, শহর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রায়হান কবির সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান রাজু প্রমুখ।

২ জন পুরাতনসহ দিনাজপুরে নতুন ৩ জন করোনা আক্রান্ত শণাক্ত

২ জন পুরাতনসহ দিনাজপুরে নতুন ৩ জন করোনা আক্রান্ত শণাক্ত


দিনাজপুর  প্রতিনিধি :২ জন পুরাতনসহ দিনাজপুরে নতুন ৩ জন করোনা আক্রান্ত শণাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৩ জনই নতুন এবং কাহারোল ও পার্বতীপুর উপজেলায় ১ জন করে পুরাতন করোনা আক্রান্তের শনাক্ত রির্পোট এসেছে। এনিয়ে জেলায় ৫ জনের করোনা (কোভিড-১৯) পজিটিভ এসেছে। 

এ নিয়ে দিনাজপুর জেলায় (কোভিড-১৯) পজিটিভ সংখ্যা সর্বমোট পূর্বে ৯৩ + ৫ (বর্তমানে) = ৯৮ জন এর মধ্যে ৭৩ জন পুরুষ ও ২২ জন মহিলা এবং ৩ জন শিশু।

মঙ্গলবার রাত ৮ টায় দিনাজপুর সিভিল সাজর্ন মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ জানান, জেলায় ৫ জনের মধ্যে দিনাজপুর সদরে কাঞ্চন কলোনী ১ জন পুরুষ বয়স ২৫ ও ২ জন মহিলার মধ্যে ১ জন ৭ নং নিউটাউন পৌরসভাতে বয়স ১৮ আর ১ জন ৩নং ফাজিলপুর ইউনিয়ন কবিরাজপাড়াতে বয়স ২৭ এবং কাহারোল উপজেলায় ১ জন পুরুষ বয়স ২০ ও পার্বতীপুর উপজেলায় ১ জন পুরুষ বয়স ৭০ বৎসর। বর্তমানে সকলে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন।

গত ২৪ ঘন্টায় ৬৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য মেডিকেল কলেজের পিসিআর-টি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ল্যাব থেকে মোট ৯২ জনের নমুনার ফলাফল পাওয়া গেছে এর মধ্যে ৫ টি নতুন করোনা (কোভিড-১৯) পজিটিভ ও পূর্বের রোগীর ২ টি ফলোআপ পজিটিভ এসেছে আর বাকী ৮৫ টি ফলাফল নেগেটিভ। অদ্যাবধি ল্যাবটেরিতে প্রেরিত নমুনার সংখ্যা ২২০১ টি এবং অদ্যাবধি ফলাফল পাওয়া নমুনার সংখ্যা ২১৭০ টি। 

সর্ব মোট ৯৮ জন ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর মধ্যে (দিনাজপুর সদর-২৮ জন, কাহারোল-৮ জন, বোঁচাগঞ্জ-৬ জন, ফুলবাড়ী-২ জন, পার্বতীপুর-৬ জন, নবাবগঞ্জ-৬ জন, ঘোড়াঘাট-১৯ জন, হাকিমপুর-২ জন, চিরিরবন্দর-১ জন, বিরল-৯ জন, বিরামপুর-৪ জন, বীরগঞ্জ-৬ জন ও খানাসামা-১ জন)  মোট ১৩টি উপজেলায়। 

বর্তমানে মোট ১৪ জন সুস্থ হয়েছেন তার মধ্যে সদরে-৫ জন, ফুলবাড়ী-১ জন, নবাবগঞ্জ-৩ জন, পার্বতীপুরে-১ জন, কাহারোল-১ জন, হাকিমপুর-১ জন, বোঁচাগঞ্জে-১ জন এবং সর্বশেষ ঘোড়াঘাট-১ জন। মৃত্যু বরন করেছেন ১ জন।
বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ৭৫ জন, অদ্যাবধি প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ৩ জন এবং এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি-৫ জন। 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুসারে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৭৭৮৬ জনের মধ্যে ৫৭৯২ জন সুস্থ থাকায় অব্যাহতি পেয়েছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা দাড়িছে ১৯৯৪ জন।
ত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে দিনাজপুর জেলায় ২৩৩ জন হোম কোয়ারেন্টাইন গ্রহন করেছে। অদ্যাবধি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে প্রেরিত হয়েছেন ২৫০ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থেকে অব্যাহতি পেয়েছে ১৭৬ জন। বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৭৪ জন।

উল্লেখ্য গতকাল দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চার জেলার সর্বমোট ১৮৮টি নমুনার ফলাফল হয়েছে তার মধ্যে ১২টি পজিটিভ এবং ২টি ইনভেলিড আর ১৮৬ টি ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।

সিংড়ায় অজ্ঞাত রোগে মারা গেলো ২২ শ মুরগী, খামারি সর্বশান্ত

সিংড়ায় অজ্ঞাত রোগে মারা গেলো ২২ শ মুরগী, খামারি সর্বশান্ত



রাজু আহমেদ, সিংড়া: 
নাটোরের সিংড়ায় বড় বারোইহাটি গ্রামে অজ্ঞাত রোগে ২২ শ লেয়ার মুরগী মারা যাওয়ায় সর্বশান্ত খামারি সাবেক ইউপি মেম্বার আব্দুল করিম সরদার।

মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর দুটি খামারে মুরগী মরে পড়ে আছে।

জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে বাড়ির পাশে পোল্ট্রি মুরগীর খামার গড়ে তোলেন 
আব্দুল করিম। 
তাঁর তিনটি খামার রয়েছে, এর মধ্য দুটি খামারের মুরগী ৭ দিন থেকে মারা যাচ্ছে।
কি কারনে মারা যাচ্ছে তা বলতে পারছে না।

আব্দুল করিম বলেন, আমার তিনটি খামারে প্রায় তিন হাজার মুরগী ছিলো।
গত ৭ দিন থেকে মুরগী মারা যাচ্ছে।
মুরগী মারা যাওয়ায় লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। অজ্ঞাত রোগে মুরগী গুলো মারা যাচ্ছে। এতে প্রায় ৫/৬ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। 

প্রতিবেশিরা জানান, আব্দুল করিম প্রবীণ আওয়ামীলীগের একজন কর্মী। বর্তমানে দলে তাঁর মূল্যয়ন নাই। ৫ বছর ইউপি মেম্বার হয়ে ঘরের টিনের চালাই রয়ে গেছে। হঠাৎ কয়দিন থেকে তাঁর খামারের মুরগী মারা যাচ্ছে।  

এবিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: গৌরাঙ্গ তালুকদার জানান, এ বিষয়ে আমার জানা ছিলো না। তাঁর খামারের মুরগী পরীক্ষা করে দেখতে হবে কেনো মারা যাচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান গামব্রু রোগে মারা যাচ্ছে বলে তিনি জানান।


সিরাজগঞ্জ সদরে নিজস্ব অর্থায়েনে ঈদ সামগ্রী বিতারণ রতনকান্দির চেয়ারম্যান -আনোয়ার হোসেন

সিরাজগঞ্জ সদরে  নিজস্ব অর্থায়েনে ঈদ সামগ্রী বিতারণ  রতনকান্দির চেয়ারম্যান -আনোয়ার হোসেন


মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা রতন কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  আনোয়ার হোসেন নিজস্ব অর্থায়নে স্থানীয় ১৩৫ জন  হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। বুধ বার ২০মে সকালে  তার নিজ বাড়িতে  সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চাল,ডাল,দুধের প্যাকেট,সেমাই,চিনি,সয়াবিন তেল লাচ্ছ  বিতারণ করেন। মানবতার ফেরিওয়ালা  চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিকনির্দেশনা ও কাজিপুর ১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি এবং তানভীর শাকিল জয়এর সার্বিক সহযোগিতায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের কার্যক্রম অবহ্যত রয়েছে । এ ছাড়াও সাধ্য মত ব্যক্তিগত ভাবে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছি । তিনি আরও বলেন , বিশ্বে মহামারি ভাইরাস করানো থেকে নিজেকে নিরাপদে রাখতে সবসময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান করুন। এ অবস্থায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ভিক্ষুক, দিনমজুর, নিম্ন বৃত্ত কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার । তিনি আর ও বলেন আমি আমার রতনকান্দির মানুষ কে সু রক্ষা রাখার জন্য এই মহামারী করোনা ভাইরাস এর ভয়াল থাবা থেকে নিরাপদ রাখার জন্য দিন রাত সচেতন মুলক কাজ করে যাচ্ছি এবং এ কাজ অব্যহত থাকবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেম্বার খোসলেহাজ,প্রভাষক রিবন মুন্টু,আঃছামাদ মাষ্টার প্রমুখ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজারামপুর মালোপাড়ায় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজারামপুর মালোপাড়ায় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!


মো:শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
বুধবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের রাজারামপুর মালোপাড়ায় একটি ধানখেতের পাশে আম গাছ থেকে গলায় দঁড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নি। তবে তার বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এটি নিশ্চিত করেছে একটি সূত্র। সে ঐ এলাকায় একটি ইটভাটায় শ্রমিক ছিল বলেও জানা গেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী শামসুল নাঈম, কাজি গালিব হোসেন ও এসআই মো. ইয়াছিন আরাফাত এ প্রতিবেদককে জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় গলায় দঁড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে এক ব্যক্তি। সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী লাশটি দেখে থানায় খবর দেয়। ঘটনাস্থল থেকে মোবাইল ও কিছু টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সকাল ৮ টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন এসআই মো. ইয়াছিন আরাফাত।
কপোত নবী

হবিগঞ্জে থেমে নেই মানুষের ঈদযাত্রা

হবিগঞ্জে থেমে নেই মানুষের ঈদযাত্রা


লিটন পাঠান হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। তবে থেমে নেই মানুষের ঈদযাত্রা আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে, হবিগঞ্জের মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। ঢাকাসহ আশপাশের জেলা গুলো থেকে ইতোমধ্যেই বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। বুধবার (২০ মে) সকালে মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের ভেঙে ভেঙে বাড়ি যাওয়ার।

প্রতিযোগিতা। বাড়তি ভাড়া দিয়ে লেগুনা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চড়ে তারা ছুটছেন নিজ নিজ গন্তব্যে সরেজমিনে দেখা গেছে, গণপরিবহন বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে   মাধবপুর উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় রীতিমত বসেছে লেগুনা, সিএনজি আর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সকাল ভোর থেকে রাত পর্যন্ত যাত্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে লেগুনা অথবা সিএনজিতেও হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। তবে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের
এ সময় ঢাকা থেকে আসা এক যাত্রী জানান।

বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তারা। ঈদকে সামনে রেখে অফিস ছুটি থাকায় বাড়ি ফিরছেন তারা। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় এভাবে ভেঙে ভেঙে বাড়ি যাচ্ছেন। এতে তাদের বাড়তি টাকা খরচ আর সময় নষ্ট হচ্ছে। তবে পরিবার নিয়ে ঈদ করার জন্যই তাদের এই যাত্রা। মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড লেগুনা চালক ফজর আলী জানান, মাধবপুর থেকে হবিগঞ্জ পর্যন্ত জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়া নিচ্ছেন। বাড়তি ভাড়া নেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সড়কে পুলিশ আর মোবাইল কোর্টের ভয় নিয়ে মহাসড়কে চলতে হচ্ছে। এ কারণে একটু বেশি ভাড়া নিচ্ছেন।

অটোরিকশা চালক আক্তার মিয়া কবিরসহ কয়েকজন জানান, মাধবপুর বিভিন্ন স্থানে  ভাড়া জনপ্রতি ৪০ টাকা হলেও এখন তারা নিচ্ছেন ৫০ টাকা।
মাধবপুর ট্রাফিক জোনের ইন্সপেক্টর (টিআই) ফারুক আল মামুন ভুইয়া বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ঈদকে সামনে রেখে মাধবপুর মহাসড়কে যাত্রী বেড়েছে এ সুযোগে প্রাইভেটকার মাইক্রোবাস আর কেউ কেউ অসুস্থতার দোহাই দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে বাড়ি ফিরছেন।

আজ২০মে ঐতিহাসিক চা শ্রমিক হত্যা দিবস

আজ২০মে ঐতিহাসিক চা শ্রমিক হত্যা দিবস


লিটন পাঠান হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

মানব ইতিহাসের জঘন্য আর কালো এই দিবসটি ইংরেজ বেনিয়াদের নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের স্মৃতি বহন করছে। ১৮৫৪ সালে ভারতের অনুর্বর অঞ্চলে অর্থাৎ উড়িষ্যা, মাদ্রাজ, বিহার, মধ্যপ্রদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অভাবপীড়িত মানুষ অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাতো। গরিব মানুষের অর্থ সংকটের এ সুযোগটিকে সুকৌশলে কাজে
লাগায় ব্রিটিশ সরকার। সিলেটের মালিনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ধূর্ত ব্রিটিশরা 

এ অঞ্চলে প্রাথমিক ভাবে চায়ের বাণিজ্যিক চাষ শুরু করে। খুব স্বভাবিক কারণেই চা বাগান প্রতিষ্ঠার জন্য শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। ব্রিটিশ কোম্পানি উড়িষ্যা, মাদ্রাজ, বিহার, মধ্যপ্রদেশসহ আশপাশ এলাকা থেকে অভাবপীড়িত মানুষদের আর্থিক লাভের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চা বাগানে নিয়ে আসে। তাদের চা বাগানে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ করে। কোম্পানির মালিকরা এসব শ্রমিককে আসাম-সিলেট অঞ্চলের গহিন বনে নামমাত্র মজুরিতে অমানবিক কাজে বাধ্য করে। দিন-রাত খাটুনির পর যে মজুরি পেত, তা দিয়ে শ্রমিকদের 
ঠিকমতো একবেলা খাবারও জুটত না। একদিকে মালিকদের অত্যাচার-নির্যাতন অন্যদিকে।
অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়ে শ্রমিকরা মানবেতর জীবন-যাপন করতে 

থাকে। ব্রিটিশ কোম্পানির মালিক শ্রেণীর শোষণ, নির্যাতন আর মিথ্যা আশ্বাসে সৃষদ্ব দারিদ্রে্যর দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসতে শ্রমিকরা তখন ঐক্যবদ্ধ হয়। ১৯২১ সালে নিজ এলাকা বা বাসস্থানে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে শ্রমিকরা। কিন্তু মাতৃভূমিতে যাওয়ার পথ জানা ছিল না তাদের তবে।
এটুকু ধারণা ছিল চাঁদপুর থেকে স্টিমারে কলকাতা যাওয়া যায়। ১৯২১ সালের মে মাসে চা শ্রমিক নেতা পন্ডিত দেওশরণ ও পন্ডিত গঙ্গা দীক্ষিতের নেতৃত্ত্বে কাছাড়া ও সিলেটের ৩০ হাজার চা 

শ্রমিক রেললাইনের পথ ধরে হেঁটে রওনা দেয়। ২০ মে তারা চাঁদপুর নদীবন্দরে পৌঁছে। পথে খাদ্য সংকট ও রোগাক্রান্ত হয়ে নারী-শিশুসহ অনেকে মারা যায়। এদিকে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতায় বাগান মালিকরা শ্রমিকদের পথরোধ করতে চাঁদপুরে আসাম রাইফেলসের গুর্খা সৈন্য মোতায়েন করে। তবে শ্রমিকরা দাসত্ত্বের শৃঙ্খল ছিন্ন করে নিজ মাতৃভূমিতে পৌঁছার সংকল্পে অটুট ছিল। ২০ মে শ্রমিকরা স্টিমারে উঠতে চাইলে গুর্খা সৈন্যরা বাধা দেয়। তখন ঐক্যবদ্ধ শ্রমিকরা সেই বাঁধার বিরূদ্ধে বিদ্রোহ করে। শ্রমিকদের এ বিদ্রোহ দমন করতে সরকারের পক্ষে কমিশনার কিরণ চন্দ্র দেব, ম্যাজিসেদ্ব্রট সুশীল সিং, ইংরেজ মালিকদের প্রতিনিধি ফার্গুসনের নির্দেশে নির্বিচারে গুলি করে এবং হত্যাযজ্ঞ চালায় যারা। 

রেলস্টেশনে অপেক্ষা করছিল তাদেরও গুলি করে হত্যা করা হয়। চা শ্রমিকদের অগণিত লাশ মেঘনায় ভাসিয়ে দেয়া হয়। শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত হয় মেঘনা নদী। ২০ মে ইতিহাসে যুক্ত হয় আরেকটি শাসকশ্রেণী ইংরেজ বেনিয়াদের শ্রমজীবী মানুষকে পৈশাচিকভাবে হত্যার কালো ইতিহাস। শ্রমজীবী মানুষের জন্য এ দিনটি সংগ্রামের স্বজন হারানোর বেদনার একটি দিন। এ হত্যাযজ্ঞ ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিক হত্যার ঘটনাকেও হার মানায়।

ময়মনসিংহে ঈশ্বরঞ্জে প্রতিবন্ধী অসহায় শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা প্রদাণ

ময়মনসিংহে ঈশ্বরঞ্জে প্রতিবন্ধী অসহায় শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা প্রদাণ


মিজানুর রহমান ইমন, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে (১৯ মে) মঙ্গলবার ৩০ জন অসহায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে । উপজেলার শহীদ আব্দুল মতিন বিশেষ শিক্ষা একাডেমির প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে জেলা ও উপজলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের আর্থিক সহায়তায়, ৩০ জনের মাঝে ৫০০ টাকা করে বিতরণ করা হয়েছে । প্রতিবন্ধীদের মাঝে সহায়তা বিতরণ করার সময় উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবা অফিসার মিজানুল ইসলাম, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা তমালিকা চক্রবর্তী, ইশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হানিফা, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠিতা বজলুর রহমান সহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ ।

আনোয়ারায় ২হাজার ১শত পিস ইয়াবা উদ্ধার নারী সহ গ্রেপ্তার ২

আনোয়ারায় ২হাজার ১শত পিস ইয়াবা উদ্ধার নারী সহ গ্রেপ্তার ২


মোঃ আরিফুল ইসলাম 
চট্টগ্রাম,প্রতিনিধি।
আনোয়ারা উপজেলার জুইঁদন্ডী ইউনিয়নের পৃথক স্হানে অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।এ সময় তাদের কাছ থেকে ২হাজার ১০০পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন নগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ীর মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ কামরুল ইসলাম (৩০) ও আনোয়ারা উপজেলার জুইঁদন্ডী গ্রামের ছৈয়দ নুরের স্ত্রী কাঞ্চন বেগম (৪৫) 
 আনোয়ারা থানার এএসআই রেজাউল করিম জানান,একজন মাদক বিক্রেতা ইয়াবা নিয়ে অটোরিকশা করেশহরের দিকে যাচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে খুরুশকুল পুলিশ ফাড়ি এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। ওই সময় অটোরিকশা তল্লাশি করে কামরুল নামে এক ব‍্যক্তিকে ১১০০পিস ইয়াবা সহ গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জুইঁদন্ডী এলাকার এক নারী মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবাগুলো কিনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে তার তথ্য মতে ওই নারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা কারবারি কাঞ্চন বেগম কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বসত ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ফ্রিজের নিচ থেকে ১০০০পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ বলেন এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজন কে বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে।

বাউল রণেশ ঠাকুরের ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জবি মুক্তমঞ্চ পরিষদের উদ্বেগ!

বাউল রণেশ ঠাকুরের ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জবি মুক্তমঞ্চ পরিষদের উদ্বেগ!


জবি প্রতিনিধিঃ প্রখ্যাত বাউল শিল্পী রণেশ ঠাকুরের ঘরে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তমঞ্চ পরিষদ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে এঘটনায় মুক্তমঞ্চ পরিষদের সভাপতি মো. নাঈম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দেব এক যৌথ বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে বলতে চাই, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হলো বর্তমান বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক চর্চা কতটা হুমকির মুখে! এখনই যদি এই অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির বিধান না করা হয় তবে ভবিষ্যৎ-এ এমন ঘটনার পূণরাবৃত্তি ঘটবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ পরিষদ রণেশ ঠাকুরের প্রতি গভীর সমবেদনা ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছে। পাশাপাশি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা পূর্বেও অনেক ব্লগার,সাহিত্যিক এবং বাউল শিল্পীদের উপর বর্বর নির্যাতন চালানো দেখেছি। যেগুলোর উপযুক্ত শাস্তির বিধান না হওয়ার ফলেই এমন একটি ঘটনার পূণরাবৃত্তি ঘটেছে বলে আমরা মনে করি। ফলশ্রুতিতে আমরা বলতে চাই, বর্তমনা ঘটনার অপরাধীদের পাশাপাশি পূর্বের ঘটনার দোষীদেরও উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনা হোক। তা না হলে বাঙালি জাতি ভবিষ্যৎ এ সাংস্কৃতিক পরিচয় হারিয়ে ফেলবে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (১৭ মে) মধ্যরাতে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধন গ্রামে অবস্থানরত বাউল শিল্পী রণেশ ঠাকুরের আস্তানায় আগ্নি সংযোগ করা হয়। এঘটনায় রণেশ ঠাকুরের চল্লিশ বছরের সাধনার বইপত্র, বাদ্যযন্ত্রসহ তার সঙ্গীতচর্চার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে করোনা নির্ণয় ল্যাব উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে করোনা নির্ণয় ল্যাব উদ্বোধন
 
মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) নির্ণয় পিসিআর ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ভবনে ফিতা কেটে রিয়েল টাইম পলিমার চেইন রি-অ্যাকশন (পিসিআর) ল্যাবটির উদ্বোধন করেন আওয়ামীলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মেদ, পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম, সিভিল সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলাম, শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. কৃষ্ণ কুমার পাল, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহীন রেজা, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. কে এম হোসেন আলী হাসান, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা প্রমূখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তারই একটি বড় অংশ এই পিসিআর ল্যাব স্থাপন। এতে করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সিরাজগঞ্জের মানুষের করোনা ভাইরাস নির্ণয় করা সম্ভব হবে।
এ সময় অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, পিসিআর মেশিন চালুর মাধ্যমে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে সিরাজগঞ্জের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরেকধাপ এগিয়ে গেলো। ফলে কমসময়ে ফলাফল পাওয়া যাবে এবং অধিক পরিমাণে পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। সিরাজগঞ্জকে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)মুক্ত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সার্বক্ষণিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. কৃষ্ণ কুমার পাল বলেন, করোনা নির্ণয় আরটি পিসিআর ল্যাব থেকে প্রতি শিফটে ৯৪ জনের স্যাম্পল পরীক্ষা করা সম্ভব। প্রতিদিন দুই শিফটে ১৮৮ জনের করোনা নির্ণয় করা যাবে। কলেজের একাডেমিক ভবনের ৫ম তলায় এ ল্যাবটি স্থাপন করা হলো। আজ মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাবটি যাত্রা শুরু করলো।
করোনা মানেই মৃত্যু নয়, সচেতনতার মাধ্যমেই করোনা মোকাবেলা সম্ভব মন্তব্য করে অধ্যক্ষ ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজের নতুন একাডেমিক ভবনের ৫ম তলায় করোনা ভাইরাস পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রফেসর ৮জন, প্রভাষক ৮ জন, ল্যাব টেকনিশিয়ান ৮জনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে ৩১জনের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সিভিল সার্জন অফিস থেকে প্যাকেটজাত নমুনা সংগ্রহ করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে নমুনা সংগ্রহের রিপোর্ট দিতে এক সপ্তাহ সময় লাগবে। পরবর্তীতে প্রতিদিনের নমুনা সংগ্রহের রিপোর্ট প্রতিদিনই দেয়া সম্ভব হবে।

ঘুর্নিঝড় আম্পানে জনগনের পাশে আছেন কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান

ঘুর্নিঝড় আম্পানে জনগনের পাশে আছেন কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান



  মোহাঃ ফরহাদ হোসেন কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ , ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ নিয়ে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে কয়রা উপজেলার উপকূলজুড়ে। বিশেষ করে বেড়িবাঁধ ভাঙা জনপদ কয়রার ৭টি ইউনিয়নের মানুষ জলোচ্ছ্বাসের আতঙ্কে আছেন। নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধের বাইরে ও বাঁধের কাছাকাছি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। তারই ধারাবাহিতয় ঘুর্ণিঝড় অাম্পান মোকাবেলা করার জন্য সর্বক্ষণ জনগনের পাশে অাছেন  কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এইচ এম হুমায়ুন কবির। 
 তিনি  ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের জনগনের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং সদর ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ন বেড়িবাঁধ  হরিণ খোলা, গোবরা ঘাটাখালি,২নং কয়রা,মদিনাবাদ লন্চ ঘাট,হামখুড়ো ও ৪নং কয়রা ৬নং কয়রা বেড়িবাঁধ গুলো তদারকি করেন। সেই সাথে সকলের নিরপদে স্থানে  থাকার অনুরোধ করছেন।

মধুপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের দ্বিতীয় ধাপে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ প্রদান

মধুপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের দ্বিতীয় ধাপে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ প্রদান


 মো: আ: হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ-

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ১২০টি ভিক্ষুককে (সংগ্রামী সদস্য) খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক মধুপুর শাখা।

মঙ্গলবার (১৯ মে)সকালে মধুপুর গ্রামীণ ব্যাংক জোনাল অফিস  চত্তরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ওই সহায়তা প্রদান করা হয়।

গ্রামীণ ব্যাংক মধুপুর শাখার  ম্যানেজার শফিকুজ্জামান জানায়, মধুপুর জোনাল অফিসের অন্তর্ভূক্ত এ অঞ্চলের ভিক্ষা বৃত্তি থেকে ফেরানো প্রকল্পে  ৩৮৮ সংগ্রামী সদস্য (ভিক্ষুক) রয়েছে। তাদের অনেকে ভিক্ষা বৃত্তি ছেড়ে সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা করছে। এই মমহামারী করোনা সংকটের এসময়ে ওই অসহায়দের আয় রোজগার বন্ধ।  ওই কর্মহীনদের মাঝে দ্বিতীয়  ধাপে ৩৫ কেজি চাল, ৪ কেজি ডাল, ২লিটার তেল, ৮ কেজি আলু, ৪ কেজি পেঁয়াজ, ২ কেজি লবণ, ৪ টা সাবান মিলে ৩ হাজার ২শ টাকা মূল্যের সামগ্রী এবং চিকিৎসা ও সবজি কেনার জন্য নগদ ৭০০ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।   
এসময় উপস্থিত ছিলেন জোনাল ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম, অঞ্চল ব্যবস্থাপক অসীম কুমার দাস,  শাখা ব্যবস্থাপক  মুহাম্মদ শফিকুজ্জামান সেকেন্ড অফিসার আইয়ুব আলী প্রমুখ।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ভেড়িবাঁধ নিয়ে আতঙ্কিত নির্ঘুম রাত কাটছে কয়রাবাসীর

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ভেড়িবাঁধ নিয়ে আতঙ্কিত নির্ঘুম রাত কাটছে কয়রাবাসীর


  মোহাঃ ফরহাদ হোসেন কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ , ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ নিয়ে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে কয়রা উপজেলার উপকূলজুড়ে। বিশেষ করে বেড়িবাঁধ ভাঙা জনপদ কয়রার ৭টি ইউনিয়নের মানুষ জলোচ্ছ্বাসের আতঙ্কে আছেন। নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধের বাইরে ও বাঁধের কাছাকাছি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ১৯ সকাল থেকে কয়রার আকাশ কিছুটা রোদ আবার কিছুটা মেঘলা ভাবছিলো। কিছু সময় থমথমে গুমোট ভাব বিরাজ করছিলো। অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে রোজাদার মানুষের ত্রাহি অবস্থা। রাতে ছিলো থমথমে, নিস্তব্ধ ছিলোনা কোন বাতাস। একদিকে চলছে করোনার আতঙ্ক তার ওপর নতুন করে ঘুর্ণিঝড়ের আশঙ্কা—ঝুঁকিপূর্ণ বেঁড়িবাধের শঙ্কা তো সব সময় কয়রা উপকূলের লেগেই আছে এ নিয়ে উপজেলার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক-শঙ্কা চরমে। করোনা আতঙ্কের চেয়েও সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে বেড়িবাঁধ ভাঙনের আতঙ্কে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খুলনার কয়রায় ১৪টি গ্রামের মানুষ। কপোতাক্ষের জোয়ারের লবণাক্ত পানি ঢুকে পড়লে ঘর-বাড়ি, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা নষ্ট হয়ে যাবে এমন আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উপকুলের মানুষ। এতে শঙ্কা নিয়ে দিন কাটছে তীরবর্তী মানুষগুলোর। স্থানীয় এমপির হস্তক্ষেপে স্থানীয়রা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন সময় বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে কোনোমতে রক্ষা করে আসছে এ বাঁধটি। কিন্তু বর্তমানে এ বাঁধের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। ভাঙনের ফলে বাঁধের উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার মতো কোনো সড়ক নেই। যেকোন সময় কয়রা উপজেলার বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হতে পারে আশপাশের গ্রাম ও শত শত বিঘা জমির ফসল। তবুও কোনো দপ্তরের নজর নেই বাঁধের দিকে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।বিশেষ করে ঝুঁকির মুখে রয়েছে দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের আংটিহারা, খাসিটানা, জোড়শিং, মাটিয়াভাঙ্গা। উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের গাতিরঘেরি, গাববুনিয়া, গাজিপাড়া, কাটকাটা।কয়রা সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর কয়রা, ৪ নম্বর কয়রার পুরাতন লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকা, মদিনাবাদ লঞ্চ ঘাট, ঘাটাখালি, হরিণখোলা। মহারাজপুর ইউনিয়নের উত্তর মঠবাড়ি, দশালিয়া, লোকা। মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের কালিবাড়ি, নয়ানি, শেখেরটেক এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, করোনা ভাইরাসের (কভিড-১৯) চেয়ে নদী ভাঙনে ঘর-বাড়ি হারানোর আতঙ্কে বেশি রয়েছে তারা। গত কয়েকবারের ভাঙনে নিঃস্ব হয়েছে কয়েক হাজার পরিবার। তাদের অভিযোগ, বারবার বলার পরও ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর (টেকসই)কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কয়রা সদর ও দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদ এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এক ভাঙন আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে কয়রা। নদী ভাঙনে সর্বহারা গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা বাশার আলী মোল্লা বলেন, কপোতাক্ষের ভাঙনে আমার পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। আমার মতো আর কেউ যেন নিঃস্ব না হয় সেই দাবি করছি সরকারের কাছে। বাঁধ ভাঙতে ভাঙতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জোয়ারের পানি বাড়লে ঘুম নষ্ট হয় হাজারও পরিবারের। দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা বেড়িবাঁধ ভাঙনকূলের বাসিন্দা ও স্বাধীন সমাজকল্যাণ যুব সংস্থার সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কার করা না হলে বেড়িবাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হতে পারে ও কয়রাবাসীকে আইলার মত লোনা পানিতে ভাসতে হতে পারে। এমনকি উপজেলার সর্বদক্ষিণে অবস্থিত দক্ষিন বেদকাশী ইউনিয়নটি বাংলাদেশের মানচিত্র হতে হারিয়ে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। 


পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) আমাদী সেকশন কর্মকর্তা মশিউল আবেদিন বলেন, কপোতাক্ষ নদের ত্রিমহোনায় গোলখালী বেড়িবাঁধের ভাঙন নতুন কিছু না। এটা পুরানো। তবে বর্তমানে খুব ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলে গেছে। আমি বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করতে এসেছি। ভাঙন কবলিত এলাকাটি বাংলাদেশের শেষ সীমানায়। এরপর আর বাংলাদেশ নেই। ভাঙনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করি অচিরেই সমাধান হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীসহ পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি এবং কী করে এ বাঁধগুলো স্থায়ী করা যায় এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথেও আমার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে।তিনি আরও বলেন, কয়রায় ঠেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানে সরকার মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। অতি তাড়াতাড়ি বাধ রক্ষায় কাজ করা হবে।

হবিগঞ্জে কারাগার থেকে বের হয়ে ট্রাক চাপায় আসামীর মৃত্য

হবিগঞ্জে কারাগার থেকে বের হয়ে ট্রাক চাপায় আসামীর মৃত্য



লিটন পাঠান হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ


হবিগঞ্জের কারাগার থেকে জামিনে বের হয়েই দূর্ঘটনায় এক আসামী মৃত্যু বরণ করেছেন জানা যায়, সে আজমিরীগঞ্জে সংঘর্ষের মামলায় জামিন নিয়ে জেল থেকে বের হয়েছিলো। তার নাম ময়না মিয়া (২৮)

জানা যায়, সোমবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ১০টায় ধুলিয়াখালে জেল গেট থেকে বের হয়েই ট্রাক চাপায় মারা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ২ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় ১ জনকে সিলেট অপর জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে নিহত ময়না আজমিরীগঞ্জ উপজেলার নোয়াগড় গ্রামের আরজ উল্লার ছেলে স্থানীয়রা জানান। 

আজমিরীগঞ্জের নোয়াগড়ে সম্প্রতি সংঘর্ষের ঘটনায় কারাগারে আসেন নিহত ময়নাসহ ৩ আসামী। সোমবার দুপুরে ভার্চোয়াল আাদলতের মাধ্যমে তাদের জামিন হয়। জামিননামা দেরিতে পৌছার কারনে সন্ধ্যায় তাদেরকে জেল থেকে ছাড়া হয়। জেল থেকে বের হয়ে লকডাউনের কারনে কোন যানবাহন না পাওয়ায় জেল গেইটে অপেক্ষা করতে থাকেন তারা।

এক পর্যায়ে রাত ১০টার দিকে একটি সিএনজি অটোরিক্সাযোগে বাড়িতে যাওয়ার সময় ধুলিয়াখাল বাইপাস সড়কে যাওয়ার মাত্রই বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের বহনকারী সিএনজিকে চাপা দেয় এতে ঘটনাস্থলেই ময়না মিয়া মারা যান। এ ঘটনায় আহত হন আরো ২ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় মুছন আলীকে সিলেট ও আরব আলীকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা করোনা মুক্ত

হবিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা করোনা মুক্ত


লিটন পাঠান হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: 

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান করোনা ভাইরাস (কোভিড১৯) আক্রান্ত হয়ে হোম আইসোলেশনে থেকেই মুক্ত হয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) রাতে ঢাকা থেকে মনিরুজ্জামানে দ্বিতীয় রিপোর্ট নেগেটিভের আসে। ২০ দিন পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থথ্য কর্মকর্তা এএইচ এম ইশতিয়াক মামুন নির্বাচন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান কে করোনা ভাইরাস (কোভিড১৯) মুক্ত হিসেবে ছাড়পত্র দিয়েছন।

গত ২৯ এপ্রিল মাধবপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মনিরুজ্জামানের করোনা রিপোর্টে পজেটিভ আসে। এর পর তিনি হোম আইসোলেশনে থেকে ডাঃ ইশতিয়াক মামুনের চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরপর দুটো ফলো আপ রিপোর্টে মনিরুজ্জামানের নেগেটিভ আসে। শেষ রিপোর্ট আসে গত সোমবার রাতে। মঙ্গলবার দুপুরে করোনা মুক্তর ছাড়পত্র গ্রহনের পর স্বস্তি

কুমিল্লার হোমনা-মুরাদনগর সড়ক বিচ্ছিন্ন করে দিলেন ইউএনও তাপ্তি

কুমিল্লার হোমনা-মুরাদনগর সড়ক  বিচ্ছিন্ন করে দিলেন ইউএনও তাপ্তি


শাহ আলম জাহাঙ্গীর
কুমিল্লা ব্যুরো-

কুমিল্লারমুরাদনগরউপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মুরাদনগর উপজেলার সাথে হোমনা উপজেলারপ্রধান সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন হোমনা উপজেলা নির্বাহী  অফিসার তাপ্তি চাকমা।
আজ মঙ্গলবার ১৯ মে হোমনা মুরাদনগর সড়কের রঘুনাথপুর সেতুর পশ্চিম পাশে বাঁশ দিয়ে ও বিভিন্ন গাছের ডালপালা  দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন হোমনা
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপ্তি চাকমা।
তিনি  জানান,মুরাদনগর উপজেলা এখন করোনা ভাইরাসের হটস্পট। আজ মঙ্গলবার  ৩২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
এ কারণে  কুমিল্লা জেলা প্রশাসক স্যারের  নির্দেশে মুরাদনগরের সাথে হোমনা উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, হোমনা উপজেলাকে
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ
থেকে মুক্ত রাখার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
হোমনা উপজেলা সদরসহ
বিভিন্ন শপিংমল ও বিপনী বিতানগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন এবং কঠোর মনিটরিং করছেন। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশ ও স্বাস্থ্য অমান্য ককরে দোকান খোলা রাখার অপরাধে অর্থদন্ডও করছেন। 
করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে
ইউএনও তাপ্তি চাকমার প্রচেষ্টা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন হোমনা থানার ওসি আবুল কায়েস আকন্দ ও ভাষানিয়া ইউপির চেয়ারম্যান মো. কামরুল ইসলাম।

করোনা: গোমস্তাপুরে দোকান ও বাড়ি লকডাউন

করোনা: গোমস্তাপুরে দোকান ও বাড়ি লকডাউন


মো:শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় প্রথম বারের মত শিশুসহ ২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় ২টি বাড়ি ও ২টি দোকান লকডাউন করেছে গোমস্তাপুর উপজেলা প্রশাসন। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য বিভাগের এক রিপোর্টে ২ জন করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ায় রাতেই তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়।

এছাড়া আলীনগর ইউনিয়নের নাদেরাবাদ গ্রামের করোনা শনাক্ত ব্যক্তি সোমবার রহনপুর পুরাতন বাজারের দুটি কাপড়ের দোকানে কেনাকাটা করায় ওই দোকান দুটি মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্ধ এবং দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান জানান, হ্যান্ড গ্লাবসের অভাবে আক্রান্ত ২ জনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তবে অচিরেই তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ এতিম শিশুর মাঝে ত্রাণ বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ এতিম শিশুর মাঝে ত্রাণ বিতরণ


মো:শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী করোনা দুর্যোগ প্রতিরোধে ক্ষুধার্থ ৫টি এতিমখানার ২০০ এতিম শিশুদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে ৫৯ বিজিবি।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ বিজিবি রহনপুর ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে তাদের মাঝে রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।


 
শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তের ৫টি এতিমখানার ২০০ এতিম শিশুদের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আটা, সুজি ও বিস্কুট বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৫৯ বিজিবি রহনপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মাহমুদুল হাসান, কোম্পানী ও বিওপি কমান্ডারসহ ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

বিজিবি’র রাজশাহীর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ জানান, করোনা দুর্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় অন্যদের মতো এতিমশিশুদের খাদ্য সংকটের মধ্যে পড়েন। আর সামাজিক দুরন্ত বজায় রেখে খাদ্য সংকটে পরা ২০০ এতিম শিশুদের মাঝে এসব বিতরণ করা হয়।


 
তিনি আরো জানান, বিজিবি সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি সকল পর্যায়ে করোনা দুযোর্গ মহুর্তে যার যার জায়গা থেকে অসহায় শিশুদের সহায়তা করেন আসছে। সর্তক থেকে সবাইকে এক সাথে নিয়ে করোনা যুদ্ধে জয় করার কথাও বলেন।

শিবগঞ্জে ৯শ’ পরিবারে ঈদসামগ্রী দিলেন -ডা. শিমুল এমপি

শিবগঞ্জে ৯শ’ পরিবারে ঈদসামগ্রী দিলেন -ডা. শিমুল এমপি


মো শামিম উদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ৬৫০ পরিবারের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল। শিবগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড চৌধুরীপাড়া প্রাঙ্গণে এলাকার কর্মহীন পরিবারের  প্রত্যেককে ৩ কেজি চাল, আড়াই কেজি আটা, দেড় কেজি চিনি ও ১ প্যাকেট সেমাই বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কারিবুল হক রাজিন, পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রশান্ত সাহা, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম আজু, শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাই স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান, ছত্রাজিতপুর আলাবক্স মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমানসহ অন্যরা। এর আগে শিবগঞ্জ ঠিকাদার সমিতি প্রাঙ্গণে ২৫০ পরিবারের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেন সংসদ সদস্য ডা. শিমুল।

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার নিজ অর্থায়নে দরিদ্রদের মাজে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার নিজ অর্থায়নে দরিদ্রদের মাজে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


মোরশেদ আলম
কেশবপুর যশোর প্রতিনিধি। 

যশোর কেশবপুর পৌরসভার  ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বায়সা গ্রামে ১৯ মে মঙ্গলবার করোনা ভাইরাসের কারণে অসহায় ও কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবারের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন, সাবেক ব্যাংক কর্মকতা ও সমাজ সেবিকা রাশিদা খাতুন। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক কামরুজ্জামান, মুকুল হোসোন, আব্দুর রাজ্জাক,আলাউদ্দিন আলা,আব্দুল গফুর প্রমুখ।

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা রাশিদা খাতুন বলেন দেশের এই ক্রান্তিকালে, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বিত্তবানরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে এই দুর্যোগের মধ্যে সাধারণ মানুষ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। তাই আসুন আমরা কর্মহীন মানুষের পাশে দাড়ায়, তাদের দিকে সাহাস্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ৷

কেশবপুরে ছাত্রলীগ নেতার মায়ের ইন্তেকাল

কেশবপুরে ছাত্রলীগ নেতার মায়ের ইন্তেকাল


মোরশেদ আলম
যশোর ভ্রাম্যমাণ  প্রতিনিধি। 

যাশোর কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার মফিজুর রহমান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আব্দুল আজিজের মা ফরিদা বেগম (৬৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জানা যায়, ১৯ মে (মঙ্গলবার) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ফরিদা বেগম বার্ধক্য জনিত কারণে কেশবপুর শহরের ব্রহ্মকাটি গ্রামের নিজ বাস ভবনে মৃত্যুবরণ করে।

এরপর যোহরবাদ জানাযার নামাজ শেষে স্বামীর কবরের পাশে মরহুমাকে ব্রহ্মকাটিস্থ পারিবারিক কবরস্থানে  দাফন করা হয়। 

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার মফিজুর রহমান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আব্দুল আজিজের মায়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

আত্রাইয়ে রূপসী নওগাঁ পরিবারের উদ্যোগে দুস্থ অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

আত্রাইয়ে রূপসী নওগাঁ পরিবারের উদ্যোগে দুস্থ অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ



 

মোঃ ফিরোজ হোসাইন  
রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর আত্রাইয়ে সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘রূপসী নওগাঁ’ উদ্যোগে ১০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে ) বেলা ১২ টার সময় আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া গ্রামে এ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে রূপসী নওগাঁ সংগঠনটি।

এসময় আত্রাই রাণীনগর ও মান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হতদরিদ্র ১০০ পরিবারের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল- পোলাও চাল, সেমাই, চিনি, দুধ ও ডিটারজেন্ট পাউডার।

রূপসী নওগাঁ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা খালেদ বিন ফিরোজের উপস্থাপনায় এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফিরোজ হোসেন, সাজু রহমান সুজন, জাহিদ হাসান সাদ্দাম প্রমুখ।

এই বিষয়ে রূপসী নওগাঁর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ খালেদ বিন ফিরোজ জানায়, রূপসী নওগাঁ সবসময়ই সমাজের অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে ছিল আছে এবং থাকবে। তবে আমাদের বর্তমান কোন আয়ের উৎস না থাকায় একক খরচে এইসব কার্যক্রম চালানো অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে। কষ্টকর হলেও আমাদের কার্যক্রম না থামিয়ে আমাদের ওয়াদা মত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি এরই ধারাবাহিকতায় আজ আত্রাই হতে আমাদের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে ।
তিনি আরও জানায়, তাদের পাশে যদি কেউ দাড়িয়ে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করত তবে তারা তাদের অসহায় দুস্থ মানুষদের জন্য নেওয়া ১২ টা কার্যক্রম আরও ভালভাবে বেশী করে করতে পারত।

আত্রাই – রানীনগরে সিএইচসিপিদের মাধ্যমে ঔষধ বিতারন করেন- ইসরাফিল আলম এমপি

আত্রাই – রানীনগরে সিএইচসিপিদের মাধ্যমে ঔষধ বিতারন করেন- ইসরাফিল আলম এমপি

 

মোঃ ফিরোজ হোসাইন 
রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর রাণীনগরে আজ দুপুর ২ ঘটিকায় রাণীনগর হাউজে নওগাঁ-০৬(আত্রাই-রাণীনগর)এর স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ ইসরাফিল আলম এমপি তার নির্বাচনী এলাকায় ভিটামিন ডি. ভিটামিন ই, জিংক. প্যারাসিটামল এবং এন্টিহিস্টামিন গ্রুপের ঔষধ বায়োফার্মার সহযোগিতায় এবং এমপির নিজস্ব অর্থায়নে আত্রাই ও রাণীনগর উপজেলার ৪৯ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামের দরিদ্র জনগণের জন্য স্বাস্থ্য সেবা ঔষধ কমিউনিটি ক্লিনিক সিএইচসিপিদের হাতে হস্তান্তর করা করেন মোঃ ইসরাফিল আলম এমপি। এমপি ইসরাফিল বলেন-করোনা ভাইরাস জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঔষুধ গুলো এন্টিবডি তৈরি করতে এবং করোনা ভাইরাসের প্রভাব মোকাবেলা করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি আব্দুল কদ্দুস এবং রানীনগর সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েন এর সভাপতি                       আক্তারুজ্জামান  উজ্জল।

প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন -এমপি বকুল

প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন -এমপি বকুল



রাজশাহী ব্যুরোঃ
  নাটোরের লালপুরে রাজস্ব খাতের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে লালপুর উপজেলা মৎস্য অফিসের আওতাধীন ৮টি পুকুরে এই মাছের পোনা অবমুক্ত করেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য শহিমুল ইসলাম বকুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি, উ

হবিগঞ্জে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য মাইকিং

হবিগঞ্জে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য মাইকিং



লিটন পাঠান হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ


করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে দেশে সাধারণ ছুটি চলাকালে এবার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে মাইকিং করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার (১৮ মে) বিকেলে বিল দেয়ার জন্য গণহারে এ মাইকিং শুরু হয়। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সরজমিনে উপজেলার সুতাং বাজারে দেখা যায়, পল্লী বিদ্যুতের একটি টিম বিল গ্রহণ করছে। মাইকিং শুনে বিল দিতে আসা অনেকেই সংযোগ কেটে দেয়ার ভয়ে বিল দিতে আসছেন। বিল দিতে আসা গ্রাহকরা মানছেন না কোন সামাজিক দূরত্ব, ফলে থাকছে করোনার ঝুঁকি।

অথচ সরকার দেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় ফেব্রুয়ারি-মার্চ-এপ্রিল-২০২০ মাসের বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব ফি (মাশুল) মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এবং করোনার সংক্রমণ থাকাকালীন সময়ে বিদ্যুৎ বিল জমা না নেয়ার জন্য ঘোষণা দেয়। কিন্তু এসবের কোন কিছুই মানছে না শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের প্লান্ট ম্যানেজার নুরে আলম জানান, আমরা সব জায়গারই বিল গ্রহণ করছি। গ্রাহকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে আমরা বিল নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ ৩-৪ মাসের বিল একত্রে দিতে গেলে গ্রাহকদের অসুবিধা হতে পারে।

আর শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মোতাহের হোসেন জানান, আমরা বিল দেয়ার জন্য কাউকেই জোর করছি না এবং বিল না দিলে কারো সংযোগ কাটা হবে না। ব্যাংকে বিল না নেয়ার কারণে আমরা যথেষ্ট পরিমাণ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কোনরকম বিলম্ব ফি ছাড়াই বুথ বসিয়ে বিল গ্রহণ করছি।

সরকার থেকে এই চলমান সংকটে বিল গ্রহণ নিষেধ ছিল এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, পিডিবির অনেক টাকা আমাদের কাছে পাওনা রয়েছে। আমরা বিদ্যুৎ কিনে আনি, সেই বিল দেয়ার জন্যই সরকার থেকে আবার বিল গ্রহণ করার জন্য বলা হয়েছে।