বুড়িচংয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত বাড়িতে ফিরছে না ডাঃ মীর হোসেন মিঠু

বুড়িচংয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত বাড়িতে ফিরছে না ডাঃ মীর হোসেন মিঠু

 
 মারুফ হোসেন-বুড়িচং(কমিল্লা)সংবাদদাতাঃ
  
করোনা ভাইরাস (কোভিড১৯) সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরইমধ্যে অনেক আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছে। অনেকে মারা গিয়েছে। আবার নতুন পুরাতন মিলে অনেক আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও রয়েছে।  

                   
কুমিল্লার বুুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য  ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মীর হোসেন মিঠু এক সাক্ষাৎকারে বলেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণের থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় সামাজিক ও শারীরিক  দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করা। মহামারী  করোনা ভাইরাস( কোভিড১৯) থেকে জনসাধারনকে সচেতন করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ  ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে এ কর্মকর্তা।যেখানে দিনের পর দিন মহামারী করােনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেখানে তিনি তার জীবন বাজি রেখে করােনা ভাইসার আক্রান্তদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে।যেখানে করােনা ভাইরাসের আক্রান্তের কারনে অনেক ডাক্তার  কর্মস্থলে যাচ্ছে না সেখানে ডাঃ মীর হোসেন মিঠু ভয়কে তোয়াক্কা না করে আক্রান্তদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। গত মার্চ মাস থেকে এখনো বাড়িতে যাওয়া হয়নি এ কর্মমকর্তার। হসপিটালের কাজ শেষে থাকছে বুড়িচং উপজেলার বাাংলোতো। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে বাড়িতে যাওয়া হবে এমনটাই জানালেন তিনি। 


ডাঃ মীর হোসেন মিঠু বলেন এ পর্যন্ত (১৭ ই মে) বুড়িচং উপজেলায় মোট ২৬৫ জনের করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৮ জন। নতুন করে ষোলনল  ইউনিয়নের পূর্বহুড়া গ্রামের শামীম আহমেদ নামে ১জন যুবক(২৫) গত ১৪ ই মে আক্রান্ত হয়েছে তবে অবস্হা বর্তমানে আশঙ্কাজন নয়। আশা করা যায় সে কয়েকদিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন আক্রান্ত রোগীদেরকে বাড়িতে রেখেই সেবা প্রদান করা হয়েছে। মীর হোসেন মিঠু নিজে গিয়ে সবসময় তত্ত্বাবধান করেন এবং সর্বোচ্চ সেবা যত্ন করে সুস্থ করে তুলেন।     

শুধু চিকিৎসা সেবা নয় সকল আক্রান্ত রোগীদের পরিবারকে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি মীর হোসেন মিঠু নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ কেজি  চাল, ৪ কেজি মাল্টা,৪ হালি লেবু, ৫ কেজি পেঁয়াজ, ১ লিটার তেল ও অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র দিচ্ছেন। এবং তিনি আরো বলেন হসপিটালেও কিছু শয্যা ঠিক করে রাখা হয়েছে করোনা রোগীদের জন্য।অন্যান্য রোগীরা ও সঠিক চিকিৎসা যেন পায় এ দিকে তিনি লক্ষ্য রেখেছেন। প্রতিদিন সকাল বিকাল পুরো হসপিটাল জীবাণুনাশক দ্বারা স্প্রে করা হয়। বুড়িচং উপজেলার মানুষকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন ডাঃ মীর হোসেন মিঠু।

ইন্দুরকানী‌তে ঘ‌ূর্ণিঝড় আম্ফান মোকা‌বেলায় ১৯ সাই‌ক্লোন শেল্টার প্রস্তুত

ইন্দুরকানী‌তে ঘ‌ূর্ণিঝড় আম্ফান মোকা‌বেলায় ১৯ সাই‌ক্লোন শেল্টার প্রস্তুত

মিঠুন কুমার রাজ,
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি। 

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপ‌জেলা দূ‌র্যোগ ব্যবস্থাপনা ক‌মি‌টির সভা অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে আজ র‌বিবার বিকা‌লে। উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজা‌হি‌দের অ‌ফিস ক‌ক্ষে এ জরুরী সভার আ‌য়োজন করা হয়। সভায় এ তথ্য জানান হয়।

উপ‌জেলা নির্বাহী হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজা‌হিদ জানান, ঘু‌র্ণিঝড় থে‌কে উপ‌জেলার জনসাধারন‌কে রক্ষায় ১৯টি সাই‌ক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হ‌য়ে‌ছে। প্র‌য়োজ‌নে আরো ২০ টি স্কুল ভবন ব্যবহার করা হবে।

বিপদ সংকেত ৭ হওয়া মাত্র মাইকিং করে মানুষজনকে সচেতন করা হবে। এর পর পর আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে। 

বৃদ্ধ শিশু মহিলাদের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। সবাই‌কে স‌চেতন থাক‌তে অনু‌রোধ ক‌রেন তি‌নি।

ভার‌তের সংবাদ মাধ্যম জি নিউজ তা‌দের এক সংবা‌দে জানান, বুধবার বিকেল বা সন্ধে নাগাদ স্থলভাগে আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আছড়ে পড়বে আমফান। ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার। পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ এবং বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মধ্যবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

যা আঘা‌ত হান‌তে পা‌রে পি‌রোজপুরসহ উপকুলীয় এলাকায়।

ক্রেতা-বিক্রেতা কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ক্রেতা-বিক্রেতা কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা


মোরশেদ আলম
কেশবপুর যশোর প্রতিনিধি। 

কেশবপুর করোনা সংকটকালে ঈদ উপলক্ষে সিমিতো আকারে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু করলেও মানছে না ক্রেতা ও বিক্রেতারা। 

এই অপরাধে যশোর কেশরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সুত্রে জানা যায় দেশ ব্যাপী করোনা ভাইরাসের কারণে সরকারি ভাবে সামাজিক দূরত্বে চলাফেরা করার নির্দেশনা দেয়া হলেও কেশবপুরের হাট বাজার গুলোতে সকাল থেকে দিনব্যাপী শহরের জুতা, গার্মেন্টস, কসমেটিক, কাঁচা মালের দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে ঈদ উপলক্ষে কেনা কাটার উপচে পড়া ভিড় পড়ে যায়। 

সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখায় কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরসাত জাহান পপি ১৭ই মে (রবিবার) বেলা ১১ টার দিকে শহরের মধুসড়ক বিভিন্ন স্পটে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৭ জন ব্যবসায়ী ও ৭ জন ক্রেতাকে ৭ হাজার ৯শত টাকা জরিমানা আদায় করেন।

শিশুসহ বাজারে এসে কেনাকাটা করার অপরাধে আলতাপোল গ্রামের তানজিলা বেগমকে ২শত, ব্যবসায়ী সাবদিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদকে ১ হাজার,ব্যবসায়ী বরুন পালকে ১ হাজার, ব্যবসায়ী আলতাপোল গ্রামের নির্মলেন্দু দাসকে ১ হাজার, ক্রেতা রঘুরামপুর গ্রামের জ্যোস্না বেগমকে ৫শত ,আলতাপোল গ্রামের ব্যবসায়ী শাহাদাৎ হোসেনকে ১ হাজার, ব্যবসায়ী সাবদিয়া গ্রামের খলিলুর রহমানকে ৫শত , ক্রেতা ভান্ডার খোলা গ্রামের লাভলু হোসেনকে ৫শত, ব্যবসায়ী ব্রম্মকাঠি গ্রামের হাফিজুর রহমানকে ৫শত, ক্রেতা রাজনগরবাঁকাবর্শি গ্রামের মিজানুর রহমানকে ২শত, ব্যবসায়ী আলতাপোল গ্রামের মাসুদুর রহমানকে ৫শত,ক্রেতা পারখাজুরা গ্রামের পারভিনা বেগমকে ৫শত,ক্রেতা কায়েমখোলা গ্রামের হ্যাপী বেগমকে ৩শত, ও ক্রেতা লক্ষীনাথকাঠি গ্রামের মাষ্টার আবু মুছাকে ২শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে ।

অভয়নগরে দাদার পর এবার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নাতনির করোনা জয়

অভয়নগরে দাদার পর এবার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নাতনির করোনা জয়

 
মোঃ দেলোয়ার হোসেন , অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : 
অভয়নগরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম বৃদ্ধের পর এবার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়–য়া নাতনি (ছেলের মেয়ে) (১০) করোনা জয় করে বাড়িতে ফিরেছেন। রোববার (১৭মে) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে ১০বছর বয়সী নাতনিকে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গত ৫মে মঙ্গলবার উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী গ্রামের ওই শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এবং ৬মে বুধবার তার শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর থেকে শিশুটিকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রাখা হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এসএম মাহামুদুর রহমান রিজভী বলেন, অভয়নগরে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী ৭০বছরের বৃদ্ধ করোনা জয় করে বাড়িতে ফেরার পর রোববার সকালে তার নাতনির টেস্টের নমুনায় করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেলে দুপুরে তাকেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়। জানাগেছে, করোনা জয় করা শিশুটি উপজেলার পুড়াখালী ফকিরবাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল হুসেইন খাঁন বলেন, করোনায় আক্রান্ত উপজেলার দ্বিতীয় রোগীটিও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরাতে আমরা সকলেই খুশি। 


মোংলায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুনীকে অপহরনের চেষ্টা

মোংলায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়   তরুনীকে অপহরনের চেষ্টা


মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ  মোংলা উপজেলার মাকড়ঢোন এলাকায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওযায় প্রতিবেশী বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে এক তরুনীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মোংলা থানায়  ৫ জন জ্ঞাত ও ২/৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেছেন তরুনীর পরিবার। অভিযুক্তরা হলেন একই এলকার নুরুল আমিন ইজারাদারের তিন ছেলে টিটু ইজারাদার(২৫) রিকু ইজারাদার (৩৫) টুকু ইজারাদার (২৭) ফজর ইজারাদারের দুই ছেলে  সাকিব ইজারাদার (২৫) ও রাকিব ইজাদারদার (১৮) সহ অজ্ঞাত নামা আরো ২/৩ জন। 

ভূক্তভোগী তরুনীর মামা মিজান শেখ জানান পার্শ্ববর্তী টিটু দীর্ঘদিন তার ভাগ্নিকে বিরক্ত করতো। ঘটনা জানার পর প্রতিবাদ করলে গত ১৫ মে শুক্রবার সন্ধ্যায় বখাটে যুবক টিটু ইজারদার গং তার ভাগ্নির বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাগ্নিকে তুলে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। এসময় তরুনীর নানী আসলে তাকেও মেরে জখম করে দুর্বত্তরা। এ সময় অন্য প্রতিবেশীরা  এসে তাদের উদ্ধার করে। খবর পেয়ে মিজান ও তার ছেলে মুন্না এবং ভাগ্নে সোহেল আসলে তাদেরও মেরে আহত করে দুর্বত্তরা এবং সেই সাথে প্রান নাশের হুমকিও দেয়। আহত তরুনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এসময় ভুক্তভোগী তরুনী সাংবাদিকদের জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোংলা ইপিজেড থেকে কাজ করে ফেরার সময় বখাটে যুবক টিটু তার সহচর রাকিব ইজারাদার কুপ্রস্তাব দিতো কিন্তু তাতে সে কোন সাড়া দেয়নি। বিষয়টি তার মামাকে জানালে মামা ভখাটে টিটুকে সতর্ক করে। এই অপরাধে গত সন্ধায় টিটু বাড়ীতে এসে তার হাত ধরে টেনে হিচড়ে নিয়ে যেতে থাকে। এসময় ঘরে থাকা ৬০ বছরের বৃদ্ধা নানী তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে বৃদ্ধাকেও মারধর করে। পরে এলাকাবাসী ছুটে আসলে টিটুর আত্মীয়-স্বজনরা টিটুর পক্ষ নিয়ে আমার মামা ও প্রতিবেশীদের উপর হামলা চালায়। এ বিষয়ে আসামী টিটুর সাথে যোগাযোগ করেও তার কোন বক্তব্য পা্ওয়া যায়নি। অন্যদিকে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় অপহরণ চেষ্টার  ঘটনাকে আড়াল করতে প্রভাবশালী একটি মহল জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মারামারীর ঘটনা হয়েছে বলে প্রচার চালাচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা মোংলা থানার এস আই ইমলাপ সরদার বলেন, তরুনীর মামার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। জমিজমা এবং মেয়েলি সংক্রান্ত ঘটনা। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।###

কুমিল্লার মুরাদনগরের রামচন্দ্রপুর বাজার পুনরায় লকডাউন, এলাকা করোনা ঝুকিঁপূর্ণ

কুমিল্লার মুরাদনগরের রামচন্দ্রপুর বাজার পুনরায় লকডাউন, এলাকা করোনা ঝুকিঁপূর্ণ



শাহ আলম জাহাঙ্গীর
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা
  
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর  একটি বড়ো বাজার। এক সময় তাঁতের কাপড়ের জন্য ছিলো এটি বিখ্যাত। এটি নদীবন্দরও।
করোনাদুর্যোগে  মুরাদনগরে প্রথম করোনা রোগী এখানে শনাক্ত হয় গত ২৪ এপ্রিলে কাঠালিয়াকান্দা
গ্রামে মো. নজরুল ইসলাম লিটন (৩৫)
তিনি বাজারের একজন ভূষামালের ব্যবসায়ী ছিলেন।ওই পরিবারে আরো ৪ জন করোনা পজিটিভ  শনাক্ত  হয়। এর মধ্যে রামচন্দ্রপুর  উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য লিটনের বড়ো ভাই মো. বিল্লাল হোসেনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস পজিটিভ   হওয়ায় বাজারসহ পুরো ইউনিয়নকে উপজেলা প্রশাসন লকডাউন ঘোষণা করে। 
গতকাল শনিবার দুপুরে   মৃত্যুবরণ করেন উপজেলার সেই প্রথম করোনা রোগী  মো. নজরুল ইসলাম লিটন (৩৫)। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার রিপোর্ট আসে করোনা নেগেটিভ। শারীরিক অন্য সমস্যায় লিটনের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
তাছাড়া একই ইউনিয়নের আরেক  ইউপি সদস্য  রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ব্যবসায়ী  হাজি মো. জীবন মিয়া এবং বাজারের গুঁড়পট্টির  ব্যবসায়ী মো. নাজিমুদ্দিন করোনাক্রান্ত হওয়ায় এলাকাটি হটস্পট হয়ে ওঠায় স্বাস্থ্যঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। 
রমজানের শেষ প্রান্তে এসে ঈদের কেনাকাটায় বাজারে ক্রেতাসাধারণেরর সমাগম নিত্যদিন বেড়ে যাওয়ায় বাজারটি হুমকির মুখে পড়ে। 
 উপজেলার কোম্পানিগঞ্জ ও মুরাদনগর বাজারের ব্যবসায়ী সমিতি বাজার ২টি বন্ধ রাখায় রামচন্দ্রপুর বাজারে ক্রেতাদের চাপ পড়ে বেশি। সামাজিক দূরত্ববজায়  রেখে কেনাকাটার নির্দেশ থাকলেও ক্রেতাদের মধ্যে অসচেতনতা দেখা দেয়।স্বাস্থবিধি কেউ মানছে না। কেনাকাটার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেছে।
শেষ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসেরর সংক্রমণ থেকে বাজারসহ এলাকাকে রক্ষার জন্য  স্থানীয় সংসদসদস্য  আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন,  এফসিএ- র নির্দেশে  রামচন্দ্রপুর বাজারকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একাজে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনি সহায়তা করছে। রামচন্দ্রপুর বাজারসহ এলাকাকে করোনাপ্রকোপ থেকে রক্ষার জন্য বাজার
লকডাউনে স্থানীয় এমপি
ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, এফসিএ-কে স্বাগত জানিয়েছে এলাকাবাসী।

পথশিশু ও অনাথ শিশুদের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার দিল রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম

পথশিশু ও অনাথ শিশুদের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার দিল রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম


 রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিদিন চট্টগ্রামঃ-

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ও সিটি ইউনিটের উদ্যোগে যুব রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রামের বাস্তবায়ণে সিনিয়র যুব সদস্যদের সহযোগীতায় যুব স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ম্যানেজিং বোর্ড সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ শেখ শফিউল আজম, সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান এম.এ ছালাম এর দিক নির্দেশনায় চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের সেক্রেটারী নুরুল আনোয়ার চৌধুরী বাহার ও সিটি ইউনিটের সেক্রেটারী আব্দুল জব্বার এর সার্বিক তত্ত্বাবধাণে নগরীর রেলওয়ে স্টেশনস্থ পথশিশুদের স্কুল ‘সোহা’র কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য ১৭ মে রবিবার যুব সদস্যদের দ্বারা রান্না করা খাবার প্রেরণ করা হয়। শিশুরা যত ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে, তার সবই আছে পথশিশুদের। সে  পথশিশুদের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার নিয়ে পথশিশুদের মুখে সামান্য হাসি ফুটাতে তাদের পাশে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রাম। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতে প্রতিনিয়ত মানুষের পাশে থেকে সাহায্য সহযোগীতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যুব রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রামের যুব প্রধান মোঃ ইসমাইল হক চৌধুরী’র ফয়সালের নেতৃত্বে নিউমার্কেট ফলবাজার সংগলœ অপরাজয় বাংলাদেশে অনাথ শিশুদের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে দুধ, ডিম ,চকলেট প্রদান করা হয়। উক্ত কার্যক্রম সমূহে উপস্থিত ছিলেন সিটি ইউনিটের ইউনিট লেভেল অফিসার মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বখতিয়ার, যুব রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রামের দপ্তর বিভাগীয় প্রধান আ.ন.ম তামজীদ, সিনিয়র যুব সদস্য জৌর্তিময় ধর।
এছাড়াও ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ নিয়ে যুব স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুতি বিষয়ক জরুরী সভা সেবা যুব রেড কার্যালয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত হয়।

মাধবপুরে ছোট ভাইয়ের খুনী বড় ভাই গ্রেফতার

মাধবপুরে ছোট ভাইয়ের খুনী বড় ভাই গ্রেফতার


লিটন পাঠান মাধবপুর প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ছোট ভাই খুনের ঘটনায় পুলিশ ঘাতক ভাই কে হাওরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে। আজ রোববার (১৭-মে) দুপুরে উপজেলার রাজাপুর এলাকার একটি হাওর থেকে ভাই হত্যাকারী ইদন মিয়া (৪০)কে গ্রেফতার করা হয়। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইকবাল হোসেন জানান উপজেলার বহরা ইউনিয়ের মেরাশানী 

গ্রামের ইউসুব আলীর ছেলে ইদন মিয়া ও মৌলানা আব্দুল আহাদের মধ্যে বাড়ির জায়গা নিয়ে শনিবার দুপুরে কথা কাটা কাটি হয়।এক পর্যায়ে বড় ভাই ইদনমিয়া ছোটভাই মৌলানা আব্দুল আহাদ কে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরত্বর জখম করে রাতে সে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান এর পরই ঘাতক বাড়ি 

থেকে পালিয়ে যায় পুলিশ রাত থেকেই ভাই হত্যাকারী ইদন মিয়া কে গ্রেফতারে মাঠে নামে।রোববার গোপন সুত্রে খবর পেয়ে তার শশুর বাড়ি রাজাপুর গ্রামে ইন্সপেক্টর আব্দুল কাইয়ুমের নেত্বত্বে পুলিশ অভিযান চালাতে গেলে পুলিশের উপস্হিতি টের পেয়ে সে হাওয়ে পালিয়ে যায়।সেখানে অনেক চেষ্টার পর ইদন মিয়া কে গ্রেফতার করা হয় এদিকে ময়না তদন্ত শেষে নিহতের লাশ সিলেট থেকে বাড়ি পৌছেছে।

সিরাজগঞ্জে ভেজাল দুধের ব্যবসায়ীকে অর্ধলাখ টাকা অর্থদন্ড

সিরাজগঞ্জে ভেজাল দুধের ব্যবসায়ীকে অর্ধলাখ টাকা অর্থদন্ড


মাসুদ রান
সিরাজগঞ্জ জেলা  প্রতিনিধিঃ 
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ভেজাল দুধের ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা  করা  হয়েছে । 
রবিবার  ১৭ মে বেলা ১২ টায় গোপন  সংবাদের ভিত্তিতে  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের  বিজ্ঞ  নির্বাহী  ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল  আহমেদ  
নেতৃত্বে সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নস্থ শ্যামপুর গ্রামে, চন্দিদাসগাঁতী, ছোনগাছা , বেজগাঁতী এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
এ সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নস্থ শ্যামপুর গ্রামে অসাধু দুধের ব্যবসায়ী জনাব নুরুল ইসলাম(৪৫)পিতাঃ মোঃ নজাব আলীকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড প্রদান করেন। 
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  ফয়সাল আহমেদ জানান, সিরাজগঞ্জ সদরের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করন এবং বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে।
তিনি  আরও জানান, রবিবার   প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামপুরের দুধের ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।জব্দকৃত দুধের মান নির্ধারিত যন্ত্র দিয়ে পরিক্ষা করা হলে দুধের ভেজাল পরিলক্ষিত হয়।অসাধু দুধের ব্যবসায়ী  নুরুল ইসলাম সত্যতা স্বীকার করে বলেন যে,তিনি প্রায় ৩০ (ত্রিশ) বছর ধরে এ ব্যবসার সাথে জরিত। তিনি তার চারটি গাভী থেকে প্রায় ৩৫ লিটারের মতো দুধ পান।বাজারে দুধের চাহিদা থাকায় তিনি দুধে র পরিমান বাড়ানোর জন্য ফ্যাটবিহীন দুধ(মেশিনের মধ্যমে ফ্যাট তুলে নেয়ার পর যে পানি অবশিষ্ট থাকে) মিশিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা করে আসছিলো।গ্রামের অন্য দুধ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন যে তার গরু পর্যাপ্ত না থাকা সত্বেও তিনি প্রতিদিন ৩/৪ মন দুধ বাজারে বিক্রি করেন কি করে??। অসাধু ব্যবসায়ী সিরাজগঞ্জ সদর,শিয়ালকোল বাজার এবং সরাসরি বাসা বাড়িতে দুধ বিক্রি করে আসছেন।জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে দুধের পরিমান বাড়ানোর জন্য তিনি দুধ পানি মিশান এবং ক্রয়কৃত ফ্যাটবিহীন দুধ মিশ্রিত করে তা তাপে দিয়ে ফুটিয়ে তুলা হয়।এতে দুধের ঘনত্বে তারতম্য দেখা যায়।যা নির্ধারিত যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষায় তা ধরা পরে।খালি চোখে যা ধরা অনেকটা কষ্টস্বাধ্য ব্যপার। 
ভ্রাম্যমাণ  আদালতে অভিযানে  সহায়তা করেন, ভেটোনারি সার্জন ডাঃএসএম মাহমুদুল হক,প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা,সদর,সেনেটারী ইন্সপেক্টর জনাব দিপু চৌধুরী,সিরাজগঞ্জ জেলা এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।জনস্বার্থে অভিযান চলমান থাকবে

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখতে মাঠে নামছে উপজেলা প্রশাসন

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখতে মাঠে নামছে উপজেলা প্রশাসন


 মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময় সচেতনতা মুলক প্রচার অভিযান,বাজার মনিটরিং,সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখতে তদারকি করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী ছুটে চলেছেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিরা হোম কোয়ারেন্টাইন মানছে,কিনা,সামাজিক দূরত্ব মানছে কিনা,অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে কিনা,তাদের সামগ্রী বিষয়ে খোজ খরব ও পরামর্শ প্রদান করেন
্যবর্তমানে করোনা ভাইরাস একটি আতঙ্কের নাম। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ও সংক্রমন ঠেকাতে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার লগডাউন হওয়া ৬ টি ইউনিয়ন সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘন্টা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। উপজেলা নির্বাহী জাহিদ হাসান সিদ্দিকী। উপজেলা বাসীর সুরক্ষা নিশ্চিত করণে অন্যান্য কর্মকর্তাদের ও ভ্ইাস চেয়ারমানদ্বয় ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে কখনও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে, কখনও বা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে, সরকারী নির্দেশনা মেনে চলার জন্য মাইক হাতে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা ও কখনও ত্রাণের প্যাকেট হাতে অসহায় মানুষের পাশে বিরামহীন ছুটে চলেছেন।তারউপজেলারপৌরসভা,মেঘাইবাজার,শিমুলদাইড়বাজার,চালিতাডাঙ্গাবাজার,সোনামুখীবাজার,হরিনাথপুর বাজার,ঢেকুরিয়া বাজার,উদগাড়ী বাজার,সিমান্ত বাজার,সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সামাজিক দুরুত্ব নিশ্চিত করতে, বিদেশ/ঢাকা/নারানগঞ্জ ফেরৎ ব্যাক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে ও জনগণকে বাড়ি থেকে বের না হতে ব্যাপক প্রচারনা পরিচালনা করছেন। এছাড়াও সরকারী নিষেধাজ্ঞা না মানায় এবং বিনা প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আসছেন ইউএনও। এ ভাবেই জন সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী।

সাতক্ষীরায় এক ছেলের অত্যাচারের কবল থেকে অন্য ছেলেদের রক্ষা করতে পিতার সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরায় এক ছেলের অত্যাচারের কবল থেকে   অন্য ছেলেদের রক্ষা করতে পিতার সংবাদ সম্মেলন



আজহারুল ইসলাম সাদী, সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরায় এক ছেলের অত্যাচারের কবল থেকে অন্য ছেলেদের রক্ষা করতে, পিতার সংবাদ সম্মেলন। 
জানা গেছে, এক ছেলের মারপিট, অত্যাচার ও নির্যাতন থেকে অন্য ছেলেদের রক্ষার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে বৃদ্ধ পিতা শহরের ইটাগাছা ( পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন)  গ্রামের মৃত হাজের আলি গাজীর ছেলে মোহাম্মদ তারু গাজী   আজ রবিবার ১৭ মে ২০২০ দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে  উক্ত সংবাদ সম্মেলন 
উক্ত দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, আমি ৮০ বছরের একজন বৃদ্ধ, আমার ১০ ছেলে মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি সহকারি (নায়েব) পদে কর্মরত আছেন। সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে সম্প্রতি তিনি জোরপূর্বক আমার ভিটাবাড়ির সামনের অংশ দখল করে বাড়ি নির্মাণ করছেন।
বর্তমানে পিছনে থাকা আমার অন্য সন্তানদের অংশের সম্পত্তিও দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সে।
তার নায়েব ছেলে চাকুরি পেয়ে কোটি কোটি টাকা ও সম্পদের মালিক হয়েছে। সন্তান নামের কলঙ্ক নায়েব রফিকুল বাবা-মা’র ভরণ-পোষন তো দূরের কথা আমার স্ত্রী (তার মা) কে একাধিকবার মারপিটও করেছে। এছাড়া বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এসময় আমার ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামসহ অন্যান্য সন্তানরা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে খুন-জখমের হুমকি প্রদর্শন করে। এমনকি ২০/২৫ লাখ টাকা খরচ হলেও আরিফুলকে হত্যা করার হুমকি দেয় সে।
তিনি আরো বলেন, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারী সকালে আমার ভিটাবাড়ির পিছনে বসবাসকারি সন্তানদের চলাচলের রাস্তা আটকানোর বিষয়ে প্রতিবাদ করলে সন্তান নামের কলঙ্ক নায়েব রফিকুল, তার স্ত্রী জাহানারা খাতুন, মেয়ে সাদিয়া আফরিন নিশু আমার স্ত্রী সালেহা খাতুনকে বেধড়ক মারিপটি করে। এমনিতেই অসুস্থ্য থাকায় তাদের মারপিটে আমার বৃদ্ধা স্ত্রীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। এঘটনার পর ২৪ ফেব্রুয়ারী সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করলে আমার নায়েব ছেলে রফিকুল ইসলাম  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ করে বলে, পূর্বের ঘটনা জন্য সে লজ্জিত। ভবিষ্যতে এধরনের জঘণ্য কাজ আর সে করবে না। কিন্তু তার স্বভাবের কোন পরিবর্তন হয়নি।
বৃদ্ধ তারু গাজী বলেন,  নায়েব ছেলে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ভাতিজার হাতে চাচা খুন!

ভাতিজার হাতে চাচা খুন!

সম্রাট হোসেন শৈলকুপা উপজেলা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ শৈলকুপাই  ভাতিজার হাতে চাচা (৫০) খুন।

শৈলকুপার হড়লা গ্রামে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যাক্তি কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে । নিহত ব্যাক্তির নাম নজির জোয়াদ্দার। তিনি বাইসাইকেল মেকানিক ছিলেন। বিকাল ৬ ঘটিকার সময় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। 
অসমর্থিত সূত্রগুলো বলছে ঘুড়ি ওড়ানো কে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ড। আবার কেউ বলছে লিচু পাড়া কে কেন্দ্র করে ঘুড়ির বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হামলাকারী ও নিহত ব্যাক্তি একে অপরের চাচা ভাতিজা বলে জানা গেছে ।সংবাদ লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

দিনাজপুর বোচাগঞ্জে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

দিনাজপুর বোচাগঞ্জে অসহায় মানুষের  মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


দিনাজপুর প্রতিনিধি : বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে অসহায় মানুষ ও তৃণমুল নেতাকর্মীদের মাঝে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোচাগঞ্জ উপজেলার বিএনপি সভাপতি ও দিনাজপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সদস্য এবং বিরল-বোচাগঞ্জ উপজেলার ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক। আরও উপস্থিত ছিলেন বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সফিকুল আলম, বোচাগঞ্জ বিএনপির পৌর সভাপতি নওসাদ আলী, সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার মুক্তি, বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হারিসুল ইসলাম প্রমুখ। 
বিএনপি নেতা পিনাক বলেন, বিএনপি হারিয়ে যায়নি। বিএনপি গণমানুষের দল। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগের চেয়েও শক্তিশালী। ইনশাআল্লাহ সময়মত বিএনপি সরকার গঠন করবে।

কুয়েতে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ১০৪৮, মৃত্যু -৫

কুয়েতে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ১০৪৮,  মৃত্যু -৫


দাইয়ানুর রহমান মিষ্টারনুর কুয়েত প্রতিনিধিঃ
কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, আজ করোনা ভাইরাসে আরো ১০৪৮ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ পর্যন্ত কুয়েতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৫০ জনে, চিকিৎসাধীন ১০৬৪৫ জন, সুস্থতা লাভ করেছেন ৪০৯৩ জন, সংকটপূর্ণ ১৬৮জন।

''আজ নতুন করে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এনিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১২ জনের। 

''করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশী আজ নতুন করে আরো ৫৩ জন সহ শনাক্ত মোট ১৫২৯ জন''

এছাড়াও দেশটির তিনটি জায়গায় যথাক্রমে, জওয়ান রেসর্ট,খাইরান রেসর্ট ও আল-কুত বিচ্ হোটেলসহ আরো বেশ কয়েকটি ক্যাম্পে ২৬১৯ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

বর্তমানে কুয়েতে ''জরুরী অবস্থা'' চলছে।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে নির্দেশ এবং খুব বেশি প্রয়োজন ব্যতীত ঘরের বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকতে নিষেধ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কুয়েতের সর্বত্রে লকডাউন ''১০ মে বিকেল ৪টা থেকে ৩০ মে পর্যন্ত''।

সূত্র, আরব টাইমস

সাতক্ষীরায় একদিনে রেকর্ড সংখ্যক ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত

সাতক্ষীরায় একদিনে রেকর্ড সংখ্যক ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত


আজহারুল ইসলাম সাদী, সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরায় আজ একদিনে ২৪ জনের করোনা রির্পোট  রের্কড সংখ্যক পজেটিভ এসেছে, 
এ নিয়ে সাতক্ষীরা  জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা  দাঁড়ালো ২৮ এ। 
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, জেলায় এ পর্যন্ত  ৬৬৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮ জনের শরীরের করোনা সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে একজনকে, হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা সকলে নিজ নিজ, বাড়িতে আছেন। 

ডাঃ জয়ন্ত সরকার  জানান, দেবহাটা উপজেলায় ২৩ ও আশাশুনি উপজেলায় ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে জেলায় ৫ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। 
যার মধ্যে সাতক্ষীরা সদরের উত্তর কাটিয়াস্থ সুমন নামে ১ জন সুস্থ হয়েছেন।

জানা গেছে আজ সাতক্ষীরায় করোনায় আক্রান্ত ২৪ জনের মধ্যে ২৩ জনই লকডাউন এর বাইরে রয়েছে, দ্রুত রুগীদের লকডাউন এর আওতায় না আনা হলে,
তাদের খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়বে।

বন্দর এলাকায় অসহায়দের ঈদ উপহার প্রদান করলেন রেজাউল করিম চৌধুরী

বন্দর এলাকায় অসহায়দের ঈদ উপহার প্রদান করলেন রেজাউল করিম চৌধুরী


রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

নগরীর ৩৭নং ওয়ার্ডস্থ বন্দর এলাকায় অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী ঈদ উপহার প্রদান করেছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী। 

এসময় ‍তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেই অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে মহামারী আকার ধারণ করতে পারেনি। শুরুতেই মানুষের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহন করে স্কুল,কলেজ বন্ধ করণ সহ করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সাথে সাধারণ ছুটি ঘোষণাও ছিলো একটি সময়পোযুগী সিদ্ধান্ত। শেখ হাসিনার নির্দেশে একজন মানুষও যেনো অভূক্ত না থাকে সেজন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে । আমিও আমার সাধ্যমতো সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। মানুষের প্রয়োজনে সব সময় পাশে ছিলাম,আছি এবং থাকবো। করোনা থেকে বাচঁতে আপনারও ঘরে থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। 

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু ও বন্দর কর্মচারী পরিষদ (সিবিএ)র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক এর উদ্দ্যেগে ১৭ মে রবিবার বন্দর এলাকায় আয়োজিত পবিত্র মাহে রমজান মাসে করোনা মহামারীতে কর্মহীন ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন  শ্রমিকনেতা খন্দকারি মোহাম্মদ ইয়াকুব। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৩৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ.মান্নান, বন্দর শ্রমিক নেতা জামিল আহামদ মিলন, আক্তারুজ্জামান ময়না. এফ.এ.চৌধুরী বাদল, মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সোহেল, মহানগর যুবলীগ নেতা নুরনবী পারভেজ, রায়হান নেওয়াজ সজীব, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, মে: সালাউদ্দিন বাবর, মো: ইমতিয়াজ সুমন, ফরহাদ, আব্দুল্লাহ, মো: সোহেল রানা, মো: সালাউদ্দিন, মো: জহির, মো: রাসেল, মো: রমজান আলী, মো: মাহমুদুর রহমান বাপ্পী, প্রণব, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মো: আবু নাছের জুয়েল, মো: সাজিবুল ইসলাম সজীব, মো: সুমন, বন্দর থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হৃদয় কুমার দাশ, জালাল উদ্দিন, কৌশিকা রায়, মিনহাজ বাবু প্রমুখ।

প্রতিবন্ধী ও রিক্সা চালকদের পাশে তরুণ সমাজ কর্মী কামরুল হাসান মুরাদ

প্রতিবন্ধী ও রিক্সা চালকদের পাশে তরুণ সমাজ কর্মী কামরুল হাসান মুরাদ


মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার করেরহাটে প্রতিবন্ধি ও রিক্সা চালকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তরুণ সমাজকর্মী ব্যবসায়ী ও করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু ছালেক কোম্পানীর পুত্র এবং রিয়াজুল হাছান ব্রিকস ম্যানুফেকচারিং (আর.বি.এম) এর পরিচালক কামরুল হাসান মুরাদ। রবিবার (১৭ মে) সাইবেনি খীল এর নিজস্ব কার্যালয়ে এই উপহার সামগ্রী বিতরনের কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে তিনি ঈদ উপহার পৌছে দেন। উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে সেমাই, লাচ্ছা সেমাই, দুধ, চিনি, সাবান, নুডুলস, বিস্কুট।  

করেরহাট ইউনিয়নে বসবাসরত প্রতিবন্ধীদের তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সংগৃহিত হয় এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সমাজকর্মীর মাধ্যমে উপহার সমাগ্রী ঘরে পৌঁছে দেয়া হয়।

 কামরুল হাসান মুরাদ জানান, করোনার ক্রান্তিকালে প্রায়ই পরিবার কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অসহায় এবং মধ্যবিত্তরা সহযোগিতা পেলেও প্রতিবন্ধীরা তেমন একটা সহযোগিতা পাচ্ছে না। তারা এমনিতে পরিবারে ও সমাজে অবহেলিত। তাই তাদের জন্য কিছু করতে পারাটা সার্থকতা।

কুমিল্লার হোমনার হাট-বাজারে সার্কেল এএসপি ফজলুল করিমের অভিযান

কুমিল্লার হোমনার হাট-বাজারে সার্কেল এএসপি ফজলুল করিমের অভিযান


শাহ আলম জাহাঙ্গীর
ব্যুরো চিফ, কুমিল্লা

কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলায় মহামারী কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলার জন্য এএসপি ফজলুল করিম ব্যবসায়ীদের সচেতন করার লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছেন। হোমনায় হাটবাজারে  দ্বিতীয়  দফা লকডাউনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচা বাজার, মুদি, সারের দোকান ও ফার্মেসী ব্যতীত কাপড়ের দোকান, জুতার দোকান ও কসমেটিকস এর দোকান বন্ধ থাকার জন্য প্রশাসন কর্তৃক ঘোষণা দেয়া হয়। স্বাস্থ্যবিধি ও প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খুলে ব্যবসায়ীরা বিক্রয় করতে থাকেন এবং বিভিন্ন সময় উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে এবং মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের  জরিমানাও করা হয়। 
আজ রোববার  সকাল  ৬টা থেকে  হোমনা, দুলালপুর ও রামকৃষ্ণপুর বাজারে অভিযান শুরু করেন হোমনা- মেঘনার সার্কেল এএসপি ফজলুল করিম। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে  ব্যবসায়ীরা দোকানে কাপড়, জুতা, কসমেটিক বিক্রয় করে থাকেন আর তা ক্রয় করতে আসেন ক্রেতা সাধারণ। এদের মধ্যে মহিলা ক্রেতাই বেশি।লকডাউনেব্যবসায়ীদের দোকান খোলার নিষেধ থাকলেও তা মানছে না।এএসপি ফজলুল করিম ক্রেতাদেরকে মার্কেটে না আসার জন্য অনুরোধ করেন এবং দোকান গুলো বন্ধ করে দেন। আর জনগনকে মুখে মাস্ক ব্যবহার করার জন্য ও তাগিদ দেন। হোমনার সাথে বাঞ্ছারামপুরের যোগাযোগ ও বন্ধ করে দেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের দাম ন্যায্যেমুল্য রাখারজন্য ব্যবসায়ীদের  আহ্বান জানান।এএসপি ফজলুল করিম প্রথম হতেই  হোমনা-মেঘনাকে করোনা মুক্ত রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন
এবং সাধারন জনগনকে বিনা প্রয়োজনে ঘর হতে বের না হতেও আহ্বান জানান। তিনি বিভিন্ন সময় অসহায়দেরকে  নিজ অর্থায়নে সহযোগিতাও করে থাকেন এমন কি বিভিন্ন মসজিদের ইমামদের ইফতারের জন্য গোপনে অর্থ প্রদান করে থাকেন। হোমনা মেঘনাবাসী ফজলুল করিমকে একজন মানবিক এএসপি হিসেবেই চেনে।

সিরাজগঞ্জে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে তিন বছর ধরে বিধবা ভাতা উত্তোলন

সিরাজগঞ্জে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে তিন বছর ধরে বিধবা ভাতা উত্তোলন
 
মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলায় জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে তিন বছর যাবত বিধবা ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার কার্ড নং-১৪।  
কার্ডটির সুবিধাভোগী সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পোড়াবাড়ী সুতারপাড়া গ্রামের মায়া রানী নামের এক গৃহবধূ| 
তবে মায়া রানীর দাবি, গত ২০১৭ সালে ইউপি চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম ও মহিলা ইউপি সদস্য সীমা বেগম টাকার বিনিময়ে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। 
সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিধবা ভাতা পাবেন বিধবা বা স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়া নারীরা। ইউনিয়ন পর্যায়ে বিধবা ভাতার সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে কমিটি রয়েছে। সেই তালিকা উপজেলা কমিটিতে পাঠানো হয়। উপজেলা কমিটিতে তালিকা অনুমোদনের পর ভাতা দেওয়া হয়। কিন্তু স্বামী জীবিত থাকতে মায়া রানী তিন মাস পরপর ১৫০০ টাকা হিসাবে বিধবা ভাতা পাচ্ছেন। মায়া রানী পোড়াবাড়ী সুতারপাড়া গ্রামের সুজিত সুত্রধরের স্ত্রী। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে বিধবা ভাতা প্রদান তালিকাতে লেখা মায়া রানী, স্বামী মৃত সুজিত সুত্রধর। 
জানতে চাইলে ভাতা গ্রহিতা সুজিত সুত্রধরের স্ত্রী মায়া রানী বলেন, ‘সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সীমা বেগম ৪ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে একটি বিধবা ভাতা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেন’। প্রায় ৩ বছরে বিধবা ভাতা কার্ডের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে তিন বছরে ১০বার ১৫০০ টাকা করে উত্তোলন করেছি। কিছুদিন পূর্বে ইউপি চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম সেই ভাতা কার্ডটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
তবে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সয়দাবাদ ইউপি সদস্য সীমা বেগমা বলেন, ‘তাকে আমি ভাতা কার্ড দেয়নি, টাকাও নেয়নি। তবে ভাতার বিষয়টি সম্পূর্ণ দেখভাল করেন চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম। তিনি ভালো বলতে পারবেন ভাতার কার্ডের বিষয়ে। 
এ বিষয়ে সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নবীদুল ইসলামকে বার বার ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেনি।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা জানান, মায়া রানীর নাম গত ২০১৭ সালে তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে অভিযোগ সঠিক প্রমাণিত হলে তাঁকে ভাতা প্রদান বন্ধ করা হবে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকার অসীম কুমার জানান, এ বিষয়টি আমি জানি না। আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। তবে অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগ সঠিক প্রমাণিত হলে তাঁকে ভাতা প্রদান বন্ধ করা হবে। 
এ বিষয়ে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ রিয়াজ উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমিও অবগত হয়েছি। এই ধরনের যদি কোন ঘটনা ঘরে তাহলে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেক দায়বার বহন করতে হবে।

সাংবাদিকরা জাতির বিবেক -মো. ইসরাফিল আলম এমপি

সাংবাদিকরা জাতির বিবেক -মো. ইসরাফিল আলম এমপি



 মোঃ ফিরোজ হোসাইন রাজশাহী ব্যুরোঃ
 নওগাঁ-৬(আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সাংসদ মো. ইসরাফিল আলম বলেছেন সাংবাদিকরা জাতির বিবেক ও সমাজের দর্পন। করোনা পরিস্থিতিতে  নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার কথা না ভেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। 

এসময় তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজরিত পতিসর কুঠিবাড়ী, মহাত্মা গান্ধীর গান্ধী আশ্রম, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  আহসানগঞ্জ স্টেশনে আগমন, স্বাধীনতাযুদ্ধে অত্র এলাকার ইতিহাস,যুদ্ধ পরর্বতী সময়ে নকশালের অধিপত্য বিস্তার আত্রাই রাণীনগরে সর্বহারা, জেএমবির তান্ডব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর অশান্ত রক্তাক্ত আত্রাই-রাণীনগরকে শান্তিতে রুপান্তর করনে প্রশাসনসহ সর্বস্তরের জনসাধারনের সার্বিক সহযোগিতার কথা স্মরন করেন। 
তিনি বলেন আমি নির্বাচিত হবারপর আমার নির্বাচনী এলাকায় রাস্তাঘাট, বিদ্যুত, শিক্ষা ব্যবস্থা,কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়নসহ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। 

রোববার  ১১টার সময় তাঁর হাউজে আত্রাই প্রেসক্লাব এর নবনির্বাচিত কমিটি এবং নতুন অন্তর্ভুক্ত সদস্যেদের ফুল কলম এবং মাস্ক দিয়ে অভিনন্দন জানানো শেষে তিনি এ কথাগুলো বলেন। 

এসময় বক্তব্য রাখেন আত্রাই প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. রুহুল আমীন, সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন সেন্টু, সাংবাদিক তপন কুমার সরকার,মোঃ ফিরোজ হোসাইন,  ছাবেদ আলী, এমরান মাহমুদ প্রত্যয়, আব্দুর রহমান রিজভি, আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

নলডাঙ্গায় ঈদ বাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৭ দোকান মালিকের জরিমানা

নলডাঙ্গায় ঈদ বাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৭ দোকান মালিকের জরিমানা


রাজশাহী ব্যুরোঃ
নাটোরের নলডাঙ্গায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ঈদ বাজারে বেচাকেনা করার দায়ে ৭ দোকান মালিকের সাড়ে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার সকালে উপজেলার নলডাঙ্গা বাজারে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও সাকিব-আল-রাব্বি অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও সাকিব-আল-রাব্বি জানান,আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন দোকান মালিক স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ঈদের বেচাকেনা করায় করোনা ভাইরাস সংক্রামণ রোধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় নলডাঙ্গা বাজারের কাপড় দোকানসহ ৭টি দোকান মালিকের সাড়ে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রলি চালক নিহত, আহত ১

নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রলি চালক নিহত,  আহত ১



রাজশাহী ব্যুরোঃ
    
নাটোরের বড়াইগ্রামে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা বিকল ট্রলির সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় ট্রলি চালক সেলিম হোসেন (৩৫) নিহত ও শরীফুল ইসলাম নামে এক ধান ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। 

শনিবার (১৬ মে) রাত ১০টার দিকে বনপাড়া-হাটিকুমরুল-ঢাকা মহাসড়কের লাথুরিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিম হোসেন উপজেলার মাড়িয়া দ্বীপপাড়া এলাকার আব্দুর রহমান সবুলের ছেলে। 

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে বনপাড়ায় ধান বিক্রি করে ট্রলিটি বড়াইগ্রামে ফিরে যাচ্ছিল। পথে লাথুরিয়া এলাকায় ট্রলিটি নষ্ট হলে মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে তারা সেটি মেরামতের চেষ্টা করছিলেন। এ সময় দ্রুতগামী একটি ট্রাক ট্রলিকে ধাক্কা দিলে চালক সেলিম হোসেন নিহত ও ব্যবসায়ী শরীফুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।

মোহনগঞ্জে মারুফা হত্যার বিচার চেয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিঠির সংবাদিক সম্মেলন

মোহনগঞ্জে মারুফা হত্যার বিচার চেয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিঠির সংবাদিক সম্মেলন


আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি (নেত্রকোনা): 
কিশোরী গৃহকর্মী মারুফা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এবার কাঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মোহনগঞ্জ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি। এ সময় অভিযুক্ত কাঞ্চন চেয়ারম্যানকে ধর্ষক ও হত্যাকারী বলে উল্লেখ করা হয়।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিওজেএ)  এর মোহনগঞ্জ শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা এ প্রতিক্রিয়া জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লাইলী আরজুমান বলেন, গৃহকর্মী মারুফার বিষয়টি নিশ্চিত একটি হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ। মারুফার শরীরে এসবের আলামত রয়েছে। মেয়ের মা টিভিতে সাক্ষাতকারে বলেছে, আমাকেও বলেছে 'আমি আমার মেয়ের পুরো শরীরটা দেখেছি, কি কি হয়েছে আমি জানি।' এর পরে কি আর কিছু বোঝার বাকি আছে। কাঞ্চন চেয়ারম্যানকে একজন ধর্ষক-হত্যাকারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরণের দানবকে আমরা ঘৃণা করি, ধিক্কার জানাই।

তিনি আরো বলেন, কাঞ্চন চেয়ারম্যানের এসমস্ত কাজকর্ম আজ নতুন নয়। বিগত দিনেও এই কাঞ্চন চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নের একজন নারী সদস্যকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করেছিল। সেই নারী আমাদের কাছে এসেছিল, বিচার চেয়েছিল। আমরা সেদিন কোন এ্যাকশন না নিয়ে ওই নারীকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। সেদিন আমরা ভুল করেছিলাম। সেদিন যদি এই চেয়ারম্যানের মুখোশটা উন্মোচন করতে পারতাম, তাহলে তার মতো একটা দানব মারুফার মতো ১৪ বছরের একটা মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করতে পারতো না। এই দানবকে এখনি রুখতে হবে, আমরা এই ধর্ষণ কারীর বিচার দাবী করছি।

এ সময় মোহনগঞ্জ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি তাহমিনা ছাত্তার, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম খোকন, কোষাধ্যক্ষ শামীমা আজাদ কলি, নারী প্রতি সংঘের ম্যানেজার মুক্তি মহানায়েক, কবি রইস মনরম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ মে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মাহবুব মুর্শেদ কাঞ্চনের মোহনগঞ্জের বাসায় গৃহকর্মী কিশোরী মারুফার রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বিকালে শিশুটির লাশ নিয়ে চেয়ারম্যান নিজেই মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ১১ মে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে মারুফার মা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে চেয়ারম্যানকে আসামি করে থানায় মামলা নেয়। ওইদিনই রাতে মোহনগঞ্জ থানার পুলিশ চেয়ারম্যানকে আটক করে। পরদিন আদালতে সোপর্দ করলে জেলে রাখার একদিন পর হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে বের হন চেয়ারম্যান কাঞ্চন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে নিন্দার ঝর উঠে। পরে শিশুটির শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখে সঠিক বিচার দাবি করেন জেলাবাসী। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় চেয়ারম্যানের ফাঁসি চেয়ে মানববন্ধন হচ্ছে।

ঝিকরগাছা-চৌগাছা উপজেলায় করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যশোর- ২ আসনের এমপি নাসির উদ্দীন, সর্বস্তরে প্রশংসার ঝড়

ঝিকরগাছা-চৌগাছা উপজেলায় করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যশোর- ২ আসনের এমপি নাসির উদ্দীন, সর্বস্তরে প্রশংসার ঝড়


মো: মহসীন আলী সম্পাদক ও প্রকাশক কপোতাক্ষ নিউজ: যশোরের ঝিকরগাছা চৌগাছা উপজেলার করোনার ভয় কে উপেক্ষা করে জনসাধারণের সেবায় নিয়োজিত রেখে জনসাধারণের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছেন যশোর -২ আসনের মাননীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল ( অব: )অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ নাসির উদ্দিন। তিনি ২৪ ঘন্টায় চৌগাছা ঝিকরগাছা উপজেলার জনসাধারণের সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে চলেছেন। যার নিজস্ব মোবাইল ফোন ২৪ ঘন্টায় জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে রেখেছেন। কোন সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায় করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, সেজন্য তিনি সার্বক্ষণিক তদারকি করে চলেছেন ।জানা যায় করোনার  প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করার জন্য তার নির্দেশে চৌগাছা-ঝিকরগাছা দুই উপজেলার ওয়ার্ড পর্যায়ে থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যন্ত ত্রাণ কমিটি, করোনা মোকাবেলা জনসচেতনতা মূলক  কমিটি নামের একাধিক কমিটি করা হয়েছে। মাননীয় সাংসদ সেই কমিটির মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করছেন ,সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন তাদেরকে নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। দেশনেত্রী, বিশ্ব মানবতার মা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ত্রাণ সামগ্রী যেন সুষ্ঠুভাবে গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে বন্টণ করা হয় সে লক্ষ্যে আলাদা আলাদা কমিটি করা হয়েছে ।যে কমিটির মাধ্যমে সুশৃংখলভাবে অসহায় ও গরীব এর নাম অন্তর্ভুক্ত করার মধ্য দিয়ে তাদের খাবার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন ।কোন রকম শৃঙ্খলার বিপর্যয় দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি হস্তক্ষেপ করে তার সুষ্ঠু সমাধান করে দিচ্ছেন।
প্রতিনিয়ত তিনি কখনো পায়ে হেঁটে ,কখনো গাড়ি যোগে ,কখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে তিনি জনগণকে সচেতন করার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।এলাকাবাসী জানান তিনি ভোরে পায়ে হেঁটে গিয়ে যে এলাকায় যাচ্ছেন সেই এলাকার মসজিদের মাইকে ঘোষণা  দিচ্ছেন, এলাকার মানুষ কোন কষ্টে থাকলে তার সাথে যেন যোগাযোগ করে। মাননীয় সংসদ তার ফোন নাম্বার জনসাধারণের মাঝে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন যে কারণে জনসাধারণ তাদের খোজখবর মাননীয় সাংসদ কে দিতে পারেন এবং সে অনুযায়ী মাননীয় সংসদ যেন কাজ করতে পারেন।কেউ যেন বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যায় এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা মেনে চলে সে বিষয়ে জনসমক্ষে ঘোষণা দিচ্ছেন।  এলাকার মানুষ তার কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
ঝিকরগাছা উপজেলার ১ নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম এর সুযোগ্য সভাপতি আমিনুর রহমান জানান যশোর ২ আসনের মাননীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব:) অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ নাসির উদ্দিন সার্বক্ষণিক করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পরামর্শ দিচ্ছেন ,খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে, এলাকার মানুষের সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছেন ।তিনি আরো বলেন মাননীয় এমপি মহোদয় কখনো যশোর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসকের ডাকে ছুটে চলে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে পরামর্শ দিচ্ছেন ,খোঁজখবর নিচ্ছেন কখনো আবার জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এলাকার পরিস্থিতি জানাচ্ছেন ।

এলাকার শত শত মানুষ জানান করোনা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় যশোর -২ আসনের মাননীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব:)অধ্যাপক ডাক্তার  মোঃ নাসির উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশনায় দু  উপজেলায় ডাক্তাদের সম্বনয়ে ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম গঠন করেন  এবং সেখানে নির্দেশনা প্রদান করেন এই ভাবে যে "ডাক্তারের কাছে রোগী নয় ,রোগীর কাছে ডাক্তার "।এই প্রত্যয় নিয়ে মাননীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে চলেছেন মেডিকেল টিম । মাননীয় সংসদ সদস্যর এধরনের সেবামূলক কর্মকান্ডের জন্য দু উপজেলায় সর্বসাধারণ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রশংসনীয় হয়ে উঠেছেন ।সর্বদাই কোরনা পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব বোধ করছেন এবং তার জন্য দোয়া করছেন।
উপজেলার শত শত মানুষের সাথে সাক্ষাৎকালে তারা এ প্রতিবেদককে জানান মাননীয় সংসদ সদস্য সর্বক্ষণিক যেন এলাকার মানুষকে তার সুশীতল ছায়াতলে আগলে রেখেছেন। নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে সার্বক্ষনিক ছুটে চলেছেন এলাকার মানুষের কল্যাণার্থে । নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় তিনি যদি সকালে ঝিকরগাছা উপজেলার কোথাও থাকেন, বিকালে চৌগাছা উপজেলা কোথায় গিয়ে মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন ,ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন, পরামর্শ দিচ্ছেন, অভিযান পরিচালনা করছেন ,বাজার মনিটরিং করছেন।   সংসদ সদস্যের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন তিনি  যেন উড়ন্ত পাখির মত মানুষের ডাকে সাড়া দিয়ে ছুটে যাচ্ছেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় মানুষকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন আবার সহায়তা দিচ্ছেন ।
চৌগাছা উপজেলার আপামর জনতা দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ কে জানান মাননীয় সংসদ সদস্য কখনও আইসোলেশন কেন্দ্র পরিদর্শন, কখনো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ডাক্তারদের সাথে বৈঠক, নির্দেশনা ,কখনো উপজেলার প্রশাসনের সাথে বৈঠক ও নির্দেশনা, পরামর্শ, কখনো ত্রাণ সহায়তা ,কখনো প্রচারাভিযান ,কখনো বাজার মনিটরিং এইভাবে একের পর এক করোনা মোকাবেলায় কাজ করে চলেছেন সত্যিই বিরল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি প্রতিবেদককে বলেন আমরা গর্বিত এই কারণে যে যশোর জেলায় অনেক খ্যাতনামা সংসদ সদস্য আছেন কিন্তু আমাদের মাননীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল( অব:) ডাক্তার মো: নাসির উদ্দীন যেভাবে করোনার ভয় কে তুচ্ছ করে জীবনের মায়া ত্যাগ করে আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তা তাদের মধ্যে এই ধরনের কর্মকাণ্ড সত্যিই চোখে পড়ে না।আমরা গর্বিত, তার জন্য দোয়া করি ,তিনি সত্যিই প্রশংসিত আমাদেরকে মুগ্ধ করেছেন। করোনার প্রাদুর্ভাবের  কারণে যখন কৃষকের বোরো ধান কাটার জন্য শ্রমিকের সংকট তখন মাননীয় সংসদ এর নির্দেশনায় দু উপজেলার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ কৃষকের ধান কেটে কৃষকের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। মাননীয় সাংসদ নিজে দু উপজেলার অসহায় মানুষের ক্ষেতের ধান কেটে দেওয়ার মত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আরো বেশি প্রশংসার অধিকারী হয়েছেন।
করোনা মোকাবেলায় যশোর ২ আসনের মাননীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব:)অধ্যাপক নাসির উদ্দিন এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি কপোতাক্ষ নিউজ কে জানান হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ১৯৭১ সালে সাড়া দিয়ে রণাঙ্গনে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম । আজ তারই কন্যা দেশনেত্রী বিশ্বমানবতার মা ,জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে করোনা নামক যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। এখানে নিজের জীবনকে নিয়ে ভাবি না ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মতোই নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে আমার এলাকার প্রতিটা মানুষের খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বিভিন্ন সামগ্রী সুষ্ঠুভাবে বন্ঠন করার জন্য তদারকি করছি, খোঁজখবর নিচ্ছি ২৪ ঘন্টা আমার নিজস্ব মোবাইল ফোন চালু রেখেছি ,জনগণকে বলে দিয়েছি আপনাদের কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। সেই মোতাবেক যখনই কোন ফোন পেয়েছি ,সেখানে ছুটে চলার চেষ্টা করছি ।উপজেলা প্রশাসনকে  নির্দেশনা দিচ্ছি তাদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করছি। জনগণের কষ্ট যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করছি । সাক্ষাৎকারের এক প্রশ্নে প্রতিবেদক জানতে চান সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কিন্তু আপনি তো ছুটে চলেছেন সেক্ষেত্রে আপনার শারীরিক কোনো সমস্যা হবে কিনা। সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এ যুদ্ধ নিজের জীবন বাঁচানোর যুদ্ধ নয় ,আমার নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও এই করোনা মোকাবেলায় আমি জনগণের পাশে থাকতে চাই, জনগণের খোঁজখবর নিতে চাই, জনগণকে আল্লাহতালার মেহেরবানীতে সুস্থভাবে রাখার চেষ্টা করতে চায়, যুদ্ধে যদি আমার জীবন যায় তাতেও আমি ধন্য।
এ ধরনের বক্তব্যে চৌগাছা-ঝিকরগাছা সর্বস্তরের জনগণ আরো বেশি সাহস পেয়েছেন, সন্তুষ্ট হয়েছেন। তার প্রতি মুগ্ধ হয়েছেন এবং আল্লাহ তাআলার কাছে তার জন্য দোয়া করেছেন। তিনি যেভাবে জনগণের পাশে রয়েছেন এভাবেই যেন তাদের পাশে থেকে দিকনির্দেশনা দিতে পারে সেজন্য সাধারণ জনগণ তার জন্য  আল্লাহর কাছে সুস্থতা কামনা করেছেন ।


করোনা পরিস্থিতিতেও এগিয়ে চলেছে পুনর্ভবা নদীর উপর সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের কাজ

করোনা পরিস্থিতিতেও এগিয়ে চলেছে পুনর্ভবা নদীর উপর সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের কাজ

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ
করোনা পরিস্থিতির কারনে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হলেও এগিয়ে চলেছে দিনাজপুরের সদর উপজেলার গৌরীপুর নামক স্থানে পুনর্ভবা নদীর উপর সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দিনাজপুর সদর ও বিরল উপজেলার ৩ হাজার ৬’শ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় এসে শষ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে ও ভুগর্ভস্থ পানির স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি সদর ও বিরল উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। 
গত ১৩ মে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। প্রকল্পের পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, এই কাজ দুই মাস আগেই শেষ হয়ে যেতো। কিন্তু করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে শ্রমিক ও সরঞ্জামাদি সংকটের কারনে প্রকল্পের কাজ পিছিয়েছে। তিনি আশাপ্রকাশ করেন, আগামী দুই মাসের মধ্যেই এই কাজ সম্পন্ন হবে। 
প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ জানান, সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রন কাঠামোটি বাস্তবায়িত হলে অতিরিক্ত ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট গোল সংক্ষেপে এসডিজি’র অন্তত ৮টি সূচক অর্জিত হবে। খরা মৌসুমে জেলার দক্ষিনাংশে খাওয়ার পানি সংকট দূর হবে। তিনি জানান,  সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রন কাঠামোটি নির্মানের উদ্দেশ্য হলো-দিনাজপুর সদর ও বিরল উপজেলার প্রায় ৩৬’শ হেক্টর জমিকে চাষের আওতায় এনে শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি। ভূগর্ভস্থ পানি স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রকল্প সংলগ্ন হাজার হাজার পরিবারের পানের পানি সংকট দূর করা ও আর্সেনিকের আবির্ভাব প্রতিহত করা। দুটি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নদী ও শাখা খালে দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষ বৃদ্ধি করা।
জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি’র ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় দিনাজপুর সদর উপজেলার ৯নং আস্করপুর ইউনিয়নের গৌরীপুর লালমাটিয়া পুনর্ভবা নদীর উপর নির্মিত হচ্ছে এই স্লুইচ গেট ও গার্ডার ব্রীজ প্রকল্পটি। প্রকল্পের আওতায় যে সকল নির্মান কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে তা হলো চার ভেল্ট রেগুলেটর বা ৬ মিটার থেকে ৬ দশমিক ৫০ মিটারের স্লুইস গেট, ৯২ মিটার ইউয়্যার ও ৫০০ মিটার সংযোগ সড়ক।  প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যায় ধরা হয়েছে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা।

দিনাজপুর ঘোড়াঘাট পৌরসভার মেয়রের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দিনাজপুর ঘোড়াঘাট পৌরসভার মেয়রের উপর সন্ত্রাসী হামলার  প্রতিবাদ ও বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত


প্রতিনিধি দিনাজপুর :দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে বাধা প্রদান ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবীতে দিনাজপুরে সংবাদ সম্মেরন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১৭ মে রবিবার বিকেলে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও উপজেলা অন লাইন প্রেসক্লাবের সা:সম্পাদক মো: ইফতেখার আহম্মেদ বাবু।
লিখিত বক্তব্যে বলেন,গত ১২ মে বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রতিদিনের ন্যায় রমজানের ইফতার সামগ্রী বিতরণের জন্য আমার গাড়ি ঘোড়াঘাট উপজেলা স্ব্যাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পৌছালে গাড়ির গতিরোধ করে ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম ও ৩নং সিংড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানার নেতৃত্বে ৮/১০ জনের একটি সঙ্গবদ্ধ গ্রুপ ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্য্যক্রমে অংশগ্রহনকারী গাড়িতে বসে থাকা পৌর মেয়র মো: আব্দুস সাত্তার মিলনের উপর তারা অর্তকিত হামলা করে। আমি পৌরসভার মেয়র কে রক্ষা করতে গেলে তারা আমাকে বেধরড়ক নির্মমভাবে মারপিট করে এবং গাড়িতে থাকা ব্যবসায়ী ব্যয়ের জন্য নগদ ৮৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তারা মেয়রের উপর আগ্নীয়স্ত্রসহ চাকু ছোড়া নিয়ে চোড়াও হলে আমাদের আত্ব-চিতকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়্। স্থানীয় মানুষ আমাদের উদ্ধার করে ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্ত্তি করে দেয়।
লিখিত বক্তব্যে ইফতেখার আহম্মেদ বাবু আরো বলেন,সাংবাদিকতা পেশার পাশাপাশি ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের সদস্য সেই সাথে দিনাজপুর ৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক এর একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত দায়িত্ব পালন করে আসছি। সেই সুবাধে চলমান করোনা মহামারীতে সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের ব্যক্তিগত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের কাজে তার প্রতিনিধি হিসেবে ঘোড়াঘাট পৌরসভার মেয়রের  সাথে জীবনের ঝুকি নিয়ে পরিবার থেকে দুরে থেকে বিরামহীন ভাবে আমার ব্যবহৃত প্রাইভেট কারে করে অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এমপি‘র ব্যক্তিগত পাঠানো খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছি। 
সংবাদ সম্মেলনে সুষ্ঠ বিচারের দাবীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি/সা:সম্পাদক,দিনাজপুর ৬ আসনের সংসদ সদস্য,জেলা যুবলীগের সভাপতি/সা:সম্পাদক,ঘোড়াঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি/সা: সম্পাদকের নিকট সাংগঠনিক ভাবেও বিচার দাবী করেছেন।
সংবাদ সম্মেরনে উপস্থিত ছিলেন,ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের সদস্য আবু আসাদ সরকার তৈবুর ও বিশ্ব সন্ত্রাস বিরোধী সংগঠন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সা: সম্পাদক মো: জিন্নুরাইন উল্লাস।

মানবিক মুল্যবোধের বিকাশ ঘটান, অসহায় জনগনের পাশের দাঁড়ান হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি

মানবিক মুল্যবোধের বিকাশ ঘটান, অসহায় জনগনের পাশের দাঁড়ান হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি

 দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারনে দীর্ঘদিন ধরে মানুষ কর্মহীন হয়ে ও বেকার হয়ে পড়েছেন উল্লেখ করে বলেন, লক্ষ কোটি মানুষ আজ বেকার। তাদের কোন কাজ নেই। সরকার সীমিত সামর্থের মধ্যে সাধ্যমত চেষ্টা করে এই অসহায় মানুষগুলিকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করছেন। ১০ টাকা কেজি দরে চাল ও ১৮ টাকা কেজি দরে আটা দিচ্ছেন। ৫০ লাখ পরিবারকে ২৫০০ টাকা করে দিয়েছেন। কৃষক ও ফল চাষীরা যাতে তাদের পণ্যের ন্যায্যমুল্য পায় সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন। করোনা সংক্রামন থেকে জনগনকে রক্ষা করার জন্য ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। করোনা ভাইরাস সনাক্তের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করছেন এবং নিয়মিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তৃণমুল পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির বর্তমান এই অবস্থায় থেকে সংকট উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ঋণ সুবিধাদি ও প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন। তিনি নি¤œ আয়ের কর্মহীন সব শ্রেণী পেশার মানুষের কথা চিন্তা করে তাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করার জন্য দলের নেতাকর্মী ও প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়ে মানবিক মুল্যবোধের বিকাশ ঘটার কথা বলেছেন। 
১৭ মে রবিবার দিনাজপুর শহরের নাজমা রহিম ফাউন্ডেশনে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া হিজড়া সম্প্রদায় (তৃতীয় লিঙ্গ) এর মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরন কালে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদ সরকার, শহর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রায়হান কবীর সোহাগ, সাধারন সম্পাদক খালেকুজ্জামান রাজু প্রমুখ।

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলে এক নারীর মৃত্যু

করোনার উপসর্গ নিয়ে  সাতক্ষীরা মেডিকেলে এক নারীর  মৃত্যু


আজহারুল ইসলাম সাদী, সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো এক জনের মৃত্যু হয়েছে। 
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ রফিকুল ইসলাম জানান, জ্বর ও শ্বাস কষ্ট নিয়ে গত ৪ দিন আগে সাতক্ষীরা সদরের চৌবাড়িয়া গ্রামের নূর ইসলাম গাজীর স্ত্রী তানজিরা বেগম (৫২) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলশেনে ভর্তি হন। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার ১৭ মে-২০২০ ভোর রাতে তার মৃত্যু হয়।

মেডিকেল অফিসার  ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, ওই নারী মেডিকেলে ভর্তির পর তার নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে  দ্রুত তার রিপোর্ট নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরো জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর তার বাড়ি লকডাউনসহ পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এনিয়ে সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭ জনের মৃত্যু হলো।

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা ১২৭৩ ও মৃত্যুর সংখ্যা ১৪

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা ১২৭৩ ও মৃত্যুর সংখ্যা ১৪


রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১ হাজার ২৭৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল সংখ্যা ২২ হাজার ২৬৮ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩২৮ জনে।
 
রোববার (১৭ মে) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ডিসেম্বরে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে বেশিরভাগ দেশই ভাইরাসটিতে তেমন পাত্তা দেয়নি। অনেক দেশই ধারণা করেছিল, এটি চীনা ভাইরাস এবং এর সংক্রমণ হয়তো ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়বে না। এজন্য সেখানকার দেশগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপও নেয়নি। ফলও দিতে হচ্ছে তাদের।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি, যা এখনও অব্যাহত আছে।

পঞ্চম দফায় সেই ছুটি বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। তার আগেই আরেক দফা ছুটি বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়। চলমান এ ছুটি আরেক দফা বাড়ি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়েছে।

মাধবপুর প্রেসক্লাবে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করে নির্যাতিত মোবারক উল্লাহ দোষীদের শাস্তি দাবী করলেন

মাধবপুর প্রেসক্লাবে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করে নির্যাতিত মোবারক উল্লাহ দোষীদের শাস্তি দাবী করলেন


লিটন পাঠান মাধবপুর প্রতিনিধিঃ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রেসক্লাবে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করে হাফেজ মোবারক উল্লাহ সবার সহযোগীতার মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার ও মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট অনুরোধ জানালেন। উপজেলার বানেশ্বর গ্রামের আশরাফ আলীর ফসলী জমি ভূমি খেকোরা জালিয়াতির মাধ্যমে দখল ও ড্রেজার মেশিন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ করার অভিযোগ করেছেন তার ছেলে হাফেজ মোবারক উল্লাহ। তিনি সংবাদ সম্মলনে জানান তাদের ফসলী জমি বিক্রি করতে রাজী না হওয়ায় একই গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে মনির আহম্মদ ও লোদন মিয়ার ছেলে আনিছুর রহমান জাল দলিল করে প্রশাসন কে ভুল বুঝিয়ে ড্রেজার মেশিন স্থাপন করে।  ড্রেজার মেশিন চালু অবস্থায় হাফেজ মোবারক উল্লাহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর দরখাস্তের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ড্রেজার মেশিন বন্ধ করে দিয়ে আসেন। এর পর থেকে ড্রেজার মেশিন তো বন্ধ হয়নি উপরন্তু তাদের জমির উপর পাইপ স্থাপন করে ফলে ফসলী জমি ভেঙ্গে যায়। এতে জমির মালিক আশরাফ আলী প্রতিবাদ করলে অলিউর রহমান  বাচ্চু মিয়ার দুই ছেলে মনির ও রাজু,উসমান মিয়ার ছেলে লুৎফুর রহমান,লোদন মিয়ার ছেলে আনিছুর রহমান ও জয়নাল মিয়ার ছেলে মুক্তার মিয়া গংরা বৃদ্ধ আশরাফ আলী কে শারিরীক ভাবে লাঞ্ছিত করে। তার ছেলে হাফেজ মোবারক উল্লাহ বাদী হয়ে ১০ মে থানায় একটি অভিযোগ দায়েন করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধবপুর থানার উপ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম ও ডিএসবি উপ পরিদর্শক সাইকুল ইসলাম সুজন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হাফেজ মোবারক উল্লাহ কে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা কল্প কাহিনী পোষ্ট করে যাচ্ছেন। ১৫ মে শুক্রবার বিবাদীরা তাদের নিজেদের পুকরে দিনে দুপুরে বিষ ঢেলে মাছ মেরে বাদী মোবারক উল্লাহ কে আইন ও সমাজের কাছে দোষী বানানোর অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।এমন অসহায় অবস্থায় বৃদ্ধ অসুস্থ  আশরাফ আলীর পক্ষে তার ছেলে হাফেজ মোবারক উল্লাহ আইনী সহযোগীতা চেয়েছেন।  এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন জানান,ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমি নষ্ট করার ফলে অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সেনাবাহিনীর অর্থায়নে ২৫ টি পরিবারে কাপড় ও বস্ত্র বিতরণ

সেনাবাহিনীর অর্থায়নে ২৫ টি পরিবারে কাপড় ও বস্ত্র বিতরণ

 মিঠুন কুমার রাজ 
পিরোজপুজ জেলা প্রতিনিধিঃ
 করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ আক্রমণে মানুষের জীবনমান যখন বিপর্যস্ত, বেঁচে থাকার লড়াই করেন যাচ্ছেন,ঠিক তখনই পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়ার ০১ নং ওয়ার্ডের সেনাবাহিনী মোঃ হেলাল হোসেন হাওলাদারের নিজেস্ব অর্থায়নে ২৫টি পরিবারকে কাপড় ও বস্ত্র বিতরণ করেন। শনিবার ০১ নং ইউনিয়নের বটতলা বাজারের সামনে বসে সেনাবাহিনী মোঃ হেলাল এর বড় বোন তাসলিমা বেগম ভাইয়ের পক্ষ থেকে এসব উপহার সামগ্রী এলাকার হতদরিদ্রদের মাজে বিতরণ করেন। দেশে করোনার প্রভাব ছাড়া ও প্রতি বছরই ওয়ার্ডের হতদরিদ্রের সামর্থ অনুযায়ী সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছেন মোঃ হেলাল হাওলাদার। আমি অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম আছি এবং থাকব ইনশাআল্লাহ।

ঝিকরগাছায় বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

ঝিকরগাছায় বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত,  ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ 

ঝিকরগাছা এল এস ডি কতৃক আয়োজিত অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ ২০২০ মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন।  আজ সকাল ১০ টায় ঝিকরগাছা উপজেলা খদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে উক্ত অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মনি মনিরুল  ইসলাম 
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী মজুমদার,  ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুবনা তাক্ষী, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার সন্দীপ কুমার দাশ, উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা লিটন কুমার বিশ্বাস, উপজেলা এল এস ডি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) প্রবোধ কুমার পাল, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা, ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ ইসলাম, সৈকত, জহির, সজীব, রাহুল প্রমুখ।

প্রবাসী পরিবারের জন্য চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ নেতা ইমু'র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা

প্রবাসী পরিবারের জন্য চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ নেতা ইমু'র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা


রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে লকডাউন রয়েছে দেশ এবং বিশ্বের অনেক স্হানে। লকডাউনের ফলে ঘরে থাকা হাটহাজারী উপজেলার প্রবাসী পরিবারের খোঁজ নিয়ে নিজ উদ্যোগে নিজ তহবিল থেকে ভালোবাসা উপহার প্রেরণ করছে  চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক বোর্ড সদস্য আলহাজ্ব ইউনূস গণি চৌধুরীর অনুসারী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ নেতা গাজী মোঃ ইফতেখার হোসেন ইমু।  পবিত্র মাহে রমজানে এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে প্রবাসী পরিবারের মাঝে ভালোবাসার উপহার পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। 

এ ব্যাপারে উত্তর জেলা ছাত্রলীগ নেতা ইফতেখার হোসেন ইমু'র সাথে আলাপকালে তিনি জানান, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি বড় উন্নয়ন সাধিত হয় সে প্রবাসী পরিবারের জন্য কিছু করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি।জননেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসেবে আলহাজ্ব ইউনূস গণি চৌধুরীর নির্দেশে এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। মানুষকে যাতে ঘর থেকে বের হতে না হয় সে লক্ষ্যে মানুষের ঘরে ঘরে ভালোবাসার উপহার প্রেরণ করছি।

এছাড়াও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ নেতা ইফতেখার হোসেন ইমু করোনা ভাইরাসের জন্য মানুষের সচেতনতা সৃষ্টিতে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন।

মিরসরাইয়ে শেষ বিদায়ের বন্ধু'র পরামর্শ সভা ও ইফতার মাহফিল

মিরসরাইয়ে শেষ বিদায়ের বন্ধু'র পরামর্শ সভা ও ইফতার মাহফিল


মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে করোনা সংকটকালে মৃতদের দাফন ও জানাযা সম্পন্ন করার জন্য গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শেষ বিদায়ের বন্ধু'র উদ্যোগে পরামর্শ সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার (১৬ মে) ওয়ার্লেস দারুল উলুম মাদ্রাসায় পরামর্শ সভা সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক নুরুল আলমের সঞ্চালনায় এবং কাস্টমস কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন মিরসরাই সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন, শেফা ইনসান হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এস এ ফারুক,  শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনের সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সলিম উল্লাহ, মাহবুবের রহমান চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক মাজাহারুল ইসলাম চৌধুরী, শান্তিনীড়ের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন, মুনাজাত পরিচালনা করেন শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনের সমন্বয়কারী হাফেজ  মাওলানা শোয়াইব প্রমুখ। এসময় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পরামর্শ করা হয়।

মাধবপুরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

মাধবপুরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন


লিটন পাঠান মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা বহরা ইউনিয়নের মেড়াশানী    গ্রামে ল্যাট্রিন বানানোকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের দার কোপে ছোট ভাই মুফতি আব্দুল আহাদ (৩০)খুন হয়েছেন। শনিবার রাতে ১০টার দিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

সূত্রে মাধবপুর উপজেলার  মেরাশানী গ্রামে এঘটনা ঘটে। পুলিশ ও গ্রামবাসী জানান, ওই গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে ইদন মিয়া ও তার বড় ভাই মুফতি আব্দুল আহাদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলছিল শনিবার( ১৬-মে) বিকালের দিকে আহাদ বাড়িতে একটি ল্যাট্রিন বানানোর উদ্যেগ নেয় এতে বড় ভাই ইদন বাধা দেয় এ নিয়ে দুই, 

ভাইয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয় একপর্যায়ে ইদন ছোট ভাই আহাদকে ধারালো দা দিয়ে পেছন দিক থেকে অতর্কিত মাথায় কোপ দেয় গুরুত্বর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্বার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহাদকে সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাতে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তিনি বলেন আব্দুল আহাদের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর পরই পুলিশ তার ঘাতক ভাই ইদন মিয়ার বাড়িতে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালায় ঘটনার পর পরই ইদন বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে পুলিশ তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

জলঢাকায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

জলঢাকায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা





মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল নীলফামারী প্রতিনিধি:



ঈদে প্রিয়জনকে নতুন পোশাক পছন্দ করে কিনে দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জলঢাকা উপজেলাবাসী। এবারে কৃষকরা ধান ও ভূট্টার দাম পাওয়ায় তারাও আসছে প্রিয়জনের জন্য নতুন পোষাক কিনতে। তাই জমে উঠেছে ঈদকে উপলক্ষ করে সব মার্কেটের কেনাবেচা। বাহারি রঙের দেশি-বিদেশি পোশাক সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। তবে দেশি পোশাকের তুলনায় বিদেশি পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। সরেজমিনে জলঢাকা শহরের মার্কেটগুলোতে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে সব শ্রেণীর মানুষ ছুটে আসছেন কাপড়ের দোকান গুলোতে। আর দোকানিরা বাহারি রঙ্গের দেশি-বিদেশি পোশাক টাঙ্গিয়ে রেখেছেন দোকানগুলোতে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের আনাগোনা যেন চোখে পড়ার মতো। ছেলেরা পছন্দ করে বেশি কিনছেন কিলার, ট্রাম্প, মুনলাইট নামের জিন্স প্যান্ট ও কার্ট-পাঞ্জাবি। মেয়েরা কিনছেন ঝোঁক ‘পিউ, পামেলা, পাংচুয়া, কিংবা ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ইত্যাদি নামসহ ভারতীয় স্টার জলসা, স্টার প-াস ও জি বাংলা সিরিয়ালের বিভিন্ন নামে মার্কেটে আসা পোশাকের দিকে। ক্রেতাদের দাবী দাম একটু বেশি হওয়ার পরেও পছন্দের পোশাকটি বাধ্য হয়ে কিনছেন তারা। মার্কেট করতে আসা মাস্টারপাড়া এলাকার জাহেদুল মুন্সি বলেন, এবার ঈদে আমার ছেলেদের জন্য দাম বেশী হলেও ভিন্ন ধরনের নতুন কিনলাম। পাঞ্জাবির দাম বেশি তাই এখনও কিনতে পারিনি। জিরো পয়েন্ট মোড়ের সোনালী বস্ত্রালয়ে ঈদের নতুন পোশাক কিনতে আসা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিভা আমজাদ বলেন, জলঢাকার মার্কেট গুলোতে মান সম্মত কাপড় পাওয়া না গেলেও চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। এদিকে বিক্রেতারা বলছেন কয়েক বছর ধরে ভারতীয় সিরিয়ালের নামের ও অনুকরণে তৈরি পোশাক বেশি চলায় এবারও তার প্রভাব আগের চেয়ে অনেক বেশি। নিউ আল-আমিন বস্ত্রালয়ের মালিক আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব বলেন, গত বারের তুলনায় এবার বেচাকেনা ভালো। চাহিদা আনুযায়ী সব ধরনের পোশাক তুলেছি দোকানে। দাম ক্রেতাদের নাগালে থাকায় পছন্দের পোশাকটি কিনতে পারছেন সবাই। তবে জলঢাকার বড় বড় কাপড়ের দোকান গুলোতে উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন কেনাকাটা কররেও গুদুরীপট্টি ও কাপড় পট্টির দোকান গুলোতে দেখা যাচ্ছে নিম্নবিত্ত পরিবারের লোকজনের উপচে পড়া ভীর। সেখান দাম একটু কম বলে তারা সেরে নিচ্ছেন তাদের পছন্দের কেনাকাটা। এদিকে শুধু কাপড়ের দোকান গুলোতে ভীর দেখা যাচ্ছে না। ভীর দেখা যাচ্ছে দর্জির দোকান,কসমেটিক্স,জুতা,সেন্ডেল,মসলাসহ গলামালের দোকানগুলোতেও । ঈদ আসতে এখনো কয়েকদিন বাকী আছে শেষ মহুর্তে মাকের্ট গুলোতে কেনাকাটা আরো বাড়বে বলে মনে করছেন অনেক দোকান মালিকগন।

২৫০ জনকে ইফতার করালো সফিপুর গ্লাডিয়েটরস

২৫০ জনকে  ইফতার করালো সফিপুর গ্লাডিয়েটরস

স্টাফ রিপোর্টারঃ  

করোনা ও পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছে গাজিপুর জেলার সফিপুরের একদল উদ্যমি যুবক। তাদের সংগঠন সফিপুর গ্লাডিয়েটরসের উদ্যোগে ইতিমধ্যে ২৫০ জন রোজাদারকে ইফতার করানো হয়।

এরআগে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায় তারা। করোনার শুরু থেকেই কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে তারা।

এবিষয়ে সংগঠনের পরিচালক কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কালিয়াকৈর পৌর শাখার যুগ্ন আহবায়ক তুহিন আল রাব্বী বলেন ,"আসুন নিজে ইফতার করি এবং নিজের ইফতার অন্যের সাথে ভাগাভাগি করি।"

এছাড়াও পরিচালক কমিটির অন্য সদস্য রফিকুল ইসলাম রিফাত বলেন ,"দেশের যুবক ভাইরা এগিয়ে আসুন , আমরা যার যার এলাকার হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাড়াই তবেই দেশের এই দূযোগকালীন সময় পার করা সম্ভব।  "

মরহুম মো.মোশাররফ বেপাড়ীর সহধর্মিণী আর নেই,বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ

 মরহুম মো.মোশাররফ বেপাড়ীর সহধর্মিণী আর নেই,বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ

ডা.এম.এ.মান্নান,নাগরপুর(টাংগাইল) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)নাগরপুর উপজেলা শাখার সাহসী,ত্যাগী ও একনিষ্ঠ কর্মী মরহুম মো.মোশাররফ বেপাড়ীর সহধর্মিণী মোছা.নুরভানু বেগম(৪৫)আজ ১৭ মে রোজ রবিবার রাত ১২.৩০ মিনিটে দুয়াজানী কলেজ পাড়া,নাগরপুর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পিত্তথলি পাথর সহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।মরহুমার জানাযা বাদ যোহর দুয়াজানী কলেজ পাড়া জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। 
এদিকে মরহুমা মোছা.নুরভানুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও নাগরপুর -দেলদুয়ার এর গণমানুষের নেতা সাবেক সাংসদ ও প্রতিমন্ত্রী জননেতা এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী। এছাড়াও দুয়াজানী কলেজ পাড়া ছাত্র কল্যান পরিষদ,আহাস্মদ হোসেন হোমিও ক্লিনিক,নাগরপুর বাজার মৎস্য কল্যান সমিতি সহ সমাজের সর্বস্বরের জন সাধারন গভীর শোক প্রকাশ ও  সমবেদনা জ্ঞাপন ও তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছেন এবং মরহুমার জন্য  মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া ও মরহুমাকে যেন সকল গুনাহ মাফ করে জান্নাত নসিব এবং পরিবারবর্গকে এই বিশাল মৃত্যুশোক কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা দান করেন,আমিন। মরহুমার দুই ছেলে ও বউ,নাতি এবং এক মেয়ে সহ অসংখ্যক আত্বীয় স্বজন রেখে গেছেন।

জলঢাকায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে জমজমাট ঈদ মার্কেট

জলঢাকায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে জমজমাট ঈদ মার্কেট



মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল নীলফামারী প্রতিনিধি: 




 নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার স্বল্প পরিসরে, স্বাস্থ্য বিধি মেনেই ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিয়েছিলো। অথচ সরকার ঘোষিত সেই নির্দেশনা না মেনেই উপজেলার রিয়াদ সুপার মার্কেট, আবু তালেব মার্কেট, চৌধুরী মার্কেট, নিউ মার্কেট, সোনালী বস্ত্রালয়, পৌর মার্কেট ( গুদরিপট্টি), জুতার দোকান, কসমেটিকস মার্কেট ও মসল্লা পট্টিতে চলছে পুরোদমে ঈদের কেনাকাটা। কোন নিয়মই মানা হচ্ছে না এসব মার্কেটে। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই করছে কেনাকাটা ক্রেতারা। দীর্ঘ দুইমাস পর ছোটবড় সব দোকানপাট খুলে দেওয়ায় রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন ব্যবসাকেন্দ্রে মানুষের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ করা যাচ্ছে। বরাবরের মতো মার্কেটগুলোতে পুরুষের তুলনায় মহিলা ও শিশুদের উপস্থিতি লক্ষনীয়। বৈশ্বিক মহামারী করোনার প্রভাব যেন তাদের স্পর্শ করতেই পারেনি। এতে করোনা আক্রমনের ঝুকি বেড়ে গেছে উপজেলার কমিউনিটিতে। আবু তালেব মার্কেটে কথা হয় রোজিনা বেগমের সাথে, তিনি বলেন পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি। গতবারের চেয়েও কাপড়ের দাম এবার বেশি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনেই বেচাকেনা করছি। তবে করোনার প্রভাবে অন্যান্য ঈদের তুলনায় লোক সমাগম এবার অনেক কম। বেচাকেনাও হচ্ছে তুলনামূলক কম। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর উপজেলাবাসীকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করার আহবান জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান বলেন, সকল ব‌্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ব‌্যবসা পরিচালনা করার কথা বলা হয়েছে। তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা, ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের মাস্ক পরা, হ্যান্ড গ্লোভস ব্যবহার করা, চার ফুট দূরত্বে ক্রেতাদের অবস্থান নিশ্চিত করা, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের সকাল ১০ টা হইতে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিমিত রাখার কথা বলা হয়েছে। "স্বাস্থ্যবিধি না মানলে, মৃত্যু ঝুকি আছে" লেখা সম্বলিত ব্যানার প্রত্যকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে টানানোর কথা বলেন তিনি। এসব নির্দেশনা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ডোমারে ধানের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি কেড়ে নিলো নেক ব্লাস্ট রোগ

ডোমারে ধানের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি কেড়ে নিলো নেক ব্লাস্ট রোগ




মোঃ হাবিবুর রহমান শাকিল নীলফামারী প্রতিনিধি:



করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়েপড়া নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কৃষকদের মুখে হাঁসি ফিরে আসে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলনে। তবে সেই হাঁসি আবারো ম্লান করে দিয়েছে ধানের নেক ব্লাস্ট রোগ। এ রোগে কোন কৃষককের আংশিক আবার কারো কারো ক্ষেতের বড় অংশের ধান চিটা হয়ে গেছে। কৃষকরা কৃষি কর্মকর্তাদের পাশ্বে না পাওয়ার অভিযোগ করলেও কৃষি দপ্তর কৃষকদের সকল ধরনের সহযোগীতা করেছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান। উপজেলার খামার বামুনিয়া এলাকার মতিউর রহমান বুলেট বলেন, আমি এবার ছয় বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। এরমধ্যে আড়াই বিঘা জমির ধান শতকরা ৮০ ভাগ ব্লাস্ট রোগে চিটা হয়ে গেছে। ওই এলাকার শাহিনুর রহমান, হবিবর রহমান, আলম হোসেন জানান, তাদের জমিতে নেক ব্লাস্ট রোগে ধান চিটা হয়ে গেছে। তারা কৃষি কর্মকর্তাদের এ রোগের কথা জানালে, কৃষি কর্মকর্তারা ধান ক্ষেতে না গিয়ে দুইটি ।ঔষধ স্প্রে করতে বলে। স্প্রে করার পর নেক ব্লাষ্টের আক্রোমন আরো বেড়ে যায়। আন্ধারুর মোড় এলাকার কৃষক নাজিমুদ্দিন জানান, ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দেওয়ায় চিন্তায় পড়ে যাই। তাই ধানে সামান্য পাক ধারতেই ধান কেটে নেই। এতে যা পাবো তাই লাভ। বসুনিয়া এলাকার কৃষক মোসলেম উদ্দিন জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে কোন কাজ করতে পারি না। এবারে ধানের বাম্পার ফলনে আমরা কৃষকদের মুখে কিছুটা হাঁসি ফোটে। তবে নেক ব্লাস্ট রোগে ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা যদি তদারকি করে আমাদের কৃষকদের পরামর্শ দিত, তাহলে হয়তো এ রোগ সেভাবে বিস্তার করতে পারতো না। এ ব্যপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আনিছুজ্জামান জানান, করোনা মহামারির সময়ও আমরা কৃষকদের সকল ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। কিছু জায়গায় নেক ব্লাস্ট রোগ আক্রমন করেছে। কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকদের চেষ্টায় আমরা তা নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছি। নেক ব্লাস্ট শুধুমাত্র ব্রি ধান-২৮ জাতে আক্রমন করে। কৃষি দপ্তরের পক্ষ হতে আমরা এ জাতের ধান চাষে নিরুসাহিত করে অন্যান্যা উচ্চ ফলনশীল ধান চাষের পরামর্শ দেই। প্রসঙ্গত, এ উপজেলায় মোট ১৩ হাজার একশ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে।